পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৩৪
সিলেবাস
পার্ট-১) প্রাচীন সভ্যতাসমূহ, সাম্রাজ্যসমূহ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী (যুদ্ধ ও বিপ্লব ইত্যাদি), ধর্মসমূহের ইতিহাস এবং ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ [শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পড়ুন। এই টপিক সারাজীবন পড়েও শেষ হবে না। তাই শুধু বেসিক তথ্যগুলো পড়ুন] পার্ট-২) English Literature: Topics 1. Literary Terms: With Genres [Poetry, Drama, Fiction, Non-fiction, Criticism] 2. Literary Terms: (Mix) 3. Famous Quotation and Characters (All Ages). পার্ট–১ সোর্স: যেকোনো গাইড বই এবং বোর্ড বইগুলোই যথেষ্ট। পার্ট–২ সোর্স: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ইংরেজি সাহিত্যের উপর যেকোনো স্কলারের লেখা বই (যেমন - ইংরাজি সাহিত্যের ইতিহাস: শীতল ঘোষ), যেকোনো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৪ প্রশ্ন

.
'The Republic' গন্থের লেখক কে?
  1. ক) আলেকজেন্ডার
  2. খ) সক্রেটিস
  3. গ) এরিস্টটল
  4. ঘ) প্লেটো
ব্যাখ্যা
প্লেটো (খ্রিস্টপূর্ব ৪২৭-খ্রিস্টপূর্ব ৩৪৭)
- প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক
- তার শিক্ষক ছিলেন- সক্রেটিস
- প্লেটোর গ্রন্থ 'The Republic' 

তাঁর লেখা অন্যান্য উল্লেখযোগ্য বইসমূহ-
- Symposium
- Apologia Socrates
- Allegory of the Cave
- The Laws (348 BCE)
- Plato: Complete Works ইত্যাদি।

তার বিখ্যাত উক্তি--
“মূর্খতার চেয়ে বড় পাপ আর নাই”
“জ্ঞানীরা কিছু বলার থাকলে কথা বলে আর নির্বোধরা কিছু বলার জন্য বলে”
“মানুষ হচ্ছে তিন শ্রেনীর- জ্ঞানের অনুরাগী, সম্মানের অনুরাগী এবং লাভবান
হওয়ার অনুরাগী”
‘মন যখন চিন্তা করে তখন নিজের সাথে কথা বলে।’
“অজ্ঞ থাকার চেয়ে না জন্মানোই ভালো কারণ অজ্ঞতা সব দূর্ভাগ্যের প্রধান
কারণ”

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন-
  1. ক) জন এফ কেনেডি
  2. খ) ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  3. গ) বিল ক্লিনটন
  4. ঘ) থিওডর রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট (১৮৮২ - ১৯৪৫)

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১২ বছর (১৯৩৩ - ১৯৪৫) ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি ৪ মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।
- ১৯৩২ সালের নভেম্বরে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ১৯৩৩ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেট তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে ‘নিউ ডিল' (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।
- নিউ ডিল (New Deal) ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।
- তার সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমনের (৭ ডিসেম্বর ১৯৪১) প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ‘সৎ প্রতিবেশি নীতির প্রবক্তা।
- ১৯৩০-৪০ এর সময়ে লাতিন আমেরিকান দেশগুলোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণে রুজভেল্ট পূর্বেকার হস্তক্ষেপ নীতির বিপরীতে এই নীতি প্রবর্তন করেন।
১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনেই হবু সংগঠনের নাম প্রথমবারের মতো “জাতিসংঘ (United Nations)” এই নামটি ব্যবহার করা হয় এবং ফ্রাঙ্কলিন ডি - রুজভেল্ট এই নামকরণ করেন।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
.
খ্রিস্টানদের উপাসনালয়ের নাম-
  1. ক) মঠ
  2. খ) মন্দির
  3. গ) গির্জা
  4. ঘ) সিনাগগ
ব্যাখ্যা
খ্রিস্টধর্ম: 
- এটি যীশু খ্রিস্টের জীবন ও শিক্ষার উপর ভিত্তি করে একটি বিশ্বাস।
যীশুর জীবন ও শিক্ষাকে কেন্দ্র করে এই ধর্ম বিকশিত হয়েছে।
- প্রচারক- যিশু খ্রিস্ট।
- জেরুজালেমের বেথেলহামে যীশু জন্মগ্রহণ করেন।
- খ্রিস্টধর্মের অনুসারীদের ধর্মগ্রন্থ - বাইবেল। এটি দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত: ওল্ড টেস্টামেন্ট ও নিউ টেস্টামেন্ট ।
- খ্রিস্টানরা একেশ্বরবাদী। এই ঐশ্বরিক ঈশ্বরত্ব তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত: পিতা (স্বয়ং ঈশ্বর), পুত্র (যীশু খ্রীষ্ট) এবং পবিত্র আত্মা।
- খ্রিস্টানরা দাবি করে যে যীশু আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন যা দ্বিতীয় আগমন নামে পরিচিত।
- উপাসনালয়- গির্জা
- পবিত্র স্থান - জেরুজালেম

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
.
মেসোপটেমীয়া অঞ্চলের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা কোনটি?
  1. ক) ব্যবিলনীয়
  2. খ) সুমেরীয়
  3. গ) অ্যাসিরীয়
  4. ঘ) ক্যালডীয়
ব্যাখ্যা
সুমেরীয় সভ্যতা ( Sumerian Civilization)
- মেসোপটেমীয়া অঞ্চলে সবচেয়ে প্রাচীন যে সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল, তার নাম সুমেরীয় সভ্যতা।
- বর্তমানে ইরাকের টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস (তৎকালীন দজলা ও ফোরাত) নদীর মধ্যবর্তী উর্বর স্থানে সুমেরীয় সভ্যতার গোড়াপত্তন ঘটে।
- ‘চাকা’ আবিষ্কার – সুমেরীয়রা প্রথম চাকার ব্যবহার শুরু করে।
- তাদের কৃষকরা প্রথম দুই চাকা বিশিষ্ট 'রথ' (Chariot) ব্যবহার শুরু করেছিল।
- উন্নত সেচ ব্যবস্থা – টাইগ্রিস ও ইউফ্রিটিস নদীর পানি ব্যবহার করে কৃষির উন্নতির জন্য তারা উন্নত সেচ ব্যবস্থার উদ্ভাবন করেছিলো ।
- লিখন-পদ্ধতির আবিষ্কার - সুমেরীয়দের আবিষ্কৃত লিখন পদ্ধতির নাম “কিউনিফর্ম” (Cuneiform)।
- কিউনিফর্ম লিপি বাম থেকে ডানদিকে লেখাঁ হত এবং এর বর্ণের সংখ্যা ছিলো ৩২টি।
- তারা বিশ্বের প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন।
- জলঘড়ি ও চন্দ্রপঞ্জিকা আবিষ্কারেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন সুমেরীয়রা।
- সুমেরীয়রা বহু ঈশ্বরবাদে বিশ্বাসী ছিল। তাদের অনেক দেবতা ছিল। প্রধান দবতা ‘নাগাল’।
- ২২৩৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে লুগালজাগেসি (King Lugalzagesi) আক্কাডীয়ান রাজা ‘সারগন’ এর নিকট পরাজিত হলে সুমেরীয় সাম্রাজ্যের অবসান হয়। 

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
.
আব্রাহাম লিংকন দাস প্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন-
  1. ক) ১৮৬২ সালে
  2. খ) ১৮৬৩ সালে
  3. গ) ১৮৬৪ সালে
  4. ঘ) ১৮৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম লিংকন (১৮০৯ - ১৮৬৫):
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট।
- ১৮৬১ সালের ৪ মার্চ থেকে ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- গেটিসবার্গের ভাষণ (Gettysburg Address) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর ভাষণটি দিতে তাঁর লেগেছিল তিন মিনিটেরও কম সময়।
- ১৮৬২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর আব্রাহাম লিংকন দাস প্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন।
- এ লক্ষে ১ জানুয়ারি ১৮৬৩ তিনি Emancipation Proclamation এ স্বাক্ষর করেন।
- পরবর্তীতে সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী কার্যকরের মাধ্যমে ১৮৬৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর সাংবিধানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাস প্রথা নিষিদ্ধ হয়।
- ১৮৬১ সাল থেকে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কনফেডারেট ও ইউনিয়নিস্টদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয় যা মার্কিন গৃহযুদ্ধ নামে পরিচিত। তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন আব্রাহাম লিংকন।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
.
কারা সর্বপ্রথম পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেন?
  1. ক) ক্যালডীয়রা
  2. খ) অ্যাশেরীয়রা
  3. গ) ব্যাবিলনীয়রা
  4. ঘ) সুমেরীয়রা
ব্যাখ্যা
অ্যাশেরীয় সভ্যতা:
প্রাচীন মেসোপটেমীয় অঞ্চলে বেশ কয়েকটি নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটে যার একটি হলো অ্যাশেরীয় সভ্যতা।

অ্যাশেরীয় সভ্যতার অবদান:
- বিজ্ঞান ও জ্যোতিশাস্ত্রে অ্যাশেরীয়রা অতুলনীয় অবদান রাখেন যা বর্তমান সময়েও কাজে লাগে৷
- অ্যাশেরীয়রা বৃত্তকে ৩৬০ ডিগ্রী কোণে ভাগ করে।
তারা সর্বপ্রথম পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেন।
- জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসারের জন্য তারা মেসোপটেমিয়ায় সর্বপ্রথম লাইব্রেরি স্থাপন করেন যা বর্তমানে ইরাকের ‘নিনেভাহ' -তে অবস্থিত। - এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম লাইব্রেরী হিসাবে পরিচিত যা মিশরের আলেক্সান্দ্রিয়া লাইব্রেরী থেকেও কয়েকশ বছরের পুরনো।
- ৬২৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ব্যবিলন হাতছাড়া হওয়ার মাধ্যমে ক্যালেডীয়দের কাছে অ্যাশেরীয় সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয় এবং ৬১৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে নেবুচাঁদনেজারের হাতে পূর্ণাঙ্গরূপে পতন ঘটে।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
.
৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারক-
  1. ক) সুমেরীয়রা
  2. খ) অ্যাশেরীয়রা
  3. গ) মিশরীয়রা
  4. ঘ) ক্যালডীয়রা
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারক মিশরীয়রা।


এছাড়াও সভ্যতায় মিশরীয়দের গুরুত্বপূর্ণ অবদান। যেমন: 
- মিশরীয় সভ্যতা ছিল কৃষিনির্ভর। সে কারণে নীল নদের প্লাবন, নাব্যতা, পানি প্রবাহের মাপ জোয়ার-ভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। এসবের সঙ্গে জ্যোতিষশাস্ত্র ও অংক শাস্ত্রের ছিল গভীর যোগাযোগ। ফলে এ দুটি বিদ্যা তারা আয়ত্ত করেছিল প্রয়োজনের তাগিদে।
- তারা অংক শাস্ত্রের দুটি শাখ- জ্যামিতি এবং পাটিগণিতেরও প্রচলন করে।
- মিশরীয় সভ্যতার মানুষ যোগ, বিয়োগ ও ভাগের ব্যবহার জানত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে তারা পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে।
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্য ঘড়ি, ছায়াঘড়ি, জলঘড়ি আবিষ্কার করে।
- ধর্মের কারণে মিশরীয়রা বিজ্ঞানচর্চায় আগ্রহী ছিল।
- চিকিৎসাশাস্ত্রেও প্রাচীন মিশরীয়রা বিশেষ অগ্রগতি লাভ করেছিল। তারা চোখ, দাঁত, পেটের রোগ নির্ণয় করতে জানত।
- অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চিকিৎসা করার বিদ্যাও তাদের জানা ছিল।
- তারা হাড় জোড়া লাগানো, হৃৎপিন্ডের গতি এবং নাড়ির স্পন্দন নির্ণয় করতে পারত।
- চিকিৎসা শাস্ত্রে মিশরীয়রাই সর্বপ্রথম ‘মেটেরিয়া মেডিকা’ বা ঔষুধের তালিকা প্রণয়নে সক্ষম হয়।
- মিশরীয়দের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাস্কর্য হচ্ছে গির্জার - অতুলনীয় স্ফিংকস। স্ফিংকস হচ্ছে এমন একটি মূর্তি, যার দেহটা সিংহের মতো, কিন্তু মুখ মানুষের।
- মিশরের সবচেয়ে বড় পিরামিডটি হচ্ছে - ফারাও খুফুর পিরামিড।
- তাদের প্রিয় রং ছিল - সাদাকালো। 
- মিশরের নীল নদের উৎপত্তি-  আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া থেকে।
-‘মিশর নীল নদের দান’ বলেছেন - ইতিহাসের জনক ‘হেরোডোটাস’।
-  নিজেদেরকে সূর্য দেবতার বংশধর মনে করতেন - মিশরীয়রা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
মহাবীর আলেকজান্ডারের শিক্ষক ছিলেন-
  1. ক) এরিস্টটল
  2. খ) প্লেটো
  3. গ) সক্রেটিস
  4. ঘ) হোমার
ব্যাখ্যা
এরিস্টটল (খ্রিস্টপূর্ব ৩৮৪- খ্রিস্টপূর্ব ৩২২):

- বিশ্ববিখ্যাত দার্শনিক এরিস্টটল গ্রীসের অন্তর্গত চালকিডিসের স্ট্যাগিরা নগরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৮ বৎসর বয়সে এথেন্সে আসেন এবং প্লেটোর একাডেমিতে ভর্তি হন।
- তিনি দীর্ঘকাল গুরু প্লেটোর সাহচর্যে জ্ঞানচর্চা করেন এবং দর্শন শাস্ত্রে প্রভূত জ্ঞান লাভ করেন।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৪৩ থেকে ৩৪০ অব্দ পর্যন্ত তিনি মহাবীর আলেকজেন্ডারের শিক্ষকতা করেন।

এরিস্টটলের প্রতিষ্ঠান:
খ্রিস্টপূর্ব ৩৩৪ অব্দে তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান 'লাইসিয়াম' (Lyceum) গড়ে তুলেন।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক এরিস্টটলের নীতিশাস্ত্রের উপর লেখা বিখ্যাত গ্রন্থ
Nicomachean Ethics 
এছাড়া তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থসমূহ হল-Eudemian Ethics, Politics, Poetics, On the Soul, Metaphysics, 

বিখ্যাত উক্তি
এরিস্টটলের বিখ্যাত উক্তিগুলো হচ্ছে-
- “মানুষ সামাজিক ও রাজনৈতিক জীব”।
- “ইতিহাস হচ্ছে অভিজাত শ্রেণীর সমাধিক্ষেত্র”।
- “আইন হলো পক্ষপাতহীন যুক্তি”।
- “রাষ্ট্র হলো পরিবারের সম্প্রসারিত ফল”।
- “মানুষ প্রকৃতিগতভাবেই রাজনীতির কবি”।
- “বল, শক্তি এবং লোভ-লালসার মানুষের মধ্যে জন্মগতভাবে অসমভাবে বন্টিত”।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩২২ অব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
.
বর্তমান ইরান প্রাচীন কোন সাম্রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত ছিল?
  1. ক) পারস্য
  2. খ) গ্রীক
  3. গ) ইনকা
  4. ঘ) ফিনিশীয়
ব্যাখ্যা
পারস্য সাম্রাজ্য (Persian Empire)
- এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সাম্রাজ্য হচ্ছে - পারস্য সাম্রাজ্য।
- বর্তমান ইরানকে কেন্দ্র করে পারস্য সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছিল
- খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে গড়ে উঠা এই সাম্রাজ্য তার আশেপাশের রাজ্য - যেমন: ব্যাবিলন, মিশর, বলকান অঞ্চল, ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী   অনেক অঞ্চল, ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখল করে এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল।
- লৌহ যুগে গড়ে উঠা এই সাম্রাজ্য “আকাইমেনিড সাম্রাজ্য” (Achaemenid Empire) নামেও পরিচিত।
- পার্সিয়ানরা সর্বপ্রথম এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের মধ্যে যোগাযোগের রুট তৈরি করেন।
- তারাই সর্বপ্রথম ডাক ব্যবস্থার প্রচলন করেছিলেন।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৩০ অব্দে পারস্য গ্রীক বীর আলেকজেন্ডার দ্যা গ্রেটের হাতে পারস্য সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
১০.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেস্ট ১২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন?
  1. ক) আব্রাহাম লিংকন
  2. খ) জন এফ কেনেডি
  3. গ) ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  4. ঘ) থিওডর রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট (১৮৮২ - ১৯৪৫):
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১২ বছর (১৯৩৩ - ১৯৪৫) ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি ৪ মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছেন।
- ১৯৩২ সালের নভেম্বরে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ১৯৩৩ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেট তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে ‘নিউ ডিল' (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।
- নিউ ডিল (New Deal) ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।
- তার সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমনের (৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১) প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ‘সৎ প্রতিবেশি নীতির প্রবক্তা।
- ১৯৩০-৪০ এর সময়ে লাতিন আমেরিকান দেশগুলোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণে রুজভেল্ট পূর্বেকার হস্তক্ষেপ নীতির বিপরীতে এই নীতি প্রবর্তন করেন।
- ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনেই হবু সংগঠনের নাম প্রথমবারের মতো - “জাতিসংঘ (United Nations)” এই নামটি ব্যবহার করা হয় এবং ফ্রাঙ্কলিন ডি. - রুজভেল্ট এই নামকরণ করেন।
 
তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
১১.
মাদিবা কার ডাকনাম?
  1. ক) নেলসন ম্যান্ডেলা
  2. খ) মাহাত্মা গান্ধী
  3. গ) মার্টিন লুথার কিং
  4. ঘ) রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela):
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম - ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মভেজোতে।
- তিনি ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। 
- ১৯৬০ সালে শ্বেতাঙ্গ নিয়ন্ত্রিত সরকার ANC এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে।
- ১৯৬২ সালে “Spear of the Nation” (ANC সদস্যদের নিয়ে গেরিলা আক্রমন শুরু করেন।
 - ম্যান্ডেলাকে “রোবেন দ্বীপ”– এর কারাগারে ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত অন্তরীণ রাখা হয়।
- পরবর্তীতে দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের আন্দোলন তীব্র হলে ১৯৮৯ সালে শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট এফ. ডি ক্লার্ক ম্যান্ডেলাকে মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা দেন।
- ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের পর তিনি মুক্তি পান।
- ১৯৯৯ সালে তিনি স্বেচ্ছায় রাজনীতি থেকে অবসরে যান ।
- তিনি কারাগারে থাকার সময় তার কয়েদী নম্বর ছিলো - ৪৬৬ এবং কারাদন্ডের সাল মিলিয়ে ‘৪৬৬৬৪’ গঠন করা হয় যা মেন্ডেলার এইডস বিরোধী প্রচারণার নাম।
তিনি “Yes for the children” - এর প্রতিষ্ঠাতা।
⇒ তার রচিত বই - Long Walk to Freedom (Autobiography), Conversations With Myself, The Prison Letters of Nelson Mandela, I Am Prepared to Die, No Easy Walk to Freedom, The Struggle Is My Life, In His Own Words

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
১২.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয় কখন?
  1. ক) ১৯১৬ সালে
  2. খ) ১৯১৭ সালে
  3. গ) ১৯১৮ সালে
  4. ঘ) ১৯১৯ সালে
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ( ১৯১৪-১৯১৮):
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যাস্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে - আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।
- যুদ্ধ শুরু হয়- ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়- ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিজোট ছিল- জার্মান, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি জোট ছিল- রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র।
- যুদ্ধের ফলাফল- মিত্র শক্তির বিজয়।
- চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানী ঘটে।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
১৩.
ফরাসি বিপ্লব কখন সংঘটিত হয়?
  1. ক) ১৭৮৯
  2. খ) ১৭৭৯
  3. গ) ১৭৭৭
  4. ঘ) ১৭৯৮
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়- ১৭৮৯ সালে।
- এই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ফান্সের শত বছরের পুরনো রাজতন্ত্র ও সামন্তব্যবস্থা ভেঙ্গে জনগণের অধিকার স্বীকৃত হয়।
- ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সালে বাস্তিল দূর্গে আক্রমণের  মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা ঘটে।
- বাস্তিল দুর্গ ছিল একটি রাজকীয় কারাগার।
- ফরাসি বিপ্লবের ফলে ফ্রান্সের ততকালীন রাজা ষোড়শ লুই এর পতন ঘটে।
- ফসাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল- স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় -নেপোলিয়ান বোনাপোর্টকে।

তথ্যসূত্র: Britannica & history.com
১৪.
নিজেদেরকে সূর্য দেবতার বংশধর মনে করতেন কারা?
  1. ক) রোমানরা
  2. খ) গ্রিকরা
  3. গ) মিশরীয়রা
  4. ঘ) ফিনিশীয়
ব্যাখ্যা
 সভ্যতায় মিশরীয়দের গুরুত্বপূর্ণ অবদান। যেমন: 

- মিশরীয় সভ্যতা ছিল কৃষিনির্ভর। সে কারণে নীল নদের প্লাবন, নাব্যতা, পানি প্রবাহের মাপ জোয়ারভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। এসবের সঙ্গে জ্যোতিষশাস্ত্র ও অংক শাস্ত্রের ছিল গভীর যোগাযোগ। ফলে এ দুটি বিদ্যা তারা আয়ত্ত করেছিল প্রয়োজনের তাগিদে।
-  নিজেদেরকে সূর্য দেবতার বংশধর মনে করতেন - মিশরীয়রা।
- তারা অংক শাস্ত্রের দুটি শাখ- জ্যামিতি এবং পাটিগণিতেরও প্রচলন করে।
- মিশরীয় সভ্যতার মানুষ যোগ, বিয়োগ ও ভাগের ব্যবহার জানত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে তারা পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে।
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্য ঘড়ি, ছায়াঘড়ি, জলঘড়ি আবিষ্কার করে।
- ধর্মের কারণে মিশরীয়রা বিজ্ঞানচর্চায় আগ্রহী ছিল।
- চিকিৎসাশাস্ত্রেও প্রাচীন মিশরীয়রা বিশেষ অগ্রগতি লাভ করেছিল। তারা চোখ, দাঁত, পেটের রোগ নির্ণয় করতে জানত।
- অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চিকিৎসা করার বিদ্যাও তাদের জানা ছিল।
- তারা হাড় জোড়া লাগানো, হৃৎপিন্ডের গতি এবং নাড়ির স্পন্দন নির্ণয় করতে পারত।
- চিকিৎসা শাস্ত্রে মিশরীয়রাই সর্বপ্রথম ‘মেটেরিয়া মেডিকা’ বা ঔষুধের তালিকা প্রণয়নে সক্ষম হয়।
- মিশরীয়দের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাস্কর্য হচ্ছে গির্জার - অতুলনীয় স্ফিংকস। স্ফিংকস হচ্ছে এমন একটি মূর্তি, যার দেহটা সিংহের মতো, কিন্তু মুখ মানুষের।
- মিশরের সবচেয়ে বড় পিরামিডটি হচ্ছে - ফারাও খুফুর পিরামিড।
- তাদের প্রিয় রং ছিল - সাদাকালো। 
- মিশরের নীল নদের উৎপত্তি-  আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া থেকে।
-‘মিশর নীল নদের দান’ বলেছেন - ইতিহাসের জনক ‘হেরোডোটাস’।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫.
কাকে আধুনিক মালেশিয়ার স্থপতি বলা হয়?
  1. ক) নাজিব রাজা
  2. খ) মাহাথির মোহাম্মদ
  3. গ) টেংকু আব্দুর রহমান
  4. ঘ) হোসাইন বিন কামাল
ব্যাখ্যা
মাহাথির মোহাম্মদ (১৯২৫ - বর্তমান):
- আধুনিক মালেশিয়ার স্থপতি যিনি মালেশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন (১৯৮১ - ২০০৩ এবং ২০১৮ - ২০২০)।
- তিনি মালেশিয়াকে একটি শিল্পোন্নত দেশে রুপান্তরিত করেছেন।
- তিনি ১৯৬৪ সালে ‘United Malays National Organization' (UMNO) দল থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
- টেংকু আব্দুল রহমানের সাথে বিরোধের জের ধরে ১৯৬৯ সালে তাকে ‘UMNO’ থেকে বহিষ্কার করা হয়। তবে ১৯৭০ সালে আবার দলটিতে যোগদান করেন ৷
- মাহাথির মোহাম্মদ ন্যাশনাল অ্যালায়ান্সের (পিএন) মোহাম্মদ সুহাইমি আবদুল্লাহর কাছে পরাজিত হন। এই আসনের মোট ২৫ হাজার ৪৬৩ ভোটের মধ্যে সুহাইমি ১৩ হাজার ৫১৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
- ৯৭ বছর বয়সী মাহাথির মাত্র ৪ হাজার ৫৬৬ ভোট পেয়েছেন। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন তিনি।

তথ্যসূত্র: Britannica & history.com
১৬.
চীনের আদি মানুষকে বলা হতো-
  1. ক) জাভা মানব
  2. খ) পিকিং মানুষ
  3. গ) জেকিয়াং মানব
  4. ঘ) চৌ মানব
ব্যাখ্যা
চৈনিক সভ্যতা:
- ধারণা করা হয়, খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে চিনের প্রাচীন সভ্যতা গড়ে ওঠেছিল।
- চীন পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম রাষ্ট্র। দেশটির তিনটি অঞ্চলে প্রাচীন সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
একটি - হোয়াং হো নদীর তীরে
দ্বিতীয়টি-  ইয়াং জেকিয়াং নদীর তীরে
তৃতীয়টি - দক্ষিণ চিনের ভূখন্ডে
- এই সভ্যতা সৃষ্টি হয়েছিল- শাং ও চৌ রাজাদের আমলে।
- ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে চিনে প্রাগৈতিহাসিক যুগের মানুষের মাথার খুলি পাওয়া গেছে।
- চিনের রাজধানী পিকিং-এর (বর্তমান বেইজিং) কাছে এই খুলি পাওয়া যায়।
- চিনের আদিম মানুষ যাদেরকে- ‘পিকিং মানুষ’ বলা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (SSC Programme), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার হয়-
  1. ক) ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে
  2. খ) প্রথম বিশ্বযুদ্ধে
  3. গ) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে
  4. ঘ) কোরীয় যুদ্ধে
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে:
- প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার হয়- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে।

- ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে জার্মান কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল - জার্মান, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিল- ফ্রন্স, পোল্যান্ড, সোভিয়েত ইউনিয়ন, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- যুক্তরাষ্ট্র ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে।
- জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্থন করে- ৭ মে, ১৯৪৫ সালে।
- জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্থনের মাধ্যমে ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
১৮.
খ্রিস্টধর্মের অনুসারীদের ধর্মগ্রন্থ-
  1. ক) বাইবেল
  2. খ) ত্রিপিটক
  3. গ) গ্রন্থ সাহেব
  4. ঘ) বেদ
ব্যাখ্যা
খ্রিস্টধর্ম 
- এটি যীশু খ্রিস্টের জীবন ও শিক্ষার উপর ভিত্তি করে একটি বিশ্বাস।
- যীশুর জীবন ও শিক্ষাকে কেন্দ্র করে এই ধর্ম বিকশিত হয়েছে।
- প্রচারক-  যিশু খ্রিস্ট।
- জেরুজালেমের বেথেলহামে যীশু জন্মগ্রহণ করেন।
- খ্রিস্টধর্মের অনুসারীদের ধর্মগ্রন্থ -  বাইবেল। এটি দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত: ওল্ড টেস্টামেন্ট ও নিউ টেস্টামেন্ট ।
- খ্রিস্টানরা একেশ্বরবাদী। এই ঐশ্বরিক ঈশ্বরত্ব তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত: পিতা (স্বয়ং ঈশ্বর), পুত্র (যীশু খ্রীষ্ট) এবং পবিত্র আত্মা।
- খ্রিস্টানরা দাবি করে যে যীশু আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন যা দ্বিতীয় আগমন নামে পরিচিত।
- উপাসনালয়- গির্জা
- পবিত্র স্থান - জেরুজালেম

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
১৯.
কাকে ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয়?
  1. ক) রাজা ষোড়শ লুই
  2. খ) জ্যাক রুশো
  3. গ) নেপোলিয়ান বোনাপোর্টকে
  4. ঘ) পঞ্চদশ লুই
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়- ১৭৮৯ সালে।
- এই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ফান্সের শত বছরের পুরনো রাজতন্ত্র ও সামন্তব্যবস্থা ভেঙ্গে জনগণের অধিকার স্বীকৃত হয়।
- ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সালে বাস্তিল দূর্গে আক্রমণের  মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা ঘটে।
- বাস্তিল দুর্গ ছিল একটি রাজকীয় কারাগার।
- ফরাসি বিপ্লবের ফলে ফ্রান্সের তৎকালীন রাজা ষোড়শ লুই এর পতন ঘটে।
- ফসাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল- স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় -নেপোলিয়ান বোনাপোর্টকে।

তথ্যসূত্র: Britannica & history.com
২০.
বৌদ্ধদের ধর্ম গ্রন্থের নাম-
  1. ক) বেদ
  2. খ) ত্রিপিটক
  3. গ) বাইবেল
  4. ঘ) গ্রন্থ সাহেব
ব্যাখ্যা
বৌদ্ধ ধর্ম:
- খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে তাঁর (সিদ্ধার্থ গৌতম) শিক্ষা ও উপদেশকে কেন্দ্র করে এ ধর্মের উদ্ভব ঘটে।
- প্রবর্তক - সিদ্ধার্থ গৌতম
- ধর্মগ্রন্থ - ত্রিপিটক
- উপাসনালয় - বৌদ্ধ ধর্মের উপাসনালয় মঠ নামে পরিচিত
- পবিত্র স্থান- বুদ্ধ গয়া

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
২১.
ইন্দোনেশিয়ার জাতির পিতা বলা হয়-
  1. ক) ফাহিম কাররানী
  2. খ) আহমেদ আবদেল করিম
  3. গ) সোলাইমান সাদী
  4. ঘ) আহমদ সুকর্ণ
ব্যাখ্যা
আহমদ সুকর্ণ (১৯০১ - ১৯৭০):
- ১৯০১ সালের ৬ জুন তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি যৌবনে হল্যান্ডের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রাম করেছেন।
- এ জন্যে সুকর্ণকে কারাগারে ও নির্বাসনে থাকতে হয়েছে।
- ১৯৭০ সালের ২১জুন তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- সুকর্ণকে বলা হয় ইন্দোনেশিয়ার জাতির পিতা।
- ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতার স্থপতি এবং তিনি ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের উত্থানকালের প্রধান সারির নেতা।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান ইন্দোনেশিয়া দখল করে। কিন্তু ১৯৪৫ সালে জাপান পরাজিত হবার পর ইন্দোনেশিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করে। এ সময় স্বাধীনতাকামীরা জাপানীদের রেখে যাওয়া অস্ত্র ব্যবহার করে এবং সুকর্ণর নেতৃত্বে তারা স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- সুকর্ণ ১৯৪৯ সালে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট হন।
- তিনি ইন্দোনেশিয়ায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অনেক সংস্কার সাধন করেন।
- সুকর্ণ জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
২২.
ফকল্যান্ড যুদ্ধের পক্ষসমূহ-
  1. ক) ফ্রান্স ও আর্মেনিয়া
  2. খ) আর্জেন্টিনা ও তুরস্ক
  3. গ) যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা
ফকল্যান্ড যুদ্ধ:
- যুদ্ধ সংঘটিত হয়- ২ এপ্রিল, ১৯৮২ সালে।
- শেষ হয়- ১৪ জুন, ১৯৮২ সালে।
- পক্ষসমুহ: যুক্তরাজ্য ও আজের্ন্টিনা।
- যুদ্ধ সংঘটরেন স্থান- পকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ ও দক্ষিণ স্যান্ডইচ  দ্বীপ।
- যুদ্ধের ফলাফল- যুক্তরাজ্য বিজয়ী ও ফকল্যান্ড সহ কয়েকটি দ্বীপাঞ্চলে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২ এপ্রিল, ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনার  তৎকালাীন সামরিক সরকার দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া ও দক্ষিণ স্যান্ডইচ দ্বীপে আক্রমণ করে দখল করে নেয়।
- ব্রিটিশ তৎকালাীন প্রধানমন্ত্রী আজেন্টিনার উপর সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করেন।
- সকল নৌযুদ্ধে হেরে আর্জেন্টিনা ১৪ জুন, ১৯৮২ সালে আত্মসর্মপনে সম্মত হয় । এর ফলে ঐসকল দ্বীপে আবার ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে ১৯৮৩ সালে আজের্ন্টিনায় সামরিক সরকার ক্ষমতা হারায়।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
২৩.
চীনের মহাপ্রাচীরের গড় উচ্চতা-
  1. ক) ২০ ফিট
  2. খ) ২২ ফিট
  3. গ) ২৪ ফিট
  4. ঘ) ২৬ ফিট
ব্যাখ্যা
চীনের মহাপ্রাচী:
- চীনের মহাপ্রাচীর নির্মিত হয়- চৌ-রাজ বংশের আমলে।
- রাজা শিহুয়াং তি এই প্রাচীর তৈরি করেন।
- হুনদের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য যে প্রাচীর নির্মিত হয়েছিল এখন তা বিশ্বের আশ্চর্য বস্তুর একটি।
- দেড় হাজার মাইল দীর্ঘ এই প্রাচীরের উচ্চতা- গড়ে ২৪ ফুট
- এই প্রাচীরের উপর দিয়ে ৬ জন অশ্বারোহী পাশাপাশি চলতে পারতো।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
দালাইলামা হলো-
  1. ক) নেপালের আধ্যাত্মিক এবং পার্থিব প্রধান
  2. খ) ভুটানের আধ্যাত্মিক এবং পার্থিব প্রধান
  3. গ) ভারতের আধ্যাত্মিক এবং পার্থিব প্রধান
  4. ঘ) তিব্বতের আধ্যাত্মিক এবং পার্থিব প্রধান
ব্যাখ্যা
দালাইলামা:

- তিব্বতের আধ্যাত্মিক এবং পার্থিব প্রধানকে দালাইলামা বলা হয়।

- মোঙ্গলিয় ভাষায় দালাই শব্দের অর্থ সমুদ্র, আর লামা শব্দের অর্থ জ্ঞানী। অর্থাৎ, দালাই লামা শব্দের অর্থ দাঁড়ায়, যে ব্যক্তির জ্ঞান সমুদ্রের মতোই গভীর।
- এই পর্যন্ত চৌদ্দ জন দালাইলামা নির্বাচিত হয়েছেন।
- বর্তমানে যিনি আছেন তানজিন গিয়েৎসো, তিনি চতুর্দশ দালাইলামা।
- ১৯৩৫ সালে ১৩তম দালাইলামার মৃত্যুর পর বর্তমান দালাইলামা তানজিন গিয়েৎসোকে খুঁজে পেতে চার বছর সময় লেগেছিল। ১৯৫০ সালে চীন কর্তৃক তিব্বত করায়ত্ব হলে, পরবর্তীতে তানজিন গিয়েৎসোর নেতৃত্বে তিব্বতের স্বাধীকার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে কিন্তু ১৯৫৯ সালে আন্দোলনটি ব্যর্থ হয়। এবং তানজিন গিয়েৎসোকে তার বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। তখন চতুর্দশ দালাইলামা ভারতে নির্বাসন গ্রহণ করেন। তিব্বত থেকে ভারতে নির্বাসিত হয়েও তিনি পৃথিবীর কাছে অহিংসার বাণী পৌঁছে দেবার কাজ থেকে নিজেকে নিবৃত্ত করেননি। এজন্য তাকে ১৯৮৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
২৫.
কারা বিশ্বের প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন?
  1. ক) ব্যাবিলনীয়রা
  2. খ) সুমেরীয়রা
  3. গ) অ্যাসিরীয়ারা
  4. ঘ) ক্যালডীয়রা
ব্যাখ্যা
সুমেরীয় সভ্যতা ( Sumerian Civilization)

- মেসোপটেমীয়া অঞ্চলে সবচেয়ে প্রাচীন যে সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল, তার নাম সুমেরীয় সভ্যতা।
- বর্তমানে ইরাকের টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস (তৎকালীন দজলা ও ফোরাত) নদীর মধ্যবর্তী উর্বর স্থানে সুমেরীয় সভ্যতার গোড়াপত্তন ঘটে।
- ‘চাকা’ আবিষ্কার – সুমেরীয়রা প্রথম চাকার ব্যবহার শুরু করে।
- তাদের কৃষকরা প্রথম দুই চাকা বিশিষ্ট 'রথ' (Chariot) ব্যবহার শুরু করেছিল।
- উন্নত সেচ ব্যবস্থা – টাইগ্রিস ও ইউফ্রিটিস নদীর পানি ব্যবহার করে কৃষির উন্নতির জন্য তারা উন্নত সেচ ব্যবস্থার উদ্ভাবন করেছিলো ।
- লিখন-পদ্ধতির আবিষ্কার - সুমেরীয়দের আবিষ্কৃত লিখন পদ্ধতির নাম “কিউনিফর্ম” (Cuneiform)।
- কিউনিফর্ম লিপি বাম থেকে ডানদিকে লেখাঁ হত এবং এর বর্ণের সংখ্যা ছিলো ৩২টি।
- তারা বিশ্বের প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন।
- জলঘড়ি ও চন্দ্রপঞ্জিকা আবিষ্কারেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন সুমেরীয়রা।
- সুমেরীয়রা বহু ঈশ্বরবাদে বিশ্বাসী ছিল। তাদের অনেক দেবতা ছিল। প্রধান দবতা ‘নাগাল’।
- ২২৩৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে লুগালজাগেসি (King Lugalzagesi) আক্কাডীয়ান রাজা ‘সারগন’ এর নিকট পরাজিত হলে সুমেরীয় সাম্রাজ্যের অবসান হয়। 
সুমেরীয়, ব্যবিলনীয়, এ্যাসিরীয়, ক্যালডীয় ও আক্কাদীয় সভ্যতা

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
২৬.
A medieval form of play based on Biblical stories is called -
  1. ক) Miracle play
  2. খ) Mysterious play
  3. গ) Interlude
  4. ঘ) Morality play
ব্যাখ্যা
• A medieval form of play which based on the Biblical stories is called - Mysterious play.
অন্যদিকে,
• Miracle Play - A kind of medieval play which deals with the miraculous events of the life of a saint.
• Morality play - A medieval dramatic form which allegorically presents an ideal Christian life on stage.
• Interlude - A short entertaining play of Middle Ages. It was staged between the acts of a longer play or between the courses of a feast.

Source: An ABC of English Literature by DR M Mofizar Rahman.
২৭.
'Love is a battlefield' is the example of -
  1. ক) Irony
  2. খ) Personification
  3. গ) Metaphor
  4. ঘ) Hyperbole
ব্যাখ্যা
• 'Love is a battlefield' is the example of - Metaphor
• Metaphor is an implicit comparison between two different things.
- যখন কোনো বাক্যে দুটি ভিন্ন বা বিজাতীয় জিনিসের মাঝে পরোক্ষভাবে বা রূপকার্থে তুলনা করা হয় তাকে বলা হয় Metaphor.
- সাধারণত Metaphor দ্বারা এমন দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা দেওয়া হয় যারা একই রকম বা সদৃশ নয় কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু সাধারণ মিল থাকে।

Metaphor এর আরো কিছু উদাহরণ হল - 
- Life is but a walking shadow.
- "She's all states, and all princes, I"
- "Revenge is a wild justice.
- All the world's a stage, And all the men and women merely players.

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.
২৮.
"Isebella and Vincentio' are the central figures of Shakespeare's -
  1. ক) Timons of Athens
  2. খ) Romeo and Juliet
  3. গ) Measure for Measure
  4. ঘ) All's Well That Ends Well
ব্যাখ্যা
• Isabella and Vincentio হচ্ছে Shakespeare এর বিখ্যাত comedy play Measure for Measure এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
- Isabella is the main character of this play.
- Vinciento, the other central figure is the Duke, who spends most of his time dressed as a friar in order to observe what is happening in his absence.
- Measure for Measure হচ্ছে Shakespeare এর 5 act সম্বলিত একটি Dark Comedy.

এই comedy এর অন্যান্য চরিত্র সমূহ হচ্ছে - 
- Claudio
- Lord Angelo
- Mistress Overdone
- Juliet, etc.

Source: Britannica.
২৯.
' Jane Bennet' is a character from -
  1. ক) Emma
  2. খ) Pride and Prejudice
  3. গ) Mansfield Park
  4. ঘ) Jane Eyre
ব্যাখ্যা
• ' Jane Bennet' is a character from - Pride and Prejudice.
- Pride and Prejudice হচ্ছে Jane Austen রচিত একটি romantic novel.
- এটি 1813 সালে তিনটি ভলিউমে প্রকাশিত হয়।
- Jenne Bennet হচ্ছে Bennet পরিবারের বড় মেয়ে। 
- The oldest and most beautiful of the Bennet daughters, Jane has a good heart and a gentle nature.
-  বুদ্ধিদীপ্ত উপমা এবং চরিত্রগুলোর চমৎকার উপস্থাপনা ও বর্ননার কারনে  English Literature এ এই novel টি একটি classic হিসেবে বিবেচিত।
- এই novel টিতে Elizabeth Bennet, the daughter of a country gentleman, and Fitzwilliam Darcy, a rich aristocratic landowner এর মধ্যে ক্রমান্বয়ে গড়ে উঠা প্রেমের সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।

এই novel এর অন্যান্য চরিত্র সমুহ - 
- Elizabeth Bennet
- Fitzwilliam Darcy
- George Wickham
- Charles Bingley
- Lydia Bennet etc.

Source: Britannica
৩০.
______ is an implicit or indirect reference to another work of literature.
  1. ক) Simile
  2. খ) Irony
  3. গ) Allusion
  4. ঘ) Metaphor
ব্যাখ্যা
Allusion is an implicit or indirect reference to another work of literature, a historical or mythical person or event.

• Examples:
‘The winged boy I knew;
But who wast thou, O happy, happy dove?’
(Keats: “Ode to Psyche”)
- Here, The “winged boy” is an allusion to Cupid, the god of love.

''Not half so fixed the Trojan could remain,
While Anna begged and Dido raged in vain'' is another example of allusion.
(Pope: The Rape of the Lock)

Source: An ABC of English Literature - Dr. M Mofizar Rahman.
৩১.
Who is the central character of the novel 'Mrs. Dalloway' written by Virginia Woolf?
  1. ক) Elizabeth
  2. খ) Clarissa
  3. গ) Lily Briscoe
  4. ঘ) Sally
ব্যাখ্যা
• "Clarissa" is the central character of Mrs. Dalloway by Virginia Woolf.
- ১৯২৫ সালে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- It describes a day in the life of Clarissa Dalloway, who is a fictional high-society woman in post–First World War England.
- It is one of Woolf's best-known novels.

• The important characters of Mrs. Dalloway: 
- Clarrisa 
- Peter
- Sally
- Richard
- Elizabeth etc.

Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
৩২.
‘Beauty is truth, ______________’. Complete the famous quotations with appropriate words.
  1. ক) truth is beauty
  2. খ) truth beauty
  3. গ) truth the beauty
  4. ঘ) truth an beauty
ব্যাখ্যা
"Beauty is truth, truth beauty,' is a famous quotation by - John Keats.
- অর্থাৎ সৌন্দর্য্যই সত্য, সত্য সুন্দর।

• অনেকেই এটাকে 'Beauty is truth, truth is beauty' এভাবে জানেন, যা সঠিক নয়।
সঠিক উক্তিটি হচ্ছে -
'Beauty is truth, truth beauty'

- উক্তিটি Romantic period এর বিখ্যাত লেখক John Keats রচিত 'Ode on a Grecian Urn' নামক কবিতা হতে উদ্ধৃত। 
- এটি একটি 5 stanza বিশিষ্ট কবিতা যেটি ১৮২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- একটি Grecian urn-এর উপর অঙ্কিত শিল্পকর্মের কথা উঠে এসেছে এই কবিতায়।
- যার মাধ্যমে কবি, শিল্প, সৌন্দর্য আর সত্যের সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন।
- এই কবিতার শেষ দুই লাইন হচ্ছে - 
 ‘Beauty is truth, truth beauty, —that is all
 Ye know on earth, and all ye need to know."

Source: Britannica
৩৩.
'Houyhnhnms and Laputans' are the characters from the fiction -
  1. ক) Gulliver's Travels
  2. খ) David Copperfield
  3. গ) Robinson Crusoe
  4. ঘ) Oliver Twist
ব্যাখ্যা
• 'Houyhnhnms and Laputans' are the characters from the fiction - Gulliver's Travels by Jonathan Swift.
- 'Gulliver's Travels' is a famous satire of the - 18th century.
- এটি ৪ খন্ডের একটি রম্য রচনা। 
- এর full title হচ্ছে - Travels into Several Remote Places in the World.
- এই novel টি ১৭২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- Gulliver’s Travels combines adventure with savage satire, mocking English customs and the politics of the day.

• It's important characters are:
- Gulliver
- Blefuscudian
- Yahoos
- Houyhnhnms
- Lilliputians
- Laputans.

Source: Britannica.
৩৪.
The characters 'Good angel and The Bad Angel' are from -
  1. ক) Paradise Lost
  2. খ) Paradise Regained
  3. গ) Doctor Faustus
  4. ঘ) The Tempest
ব্যাখ্যা
• The characters 'Good angel and The Bad Angel' are from - Doctor Faustus.
- Christopher Marlowe এর রচিত নাটক Doctor Faustus.
-নাটকটির পুরো নাম The Tragical History of the life & Death of Doctor.
- এটি একটি 5 acts বিশিষ্ট একটি নাটক।
- ১৬০৪ সালে এটি প্রকাশিত হয়। 
- এই নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Doctor Faustus যে অপরিসীম ক্ষমতা লাভের আশায় শয়তান অর্থাৎ Mephistopheles এর কাছের নিজের আত্না বিক্রি করে দিয়েছিল।

• The important character of this Tragedy:
- Mephistophilis,
- Lucifer,
- Faustus,
- Cornelius,
- Good Angel,
- Bad angel etc.

Source: Britannica.