পরীক্ষা - ১১
কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি
টপিকসমূহ:
১. কম্পিউটার পেরিফেরালস: ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ - কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর (OCR) ইত্যাদি।
২. কম্পিউটারের অঙ্গ-সংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, ALU, BIOS, পাওয়ার সিস্টেম ইত্যাদি।
৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি।
৪. কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতি ও কোড, ডিজিটাল লজিক ইত্যাদি।
৫. ডাটাবেজ সিস্টেম ও এর উপাদান, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
৬. কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার অপরাধ ও এর প্রতিকার ইত্যাদি।
৭. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক [ল্যান, ম্যান, ওয়াই-ফাই, ওয়াইম্যাক্স] ও ইন্টারনেটের ধারণা ও বিবর্তন।
৮. ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW), নিত্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং প্রযুক্তি: ই-মেইল, ফ্যাক্স ইত্যাদি ও দৈনন্দিন জীবনে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার।
উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই।
[গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ক্রায়োসার্জারিতে সাধারণত কোন পদার্থ ব্যবহৃত হয় না?
ক
তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড
খ
তরল নাইট্রোজেন
গ
ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন
ঘ
তরল ক্লোরিন
ব্যাখ্যা
ক্রায়োসার্জারিতে সাধারণত তরল ক্লোরিন ব্যবহৃত হয় না।
• ক্রায়োসার্জারি- ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো: - তরল নাইট্রোজেন, - তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড, - নাইট্রাস অক্সাইড, - আর্গন, - ইথাইল ক্লোরাইড, - ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২.
ডাটাবেজ থেকে দ্রুত তথ্য খুঁজে পেতে কোনটি সহায়তা করে?
ক
ফরম্যাটিং
খ
ইনডেক্সিং
গ
কম্প্রেশন
ঘ
এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা
কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
• ইনডেক্সিং: - ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং। - কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো। - ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়। - সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। - সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। - পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়। - তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর। সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়।
সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩.
ই-মেইল অ্যাড্রেসের কোন অংশটি ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয় প্রকাশ করে?
ক
User ID
খ
Domain Name
গ
Mail server
ঘ
Folder name
ব্যাখ্যা
ই-মেইল অ্যাড্রেসের Domain Name অংশটি ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয় প্রকাশ করে।
• ই-মেইল এ্যাড্রেস: - ই-মেইল এ্যাড্রেস হলো প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর স্বতন্ত্র (Unique) পরিচয়। - এটি User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়। উদাহরণ: anik@bdonline.com.bd - User ID হলো ই-মেইল ব্যবহারকারীর নিজস্ব নাম যা @ চিহ্নের আগে থাকে। - User ID-তে ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ব্যবহার করা যায় - @ চিহ্ন ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেমকে পৃথক করে। - Domain Name হলো ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয়। যেমন: bdonline.com.bd - Domain Name আবার কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়, যা ডট (.) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়।
• ডোমেইন নামের বিভিন্ন রকম পরিচয়: .com - ব্যবসায়িক (Commercial) প্রতিষ্ঠান, .org - অ-লাভজনক (Organization), .gov - সরকারি (Government) প্রতিষ্ঠান .mil - সামরিক (Military), .edu - শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Educational), .net - সাধারণ নেটওয়ার্ক/আইএসপি (Network provider).
উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪.
কোনটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি নয়?
ক
হায়ারোগ্লিফিক্স
খ
মেয়ান সংখ্যা পদ্ধতি
গ
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
ঘ
ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি নয়। এটি একটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।
• সংখ্যা পদ্ধতি: - প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।
• সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি: - নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। - নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হসেবে ব্যবহার করা হতো। - তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল। - প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।
২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি: - কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়। - ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫.
দ্রুত ফাইল খুঁজতে কোনটি চালু রাখতে হয়?
ক
ক্লিনার সফটওয়্যার
খ
উইন্ডোজ সেটিং
গ
ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার
ঘ
নতুন RAM বসানো
ব্যাখ্যা
দ্রুত ফাইল খুঁজতে ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার চালু রাখতে হয়।
• কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ: - উপযুক্ত স্থান নির্বাচন: ধুলাবালি ও স্যাঁতসেঁতে মুক্ত, আলো-বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় কম্পিউটার রাখতে হবে। অপ্রয়োজনীয় ফাইল ও সফটওয়্যার অপসারণ: Cleaner সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফাইল ও অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার মুছে ফেলতে হবে। - আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার: সর্বশেষ ভার্সনের অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল ও নিয়মিত স্ক্যান চালাতে হবে। - বাড়তি RAM সংযোজন: কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করতে অতিরিক্ত RAM লাগানো উচিত। - সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার: SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত কাজ করে। - স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমানো: msconfig দিয়ে স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমিয়ে গতি বাড়ানো যায়। - তথ্য ব্যাকআপ রাখা: দরকারি ফাইল সিডি/ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখতে হবে।। - ডায়াগনস্টিক সফটওয়্যার ব্যবহার: Norton Disk, MakeApp, PC Tools দিয়ে ডিস্ক ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধান করতে হবে। - ক্লিন উইন্ডোজ ইনস্টল: ভাইরাস ও সফটওয়্যার বেশি থাকলে নতুনভাবে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে। ব্রাউজারের ক্যাশ পরিষ্কার: Regular ক্লিয়ার হিস্টরি অপশনে গিয়ে ক্যাশ মুছে ফেলতে হবে। - দ্রুত ফাইল খুঁজতে ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার চালু রাখতে হবে (সপ্তাহে ১ বার)। - রিস্টার্ট করা: দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পর রিস্টার্ট করলে গতি ঠিক থাকে। - রাউটারের যত্ন: নিয়মিত পরিচর্যা ও সংযোগ সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনায় রাখতে হবে।
সোর্স: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬.
DDL এর কাজ হচ্ছে -
ক
ডাটাবেজের গঠন সংজ্ঞায়িত করা
খ
ডাটাবেজ থেকে রিপোর্ট তৈরি করা
গ
ডাটাবেজ থেকে ডাটা প্রিন্ট করা
ঘ
ডাটাবেজে তথ্য অনুসন্ধান করা
ব্যাখ্যা
DDL এর কাজ হচ্ছে ডাটাবেজের গঠন সংজ্ঞায়িত করা।
• ডাটাবেজ ভাষা: যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL): - একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে। - এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল- - Create statement, - Drop statement, - Alter statement, - Rename statement.
উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭.
কোন ডিভাইস ডিসি সাপ্লাইকে এসি সাপ্লাইতে রূপান্তর করে?
ক
ব্যাটারি
খ
ট্রান্সফরমার
গ
ইনভার্টার
ঘ
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা
ইনভার্টার ডিসি সাপ্লাইকে এসি সাপ্লাইতে রূপান্তর করে থাকে।
• পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেম - মেইন পাওয়ার সাপ্লাই লাইনের পাওয়ার চলে গেলে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু রাখার জন্য ব্যাটারি ব্যাংক যা চার্জ হয়ে পাওয়ার ধরে রাখে তাকে পাওয়ার ব্যাকআপ বলা হয়। - পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতি বা ইনভার্টার হলো এমন একটি ডিভাইস যা ব্যাটারির সাহায্যে ডিসি সাপ্লাইকে ইলেকট্রিক্যাল বা ইলেকট্রনিক্স লোডের উপযোগী এসি পাওয়ার সাপ্লাই এ রূপান্তর করতে পারে। - কার্য ও স্থানভেদে এ ধরনের পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতিকে IPS (Instant Power Supply), UPS (Uninterrupted Power Supply), EPS (Emergency Power Supply), QPS (Quick Power Supply) বলা হয়।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) - নবম-দশম শ্রেণি।
৮.
ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
ক
সুইচ
খ
গেটওয়ে
গ
প্রিন্টার
ঘ
NIC
ব্যাখ্যা
ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে গেটওয়ে ব্যবহৃত হয়। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক এর ক্ষেত্রে গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
• গেটওয়ে (Gateway) - গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে। - ইহা বিভিন্ন প্রোটোকলগুলোকে জড়ো করে বিভিন্ন এপ্লিকেশনের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে। - একটি প্রোটোকল এর সাথে অন্য একটি প্রোটোকল যুক্ত করতে হলে গেটওয়ে ব্যবহার করতে হয়।
• গেটওয়ের সুবিধাসমূহ- ১. গেটওয়ে ডেটার সংঘর্ষ বা কলিশন সম্ভাবনা কমায়। ২. গেটওয়ের মাধ্যমে নানারকম নেটওয়ার্ক বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত হতে পারে।
• গেটওয়ের অসুবিধাসমূহ- ১. এটি ধীরগতি সম্পন্ন। ২. এর কনফিগারেশন তুলনামূলক জটিল।
উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯.
ইউডোরা প্রো কী ধরনের সফটওয়্যার?
ক
ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
খ
ই-মেইল ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার
গ
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
ঘ
অ্যান্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা
ইউডোরা প্রো এক ধরনের সফটওয়্যার ইউডোরা প্রো।
• E-mail: - ই-মেইলের পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail. - E-mail বা Electronic Mail হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম। - এটি ব্যবহার করে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি দ্রুত ও সহজে এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির কাছে পাঠানো যায়। - নিরাপত্তার জন্য গোপন পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রত্যেকের ই-মেইল অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখা হয়।
• ই-মেইল ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় সফট্ওয়্যার: - আউটলুক এক্সপ্রেস, - ইউডোরা প্রো, - নেটস্কেপ কমিউনিকেটর, - ইন্টারনেট মেইল ইত্যাদি।
উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১০.
নিচের কোনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এর অন্তর্গত নয়?
ক
স্পিচ রিকগনিশন
খ
নিউরাল নেটওয়ার্ক
গ
ফাজি লজিক
ঘ
ওয়েব ব্রাউজার
ব্যাখ্যা
ওয়েব ব্রাউজার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এর অন্তর্গত নয়।
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) হলো এমন একটি কম্পিউটার বিজ্ঞান শাখা যেখানে কম্পিউটারকে মানুষের মত চিন্তা ও সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম করা হয়। - AI সিস্টেম বা এজেন্ট তার পরিবেশ বুঝে সর্বোচ্চ সাফল্যের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করে। - AI-এর জনক বৃটিশ বিজ্ঞানী অ্যালান ম্যাথিসন টুরিং। - ১৯৫০ সালে তিনি টুরিং টেস্ট আবিষ্কার করেন, যা মেশিনের বুদ্ধিমত্তা পরিমাপের একটি পদ্ধতি। - ১৯৫৫ সালে জন ম্যাককার্থি “Artificial Intelligence” শব্দটি প্রবর্তন করেন। - AI প্রয়োগের জন্য LISP প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করেন।
• AI-এর গবেষণার মূল বিষয়সমূহ: - মানুষের মতো চিন্তা করা। - অসম্পূর্ণ তথ্য থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া। - সমস্যা সমাধান। - পরিকল্পনা করা। - খেলাধুলায় সফলতা অর্জন।
• AI-এর বিশেষ প্রয়োগ: - রোবটিক্স (রোবট উপলব্ধি), - প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ, - এক্সপার্ট সিস্টেম, - নিউরাল নেটওয়ার্ক, - ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, - ফাজি লজিক।
• প্রোগ্রামিং ভাষা: LISP, CLISP, PROLOG, C/C++, Java ইত্যাদি।
• AI-এর প্রধান শাখাসমূহ: - সূত্রের প্রতিপাদন ও সমস্যা সমাধান, - জ্ঞানের উপস্থাপন, - পরিকল্পনা, - যন্ত্রের শিক্ষা, - স্পিচ ও প্যাটার্ন সনাক্তকরণ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১.
কীবোর্ডে মোট কয়টি ফাংশন কী থাকে?
ক
১২০
খ
১২
গ
১৫
ঘ
১০৫
ব্যাখ্যা
কী-বোর্ডে মোট ১২ টি ফাংশন কী থাকে।
- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে। - কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।
• ফাংশন কী: - ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। - সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
স্প্যামিং কী?
ক
অনাকাঙ্ক্ষিত মেইল বা বার্তা পাঠানো।
খ
পরোক্ষভাবে সিস্টেমে প্রবেশ করে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া।
গ
বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।
ঘ
অন্যের লেখা নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া
ব্যাখ্যা
স্প্যামিং হচ্ছে অনাকাঙ্ক্ষিত মেইল বা বার্তা পাঠানো।
• সাইবার অপরাধ: বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো: - কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা। - ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা। - প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা। - স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা। - স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা। - ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)। - Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।) - Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।) - Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)। - ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ। - স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়। - লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)। - ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা। - ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি। - ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।
উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল। ২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৩.
রেজিস্টারে নতুন তথ্য রাখাকে কী বলে?
ক
সেভিং
খ
লোডিং
গ
প্রসেসিং
ঘ
আপডেটিং
ব্যাখ্যা
রেজিস্টারে নতুন তথ্য রাখাকে লোডিং বলে।
রেজিস্টার - রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ যার প্রত্যেকটি এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। - একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। - কাজেই রেজিস্টার হল একগুচ্ছ মেমরি উপাদান যা একত্রে একটি ইউনিট হিসাবে কাজ করে। - ফ্লিপ-ফ্লপ ছাড়াও রেজিস্টারে কম্বিনেশনাল (Combinational) গেইট থাকতে পারে যা কোন ডেটা প্রসেসিংয়ের কাজ করতে পারে। - ব্যাপক অর্থে রেজিস্টার হল একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ এবং গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট। - রেজিস্টারের ফ্লিপ-ফ্লপ বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করে এবং গেইটগুলো এই তথ্যকে কন্ট্রোল করে অর্থাৎ কখন এবং কিভাবে নতুন তথ্য রেজিস্টারে স্থানান্তর ঘটবে তা নিয়ন্ত্রণ করে। - রেজিস্টারে নতুন তথ্য রাখাকে লোডিং (Loading) বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৪.
(469)10 = (?)8
ক
825
খ
425
গ
925
ঘ
725
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ঘ) (469)10 = (725)8
• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর: ১। দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যার বেজ ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। ২। ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। ৩। এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাগফল ০ হয়। ৪। সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে শুরু বা সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSD-Most Significant Digit) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণের অংক (LSD-Least Significant Digit) পর্যন্ত অক্টাল মান পাওয়া যাবে।
সুতরাং, (469)10 = (725)8
উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
ডিএনএ ম্যাপিং, ড্রাগ ডিজাইন ইত্যাদি কোন ক্ষেত্রের অন্তর্ভুক্ত?
ক
জেনেটিক অ্যালগরিদম
খ
বায়োইনফরমেটিক্স
গ
ক্রায়োসার্জারি
ঘ
ন্যানোটেকনোলজি
ব্যাখ্যা
ডিএনএ ম্যাপিং, ড্রাগ ডিজাইন ইত্যাদি বায়োইনফরমেটিক্স এর অন্তর্ভুক্ত।
• বায়োইনফরমেটিক্স: বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষদের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা।
• বায়োইনফরমেটিক্স এর প্রয়োগ/ব্যবহার - প্যার্টান রিকোগনিশন, - ডেটা মাইনিং, - মেশিন ল্যাংগুয়েজ অ্যালগরিদম, - ভিজ্যুয়ালাইজেশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হচ্ছে।
• বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণাগুলির মধ্যে রয়েছে - সিকুয়েন্স এলাইনমেন্ট, - ডিএনএ ম্যাপিং, - ডিএনএ এনালাইসিস, - জিন ফাইন্ডিং, - জিনোম সমাগম, - ড্রাগ নকশা, - ড্রাগ আবিষ্কার, - প্রোটিনের গঠন, - প্রোটিনের ভবিষ্যত গঠন, - জিন সূত্রের ভবিষ্যত, - প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া, - জিনোম এর ব্যাপ্তি এবং বিবর্তনের মডেলিং ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৬.
RDBMS-এর পূর্ণরূপ কী?
ক
Real Data Binary Management System
খ
Relational Database Management System
গ
Reliable Data Management System
ঘ
Random Database Management System
ব্যাখ্যা
RDBMS-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Relational Database Management System.
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS): - একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়। - RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে। - এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়। - আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
অপটিক্যাল মাউস কীভাবে কাজ করে?
ক
বলের সাহায্যে
খ
রশ্মির সাহায্যে
গ
স্ক্যানার দিয়ে
ঘ
ভাইব্রেশনের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল মাউস রশ্মির সাহায্যে কাজ করে।
• মাউস (Mouse): - Mouse হচ্ছে কীবোর্ডের পাশাপাশি আরেকটি বহুল ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস। - মাউস দিয়ে কীবোর্ডের চেয়ে অনেক দ্রুত কাজ করা যায়।
• মাউস দুই ধরনের হয়। - যেমনঃ Mechanical ও Optical. - মেকানিক্যাল (Mechanical): মাউসের নিচের দিকে একটি বল থাকে এজন্য মাউস মুভ করলে ডেস্কটপে কার্সরও উপর/নিচ/ডান/বাম মুভ করে। এ ধরণের মাউসের ব্যবহার এখন আর নেই। - অপটিক্যাল (Optical): মাউসের নিচের দিকে বলের পরিবর্তে একটি Ray ব্যবহৃত হয় যারা মুভ হয়। এই মাউস ক্যাবলসহ হতে পারে আবার Wireless ও হতে পারে।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১৮.
বাফার গেইট কিসের বিপরীত আচরণ করে?
ক
নট গেইট
খ
অ্যান্ড গেইট
গ
অর গেইট
ঘ
এক্স-অর গেইট
ব্যাখ্যা
বাফার গেইট নট গেইট এর বিপরীত আচরণ করে।
• বাফার গেইট - বাফার গেইট এক ধরনের লজিক গেইট যা নট গেইটের বিপরীত আচরণ করে। - এতে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট রয়েছে। - এই গেইটে ইনপুট দিলে আউটপুট ০ এবং ইনপুট ১ দিলে আউটপুটও ১ হবে।
উল্লেখ্য, - নট গেইটে ইনপুট ১ দিলে আউটপুট ০ এবং ইনপুট দিলে আউটপুট ১ হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৯.
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর মাধ্যমে কী করা যায়?
ক
ডাটাবেজ ডিজাইন ও কাঠামো তৈরি করা
খ
ডাটাবেজ ফরম্যাট ও প্রেজেন্টেশন নির্ধারণ করা
গ
ডাটা ক্রিয়েট, ড্রপ, রিনেইম করা
ঘ
ডাটা ইনসার্ট, আপডেট, ডিলিট করা
ব্যাখ্যা
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর মাধ্যমে ডাটা ইনসার্ট, আপডেট, ডিলিট করা যায়।
• ডাটাবেজ ভাষা: যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
• প্রধান দুই ধরনের ডাটাবেজ ভাষা হচ্ছে: ১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL), ২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML).
• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ: - একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে। - এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল- - Create statement, - Drop statement, - Alter statement, - Rename statement.
• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ: - যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল- - Insert statement, - Delete statement, - Update statement.
উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
কোন ধরনের হ্যাকার সাধারণত ক্ষতিসাধন করে না বরং দক্ষভাবে কাজ করে?
ক
ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
খ
হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
গ
গ্রে হ্যাট হ্যাকার
ঘ
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার সাধারণত ক্ষতিসাধন করে না বরং দক্ষভাবে কাজ করে।
• হ্যাকিং (Hacking): প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা- ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়। খ. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে। গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২১.
কম্পিউটার দ্রুত চালু ও কাজের গতি বাড়াতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
ক
HDD
খ
Floppy disk
গ
Solid State Drive
ঘ
Zip Drive
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার দ্রুত চালু ও কাজের গতি বাড়াতে Solid State Drive বা SSD ব্যবহৃত হয়।
সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার: SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত কাজ করে।
• Solid-State Device (SSD) - SSD হলো এক ধরনের সলিড-স্টেট ডিভাইস, যা হার্ড ডিস্কের মতো যান্ত্রিক অংশ ব্যবহার না করে তথ্য ইলেকট্রনিকভাবে সংরক্ষণ করে। - Solid-state device এমন একটি যন্ত্র, যেখানে শক্ত সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে বিদ্যুৎ পরিবাহিত হয়, ট্রানজিস্টর হলো এর প্রধান উপাদান, এবং এটি আধুনিক ইলেকট্রনিক্সের মূল ভিত্তি। - SSD-তে ব্যবহৃত ফ্ল্যাশ মেমোরি চিপ তথ্য দ্রুত পড়তে ও লিখতে পারে, তাই এটি কম্পিউটারকে দ্রুত অন ও অফ করতে সাহায্য করে। - ২১শ শতকের শুরু থেকেই পারফরম্যান্স বাড়াতে অনেক ল্যাপটপ ও কম্পিউটারে SSD ব্যবহার শুরু হয়।
• অন্যান্য অপশন: ক) HDD (Hard Disk Drive) - এটি একটি চৌম্বকীয় স্টোরেজ ডিভাইস। খ) Floppy Disk - পুরনো ও অপ্রচলিত স্টোরেজ মাধ্যম। ঘ) Zip Drive - এটি একটি পুরনো টাইপের রিমুভেবল স্টোরেজ ডিভাইস।
সোর্স: ১। শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ২। ব্রিটানিকা
২২.
গোপনে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা কোন সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত?
ক
স্পুফিং
খ
স্নিকিং
গ
লজিক বম্ব
ঘ
ট্রোজান অ্যাটাক
ব্যাখ্যা
স্নিকিং হচ্ছে গোপনে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা।
• সাইবার অপরাধ: বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো: - কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা। - ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা। - প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা। - স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা। - স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা। - ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)। - Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।) - Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।) - Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)। - ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ। - স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়। - লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)। - ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা। - ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি। - ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।
উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল। ২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৩.
নিচের কোনটি হার্ডডিস্ক ড্রাইভ নয়?
ক
SCSI
খ
PATA
গ
SATA
ঘ
QATA
ব্যাখ্যা
QATA হার্ডডিস্ক ড্রাইভ নয়।
• হার্ডডিস্ক: - হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস। - হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথাসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়। - ডিস্কটি অধিক ধারণক্ষম বিধায় এখানে অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। - যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে। - হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।
• বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ রয়েছে: কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো: ১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ, ২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ, ৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ, ৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২৪.
(127)8 সংখ্যার হেক্সাডেসিমেল রূপ কী?
ক
57
খ
43
গ
34
ঘ
28
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ক) (127)8 = (57)16
• অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমেল: - অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে অক্টাল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতুল্য 3 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে। - অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যার সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান বসালে অক্টাল সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল মান পাওয়া যাবে।
সুতরাং, (127)8 = (57)16 উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
ডেটাকে এনক্রিপ্ট করার উদ্দেশ্য কী?
ক
ডেটার আকার ছোট করা
খ
ডেটা দ্রুত পাঠানো ও নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা
গ
ডেটার গোপনীয়তা ও সুরক্ষা বজায় রাখা
ঘ
ডেটা ব্যাকআপ করে রাখা
ব্যাখ্যা
ডেটাকে এনক্রিপ্ট করার উদ্দেশ্য হচ্ছে ডেটার গোপনীয়তা ও সুরক্ষা বজায় রাখা।
• এনক্রিপশন (Encryption): - এনক্রিপশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে কোড করা হয়, যাতে অনুমোদিত ব্যতীত অন্য কেউ তা পড়তে বা বুঝতে না পারে। - কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে গোপনীয় ডেটা স্থানান্তরের সময় ডেটাকে বিশেষ কোডে এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ করা হয়, যাতে ডেটার গোপনীয়তা বজায় থাকে। - প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করলে প্রাপক ডিক্রিপ্ট করে (ডেটাকে আসল রূপে ফেরত নিয়ে) ব্যবহার করে। - এনক্রিপশন এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম ও অ্যালগোরিদম ব্যবহার করা হয়। - উদাহরণস্বরূপ, সিজার কোডে প্রতিটি অক্ষরকে তার পরবর্তী ৩ সংখ্যক অক্ষরে প্রতিস্থাপন করা হয়। - যেমন: JULIA ROBERT → MWPLD TOETHV
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৬.
WiMAX সাধারণত কোন মোড ব্যবহার করে ডেটা ট্রান্সমিশন করে?
ক
Simplex
খ
Half Duplex
গ
Full Duplex
ঘ
Multiplex
ব্যাখ্যা
WiMAX সাধারণত Full Duplex মোড ব্যবহার করে ডেটা ট্রান্সমিশন করে।
• WiMAX - WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access - ওয়াইম্যাক্স হলো একটি আধুনিক তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL ও তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেয়। - ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে। - WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16. - এর ডেটা স্থানান্তরের গতি 80 – 1000 Mbps. - এর ব্যান্ডউইথ 30 – 75 Mbps. - এর কভারেজ এরিয়া 10 – 50 কিলোমিটার। - WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।
উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। ২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৭.
হেক্সাডেসিমালে 'C' এর সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা কী?
ক
1111
খ
1100
গ
1110
ঘ
1010
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতিতে 'C' হলো একটি সংখ্যা, যার দশমিক মান হচ্ছে 12. এখন 12 কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায়: 1100
- শূন্য সহ ১ থেকে F পর্যন্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে ৪ (চার) বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা যায়। - হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অংককে ৪ (চার) বিটের বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলেই বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।
• বাকি অপশনগুলো- - হেক্সাডেসিমেলে F এর সমুতল্য বাইনারি মান 1111(ক)। - হেক্সাডেসিমেলে E এর সমুতল্য বাইনারি মান 1110 (গ)। - হেক্সাডেসিমেলে A এর সমুতল্য বাইনারি মান 1010 (ঘ)।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৮.
ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য কোন প্রটোকল ব্যবহৃত হয়?
ক
FTP
খ
IMAP
গ
HTTP
ঘ
TCP
ব্যাখ্যা
ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য HTTP প্রটোকল ব্যবহৃত হয়।
• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web: WWW) - এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। - ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম। - টিম বার্নাস লী (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়। - তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন। - এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম। - এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব পেজ নিয়ে গঠিত একটি বিস্তৃত তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা। - ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol. - http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।
উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিএড। ২। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
ডাটাবেজের ক্ষুদ্রতম তথ্যের একক কী?
ক
DBMS
খ
Information
গ
Record
ঘ
Field
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ঘ) Field
• ডাটাবেজ (Database): 'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ। সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।
১. ডাটা (Data) - তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক। - ডাটা হলো তথ্যের উপাদান বা কাঁচা উপাত্ত। - সাধারণত নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি এক একটি ডাটা। - উদাহরণ: "Jabbar" → Name ফিল্ডে, "Dhaka" → Address ফিল্ডে।
২. তথ্য (Information) - প্রক্রিয়াকরণকৃত ডাটাই হলো তথ্য। - কম্পিউটার ডাটাকে প্রসেস করে ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপ দেয়। - উদাহরণ: কর্মচারীদের নাম ও বেতন মিলিয়ে বেতনশীট তৈরি = তথ্য।
৩. রেকর্ড (Record) - অনেকগুলো ফিল্ড মিলে একটি রেকর্ড তৈরি করে। - সাধারণভাবে টেবিলের একটি সারি (Row) = একটি রেকর্ড। - উদাহরণ: কোনো গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর সব মিলে একটি রেকর্ড।
৪. ফিল্ড (Field) - রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ। - প্রতিটি ফিল্ড একটি তথ্যের ধরন বোঝায় (যেমন: নাম, ঠিকানা)। - টেবিলের কলামের নামই সাধারণত ফিল্ড হিসেবে থাকে।
৫. রো (Row) - টেবিলের একটি সারি যা একটি রেকর্ড ধারণ করে। - প্রতিটি রো ভিন্ন ব্যক্তির বা বস্তুর তথ্য বহন করে।
৬. কলাম (Column) - প্রতিটি কলাম হলো একই ধরণের ডাটার সংরক্ষণ ক্ষেত্র। - উদাহরণ: Name, Age, Address → প্রতিটি কলাম একটি আলাদা ফিল্ড।
৭. ডাটা টেবিল (Data Table) - এক ধরনের ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত টেবিল। - যেমন, অফিসের প্রশাসন, হিসাব ও বিক্রয় বিভাগের আলাদা টেবিল।
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) - এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, এবং ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে। - উদাহরণ: Microsoft Access, MySQL, Oracle DB.
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS) - একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করে কাজ করা যায়। - উদাহরণ: SQL Server, MySQL, informix.
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model) - একটি ব্যবস্থা যেখানে ডাটাবেজ একাধিক স্থানে বিভক্ত থাকে এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সংযোগযুক্ত থাকে। - একাধিক ব্যবহারকারী বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
৩০.
Alt + F4 কী কাজ করে?
ক
Help মেনু খুলে
খ
মেনু বার চালু হয়
গ
বর্তমান উইন্ডো বন্ধ করে
ঘ
ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে
ব্যাখ্যা
Alt + F4 দ্বারা বর্তমান উইন্ডো বন্ধ করে।
• ফাংশন কী: - ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। - সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো: - F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে। - F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়। - F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে। - F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়। - F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়। - F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে। - F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে। - F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়। - F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত। - F10 মেনু বার চালু করে। - F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে। - F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
Bitcoin লেনদেনের জন্য কোন ধরনের ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যবহৃত হয়?
ক
সিমেট্রিক কী
খ
পাবলিক-কী
গ
ব্লক এনক্রিপশন
ঘ
হ্যাশ ফাংশন
ব্যাখ্যা
Bitcoin লেনদেনের জন্য পাবলিক-কী ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যবহৃত হয়।
বিটকয়েন (Bitcoin) - বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি। - এটি একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা ২০০৯ সালে একজন নামহীন কম্পিউটার প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল তৈরি করেন। - বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন। - এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।
- বিটকয়েন পাবলিক-কী ক্রিপ্টোগ্রাফি-র ওপর নির্ভরশীল, যেখানে ব্যবহারকারীদের একটি পাবলিক কী থাকে যা সবাই দেখতে পারে এবং একটি প্রাইভেট কী থাকে যা কেবল তাদের নিজস্ব কম্পিউটারে থাকে। - বিটকয়েন লেনদেনে, বিটকয়েন গ্রহণকারীরা তাদের পাবলিক কী প্রেরণ করে প্রেরণকারীদের কাছে। - প্রেরণকারীরা তাদের প্রাইভেট কী দিয়ে লেনদেনে সাইন করে এবং তারপর লেনদেনটি বিটকয়েন নেটওয়ার্কে প্রেরণ করা হয়। - যাতে একই বিটকয়েন একাধিকবার খরচ না করা যায়, প্রতিটি লেনদেনের সময় ও পরিমাণ একটি লেজার ফাইলে সংরক্ষিত থাকে যা নেটওয়ার্কের প্রতিটি নোডে থাকে। - ব্যবহারকারীদের পরিচয় আপেক্ষিকভাবে গোপন থাকে, তবে সবাই দেখতে পারে যে কোন বিটকয়েন কোথায় স্থানান্তরিত হয়েছে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
৩২.
BIOS সাধারণত কোথায় সংরক্ষিত থাকে?
ক
RAM
খ
EPROM
গ
Hard Disk
ঘ
SSD
ব্যাখ্যা
BIOS সাধারণত EPROM এ সংরক্ষিত থাকে।
BIOS (Basic Input Output System): - BIOS একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা সাধারণত EPROM (Erasable Programmable Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে। - কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে। - পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে । - এই চিপ টির নাম BIOS, এটি মাদারবোর্ড এ থাকে। - হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে। - BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে। - BIOS-এর কারণে অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে ডিভাইসগুলোর হার্ডওয়্যার ডিটেইল জানার প্রয়োজন হয় না (যেমন হার্ডওয়্যার অ্যাড্রেস)। - ২১শ শতকের শুরুতে BIOS-এর জায়গায় আধুনিক ও দ্রুতগতির UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহার শুরু হয়, যা বড় সাইজের ড্রাইভ সাপোর্ট করে এবং বুটিং দ্রুত করে।
• BIOS-এর দুটি প্রধান কাজ: - কোন কোন পারিফেরাল ডিভাইস (যেমন: কীবোর্ড, মাউস, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রিন্টার, ভিডিও কার্ড ইত্যাদি) সংযুক্ত আছে তা নির্ধারণ করা। - অপারেটিং সিস্টেম (OS) কে মেইন মেমোরি (RAM)-তে লোড করা।
উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ২। ব্রিটানিকা।
৩৩.
ফ্লিপ-ফ্লপ কত বিট ডেটা ধারণ করতে সক্ষম?
ক
1 বিট
খ
8 বিট
গ
16 বিট
ঘ
32 বিট
ব্যাখ্যা
ফ্লিপ-ফ্লপ 1 বিট ডেটা ধারণ করতে সক্ষম।
• ফ্লিপ-ফ্লপ: - ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে। - প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়। - ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে। - ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা। - এটি এক বিট ০ অথবা । হতে পারে। - এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।
• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার: ১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়। ২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়। ৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।
উৎস: ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। ২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।