পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়16 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১১ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিকসমূহ: ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস: ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ - কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর (OCR) ইত্যাদি। ২. কম্পিউটারের অঙ্গ-সংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, ALU, BIOS, পাওয়ার সিস্টেম ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতি ও কোড, ডিজিটাল লজিক ইত্যাদি। ৫. ডাটাবেজ সিস্টেম ও এর উপাদান, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ৬. কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার অপরাধ ও এর প্রতিকার ইত্যাদি। ৭. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক [ল্যান, ম্যান, ওয়াই-ফাই, ওয়াইম্যাক্স] ও ইন্টারনেটের ধারণা ও বিবর্তন। ৮. ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW), নিত্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং প্রযুক্তি: ই-মেইল, ফ্যাক্স ইত্যাদি ও দৈনন্দিন জীবনে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
ক্রায়োসার্জারিতে সাধারণত কোন পদার্থ ব্যবহৃত হয় না?
  1. তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. তরল নাইট্রোজেন
  3. ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন
  4. তরল ক্লোরিন
ব্যাখ্যা
ক্রায়োসার্জারিতে সাধারণত তরল ক্লোরিন ব্যবহৃত হয় না।

• ক্রায়োসার্জারি-
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।

• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
ডাটাবেজ থেকে দ্রুত তথ্য খুঁজে পেতে কোনটি সহায়তা করে?
  1. ফরম্যাটিং
  2. ইনডেক্সিং
  3. কম্প্রেশন
  4. এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা
কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ইনডেক্স করে রাখতে হয়।

• ইনডেক্সিং:
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়।
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর। সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ই-মেইল অ্যাড্রেসের কোন অংশটি ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয় প্রকাশ করে?
  1. User ID
  2. Domain Name
  3. Mail server
  4. Folder name
ব্যাখ্যা
ই-মেইল অ্যাড্রেসের Domain Name অংশটি ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয় প্রকাশ করে।

• ই-মেইল এ্যাড্রেস:
- ই-মেইল এ্যাড্রেস হলো প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর স্বতন্ত্র (Unique) পরিচয়।
- এটি User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়।
উদাহরণ: anik@bdonline.com.bd
- User ID হলো ই-মেইল ব্যবহারকারীর নিজস্ব নাম যা @ চিহ্নের আগে থাকে।
- User ID-তে ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ব্যবহার করা যায়
- @ চিহ্ন ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেমকে পৃথক করে।
- Domain Name হলো ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয়।
যেমন: bdonline.com.bd
- Domain Name আবার কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়, যা ডট (.) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়।

• ডোমেইন নামের বিভিন্ন রকম পরিচয়:
.com - ব্যবসায়িক (Commercial) প্রতিষ্ঠান,
.org - অ-লাভজনক (Organization),
.gov - সরকারি (Government) প্রতিষ্ঠান
.mil - সামরিক (Military),
.edu - শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Educational),
.net - সাধারণ নেটওয়ার্ক/আইএসপি (Network provider).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি নয়?
  1. হায়ারোগ্লিফিক্স
  2. মেয়ান সংখ্যা পদ্ধতি
  3. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
  4. ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি নয়। 
এটি একটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।

• সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
দ্রুত ফাইল খুঁজতে কোনটি চালু রাখতে হয়?
  1. ক্লিনার সফটওয়্যার
  2. উইন্ডোজ সেটিং
  3. ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার
  4. নতুন RAM বসানো
ব্যাখ্যা
দ্রুত ফাইল খুঁজতে ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার চালু রাখতে হয়।

• কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ:
- উপযুক্ত স্থান নির্বাচন: ধুলাবালি ও স্যাঁতসেঁতে মুক্ত, আলো-বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় কম্পিউটার রাখতে হবে।
অপ্রয়োজনীয় ফাইল ও সফটওয়্যার অপসারণ: Cleaner সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফাইল ও অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার মুছে ফেলতে হবে।
- আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার: সর্বশেষ ভার্সনের অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল ও নিয়মিত স্ক্যান
চালাতে হবে।
- বাড়তি RAM সংযোজন: কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করতে অতিরিক্ত RAM লাগানো উচিত।
- সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার: SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত
কাজ করে।
- স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমানো: msconfig দিয়ে স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমিয়ে গতি বাড়ানো যায়।
- তথ্য ব্যাকআপ রাখা: দরকারি ফাইল সিডি/ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখতে হবে।।
- ডায়াগনস্টিক সফটওয়্যার ব্যবহার: Norton Disk, MakeApp, PC Tools দিয়ে ডিস্ক ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধান করতে হবে।
- ক্লিন উইন্ডোজ ইনস্টল: ভাইরাস ও সফটওয়্যার বেশি থাকলে নতুনভাবে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে।
ব্রাউজারের ক্যাশ পরিষ্কার: Regular ক্লিয়ার হিস্টরি অপশনে গিয়ে ক্যাশ মুছে ফেলতে হবে।
- দ্রুত ফাইল খুঁজতে ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার চালু রাখতে হবে (সপ্তাহে ১ বার)।
- রিস্টার্ট করা: দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পর রিস্টার্ট করলে গতি ঠিক থাকে।
- রাউটারের যত্ন: নিয়মিত পরিচর্যা ও সংযোগ সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনায় রাখতে হবে।

সোর্স: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
DDL এর কাজ হচ্ছে -
  1. ডাটাবেজের গঠন সংজ্ঞায়িত করা
  2. ডাটাবেজ থেকে রিপোর্ট তৈরি করা
  3. ডাটাবেজ থেকে ডাটা প্রিন্ট করা
  4. ডাটাবেজে তথ্য অনুসন্ধান করা
ব্যাখ্যা
DDL এর কাজ হচ্ছে ডাটাবেজের গঠন সংজ্ঞায়িত করা।

• ডাটাবেজ ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL):
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন ডিভাইস ডিসি সাপ্লাইকে এসি সাপ্লাইতে রূপান্তর করে?
  1. ব্যাটারি
  2. ট্রান্সফরমার
  3. ইনভার্টার
  4. রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা
ইনভার্টার ডিসি সাপ্লাইকে এসি সাপ্লাইতে রূপান্তর করে থাকে।

• পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেম
- মেইন পাওয়ার সাপ্লাই লাইনের পাওয়ার চলে গেলে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু রাখার জন্য ব্যাটারি ব্যাংক যা চার্জ হয়ে পাওয়ার ধরে রাখে তাকে পাওয়ার ব্যাকআপ বলা হয়।
- পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতি বা ইনভার্টার হলো এমন একটি ডিভাইস যা ব্যাটারির সাহায্যে ডিসি সাপ্লাইকে ইলেকট্রিক্যাল বা ইলেকট্রনিক্স লোডের উপযোগী এসি পাওয়ার সাপ্লাই এ রূপান্তর করতে পারে।
- কার্য ও স্থানভেদে এ ধরনের পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতিকে IPS (Instant Power Supply), UPS (Uninterrupted Power Supply), EPS (Emergency Power Supply), QPS (Quick Power Supply) বলা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) - নবম-দশম শ্রেণি।
.
ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. সুইচ
  2. গেটওয়ে
  3. প্রিন্টার
  4. NIC
ব্যাখ্যা
ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে গেটওয়ে ব্যবহৃত হয়।
ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক এর ক্ষেত্রে গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।

গেটওয়ে (Gateway)
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- ইহা বিভিন্ন প্রোটোকলগুলোকে জড়ো করে বিভিন্ন এপ্লিকেশনের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- একটি প্রোটোকল এর সাথে অন্য একটি প্রোটোকল যুক্ত করতে হলে গেটওয়ে ব্যবহার করতে হয়।

• গেটওয়ের সুবিধাসমূহ-
১. গেটওয়ে ডেটার সংঘর্ষ বা কলিশন সম্ভাবনা কমায়।
২. গেটওয়ের মাধ্যমে নানারকম নেটওয়ার্ক বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত হতে পারে।

• গেটওয়ের অসুবিধাসমূহ-
১. এটি ধীরগতি সম্পন্ন।
২. এর কনফিগারেশন তুলনামূলক জটিল।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
ইউডোরা প্রো কী ধরনের সফটওয়্যার?
  1. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
  2. ই-মেইল ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার
  3. ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
  4. অ্যান্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা
ইউডোরা প্রো এক ধরনের সফটওয়্যার ইউডোরা প্রো।

• E-mail:
- ই-মেইলের পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- E-mail বা Electronic Mail হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
- এটি ব্যবহার করে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি দ্রুত ও সহজে এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির কাছে পাঠানো যায়।
- নিরাপত্তার জন্য গোপন পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রত্যেকের ই-মেইল অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখা হয়।

• ই-মেইল ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় সফট্ওয়্যার:
- আউটলুক এক্সপ্রেস,
- ইউডোরা প্রো,
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
- ইন্টারনেট মেইল ইত্যাদি।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১০.
নিচের কোনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এর অন্তর্গত নয়?
  1. স্পিচ রিকগনিশন
  2. নিউরাল নেটওয়ার্ক
  3. ফাজি লজিক
  4. ওয়েব ব্রাউজার
ব্যাখ্যা
ওয়েব ব্রাউজার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এর অন্তর্গত নয়।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence)
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) হলো এমন একটি কম্পিউটার বিজ্ঞান শাখা যেখানে কম্পিউটারকে মানুষের মত চিন্তা ও সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম করা হয়।
- AI সিস্টেম বা এজেন্ট তার পরিবেশ বুঝে সর্বোচ্চ সাফল্যের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- AI-এর জনক বৃটিশ বিজ্ঞানী অ্যালান ম্যাথিসন টুরিং।
- ১৯৫০ সালে তিনি টুরিং টেস্ট আবিষ্কার করেন, যা মেশিনের বুদ্ধিমত্তা পরিমাপের একটি পদ্ধতি।
- ১৯৫৫ সালে জন ম্যাককার্থি “Artificial Intelligence” শব্দটি প্রবর্তন করেন।
- AI প্রয়োগের জন্য LISP প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করেন।

• AI-এর গবেষণার মূল বিষয়সমূহ:
- মানুষের মতো চিন্তা করা।
- অসম্পূর্ণ তথ্য থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া।
- সমস্যা সমাধান।
- পরিকল্পনা করা।
- খেলাধুলায় সফলতা অর্জন।

• AI-এর বিশেষ প্রয়োগ:
- রোবটিক্স (রোবট উপলব্ধি),
- প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ,
- এক্সপার্ট সিস্টেম,
- নিউরাল নেটওয়ার্ক,
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি,
- ফাজি লজিক।

• প্রোগ্রামিং ভাষা:
LISP, CLISP, PROLOG, C/C++, Java ইত্যাদি।

• AI-এর প্রধান শাখাসমূহ:
- সূত্রের প্রতিপাদন ও সমস্যা সমাধান,
- জ্ঞানের উপস্থাপন,
- পরিকল্পনা,
- যন্ত্রের শিক্ষা, 
- স্পিচ ও প্যাটার্ন সনাক্তকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১.
কীবোর্ডে মোট কয়টি ফাংশন কী থাকে?
  1. ১২০
  2. ১২
  3. ১৫
  4. ১০৫
ব্যাখ্যা
কী-বোর্ডে মোট ১২ টি ফাংশন কী থাকে।

- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
স্প্যামিং কী?
  1. অনাকাঙ্ক্ষিত মেইল বা বার্তা পাঠানো।
  2. পরোক্ষভাবে সিস্টেমে প্রবেশ করে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া।
  3. বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।
  4. অন্যের লেখা নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া
ব্যাখ্যা
স্প্যামিং হচ্ছে অনাকাঙ্ক্ষিত মেইল বা বার্তা পাঠানো।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৩.
রেজিস্টারে নতুন তথ্য রাখাকে কী বলে?
  1. সেভিং
  2. লোডিং
  3. প্রসেসিং
  4. আপডেটিং
ব্যাখ্যা
রেজিস্টারে নতুন তথ্য রাখাকে লোডিং বলে।

রেজিস্টার
- রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ যার প্রত্যেকটি এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- কাজেই রেজিস্টার হল একগুচ্ছ মেমরি উপাদান যা একত্রে একটি ইউনিট হিসাবে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ ছাড়াও রেজিস্টারে কম্বিনেশনাল (Combinational) গেইট থাকতে পারে যা কোন ডেটা প্রসেসিংয়ের কাজ করতে পারে।
- ব্যাপক অর্থে রেজিস্টার হল একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ এবং গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট।
- রেজিস্টারের ফ্লিপ-ফ্লপ বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করে এবং গেইটগুলো এই তথ্যকে কন্ট্রোল করে অর্থাৎ কখন এবং কিভাবে নতুন তথ্য রেজিস্টারে স্থানান্তর ঘটবে তা নিয়ন্ত্রণ করে। 
- রেজিস্টারে নতুন তথ্য রাখাকে লোডিং (Loading) বলে।

উৎস:
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৪.
(469)10 = (?)8
  1. 825
  2. 425
  3. 925
  4. 725
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ঘ) (469)10 = (725)8

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১। দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যার বেজ ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২। ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩। এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাগফল ০ হয়।
৪। সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে শুরু বা সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSD-Most Significant Digit) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণের অংক (LSD-Least Significant Digit) পর্যন্ত অক্টাল মান পাওয়া যাবে।



সুতরাং, (469)10 = (725)8

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
ডিএনএ ম্যাপিং, ড্রাগ ডিজাইন ইত্যাদি কোন ক্ষেত্রের অন্তর্ভুক্ত?
  1. জেনেটিক অ্যালগরিদম
  2. বায়োইনফরমেটিক্স
  3. ক্রায়োসার্জারি
  4. ন্যানোটেকনোলজি
ব্যাখ্যা
ডিএনএ ম্যাপিং, ড্রাগ ডিজাইন ইত্যাদি বায়োইনফরমেটিক্স এর অন্তর্ভুক্ত।

• বায়োইনফরমেটিক্স:
বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষদের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা।

• বায়োইনফরমেটিক্স এর প্রয়োগ/ব্যবহার
- প্যার্টান রিকোগনিশন,
- ডেটা মাইনিং,
- মেশিন ল্যাংগুয়েজ অ্যালগরিদম,
- ভিজ্যুয়ালাইজেশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হচ্ছে।

• বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্য গবেষণাগুলির মধ্যে রয়েছে
- সিকুয়েন্স এলাইনমেন্ট,
- ডিএনএ ম্যাপিং,
- ডিএনএ এনালাইসিস,
- জিন ফাইন্ডিং,
- জিনোম সমাগম,
- ড্রাগ নকশা,
- ড্রাগ আবিষ্কার,
- প্রোটিনের গঠন,
- প্রোটিনের ভবিষ্যত গঠন,
- জিন সূত্রের ভবিষ্যত,
- প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া,
- জিনোম এর ব্যাপ্তি এবং বিবর্তনের মডেলিং ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৬.
RDBMS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Real Data Binary Management System
  2. Relational Database Management System
  3. Reliable Data Management System
  4. Random Database Management System
ব্যাখ্যা
RDBMS-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Relational Database Management System.

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
অপটিক্যাল মাউস কীভাবে কাজ করে?
  1. বলের সাহায্যে
  2. রশ্মির সাহায্যে
  3. স্ক্যানার দিয়ে
  4. ভাইব্রেশনের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল মাউস রশ্মির সাহায্যে কাজ করে।

• মাউস (Mouse):
- Mouse হচ্ছে কীবোর্ডের পাশাপাশি আরেকটি বহুল ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস।
- মাউস দিয়ে কীবোর্ডের চেয়ে অনেক দ্রুত কাজ করা যায়।

• মাউস দুই ধরনের হয়।
- যেমনঃ Mechanical ও Optical.
- মেকানিক্যাল (Mechanical): মাউসের নিচের দিকে একটি বল থাকে এজন্য মাউস মুভ করলে ডেস্কটপে কার্সরও উপর/নিচ/ডান/বাম মুভ করে। এ ধরণের মাউসের ব্যবহার এখন আর নেই।
- অপটিক্যাল (Optical): মাউসের নিচের দিকে বলের পরিবর্তে একটি Ray ব্যবহৃত হয় যারা মুভ হয়। এই মাউস ক্যাবলসহ হতে পারে আবার Wireless ও হতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১৮.
বাফার গেইট কিসের বিপরীত আচরণ করে?
  1. নট গেইট
  2. অ্যান্ড গেইট
  3. অর গেইট
  4. এক্স-অর গেইট
ব্যাখ্যা
বাফার গেইট নট গেইট এর বিপরীত আচরণ করে।

• বাফার গেইট
- বাফার গেইট এক ধরনের লজিক গেইট যা নট গেইটের বিপরীত আচরণ করে।
- এতে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট রয়েছে।
- এই গেইটে ইনপুট দিলে আউটপুট ০ এবং ইনপুট ১ দিলে আউটপুটও ১ হবে।

উল্লেখ্য,
 - নট গেইটে ইনপুট ১ দিলে আউটপুট ০ এবং ইনপুট দিলে আউটপুট ১ হয়।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৯.
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর মাধ্যমে কী করা যায়?
  1. ডাটাবেজ ডিজাইন ও কাঠামো তৈরি করা
  2. ডাটাবেজ ফরম্যাট ও প্রেজেন্টেশন নির্ধারণ করা
  3. ডাটা ক্রিয়েট, ড্রপ, রিনেইম করা
  4. ডাটা ইনসার্ট, আপডেট, ডিলিট করা
ব্যাখ্যা
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর মাধ্যমে ডাটা ইনসার্ট, আপডেট, ডিলিট করা যায়।

• ডাটাবেজ ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• প্রধান দুই ধরনের ডাটাবেজ ভাষা হচ্ছে:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL),
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML).

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
কোন ধরনের হ্যাকার সাধারণত ক্ষতিসাধন করে না বরং দক্ষভাবে কাজ করে?
  1. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
  2. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার সাধারণত ক্ষতিসাধন করে না বরং দক্ষভাবে কাজ করে।

• হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।
খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২১.
কম্পিউটার দ্রুত চালু ও কাজের গতি বাড়াতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. HDD
  2. Floppy disk
  3. Solid State Drive
  4. Zip Drive
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার দ্রুত চালু ও কাজের গতি বাড়াতে Solid State Drive বা SSD ব্যবহৃত হয়।

সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার: SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত কাজ করে।

• Solid-State Device (SSD)
- SSD হলো এক ধরনের সলিড-স্টেট ডিভাইস, যা হার্ড ডিস্কের মতো যান্ত্রিক অংশ ব্যবহার না করে তথ্য ইলেকট্রনিকভাবে সংরক্ষণ করে।
- Solid-state device এমন একটি যন্ত্র, যেখানে শক্ত সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে বিদ্যুৎ পরিবাহিত হয়, ট্রানজিস্টর হলো এর প্রধান উপাদান, এবং এটি আধুনিক ইলেকট্রনিক্সের মূল ভিত্তি।
- SSD-তে ব্যবহৃত ফ্ল্যাশ মেমোরি চিপ তথ্য দ্রুত পড়তে ও লিখতে পারে, তাই এটি কম্পিউটারকে দ্রুত অন ও অফ করতে সাহায্য করে।
- ২১শ শতকের শুরু থেকেই পারফরম্যান্স বাড়াতে অনেক ল্যাপটপ ও কম্পিউটারে SSD ব্যবহার শুরু হয়।

• অন্যান্য অপশন:
ক) HDD (Hard Disk Drive) - এটি একটি চৌম্বকীয় স্টোরেজ ডিভাইস।
খ) Floppy Disk - পুরনো ও অপ্রচলিত স্টোরেজ মাধ্যম।
ঘ) Zip Drive - এটি একটি পুরনো টাইপের রিমুভেবল স্টোরেজ ডিভাইস।

সোর্স: ১। শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা
২২.
গোপনে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা কোন সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত?
  1. স্পুফিং
  2. স্নিকিং
  3. লজিক বম্ব
  4. ট্রোজান অ্যাটাক
ব্যাখ্যা
স্নিকিং হচ্ছে গোপনে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৩.
নিচের কোনটি হার্ডডিস্ক ড্রাইভ নয়?
  1. SCSI
  2. PATA
  3. SATA
  4. QATA
ব্যাখ্যা
QATA হার্ডডিস্ক ড্রাইভ নয়।

• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথাসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডিস্কটি অধিক ধারণক্ষম বিধায় এখানে অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে।
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।

• বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ রয়েছে:
কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২৪.
(127)8 সংখ্যার হেক্সাডেসিমেল রূপ কী?
  1. 57
  2. 43
  3. 34
  4. 28
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ক) (127)8 = (57)16

• অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমেল:
- অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে অক্টাল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতুল্য 3 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যার সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান বসালে অক্টাল সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল মান পাওয়া যাবে।



সুতরাং, (127)8 = (57)16

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
ডেটাকে এনক্রিপ্ট করার উদ্দেশ্য কী?
  1. ডেটার আকার ছোট করা
  2. ডেটা দ্রুত পাঠানো ও নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা
  3. ডেটার গোপনীয়তা ও সুরক্ষা বজায় রাখা
  4. ডেটা ব্যাকআপ করে রাখা
ব্যাখ্যা
ডেটাকে এনক্রিপ্ট করার উদ্দেশ্য হচ্ছে ডেটার গোপনীয়তা ও সুরক্ষা বজায় রাখা।

এনক্রিপশন (Encryption):
- এনক্রিপশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে কোড করা হয়, যাতে অনুমোদিত ব্যতীত অন্য কেউ তা পড়তে বা বুঝতে না পারে।
- কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে গোপনীয় ডেটা স্থানান্তরের সময় ডেটাকে বিশেষ কোডে এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ করা হয়, যাতে ডেটার গোপনীয়তা বজায় থাকে।
- প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করলে প্রাপক ডিক্রিপ্ট করে (ডেটাকে আসল রূপে ফেরত নিয়ে) ব্যবহার করে।
- এনক্রিপশন এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম ও অ্যালগোরিদম ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, সিজার কোডে প্রতিটি অক্ষরকে তার পরবর্তী ৩ সংখ্যক অক্ষরে প্রতিস্থাপন করা হয়।
- যেমন: JULIA ROBERT → MWPLD TOETHV

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৬.
WiMAX সাধারণত কোন মোড ব্যবহার করে ডেটা ট্রান্সমিশন করে?
  1. Simplex
  2. Half Duplex
  3. Full Duplex
  4. Multiplex
ব্যাখ্যা
WiMAX সাধারণত Full Duplex মোড ব্যবহার করে ডেটা ট্রান্সমিশন করে।

• WiMAX
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াইম্যাক্স হলো একটি আধুনিক তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL ও তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেয়।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16.
- এর ডেটা স্থানান্তরের গতি 80 – 1000 Mbps.
- এর ব্যান্ডউইথ 30 – 75 Mbps.
- এর কভারেজ এরিয়া 10 – 50 কিলোমিটার।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৭.
হেক্সাডেসিমালে 'C' এর সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা কী?
  1. 1111
  2. 1100
  3. 1110
  4. 1010
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতিতে 'C' হলো একটি সংখ্যা, যার দশমিক মান হচ্ছে 12.
এখন 12 কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায়: 1100

- শূন্য সহ ১ থেকে F পর্যন্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে ৪ (চার) বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অংককে ৪ (চার) বিটের বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলেই বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।

• বাকি অপশনগুলো-
- হেক্সাডেসিমেলে F এর সমুতল্য বাইনারি মান 1111(ক)।
- হেক্সাডেসিমেলে E এর সমুতল্য বাইনারি মান 1110 (গ)।
- হেক্সাডেসিমেলে A এর সমুতল্য বাইনারি মান 1010 (ঘ)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৮.
ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য কোন প্রটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. FTP
  2. IMAP
  3. HTTP
  4. TCP
ব্যাখ্যা
ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য HTTP প্রটোকল ব্যবহৃত হয়।

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web: WWW)
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- টিম বার্নাস লী (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব পেজ নিয়ে গঠিত একটি বিস্তৃত তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol.
- http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিএড।
২। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
ডাটাবেজের ক্ষুদ্রতম তথ্যের একক কী?
  1. DBMS
  2. Information
  3. Record
  4. Field
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ঘ) Field

• ডাটাবেজ (Database):
'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

১. ডাটা (Data)
- তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক।
- ডাটা হলো তথ্যের উপাদান বা কাঁচা উপাত্ত।
- সাধারণত নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি এক একটি ডাটা।
- উদাহরণ: "Jabbar" → Name ফিল্ডে, "Dhaka" → Address ফিল্ডে।

২. তথ্য (Information)
- প্রক্রিয়াকরণকৃত ডাটাই হলো তথ্য।
- কম্পিউটার ডাটাকে প্রসেস করে ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপ দেয়।
- উদাহরণ: কর্মচারীদের নাম ও বেতন মিলিয়ে বেতনশীট তৈরি = তথ্য।

৩. রেকর্ড (Record)
- অনেকগুলো ফিল্ড মিলে একটি রেকর্ড তৈরি করে।
- সাধারণভাবে টেবিলের একটি সারি (Row) = একটি রেকর্ড।
- উদাহরণ: কোনো গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর সব মিলে একটি রেকর্ড।

৪. ফিল্ড (Field)
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- প্রতিটি ফিল্ড একটি তথ্যের ধরন বোঝায় (যেমন: নাম, ঠিকানা)।
- টেবিলের কলামের নামই সাধারণত ফিল্ড হিসেবে থাকে।

৫. রো (Row)
- টেবিলের একটি সারি যা একটি রেকর্ড ধারণ করে।
- প্রতিটি রো ভিন্ন ব্যক্তির বা বস্তুর তথ্য বহন করে।

৬. কলাম (Column)
- প্রতিটি কলাম হলো একই ধরণের ডাটার সংরক্ষণ ক্ষেত্র।
- উদাহরণ: Name, Age, Address → প্রতিটি কলাম একটি আলাদা ফিল্ড।

৭. ডাটা টেবিল (Data Table)
- এক ধরনের ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত টেবিল।
- যেমন, অফিসের প্রশাসন, হিসাব ও বিক্রয় বিভাগের আলাদা টেবিল।

৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)
- এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, এবং ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে।
- উদাহরণ: Microsoft Access, MySQL, Oracle DB.

৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)
- একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করে কাজ করা যায়।
- উদাহরণ: SQL Server, MySQL, informix.

১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model)
- একটি ব্যবস্থা যেখানে ডাটাবেজ একাধিক স্থানে বিভক্ত থাকে এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সংযোগযুক্ত থাকে।
- একাধিক ব্যবহারকারী বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
৩০.
Alt + F4 কী কাজ করে?
  1. Help মেনু খুলে
  2. মেনু বার চালু হয়
  3. বর্তমান উইন্ডো বন্ধ করে
  4. ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে
ব্যাখ্যা
Alt + F4 দ্বারা বর্তমান উইন্ডো বন্ধ করে।

• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
Bitcoin লেনদেনের জন্য কোন ধরনের ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যবহৃত হয়?
  1. সিমেট্রিক কী
  2. পাবলিক-কী
  3. ব্লক এনক্রিপশন
  4. হ্যাশ ফাংশন
ব্যাখ্যা
Bitcoin লেনদেনের জন্য পাবলিক-কী ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যবহৃত হয়।

বিটকয়েন (Bitcoin)
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- এটি একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা ২০০৯ সালে একজন নামহীন কম্পিউটার প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল তৈরি করেন।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

- বিটকয়েন পাবলিক-কী ক্রিপ্টোগ্রাফি-র ওপর নির্ভরশীল, যেখানে ব্যবহারকারীদের একটি পাবলিক কী থাকে যা সবাই দেখতে পারে এবং একটি প্রাইভেট কী থাকে যা কেবল তাদের নিজস্ব কম্পিউটারে থাকে।
- বিটকয়েন লেনদেনে, বিটকয়েন গ্রহণকারীরা তাদের পাবলিক কী প্রেরণ করে প্রেরণকারীদের কাছে।
- প্রেরণকারীরা তাদের প্রাইভেট কী দিয়ে লেনদেনে সাইন করে এবং তারপর লেনদেনটি বিটকয়েন নেটওয়ার্কে প্রেরণ করা হয়।
- যাতে একই বিটকয়েন একাধিকবার খরচ না করা যায়, প্রতিটি লেনদেনের সময় ও পরিমাণ একটি লেজার ফাইলে সংরক্ষিত থাকে যা নেটওয়ার্কের প্রতিটি নোডে থাকে।
- ব্যবহারকারীদের পরিচয় আপেক্ষিকভাবে গোপন থাকে, তবে সবাই দেখতে পারে যে কোন বিটকয়েন কোথায় স্থানান্তরিত হয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩২.
BIOS সাধারণত কোথায় সংরক্ষিত থাকে?
  1. RAM
  2. EPROM
  3. Hard Disk
  4. SSD
ব্যাখ্যা
BIOS সাধারণত EPROM এ সংরক্ষিত থাকে।

BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা সাধারণত EPROM (Erasable Programmable Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- এই চিপ টির নাম BIOS, এটি মাদারবোর্ড এ থাকে।
- হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।
- BIOS-এর কারণে অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে ডিভাইসগুলোর হার্ডওয়্যার ডিটেইল জানার প্রয়োজন হয় না (যেমন হার্ডওয়্যার অ্যাড্রেস)।
- ২১শ শতকের শুরুতে BIOS-এর জায়গায় আধুনিক ও দ্রুতগতির UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহার শুরু হয়, যা বড় সাইজের ড্রাইভ সাপোর্ট করে এবং বুটিং দ্রুত করে।

• BIOS-এর দুটি প্রধান কাজ:
- কোন কোন পারিফেরাল ডিভাইস (যেমন: কীবোর্ড, মাউস, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রিন্টার, ভিডিও কার্ড ইত্যাদি) সংযুক্ত আছে তা নির্ধারণ করা।
- অপারেটিং সিস্টেম (OS) কে মেইন মেমোরি (RAM)-তে লোড করা।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
৩৩.
ফ্লিপ-ফ্লপ কত বিট ডেটা ধারণ করতে সক্ষম?
  1. 1 বিট
  2. 8 বিট
  3. 16 বিট
  4. 32 বিট
ব্যাখ্যা
ফ্লিপ-ফ্লপ 1 বিট ডেটা ধারণ করতে সক্ষম।

• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট ০ অথবা । হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।