পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১১ টপিক: বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা [আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ, শাসন বিভাগ, বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা] [Live Class - 17 মেন্টর: জন রানা]] [Live Class - 18 মেন্টর: আসিফ আসাদ] এছাড়াও [Live Class - 8 & 9 ক্লাস মেন্টর: তপন ভট্টাচার্য]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৪ সালে
  4. ২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ:
- মূলত বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার জন্য ১৯৯৪ সালে একটি রিট মামলা করেছিলেন জেলা জজ ও জুডিশিয়াল এসোসিয়েশনের তৎকালীন মহাসচিব মাসদার হোসেন।
- সেই মামলাটি 'মাসদার হোসন মামলা' নামে পরিচিত, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে যার চূড়ান্ত রায় হয়েছিল ১৯৯৯ সালে।
- রায়ের আট বছর পর ২০০৭ সালে মূল নির্দেশনাটি বাস্তবায়ন করে বিচার বিভাগকে আলাদা করা হয়েছিল।
- নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা ও বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. পরিচালক
  2. রেক্টর
  3. মহাপরিচালক
  4. প্রশাসক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড:
-‘কোস্ট গার্ড এ্যাক্ট ১৯৯৪’ মহান জাতীয় সংসদে পাশ করার মাধ্যমে বাংলাদেশে কোস্ট গার্ড গঠন করা হয়।
- এবং ১৯৯৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারিতে "GUARDIAN AT SEA" মূলমন্ত্রে  একটি আধাসামরিক স্বতন্ত্র বাহিনী হিসাবে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড তার যাত্রা শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে অদ্যাবধি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বাংলাদেশের সমুদ্র সীমানা,
- তৎসংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চল এবং বিভিন্ন নদ-নদীতে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছে।
- বর্তমান সরকারের দূরদর্শিতা এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডে সংযুক্ত হয়েছে ৯৮ টি আধুনিক ও দ্রুততর জলযান,
- এ বাহিনীর কার্যাবলীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- বাংলাদেশের জাতীয় জলসীমা ও উপকূলীয় অঞ্চলে জলদস্যুতা দমন,
- মাদকদ্রব্য পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধ,
- মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ,
- সমুদ্রবন্দরের নিরাপত্তা প্রদান,
- প্রাকৃতিক দূর্যোগকালে উপকূলীয় এলাকায় ত্রাণ ও উদ্ধার কাজ পরিচালনা
- এবং তেল, গ্যাস ও বনজ সম্পদ রক্ষাসহ উপকূলীয় পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ।
- কোস্ট গার্ডের প্রধানকে মহাপরিচালক বলা হয়।

• বাংলাদেশের কোস্ট গার্ড নিম্নোক্ত কর্মকর্তা দ্বারা গঠিত হয়।
১।  কমডোর শফিক-উর-রহমান, (এন), এনসিসি, পিএসসি (মহাপরিচালক)
২।  ক্যাপ্টেন এন এ চৌধুরী, (জি), পিএসসি, বিএন  (পরিচালক, অপস অ্যান্ড টেকনিক্যাল)
৩।  কমান্ডার কে এম হাসান, (সি), পিএসসি, বিএন (উপ-পরিচালক, পূর্ব জোন)
৪।  কমান্ডার এস এম এম এ আবেদীন, (ই), পিএসসি, বিএন (উপ-পরিচালক, অপস্ অ্যান্ড টেকনিক্যাল)
৫।  কমান্ডার এম আর হুসেন, (এন), বিএন (উপ-পরিচালক, পশ্চিম জোন)।

উৎস: কোস্ট গার্ড ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো কত স্তর বিশিষ্ট?
  1. ২ স্তর
  2. ৩ স্তর
  3. ৪ স্তর
  4. ৫ স্তর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো মূলত দুই স্তর বিশিষ্ট।
- এগুলো হলো- কেন্দ্রীয় প্রশাসন এবং মাঠ প্রশাসন।
- একইভাবে সরকার কাঠামোও কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয়- এ দু'টি স্তরে বিন্যস্ত।
- কেন্দ্রীয় সরকার মূলত নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করে থাকে।
- অপরদিকে স্থানীয় সরকার বা মাঠ প্রশাসন মূলত সমন্বিতভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি, আদর্শ, সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে।
- স্থানীয় উন্নয় কর্মকাণ্ড পরিচালনায়ও এদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- আইনের শাসন, সুষম উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবার নিশ্চয়তা বিধানের জন্য কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সাথে পারস্পরিক সমন্বয় এবং প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ অপরিহার্য।

উৎস: বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।[লিঙ্ক]
.
নিচের কোনটি বিচার বিভাগের কাজের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. শাসন সংক্রান্ত কাজ
  2. আইন সংক্রান্ত কাজ
  3. সংবিধান প্রণয়ন
  4. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
- উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
- অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- সংবিধান প্রণয়ন বিচার বিভাগের কাজ নয়।

•বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ।
৭. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
জাতীয় সংসদের মন্ত্রীদের উত্থাপিত বিলকে কী বলে?
  1. রাজস্ব বিল
  2. বেসরকারি বিল
  3. সরকারি বিল
  4. উন্নয়ন বিল
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- জাতীয় সংসদে উত্থাপিত আইনের খসড়াকে বিল বলে।
• বিল দুই প্রকার:
- যথা- সরকারি বিল ও বেসরকারি বিল।
- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
বাংলাদেশ সরকারের নির্বাহী প্রধান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- সংসদীয় পদ্ধতির শাসনব্যবস্থা প্রবর্তিত থাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শাসন ক্ষমতার মধ্যমণি
- তাঁকে কেন্দ্র করেই প্রজাতন্ত্রের সকল শাসন ও প্রশাসন পরিচালিত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি শাসন সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও শাসনকার্য পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী অর্থমন্ত্রী বাজেট প্রণয়ন ও তা সংসদে পেশ করেন।
- তাঁর পরামর্শের আলোকে দেশের রাষ্ট্রপতি প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহে অর্থ মঞ্জুরী প্রদান করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের সর্বশেষ বিভাগ কোনটি? [ জুন,২০২৫]
  1. বরিশাল
  2. সিলেট
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভাগ:
- বিভাগ: ৮টি,
- চট্টগ্রাম ,
- রাজশাহী,
- খুলনা,
- বরিশাল,
- সিলেট,
- ঢাকা,
- রংপুর,
- ময়মনসিংহ।

•ময়মনসিংহ বিভাগঃ

- বাংলাদেশের অষ্টম প্রশাসনিক বিভাগ হলো ময়মনসিংহ।
- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত।
- ২০১৫ সালের ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত এই বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল ঢাকা বিভাগের অংশ ছিল।
- ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোনা এই ৪ জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ সৃষ্টি করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
মন্ত্রিসভার কত ভাগ টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী রাখা যায়?
  1. ১০%
  2.  ৫%
  3. ১৫%
  4. ৩%
ব্যাখ্যা
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন।
- সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে ৯০ শতাংশ মন্ত্রী নিযুক্ত হবেন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কে? [জুন,২০২৫]
  1. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. আদিলুর রহমান খান
  4. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
ব্যাখ্যা
অন্তর্বতী সরকারের উপদেষ্টা:
- অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

• ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ- অর্থ মন্ত্রণালয় ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
• ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
• আসিফ নজরুল: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়,
-  প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় 
• মোঃ তৌহিদ হোসেন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- আদিলুর রহমান খান: শিল্প মন্ত্রণালয় ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
• মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান: 
- বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়,
- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।
- রেলপথ মন্ত্রণালয়।

উৎস: প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।
১০.
সংবিধান অনুযায়ী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সেনাপ্রধান
  4. পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
জরুরি অবস্থা ঘোষণা:
- সংবিধানের ১৪২ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা তার অংশবিশেষে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে;
- বা অর্থনৈতিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হবার বা সংকটের সম্মুখিন হলে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।
- জরুরি অবস্থা ঘোষণার পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর প্রয়োজন।
- জরুরি অবস্থার মৌলিক অধিকারের কার্যকারিতা স্থগিত থাকবে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
জাতীয় সংসদের কাজ কোনটি ?
  1. আইন প্রণয়ন
  2. শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ
  3. সরকারের তহবিল নিয়ন্ত্রণ
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ সর্বোচ্চ রাষ্ট্রক্ষমাতর অধিাকরী।
- এটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থার মুখপাত্র।
- সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় আইনসভার প্রাধান্য স্বীকৃত।
- আইনসভা সার্বভৌম।
- আইনসভার নিকট শাসন বিভাগ দায়ী না থাকলে তাকে সংসদীয় সরকার বলা যায় না।
- দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বর্তমান সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের ফলে জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলীর গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।
• জাতীয় সংসদের কার্যাবলি:
১. আইন প্রণয়ন;
২. সরকারের তহবিল নিয়ন্ত্রণ;
৩. শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ;
৪. বিচার বিভাগ সংক্রান্ত ক্ষমতা;
৫. নির্বাচনী কার্য;
৬. সংবিধান সংক্রান্ত ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, ‍ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]