পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৫: Full Model Test - 5
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৫ প্রশ্ন

.
’সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের’ আহ্বায়ক ছিলেন কে?
  1. আবুল কাসেম
  2. আব্দুল মতিন 
  3. কাজী গোলাম মাহবুব
  4. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
কাজী গোলাম মাহবুব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী গোলাম মাহবুব
ব্যাখ্যা

 ভাষা আন্দোলন:
- ১৯৫২ সালের ২৬শে জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভায় পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন জিন্নাহর অনুকরণে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার নতুন ঘোষণা প্রদান করেন।
- এর প্রতিবাদে ছাত্রসমাজ ৩০শে জানুয়ারি ধর্মঘট পালন করে।
- আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- ৩১শে জানুয়ারি কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে নতুনভাবে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়।
৪ঠা ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্র বিক্ষোভ প্রদর্শিত হয়।
- ২১শে ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী সাধারণ হরতাল পালন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
 -  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম উদ্যেগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

.
গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে কবে? 
  1. ২০২৫সালে
  2. ২০২৬ সালে
  3. ২০২৭ সালে
  4. ২০৩০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
ব্যাখ্যা

- ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি ১৯৯৬ সালে ৩০ বছরের জন্য স্বাক্ষরিত হয়।
- ২০২৬ সালের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে।

• গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- হিমালয়ের হিমবাহে উৎপন্ন গঙ্গা নদী।
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- গঙ্গা নদী বাংলাদেশে পদ্মা নামে অভিহিত।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- এ অঞ্চলের পানিসম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন সরকার ও ভারতের - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একটি স্থায়ী যৌথ নদী কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে এক যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন।
- এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে একটি যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

.
বাংলাদেশ কোন সংস্থার সদস্য দেশ নয়? [অক্টোবর,২০২৫]
  1. আইএমএফ
  2. ন্যাম
  3. ওআইসি
  4. আসিয়ান
সঠিক উত্তর:
আসিয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসিয়ান
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ IMF, NAM, OIC সদস্য দেশ  কিন্তু আসিয়ানে সদস্য দেশ নয়।

ASEAN:
- ASEAN এর পূর্ণরূপ Association of Southeast Asian Nations.
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- এর সদরদপ্তর অবস্থিত জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- এর বর্তমান সদস্য দেশ ১০টি।
- সদস্য দেশগুলো: মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।
- আসিয়ানের ১১তম সম্ভাব্য দেশ পূর্ব তিমুর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ IMF এর সদস্য পদ লাভ করে ১৭ আগস্ট ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ NAM সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৩ সালে।
- বাংলাদেশ OIC সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৪ সালে।

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।

.
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) সদস্য দেশ কতটি? [অক্টোবর,২০২৫]
  1. ১৯৩টি
  2. ১৮৭টি
  3. ১৮৯টি
  4. ১৮৪টি
সঠিক উত্তর:
১৮৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৭টি
ব্যাখ্যা

ILO:
- ILO এর পূর্ণরূপ International Labour Organization.
- সংস্থাটি ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯১৯ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি। [অক্টোবর,২০২৫]
- জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ: ১৯৪৬ সালে।
- ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- বর্তমান মহাপরিচালক: Gilbert F. Houngbo (টোগো)
- প্রথম আফ্রিকান যিনি ILO-এর প্রধান হন (২০২২ থেকে দায়িত্বে)।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
​- Global Wage Report: বৈশ্বিক মজুরি প্রবণতা পর্যালোচনা করে।

উৎস: ILO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

.
‘লাদাখ’ কোথায় অবস্থিত? 
  1. ভারত
  2. চীন
  3. পাকিস্তান
  4. নেপাল
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা

লাদাখ:
- লাদাখ ভারতের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত একটি ইউনিয়ন টেরিটরি (Union Territory),
- যা জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের অংশ ছিল এবং ২০১৯ সালে আলাদা ইউনিয়ন টেরিটরি হিসেবে গঠিত হয়।
- এটি কারাকোরাম এবং পশ্চিম হিমালয় পর্বতমালার কাছে অবস্থিত।
- লাদাখের সংস্কৃতি এবং ইতিহাস তিব্বতের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।

উল্লেখ্য,
ভারত: 
- সরকারের ধরন: সংসদীয় গণতন্ত্র ও প্রজাতন্ত্র।
- রাজধানী: নয়াদিল্লি।
- সরকার প্রধান: নরেন্দ্র মোদী। 
- রাষ্ট্রপতি: দ্রৌপদী মুর্মু।
- সংবিধান গৃহীত: ২৬ নভেম্বর ১৯৪৯;
- কার্যকর ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০।
- স্বাধীনতা লাভ: ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ (ব্রিটিশ শাসন থেকে)।
- ভাষা: সরকারি ভাষা: হিন্দি ও ইংরেজি।
- মুদ্রা: ভারতীয় রুপি।
- জনসংখ্যা: জনসংখ্যায় বিশ্বের বড় দেশ।
- জাতীয় পশু: বাঘ।
- জাতীয় পাখি: ময়ূর।
- ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র।
• ভারতের ২৮টি অঙ্গরাজ্য ও ৮টি ইউনিয়ন টেরিটরি অঞ্চল রয়েছে।
- ভারতের সবচেয় বড় অঙ্গরাজ্য: রাজস্থান। [আয়তনে]। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 

.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটের পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে কত শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে? 
  1. ১২%
  2. ১১%
  3. ৯.০%
  4. ১৫%
সঠিক উত্তর:
৯.০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.০%
ব্যাখ্যা

• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতসমূহ,
- প্রথম অবস্থানে জনপ্রশাসন ২৩.৫%।
- দ্বিতীয় অবস্থানে শিক্ষা ও প্রযুক্তি ১৪.০%।
- তৃতীয় অবস্থানে পরিবহন ও যোগাযোগ - ৯.০%।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অউন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: সুদ।

উল্লেখ্য,
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

.
’রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্র’ কোথায় অবস্থিত?
  1.  সিলেট
  2. হবিগঞ্জ 
  3. মৌলভীবাজার
  4. কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ 
ব্যাখ্যা

রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্র হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার অবস্থিত।

- হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্রের ৩ নম্বর কূপের সংস্কার (ওয়ার্কওভার) কার্যক্রম চালানোর পর নতুন গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- ৩ নম্বর কূপ থেকে ১০ বছরে ২৫ দশমিক ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- বর্তমানে প্রতি ঘনমিটার এলএনজির দাম ৬৫ টাকা বিবেচনা করলে ওই কূপ থেকে আনুমানিক ৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকার গ্যাস পাওয়া যাবে।

উৎস: পত্রিকার রিপোর্ট।[লিঙ্ক]

.
কোন দুটি দেশের মধ্যে ‘শতবর্ষ ব্যাপী যুদ্ধ’ হয়েছিল?
  1. ইংল্যান্ড এবং জার্মানি
  2. ফ্রান্স এবং স্পেন
  3. ইংল্যান্ড এবং ইতালি
  4. ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ:
- শতবর্ষ যুদ্ধ (Hundred Years' War) একটি দীর্ঘকালীন যা ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্বকাল ছিল ১৩৩৭ সাল থেকে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত।
- এই যুদ্ধের মূল কারণ ছিল ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে জমির মালিকানা এবং রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে বিরোধ।
- ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় এডওয়ার্ড (Edward III) ফ্রান্সের সিংহাসনের জন্য তার অধিকার দাবি করেন।
- ফ্রান্সের রাজা পঞ্চম ফিলিপ (Philip VI) এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন এবং এর ফলে যুদ্ধের সূচনা হয়।
- এই যুদ্ধে ফ্রান্স বিজয় লাভ করে এবং ইংল্যান্ডের অধিকাংশ ভূখণ্ড পুনরুদ্ধার করে।

উৎস: হিস্টোরি. কম

.
পশ্চাৎ স্বরধ্বনি কোনটি?




সঠিক উত্তর:

উত্তর
সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা

• জিভের অগ্রপশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী বাংলা স্বরধ্বনি ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
সম্মুখ স্বরধ্বনি: ৩টি (ই, এ, অ্যা)।
কেন্দ্রীয়/মধ্য স্বরধ্বনি: ১টি (আ)
পশ্চাৎ স্বরধ্বনি: ৩টি (অ, ও, উ)।

• কোমল তালুর অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনি ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
মৌখিক স্বরধ্বনি: ৭টি স্বরধ্বনির স্বাভাবিক উচ্চারণ
অনুনাসিক স্বরধ্বনি: ৭টি স্বরধ্বনির অনুনাসিক উচ্চারণ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-২০২১ সংস্করণ)।

১০.
অন্তর্হতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ফাল্গুন > ফাগুন
  2. ফলাহার > ফলার
  3. আজ > আজি
  4. গাহিল > গাইল
সঠিক উত্তর:
আজ > আজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজ > আজি
ব্যাখ্যা

• অন্তর্হতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ নয়-   আজ > আজি। 

• অন্তর্হতি ধ্বনি পরিবর্তন:

শব্দের মধ্যস্থ কোনো স্বরহীন বা স্বরযুক্ত ব্যঞ্জনের লোপ ঘটলে তাকে অন্তর্হতি বলা হয়।
যেমন:
- ফাল্গুন > ফাগুন,
- পূর্ব > পুব,
- আলাহিদা > আলাদা,
- ফলাহার > ফলার,
- গাহিল > গাইল, 
- চাহিল > চাইল।

অন্যদিকে, 
-------------------
• অন্ত্যস্বরাগম: উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা অন্য কোনো কারণে শব্দের শেষে স্বরধ্বনির আগমন ঘটলে তাকে স্বরাগম বলে।
যেমন: আজ > আজি। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-২০২১ সংস্করণ)।

১১.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. তোষক 
  2. তোশক 
  3. তোসক 
  4. উপরের সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
তোশক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তোশক 
ব্যাখ্যা

শুদ্ধ বানান- তোশক।
- সঠিক উচ্চারণ: তোশোক্‌। 
- এটি একটি ফারসি শব্দ।
অর্থ:
- বিছানায় চাদরের নিচে পাতা হয় এমন তুলা কৃত্রিম স্পঞ্জ প্রভৃতির তৈরি গদিবিশেষ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

১২.
'কেষ্ট-বিষ্টু' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. উপযুক্ত ব্যক্তি
  2. নিরস
  3. সামান্য লোক
  4. বিশিষ্ট ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
বিশিষ্ট ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশিষ্ট ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

• 'কেষ্ট-বিষ্টু' বাগ্‌ধারার অর্থ - বিশিষ্ট ব্যক্তি। 

অন্যদিকে, 
• 'কাঠখোট্টা' অর্থ - নিরস। 
• 'কাজের কাজি' অর্থ - উপযুক্ত ব্যক্তি। 
• 'চুনোপুঁটি' অর্থ - সামান্য লোক। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-২০২১ সংস্করণ)।

১৩.
'বউ ঠাকুরাণীর হাট' উপন্যাসের কাহিনি অবলম্বনে রচিত নাটক কোনটি?
  1. ডাকঘর
  2. বিসর্জন
  3. প্রায়শ্চিত্ত
  4. রক্তকরবী
সঠিক উত্তর:
প্রায়শ্চিত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায়শ্চিত্ত
ব্যাখ্যা

• 'প্রায়শ্চিত্ত' নাটক:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বউ ঠাকুরাণীর হাট' উপন্যাসের কাহিনি অবলম্বনে রচিত নাটক 'প্রায়শ্চিত্ত'। এটি প্রকাশিত হয় ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে।
- এই নাটকেই ধনঞ্জয় বৈরাগী চরিত্রের আবির্ভাব। 
- 'প্রায়শ্চিত্ত' নাটককে বলা হয় রবীন্দ্রনাথের শেষ মানভূমিক নাটক। নাটকটি পঞ্চাঙ্কের।
- টলস্টয়ের নিষ্ক্রিয় প্রতিরোধ নীতির প্রভাব ও গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনের পূর্বাভাস পাওয়া যায় এ নাটকে।
-'প্রায়শ্চিত্ত' নাটকের নতুন ও পরিবর্তিত সংস্করণ 'পরিত্রাণ' নাটক। এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে।

'প্রায়শ্চিত্ত' নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- ধনঞ্জয় বৈরাগী,
- সুরমা,
- উদয়াদিত্য,
- বিভা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
-------------------
• 'ডাকঘর' (১৯১২ খ্রিস্টাব্দ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক। নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো- মাধব দত্ত, 
অমল, সুধা। 

• 'বিসর্জন' (১৮৯১) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি নাটক। 'রাজর্ষি' উপন্যাসের প্রথমাংশ অবলম্বনে 'বিসর্জন' নাটকটি রচিত হয়। এই নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: জয়সিংহ, রঘুপতি, অর্পনা।

• 'রক্তকরবী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাংকেতিক নাটক। নাটকটি বাংলা ১৩৩০ সনের শিলং-এর শৈলবাসে রচিত। উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো: নন্দিনী, রঞ্জন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৪.
'খেলাঘর' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. শওকত ওসমান
  3. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস 
  4. মাহমুদুল হক
সঠিক উত্তর:
মাহমুদুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাহমুদুল হক
ব্যাখ্যা

• 'খেলাঘর' উপন্যাস:
- 'খেলাঘর' (১৯৮৮) মাহমুদুল হক রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
-  ‘খেলাঘর’ অবলম্বনে মোরশেদুল ইসলাম ২০০৬ সালে  একই নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন।
 চরিত্র: রেহানা, মুকল ও ইয়াকুব।

--------------------
• মাহমুদুল হক:
- মাহমুদুল হক একজন বাংলাদেশি লেখক।
- তাঁকে বাংলা সাহিত্যের একজন শক্তিমান কথাশিল্পী বলা হয়ে থাকে। তাঁর লেখনশৈলী ও শব্দচয়নের মুনশিয়ানা চমকপ্রদ।

তাঁর রচিত উপন্যাস হচ্ছে:
- কালো বরফ (এই উপন্যাসে দেশবিভাগের কাহিনী ব্যাপকভাবে উঠে এসেছে),
- জীবন আমার বোন (এই উপন্যাস বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে রচিত),
- খেলাঘর (মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক),
- অনুর পাঠশালা,
- নিরাপদ তন্দ্রা,
- অশরীরী,
- পাতালপুরী,
- মাটির জাহাজ ইত্যাদি।

উৎস: 'খেলাঘর' উপন্যাস এবং  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫.
‘চাকা’ নাটকটি কোন নাট্যকারের রচনা?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. সেলিম আল দীন
  3. বিজন ভট্টাচার্য 
  4. নুরুল মোমেন 
সঠিক উত্তর:
সেলিম আল দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলিম আল দীন
ব্যাখ্যা

• ‘চাকা’ নাটক:
- নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ও গণতন্ত্রের ফিরে আসাকে কেন্দ্র করে সেলিম আল দীন রচিত নাটক ‘চাকা’।

- গরুর গাড়িতে একটি লাশ যায় গ্রামের বাড়িতে। কিন্তু ঠিকানা খুঁজে না পেয়ে সেটি ঘুরতেই থাকে। লোকনাট্য ধারায় রচিত কথানাট্যটিকে অবিরাম পথচলার এক অপূর্ব আখ্যান বলা যায়।

- ১৯৯৩ সালে এই নাটকটি নিয়ে পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম সিনেমা নির্মাণ করেন।

--------------------
• সেলিম আল দীন রচিত অন্যান্য নাটকগুলো হলো-
- ঘুম নেই,
- সর্প বিষয়ক গল্প,
- মুনতাসির’ 
- কীত্তনখোলা,
- হরগজ,
- হাতহদাই,
- ধাবমান‘সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য নাটক,
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন,
- পুত্র,
- জুলান,
- বাসন,
- কেরামতমঙ্গল,
- যৈবতী কন্যার মন,
- বনপাংশুল,
- প্রাচ্য,
- নিমজ্জন,
- স্বর্ণবোয়াল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া এবং ‘চাকা’ নাটক । 

১৬.
চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৩৮ সালে
  2. ১৯১৬ সালে
  3. ১৯২৩ সালে
  4. ১৯২৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৩৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩৮ সালে
ব্যাখ্যা

• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন। এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবার গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।

- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়। সুকুমার সেন মনে করেন যে, চর্যাপদের পদসংখ্যা ৫১টি; তবে তিনি তার 'চর্যাগীতি পদাবলী' গ্রন্থে ৫০টি পদের উল্লেখ করেছেন। আলোচনা অংশে তার বক্তব্য মুনিদত্ত ৫০টি ব্যাখ্যা করেছিলেন।

- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে। আবার ড. শহীদুল্লাহ চর্যাপদের পদ সংখ্যা ৫০টি বলে মনে করেন।

- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র। ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম, বাংলাপিডিয়া।

১৭.
অভাব অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস কোনটি?
  1. উচ্ছৃঙ্খল
  2. প্রতিকূল
  3. নির্ভাবনা
  4. উদ্বেল
সঠিক উত্তর:
নির্ভাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্ভাবনা
ব্যাখ্যা

• অব্যয়ীভাব সমাস:
পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়।
যেমন:

• অতিক্রান্ত (উৎ) অর্থে:
- বেলাকে অতিক্রান্ত = উদ্বেল,
- শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত = উচ্ছৃঙ্খল।

• অভাব (নিঃ = নির) অর্থে:
- আমিষের অভাব = নিরামিষ,
- ভাবনার অভাব = নির্ভাবনা,
- জলের অভাব- = নির্জল, 
- উৎসাহের অভাব = নিরুৎসাহ।

• অনতিক্রম্যতা (যথা) অর্থে:
- রীতিকে অতিক্রম না করে = যথারীতি,
- সাধ্যকে অতিক্রম না করে = যথাসাধ্য।

• সাদৃশ্য অর্থে:
- বনের সদৃশ = উপবন,
- শহরের সদৃশ = উপশহর।

• পশ্চাৎ অর্থে:
- পশ্চাৎ ধাবন = অনুধাবন।

• বিরোধ (প্রতি) অর্থে:
- বিরুদ্ধ বাদ = প্রতিবাদ,
- বিরুদ্ধ কূল = প্রতিকূল

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০২১ ও ২০১৮ সংস্করণ)।

১৮.
'ভেদ করা হয়নি এমন' এক কথায় কী বলে?
  1. অবিসংবাদী
  2. অভেদ
  3. অসংবৃত
  4. অবিদীর্ণ
সঠিক উত্তর:
অবিদীর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিদীর্ণ
ব্যাখ্যা

• 'ভেদ করা হয়নি এমন' - অবিদীর্ণ।

অন্যদিকে, 
---------------
• 'যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই' এক কথায় বলে - অবিসংবাদী।
• 'ভেদের অভাব' এক কথায় বলে - অভেদ। 
• 'বসন আগলা যার' এক কথায় বলে - অসংবৃত।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৯.

  1. 27
  2. 63
  3. 72
  4. 287
সঠিক উত্তর:
63
উত্তর
সঠিক উত্তর:
63
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:
দেওয়া আছে,
2x - 2/x = 3
⇒ 2(x - 1/x) = 3
∴ x - 1/x = 3/2

এখন,
8(x3 - 1/x3)
= 8 × (x3 - 1/x3)
= 8 × [{x - (1/x)3} + 3 . x . 1/x . (x - 1/x)]
= 8 × {(3/2)3 + 3(3/2)}
= 8 × {(27/8) + (9/2)}
= 8 × (27 + 36)/8
= 8 × 63/8
= 63

∴ নির্ণেয় মান হলো 63

২০.

  1. (x - 1)/(x + 3)
  2. (x + 4)/(x - 1)
  3. (x - 4) (x + 3)
  4. (x + 3)/(x - 1)
সঠিক উত্তর:
(x + 3)/(x - 1)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(x + 3)/(x - 1)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

২১.
400 এর 2√5 ভিত্তিক লগ কত?
  1. 2
  2. 2/5
  3. 4
  4. 8/7
সঠিক উত্তর:
4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 400 এর 2√5 ভিত্তিক লগ কত?

সমাধান:
ধরি, log2√5 400 = x
⇒ (2√5)x = 400
⇒ (√20)x = 400  [2√5 = √4 × √5 = √20]
⇒ 20x/2 = 400
⇒ 20x/2 = 202
⇒ x/2 = 2
∴ x = 4

২২.
রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী প্রধান হরমোন কোনটি?
  1. ইস্ট্রোজেন
  2. অ্যাড্রেনালিন
  3. থাইরক্সিন
  4. ইনসুলিন
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন
ব্যাখ্যা

•  ইনসুলিন হলো রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী প্রধান হরমোন।

• ইনসুলিন:
- ইনসুলিন একটি হরমোন।
- ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।
- কোনো কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়।
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন।
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে।

অন্যান্য অপশন:
- ইস্ট্রোজেন: ওভারি (ডিম্বাশয়) থেকে নিঃসৃত হয়ে প্রজনন এবং সেকেন্ডারি যৌন বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে, গ্লুকোজের সাথে কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
- অ্যাড্রেনালিন: এটি স্ট্রেসের সময় অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়ে অস্থায়ীভাবে রক্তের শর্করা বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু নিয়মিত নিয়ন্ত্রণ করে না।
- থাইরক্সিন: এটি থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়ে দেহের বিপাকীয় হার (Metabolic Rate) নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু গ্লুকোজের সরাসরি নিয়ন্ত্রক নয়।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
একই চাপের উপর একটি বৃত্তের কেন্দ্রস্থ কোণ ১৫০° হলে বৃত্তের পরিধিস্থ কোণ কত?
  1. ১০৫° 
  2. ৩০০°
  3. ৯০°
  4. ৭৫°
সঠিক উত্তর:
৭৫°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৫°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একই চাপের উপর একটি বৃত্তের কেন্দ্রস্থ কোণ ১৫০° হলে বৃত্তের পরিধিস্থ কোণ কত?

সমাধান:
• বৃত্তের একই চাপের উপর দণ্ডায়মান বৃত্তস্থ কোণ কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক।

 • বৃত্তের একই চাপের উপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণ বৃত্তস্থ কোণের দ্বিগুণ।

এখানে,
বৃত্তের পরিধিস্থ কোণ = (১/২) × কেন্দ্রস্থ কোণ
= (১/২) × ১৫০°
= ৭৫°

২৪.
নিচের কোনটি Google DeepMind কর্তৃক উদ্ভাবিত মাল্টিমোডাল AI মডেল?
  1. Gemini
  2. GPT- 4
  3. Claude
  4. ImageBind
সঠিক উত্তর:
Gemini
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gemini
ব্যাখ্যা

Gemini হলো Google DeepMind কর্তৃক উদ্ভাবিত মাল্টিমোডাল AI মডেল।

মাল্টিমোডাল AI মডেল:
- মাল্টিমোডাল মডেল হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। মানুষের মস্তিষ্ক যেমন একই সঙ্গে শোনা, দেখা এবং স্পর্শ করার মাধ্যমে চারপাশের জগতকে বুঝতে পারে, এই মডেলগুলিও ঠিক তেমনই বিভিন্ন ধরনের ডেটা (যাকে "মোডালিটি" বলা হয়) একসাথে প্রক্রিয়া করতে পারে।
- মাল্টিমোডাল AI (Multimodal AI) হলো এমন ML মডেল যা একাধিক মোডালিটি (Types of Data) থেকে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং একীভূত (Integrate) করতে পারে।
- মোডালিটি বলতে তথ্যের বিভিন্ন রূপকে বোঝায়, যেমন- টেক্সট (Text), ছবি (Images), অডিও (Audio), ভিডিও (Video), কোড (Code), সেন্সর ডেটা (Sensor Data)।

মাল্টিমোডাল মডেলের গুরুত্ব ও সুবিধা:
- এই মডেলগুলি মানুষের মতো বিভিন্ন সংবেদনশীল ইনপুট (যেমন—কথা ও মুখের অভিব্যক্তি) একসাথে বুঝতে পারে, যা মানব-কম্পিউটার ইন্টারঅ্যাকশনকে আরও স্বাভাবিক ও দক্ষ করে তোলে।
- একাধিক উৎস থেকে ডেটা গ্রহণ করার ফলে মডেলটির তথ্য বোঝার ক্ষমতা আরও সমৃদ্ধ এবং সঠিক হয়। উদাহরণস্বরূপ, শুধুমাত্র রোগীর বর্ণনা না শুনে তার মেডিক্যাল ইমেজ ও ল্যাব রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে আরও সঠিক রোগ নির্ণয় করা যায়।
-  যখন একটি মডেলের কাছে ক্রস-রেফারেন্সের জন্য একাধিক মোডালিটির তথ্য থাকে, তখন এটি ভুল বা মনগড়া (Hallucinated) তথ্য দেওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
- শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ, স্বায়ত্তশাসিত ড্রাইভিং এবং বিপণনের মতো বিস্তৃত ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ সম্ভব।

বিখ্যাত মাল্টিমোডাল AI মডেলসমূহ:
- Gemini, Claude, GPT- 4, DALL-E 3, Sora, ViT (Vision Transformer), ImageBind, Flamingo ইত্যাদি।

অপশন আলোচনা:
- GPT-4: এটি OpenAI কর্তৃক উদ্ভাবিত।
- Claude: এটি Anthropic কর্তৃক উদ্ভাবিত।
- ImageBind: এটি Meta কর্তৃক উদ্ভাবিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৫.
If I knew the answer, I ______ tell you.
  1. will
  2. would
  3. have been
  4. been
সঠিক উত্তর:
would
উত্তর
সঠিক উত্তর:
would
ব্যাখ্যা

The correct answer is - খ) would
The complete sentence - If I knew the answer, I would tell you.

• Second Conditional এর নিয়মানুযায়ী -
- If + past indefinite + subject + would/could/might + verb এর base form + ext.
- অর্থাৎ, If + past indefinite যুক্ত clause এর পরবর্তী clause টিতে subject এর পর would/could/might এর সাথে verb এর base form বসে।
- If যুক্ত Sentence এ subject এর পর be verb আসলে সেক্ষেত্রে were ব্যবহৃত হয়।

• Second Conditional:
If + were + extension, would/could/might + Verb- এর present form.
যেমনঃ
- If I knew the answer, I would tell you.
- If I were you, I would pat your jacket on.
- If I were you, I would take the money.
- If I were a bird, I would fly to you.

Other options
ক) will - "will" হয় একটি ভবিষ্যৎ কাল সংক্রান্ত শব্দ যা বাস্তবসম্মত সম্ভাবনা বা ভবিষ্যতে সত্য ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু "If I knew" হচ্ছে অতীত কাল, যা একটি কাল্পনিক বা অসম্ভব পরিস্থিতি নির্দেশ করে, তাই wouldn’t বা would হবে।
গ) have been - শর্তবাচক বাক্যে (conditional sentence) এর অর্থ এবং গঠন এখানে প্রযোজ্য নয়।
ঘ) been - "been" শব্দটি past participle এবং এটি সরাসরি ব্যবহৃত হয় না এখানে, কারণ বাক্যের মূল কাঠামো হচ্ছে "would + verb (base form)" কিন্তু "been" মূল verb নয় এখানে। তাই যথাযথ নয়।

২৬.
Those belong to my brother. Here, 'Those' is a -
  1. Personal pronoun
  2. Relative pronoun
  3. Demonstrative pronoun
  4. Reflexive pronoun
সঠিক উত্তর:
Demonstrative pronoun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Demonstrative pronoun
ব্যাখ্যা

The correct answer is - গ) Demonstrative pronoun

Demonstrative Pronoun:
- ব্যক্তি বা বস্তুকে যদি এটি, ওটি, এগুলি, ওইগুলি ইত্যাদি শব্দ দ্বারা নির্দেশ করা হয় তাহলে এই শব্দগুলোকে বলে demonstrative pronoun।

Example:
- This is my favorite book. 
​- That was an amazing performance. 
​- These are freshly baked cookies. 
​- Those belong to my brother.
​এই this, that, these, those শব্দগুলো যথাক্রমে book, cookies, belongings-এর পরিবর্তে বসে সেগুলোকে নির্দেশ করছে। 
​এগুলো হলো Demonstrative pronoun।

Pronoun:
- Pronoun হলো noun এর পরিবর্তে ব্যবহৃত word। এ কারণে Pronoun কে Substituting word বলা হয়।

Example:
- He, She, We, They, I, ইত্যাদি।

Pronoun ৮ প্রকার:
1. Personal Pronoun (He, I, we, me, you),
2. Demonstrative Pronoun (this, that, such),
3. Interrogative Pronoun (what, who, which),
4. Relative Pronoun (what, who, which, that),
5. Indefinite Pronoun (one, some, any, many)
6. Distributive Pronoun (each, every, either, neither),
7. Reflexive Pronoun (myself, yourself, themselves),
8. Reciprocal Pronoun (each other, one another).

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

২৭.
In spite of the bad weather, we went there. (complex)
  1. The weather was bad, yet we went there. 
  2. Although we went there, the weather was bad.
  3. Though the weather was bad, we went there.
  4. Though the bad weather, we go there.
সঠিক উত্তর:
Though the weather was bad, we went there.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Though the weather was bad, we went there.
ব্যাখ্যা

The correct answer is - গ) Though the weather was bad, we went there.
 
যদি একটি Simple sentence-এ In spite of ব্যবহার করা থাকে, তাহলে তা Complex sentence-এ রূপান্তর করতে Though বা Although ব্যবহার করতে হয়।
অপরদিকে, যদি একটি Complex sentence-এ Though বা Although থাকে, তবে তা Simple sentence-এ রূপান্তর করতে In spite of ব্যবহার করা হয়।

• Example:
Simple: In spite of the bad weather, we went there. 
Complex: Though the weather was bad, we went there.

• More examples:
Simple: In spite of his poverty, he is happy. 
Complex: Though he is poor, he is happy. 

Simple: In spite of his bad behaviour, people mix with him.
Complex: Though his behaviour is bad, people mix with him.

Simple: In spite of his honesty, he is not happy.
Complex:Though he is honest, he is not happy.
or, Honest as he is, he is not happy.

Simple: In spite of his cruelty, I love him.
Complex: Though he is cruel, I love him.

Other options:
ক) The weather was bad, yet we went there।
এটা Compound sentence, কারণ দুটি Independent clause ("The weather was bad" এবং "we went there") সংযুক্ত হয়েছে coordinating conjunction "yet" দিয়ে। 
খ) Although we went there, the weather was bad।
এটা grammatically ভুল। 
ঘ) Though the bad weather, we go there।
এটা grammatically ভুল এবং অর্থহীন। "Though" থেকে subordinate clause তৈরি করতে "the bad weather" পর যথাযথ verb থাকা প্রয়োজন।

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

২৮.
The speech was devoid ___ any real emotion.
  1. with
  2. of
  3. in
  4. by
সঠিক উত্তর:
of
উত্তর
সঠিক উত্তর:
of
ব্যাখ্যা

The correct answer is - খ) of.
The complete sentence: The speech was devoid of any real emotion.

Devoid of 
- ​English meaning: completely without (something)
- Bangla ​meaning: কোনো কিছুর অভাব থাকা।
- ​Example sentence: 
1. ​The speech was devoid of any real emotion.
2. ​He is devoid of ambition.

​​Source: 1. Merriam-Webster Dictionary.
​2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

২৯.
The synonym of "Tenuous" is -
  1. Unified
  2. Slender 
  3. Obstinate
  4. Solid
সঠিক উত্তর:
Slender 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Slender 
ব্যাখ্যা

The synonym of “Tenuous” is Slender. 
- Slender (adjective) (সরু)

• Tenuous (adjective)
- English Meaning: A tenuous connection, idea, or situation is weak and possibly does not exist.
- Bangla Meaning: ক্ষীণ; সরু।

• Synonyms:
- Paltry (তুচ্ছ; অবজ্ঞা করা যায় এমন),
- Slender (সরু),
- Frail (দুর্বল; নাজুক; পলকা; ক্ষণস্থায়ী; রোগা)। 

• Antonyms:
- Valid (সঠিক আনুষ্ঠানিকতাসহ কৃত বা সম্পাদিত বলে কার্যকর; সিদ্ধপ্রমাণ; বৈধ),
- Solid (তরল বা বায়বীয় আকারে নয় এমন কঠিন),
- Substantial (মজবুত বা দৃঢ়ভাবে নির্মিত; সুদৃঢ়; সংহত)। 

• Example Sentences:
- Their relationship was based on a tenuous understanding.
- The evidence for his claim is very tenuous. 

Other options:
- Unified - ঐক্যবদ্ধ; একত্রিত,
- Obstinate - একগুঁয়ে;অবাধ্য।

Source: Live MCQ Lecture.

৩০.
Who said the quote: “Justice without force is powerless; force without justice is tyrannical.”?
  1. Blaise Pascal
  2. Montesquieu
  3. Voltaire
  4. Thomas Hobbes
সঠিক উত্তর:
Blaise Pascal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Blaise Pascal
ব্যাখ্যা

The quote “Justice without force is powerless; force without justice is tyrannical.” is from Blaise Pascal’s book Pensees. 

Pensees:
'Pensees' বলতে সাহিত্যিক আকারে প্রকাশিত চিন্তাধারাকে বোঝায়।
- Blaise Pascal এর 'Pensees' (১৬৭০) হলো বিভিন্ন নোট ও পাণ্ডুলিপির খণ্ডাংশের একটি সংকলন, যেখানে তিনি নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস প্রকাশ করেছেন।
- Pensees এক ধরনের আধ্যাত্মিক তত্ত্বগ্রন্থ, যার উদ্দেশ্য সাধারণ ধর্মান্তরিত করা নয়, বরং এমন বিশ্বাসী তৈরি করা যারা সাধুতে পরিণত হতে পারে।
- Pascal এই গ্রন্থে দেখাতে চেয়েছিলেন যে মানুষ একই সঙ্গে মহান ও নীচ প্রকৃতির - ঈশ্বরের অনুগ্রহ ব্যতীত সত্যকে উপলব্ধি করা মানুষের পক্ষে অসম্ভব। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে মানুষকে ঈশ্বরের কাছে পৌঁছাতে হলে যিশু খ্রিস্টের মাধ্যমে যেতে হবে, কারণ যিশুর অবতারণা না হলে সীমিত মানব কখনোই অসীমকে জানতে পারত না।

Blaise Pascal:
- তাঁকে সাধারণত 'Master of Prose' হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- তিনি আধুনিক সম্ভাব্যতার তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, পরিচিত Pascal’s Principle of Pressure রচনা করেছিলেন, এবং এমন একটি ধর্মীয় শিক্ষা প্রচার করেছিলেন যা ঈশ্বরের অভিজ্ঞতা বুদ্ধি নয়, হৃদয়ের মাধ্যমে অর্জনের ওপর জোর দেয়।
- তাঁর Intuitionism তত্ত্ব পরবর্তীতে Jean-Jacques Rousseau, Henri Bergson দার্শনিকদের উপর প্রভাব ফেলে।

Notable Works:
- Essai pour les coniques, 
- Les Provinciales,
- Pensées,
- The Physical Treatises of Pascal,
- Traité du triangle arithmétique, etc.

Source: Britannica.

৩১.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৩৫ক অনুযায়ী ক্ষতিপূরণমূলক খরচের সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. সীমাহীন
  2. ১০,০০০ টাকা
  3. ২০,০০০ টাকা
  4. ৫০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ক ধারার বিধান: মিথ্যা বা বিব্রতকর দাবি বা আত্মপক্ষ সমর্থনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
১) যদি কোন মোকদ্দমা অথবা জারির কর্মপদ্ধতিসহ অন্য কার্যক্রমে, কিন্তু আপিলে নয়, কোন পক্ষ দাবিতে অথবা জবাবে এই জন্য আপত্তি প্রদান করে যে, দাবি কিংবা জবাব, অথবা উহার কোন পার্ট, মিথ্যা বা বিরক্তিকর, এবং তৎপরবর্তীতে ঐরূপ দাবি কিংবা জবাবকে মিথ্যা অথবা বিরক্তিকর হিসাবে ধারণা প্রদান করার কারণ লিপিবদ্ধ করার পর ক্ষতিপূরণ হিসাবে আপত্তিকারীকে খরচা প্রদান করার আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এতিয়ারের পরিসীমা অতিক্রান্ত না করে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত হবে।

২) এই ধারার অধীন তাতে বর্ণিত কারণে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করা হলে ঐ দাবি কিংবা জবাব সম্পর্কে তাকে ফৌজদারি দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হবে না।

৩) মিথ্যা কিংবা বিরক্তিকর দাবি অথবা জবাবের নিমিত্তে উক্ত ধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত খরচার পরিমাণ পরবর্তী খেসারত অথবা ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমায় ঐরূপ দাবি অথবা জবাব সম্পর্কে বিবেচনায় রাখতে হবে।

৩২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৮ বিধি ১৮ অনুযায়ী, আদালত কোন ক্ষেত্রে সম্পত্তি পরিদর্শন করতে পারে?
  1. সম্পত্তি বিক্রির জন্য
  2. ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের জন্য
  3. সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য
  4. সম্পত্তি সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন উদ্ভব হলে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন উদ্ভব হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন উদ্ভব হলে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৮ বিধি ১৮: আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।

CPC Order-18 Rule-18 Power of court to inspect:
The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.

৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারার অধীনে কোনো মোকদ্দমা সমঝোতায় (compromise) নিষ্পত্তি হলে, আদালত প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার নির্দেশ প্রদান করে কী জারি করবে?
  1. ডিক্রি
  2. অন্তর্বর্তী আদেশ
  3. সার্টিফিকেট
  4. নোটিশ
সঠিক উত্তর:
সার্টিফিকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্টিফিকেট
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক (১১):
কোর্ট ফি আইন, ১৮৭০ (১৮৭০ সালের ৭নং আইন) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, কোন মোকদ্দমার বিরোধ বা বিরোধসমূহ এই ধারার অধীনে মীমাংসায় নিষ্পত্তি হলে পক্ষসমূহের মাধ্যমে আরজি কিংবা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার নির্দেশ প্রদান করে কোর্ট একটি সার্টিফিকেট জারি করবে এবং সার্টিফিকেট জারির তারিখ থেকে ষাট দিনের ভিতর পক্ষসমূহ তা ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবে।

Section 89A (11)-
Notwithstanding anything contained in the Court-fees Act, 1870 (Act No. VII of 1870), where a dispute or disputes in a suit are settled on compromise under this section, the Court shall issue a certificate directing refund of the court fees paid by the parties in respect of the plaint or written statement; and the parties shall be entitled to such refund within 60 (sixty) days of the issuance of the certificate.

৩৪.
Who prescribes the form and dimensions of the court seal according to Section 16 of The Civil Courts Act, 1887?
  1. The High Court
  2. The Government
  3. The presiding Judge
  4. The District Judge
সঠিক উত্তর:
The Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Government
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act, 1887 Section 16- Seals of Courts:
Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government.

ধারা ১৬ – আদালতের সীল:
এই আইনের আওতায় প্রতিটি দেওয়ানি আদালত সরকার দ্বারা নির্ধারিত আকার এবং মাত্রার একটি সীল ব্যবহার করবে।

৩৫.
A, একটি জাহাজের মালিক, প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্রযাত্রার উপযোগী (seaworthy) বলে উপস্থাপন করে B-কে সেটি বিমা করতে রাজি করান। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে B উপযুক্ত কী প্রতিকার পেতে পারেন?
  1. বিমা নীতি সংশোধন করতে পারেন
  2. বিমা নীতি বাতিল করতে পারেন
  3. ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারেন
  4. আদালতের মাধ্যমে জাহাজ জব্দ করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
বিমা নীতি বাতিল করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিমা নীতি বাতিল করতে পারেন
ব্যাখ্যা

⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৩৯ অনুযায়ী,
যদি কোনো দলিল বা চুক্তি মিথ্যা বা প্রতারণার মাধ্যমে করা হয়, এবং এতে কোনো পক্ষের গুরুতর ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, সেই পক্ষ আদালতে মামলা করে সেই চুক্তি বা দলিলকে বাতিল/voidable ঘোষণা করতে পারে।
এখানে, A প্রতারণা করেছে এবং B এর সম্মতিতে বিমা নীতি সম্পন্ন হয়েছে।
তাই B আদালতের মাধ্যমে বিমা নীতি বাতিল (rescind) করতে পারবেন, যাতে চুক্তিটি কার্যকর না থাকে এবং তার উপর আর কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা না থাকে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৯: কখন বাতিলকরণ আদেশ করা যেতে পারে:
যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো লিখিত দলিল বাতিলযোগ্য (voidable) বা অকার্যকর (void), এবং যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা আছে যে ওই দলিলটি যদি বহাল থাকে তবে তা তাকে গুরুতর ক্ষতির সম্মুখীন করতে পারে- সে ব্যক্তি আদালতে মামলা করতে পারে যাতে দলিলটিকে অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য ঘোষণা করা হয়।

আদালত তার বিবেচনায় যদি মনে করে যে দলিলটি সত্যিই অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য, তাহলে আদালত সেটিকে তেমনভাবে ঘোষণা করতে পারে এবং দলিলটি জমা দিয়ে বাতিল করার আদেশ দিতে পারে।

যদি সেই দলিলটি ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইন (Registration Act, 1908) অনুসারে নিবন্ধিত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি অনুলিপি সেই নিবন্ধন অফিসারের কাছে পাঠাবে, যার অফিসে দলিলটি নিবন্ধিত হয়েছে। ঐ অফিসার তার রেকর্ডে সংরক্ষিত দলিলের অনুলিপিতে তার বাতিল হওয়ার বিষয়টি নোট করে রাখবে।

উদাহরণ:
(ক) A, একটি জাহাজের মালিক, প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্রযাত্রার উপযোগী (seaworthy) বলে উপস্থাপন করে B-কে (যিনি বিমাকারী) সেটি বিমা করতে রাজি করান। B এই প্রতারণামূলক বিমা নীতিটি বাতিল করাতে পারেন।

৩৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধি ৪ অনুযায়ী, আদালত সর্বাধিক কত দিনের জন্য বিচার্য বিষয় নির্ধারণ মুলতবি রাখতে পারে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধি-৪- আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পূর্বে সাক্ষীকে পরীক্ষা গ্রহণ বা দলিল পরিদর্শন করতে পারেন:
যদি আদালতের মতামত হয় যে, কোনো ব্যক্তি যার উপস্থিতি আদালতে নেই অথবা কোনো নথি যা মামলায় উপস্থাপন করা হয়নি তা পরীক্ষা করা ব্যতীত বিচার্য বিষয় (issues) যথাযথভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়, তবে আদালত বিচার্য বিষয় নির্ধারণের কাজ সর্বোচ্চ পনেরো (১৫) দিনের জন্য মুলতবি রাখতে পারে।
এছাড়াও, আদালত (তৎকালীন প্রচলিত কোনো আইনের বিধান সাপেক্ষে) যার কাছে সেই ব্যক্তি বা দলিল আছে, তাকে সমন বা অন্য কোনো পদ্ধতির মাধ্যমে হাজির করতে বা দলিল পেশ করতে বাধ্য করতে পারে।

৩৭.
A, ২০১৯ সালে এক দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়েরের অধিকারী হন। কিন্তু তামাদি আইনে উক্ত মোকদ্দমা কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। তিনি কখন পর্যন্ত আদালতে মামলা করতে পারবেন?
  1. ২০২০ সালের মধ্যে
  2. ২০২২ সালের মধ্যে
  3. ২০২৩ সালের মধ্যে
  4. ২০২৫ সালের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
২০২৫ সালের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৫ সালের মধ্যে
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়।

A, ২০১৯ সালে মোকদ্দমা দায়েরের অধিকারী হন। 
সেই অনুযায়ী ৬ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে → ২০১৯ + ৬ = ২০২৫ সালের মধ্যে মামলা দায়েরযোগ্য থাকবে।

৩৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২০ বিধি ৬ এর অধীনে আদালত নিম্নোক্ত কোন বিষয়ে নির্দেশ দিতে পারে?
  1. মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি
  2. আপিলের অনুমতি
  3. সাক্ষীর পুনরায় পরীক্ষা
  4. পারস্পরিক দায় পরিশোধ
সঠিক উত্তর:
পারস্পরিক দায় পরিশোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারস্পরিক দায় পরিশোধ
ব্যাখ্যা

আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ:

১) রায়ের সাথে সাদৃশ্য:
ডিক্রিটি রায়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। এতে মামলার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবির বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে এবং মামলায় মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা অন্যান্য সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

২) খরচের বিবরণ:
ডিক্রিতে মামলায় incurred (ব্যয়িত) ব্যয়ের পরিমাণ, কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে বা কোন অনুপাতে সেই ব্যয় পরিশোধ করতে হবে—তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

৩) পারস্পরিক দায় সমন্বয়:
আদালত নির্দেশ দিতে পারেন যে, এক পক্ষ কর্তৃক অপর পক্ষের প্রতি প্রদেয় খরচাদির পরিমাণ সেই অংকের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে (set-off), যা পূর্বে অপর পক্ষের কাছ থেকে পাওনা হিসাবে স্বীকৃত বা নির্ধারিত হয়েছে।

৩৯.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৬ ধারায় কোন ধরনের প্রতিকার প্রদান করা হয়?
  1. Mandatory
  2. Preventive
  3. Compensatory
  4. Rescissory
সঠিক উত্তর:
Preventive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Preventive
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877: Section 6. Preventive relief:
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারার বিধান: নিরোধক প্রতিকার:
৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।

৪০.
‘ক’-এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে চার্জ গঠন করা হয়েছে। কিন্তু সাক্ষ্যে প্রমাণিত হলো যে, সে প্রকৃতপক্ষে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে। এই পরিস্থিতিতে আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারার বিধান অনুযায়ী কী করতে পারে?
  1. অভিযোগ খারিজ করতে বাধ্য
  2. শুধুমাত্র নতুন চার্জ গঠন করে রায় দিতে পারবে
  3. নতুন চার্জ গঠন ছাড়া রায় দিতে পারবে
  4. মামলাটি পুনরায় তদন্তের আদেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
নতুন চার্জ গঠন ছাড়া রায় দিতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন চার্জ গঠন ছাড়া রায় দিতে পারবে
ব্যাখ্যা

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারার বিধান:
২৩৬ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে যে অপরাধের জন্য চার্জ করা হয়,সাক্ষ্য-প্রমাণে যদি দেখা যায় সে ভিন্ন অপরাধ করেছে এবংএই ভিন্ন অপরাধের জন্য তাহাকে উক্ত ধারা অনুসারে চার্জ করা যেতো,তা হলে যে অপরাধ সে করেছে বলে প্রমাণিত হয় তার জন্য চার্জ গঠন করা না হলেও দণ্ডিত করা যাবে।

উদহারণ-
'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা হল। কিন্তু দেখা গেল যে, সে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বা চোরাইমাল গ্রহণ করেছে। উক্ত অপরাধে চার্জ গঠন করা না হলেও, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা চোরাইমাল গ্রহণের দায়ে তাকে দণ্ডিত করা যাবে।

৪১.
একজন পরিবহনকারী তার কর্তব্যাধীন মাল নিয়ে বিশ্বাসভঙ্গ করেছে। সে দণ্ডবিধির কত ধারার আওতায় দণ্ডিত হবে?
  1. ধারা ৪০৩
  2. ধারা ৪০৫
  3. ধারা ৪০৭
  4. ধারা ৪০৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৭
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭: পরিবহনকারী, গুদামদার ইত্যাদির দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ-
যে কেউ, যিনি পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক বা তত্ত্বাবধায়ক (wharfinger), অথবা গুদামদার (warehouse-keeper) হিসেবে কোনো সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, এবং সেই সম্পত্তি সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ করেন, তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও হতে পারে।

Section 407- Criminal breach of trust by carrier, etc.
Whoever, being entrusted with property as a carrier, wharfinger or warehouse-keeper, commits criminal breach of trust in respect of such property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৪২.
Section 47A of The Evidence Act, 1872 is primarily concerned with:
  1. Opinion as to Handwriting
  2. Opinion as to Existence of right or custom
  3. Opinion as to Digital Signature
  4. Opinion as to physical or forensic evidence
সঠিক উত্তর:
Opinion as to Digital Signature
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Opinion as to Digital Signature
ব্যাখ্যা

Section- 47A of The Evidence Act, 1872- Opinion as to digital signature where relevant:
When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪৭ক: ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক-
যখন আদালতের কোন ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত গঠন করা প্রয়োজন হয়, তখন যেই ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রস্তুতকারী কর্তৃপক্ষ উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ ইস্যু করেছে, তার মতামত প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে।

৪৩.
'Health and safety of arrested person' সংশ্লিষ্ট বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সন্নিবেশিত করা হয়েছে?
  1. ধারা ৪৬খ
  2. ধারা ৪৬গ
  3. ধারা ৪৬ঘ
  4. ধারা ৪৬ঙ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬ঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬ঘ
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৬ঘ – গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা:
যে ব্যক্তি কোনো গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির হেফাজতে থাকবে, তার কর্তব্য হবে ঐ গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে যুক্তিসঙ্গত যত্ন নেওয়া।

46D. Health and safety of arrested person.-
It shall be the duty of the person having custody of an arrested person to take reasonable care of his health and safety.

৪৪.
ফৌজদারি আদালতের রায় একবার স্বাক্ষরিত হয়ে গেলে, কোন পরিস্থিতিতে রায় পরিবর্তন বা রিভিউ করা যেতে পারে?
  1. রায়ে করণিক ভুল থাকলে
  2. অপরাধী অনুপস্থিত থাকলে
  3. মামলার কোন নতুন সাক্ষ্য পাওয়া গেলে
  4. কোনো অবস্থাতেই পরিবর্তন করা যায় না
সঠিক উত্তর:
রায়ে করণিক ভুল থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ে করণিক ভুল থাকলে
ব্যাখ্যা

উত্তর: ক) রায়ে করণিক ভুল (clerical mistake) থাকলে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৯ ধারার বিধান- আদালত রায় পরিবর্তন করবেন না:
এই কার্যবিধি বা বর্তমানে কার্যকর অপর কোন আইনে ভিন্নরূপ কোন বিধান না থাকলে কোন আদালত রায়ে স্বাক্ষর করার পর করণিক ভুল সংশোধন করা ব্যতীত তা পরিবর্তন বা রিভিউ করবেন না।

Section-369: Court not to alter judgment: 
Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force, no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.

৪৫.
'ঘ' একজন ব্যক্তি, অন্যের বাড়িতে প্রবেশ করে সোনার গহনা চুরি করে। সে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড পেতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা

উত্তর: ৭ বছর।

বসতবাড়ি বা অনুরূপ স্থানে চুরি – (ধারা ৩৮০, The Penal Code, 1860):
যে কেউ কোনো ভবন, তাঁবু বা জাহাজে চুরি করে — যা মানুষের বসবাসের জন্য ব্যবহৃত হয় বা সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়  সে ব্যক্তি যেকোনো ধরণের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত হতে পারে এবং তিনি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ারও যোগ্য হবেন।

৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারায় অভিযুক্তকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ কীভাবে প্রকাশ করা যেতে পারে?
  1. সমন জারি করে
  2. সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে
  3. গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে
  4. অভিযুক্তকে মেইল বা চিঠি পাঠিয়ে
সঠিক উত্তর:
সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৩৩৯(খ):
(১) যদি আদালত বিশ্বাস করে যে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি পলায়ন করেছেন বা লুকিয়ে আছেন, যাতে তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারকের সামনে হাজির করা সম্ভব নয়, এবং তার গ্রেপ্তারের সরাসরি সম্ভাবনা নেই, তাহলে:

অভিযোগের বিষয় আদালত গ্রহণ করলে, আদালত একটি জাতীয় দৈনিকে (বাংলা সংবাদপত্র) ঘোষণা দিয়ে নির্দেশ দিতে পারে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির হোক।

যদি অভিযুক্ত সেই নির্দেশ মেনে না চলে, তাহলে তাকে তার অনুপস্থিতিতেই বিচার করা হবে।

শর্ত:
আদালত চাইলে, অভিযুক্তের আদালতে উপস্থিতির জন্য দেওয়া নির্দেশ ডিস্ট্রিক্ট ও সেশনস জজ কোর্ট, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, ডেপুটি কমিশনার অফিস, বাংলাদেশ পুলিশ বা অন্য সরকারি ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করতে পারেন, যাতে সাধারণ জনগণ সহজে তা দেখতে পারে।

(২) অভিযুক্তকে হাজির করার পর কিংবা অভিযুক্ত হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।

৪৭.
The Penal Code, 1860 এর ৫৫ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বাধিক কত বছরের কারাদণ্ডে পরিবর্তন করা যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে
  2. ২০ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
  3. শুধুমাত্র ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে
  4. ৩০ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
সঠিক উত্তর:
২০ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:
যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

৪৮.
যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে এবং দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে না পারে, সেক্ষেত্রে আদালত সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৪ অনুযায়ী কী অনুমান করতে পারে?
  1. সেই ব্যক্তি নিজেই চোর
  2. সেই ব্যক্তি জেনেশুনে চুরি মাল গ্রহণ করেছে
  3. কোনো কিছু অনুমান করবে না
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারার বিধান: আদালত কিছু তথ্যের অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে-
আদালত প্রকৃতি এবং মানবিক আচরণের সাধারণ গতিপ্রকৃতি, সরকারি ও বেসরকারি কার্যাবলীর সাপেক্ষে বিশেষ মামলার তথ্যগুলি বিবেচনা করে, যে কোনো তথ্য বা ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে যা আদালতের মতে সম্ভবত ঘটেছে। আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অনুমান করতে পারে -
(ক) যে ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে, সে নিজেই চোর অথবা জেনেশুনে চুরি মাল গ্রহণ করেছে, যদি না সে তার দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে;
(খ) যে ব্যক্তি অপরাধের সহযোগী, সে অবিশ্বাসযোগ্য, যদি না তার সাক্ষ্যের মূল বিষয়গুলি অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়;
(গ) একটি হুন্ডি স্বীকৃত বা অনুমোদিত হয়েছে প্রাপ্য মূল্যের বিনিময়ে;

(ঘ) যেকোনো বস্তু বা অবস্থা যা এমন সময়সীমার মধ্যে দেখা গেছে যে সময়সীমার মধ্যে এরকম বস্তু বা অবস্থা সাধারণত লুপ্ত হয়ে যায় না, তা এখনও বিদ্যমান রয়েছে;
(ঙ) বিচারিক এবং সরকারি কার্যাবলী নিয়মানুসারে সম্পাদিত হয়েছে;
(চ) বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক নিয়মানুসারে কার্যক্রম পালিত হয়েছে;

(ছ) যে প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল কিন্তু করা হয়নি, তা উপস্থাপিত হলে যে ব্যক্তি তা প্রমাণ করতে অস্বীকার করেছেন তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(জ) কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে মনে করা হবে উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(ঝ) কোনো দায়বদ্ধকারী দলিল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে থাকলে, মনে করা হবে দায়িত্বটি পরিশোধিত হয়েছে।

৪৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৬৭ক অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত করার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. চার্জশিট তৈরির নির্দেশ দেয়া
  2. মামলা দায়েরের নির্দেশ দেয়া
  3. গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির জবানবন্দী পরীক্ষা করা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৬৭ক – গ্রেপ্তারের বিধান লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া:
যে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের সামনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে উপস্থিত করা হয়, তার কর্তব্য হলো যাচাই করা যে গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তা গ্রেপ্তারের বিধানগুলি সঠিকভাবে অনুসরণ করেছেন কি না।

যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত দেখতে পান যে কোনো বিধান অবহেলাজনিতভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে বা পালন করা হয়নি, তাহলে তিনি/এটি লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রযোজ্য সেবা বিধি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।

৫০.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারা অনুসারে, মৌখিক হস্তান্তর কখন আইনত অনুমোদিত?
  1. আদালতের মাধ্যমে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে
  2. যখন হস্তান্তরের জন্য রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক
  3. যেখানে লিখিত দলিলের আবশ্যকতা আইনে উল্লেখ নেই
  4. ব্যক্তিগত উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
যেখানে লিখিত দলিলের আবশ্যকতা আইনে উল্লেখ নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে লিখিত দলিলের আবশ্যকতা আইনে উল্লেখ নেই
ব্যাখ্যা

⇒  সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারার বিধান: মৌখিক হস্তান্তর:
যে সকল ক্ষেত্রে লিখিত হওয়ার আবশ্যকতা আইন দ্বারা প্রত্যক্ষ ভাবে উল্লেখ করা হয় নাই, সে সকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিল ছাড়াই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে।

- Section 9: Oral transfer:
A transfer of property may be made without writing in every case in which a writing is not expressly required by law.

মৌখিক হস্তান্তর (Oral transfer) :
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে, যেসকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিলের আবশ্যকতা আইনে সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয় নাই, সেসকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিল ছাড়াই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে। রেজিস্ট্রেশন আইন সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের পরিপূরক। সুতরাং যে সকল হস্তান্তরে রেজিস্ট্রেশনের বিধান রয়েছে, তা মৌখিক ভাবে হস্তান্তর করা যায় না। এক্ষেত্রে বলা যায়, যে সকল সম্পত্তির হস্তান্তর লিখিত দলিলের মাধ্যমে হওয়ার প্রয়োজন নেই এবং যে সকল হস্তান্তরের জন্য রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন নেই সে সকল হস্তান্তর মৌখিক ভাবে করা যায়।

৫১.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪২ ধারার বিধান অনুসারে, কখন থেকে বকেয়া খাজনা আদায়ের তামাদি গণনা শুরু হয়?
  1. যে বছরের খাজনা বকেয়া সেই বছরের প্রথম দিন থেকে
  2. যে বছরের খাজনা বকেয়া সেই বছরের শেষ দিন থেকে
  3. খাজনা পরিশোধের নির্ধারিত তারিখ থেকে
  4. যে বছরের খাজনা বকেয়া তার পরবর্তী বছরের প্রথম দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
যে বছরের খাজনা বকেয়া সেই বছরের শেষ দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে বছরের খাজনা বকেয়া সেই বছরের শেষ দিন থেকে
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪২ ধারার বিধান: তামাদি:
যে বছরের খাজনা বকেয়া পড়ে সেই বকেয়া খাজনা আদায়ের জন্য তামাদি মেয়াদ সেই বছরের শেষ দিন হতে তিন বছর হবে।

Section 142. Limitation:
The period of limitation for the recovery of an arrear of rent shall be three years running from the last day of the year in which the arrear fell due.

৫২.
'First in time, first in right'- সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ১৪ ধারায়
  2. ৪৮ ধারায়
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৪৮: হস্তান্তর দ্বারা সৃষ্ট অধিকারের অগ্রাধিকার (Priority of rights created by transfer):
যদি কোন ব্যক্তি একই স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন সময় হস্তান্তর করে একাধিক অধিকার সৃষ্টি করেন এবং সেই অধিকারগুলি একই সঙ্গে বা পরিপূর্ণভাবে বলবৎ না হয়, সেক্ষেত্রে বিশেষ চুক্তির অবর্তমানে পূর্বে সৃষ্ট অধিকার পরে সৃষ্ট অধিকারের উপর অগ্রাধিকার পাবে।

অর্থাৎ, একই সম্পত্তিতে একাধিক হস্তান্তর বা অধিকার সৃষ্টির ক্ষেত্রে, যে অধিকার প্রথমে তৈরি হয়েছে, সেটি সর্বপ্রথম কার্যকর হবে।পরবর্তীতে যে অধিকার বা দাবী তৈরি হবে, তা পূর্বের অধিকারের প্রতি বাধ্য থাকবে, যদি না বিশেষভাবে চুক্তি বা সংরক্ষণ থাকে। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৮ ধারায় “প্রথম আসা অধিকারের অগ্রাধিকার” (First in time, first in right) নীতি প্রতিফলিত হয়েছে।

৫৩.
এস, এ খতিয়ান কোন আইনের অধীনে তৈরি?
  1. Bengal Tenancy Act, 1885
  2. The Survey Act, 1875
  3. State Acquisition and Tenancy Act, 1950
  4. Cadastral Survey Act, 1888
সঠিক উত্তর:
State Acquisition and Tenancy Act, 1950
উত্তর
সঠিক উত্তর:
State Acquisition and Tenancy Act, 1950
ব্যাখ্যা

এস.এ (SA) খতিয়ান:
- SA খতিয়ান বলতে বোঝায় State Acquisition খতিয়ান, অথবা Settlement Attestation খতিয়ান।
- এটি অনেক সময় PS খতিয়ান বা Pakistan Survey খতিয়ান নামেও পরিচিত।
- এই খতিয়ান State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর অধীনে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
- এটি বাস্তব/মাঠ জরিপের ভিত্তিতে তৈরি নয়, বরং জমিদার বা মালিকের দেওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিল।
- এই খতিয়ান খুব একটা নির্ভরযোগ্য নয়।

৫৪.
A এবং B এর মধ্যে চুক্তি হয়, যে A B-এর ঘর মেরামত করবে। কিন্তু B অবহেলা করে বা অস্বীকার করে A-কে ঘরের মেরামতের প্রয়োজনীয় স্থানগুলো দেখানোর। যদি চুক্তির অসম্পূর্ণতা এই অবহেলা বা অস্বীকারের কারণে ঘটে, তাহলে চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬৭ অনুযায়ী-
  1. চুক্তি কার্যকর হবে
  2. A চুক্তি পূরণে ব্যর্থ হওয়ার জন্য দায়ী হবে
  3. A চুক্তি পূরণে ব্যর্থ হওয়ার জন্য দায়ী হবে না
  4. B চুক্তি পূরণে ব্যর্থতার জন্য জরিমানা দেবে
সঠিক উত্তর:
A চুক্তি পূরণে ব্যর্থ হওয়ার জন্য দায়ী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A চুক্তি পূরণে ব্যর্থ হওয়ার জন্য দায়ী হবে না
ব্যাখ্যা

চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬৭: প্রতিপালনের জন্য অঙ্গীকারকারীকে যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদানে অঙ্গীকারগ্রহীতার অবহেলার ফলাফল-
যদি কোনো অঙ্গীকারগ্রহীতা অঙ্গীকারকারীকে তাহার অঙ্গীকার প্রতিপালনের জন্য যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদানে অবহেলা বা অস্বীকার করেন, তাহা হইলে অঙ্গীকারকারী এইরূপ অবহেলা বা অস্বীকারের কারণে প্রতিপালন করা না হইলে উহার দায় হইতে অব্যাহতি পাইবেন।

উদাহরণ (Illustration):
A এবং B এর মধ্যে চুক্তি হয় যে A B-এর ঘর মেরামত করবে। কিন্তু B অবহেলা করে বা অস্বীকার করে A-কে ঘরের মেরামতের প্রয়োজনীয় স্থানগুলো দেখানোর। যদি চুক্তির অসম্পূর্ণতা এই অবহেলা বা অস্বীকারের কারণে ঘটে, A চুক্তি পূরণে ব্যর্থ হওয়ার জন্য দায়ী হবে না।

৫৫.
According to Section 17A of The Registration Act, 1908, Within how many days must a contract for sale of immovable property be presented for registration?
  1. 15 days
  2. 30 days
  3. 60 days
  4. 90 days
সঠিক উত্তর:
60 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
60 days
ব্যাখ্যা

The Registration Act, 1908- Section 17A. Registration of contract for sale, etc.
(1) Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immovable property shall be in writing, executed by the parties thereto and registered. 
 
(2) A contract for sale referred to in sub-section (1) shall be presented for registration within sixty days from the date of execution of the contract and the provisions regarding registration of instruments shall apply.

⇒  ধারা ১৭ক- বিক্রয় চুক্তি, ইত্যাদির নিবন্ধন:
(১) এই আইন বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যে কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র লিখিত হইতে হইবে, তৎসঙ্গে উহা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হইতে হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিক্রয়-চুক্তি, সম্পাদনের তারিখ হইতে ৬০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করিতে হইবে এবং এইক্ষেত্রে দলিল নিবন্ধনের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

৫৬.
খাই খালাসী রেহেন এর বৈশিষ্ট্য কী?
  1. দাতা দলিল জমা দেন
  2. গ্রহীতা টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখে
  3. শর্তাধীন বিক্রয় চূড়ান্ত করা হয়
  4. দখল হস্তান্তর করা হয় না
সঠিক উত্তর:
গ্রহীতা টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহীতা টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখে
ব্যাখ্যা

⇒ নগদ অর্থ ঋণ হিসেবে গ্রহণের নিশ্চয়তার উদ্দেশ্যে ভবিষ্যত দেনা সৃষ্টি করতে পারে, এমন সম্পত্তির স্বত্ব অপরের নিকট হস্তান্তর করাকে রেহেন বা বন্ধক বলে।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে ৬ প্রকার রেহেনের উল্লেখ রয়েছে।

ক) সাধারণ রেহেন:
সম্পত্তির দখল হস্তান্তর না করে রেহেনের টাকা ব্যক্তিগতভাবে পরিশােধের দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাকে সাধারণ রেহেন বলে। এখানে শর্ত থাকে চুক্তি মােতাবেক ঋণ গ্রহীতা টাকা পরিশােধ করতে না পারলে ঋণদাতা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করে তার প্রাপ্য টাকা গ্রহণ করতে পারবে।

(খ) শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে রেহেন :
যদি কোন সম্পত্তি এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে, নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ না করলে বিক্রয় চূড়ান্ত হবে অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পরিশােধ করলে বিক্রয় বাতিল হবে তাহলে তাকে শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে নেহেন বলে।

(গ) খাই খালাসী রেহেন:
দাতা সম্পত্তির দখল গ্রহীতাকে প্রদান করবে, টাকা পরিশােধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখবে তাকে খাই খালাসী রেহেন বলে ।

(ঘ) ইংলিশ রেহেন:
দাতা নির্দিষ্ট তারিখে রেহেনের টাকা পরিশােধের অঙ্গীকার করে সম্পত্তি গ্রহীতার নিকট হস্তান্তর করবে। শর্ত থাকবে নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ করলে গ্রহীতা দাতাকে সম্পত্তি ফিরিয়ে দিবে। এটি হলাে ইংলিশ রেহেন।

(ঙ) দলিল জমা দেওয়ার রেহেন:
ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম শহরে বা সরকারী গেজেট দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোন শহরে কোন ব্যক্তি যখন মহাজন বা তার প্রতিনিধির উপর জামানত সৃষ্টির জন্য দলিল জমা দেয়া হয় তাকে দলিল জমা দেওয়ার রেহেন বলে।

(চ) সংজ্ঞাহীন রেহেন:
যে রেহেন উপরােক্ত কোন রেহেনের অন্তর্ভুক্ত হয় না তাকে সংজ্ঞাহীন রেহেন বলে ।

৫৭.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৭৫ ধারায় প্রদানকৃত নোটিশে কী উল্লেখ থাকতে হবে?
  1. চুক্তির তারিখ
  2. বকেয়া খাজনার পরিমাণ
  3. অভিযোগকৃত নির্দিষ্ট অপব্যবহার
  4. ভূমি মালিকের সম্পত্তির পরিমাণ
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকৃত নির্দিষ্ট অপব্যবহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকৃত নির্দিষ্ট অপব্যবহার
ব্যাখ্যা

অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ -ধারা ৭৫: কতিপয় ক্ষেত্রে জব্দের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
কোনো অ-কৃষি প্রজাকে উচ্ছেদ করার মামলা গ্রহণযোগ্য হবে না যদি না ভূমি মালিক উক্ত প্রজাকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে লিখিত নোটিশ প্রদান করে-
১. অভিযোগকৃত নির্দিষ্ট অপব্যবহার উল্লেখ করে, এবং
২. যদি উক্ত অপব্যবহার সংশোধনযোগ্য হয়, তবে প্রজাকে উহা সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

এবং প্রজা, যদি অপব্যবহার সংশোধনযোগ্য হয়, নোটিশ দেওয়ার তারিখ থেকে যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়, তখনই উচ্ছেদ মামলা গ্রহণযোগ্য হবে।

৫৮.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর অধীন অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচার্য?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ জুডিসিয়াল বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর  ধারা ১৯: অপরাধের বিচার:
(১) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ, আমলযোগ্য (cognizable), ধারা ৪ ও ৫ এ বর্ণিত অপরাধ অ-জামিনযোগ্য (non-bailable), অন্যান্য ধারায় বর্ণিত অপরাধ জামিনযোগ্য এবং আপোষযোগ্য (compoundable) হইবে।

(২) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(৩) এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার মামলা প্রাপ্তির তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) দিনের মধ্যে সমাপ্ত করিতে হইবে।

(৪) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার ও আপিলের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

৫৯.
'ক' ১০০ বেল তুলা বিক্রয় করার জন্য 'খ' এর সাথে একটি চুক্তিতে আবদ্ধ হন এবং পরবর্তীতে জানতে পারেন যে, 'গ' এর প্রতিনিধি হিসাবে 'খ' কাজ করছেন। তুলার দামের জন্য 'ক'-
  1. শুধু খ এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে
  2. গ এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে না
  3. ক বা খ
  4. 'খ' বা 'গ' বা উভয়ের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
'খ' বা 'গ' বা উভয়ের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' বা 'গ' বা উভয়ের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে
ব্যাখ্যা

The Contract Act, 1872 এর ধারা: ২৩৩- ব্যক্তিগতভাবে দায়ী প্রতিনিধির সহিত লেনদেনে জড়িত ব্যক্তির অধিকার:
যদি কোন প্রতিনিধি (agent) ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হয়, তাহলে লেনদেনে যুক্ত ব্যক্তি সেই প্রতিনিধি, নিয়োগকারী বা উভয়কে দায়ী করতে পারে।

উদাহরণ-
ক ১০০ বেল তুলা বিক্রয় করিবার জন্য খ এর সহিত একটি চুক্তিতে আবদ্ধ হন এবং পরবর্তীতে জানিতে পারেন যে, গ এর প্রতিনিধি হিসাবে খ কার্য করিতেছেন। তুলার দামের জন্য খ বা গ বা উভয়ের বিরুদ্ধে ক মামলা করিতে পারিবেন।

৬০.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ১০ অনুযায়ী, যদি কাবিননামা বা বৈবাহিক চুক্তিতে দেনমোহরের পরিশোধ পদ্ধতি উল্লেখ না থাকে, তখন কী হবে?
  1. দেনমোহর পরিশোধের বাধ্যবাধকতা নেই
  2. স্বামীর ইচ্ছানুযায়ী দেনমোহর পরিশোধ হবে
  3. স্ত্রী চাহিবামাত্র দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে
  4. তালাক বা স্বামীর মৃত্যুসাপেক্ষে পরিশোধযোগ্য হবে
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী চাহিবামাত্র দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী চাহিবামাত্র দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে
ব্যাখ্যা

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর ১০ ধারাতে বলা হয়েছে,
“where no details the mode of payment of dower are specified in the nikahnama, or the marriage contract, the entire amount of the dower shall be prescribed to be payable on demand”

অর্থ্যাৎ, দেনমোহর প্রদান বা পরিশোধের পদ্ধতি সম্পর্কে কাবিননামা বা বৈবাহিক চুক্তিতে উল্লেখ না থাকলেও, স্ত্রী চাহিবামাত্র তা পরিশোধ করতে হবে।

৬১.
হিন্দু ধর্মের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয় কোনটি?
  1. শ্ৰুতি
  2. স্মৃতি
  3. প্রথা
  4. নিবন্ধ
সঠিক উত্তর:
শ্ৰুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্ৰুতি
ব্যাখ্যা

• হিন্দু আইনের মূল উৎস ৪টি। যথা-

বেদ বা শ্ৰুতি:
অতি প্রাচীনকালে দেবতাগণ প্রত্যক্ষভাবে যা বলেছিলেন ও তৎকালে মুনিগণ যা শুনেছিলেন এবং পরবর্তীকালে যা মুনিবর কৃষ্ণদ্বৈপায়ন কর্তৃক সংকলিত হয় তাই বেদ। ঋক বেদ, যজু বেদ, সাম বেদ ও অথর্ব বেদ এই চারটি বেদকে একত্রে শ্রুতি শাস্ত্র বলা হয়। বেদ বা শ্ৰুতি হচ্ছে হিন্দু ধর্মের মূল ভিত্তি।

স্মৃতি:
প্রাচীনকালে মানুষের পালনীয় ঐশ্বরিক নির্দেশাবলি যা আর্য ঋষিগণ গুরু শিষ্য পরম্পরায় আবৃত্তি আকারে স্মরণে রেখেছিলেন, যা পরবর্তীকালে মুনিগণ গ্রন্থ আকারে সংকলিত করেন ইহাই স্মৃতি শাস্ত্ৰ বা সংহিতা নামে পরিচিত।

ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ:
ধর্মীয় অনুশাসনে বিভিন্ন স্মৃতির মধ্যে জটিলতা দেখা দিলে ব্যাখ্যার উদ্ভব হয়। আঞ্চলিক রীতিনীতির সাথে সামঞ্জস্য রক্ষা করে পণ্ডিতগণ নিজেদের মতামত বা ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে প্রাচীন আইনের সংশোধন করে থাকেন। ব্যাখ্যাসমূহের মধ্যে দুটি মতবাদই অনুসরণ করা হয়ে থাকে-
(১) মিতক্ষরা মতবাদ,
(২) দায়ভাগ মতবাদ।

প্রথা:
ইহা এমন রীতি যা দেশ, অঞ্চল বা মহল্লায় প্রচলিত থাকাকালে আইনের যোগ্যতা অর্জন করেছে। আদালত কর্তৃক হিন্দু প্রথাকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
(১) স্থানীয় প্রথা,
(২) শ্রেণী প্রথা,
(৩) পারিবারিক প্রথা।

৬২.
নিম্নলিখিত উদাহরণের মধ্যে কোনটি ওয়াকফ ফি লিল্লাহ?
  1. বংশধরদের উপকারার্থে জমি দান
  2. ব্যক্তিগত ব্যবসায় জমি দান
  3. দাতব্য হাসপাতালের জন্য জমি দান
  4. সন্তানদের ভরণপোষণে সম্পত্তি দান
সঠিক উত্তর:
দাতব্য হাসপাতালের জন্য জমি দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাতব্য হাসপাতালের জন্য জমি দান
ব্যাখ্যা

উত্তর হলো: গ) দাতব্য হাসপাতালের জন্য জমি দান। ওয়াকফ ফি লিল্লাহ বলতে বোঝায় এমন ওয়াকফ যা ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে সম্পত্তি উৎসর্গ করা হয়েছে।

ওয়াকফ:
ওয়াকফ আরবি শব্দ, এর অর্থ ব্যক্তিগত মালিকানা থেকে মুক্ত কোনো সম্পত্তির হেফাজত করা। ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে ‘ভারতের মুসলমান ওয়াকফ বৈধকরণ আইন’-এ প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী, ওয়াকফ অর্থ কোনো মুসলমান কর্তৃক তাঁর সম্পত্তির কোনো অংশ এমন কাজের জন্য স্থায়ীভাবে দান করা; যা মুসলিম আইনে ‘ধর্মীয়, পবিত্র বা সেবামূলক’ হিসেবে স্বীকৃত।

ওয়াকফের বৈশিষ্ট্য হলো:
১. এটি একটি স্থায়ী ব্যবস্থা, অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য করা যায় না;
২. এটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয় এবং কোনো অবস্থায়ই এটিকে স্থগিত বা মুলতবি করা যায় না;
৩. এটি একটি অপ্রত্যাহারযোগ্য আইনি চুক্তি এবং
৪. ওয়াকফ সম্পত্তি কখনো বাজেয়াপ্ত করা যায় না।

প্রকারভেদ:
ওয়াকফ তিন প্রকার: ওয়াকফ ফি লিল্লাহ, ওয়াকফ আলাল আওলাদ (অর্থাৎ ব্যক্তিগত ওয়াকফ) ও মিশ্র ওয়াকফ। কেবল ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে সৃষ্ট ওয়াকফকে বলা হয় ওয়াকফ ফি লিল্লাহ। উৎসর্গকারীর নিজের কিংবা পরিবার বা বংশধরদের ভরণপোষণ বা উপকারার্থে ওয়াকফ করা হলে তাকে বলা হয় ওয়াকফ আলাল আওলাদ। আর মিশ্র ওয়াকফে ধর্মীয় ও দাতব্য প্রকৃতির সর্বজনীন উদ্দেশ্য এবং উৎসর্গকারীর পরিবার বা বংশধরদের উপকার দুটি বিষয়ই অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

৬৩.
The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর কত ধারা অনুসারে প্রত্যেক মুসলিম বিবাহ নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক?
  1. ২ ধারা
  2. ৩ ধারা
  3. ৪ ধারা
  4. ৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধারা
ব্যাখ্যা

• মুসলিম আইনে বিবাহ হলো Civil Contract বা দেওয়ানি চুক্তি। Abdul Kadir Vs. Salima মামলায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বিবাহকে দেওয়ানি চুক্তি বলে আখ্যায়িত করেছে। অপর পক্ষে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট Khurshid Bibi মামলায় বলেন- বিবাহ যদিও দেওয়ানি চুক্তির ন্যায় একটি চুক্তি, এটি পুরোপুরি দেওয়নি চুক্তি নয়। কিন্তু Anwar Hossain vs Momtaz Begum 18, CLC, HCD, 51 মামলায় বাংলাদেশর সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেন যে, বিবাহ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি দেওয়ানি চুক্তি।

• বিবাহ নিবন্ধন [Registration of Marriage]:
⇒ মুসলিম বিবাহ নিবন্ধনের ব্যাপারে ধর্মীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, আইন অনুসারে বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।
⇒ The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুসারে প্রত্যেক মুসলিম বিবাহ নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক।
⇒ বিবাহ নিবন্ধন না করার শাস্তি হলো- অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড বা অনধিক ৩ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দণ্ড। (ধারা-৫)
⇒ এ আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আমলযোগ্য। (ধারা-৫ক)

৬৪.
'ক' একজন হানাফী মুসলিম। তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী 'খ' কে একমাত্র উত্তরাধিকারী রেখে যায়। এক্ষেত্রে 'খ' এর সম্পত্তির সঠিক বণ্টণ কীভাবে হবে?
  1. শুধু ওয়ারিশ হিসেবে 'খ' সকল সম্পত্তি পাবে
  2. 'খ' ১/২ অংশ পাবে এবং বাকি সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে ন্যস্ত হবে
  3. 'খ' ১/৪ অংশ পাবে এবং বাকি সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে ন্যস্ত হবে
  4. ওয়ারিশ হিসেবে এবং রদের নীতি অনুযায়ী 'খ' সমুদয় সম্পত্তি পাবে
সঠিক উত্তর:
ওয়ারিশ হিসেবে এবং রদের নীতি অনুযায়ী 'খ' সমুদয় সম্পত্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারিশ হিসেবে এবং রদের নীতি অনুযায়ী 'খ' সমুদয় সম্পত্তি পাবে
ব্যাখ্যা

উল্লিখিত প্রশ্নে স্ত্রী একমাত্র উত্তরাধিকারী। তাই, প্রথমে অংশীদার হিসেবে ১/৪ অংশ পাবে (যেহেতু সন্তান নেই, সন্তান থাকলে ১/৮ অংশ)। এখন স্ত্রীকে ১/৪ অংশ দেওয়ার পরও, ৩/৪ অংশ সম্পত্তি অবশিষ্ট থেকে যাচ্ছে। তাই রদের নীতি প্রযোজ্য হবে।

সাধারণ নীতি অনুসারে, স্ত্রী রদে ফেরত সম্পত্তি না পেলেও যেহেতু এখানে স্ত্রী একমাত্র উত্তরাধিকারী, সেহেতু (রদে ফেরত) বাকি ৩/৪ অংশ সম্পত্তি স্ত্রী পাবে। 

রদ বা প্রত্যর্পণ নীতি-
মুসলিম সুন্নি আইনের বিধানমতে, অংশীদারগণের নির্ধারিত অংশ বা দাবি পূরণ করার পর ক্ষেত্র বিশেষে যদি সম্পত্তির কোনো অংশ অবশির থাকে তবে উক্ত অবশিষ্ট সম্পত্তি ঐ সব অংশীদারদের মধ্যে আনুপাতিক হারে পুনঃবণ্টন করা হবে, অর্থাৎ সমস্ত সম্পতি অংশীদারদের প্রাপ্য আংশ হারে বণ্টন করার পর বন্টিত অংশের সমষ্টি সব অপেক্ষা হর বেশি হলে অবশিষ্ট অংশ অংশীদারদের মধ্যে পুনরায় বণ্টন করে দেয়া হয় যার ফলে অংশীদারদের পূর্ব প্রাপ্ত অংশ বৃদ্ধি পায়, এই নীতিকে রদ বা প্রত্যর্পণ নীতি বলে।

• রদের নীতি-
⇒ সম্পদের অবশিষ্ট অংশ অংশীদারগণের মধ্যে পুনরায় বণ্টন করা হবে। অর্থাৎ প্রত্যেক অংশীদারের অংশ আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পাবে।
⇒ স্বামী এবং স্ত্রী রদের মাধ্যমে কোনো সম্পদ পাবে না। কিন্তু স্বামী বা স্ত্রী যদি একমাত্র অংশীদার হয়। তাহলে সে রদের মাধ্যমে সম্পত্তি পেতে পারে।

৬৫.
দত্তক গ্রহণের পর যদি দত্তকী পিতার স্বাভাবিক পুত্র জন্মগ্রহণ করে, তবে হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে দত্তকী পুত্র সম্পত্তির কত ভাগ পান?
  1. অর্ধেক
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. ১/৬ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে দত্তকী পুত্র (Adopted Son) সাধারণত দত্তক গ্রহণকারী পিতার স্বাভাবিক পুত্রের মতোই সম্পত্তির অধিকারী হন। তবে এই অধিকারে কিছু বিশেষ ব্যতিক্রম ও মতপার্থক্য রয়েছে:

১. স্বাভাবিক পুত্র থাকলে:

যদি দত্তক গ্রহণের পর দত্তকী পিতার নিজস্ব (স্বাভাবিক) পুত্র জন্মগ্রহণ করে, তাহলে দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার সম্পত্তির তিন ভাগের এক ভাগ (১/৩) উত্তরাধিকার সূত্রে পান। তবে, শুদ্র শ্রেণির দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার সম্পত্তিতে সমান অংশ পাওয়ার অধিকারী হন।

২. স্বাভাবিক পুত্র না থাকলে:
যদি দত্তকী পুত্র ছাড়া দত্তকী পিতার আর কোনো পুত্র না থাকে, তাহলে দত্তকী পুত্রই সম্পত্তির পূর্ণ উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচিত হন।

৬৬.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা বা পুত্রের সন্তানাদি (যত নিম্নেরই হউক) না থাকে এবং একজনের বেশি ভাই-বোন না থাকে, মাতার অংশ কত হবে?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. ১/৬ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
ব্যাখ্যা

• শরীয়া আইন অনুযায়ী মাতা একজন কোরানিক অংশীদার।  উত্তরাধিকার লাভের ক্ষেত্রে মাতার তিন অবস্থা হতে পারে:
ক) যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি, যত নিম্নেরই হউক, অথবা যদি পূর্ণ বৈমাত্রেয় বা বৈপিত্রেয় দুই বা ততোধিক ভাই কিংবা বোন, এমনকি একজন ভাই এবং একজন বোন থাকে, তাহলে ও ১/৬ অংশ পাবেন।

খ) কিন্তু যেসকল ক্ষেত্রে মাতা ১/৩ অংশ পায় সেক্ষেত্র গুলো নীচে দেওয়া হলো:
- যখন মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান অথবা পুত্রের সন্তান (যতই নিম্নগামী হোক না কেন) না থাকে, অথবা, 
- যখন মৃত ব্যক্তির এক ভাই অথবা এক বোন এর বেশী না থাকে।

গ) কিন্তু বিশেষভাবে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, যদি মৃত ব্যক্তির স্ত্রীর অথবা স্বামীর সাথে মাতা এবং পিতা থাকে, তবে সেক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ বাদ দেবার পর যে অংশ বাকি থাকে, মাতা তার ১/৩ অংশ পাবে। 

৬৭.
'A marriage between Hindus, which is otherwise valid, shall not be invalid by reason only of belonging to the same gotra.' - কোন আইনে এই বিধান রয়েছে?
  1. The Hindu Women Marriage Act,1856
  2. The Hindu Marriage Disabilities Removal Act,1946
  3. The Hindu Widow's Re- Marriage Act,1856
  4. The Hindu Women Marriage Ceremonies Act,1856
সঠিক উত্তর:
The Hindu Marriage Disabilities Removal Act,1946
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Hindu Marriage Disabilities Removal Act,1946
ব্যাখ্যা

The Hindu Marriage Disabilities Removal Act, 1946 - Section 2: একই গোত্র, প্রবর বা জাতির উপ-বিভাগের মধ্যে বিবাহ:
হিন্দু আইন, হিন্দু প্রথা বা ব্যবহার অনুযায়ী কোনো বিধান থাকলেও, যদি বিবাহটি অন্যভাবে বৈধ হয়, তা কেবল নিম্নলিখিত কারণে অগ্রহণযোগ্য হবে না:
(ক) উভয় পক্ষ একই গোত্র বা প্রবর এর অন্তর্ভুক্ত।
(খ) উভয় পক্ষ একই জাতির বিভিন্ন উপ-বিভাগের অন্তর্গত।

অর্থাৎ:
যদি হিন্দু বিবাহের অন্যান্য বৈধ শর্ত পূরণ হয়, তবে শুধুমাত্র একই গোত্র/প্রবর বা একই জাতির উপ-বিভাগের পার্থক্য বিবাহকে অবৈধ করতে পারবে না।

৬৮.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১২(২) অনুযায়ী, রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচার করার জন্য আদালত কোন পরিস্থিতিতে বাধ্য?
  1. কেবল অভিযোগকারীর অনুরোধে
  2. উভয়পক্ষের অনুরোধে
  3. কেবল ভুক্তভোগীর অনুরোধে
  4. জেলা জজ আদালতের নির্দেশে
সঠিক উত্তর:
উভয়পক্ষের অনুরোধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয়পক্ষের অনুরোধে
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারার বিধান: রুদ্ধদ্বার কক্ষে  বিচার:
(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার কার্যধারার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশবিশেষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।

(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কার্যধারা উভয়পক্ষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেন, সেইক্ষেত্রে আদালত উহা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিবে।

৬৯.
রাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্ঠিত থাকার মেয়াদ গণনা কখন থেকে শুরু হবে?
  1. নির্বাচিত হওয়ার দিন থেকে
  2. শপথ নেওয়ার দিন থেকে
  3. কার্যভার গ্রহণের দিন থেকে
  4. গেজেট প্রকাশের দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
কার্যভার গ্রহণের দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্যভার গ্রহণের দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদের বিধান: রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ:
(১) এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরের মেয়াদে তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁহার উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন। 

(২) একাদিক্রমে হউক বা না হউক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকিবেন না। 

(৩) স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন। 

(৪) রাষ্ট্রপতি তাঁহার কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁহার কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে।

৭০.
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ১৮ অনুযায়ী, কোনো নতুন আইন প্রণয়নের সময় “successors” শব্দটি উল্লেখ না করলে-
  1. আইন কার্যকর হবে না
  2. আইন কেবল বর্তমান কর্মকর্তার জন্য সীমিত থাকবে
  3. উত্তরাধিকারীদের উপরও আইন প্রযোজ্য হবে
  4. আইন শুধু প্রণেতার জন্য প্রযোজ্য হবে
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারীদের উপরও আইন প্রযোজ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারীদের উপরও আইন প্রযোজ্য হবে
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ১৮ : উত্তরাধিকারীগণ (Successors):
(১) এই আইনের কার্যকর হওয়ার পর সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোনো আইন বা বিধিমালায়, যদি কোনো পদাধিকারী (functionary) বা স্থায়ী ধারাবাহিক অস্তিত্বসম্পন্ন কোনো কর্পোরেশনের (corporation having perpetual succession) উত্তরাধিকারীদের (successors) প্রতি আইনের সম্পর্ক নির্দেশ করতে হয়,তাহলে শুধু উক্ত পদাধিকারী বা কর্পোরেশনের প্রতি সম্পর্ক উল্লেখ করলেই যথেষ্ট হবে।

সহজভাবে বললে:
কোনো আইন প্রণয়নের সময় “উত্তরাধিকারী” শব্দটি আলাদা করে উল্লেখ করার দরকার নেই - যদি কোনো পদ বা সংস্থার কথা বলা হয়, তবে সেই আইন স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার উত্তরাধিকারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

(২) এই ধারা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে-
১৮৬৮ সালের ৩ জানুয়ারির পর প্রণীত সব সংসদীয় আইন (Acts of Parliament), এবং
১৮৮৭ সালের ১৪ জানুয়ারি বা তার পরে প্রণীত সব বিধিমালা (Regulations)-এর ক্ষেত্রে।

৭১.
অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি হিসেবে কে দায়িত্ব পালন করবেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারক
  2. আপিল বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারক
  3. সরকার কর্তৃক নির্ধারিত আপিল বিভাগের বিচারক
  4. সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হাইকোর্ট বিভাগের প্রবীণতম বিচারক
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারক
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদের বিধান: অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ:
 প্রধান বিচারপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে প্রধান বিচারপতি তাঁহার দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে ক্ষেত্রমত অন্য কোন ব্যক্তি অনুরূপ পদে যোগদান না করা পর্যন্ত কিংবা প্রধান বিচারপতি স্বীয় কার্যভার পুনরায় গ্রহণ না করা পর্যন্ত আপিল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম, তিনি অনুরূপ কার্যভার পালন করিবেন।

The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 97: Temporary appointment of Chief Justice:
If the office of the Chief Justice becomes vacant, or if the President is satisfied that the Chief Justice is, on account of absence, illness, or any other cause, unable to perform the functions of his office, those functions shall, until some other person has entered upon that office, or until the Chief Justice has resumed his duties, as the case may be, be performed by the next most senior Judge of the Appellate Division.

৭২.
The Latin maxim “Nemo debet esse judex in propria causa” means –
  1. The act speaks for itself
  2. Everyone is equal before the law
  3. No one should be a judge in his own cause
  4. Ignorance of law is not an excuse
সঠিক উত্তর:
No one should be a judge in his own cause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No one should be a judge in his own cause
ব্যাখ্যা

Nemo debet esse judex in propria causa — একটি ল্যাটিন term, যার অর্থ হলো:
- “No one should be a judge in his own cause.”
- “কেউ নিজের মামলার বিচারক হতে পারে না”

এটি ন্যায়বিচারের একটি মৌলিক নীতি, যা “Natural Justice” (প্রাকৃতিক ন্যায়নীতি)-এর একটি প্রধান স্তম্ভ।

নীতির প্রয়োগের দুটি দিক রয়েছে:
যখন বিচারক সরাসরি মামলার পক্ষভুক্ত (Party):
যদি কোনো বিচারক কোনো মামলার সরাসরি পক্ষ হয়ে থাকেন, তবে তিনি সে মামলার বিচার করতে পারবেন না।
উদাহরণ: বিচারক যদি অভিযুক্ত বা মামলার বাদী হন, তাহলে তিনি নিজেই নিজের বিষয়ে নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত দিতে পারবেন না।

যখন বিচারকের মামলায় ব্যক্তিগত স্বার্থ রয়েছে (Interest):
যদি বিচারকের আর্থিক, পারিবারিক, রাজনৈতিক বা অন্য কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ মামলার ফলাফলের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে, তাহলেও তিনি সে মামলার বিচার করতে পারবেন না।
উদাহরণ: বিচারক যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের শেয়ারহোল্ডার হন, আর সেই প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে মামলা চলে, তবে তিনি সেই মামলায় বিচারক হতে পারেন না।

৭৩.
রাষ্ট্রের ধর্ম নিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য কোন কার্যক্রম বিলোপ করতে হবে?
  1. রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার
  2. সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা
  3. রাষ্ট্র কর্তৃক কোনো ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দেওয়া
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১২ অনুচ্ছেদের বিধান: ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা:
ধর্ম নিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য
(ক) সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা, 
(খ) রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান,
(গ) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার,
(ঘ) কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন, বিলোপ করা হইবে।

৭৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৪(১) অনুচ্ছেদে কী নিষিদ্ধ করা হয়েছে?
  1. শিশুশ্রম
  2. নারীশ্রম
  3. জবরদস্তি-শ্রম
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
জবরদস্তি-শ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবরদস্তি-শ্রম
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৪ অনুচ্ছেদের বিধান: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ:
(১) সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ; এবং এই বিধান কোনোভাবে লঙ্ঘিত হইলে তাহা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই সেই সকল বাধ্যতামূলক শ্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(ক) ফৌজদারি অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তি আইনত দণ্ডভোগ করিতেছেন; অথবা
(খ) জনগণের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে আইনের দ্বারা তাহা আবশ্যক হইতেছে। 

৭৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তার বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১২৪
  2. অনুচ্ছেদ ১২৫
  3. অনুচ্ছেদ ১২৬
  4. অনুচ্ছেদ ১২৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২৬
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদের বিধান: নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান: 
নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।

Article 126. Executive authorities to assist Election Commission:
It shall be the duty of all executive authorities to assist the Election Commission in the discharge of its functions. 

৭৬.
According to Article 116 of the Constitution of Bangladesh, How is the President supposed to exercise the power of control and discipline over the subordinate judiciary?
  1. Through Parliament
  2. Independently without consultation
  3. In consultation with the Supreme Court
  4. By the Prime Minister’s recommendation
সঠিক উত্তর:
In consultation with the Supreme Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In consultation with the Supreme Court
ব্যাখ্যা

⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 116. Control and discipline of subordinate courts:
The control (including the power of posting, promotion and grant of leave) and discipline of persons employed in the judicial service and magistrates exercising judicial functions shall vest in the President and shall be exercised by him in consultation with the Supreme Court.

 ⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।

৭৭.
অ্যাটর্নি-জেনারেল কার কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করেন?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. সংসদ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদের বিধান: অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগ দান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন। 

The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh - Article 64. The Attorney-General:
(1) The President shall appoint a person who is qualified to be appointed as a Judge of the Supreme Court to be Attorney-General for Bangladesh.
(2) The Attorney-General shall perform such duties as may be assigned to him by the President.
(3) In the performance of his duties, the Attorney-General shall have the right of audience in all courts of Bangladesh.
(4) The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the President, and shall receive such remuneration as the President may determine.

৭৮.
মুনিয়া’কে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা যৌতুকের জন্য হত্যার চেষ্টা করে, কিন্তু সে বেঁচে যায়। এক্ষেত্রে, হত্যাচেষ্টার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১: যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(কক) মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

৭৯.
The Special Powers Act, 1974 এর তফসিলে কোন আইনের উল্লেখ নেই?
  1. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫
  2. বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪
  3. জরুরি ক্ষমতা আইন, ১৯৭৫
  4. বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, ১৯০৮
সঠিক উত্তর:
বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪
ব্যাখ্যা

⇒ বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪ তফসিলে উল্লেখিত নয়।

⇒ ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের তফসিল:
১. এই আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ;
৩. অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ (Arms Act, 1878) এর আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ;
৪. বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, ১৯০৮ (Explosive Substances Act, 1908) এর আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ;
৪ক. জরুরি ক্ষমতা আইন, ১৯৭৫ (Emergency Powers Act, 1975) অনুযায়ী গৃহীত নিয়ম বা সেই নিয়মের অধীনে প্রদত্ত কোনো আদেশ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ;
৫ক. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫ (Formalin Control Act, 2015) এর আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ;
৬. উপরোক্ত যেকোনো শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা বা প্রস্তুতি।

৮০.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ কত ধারায় শিশু ভিকটিম এবং শিশু সাক্ষীর অধিকার রক্ষা সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ৩৮ ধারায়
  2. ৩৯ ধারায়
  3. ৪০ ধারায়
  4. ৪১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারায়
ব্যাখ্যা

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩৮: শিশু ভিকটিম এবং শিশু সাক্ষীর অধিকার রক্ষা:
(১) ভিকটিম এবং সাক্ষীর সুরক্ষা বিধান বিষয়ক এই আইনের বিধানসমূহের সামগ্রীকতাকে ক্ষুণ্ন না করিয়া, মানব পাচার অপরাধের শিকার শিশু এবং শিশু সাক্ষী লইয়া কাজ করিবার সময় ট্রাইব্যুনালসহ যে কোন ব্যক্তি শিশুর সর্বোত্তম কল্যাণ এবং অগ্রাধিকারের নীতি প্রয়োগ করিবে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দলিলে সন্নিবেশিত নীতিসহ আপাততঃ বলবৎ এতদবিষয়ক যে কোন আইনের বিধানসমূহ অনুসরণ করিবে এবং মানব পাচারের শিকার শিশুদের অপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত হওয়া অথবা তাহাদের এবং শিশু সাক্ষীদের কলঙ্কিত হওয়া বা সামাজিকভাবে একঘরে হওয়া এড়াইবার জন্য এই আইনের অধীন কর্মরত সংশ্লিষ্ট সকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
 
(২) পুলিশ বা সরকার বা এই আইনের বিষয়বস্ত্ত লইয়া কর্মরত কোন ব্যক্তি শিশু-বান্ধব কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ বা শিশু-বান্ধব প্রক্রিয়া ব্যতীত অন্য কোনভাবে এই আইনের সহিত দ্বন্দ্বে (Conflict) বা ইহার সংস্পর্শে (Contact) আসা কোন শিশু লইয়া কাজ করিবে না এবং মানব পাচারের শিকার কোন শিশুকে বা ভিকটিম শিশুকে উন্নয়ন কেন্দ্রে (development centre/remand home) প্রেরণ করা বা আটক রাখা যাইবেনা।

৮১.
রফিক চেক প্রত্যাখ্যানের পর নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হন। এই ক্ষেত্রে চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ কত গুণ অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ২ গুণ
  2. ৩ গুণ
  3. ৫ গুণ
  4. ১০ গুণ
সঠিক উত্তর:
৩ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ গুণ
ব্যাখ্যা

ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:
যদি কোনো ব্যক্তি তার ব্যাংক হিসাব থেকে অন্য ব্যক্তিকে অর্থ প্রদানের জন্য চেক প্রদান করে এবং ব্যাংক সেই চেক অর্থের ঘাটতি বা ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সীমা অতিক্রমের কারণে অবৈধ ঘোষণা করে, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী বলে গণ্য হবেন।

শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা
- চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ ৩ গুণ অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয়ই।

শর্তাবলী:
(ক) চেকটি অবশ্যই প্রদানের তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে বা চেক বৈধ থাকা পর্যন্ত ব্যাংকে উপস্থাপন করতে হবে, যা আগে আসে।
(খ) চেক প্রত্যাখ্যানের তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতাকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে।
(গ) চেকদাতা নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ধারা প্রযোজ্য হবে।

৮২.
যদি শিশু আদালত যুক্তিসঙ্গত কারণে ৩৬০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে না পারে, তাহলে উক্ত আদালত সর্বাধিক কত দিনের জন্য বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা বর্ধিত করতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩২ ধারার বিধান- বিচার সমাপ্তির সময়সীমা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 

(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে। 

(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত  যতদূর সম্ভব, একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে। 

(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।

৮৩.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীন তদন্ত বা বিচার কার্যে মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে সর্বনিম্ন কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

উত্তর: খ) ২ বছর।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৮গ- মিথ্যা তথ্য প্রদানের দণ্ড:
(১) মিথ্যা জানিয়া বা তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত না হইয়া কোন ব্যক্তি ভিত্তিহীন কোন তথ্য, যে তথ্যের ভিত্তিতে এই আইনের অধীন তদন্ত বা বিচার কার্য পরিচালিত হইবার সম্ভাবনা থাকে, প্রদান করিলে তিনি মিথ্যা তথ্য প্রদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন মিথ্যা তথ্য প্রদান করিলে তিনি এই ধারার অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর বা অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
(৩) তথ্য প্রদানকারী কমিশনের বা সরকারি কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী হইলে এবং তিনি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন মিথ্যা তথ্য প্রদান করিলে তাহার বিরুদ্ধে উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত দণ্ড প্রদান করা হইবে।]

৮৪.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে গঠিত সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সদস্য-সচিব কে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. অ্যাটর্নি-জেনারেল
  3. লিগ্যাল এইড অফিসার
  4. হাইকোর্ট বিভাগের মনোনীত বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
লিগ্যাল এইড অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিগ্যাল এইড অফিসার
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ৮ক- সুপ্রীম কোর্ট কমিটি:
(১) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে সুপ্রীম কোর্ট কমিটি নামে একটি কমিটি থাকিবে এবং উহা নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:  
(ক) বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন;
(কক) বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন রেজিস্ট্রার;]
(খ) সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক এবং উক্ত সমিতি কর্তৃক মনোনীত সমিতির অন্য একজন সদস্য;
(গ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত মানবাধিকার ও সমাজকল্যাণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী দুইজন আইনজীবী, যাহাদের মধ্যে একজন মহিলা থাকিবেন;
(ঘ) বোর্ড কর্তৃক মনোনীত জাতীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত আইন ও মানবাধিকার ইস্যুতে কার্যক্রম পরিচালনাকারী বেসরকারি সংস্থার দুইজন প্রতিনিধি;
(ঙ) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল কর্তৃক মনোনীত একজন অন্যূন ডেপুটি অ্যাটর্নি-জেনারেল;
(চ) বোর্ডের চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত সংস্থার অন্যূন উপ-পরিচালক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা;
(ছ) লিগ্যাল এইড অফিসার, সুপ্রীম কোর্ট, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন;

(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) এবং (ঘ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে দুই বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

৮৫.
A, একজন তল্লাশির ক্ষমতাপ্রাপ্ত অফিসার, কোনো ব্যক্তির সন্দেহজনক আচরণ ছাড়া তার ঘরে প্রবেশ করে তল্লাশি চালান। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৯ ধারায় A অনূর্ধ্ব কোন দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৯ ধারার বিধান- বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশি, ইত্যাদির দণ্ড:
যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 
(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 
(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 
(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।