পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৬ টপিক দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার, কার্যক্ষেত্রে কম্পিউটারের ব্যবহার [ক্লাস ১১ ও ১২]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
ন্যানোসেকেন্ড বলতে কোন সময়কে বুঝায়?
  1. এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ
  2. এক মিনিটের একশত কোটি ভাগের একভাগ
  3. এক সেকেন্ডের দশ কোটি ভাগের একভাগ
  4. এক মিনিটের দশ কোটি ভাগের একভাগ
সঠিক উত্তর:
এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার: 
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। 
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো। 
- কিন্তু বর্তমানে অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। 
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। 
- কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে। 
- ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। 
- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। 
- মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিকস যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি সংরক্ষণ করে রাখে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
অফিসের যাবতীয় কার্যক্রমকে স্বয়ংক্রিয় করাকে বলা হয় - 
  1. স্মার্ট অফিস
  2. ডিজিটালাইজেশন
  3. অটোমেশন
  4. টেলিকমিউনিকেশন
সঠিক উত্তর:
অটোমেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অটোমেশন
ব্যাখ্যা
অফিস অটোমেশন: 
- অফিস পরিচালনার ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির একটি প্রায়োগিক টুল হলো অফিস অটোমেশন সিস্টেম।
- অফিস অটোমেশন হলো এমন এক ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম, যার মাধ্যমে কমপিউটার, নেটওয়ার্কিংসহ তথ্য প্রযুক্তির আরও অন্যান্য ডিভাইস ও সিস্টেম দ্বারা অফিসের সকল পেপার ওয়ার্ক ও যোগাযোগের কাজ পরিচালনা করা যায়। 
- অফিস অটোমেশনে ব্যবহৃত সফটওয়‍্যারগুলো হলো মাইক্রোসফট অফিস, ওপেন অফিস অর্গ, অ্যাক্রোবেট রিডার ইত্যাদি। 
- এছাড়াও অফিস পরিচালনার ক্ষেত্রে যে সমস্ত তথ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর ডিভাইস ব্যবহৃত হয়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে কমপিউটার, মোবাইল ফোন, ফ্যাক্স, স্ক্যানার, প্রিন্টার, ফটোকপিয়ার, প্রজেক্টর, সিসিটিভি, আইপি, পিএবিএক্স, কর্মীদের হাজিরার জন্য বায়োমেট্রিক্স ডিভাইস ইত্যাদি। 
- বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক উৎকর্ষতার কারণে ঘরে বসেও অফিসের সকল কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ এবং অফিস পরিচালনার সব ধরনের নির্দেশ ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে প্রদান করা সম্ভব। 
- চব্বিশ ঘণ্টা চালু থাকে এ ধরনের অফিসকে ভার্চুয়াল অফিস এবং প্রদত্ত সার্ভিসকে 24/7 সার্ভিস বলা হয়ে থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
.
অবৈধ হ্যাকারদের কী নামে ডাকা হয়? 
  1. ক্রেকার
  2. সিজার
  3. রাশার
  4. ক্রাশার
সঠিক উত্তর:
ক্রেকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেকার
ব্যাখ্যা
হ্যাকার: 
- অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার (Craker) বলা হয়। 
- অবৈধ হ্যাকার বা ক্রেকাররা ইন্টারনেট এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডেটা চুরি অথবা নষ্ট করে দেয়। 
- এদের কাছে সাধারণত বেশ কিছু টেকনিক থাকে যা ব্যবহার করে এরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফট্ওয়্যার সিস্টেমের দুর্বলতা খুব সহজে খুঁজে বের করে পাসওয়ার্ড জেনে ফেলে। 
- এদেরকে ব্লাক হ্যাট হ্যাকার বলে। 
- গ্রে হ্যাট হ্যাকার নামে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও ব্লাক হ্যাট হ্যাকারের মাঝামাঝি এক ধরনের হ্যাকার রয়েছে যারা নেটওয়ার্কের দূর্বলতাগুলো খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানায় এবং দূর্বল দিকগুলো ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
.
বিশ্বগ্রাম শব্দটি সর্বপ্রথম কে ব্যবহার করেন? 
  1. মার্শাল ম্যাকলুহান
  2. ই এফ কড
  3. জন অটোহ্যান
  4. টিম বার্ণারস লী
সঠিক উত্তর:
মার্শাল ম্যাকলুহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্শাল ম্যাকলুহান
ব্যাখ্যা
গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম: 
- গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে। 
- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক “মার্শাল ম্যাকলুহান” সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- তিনি “দি মিডিয়াম ইজ দি মেসেজ” (the medium is the message) এবং “গ্লোবাল ভিলেজ” (Global village) এর প্রবক্তা বা উদ্ভাবক হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন। 
- তিনি ১৯৬২ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ “The Gutenberg: The Making of Typographic Man” এবং ১৯৬৪ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ “Understanding Media” এ গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম এর ধারণা দেন। 
- তাঁর সময়ে ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছিল। 
- তাঁর মতে, ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তারের ফলে সময় ও দূরত্ব সংকুচিত হয়ে পৃথিবী একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে। 
- তিনি এ প্রযুক্তির বিস্তৃতিকে “ইলেকট্রনিক নার্ভাস সিস্টেম” (Electronic Nervous System) নামে আখ্যায়িত করেছেন। 
- পৃথিবী এ সিস্টেমের সাহায্যে সংযুক্ত হয়ে বিশ্বগ্রাম (Global village) এ রূপান্তরিত হয়েছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
.
সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত কয়টি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়?
  1. দুইটি
  2. চারটি
  3. তিনটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা
ই-কমার্সের প্রকারভেদ: 
- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ এবং সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বলে। 
- ই-কমার্স সিস্টেমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট এবং ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসা, ভোক্তা এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়। 
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। 
যথা- 
১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business- B2B): 
- দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে বিজনেস টু বিজনেস (B2B) বলা হয়। 
- B2B ই-কমার্সের উদাহরণ: alibaba.com, sindabad.com ইত্যাদি। 

২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer- B2C): 
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত। 
- B2C ই-কমার্সের উদাহরণ: amazon.com, rokomari.com, othoba.com ইত্যাদি। 

৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business- C2B): 
- যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসায় বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়। 
- এ ধরনের সিস্টেমে ভোক্তারা বা গ্রাহকরা সাধারণত কোনো বিজনেস সাইট থেকে পণ্য ক্রয়ের পরিবর্তে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করে থাকে। 
- C2B ই-কমার্সের উদাহরণ: monster.com, ajkerdeal.com, daraz.com ইত্যাদি। 

৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer- C2C): 
- অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তার লেনদেনকে ভোক্তা থেকে ভোক্তা বা কনজিউমার টু কনজিউমার (C2C) বলা হয়। 
- এ জাতীয় ব্যবসা কোনো বিজনেস মিডলম্যান থাকে না। 
- C2C ই-কমার্সের  উদাহরণ: ebay.com, taobao.com ইত্যাদি। 

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।