পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বুদ্ধদেব বসু। সোর্স: যেকোনো গাইড বই এবং সাথে যেকোনো একজন একাডেমিক ব্যক্তির বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
মেঘনাদবধ কাব্যে কোন রসের প্রাধান্য পেয়েছে?
  1. ক) বীররস
  2. খ) প্রেমরস
  3. গ) করুণরস
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক মহাকাব্য মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য'
- এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে।
- কাব্যের কাহিনী রামায়ন থেকে গ্রহণ করা হলেও তা অনেকটা পরিবর্তিত আকারে নেওয়া হয়েছে।
- এই কাব্য নয় সর্গে রচিত। এতে তিন রাত দুই দিনের ঘটনা বর্ণিত আছে।
-----------------
- মেঘনাদবধ কাব্যের বিরাট পটভূমির মধ্যে নানা ধরনের চরিত্র এবং কাব্যের নানা রসের সমাবেশ ঘটেছে।

- বীররসাত্মক কাব্য রচনার উদ্দেশ্য নিয়ে মধুসূদন মেঘনাদবধ কাব্যে রচনার পরিকল্পনা করেছিলেন। কাব্যটির শুরুতে বীররসের কাহিনীর ইঙ্গিতও রয়েছে।
"সম্মুখ সমরে পড়ি, বীর-চূড়ামণি
বীরবাহু, চলি যবে গেলা যমপুরে।"

এই স্বরস্বতী-বন্দনাতেই কবি বলেছেন -
গাইব, মা, বীররসে ভাসি,
মহাগীত; উরি, দাসে দেহ পদছায়া।

তবে, বীররসে কাব্যরচনার এই উদ্দেশ্য সার্থকভাবে রূপায়িত হয়ে ওঠে নি
- বীরবাহু জননী চিত্রাঙ্গদার আর্তনাতে, অশোকবনে বন্দিনী সীতার অশ্রুবিসর্জনে, মেঘনাদপত্নী প্রমীলার চিতারোহণে, সর্বোপরি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পুত্রহারা রাবণের হাহকারে করুণ রসেরই প্রাধান্য ঘটেছে।
- প্রথম সর্গে বেদনাকাতর রাবণের অনুভূতি শেষ সর্গে চরম হয়ে দেখা দিয়েছে। প্রাণপ্রিয় পুত্র মেঘনাদের চিতার সম্মুখে দাঁড়িয়ে তাঁর হৃদয়ের হাহকার ব্যক্ত করেছেন:  
"ছিল আশা, মেঘনাদ, মুদিব অন্তিমে
এ নয়নদ্বয় আমি তোমার সম্মুখে, -
সঁপি রাজ্যভার, পুত্র, তোমায় করিব
মহাযাত্রা! কিন্তু বিধি-বুঝিব কেমনে
তাঁর লীলা? ভাঁড়াইলা সে সুখ আমারে!"

- রাবণ চরিত্রের এই হাহাকারই কাব্যে প্রাধান্য পেয়েছে।
- আর তাই বলা যায়, কবি কাব্যের প্রথমে বীররসের কথা বললেও শেষ পর্যন্ত করুনরসই প্রাধান্য পেয়েছে।

উৎস: বাংলা সাহিতের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন পত্রিকার সাথে সম্পর্কিত ছিলেন না?
  1. ক) তত্ত্ববোধিনী
  2. খ) ভারতমিহির
  3. গ) সাধনা
  4. ঘ) বঙ্গদর্শন
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পাদিত পত্রিকা সমূহ হচ্ছে - 
- সাধনা (১৮৯৪) 
- ভারতী (১৮৯৮) 
- বঙ্গদর্শন (১৯০১) 
- তত্ত্ববোধিনী (১৯১১) 

অন্যদিকে ভারতমিহির (১৮৭৫) অনাথবন্ধু সম্পাদিত পত্রিকা। 


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'ভগ্ন শিবমন্দির' কোন প্রহসনের প্রথম নাম ছিল?
  1. ক) একেই কি বলে সভ্যতা
  2. খ) সধবার একাদশী
  3. গ) বুড় শালিকের ঘাড়ে রোঁ
  4. ঘ) চিরকুমার সভা
ব্যাখ্যা
'বুড় শালিকের ঘাড়ে রোঁ' (১৮৬০) মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি প্রহসনমূলক রচনা।
- প্রথমে এ প্রসনের নাম ছিলো 'ভগ্ন শিবমন্দির'
- এক লম্পট জমিদারের আচার-ব্যবহার ও দরিদ্র প্রজাদের দ্বারা উচিত শিক্ষা এই উপভোগ্য প্রহসনের মূল কাহিনি।
- এ প্রহসনের উল্লেখযোগ্য চরিত্র- ভক্তপ্রসাদ, পঞ্চানন, বাচস্পতি, পুঁটি, ফাতেমা, ভগী, হানিফ, গাজি প্রমুখ। 
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত অপর একটি প্রহসন 'একেই কি বলে সভ্যতা' (১৮৬০) ।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
পেশাগত কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন উপাধি লাভ করেন?
  1. ক) রায়বাহাদুর
  2. খ) রায়গুণাকর
  3. গ) নওয়াব
  4. ঘ) জমিদার
ব্যাখ্যা
ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮-১৮৯৪)।
- ১৮৩৮ সালের ২৭ জুন চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- পিতা যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রথম দিকে ছিলেন ব্রিটিশ উপনিবেশিক সরকারের একজন কর্মকর্তা, পরে হুগলির ডেপুটি কালেক্টর হন।
- ১৮৫৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের যে দুজন ছাত্র বিএ পাস করেন, বঙ্কিমচন্দ্র ছিলেন তাঁদের একজন।
- তিনি তাঁর পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে নিম্ন নির্বাহী চাকরিতে (সাব-অর্ডিনেট এক্সিকিউটিভ সার্ভিস) যোগ দেন এবং পরে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর পদে চাকরি করেন।
- উপনিবেশিক সরকারের কর্মকর্তা হিসেবে বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন করেন।
- তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ কর্তৃপক্ষ তাঁকে ১৮৯১ সালে ‘রায়বাহাদুর’ এবং ১৮৯৪ সালে ‘Companion of the Most Eminent Order of the Indian Empire’ (CMEOIE) উপাধি প্রদান করে।
- বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর পেশাগত জীবনে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন, তা তাঁর চিন্তা ও কর্মে গুরুতপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- তবে ইতিহাসে তিনি সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে নন, বরং একজন লেখক ও হিন্দু পুনরুত্থানবাদী চিন্তাবিদ হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
"না জানি কেন রে এত দিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।" - কোন কবিতার অন্তর্গত?
  1. ক) প্রাণ
  2. খ) শেষলেখা
  3. গ) নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ
  4. ঘ) প্রভাতসঙ্গীত
ব্যাখ্যা
আলোচ্য অংশটুকু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'প্রভাতসঙ্গীত' কাব্যগ্রন্থের 'নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ' কবিতার অংশ। 
- কাব্যগ্রন্থটি ১৮৮৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
- কাব্যগ্রন্থে মোট ২১টি কবিতা আছে। 
------------------------------
'নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ' কবিতাটি নিম্নরূপ- 

আজি এ প্রভাতে রবির কর
কেমনে পশিল প্রাণের ‘পর,
কেমনে  পশিল গুহার আঁধারে প্রভাতপাখির গান!
না জানি কেন রে এত দিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।
জাগিয়া উঠেছে প্রাণ,
ওরে       উথলি উঠেছে বারি,
ওরে       প্রাণের বাসনা প্রাণের আবেগ রুধিয়া রাখিতে নারি।
থর থর করি কাঁপিছে ভূধর,
শিলা রাশি রাশি পড়িছে খসে,
ফুলিয়া ফুলিয়া ফেনিল সলিল
গরজি উঠিছে দারুণ রোষে।
হেথায় হোথায় পাগলের প্রায়
ঘুরিয়া ঘুরিয়া মাতিয়া বেড়ায় –
বাহিরেতে চায়, দেখিতে না পায় কোথায় কারার দ্বার।
কেন রে বিধাতা পাষাণ হেন,
চারি দিকে তার বাঁধন কেন!
ভাঙ্ রে হৃদয়, ভাঙ্ রে বাঁধন,
সাধ্ রে আজিকে প্রাণের সাধন,
লহরীর পরে লহরী তুলিয়া
আঘাতের পরে আঘাত কর্।
মাতিয়া যখন উঠেছে পরান
কিসের আঁধার, কিসের পাষাণ!
উথলি যখন উঠেছে বাসনা
জগতে তখন কিসের ডর!

আমি    ঢালিব করুণাধারা,
আমি    ভাঙিব পাষাণকারা,
আমি    জগৎ প্লাবিয়া বেড়াব গাহিয়া
আকুল পাগল-পারা।
কেশ এলাইয়া, ফুল কুড়াইয়া,
রামধনু-আঁকা পাখা উড়াইয়া,
রবির কিরণে হাসি ছড়াইয়া দিব রে পরান ঢালি।
শিখর হইতে শিখরে ছুটিব,
ভূধর হইতে ভূধরে লুটিব,
হেসে খলখল গেয়ে কলকল তালে তালে দিব তালি।
এত কথা আছে, এত গান আছে, এত প্রাণ আছে মোর,
এত সুখ আছে, এত সাধ আছে – প্রাণ হয়ে আছে ভোর।।
কী জানি কী হল আজি, জাগিয়া উঠিল প্রাণ –
দূর হতে শুনি যেন মহাসাগরের গান।
ওরে, চারি দিকে মোর
এ কী কারাগার ঘোর –
ভাঙ্ ভাঙ্ ভাঙ্ কারা, আঘাতে আঘাত কর্।
ওরে আজ     কী গান গেয়েছে পাখি,
এসেছে রবির কর।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও সঞ্চয়িতা।
.
কোনটি বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস?
  1. ক) বন্দীর বন্দনা
  2. খ) কঙ্কাবতী
  3. গ) যে আঁধার আলোর অধিক
  4. ঘ) গোলাপ কেন কালো
ব্যাখ্যা
সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক বুদ্ধদেব বসু ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে। 
- তাঁর শৈশব, কৈশোর ও যৌবনের প্রথমভাগ কাটে কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ঢাকায়।
- ঢাকা থেকে প্রগতি (১৯২৭-১৯২৯) এবং  কলকাতা থেকে কবিতা (১৯৩৫-১৯৬০) পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য কর্ম। 
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ।
- পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।

সেসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:

কবিতা

- বন্দীর বন্দনা (১৯৩০)
- কঙ্কাবতী (১৯৩৭)
- দ্রৌপদীর শাড়ী (১৯৪৮)
- শীতের প্রার্থনা: বসন্তের উত্তর (১৯৫৫)
- যে আঁধার আলোর অধিক (১৯৫৮)

উপন্যাস
- সাড়া (১৯৩০)
- সানন্দা (১৯৩৩) 
- লাল মেঘ (১৯৩৪)
- পরিক্রমা ( ১৯৩৮) 
- তিথিডোর (১৯৪৮)
- রাতভর বৃষ্টি (১৯৬৭)
- পাতাল থেকে আলাপ (১৯৬৭)
- গোলাপ কেন কালো (১৯৬৮)

গল্পগ্রন্থ  

- অভিনয়, অভিনয় নয় (১৯৩০)
- রেখাচিত্র (১৯৩১)
- ভাসো আমার ভেলা (১৯৬৩)

নাটক

- তপস্বী ও তরঙ্গিণী (১৯৬৬)
- কলকাতার ইলেকট্রা ও সত্যসন্ধ (১৯৬৮)

প্রবন্ধ

- কালের পুতুল (১৯৪৬)
- সাহিত্যচর্চা (১৯৫৪)
- রবীন্দ্রনাথ: কথাসাহিত্য (১৯৫৫)
- স্বদেশ ও সংস্কৃতি (১৯৫৭)

ভ্রমণ ও স্মৃতিকথা

-  হঠাৎ আলোর ঝলকানি (১৯৩৫)
- সব-পেয়েছির দেশে (১৯৪১)
- জাপানি জার্নাল (১৯৬২)
- দেশান্তর (১৯৬৬)
- আমার ছেলেবেলা (১৯৭৩)
- আমার যৌবন (১৯৭৬)

অনুবাদ

- কালিদাসের মেঘদূত (১৯৫৭)
- শার্ল বোদলেয়ার: তাঁর কবিতা (১৯৬০)
- রাইনের মারিয়া রিলকের কবিতা (১৯৭০) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
"সতত হে নদ তুমি পড় মোর মনে!" পঙক্তিটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. ক) কপোতাক্ষ নদ
  2. খ) চতুর্দশপদী কবিতাবলী
  3. গ) মেঘনাদবধ কাব্য
  4. ঘ) বঙ্গবাণী
ব্যাখ্যা
"সতত হে নদ তুমি পড় মোর মনে!
সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে;"
- পঙক্তিদ্বয় মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' কাব্যগ্রন্থের 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার অন্তর্গত। 

- এ কবিতায় কবির স্মৃতিকাতরতার আবরণে তাঁর অত্যুজ্জ্বল দেশপ্রেম প্রকাশিত হয়েছে। 
- 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতাটি রচনাকালে তিনি ফ্রান্সে অবস্থান করছিলেন।

উৎস:  মাধ্যমিক বাংলা সাহিত্য (২০২০ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
Timothy Penpoem ছদ্মনামে মাইকেল মধুসূদন দত্তের কোন গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়?
  1. ক) The Captive Ladie
  2. খ) Visions of the Past
  3. গ) ব্রজাঙ্গনা
  4. ঘ) কৃষ্ণকুমারী
ব্যাখ্যা
মাদ্রাজে অবস্থানকালে Timothy Penpoem ছদ্মনামে মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্যগ্রন্থ The Captive Ladie (১৮৪৮) এবং দ্বিতীয় গ্রন্থ Visions of the Past প্রকাশিত হয়। 

মহাকবি, নাট্যকার, মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪-১৮৭৩) বাংলাভাষার সনেট প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
- ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে, এক জমিদার বংশে তাঁর জন্ম।
- ১৮৪৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তিনি খ্রিষ্ট ধর্ম গ্রহণ করেন এবং তখন থেকে তাঁর নামের পূর্বে ‘মাইকেল’ শব্দটি যুক্ত হয়। 
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক নাটক ‘শর্মিষ্ঠা' তিনি রচনা করেন ।
- তার সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রামায়ণের উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত মেঘনাদবধ কাব্য নামক মহাকাব্য।

তাঁর রচিত নাটক ও প্রহসন
- শর্মিষ্ঠা নাটক (১৮৫৯)
- একেই কি বলে সভ্যতা? (১৮৬০)
- বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ (১৮৬০)
- পদ্মাবতী নাটক (১৮৬০)
- কৃষ্ণকুমারী নাটক (১৮৬১)
- মায়া-কানন (১৮৭৪)

তাঁর রচিত কাব্য
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য (১৮৬০)
- মেঘনাদবধ কাব্য (১৮৬১)
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য (১৮৬১)
- বীরাঙ্গনা কাব্য (১৮৬২)
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী (১৮৬৫)

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।