পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

পরীক্ষাব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়06 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
Exam - 77 Daily Quiz: General Knowledge: Topic: Science (Important and Basics) (বিগত সালের ব্যাংক ও বিসিএসের প্রশ্ন দেখুন)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
What is the speed of light in a vacuum?
  1. 300,000 km/s
  2. 300,000 m/s
  3. 3,00,00,000 km/s
  4. 0 m/s
সঠিক উত্তর:
300,000 km/s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
300,000 km/s
ব্যাখ্যা

◉ শূন্যস্থানে আলোর গতি (Speed of light in a vacuum) হলো একটি universal constant, যার মান প্রায় 300,000 kilometers per second (km/s).

আলো:
- আলো এক প্রকার বিকীর্ণ শক্তি তরঙ্গ।
- এ বিকীর্ণ শক্তি তরঙ্গ সৃষ্টি করে স্পন্দন সহকারে উৎস থেকে সর্বদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- আলোর গতিবেগ মাধ্যমের উপর নির্ভরশীল।
- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ প্রায় 3×108 m/s বা 3×105 km/s.
- বিজ্ঞানী ম্যাক্সওয়েল (Maxwell) প্রমাণ করেন যে, সব ধরনের দৃশ্য ও অদৃশ্য আলোর উৎপত্তি বিদ্যুৎ ও চুম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে হয়।
- এজন্য সব ধরনের আলোককে একত্রে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ রশ্মি বলা হয়।
- দৃশ্যমান আলো হল বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ রশ্মির সামান্য অংশ মাত্র।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

.
Which of the following is not a form of electromagnetic radiation?
  1. X-rays
  2. Radio waves
  3. Sound waves
  4. Ultraviolet rays
সঠিক উত্তর:
Sound waves
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sound waves
ব্যাখ্যা

◉ Electromagnetic radiation হলো এক ধরনের energy যা electromagnetic waves আকারে শূন্যস্থান (vacuum) বা মাধ্যমের (medium) মাধ্যমে চলাচল করে।
Sound waves হলো electromagnetic radiation নয়। Sound waves হলো mechanical waves.

তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ: 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো এবং তাপ আসে তরঙ্গাকারে। সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে মহাশূন্য, কোন জড় মাধ্যম নেই। আলো, তাপ মাধ্যম ছাড়াই বিশেষ ধরনের তরঙ্গ আকারে সঞ্চারিত হয়। এ তরঙ্গকে বলা হয় তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ।

তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গসমূহ হচ্ছে- 
১। গামা রশ্মি, 
২। এক্সরে, 
৩। অতিবেগুনি রশ্মি, 
৪। দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ, 
৫। অবলোহিত রশ্মি, 
৬। মাইক্রো তরঙ্গ, 
৭। বেতার তরঙ্গ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
The process of separating a mixture based on differences in boiling points is called:
  1. Chromatography
  2. Distillation
  3. Filtration
  4. Sedimentation
সঠিক উত্তর:
Distillation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Distillation
ব্যাখ্যা

◉ Distillation (পাতন) হলো একটি separation technique যেখানে দুটি বা ততোধিক তরলকে তাদের boiling points-এর ভিত্তিতে আলাদা করা হয়।

পাতন: 
- কোনো তরলকে তাপ প্রদান করে ঐ তরল পদার্থকে বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে। যেমন: চায়ের কাপে গরম চা রাখলে ঐ গরম চা থেকে পানি বাষ্পাকারে উড়ে যায়।
- আবার উক্ত বাষ্পকে শীতল করলে তা তরলে পরিণত হয় যাকে ঘনীভবন বলে। যেমন: জলীয় বাষ্প তাপশক্তি নির্গত করে ঠান্ডা হয়ে পানিতে পরিণত হয়।
- কোনো তরলকে তাপ প্রদানে বাষ্পে পরিণত করে তাকে পুনরায় শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে পরিণত করার পদ্ধতিকে পাতন বলে। অর্থাৎ
পাতন = বাষ্পীভবন + ঘনীভবন

- যে প্রক্রিয়ায় কোন কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে। যেমন: নিশাদল (NH₄Cl), কর্পূর (C₁₀H₁₆O), ন্যাপথলিন (C₁₀H₈), কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂), আয়োডিন (I₂), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl₃) এই পদার্থগুলোকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। এই পদার্থগুলোকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থও বলা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

.
The powerhouse of the cell is -
  1. Nucleus
  2. Mitochondria
  3. Ribosome
  4. Golgi apparatus
সঠিক উত্তর:
Mitochondria
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mitochondria
ব্যাখ্যা

◉ Mitochondria-কে কোষের শক্তিঘর বলা হয় কারণ এটি ATP (Adenosine Triphosphate) উৎপন্ন করে, যা কোষের শক্তির প্রধান উৎস।

মাইটোকন্ড্রিয়া:
- মাইটোকন্ড্রিয়া হলো প্রকৃত জীবকোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু।
- কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ থাকে, তাই মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বা শক্তি ঘর বলা হয়।
- এতে ক্রেবস চক্র, ফ্যাটি আসিড চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম ইত্যাদি সংঘটিত হয়।
- প্রজাতি ও প্রকারভেদে প্রতি কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া এক হতে বহু সংখ্যক হতে পারে।
- সাধারণত প্রতি কোষে ৩০০-৪০০ মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে। তবে যকৃত কোষে ১০০০ বা ততোধিক থাকে। অ্যামিবাতে আরও বেশি থাকে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Which scientist is known for the theory of evolution by natural selection?
  1. Isaac Newton
  2. Albert Einstein
  3. Louis Pasteur
  4. Charles Darwin
সঠিক উত্তর:
Charles Darwin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charles Darwin
ব্যাখ্যা

◉ চার্লস ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্বের মূল ভিত্তি হলো 'প্রাকৃতিক নির্বাচন'। Charles Darwin তাঁর বিখ্যাত বই "On the Origin of Species"-এ এই তত্ত্বটি উপস্থাপন করেন।

চার্লস ডারউইন:
- জৈব বিবর্তনের জনক চার্লস রবার্ট ডারউইন।
- উল্লেখ্য, ডারউইনের তত্ত্বটি বিবর্তন তত্ত্ব নামে প্রচলিত হলেও তিনি প্রকৃতপক্ষে বিবর্তনের আবিষ্কারক নন।
- ডারউইনের সাফল্য ছিল, জৈব বিবর্তনের কারণ হিসেবে পর্যাপ্ত সংখ্যক বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে একটি প্রক্রিয়ার ধারণা প্রতিষ্ঠা করা যা, বিবর্তনের যাবতীয় বিষয় ব্যাখ্যা করতে পারবে।
- জৈব বিবর্তনের কারণ হিসেবে প্রাকৃতিক নির্বাচনকে উল্লেখ করে আরও একজন সমসাময়িক ব্রিটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী আলফ্রেড ওয়ারলেস একই সময়ে কিন্তু স্বাধীনভাবে অনুরূপ তত্ব প্রণয়ন করেন।
- তবে বিভিন্ন এঁতিহাসিক কারণে তাঁর চেয়ে ডারউইনের তত্ত্বটি অধিক প্রচলিত।

প্রাকৃতিক নির্বাচন বা যোগ্যতমের উর্দ্ধতন (Natural Selection or Survival of the Fittest):
- ডারউইনের মতে জীবন ধারণের সংগ্রামে কেবল সেই জীব সাফল্য লাভ করে যাদের দেহে সংগ্রামের পক্ষে অনুকূলে এবং অধিকতর ও সঙ্গত সামঞ্জস্যপূর্ণ অভিযোজন বা প্রকরণ থাকে।
- যে সকল জীবের অভিযোজন বা প্রকরণ সংগ্রাম উত্তরণের উপযোগী নহে তারা পৃথিবী হতে বিলীন হয়ে যায়।
- ডারউইন একে প্রাকৃতিক নির্বাচন (natural selection) বলে অভিহিত করেছেন।
- Herbert Spencer একে যোগ্যতমের উর্দ্ধতন (survival of the fittest) হিসেবে অ্যাখায়িত করেছেন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Which of the following is not a renewable resource?
  1. Coal
  2. Wind energy
  3. Solar energy
  4. Hydroelectric power
সঠিক উত্তর:
Coal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Coal
ব্যাখ্যা

◉ কিন্তু Coal হলো একটি non-renewable resource। এটি একটি fossil fuel, যা লক্ষ লক্ষ বছর ধরে গাছপালা এবং জীবজন্তুর অবশেষ থেকে তৈরি হয়। Coal-এর মজুদ সীমিত এবং এটি একবার ব্যবহার করলে তা পুনরায় তৈরি হতে অনেক সময় লাগে। তাই, এটি renewable নয়।

শক্তির উৎস:
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। যথা -

১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।
- নবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হচ্ছে-
• সৌর শক্তি,
• জলবিদ্যুৎ,
• বায়ু বিদ্যুৎ,
• বায়োগ্যাস,
• ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি।

২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না।
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত।
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়।
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হচ্ছে-
• কয়লা,
• খনিজ তেল,
• প্রাকৃতিক গ্যাস,
• নিউক্লিয় শক্তি বা পারমাণবিক শক্তি ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Which of the following is a buffer solution?
  1. NaOH + NaCl
  2. NaOH + HCl
  3. NaOH
  4. CH3COOH + CH3COONa
সঠিক উত্তর:
CH3COOH + CH3COONa
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CH3COOH + CH3COONa
ব্যাখ্যা

◉ বাফার দ্রবণ (Buffer Solution) হলো এমন একটি দ্রবণ, যা সামান্য পরিমাণ অম্ল (Acid) বা ক্ষার (Base) যোগ করার পরেও এর pH মানকে প্রায় স্থির রাখতে সক্ষম। 
CH3COOH হলো দুর্বল এসিড ও CH3COONa হলো তার লবণ। এই দুটির মিশ্রণ একটি buffer solution তৈরি করে, যা pH-এর পরিবর্তন প্রতিরোধ করতে পারে।

বাফার দ্রবণ:
- যে দ্রবণে সামান্য পরিমাণে এসিড বা ক্ষারক যোগ করার পরও তার pH অপরিবর্তিত থাকে তাকে বাফার দ্রবণ বলে।
- pH পরিবর্তন প্রতিরোধ করার এই ক্ষমতাকে দ্রবণটির বাফার ক্ষমতা (buffer capacity) বলে।

বাফার দ্রবণগুলো সাধারণত
(i) মৃদু এসিড ও ঐ এসিডের সঙ্গে তীব্র ক্ষারকের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন কোন লবণ (যেমন এসিটিক এসিড ও সোডিয়াম এসিটেট) বা
(ii) মৃদু ক্ষার ও এর সঙ্গে তীব্র এসিডের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন কোন লবণ (যেমন NH4OH-NH4CI)-এর মিশ্রণ দ্বারা প্রস্তুত করা হয়।
উল্লেখ্য যে এসিটিক এসিড ও সোডিয়াম এসিটেট দ্বারা প্রস্তুত বাফার দ্রবণের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি।

বাফার দ্রবণের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
(i) এই দ্রবণের একটি নির্দিষ্ট pH থাকে।
(ii) এই দ্রবণে সামান্য পরিমাণ এসিড বা ক্ষার যোগ করলেও এর pH এর পরিবর্তন হয় না।
(iii) বেশি সময় রেখে দিলে বা দ্রবণকে লঘুকরণ করলেও এর pH অপরিবর্তিত থাকে।
এই দ্রবণ তার বাফার ক্রিয়া (buffer action) দ্বারা pH পরিবর্তনে বাধা দান করে।

উৎস: রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Photosynthesis primarily occurs in which part of a plant?
  1. Roots
  2. Stem
  3. Leaves
  4. Flowers
সঠিক উত্তর:
Leaves
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Leaves
ব্যাখ্যা

◉ সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) প্রক্রিয়াটি প্রধানত উদ্ভিদের পাতায় (leaves) ঘটে, কারণ পাতায় ক্লোরোফিল (chlorophyll) নামক সবুজ রঞ্জক পদার্থ থাকে, যা সূর্যের আলো শোষণ করে।

সালোকসংশ্লেষণ:
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ।
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে।
- পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল প্রধান উপকরণ।
- কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন তৈরি করে।
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কাবন ডাইঅক্সাইড বিজারিত হয়।
- তাই একে একটি জারণ বিজারণ প্রক্রিয়া বলা হয়।
- জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
- লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি হয়।

উৎস:
১. জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

.
What causes ocean tides on Earth?
  1. Wind patterns
  2. Earth's rotation
  3. Ocean currents
  4. Gravitational pull of the moon
সঠিক উত্তর:
Gravitational pull of the moon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gravitational pull of the moon
ব্যাখ্যা

◉ চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি (gravitational force) পৃথিবীর সাগরের পানিকে আকর্ষণ করে, যার ফলে জলের স্তর উঁচু হয়ে জোয়ার (high tide) সৃষ্টি করে। পৃথিবীর যে অংশ চাঁদের দিকে থাকে, সেখানে জোয়ার হয়, এবং একই সময়ে পৃথিবীর বিপরীত দিকেও জোয়ার হয়, কারণ সেখানে কেন্দ্রাতিগ শক্তি (centrifugal force) কাজ করে।

জোয়ার ভাঁটা:
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। এই ফুলে উঠা ও নেমে যাওয়াকে জোয়ার ভাঁটা বলে।
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার (High Tide) এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা (Ebb or low Tide) বলে।
- প্রতি ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট পরপর এই জোয়ার ভাঁটা সংঘঠিত হয়। অর্থাৎ সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু'বার জোয়ার ও দু'বার ভাঁটা হয়।
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার-ভাঁটা বেশি অনুভূত হয়।
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে।
- তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার ভাঁটা বলে না।

জোয়ার ভাঁটার কারণ:
- জোয়ার ভাঁটা সম্পর্কে প্রাচীনকালে মানুষ নানা রকম অবাস্তুব কল্পনা করত।
- কিন্তু বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন যে, চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাঁটা হয়।
- জোয়ার ভাঁটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা -
ক. মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব এবং
খ. কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
The smallest bone in the human body is located in -
  1. Ear
  2. Nose
  3. Finger
  4. Toe
সঠিক উত্তর:
Ear
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ear
ব্যাখ্যা

◉ The smallest bone in the human body is the stapes, which is located in the ear. এই হাড়টি মধ্যম কানের (middle ear) অংশ এবং এটি কানের ossicles-এর তিনটি হাড়ের মধ্যে একটি। Stapes-এর আকার মাত্র 2.8 মিলিমিটার (0.11 ইঞ্চি) এবং এটি শব্দ তরঙ্গকে কানের ভিতরের অংশে (inner ear) প্রেরণে সাহায্য করে।

মানুষের কঙ্কালতন্ত্র:
- কঙ্কালতন্ত্র বিশেষ ধরনের যোজক কলা বা টিস্যুনির্মিত অস্থি ও তরুণাস্থির সমন্বয়ে গঠিত।
- একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দেহে মোট ২০৬ টি হাড় বা অস্থি রয়েছে।
- মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র ২টি প্রধান ভাগে বিভক্ত। যথা- (১) অক্ষীয় কঙ্কাল (করোটি, দেহকাণ্ড) (২) উপাঙ্গীয় কঙ্কাল।
- করোটি ২৯টি অস্থি নিয়ে গঠিত।
- ৩৩ টি অনিয়ত আকৃতির অস্থিখন্ড বা কশেরুকা নিয়ে মানুষের মেরুদণ্ড গঠিত।
- মানবদেহের সবচেয়ে বড় অস্থি হলো ফিমার (উরুর অস্থি) যা মানুষের উর্ধ্ব পা এর অস্থি।
- মানুষের দেহে সবচেয়ে ছোট অস্থি হলো কানের ভেতরের অস্থি স্টেপিস।
- টেনডন: পেশিকে অস্থির সাথে যুক্ত রাখে।
- লিগামেন্ট: শরীরের একটি হাড়কে অন্য হাড়ের সাথে যুক্ত রাখে।

উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
Which gases does the human respiratory system primarily exchange?
  1. Oxygen and carbon dioxide
  2. Oxygen and nitrogen
  3. Carbon dioxide and hydrogen
  4. Nitrogen and hydrogen
সঠিক উত্তর:
Oxygen and carbon dioxide
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oxygen and carbon dioxide
ব্যাখ্যা

◉ শ্বাস-প্রশ্বাসের সময়, আমরা বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করি। এই গ্যাস বিনিময় প্রক্রিয়া ফুসফুসের alveoli-তে ঘটে, যেখানে অক্সিজেন রক্তে শোষিত হয় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড রক্ত থেকে বাতাসে নির্গত হয়।

শ্বসন:
- যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় প্রাণী বিরামহীনভাবে পরিবেশ থেকে অক্সিজেন (O2) গ্রহণ করে, সে অক্সিজেনের সাহায্যে কোষ মধ্যস্থ সরল খাদ্যকে জারিত করে খাদ্যস্থিত স্থিতিশক্তিকে গতিশক্তিতে রূপান্তর করে এবং এতে উৎপন্ন কার্বন ডাই-অক্সাইডকে (CO2) দেহ হতে ত্যাগ করে তাকে শ্বসন (Respiration) বলে।
- শ্বসনের দু'টি পর্যায় থাকে। 

যথা- 
১। বহিঃশ্বসন (External respiration) ও 
২। অন্তঃশ্বসন (Internall respiration) ।

- ফুসফুসের অ্যালভিওলাসের বায়ুর সাথে ফুসফুসীয় রক্ত জালিকার মধ্যে প্রশ্বাস ও নিশ্বাসের সময় যে গ্যাসীয় আদান প্রদান হয় তাকে বহিঃশ্বসন বলে। 
- অপরদিকে রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন (O2) দেহের কলাকোষে প্রবেশ করে কোষস্থ খাদ্যের সাথে বিক্রিয়া করে শক্তি, কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) ও পানি উৎপাদন করার প্রক্রিয়াকে অন্তঃশ্বসন বলে।

এতে নিম্নের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে- 

- যে সকল অঙ্গ সম্বিলিতভাবে দেহ ও প্রকৃতির মধ্যে শ্বসন গ্যাস (O2 ও CO2) বিনিময় প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে তাদের সমষ্টিকে শ্বসনতন্ত্র বলে। 
- শ্বসনতন্ত্র রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং বিপাকে সৃষ্ট গ্যাসীয় বর্জ্য অপসারণ করে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
The law of conservation of mass states that -
  1. Matter can be created but not destroyed
  2. Matter can be destroyed but not created
  3. Matter cannot be created or destroyed
  4. Matter can be both created and destroyed
সঠিক উত্তর:
Matter cannot be created or destroyed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Matter cannot be created or destroyed
ব্যাখ্যা

◉ The law of conservation of mass states that matter cannot be created or destroyed.
এই নিয়ম অনুসারে, একটি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় (chemical reaction) পদার্থের ভর (mass) পরিবর্তিত হয় না। বিক্রিয়ার আগে এবং পরে পদার্থের মোট ভর একই থাকে, শুধু পদার্থের রূপ (form) পরিবর্তিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, কাঠ পোড়ালে তা ছাই এবং গ্যাসে পরিণত হয়, কিন্তু মোট ভর আগে এবং পরে একই থাকে।

শক্তির সংরক্ষণশীলতা সূত্র:
- শক্তির নিত্যতার বিধি অনুসারে শক্তিকে সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না।
- শক্তিকে এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর করা যায় মাত্র।
- পৃথিবীর মোট শক্তির পরিমানগত কোন পরিবর্তন হয় না।
- প্রকৃতপক্ষে নতুন কোনো শক্তি সৃষ্টি করা যায় না বা শক্তি ধ্বংসও করা যায় না।
- এ বিশ্ব সৃষ্টির মুহূর্তে যে পরিমাণ শক্তি ছিল মহাবিশ্বে আজও সেই পরিমাণ শক্তি রয়েছে।
- এই শক্তি একটু বাড়েওনি বা কমেওনি, এটাই শক্তির অবিনশ্বরতা বা নিত্যতা বা সংরক্ষণশীলতা।
- মানুষ তার চাহিদা অনুসারে শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করে ব্যবহার করছে।
- এ মহাবিশ্বে নানা ঘটনা প্রবাহ চলছে শক্তির রূপান্তর আছে বলে।
- শক্তি একরূপ থেকে একাধিকরূপে রূপান্তর হলেও মহাবিশ্বের মোট শক্তির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না।
- এক রূপের শক্তিকে রুপান্তর করে যখন অন্য রূপের শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তখন একে শক্তির রূপান্তর বলা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
Which scientist is credited with discovering penicillin?
  1. Marie Curie
  2. Alexander Fleming
  3. Louis Pasteur
  4. Edward Jenner
সঠিক উত্তর:
Alexander Fleming
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alexander Fleming
ব্যাখ্যা

◉ 1928 সালে, Alexander Fleming লক্ষ্য করেন যে একটি পেনিসিলিয়াম ছত্রাক (Penicillium fungus) ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে পারে। এই পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে তিনি প্রথম antibiotic, penicillin আবিষ্কার করেন, যা modern medicine-এ বিপ্লব ঘটায় এবং অসংখ্য জীবন রক্ষা করে।

পেনিসিলিন:
- আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিনের আবিষ্কার করেন।
- Penicillium notatum থেকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করা হয়।
- বর্তমানে Penicillium chrysogenum থেকে বানিজ্যিক ভিত্তিতে পেনিসিলিন তৈরি করা হয়।
- পেনিসিলিনটি কান, নাক এবং গলার ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া এটি সাইনাস, ত্বক, নিম্ন শ্বাস নালীর, পেট, অন্ধ্র, কিডনি এবং মূত্রাশয়ের ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের জন্যও ব্যবহৃত হয়।

তথসূত্র - উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
The hormone insulin is produced by which organ?
  1. Liver
  2. Pancreas
  3. Thyroid
  4. Adrenal gland
সঠিক উত্তর:
Pancreas
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pancreas
ব্যাখ্যা

◉ Pancreas (অগ্নাশয়)-এর beta cells, যা Islets of Langerhans-এ অবস্থিত, insulin উৎপন্ন করে। Insulin-এর প্রধান কাজ হলো রক্তে শর্করার (glucose) মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা। এটি শরীরের কোষগুলিকে গ্লুকোজ শোষণ করতে সাহায্য করে, যার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়।

ইনসুলিন:
- ইনসুলিন আবিষ্কার করেন ফ্রেডরিক গ্র্যান্ট বেন্টিং (Frederick G. Banting)।
- তিনি একজন কানাডিয়ান চিকিৎসক, চিকিৎসাবিজ্ঞানী এবং ইনসুলিনের আবিষ্কারক।
- তিনি বিজ্ঞানী Charles H. Best এবং রোমানিয়ান ফিজিওলজিস্ট Nicolas C. Paulescu এর সঙ্গে ১৯২১ সালে ইনসুলিন আবিষ্কার করেছিলেন।
- ইনসুলিন: ইনসুলিন একটি হরমোন।
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of Langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে।
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।