পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

পরীক্ষাপ্রাইমারি ডেইলি কুইজতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়05 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২০: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূপ্রকৃতি (পাহাড়, নদী, সাগর ইত্যাদি), জলবায়ু ও পরিবেশ। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
'পদ্মা' নদীর পূর্বনাম কী?
  1. জোনাই
  2. লোহিত্য
  3. দোলাই
  4. কীর্তিনাশা
ব্যাখ্যা
পদ্মা: 

- পদ্মার পূর্বনাম কীর্তিনাশা যা বাংলাদেশের প্রধান নদী। 
- এ নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।  
- এ নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী জেলার কুষ্টিয়ার উত্তর পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে। 
- অতঃপর পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিশেছে। 
- বাংলাদেশে গঙ্গা-পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন প্রায় ৩৪,১৮৮ বর্গকিলোমিটার।
- পদ্মার শাখানদীগুলোর মধ্যে কুমার, ভৈরব, গড়াই, মাথাভাঙ্গা, ইছামতি, আড়িয়াল খাঁ উল্লেখযোগ্য।
- যমুনা এর পূর্বনাম জোনাই
- ব্রহ্মপুত্র এর পূর্বনাম লোহিত্য
- বুড়িগঙ্গা এর পূর্বনাম দোলাই

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশের কোন নদীর উজানে নির্মিত?
  1. পদ্মা
  2. যমুনা
  3. কর্ণফুলী
  4. বরাক
ব্যাখ্যা
টিপাইমুখ বাঁধ: 

- নদীর পানির স্তর উত্তোলন বা নৌচলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় নাব্য রক্ষার জন্য অথবা সেচ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য নদীর উপর নির্মিত প্রতিবন্ধককে বাধ বলে। 
- টিপাইমুখ বাধ ভারতের মণিপুর রাজ্যে অবস্থিত। 
- এটি বাংলাদেশের বরাক নদের উজানে নির্মিত।
- টিপাইমুখ নামের গ্রামে বরাক এবং টুইভাই নদীর মিলনস্থল। 
- এ বাধের উচ্চতা ১৬২.৮ মিটার। 
- বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বাধ: 
• তিস্তা বাঁধ লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলাধীন দুয়ানি নামক স্থানে তিস্তা নদীর উপর নির্মিত। 
• বুড়ি তিস্তা বাঁধ  নীলফামারি জেলার ডিমলা এবং জলঢাকা উপজেলায় বুড়ি তিস্তা নদীর উপর নির্মিত বাঁধ।
• টাঙ্গন বাঁধ  টাঙ্গন নদীর উপর নির্মিত।
• মনু বাঁধ মৌলভীবাজার জেলার মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলায় নির্মিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশের উচ্চতম পাহাড়ের নাম কী?
  1. বিজয়
  2. কেওক্রাডং
  3. গারো
  4. চন্দ্রনাথ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পাহাড়:

- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বৃহত্তম পাহাড় গারো পাহাড়।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত।
- গারো পাহাড়ের উত্তর এবং উত্তর পশ্চিমে রয়েছে আসাম এবং পূর্বে মেঘালয়ে খাসি পাহাড়।
- আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার। 
- গারো পাহাড়ের দীর্ঘতম নদীটির নাম সিমসাং।
- নদীটির উৎপত্তি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৪০০ মিটার উচ্চতায় নকরেক অঞ্চলে, পরবর্তীতে নদীটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে প্রবাহিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং বা বিজয়, যা বান্দরবানে অবস্থিত এবং উচ্চতা ১২৩১ মিটার।
- চন্দ্রনাথ পাহাড় চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে অবস্থিত এবং যা হিন্দুদের পবিত্র তীর্থস্থান।
- ২০১৭ সালের দিকে একটি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সাকা হাফং কে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হিসাবে দাবি করেছে যা বান্দরবান জেলার মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত। তবে এটি সরকারিভাবে স্বীকৃত নয়।

তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগের সাথে ভারতের কোন রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে?
  1. আসাম
  2. পশ্চিমবঙ্গ
  3. ত্রিপুরা
  4. উপরোক্ত কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমান্ত: 

- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২ টি। 
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার (রাঙামাটি, বান্দরবন ও কক্সবাজার) সীমান্ত রয়েছে। 
- একমাত্র রাঙামাটি জেলায় বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। 
- ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম উভয় রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী সাধারণ জেলা রাঙামাটি। 
- বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের সাথে কোন দেশের সীমান্ত সংযোগ নেই।
- বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের জেলা ৯টি। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ২৮০ কিলোমিটার
  2. ৭২৪ কিলোমিটার
  3. ৭১১ কিলোমিটার
  4. ৮৬৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূল:

- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। 
- বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ অনুসারে, 
• বাংলাদেশের সর্বমোট ৫১৩৮ কিলোমিটার সীমারেখা রয়েছে। 
• বাংলাদেশের সর্বমোট স্থলসীমা ৪৪২৭ কিলোমিটার।
• বাংলাদেশের উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কিলোমিটার। 
• বাংলাদেশ ও ভারতের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৪১৫৬ কিলোমিটার এবং
• বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ২৭১ কিলোমিটার। 
- জাতীয় তথ্য বাতায়ন অনুসারে, বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় সীমার দৈর্ঘ্য- ৭১১ কি.মি.।
- মাধ্যমিক ভূগোল বইয়ের তথ্যানুসারে, 
• বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৪,৭১১ কিলোমিটার।
•  ভারতের সাথে ৩,৭১৫ কিলোমিটার এবং 
•  মিয়ানমারের সাথে ২৮০ কিলোমিটার। 

তথ্যসূত্র: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট, মাধ্যমিক ভূগোল, এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
'ভবদহ' বিল কোথায় অবস্থিত?
  1. ফরিদপুর
  2. ঢাকা
  3. মুন্সিগঞ্জ
  4. যশোর
ব্যাখ্যা
ভবদহ বিল: 

- বৃহৎ আকৃতির প্রাকৃতিক জলাধার, যেগুলোতে ভূ-পৃষ্ঠ থেকে অভ্যন্তরীণ ও পৃষ্ঠ নিষ্কাশনের মাধ্যমে বয়ে আসা পানি জমা হয় তাঁদের বিল বলে।
- “ভবদহ” বিল যশোরে অবস্থিত।
- যশোর জেলার উল্লেখযোগ্য আরী কয়েকটি বিল হল: জলেশ্বর, বিল বকর, হরিণা, অরল, ইছামতি, বিল কেদারিয়া, বিল খুকশিয়া ও বিল পাজিয়া পাত্রা। 
- বাংলাদেশে প্রায় এক হাজারেরও বেশি বিভিন্ন আকারের বিল রয়েছে। 

কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বিল হল: 
• চলন বিল: পাবনা,নাটোর,সিরাজগঞ্জ,রাজশাহী অঞ্চল জুড়ে অবস্থিত।
• গোপালগঞ্জ-খুলনা বিল: গোপালগঞ্জ ও খুলনা অঞ্চলে অবস্থিত।
• আড়িয়াল বিল: মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলায় অবস্থিত।
• ডাকাতিয়া বিল: খুলনা জেলার পূর্বাঞ্চলে ফুলতলা উপজেলায় অবস্থিত।
•  গাজনার বিল: পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলায় অবস্থিত।
• বাইক্কা বিল: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় অবস্থিত।
• বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিল / মিঠাপানির মাছের উৎস চলন বিল।এটি পাবনা, সিরাজগঞ্জ রাজশাহী ও নাটোরে অবস্থিত
• পশ্চিম বাহিনীর নদী বলা হয় ডাকাতিয়া বিলকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া
.
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ কোথায় অবস্থিত ছিল?
  1. সাতক্ষীরা জেলার সর্ব দক্ষিণে
  2. সাতক্ষীরা জেলার ইছামতি নদীর মোহনায়
  3. সীমান্ত নদী রায়মঙ্গলের মোহনায়
  4. সাতক্ষীরা জেলার হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায়
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ: 

- অবস্থান: সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলায়।
- এটি একটি উপকূলবর্তী দ্বীপ।
- হাড়িয়াভাঙ্গা নদী দ্বারা চিহ্নিত সীমান্ত রেখা বরাবর দক্ষিণে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অগভীর সমুদ্রে এ ক্ষুদ্র দ্বীপটি অবস্থিত। 
- হাড়িয়াভাঙ্গা মোহনা থেকে দ্বীপটির দূরত্ব প্রায় দুই কিলোমিটার। 
- দ্বীপটির বর্তমান আয়তন প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার। 
 - ১৯৭০ সালের নভেম্বরে দ্বীপটি প্রথম দৃষ্টিগোচর হয়।
- পূর্ব নাম- পূর্বাশা বা নিউমুর।
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিরোধপূর্ণ এই দ্বীপটি বর্তমানে ভারতের মালিকানাধীন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া
.
বাংলাদেশের কোন সমুদ্র সৈকতকে ‘সাগরকন্যা’ বলা হয়?
  1. কক্সবাজার
  2. পতেঙ্গা
  3. কুয়াকাটা
  4. সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
সাগরকন্যা:

- কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতকে  সাগর কন্যা বলা হয়। 
- অবস্থান: পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে কুয়াকাটা অবস্থিত। 
- ঢাকা থেকে সড়কপথে এর দূরত্ব ৩৮০ কিলোমিটার, বরিশাল থেকে ১০৮ কিলোমিটার।
- কুয়াকাটা সাগর-সৈকতের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ কিলোমিটার আর প্রস্থে প্রায় ৩ কিলোমিটার। 
- বাংলাদেশের এটাই একমাত্র সৈকত যেখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দুটোই ভাল দেখা যায়। 
- কুয়াকাটা সৈকতের পাশেই বিশাল নারকেল বাগান এবং গঙ্গামতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল রয়েছে।
- কুয়াকাটা হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের নিকট একটি তীর্থ স্থান।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া ।