উত্তর
ব্যাখ্যা
চর্যাপদের ৬, ২১, ২৩, ২৭, ৩০, ৪১, ৪৩ ও ৪৯ নং পদগুলোর রচয়িতা ভুসুকুপা।
- তিনি মোট ৮টি পদ রচনা করেন। তার ২৩ নং পদটি খন্ডিত আকারে পাওয়া যায়।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫৮ প্রশ্ন
চর্যাপদের ৬, ২১, ২৩, ২৭, ৩০, ৪১, ৪৩ ও ৪৯ নং পদগুলোর রচয়িতা ভুসুকুপা।
- তিনি মোট ৮টি পদ রচনা করেন। তার ২৩ নং পদটি খন্ডিত আকারে পাওয়া যায়।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
মধ্য-মধ্যযুগ এ চৈতন্যদেব বঙ্গদেশে এক নবভক্তি-ধারার প্রবর্তন করেন, যা ভাবচৈতন্যের ক্ষেত্রে রেনেসাঁর সূচনা করে।
- তাঁর আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের কারণে বাংলায় একটি শক্তিশালী সাহিত্যিকগোষ্ঠী এবং এক বিরাট সাহিত্যধারার সৃষ্টি হয়।
তার জীবনীসংক্রান্ত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো:
- বৃন্দাবনদাসের চৈতন্যভাগবত (১৫৭৩),
- জয়ানন্দের চৈতন্যমঙ্গল (১৬শ শতকের শেষভাগ),
- লোচনদাসের (১৫২৩-১৫৮৯) চৈতন্যমঙ্গল এবং
- কৃষ্ণদাস কবিরাজের চৈতন্যচরিতামৃত (১৬১৫)।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
মনসামঙ্গল মূলত পাঁচালি পালা।
- এর কবির সংখ্যা যেমন শতাধিক, মুদ্রিত-অমুদ্রিত পুথির সংখ্যাও বহু।
- কানা হরিদত্ত মনসামঙ্গলের আদি কবি।
এছাড়াও,
- বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপিলাই, দ্বিজ বংশীদাস, কেতকা দাস, খেমানন্দ প্রমুখ মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করেছেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর।
শেখ ফয়জুল্লাহ মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের মধ্যে একটি বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছেন।
যে পাঁচটি গ্রন্থের জন্য তিনি খ্যাতিমান সেগুলি:
- গোরক্ষবিজয়, গাজীবিজয়, সত্যপীর (১৫৭৫), জয়নবের চৌতিশা এবং রাগনামা।
- রাগনামাকে বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম সঙ্গীতবিষয়ক কাব্য মনে করা হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
'সুধাকর' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন শেখ আবদুর রহিম।
গুরুরত্বপূর্ণ কিছু পত্রিকা ও সম্পাদকের নামঃ
হিতকরী - মীর মোশাররফ হোসেন।
সম্বাদ প্রভাকর - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
বঙ্গদূত - নীলমণি হালদার।
জ্ঞান্নান্বেষণ - দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর।
বাংলা অক্ষরে মুদ্রিত ও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ছাপাখানা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ - প্রতাপাদিত্যচরিত্র।
- লেখক ছিলেন - রামরাম বসু। এটি ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি বাঙ্গালির লেখা প্রথম গদ্যগ্রন্থও।
রামরাম বসুর আরো একটি গ্রন্থ হচ্ছে - লিপিমালা।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে দ্বিতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ - উইলিয়াম কেরির 'কথোপকথন'।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, ড. হুমায়ুন আজাদ।
প্যারীচাঁদের অনুসরণে বাংলা ভাষাকে আরও গণমুখী করেন কালীপ্রসন্ন সিংহ (১৮৪০-১৮৭০)।
কলকাতা এবং তৎসংলগ্ন এলাকার মৌখিক ভাষাকে তিনি সার্থকভাবে তাঁর রচনায় প্রয়োগ করেন।
তাঁর ‘হুতোম প্যাচার নকশা’ (১৮৬২) উপন্যাসে ব্যবহূত ভাষারীতি প্যারীচাঁদের ভাষার চেয়ে মার্জিততর।
এ গ্রন্থে চলিত ভাষায় সরস ব্যঙ্গবিদ্রূপের মাধ্যমে কলকাতার সমাজজীবন চিত্রিত হয়েছে।
স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের কারণে তাঁর ভাষা ‘হুতোমি ভাষা’ নামে পরিচিত, যা পরবর্তী শতকের গদ্যরচনায় বিশেষ প্রভাব ফেলে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
'দোলন-চাঁপা' কাজী নজরুল ইসলামের একটি কাব্যগ্রন্থ।
- অক্টোবর, ১৯২৩ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- কবি তখন রাজবন্দী ছিলেন।
- এতে ২১টি কবিতা আছে।
প্রথম কবিতা - "আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে"।
অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতা হল - পউষ, পথহারা, পূজারিণী, বেলাশেষে, শেষ প্রার্থনা ইত্যাদি।
‘আজ সৃষ্টি-সুখের উল্লাসে’ কবিতায় আছে সৃষ্টিশীলতার অমিতাচারী উদ্যাপন; আছে অমিতাচারকে প্রমিত শরীরে বেঁধে ফেলার বিস্ময়কর মুনশিয়ানা।
তার মানেই হলো, কবিতাটি বন্ধনে মুক্তি ঘোষণার দারুণ নজির।
আরও আছে—যে কথা খুব একটা বলা হয়নি—আছে নজরুলের কবি-স্বভাবের পরিচ্ছন্ন বয়ান।
তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ - অগ্নি-বীণা, বিষের বাঁশি, ভাঙার গান, সাম্যবাদী, সর্বহারা, ফণি-মনসা, জিঞ্জির, সন্ধ্যা, প্রলয় শিখা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও প্রথম আলো আর্কাইভ।
মধুসূদনের শ্রেষ্ঠ নাটক কৃষ্ণকুমারী (১৮৬১) বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি।
প্রাচ্য নাট্যরীতি অগ্রাহ্য করে পাশ্চাত্য অলঙ্কারের নির্দেশ অনুযায়ী কবি কৃষ্ণকুমারীকে বিয়োগান্ত করেন।
এ নাটকে স্বাদেশিকতার সুর বেজেছে।
নাটকের ঘটনাসংস্থান, চরিত্রচিত্রণ ও সংলাপ রচনায় নাট্যকারের নৈপুণ্য প্রকাশ পেয়েছে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
রমেশ ও রমা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত পল্লীসমাজ উপন্যাসের চরিত্র।
পল্লীসমাজ (১৯১৬) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
বাঙলার পল্লীসমাজের নীচতা ও ক্ষুদ্র রাজনীতির পটভূমিকায় এক আদর্শবাদী যুবক - যুবতীর সম্পর্ক ও বিশেষ করে তাদের অভিশপ্ত প্রেমকাহিনি এই উপন্যাসের মূল বিষয়।
প্রধান চরিত্রঃ রমা, রমেশ, বেণী, বলরাম।
শরৎচন্দ্রের আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস ও তার চরিত্রঃ
সতীশ ও কিরণময়ী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত চরিত্রহীন উপন্যাসের চরিত্র।
অচলা, সুরেশ ও মহিম শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত গৃহদাহ উপন্যাসের রচিত্র।
নরেন ও রমা দত্তা উপন্যাস,
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
আধুনিকতাবাদী পঞ্চপান্ডব লেখক হচ্ছেন -
- জীবনানন্দ দাশ
- অমিয় চক্রবর্তী
- বুদ্ধদেব বসু
- বিষ্ণু দে
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত।
পঞ্চপান্ডবের অন্তর্ভূক্ত কবিরা রবীন্দ্র কাব্য-ধারার বিরোধী ছিলেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
এক ধরনের কবিতা বেশ প্রভাব বিস্তার করেছিল , যেগুলি সমকালীন জীবনের গ্লানি, ব্যর্থতা ও হতাশাকে ধারণ করে বুর্জোয়া মানবতাবাদের সমস্যা, দ্বন্দ্ব ও অবক্ষয়কে প্রকাশ করেছে।
সৈয়দ আলী আহসানের - অনেক আকাশ (১৯৬১) ও একক সন্ধ্যায় বসন্ত (১৯৬২) অন্যতম।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসঃ
- দুই সৈনিক
- নেকড়ে অরণ্য
- জলাঙ্গী
- জাহান্নাম হইতে বিদায়
অন্যদিকে,
- 'ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাসে তৎকালীন পাকিস্তানের বিরূপ শাসনের সমালোচনা করা হয়েছে।
এটি তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ এবং কালোত্তীর্ণ উপন্যাস। এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
'বীরাঙ্গনা' মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য৷
এখানে মোট এগারটি পত্র আছে। দুষ্মন্তের প্রতি শকুন্তলা, দশরথের প্রতি কৈকেয়ী, সোমের প্রতি তারা, নীল্ধ্বজের প্রতি জনা প্রভৃতি।
এই গ্রন্থ রচনার জন্য সমকালে মধুসূদন নিন্দিত হয়েছেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
মমতাজউদ্দীন আহমদ স্বাধীনতার আগে থেকেই নাটক রচনা করলেও স্বাধীনতার পরেই তাঁর নাটকের প্রসার ঘটে।
একাঙ্কধর্মী নাটক রচনায় এবং নাটকের সংলাপে ব্যঙ্গাত্মক ভাষা ব্যবহারে তাঁর একটি বিশিষ্টতা রয়েছে।
স্বাধীনতার পরে রচিত তাঁর - সাত ঘাটের কানাকড়ি, কী চাহ শঙ্খচিল (১৯৮৫) দুটি মঞ্চসফল নাটক।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত অনেক গানই ছিল মুক্তিযুদ্ধের উত্সাহ-উদ্দীপনা আর অনুপ্রেরণার সঙ্গী।
বিখ্যাত কয়েকটি গান ও এর রচয়িতাঃ
- গোবিন্দ হালদার - 'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে'/'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে'/'পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে'।
- সিকান্দার আবু জাফর রচিত সংগ্রামের বিখ্যাত গান - ‘আমাদের সংগ্রাম চলবেই, জনতার সংগ্রাম চলবেই’।
- আবদুল লতিফ - 'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়'।
নজরুল ইসলাম বাবু - 'সব কটা জানালা খুলে দেও না'।
উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো আর্কাইভ।
‘বাদলের জলে নাহিয়া সে-মেয়ে হেসে কুটি কুটি হয়’ - পঙ্ক্তিটি জসীম উদ্দীন এর 'পল্লীবর্ষা' কবিতার অন্তর্ভূক্ত।
- পল্লীবর্ষা কবিতাটি ধানক্ষেত কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া।
- এটি একটি প্রকৃতি বিষয়ক কবিতা।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
ক্রিয়ার পারষ্পরিক অর্থে ব্যাতিহার বহুব্রীহি হয়।
এ সমাসে পূর্বপদে 'আ' এবং উত্তরপদে 'ই' যুক্ত হয়।
যেমনঃ হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি
কানে কানে যে কথা = কানাকানি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ(নবম - দশম শ্রেণী)।
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের অল্পতা থাকে থাকে, তাকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন - ক, গ, চ, জ ইত্যাদি।
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে, তাকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন - খ, ঘ, ছ, ঝ ইত্যাদি।
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় , তাকে বলা হয় ঘোষ ধ্বনি।
যেমন - গ, ঘ, জ, ঝ ইত্যাদি।
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না, তাকে বলা হয় অঘোষ ধ্বনি।
যেমন - ক, খ, চ, ছ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণি)।
তৎসম শব্দের ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুসারে,
- ত্ ও দ্ - এর পর চ্ ও ছ্ থাকলে ত্ ও দ্ স্থানে চ্ হয়।
যেমন -
সৎ + চিন্তা = সচ্চিন্তা (ত্ + চ = চ্চ)
উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ (ত্ + ছ = চ্ছ)
বিপদ + ছায়া = বিপচ্ছায়া (দ্ + ছ = চ্ছ)
আবার,
- স্বরধ্বনির পর ছ থাকলেও উক্ত ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব হয়।
যেমন,
এক + ছত্র = একচ্ছত্র (অ + ছ = চ্ছ)
কথা + ছলে = কথাচ্ছলে (আ + ছ = চ্ছ)
পরি + ছদ = পরিচ্ছদ (ই + ছ = চ্ছ)
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণ বই।
সকর্মক ক্রিয়ার অক্ররমক রূপঃ
- প্রয়োগ বৈশিষ্ট্য সকর্মক ক্রিয়াও অকর্মক হতে পারে।
যেমন -
অকর্মকঃ আমি চোখে দেখি না।
সকর্মকঃ আকাশে চাঁদ দেখি না।
অকর্মকঃ ছেলেটা কানে শোনে না।
সকর্মকঃ ছেলেটা কথা শোনে।
অকর্মকঃ আমি রাতে খাব না।
সকর্মকঃ আমি রাতে ভাত খাব না।
অকর্মকঃ অন্ধকারে আমার খুব ভয় করে।
সকর্মকঃ বাবাকে আমার খুব ভয় করে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণী)
মানান + সই = মানানসই। এটি একটি বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়।
সহি বা সই প্রত্যয়টি যোগ্য, উপযুক্ত, প্রমাণ বা পরিমাণ অর্থে বিশেষণ শব্দ গঠন করে।
যেমনঃ মানান + সই = মানানসই।
মাপ + সই = মাপসই ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
আবশ্যক দ্রব্যাদি সঙ্গে আনবেন। এটি একটি শুদ্ধ বাক্যের উদাহরণ।
প্রশ্নের অন্যান্য বাক্যের শুদ্ধরূপঃ
- উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন।
- তিনি সভায় উপস্থিত ছিলেন।
- মাদকাসক্তি ভাল নয়।
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
সিংহ - পশুরাজ, কেশরী, মৃগেন্দ্র, মৃগরাজ, মৃগপতি, হরি।
পাখি - বিহগ, বিহঙ্গম, শকুন্ত, খগ, পতগ, অণ্ডজ, পত্রী ইত্যাদি
পুষ্প - ফুল, প্রসূ্ন, কুসু্ম, মঞ্জরি, রঙ্গন, সুমন, পুষ্পক ইত্যাদি।
চুল - কুন্তল, অলক, কেশপাম, কেশদাম, চুল, কচ, শিরোজ, শিবসিজ, চিকুর ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
প্রাখর্য শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে স্নিগ্ধতা।
গুরুত্বপূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে -
নম্রতা - ঔদ্ধত্য।
পরার্থ - স্বার্থ।
নানা - এক
নগণ্য - গণ্য ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
‘উনপাঁজুরে’ শব্দের বাগধারাটির অর্থ শব্দ হচ্ছে দুর্বল ও ব্যক্তিত্বহীন।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা হচ্ছে -
আট কপালিয়া/আট কপালে - হতভাগ্য
ইঁদুর কপালে - মন্দভাগ্য।
অকালকুষ্মান্ড - অপদার্থ ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
‘Cartel’ শব্দের সঠিক পারিভাষিক শব্দ হচ্ছে বাণিজ্যজোট, মূল্য নিয়ন্ত্রক ব্যবসায়ী সংঘ।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু পারিভাষিক হচ্ছে -
প্রচার - Canvass
আবর্ত ভবন - Circuit House
সোনা - রূপার বাজার - Bullion Market
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
খাদ্, পঠ্, হস্, দৃশ্ ধৃ ইত্যাদি হচ্ছে সংস্কৃত ধাতু।
অপরদিকে,
খাট্, আঁট, ঝুল্, টান্ ইত্যাদি হচ্ছে বিদেশী ধাতু।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণী।
যে নারীর বিয়ে হয়েছে = ঊঢ়া।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশঃ
যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে = নবোঢ়া।
যে নারীর বিয়ে হয়নি = অনূঢ়া।
যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত = অবীরা।
যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছে = অধিবিন্না।
যে স্ত্রীর বশীভূত = স্ত্রৈণ।
যে নারী অপরের দ্বারা প্রতিপালিতা = পরভৃতিকা।
যে যে নারীর স্বামী বিদেশ থাকে = প্রোষিতভর্তৃকা
যে পুরুষের বউ বিদেশ থাকে = প্রোষিতপত্নীক
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
Irony:
A statement or a situation or an action which actually means the opposite of its surface meaning.
The first sentence of Pride and Prejudice is an example of irony:
“It is a truth universally acknowledged, that a single man in
possession of a good fortune, must be in want of a wife.”
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
Animal Farm is most famous in the West as a stinging critique of the history and rhetoric of the Russian Revolution.
Retelling the story of the emergence and development of Soviet communism in the form of an animal fable, Animal Farm allegorizes the rise to power of the dictator Joseph Stalin.
Source: Cliffsnotes
Bertrand Russell (1872-1970), a philosopher:
Famous Works -
- Mysticism and Logic (1918)
- The Analysis of Mind (1921)
- History of Western Philosophy (1946), published in the Post-modern age.
- Authority and the Individual (1949), published in the Post-modern age.
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
Charles Dickens (1812-70)
Works -
- The Pickwick Papers (1836)
- Oliver Twist (1837)
- David Copperfield (1850)
- Bleak House (1852)
- A Tale of Two Cities (1859)
- Great Expectations (1861)
- 'The Mistaken Husband' is a drama by John Dryden.
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman and Britannica
Francis Bacon, in full Francis Bacon, a lawyer, statesman, philosopher, and master of the English tongue, he is remembered in literary terms for the sharp worldly wisdom of a few dozen essays.
''It is impossible to love and to be wise.''
Francis Bacon: Essays
He that will not apply new remedies must expect new evils, for time is the greatest innovator.
Francis Bacon: Essays
Source: Britannica.com
Et tu, Brute? is a Latin phrase literally meaning 'and you, Brutus?' or 'also you, Brutus?'
These are dying words of Julius Caesar uttered as his friend Brutus stabbed him.
Source: Sparknotes and Merriam-Webster Dictionary.
Robinson Crusoe, novel by Daniel Defoe, first published in London in 1719.
Character List:
- Robinson Crusoe
- Friday
- The Portuguese Captain
Source: britannica and SparksNotes
Oxymoron:
A figure of speech in which two contradictory words are put together. When we use phrases like male-female, host-guest, civil war, open secret, magic realism or wise fool, we, in fact, use oxymorons.
Here is a famous example:
All changed, changed utterly:
A terrible beauty is born.
(Yeats: “Easter 1916'')
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
Ernest Hemingway, in full Ernest Miller Hemingway, (born July 21, 1899, Cicero [now in Oak Park], Illinois, U.S.—died July 2, 1961, Ketchum, Idaho), American novelist and short-story writer, awarded the Nobel Prize for Literature in 1954.
He was noted both for the intense masculinity of his writing and for his adventurous and widely publicized life.
Source: Britannica.com
Elizabethan Age (1558-1603):
- This age is named after Queen Elizabeth I who reigned over England from 1558 to 1603.
- This is called the Golden Age of English literature.
- Christopher Marlowe, William Shakespeare, Thomas Kyd, Thomas Norton, Francis Bacon etc are famous literary figure of this period.
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
William Wordsworth, English poet whose Lyrical Ballads (1798), written with Samuel Taylor Coleridge, helped launch the English Romantic movement.
NOTABLE WORKS-
“The Solitary Reaper”
“The Prelude”
“Lyrical Ballads”
“The World Is Too Much with Us”
“Ode: Intimations of Immortality”
“Peter Bell”
“The Excursion”
“Lines Composed a Few Miles Above Tintern Abbey”
“The Ruined Cottage”
“The Recluse”
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman and britannica
Percy Bysshe Shelley, (born Aug. 4, 1792, Field Place, near Horsham, Sussex, Eng.—died July 8, 1822, at sea off Livorno, Tuscany [Italy]), English Romantic poet whose passionate search for personal love and social justice was gradually channeled from overt actions into poems that rank with the greatest in the English language.
NOTABLE WORKS-
“Prometheus Unbound”
“The Cenci”
“Queen Mab”
“Hymn to Intellectual Beauty”
“Adonais”
“To a Sky-Lark”
“Ode to the West Wind”
“Epipsychidion”
“Mont Blanc”
“Ozymandias”
Source: britannica
Arthur Miller:
American playwright Arthur Miller is known for combining social awareness with a searching concern for his characters’ inner lives.
He is best known for ‘Death of a Salesman (1949)’.
His other notable works:
- After the Fall,
- All My Sons,
- The Crucible,
- The Price,
- The American Clock,
- Incident at Vichy.
Source: Britannica.com
ব্যাখ্যা: during (preposition)
Meaning: throughout the course or duration of (a period of time).
Source: Oxford languages
ব্যাখ্যা: Emblem (n)
Meaning: A design or symbol that represents something
Bengali Meaning: প্রতীকচিহ্ন
Synonym: symbol, representation, badge, token, mark, sign
Antonym: disguise, decoy, incognito
Source: Oxford Languages and Synonyms.com
ব্যাখ্যা: Association noun
1. (Often in names) A group of people organized for a joint purpose.
Ex - ''the National Association of Probation Officers''
Synonym: alliance, consortium, coalition, union, league, cooperative, partnership, federation
2. A connection or cooperative link between people or organizations.
Synonym: Relationship, relation, connection, link, interconnection
Antonym: Disassociation
Source: Oxford Languages
ব্যাখ্যা: Pro bono
Meaning: (especially with reference to legal work for a client with a low income) without charge.
Source: Oxford Language
The form of a verb that in English ends in -ed, -en, etc. and is used with the verb have to form perfect tenses such as I have eaten, with the verb be to form passive sentences such as It was destroyed, or sometimes as an adjective as in an upset stomach.
এখানে, need শব্দটির সাথে -ed যুক্ত হয়ে যে past participleটি গঠিত হয়েছে সেটি preparation-কে মডিফাই করছে।
Source: oxfordlearnersdictionaries.com
ব্যাখ্যা: Pernicious
Meaning: having a harmful effect, especially in a gradual or subtle way.
Synonym: harmful, destructive, hurtful, detrimental, injurious
Antonym: beneficial, benign, favourable
Source: Oxford Languages
Most letters are written in block, modified block, or semi-block format.
Blockformat features all elements of the letter aligned to the left margin of the page. It has a neat and simple appearance. Paragraphs are separated by a double line space.
Modified Block differs from block style in that the date, sign off, and signature lines begin at the centre point of the page line. The beginning of each paragraph is indented five spaces, along with the subject line, if used. Depending on the length of the letter, paragraphs may be separated by a single or double line space.
Semi-block is similar to block but has a more informal appearance. All elements are left-aligned, except for the beginning of each paragraph, which is indented five spaces. Paragraphs are separated by a double line space.
Source: Oxford Dictionary
ব্যাখ্যা: Basis (noun)
Meaning: the underlying support or foundation for an idea, argument, or process.
Plural: Bases
Source: Oxford Languages.
ব্যাখ্যা: carry out – phrasal verb
Bengali Meaning: পালন করা
Meaning: perform a task.
Source: Oxford Languages
ব্যাখ্যা: therefore (adverb)
Meaning: For that reason
Bengali Meaning: সেইজন্য
Source: Oxford Languages
In these options, only Corrigendum is not related to paragraph.
Corrigendum = A thing to be corrected, typically an error in a printed book.
Linkers = Linkers are used in a paragraph.
Linker Words or Word Connectors are used to link large groups of words: phrases and sentences. We can also use them to connect paragraphs to give them coherence.
Ex: Whereas, Nevertheless, Despite, In Spite of, Instead, Alternatively etc.
Cohesion and coherence = also used in a paragraph.
Terminator = The last sentence of a paragraph is called Terminator.
ব্যাখ্যা: এই শব্দটি কখনো adjective, আবার কখনো noun হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
1. Unknown (countable noun)
places or things that are not known about
Source: Oxford Learners Dictionary
2. (Adjective) not known or identified
Source: Oxford Learners Dictionary
3√(3√(x3))
= 3√(x3.(1/3))
= 3√x
= x1/3
খাদ্য উপাদান
খাদ্যের যেসব জৈব ও অজৈব উপাদান দেহের বিভিন্ন চাহিদা পূরণ করে তাদের খাদ্য উপাদান বা Nutrients বলে। দেহের বিভিন্ন চাহিদা পূরণের জন্য ভিন্ন ভিন্ন খাদ্য উপাদান প্রয়োজন হয়।
খাদ্য উপাদান ৬টি যথা:
১। আমিষ বা প্রোটিন
২। শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট
৩। স্নেহ পদার্থ বা ফ্যাট
৪। ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ
৫। খনিজ লবণ বা মিনারেল
৬। পানি
- আমিষ, শর্করা ও স্নেহ পদার্থকে খাদ্যের প্রধান বা মূল উপাদান (Macro nutrients) বলা হয়। কারণ, এ উপাদানগুলো মানবদেহে অধিক পরিমাণে প্রয়োজন হয়।
- ভিটামিন ও খনিজ লবণকে সহায়ক খাদ্য উপাদান বা অণুখাদ্য (Micro Nutrients) বলা হয়। কারণ, এ খাদ্য উপাদানগুলো মানবদেহে অতি অল্প পরিমাণে প্রয়োজন হয়। যেকোনো খাদ্য উপদানই প্রয়োজনের তুলনায় কম বা বেশি পরিমাণে গ্রহণ করলে শারীরিক জটিলতা ও অসুস্থতা দেখা দেয়।
- খাদ্য উপাদান পানি জীবনধারণের অত্যবশ্যকীয় উপাদান কারণ দেহের ৭০ শতাংশই পানি।
Sericulture, the production of raw silk by means of raising caterpillars (larvae), particularly those of the domesticated silkworm (Bombyx mori).
রেশম তন্তু:
রেশম তন্তুকে (Silk) তন্তুর রানী বলা হয়। রেশম একটি প্রাণিজ তন্তু। চীনদেশে প্রথম রেশম উৎপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়। রেশম দুইভাবে পাওয়া যায়। বনে জঙ্গলে একেবারেই প্রকৃতি থেকে গুটি পোকার রস সংগ্রহ করে রেশম তন্তু তৈরি করা হয়। সেটি এখন খুবই কম। বনে জঙ্গলে বন্য রেশম পোকা থেকে পাওয়া যায়।
কিন্তু, কৃষিজ রেশম (Cultivated silk) পরিকল্পিত উপায়ে রেশমের চাষ করে রেশম তন্তু তৈরি করা হচ্ছে। কৃষিজ রেশম উদ্ভিজ প্রাকৃতিক রেশম থেকে উৎকৃষ্টতর।
অ্যামাইনো এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক। আমিষ পরিপাক হওয়ার পর তা অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়। দেহগঠনে আমিষ সহায়তা করে থাকে। এ পর্যন্ত আমাদের শরীরে ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিড আবিষ্কৃত হয়েছে। এর মধ্যে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড ৮টি। এগুলো হলঃ
- লাইসিন
- ট্রিপেটোফ্যান
- মিথিওনিন
- ভ্যালিন
- লিউসিন
- আইসোলিউসিন
- হিস্টিডিন
- ফিনাইল অ্যালানিন ও
- থ্রিওনাইন।
সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
যান্ত্রিক তরঙ্গের বৈশিষ্ট্যঃ
১. তরঙ্গ সৃষ্টি ও সঞ্চালনের জন্য অবিচ্ছিন্ন স্থিতিস্থাপক জড় মাধ্যম প্রয়োজন।
২. মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের বা স্পন্দন গতির ফলে তরঙ্গ উৎপন্ন হয়।
৩. মাধ্যমের কণাগুলো সাম্য অবস্থান থেকে উপর নিচে অথবা সামনে পেছনে স্পন্দিত হতে থাকে। মাধ্যমের মধ্য দিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয় না।
৪. তরঙ্গ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি ও তথ্য সঞ্চারণ বা স্থানান্তর করে।
৫. এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তরঙ্গ সঞ্চারণের জন্য সময় প্রয়োজন হয়।
৬. তরঙ্গের কণাগুলোর বিভিন্ন বেগে স্পন্দিত হয়। স্পন্দনের বেগ পর্যায়ক্রমে কমে বাড়ে। কিন্তু তরঙ্গ সুষম বেগে
সঞ্চারিত হয়। অর্থাৎ কণাগুলোর স্পন্দন গতি এবং তরঙ্গ বেগ এক নয়।
৭. তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণাগুলোর স্পন্দনের দিক এবং তরঙ্গ সঞ্চারণের দিক এক নাও হতে পারে।
৮. তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যতিচার , অপবর্তন ঘটে।
পানির তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, ভূমিকম্পনের ফলে সৃষ্ট ভূ-তরঙ্গ ইত্যাদি যান্ত্রিক তরঙ্গ।
ফিটকিরি এর রাসায়নিক সংকেতঃ
[K2SO4.Al2(SO4)3.24H2O]
(পটাশিয়াম সালফেট এলুমিনিয়াম সালফেট. ২৪ অনু পানি)
একে পটাশ এলামও বলা হয়ে থাকে।
- রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণী।
শুধু অ্যালুমিনিয়াম সালফেটকেও উত্তর হিসেবে নেয়া হল কেন এটা নিয়ে কিছুটা বিতর্ক হচ্ছে। তাই,
১) ২৯তম এবং ৩০তম দুইটা বিসিএসের প্রশ্নঃ
"অ্যালুমিনিয়াম সালফেটকে চলতি বাংলায় কি বলে?"
উত্তরঃ ফিটকিরি।
২) শুধু Aluminium sulfate কেই অনেকক্ষেত্রে Alum বা Papermaker's Alum বলা হয়।
ডুরালুমিনঃ
অ্যালুমিনিয়াম (Al) ৯৫%
কপার (Cu) ৪%
ম্যাগনেসিয়াম (Mg),
ম্যাঙ্গানিজ (Mn) ও
লোহা (Fe) ১%
ব্যবহারঃ
উড়োজাহাজের কাঠামো (বডি), বাই সাইকেলের যন্ত্রাংশ ইত্যাদি।
সুত্রঃ নবম-দশম শ্রেনির রসায়ন।
উৎপাদকঃ
উৎপাদক হচ্ছে পুকুরে বসবাসকারী সালোকসংশ্লেষণকারী বিভিন্ন প্রকার ভাসমান ও সঞ্চারমান ক্ষুদ্র জীব। পানিতে ভাসমান জীবদেরকে প্লাঙ্কটন (plankton) বলে। প্লাঙ্কটন জাতীয় ক্ষুদ্র উদ্ভিদকে উদ্ভিদ প্লাঙ্কটন বা ফাইটোপ্লাঙ্কটন (phytoplankton) বলে।
এ ছাড়া পানিতে অবস্থিত সবুজ শেওলা ও অন্যান্য জলজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজের খাদ্য তৈরি করতে পারে, এ সমস্ত উদ্ভিদকে উৎপাদক বলে।
অন্যদিকে, প্রাণি প্লাঙ্কটনগুলো (zoo plankton)) প্রথম স্তরের খাদক।
বিয়োজকঃ পুকুরের পানিতে ভাসমান অথবা নিচের কাদায় বিভিন্ন ধরনের অনুজীব (যেমন : ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, অ্যাকটিনোমাইসিটিস ইত্যাদি) বাস করে, এদেরকে বিয়োজক জীব বলা হয়। এরা জীবিত বা মৃত খাদক প্রাণিদের আক্রমণ করে ও পচন ঘটায়, ফলে উৎপাদকের ব্যবহার উপযোগী জৈব ও অজৈব রাসায়নিক পদার্থের সৃষ্টি হয়।
- সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি।
আলোর দ্বৈত প্রকৃতিঃ তরঙ্গ ও কণা
আলোর ব্যতিচার, সমবর্তন, বিচ্ছুরণ ইত্যদি ঘটনা আলোর তরঙ্গ ধর্ম প্রকাশ করে। আবার আলোকতড়িৎ ক্রিয়া, কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণের মতো ঘটনা ব্যাখ্যায় আলোর কণিকা ধর্ম প্রকাশ পায়। ফলে আলো কণা না তরঙ্গ এই বিতর্কের অবসান ঘটে নাই। আধুনিক তত্ত্ব অনুসারে, আলোর তরঙ্গ এবং কণিকা উভয় ধর্মই বিদ্যমান। আরও ব্যাপকভাবে বলা যায় সব বস্তুরই কণা এবং তরঙ্গ ধর্ম বিদ্যমান। বিভিন্ন পরীক্ষণ থেকে দেখা যায় আলো ও বস্তু এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তরিত করা যায়। বস্তুর ভর বেশি হলে সহজেই তার কণা ধর্ম প্রকাশ পায়।
আলোর কণা ধর্মে আলোর একক হল ফোটন যার কোন চার্জ নেই এবং নিশ্চল ভর ০।
শূন্যস্থানে ফোটনের গতিবেগ আলোর বেগের সমান অর্থাৎ ৩x১০৮ মিটার/ সেকেন্ড বা ৩x১০৫ কিলোমিটার/ সেকেন্ড।
সুত্রঃ এসএসসি, পদার্থবিজ্ঞান।
এক্স-রেঃ
তরঙ্গদৈর্ঘ্য -- 10-11m থেকে 10-8m পর্যন্ত
উৎসঃ উচ্চ গতিশক্তি সম্পন্ন ইলেকট্রন স্রোত দিয়ে আঘাত প্রাপ্ত ধাতব লক্ষ্যবস্তু।
ব্যবহারঃ
বিভিন্ন প্রকার রোগের কারণ অনুসন্ধানে, ক্যান্সার কোষ ধ্বংসের জন্য এই রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
তবে এই রশ্মি কোনো জীবিত কোষে আপতিত হলে সেই কোষ ধ্বংস করে।
কেলাসিত পদার্থের গঠন অনুসন্ধানে এই রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
রেফারেন্সঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
সাবান সাধারণত শক্ত এবং কোমল এই শ্রেণীতে বিভক্ত।
শক্ত সাবান তৈরিতে কষ্টিক সোডা এবং কোমল সাবান তৈরিতে কস্টিক পটাসের ব্যবহার হয়ে থাকে।
The European Organization for Nuclear Research, known as CERN, is a European research organization that operates the largest particle physics laboratory in the world. Established in 1954, the organization is based in a northwest suburb of Geneva, Switzerland.
CERN এর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সাফল্যের উল্লেখ করা যেতে পারেঃ
- The Higgs Boson
হিগস-বোসন কণার অস্তিত্বের ঘোষণা এই CERN এর The Large Hadron Collider এ করা ২টি পরীক্ষা থেকেই আসে।
The Nobel Prize in Physics 2013 was awarded jointly to François Englert and Peter W. Higgs "for the theoretical discovery of a mechanism that contributes to our understanding of the origin of mass of subatomic particles, and which recently was confirmed through the discovery of the predicted fundamental particle, by the ATLAS and CMS experiments at CERN's Large Hadron Collider."
- The Large Hadron Collider
The Large Hadron Collider (LHC) is the world’s largest and most powerful particle accelerator. It first started up on 10 September 2008, and remains the latest addition to CERN’s accelerator complex. The LHC consists of a 27-kilometre ring of superconducting magnets with a number of accelerating structures to boost the energy of the particles along the way.
- The Birth of the web (WWW এর সৃষ্টি)
The World Wide Web was invented by British scientist Tim Berners-Lee in 1989 while working at CERN.
- CERN এর অফিশিয়াল সাইটের তথ্যানুসারে।
পতঙ্গ পরাগী ফুল বড়, রঙ্গীন ও মধুগ্রন্থিযুক্ত এবং পরাগরেণু ও গর্ভমুন্ড আঁঠালো সুগন্ধযুক্ত হয়।
যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি।
অপরদিকে বায়ু পরাগী ফুল হালকা ও মধুগ্রন্থিহীন। এসব ফুলের সুগন্ধ নেই। এরা সহজেই বাতাসে ভেসে যেতে পারে।
যেমন- ধান।
পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে। এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই।
যেমন- পাতাশেওলা।
প্রাণীপরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। এদের রং আকর্ষণীয় হয়। এ সব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে।
যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি।
সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
নক্ষত্রের জীবনচক্র (Life Cycle of Star)
শুরুতে নক্ষত্রে ছিলো আন্তঃনাক্ষত্রিক ধূলিকণা ও গ্যাসের এক বিশাল মেঘ হিসেবে। মহাকর্ষ বলের প্রভাবে ধূলিকণা ও গ্যাসের এই বিশাল মেঘ সংকুচিত হয়। সংকোচনের সময় উচ্চ চাপ ও উচ্চ তাপমাত্রার সৃষ্টি হয়। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে যখন কয়েক মিলিয়ন কেলভিন হয়, তখন তাপ-নিউক্লিয় বা নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া সংঘটিত হয়, ফলশ্র“তিতে বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়। ফলে পদার্থের গোলকটি দীপ্তি ছড়ায় এবং নক্ষত্রের জন্ম হয়। নক্ষত্রের বিবর্তনে এটি হলো আদি ধাপ বা পর্ব। এই ধাপে বামন নক্ষত্র পাওয়া যায়।
মোট নক্ষত্রের শতকরা ৯০ ভাগ হলো এই বামন নক্ষত্র (Dwarf star)। আমাদের সূর্য বর্তমানে এই ধাপে আছে।
ডেঙ্গু রোগের জীবাণুবাহী মশার প্রজাতি হলো- এডিস।
ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণুবাহী মশা হলো- অ্যানোফিলিস।
ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগের জীবাণুবাহী মশা- কিউলেক্স।
কালাজ্বরের জীবাণুবাহী মশা- স্যান্ড ফ্লাই।
Aedes aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়। এছাড়া এডিস এলবোপিকটাস মশার কামরেও ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে পারে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী
১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল মটর (GM) রিসার্চ ল্যাবরেটরি সর্বপ্রথম IBM কর্পোরেশনের মেইনফ্রেম কম্পিউটারে জন্য অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে। পরবর্তীতে ১৯৭১ (সালে Digital Research, Inc. এর Gary Kildall মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য Intel 8080/85 ভিত্তিক প্রথম অপারেটিং সিস্টেম CP/M (Control Program/Monitor পরবর্তীতে নাম Control Program for Microcomputers) তৈরি করেন। কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অপারেটিং সিস্টেমসমূহ হলো- MS-DOS or PC-DOS, WINDOWS 95/98/2000/XP/7, OS/2, UNIX, LINUX, MAC OS, Solaries, XENIX, WINDOWS NT ইত্যাদি।
উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম
A universal gate is a gate that can implement any Boolean function without the need to use any other gate type.
There are only two types of Universal Gates.
The NAND and NOR gates are universal gates.
F1 - Brings up a Help window in many applications, including browsers, Microsoft Office and others
F2 - Renames a selected object
F3 - Opens search box in browsers
F4 - Displays the Address bar list in My Computer or Windows Explorer (Windows XP)
F5 - Updates the active Window. Useful to refresh a displayed page in a browser
F6 - Cycles through the screen elements in a window
F7 - Turn on/off Caret Mode (Firefox). Performs Spell and Grammar check (MS Word)
F8 - Extend selection (MS Office)
F9 - Updates fields (MS Office)
F10 - Activates menu bar options
F11 - Toggles between full screen and normal display in browsers
F12 - Opens 'Save as' dialog (MS Office)
B, F এর পূত্রবধূ
তাহলে A, F এর পুত্র।
আবার, C, A এর ভাই।
তাহলে C ও, F এর ছেলে।
বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ এবং এবারের বাংলাদেশের ৫০তম বিজয় দিবস সামনে রেখে এই প্রথম কলকাতায় প্রকাশিত হলো ‘এপারের চোখে মুজিব’ নামের একটি বই।
- কলকাতায় নতুন প্রকাশনা সংস্থা কণ্ঠস্বর বের করেছে বইটি।
- বাংলাদেশ ও ভারতের ৩৬ জন লেখক এবং ৫ জন বাংলাদেশি বুদ্ধিজীবীর নিবন্ধ আছে বইটিতে। বইটির নানা লেখায় ফুটে উঠেছে বঙ্গবন্ধুর কর্ম ও রাজনৈতিক জীবন, বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রাম, নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের অভ্যুদয়সহ নানা লেখা।
উৎসঃ প্রথম আলো আর্কাইভ।
বাংলার প্রাচীন জনপদসমূহ:
- হরিকেল : সিলেট ও চট্টগ্রাম
- সমতট : কুমিল্লা ও নোয়াখালী
- বঙ্গ : ফরিদপুর ও ঢাকা
- বরেন্দ্র : রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
সুলতানা রাজিয়া (১২৩৬ - ১২৪০):
ইলতুতমিসের জ্যেষ্ঠপুত্রের নাম ছিল নাসিরউদ্দীন মাহমুদ। তিনি ছিলেন সকল গুণে গুণান্বিত। তিনি পিতার হয়ে বাংলার বিদ্রোহী শাসক গিয়াসউদ্দীন ইওয়াজ খলজীকে পরাজিত ও নিহত করেন। এরপর মাহমুদ বাংলার শাসনকর্তা নিযুক্ত হন। পিতার জীবদ্দশাতেই তাঁর মৃত্যু হয়। সুলতান তাঁকে খুবই ভালবাসতেন। তিনি পুত্রের স্মৃতি রক্ষার্থে কনিষ্ঠপুত্রেরও নাম রাখেন নাসিরউদ্দীন মাহমুদ।
১২৩৬ খ্রিস্টাব্দে ইলতুতমিসের যখন মৃত্যু হয় তখন এই নাসিরউদ্দীন ছিলেন নিতান্তই নাবালক। ইলতুতমিসের অপর পুত্রগণ সবাই ছিলেন অপদার্থ এবং সুলতান হওয়ার অযোগ্য। তাঁর একমাত্র কন্যা রাজিয়া যেমন ছিলেন রূপবতী তেমনি ছিলেন বুদ্ধিমতী ও সাহসী। সুলতান তাঁর উপযুক্ত শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন। রাজিয়া পিতার যোগ্য উত্তরাধিকারী হিসেবে গড়ে উঠেন। তাই সুলতান মৃত্যু শয্যায় কন্যা রাজিয়াকেই তাঁর উত্তরাধিকারী মনোনীত করে যান।
রাজিয়াই একমাত্র মহিলা যিনি দিল্লীর সিংহাসনে বসেছিলেন। নারীরা অক্ষম, নারীরা দুর্বল এই ধারণাকে তিনি মিথ্যা প্রমাণিত করেন।
- ১২৩৬ থেকে ১২৪০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় চার বছর তিনি শাসন করেন। এই চার বছর কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। দক্ষ নাবিকের মতো তিনি ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সমুদ্রে রাষ্ট্রতরণীর হাল ধরেন।
- কিন্তু তিনি সফল হতে পারেন নি। তাঁর এই ব্যর্থতার জন্য তাঁকে দায়ী করা যায় না। দায়ী ছিল তৎকালীন সামাজিক ও ধর্মীয় গোঁড়ামি। সমসাময়িক ঐতিহাসিক মিনহাজ তাঁর “তাবাকাৎই-নাসিরী” গ্রন্থে রাজিয়াকে একজন শ্রেষ্ঠ সুলতান, জ্ঞানী, ন্যায়বতী, মহানুভবা, বিদ্যোৎসাহিনী, সুবিচারক, প্রজাদের রক্ষাকত্রী ও সেনাবাহিনীর দক্ষ পরিচালিকারূপে চিত্রিত করেছেন।
উৎসঃ ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ.এস.সি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত)।
১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে রয়েছে নবাব স্যার সলিমুল্লাহ, ভিকারউল মুলক, নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী, আগা খান প্রমুখ।
- বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সর্ব ভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে স্যার সলিমুল্লাহ মুসলমানদের জন্যে একটি রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন।
- তার এই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ শামসুজ্জোহা হল প্রাঙ্গণে ‘স্ফুলিঙ্গ‘ নামে একটি স্মৃতি ভাস্কর্য রয়েছে।
- ২০১২ সালে এটি উন্মোচন করা হয়।
- ১৫ ফুট উচ্চতা, ৩৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ২৪ ফুট প্রস্থ বিশিষ্ট ‘স্ফুলিঙ্গ’ শীর্ষক এই ভাস্কর্যটিতে শহীদ ড. শামসুজ্জোহার ৩ ফুট উচু আবক্ষ প্রতিকৃতি আছে।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে 'সাবাস বাংলাদেশ' নামে আরেকটি বিখ্যাত ভাস্কর্য রয়েছে। এর ভাস্কর - নিতুন কুণ্ডু।
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন (১৯৩৫-১৯৭১):
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রুহুল আমিন মুক্তিযুদ্ধে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন এবং এপ্রিল মাসে ত্রিপুরা সীমান্ত অতিক্রম করে ২নং সেক্টরে যোগদান করেন। সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত তিনি বেশ কয়েকটি সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেন।
- সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ নৌবাহিনী গঠনের উদ্দেশ্যে সকল সেক্টর থেকে প্রাক্তন নৌ-সেনাদের আগরতলায় সংগঠিত করে নৌবাহিনীর প্রাথমিক কাঠামো গঠন করা হয়। পরে তাদের কলকাতায় আনা হয়। সেখানে সবার সাথে রুহুল আমিনও ছিলেন।
- ভারত সরকার বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে দুটি টাগবোট উপহার দেয়। এগুলোকে কলকাতার গার্ডেন রীচ নৌ-ওয়ার্কশপে দুটি বাফার গান ও মাইন-পড জুড়ে গানবোটে রূপান্তর করা হয়।
- গানবোট দুটির নামকরণ হয় ‘পদ্মা’ ও ‘পলাশ’। রুহুল আমিন নিয়োগ পান পলাশের ইঞ্জিন রুম আর্টিফিশার হিসেবে।
- ৬ ডিসেম্বর মংলা বন্দরে পাকিস্তানি নৌঘাটি পিএনএস তিতুমীর দখলের উদ্দেশ্যে ‘পদ্মা’, ‘পলাশ’ ও মিত্র বাহিনীর গানবোট ‘পানভেল’ ভারতের হলদিয়া নৌঘাঁটি থেকে রওনা হয়।
- ৮ ডিসেম্বর সুন্দরবনের আড়াই বানকিতে বিএসএফের পেট্রোল ক্রাফট ‘চিত্রাঙ্গদা’ তাদের বহরে যোগ দেয়। ৯ ডিসেম্বর কোনো বাধা ছাড়াই তারা হিরণ পয়েন্টে প্রবেশ করেন।
- পরদিন ১০ ডিসেম্বর ভোর ৪টায় তারা মংলা বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। সকাল ৭টায় কোনো বাধা ছাড়াই তারা মংলায় পৌঁছান।
- পেট্রোল ক্রাফট চিত্রাঙ্গদা মংলাতেই অবস্থান নেয় এবং পানভেল, পদ্মা ও পলাশ সামনে অগ্রসর হতে থাকে।
- দুপুর ১২টায় তারা খুলনা শিপইয়ার্ডের কাছাকাছি পৌঁছান। এসময় আকাশে তিনটি জঙ্গি বিমান দেখা যায়। পদ্মা ও পলাশ থেকে বিমানের উপর গুলিবর্ষণ করার অনুমতি চাইলে বহরের কমান্ডার বিমানগুলো ভারতীয় বলে জানান। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে বিমানগুলি পদ্মা ও পলাশের ওপর গুলি ও বোমা বর্ষণ শুরু করে। পলাশের কমান্ডার সবাইকে গানবোট ত্যাগ করার নির্দেশ দেন।
- কিন্তু রুহুল আমিন পলাশেই অবস্থান নেন এবং আপ্রাণ চেষ্টা চালান গানবোটকে সচল রাখতে। হঠাৎ শত্রুর একটি গোলা পলাশের ইঞ্জিন রুমে আঘাত করে এবং তা ধ্বংস হয়ে যায়। শেষ মুহূর্তে রুহুল আমিন নদীতে লাফিয়ে পড়েন এবং আহত অবস্থায় কোনক্রমে তীরে উঠতে সক্ষম হন। দুর্ভাগ্যক্রমে তীরে অবস্থানরত পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকাররা তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে। তাঁর লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয় নি।
- মুক্তিযুদ্ধে রুহুল আমিনের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত করে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
জুটন (Jutton) হল ৭০ ভাগ পাট ও ৩০ ভাগ তুলার মিশ্রণে তৈরি কাপড়। তুলার আঁশের তৈরি বস্ত্রের বিকল্প হিসেবে পাট ও তুলার আঁশ নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে এই ধরনের তন্তু তৈরি করা হয়।
- জুটনের আবিষ্কারক ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।
তিতাস গ্যাস্কখেত্রঃ
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে। এরপর সিলেট অঞ্চলে আরও বেশকিছু গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হওয়ার পর যখন ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীরে একটি বিরাট গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় তখন বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারে নতুন আরেক এক দিগন্তের সূচনা হয়। ১৯৬৪ সালের ২০ নভেম্বর এ গ্যাসক্ষেত্রটি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড নামে জন্মলাভ করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রটি পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি আবিষ্কার করেছিল।
• এক নজরে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রঃ
- প্রাথমিক মজুদ - ৮,১৪৮.৯ বিলিয়ন ঘনফুট
- উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদ (2P) - ৬৩৬৭ বিলিয়ন ঘনফুট
- উত্তোলনরত কূপের সংখ্যা - ২৬টি।
উৎসঃ বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২০।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি রয়েছে।
- এ বনাঞ্চলের বৃক্ষের পাতা শীতকালে ঝড়ে যায় না।
- এ বনাঞ্চলের আয়তন প্রায় ১৩.৭৭ লক্ষ হেক্টর যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ৯.৩৩ শতাংশ।
- এ বনের প্রধান বৃক্ষের মধ্যে গর্জন, চাপালিশ ও তেলসুর উল্লেখযোগ্য।
সূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট।
- ১৮৪০ সালে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত। এই বাগানটি প্রতিষ্ঠার পরপরই বিলুপ্ত হয়ে যায়।
- অতঃপর ১৮৫৪ সালে মতান্তরে ১৮৪৭ সালে সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মূলতঃ মালনীছড়াই বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।
সূত্রঃ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
বাংলাদেশের ৩য় সমুদ্র বন্দর ‘পায়রা বন্দর’ পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া, বালিয়াতলী, ধূলাসার, ধানখালী ও টিয়াখালী ইউনিয়নের অন্তর্গত রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
উৎসঃ বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট [এখানে ক্লিক করুন]।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে,
বাংলাদেশের ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার স্বাক্ষরতার হার ৭৪.৪ বছর।
এর মধ্যে,
- পুরুষদের হার : ৭৬.৫ বছর
- মহিলাদের হার : ৭২.৩ বছর।
আবার, ১৫ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার স্বাক্ষরতার হার ৭৪.৭ শতাংশ।
সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০।
BADC এর আওতায়,
- ২৪ টি দানা শস্য বীজ উৎপাদন খামার,
- ২ টি পাট বীজ উৎপাদন খামার,
- ২ টি আলু বীজ উৎপাদন খামার,
- ৪টি ডাল ও তৈলবীজ উৎপাদন খামার,
- ২টি সবজি বীজ উৎপাদনকারী খামার,
- ১১১ টি চুক্তিবদ্ধ চাষীজোন রয়েছে,
যার সাহায্যে বীজ উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- এছাড়াও, BADC - এর অধীন ৯টি উদ্যান উন্নয়ন কেন্দ্র ও ১৪টি এগ্রো - সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে ফসলের চারা, কলম, গুটি ইত্যাদি উৎপাদন ও চাষী পর্যায়ে বিতরণ করা হয়।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০।
বর্তমানে দেশের প্রয়োজনীয় ঔষধের প্রায় ৯৮ শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশের ৪৭টি ঔষধ কোম্পানি ইউরোপ আমেরিকাসহ বিশ্বের ১৪৭টি দেশে ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল রপ্তানি করছে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০।
- দেশের চাহিদা মিটিয়ে চলতি অর্থবছরের বাংলাদেশ থেকে মোট ১১২টি দেশে ৯ কোটি ৯৭ লাখ ডলার বা ৮৪৭ কোটি টাকার ওষুধ রপ্তানি হয়েছে।
- এর মধ্যে সর্বোচ্চ এক কোটি ৬৩ লাখ ডলারের ওষুধ রপ্তানি হয়েছে প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে। যদিও তা দেশটির ওষুধের বাজারের মাত্র ২ শতাংশ।
- তবে রোহিঙ্গা সংকটের মধ্যেও ওষুধ রপ্তানির ওপর ভর করে দুই বছর পর রপ্তানি আবারও চাঙ্গা হয়েছে দেশটিতে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে মিয়ানমারে ওষুধ রপ্তানির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
- রপ্তানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ইপিবি) সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরে ওষুধশিল্পের জন্য রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১১ কোটি ২১ লাখ ডলার। এর মধ্যে মার্চ পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রা ছিল আট কোটি ২৯ লাখ ডলার।
- তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ওষুধ রপ্তানি হয়েছে ৯ কোটি ৯৭ লাখ ডলারের। প্রবৃদ্ধি ৩০ শতাংশের বেশি।
উৎসঃ প্রথম আলো ও কালেরকন্ঠ আর্কাইভ।
সংবিধানের ১৪১(খ) উপ দফায় জরুরি অবস্থার সময় সরকারকে সংবিধানে উল্লিখিত কিছু মৌলিক অধিকার রহিত করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদ : চলাফেরার স্বাধীনতা
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদ : সমাবেশের স্বাধীনতা
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদ : সংগঠনের স্বাধীনতা
- ৩৯ নং স্বাধীনতা : চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা
- ৪০ নং অনুচ্ছেদ : পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
- ৪২ নং অনুচ্ছেদ : সম্পত্তির অধিকার।
সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান।
বর্তমানে বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল রয়েছে।
- প্রথম তফসিল - অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন,
- দ্বিতীয় তফসিল - রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত),
- তৃতীয় তফসিল - পদের শপথ ও ঘোষণা,
- চতুর্থ তফসিল - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী,
- পঞ্চম তফসিল - বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ,
- ষষ্ঠ তফসিল - বঙ্গবন্ধুর প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা, এবং
- সপ্তম তফসিল - মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২০ অনুসারে,
২০১৯ সালে প্রেরিত প্রবাসীর সংখ্যা - ৭০০,১৫৯ জন।
তার মধ্যে,
• দক্ষ - ৩০৪,৯২১ জন
• স্বল্প-দক্ষ - ১৯৭,১০২ জন
• আধা-দক্ষ - ১৪২,৫৩৬ জন।
• পেশাজীবী - ১,৯১৪ জন ও
• অন্যান্য - ৫৩,৬৮৬ জন।
- সুতরাং, বাংলাদেশ থেকে প্রেরিত জনশক্তির মধ্যে দক্ষ জনশক্তি প্রেরণের হার বেশি।
লক্ষীপুর জেলার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি চরঃ
- চর আলেজান্ডার
- চর গজারিয়া
- তেলিয়ার চর
- চরশাহী
- চর আবদুল্যাহ
- চর আবাবিল ইত্যাদি।
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চর রয়েছে ভোলা জেলায় (দ্বীপ জেলা)।
- চরফ্যাশন
- চর নিজামউদ্দিন
- চর বোরহানউদ্দিন
- চর কুকরী মুকরী,
- ঢালচর,
- লতার চর ও
- চর নিজাম সহ অসংখ্য চর।
নোয়াখালী জেলার কয়েকটি চরঃ
- ভাসানচর
- সুবর্ণ চর
- চর মটুয়া
- চর জববর
- চর ওয়াপদা
- চরজুবলী ইত্যাদি
উৎসঃ সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর ওয়েবসাইট।
CEDAW এর পূর্ণরূপ হলো Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women.
- এটি ১৯৭৯ সালে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে স্বাক্ষরিত হয় যা ১৯৮১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর কার্যকর হয়।
- এই সনদে ৩০টি ধারা রয়েছে।
সূত্রঃ UN ওয়েবসাইট।
- আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
- ১৯৯৮ সালের ১৭ জুলাই স্বাক্ষরিত রোম চুক্তি কার্যকরের মাধ্যমে ২০০২ সালের ১ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১২৩টি।
সূত্রঃ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ওয়েবসাইট।
গত ১৫ ডিসেম্বর ২০২০ UNDP প্রকাশিত ২০২০ সালের মানব উন্নয়ন সূচকে মোট ১৮৯টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
রিপোর্টে সর্বনিম্ন দেশ নাইজার এবং শীর্ষদেশ নরওয়ে।
- প্রথম : নরওয়ে
- দ্বিতীয় : আয়ারল্যান্ড ও সুইজারল্যান্ড
- ১৮৯তম : নাইজার
১৮৮তম : মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র
- ১৩৩তম : বাংলাদেশ।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর অবস্থানঃ
৭২-তম -- শ্রীলঙ্কা
৯৫-তম -- মালদ্বীপ
১২৯-তম - ভুটান
১৩১-তম -- ভারত
১৩৩-তম -- বাংলাদেশ
১৪২-তম -- নেপাল
১৫৪-তম -- পাকিস্তান
১৬৯-তম -- আফগানিস্তান
সুতরাং, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান - পঞ্চম।
সূত্র: UNDP ওয়েবসাইট।
স্থলবেষ্টিত দেশ (Landlocked Countries):
- যেসকল দেশের সাথে কোন সাগর/মহাসাগরের সীমান্ত নেই এবং সম্পূর্ণরূপে ভূমি দ্বারা বেষ্টিত এরকম দেশগুলোকে স্থলবেষ্টিত দেশ বলা হয়। সমুদ্রের সাথে সীমান্ত না থাকায় এই দেশগুলোর কোন সমুদ্র বন্দর নেই।
- বিশ্বে মোট ৪৫টি স্থলবেষ্টিত দেশ রয়েছে।
আফ্রিকা মহাদেশে ১৬টি (সবচেয়ে বেশি) স্থলবেষ্টিত দেশ রয়েছে।
দেশগুলো হচ্ছে -
- বতসোয়ানা
- বুরকিনা ফাসো
- বুরুন্ডি
- মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র
- চাঁদ
- ইথিওপিয়া
- লেসেথো
- মালাউই
- মালি
- নাইজার
- রুয়ান্ডা
- দক্ষিণ সুদান
- সোয়াজিল্যান্ড
- উগান্ডা
- জাম্বিয়া
- জিম্বাবুয়ে
উৎসঃ Live MCQ content (Upcoming) ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।
আসওয়ান বাঁধ (Aswan High Dam):
- আসওয়ান বাঁধ মিশরের আসওয়ানে অবস্থিত। এটি নীলনদের উপর স্থাপিত একটি সুউচ্চ বাঁধ।
- ১৯৭০ সালে এই বাঁধের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়।
- এই বাঁধের মাধ্যমে উৎপন্ন বিদ্যুৎ দিয়ে মিশরের বিদ্যুৎ চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ করা হয়।
উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম
সুমেরীয় সভ্যতা (Sumerian Civilization)
মেসোপটেমীয়া অঞ্চলে সবচেয়ে প্রাচীন যে সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল, তার নাম - সুমেরীয় সভ্যতা।
বর্তমানে ইরাকের টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস (তৎকালীন দজলা ও ফোরাত) নদীর মধ্যবর্তী উর্বর স্থানে সুমেরীয় সভ্যতার গোড়াপত্তন ঘটে।
দক্ষিণ মেসোপটেমিয়ার আদি অ-সেমেটিকবাসীরা সাধারণভাবে ‘সুমেরিয়ান’ নামে পরিচিত ছিল।
সুমেরীয়দের উল্লেখযোগ্য অবদানঃ
সুমেরীয়দের অবদান মূলত কৃষি কেন্দ্রিক। কৃষি ব্যবস্থার উন্নতির জন্য তাদের অবদান অতুলনীয়। নিম্নে সুমেরীয়দের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অবদানের কথা উল্লেখ করা হল -
⤇ ‘চাকা’ আবিষ্কার ও উন্নত সেচ ব্যবস্থা - টাইগ্রিস সুমেরীয়রা প্রথম চাকার ব্যবহার শুরু করে। তাদের কৃষকরা প্রথম দুই চাকা বিশিষ্ট ‘রথ’ (Chariot) ব্যবহার শুরু করেছিল। পরবর্তীতে সেগুলো যুদ্ধের উপযোগী করে নির্মাণ করা হয়।
ও ইউফ্রিটিস নদীর পানি ব্যবহার করে কৃষির উন্নতির জন্য তারা উন্নত সেচ ব্যবস্থার উদ্ভাবন করেছিলো। তাছাড়া ঐ সময় তারা জমি চাষের উন্নত লাঙ্গল ও ফসল মজুদ করার জন্য বড় পাত্র তৈরী করেছিলো।
⤇ লিখন-পদ্ধতির আবিষ্কার - সুমেরীয়দের আবিষ্কৃত লিখন পদ্ধতির নাম - “কিউনিফর্ম” (Cuneiform)। কিউনিফর্ম লিপি বাম থেকে ডানদিকে লেখাঁ হত এবং এর বর্ণের সংখ্যা ছিলো - ৩২টি।
তারা বিশ্বের প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত - “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন।
⤇ ‘উল’ থেকে কাপড় তৈরীর পদ্ধতি আবিষ্কার করেছিল - সুমেরীয়রা। এছাড়াও বাড়ি নির্মানের জন্য মাটি দিয়ে ইট তৈরী করত। জলঘড়ি ও চন্দ্রপঞ্জিকা আবিষ্কারেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে সুমেরীয়রা।
উৎসঃ ব্রিটানিকা, হিস্টরি.কম ও Live MCQ Content (Upcoming)।
- মন্ট্রিল প্রটোকলঃ ওজোন ক্ষয়কারী বস্তু সামগ্রী ফেজ আউট করার লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- কিয়েটো প্রটোকলঃ গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ করার জন্য স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্টাগেনা প্রটোকলঃ জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি।
- ভিয়েনা কনভেশনঃ জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক কনভেশন।
- বাসেল কনভেনশনঃ বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন সংক্রান্ত কনভেনশন।
উৎসঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
১৮৮২ সালে জার্মান চ্যান্সেলর বিসমার্কের উদ্যোগে জার্মানি, ইতালি ও অস্ট্রিয়া-হাঙেরীর মধ্যে সামরিক সহায়তা বিষয়ক “Triple Alliance” চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই।
নিউ ডিল (New Deal):
- ১৯২৯ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে যুক্তরাষ্ট্র সহ সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক মহামন্দা (Great Depression) দেখা দেয়।
- এর ফলে - শেয়ার বাজারের পতন ঘটে, ব্যাংকগুলো অর্থনৈতিক সমস্যায় জর্জরিত হতে থাকে, বেকারত্ব বৃদ্ধি পেতে থাকে, বেতন ও মজুরি ব্যাপকভাবে কমে যায়, ফলে জীবন ধারন দুর্বিসহ হয়ে পড়ে।
- যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে 'নিউ ডিল' (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।
- নিউ ডিল (New Deal) ১৯৩৩ - ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল। এতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি গতি লাভ করে এবং সমস্যা সমাধান হয়।
- রুজভেল্ট বিশ্বাস করতেন 'অর্থনৈতিক স্বাধীনতা মানে অভাব থেকে মুক্তি'।
উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম
অটোয়া চুক্তিঃ
- অটোয়া চুক্তি হচ্ছে স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি।
- এটি ০৩ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে কানাডার অটোয়ায় স্বাক্ষরিত হয় এবং ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে কার্যকর হয়।
- চুক্তিটিতে স্বাক্ষরকারী দেশ ১৩৩টি।
- সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হলো এই চুক্তির উদ্দেশ্য।
উৎসঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
- ডোকলাম উপত্যকা সরাসরি ভাবে চীন এবং ভুটানের সীমান্তের সাথে সংযুক্ত। এই উপত্যকার পাশেই ভারতের অবস্থান। তবে তা ভারতের সীমান্তের সাথে সংযুক্ত নয়।
- চীন ও ভুটানের মধ্যে এই উপত্যকার মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব আছে, এই দ্বন্ধে ভারত ভুটানকে সমর্থন করে। সম্প্রতি ডোকালামে চীনের রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে ভারত ও চীনের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
সূত্রঃ ইন্ডিয়া টুডে, আনন্দ বাজার এবং ওয়ার্ল্ড এটলাস। মানচিত্রে উপত্যকাটির অবস্থান দেখুনঃ
১৯৯২ সালের ৩-১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) বা United Nations Conference on Environment and Development অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনের অন্য নাম - Rio Summit।
এই সম্মেলন থেকে গৃহীত হওয়া বিষয়গুলো হচ্ছে -
- এজেন্ডা-২১,
- UNFCCC (জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত কাঠামো সনদ),
- জীববৈচিত্র সম্পর্কিত সনদ এবং
- পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্পর্কিত রিও ঘোষণা।
উৎসঃ জাতিসংঘ ও UNFCCC ওয়েবসাইট।
- আমান (Aman) হলো ইসরায়েলের মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি।
- এর পুরো নাম Intelligence Department of the Israeli Defense Forces General Staff.
- এটি ১৯৪৮ সালে গঠিত হয়। এর বর্তমান প্রধান মেজর জেনারেল তামির হেইমেন।
- আমান ব্যতীত ইসরায়েলের অপর দুটি গোয়েন্দা সংস্থা হলো - মোসাদ এবং শিনবেত।
আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে কাতারের দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যে এই শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ও তালেবানের পক্ষে তালেবানের শীর্ষ নেতারা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এই চুক্তি অনুসারে ১৪ মাসের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে নিজেদের সেনা সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোট।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২০
Me Too - কর্মস্থলে নারীদের যৌন হয়রানি বন্ধের একটি বৈশ্বিক প্রচারণা।
- Tarana Burke ২০০৬ সালে সর্বপ্রথম Myspace নামে আমেরিকাভিত্তিক একটি সোশ্যাল মিডিয়ায় #MeToo আন্দোলন শুরু করেছিলেন।
- গত কয়েকবছরে এই আন্দোলন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
- এতে সাড়া দিয়ে হলিউড -বলিউড সহ অনেক নারী তারকা Metoo হ্যাশটেগ দিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলে তা আলোড়ন তুলে।
- বর্তমানে এই আন্দোলনের এক্টিভিস্টরা নারীর প্রতি যেকোন প্রকার যৌন হয়রানি বন্ধে কাজ করে যাচ্ছে।
উৎসঃ MeToo website ও পত্রিকা রিপোর্ট।
বাংলাদেশের সাথে দুইটি দেশ যথা: ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে।
- দেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলার সংখ্যা ৩২টি।
- এর মধ্যে ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- একমাত্র রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- বান্দরবান জেলার সাথে ভারতের সীমান্ত নেই, তবে মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে।
- ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে ভারত কিংবা মিয়ানমারের কোন সীমান্ত নেই।
সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
Meteorology (Noun):
Meaning: The branch of science concerned with the processes and phenomena of the atmosphere, especially as a means of forecasting the weather.
বাংলা অর্থ - আবহাওয়াবিদ্যা; আবহাওয়াবিজ্ঞান; আবহবিদ্যা।
Source: Oxford ও বাংলা একাডেমী অভিধান।
পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তা পাললিক শিলা।
- এ শিলায় পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে একে স্তরীভূত শিলাও বলে।
- পাললিক শিলা নরম ও হালকা যা সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- এর মধ্যে জীবাশ্ম দেখা যায়। পাললিক শিলায় ছিদ্র দেখা যায়।
- পাললিক শিলার উদাহরণ- চুনাপাথর, কয়লা, নুড়িপাথর, বেলেপাথর, পলিপাথর, কর্দমপাথর, চক, কোকিনা, লবণ, জিপসাম, ডায়াটম, ডোলোমাইট ইত্যাদি।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
দিনের বেলায় সূ্র্যকিরণের জন্যে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে উপরে উঠে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে পরিচলন বৃষ্টি বলে।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে স্থলভাগ অপেক্ষা জলভাগের বিস্তৃতি অধিক এবং এখানে সূর্য সর্বদা লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় এখানকার বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ সব সময় বেশি থাকে।
- ফলে এই হালকা জলীয়বাষ্প উপরে উঠে শীতল বায়ু সংস্পর্শে এসে নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর বিকেল অথবা সন্ধ্যায় পরিচলন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টি ঘটায়।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের পানি উষ্ণ ও হাল্কা হয়।
গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ার ফলে সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা সমূহ জলমগ্ন হবে।
- ফলাফল স্বরূপ এই অঞ্চলের মানুষদের বৃহৎ অংশ উস্বাস্তুতে পরিণত হবে। বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলেও জনসংখ্যার আধিক্য থাকায় এই উদ্বাস্তু সমস্যার আশু সমাধান সম্ভব হবে না। ফলস্বরূপ এটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যায় রূপ নেবে।
বাংলাদেশের জলবায়ুকে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত ও বার্ষিক তাপমাত্রার ভিত্তিতে তিনটি ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে।
যথা - গ্রীষ্মকাল, বর্ষাকাল ও শীতকাল।
- বাংলাদেশে মার্চ-মে (ফাল্গুন-জ্যৈষ্ঠ) পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল।
- জুন-অক্টোবর (জ্যৈষ্ঠ-কার্তিক) পর্যন্ত বর্ষাকাল এবং
- নভেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি মাস (কার্তিক-ফাল্গুন) পর্যন্ত সময়কালকে শীতকাল বলা হয়।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। এটির আয়তন প্রায় ১২৫০ হেক্টর।
- ১৯৯৬ সালে এটিকে জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করা হয়।
- এখানে গ্রীষ্মমন্ডলীয় চিরহরিৎ ও মিশ্র চিরহরিৎ বনভূমি দেখা যায়।
- উল্লেখযোগ্য পশুপাখি - খাটাস , বনমোরগ , উল্লুক , মেছোবাঘ বন বিড়ালসহ বিভিন্ন জীবজন্তু।
- এর আশেপাশে খাসিয়া ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
সূত্র: বন বিভাগ ও মৌলভীবাজার জেলার ওয়েবসাইট।
জনগণের কল্যাণ সাধনই আধুনিক রাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দশ্য। আধুনিক প্রায় প্রতিটি রাষ্ট্রই মূলত কল্যাণমূলক রাষ্ট্র। কল্যাণমূলক রাষ্ট্র বলতে সেই রাষ্ট্রকে বুঝায় যার সমুদয় সম্পদ ও শক্তিকে নাগরিকের সার্বিক কল্যাণে নিয়োজিত করা হয়। যে রাষ্ট্রে ব্যক্তি ও সমাজের উন্নতি ও মঙ্গলের জন্য কর্মসূচী প্রণয়ণ ও বাস্তবায়ন করে তাঁকে কল্যাণ রাষ্ট্র বলা হয়।
- কল্যাণ রাষ্ট্র জনগণের মৌলিক চাহিদা যেমন খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। মৌলিক চাহিদা বা প্রয়োজন মেটানোর জন্য এই রাষ্ট্র পরিকল্পিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পদ বৃদ্ধি এবং সুষম বন্টন নিশ্চিত করে। এছাড়া বিনা খরচে শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা, বেকার ভাতা এবং বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে।
- সংক্ষেপে আমরা বলতে পারি,
কল্যাণ রাষ্ট্র মানুষের ব্যক্তি স্বাধীনতা ও অধিকারকে সমুন্নত রেখে সর্বাধিক কল্যাণের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যাদি সুসম্পন্ন করে থাকে। রাষ্ট্রে বসবাসকারী প্রতিটি নাগরিকের সামগ্রিক কল্যাণ সাধন করাই এই রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য।
- যুক্তরাজ্য, নরওয়ে, সুইডেন, কানাডা প্রভৃতি রাষ্ট্র কল্যাণমূলক রাষ্ট্র।
স্বরাচারী শাসন এবং রাষ্ট্রব্যবস্থার হাত থেকে মুক্তি লাভের প্রচেষ্টা মানুষের দীর্ঘদিনের। অতীতে রাষ্ট্রের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কেবল শাসকশ্রেণীর স্বার্থ সংরক্ষণ করা, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করা, অপরাধমূলক কাজ দমন করা ইত্যাদি। ব্যক্তি স্বাতন্ত্রবাদের প্রবক্তা জন স্টুয়াট মিল, হার্বাট স্পেনসার রাষ্ট্রের কার্যাবলীকে অভ্যন্তরীণ শান্তিও শৃঙ্খলা বিধান, রাষ্ট্রকে বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করা, অপরাধীদের শাস্তিও দন্ড প্রদান প্রভৃতি কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ করেন।
- মূলত, কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণা উন্নত করেন - ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ উইলিয়াম হেনরি বিভারিজ (William Henry Beveridge)।
জাতিসংঘের প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী,
“যে রাষ্ট্র প্রতিটি নাগরিকের জন্য খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুবিধা প্রদান করে এবং বেকারত্ব কিংবা অসুস্থ্যতা বা অন্য কোন কারণে জীবিকা অর্জনে ব্যর্থ হলে জনগণের পূর্ণ নিশ্চয়াতা বিধান করতে পারে তাকে কল্যাণ রাষ্ট্র বলা হয়।’’
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কল্যাণমূলক কার্যাদির পরিমাণ আরও বেড়ে যায়।
- মূলত সামজতন্ত্রকে প্রতিরোধ করার জন্য পুঁজিবাদী বিশ্ব বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্ম পন্থা গ্রহণ করে। এই ভাবে চরম পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের মাঝামাঝি একটি মধ্যম ব্যবস্থা হিসেবে কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে।
- বর্তমান বিশ্বের সকল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কম-বেশী কল্যাণমূলক রাষ্ট্র।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান পাঠ্য বই (উন্মুক্ত)।
- আইনের শাসনের মূল বক্তব্য হলো আইনের চোখে সবাই সমান। কেউই আইনের উর্ধ্বে নয় এবং সবাই আইনের অধীন।
অর্থ্যাৎ, আইনের শাসন মূলত আইনের প্রাধান্য স্বীকার করা।
- আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমান অধিকার প্রাপ্তির সুযোগকে আইনের শাসন বলে।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠায় পূর্বশর্ত হচ্ছে - আইনের শাসন।
সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদরদপ্তর অবস্থিত লন্ডনে।
- বর্তমান মহাসচিব জুলি ভারহার (ভারপ্রাপ্ত)।
- সংস্থাটি ১৯৭৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলো।
সূত্রঃ অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইট।
মূল্যবোধের অনুপস্থিতি হলো সামাজিক অবক্ষয় বা মূল্যবোধের অবক্ষয়।
তাই মূল্যবোধ শিক্ষার প্রধান উদ্দেশ্য হলো সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা।
- মূল্যবোধ শিক্ষা শিষ্টাচার, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, শৃঙ্খলাবোধ প্রভৃতির মাধ্যমে সামাজিক অবক্ষয় তথা - ব্যভিচার, রাহাজানি, মাদকাসক্ততা, ইভটিজিং প্রভৃতি রোধ করে থাকে।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী।
গনতন্ত্রের ইংরেজী প্রতি শব্দ Democracy, যা গ্রিক শব্দ Demos এবং Kratos বা Kratia থেকে উদ্ভূত।
- Demos অর্থ জনগন এবং Kratos বা Kratia শব্দের অর্থ শাসন ক্ষমতা।
- শব্দগত অর্থে গণতন্ত্রের অর্থহচ্ছে জনগনের শাসন ক্ষমতা।
- আব্রাহাম লিঙ্কনের মতে, "গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণের কল্যাণের জন্য, জনগণে দ্বারা পরিচালিত,জনপ্রতিনিধিত্বমূলক শাসনব্যবস্থা।"
- অধ্যাপক ডাইসি বলেন, "গণতন্ত্র হচ্ছে এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে শাসকগণ তুলনামূলকভাবে জনসংখ্যার একটি বিরাট অংশ।"
- গ্রীক ঐতিহাসিক হেরোডোডাস এর মতে, "গনতন্ত্র এমন এক প্রকার শাসনব্যবস্থা যেখানে শাসন ক্ষমতা আইনত কোনো শ্রেণি বা শ্রেণিসমূহের ওপর ন্যস্ত না থেকে সমাজের সকল সদস্যদের ওপর ন্যস্ত থাকে।"
গণতন্ত্র দুই প্রকার।
১. প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র
২. পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন বই (উন্মুক্ত)।