ব্যাখ্যা
তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গন্থ:
উপন্যাস-
জননী (১৯৩৫), দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫), পদ্মানদীর মাঝি (১৯৩৬), পুতুলনাচের ইতিকথা (১৯৩৬), শহরতলী (১৯৪০-৪১), চিহ্ন (১৯৪৭), চতুষ্কোণ (১৯৪৮), সার্বজনীন (১৯৫২), আরোগ্য (১৯৫৩) প্রভৃতি।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৭ প্রশ্ন
শওকত ওসমান (১৯১৭-১৯৯৮) কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক। ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; ‘শওকত ওসমান’ তাঁর সাহিত্যিক নাম। তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রচনা হলো:
উপন্যাস -
জননী (১৯৫৮), ক্রীতদাসের হাসি (১৯৬২), সমাগম (১৯৬৭), চৌরসন্ধি (১৯৬৮), রাজা উপাখ্যান (১৯৭১), জাহান্নাম হইতে বিদায় (১৯৭১), দুই সৈনিক (১৯৭৩), নেকড়ে অরণ্য (১৯৭৩), পতঙ্গ পিঞ্জর (১৯৮৩), আর্তনাদ (১৯৮৫), রাজপুরুষ (১৯৯২)।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
শওকত আলী মূলত কথাসাহিত্যিক। তিনি জন্মগ্রহণ করেন দিনাজপুরে।
তাঁর রচিত বিখ্যাত কয়েকটি উপন্যাস-
- প্রদোষে প্রাকৃতজন,
- পিঙ্গল আকাশ,
- যাত্রা,
- দক্ষিণায়নের দিন,
- কুলায় কালস্রোত,
- পূর্বরাত্রি পর্বদিন,
- যেতে চাই,
- ওয়ারিশ,
- বাসর মধুচন্দ্রিমা,
- উত্তরের খেপ,
- দলিল,
- উপরে ছাপ
ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত উপন্যাস -
লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা, কাঁদো নদী কাঁদো, দি আগলি এশিয়ান ইত্যাদি।
গল্পগ্রন্থ - নয়নচারা, দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।
নাটক - বহিপীর, সুড়ঙ্গ, তরঙ্গভঙ্গ, উজানে মৃত্যু ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি আলাওল। এখন পর্যন্ত তার ৭ টি কাব্যের সন্ধান পাওয়া গেছে।
এগুলো হচ্ছে - পদ্মাবতী, সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল, হপ্তপয়কর, সিকান্দরনামা, তোহফা, রাগতালনামা এবং দৌলতকাজির অসমাপ্ত গ্রন্থ সতীময়না-লোর-চন্দ্রাণী।
তিনি পদ্মাবতী রচনা করেন কবি মালিক মুহম্মদ জায়সির হিন্দিকাব্য ‘পদুমাবৎ’ অবলম্বনে।
চন্দ্রাবতী কাব্যের একমাত্র রচয়িতা কোরেশী মাগন ঠাকুর।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
বৈষ্ণব কবিতার চার মহাকবি বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, গোবিন্দদাস, জ্ঞানদাস৷ তাদের মধ্যে বিদ্যাপতি এবং গোবিন্দদাস লিখেছেন ব্রজবুলি ভাষায়। আর চণ্ডীদাস এবং জ্ঞানদাস লিখেছেন খাঁটি বাংলায়।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মানবতাবাদী কবি বলা হয় চণ্ডীদাসকে।
তিনি 'শুনহ মানুষ ভাই / সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই' বলে জাত-পাতযুক্ত সমাজে প্রথম মানবতার বাণী কাব্যে ধারণ করেন।
ব্যাক্তিজীবনেও তিনি জাত-সংস্কারের উর্ধ্বে ছিলেন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চন্ডীদাসকে দুঃখের কবি বলেছেন৷
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
'মুখরা রমণী বশীকরণ' নাটকটি উইলিয়াম শেকসপিয়ারের 'The Taming of the Shrew' গ্রন্থের অনুবাদ৷ এটি মূলত কমেডি নাটক।
'রক্তাক্ত প্রান্তর' (১৯৬২) মুনীর চৌধুরীর প্রথম পূর্ণাঙ্গ মৌলিক নাটক। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের (১৭৬১) ঘটনা অবলম্বনে তিন অঙ্ক বিশিষ্ট এই নাটকটি রচিত৷ এটি একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস।
'কবর' একুশের পটভূমিতে রচিত প্রথম বাংলা নাটক৷ এটি এক অঙ্ক বিশিষ্ট নাটক।
প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য নাট্যকলার সংমিশ্রণে তার রচিত নাটক হলো 'দন্ডকারণ্য'৷
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
বাঙলা অক্ষরে মুদ্রিত বাঙালির লেখা যে বইটি প্রথম ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ছাপাখানা থেকে বের হয়, সেটির নাম প্রতাপাদিত্যচরিত্র। ১৮০১ সালে প্রকাশিত হওয়া বইটি লিখেছিলেন রামরাম বসু।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ
সূর্য - সবিতা, রবি, ভানু, প্রভাকর, দিবাকর, দিবাবসু, দিনকর, দিনপতি৷
আলো - আলোক, বিভা, কিরণ, দীপ্তি, প্রভা, জ্যোতি, ময়ূখ, রওশন, নুর, আভা৷
কন্যা - মেয়ে, নন্দিনী, দুহিতা, আত্মজা, সুতা, তনয়া, তনজা, ঝি, বেটি৷
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
ক্ + ষ + ম = ক্ষ্ম৷
উদাহরণ - সূক্ষ্ম৷
হ্ + ম = হ্ম৷ উদাহরণ - ব্রহ্ম, ব্রাহ্মণ৷
ক্ + ষ = ক্ষ৷ উদাহরণ - শিক্ষা, কক্ষ৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
দিন - অহ্ন, দিবস, দিবা, অহ, অষ্টপ্রহর, আটপ্রহর।
পদ্ম - অরবিন্দ, কমল, পঙ্কজ, উৎপল, শতদল, রাজীব, পুণ্ডরীক৷
ঢেউ - ঊর্মি, বীচি, তরঙ্গ, কল্লোল, হিল্লোল, মহোর্মি, মহাতরঙ্গ, জোয়ার।
সিংহ - পশুরাজ, কেশরী, মৃগেন্দ্র, মৃগরাজ, মৃগপতি, হরি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
রাত্রি - নিশা, রজনী, যামিনী, নিশীথিনী, শর্বরী, বিভাবরী, ক্ষণদা।
অন্ধকার - আধাঁর, তিমির, তমঃ।
চাঁদ - চন্দ্র, সুধাকর, সোম, বিধু।
পাখি - পক্ষী, বিহগ, পতগ, বিহঙ্গ, খগ, দ্বিজ, খেচর, পক্ষধর, চিড়িয়া, পাখপাখালি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
জটিল বাক্য বা মিশ্র বাক্য: যে বাক্যের মধ্যে একটি প্রধান বাক্য থাকে এবং একাধিক বাক্যকে প্রধান বাক্যের ওপর নির্ভরশীল দেখা যায়, তাকে জটিল বাক্য বা মিশ্র বাক্য বলে৷
যেমন-
যে পরিশ্রম করে, সে-ই সুখ লাভ করে৷
যিনি সৎ পথে চলেন, তিনি সুখী হন।
উৎসঃ বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি৷
কোনাে কোনাে সময় দেশি ও বিদেশি শব্দের মিলনে শব্দদ্বৈত সৃষ্টি হয়ে থাকে, তাকে মিশ্র শব্দ বলে।
যেমনঃ ডাক্তার-খানা (ইংরেজি + ফারসি),
রাজা-বাদশা (তৎসম + ফারসি),
হাট-বাজার (বাংলা + ফারসি),
পকেটমার (ইংরেজি + বাংলা),
খ্রিস্টাব্দ (ইংরেজি + তৎসম),
হেড-মৌলভি (ইংরেজি + ফারসি),
হেড-পণ্ডিত (ইংরেজি + তৎসম),
চৌহদ্দি (ফারসি + আরবি) ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি (কে, রে, জন্য, নিমিত্ত ইত্যাদি) লোপে যে সমাস হয়, তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমনঃ ডাকের নিমিত্তে ঘর = ডাকঘর৷
দেশপ্রীতি = দেশের জন্য প্রীতি৷
বিয়ের জন্য পাগল - বিয়েপাগল,
গুরুকে ভক্তি - গুরুভক্তি,
বিদ্যার জন্য আলয় - বিদ্যালয়।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ