পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৮২: আইন বিষয়াবলী - ৩১ Subject: Optional Law- 1 Topic: The Special Powers Act, 1974 মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ & আইনগত সহায়তা প্রদান সংক্রান্ত আইন
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এ কয় ধরনের কার্যকে "ক্ষতিকর কার্য (prejudicial act)" হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৫ ধরনের
  2. ৬ ধরনের
  3. ৭ ধরনের
  4. ৮ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৮ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধরনের
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) ৮ ধরনের।

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২(চ):

"ক্ষতিকর কার্য (prejudicial act)"  অর্থ নিম্নবর্ণিত অভিপ্রায় বা সম্ভাবনা রহিয়াছে এইরূপ কোনো কার্য করা, যথা:-
১. রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব বা প্রতিরক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত করা;
২. বাংলাদেশ এবং বিদেশি রাষ্ট্রের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট বা বিঘ্নিত করা;
৩. দেশের সুরক্ষা, জননিরাপত্তা বা সাধারণ শৃঙ্খলা হ্রাস বা ভঙ্গ করা;
৪. বিভিন্ন সম্প্রদায়, শ্রেণি বা অংশ, বা জনগণের মধ্যে বৈরিতা বা বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়া;
৫. আইনের রক্ষণাবেক্ষণ বা আইনশৃঙ্খলা ব্যাহত করা, বা তা উসকে দেওয়া;
৬. জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় সরবরাহ ও সেবায় বাধা সৃষ্টি করা;
৭. জনগণের মাঝে ভয় বা আতঙ্ক সৃষ্টি করা;
৮. রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক ও আর্থিক স্বার্থ ক্ষুন্ন বা ক্ষতিগ্রস্ত করা।

Section 2(f): “prejudicial act” means any act which is intended or likely- 
(i) to prejudice the sovereignty or defence of Bangladesh; 
(ii) to prejudice the maintenance of friendly relations of Bangladesh with foreign states; 
(iii) to prejudice the security of Bangladesh or to endanger public safety or the maintenance of public order; 
(iv) to create or excite feelings of enmity or hatred between different communities, classes or sections of people; 
(v) to interfere with or encourage or incite interference with the administration of law or the maintenance of law and order; 
(vi) to prejudice the maintenance of supplies and services essential to the community; 
(vii) to cause fear or alarm to the public or to any section of the public; 
(viii) to prejudice the economic or financial interests of the State;
.
মহানগর এলাকায় সান্ধ্য আইন (Curfew) জারি করতে পারে কে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: ধারা ২৪- সান্ধ্য আইন:
(১) কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরী এলাকায় পুলিশ কমিশনার, সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, নির্দেশ প্রদান করিতে পারেন যে, আদেশে উল্লিখিত অব্যাহতি সাপেক্ষে, আদেশে উল্লেখিত এলাকা বা এলাকাসমূহে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি, আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত লিখিত অনুমতি ব্যতীত, ঘরের বাহির হইবে না।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি এই ধারার অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক এক বৎসরের কারাদন্ডে, বা অর্থদন্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ধারা ২৪ অনুযায়ী-
⇒ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরীতে পুলিশ কমিশনার (সরকার নিয়ন্ত্রণে) সান্ধ্য আইন জারি করতে পারেন,
⇒ লঙ্ঘন করলে–সর্বোচ্চ ১ বছরের জেল এবং/অথবা অর্থদণ্ড হতে পারে।
.
'পারমিট ব্যতীত কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন না'- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১১: অ্যালকোহল পান, ইত্যাদি সম্পর্কে বিধি-নিষেধ:
(১) পারমিট ব্যতীত কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন না এবং চিকিৎসার প্রয়োজনে সিভিল সার্জন অথবা সরকারি মেডিক্যাল কলেজের অন্যূন কোনো সহযোগী অধ্যাপকের লিখিত ব্যবস্থাপত্র ব্যতীত কোনো মুসলমানকে অ্যালকোহল পান করিবার জন্য পারমিট প্রদান করা যাইবে না। 

(২) মুচি, মেথর, ডোম, চা শ্রমিক ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক তাড়ি ও পচুঁই পান করিবার ক্ষেত্রে এবং রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাসমূহ এবং অন্যান্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক ঐতিহ্যগতভাবে প্রচলিত অথবা প্রস্তুতকৃত মদ পান করিবার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৩) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন- 
(ক) লাইসেন্সপ্রাপ্ত বার-এ বসিয়া বিদেশি ও পারমিটধারী দেশিয় নাগরিকগণ অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন; এবং 
(খ) কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী বিদেশি নাগরিকরা শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত পাস বইধারী অথবা প্রচলিত ব্যাগেজ রুলসের দ্বারা স্বীকৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে, অ্যালকোহল আমদানি, রপ্তানি, ক্রয়, বহন, সংরক্ষণ অথবা পানের ব্যাপারে কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৪) অ্যালকোহল সংক্রান্ত সকল শুল্কমুক্ত কার্যক্রম (Duty Free Operations) এই আইনের অধীন প্রদত্ত লাইসেন্সবলে সম্পাদিত হইবে।
.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী নিম্নের কোনটির কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে করা কাজ অন্তর্ঘাতমূলক কার্য (Sabotage) হিসেবে গণ্য হবে?
  1. পাট মিল
  2. সরকারি ভবন
  3. টেলিফোন লাইন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ১৫ অনুযায়ী: অন্তর্ঘাতমূলক কার্য (Sabotage):
(১) কোনো ব্যক্তি যদি নিম্নলিখিত কোনো সম্পদ বা সেবার কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে, তবে তা অন্তর্ঘাত হিসেবে গণ্য হবে:
(ক) সরকার বা কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা জাতীয়কৃত বাণিজ্যিক বা শিল্প প্রতিষ্ঠান দ্বারা ব্যবহৃত বা ব্যবহারের উদ্দেশ্যে কোনো ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ বা অন্যান্য সম্পদ;
(খ) কোনো রেলপথ, আকাশ রোপওয়ে, সড়ক, খাল, সেতু, কালভার্ট, কজওয়ে, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমানবন্দর, টেলিগ্রাফ বা টেলিফোন লাইন বা পোস্ট, বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপন;
(গ) কোনো রেলপথের রোলিং স্টক বা কোনো জাহাজ বা বিমান;
(ঘ) কোনো ভবন বা অন্যান্য সম্পদ যা কোনো মৌলিক পণ্য উৎপাদন, বিতরণ বা সরবরাহের সাথে সম্পর্কিত, কোনো স্যুয়েজ কাজ, খনি বা কারখানা;
(ঙ) এই আইনের অধীনে বা অন্য কোনো আইনের অধীনে নিষিদ্ধ বা সুরক্ষিত কোনো স্থান বা এলাকা;
(চ) কোনো পাট, পাটজাত পণ্য, পাট গোডাউন, পাট মিল বা পাট বেলিং প্রেস।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক এইরূপ কোনো কার্য করা হইতে বিচ্যুতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক যে কার্য করা সরকারের বা সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোনো ব্যক্তির প্রতি তাহার কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

(৩) কোনো ব্যক্তি যদি এই ধারার কোনো বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে, বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা অনধিক চৌদ্দ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।
.
আইনগত সহায়তার অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. আইনগত পরামর্শ প্রদান
  2. মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদান
  3. সালিশকারী নিয়োগ প্রদান
  4. মধ্যস্থতাকারীকে সম্মানী প্রদান
সঠিক উত্তর:
সালিশকারী নিয়োগ প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিশকারী নিয়োগ প্রদান
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০, ধারা ২(ক): "আইনগত সহায়তা" অর্থ-
(অ) আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচারপ্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(১) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;

(২) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন বিরোধ বা মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা এই আইনের অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরকে সম্মানি প্রদান;

(৩) মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান;
(আ) যে কোন আবেদনকারীকে আইনি তথ্য ও পরামর্শসেবা প্রদান;
(ই) মামলাপূর্ব যেকোন বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি;
(ঈ) যেকোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রেরিত মামলা মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি;

⇒ আইনগত সহায়তার আওতায় পড়ে না: গ) সালিশকারী নিয়োগ প্রদান।
.
Under The Special Powers Act, 1974, how many members constitute the Advisory Board?
  1. Two
  2. Three
  3. Five
  4. Seven
সঠিক উত্তর:
Three
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Three
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: Section 9: Constitution of Advisory Board:
(1) The Government shall, whenever necessary, constitute an Advisory Board for the purposes of this Act. 
 
(2) The Advisory Board shall consist of three persons, of whom two shall be persons who are, or have been, or are qualified to be appointed as, Judges of the High Court and the other shall be a person who is a senior officer in the service of the Republic, and such persons shall be appointed by the Government. 

(3) The Government shall appoint one of the members of the Advisory Board who is, or has been, or is qualified to be appointed as, a Judge of the 4[High Court] to be its Chairman.

উপদেষ্টা পরিষদ গঠন-
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করিবে।

(২) তিন জন ব্যক্তির সমন্বয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হইবে, যাহাদের মধ্যে দুই জন হইবেন এইরূপ ব্যক্তি যাহারা হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক ছিলেন, বা আছেন, বা নিযুক্ত হইবার যোগ্য এবং অন্য একজন হইবেন প্রজাতন্ত্রের চাকুরিতে নিযুক্ত একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, এবং উক্ত ব্যক্তিগণ সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।

(৩) সরকার উপদেষ্টা পরিষদের একজন সদস্যকে উহার চেয়ারম্যান নিযুক্ত করিবে যিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক ছিলেন, বা আছেন, বা নিযুক্ত হইবার যোগ্য।
.
কোনো ব্যক্তি যথাযথ কারণ ছাড়া নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে আত্মসমর্পণ না করলে, বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৪(৪) ধারা অনুসারে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: ধারা ১৪: আটক ব্যক্তিদের সাময়িক মুক্তি:
(১) সরকার যেকোনো সময় নির্দেশ দিতে পারেন যে, কোনো ব্যক্তি যাকে আটকাদেশের মাধ্যমে আটক করা হয়েছে, তাকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মুক্তি দেওয়া হবে, হয় শর্তবিহীন অথবা এমন শর্তের অধীনে যা ওই ব্যক্তি মেনে নেবেন, এবং যেকোনো সময় তার মুক্তি বাতিল করতে পারেন।

(২) কোনো ব্যক্তিকে উপ-ধারা (১)-এর অধীনে মুক্তি দেওয়ার সময়, সরকার তাকে শর্তাবলী পূরণের জন্য বন্ডে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করতে পারেন, যা শর্তসাপেক্ষে বা শর্তবিহীন হতে পারে।

(৩) উপ-ধারা (১)-এর অধীনে মুক্তি পাওয়া কোনো ব্যক্তি, মুক্তির আদেশ বা মুক্তি বাতিলের আদেশে নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে এবং কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করবেন।

(৪) যদি কোনো ব্যক্তি যথাযথ কারণ ছাড়া নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে আত্মসমর্পণ না করেন, তবে তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

(৫) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১)-এর অধীনে মুক্তি পাওয়ার পর শর্তাবলী বা বন্ডের শর্ত পূরণে ব্যর্থ হন, তবে বন্ড বাতিল করা হবে এবং বন্ডের অধীনে দায়বদ্ধ ব্যক্তি শাস্তির জন্য দায়ী হবেন।
.
মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সর্বোচ্চ কত কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৬০ কার্যদিবস
  2. ৯০ কার্যদিবস
  3. ১২০ কার্যদিবস
  4. ১৩৫ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
১৩৫ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৫১: বিচার সমাপ্তির মেয়াদ:
(১) বিচারের জন্য মামলা প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্ত করিতে হইবে।]

(২) কোনো অনিবার্য কারণে উক্ত মেয়াদের মধ্যে কোনো বিচার সমাপ্ত করা সম্ভব না হইলে, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে বিচার সমাপ্ত করিতে পারিবে এবং তৎসম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে, যাহার একটি অনুলিপি সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে ৷

(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত বর্ধিত সময়ের মধ্যেও যদি যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণে কোনো বিচার কার্য সমাপ্ত করা সম্ভব না হয়, তাহা হইলে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত] উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিচার কার্য সমাপ্তির জন্য সর্বশেষ আরও ১৫ (পনেরো) কার্যদিবস সময় বর্ধিত করিতে পারিবে এবং এইরূপ সময় বর্ধিতকরণ সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে, যাহার একটি অনুলিপি সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বর্ধিত সময়ের মধ্যে আবশ্যিকভাবে বিচার কার্য সমাপ্ত করিতে হইবে।

সারাংশ:
মূল বিচারকাল – ৯০ কার্যদিবস।
শর্তসাপেক্ষে প্রথম সময় বর্ধন – +৩০ কার্যদিবস (কারণ লিখিতভাবে ব্যাখ্যা সহ সুপ্রিম কোর্ট ও সরকারের অবহিত করা প্রয়োজন)।
দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত সময় বর্ধন – +১৫ কার্যদিবস (এবং একইভাবে অবহিতকরণ বাধ্য)।
এভাবে সর্বোচ্চ ১৩৫ কার্যদিবস–এ মধ্যে বিচার অবশ্যই সম্পন্ন করতে হবে।
.
মাদকদ্রব্য অপরাধে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব নিষ্ক্রিয়করণ (Freezing) এর আবেদন করবে কে?
  1. সরকার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. তদন্তকারী অফিসার
  4. বাংলাদেশ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
তদন্তকারী অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্তকারী অফিসার
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৩: ব্যাংক হিসাব, ইত্যাদি নিরীক্ষা ও নিষ্ক্রিয়করণ:
(১) যদি মহাপরিচালক অথবা তদন্তকারী অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার যথেষ্ট কারণ থাকে যে, কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের সহিত জড়িত থাকিয়া অবৈধ অর্থ ও সম্পদ সংগ্রহে লিপ্ত রহিয়াছেন এবং উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের বিধান অনুসারে কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত তাহার ব্যাংক হিসাব অথবা আয়কর অথবা সম্পদের কর সম্পর্কীয় রেকর্ডপত্র পরীক্ষা করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তদন্তকারী অফিসার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।

(২) তদন্তকারী অফিসার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ২ এর উপ-ধারা (শ) এ উল্লিখিত সম্পৃক্ত মাদকদ্রব্য অপরাধ (অবৈধ মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবসা) নিয়ন্ত্রণের জন্য তদন্তকারী অফিসার হিসাবে গণ্য হইবেন এবং তিনি অবৈধ মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ অথবা সম্পদ সম্পর্কে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী তদন্তসহ পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবেন।
 
(৩) প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত হিসাব অথবা রেকর্ডপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করা কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব নিষ্ক্রিয়করণ (Freezing) করা কিংবা সম্পদ যাচাই-বাছাইয়ের (Scrutinizing) অনুমতি প্রদানের জন্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আবেদন করিতে পারিবে।

(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন পেশকৃত আবেদন পর্যালোচনা করিয়া এবং আবেদনকারীকে শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত আবেদনটি নিষ্পত্তি করিবে এবং যদি তিনি প্রার্থিত অনুমতি যুক্তিসংগত বলিয়া মনে করেন, তাহা হইলে অনুমতি প্রদান করিবেন এবং উহার একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, কর অফিসার অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবে।

(৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন অনুমতিপ্রাপ্ত অফিসার তাহার পরীক্ষা-নিরীক্ষার অগ্রগতি ও ফলাফল সম্পর্কে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে নির্ধারিত সময়ে অবহিত করিবে।
১০.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর কত ধারায় সরকারকে দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩০
  2. ধারা ৩০ক
  3. ধারা ৩১
  4. ধারা ৩৪ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০ক
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৩০ক- দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষেত্রে সরকারের ক্ষমতা:
ফৌজদারী কার্যবিধির অধ্যায় ২৯ এর বিধানাবলি ক্ষুণ্ণ না করিয়া, সরকার যে কোনো সময় এই আইনের অধীন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত যে কোনো দণ্ড মওকুফ করিতে, সাময়িকভাবে স্থগিত করিতে বা হ্রাস করিতে পারিবে।

[Without prejudice to the provisions of Chapter XXIX of the Code, the Government may at any time remit, suspend or commute any sentence passed by Special Tribunal under this Act.]
১১.
সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণের জন্য কোন শ্রেণির ব্যক্তি যোগ্য?
  1. শুধু নারী ও শিশু
  2. শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারী
  3. শুধুমাত্র আর্থিকভাবে অসচ্ছল
  4. তার আর্থিক সক্ষমতা নির্বিশেষে যে কেউ
সঠিক উত্তর:
তার আর্থিক সক্ষমতা নির্বিশেষে যে কেউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার আর্থিক সক্ষমতা নির্বিশেষে যে কেউ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ অনুচ্ছেদ ৩: তথ্য সেবা গ্রহণ, ইত্যাদি-
অনুচ্ছেদ ২ এ বর্ণিত বিধান সত্ত্বেও ও যে কোন ব্যক্তি, তাহার আর্থিক সামর্থ্য যাই হোক না কেন, সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণ, আইনগত পরামর্শ গ্রহণ কিংবা বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির সেবা গ্রহণের জন্য যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।
১২.
কোনো ব্যক্তি যদি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময়ে হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হন, তাহলে তার তদন্ত সম্পন্ন করতে কত কার্যদিবস সময়সীমা নির্ধারিত?
  1. ২০ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৪৫ কার্যদিবস
  4. ৬০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য অপরাধের তদন্তের সময়সীমা সম্পর্কিত ধারা ৩১, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর অধীনে নিম্নলিখিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য:

১. তদন্তের সময়সীমা-
হাতেনাতে ধৃত হলে: অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হন, তবে তার ধৃত হওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে।
হাতেনাতে ধৃত না হলে: অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি হাতেনাতে ধৃত না হন, তবে প্রাথমিক তথ্যপ্রাপ্তির তারিখ থেকে পরবর্তী ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে।
গ্রেফতার ও পলাতক: যদি একই মামলায় গ্রেফতার ও পলাতক ব্যক্তি থাকে, তবে উক্ত মামলার তদন্ত উপরের নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

২. অতিরিক্ত সময়সীমা-
যুক্তিসংগত কারণে: যদি কোনো যুক্তিসংগত কারণে উপরের সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা সম্ভব না হয়, তবে তদন্তকারী অফিসার কারণ উল্লেখপূর্বক অতিরিক্ত ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করবেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করবেন।
অতিরিক্ত সময়ের পর: যদি অতিরিক্ত ১৫ কার্যদিবসের মধ্যেও তদন্ত সম্পন্ন না হয়, তবে তদন্তকারী অফিসার উক্ত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করবেন।

৩. তদন্তভার হস্তান্তর-
নিয়ন্ত্রণকারী অফিসারের সিদ্ধান্ত: যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হয় এবং তদন্তকারী অফিসার দায়ী হন, তবে নিয়ন্ত্রণকারী অফিসার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্তভার অন্য কোনো অফিসারের নিকট হস্তান্তর করতে পারেন।
নতুন সময়সীমা: নতুন তদন্তকারী অফিসারকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে, যা সাধারণত ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে।

৪. অদক্ষতা ও শাস্তি-
যদি কোনো তদন্তকারী অফিসার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হন এবং তাকে দায়ী করা হয়, তবে তার অদক্ষতা তার বাৎসরিক গোপনীয় প্রতিবেদনে লিপিবদ্ধ করা হবে এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে চাকরি বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই নিয়মাবলী মাদকদ্রব্য অপরাধের তদন্তে স্বচ্ছতা ও দ্রুততা নিশ্চিত করতে সহায়ক।
১৩.
‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ কী?
  1. মাদকদ্রব্য বিদেশে পাঠানোর পদ্ধতি
  2. মাদকদ্রব্য সরাসরি আদালতে জব্দ করার কৌশল
  3. মাদক চালান তৎক্ষণাৎ ধ্বংস করার পদ্ধতি
  4. মাদক চালান প্রক্রিয়ায় যুক্ত অপরাধী সনাক্ত করার তদন্ত কৌশল
সঠিক উত্তর:
মাদক চালান প্রক্রিয়ায় যুক্ত অপরাধী সনাক্ত করার তদন্ত কৌশল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদক চালান প্রক্রিয়ায় যুক্ত অপরাধী সনাক্ত করার তদন্ত কৌশল
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ ধারা ২(১৫)-
‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়।
১৪.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সময়সীমা কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৩০: আপিল এবং মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন:
(১) বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ড আরোপ বা প্রদানের ত্রিশ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যাইবে।

(২) যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে উহার কার্যধারা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর করা যাইবে না।
১৫.
আপোষ-মিমাংসার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার_____________আইনগত প্রশ্নে মতামত দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন।
  1. উভয় পক্ষের মৌখিক সম্মতি ব্যতীত
  2. উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত
  3. উভয় পক্ষ আপোষে সম্মত না হলে
  4. যেকোনো এক পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ এর অনুচ্ছেদ ১৫- আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান না করা:
কোন বিরোধ আপোষ-মিমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত, বিরোধের সহিত জড়িত আইনী প্রশ্নে মতামত প্রদানে, যতদূর সম্ভব, বিরত থাকিবেন।
১৬.
'ক' মজুতদারি ও কালোবাজারি কারবারের জন্য দোষী সাব্যস্ত হন। এক্ষেত্রে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ ‘ক’ যদি মজুতদারি ও কালোবাজারি (hoarding বা black‑market dealing)–এর জন্য দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৫: মজুতদারি ও কালোবাজারি কারবারের শাস্তি-
(১) যদি কোনো ব্যক্তি মজুতদারি ও কালোবাজারি কারবারের জন্য দোষী সাব্যস্ত হন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে, বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা অনধিক চৌদ্দ বৎসরের সশ্রম কারাদন্ডে, বা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, মজুতদারি অপরাধের ক্ষেত্রে, এইরূপ অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি প্রমাণ করিতে পারেন যে, তিনি আর্থিক বা অন্যকোনো লাভ করিবার উদ্দেশ্য ব্যতীত মজুত করিয়াছিলেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক তিন মাসের কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।

(২) আদালত মজুতদারি বা কালোবাজারি কারবারের অপরাধে দণ্ড দানের সময় অপরাধের সহিত সম্পৃক্ত সবকিছু সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিবে।

‘ক’ কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ মজুতদারি বা কালোবাজারি-এই ধারার অন্তর্ভুক্ত—সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে 'মৃত্যুদণ্ড' প্রযোজ্য হয়।
১৭.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর অধীনে অনূর্ধ্ব কত দিনের জন্য লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাস সাময়িকভাবে স্থগিত করা যেতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর ধারা ১৭- লাইসেন্স, ইত্যাদি সাময়িকভাবে স্থগিতকরণ:
(১) লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাস প্রদানকারী কোনো অফিসারের নিকট যদি ইহা প্রতীয়মান হয় যে তৎকর্তৃক প্রদত্ত কোনো লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের শর্তাবলি যথাযথভাবে পালন করা হইতেছে না, তাহা হইলে উক্ত অফিসার লিখিত আদেশ দ্বারা এই আইনের অধীন অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ সাপেক্ষে লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাস অনূর্ধ্ব ৬০ (ষাট) দিনের জন্য সাময়িকভাবে স্থগিত করিতে পারিবে। 

(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশের দ্বারা সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে- 
(ক) আদেশটি যদি মহাপরিচালকের অধস্তন কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত হইয়া থাকে, তাহা হইলে মহাপরিচালকের নিকট আপিল করিতে পারিবে; এবং 
(খ) আদেশটি যদি মহাপরিচালক কর্তৃক প্রদত্ত হইয়া থাকে, তাহা হইলে সরকারের নিকট আপিল করিতে পারিবে। 

(৩) উপ-ধারা (২)-এ উল্লিখিত আপিল কর্তৃপক্ষের রায় চূড়ান্ত হইবে এবং উহার বিরুদ্ধে কোনো আদালতে মামলা দায়ের করা যাইবে না।
১৮.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর কত ধারা অনুযায়ী আপিল আদালত জামিন দিতে পারে?
  1. ধারা ৪৭(১)
  2. ধারা ৪৭(২)
  3. ধারা ৪৮
  4. ধারা ৪৭(৯)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৭(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৭(২)
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ধারা ৪৭(২) অনুসারে, আপিল আদালতও জামিন অনুমোদন করতে পারে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর ধারা ৪৭ (জামিন সংক্রান্ত বিধান):
(১) এই আইনের অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, অভিযুক্ত কোনো ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হইবে না, যদি-
(ক) তাহাকে মুক্তি প্রদানের আবেদনের উপর রাষ্ট্র বা, ক্ষেত্রমত, অভিযোগকারী পক্ষকে শুনানির সুযোগ প্রদান করা না হয়; এবং
(খ) তাহার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে তিনি দোষী সাব্যস্ত হওয়ার যুক্তিসংগত কারণ রহিয়াছে মর্মে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত সন্তুষ্ট হন; অথবা
(গ) তিনি নারী বা শিশু অথবা শারীরিকভাবে বিকলাঙ্গ না হন এবং তাহাকে জামিনে মুক্তি প্রদানের কারণে ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হইবে না মর্মে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত সন্তুষ্ট না হয়।

(২) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের তদন্ত সমাপ্তির পর, তদন্ত প্রতিবেদন বা সেই সূত্রে প্রাপ্ত অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে যদি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত বা, ক্ষেত্রমত, আপিল আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোনো ব্যক্তি উক্ত অপরাধের সহিত জড়িত নহেন বলিয়া বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ রহিয়াছে, তাহা হইলে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত বা আপিল আদালত সংশ্লিষ্ট তথ্য ও কারণ উল্লেখপূর্বক উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তির আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
১৯.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ করলে, কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. কোনো শাস্তি পাবে না
  2. সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড
  4. সংশ্লিষ্ট অপরাধের সমপরিমাণ শাস্তি
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট অপরাধের সমপরিমাণ শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট অপরাধের সমপরিমাণ শাস্তি
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৫ঘ- অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা করেন, বা ষড়যন্ত্র করেন, বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেন বা সহায়তা করেন, তাহা হইলে তিনি সংশ্লিষ্ট অপরাধটির জন্য বর্ণিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
২০.
জেলা কমিটি বিচার প্রার্থীর বরাবর প্রদত্ত আইনগত সহায়তা প্রত্যাহার করতে পারবে-
  1. স্বীয় উদ্যোগে
  2. অভিযোগের ভিত্তিতে
  3. শুধুমাত্র আদালতের নির্দেশে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫ এর অনুচ্ছেদ ১৫- আইনগত সহায়তা প্রত্যাহার:
(১) কমিটি স্বীয় উদ্যোগে অথবা কোন অভিযোগের ভিত্তিতে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে কোন বিচার প্রার্থীর বরাবর প্রদত্ত আইনগত সহায়তা প্রত্যাহার করিতে পারিবে, যথা:-
(ক) আইনগত সহায়তার আবেদন মঞ্জুর হইবার পর বিচারপ্রার্থীর পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্য রহিয়াছে বলিয়া সংশ্লিষ্ট কমিটির নিকট যদি প্রতীয়মান হয়;
(খ) বিচারপ্রার্থী মিথ্যা তথ্য বা প্রতারণার মাধ্যমে যদি আইনগত সহায়তা গ্রহণ করেন;
(গ) সংশ্লিষ্ট কমিটি কিংবা নিযুক্ত আইনজীবীকে বিচারপ্রার্থী যদি অসহযোগিতা করেন; অথবা
(ঘ) বিচারপ্রার্থী যদি আইনগত প্রক্রিয়া কিংবা আইনগত সহায়তার অপপ্রয়োগ করেন।

(২) উপ-প্রবিধান (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন বিচারপ্রার্থীকে কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান না করিয়া তাহাকে প্রদত্ত আইনগত সহায়তা প্রত্যাহার করা যাইবে না।

⇒ এখানে, "কমিটি" অর্থ সুপ্রীম কোর্ট কমিটি, জেলা কমিটি বা ক্ষেত্রমত, বিশেষ কমিটিকে বোঝানো হয়েছে।
২১.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর কত ধারায় 'Trial in absentia' এর বিধান আছে?
  1. ধারা ২১(৬)
  2. ধারা ২৪(৬)
  3. ধারা ২৬(৬)
  4. ধারা ২৭(৬)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৭(৬)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৭(৬)
ব্যাখ্যা
• ''Trial in absentia'' অর্থ  অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার।

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৭(৬)- বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, কোনো আসামী পলায়ন করিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন যাহাতে তাহাকে গ্রেফতার করা না যায়, বা উহার সম্মুখে বিচারের জন্য হাজির করা না যায় এবং তাহাকে গ্রেফতার করিবার আশু সম্ভাবনা নাই, সেইক্ষেত্রে উহা বহুল প্রচারিত কমপক্ষে ২ (দুই) টি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা, আদেশে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে উহার সম্মুখে হাজির হইবার জন্য তাহাকে নির্দেশ প্রদান করিবে এবং উক্ত ব্যক্তি উক্ত নির্দেশ প্রতিপালনে ব্যর্থ হইলে, তাহার অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার করা যাইবে।
২২.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৭ ধারায় কাদের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. মাদকদ্রব্য সেবনকারী
  2. মাদকদ্রব্য আমদানিকারী
  3. বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশিকারী
  4. মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বা উপকরণ দখলকারী
সঠিক উত্তর:
মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বা উপকরণ দখলকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বা উপকরণ দখলকারী
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর ধারা ৩৭- মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি, ইত্যাদি রাখিবার দণ্ড:
লাইসেন্সপ্রাপ্ত নহেন এইরূপ কোনো ব্যক্তির নিকট অথবা তাহার দখলকৃত কোনো স্থানে যদি মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য কোনো যন্ত্রপাতি, ওয়াশ অথবা অন্যান্য উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবে।
২৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে বিচারাধীন মামলার বিচারকার্য সর্বোচ্চ কতদিনের জন্য মুলতবি করা যেতে পারে?
  1. ৩ কার্যদিবস
  2. ৫ কার্যদিবস
  3. ৭ কার্যদিবস
  4. ১০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৩ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৪৯ অনুযায়ী,
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে বিচারাধীন মামলার বিচারকার্য আরম্ভ হলে তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিরত চলবে। তবে, যদি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত ন্যায়বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন মনে করেন, তাহলে তিনি তা সর্বোচ্চ তিন কার্যদিবসের জন্য মুলতবি করতে পারবেন।
২৪.
একজন ব্যক্তি যদি নিষিদ্ধ পণ্য (যেমন নিষিদ্ধ আমদানি সামগ্রী) বিক্রি, প্রদর্শন বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখেন, তাহলে তিনি বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড পেতে পারেন?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: ধারা ২৫খ- চোরাচালানের শাস্তি–
(১) যদি কোনো ব্যক্তি আপাতত বলবত কোনো আইন দ্বারা বা আইনের অধীন আরোপিত বিধি-নিষেধ বা নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করিয়া বা আপাতত বলবত কোনো আইনের অধীন আদায়যোগ্য শুল্ক বা কর ফাঁকি দিয়া-
(ক) পাট, স্বর্ণ বা রৌপ্যের বাঁট, স্বর্ণ বা রৌপ্য নির্মিত দ্রব্য, মুদ্রা, খাদ্যদ্রব্য, ঔষধ, আমদানিকৃত পণ্যদ্রব্য, অথবা অন্য কোনো পণ্যদ্রব্য বাংলাদেশের বাহিরে নেয়; বা
(খ) বাংলাদেশের ভিতরে কোনো পণ্যদ্রব্য আনয়ন করেন,
তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে, বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা অনধিক চৌদ্দ বৎসর ও অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদন্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি আপাতত বলবত কোনো আইন দ্বারা বা আইনের অধীন বাংলাদেশে আনয়ন করা নিষিদ্ধ এইরূপ পণ্যদ্রব্য বিক্রয় করেন, বা বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করেন বা প্রদর্শন করেন বা বিক্রয়ের জন্য তাহার দখলে বা নিয়ন্ত্রণে রাখেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক সাত বৎসর কিন্তু এক বৎসরের নিম্নে নহে কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা: যা পণ্য নিষিদ্ধের সময় বাসভবনবহির্ভূত কোনো জায়গায় পাওয়া যায়, আদালত ধরে নেবে যে এটি ‘বিক্রির উদ্দেশ্যে’ রাখা হয়েছিল; মালিককে প্রমাণ করতে হবে যে তা বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়নি বা নিষেধাজ্ঞার বলবৎ হওয়ার আগে আমদানি করা হয়েছিল।
২৫.
জেলা কমিটি 'ক' এর আইনগত সহায়তার আবেদন অগ্রাহ্য করলে, 'ক' কত দিনের মধ্যে জাতীয় পরিচালনা বোর্ডে আপিল করতে পারবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ 'ক' সিদ্ধান্তের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে জাতীয় পরিচালনা বোর্ডে আপিল (appeal) পেশ করতে পারবেন।

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০, ধারা ১৬- আইনগত সহায়তার জন্য আবেদন:
(১) এই আইনের অধীন আইনগত সহায়তার জন্য সকল আবেদন সুপ্রীম কোর্ট কমিটি, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটির নিকট পেশ করিতে হইবে৷ 

(২) এই আইনের অধীন কোন আবেদন বা দরখাস্ত জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি কর্তৃক অগ্রাহ্য হইলে উহা মঞ্জুরীর জন্য সংক্ষুব্ধ বিচারপ্রার্থী উক্তরূপ সিদ্ধান্তর তারিখ হইতে ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে বোর্ডের নিকট আপীল পেশ করিতে পারিবেন এবং এই ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে৷

এখানে, “বোর্ড” বলতে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৬ ধারার অধীন গঠিত জাতীয় পরিচালনা বোর্ড বুঝানো হয়েছে।
২৬.
Under Section 34A of The Special Powers Act, 1974, what are the permitted methods for executing a death sentence?
  1. Hanging only
  2. Shooting only
  3. Lethal injection only
  4. Hanging or shooting
সঠিক উত্তর:
Hanging or shooting
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hanging or shooting
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: Section 34A: Execution of death sentences:
When a person is sentenced to death under this Act, the sentence may be executed by hanging him by the neck till he is dead or by shooting him in the prescribed manner till he is dead as the Special Tribunal may direct.

ধারা ৩৪ক – মৃত্যুদণ্ড কার্যকর:
“যখন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীনে কারো মৃত্যুদণ্ড রায় প্রদান করে, তখন সে ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ করলে সেই ব্যক্তি নিম্নলিখিত যেকোন পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে—
১. ঘাড়ে ফাঁসি দিয়ে, যতক্ষণ না সে মারা যাবে, অথবা
২. নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী গুলি করে, যতক্ষণ না সে মারা যায়।”
২৭.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় ডিজিটাল রেকর্ডকে গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে?
  1. ৫৫ ধারায়
  2. ৫৬ ধারায়
  3. ৫৭ ধারায়
  4. ৫৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৫৬: ক্যামেরায় গৃহীত ছবি, রেকর্ডকৃত কথাবার্তা, ইত্যাদির সাক্ষ্য মূল্য:
Evidence Act, 1872 (Act No.I of 1872) তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি বা তদন্তকারী সংস্থার কোনো সদস্য বা অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ বা ক্ষতি সংঘটন বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ বা উহা সংঘটনে সহায়তা সংক্রান্ত কোনো ঘটনার ভিডিও বা স্থিরচিত্র ধারণ বা গ্রহণ করিলে বা কোনো কথাবার্তা বা আলাপ-আলোচনা টেপ রেকর্ড বা ডিস্কে ধারণ করিলে উক্ত ভিডিও, স্থিরচিত্র, টেপ বা ডিস্ক উক্ত অপরাধ বা ক্ষতি সংশ্লিষ্ট মামলা বিচারের সময় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।