পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ০৩ আইন বিষয়াবলী - ২ Subject: The Code of Civil Procedure, 1908 Topic: Written Statement (Order 8), Appearance of Parties and Consequences of Non-Appearance (Order 9), Examination of Parties by the Court (Order 10), Discovery, Inspection, and Interrogatories (Order 11), Admission (Order 12), Production; Impounding and Return of Documents (Order 13) Framing of Issues (Order 14), Disposal of the Suit at the First Hearing (Order 15), Adjournment (Order 17), Hearing of the Suit and Examination of Witnesses (Order 18), Judgment and Decree (Order 20), Costs (Sections 35 & 35B)."
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
আদেশ ১৩ বিধি-৩ এর অধীন আদালত একটি দলিল অগ্রাহ্য করার সিদ্ধান্ত কোন পর্যায়ে নিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র মোকদ্দমার শুরুতে
  2. শুধুমাত্র চূড়ান্ত রায়ের পরে
  3. মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
  4. শুধুমাত্র চূড়ান্ত যুক্তিতর্কের সময়
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৩ বিধি-৩: অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অগ্রহণযোগ্য দলিলাদি অগ্রাহ্য:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করে যে, কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তবে অগ্রাহ্যের হেতু রেকর্ডপূর্বক আদালত উক্ত দলিল অগ্রাহ্য করতে পারবে।

Order 13 Rule 3: Rejection of irrelevant or in admissible documents:
The Court may at any stage of the suit reject any document which it considers irrelevant or otherwise inadmissible, recording the grounds of such rejection.
.
According to Order 14 Rule 8, how many days does the court have to fix a date for the final hearing of the suit after the issues are framed?
  1. 60 days
  2. 90 days
  3. 120 days
  4. 150 days
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৪ বিধি ৮: চূড়ান্ত শুনানীর তারিখ স্থিরীকরণ:
বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর একশত বিশ দিনের ভিতর আদালত ঐ মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ স্থিরীকৃত করবে।

Order 14 Rule 8: Fixing date for final hearing:
After the issues are framed, the Court shall within one hundred and twenty days thereof, fix a date for final hearing of the suit.
.
আদেশ ৮ বিধি ৩ অনুসারে, বিবাদীকে তার লিখিত জবাবে বাদীর প্রত্যেকটি অভিযোগ-
  1. সাধারণভাবে অস্বীকার করবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করতে হবে
  3. সাধারণভাবে স্বীকার করবে
  4. সুনির্দিষ্টভাবে স্বীকার করতে হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৮ বিধি-৩: অস্বীকার সুনির্দিষ্ট হবে:
বিবাদীকে তার লিখিত বিবৃতিতে বাদীর অভিযোগের কারণসমূহ সাধারণভাবে অস্বীকার করলেই যথেষ্ট হবে না, বরং যে সকল তথ্য সংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা বিবাদী স্বীকার করে না, সেগুলোর প্রত্যেকটি বিবাদীকে অবশ্যই সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, তবে ক্ষতিপূরণের বিষয় ব্যতীত।

Order 8 Rule 3- Denial to be specific:
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.
.
আদালত কখন আদেশ ১০ বিধি ২ অনুযায়ী পক্ষগণের সহযোগীর কোন ধরনের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে?
  1. লিখিত জবানবন্দি
  2. মৌখিক জবানবন্দি
  3. মৌখিক এবং লিখিত উভয় জবানবন্দি
  4. সাক্ষীর ইচ্ছানুযায়ী নির্ধারন হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১০ বিধি ২- পক্ষ বা পক্ষগণের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি:
মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

Order 10 Rule 2: Oral examination of party or companion of party-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.
.
'The evidence of the witness in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.'- The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত বিধিতে বলা হয়েছে?
  1. আদেশ ১৬ বিধি ৪
  2. আদেশ ১৭ বিধি ৪
  3. আদেশ ১৮ বিধি ৪
  4. আদেশ ২০ বিধি ৪
ব্যাখ্যা
Order 18 Rule.-4: Witnesses to be examined in open Court:
The evidence of the witness in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.

আদেশ ১৮ বিধি-৪: প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি:
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে এবং ব্যক্তিগত নির্দেশনা এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।
.
আদেশ ১৫ বিধি ২ অনুযায়ী, বহু বিবাদীর মধ্যে যদি কোন একজনের বিরুদ্ধে বিচার্য বিষয় না থাকে, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. সকল বিবাদীদের বিরুদ্ধে মামলা চালাবে
  2. উক্ত বিবাদীর পক্ষে রায় ঘোষণা করবে
  3. উক্ত বিবাদীর পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
  4. উক্ত বিবাদীর পক্ষে মামলাটি বাতিল করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৫ বিধি-২: বহু বিবাদীর মধ্যে কোন একজনের বিরুদ্ধে বিচার্য বিষয় না থাকলে:
যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী থাকে এবং আইন কিংবা ঘটনার কোন প্রশ্নে বিবাদীদের কোন একজনের সাথে বাদীর সঙ্গে কোন বিরোধ না থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত তখনই ঐ বিবাদীর পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে এবং মোকদ্দমা শুধু অন্যান্য বিবাদীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হবে।

Order 15 Rule-2: One of several defendants not at issue:
Where there are more defendants than one, and any one of the defendants is not at issue with the plaintiff on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment for or against such defendant and the suit shall proceed only against the other defendants.
.
আদেশ ২০ বিধি ৬ অনুযায়ী ডিক্রির মধ্যে নিম্নের কোন তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে না?
  1. মোকদ্দমার নম্বর
  2. পক্ষগণের নাম ও বিবরণ
  3. গ্রহণকৃত সাক্ষ্যের বিস্তারিত
  4. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ:
১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে; এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিস্কার উল্লেখ থাকবে।
২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।

'সাক্ষ্যসমূহের বিস্তারিত'- ডিক্রির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে না।

Order 20 Rule 6: Contents of decree:
1) The decree shall agree with the judgment; it shall contain the number of the suit, the names and descriptions of the parties, and particulars of the claim, and shall specify clearly the relief granted or other determination of the suit.
2) The decree shall also state the amount of costs incurred in the suit, and by whom or out of what property and in what proportions such costs are to be paid.
3) The Court may direct that the costs payable to one party by the other set-off against any sum which is admitted or found to be due from the shall be set-off former to the latter.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১২নং আদেশ অনুযায়ী কত প্রকার স্বীকারোক্তি রয়েছে?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১২নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-
১। মোকদ্দমা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১];
২। দলিল স্বীকার নোটিশ  [বিধি-২];
৩। ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]।

মোকদ্দমা স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যে কোন পক্ষ তার প্লিডিংসের (আরজি বা লিখিত জবাবের) মাধ্যমে বা লিখিত অন্য কোন উপায়ে অন্য পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিক অংশের সত্যতা স্বীকার করতে পারে। অথবা অপর পক্ষকে মোকদ্দমার উদ্দেশ্যে নোটিশে উল্লেখিত কোন তথ্যকে স্বীকার করার জন্য অপর পক্ষকে লিখিত নোটিশ দিয়ে আমন্ত্রণ জানাতে পারে। [আদেশ ১২ বিধি ১]।

দলিল স্বীকারের নোটিশ:
নোটিশ জারির ১৫ দিনের মধ্যে দলিল স্বীকার করার জন্য মোকদ্দমার একপক্ষ অন্য পক্ষকে আহ্বান করতে পারে [আদেশ ১২ বিধি ২]

ঘটনা স্বীকারের নোটিশ:
কোন পক্ষ শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনের পূর্বের ৯ দিনের মধ্যে যে কোন সময় মোকদ্দমার উদ্দেশ্যে নোটিশে উল্লেখিত কোন তথ্যকে স্বীকার করার জন্য অপর পক্ষকে লিখিত নোটিশ দিয়ে আমন্ত্রণ জানাতে পারে। [আদেশ ১২ বিধি ৪] স্বীকারোক্তির উপর ভিত্তি করে আদালত রায় বা আদেশ দিতে পারে।
.
'Equitable set off' এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. অনির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের ক্ষেত্রে দাবী করা যেতে পারে
  2. আইনগত অধিকার হিসাবে বিবাদী দাবী করতে পারে না
  3. নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের ক্ষেত্রে দাবী করা যেতে পারে
  4. এই প্রতিকার আদালত মঞ্জুর করতে বাধ্য না
ব্যাখ্যা
ন্যায়সঙ্গত দাবী সম্বনয় (Equitable set off]:
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ৬ বিধি শুধুমাত্র legal set-off নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। শুধুমাত্র যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ নির্দিষ্ট শুধুমাত্র সেই ক্ষেত্রে legal set-off প্রযোজ্য। কিন্তু এমন অনেক ক্ষেত্র আছে, যেক্ষেত্রে আদালত অনির্দিষ্ট অর্থের ক্ষেত্রেও পারস্পরিক দায় শোধ মঞ্জুর করতে পারে। এটাই ন্যায়সঙ্গত দাবী সমন্বয় বা Equitable set off. ২০ আদেশের ১৯(৩) বিধিতে Equitable set-off স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

Legal set-off এবং Equitable set-off এর মধ্যে পার্থক্য:
১. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ৬ বিধিতে Legal set-off নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। অন্যদিকে ২০ আদেশের ১৯(৩) বিধিতে Equitable set-off স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

২. Legal set-off নির্দিষ্ট অর্থের দাবীর ক্ষেত্রে এবং অনির্দিষ্ট অর্থের ক্ষেত্রে Equitable set-off দাবী করা যেতে পারে।

৩. Legal set-off আইনগত অধিকার হিসাবে বিবাদী দাবী করতে পারে এবং আদালত মঞ্জুর করতে বাধ্য। কিন্তু Equitable set-off আইনগত অধিকার হিসাবে বিবাদী দাবী করতে পারেনা এবং আদালত মঞ্জুর করতে বাধ্য না।

৪. Legal set-off এর ক্ষেত্রে একই লেনদেন বা কার্যধারা হতে দাবীর উদ্ভব হওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু Equitable set off মঞ্জুর করা যেতে পারে, শুধুমাত্র যেক্ষেত্রে দাবী একই লেনদেন হতে উদ্ভব হয়।
১০.
একাধিক বিবাদী নিয়ে একটি মোকদ্দমা চলছে। একজন বিবাদী আদালতে উপস্থিত থাকেন এবং অন্য বিবাদীরা উপস্থিত থাকেন না। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. উপস্থিত বিবাদীর বিরুদ্ধে রায় দিবে
  2. উপস্থিত বিবাদী নিয়ে মোকদ্দমাটি নিয়ে অগ্রসর হবে
  3. অনুপস্থিত বিবাদীদের সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ দেবে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ১১: কতিপয় বিবাদীর এক বা একাধিক অনুপস্থিত থাকলে কার্য পদ্ধতি [Procedure in case of nonattendance of one or more of several defendants]:
যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী রয়েছে, সেক্ষেত্রে একজন বা কয়েকজন বিবাদী উপস্থিত হয় এবং অন্যরা উপস্থিত না হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি অগ্রসর হবে এবং রায় ঘোষণার সময় আদালত অনুপস্থিত বিবাদীদের সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোনো আদেশ দান করবেন।

[Where there are more defendants than one, and one or more of them appear, and the others do not appear, the suit shall proceed, and the Court shall, at the time of pronouncing judgment, make such order as it thinks fit with respect to the defendants who do not appear.]
১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৫খ অনুযায়ী:
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দরখাস্ত পেশ না করলে, পরবর্তীতে আদালত কী শর্তে উক্ত দরখাস্ত শুনানির জন্য গ্রহণ করবে?
  1. শুনানির দিন দরখাস্তকারী উপস্থিত থাকলে
  2. উভয় পক্ষের সম্মতি থাকলে
  3. সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত খরচা প্রদানের সাপেক্ষে
  4. সর্বনিম্ন তিন হাজার টাকা পর্যন্ত খরচা প্রদানের সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
• ধারা-৩৫খ: অন্তর্বর্তী বিষয়গুলো সম্পর্কে আনীত দরখাস্ত, প্রভৃতিতে বিলম্বের নিমিত্তে খরচা:

১) কোন মোকদ্দমা বা কার্যপ্রক্রিয়ার যে কোন স্তরে আদালত কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দরখাস্ত কিংবা লিখিতভাবে কোন আপত্তি যদি পেশ করা না হয়, তাহলে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত উক্ত পক্ষ অন্য পক্ষকে খরচা প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা লিখিত আপত্তি শুনানির নিমিত্তে গ্রহণকৃত হবে না।

২) লিখিত জবাব পেশের পর মোকদ্দমার কোন পক্ষ যদি এমন কোন বিষয়ে দরখাস্ত পেশ করেন, যা আদালতের মতানুযায়ী পূর্বেই পেশ করতে পারতেন বা পেশ করা সমীচীন ছিল এবং তাতে মূল মোকদ্দমার কার্যক্রমে দেরী হওয়ার সম্ভাবনা আছে তদকারণে আদালত দরখাস্ত নিবে কিন্তু তা শুনানি এবং নিষ্পত্তি করবে না, যদি না ঐ পক্ষ আদালত যেরূপে নির্দিষ্ট এবং নির্দেশ করবে এবং সেরূপে অপরপক্ষকে সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা খরচা দিবে এবং উক্ত খরচা দিতে না পারলে দরখাস্ত তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

Section 35B: Cost for delay in making applications, etc., in respect of interlocutory matters:
1) If at any stage of a suit or proceeding an application or written objection is not filed within the time fixed by the Court, such application or written objection, as the case may be shall not be admitted for hearing without payment by that party of such cost to the other party not exceeding two thousand taka.

2) If after filing of written statement, any party to the suit makes an application in respect of any matter which in the opinion of the Court could and ought to have been made earlier and is likely to delay the main proceeding of the suit, the Court may admit but shall not hear and dispose of the application without payment by that party of such cost to the other party not exceeding three thousand taka, as it shall determine and direct, and upon failure to pay the cost, the application shall stand rejected.
১২.
চূড়ান্ত পর্যায়ে মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিচে নেমে এলে, আদালত-
  1. চূড়ান্ত পর্যায়ে আর মোকদ্দমা গ্রহণ করবে না
  2. নতুন মামলার আবেদন গ্রহণ করবে না
  3. পুরোনো মোকদ্দমা আবার শুরু করবে
  4. চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা গ্রহণ করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৮ বিধি-২০: দৈনন্দিন কার্যতালিকা, ইত্যাদিতে মোকদ্দমা নির্ধারণ:
কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।

ব্যাখ্যা- এই বিধিতে ব্যবহৃত "চূড়ান্ত শব্দটি" দেওয়ানি নিয়ম ও আদেশাবলীতে ব্যবহৃত শব্দের ন্যায়ই অর্থ হবে।
১৩.
মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক অপর পক্ষকে প্রদত্ত প্রশ্নমালা দীর্ঘ ও শব্দবহুল হলে, আদেশ ১১ বিধি ৭ এর অধীন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে?
  1. প্রশ্নমালা গ্রহণ করা হবে
  2. প্রশ্নমালা কর্তন করা যাবে
  3. প্রশ্নমালা অগ্রাহ্য করা হবে
  4. প্রশ্নমালা বাতিল ঘোষণা করা হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১১ বিধি ৭- প্রশ্নমালা রদ এবং কর্তন:
কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে উত্থাপিত হয়েছে-এই অজুহাতে তা রদ করা যেতে পারে, বা তা দীর্ঘ ও শব্দ বহুল, যাতনাদায়ক, অনাবশ্যকীয় বা কুৎসামূলক বলে কর্তন করা যেতে পারে এবং এতদুদ্দেশ্যে যে কোন দরখাস্ত করতে হলে প্রশ্নমালা জারির সাতদিনের ভিতর পেশ করা যেতে পারে।

Order 11 Rule 7: Setting aside and striking out interrogatories:
Any interrogatories may be set aside on the ground that they have been exhibited unreasonably or vexatiously, or struck out on the ground that they are profix, oppressive, unnecessary or scandalous; and any application for this purpose may be made within seven days after service of the interrogatories.
১৪.
According to Order 20 Rule 5A, within how many days must a decree be drawn up from the date of pronouncement of the judgment?
  1. 7 days
  2. 10 days
  3. 14 days
  4. 30 days
ব্যাখ্যা
Order 20 Rule 5A- Time for drawn up a decree:
The decree shall be drawn up within seven days from the date of pronouncement of the judgment.

আদেশ ২০ বিধি ৫ক: ডিক্রি প্রণয়নের সময়:
রায় ঘোষণার তারিখ হতে সাত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে।
১৫.
মোকদ্দমার শুনানির দিন সমন যথাযথভাবে জারি না করার ফলে, বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারেনি এবং আদালত এক তরফা ডিক্রি দেয়। এক্ষেত্রে বিবাদী আদেশ ৯ বিধি-১৩ এর অধীন কী প্রতিকার পেতে পারে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিতের
  2. মোকদ্দমা খারিজের
  3. একতরফা ডিক্রি রদের
  4. একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের
ব্যাখ্যা
একতরফা ডিক্রি:
আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী বিবাদীর অনুপস্থিতিতে যে ডিক্রি প্রদান করা হয় তাহলো এক তরফা ডিক্রি। যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বাদী হাজির হয় কিন্তু বিবাদী হাজির হয়না, সেই ক্ষেত্রে যদি এটা প্রমাণ করা যায় যে, বিবাদী বরাবর সমন যথাযথভাবে জারি করা হয়েছিল, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা বিচার করতে পারবে বা আদালত একতরফা ডিক্রি দিতে পারবে। আর যদি প্রমাণিত হয় যে, বিবাদী বরাবর সমন যথারীতি জারি করা হয়নি, তাহলে আদালত বিবাদী বরাবর দ্বিতীয় বার সমন জারির আদেশ দিতে পারে।

আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী, বিবাদীর হাজির না হওয়ার কারণে, আদালত একতরফা ডিক্রি দিলে, বিবাদী নিম্ন লিখিত প্রতিকার পেতে পারে-
১. বিধি ১৩ এর অধীন একতরফা ডিক্রি রদকরণের আবেদন করতে পারবে;
২. বিধি ১৩ক এর অধীন এবতরফা ডিক্রি সরাসরি রদকরণের আবেদন করতে পারবে;
৩. যেহেতু একতরফা ডিক্রি একটি ডিক্রি তাই ৯৬ ধারা অনুযায়ী আপীল করা যেতে পারে ;
৪. ৪৭ আদেশের ১ বিধির অধীন রিভিউর জন্য আবেদন করতে পারে।

আদেশ ৯ বিধি-১৩ অনুযায়ী,
কোন মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি প্রদান করা হলে, তা রদ করার জন্য বিবাদী ৯ আদেশের ১৩ বিধির অধীন ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে আবেদন করতে পারবে। তবে এই ক্ষেত্রে বিবাদী কে প্রমাণ করতে হবে যে-
১. তার বরাবর যথাযথভাবে সমন জারি করা হয়নি;
২. শুনানীর দিন উপযুক্ত কোন কারণে, সে হাজির হতে পারে নি।

অপর দিকে, একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য ৯ আদেশের ১৩ক বিধির অধীন আবেদন করতে হবে। আদালত বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর জন্য, আদালতকে উপরে উল্লেখিত বিষয় গুলোকে সন্তুষ্ট করার জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়ে, সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ দিতে পারে এবং একই সাথে বিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে। একতরফা ডিক্রি বাতিলের জন্য বা একতরফা ডিক্রি সরাসরি বাতিলের জন্য ৩০ দিনের মধ্যে বিবাদীকে আবেদন করতে হবে।
১৬.
According to Order 20 Rule 3, what must the judge do with the judgment at the time of pronouncement?
  1. File the judgment with the court registry
  2. Date and sign the judgment in open court
  3. Send the judgment to the parties for review
  4. Review and amend the judgment before signing
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি-৩: রায় স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে:
রায় ঘোষণার করার সময় বিচারক কর্তৃক উহা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত উহা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

Order 20 Rule 3: Judgment to be signed:
The Judgment shall be dated and signed by the Judge in open Court at the time of pronouncing it and, when once signed, shall not afterwards be altered or added to, save as provided by section 152 or on review.
১৭.
কখন পারস্পরিক দায়শোধের আবেদন করার ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন?
  1. মোকদ্দমা দায়েরের আগে
  2. মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর সময়
  3. মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর পর
  4. মোকদ্দমা সমাপ্তির পর
ব্যাখ্যা
• পারস্পরিক দায়শোধ [Set off]:
পারস্পরিক দায়শোধ বা দাবী সম্বনয় অর্থ হলো একটি দাবীর বিরুদ্ধে অন্য একটি দাবী উত্থাপন করা। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় এমন অনেক ক্ষেত্র থাকে যেখানে বাদী ও বিবাদী প্রত্যেকে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে অর্থ দাবী করতে পারে বা উভয় পক্ষ একে অপারের নিকট পাওনা দাবী করতে পারে। উক্ত ক্ষেত্রে উভয়ের পাওনা সম্বনয় করার প্রশ্ন ওঠে। দেওয়ানী কার্যবিধিতে ২ ধরণের পারস্পরিক দায়শোধ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
১. আইনানুগ পারস্পরিক দায় শোধ [legal set off];
২. ন্যায়সঙ্গত দাবী সম্বনয় [Equitable set off].

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ৬ বিধির অধীন বিবাদী পারস্পরিক দায় শোধের আবেদন করতে পারে। বিবাদী বাদীর বিরুদ্ধে পারস্পরিক দায় শোধের বা সমন্বয়ের আবেদন করতে পারে অর্থের মামলায়। অর্থাৎ বাদী যদি বিবাদীর বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের মামলা করে, তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী লিখিত আবেদন করতে পারে। আদালতের অনুমতি ছাড়া, মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর সময়, বিবাদী যে ঋণের জন্য পারস্পরিক দায়শোধ বা Set off দাবী করছে সেই ঋণের বা পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে। তবে আদালত অনুমতি দিলে প্রথম শুনানীর পরও Set off এর আবেদন করা যাবে।
১৮.
আদালত কোন ধরনের বিষয় থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারে?
  1. সাক্ষীদের মৌখিক সাক্ষ্য
  2. আদালতের পর্যবেক্ষণ
  3. বিরোধী পক্ষের মন্তব্য
  4. পক্ষগণ কর্তৃক উত্থাপিত শপথের অভিযোগসমূহ
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-৩: যে সকল বিষয় হতে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করা যায়:
আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর সকল কিংবা যে কোনটি থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন-
ক) পক্ষগণ কর্তৃক কিংবা তাদের পক্ষে উপস্থিত কোন ব্যক্তিগণ কর্তৃক কিংবা উক্তরূপ ব্যক্তিসমূহের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ;
খ) আরজি জবাবে কিংবা মোকদ্দমায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তরে রচিত অভিযোগসমূহ;
গ) কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু।

Rule-3: Materials from which issues may be framed:
The Court may frame the issues from all or any of the following materials:-
a) allegations made on oath by the parties, or by any persons present on their behalf, or made by the pleaders of such parties;
b) allegations made in the pleadings or in answers to interrogatoriesdelivered in the suit:c) the contents of documents produced by either party.
১৯.
আদেশ ১৫ বিধি ৪ অনুযায়ী, কোন পক্ষ সাক্ষ্য দানে ব্যর্থ হলে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলাটি বাতিল করতে পারে
  2. সাক্ষ্য ছাড়াই তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারে
  3. মামলাটি নতুনভাবে শুরু করতে পারে
  4. শুধুমাত্র বাদীর সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৫ বিধি-৪: সাক্ষ্য দানে ব্যর্থতা:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন, বা এবং আদালত সঙ্গত মনে করলে উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

Order 15 Rule 4: Failure to produce evidence:
Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment, or may, if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.
২০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৮ _______ অনুসারে- চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ণীত হওয়ার তারিখ থেকে একশত বিশ দিনের মধ্যে আদালত মোকদ্দমার শুনানি শেষ করবে।
  1. বিধি-১১
  2. বিধি-১৩
  3. বিধি-১৭
  4. বিধি-১৯
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৮ বিধি-১৯: শুনানি সমাপ্ত করার সময়:
১) চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ণীত হওয়ার একশত বিশ দিনের মধ্যে আদালত মোকদ্দমার শুনানি শেষ করবে।
২) এই বিধি অনুযায়ী সময় নির্দিষ্টকরণের নিমিত্তে শুধুমাত্র কার্য দিবসগুলো গণনায় করতে হবে।

Order 18 Rule 19: Time for completion of hearing:
1) The Court shall complete the hearing of a suit within one hundred and twenty days from the date fixed for its final hearing.
2) In this rule, in determining the time, only the workings days shall be counted.
২১.
এক দেওয়ানি মোকদ্দমায় বিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার কারণে, আদালত আদেশ ১৭ বিধি ৩ এর অধীন মোকদ্দমাটি একতরফা নিষ্পত্তি করে দেয়। বিবাদী কতদিনের মধ্যে মোকদ্দমা পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারবে?
  1. ১৫ দিনের মধ্যে
  2. ৩০ দিনের মধ্যে
  3. ৬০ দিনের মধ্যে
  4. ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৭ বিধি ১(৭): মোকদ্দমার কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত বা পুনরুদ্ধারের আবেদন:
খরচ প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার কারণে যদি ১৭ আদেশের বিধি ১ এর ৩ এবং ৪ এর অধীন কোন মোকদ্দমা খারিজ কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, যে পক্ষের কারণে খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে সেই পক্ষ খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির তারিখ হতে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে ২০০০ টাকা খরচা জমা দিয়ে মোকদ্দমাটি পুনরায় চালুর জন্য বা পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করলে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করতে পারে। অর্থাৎ ৩০ দিনের মধ্যে ২০০০ টাকা খরচ দিয়ে মোকদ্দমার কার্যক্রমটি পুনর্বহালের আবেদন করতে হবে। অধিকতর কোন কার্যক্রম গ্রহণ ছাড়া মোকদ্দমাটি শুনানীর জন্য পুনরুজ্জীবিত হবে এবং আদালতে জমাকৃত খরচ অন্যপক্ষকে দেওয়া হবে।
২২.
When can the court amend or frame additional issues according to the provided statement?
  1. Only at first hearing
  2. Before passing the decree
  3. Only during the final hearing
  4. After passing the decree
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪ আদেশের ৫ বিধির অধীন আদালত বিচার্য বিষয় সংশোধন বা কর্তন করতে পারে। মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার বিরোধ নির্ধারণের জন্য ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে। তাছাড়া, ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময়, বিচার্য বিষয় কর্তন করতে পারবে যদি আদালত মনে করে বিচার্য বিষয়টি-
১. ভ্রান্তভাবে বা ভুলভাবে গঠিত হয়েছে; বা
২. ভুলভাবে প্রবর্তিত হয়েছে।

• আদেশ ১৪ বিধি ৫: বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা (Power to amend and strike out issues):
১) আদালত ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে এবং পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়াবলী নির্ণয় করতে প্রয়োজনীয় হতে পারে এরূপ সংশোধনী কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় সেভাবে প্রণীত হবে। 
[The Court may at any time before passing a decree amend the issues or frame additional issues on such terms as it thinks fit, and all such amendments or additional issues as may be necessary for determining the matters in controversy between the parties shall be so made or framed.]

২) ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত আরো তার নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে পরিদৃষ্ট হলে কোন বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে।
[The Court may also at any time before passing a decree, strike out any issues that appear to it to be wrongly framed or introduced.]
২৩.
আদেশ ২০ বিধি-১০ অনুযায়ী, যদি অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর সম্ভব না হয়, তবে ডিক্রিতে কী অন্তর্ভুক্ত করতে হয়?
  1. সম্পত্তির প্রকৃতি ও মূল্য
  2. সম্পত্তির পরিমাণ ও বিবরণ
  3. বিকল্প হিসেবে টাকার পরিমাণ
  4. সম্পত্তির নতুন মালিকের নাম
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি-১০: অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের নিমিত্তে ডিক্রি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা অস্থাবর সম্পত্তির জন্য এবং ডিক্রি উক্ত সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয়, সেক্ষেত্রে সমর্পণ যদি সম্ভব না হতে পারে তবে বিকল্প হিসাবে দেয় টাকার পরিমাণও ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে।

Order 20 Rule 10: Decree for delivery of movable property:
Where the suit is for movable property, and the decree is for the delivery of such property, the decree shall also state the amount of money to be paid as an alternative if delivery cannot be had.
২৪.
আদেশ ১৮ বিধি ১৭ এর অধীন আদালত কখন সাক্ষীকে পুনঃ আহ্বান করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র রায় ঘোষণার আগে
  2. মোকদ্দমা সমাপ্তির পর
  3. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  4. শুধুমাত্র মোকদ্দমার শুনানির সময়
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৮ বিধি-১৭: আদালত সাক্ষীকে পুনঃ আহ্বান ও জবানবন্দি নিতে পারে:
যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে, আদালতে উক্ত সাক্ষীকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে পুনঃ আহ্বান করতে পারে এবং প্রচলিত সাক্ষ্য আইনের বিধান সাপেক্ষে আদালত সঙ্গত মনে করে এরূপ প্রশ্ন তাকে জিজ্ঞাসা করতে পারে।

Order 18 Rule 17: Court may recall and examine witness:
The Court may at any stage of a suit recall any witness who has been examined and may (subject to the law of evidence for the time being in force) put such questions to him as the Court thinks fit.