পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়36 minutes
মোট প্রশ্ন৪৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৯: পার্ট-১) বিষয়: বাংলা সাহিত্য টপিক: বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ: [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: অন্নদাশঙ্কর রায়, অমিয় চক্রবর্তী, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, আবু জাফর শামসুদ্দীন, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বিহারীলাল চক্রবর্তী, বুদ্ধদেব বসু, বেগম রোকেয়া, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২. অন্যান্য লেখকগণ: অতুলপ্রসাদ সেন, অদ্বৈত মল্লবর্মণ, আনিসুজ্জামান, আব্দুল কাদির, আব্দুল মান্নান সৈয়দ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আব্দুল্লাহ আল মুতী, আব্দুল হাই, আবু ইসহাক, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, আবুল কালাম শামসুদ্দীন, আবুল ফজল, আবুল মনসুর আহমেদ, আবুল হাসান, আবুল হুসেন, আল মাহমুদ, আলাউদ্দিন আল আজাদ, আহমদ ছফা, আহমদ শরীফ, আহসান হাবীব, ইবরাহীম খাঁ, এস ওয়াজেদ আলি, কাজী আব্দুল ওদুদ, কাজী ইমদাদুল হক। পার্ট-২) বিষয়: ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা টপিক: ১) বাংলাদেশ ও অঞ্চলভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব; ২) অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ (ভূ-প্রাকৃতিক), সম্পদের বণ্টন ও গুরুত্ব; ৩) বাংলাদেশের পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ, প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ। পার্ট-৩) বিষয়: গাণিতিক যুক্তি টপিক: বীজগণিত: [i) সূচক ও লগারিদম; ii) সমান্তর ও গুণোত্তর অনুক্রম ও ধারা।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৭ প্রশ্ন

.
'আগুন নিয়ে খেলা' উপন্যাসটি কার রচনা?
  1. আবু ইসহাক
  2. অন্নদাশঙ্কর রায়
  3. কাজী ইমদাদুল হক
  4. আলাউদ্দিন আল আজাদ
সঠিক উত্তর:
অন্নদাশঙ্কর রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্নদাশঙ্কর রায়
ব্যাখ্যা

• 'আগুন নিয়ে খেলা' উপন্যাস:
- 'আগুন নিয়ে খেলা' ​অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত উপন্যাস। 
- প্রথম প্রকাশ আশ্বিন ১৩৩৭, দ্বিতীয় সংস্করণ জ্যৈষ্ঠ ১৩৪৬,  তৃতীয় সংস্করণ অগ্রহায়ণ ১৩৫২,  চতুর্থ সংস্করণ মাঘ ১৩৫৭ এবং পঞ্চম সংস্করণ বৈশাখ ১৩৬৩। 
- প্রচ্ছদপট শ্রীমতী লীলা রায়ের আঁকা। এ গ্রন্থের কপিরাইট শ্রীমতী লীলা রায়ের ছিল।
- প্রকাশক শ্রীগোপালদাস মজুমদার। গ্রন্থটি ডি. এম. লাইব্রেরী , কর্নওয়ালিস স্টীট, কলিকাতা থেকে প্রকাশিত হয়। প্রকাশকালে গ্রন্থটির মূল্য ছিল ​​তিন টাকা। 

​--------------------
• অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- অসমাপিকা,
- আগুন নিয়ে খেলা,
- পুতুল নিয়ে খেলা,
- সত্যাসত্য ইত্যাদি।

উল্লেখযোগ্য ভ্রমণকাহিনি:
- পথে প্রবাসে,
- ইউরোপের চিঠি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;  'আগুন নিয়ে খেলা' অন্নদাশঙ্কর রায় এবং বাংলাপিডিয়া।

.
অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. প্রতিধ্বনি
  2. উত্তরফাল্গুনী
  3. এক মুঠো
  4. চলো যাই
সঠিক উত্তর:
এক মুঠো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক মুঠো
ব্যাখ্যা

• 'এক মুঠো' কাব্যগ্রন্থ:
- অমিয় চক্রবর্তীর 'এক মুঠো' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৯ সালে।
- বিশ শতকের বিজ্ঞানের যুগে ব্যবহারিক জীবনে যেমন জটিলতা বাড়ছে, মানুষের মনেও তেমনি চিন্তার জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক চেতনায় যুগধর্মের এই বৈশিষ্ট্য খুব উজ্জ্বলভাবে প্রতিভাত হয়েছে এই কাব্যে।
- কবি এখানে সময়কে বিবেচনায় এনে এই সময়হত মানব-মানবীর অন্তর্গত সুখ ও সমস্যা ধারার চেষ্টা করেছেন।

​--------------------
• অমিয় চক্রবর্তী:
- অমিয় চক্রবর্তী (১৯০১-১৯৮৬): পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে বহুদেশে ভ্রমণ করেছেন।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫।

তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো:
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- অনিঃশেষ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গদ্যরচনাগুলো হলো:
- চলো যাই,
- সাম্প্রতিক,
- পুরবাসী,
- পথ অন্তহীন ইত্যাদি।

​অন্যদিকে, 
​-----------------
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত-  অনুবাদগ্রন্থ: প্রতিধ্বনি; কাব্যগ্রন্থ: উত্তরফাল্গুনী। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস কোন গ্রন্থের জন্য 'সাদত আলী আখন্দ পুরস্কার' লাভ করেন?
  1. খোয়াবনামা
  2. দোজখের ওম
  3. চিলেকোঠার সেপাই
  4. খোয়ারি
সঠিক উত্তর:
খোয়াবনামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খোয়াবনামা
ব্যাখ্যা

• 'খোয়াবনামা' উপন্যাস:
- ঐতিহাসিক উপাদান নির্ভর উপন্যাস 'খোয়াবনামা' এর রচয়িতা আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।

- গ্রাম বাংলার নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের জীবনালেখ্যসহ ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ, আসামের ভূমিকম্প, তেভাগা আন্দোলন, ১৯৪৩-এর মন্বন্তর, পাকিস্তান আন্দোলন ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ইত্যাদি ঐতিহাসিক উপাদান এ উপন্যাসে নিপুণভাবে উপস্থিত করা হয়েছে। এই উপাদানসমূহ অবলম্বন করে বাঙালির তথা মানবজীবনের সংগ্রামও এগিয়ে যাওয়াই উপন্যাসটির বিষয়।

​- তিনি ১৯৯৫ সালে 'খোয়াবনামা' উপন্যাসের জন্য 'সাদত আলী আখন্দ পুরস্কার' ও ১৯৯৬ সালে কলকাতার 'আনন্দ পুরস্কার' লাভ করেন।

​-----------------------
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত গ্রন্থসমূহ হলো:
• উপন্যাস:
- চিলেকোঠার সেপাই,
- খোয়াবনামা।
(এই দুটি হলো তার মহাকাব্যোচিত উপন্যাস)

• গল্পগ্রন্থ:
- অন্য ঘরে অন্য স্বর,
- খোয়ারি,
- দুধভাতে উৎপাত,
- দোজখের ওম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'বাংলাদেশ কথা কয়' কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. উপন্যাস 
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. প্রবন্ধ 
  4. সম্পাদনা গ্রন্থ
সঠিক উত্তর:
সম্পাদনা গ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পাদনা গ্রন্থ
ব্যাখ্যা

• 'বাংলাদেশ কথা কয়':
- আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর 'বাংলাদেশ কথা কয়' গ্রন্থটি বাংলাদেশের কয়েকজন তরুণ ও প্রবীণ কথাশিল্পীর লেখা গল্পগুলো নিয়ে রচিত সম্পাদনা গ্রন্থ বা প্রামাণ্য চিত্র।
- সম্পাদনাটি নিছক যুদ্ধ-সাহিত্য নয়; বরং বাঙালি জাতীয়মানসের বর্তমান বিপ্লবী প্রতিরোধ চেতনার কয়েকটি রূপরেখা অঙ্কিত হয়েছে এই সম্পাদনায়।

​-----------------
 • আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী:
-  আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী ১৯৩৪ সালের ১২ই ডিসেম্বর বরিশালে জন্ম গ্রহণ করেন।
- আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি-গানের রচয়িতা আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।

আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী রচিত উপন্যাস:
- চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান (প্রথম),
- নাম না জানা ভোর,
- নীল যমুনা ও
- শেষ রাত্রির চাঁদ।

গল্পগ্রন্থ:
- সম্রাটের ছবি,
- কৃষ্ণপক্ষ,
- সুন্দর হে সুন্দর।

শিশুতোষ গ্রন্থ:
- ডানপিটে শওকত।

তাঁর সম্পাদনা গ্রন্থ:
- বাংলাদেশ কথা কয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'বাংলাদেশ কথা কয়' সম্পাদনা।

.
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রথম উপন্যাস কোনটি?
  1. নিষিদ্ধ লোবান
  2. রাইফেল রোটি আওরাত
  3. রেইনকোর্ট
  4. ওঙ্কার
সঠিক উত্তর:
রাইফেল রোটি আওরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাইফেল রোটি আওরাত
ব্যাখ্যা

• 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাস:
- আনোয়ার পাশা রচিত 'রাইফেল রোটি আওরাত' একটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস।
- উপন্যাসটির রচনাকাল ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত। মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রথম উপন্যাস এটি।
- আনোয়ার পাশা রচিত 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- অধ্যাপক সুদীপ্ত শাহীন এই উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।

এই উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রগুলো হচ্ছে: 
​- ড. খালেক, 
​- ড. মালেক, 
​- ছাবেদ আলী,
​- হাসমত, 
​- জামাল সাহেব প্রমুখ।

অন্যদিকে, 
- নিষিদ্ধ লোবান' (১৯৮১)- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সৈয়দ শামসুল হক রচিত অন্যতম একটি উপন্যাস। 
- রেইনকোর্ট- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক একটি গল্প।
- ওঙ্কার উপন্যাসটি মূলত ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে লেখা হয়েছে। আহমদ ছফা রচিত ওঙ্কার উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৭৫ সালে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
আবু জাফর শামসুদ্দীন ব্যবহৃত ছদ্মনাম কোনটি?
  1. বহুদর্শী 
  2. দৃষ্টিহীন 
  3. হাবু শর্মা
  4. অল্পদর্শী
সঠিক উত্তর:
অল্পদর্শী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অল্পদর্শী
ব্যাখ্যা

• আবু জাফর শামসুদ্দীন:
- আবু জাফর শামসুদ্দীন ছিলেন একজন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক ছিলেন। ১৯১১ সালের ১২ মার্চ ঢাকা জেলার গাজীপুরের দক্ষিণবাগ গ্রামে তাঁর জন্ম।
- দৈনিক সোলতান পত্রিকায় সাবএডিটর হিসেবে আবু জাফরের কর্মজীবন শুরু হয়।

- মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত 'অল্পদর্শী' ছদ্মনামে দৈনিক সংবাদে 'বৈহাসিকের পার্শ্বচিন্তা' শীর্ষক সাপ্তাহিক কলাম লিখে তিনি বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

​- এর আগে তিনি ১৯৬১ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত বাংলা একাডেমিতে সহকারী অনুবাদকের পদে নিযুক্ত ছিলেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।
 উপন্যাস রচনার মধ্য দিয়ে আবু জাফরের সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়। তাঁর প্রথম উপন্যাস পরিত্যক্ত স্বামী প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে।

​অন্যদিকে, 
• ​তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ছিলো 'হাবু শর্মা'।  
• মধুসূধন মজুমদারের ছদ্মনাম ছিলো- দৃষ্টিহীন।
আবার,
• দৃষ্টিহীন' - দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার এর ছদ্মনাম।

​উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'পাষণ্ডপীড়ণ' পত্রিকা সম্পাদনা করেন কে?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  2. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা

• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত উনিশ শতকের প্রথমার্ধে একমাত্র কবি যার কবিতা ছিল হালকা ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের ভরা। তাঁর কবিতায় কল্পনার স্থানও ছিল না।

- ​ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত। কারণ তিনি সমকালের সামাজিক ও ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে কবিতা রচনা করলেও তাঁর ভাষা, ছন্দ ও অলঙ্কার ছিলো মধ্যযুগীয়। ব্যঙ্গ-বিদ্রূপই ছিল তাঁর রচনার বিশেষত্ব।

- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা 'সংবাদ প্রভাকর' সম্পাদনা করেন। তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন। এবং ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

- তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো কবিয়ালদের লুপ্তপ্রায় জীবনী উদ্ধার করে প্রকাশ করা।

এছাড়াও তিনি আরও কিছু পত্রিকা সম্পাদনা করেন- 
- সংবাদ রত্নাবলী,
- পাষণ্ডপীড়ণ,
- সংবাদ সাধুরঞ্জন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
কোনটি বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ?
  1. নাম রেখেছি কোমল গান্ধার
  2. চোরাবালি
  3. প্রেম প্রবাহিণী
  4. সঙ্গীতদর্শন
সঠিক উত্তর:
প্রেম প্রবাহিণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রেম প্রবাহিণী
ব্যাখ্যা

• 'প্রেম প্রবাহিণী' বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৮৭০ খ্রিষ্টাব্দে।

​---------------------
• বিহারীলাল চক্রবর্তী:
- বিহারীলাল চক্রবর্তী আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পুরোধা এবং রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচত।
- তিনি আধুনিক বাংলা গীতিকাব্যের প্রথম ও প্রধান কবি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' উপাধিতে আখ্যায়িত করেন।
- বিহারীলাল চক্রবর্তীর প্রথম সার্থক গীতিকবিতা 'বঙ্গসুন্দরী'।
- তার শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ: সারদা মঙ্গল।

বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- স্বপ্নদর্শন,
- সঙ্গীতশতক,
- বঙ্গসুন্দরী,
- নিসর্গ সন্দর্শন,
- বন্ধু বিয়োগ,
- সারদা মঙ্গল।

​অন্যদিকে, 
​---------------
বিষ্ণু দে রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো: চোরাবালি, নাম রেখেছি কোমল গান্ধার

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'তিথিডোর' উপন্যাসে কাহিনির মূল উপজীব্য কী? 
  1. গ্রামীণ সমাজে ধর্ম ব্যবসা
  2. ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতি
  3. অত্যাচারী শক্তির কাছে পরাজয় 
  4. প্রেম ও যৌবনের বন্দনা
সঠিক উত্তর:
প্রেম ও যৌবনের বন্দনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রেম ও যৌবনের বন্দনা
ব্যাখ্যা

• 'তিথিডোর' উপন্যাস:
​- বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস 'তিথিডোর'। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৮।
- উপন্যাসটি প্রথম শ্রাবণ, করুণ রঙিন পথ, যবনিকা কম্পমান এই তিনখন্ডে বিভক্ত।
- বাঙালি মধ্যবিত্ত শিল্পিত স্বভাব নর নারীর জীবন যাপনের মনোরম ও মধুর কাহিনি এ উপন্যাসে বর্ণিত। কাহিনির মূল উপজীব্য প্রেম ও যৌবনের বন্দনা।
- এ কাহিনির গীতল ভাষা ও কাব্যময়তা এবং এর শেষাংশে প্রযুক্ত 'চৈতন্যপ্রবাহ' -ধর্মী বর্ননাভঙ্গির দেখা পাওয়া যায়।

বুদ্ধদেব বসু রচিত  অন্যান্য উপন্যাস:
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- মৌলিনাথ,
- নীলাঞ্জনের খাতা,
- রাত ভরে বৃষ্টি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. প্রভাবতী সম্ভাষণ
  2. বেতাল পঞ্চবিংশতি
  3. ভ্রান্তিবিলাস
  4. আখ্যান মঞ্জরী
সঠিক উত্তর:
বেতাল পঞ্চবিংশতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।  তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত। তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১১.
অতুলপ্রসাদ সেন বাংলা কোন গানের প্রবর্তক?
  1. টপ্পা
  2. ঠুমরি 
  3. কবি গান
  4. গজল 
সঠিক উত্তর:
ঠুমরি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠুমরি 
ব্যাখ্যা

• অতুলপ্রসাদ সেন:
-​ বাংলা ঠুমরি গানের প্রবর্তক অতুলপ্রসাদ সেন।
- ঠুমরি একপ্রকার রাগসঙ্গিত, যার সুর অতি মিষ্টি। সুরের মিষ্টতার কারনেই এর এই নামকরন।
- অতুপ্রসাদ বাংলায় ঠুমরি গানের প্রবর্তক এবং সুরকার ও গীতিকার হিসাবে সঙ্গীতভুবনে তিনি প্রসিদ্ধতা লাভ করেন।
- মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা - তার অতি বিখ্যাত সৃষ্টি।
- স্বদেশি, ভক্তিগীতি এবং প্রেমে গানে বিভক্ত প্রায় ২০০টি গান তিনি রচনা করেছেন।
- কয়েকটি গান ও গীতিগুঞ্জ, ১৯৩১ সালে প্রকাশিত তার গানের সংকলন।

​অন্যদিকে, 
- নিধুবাবু হচ্ছেন বাংলা টপ্পা গানের প্রবর্তক।
- গোঁহলা গুঁই, হারু ঠাকুর এবং এন্টানি ফিরিঙ্গি কবিগানের প্রাচীনতম কবি।
- বাংলা গজলের স্রষ্টা কাজী নজরুল ইসলাম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

১২.
শিক্ষাবিষয়ক মাসিক পত্রিকা 'শিক্ষক' কার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়?
  1. কাজী আবদুল ওদুদ
  2. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  3. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  4. কাজী ইমদাদুল হক
সঠিক উত্তর:
কাজী ইমদাদুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী ইমদাদুল হক
ব্যাখ্যা

• ১৯২০ সালের মে মাসে কাজী ইমদাদুল হকের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় শিক্ষাবিষয়ক মাসিক পত্রিকা 'শিক্ষক'। 
​- পত্রিকাটি তিন বছর চালু ছিল।

​-----------------------
• কাজী ইমদাদুল হক:
- কাজী ইমদাদুল হক ছিলেন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক। তিনি ১৮৮২ সালে খুলনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- 'আবদুল্লাহ' উপন্যাসের লেখক হিসেবেই তাঁর সমধিক পরিচিতি। আবদুল্লাহ উপন্যাস রচনা করেই তিনি ঔপন্যাসিক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন।
- বাঙালি মুসলমান সমাজের কল্যাণসাধন ছিল ইমদাদুল হকের সাহিত্য সাধনার মূল লক্ষ্য।
- তিনি বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা (১৯১৮) প্রকাশনা কমিটির সভাপতি ছিলেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ:
• উপন্যাস: আবদুল্লাহ্।

• কাব্য:
- আঁখিজল ও
- লতিকা।

• প্রবন্ধ: প্রবন্ধমালা।
• শিশুতোষ গ্রন্থ: নবীকাহিনী। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবন্মগ বাংলাপিডিয়া।

১৩.
'ছোটদের পাকিস্তান' শিশুতোষ গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. আহসান হাবীব
  2. এস ওয়াজেদ আলি
  3. আবদুল্লাহ আল-মুতী
  4. আব্দুল্লাহ আল মামুন
সঠিক উত্তর:
আহসান হাবীব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহসান হাবীব
ব্যাখ্যা

'ছোটদের পাকিস্তান' আহসান হাবীব রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ। 
-​ গ্রন্থটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত হয়। 

​-------------------
​• আহসান হাবীব:

- আহসান হাবীব ছিলেন মূলত কবি ও সাংবাদিক। ১৯১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পিরোজপুর জেলার শংকরপাশা গ্রামে তাঁর জন্ম। 
​- আহসান হাবীব আধুনিক কাব্যধারার কবি ছিলেন। তাঁর কাব্যচর্চার শুরু বাল্যকাল থেকেই। 
​- সপ্তম শ্রেণীতে অধ্যয়নকালে ১৯৩৩ সালে স্কুল ম্যাগাজিনে তাঁর প্রথম লেখা একটি প্রবন্ধ ‘ধর্ম’ প্রকাশিত হয়। ১৯৩৪ সালে তাঁর প্রথম কবিতা ‘মায়ের কবর পাড়ে কিশোর’ ছাপা হয় পিরোজপুর গভর্নমেন্ট স্কুল ম্যাগাজিনে। তখন তিনি দশম শ্রেণীর ছাত্র। 
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ - রাত্রিশেষে। রাত্রিশেষ প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে।
- ১৯৬১ সালে বাংলা একাডেমি এবং ১৯৭৮ সালে একুশে পদক লাভ করেন।

আহসান হাবীব রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রাত্রিশেষ (প্রথম প্রকাশিত),
- মেঘ বলে চৈত্রে যাবো,
- দু'হাতে দুই আদিম পাথর,
- ছায়া হরিণ,
- দু'হাতে দুই আদিম পাথর,
- বিদীর্ণ দর্পণে মুখ।

শিশুতোষ গ্রন্থ:
- ছোটদের পাকিস্তান,
- ছুটির দিন দুপুরে,
- বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৪.
আবু ইসহাকের রচিত গোয়েন্দাভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
  1. যাত্রা 
  2. জাল
  3. দূরবীন
  4. ওয়ারিশ
সঠিক উত্তর:
জাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাল
ব্যাখ্যা

• 'জাল' উপন্যাস:
​- 'জাল' বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক আবু ইসহাকের একটি গোয়েন্দা উপন্যাস। 
- ​এই উপন্যাসটি ১৯৫০ সালে জাল নোটের কয়েকটি মামলার তদন্তের অভিজ্ঞতার আলোকে রচিত। 
- ​'জাল' একটি ভিন্ন স্বাদের উপন্যাস, গতানুগতিক ডিটেকটিভ উপন্যাস নয় । তা'ছাড়া এর ভেতর আছে অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে আবু ইসহাকের উদ্ভাবিত কিছু মৌলিক পদ্ধতি।
- উপন্যাসটি ১৯৮৮ সালে 'আনন্দপত্র' ঈদ সংখ্যায় প্রথম প্রকাশিত হয় । কিছু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জনার পর এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় নসাস থেকে।

​অন্যদিকে, 
• '​যাত্রা' শওকত আলী রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
• ​শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের লেখা তিন প্রজন্মের কাহিনির সংমিশ্রণে রচিত উপন্যাস হচ্ছে "দূরবীন"।
• ​শওকত আলী রচিত 'ওয়ারিশ' উপন্যাসে চারটি প্রজন্মের চিন্তাভাবনা ও জীবন যাপনের ঘটনাবলীর মধ্য দিয়ে আত্ম আবিষ্কারের কাহিনি গভীর বিশ্বস্ততার সঙ্গে নির্মিত হয়েছে।
​​
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫.
​ ​আহমদ ছফা রচিত উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. সূর্য তুমি সাথী
  2. অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী
  3. যদ্যপি আমার গুরু
  4. গাভী বিত্তান্ত 
সঠিক উত্তর:
যদ্যপি আমার গুরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদ্যপি আমার গুরু
ব্যাখ্যা

• 'যদ্যপি আমার গুরু' স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ:
​- 'যদ্যপি আমার গুরু' বাংলাদেশের অগ্রণী চিন্তাবিদ ও কথাসাহিত্যিক আহমদ ছফা রচিত একটি বিখ্যাত স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ।
- দীর্ঘ স্মৃতিচারণ মূলক রচনাটি ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দে বই আকারে প্রকাশের আগে দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকার সাহিত্য পাতায় প্রায় চার মাস ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়েছিল।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিংবদন্তি জাতীয় অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাকের সাথে লেখকের বিভিন্ন বিষয়ে কথোপকথনসমূহের বিবরণ পাওয়া যায় এই গ্রন্থে।
- লেখক দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে রাজ্জাক স্যারের সান্নিধ্য লাভ করেছেন।

​আহমদ ছফা রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- সূর্য তুমি সাথী,
- উদ্ধার,
- একজন আলী কেনানের উত্থান পতন,
- অলাতচক্র,
- ওঙ্কার,
- গাভী বিত্তান্ত,
- অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী,
- পুষ্পবৃক্ষ ও
- বিহঙ্গ পুরাণ।

উৎস: 'যদ্যপি আমার গুরু' আহমদ ছফা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬.
আবুল কালাম শামসুদ্দীন সম্পাদিত পত্রিকা কোনটি?
  1. পূর্বাশা
  2. দৈনিক আজাদ
  3. সমকাল
  4. কণ্ঠস্বর 
সঠিক উত্তর:
দৈনিক আজাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৈনিক আজাদ
ব্যাখ্যা

• 'দৈনিক আজাদ' আবুল কালাম শামসুদ্দীন সম্পাদিত পত্রিকা।

আবুল কালাম শামসুদ্দীন সম্পাদিত পত্রিকা সমূহ:
- ​১৯২২ সালে মাসিক মোহাম্মদী পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক হিসেবে তাঁর সাংবাদিক জীবন শুরু হয়। 
​- পরে তিনি সাপ্তাহিক মোসলেম জগৎ, দি মুসলমান, দৈনিক সোলতান, মাসিক মোহাম্মদী প্রভৃতি পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
- সওগাত পত্রিকার সম্পাদনা বিভাগে (১৯২৬) কর্মরত ছিলেন।
- দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদনা বিভাগে ১৯৩৬ সালে যোগ দেন এবং দীর্ঘ বাইশ বছর সম্পাদনা করেন।

অন্যদিকে,
- 'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন - সঞ্জয় ভট্টাচার্য।
- সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা থেকে প্রকাশিত মাসিক সাহিত্যপত্র 'সমকাল'।
- "কণ্ঠস্বর" পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৭.
কোনটি আবুল ফজল রচিত দিনলিপি?
  1. চৌচির
  2. রেখাচিত্র
  3. মাটির পৃথিবী
  4. প্রদীপ ও পতঙ্গ
সঠিক উত্তর:
রেখাচিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেখাচিত্র
ব্যাখ্যা

• রেখাচিত্র:
- ​"রেখাচিত্র" আবুল ফজল রচিত একটি দিনলিপি, যেখানে তিনি তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অভিজ্ঞতা এবং পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন। 
​- এটি তার আত্মজীবনীমূলক রচনার একটি অংশ।

​--------------------
​• আবুল ফজল:

- আবুল ফজল একজন শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক এবং কথাসাহিত্যিক। তিনি ১৯০৩ সালের ১ জুলাই চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার অন্তর্গত কেঁওচিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- আবুল ফজল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ঢাকার মুসলিম সাহিত্য সমাজ (১৯২৬) প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৩০ সালে তিনি এর সম্পাদক হন।

​তাঁর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ হলো:
• উপন্যাস:
- চৌচির,
- প্রদীপ ও পতঙ্গ,
- রাঙ্গা প্রভাত।

• গল্পগ্রন্থ:
- মাটির পৃথিবী,
- মৃতের আত্মহত্যা।

• দিনলিপি:
- রেখাচিত্র,
- দুর্দিনের দিনলিপি প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৮.
আলাউদ্দিন আল আজাদের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
  1. শীতের শেষরাত বসন্তের প্রথম দিন
  2. ক্ষুধা ও আশা
  3. কর্ণফুলী
  4. তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
সঠিক উত্তর:
তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
ব্যাখ্যা

• 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র' উপন্যাস:
- 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র' উপন্যাসটি আলাউদ্দিন আল আজাদের প্রথম উপন্যাস।
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (পরিচালক: সুভাষ দত্ত) উপন্যাস অবলম্বনে বসুন্ধরা চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে।
- নির্মিত চলচ্চিত্রটি ১৯৭৭ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।

​-------------------
আলাউদ্দিন আল আজাদে রচিত অন্যান্য গ্রন্থগুলো হলো:
• উপন্যাস:
তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (১৯৬০), 
শীতের শেষরাত বসন্তের প্রথম দিন (১৯৬২), 
কর্ণফুলী (১৯৬২), 
ক্ষুধা ও আশা (১৯৬৪), 
খসড়া কাগজ (১৯৮৬)। 

• গল্প:
জেগে আছি (প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ), 
ধানকন্যা, 
মৃগণাভি, 
উজান তরঙ্গে, 
যখন সৈকত। 

• কাব্যগ্রন্থ:
- মানচিত্র। 

• নাটক:
নরকে লাল গোলাপ : মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক,
এহুদের মেয়ে, 
মরোক্কোর জাদুকর, 
মায়াবী প্রহর। 

​উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৯.
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ প্রধানত কোন উপাদান দ্বারা গঠিত?
  1. পাথর ও ইট
  2. বালি ও কাদা
  3. চুনাপাথর ও গ্রানাইট
  4. শেল ও কর্দম
সঠিক উত্তর:
শেল ও কর্দম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেল ও কর্দম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি:
- ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।

খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
কোন ধরনের শিলায় স্তর নেই?
  1. আগ্নেয় শিলায়
  2. পাললিক শিলায়
  3. বিচূর্ণীত শিলায়
  4. রূপান্তরিত শিলায়
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলায়
ব্যাখ্যা

আগ্নেয় শিলা (Igneous Rocks):
- পৃথিবী জ্বলন্ত অবস্থা থেকে শীতল হবার সময়ে অর্ধগলিত বিভিন্ন খনিজ অত্যন্ত দ্রুত শীতল ও কঠিনাকার ধারণ করে। 
​- এইরূপে সৃষ্ট কঠিন পদার্থগুলো আগ্নেয়শিলা নামে অভিহিত। 
​- আবার ভূমিকম্পের বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত অর্ধগলিত ম্যাগমা ভূ-পৃষ্ঠে বেরিয়ে আসে। 
​- ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে এলে, তাকে লাভা বলে। লাভা শীতল হয়ে জমাট বেঁধে আগ্নেয়শিলার সৃষ্টি হয়। 
​- পৃথিবী সৃষ্টির আদিতে এই শিলার সৃষ্টি হওয়ায় একে প্রাথমিক শিলা বা আদি শিলা (Primary Rock) বলা হয়। যেমন- ব্যাসল্ট, গ্রানাইট ইত্যাদি।

আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। আগ্নেয়শিলার স্তর নেই অর্থাৎ অস্তরীভূত শিলা;
২। আগ্নেয়শিলায় কোনো জীবাশ্ম নেই;
৩। আগ্নেয়শিলা অপ্রবেশ্য;
৪। আগ্নেয়শিলা সুদৃঢ় ও সুসংহত।

​তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১.
পাতাঝরা বা পর্ণমোচী বৃক্ষের উদাহরণ কোনটি?
  1. গর্জন
  2. চাপালিশ
  3. তেলসুর
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গর্জন
ব্যাখ্যা

​বনভূমির প্রকারভেদ:
​মৃত্তিকার গুণাগুণ এবং জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলাদেশের বনভূমিসমূহকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি;
২. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি এবং
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

​ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার অংশবিশেষ, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলার পাহাড়ি অঞ্চলে এ বনভূমি অবস্থিত।
​- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বৃক্ষ এবং অপেক্ষাকৃত কম বৃষ্টিযুক্ত অঞ্চলে পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি অবস্থিত।
​- চিরহরিৎ বৃক্ষসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো চাপালিশ, তেলসুর, ময়না প্রভৃতি।
​- আর পাতাঝরা বা পর্ণমোচী বৃক্ষের মধ্যে গর্জন, শিমুল, কড়ই, জারুল, সেগুন উল্লেখযোগ্য।
​- ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমির মোট আয়তন প্রায় ১৫,৩২৬ বর্গ কিলোমিটার।

​তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
বাংলাদেশের পূর্ব সীমা ভারতের কোন অঞ্চলের সাথে সংযুক্ত?
  1. পশ্চিমবঙ্গ
  2. মেঘালয়
  3. ত্রিপুরা
  4. জলপাইগুড়ি
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমানা (Boundary):
- বাংলাদেশের তিনদিকের স্থলভাগ ভারত এবং মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে অবস্থিত বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর।
- এ দেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কুচবিহার জেলা এবং আসাম ও মেঘালয় রাজ্য, পূর্বে আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমার অবস্থিত।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
- অন্যদিকে, অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার।

উল্লেখ্য,
১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
শারদ বিষুব কোন তারিখে ঘটে?
  1. ২১ মার্চ
  2. ২১ জুন
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২৩ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

বাসন্ত বিষুব (Vernal Equinox) ও শারদ বিষুব (Autumnal Equinox): 
​- ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার (০০) উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এই দুই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়।
​-  একে বিষুব (Equinox) বলা হয়। 
​- ২১শে মার্চ উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল থাকায় এই উত্তর গোলার্ধে বিষুব 'বাসন্ত বিষুব' (Vernal Spring Equinox) নামে অভিহিত।
​- অপরদিকে ২৩শে সেপ্টেম্বর উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করায় উত্তর গোলার্ধে এই বিষুব 'শারদ বিষুব' (Autumnal Equinox) নামে অভিহিত হয়।
​- প্রকৃতপক্ষে, বাসন্ত বিষুব ও শারদ বিষুব উভয় গোলার্ধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। 
​- একটি গোলার্ধে বিষুব অবস্থা চলাকালীন যে ঋতু বিরাজ করে, উক্ত ঋতু অনুসারে ঐ গোলার্ধে বাসন্ত বা শারদ বিষুব হয়।

​তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪.
'তিব্বত মালভূমি' কোন শ্রেণির মালভূমি?
  1. পাদদেশীয় মালভূমি
  2. পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি
  3. ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি
  4. মহাদেশীয় মালভূমি
সঠিক উত্তর:
পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি
ব্যাখ্যা

মালভূমি:
- পর্বত থেকে কম উচ্চতার তবে সমভূমি থেকে অধিক উচ্চতার খাড়া ঢালযুক্ত বিস্তীর্ণ সমতল ভূমিকে মালভূমি বলে। 
​- মালভূমির উচ্চতা শত মিটার থেকে কয়েক হাজার মিটার পর্যন্ত হতে পারে। 
​- অবস্থানের ভিত্তিতে মালভূমি তিন ধরনের। যথা- 
​(ক) পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি;
​(খ) পাদদেশীয় মালভূমি;
​(গ) মহাদেশীয় মালভূমি।

পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি: 
​- পর্বতের মধ্যখানে এই প্রকারের মালভূমি দেখতে পাওয়া যায়। 
​- এই মালভূমির উচ্চতা প্রায় ৩,০০০ থেকে ৪,৫০০ মিটার হয়ে থাকে। 
​- তিব্বত মালভূমি একটি পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি। 
​- এই পর্বতের উত্তরে কুনলুন ও দক্ষিণে হিমালয় পর্বত এবং পূর্ব-পশ্চিমের অন্যান্য পর্বত ঘিরে আছে। 
​- দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়া, মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো এবং এশিয়ার মঙ্গোলিয়া এ ধরনের মালভূমি।

​তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
মূল মধ্যরেখার (০°) প্রতিপাদ স্থান কোন দ্রাঘিমায় অবস্থিত?
  1. ০°
  2. ৯০°
  3. ১৮০°
  4. ৩৬০°
সঠিক উত্তর:
১৮০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০°
ব্যাখ্যা

প্রতিপাদ স্থান (The Antipodes): 
- ​ভূ-পৃষ্ঠে যে কোনো একটি স্থানের ঠিক বিপরীত দিকে অবস্থিত স্থানকে প্রতিপাদ স্থান বলা হয়। 
- ​অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠের কোনো বিন্দু কল্পিত ব্যাস ভূ-অভ্যন্তরস্থ কেন্দ্রকে ছেদ করে ঠিক উল্টোপাশে যে বিন্দুটিকে স্পর্শ করবে, সেই বিন্দুটিকে প্রথম বিন্দুটির 'প্রতিপাদ স্থান' বলা হয়। 
​- প্রথম বিন্দুটি যে দ্রাঘিমায় অবস্থিত হয় ঐ বিন্দুটির প্রতিপাদ স্থান ঠিক তার বিপরীতে ১৮০° দূরত্বের দ্রাঘিমায় অবস্থিত হয়। 
​- উদাহরণস্বরূপ, মূল মধ্যরেখার (০°) প্রতিপাদ স্থান হলো ১৮০° দ্রাঘিমারেখা। 
​- অপরদিকে, কোনো স্থানের প্রতিপাদ স্থানের অক্ষাংশ একই ডিগ্রিতে অবস্থিত হলেও বিপরীত গোলার্ধে অবস্থিত হয়।
​- উদাহরণস্বরূপ, একটি স্থানের অক্ষাংশ ৪০° উত্তর হলে, এর প্রতিপাদ স্থানের অক্ষাংশ ৪০° দক্ষিণ হবে। 
​- ঢাকার প্রতিপাদ স্থান দক্ষিণ আমেরিকার চিলির নিকটে প্রশান্ত মহাসাগরের অবস্থিত।

​তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬.
পৃথিবীতে মোট কয়টি মহাসাগর রয়েছে?
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৬ টি
  4. ৭ টি
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা

মহাসাগর (Ocean):
​- উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ জলরাশি বা পানিরাশিকে মহাসাগর (Ocean) বলে। 
​- পৃথিবীতে মোট পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে।
​- যথা: প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean), আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean), ভারত মহাসাগর (Indian Ocean), উত্তর মহাসাগর (North Ocean), দক্ষিণ মহাসাগর (South Ocean)।
​- মহাসাগরসমূহের মধ্যে আয়তন এবং গভীরতার দিক থেকে প্রশান্ত মহাসাগর সবচেয়ে বড়। 
​- এর আয়তন ১৬ কোটি ৬০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং গড় গভীরতা, ৪,২৭০ মিটার।

​উল্লেখ্য,
​- ​আয়তনের দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয়। 
​- এর আয়তন ৮ কোটি ২৪ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং গভীরতার দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান তৃতীয়। এর গড় গভীরতা ৩,৯৩২ মিটার।
​- গভীরতার দিক থেকে ভারত মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয়। ভারত মহাসাগরের গড় গভীরতা ৩,৯৬২ মিটার।

​তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭.
নদী উৎপত্তি লাভ করে সাগর বা হ্রদের সাথে যে স্থানে মিলিত হয়, সেই মিলিত স্থানকে নদীর ______ বলে।
  1. উৎস
  2. মোহনা
  3. দোয়াব
  4. অববাহিকা
সঠিক উত্তর:
মোহনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহনা
ব্যাখ্যা

নদী সম্পর্কিত বিভিন্ন পারিভাষিক শব্দ:

​নদীর উৎস (Source): 
​নদীর উৎপত্তিস্থলকে নদীর উৎস বলে।

​নদীর মোহনা (Mouth): 
​নদী উৎপত্তি লাভ করে সাগর বা হ্রদের সাথে যে স্থানে মিলিত হয় সেই মিলিত স্থানকে নদীর মোহনা বলে।

​দোয়াব অঞ্চল: 
​দুটি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে দোয়াব অঞ্চল বলে।

​উপনদী (Tributary): 
​বিভিন্ন উৎস হতে যখন ছোট ছোট নদী উৎপত্তি লাভ করে কোনো বড় নদীতে মিলিত হয় তখন এ ছোট নদীগুলোকে সে বড় নদীর উপনদী বলে। যেমন- যমুনার উপনদী করতোয়া, তিস্তা এবং মেঘনার উপনদী সুরমা ও কুশিয়ারা।

​শাখানদী (Distributary): 
​কখনো কখনো বড় কোনো নদী হতে স্রোতধারা বের হয়ে অন্য কোনো নদী, সাগর, হ্রদ বা পুনরায় মূল নদীর সাথে মিলিত হয়। এরূপ মূল নদী হতে যে সকল নদী বের হয় তাকে শাখানদী বলে। যেমন- ইছামতি, গড়াই, আড়িয়াল খাঁ প্রভৃতি পদ্মার শাখানদী।

​নদীসঙ্গম (Confluence): 
​পার্বত্য অঞ্চলে প্রাথমিক অবস্থায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নদীগুলো নিজ নিজ পথে প্রবাহিত হয়। এক সময় ঐ নদীগুলো একটি অপরটির সাথে মিলিত হয়। ফলে মিলিত স্রোতধারা ক্রমশ অধিকতর বড় হয়। এভাবে দুই বা ততোধিক নদীর মিলন স্থলকে নদীসঙ্গম বলে।

নদী অববাহিকা (River Basin): 
​মূল নদী, বিভিন্ন শাখানদী ও উপনদী প্রভৃতির মধ্য দিয়ে যে সকল স্থানের বা অঞ্চলের পানিরাশি প্রবাহিত হয় তখন এ অঞ্চলকে ঐ নদীর অববাহিকা বলে। যেমন- পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে সিন্ধু নদের অববাহিকা।

​তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮.
যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে, তাদের কী বলা হয়?
  1. গ্রহ
  2. উপগ্রহ
  3. নক্ষত্র
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
ব্যাখ্যা

নক্ষত্র (Star):
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে।
​- মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। খালি চোখে আমরা মাত্র কয়েক হাজার নক্ষত্র দেখতে পাই।
​- এদের কয়েকটি পৃথিবী থেকে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায়। 
​- নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- পৃথিবী থেকে এরা বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থান করছে। 

​উল্লেখ্য,
​​- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না। 
​- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়। আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।
​- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 
​- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই (Proxima Centauri)। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোক বর্ষ।

​​তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম- ১০ম শ্রেণি।

২৯.
বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে শীতলতম তাপমাত্রা ধারণ করে-
  1. তাপমণ্ডল
  2. এক্সোমণ্ডল
  3. মেসোমণ্ডল
  4. স্ট্র্যাটোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

মেসোমণ্ডল (Mesosphere):
- স্ট্রাটোবিরতির উপরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে মেসোমণ্ডল বলে। 
​- এই স্তরের উপরে তাপমাত্রা হ্রাস পাওয়া থেমে যায়। 
​- এই স্তরকে মেসোবিরতি (Meso-pause) বলে।

​মেসোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of the Mesosphere):
(ক) এই স্তরে ট্রপোমণ্ডলের মতোই উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা কমতে থাকে। যা-৮৩° সেলসিয়াস পর্যন্ত নিচে নেমে যায়। মেসোমণ্ডল বায়ুমন্ডলের সবচেয়ে শীতলতম তাপমাত্রা ধারণ করে।

​(খ) মহাকাশ থেকে যেসব উল্কা পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে সেগুলোর অধিকাংশই এই স্তরের মধ্যে এসে পুড়ে যায়।

​​তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩০.
মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. সিলিকন (Si) ও আয়রন (Fe)
  2. সিলিকন (Si) ও ম্যাগনেসিয়াম (Ma)
  3. সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al)
  4. ম্যাগনেসিয়াম (Ma) ও আয়রন (Fe)
সঠিক উত্তর:
সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al)
ব্যাখ্যা

অশ্মমন্ডল (Lithosphere) ও ভূ-ত্বক (Earth's Crust):
- ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগ থেকে ভূ-অভ্যন্তরে প্রায় ৬০ থেকে ১০০ কি.মি. গভীর পর্যন্ত কঠিন স্তরটিকে অশ্মমন্ডল বলা হয়।
​- অশ্মমন্ডলের সর্বাপেক্ষা বাইরের স্তর অর্থাৎ যে স্তরটির উপর আমরা বসবাস করি, তাকে ভূ-ত্বক বলা হয়।
- ভূ-ত্বকের গড় পুরুত্ব ২০ কিলোমিটার, মহাদেশীয় ভূ-ত্বক গড়ে ৩৫ কি.মি. এবং মহাসাগরীয় ভূ-ত্বক গড়ে মাত্র ৫ কি.মি. পুরু। 
​- মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের প্রধান গাঠনিক উপাদান সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (AL) হওয়ায় এই স্তরকে সিয়াল স্তর (Sial) বলা হয়। 
​- অপরদিকে, মহাসাগরীয় ভূ-ত্বকের প্রধান গাঠনিক উপাদান সিলিকন (Si) ও ম্যাগনেসিয়াম (Ma) হওয়ায় এই স্তরকে সিমা স্তর (Sima) নামে অভিহিত করা হয়।

​তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১.
93 × 812 ÷ 273 = 3?
  1. 5
  2. 3
  3. 6
  4. 9
সঠিক উত্তর:
5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 93 × 812 ÷ 273 = 3?

সমাধান: 
ধরি, 
93 × 812 ÷ 273 = 3a
⇒ (32)3 × (34)2 ÷ (33)3 = 3a
⇒ 36 × 38 ÷ 39 = 3a
⇒ 36 + 8 - 9 = 3a
⇒ 35 = 3a
∴ a = 5 

৩২.
4 + 8 + 12 + .......... ধারাটির 7 তম পদ কত? 
  1. 22
  2. 24
  3. 26
  4. 28
সঠিক উত্তর:
28
উত্তর
সঠিক উত্তর:
28
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 4 + 8 + 12 + .......... ধারাটির 7তম পদ কত? 

সমাধান: 
​​দেওয়া আছে, 
ধারাটির প্রথম পদ, a = 4 
ধারাটির সাধারণ অন্তর, d = 8 - 4 = 4
n তম পদ = 7 

∴ 7 তম পদ = a + (n - 1)d 
= 4 + (7 - 1)4 
​= 4 + (6 × 4)
​= 4 + 24 
= 28 

৩৩.
256 এর 4 ভিত্তিক লগারিদম কত? 
  1. 2
  2. 6
  3. 4
  4. 8
সঠিক উত্তর:
4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 256 এর 4 ভিত্তিক লগারিদম কত?

সমাধান: 
log4256
= log444
= 4 log44 [যেহেতু logaa = 1]
= 4 × 1
= 4

৩৪.
1 থেকে 99 পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যাগুলোর যোগফল কত? 
  1. 4650 
  2. 5050
  3. 4950 
  4. 4890
সঠিক উত্তর:
4950 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4950 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 1 থেকে 99 পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যাগুলোর যোগফল কত?

সমাধান: 
আমরা জানি, 
1 থেকে n পর্যন্ত সংখ্যার যোগফল = n(n + 1)/2
∴ 1 থেকে 99 পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর যোগফল = {99 × (99 + 1)}/2 
= (99 × 100)/2 
= 99 × 50 
= 4950 

৩৫.
log10(0.001) = কত? 
  1. - 2
  2. - 3
  3. 1/2
  4. 1/3
সঠিক উত্তর:
- 3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: log10(0.001) = কত? 

সমাধান: 
ধরি,
log10(0.001) = a 
⇒ 10a = 0.001
⇒ 10a = 1/1000
​⇒ 10a = 1/103
⇒ 10a = 10-3
∴ a = - 3

৩৬.
3, 2a + 1, 27 গুণোত্তর প্রগতিতে থাকলে a = ? 
  1. 4
  2. 2
  3. 3
  4. 6
সঠিক উত্তর:
4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 3, 2a + 1, 27 গুণোত্তর প্রগতিতে থাকলে a = ? 

সমাধান: 
অনুপাত = ২য় পদ/১ম পদ = ৩য় পদ/২য় পদ 
⇒ (2a + 1)/3 = 27/(2a + 1) 
⇒ (2a + 1)2 = 81 
​⇒ (2a + 1)2 = 92
⇒ 2a + 1 = 9
​⇒ 2a = 9 - 1
⇒ 2a = 8
​⇒ a = 8/2
∴ a = 4

৩৭.
9 × 2n - 2 × 2n - 1 = কত?
  1. 2n
  2. 2-n
  3. 2n + 3
  4. 2n - 3
সঠিক উত্তর:
2n + 3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2n + 3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 9 × 2n - 2 × 2n - 1 = কত? 

সমাধান: 
9 × 2n - 2 × 2n - 1
= 9 × 2n - 2 × 2n ⋅ 2-1
= 9 × 2n - 2 × 2n × (1/2)
= 9 × 2n - 2n
= 2n (9 - 1) 
= 2n × 8
= 2n × 23
= 2n + 3

৩৮.
3 + 6 + 9 + ........... ধারাটির কততম পদ 36? 
  1. 13 তম
  2. 12 তম
  3. 11 তম
  4. 10 তম
সঠিক উত্তর:
12 তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12 তম
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 3 + 6 + 9 + ........... ধারাটির কততম পদ 36? 

সমাধান: 
এখানে, 
​প্রথম পদ, a = 3 
সাধারণ অন্তর, d = 6 - 3 = 3 

ধরি, 
​ধারার n তম পদ = 36 

শর্তমতে,
a + (n - 1)d = 36
বা, 3 + (n - 1)3 = 36
বা, (n - 1)3 = 33
বা, n - 1 = 11
∴ n = 12

​∴ ধারাটির 12 তম পদ 36  । 

৩৯.
log3 + log9 + log27 + . . . . . . ধারাটির প্রথম আটটি পদের সমষ্টি কত? 
  1. 36log3
  2. 33log3 
  3. 44log3 
  4. 55log3 
সঠিক উত্তর:
36log3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
36log3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: log3 + log9 + log27 + . . . . . . ধারাটির প্রথম আটটি পদের সমষ্টি কত? 

সমাধান: 
log3 + log9 + log27 +.................. প্রথম আটটি পদের সমষ্টি 
= log3 + log32 + log33 +.................. প্রথম আটটি পদের সমষ্টি
= log3 + 2log3 + 3log3 +.................. প্রথম আটটি পদের সমষ্টি
= (1 + 2 + 3 + ........... + 8)log3
= {8(8 + 1)/2}log3
= 36log3

৪০.
(1/4) + (1/42) + (1/43) + .... অনন্ত ধারার সমষ্টি কত? 
  1. 1/2
  2. 1
  3. 1/4
  4. 1/3
সঠিক উত্তর:
1/3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (1/4) + (1/42) + (1/43) + .... অনন্ত ধারার সমষ্টি কত? 

সমাধান: 
এটি একটি গুণোত্তর ধারা। 
১ম পদ, a = 1/4 
সাধারণ অনুপাত, r = 1/4 

∴ ধারাটির সমষ্টি, s = a/(1 - r)  [যেহেতু, r < 1] 
= (1/4)/(1 - 1/4)
= (1/4)/(3/4)
= (1/4) × (4/3)
= 1/3

৪১.
[2 - (3- 1)- 1]- 1 = কত? 
  1. 1
  2. - 1
  3. 2
  4. - 2
সঠিক উত্তর:
- 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: [2 - (3- 1)- 1]- 1 = কত? 

সমাধান: 
[2 - (3- 1)- 1]- 1
= [2 - (1/3)- 1]- 1
= [2 - 3]- 1
= [- 1]- 1
= - 1/1
= - 1

৪২.
একটি সমান্তর ধারার চতুর্থ ও দ্বাদশ পদের যোগফল ২০। তাহলে প্রথম ১৫ টি পদের যোগফল কত? 
  1. 150
  2. 160
  3. 165
  4. 180
সঠিক উত্তর:
150
উত্তর
সঠিক উত্তর:
150
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমান্তর ধারার চতুর্থ ও দ্বাদশ পদের যোগফল ২০। তাহলে প্রথম ১৫ টি পদের যোগফল কত? 

সমাধান: 
ধরি,
ধারাটির প্রথম পদ = a 
​এবং
ধারাটির সাধারন অন্তর = d

∴ চতুর্থ পদ = a + (4 - 1)d 
= a + 3d

​আবার, 
​দ্বাদশ পদ = a + (12 - 1)d
= a + 11d

​প্রশ্নমতে, 
a + 3d + a + 11d = 20
2a + 14d = 20 

∴ প্রথম ১৫ টি পদের যোগফল, S15 = 15/2{2a + (15 - 1)d} 
= 15/2 {2a + 14d} 
= 15 × 20/2 
= 150

৪৩.
log4(1/16) এর মান কত?
  1. 1
  2. - 3
  3. 2
  4. - 2
সঠিক উত্তর:
- 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: log4(1/16) এর মান কত? 

সমাধান: 
log4(1/16)
= ​log4(1/42)
= log44-2
= - 2 log44
​= - 2 × 1
= - 2 

৪৪.
2, 6, 18, 54 প্রগতিটির কতগুলি পদের সমষ্টি 728? 
  1. 5
  2. 4
  3. 6
  4. 7
সঠিক উত্তর:
6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 2, 6, 18, 54 প্রগতিটির কতগুলি পদের সমষ্টি 728? 

সমাধান: 
প্রগতিটির প্রথম পদ = 2, 
সাধারণ অনুপাত = 3, 

ধরা যাক,
​ n সংখ্যক পদের সমষ্টি = 728 
∴ {2(3n - 1)}/(3 - 1) = 728 
⇒ 3n - 1 = 728
​⇒ 3n = 728 + 1
⇒ 3n = 729
⇒ 3n = 36
∴ n = 6

∴ প্রগতিটির 6 টি পদের সমষ্টি 728  । 

৪৫.
27 × 27 × 27 = 3x হলে, x এর মান কত?
  1. 9
  2. 3
  3. 27
  4. 6
সঠিক উত্তর:
9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 27 × 27 × 27 = 3x হলে, x এর মান কত? 

সমাধান: 
27 × 27 × 27 = 3x
⇒ 33 × 33 × 33 = 3x
⇒ 3(3 + 3 + 3) = 3x
⇒ 39 = 3x
∴ x = 9 

৪৬.
logx324 = 4 হলে, x এর মান কত?
  1. √2
  2. 3√2
  3. √3
  4. 2√3
সঠিক উত্তর:
3√2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3√2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: logx324 = 4 হলে, x এর মান কত?

সমাধান: 
logx324 = 4 
⇒ x4 = 324
⇒ x4 = 81 × 4
⇒ x4 = 34 × 22
⇒ x4 = 34 × {√(22)}2
⇒ x4 = 34 × (√2)4
⇒ x4 = (3√2)4
∴ x = 3√2

৪৭.
একটি গুণোত্তর ধারার প্রথম ছয়টি পদের যোগফল তার প্রথম তিনটি পদের যোগফলের 9 গুন। সাধারণ অনুপাত হবে- 
  1. 8
  2. 4
  3. 3
  4. 2
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি গুণোত্তর ধারার প্রথম ছয়টি পদের যোগফল তার প্রথম তিনটি পদের যোগফলের 9 গুন। সাধারণ অনুপাত হবে-

সমাধান: 
প্রথম 6 টি পদের সমষ্টি = a.(r6 - 1)/r - 1
প্রথম 3 টি পদের সমষ্টি = a. (r3 - 1)/r - 1

শর্তানুসারে, 
​a. (r6 - 1)/(r - 1)= 9 × a.(r3 - 1)/(r - 1)
⇒ r6 - 1 = 9 × (r3 - 1)
⇒ (r3)2 - 12 = 9 × (r3 - 1)
⇒ (r3 - 1) (r3 + 1) = 9 × (r3 - 1)
⇒ r3 + 1 = 9
⇒ r3 = 8 
 ⇒ r3 ​= 23
∴ r = 2

​∴ সাধারণ অনুপাত হবে = 2  ।