পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, টিস্যু, জেনেটিকস, জীববৈচিত্র্য, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, প্রাণিজগৎ। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
কোন ধরনের টিস্যু থেকে মধু নিঃসৃত হতে পারে?
  1. ক) তরুক্ষীর টিস্যু
  2. খ) গ্রন্থি টিস্যু
  3. গ) জাইলেম টিস্যু
  4. ঘ) আবরণী টিস্যু
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রন্থি টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রন্থি টিস্যু
ব্যাখ্যা
গ্রন্থি টিস্যু- এক বা একাধিক কোষের সমন্বয়ে গঠিত টিস্যু থেকে যখন কোন পদার্থ নিঃসৃত হয় তখন তাকে গ্রন্থি টিস্যু বলা হয়। এ টিস্যুর কোষগুলো সজীব। এদের কোষে সাধারণত কোন গহ্বর থাকে না। এসব কোষ থেকে মধু, এনজাইম, রেজিন, ট্যানিন, গঁদ, মিউসিলেজ, তেল, পানি ইত্যাদি নিঃসৃত হয়।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
কোনটি তরল যোজক টিস্যুর উদাহরণ?
  1. ক) রক্ত
  2. খ) হরমোন
  3. গ) রেজিন
  4. ঘ) মিউসিলেজ
সঠিক উত্তর:
ক) রক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রক্ত
ব্যাখ্যা
তরল যোজক টিস্যু : তরল যোজক টিস্যুর মাতৃকা তরল। মাতৃকায় বিভিন্ন ধরনের জৈব পদার্থ কলয়েড এবং দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।

কাজ : তরল যোজক টিস্যুর প্রধান কাজ দেহের ভেতরে বিভিন্ন দ্রব্যাদি পরিবহন করা, রোগ প্রতিরোধ এবং রক্ত জমাট বাঁধায় বিশেষ ভূমিকা রাখা।

প্রকারভেদ- এরা দু’প্রকারের হয়। যথা- ১. রক্ত এবং ২. লসিকা।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
জেনেটিক ডিজঅর্ডার- এর ফলে মানব দেহে কোন ধরনের রোগ দেখা দেয়?
  1. ক) বর্ণান্ধতা
  2. খ) থ্যালাসেমিয়া
  3. গ) ডাউন সিনড্রোম
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
জেনেটিক ডিসওর্ডার : বংশগতির অনিয়মের কারণে মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটে যা উদ্বেগের বিষয়। বংশগতির এ অনিয়মকে বলা হয় জেনেটিক ডিসওর্ডার।
ইহা এক প্রকার অস্বাভাবিকতা। এর ফলে মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের রোগ দেখা দেয়।
যেমন- বর্ণান্ধতা, থ্যালাসেমিয়া, ডাউন সিন্ড্রোম, পাটাও সিন্ড্রোম, এডওয়ার্ড সিন্ড্রোম, ক্লাইনফেল্টার ও ডাবল ওয়াই সিন্ড্রোম, ট্রিপলো-এক্স সিন্ড্রোম, টার্নার সিন্ড্রোম, হানটিংটন’স সিন্ড্রোম, সিকিল সেল (রক্তশূন্যতা) ইত্যাদি।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে-
  1. ক) জীবের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন আনা সম্ভব
  2. খ) জীবের ডিএনএতে গাঠনিক পরিবর্তন আনা সম্ভব
  3. গ) জিন ক্লোনিং করা সম্ভব
  4. ঘ) সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
রিকম্বিনেন্ট DNA টেকনোলজি : অধিকাংশ জীবের জেনেটিক উপাদান হলো DNA। বিভিন্ন ধরনের এনজাইম, প্রোটিন এবং RNA অণুর সংম্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যকরী তথ্য DNA অণুতেই সন্নিবেশিত থাকে।
মানব কল্যাণে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে কোন জীবের DNA এর পরিবর্তন করে নতুন প্রকৃতির DNA সমন্বয় করার কৌশল ইতিমধ্যে সফলতার সাথে প্রয়োগ করা সম্ভব হয়েছে। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং পদ্ধতির দ্বারা জীবের বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রকার প্রত্যাশিত পরিবর্তন আনা সম্ভব।
যে টেকনোলজির মাধ্যমে কোন জীবের DNA তে প্রত্যাশিত গাঠনিক পরিবর্তন আনা যায় (রিকম্বিনেন্ট DNA তৈরির মাধ্যমে) সে টেকনোলজি বা পদ্ধতিকে রিকম্বিনেন্ট DNA টেকনোলজি বলে। একই জিনের (DNA অণু) অসংখ্য কপি তৈরি হওয়াকে জিন ক্লোনিং বলা হয়।
জিন ক্লোনিং রিকম্বিনেন্ট DNA টেকনোলজির সাহায্যে ঘটানো হয়।

সূত্রঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পরিবেশ থেকে হঠাৎ কোন প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গেলে কি ঘটবে?
  1. ক) প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিবে
  2. খ) বাস্তুতন্ত্র স্থিতিশীল হবে
  3. গ) বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হবে
  4. ঘ) বাস্তুতন্ত্রের কোন পরিবর্তন হবে না
সঠিক উত্তর:
গ) বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হবে
ব্যাখ্যা
মানুষের বসতবাড়িতে বসবাসকারী একজোড়া ইঁদুর বিনা বাঁধায় বংশ বিস্তার করলে বছর শেষে ইঁদুরের সংখ্যা দাড়াবে ৮৮০টিতে।
কিন্তু একটি পেঁচা দিনে কমপক্ষে তিনটি ইঁদুর খেয়ে হজম করতে পারে। চিল, কাক ও শকুন ময়লা পরিস্কারক হিসেবে কাজ করে। আর তা না হলে পৃথিবীতে রোগ জীবাণুর বিস্তার অনেকগুণ বেড়ে যেত।
এ সকল কারণে কোনও জীবকেই অপ্রয়োজনীয় বলা যায় না। পরিবেশ থেকে কোনও প্রজাতি বিলুপ্ত হলে বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়। তাই বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা রক্ষায় জীববৈচিত্র্যের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়ার উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) মিউচুয়ালিজম
  2. খ) কমেনসেলিজম
  3. গ) শোষণ
  4. ঘ) মিউচুয়ালিজম ও কমেনসেলিজম
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিউচুয়ালিজম ও কমেনসেলিজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিউচুয়ালিজম ও কমেনসেলিজম
ব্যাখ্যা

ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়া : যে আন্তঃসম্পর্কে দুটি জীবের একটি অন্যটিকে সহায়তা করে তাকে ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়া বলে।
ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়ায় সহযোগীদ্বয়ের যে কোনো একটি বা উভয়েই উপকৃত হতে পারে। ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়াকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়।
যেমন-

মিউচুয়ালিজম- যে আন্তঃসম্পর্কে দুটি সহযোগীর উভয়ই একে অন্যের দ্বারা উপকৃত হয় তাকে মিউচুয়ালিজম বলে।
উদাহরণ স্বরূপ মৌমাছি, প্রজাপতি ফুলের মধু আহরণের জন্য ফুলে ফুলে উড়ে বেড়ায় এবং বিনিময়ে ফুলের পরাগায়ন ঘটে। বাঁদুড় ফল খেয়ে বাঁচে এবং মল ত্যাগের সাথে ফলের বীজও ত্যাগ করে। এভাবে বীজের স্থানান্তর হয় এবং উদ্ভিদের বিস্তার ঘটে।

কমেনসেলিজম- যে আন্তঃসম্পর্কে দুটি সহযোগীর একজন উপকৃত হয় কিন্তু আরেক জন উপকৃত না হলেও অপকৃত হয় না তাকে কমেনসেলিজম বলা হয়। যেমন- কাষ্ঠল লতা খাদ্যের জন্য আশ্রয় দানকারী উদ্ভিদের উপর নির্ভর করে না এবং এরা আশ্রয়দাতার কোনো ক্ষতিসাধনও করে না। কিছু শৈবাল অন্য উদ্ভিদের মধ্যে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করে কিন্তু আশ্রয়দাতার কোন ক্ষতি করে না। কাঠ বিড়ালী গাছের ডালে ডালে থাকে কিন্তু গাছের কোন ক্ষতি করে না।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের জন্য কোন গ্যাস দায়ী?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) কার্বন ডাই অক্সাইড
  4. ঘ) ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন ডাই অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন ডাই অক্সাইড
ব্যাখ্যা

গ্রীনহাউজ গ্যাস (CO2, CO, CH4, N2O ইত্যাদি) বৃদ্ধি পাবার ফলে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বেড়ে যায় যাকে গ্রীন হাউজ ইফেক্ট বলা হয়। গ্রীন হাউজ ইফেক্টের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চল। এছাড়া সমুদ্রের উচ্চতা বেড়ে যাবে, ঝড় ও জ্বলোচ্ছ্বাস এর তীব্রতা বেড়ে যাবে, বনাঞ্চল ধ্বংস হবে। সামগ্রিকভাবে জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

 
.
কোন একটি বা বিশেষ কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে উদ্ভিদজগতের যে শ্রেণিবিন্যাস করা হয় তাকে কী বলে?
  1. ক) প্রাকৃতিক শ্রেণীবিন্যাস
  2. খ) কৃত্রিম শ্রেণীবিন্যাস
  3. গ) জাতিজনি শ্রেণীবিন্যাস
  4. ঘ) আধুনিক শ্রেণীবিন্যাস
সঠিক উত্তর:
খ) কৃত্রিম শ্রেণীবিন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কৃত্রিম শ্রেণীবিন্যাস
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি : কোন একটি বা বিশেষ কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে উদ্ভিদজগতের যে শ্রেণিবিন্যাস করা হয় তাকে কৃত্রিম শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি বলা হয়। থিয়োফ্রাস্টাস এবং লিনিয়াসের শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি কৃত্রিম শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতির উদাহরণ।

প্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি : বিভিন্ন উদ্ভিদ বা উদ্ভিদ গোষ্ঠীর মধ্যে সামগ্রিক অঙ্গসংস্থানিক সাদৃশ্যের উপর নির্ভর করে যে শ্রেণিবিন্যাস করা হয় তাকে প্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি বলা হয়। বেনথাম-হুকার এর শ্রেণিবিন্যাস প্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতির উদাহরণ।

জাতিজনি শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি : বিভিন্ন উদ্ভিদ বা উদ্ভিদ গোষ্ঠীকে তাদের উৎপত্তিগত সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে বিবর্তন ধারা অনুযায়ী আদি হতে আধুনিক ক্রমধারায় সাজিয়ে যে শ্রেণিবিন্যাস করা হয় তাকে জাতিজনি শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি বলা হয়। এঙ্গলার-প্রান্টল, হাচিনসন, বেসি, ক্রনকুইস্ট, তাখতাইয়ান প্রমুখ বিজ্ঞানীর দেয়া শ্রেণিবিন্যাস জাতিজনি শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতির উদাহরণ।

আধুনিক শ্রেণিবিন্যাস ঃ কোষ, এমনকি এর অঙ্গাণুর গঠন ও জীববিজ্ঞানের অন্যান্য শাখার আধুনিক তথ্য ব্যবহার করে তৈরি শ্রেণিবিন্যাসকেই আধুনিক শ্রেণিবিন্যাস বলে। মারগুলিস এর শ্রেণিবিন্যাসটি একটি আধুনিক শ্রেণিবিন্যাস।

সূত্রঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার জনক কে?
  1. ক) জোহান মেন্ডেল
  2. খ) থিওফ্রাস্টাস
  3. গ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
  4. ঘ) এরিস্টটল
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা
প্রাণীজগতের শ্রেণিকরণের ভিত্তি (Base of animal classification)ঃ
যেকোনো প্রাণী সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করতে হলে সর্বপ্রথম প্রয়োজন তার শনাক্তকরণ। আর এ কাজটি সুচারুভাবে সম্পন্ন করার অন্যতম মাধ্যম হলো শ্রেণিকরণ (classification)।
প্রাণিবিজ্ঞান চর্চার শুরু থেকেই অনেক বিজ্ঞানী প্রাণিদের শ্রেণিবদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন। তারমধ্যে অন্যতম ছিলেন সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস (১৭০৭-১৭৭৮)। এজন্য তাকে আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার জনক (Father of taxonomy) বলা হয়।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
ভ্রূণীয় স্তরের উপর ভিত্তি করে প্রাণীজগতকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
গ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪
ব্যাখ্যা
ভ্রূণীয় স্তর-ভ্রূণীয় স্তরের উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

ক. একস্তরী- এরা সরল ধরনের প্রাাণী। এদের দেহের কোষসমূহ একটি মাত্র স্তরে সজ্জিত। যেমন- স্কাইফা (Scypha gilatinosum)

খ. দ্বিস্তরী- যে সকল প্রাণীর ভ্রƒণের কোষগুলো বহিঃস্তর (Ectoderm) ও অন্তঃস্তর (Endoderm) নামক দুটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলে। যেমন- অরেলিয়া (Aurelia aurita)।

গ. ত্রিস্তরী- যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর, মধ্যস্তর (গবংড়ফবৎস) ও অন্তঃস্তর নামক তিনটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে ত্রিস্তরী প্রাণী বলে। যেমন- মানুষ (Homo sapiens)।

ঘ. স্তরবিহীন প্রাণী- যে সকল প্রাণীর দেহ একটিমাত্র কোষ দিয়ে গঠিত তাদেরকে স্তরবিহীন প্রাণী বলে। যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus)।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
নিচের কোনটি প্রাণী শ্রেণীবিন্যাসের ধাপ নয়?
  1. ক) শ্রেণি
  2. খ) গোত্র
  3. গ) দল
  4. ঘ) প্রজাতি
সঠিক উত্তর:
গ) দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দল
ব্যাখ্যা
বর্তমানে প্রাণী শ্রেণিবিন্যাসে সাতটি ধাপ ব্যবহার করা হয়। যথা-
1. Kingdom (রাজ্য)
2. Phylum (পর্ব)
3. Class (শ্রেণি)
4. Order (বর্গ)
5. Family (গোত্র)
6. Genus (গণ)
7. Species (প্রজাতি)

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
আমের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
  1. ক) Copsychus saularis
  2. খ) Mangifera indica
  3. গ) Solanum tuberosum
  4. ঘ) Panthera tigris
সঠিক উত্তর:
খ) Mangifera indica
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Mangifera indica
ব্যাখ্যা
Mangifera indica L. (আম),
Persicaria eciliata Hassan (বিষ কাটালী),
Copsychus saularis L. (দোয়েল),
Tenualosa ilisha Hamilton (ইলিশ),
Panthera tigris L. (বাঘ),
Solanum tuberosum L. (আলু)।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
সরীসৃপ প্রাণীর বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ক) ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়
  2. খ) দেহত্বক সাধারণত আঁশবিহীন
  3. গ) শীতল রক্ত বিশিষ্ট প্রাণী
  4. ঘ) বায়ুথলি উপস্থিত
সঠিক উত্তর:
গ) শীতল রক্ত বিশিষ্ট প্রাণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শীতল রক্ত বিশিষ্ট প্রাণী
ব্যাখ্যা

মেরুদন্ডী প্রাণিদের মধ্যে সরীসৃপই প্রথম পূর্ণ বিকশিত স্থলচর প্রাণি। শুষ্কতা, পানি ধরে রাখা, স্থলে বিচরণ, রক্তসংবহনজনিত সমস্ত বাঁধা অতিক্রম করে সরীসৃপরা পৃথিবীর সব জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।
এদের প্রজাতির সংখ্যা ৯,৮৩১টি।

বৈশিষ্ট্য-
১। শীতল রক্তবিশিষ্ট স্থলচর প্রাণী, এরা বুকে ভর দিয়ে চলে।
২। সরীসৃপের দেহ শুষ্ক ও এপিডার্মিস উদ্ভূত আঁইশে আবৃত।
৩। হৃদপিন্ড অসম্পূর্ণভাবে চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট।
৪। সরীসৃপের ডিম চামড়ার মতো বা চুনময় খোলকে আবৃত থাকে।
৫। নিষেক অভ্যন্তরীণ, লার্ভা দশা নেই।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।