সিসমিক রিস্ক জোন:
- সিসমিক রিস্ক জোন এমন অঞ্চলকে নির্দেশ করে যেখানে ভূমিকম্প ঘটার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
- এই এলাকা ভূগর্ভস্থ টেকটোনিক প্লেটের সঞ্চালন বা সংঘর্ষজনিত কারণে ভূমিকম্পের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
- সর্বশেষ ২০২০ সালে প্রকাশিত রির্পোটে সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে।
অঞ্চলগুলো হলো:
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.36
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.28
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.20
৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.12
উৎস: বাংলাদেশ-জাতীয়-বিল্ডিং-কোড ওয়েবসাইট।