পরীক্ষা আর্কাইভ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

পরীক্ষাবিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes৬৯ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৭০
সিলেবাস
৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি: বিসিএস জব সল্যুশন রিভিশন পরীক্ষা - ৭ পরীক্ষার টপিক: ৪০তম বিসিএস এর প্রশ্নের উপর লাইভ পরীক্ষা। ২৩তম বিসিএস এর প্রশ্নের উপর লাইভ পরীক্ষা। ১৪তম বি.সি.এস. এর প্রশ্নের উপর লাইভ পরীক্ষা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৭০ প্রশ্ন

.
"Words incident on a tombstone" is called -
  1. Epitaph
  2. Glossary
  3. Dictionary
  4. Ledger
ব্যাখ্যা
• "Words incident on a tombstone" is called - Epitaph.

• Epitaph (Noun)
- English meaning: Words that are written or said about a dead person, especially words on a gravestone.
- Bangla meaning: সমাধিস্তম্ভ-লিপি।

Other options:
- Glossary: ​A list of technical or special words, especially those in a particular text, explaining their meanings.
- Bangla meaning: শব্দকোষ।

- Dictionary: A book or electronic resource that gives a list of the words of a language in alphabetical order and explains what they mean, or gives a word for them in a foreign language.
- Bangla meaning: অভিধান।

- Ledger: A ​book or electronic document in which a bank, a business, etc. records the money it has paid and received.
- Bangla meaning: খতিয়ান।

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary, Live MCQ Lecture.
.
What is the synonym of the word 'Dismay'?
  1. Confidence
  2. Delight
  3. Comfort
  4. Alarm
ব্যাখ্যা
• Dismay (Noun, Verb).
- English meaning: A worried, sad feeling after you have received an unpleasant surprise.
- Bangla meaning: আতঙ্কিত বা বিহ্বল করা।

Synonym: Disappointment, Frustration, Dissatisfaction.
Antonym: Satisfaction, Content, Contentment, Gratification.

উল্লিখিত অপশনগুলো,
Confidence - দৃঢ় আস্থা, দৃঢ় বিশ্বাস;
Clemency - আমোদ, প্রমোদ;
Comfort - আরাম, সান্তুনা;
Alarm - ভীতি, শঙ্কা, বিপদাশঙ্কা।

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.
.
What is the antonym of the word 'Disdainful'?
  1. Sameness
  2. Scornful
  3. Indignity
  4. Respectful
ব্যাখ্যা
• Disdainful (Adjective).
- English meaning: Disdainful (of somebody/ something), showing the feeling that somebody/something is not good enough to deserve your respect or attention.
- Bangla meaning: ঘৃণাপূর্ণ; তাচ্ছল্যপূর্ণ।

Synonym: Arrogant, Abhorrent, Malicious, Cruel.
Antonym: Appreciative, Respectful, Deferential, Admiring.

উল্লিখিত অপশনগুলো,
Sameness - অভিন্নতা, একঘেয়ে;
Scornful - অবজ্ঞা-সূচক;
Indignity - অপমান, অসম্মান, অমর্যাদা;
Respectful - সম্মানসূচক

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.
.
Fill in the blank of the following sentence with the right form of verb:
Would that he ______ across the river.
  1. swim
  2. could swim
  3. swims
  4. can swim
ব্যাখ্যা
• Would that দিয়ে sentence শুরু হলে subject এরপর could বসে এবং verb এর present form বসে।
- Would that দিয়ে অবাস্তব ইচ্ছা বা সম্ভাবনা প্রকাশ করা হয়।

Correct answer: Would that he could swim across the river.

Example:
- Would that I could fly!
- Would that we could see her one last time.
- Would that I could travel to all the countries I've dreamed of visiting.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
.
'The movie was absolutely hilarious.'
The word 'hilarious' in the above sentence means -
  1. Very sad
  2. Very funny
  3. Very boring
  4. Very loud
ব্যাখ্যা
• 'The movie was absolutely hilarious.' — The word 'hilarious' in the above sentence means very funny (Adjective).
- অর্থাৎ চরম মজার, খুবই হাস্যকর বা আনন্দদায়ক।

• Hilarious (Adjective)
English meaning: Extremely funny or amusing.
Bangla meaning: মজার; হাস্যকর।

• Examples:
- That comedian is just hilarious!
- We watched a hilarious movie last night.
- Her jokes were so hilarious that everyone burst into laughter.

Other Options:
• ক) Very sad
Meaning: খুব দুঃখজনক; বেদনাদায়ক।

• গ) Very boring
Meaning: একঘেয়ে; বিরক্তিকর।

• ঘ) Very loud
Meaning: খুব উচ্চস্বরে; কর্কশভাবে।

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.
.
After the snowfall, branches _____ heavily under the weight of the ice.
  1. was laid
  2. was lying
  3.  were lying
  4. were laid
ব্যাখ্যা
Lie - শয়ন করা; শোয়া.
- Verb টির Past form হলাে lay.
- আর Present participle হলাে lying.

• Lay - ডিম পাড়া। (যা context এর সাথে মানান সই নয়)।

- branches Plural form এ থাকায় এর পরে verb - were বসবে।
সুতরাং, context অনুসারে এখানে সঠিক উত্তর - were lying.

Correct answer: After the snowfall, branches were lying heavily under the weight of the ice.
Bangla Meaning: বরফ পড়ার পর, ডাল-পালাগুলো বরফের ভারে নিচে নুয়ে পড়েছিল। 

Some Confusing words:
• Lay (ডিম পাড়া) - laid - laid.
• Lie (শোয়া)- lay - lain.
• Lie (মিথ্যা বলা) - lied - lied.
.
They violated ___ the agreement multiple times.
  1. on
  2. at
  3. in
  4. No prepostition
ব্যাখ্যা
• Transitive verb এরপর কোন Preposition বসে না।
- সরাসরি Object বসে।
- কিছু কিছু Transitive verb হলো: reach, resemble, violate, discuss, resign, sign, investigate, recommend, order, command, enter ইত্যাদি।

Correct Answer: They violated the agreement multiple times.

Source: A Passage To The English Language S. M. Zakir Hussain.
.
She sat under the big tree.
Here, the underlined phrase is a/ an -
  1. Noun Phrase
  2. Adjective Phrase
  3. Adverbial Phrase
  4. Prepositional Phrase
ব্যাখ্যা
Adverbial Phrase
- যে শব্দ সমষ্টি বা Phrase যখন Adverb এর ন্যায় কাজ করে তখন তাকে Adverbial Phrase বলে।
- এখানে 'under the big tree' দ্বারা Sat 'Verb' টিকে Modify করেছে এবং She টি কোথায় অবস্থিত তা বুঝানো হয়েছে। 
- কোথায়, কখন, কিভাবে ইত্যাদি দ্বারা প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া গেলে তখন টা আমরা Adverb হিসেবে ব্যবহার করি। 

 - আবার, যখন Prepositional phrase কোনো noun বা pronoun (যেমন "She") কে বর্ণনা করে বা বিশ্লেষণ হিসেবে কাজ করে, তখন সেটি Adjective phrase হয়ে যায়। 

এখানে, "under the tree" "Sat" কে বর্ণনা করছে, অর্থাৎ কোথায় "She" অবস্থিত তা বুঝাছে, তাই এটি একটি Adverbial phrase হিসেবে কাজ করছে।

Correct Answer: She sat under the big tree. Here, the underlined phrase is a/ an - Adverbial Phrase.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
.
Which of the following best describes O. Henry’s literary identity?
  1. Dramatist
  2. Novalist
  3. Short Story writer
  4. Essayist
ব্যাখ্যা
• The best description of O. Henry’s literary identity is - Short Story Writer

O' Henry:
- তার আসল নাম William Sydney Porter.
- He was an American short story writer.

His Best works:
- The Gift of the Megi,
- Heart of the West,
- Roads of Destiny,
- The Four Million,
- The Furnished Room,
- The Last Leaf,
- The Ransom of Red Chief,
- The Trimmed Lamp,
- The Voice of The City.

Source: britannica.com
১০.
Doctor Faustus is a story of –
  1. A man's loyalty to his king
  2. A scholar's pact with the devil
  3. A knight's adventures
  4. A romantic relationship
ব্যাখ্যা
• Doctor Faustus is a story of – A scholar's pact with the devil.

Doctor Faustus:
- It is written by Christopher Marlowe.
- নাটকটির পুরো নাম The Tragicall History of D. Faustus.
- ১৬০৪ সালে প্রকাশিত হওয়া এটি একটি 5 acts বিশিষ্ট একটি নাটক।

সার-সংক্ষেপ:
- Faustus একজন প্রতিভাবান জার্মান বিজ্ঞানী ও পণ্ডিত, যিনি জ্ঞানের শেষ সীমানা ছাড়িয়ে অসীম ক্ষমতা ও জাদুবিদ্যার প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তার এই আকাঙ্ক্ষা তাকে এক ভয়ঙ্কর সিদ্ধান্তে নিয়ে যায় সে শয়তান Mephistopheles এর সঙ্গে একটি চুক্তি করে, যার মাধ্যমে সে নিজের আত্মা শয়তানের কাছে ২৪ বছরের জন্য বিক্রি করে।
- এই ২৪ বছরে Faustus অনেক অলৌকিক শক্তি অর্জন করে এবং পৃথিবীর নানা প্রান্তে ভ্রমণ করে, রাজাদের সামনে ম্যাজিক প্রদর্শন করে, এমনকি Helen of Troy-এর আত্মাকেও ডেকে আনে। কিন্তু এই বাহ্যিক সাফল্যের আড়ালে সে অন্তর্দ্বন্দ্ব, অনুশোচনা ও ভয়-এর মধ্যে ভোগে।

- নাটকে বারবার Good AngelEvil Angel তার সামনে হাজির হয়ে নৈতিকতা ও লোভের মধ্যে তাকে দোলাচলে ফেলে। ঈশ্বরের করুণা পাওয়ার অনেক সুযোগ থাকলেও, Faustus কখনোই সত্যিকারের অনুশোচনা করে না। অবশেষে চুক্তির সময়সীমা শেষ হলে, ডেমনরা এসে তাকে নরকে টেনে নিয়ে যায়।
- নাটকের সমাপ্তি একটি গভীর ট্র্যাজেডি, যেখানে জ্ঞান ও ক্ষমতার প্রতি অতিরিক্ত আকাঙ্ক্ষা এক ব্যক্তিকে চিরতরে ধ্বংস করে দেয়।

Important Characters,
- Doctor Faustus,
- Mephistopheles,
- Lucifer,
- The Good Angel,
- The Evil Angel,
- Wagner,
- The Old Man, etc.

Christopher Marloewe:
- তিনি Elizabethian Period এর কবি।
- তাকে 'The Father of English Tragedy' বলা হয়।
- তিনি একজন 'University Wit' ছিলেন।

His Notable Works:
- Doctor Faustus,
- The Jew of Malta,
- Tamburlaine the Great,
- Dido, Queen of Carthage. (তার প্রথম নাটক)

Source: Britannica.
১১.
I don't mind waiting for you.
Here, the underlined word is -
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Verb
  4. Infinitive
ব্যাখ্যা
Gerund:
- Gerund হল এমন একটি শব্দ যা verb + ing যুক্ত হয়ে Noun এর মতো কাজ করে।
- অর্থাৎ, এটি দেখতে verb-এর মতো হলেও বাক্যে Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Gerund এর ব্যবহার:
- Subject হিসেবে ব্যবহৃত হলে।
- Object হিসেবে ব্যবহৃত হলে।
- Preposition এর object হিসেবে বসে।
- Verb এর Complement হিসেবে বসে।

Correct Answer: I don't mind waiting for you. Here, the underlined word is - Gerund.
- প্রদত্ত Sentence টিতে 'Wait' (Verb) এর সাথে -ing যুক্ত হয়ে Noun (Object হিসেবে) এর মতো কাজ করেছে, অর্থাৎ Verb ও Noun এর কাজ করে তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজ ভাষায়, Gerund = Verb + ing = Noun = Verb + Noun.

Participle:
- A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle).
- Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

Participle মূলত তিন প্রকার:
1. Present Participle. Ex: The story is thrilling.
2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens.
3. Perfect Participle. Ex: Having gained the truth, keep the truth.

Source: A Passage To The English Language, S. M. Zakir Hussain.
১২.
The quote “Don’t waste your love on somebody, who doesn’t value it” is often associated with which literary work?
  1. Othello
  2. Macbeth
  3. Hamlet
  4. Romeo and Juliet
ব্যাখ্যা
• The quote "Don’t waste your love on somebody, who doesn’t value it" is often associated with William Shakespeare’s famous tragedy - "Romeo and Juliet".
- "Romeo and Juliet" ১৫৯৪–৯৬ সালে লেখা হয় এবং ১৫৯৭ সালে একটি অনুমোদনবিহীন কোয়ার্টোতে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- ১৫৯৯ সালে একটি অনুমোদিত কোয়ার্টো প্রকাশিত হয়, যা উল্লেখযোগ্যভাবে দীর্ঘ এবং আরও নির্ভরযোগ্য।
- দ্বিতীয় কোয়ার্টোর উপর ভিত্তি করে একটি তৃতীয় কোয়ার্টো ছিল, যা ১৬২৩ সালের ফার্স্ট ফোলিও এর সম্পাদকদের দ্বারা ব্যবহৃত হয়।

Characters:
- Romeo Montague, 
- Juliet Capulet, 
- Friar Laurence, 
- Mercutio,
- Tybalt,
- The Nurse. 

সার-সংক্ষেপ:
- Romeo (Montague) ও Juliet (Capulet) দুই শত্রু পরিবারের সদস্য, কিন্তু তারা একে অপরকে ভালোবেসে ফেলে।
- তারা গোপনে বিয়ে করে Friar Laurence-এর সাহায্যে।
- কিন্তু Juliet এর কাজিন Tybalt এর সাথে মারামারিতে Romeo জড়িয়ে পড়ে এবং তাকে হত্যা করে নির্বাসিত হয়।
- Juliet এর পরিবার তার অন্যত্র বিয়ে ঠিক করে, এবং Juliet মরণঘুমের ওষুধ খায়।
- Romeo ভুলে ভাবে Juliet মারা গেছে এবং বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে।
- Juliet ও জেগে উঠে Romeo কে মৃত দেখে নিজেও ছুরি দিয়ে আত্মহত্যা করে।

 • William Shakespeare
- Born: April 26, 1564, Stratford- upon Avon, England.
- Death: April 23, 1616, Stratford-upon-Avon.
- Shakespeare was also spelled Shakspere.
- Byname: Bard of Avon or Swan of Avon.
- He was an English poet, dramatist, and actor.
- He was often called the English national poet and considered by many to be the greatest dramatist of all time.
- Shakespeare wrote 37 Plays.

Notable works:
Tragedy
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Titus Andronicus,
- Timons of Athens
- Antony and Cleopatra
- Coriolanus
- Romeo and Juliet, etc.

Tragi-comedy
- The Merchant of Venice,
- The Winter's Tale,
- Cymbeline,
- Troilus and Cressida,
- Measure for Measure,

Comedy
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- Love's Labour's Lost,
- A Comedy of Errors,
- The Taming of the Shrew,
- Much Ado About Nothing,
- All's Well That Ends Well,
- A Midsummer Night's Dream,
- The Merry Wives of Windsor,

Historical play
- Julius Caesar (Tragedy + Historical),
- Henry IV Part I,
- Henry IV Part II,
- Henry V,
- Henry VI Part I,
- Henry VI Part II,
- Henry VI Part III,
- Henry VIII,
- King John,
- Richard II,
- Richard III

Source: An ABC of English Literature Dr. M Mofizar Rahman, Britannica.
১৩.
The new policy might be detrimental ___ small businesses.
  1. at
  2. with
  3. to
  4. of
ব্যাখ্যা
• Detrimental (Adjective).
- English meaning: Causing or capable of causing harm.
- Bangla meaning: ক্ষতিকর।
- Detrimental এরপর preposition হিসেবে To বসে।

Correct Answer: The new policy might be detrimental to small businesses.
Bangla meaning: নতুন নীতিমালা ছোট ব্যবসাগুলোর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

Example:
Smoking is detrimental to your health.
A poor diet can be detrimental to your overall well-being.
Stress is often detrimental to mental health.

Source: Merriam & Webster Dictionary, Accessible Dictionary.
১৪.
She made him laugh. (make it passive)
  1. He was made to being laugh by her.
  2. He was made to laugh by her.
  3. He was made to laughed by her.
  4. He was made to be laugh by her.
ব্যাখ্যা
Make, See, Feel, Let, Know, heed, Bid, Dare, Watch ইত্যাদি Verb থাকলে Active Voice কে Passive Voice রূপান্তরের নিয়ম:
- Active voice এর Object টি Passive voice এর Subject হিসেবে বসে।
- Tense অনুযায়ী Auxiliary Verb বসে।
- মূল verb এর Past participle form বসে।
- Make, See, Feel, Let, Know, heed, Bid, Dare, Watch ইত্যাদি Verb থাকলে Active Voice এ to উহ্য থাকে।
- কিন্তু Passive করার সময় তাদের পর to বসে এবং ২য় verb টির Present form বসে।
- by বসে।
- Active voice এর subject টি Passive voice এ object হিসেবে বসে। 

 তবে, Let Verb টির পরে Active ও Passive Voice এ To বসে না। 

Active Voice: She made him laugh.
Passive Voice: He was made to laugh by her.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
১৫.
"To make both ends meet" means –
  1. To fix something broken
  2. To bring two people together
  3. To live within one's income
  4. To finish something quickly
ব্যাখ্যা
• "To make both ends meet" means – To live within one's income.

To make both ends meet
English Meaning: To earn just enough money to be able to buy the things you need.
Bangla Meaning: কোন রকমে চালানো।

Examples:
- During the lockdown, it was hard for many families to make both ends meet.
(লকডাউনের সময় অনেক পরিবারই স্বাভাবিক খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছিল।)

- She's working two jobs just to make both ends meet.
(দুইটা চাকরি করছে শুধুমাত্র সংসার চালানোর জন্য।)

Other Options:
ক) To fix something broken
- ভাঙা কিছু ঠিক করা।

খ) To bring two people together
- দুজনকে একত্র করা বা মিল করানো।

ঘ) To finish something quickly
- দ্রুত কিছু শেষ করা।

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.
১৬.
Who is the author of the quote "All who joy would win must share it"?
  1. John Keats
  2. Lord Byron
  3. Percy Bysshe Shelley
  4. William Blake
ব্যাখ্যা
• The author of the quote "All who joy would win must share it" is - Lord Byron.
- এই উক্তিটি Don Juan কবিতা থেকে নেয়া।

Don Juan
- Romantic period এর অন্যতম poet and satirist Lord Byron এর অনবদ্য সৃষ্টি Don Juan হচ্ছে a satire in the form of a picaresque verse tale. 
- এই কবিতার কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Don Juan যাকে ঘিরে কবিতার মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে এবং তার নামেই কবিতাটির নামকরণ করা হয়েছে।
- Donna Julia কে এই কবিতায় প্রথমে Don Juan এর মায়ের বান্ধবী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়, পরবর্তীতে যার সঙ্গে Don Juan একটি অসম প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পরে।
- বিভিন্ন নাটকীয়তা শেষে তাদের এই ভালোবাসার করুণ পরিণতি দেখতে পাওয়া যায়।

Character 
- Don Juan,
- Donna Inez,
- Donna Julia,
- Don Alfonso, etc.

এই কবিতার কিছু বিখ্যাত উক্তি,
- "Sweet is revenge—especially to women."
- "Pleasure's a sin, and sometimes sin's a pleasure."
- "Man's love is of man's life a thing apart,
'Tis woman's whole existence."

Lord Byron:
- তার পুরো নাম George Gordon Byron.
- তিনি একজন British Romantic poet এবং Satirist ছিলেন।
- তাকে Rebel Poet বা বিদ্রোহী কবি বলা হয়।
- Greek রা তাকে National Poet হিসেবে গণ্য করেন।

His Best Works:
- Childe Harold's Pilgrimage, 
- Lara,
- The Vision of Judgement,
- Hours of Idleness,
- Heaven and Earth,
- Don Jaun (Satirical epic poem).

Source: Britannica.
১৭.
'হইতে (হতে), থেকে, চেয়ে' বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কোন বিভক্তি?
  1. দ্বিতীয়া বিভক্তি
  2. পঞ্চমী বিভক্তি
  3. তৃতীয়া বিভক্তি
  4. চতুর্থী বিভক্তি
ব্যাখ্যা
• বিভক্তি:
যে সব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি বা চিহ্ন দ্বারা বাক্যের এক পদের সঙ্গে অন্য পদের সম্বন্ধ নির্ধারিত হয়, তাকে বলা বিভক্তি। বাংলা শব্দ বিভক্তি ৭ প্রকার।
যথা:
• প্রথমা বা শূণ্য বিভক্তি: ০, অ।
• দ্বিতীয়া বিভক্তি: কে, রে।
• তৃতীয়া বিভক্তি: দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক।
• চতুর্থী বিভক্তি: কে, রে।
• পঞ্চমী বিভক্তি: হইতে (হতে), থেকে, চেয়ে।
• ষষ্ঠী বিভক্তি: র, এর।
• সপ্তমী বিভক্তি: এ, য়, তে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১৮.
বাংলা কৃৎ-প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. দয়ালু
  2. বর্ধিষ্ণু
  3. জানানো
  4. বাদিন্
ব্যাখ্যা
• -আনো বাংলা কৃৎ-প্রত্যয়:
'আন' এই প্রত্যয়টি ণিজন্ত ক্রিয়া বোঝাতে বা ণিজন্ত ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য বোঝাতে 'আনো' হয়।
যেমন:
- √জানা + আনো = জানানো। 

এরকম-
করানো, শোয়ানো, পড়ানো, ওঠানো ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ:
• √দয়্‌ + আলু = দয়ালু, 
• √বৃধ + ইষ্ণু = বর্ধিষ্ণু,
•  √বদ্‌ + ইন্ = বাদিন্। 

- বিশেষণ হিসেবে প্রয়োগ: জানানো খবর, পড়ানো গল্প, ওঠানো জিনিস ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 
১৯.
'আলকাতরা' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. ফারসি
  2. তুর্কি
  3. হিন্দি
  4. পর্তুগিজ
ব্যাখ্যা
• আলকাতরা। 
- বিশেষ্য পদ। 
- পর্তুগিজ ভাষার শব্দ। 

অর্থ:
- উচ্চতাপমাত্রায় পাথুরে কয়লা পাতন করে প্রাপ্ত কাল ও ঘন দাহ্য তরল পদার্থ। 

---------------
গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পর্তুগিজ শব্দ:
- আনারস,
- আলপিন,
- আলমারি,
- গির্জা,
- গুদাম,
- চাবি,
- পাউরুটি,
- বালতি ইত্যাদি।

উৎস:বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২০.
"কুমুদিনী ও মধুসূদন" কোন উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত চরিত্র?
  1. যোগাযোগ
  2. মালঞ্চ
  3. নৌকাডুবি
  4. ঘরে-বাইরে
ব্যাখ্যা
• 'যোগাযোগ' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যোগাযোগ উপন্যাস প্রথমে তিন পুরুষ নামে বিচিত্রা মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। পরে উপন্যাসের নাম হয় যোগাযোগ।
- নায়িকা কুমুদিনী ও নায়ক মধুসূদনের ব্যক্তিত্বের তীব্র বিরোধ উপন্যাসের কেন্দ্র।
- শেষ পর্যন্ত স্বামীর কাছে কুমুদিনীর দ্বিধান্বিত সমর্পণে কাহিনির সমাপ্তি হলেও কুমুদিনীর মধ্যে এক বিদ্রোহী নারীর রূপ স্পষ্ট হয়।
- "কিন্তু আরম্ভের পূর্বেও আরম্ভ আছে। সন্ধ্যা বেলায় দ্বীপ জ্বালার আগে সকাল বেলায় সলতে পাকানো"- বিখ্যাত বাক্যদ্বয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "যোগাযোগ” উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত।

অন্য অপশন,
 • 'মালঞ্চ' উপন্যাস:
- 'মালঞ্চ' রবীন্দ্রনাথের পরকীয়া নির্ভর ত্রিভুজ প্রেমের উপন্যাস।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: নীরজা, আদিত্য, সরলা।
- চরিত্রগুলোর মাঝে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বই এই উপন্যাসের বিষয়বস্তু।

• 'নৌকাডুবি' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'নৌকাডুবি' একটি সামাজিক উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৩১০-১১ বঙ্গাব্দে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি লেখা হয়েছে জটিল পারিবারিক সমস্যাগুলিকে কেন্দ্র করে।
- উপন্যাসটির মূল চরিত্রগুলো হচ্ছে: রমেশ, হেমনলিনী, কমলা, অন্নদাবাবু, নলিনাক্ষ।

• 'ঘরে-বাইরে' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলিত ভাষায় লেখা প্রথম উপন্যাস। ১৯১৬ সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি স্বদেশি আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত।
- ঘরে-বাইরে উপন্যাসের সাথে পাশ্চাত্য ঔপন্যাসিক স্টিভেনসনের 'প্রিন্স অটো' উপন্যাসের ভাবসাদৃশ্য আছে। স্টিভেনসনের সেরাফিনা, অটো ও গোনড্রেমাক যথাক্রমে রবীন্দ্রনাথের বিমলা, নিখিলেশ ও সন্দীপ।
- তবে স্টিভেনসনের উপস্থাপনা ব্যঙ্গাত্মক, সমাপ্তি মিলনাত্মক কিন্তু রবীন্দ্রনাথের কাহিনি সকরুণ, সিরিয়াস।
- এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র- নিখিলেশ, বিমলা ও সন্দীপ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২১.
'একটি কালো মেয়ের কথা' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসটি কার রচনা?
  1. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  2. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. মাহমুদুল হক
  4. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• 'একটি কালো মেয়ের কথা' উপন্যাস:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত সর্বশেষ উপন্যাস 'একটি কালো মেয়ের কথা'। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৭১ খ্রিষ্টব্দে।

- উপন্যাসের পট উন্মোচিত হয়েছে নাজমা নামের একটি কালো মেয়েকে নিয়ে সীমান্ত অতিক্রম কালে 'স্পাই' হিসেবে ধরা পড়া ডেভিড আর্মস্ট্রং-এর ভারতীয় পুলিশ-অফিসারের সামনে জবানবন্দি উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে।
- এই নাজমাই পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনীর তাঁবেদার এক পাঞ্জাবির বলাৎকারের শিকার হয়। নির্যাতিতা ও সন্তানহারা কালো মেয়ে নাজমা ১৯৭১-এর বাংলাদেশের প্রতিরূপক হয়ে উঠেছে উপন্যাসে।

জবানবন্দিতে ডেভিড বলেছে:
'এরই মধ্যে এই দেশটাকে এমন করে ভালবেসে ফেললাম যে এই আমার সবা থেকে ভালো দেশ, এর থেকে ভালো দেশ আর নেই। আর এই দেশই আমার দেশ।'

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২২.
অর্ধ-তৎসম শব্দ কোনটি?
  1. গৃহিণী
  2. বোষ্টম
  3. কুৎসিত
  4. শ্রাদ্ধ
ব্যাখ্যা
• অর্ধ-তৎসম শব্দ বোষ্টম।
- এটি মূলত সংস্কৃত শব্দ 'বৈষ্ণব' থেকে এসেছে।

• অর্ধ-তৎসম শব্দ:
- বাংলা ভাষায় কিছু সংস্কৃত শব্দ কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত আকারে ব্যবহৃত হয়। এগুলোকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে।
- তৎসম মানে সংস্কৃত আর অর্ধ-তৎসম মানে আধা সংস্কৃত।
যেমন:
জ্যোছনা, ছেরাদ্দ, গিন্নী, কুচ্ছিত, বোষ্টম শব্দগুলো অর্ধ-তৎসম শব্দ; যা এসেছে যথাক্রমে সংস্কৃত শব্দ জ্যোৎস্না, শ্রাদ্ধ, গৃহিণী, কুৎসিত, বৈষ্ণব থেকে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
২৩.
শাহ মুহম্মদ সগীর কোন শতকের কবি?
  1. চৌদ্দ শতকের
  2. পনের শতকের
  3. ষোল শতকের
  4. সতেরো শতকের
ব্যাখ্যা
• শাহ মুহম্মদ সগীর:
- মধ্যযুগের তথা বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর।
- তিনি পনের শতকের কবি ছিলেন।
- গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি কাব্য রচনা করেন।
- অনুবাদ সাহিত্য বা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কবি - শাহ্ মুহম্মদ সগীর।

শাহ মুহম্মদ সগীরের শ্রেষ্ঠ অনুবাদকর্ম ইউসুফ-জোলেখা। এটি একটি রোমান্টিক প্রনয়োপাখ্যান। ইউসুফ-জোলেখা কাব্যগ্রন্থের রচনাকাল অনুসারে এটি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কাব্য এবং শাহ মুহম্মদ সগীর এই ধারার প্রথম কবি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়িা।
২৪.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন গ্রন্থে প্রথম যতিচিহ্নের ব্যবহার করেন?
  1. বোধোদয়
  2. বর্ণপরিচয়
  3. আখ্যান মঞ্জরী
  4. বেতালপঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা
• বেতালপঞ্চবিংশতি:
বেতালপঞ্চবিংশতি একখানা গল্পগ্রন্থ। মূল গ্রন্থটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত। ১৮০৫ সালে বৈতাল পচ্চিসী নামে এর একটি হিন্দি অনুবাদ ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ থেকে প্রকাশিত হয়, যা ওই কলেজের পাঠ্য ছিল। পরে কলেজের অধ্যক্ষ জি.টি মার্শালের অনুরোধে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৪৭ সালে এটি বাংলায় অনুবাদ করেন। অনুবাদের সময় তিনি মূল গল্পের অশ্লীল অংশ বর্জন এবং কোনো কোনো দীর্ঘ কাহিনী সংক্ষিপ্ত করেন।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতাল পঞ্চবিংশতি (১৮৪৭)। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছাড়াও একজন অজ্ঞাতনামা লেখক ১৮৫২ সালে এবং জীবানন্দ বিদ্যাসাগর ১৮৭৩ সালে বেতালপঞ্চবিংশতি বাংলায় অনুবাদ করেন। তবে ঈশ্বরচন্দ্রের গ্রন্থখানি গদ্যরীতি ও রস-রুচির বিচারে উত্তম। দীর্ঘকাল এটি বিদ্যালয়ের পাঠ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত ছিল।

গল্পের কাহিনি সংক্ষেপ-
মৃত রাজা চন্দ্রভানুর প্রেতাত্মার নাম বেতাল। তৎকর্তৃক কথিত পঁচিশটি উপাখ্যানের সমাহার হচ্ছে বেতালপঞ্চবিংশতি। বেতাল ঘটনাচক্রে রাজা বিক্রমাদিত্যের স্কন্ধে ভর করে তাঁকে গল্পগুলি পরপর শোনায়। গল্পগুলির অধিকাংশ প্রাচীন রাজকাহিনী; দু-তিনটিতে ব্রাহ্মণ চরিত্র আছে। বাস্তব ও কল্পনা মিশ্রিত রোম্যান্টিক ধাঁচের এসব আখ্যানের মুখ্য আবেদন গল্পরস; তবে রাজবিধি, শাস্ত্রবিধি ও ন্যায়নীতির কথাও আছে। প্রতিটি গল্পের শেষে বেতাল ও বিক্রমাদিত্যের প্রশ্নোত্তরে এসব বিষয় আরও পরিস্ফুট হয়েছে। প্রাচীন ভারতের রাজ-পরিবারের ভোগ-বিলাস ও নৈতিক স্খলনের নানা চিত্র গল্পগুলিতে ফুটে উঠেছে।

-------------------
• বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাসের,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৫.
কখনো উপন্যাস লেখেননি কে?
  1. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যা
•  কখনো উপন্যাস লেখেননি- বিহারীলাল চক্রবর্তী। 

• বিহারীলাল চক্রবর্তী:
- বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা সাহিত্যের আধুনিক গীতিকবিতার স্রষ্টা। তিনি ১৮৩৫ সালে নিমতলা, কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পুরোধা এবং রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচিত।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'সারদা মঙ্গল' কাব্য পড়ে তাঁকে 'ভোরের পাখি' বলে আখ্যায়িত করেন।তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সারদা মঙ্গল'।
- তাঁর শেষ কাব্যগ্রন্থ 'সাধের আসন'। একে 'সারদা মঙ্গল' কাব্যের পরিশিষ্ট বলা হয়।

বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- স্বপ্নদর্শন,
- সঙ্গীতশতক,
- বঙ্গসুন্দরী,
- নিসর্গসন্দর্শন,
- বন্ধু বিয়োগ,
- সারদা মঙ্গল।

অন্যদিকে,
--------------------------------
• বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাসসমূহ:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

• জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাসগুলো হলো:
- মাল্যবান;
- সতীর্থ;
- কল্যাণী।

• নির্মলেন্দু গুণ তাঁর রচিত কিশোর উপন্যাস:
- কালো মেলা,
- বাবা যখন ছোট্ট ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা সৌমিত্র শেখর।
২৬.
শুদ্ধ যুক্তবর্ণের গঠন কোনটি?
  1. ত্‌ + ত = ক্ত
  2. হ্‌ + ম = ক্ষ
  3. ক্ + স = ক্স
  4. ঙ্‌ + চ = ঞ্চ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ যুক্তবর্ণের গঠন- ক্ + স = ক্স। 

-----------------
সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না, এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই
রকম। যথা:
১. স্বচ্ছ ও
২. অস্বচ্ছ।

• স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: ক্ট, জ্জ, জ্ব, ণ্ড, ন্ট, ণ্ঠ, দ্দ, দ্ব, ণ্ঠ, ড্ড, ন্স, প্ট, প্ত, প্প, ল্প, ল্ট, ল্ড, ল্প, ফ্ফ, শ, শ্ছ, ষ্ট, ষ্ঠ, স্ক, স্খ, স্ট, স্ক ইত্যাদি।

• অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
ক্ত = (ক্ + ত),
ক্ম = (ক্ + ম),
ক্ষ = (ক্ + ষ),
ক্ষ্ম = (ক্ + ষ + ম),
ক্স = (ক্ + স),
গু = (গ্‌ + উ),
গ্ধ = (গ্‌ + ধ),
ঙ্গ = (ঙ্‌ + গ),
জ্ঞ = (জ্‌ + ঞ),
ঞ্চ = (ঞ্‌ + চ),
ঞ্জ = (ঞ্‌ + জ),
ষ্ণ = (ষ্‌ + ণ)
হু = (হ্ + উ),
হৃ = (হ্‌  + ঋ),
হ্ন = (হ্ + ন),
হ্ম = (হ্ + ম) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।
২৭.
'মগের মল্লুক' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. অনিষ্টে ইষ্ট লাভ
  2. অরাজক দেশ
  3. চির অশান্তি
  4. সামান্য কিছু দিয়ে ঝগড়া লাগানো
ব্যাখ্যা
• 'মগের মল্লুক' বাগ্‌ধারার অর্থ- অরাজক দেশ।

অন্যদিকে, 
• 'শাপে বর' অর্থ - অনিষ্টে ইষ্ট লাভ।
• 'রাবণের চিতা' অর্থ - চির অশান্তি।
• 'ফটো পয়সার লড়াই' অর্থ- সামান্য কিছু দিয়ে ঝগড়া লাগানো।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর এবং  বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
২৮.
'সংবাদ প্রভাকর' প্রতিষ্ঠাকালে কোন ধরনের পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়?
  1. দৈনিক পত্রিকা
  2. সাপ্তাহিক পত্রিকা
  3. অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা
  4. ত্রৈমাসিক পত্রিকা
ব্যাখ্যা
• সংবাদ প্রভাকর:
- 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন। কিছুদিনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু ১৮৩৬ সালে পুনর্বার ছাপা হয়।

- ১৮৩৯ সালে বাংলা ভাষায় প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি এই পত্রিকায় সাহিত্যচর্চাও হতো।
- 'বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়', 'দীনবন্ধু মিত্রের' প্রাথমিক রচনাগুলোও সংবাদ প্রভাকরেই প্রথম প্রকাশিত হতো।
- ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৯.
মৌলিক শব্দ নয় কোনটি?
  1. গোলাপ
  2. ঘোড়া
  3. ডুবুরি
  4. লতা
ব্যাখ্যা
• গঠনগত দিক থেকে শব্দকে ২ শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
যথা:
- মৌলিক শব্দ ও
- সাধিত শব্দ।

• মৌলিক শব্দ:
যে-সব শব্দ বিশ্লেষণ করা বা ভাঙা যায় না, গোটা শব্দটাই নিজে নিজেই সম্পূর্ণ হয়ে আছে বা স্বয়ংসিদ্ধ, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। মৌলিক শব্দ ভা চাইলেও তার ভগ্ন বা বিশ্লিষ্ট অংশের কোনো অর্থ হয় না; সে কারণে অবিভাজ্য ও অর্থযুক্ত শব্দই মৌলিক শব্দ অর্থাৎ স্পষ্ট অর্থ ও অবিভাজ্যতাই মৌলিক শব্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
যেমন- মা, পা, ঘোড়া, উট, বউ, গোলাপ, নাক, লাল, শাল, তিন, লতা ইত্যাদি।

• সাধিত শব্দ:
যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে। উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।
যেমন- পরিচালক, গরমিল, সম্পাদকীয়, সংসদ, সদস্য, নীলাকাশ, ডুবুরি, চলন্ত ইত্যাদি।
শব্দের দ্বিত্ব করেও সাধিত শব্দ হয়ে থাকে। যেমন: ফিসফিস, ধুমাধুম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩০.
কবি জসীম উদ্‌দীনকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লিটারেচার ডিগ্রি প্রদান করেন-
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়
  3. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
• জসীম উদ্‌দীন:
-  জসীম উদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে। জসীম উদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।
- 'সুচয়নী' জসীম উদ্‌দীন রচিত নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।
- কবি জসীম উদ্দীনের 'নিমন্ত্রণ' কবিতাটি 'ধানখেত' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে।

জসীম উদ্‌দীন অর্জিত পুরস্কার ও সম্মাননা:
- জসীম উদ্‌দীন বাংলা সাহিত্যের একজন বিশেষ সম্মানিত ও বহু পুরস্কারে পুরস্কৃত কবি। তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮) অর্জন করেন।
- তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টর অব লিটারেচার ডিগ্রি (১৯৬৯), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন।
- তিনি ১৯৭৪ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কারের জন্যও মনোনীত হয়েছিলেন, কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করেন।

• জসীম উদ্‌দীন রচিত গানের সংকলনগুলো হলো:
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান।

•  তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩১.
পনির ও তপনের আয়ের অনুপাত ৪ : ৩। তপন ও রবিনের আয়ের অনুপাত ৫ : ৪। রবিনের আয় ৭২ টাকা হলে, তপনের আয় কত?
  1. ১২০ টাকা
  2. ১০২ টাকা
  3. ৯৬ টাকা
  4. ৯০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পনির ও তপনের আয়ের অনুপাত ৪ : ৩। তপন ও রবিনের আয়ের অনুপাত ৫ : ৪। রবিনের আয় ৭২ টাকা হলে, তপনের আয় কত?

সমাধান:
পনির: তপন = ৪ : ৩ = ২০ : ১৫
তপন: রবিন = ৫ : ৪ = ১৫: ১২
পনির: তপন: রবিন = ২০ : ১৫ : ১২

পনিরের আয় = ২০ক
তপনের আয় = ১৫ক
রবিনের আয় = ১২ ক

প্রশ্নমতে,
১২ক = ৭২
⇒ ক = ৭২/১২
∴ ক = ৬

তপনের আয় = ১৫ × ৬ = ৯০ টাকা
৩২.
একজন মাঝি স্রোতের অনুকূলে ২ ঘণ্টায় ১৫ মাইল যায় এবং ৪ ঘণ্টায় প্রাথমিক অবস্থানে ফিরে আসে। তার মোট ভ্রমণে প্রতি ঘণ্টায় গড়বেগ কত?
  1. ৫ মাইল/ঘণ্টা
  2. ৬ মাইল/ঘণ্টা
  3. ৭ মাইল/ঘণ্টা
  4. ৪ মাইল/ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন মাঝি স্রোতের অনুকূলে ২ ঘণ্টায় ১৫ মাইল যায় এবং ৪ ঘণ্টায় প্রাথমিক অবস্থানে ফিরে আসে। তার মোট ভ্রমণে প্রতি ঘণ্টায় গড়বেগ কত?

সমাধান:
মোট দূরত্ব = ১৫ + ১৫ = ৩০ মাইল
মোট সময় = ৪ + ২ = ৬ ঘণ্টা

∴ ঘন্টায় গড় গতিবেগ = ৩০/৬ মাইল/ঘণ্টা
= ৫ মাইল/ঘণ্টা
৩৩.
১৮ ফুট উঁচু একটি খুঁটি এমনভাবে ভেঙ্গে গেল যে, ভাঙ্গা অংশটি বিচ্ছিন্ন না হয়ে খুঁটির সঙ্গে ৬০° কোণ উৎপন্ন করে ভূমিতে স্পর্শ করে। খুঁটিটির ভাঙ্গা অংশের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১০ ফুট
  2. ১২ ফুট
  3. ১৪ ফুট
  4. ১৫ ফুট
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৮ ফুট উঁচু একটি খুঁটি এমনভাবে ভেঙ্গে গেল যে, ভাঙ্গা অংশটি বিচ্ছিন্ন না হয়ে খুঁটির সঙ্গে ৬০° কোণ উৎপন্ন করে ভূমিতে স্পর্শ করে। খুঁটিটির ভাঙ্গা অংশের দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:

ধরি,
মাটি থেকে h ফুট উঁচুতে খুঁটিটি ভেঙ্গে যায়।
ভাঙ্গা অংশটি বিচ্ছিন্ন না হয়ে খুঁটির সঙ্গে ৬০° কোণ উৎপন্ন করে,
∴ ভাঙ্গা অংশটি ভূমির সঙ্গে = ৯০° - ৬০° = ৩০° কোণ উৎপন্ন করে

আমরা জানি,
sin৩০° = লম্ব/অতিভূজ
বা, ১/২ = h/(১৮ - h)
বা, (১৮ - h) = ২h
বা, ৩h = ১৮
∴ h = ৬

∴ ভাঙ্গা অংশের দৈর্ঘ্য = (১৮ - ৬) = ১২ ফুট
৩৪.
{(0.9)2 - (0.4)2}2/(0.9 - 0.4)2 এর মান কত?
  1. 1.69
  2. 1.44
  3. 1.20
  4. 0.69
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: {(0.9)2 - (0.4)2}2/(0.9 - 0.4)2 এর মান কত?

সমাধান:
{(0.9)2 - (0.4)2}2/(0.9 - 0.4)2
= (0.9 + 0.4)2(0.9 - 0.4)2/(0.9 - 0.4)2
= (0.9 + 0.4)2
= (1.3)2
= 1.69
৩৫.
১৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি ফুটবল দল থেকে একজন অধিনায়ক ও একজন সহ- অধিনায়ক কতভাবে নির্বাচন করা যাবে?
  1. ৩০০
  2. ২২৫
  3. ২১০
  4. ১৯৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি ফুটবল দল থেকে একজন অধিনায়ক ও একজন সহ- অধিনায়ক কতভাবে নির্বাচন করা যাবে?

সমাধান:
15 জন থেকে 1 জন অধিনায়ক বাছাই করা যায় = 15C1 = 15 উপায়ে
14 জন থেকে 1 জন সহ অধিনায়ক বাছাই করা যায় = 14C1 = 14 উপায়ে

∴ বাছাই সংখ্যা = 15 × 14 = 210
৩৬.
শতকরা ৫ টাকা হার সুদে ৮ বছরে সুদে-আসলে ৭,০০০ টাকা হলে মূলধন কত?
  1. ৫০০০ টাকা
  2. ৬০০০ টাকা
  3. ৪৮০০ টাকা
  4. ৪০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শতকরা ৫ টাকা হার সুদে ৮ বছরে সুদে-আসলে ৭,০০০ টাকা হলে মূলধন কত?

সমাধান:
১০০ টাকায় ১ বছরের সুদ ৫ টাকা
∴ ১০০ টাকায় ৮ বছরের সুদ = (৫ × ৮) = ৪০ টাকা

সুদে আসলে = (১০০ + ৪০) = ১৪০ টাকা

সুদাসল ১৪০ টাকা হলে আসল = ১০০ টাকা
∴ সুদাসল ১ টাকা হলে আসল = ১০০/১৪০ টাকা
∴ সুদাসল ৭০০০ টাকা হলে আসল = (১০০ x ৭০০০)/১৪০ টাকা
= ৫০০০ টাকা
৩৭.
একটি মোটর সাইকেল ৮% লাভে বিক্রি করা হলো। যদি বিক্রয়মূল্য ৭২০ টাকা কম হতো, তাহলে ১২% ক্ষতি হতো। মোটর সাইকেলের ক্রয়মূল্য কত?
  1. ৬০০০ টাকা
  2. ৪৮০০ টাকা
  3. ৩৬০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা।
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি মোটর সাইকেল ৮% লাভে বিক্রি করা হলো। যদি বিক্রয়মূল্য ৭২০ টাকা কম হতো, তাহলে ১২% ক্ষতি হতো। মোটর সাইকেলের ক্রয়মূল্য কত?
 
সমাধান:
৮% লাভে,
বিক্রয়মূল্য = (১০০ + ৮) = ১০৮ টাকা।

১২% ক্ষতিতে,
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয় মূল্য = (১০০ - ১২) = ৮৮ টাকা

∴ বিক্রয়মূল্যেদ্বয়ের পার্থক্য = (১০৮ - ৮৮) = ২০ টাকা।

বিক্রয় মূল্য ২০ টাকা কম হলে ক্রয় মূল্য ১০০ টাকা
∴ বিক্রয় মূল্য ১ টাকা কম হলে ক্রয় মূল্য ১০০/২০ টাকা
∴ বিক্রয় মূল্য ৭২০ টাকা কম হলে ক্রয় মূল্য (১০০ × ৭২০)/২০
= ৩৬০০ টাকা।
৩৮.
কোনো সমান্তর প্রগমনে প্রথম দুটি সংখ্যা ৪ ও ১৫ হয় তবে তৃতীয় পদটি কত?
  1. ৬০
  2. ২৬
  3. ২২
  4. ১৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো সমান্তর প্রগমনে প্রথম দুটি সংখ্যা ৪ ও ১৫ হয় তবে তৃতীয় পদটি কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সমান্তর প্রগমনে প্রথম দুটি সংখ্যা ৪ ও ১৫ হলে -
সাধারণ অন্তর = (১৫ - ৪) = ১১

∴ তৃতীয় পদ = দ্বিতীয় পদ + সাধারণ অন্তর = ১৫ + ১১ = ২৬
৩৯.
একজন ব্যক্তি ভ্রমণে ২.৫ মাইল দক্ষিণে, ১২ মাইল পশ্চিমে, তারপর আবার ২.৫ মাইল দক্ষিণে যায়। সে শুরুর স্থান থেকে কত মাইল দূরে?
  1. ১৩ মাইল
  2. ১৫ মাইল
  3. ১০ মাইল
  4. ৮ মাইল
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন ব্যক্তি ভ্রমণে ২.৫ মাইল দক্ষিণে, ১২ মাইল পশ্চিমে, তারপর আবার ২.৫ মাইল দক্ষিণে যায়। সে শুরুর স্থান থেকে কত মাইল দূরে?

সমাধান:

চিত্র হতে
ধরি,
তার শুরুর স্থান A এবং শেষ স্থান D
∴ দক্ষিণ দিকে অতিক্রান্ত মোট দূরত্ব AE = (২.৫ + ২.৫) = ৫ মাইল
পশ্চিম দিকে অতিক্রান্ত দূরত্ব DE = ১২ মাইল

∴ পিথাগোরাসের সূত্র মতে,
শুরুর স্থান থেকে দূরত্ব AD = √(AE2 + DE2)
= √(৫ + ১২)
= √(২৫ + ১৪৪)
= √(১৬৯)
= ১৩
৪০.
যদি x4 - x2 + 1 = 0 হয়, তবে, x2 + 1/x2 = কত?
  1. 0
  2. √2
  3. √3
  4. 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি x4 - x2 + 1 = 0 হয়, তবে, x2 + 1/x2 = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
x4 - x2 + 1 = 0
⇒ x4 + 1 = x2
⇒ (x4 + 1)/x2 = 1
∴ x2 + 1/x2 = 1
৪১.
চিত্রে ∠ABC = 50°, ∠DCF = 90° এবং AB || CE, AB = AC হলে, ∠ACF এর মান নিচের কোনটি?
  1. 90°
  2. 45°
  3. 40°
  4. 75°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চিত্রে ∠ABC = 50°, ∠DCF = 90° এবং AB || CE, AB = AC হলে, ∠ACF এর মান নিচের কোনটি?


সমাধান:
প্রদত্ত চিত্রে,
AB = AC

সুতরাং, ABC সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ।

∠ABC = ∠ACB = 50°
∠DCF = 90° হলে ∠BCF = 90°

সুতরাং, ∠ACF = ∠BCF - ∠ACB = 90° - 50° = 40°
৪২.
যদি তেলের মূল্য ২০% হ্রাস পায়, তবে তেলের ব্যবহার শতকরা কত বাড়ালে তেল বাবদ খরচ হ্রাস পাবে না?
  1. ২৫%
  2. ২৪%
  3. ২০%
  4. ১০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি তেলের মূল্য ২০% হ্রাস পায়, তবে তেলের ব্যবহার শতকরা কত বাড়ালে তেল বাবদ খরচ হ্রাস পাবে না?

সমাধান:
২০% হ্রাসে তেলের বর্তমান মূল্য = ৮০ টাকা

৮০ টাকায় ব্যবহার বাড়াতে হবে = ২০ টাকা
১ টাকায় ব্যবহার বাড়াতে হবে = ২০/৮০ টাকা
∴ ১০০ টাকায় ব্যবহার বাড়াতে হবে (২০ × ১০০)/৮০ টাকা
= ২৫ টাকা
৪৩.
দুই অঙ্কবিশিষ্ট একটি সংখ্যার এককের অঙ্ক দশকের অঙ্ক অপেক্ষা ৩ বেশি। সংখ্যাটি এর অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টির ৪ গুণ । সংখ্যাটি কত?
  1. ১৪
  2. ৪৭
  3. ২৫
  4. ৩৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুই অঙ্কবিশিষ্ট একটি সংখ্যার এককের অঙ্ক দশকের অঙ্ক অপেক্ষা ৩ বেশি। সংখ্যাটি এর অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টির ৪ গুণ । সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি,
দশকের অঙ্ক ক হলে,
এককের অঙ্ক (ক + ৩)

∴ সংখ্যাটি = ১০ক + ক + ৩ = ১১ক + ৩

প্রশ্নানুসারে,
১১ক + ৩ = ৪ (ক + ক + ৩)
⇒ ১১ক - ৮ক = ১২ - ৩
⇒ ৩ক = ৯
∴ ক = ৩

∴ সংখ্যাটি = (১১ × ৩ + ৩) = ৩৬
৪৪.
সূর্যগ্রহণ ঘটে কখন?
  1. যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে চাঁদ অবস্থান করে
  2. যখন সূর্য ও শনির মাঝখানে পৃথিবী অবস্থান করে
  3. যখন চাঁদ পৃথিবীর ছায়ায় অবস্থান করে
  4. যখন চাঁদ ও সূর্যের মাঝখানে পৃথিবী অবস্থান করে
ব্যাখ্যা
সূর্যগ্রহণ: 
- যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ সরলরেখায় অবস্থান করে তখন হয় সূর্যগ্রহণ। 
- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ করার পথে কখনও কখনও সে এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে। 
- তখন সূর্য থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে। 
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে। 

অমাবস্যা: 
- চাঁদ ও পৃথিবী আবর্তনকালে যখন চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- চাঁদের অবস্থান হয় পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে, সেই অবস্থাকে বলে অমাবস্যা। 

চন্দ্ৰগ্ৰহণ: 
- চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান। 
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়। 
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া। 

পূর্ণিমা: 
- পূর্ণিমা তখনই হয়, যখন পৃথিবীর এক পাশে সূর্য এবং তার উল্টো পাশে চাঁদ অবস্থান করে। 

উৎস: ৪ ডিসেম্বর ২০২১, বিবিসি বাংলা। [লিঙ্ক]।
৪৫.
নিচের কোন ডিভাইসটি হাফ-ডুপ্লেক্স ট্রান্সমিশনের উদাহরণ?
  1. ওয়াকিটকি
  2. রেডিও
  3. টিভি
  4. মোবাইল
ব্যাখ্যা
ডেটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডেটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। সিমপ্লেক্স: 
- শুধুমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। 
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডেটা পাঠাতে পারে না। 
উদাহরণ- রেডিও, টিভি। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স: 
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। 
উদাহরণ- ওয়াকিটকি। 

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স: 
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। 
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। 
উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬.
একটি তড়িৎ রাসায়নিক কোষ গঠনের ক্ষেত্রে কয়টি তড়িৎদ্বারের প্রয়োজন?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা
তড়িৎদ্বার: 
- তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় বিগলিত অথবা দ্রবীভূত তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্যে দুটি ধাতব পরিবাহী অথবা গ্রাফাইট দন্ড এমনভাবে রেখে দেয়া হয় যেন একটি দিয়ে ইলেকট্রন কোষে প্রবেশ করে এবং অন্যটি দিয়ে ইলেকট্রন বের হয়ে যায়। 
- এ দুটি ধাতব অথবা গ্রাফাইট পরিবাহীকে তড়িৎদ্বার বলা হয়। 
- তড়িৎদ্বার তড়িৎ রাসায়নিক কোষের ইলেকট্রনিক পরিবাহী ও ইলেকট্রোলাইট পরিবহীর মধ্যে তড়িৎ প্রবাহের যোগসূত্র স্থাপন করে কোষ বর্তনী পূর্ণ করে। 
- একটি তড়িৎ রাসায়নিক কোষ গঠনের ক্ষেত্রে দুটি তড়িৎদ্বারের প্রয়োজন। 
যথা- 
১। ক্যাথোড তড়িৎদ্বার: 
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ঋণাত্নক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন ব্যাটারি থেকে দ্রবণে প্রবেশ করে, তাকে ক্যাথোড তড়িৎদ্বার বা ঋণাত্নক তড়িৎদ্বার বলে। 
- ক্যাথোড তড়িৎদ্বারে বিজারণ ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। 
অর্থাৎ, ক্যাথোডে ক্যাটায়নগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করে আধান মুক্ত হয়। 

২। অ্যানোড তড়িৎদ্বার: 
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ধনাত্নক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন দ্রবণ ছেড়ে চলে যায়, তাকে অ্যানোড তড়িৎদ্বার বা ধনাত্নক তড়িৎদ্বার বলে। 
- অ্যানোড তড়িৎদ্বারে জারণ ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। 
অর্থাৎ, অ্যানোডে অ্যানায়নগুলো ইলেকট্রন ত্যাগ করে আধান মুক্ত হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭.
নিচের কোনটি অক্ট্যাল সংখ্যা নয়?
  1. ৫৬৭
  2. ৭৬৫
  3. ৪৮৫
  4. ৭১৪
ব্যাখ্যা
অক্ট্যাল সংখ্যা: 
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭। 
- অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮ । 
- ৭১৪, ৭৬৫, ৫৬৭ অক্ট্যাল সংখ্যা কিন্তু ৪৮৫ অক্ট্যাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না। 

অন্যদিকে, 
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২। 
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১০। 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১৬। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৮.
নিচের কোন শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না? 
  1. সৌর শক্তি 
  2. বায়ুপ্রবাহ 
  3. বায়োগ্যাস 
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস 
ব্যাখ্যা
শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- বর্তমানে পৃথিবীর সব মানুষ যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি হলো এমন এক শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং এর ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
যেমন- সমুদ্রস্রোত, বায়োগ্যাস,  বায়ুপ্রবাহ, সৌর শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অন্যদিকে অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৯.
স্টার্চ থেকে গাঁজন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন অ্যালকোহলের নাম কী?
  1. ইথানল
  2. মিথানল
  3. আইসোপ্রোপানল
  4. মিথাইল অ্যালকোহল
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহল: 
- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়। 
- এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক। 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 
- পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়। এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 
- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্য শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। 
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়। এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে।
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে। তাছাড়া এটি পরিবেশ বান্ধব। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০.
গ্লুবার লবণ এর রাসায়নিক সংকেত কোনটি?
  1. K2SO4.Al2(SO4)3.24H2O
  2. CuSO4.5H2O
  3. Na2SO4.10H2O
  4. Na2CO3.10H2O
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন মৌলের রাসায়নিক সংকেত: 
- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O, 
- ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত- ZnCO3
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত- [K2SO4. Al2(SO4)3.24H2O], 
- গ্লুবার লবণ এর রাসায়নিক সংকেত- Na2SO4.10H2O
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত- Na2CO3.10H2O, 
- ক্লোরোফর্ম এর রাসায়নিক সংকেত- CHCl3
- ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক সংকেত- Ca(OCl)Cl. 

- সোডিয়াম এসিটেটের সংকেত - CH3COONa, 
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3
- চুনাপাথরের  রাসায়নিক সংকেত- CaCO3
- ভিনেগারের  রাসায়নিক সংকেত- CH3COOH, 
- চুনের  রাসায়নিক সংকেত- CaO । 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১.
WWW এর পূর্ণরূপ কী? 
    অনির্ধারিত
    ব্যাখ্যা
    WWW: 
    - WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web
    - ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম। 
    - এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। 
    - টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন। 
    - টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়। 
    - ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়। 
    - WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে 

    উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.
    ৫২.
    আরব লীগের সদর দপ্তর কোথায়?
    1. কায়রো, মিশর
    2. জেদ্দা, সৌদি আরব
    3. দামেস্ক, সিরিয়া
    4. দোহা, কাতার
    ব্যাখ্যা
    আরব লীগ:
    - মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর আঞ্চলিক সংগঠন।
    - উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডের সমন্বয় ও বন্ধ শক্তিশালী করা।
    - স্বাক্ষরিত হয়: ৭ অক্টোবর, ১৯৪৪।
    - আরব লীগ গঠিত হয়: ২২ মার্চ, ১৯৪৫।
    - আরব লীগের ভিত্তি ছিল আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল।
    - সদর দপ্তর: কায়রো, মিশর।
    - অফিসিয়াল ভাষা: আরবি।
    - প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ৭টি।
    - প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ: মিশর, ইরাক, লেবানন, সৌদি আরব, সিরিয়া, জর্ডান এবং ইয়েমেন।
    - বর্তমান সদস্য: ২২টি। [এপ্রিল, ২০২৫]
    - বর্তমান সদস্য দেশ: কুয়েত, লেবানন, ফিলিস্তিন, কাতার, জর্ডান, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, লিবিয়া, ওমান, সৌদি আরব, সিরিয়া, তিউনিসিয়া, ইরাক, আলজেরিয়া, মরোক্কো, সুদান, জিবুতি, মিশর, ইয়েমেন, মৌরিতানিয়া, কমোরোস, সোমালিয়া।

    উৎস: Arab League ওয়েবসাইট।
    ৫৩.
    স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় 'এস-ফোর্স'-এর কমান্ডার ছিলেন কে?
    1. কে এম শফিউল্লাহ
    2. মেজর জিয়াউর রহমান
    3. মেজর খালেদ মোশারফ
    4. মেজর আব্দুল জলিল
    ব্যাখ্যা
    → স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় 'এস-ফোর্স'-এর কমান্ডার ছিলেন কে. এম. শফিউল্লাহ।

    মেজর জেনারেল কে. এম. শফিউল্লাহ:
    - কাজী মোহাম্মদ শফিউল্লাহ বীর উত্তম যিনি কে এম শফিউল্লাহ নামেও পরিচিত।
    - তার জন্ম ২ সেপ্টেম্বর ১৯৩৪ তারিখে।
    - দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসাবে, তার ব্যাটালিয়ন সহ, তিনি ছিলেন প্রথম বাঙালি অফিসার যিনি ১৯ মার্চ ১৯৭১ সালে বিদ্রোহ করেন এবং ৫৭ বিডিই কমান্ডার-ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ছিলেন।
    - তিনি সিলেটের তেলিয়াপাড়ায় সদর দপ্তর ৩ সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হন।
    - তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় 'এস-ফোর্স'-এর কমান্ডার ছিলেন।
    - শফিউল্লাহ ১৯৭২ সালের এপ্রিল মাসে সেনাপ্রধান হন।
    - ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালের বাংলাদেশ অভ্যুত্থানের পর, রাষ্ট্রপতি খোন্দকার মোশতাক আহমদ তার স্থলাভিষিক্ত হন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান।

    উল্লেখ্য,
    - জেড ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন: মেজর জিয়াউর রহমান।
    - কে ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন: মেজর খালেদ মোশারফ।

    উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
    ৫৪.
    Food and Agriculture Organization-এর বর্তমান মহাপরিচালক কে? [ এপ্রিল ২০২৫]
    1. Robert F. Kennedy Jr.
    2. Qu Dongyu
    3. Edward Sauma
    4. Jose Graziano da Silva
    ব্যাখ্যা
    বর্তমান মহাপরিচালক: ড. কু ডংগিউ (Qu Dongyu)।

    জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO):
    - FAO-এর পূর্ণরূপ: Food and Agriculture Organization.
    - প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে।
    - সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
    - জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ১৯৪৬ সালে।
    - বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১৯৪টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।।
    - বর্তমান মহাপরিচালক: ড. কু ডংগিউ (Qu Dongyu)। 
    - প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য: ক্ষুধা দূরীকরণ এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে পুষ্টি ও জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।

    উল্লেখ্য,
    - বাংলাদেশ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর সদস্যপদ লাভ করে ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩ সালে।
    - ১৯৭৮ সালে ঢাকায় এর আঞ্চলিক প্রতিনিধি অফিস স্থাপিত হয়।
    - বাংলাদেশে FAO-এর প্রধান দপ্তর বর্তমানে বনানী, ঢাকায় অবস্থিত ।

    উৎস: FAO ওয়েবসাইট।
    ৫৫.
    হাজার হ্রদের দেশ বলা হয় কোন দেশ কে?
    1. নরওয়ে
    2. ফিনল্যান্ড
    3. তাইওয়ান
    4. নিউজিল্যান্ড
    ব্যাখ্যা
    • ফিনল্যান্ড উত্তর-পশ্চিম ইউরোপে বাল্টিক সাগরের উপকূলে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র।
    - ফিনল্যান্ড ইউরোপের সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত দেশগুলোর একটি।
    - হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।

    → বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম:
    - বজ্রপাতের দেশ: ভুটান।
    - সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
    - নিষিদ্ধ দেশ: তিব্বত।
    - শান্ত দেশ: কোরিয়া।
    - সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
    - সোনালী প্যাডোডার দেশ: মিয়ানমার।
    - ধীবরের দেশ: নরওয়ে।
    - হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
    - নীল নদের দেশ: মিশর।
    -মরুভমির দেশ: আফ্রিকা।
    - সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
    - মার্বেলের দেশ: ইতালি।
    - বহ্মদেশ: মিয়ানমার।
    - দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন: নিউজিল্যান্ড।
    - তামার দেশ: জাম্বিয়া।
    - পিরামিডের দেশ: মিশর।
    - প্রাচীরের দেশ: চীন।
    - ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
    - ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।

    উৎস: Britannica.
    ৫৬.
    ইসলামিক ‍উন্নয়ন ব্যাংকের সদস্য সংখ্যা কত? [এপ্রিল, ২০২৫]।
    1. ৬০ টি
    2. ৫৮ টি
    3. ৫৬ টি
    4. ৫৭ টি
    ব্যাখ্যা
    • Islamic Development Bank (IsDB):
    - ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত মুসলিম দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের প্রথম সম্মেলনে IDB গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
    - ১৯৭৫ সালের ২০ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
    - বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।[এপ্রিল, ২০২৫]
    - সদর দপ্তর: সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
    - এর প্রেসিডেন্ট: ডক্টর মুহাম্মদ আল-জাসের।
    - IDB এর সদস্যপদ লাভের পূর্বশর্ত হলো ওআইসি এর সদস্য হওয়া।

    উৎস: IDB ওয়েবসাইট।
    ৫৭.
    পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা ভাষার জন্য প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করেন কে?
    1. গোলাম মাহবুব
    2. এ.কে. ফজলুল হক
    3. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
    4. হোসেন শহীদ সোরওয়ার্দী
    ব্যাখ্যা
    কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করেন 

    ভাষা আন্দোলন (১৯৪৮-১৯৫২):
    - মাতৃভাষার অধিকার গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক অধিকার।
    - পাকিস্তানের শতকরা ৫৬ জনের মাতৃভাষা ছিল বাংলা।
    - উর্দু কোনো অঞ্চলেরই মাতৃভাষা ছিল না।
    - অথচ উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা চালানো হয়।
    - অগণতান্ত্রিকভাবে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে বাঙালিদের যে আন্দোলন শুরু হয়, তা-ই ভাষা আন্দোলন নামে পরিচিত।
    - ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।
    - পূর্ব বাংলায় রাজনৈতিক নেতৃত্ব, বুদ্ধিজীবী ও ছাত্র নেতৃত্বের সমন্বয়ে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
    - তাদের দাবি ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
    - ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকে পরিষদের ব্যবহারিক ভাষা হিসেবে গ্রহণের দাবি প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করেন। 

    উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিতা, নবম দশম শ্রেণি।
    ৫৮.
    ক্রোয়েশিয়ার মুদ্রার নাম কী?
    1. ডলার
    2. রিয়াল
    3. ইউরো
    4. ফ্রাঙ্ক
    ব্যাখ্যা
    → ক্রোয়েশিয়ার মুদ্রার নাম- ইউরো 
    - ২০তম দেশ হিসেবে ১লা জানুয়ারী, ২০২৩ তারিখে ক্রোয়েশিয়া ইউরো মুদ্রা চালু করে।

    • ইউরো:

    - ইউরো হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক একক এবং মুদ্রা, যা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।
    - ইউরো ১৯৯১ সালের মাস্ট্রিচ চুক্তি থেকে উদ্ভুত হয়েছিল।
    - ইউরো আনুষ্ঠানিকভাবে ১লা জানুয়ারী, ১৯৯৯ সালে জারি করা হয়েছিল।
    - ইউরো ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা পরিচালিত হয়।
    - ইউরো ব্যবহার সদস্য: ২০টি।
    - সর্বশেষ সদস্য দেশ: ক্রোয়েশিয়া।
    - ২০তম দেশ হিসেবে ১লা জানুয়ারী, ২০২৩ তারিখে ক্রোয়েশিয়া ইউরো মুদ্রা চালু করে।
    - ইউরো ব্যবহারকারী দেশগুলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন।

    অপরদিকে,
    - ফ্রাঙ্ক মুদ্রা ব্যবাহারী দেশ:
    - সেনেগাল, মালি, গিনি, গ্যাবন, কঙ্গো, রুয়ান্ডা, ক্যামেরুন, মুরুন্ডি, জিবুতি, নাইজার, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, বেনিন ও টোগো

    উৎস: EU ওয়েবসাইট ও Britannica.
    ৫৯.
     কোন বাংলাদেশীয় উপজাতির পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক?
    1. সাঁওতাল
    2.  খাসিয়া
    3. মারমা
    4. ওরাঁও
    ব্যাখ্যা
    • খাসিয়া:
    - খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
    - এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
    - এদের গাত্রবর্ণ হরিদ্রাভ, নাক-মুখ চেপ্টা, চোয়াল উঁচু, চোখ কালো ও ছোট টানা এবং খর্বকায়।
    - খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
    - তারা আসামে এসেছিল সম্ভবত তিববত থেকে। এক কালে এ উপজাতিরা ছিল যাযাবর।
    - খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
    - জীবিকার তাগিদে দলেবলে স্থান ত্যাগ করে এরা নতুন পুঞ্জি রচনা করে।
    - বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতিসমূহের মধ্যে খাসিয়া এবং গারো সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক।
    - সাঁওতাল এবং মারমা ওরাঁও উপজাতির পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।

    উৎস: বাংলাপিডিয়া।
    ৬০.
    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ কত বছর?
    1. ৫ বছর
    2. ২ বছর
    3. ৩ বছর
    4. ১ বছর
    ব্যাখ্যা
    → সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।

    • জাতিসংঘ:

    - ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
    - জাতিসংঘ সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
    - জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
    - সাধারণ পরিষদ।
    - নিরাপত্তা পরিষদ।
    - অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন।
    - আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত।
    - অছি পরিষদ ও
    - জাতিসংঘ সচিবালয়।

    • জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:

    - জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
    - সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
    - সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।
    - প্রতি বছর সেপ্টেম্বরে নিউ ইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সারা বিশ্বের সব দেশের নেতারা বৈঠকে বসেন এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।
    - একই মঞ্চে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের নেতা ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের একে অপরের সাথে সাক্ষাত হয় বলে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এই সভাকে 'কূটনৈতিক স্পিড ডেটিং' ইভেন্ট হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকেন অনেক কূটনীতিক।

    উল্লেখ্য,
    - প্রতি বছর সাধারণ পরিষদের সভা শুরুর আগে একজন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হয়ে থাকে।
    - প্রতিটি সদস্যদেশের সাধারণ পরিষদে একটি ভোট রয়েছে।
    - সনদ অনযায়ী প্রতিটি রাষ্ট সাধারণ সভায় ৫ জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে।

    উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
    ৬১.
    মুজিবনগর সরকারের শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
    1. এম এ হান্নান
    2. মাহবুবুর রহমান
    3. অধ্যাপক ইউসুফ আলী
    4. বিচারপতি সাত্তার চৌধুরী
    ব্যাখ্যা
    • মুজিবনগর সরকার গঠন:
    - মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ১০ এপ্রিল গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার।
    - এ সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথ তলায়।
    - শপথ অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
    - ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
    - এবং ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
    - মুজিবনগর সরকারের শপথ বাক্য পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
    - সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
    - তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথতলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর।
    - অস্থায়ী সরকারও পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।
    - এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘণ্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।
    - ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।

    উৎস: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ও বাংলাপিডিয়া।
    ৬২.
    ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন ?
    1. মেঘবতী সুকর্নপুত্রী
    2. জেনারেল বিয়ান্তো
    3. ড. আহম্মদ সকর্ণ
    4. জেনারেল সুহার্তো
    ব্যাখ্যা
    → ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন সুকর্ণ (Sukarno)।
    - তিনি ১৯৪৫ সালের ১৭ আগস্ট ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
    - এবং ১৯৪৫ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
    - সুকর্ণ ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা এবং জাতির পিতা হিসেবে পরিচিত।

    • ইন্দোনেশিয়া:

    - ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উপকূলে অবস্থিত দেশ ইন্দোনেশিয়া।
    - দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ এটি।
    - বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
    - এক সময়ের ডাচ উপনিবেশ থাকা দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।
    - রাজধানী: নুসানতারা (নতুন)।
    - মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
    - ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, পাপুয়া নিউ গিনি।
    - ২০০৪ সালে দেশটিতে প্রথমবারের মতো সরাসরি ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়।
    - ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন-ড. আহম্মদ সকর্ণ।
    - মুসলিম বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট মেঘবর্তী সুকর্ণপুত্রী ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

    উৎস: i) Britannica.
             ii) ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
    ৬৩.
    কমনওয়েলথের প্রধান কে?
    1. রাজা তৃতীয় চার্লস
    2. রাজা দ্বিতীয় চার্লস
    3. কেয়ার স্টারমার
    4. মার্ক কার্নি
    ব্যাখ্যা
    →ব্রিটেনের রাজা:
    - রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর সাথে সাথেই সিংহাসনের অধিকারী হয়েছেন রাজা চার্লস।
    - তিনি পরিচিত রাজা তৃতীয় চার্লস নামে।
    - চার্লস ৫৬টি স্বাধীন রাষ্ট্র ও ২৫০ কোটি মানুষের সংগঠন কমনওয়েলথের প্রধান।
    - এর মধ্যে যুক্তরাজ্যসহ মোট ১৫টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হলেন রাজা।
    → এসব দেশগুলো হলো:
    - যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, অ্যান্টিগা ও বারবুডা, বাহামা, বেলিজ, কানাডা, গ্রেনাডা, জ্যামাইকা, পাপুয়া নিউ গিনি, সেন্ট ক্রিস্টোফার অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড গ্রেনাডাইনস, নিউজিল্যান্ড, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ এবং টুভালু।

    • কমনওয়েলথ:
    - কমনওয়েলথ মূলত ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশিক দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
    - এটি ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
    - এর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় সর্বসম্মতিক্রমে।
    - বর্তমান সদস্য ৫৬টি।
    - সদরদপ্তর: মার্লবোরো হাউস, লন্ডন।
    - এর প্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।
    - বাংলাদেশ এর ৩২তম সদস্য দেশ হিসেবে ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে যোগ দেয়।

    উৎস: i) Commonwealth ওয়েবসাইট।
    ii) The Royal Family.
    ৬৪.
    মুক্তিযুদ্ধ সময়ে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে?
    1. ১০ টি
    2. ১১ টি
    3. ১২ টি
    4. ৮ টি
    ব্যাখ্যা
    • মুক্তিযুদ্ধ:
    - মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
    -
    ১১ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।
    - প্রত্যেক সেক্টর বেশ কয়েকটি সাব- সেক্টরে বিভক্ত ছিল।

    - সেক্টর ১:
    অঞ্চল: চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ফেনী নদী পর্যন্ত এলাকা
    সেক্টর কমান্ডার: মেজর জিয়াউর রহমান​।

    - সেক্টর ২:
    অঞ্চল: নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত, কুমিল্লা জেলা, সিলেট জেলার হবিগঞ্জ (বর্তমানে জেলা), ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ
    সেক্টর কমান্ডার: মেজর খালেদ মোশাররফ​।

    - সেক্টর ৩:
    অঞ্চল: আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলা, সিলেট, ঢাকা জেলার অংশবিশেষ ও কিশোরগঞ্জ
    সেক্টর কমান্ডার: মেজর কে. এম. শফিউল্লাহ​।

    - সেক্টর ৪:

    অঞ্চল: সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল, খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন ছাড়াও পূর্ব ও উত্তর দিকে ডাউকি সড়ক পর্যন্ত অঞ্চল
    সেক্টর কমান্ডার: মেজর সি. আর. দত্ত।

    - সেক্টর ৫:

    অঞ্চল: সিলেট জেলার পশ্চিমাঞ্চল, সিলেট-ডাউকি সড়ক থেকে সুনামগঞ্জ-ময়মনসিংহ সড়ক পর্যন্ত এলাকা
    সেক্টর কমান্ডার: মেজর মীর শওকত আলী​।

    - সেক্টর ৬:
    অঞ্চল: রংপুর জেলা, দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহকুমা (বর্তমানে জেলা)
    সেক্টর কমান্ডার: উইং কমান্ডার এম. কে. বাশার​।

    - সেক্টর ৭:
    অঞ্চল: দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চল, রাজশাহী, পাবনা ও বগুড়া জেলা
    সেক্টর কমান্ডার: মেজর কাজী নূরুজ্জামান​।

    - সেক্টর ৮
    অঞ্চল: কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুরের অধিকাংশ এবং খুলনা জেলার দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত এলাকা
    সেক্টর কমান্ডার: মেজর আবু ওসমান চৌধুরী (আগস্ট পর্যন্ত), পরে মেজর এম. এ. মঞ্জুর​।

    - সেক্টর ৯:
    অঞ্চল: দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক থেকে খুলনা জেলার দক্ষিণাঞ্চল, ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ এবং বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা
    সেক্টর কমান্ডার: মেজর এম. এ. জলিল (ডিসেম্বর মাসের শুরু পর্যন্ত), পরে মেজর জয়নাল আবেদীন​।

    - সেক্টর ১০:
    অঞ্চল: নৌ-কমান্ডো, সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নৌপথ
    সেক্টর কমান্ডার: নির্দিষ্ট মিশনে নিয়োজিত কমান্ডাররা​।

     - সেক্টর ১১
    অঞ্চল: কিশোরগঞ্জ ছাড়া ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা
    সেক্টর কমান্ডার: মেজর আবু তাহের (নভেম্বরে গুরুতর আহত হলে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট এম. হামিদুল্লাহ

    উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
    ৬৫.
    No Fly Zone' কোন দেশে অবস্থিত?
    1. ইরাক
    2. কুয়েত
    3. ভিয়েতনাম
    4. তুরস্ক
    ব্যাখ্যা
    → ইরাকে No Fly Zone অবস্থিত।

    • No Fly Zone:

    - আকাশসীমার কোনো অঞ্চলকে 'নো-ফ্লাই জোন' ঘোষণার অর্থ হলো সেখানে কোনো উড়োজাহাজ উড়তে পারবে না।
    - সংবেদনশীল এলাকা যেমন রাজপ্রাসাদ রক্ষা করতে কিংবা কোনো খেলার আয়োজনে অথবা বড় সমাবেশের ক্ষেত্রেও স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে নো-ফ্লাই জোন ঘোষণা করা হয়ে থাকে।
    - ১৯৯১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত ইরাকে এমন একটি No Fly Zone স্থাপন করেছিল যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।

    এছাড়াও,
    ⇒ পৃথিবীর বিখ্যাত কয়েকটি 'নো ফ্লাই জোন':
    - উত্তর কোরিয়া,
    - কিউবা,
    - মক্কা, সৌদি আরব,
    - প্যারিস, ফ্রান্স,
    - ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
    - পার্থেনন, গ্রীস,
    - ডিজনি পার্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
    - বাকিংহাম প্যালেস এবং উইন্ডসর ক্যাসেল, যুক্তরাজ্য।

    উৎস: i) Britannica. 
    ii) Worldatlas.
    ৬৬.
    'চির শান্তির শহর' নামে পরিচিত কোনটি?
    1. ভেনিস
    2. নিউইয়র্ক
    3. এথেন্স
    4. রোম
    ব্যাখ্যা
    • চির শান্তির শহর:
    - 'চির শান্তির শহর' নামে পরিচিত ইতালির রাজধানী রোম।

    এছাড়াও,
    - The city of flowering trees: জিম্বাবুয়ের হারারেকে।
    - City of Golden gate: যুক্তরাষ্ট্রের স্যানফ্রান্সিসকো।
    - City of light: ফ্রান্সের প্যারিস।
    - City of motor cars: যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েট।
    - City of canals: ইতালির ভেনিস।
    - Pink city: ভারতের জয়পুর।
    - Big apple: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক।

    উৎস: Britannica.
    ৬৭.
    জাতিসংঘ সুশাসনের ক্ষেত্রে কয়টি উপাদানের কথা বলেছে?
    1. ৯ টি
    2. ১১ টি 
    3. ৮ টি
    4. ৪ টি
    ব্যাখ্যা
    • জাতিসংঘ ও সুশাসন:
    - জাতিসংঘ ১৯৯৭ সালে 'শাসন ও ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন' শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
    - এই প্রতিবেদনে সর্বপ্রথম সুশাসন সম্পর্কে স্বীয় দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে।
    - জাতিসংঘের অভিমত অনুযায়ী, সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন।

    জাতিসংঘ সুশাসনের ক্ষেত্রে ৮টি উপাদানের কথা উল্লেখ করেছে।
    - উপাদানগুলো হলো:
    - অংশগ্রহণ;
    -মতামতের উপর নির্ভরশীলতা;
    - জবাবদিহিতা;
    - স্বচ্ছতা;
    - দায়বদ্ধতা;
    - কার্যকরী ও দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা;
    - ন্যাযতা; এবং
    - আইনের শাসন।

    উল্লেখ্য,
    - বিশ্বব্যাংক সুশাসনের ৪ টি উপাদানের কথা বলেছে।
    - UNDP সুশাসনের ৯টি উপাদানের কথা বলেছে।


    উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
    ৬৮.
    মূল্যবোধের অপরিহার্য উপাদান কোনটি?
    1. সহমর্মিতা
    2. শৃঙ্খলা
    3. সৌজন্যবোধ
    4. নীতিবোধ
    ব্যাখ্যা
    - শৃঙ্খলা মূল্যবোধের অপরিহার্য উপাদান।

    • মূল্যবোধের উপাদান:

    - মূল্যবোধ একটি অর্জিত বিষয়।
    - যা কোন সমাজে দীর্ঘ সময় বসবাসের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির মাঝে গড়ে ওঠে।
    - এক জন ব্যক্তির মূল্যবোধ কেমন হবে তা সমাজের পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা সমাজের বিভিন্ন উপাদানের উপর নির্ভর করে।
    - এই অবস্থাগুলোই হল মূল্যবোধের ভিত্তি বা উপাদান। নিম্নে এরকম কয়েকটি উপাদান আলোচনা করা হল-

    → নীতিবোধ:
    - নৈতিকতা মূল্যবোধের প্রধানতম বৈশিষ্ট্য যা নীতিবোধ থেকে সৃষ্টি হয়।
    - কোন কাজ করতে গেলে নিজের বিবেক, নীতি ও যুক্তি প্রয়োগ করে তা করা উচিত। যৌক্তিকতা সাধারণত নীতিবোধের উপর নির্ভরশীল।
    - কেননা নৈতিক কাজ যুক্তি বিরুদ্ধ হতে পারে না।
    - তাই যে যত বেশি নীতিবান হবে তার মূল্যবোধ তত পরিশীলিত হবে।

    • শৃঙ্খলা:
    - শৃঙ্খলা মূল্যবোধের অপরিহার্য উপাদান।
    - শৃঙ্খলা অনুসরণ করলে উচ্চ মূল্যবোধের সৃষ্টি হয়।

    • সহমর্মিতা:
    - মূল্যবোধ ও সহমর্মিতা নিবিড়ভাবে জড়িত।
    - সহমর্মিতা না থাকলে কেউ সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন হতে
    পারে না।

    • সৌজন্যবোধ:
    - ব্যক্তির আচার-আচরণের মধ্য দিয়েই তার মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটে।
    - সৌজন্যবোধ তার একটি অংশ।
    - আচার-ব্যবহার সৌজন্য, শালীনতা মূল্যবোধ থেকে সৃষ্টি হয়।

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৬৯.
    ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান প্রকট হতে থাকে  কিসের অভাবে?
    1. মূল্যবোধ অভাবে
    2. সুশাসনের অভাবে
    3. আইনের শাসনের অভাবে
    4. নৈতকতার অভাবে
    ব্যাখ্যা
    • আইনের শাসন:
    - আইনের শাসনের অর্থ হচ্ছে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়।
    - সবাই আইনের অধীন।
    - আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমান অধিকার প্রাপ্তির সুযোগকে আইনের শাসন বলে। 
    - আইনের শাসনের অর্থ হচ্ছে আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমতা অর্থাৎ আইন সকল নাগরিকের জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হবে।
    - আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সমাজ থেকে অন্যায়, বিশৃঙ্খলা, নৈরাজ্য দূর হয়।
    - ফলে সমাজে স্থিলিশীলতা আসে এবং শান্তির বিরাজ করে।
    - নাগরিক হিসেবে প্রাপ্য অধিকার কেবল আইনের শাসনের মাধ্যমে বলবৎ করা যায়।
    - আইনের শাসন না থাকলে সবল-দুর্বল, ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান প্রকট হতে থাকে।
    - সমাজ থেকে মায়া, মমতা, সহমর্মিতা, ন্যায়-বিচার, নীতি-আদর্শ হ্রাস পায়।
    - অতএব সভ্য সমাজের মানদন্ড হলো আইনের শাসন।

    উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
    ii) বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।
    ৭০.
    "মানুষ স্বভাবতই স্বার্থপর ও আত্মকেন্দ্রিক”- এ বিখ্যাত উক্তিটি কার?
    1. জ্যাঁ-জ্যাক রুশো
    2. টমাস হবস
    3. প্লেটো
    4. কাল মার্কস
    ব্যাখ্যা
    • টমাস হবস (Thomas Hobbes):
    - টমাস হবস ছিলেন ইংরেজ দার্শনিক, রাজনীতিবিদ, ইতিহাসবিদ।
    - আধুনিক রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিবেচিত।
    - তিনি ১৫৮৮ সালের ৫ এপ্রিল ইংল্যান্ডের উইল্টশায়ারের ওয়েস্টপোর্টে জন্মগ্রহণ করেন।

    • প্রধান গ্রন্থ:
    - Leviathan (১৬৫১) হবসের বিখ্যাত রচনা। 
    - যা আধুনিক রাষ্ট্রতত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করে।

    → সামাজিক চুক্তি:
    - মানুষ তাদের স্বাধীনতা ও কিছু অধিকার ত্যাগ করে একটি সার্বভৌম ক্ষমতার অধীনে আসে।
    - যা তাদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করে।
    - মানুষ স্বভাবতই লোভী এবং আত্মকেন্দ্রিক।​
     
    • প্রাকৃতিক অবস্থা:
    - হবসের মতে, প্রাকৃতিক অবস্থায় মানুষ ছিল একে অপরের প্রতি শত্রু।
    - যার ফলে "প্রত্যেক মানুষের বিরুদ্ধে প্রত্যেক মানুষের যুদ্ধ" (bellum omnium contra omnes) পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো।​

    উৎস: Britannica.