পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়15 minutes
মোট প্রশ্ন২৬
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২৪০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] --------------- রিভিশন পরীক্ষা টপিক: পূর্ববর্তী ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৬ প্রশ্ন

.
নিচের কোন দুটি বাংলা ভাষার লৈখিক রূপ?
  1. আঞ্চলিক রীতি ও প্রমিত রীতি
  2. উপ রীতি ও প্রমিত রীতি
  3. চলিত রীতি ও সাধু রীতি
  4. মৌলিক রীতি ও যৌগিক রীতি
সঠিক উত্তর:
চলিত রীতি ও সাধু রীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চলিত রীতি ও সাধু রীতি
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষারও দুটি রূপ:
- একটি বলার ভাষা বা মৌখিক রূপ,
- অপরটি লেখার ভাষা বা লৈখিক রূপ।

• ভাষার মৌখিক রূপের আবার দুটো রীতি রয়েছে,
যথা:
- আঞ্চলিক রীতি ও
- প্রমিত রীতি।

• অপর দিকে লৈখিক রূপেরও দুটো আলাদা রীতি আছে,
যেমন:
- চলিত রীতি ও সাধু রীতি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি (২০২৫ সংস্করণ)।
.
ড. মুহম্মদ এনামুল হক রচিত বাংলা ব্যাকরণ কোনটি?
  1. গৌড়ীয় ব্যাকরণ
  2. ব্যাকরণ মঞ্জরী
  3. ব্যাকরণ কৌমুদী
  4. বাঙ্গলা ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর:
ব্যাকরণ মঞ্জরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকরণ মঞ্জরী
ব্যাখ্যা
• ড. মুহম্মদ এনামুল হক রচিত বাংলা ব্যাকরণ- ব্যাকরণ মঞ্জরী।

অন্যদিকে,
• রাজা রামমোহন রচিত বাংলা ব্যাকরণ- গৌড়ীয় ব্যাকরণ
• ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত বাংলা ব্যাকরণ- ব্যাকরণ কৌমুদী।
• ড. মুহম্মদ শহিদুল্লাহ রচিত বাংলা ব্যাকরণ- বাঙ্গলা ব্যাকরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
’মহারাজের ভোজন-পর্ব শেষ হয়েছে।’ এ বাক্যে ’ভোজন’ কোন পদ?
  1. ক্রিয়া
  2. অব্যয়
  3. বিশেষ্য
  4. বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য
ব্যাখ্যা
• ভাববাচক বিশেষ্য:
- যে বিশেষ্যপদ দ্বারা ক্রিয়ার ভাব বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ভাববাচক বা ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য বলে।
যেমন: ভোজন, শয়ন, দর্শন, গমন, শ্রবণ, করা, দেখা, শোনা ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- ভাববাচক বিশেষ্য ও ক্রিয়াপদ এক নয়।
যেমন:

• ভাববাচক বিশেষ্য   
  =     ক্রিয়াপদ
- কোটবাড়ি দর্শন করে এলাম।   =  আমি কোটবাড়ি দেখেছি।
- মহারাজের ভোজন-পর্ব শেষ হয়েছে।    =    আমরা খেয়েছি।
- বাবার শয়ন এখনো সম্পন্ন হয় নি। =    বাবা শুয়েছেন।
- খুকুর নাচন দেখে যা। =   খুকু নাচছে।
-  তার বোধহয় ফেরা হবে না। =  সে ফিরেছে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি (২০২৫ সংস্করণ)।
.
'মানী' লোকের বেলায় বহুবচনে কী ব্যবহৃত হয়?
  1. গণ
  2. মণ্ডলী
  3. বৃন্দ
  4. সবগুলি
সঠিক উত্তর:
সবগুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলি
ব্যাখ্যা
 • মানী পক্ষের বহুবচন করার সময়ে '-গণ,' '-বৃন্দ', '-মণ্ডলী', '-বর্গ' ইত্যাদি লগ্নক যোগ করা হয়।
যেমন
• গণ  = সদস্যগণ, সচিবগণ
• বৃন্দ  = দর্শকবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ
• মণ্ডলী =  সুধীমণ্ডলী, সম্পাদকমণ্ডলী
• বর্গ =  পণ্ডিতবর্গ, মন্ত্রীবর্গ

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২৫ সালের সংস্করণ)।
.
This is a good novel. Here 'This' is-
  1. Demonstrative Pronoun
  2. Distributive Pronoun
  3. Reciprocal Pronoun
  4. Indefinite Pronoun
সঠিক উত্তর:
Demonstrative Pronoun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Demonstrative Pronoun
ব্যাখ্যা
• This is a good novel.
- Here 'This' is- ক) Demonstrative Pronoun.

• Demonstrative Pronoun:
- A demonstrative pronoun is a pronoun used to point to specific people or things.
- কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে যদি এটি, ওটি, এগুলি, ওগুলি ইত্যাদি শব্দ দ্বারা নির্দেশ করা হয় তাহলে এই শব্দগুলোকে বলে demonstrative pronoun.
- যেমন: this, that, these, those, etc

• সাধারণত pronoun ৮ প্রকার। যথা-
- Personal Pronoun (I, we, me, it),
- Demonstrative Pronoun (this, that),
- Interrogative Pronoun (what, who),
- Relative Pronoun (what, who, that),
- Indefinite Pronoun (one, some, any, all, many),
- Distributive Pronoun (each, every),
- Reflexive Pronoun (myself, themselves),
- Reciprocal Pronoun (each other, one another).

Source: A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain.
.
Find the feminine gender.
  1. Ram
  2. Ewe
  3. Buck
  4. Gander
সঠিক উত্তর:
Ewe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ewe
ব্যাখ্যা
• The feminine gender is: খ) Ewe.

• Ewe (noun)
- English Meaning: The female of the sheep, especially when mature.
- Bangla Meaning: ভেড়ি।

- 'Ewe' এর Masculine Gender হচ্ছে - Ram (ভেড়া).

• অন্যদিকে,
• Buck (Masculine Gender) - পুরুষজাতীয় হরিণ; খরগোশ বা ছাগ।
- এর Feminine gender হলো: Doe (স্ত্রীজাতীয় হরিণ অথবা খরগোশ।)

• Gander (Masculine Gender) - কলহংস।
- এর Feminine gender হলো: Goose (রাজহংসী)।

Source:
1. A Passage To The English Language, S. M. Zakir Hussain.
2. Merriam-Webster Dictionary.
.
The noun form of "wide" is-
  1. Width
  2. Widely
  3. Widen
  4. Wide
সঠিক উত্তর:
Width
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Width
ব্যাখ্যা
• The noun form of "wide" is width.

• Wide (adjective, adverb)
- English meaning: having great extent.
- Bangla meaning: চওড়া; প্রশস্ত।

• Width (noun)
- English meaning:  the horizontal measurement taken at right angles to the length .
- Bangla meaning: প্রশস্ততা।

• অন্যদিকে,
• Widen (Verb)
- English meaning: to increase the width, scope, or extent of.
- Bangla meaning: প্রশস্ত বা প্রসারিত করা বা হওয়া।

• Widely (adverb)
- English meaning: over or through a wide area.
- Bangla meaning: বিস্তৃতভাবে।

Source:
1. Merriam-Webster Dictionary.
2. Accessible Dictionary.
.
The plural of 'Phenomenon'.
  1. Phenomenon
  2. Phenomenones
  3. Phenomena
  4. Phenomeni
সঠিক উত্তর:
Phenomena
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phenomena
ব্যাখ্যা
• The plural of 'Phenomenon' is - গ) Phenomena.

• Phenomenon: [singular]
- English meaning: an observable fact or event; a rare or significant fact or event.
- Bangla meaning: (১) ইন্দ্রিয়গোচর বস্তু বা বিষয়। (২) বিস্ময়কর ব্যক্তি/বিষয়/ঘটনা।

- Phenomenon এর plural হলো Phenomena এবং Phenomenons.

• Ex. Sentences:
- Gravity is a natural phenomenon.
- Glaciers are interesting natural phenomena.

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
.
She dreamed a dream of peace.
Here, what kind of verb 'dreamed' is-
  1. Copulative verb
  2. Cognate verb
  3. Intransitive verb
  4. Linking verb
সঠিক উত্তর:
Cognate verb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cognate verb
ব্যাখ্যা
• She dreamed a dream of peace.
- Here, the verb 'dreamed' is a Cognate verb.

• Cognate Verb:
- বাক্যের verb বা ক্রিয়াপদ এবং কর্ম (object) যখন একই Intransitive verb থেকে উৎপন্ন হয় তখন সেই verb কে cognate verb বলা হয় এবং এর object কে বলা হয় cognate object.
- অর্থাৎ, কোন Intransitive verb যখন বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদ বা verb এর মূলশব্দ (root word) থেকে উৎপন্ন নতুন কোন word বা শব্দকে object হিসেবে গ্রহণ করে তখন সেই verb কে cognate verb বলা হয়।
- আর object টি কে বলা হয় Cognate object.
- যেমন: She dreamed a dream of peace.
- এখানে dreamed হলো Cognate Verb এবং dream হলো Cognate object.

• অন্যদিকে,
• Copulative Verb/Linking verb:
- যে সকল verb সাধারণত subject ও Subjective complement এর মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করে তাদেরকে Linking verb/ Copulative verb বলে।
- Linking verb -এর complement হিসেবে সাধারণত adjective বসে।
- আবার transitive verb এর পরে adjective বসে আলাদা অর্থে প্রকাশ করলে তাদেরকে Copulative verb বলা হয়।
- যেমন: Go mad (পাগল হওয়া), come true (সত্যি হওয়া).

• Intransitive verb:
- যে verb -এর কর্ম (object) নেই তাকে Intransitive verb বলে।
- Intransitive verbs cannot have a direct object after them.
- এই verb কে 'কি' বা 'কাকে' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় না।
- Direct object থাকে না বলে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় না।
- সাধারণত verb-এর পরে কোনো word না থাকলে অথবা verb-এর পরে adverb/preposition থাকলে সেটি Intransitive verb হবে।
- যেমন: The fire burns dimly.

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
১০.
বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের শুরু হয়-
  1. ১১০০ খ্রিষ্টাব্দ
  2. ১২৫০ খ্রিষ্টাব্দ
  3. ১২০১ খ্রিষ্টাব্দ
  4. ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
১২০১ খ্রিষ্টাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০১ খ্রিষ্টাব্দ
ব্যাখ্যা
• বাংলা সাহিত্যের যুগ তিনটি।
যথা:
- প্রাচীন যুগ (৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রি.),
- মধ্যযুগ (১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রি.) ও
- আধুনিক যুগ (১৮০১ থেকে বর্তমান)।

- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত অন্ধকার যুগ হিসেবে পরিচিত।
- এই সময় বাংলা সাহিত্যের লিখিত কোন নিদর্শন পাওয়া যায়নি। তাই অনেক লেখক এই সময়টাকে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলে থাকেন।
-  এ সময় যে সাহিত্য কর্ম পাওয়া গেছে তা মূলত সংস্কৃত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
বাংলা সাহিত্যের কোন যুগের সাহিত্য বৈশিষ্ট্যে মানুষ মুখ্য হয়ে উঠে?
  1. প্রাচীন যুগে
  2. মধ্যযুগে
  3. প্রাক-চৈতন্য যুগে
  4. আধুনিক যুগে
সঠিক উত্তর:
আধুনিক যুগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধুনিক যুগে
ব্যাখ্যা
• বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন আধুনিক  ও মধ্যযুগের বৈশিষ্ট্য:
• প্রাচীন যুগে ব্যক্তি ও সমষ্টিজীবন প্রধান ছিল।
• মধ্যযুগে ধর্মটাই মুখ্য হয়ে, মানুষ গৌণ হয়ে পড়ে এবং মানবতাই একমাত্র কাম্য হয়ে উঠে।
• আধুনিক যুগে মানুষ মুখ্য হয়ে উঠে।
এ যুগের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো:  যুক্তিশীলতা, স্বাজাত্যবোধ, স্বদেশপ্রেম, ব্যক্তিস্বাধীনতা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
"টালত মোর ঘর নাহি পড়বেশী। হাড়ীতে ভাত নাহি নিতি আবেশী।।" চর্যাপদের এ পদটি কে রচনা করেন?
  1. লুইপা
  2. কুক্কুরীপা
  3. শবরপা
  4. ঢেণ্ডণপা পা
সঠিক উত্তর:
ঢেণ্ডণপা পা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢেণ্ডণপা পা
ব্যাখ্যা
- 'টালত মোর ঘর নাহি পড়বেশী' হাড়ীতে ভাত নাহি নিতি আবেশী।" - চর্যাপদের এ পদটির রচয়িতা ’ঢেণ্ডণপা’।
- চর্যাপদের এ চরণ দুটিতে কি বোঝানো হয়েছে: টিলার উপর আমার ঘর,আমার কোন প্রতিবেশী নেই। আমার হাঁড়িতে ভাত নেই,অথচ নিত্য অতিথি আসে।
-------------------------------------------------
• ঢেণ্ডণপা পা:
- তিনি নবম শতকের কবি।
- তিনি পেশায় একজন  তাঁতি।
- তিনি চর্যায় ৩৩ নং পদটি রচনা করেন।
- তাঁর রচিত পদটি : 'টালত মোর ঘর নাহি পড়বেশী' হাড়ীতে ভাত নাহি নিতি আবেশী'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩.
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী?
  1. সুধাকর
  2. আঙুর
  3. সবুজপত্র
  4. পূর্বাশা
সঠিক উত্তর:
আঙুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঙুর
ব্যাখ্যা
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ছিলেন একাধারে বহুভাষাবিদ, পণ্ডিত, সাহিত্যিক, ধর্মবেত্তা ও শিক্ষাবিদ।
 - ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি ১৯ জানুয়ারি, ১৯২৬ সালে ঢাকায় ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ' কর্তৃক আয়োজিত প্রতিষ্ঠা সভার সভাপতি ছিলেন ।

- তিনি ‘আঙুর’ ‘দি পিস' ,বঙ্গভূমিক’ “তকবীর’পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।

• তাঁর রচিত অনুবাদ গ্রন্থ:
- দীওয়ানে হাফিজ'
- মহানবী’ (১৯৪০),
- ‘অমিয়শতক' (১৯৪০),
- ‘বাণী শিকওয়াহ’,
- ‘জওয়াব-ই-শিকওয়াহ'
- ‘রুবাইয়াত-ই-ওমর খ্যায়াম'

• তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থ:
- পদ্মাবতী;
- প্রাচীন ধর্মগ্রন্থে শেষ নবী।

অন্যদিকে,
- ’সুধাকর’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন -শেখ আব্দুর রহিম।
- ’সবুজপত্র’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন - প্রমথ চৌধুরী।
- ’পূর্বাশা’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন - সঞ্জয় ভট্টাচার্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম, বাংলাপিডিয়া।
১৪.
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদে পদসংখ্যা কত?
  1. ৫১টি
  2. ৪৫টি
  3. ৫০টি
  4. ৪৭টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবার গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র।
- ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতী ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদ রচনা হয়েছে ৬৫০ খিষ্ট্রব্দ এবং সুনীতকুমার চট্টপাধ্যায়ের মতে ৯৫০-১২০০ খিষ্ট্রাব্দের মধ্যে।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের সংখ্যা ৫০ টি এবং সুনীতকুমার চট্টপাধ্যায়ের মতে ৫১ টি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম, বাংলাপিডিয়া।
১৫.
দুইটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল ২৯। সংখ্যা দুইটির গুণফল কত?
  1. ১৯৬
  2. ২১০
  3. ২১৫
  4. ২২৫
সঠিক উত্তর:
২১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল ২৯। সংখ্যা দুইটির গুণফল কত?

সমাধান:
ধরি,
ক্রমিক সংখ্যা দুইটি যথাক্রমে = ক এবং (ক + ১)

প্রশ্নমতে,
ক + ক + ১ = ২৯
⇒ ২ক + ১ = ২৯
⇒ ২ক = ২৯ - ১
⇒ ২ক = ২৮
∴ ক = ১৪

∴ সংখ্যা দুইটির গুণফল = ১৪ × (১৪ + ১)
= (১৪ × ১৫)
= ২১০
১৬.
তিনটি লাইট যথাক্রমে ১২, ১৬ এবং ২৪ সেকেন্ড পরপর জ্বলে ওঠে। প্রথমবার একসঙ্গে জ্বলার পর, কত সেকেন্ড পর আবার একসঙ্গে জ্বলবে?
  1. ২৪ সেকেন্ড
  2. ৩৬ সেকেন্ড
  3. ৪৮ সেকেন্ড
  4. ৭২ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
৪৮ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: তিনটি লাইট যথাক্রমে ১২, ১৬ এবং ২৪ সেকেন্ড পরপর জ্বলে ওঠে। প্রথমবার একসঙ্গে জ্বলার পর, কত সেকেন্ড পর আবার একসঙ্গে জ্বলবে?

সমাধান: 
১২, ১৬ ও ২৪ এর ল.সা.গু হবে ন্যূনতম পরবর্তী একসঙ্গে জ্বলার সময়। 
১২ = ২ × ২ × ৩
১৬ = ২ × ২ × ২ × ২
২৪ = ২ × ২ × ২ × ৩

১২, ১৬ ও ২৪ এর ল.সা.গু = ২ × ২ × ২ × ২ × ৩
= ৪৮

∴ প্রথমবার একসঙ্গে জ্বলার পর, ৪৮ সেকেন্ড পর আবার একসঙ্গে জ্বলবে।
১৭.
রিমা ও সুমার টাকার অনুপাত ৫ : ৭। যদি তাদের টাকার পার্থক্য ৬০ টাকা হয়, তবে রিমার কাছে কত টাকা আছে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ১২০ টাকা
  3. ১৩০ টাকা
  4. ১৫০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: রিমা ও সুমার টাকার অনুপাত ৫ : ৭। যদি তাদের টাকার পার্থক্য ৬০ টাকা হয়, তবে রিমার কাছে কত টাকা আছে?

সমাধান: 
ধরি,
রিমার আছে = ৫ক টাকা
সুমার আছে = ৭ক টাকা

প্রশ্নমতে, 
৭ক - ৫ক = ৬০
⇒ ২ক = ৬০
∴ ক = ৩০

∴ রিমার আছে = (৫ × ৩০) টাকা 
= ১৫০ টাকা
১৮.
কোন বৃহত্তম সংখ্যা দ্বারা ৭২, ১২০ এবং ১৪৪ কে ভাগ করলে কোনো ভাগশেষ থাকবে না?
  1. ১২
  2. ২৪
  3. ৩৬
সঠিক উত্তর:
২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন বৃহত্তম সংখ্যা দ্বারা ৭২, ১২০ এবং ১৪৪ কে ভাগ করলে কোনো ভাগশেষ থাকবে না?

সমাধান: 
যে বৃহত্তম সংখ্যার দ্বারা ৭২, ১২০ এবং ১৪৪ বিভাজ্য সেটি হবে ৭২, ১২০ এবং ১৪৪ এর গ.সা.গু এর সমান।
৭২ = ২ × ২ × ২ × ৩ × ৩
১২০ = ২ × ২ × ২ × ৩ × ৫
১৪৪ = ২ × ২ × ২ × ২ × ৩ × ৩

∴ ৭২, ১২০ এবং ১৪৪  এর গ.সা.গু হলো = ২ × ২ × ২ × ৩
= ২৪

∴ বৃহত্তম সংখ্যাটি হবে = ২৪ 
১৯.
৪, ৫, ৮ এর চতুর্থ সমানুপাতী কত?
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৫
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪, ৫, ৮ এর চতুর্থ সমানুপাতী কত? 

সমাধান: 
আমরা জানি,
১ম রাশি : ২য় রাশি = ৩য় রাশি : ৪র্থ রাশি 
⇒ ১ম রাশি/২য় রাশি = ৩য় রাশি/৪র্থ রাশি 
⇒ ৪/৫ = ৮/৪র্থ রাশি 
⇒ ৪র্থ রাশি = (৮ × ৫)/৪
∴ ৪র্থ রাশি = ১০ 

অতএব, চতুর্থ সমানুপাতী = ১০
২০.
প্রাচীন পুন্ড্র জনপদে কোন অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত ছিল না?
  1. কুমিল্লা
  2. বগুড়া
  3. দিনাজপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
কুমিল্লা প্রাচীন পুন্ড্র জনপদে অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

পুন্ড্র:

- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুন্ড্র।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তীকালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।

উল্লেখ্য,
- পুন্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুন্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- পুন্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুন্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
বাংলার বারো ভূঁইয়াদের দমন করেন কে?
  1. ইসলাম খান
  2. সম্রাট শাহজাহান
  3. শায়েস্তা খান
  4. সম্রাট আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
ইসলাম খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলাম খান
ব্যাখ্যা
বারো ভূঁইয়া:
- বাংলায় কররানী বংশের রাজত্ব দুর্বল হয়ে পড়লে বাংলার সোনারগাঁ, খুলনা, বরিশাল প্রভৃতি অঞ্চলে কিছুসংখ্যক জমিদার স্বাধীন রাজার মতো রাজত্ব শুরু করে।
- ১৫৭৬ সালে সম্রাট আকবর পশ্চিম বাংলা ও উত্তর বাংলার অধিকাংশই দখল করে নেন।
- এক দল জমিদার বা ভূস্বামী একযোগে পূর্ব বাংলার ওপর মোগল আক্রমণ প্রতিহত করেন।
- এরাই বারো ভূঁইয়া নামে পরিচিত।
- বারো ভূঁইয়াদের প্রধান ছিলেন ঈশা খাঁ।
- আকবরের সেনাপতি মানসিংহ বারবার চেষ্টা করেও ঈশা খাঁকে পরাজিত করতে পারেননি।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসন আমলেও বারো ভূঁইয়ারা মোগলবিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- তবে শেষ পর্যন্ত বারো ভূঁইয়াগণ মুঘল সুবাদার ইসলাম খানের হাতে পরাজিত হন এবং মুঘল বশ্যতা স্বীকার করেন।
- ফলে বাংলায় মুঘল শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে দক্ষতার সাথে বারভূঁইয়াদের দমন করেন সুবাদার ইসলাম খান।
- ১৬০৮ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার সুবাদার হয়ে আসেন ইসলাম খান চিশতী। তার মূল লক্ষ্য ছিল বারভূঁইয়াদের পরাস্ত করা।
- সুবাদার ইসলাম খান ঢাকায় প্রবেশ করে ঢাকাকে রাজধানী ঘোষণা করেন এবং সম্রাটের নামে তার নতুন নামকরণ করেন - জাহাঙ্গীরনগর। এরপর সেখান থেকে বারভূঁইয়াদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে শুরু করেন।

উৎস: i) ইতিহাস, এসএএস এইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
২২.
ভারতে কয়টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল রয়েছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ২৮টি
  4. ২৯টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
ভারত:
- ভারত দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- আয়তনে এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- রাজধানী: নয়া দিল্লি।
- মুদ্রা: রুপি।
- প্রেসিডেন্ট: দ্রৌপদী মুর্মু।
- প্রধানমন্ত্রী: নরেন্দ্র মোদি।
- প্রধান পর্বতমালা: হিমালয়।
- প্রধান নদী: গঙ্গা, যমুনা, সিন্ধু, ব্রহ্মপুত্র।
- ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ দুই ভাগে ভাগ হয়ে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ ভারত ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ পাকিস্তান নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় সংবিধান কার্যকর হয়।
- ভারতে বর্তমানে ২৮টি অঙ্গরাজ্য ও ৮টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল রয়েছে।

⇒ ভারতের বর্তমানে ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল রয়েছে। সেগুলি হল: আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, চণ্ডীগড়, দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউ, দিল্লি, জম্মু ও কাশ্মীর, লাদাখ, লাক্ষাদ্বীপ, পুদুচেরি। 
- ভারতের সংবিধান অনুসারে , কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি সরাসরি ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্বারা পরিচালিত হবে।

উল্লেখ্য,
- ভারতে পূর্বে ছিল ২৯টি রাজ্য এবং ৭টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল।
- ৩১ অক্টোবর, ২০১৯ তারিখে জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখকে দেশটির পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং ২৬ জানুয়ারি, ২০০০ তারিখে দাদার নগর হাভেলি এবং দমন দিউ পৃথক দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে একত্র করা হয়।
- মূলত এর মাধ্যমে একটি রাজ্যের সংখ্যা কমিয়ে বাড়ানো হয়েছে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল।

উৎস: Britannica.
২৩.
দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. কুতুবউদ্দিন আইবেক
  2. শামস-উদ্দিন ইলতুৎমিশ
  3. গিয়াসউদ্দিন বলবন
  4. ফিরোজ শাহ তুঘলক
সঠিক উত্তর:
শামস-উদ্দিন ইলতুৎমিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামস-উদ্দিন ইলতুৎমিশ
ব্যাখ্যা
শামস-উদ্দিন ইলতুৎমিশ:
- ইলতুৎমিশ দাস হিসেবে জীবন শুরু করেন। নানা প্রভুর হাত ঘুরে শেষ পর্যন্ত তিনি কুতুবউদ্দিনের অধীনে আসেন। কুতুবউদ্দিন তাঁর গুণে মুগ্ধ হন। তাঁকে মুক্তি দিয়ে সুলতান তাঁর সাথে নিজ কন্যার বিয়ে দেন এবং তাঁকে বদায়ুনের শাসনকর্তা নিযুক্ত করেন। কুতুবউদ্দিনের মৃত্যুর পর আরাম শাহ সুলতান হন। আমিরদের অনুরোধে অযোগ্য আরাম শাহকে পরাজিত করে ইলতুৎমিশ সিংহাসনে বসেন। তিনি নব গঠিত দিল্লি সালতানাতকে নানা বিপদ থেকে রক্ষা করেন। তিনি ইয়ালদুজ, কুবাচা ও ইওয়াজের বিরোধিতা নির্মূল করেন। এর ফলে লাহোর, সিন্ধু-মুলতান এবং বাংলার উপর দিল্লির কর্তৃত্ব পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি কৌশলে চেঙ্গিস খানের সম্ভাব্য আক্রমণ থেকেও ভারতকে রক্ষা করেন। বিদ্রোহী হিন্দু রাজাদের দমন করে তিনি দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত করেন।
- তাঁকে দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল অঙ্গরাজ্য কোনটি?
  1. ফ্লোরিডা
  2. টেক্সাস
  3. পেনসিলভানিয়া
  4. ক্যালিফোর্নিয়া
সঠিক উত্তর:
ক্যালিফোর্নিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালিফোর্নিয়া
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- আবিষ্কারক: ১৪৯২ সালে ইতালিয়ান নাবিক কলম্বাস।
- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস: ৪ জুলাই।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০ টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা: ৫৩৮ টি। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্যে ন্যূনতম ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন হয়।
- আইনসভা: কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)। কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ডোনাল্ড ট্রাম্প।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল অঙ্গরাজ্য ক্যালিফোর্নিয়া।
- ২য় অবস্থানে রয়েছে টেক্সাস।
- ৩য় অবস্থানে রয়েছে ফ্লোরিডা।

অন্যদিকে,
- জনসংখ্যা সবচেয়ে কম ওয়াইমিং অঙ্গরাজ্যে।

উৎস: Britannica. [link]
২৫.
কার সময়ে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল?
  1. দ্বিতীয় মহীপাল
  2. হেমন্ত সেন
  3. ধর্মপাল
  4. বল্লাল সেন
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় মহীপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় মহীপাল
ব্যাখ্যা
কৈবর্ত বিদ্রোহ:
- কৈবর্ত বিদ্রোহকে বলা হয়ে থাকে বাংলাদেশ এমনকি ভারতবর্ষের প্রথম সফল জনবিদ্রোহ।
- বরেন্দ্র বিদ্রোহ নামেও অভিহিত করা হয় একে।
- এ সময় পাল বংশের রাজা ছিলেন দ্বিতীয় মহীপাল, যাঁর রাজত্বকাল ধারণা করা হয় ১০৭৫ সাল থেকে ১০৮০ সালের মধ্যে। এই বিদ্রোহের নেতা ছিলেন দিব্যক বা দিব্য। তিনি খুব সম্ভব প্রথম দিকে পালদের একজন রাজকর্মচারী কিংবা সামন্ত ছিলেন। কৈবর্তদের একত্রিত করে একটি শক্তিশালী বাহিনী তৈরি করেন তিনি।
- কৈবর্ত বিদ্রোহের প্রত্যক্ষ কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয় ধর্মীয় কারণকে। 

⇒ পাল রাজবংশ:

- পাল বংশ আট শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রায় চারশত বছর বাংলা ও বিহারে শাসনকারী রাজবংশ।
- পালবংশের রাজারা প্রায় চারশ বছর রাজত্ব করেন।
- পাল রাজারা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ছিলেন। 
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর প্রায় একশ বছর বাংলায় অরাজকতা চলে। এই অরাজক অবস্থাকে বলা হয় 'মাৎস্যন্যায়'। গোপাল নামক একজন শক্তিশালী লোক এই অরাজকতার অবসান ঘটান।
- গোপালের পর তাঁর পুত্র ধর্মপাল সিংহাসনে বসেন।
- দেবপালের পর পাল সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রথম মহীপালের রাজত্বকালে পালবংশের গৌরব পুনরায় ফিরে আসে।
- দ্বিতীয় মহীপাল ও রামপালের রাজত্বকালে বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। রামপাল কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন করে বরেন্দ্র অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেন। তিনি পালবংশের শেষ মুকুটমণি।
- অবশেষে সেনবংশের উত্থানের মধ্য দিয়ে পাল শাসনের অবসান ঘটে।
 
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
কোন শহরকে 'পবিত্র ভূমি' বলা হয়?
  1. রিয়াদ
  2. বাগদাদ
  3. জেরুজালেম
  4. দামাস্কাস
সঠিক উত্তর:
জেরুজালেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরুজালেম
ব্যাখ্যা
জেরুজালেমকে পবিত্র ভূমি বলা হয়।

জেরুজালেম:
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন উভয়ই জেরুজালেমকে তাদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে।
- ফলে জেরুজালেম এখন দুই রাষ্ট্র তথা মধ্যপ্রাচ্য সংকটের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
- জেরুজালেমকে নিয়ে স্বন্দের কেন্দ্রবিন্দু টেম্পল মাউন্ট।
- এখানেই আছে তিন ধর্মের পবিত্র স্থাপনা, যেমন: ওয়েস্টার্ন ওয়াল, চার্চ অব দি হলি সেপালচার, দি ডোম অব দি রক, আল আকসা মসজিদ।

⇒ মুসলিমদের জন্য:
- জেরুজালেম বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স.) এর স্মৃতি বিজড়িত স্থান ছিল। মহানবী (স) মিরাজের রাতে মসজিদুল হারাম থেকে আল আকসা মসজিদে এসেছিলেন এবং এখান থেকে তিনি মিরাজে গমন করেন। এজন্য মুসলমানদের নিকট জেরুজালেম এত পবিত্র। জেরুজালেমে মুসলমানদের পবিত্র আল আকসা মসজিদ অবস্থিত যা মুসলমানদের স্মৃতি বিজড়িত স্থান। মসজিদুল আকসা (আল আকসা মসজিদ) বা বাইতুল মুকাদ্দাস ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ। এই মসজিদুল আকসা বা বায়তুল মুকাদ্দাস মুসলমানদের প্রথম কিবলা ছিল।

⇒ ইহুদিদের জন্য:
- Western wall জেরুজালেমে অবস্থিত। জেরুজালেমের পুরাতন শহরে, ইহুদি জনগণের কাছে এটি প্রার্থনা এবং তীর্থযাত্রার স্থান। ইহুদিদের বেলায় এই আল-আকসা মসজিদের কম্পাউন্ড টেম্পল মাউন্ট নাম পরিচিত। টেম্পল মাউন্টকে ঘিরে থাকা ‘ওয়েস্টার্ন ওয়াল’ ইহুদিদের কাছে ‘পৃথিবীর ভিত্তিপ্রস্তর’ হিসেবে স্বীকৃত ও পবিত্র স্থান। চুনাপাথর দিয়ে বানানো প্রাচীন এই দেয়ালটি 'প্লেস অফ উইপিং' বা 'কান্নার জায়গা' নামেও পরিচিত।

⇒ খ্রিস্টানদের জন্য:
- যীশু খ্রিস্টের জন্মস্থান বেথলেহেম জেরুজালেম শহরে। এই ছোট শহরেই যিশুকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়। যীশুর সমাধিস্থানও এখানেই।

উৎস: Britannica.