পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (আর্কাইভ)

পরীক্ষাপ্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (আর্কাইভ)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৫ টপিক: জাতীয় দিবস, খেলাধুলা, জাতীয় অর্জন, পুরস্কার, সাম্প্রতিক ঘটনাবলী বিশ্ব পরিচিতি, মহাদেশ, রাজধানী, মুদ্রা, উপনাম, সাগর, মহাসাগর, নদনদী, প্রণালী, সীমারেখা [লাইভ ক্লাস – ৭ ও ৮]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (আর্কাইভ)

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (আর্কাইভ) · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধকালীন প্রথম ফুটবল দল কোন দেশের?
  1. উত্তর কোরিয়া
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের একটি ফুটবল দল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত অর্জন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়।
- এই দলটি ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’ নামে পরিচিত ছিল।
- পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধকালীন প্রথম ফুটবল দল এটি।
- মূল পরিকল্পনাটা ছিলো শামসুল হকের।
- জুন মাসে কলকাতায় তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ক্রীড়া সমিতি এবং যারা সারা ভারতজুড়ে খেলে সমর্থন আদায় করবে আমাদের স্বাধীন বাংলার স্বীকৃতির জন্য।
- তার সাহায্যে এগিয়ে এলেন সমিতির প্রথম সেক্রেটারি লুতফর রহমান, কোচ আলী ইমাম ও ইস্ট এন্ড ক্লাবের সাবেক ফুটবলার সাঈদুর রহমান প্যাটেল।
- জাকারিয়া পিন্টু ছিলেন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক।
- আর সহ-অধিনায়ক ছিলেন প্রতাপ শংকর হাজরা।
- কোচ ও ম্যানেজার ছিলেন যথাক্রমে ননি বসাক ও তানভীর মাজহারুল তান্না। 
- ম্যাচ খেলা থেকে অর্জিত পাঁচ লাখ ভারতীয় রুপি ক্রীড়া সমিতি জমা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ফান্ডে।

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলে যারা ছিলেন: 
- জাকারিয়া পিন্টু (অধিনায়ক), প্রতাপ শঙ্কর হাজরা (সহ-অধিনায়ক), আলী ইমাম, মোহাম্মদ কায়কোবাদ, অমলেশ সেন, আইনুল হক, নিহার কান্তি দাস, শেখ আশরাফ আলী, বিমল কর, শাহজাহান আলম, মনসুর আলী লালু, কাজী সালাউদ্দিন, এনায়েতুর রহমান, সুভাষ সাহা, কে এম নওশেরুজ্জামান, ফজলে সাদাইন খোকন, আবুল হাকিম, তসলিমউদ্দিন শেখ, আমিনুল ইসলাম, আবদুল মমিন জোয়ারদার, মনিরুজ্জামান পেয়ারা, সাত্তার, প্রাণ গোবিন্দ কুন্ডু, মুজিবর রহমান, মেজর জেনারেল (অব.) খন্দকার নুরুন্নবী, লুৎফর রহমান, সাইদুর রহমান প্যাটেল, অনিরুদ্ধ চ্যাটার্জি, সনজিব কুমার দে, মাহমাদুর রশিদ, দেওয়ান মোহাম্মদ সিরাজউদ্দিন, নিহার কান্তি দাস।

উৎস: ২৬ মার্চ ২০২২, সময় নিউজ।
.
নিচের কোন দেশে কোন নদী নেই?
  1. কুয়েত
  2. জর্ডান
  3. তুরস্ক
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

নদী ছাড়া দেশ:
- পৃথিবীতে এমন কিছু দেশ আছে যেগুলোর কোনো নদী নেই।
- এগুলি বেশিরভাগই মরুভূমির দেশ।
- ১৯টি বিভিন্ন দেশ যেখানে স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই।
- যেমন: কমোরোস, জিবুতি, লিবিয়া, বাহামাস, বাহরাইন, কুয়েত, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইয়েমেন, মাল্টা, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি, কিরিবাতি, নাউরু, টোঙ্গা, টুভালু।

 
উৎস: WorldAtlas.

.
বঙ্গবন্ধু টানেলের মোট দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.৪ কিমি
  2. ৯.৩২ কিমি
  3. ৯.৩৯ কিমি
  4. ৩.৩৯ কিমি
সঠিক উত্তর:
৯.৩৯ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৩৯ কিমি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।
- এই টানেল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে।
- টানেলের প্রকল্প পরিচালক মোঃ হারুনুর রশীদ চৌধুরী।
- মোট দৈর্ঘ্য ৯.৩৯ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য ৫.৩৫ কিমি।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম টানেল টিউব নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
- ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যৌথভাবে বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।
- বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা।
- নদীর নিচ দিয়ে টানেল দক্ষিণ এশিয়ায় এটাই প্রথম।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে।

উল্লেখ্য,
- প্রায় ৯১ বছর আগে এই নদীর ওপর প্রথম কালুরঘাট রেলসেতু নির্মাণ করা হয়েছিল।
- কালুরঘাট রেলসেতু থেকে সাত কিলোমিটার ভাটিতে ১৯৮৯ সালে প্রথম সড়ক সেতু নির্মাণ করা হয়।
- ২০১০ সালে একই স্থানে কর্ণফুলী তৃতীয় শাহ আমানত সেতু নির্মাণ করা হয়।
-  কক্সবাজারের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের টার্মিনাল চালু হবে ২০২৬ সালে। 

উৎস: i) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
         ii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
        iii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
.
জাতীয় সংসদের বিলের তফসিলে কয়টি দেশীয় খেলা তালিকাভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ৪২টি
  2. ৪৩টি
  3. ৪৪টি
  4. ৪৫টি
সঠিক উত্তর:
৪২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২টি
ব্যাখ্যা
বিলের তফসিলে ৪২টি দেশীয় খেলা তালিকাভুক্ত:
- 'বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) বিল ২০১৯' ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন।
- ১৯৮৩ সালের অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করতে বিলটি আনা হয়েছে। 
- বিলের তফসিলে ৪২টি দেশীয় খেলা তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
- সেগুলো হলো হাডুডু, ডাংগুলি, গোল্লাছুট, সাতচাড়া, মোরগ লড়াই, বৌছি, ইচিংবিচিং, কানামাছি ভো ভো, দাঁড়িয়াবান্ধা, এক্কা–দোক্কা, কুতকুত, রুমাল লুকানো, ওপেনটি বায়োস্কোপ, ফুল টুকা, দড়িলাফ, বিস্কুটদৌড়, সুই–সুতাদৌড়, তৈলাক্ত বাঁশে ওঠা, কলাগাছে ওঠা, লাঠিখেলা, ঘুড়ি ওড়ানো, বালিশযুদ্ধ, রশি টানাটানি, ষাঁড়ের লড়াই, গরুর গাড়ির দৌড়, ঘোড়দৌড়, বস্তাদৌড়, বালিশবদল, বলীখেলা, লুডু, পাঞ্জা লড়াই, লাটিম খেলা, গুলতি ছোড়া, ভেলাবাইচ, গুটি খেলা, তির-ধনুক খেলা, চাকা দৌড়ানো, মার্বেল খেলা, কড়ি খেলা, হাঁড়িভাঙা, হাঁস খেলা ও ব্যাঙদৌড়।

উৎস: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, প্রথম আলো।
.
কত তারিখে ভারতের সাথে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সমুদ্র বিজয়ের রায় হয়?
  1. ১৪ মার্চ, ২০১২
  2. ৭ জুলাই, ২০১২
  3. ৭ জুলাই, ২০১৪
  4. ১২ ডিসেম্বর, ২০১৪
সঠিক উত্তর:
৭ জুলাই, ২০১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জুলাই, ২০১৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়:
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে 'The Territorial Waters and Maritime Zones Act' পাশ করেন।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সমুদ্র বিজয় হয়।

বাংলাদেশ বনাম মিয়ানমার:
- ২০১২ সালের ১৪ মার্চ জার্মানিতে অবস্থিত সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে (ITLOS) এই মামলার রায় দেয়া হয়।
- রায় অনুসারে বাংলাদেশ তার উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।
- এছাড়াও সমুদ্রে অবস্থিত ২৮টি ব্লকের মধ্যে ১৮টি ব্লকের মালিকানা বাংলাদেশ পায় ।

বাংলাদেশ বনাম ভারত:
- ২০১৪ সালের ৭ জুলাই নেদারল্যান্ডে অবস্থিত স্থায়ী সালিশি আদালত (UNCLOS) এই রায় আদালতের রায়ে বাংলাদেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে ১, ১৮, ৮১৩ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র অঞ্চল, ১২ নটিক্যাল মাইল রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা, ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive Economic Zone - EEZ) এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

উল্লেখ্য,
• অর্জিত মোট সমুদ্রসীমা: ১,১৮,৮১৩ বর্গ কি.মি.,
• উপকূলীয় দৈৰ্ঘ্য: ৭১২ কিলোমিটার,
• টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা: ১২ নটিক্যাল মাইল,
• EEZ সমুদ্রসীমা: ২০০ নটিক্যাল মাইল, 
• মহীসোপান এলাকা: ৩৫০ নটিক্যাল মাইল, 
• বঙ্গোপসাগরের গড় গভীরতা: ২,৬০০ মিটার,
• সর্বোচ্চ গভীরতা: ৫,২৫৮ মিটার,
• পৃথিবীর বৃহত্তম উপদ্বীপ: Bengal Fan.

উৎস: i) বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
         ii) ২৪ অক্টোবর ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক। [link]