ব্যাখ্যা
⇒ সংবেদন হলো উদ্দীপনার প্রথমিক চেতনা। উদ্দীপক হচ্ছে বাহ্যিক বিষয় বা বস্তু, যা গ্রাহক ইন্দ্রিয়ের উপর আঘাত করে উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। উদ্দীপক থেকে সচেতন করার প্রক্রিয়াকেই বলে সংবেদন।
Source: মনোবিজ্ঞান ১ম পত্র- প্রফেসর যোগেন্দ্র কুমার মণ্ডল।
৪৯তম বিসিএস ⎯ মনোবিজ্ঞান [১৭১] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন
⇒ সংবেদন হলো উদ্দীপনার প্রথমিক চেতনা। উদ্দীপক হচ্ছে বাহ্যিক বিষয় বা বস্তু, যা গ্রাহক ইন্দ্রিয়ের উপর আঘাত করে উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। উদ্দীপক থেকে সচেতন করার প্রক্রিয়াকেই বলে সংবেদন।
Source: মনোবিজ্ঞান ১ম পত্র- প্রফেসর যোগেন্দ্র কুমার মণ্ডল।
⇒ According to Henri L. Riediger, Sensation refers to the reception of stimulation from the environment.
Source: মনোবিজ্ঞান ১ম পত্র, প্রফেসর যোগেন্দ্র কুমার মন্ডল।
⇒ উদ্দীপনার প্রাথমিক চেতনা বা বোধ হলো সংবেদন এবং সংবেদনকে যখন ব্যাখ্যা করা হয় তখনই সেটা হয়ে উঠে প্রত্যক্ষণ। সুতরাং, প্রত্যক্ষণ হলো সংবেদনের অর্থবোধ।
Source: মনোবিজ্ঞান ১ম পত্র- প্রফেসর যোগেন্দ্র কুমার মন্ডল।
⇒ ব্যক্তির প্রত্যক্ষণ তার আবেগ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে। আবেগের দ্বারা প্রভাবিত হলে ব্যক্তি পক্ষপাত দোষে দুষ্ট হতে পারে। আবেগ ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ কারণে তৈরি হয় যাকে জৈবিক উপাদান বলে।
Source: মনোবিজ্ঞান ১ম পত্র- প্রফেসর যোগেন্দ্র কুমার মন্ডল।
⇒ সংবেদন সংকেত হিসেবে কাজ করে। কোন নির্দিষ্ট উদ্দীপকের প্রতি উপযোগী প্রতিক্রিয়া করার জন্য সংবেদন সংকেত হিসেবে কাজ করে।
Source: মনোবিজ্ঞান ১ম পত্র _প্রফেসর যোগেন্দ্র কুমার মন্ডল।
⇒ সংবেদনের ব্যাপকতা অর্থ হলো যতটুকু জায়গা জুড়ে সংবেদনটি অনুভূত হয়। কোনো উদ্দীপক ইন্দ্রিয়ের যতটুকু স্থান জুড়ে উদ্দীপনা সৃষ্টি করে সংবেদনটিও ততটুকু স্থানব্যাপী হয়।
Source: মনোবিজ্ঞান ১ম পত্র- প্রফেসর ড. সৈয়দ আজিজুল ইসলাম ও অন্যান্য।
⇒ The difference threshold is the minimum amount of stimulus change needed for two stimuli to be perceived as difference. Difference Threshold is also called Just Noticeable Difference (J.N.D.).
Source: Crider & others.
⇒ The physical stimulus that the eye responds to is a form of electromagnetic energy that we call light. Light travels in waves, and three fundamental characteristics that describe these waves are: Wavelength, Amplitude, and Purity. They work for our Vision system together to receive most of the sensation from the environment.
Source: Psychology, Crider and Others.
⇒ Humans have the ability to hear frequencies between 20 and 20,000 Hz. Our greatest sensitivity, however, is between 1000 and 4000 Hz.
Source: Psychology, Crider and Others.
⇒ Amplitude refers to the height of each sound wave and is a measure of how much air is expanding and compressing. We sense the amplitude of a sound wave as its loudness.
Source: Psychology, Crider and others.
⇒ The human ear is made up of three basic components: the outer or external ear, the middle ear, and the inner ear.
Source: Psychology, Crider and Others.
⇒ Kurt Kafka, Max Wertheimer ও Wolfgang Kohler এসব মনোবিজ্ঞানীরা মূলত মনোবিজ্ঞানের সমগ্রতাবাদী মতবাদে বিশ্বাসী। সমগ্রতাবাদে আমাদের চারপাশের পৃথিবীকে আমরা কিভাবে সবগুলো উপাদানকে একসাথে বোঝার চেষ্টা করি।
Source: Psychology, Crider and others.
⇒ Our retina is two-dimensional, but we perceive the world in three dimensions. Not only do objects have width and height, but they also have depth. This concept comes from the topic of Depth Perception. Depth perception is your ability to see objects in three dimensions, including their size and how far away they are.
Source: Understanding Psychology (Feldman)
⇒ প্রতীক-পটভূমি সম্পর্কে মূলত ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলোঃ অপরিবর্তনশীল প্রতীক-পটভূমি (Figure Ground Non-Reversal), পরিবর্তনশীল প্রতীক-পটভূমি (Figure Ground Reversal) এবং দ্ব্যররথবোধক প্রতীক-পটভূমি (Ambiguous Figure Ground).
Source: মনোবিজ্ঞান ১ম পত্র, প্রফেসর ড. সৈয়দ আজিজুল ইসলাম।
⇒ জ্যামিতিক রেখা, কোণ ইত্যাদি বিষয়ের পরিমাপ সম্পর্কে নানা ধরণের ভ্রান্তি দেখা যায়। এ ধরণের ভ্রান্তিকে জ্যামিতিক অধ্যাস বলে। মূলার-লায়ার অধ্যাস একটি জ্যামিতিক অধ্যাস।
Source: মনোবিজ্ঞান ১ম পত্র।
⇒ অলীক প্রত্যক্ষণ হচ্ছে বাস্তব কোন উদ্দীপক ছাড়াই ভ্রান্তভাবে আমরা যা প্রত্যক্ষণ করি। বিভিন্ন ধরণের অলীক প্রত্যক্ষণ হতে পারে। যেমন আমাদের ইন্দ্রীয়ের মাধ্যমে হতে পারে। ট্যাকটাইল অলীক প্রত্যক্ষণ হচ্ছে আমাদের সংবেদীর মাধ্যমে ধয়ে থাকে।
Source: Psychology (Crider and Others).
⇒ বিভিন্ন বস্তু থেকে আমরা যে উদ্দীপনা লাভ করি তা এলোমেলো বা বিশৃংখল অবস্থায় মস্তিষ্কে এসে পৌঁছায়। মস্তিষ্ক এই এলোমেলো ও বিশৃংখল উদ্দীপনাকে সমন্বয় সাধন ও একীকরণ করার পর এর একটি সংঘবদ্ধরূপ বা প্যাটার্ন দাঁড় করায়। একই প্রত্যক্ষণের সুবিন্যস্তকরণ বলে।
⇒ মৃদু বা কম আলোতে ব্যক্তির দর্শন শক্তি যদি পর্যায়ক্ক্রমে বৃদ্ধি পায় তাহলে অন্ধকার অভিযোজন ঘটে। হঠাত করে খুব অল্প আলোতে খাপ খাওয়াতে সময় লাগে। তবে কিছু সময় পর আবার সংবেদনশীলতার স্বাভাবিক অভিযোজন হয়। অন্ধকার বা মৃদু আলোতে সংবেদনশীলতার এই সমতা বিধানকে অন্ধকার অভিযোজন বলে।
Source: মনোবিজ্ঞান ১ম পত্র- প্রফেসর ড. সৈয়দ আজিজুল ইসলাম।
⇒ মধ্যকর্ণে ৩টি ক্ষুদ্রাস্থি একটি আরেকটির সাথে লিভারের মত সংযুক্ত। এদেরকে একত্রে বলে অসিকলস। উপরের উল্লেখিত ৪টির মধ্যে পিন্না কোন ক্ষুদ্রাস্থি না। সেটি হলো কানের যে অংশ বাইরে থেকে দেখা যায়, বা কানের পাতা বলে।
Source: মনোবিজ্ঞান ও জীবন- অধ্যাপক নীহারঞ্জন সরকার।
⇒ রড বা দন্ডকোষের দুটি আলোক সংবেদী কণার নাম হলো যথাক্রমে রডপসিন (Rhodopsin)-Retinene & Opsin এবং পোরফাইরপসিন (Porphyropsin)-
কোন বা শংকুদন্ডের দুটি পদার্থের নাম হলো যথাক্রমে আইওডপসিন (Iodopsin) এবং সায়ানপসিন (Cyanopsin)।
Source: মনোবিজ্ঞান ও জীবন- প্রফেসর নীহাররঞ্জন সরকার।
⇒ শব্দ তরঙ্গের সংখ্যা যেখানে দ্রুত বৃদ্ধি পায়, সেখানে শব্দের উচ্চতা অর্থাৎ আমাদের শব্দের প্রত্যক্ষণ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে দেখা গেছে, শব্দ তরঙ্গের সংখ্যা প্রতি সেকেন্ডে ১০০০ থেকে ৪০০০ পর্যন্ত হলে প্রত্যক্ষীভূত উচ্চতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়।
Source: মনোবিজ্ঞান ও জীবন- অধ্যাপক নীহাররঞ্জন সরকার।
⇒ বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক জন ডাল্টন লাল রঙ দেখতে পেতেন না অথচ তিনিই বর্ণান্ধতা সমন্ধে সর্বপ্রথম বৈজ্ঞানিক আলোচনা করেন। তাই বর্ণান্ধতাকে ড্যালটনিজ বলা হয়।
Source: মনোবিজ্ঞান ও জীবন- অধ্যাপক নীহাররঞ্জন সরকার।
⇒ বিভিন্ন দৈর্ঘ্যের আলোক তরঙ্গ বিভিন্ন বর্ণ তৈরি করে। ৪৩০ মিলিমাইক্রন হলে বেগুনি, ৪৯৫ হলে নীলাভ সবুজ, ৫১৫ হলে সবুজ, ৬১০ হলে কমলা এবং ৬৬০ মিলিমাইক্রন হলে লাল বর্ণের সৃষ্টি হয় এবং সেই আলোগুলো আমরা চোখে দেখতে পাই।
Source: মনোবিজ্ঞান ও জীবন-অধ্যাপক নীহাররঞ্জন সরকার।
⇒ আলোক রশ্মি রেটিনাতে পৌঁছা মাত্রই রড এবং কোন (দন্ড ও শঙ্কু) কণাগুলিতে রাসায়নিক পরিবর্তন সৃষ্টি করে। এই রাসায়নিক পরিবর্তন স্নায়ু প্রবাহে রূপান্তরিত হয়ে দৃষ্টিবাহী স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কের দর্শন কেন্দ্রে পৌছে দৃষ্টি সংবেদনের সৃষ্টি করে।
Source: মনোবিজ্ঞান ও জীবন-অধ্যাপক নীহাররঞ্জন সরকার।
⇒ The cochlea is a small, snail-shaped tube less than an inch long that contains the receptors for hearing. It is located in the Internal Ear. The length of the cochlea is 35 millimeters.
Source: Psychology (Crider and others).
⇒ Sounds, however, are measured in tenths of a bel or decibels (Abbreviated dB)- zero decibels is the human threshold for hearing a 1000-Hz tone. Thirty decibels is a quiet library, a whisper. Seventy decibels is busy traffic, office tabulator, noisy restaurant.
Source: Psychology (Crider and others).
⇒ The blind spot is a small area of the retina containing neither rods nor cones. This area is where the axons (nerve fibres) of the ganglion cells converge and leave the eye as the optic nerve.
⇒ ব্লাইন্ড স্পট হল রেটিনার একটি ছোট অংশ যাতে রড বা শঙ্কু থাকে না। এই এলাকাটি যেখানে গ্যাংলিয়ন কোষের অ্যাক্সন (স্নায়ু তন্তু) একত্রিত হয় এবং চোখকে অপটিক স্নায়ু হিসাবে ছেড়ে যায়।
Source: Psychology (Crider and others).