পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

পরীক্ষাপ্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন৩১
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৯: বিষয়: বাংলা টপিক: ধ্বনি, বর্ণ, ভাষা, লিঙ্গ ও বচন, যতিচিহ্ন।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫ · তারিখ অনির্ধারিত · ৩১ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি অর্ধস্বরধ্বনি?
ব্যাখ্যা

অর্ধস্বরধ্বনি:
- যেসব স্বরধ্বনি পুরােপুরি উচ্চারিত হয় না সেগুলােকে অর্ধস্বরধ্বনি বলে।
- বাংলা ভাষায় অর্ধস্বরধ্বনি চারটি: [ই], [উ], [এ] এবং [ও]।
- স্বরধ্বনি উচ্চারণ করার সময়ে টেনে দীর্ঘ করা যায়, কিন্তু অর্ধস্বরধ্বনিকে কোনােভাবেই দীর্ঘ করা যায় না।

অন্যদিকে,
- [আ] এবং [অ] হচ্ছে মৌলিক স্বরধ্বনি।
- যৌগিক স্বরধ্বনি - ঔ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

.
কোন ধ্রুপদি ভাষাগুলোর সঙ্গে বাংলা ভাষার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বা যোগসূত্র রয়েছে?
  1. ল্যাটিন ও হিব্রু
  2. সেমীয় ও হেমীয়
  3. আরবি ও ফারসি
  4. সংস্কৃত ও পালি
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষা:
- বাঙালি জনগোষ্ঠী যে ভাষা দিয়ে তাদের মনের ভাব প্রকাশ করে তার নাম বাংলা ভাষা।
- পৃথিবীর ভাষাগুলোকে ইন্দো-ইউরোপীয়, চীনা-তিব্বতীয়, আফ্রিকীয়, সেমীয়-হেমীয়, দ্রাবিড়ীয়, অস্ট্রো-এশীয় প্রভৃতি ভাষা-পরিবারে ভাগ করা হয়ে থাকে।
- বাংলা ভাষা 'ইন্দো-ইউরোপীয়' ভাষা-পরিবারের সদস্য।
- বাংলা ভাষার নিকটতম আত্মীয় 'অহমিয়া' ও 'ওড়িয়া'।
- ধ্রুপদি ভাষা 'সংস্কৃত' এবং 'পালির' সঙ্গে বাংলা ভাষার রয়েছে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২১)।

.
কোনটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ নয়?
  1. ঢাকী
  2. কৃতদার
  3. সেনাপতি
  4. শ্বশ্রূ
ব্যাখ্যা

নিত্য পুরুষবাচক শব্দ:
- কবিরাজ,
- কৃতদার,
- অকৃতদার,
- ঢাকী,
- সেনাপতি ইত্যাদি।

অন্যদিকে:
- শ্বশুর- শ্বশ্রূ

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
"ঝড়" শব্দটিতে কোন কোন ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ আছে?
  1. দন্ত্য এবং তালব্য
  2. তালব্য এবং মূর্ধন্য
  3. মূর্ধন্য এবং দন্তমূলীয়
  4. মূর্ধন্য এবং দন্ত্য
ব্যাখ্যা

• "ঝড়" শব্দটিতে তালব্য ব্যঞ্জন 'ঝ' এবং মূর্ধন্য ব্যঞ্জন 'ড়' এর উদাহরণ আছে।

তালব্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভে ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে।
- চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রভৃতি শব্দের চ, ছ, জ,, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
- দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা।
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে।
- ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

.
স্বরবর্ণের মধ্যে অর্ধমাত্রা বর্ণ - 
ব্যাখ্যা

বর্ণ প্রকরণ:
- ধ্বনির প্রতীককে বলা হয় বর্ণ। এই বর্ণ কানে শোনার বিষয়কে চোখে দেখার বিষয়ে পরিণত করে। ভাষার সবগুলো বর্ণকে একত্রে বলা হয় বর্ণমালা।

- বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি। স্বরবর্ণ ১১টি ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি।
- মাত্রাহীন বর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি (এ, ঐ, ও, ঔ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ)।
- পূর্ণমাত্রা বর্ণ: ৩২টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৬টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬টি।
- অর্ধমাত্রা বর্ণ: ৮টি, এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
'ভক্ত' শব্দের সঠিক বহুবচন কোনটি?
  1. ভক্তগণ
  2. ভক্তণ্ডলী
  3. ভক্তবর্গ
  4. ভক্তবৃন্দ
ব্যাখ্যা

• উন্নত প্রাণিবাচক মনুষ্য শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ গুলো হলো:

যেমন:
গণ - দেবগন, নরগণ, জনগণ ইত্যাদি।
বৃন্দ- সুধীবৃন্দ, ভক্তবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ ইত্যাদি।
মণ্ডলী - শিক্ষকমণ্ডলী, সম্পাদকমণ্ডলী ইত্যাদি।
বর্গ - পণ্ডিতবর্গ, মন্ত্রীবর্গ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।

.
‘ভ’ - কোন ব্যঞ্জনের উদাহরণ?
  1. ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন
  2. মূর্ধন্য ব্যঞ্জন
  3. দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন
  4. দন্ত্য ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা

ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জন ধ্বনি উচ্চারণের সময় ঠোঁট দুটি কাছাকাছি এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে। এগুলো দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি নামেও পরচিত।
 
যেমন: 
- পাকা, ফল, বাবা, ভাই, মা প্রভৃতি শব্দের প, ফ, ব, , ম ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

.
প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত লগ্নক কোনটি?
  1. কুল
  2. আবলি
  3. নিকর
  4. দাম
ব্যাখ্যা

• প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক শব্দে বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ:

যেমন:
কুল - কবিকুল, পক্ষিকুল, মাতৃকুল, বৃক্ষকুল ইত্যাদি।
→ সকল - পর্বতসকল, মনুষ্যসকল ইত্যাদি।
→ সব - ভাইসব, পাখিসব ইত্যাদি।
→ সমূহ - বৃক্ষসমূহ, মনুষ্যসমূহ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• বস্তুবাচক বা অপ্রাণীবাচক শব্দের সঙ্গে ব্যবহৃত বহুবচন লগ্নক:
- আবলি- পুস্তকাবলি
- গুচ্ছ- কবিতাগুচ্ছ।
- দাম- কুসুমদাম, পুষ্পদাম।
- নিকর- কমলনিকর।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২সংস্করণ)।

.
মাসের তারিখ লেখার সময় কোনটির পর 'কমা' ব্যবহার করতে হয়?
  1. শুধু বারের পর
  2. শুধু তারিখের পর
  3. বার ও মাসের পর
  4. শুধু সালের পর
ব্যাখ্যা

কমা (,) :
• বাক্য সুস্পষ্ট করতে বাক্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে প্রতিটি ভাগের মাঝে কমা বসে। যেমন- সুখ চাও, সুখ পাবে বই পড়ে।

• পরস্পর সম্পর্কিত একাধিক বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ একসঙ্গে ব্যবহৃত হলে শেষ পদটি ছাড়া প্রতিটির পরে কমা বসে। যেমন- ১৬ ডিসেম্বর আমাদের মন সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, ভালবাসা, আনন্দে ভরে থাকে।

• সম্বোধনের পরে কমা বসে। যেমন- রশিদ, এদিকে এসো।
• জটিল বাক্যের প্রত্যেকটি খণ্ডবাক্যের পরে কমা বসে। যেমন- যে পরিশ্রম করে, সেই সুখ লাভ করে।
• কোন বাক্যে উদ্ধৃতি থাকলে, তার আগের খণ্ডবাক্যের শেষে কমা (,) বসে। যেমন- আহমদ ছফা বলেন, 'মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ।' তুমি বললে, 'আমি কালকে আবার আসবো।'
• মাসের তারিখ লেখার সময় বার ও মাসের পর কমা বসে। যেমন- ২৫ বৈশাখ, ১৪১৮, বুধবার।

উৎস: উৎস:  বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-২০২১ সংস্করণ)।

১০.
'কবি' - শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত লগ্নক কোনটি?
  1. কুল
  2. সকল
  3. সব
  4. সমূহ
ব্যাখ্যা

প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক শব্দে বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ:

যেমন:
- কুল - কবিকূল, পক্ষিকুল, মাতৃকুল, বৃক্ষকুল ইত্যাদি।
- সকল - পর্বতসকল, মনুষ্যসকল ইত্যাদি।
- সব - ভাইসব, পাখিসব ইত্যাদি।
- সমূহ - বৃক্ষসমূহ, মনুষ্যসমূহ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১১.
বিশ শতকের সূচনায় সাধু রীতির পাশাপাশি কোন রীতিটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে?
  1. কাব্য রীতি
  2. চলিত রীতি
  3. আঞ্চলিক রীতি
  4. ধ্রুপদি রীতি
ব্যাখ্যা

• লিখিত বাংলা ভাষার আদি নিদর্শনের নাম চর্যাপদ।
- প্রায় এক হাজার পূর্বে লেখ্য বাংলা ভাষার কাব্য রীতিতে এটি রচিত।
- ব্যবহারিক প্রয়োজনে ক্রমে লেখ্য গদ্য রীতির জন্ম হয়।
- উনিশ শতকের সূচনায় এই গদ্য রীতি সাধু রীতির জন্ম দেয়।
- বিশ শতকের সূচনায় সাধু রীতির পাশাপাশি চলিত রীতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
- একূশ শতকের সূচনায় চলিত রীতির একটি আদর্শ রূপ প্রমিত রীতি হিসেবে গৃহীত হয়েছে।
- এই প্রমিত রীতি লেখ্য বাংলা ভাষার সর্বজনগ্রাহ্য লিখিত রূপ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১২.
কোনটি অপত্নীবাচক শব্দ নয়?
  1. জেলেনি
  2. পাগলি
  3. খুকি
  4. শিক্ষিকা
ব্যাখ্যা

• অপত্নীবাচক শব্দ নয় - জেলেনি। এটি পত্নীবাচক শব্দ।

অপত্নীবাচক:
- স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক না বোঝালে অপত্নীবাচক হয়। যেমন: খোকা-খুকি, ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, নেতা-নেত্রী, পাগল-পাগলি

অন্যদিকে,
পত্নীবাচক:
- স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক বোঝালে পত্নীবাচক হয়। 
যেমন – পিতা-মাতা, চাচা-চাচি, দাদা-দাদি, জেলে-জেলেনি, গুরু-গুরুপত্নী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

১৩.
‘এ গ্রামার অব দি বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ’ বইটির রচয়িতা কে?
  1. রামমোহন রায়
  2. নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড
  3. মানোএল দা আসসুম্পসাঁউ
  4. উইলিয়াম কেরি
ব্যাখ্যা

বাংলা ব্যাকরণ:
- প্রথম বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় ১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ ভাষায়। এর লেখক ছিলেন মানোএল দা আসসুম্পসাঁউ।
- ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয় নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড প্রণীত ইংরেজি ভাষায় রচিত পূর্ণাঙ্গ একটি বাংলা ব্যাকরণ। তাঁর বইটির নাম ‘এ গ্রামার অব দি বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ'।
- ১৮০১ সালে উইলিয়াম কেরি এবং ১৮২৬ সালে রামমোহন রায় ইংরেজি ভাষায় আরো দুটি উল্লেখযোগ্য বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন।
- ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত রামমোহন রায়ের ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ' বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ- ২০২১)।

১৪.
'অসূর্যম্পশ্যা' - কোন প্রকার শব্দ?
  1. উভয়লিঙ্গ শব্দ
  2. নিত্য পুরুষবাচক শব্দ
  3. ক্লীবলিঙ্গ শব্দ
  4. নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ
ব্যাখ্যা

নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ:
- কুলটা,
- সতীন,
- অর্ধাঙ্গিনী,
- বিধবা,
- অসূর্যম্পশ্যা,
- অরক্ষণীয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও ভাষা শিক্ষা হায়াৎ মামুদ।

১৫.
বাংলা ভাষার আদি উৎসের নাম কী?
  1. ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা
  2. দ্রাবিড়ীয় ভাষা
  3. ফারসি ভাষা
  4. সংস্কৃত ভাষা
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষার উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ:
- বাংলা ভাষা হাজার বছরের পুরনো। বাংলা ভাষার উৎসমূলে যে ভাষার সন্ধান পাওয়া যায়, তার নাম ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা
- আজ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার বছর পূর্বে ইউরোপের মধ্যভাগ হতে দক্ষিণ-পূর্বাংশ ভূভাগে ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা প্রচলিত ছিল। এ ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষাই হলো বাংলা ভাষার আদি উৎস।
- বতবে এ আদি উৎস থেকে বিবর্তনের পরবর্তী ধাপেই বাংলা ভাষার জন্ম হয়নি। ভাষার স্বাভাবিক পরিবর্তন ও বিবর্তনের ধারায় অনেক কাল ধরে অনেকগুলো স্তর পেরিয়ে সপ্তম শতকে বাংলা ভাষার উদ্ভব ঘটেছে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।

১৬.
কোনটি ক্লীবলিঙ্গ?
  1. প্রবীণ
  2. মানুষ
  3. ফুল
  4. কিশাের
ব্যাখ্যা

ক্লীবলিঙ্গ:
- যে সব শব্দের সাহায্যে পুরুষ ও স্ত্রীজাতি কোনােটিই বােঝায় না, সেসব শব্দকে বলা হয় ক্লীবলিঙ্গ।
- এসব শব্দের উদাহরণ হলাে- গাছ, পাহাড়, পর্বত, বই, টেবিল, ফুল, ফল, চেয়ার ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• পুংলিঙ্গ: যে সব নামবাচক শব্দের সাহায্যে পুরুষজাতিকে বােঝায়, তাদেরকে বলা হয় পুংলিঙ্গ।
এসব নামবাচক শব্দের উদাহরণ হলাে- কাকা, চাচা, ছেলে, বালক, নানা, বাবা, গােয়ালা, কিশাের, প্রবীণ, সুন্দর ইত্যাদি।

• স্ত্রীলিঙ্গ: যে সব নামবাচক শব্দের সাহায্যে স্ত্রীজাতিকে বােঝায়, সেসব শব্দকে স্ত্রীলিঙ্গ বলে। এসব স্ত্রীবাচক শব্দের উদাহরণ হলাে- কাকী, মামী, চাচী, মা, আম্মা, কিশােরী, প্রবীণা ইত্যাদি।

• উভয় লিঙ্গ: যে সব শব্দের সাহায্যে স্ত্রী ও পুরুষজাতি উভয়ই বােঝায়, তাকে বলা হয় উভয়লিঙ্গ। উভয়লিঙ্গের উদাহরণ হলাে- শিশু, মানুষ ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
'হৃ' যুক্তবর্ণটি কোন কোন বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে?
  1. হ্ + ঋ
  2. হ্ + র
  3. হ্ + ন
  4. হ্ + ণ
ব্যাখ্যা

• 'হৃ' যুক্তবর্ণটির এর সঠিক রূপ হলো - হ্ + ঋ = হৃ

গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ:
- হ্ + ম = হ্ম,
- হ্ + উ = হু,
- ঞ্চ = ঞ্ + চ,
- হ্ + ন = হ্ন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ-২০২১)।

১৮.
যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা তার বেশি বাক্যের সমন্বয় বোঝাতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ড্যাস চিহ্ন
  2. কোলন ড্যাস
  3. কমা
  4. কোলন
ব্যাখ্যা

ড্যাস চিহ্ন(__):
- যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা তার বেশি বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বোঝাতে ড্যাস চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
যেমন -
- তোমরা দরিদ্রের উপকার কর– এতে তোমাদের সম্মান যাবে না – বাড়বে।

অন্যদিকে,
সেমিকোলন (;): - স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে অথবা একই ধরনের বৰ্গকে পাশাপাশি সাজাতে
কোলন(:): - একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে হলে কোলন ব্যবহৃত হয়।
কোলন ড্যাস (:-): - উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত প্রয়োগ করতে হলে কোলন এবং ড্যাস চিহ্ন একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৯.
'ঈ-' প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. মজুরনী
  2. ধোপানী
  3. ভাগনী
  4. কামারনী
ব্যাখ্যা

• ঈ-প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:

যেমন: 
- বেঙ্গমা-বেঙ্গমী,
- ভাগনা/ভাগনে-ভাগনী
 
অন্যদিকে,
'নী-' প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ - কামার-কামারনী, মজুর-মজুরনী, ধোপা-ধোপানী।

উৎস:  বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০১৯ সংস্করণ)।

২০.
নিচের কোনটি অনুনাসিক স্বরধ্বনি?
  1. [ও]
  2.  [ইঁ]
  3. [এ]
  4. [আ]
ব্যাখ্যা

অনুনাসিক স্বরধ্বনি:
- মৌলিক স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময়ে বায়ু শুধু মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে। এ সময়ে কোমল তালু স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে। কিন্তু ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময়ে কোমল তালু খানিকটা নিচে নেমে গেলে কিছুটা বায়ু নাক দিয়েও বের হয়।

অনুনাসিক স্বরধ্বনি:
- [ইঁ], [এঁ], [অ্যাঁ], [আঁ], [অঁ], [ওঁ], [উঁ]।

অন্যদিকে,
মৌলিক স্বরধ্বনি - [ই], [এ], [অ্যা], [আ], [অ], [ও], [উ]।
দ্বিস্বরধ্বনি - [ই্‌] এবং [উ্‌]

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২সংস্করণ)।

২১.
'ইনী' প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. গুণবতী
  2. শ্রীমতী
  3. বাঘিনী
  4. বুদ্ধিমতী
ব্যাখ্যা

• কিছু শব্দ 'ইনী' প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক করা হয়।

যথা:
- কাঙাল - কাঙালিনী/কাঙালিনি,
- গোয়ালা - গোয়ালিনী,
- বাঘ - বাঘিনী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
মতী প্রত্যয়:
- বুদ্ধিমান-বুদ্ধিমতী,
- শ্রীমান-শ্রীমতী

বতী প্রত্যয়:
- গুণবান-গুণবতী

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২২.
'[অ্যা] এবং [অ]' - উচ্চারণের দিকে কোন প্রকারের ধ্বনি?
  1. সংবৃত
  2. বিবৃত
  3. অর্ধ-বিবৃত
  4. অর্ধ-সংবৃত
ব্যাখ্যা

• স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কতটুকু খোলা বা বন্ধ থাকে অর্থাৎ কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয়, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।

যেমন:
- সংবৃত: [ই], [উ]।
- অর্ধ-সংবৃত: [ এ ], [ও]।
- বিবৃত: [আ]।
- অর্ধ-বিবৃত: [অ্যা], [অ]।

• সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কম খোলে; বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট বেশি খোলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।

২৩.
কোন দুটি শব্দ কেবল জন্তুর বহুবচনে ব্যবহৃত হয়?
  1. পাল ও কুঞ্জ
  2. যূথ ও মালা
  3. পাল ও যূথ
  4. নিকর ও রাজি
ব্যাখ্যা

• 'পাল ও যূথ' শব্দ দুটি কেবল জন্তুর বহুবচনে ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- হস্তিযূথ মাঠের ফসল নষ্ট করেছে।
- রাখাল গরুর পাল লয়ে যায় মাঠে। 

• বস্তুবাচক বা অপ্রাণীবাচক শব্দের সঙ্গে ব্যবহৃত বহুবচন বোধক শব্দ-
- আবলি - পুস্তকাবলি।
- গুচ্ছ - কবিতাগুচ্ছ।
- পুঞ্জ - মেঘপুঞ্জ।
- মালা - পর্বতমালা।
- রাজি - তারকারাজি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৪.
কমা বা পাদচ্ছেদ থাকলে বিরতির পরিমাণ কতটুকু হবে?
  1. এক সেকেন্ড
  2. 'এক' বলার দ্বিগুণ সময়
  3. থামার প্রয়োজন নেই
  4. 'এক' বলতে যে সময় লাগে
ব্যাখ্যা

বাক্যে যতিচিহ্ন অনুসারে থামার পরিমাণ:

• কমা বা পাদচ্ছেদ থাকলে:
- 'এক' বলতে যে সময় লাগে সেই পরিমাণ সময় থামতে হয়।

• সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে -
- 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।

• হাইফেন, ইলেক বা লোপ চিহ্ন ও ব্র্যাকেট (বন্ধনী) থাকলে -
- থামার প্রয়োজন হয় না।

• দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময় চিহ্ন, কোলন, কোলন ড্যাস, ড্যাস ইত্যাদি চিহ্ন থাকলে -
- 'এক' সেকেন্ড থামতে হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৫.
কোন গুচ্ছটি সম্মুখ স্বরধ্বনির উদাহরণ?
  1. [ই], [এ], [অ্যা]
  2. [আ], [ই], [উ]
  3. [এ], [ও], [আ]
  4. [অ], [ও], [উ]
ব্যাখ্যা

সম্মুখ স্বরধ্বনি:
- সম্মুখ স্বর‌ধ্বনির উচ্চারণের সময় জিভ সামনের দিকে উঁচু বা নিচু হয়।
যেমন:
- [ই], [এ], [অ্যা] সম্মুখ স্বরধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
মধ্য স্বরধ্বনি:
- মধ্য স্বরধ্বনি হচ্ছে [আ]।

পশ্চাৎ স্বরধ্বনি:
- পশ্চাৎ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভ পিছনের দিকে উঁচু বা নিচু হয়।
- [অ], [ও], [উ] ইত্যাদি পশ্চাৎ স্বরধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২৬.
বাংলা বর্ণমালায় পরাশ্রয়ী বর্ণের সংখ্যা কয়টি?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা

পরাশ্রয়ী বর্ণ:
- যেসব বর্ণ স্বাধীনভাবে স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে ভাষায় ব্যবহৃত হয় না। এবং বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি অন্য ধ্বনির সঙ্গে মিলিত হয়ে একত্রে উচ্চারিত হয়, সে বর্ণগুলোকে বলা হয় পরাশ্রয়ী বর্ণ।

• বাংলা বর্ণমালায় তিনটি পরাশ্রয়ী বর্ণ রয়েছে।
যথা- ং, ঃ ও ঁ।

- এই বর্ণ গুলোর স্বাধীন ও স্বতন্ত্র বর্ণের মতো কার বা ফলা গ্রহন করতে পারে না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।

২৭.
'মেথর' - এর স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. মেথরী
  2. মেথরনী
  3. মেথারনি
  4. মেথরানি
ব্যাখ্যা

• আনী-প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দগুলো হলো:

যেমন:
- ঠাকুর - ঠাকুরানী,
- নাপিত - নাপিতানী,
- মেথর- মেথরানি,
- চাকর- চাকরানী।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

২৮.
নিচের কোন গুচ্ছের সবকটিই ঘোষ ব্যঞ্জন?
  1. প, ফ, স
  2. ব, ভ, ম
  3. ট, ঠ, শ
  4. ক, খ, চ
ব্যাখ্যা

ঘোষ ব্যঞ্জন:
- যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত বেশি, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় ঘোষ ব্যঞ্জন ধ্বনি।
যথা-
- ব, ভ, ম, দ, ধ, ন, র, ল, ড, ঢ, ড়, ঢ়, জ, ঝ, গ, ঘ, ঙ, হ।

অন্যদিকে,
অঘোষ ব্যঞ্জন:
- যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত কম, সেসব ধ্বনিকে অঘোষ ব্যঞ্জন বলা হয়।
যথা:
- প, ফ, ত, থ, স, ট, ঠ, চ, ছ, শ, ক, খ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২৯.
'কুসুম' শব্দের বহুবচন বোঝাতে নিচের কোন শব্দটি ব্যবহৃত হয়?
  1. গুচ্ছ
  2. পুঞ্জ
  3. দাম
  4. রাজি
ব্যাখ্যা

• বস্তুবাচক বা অপ্রাণীবাচক শব্দের সঙ্গে ব্যবহৃত বহুবচন বোধক শব্দ:

যেমন:
- আবলি- পুস্তকাবলি
- গুচ্ছ- কবিতাগুচ্ছ।
- দাম- কুসুমদাম, পুষ্পদাম।
- নিকর- কমলনিকর।
- পুঞ্জ- মেঘপুঞ্জ। 
- মালা- পর্বতমালা।
- রাজি- তারকারাজি।
- রাশি- বালিরাশি।
- নিচয়- কুসুমনিচয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।

৩০.
কোনটি কণ্ঠৌষ্ঠ্যধ্বনি?
  1. সবগুলোই
ব্যাখ্যা

কণ্ঠৌষ্ঠ্যধ্বনি:
- যেসব ধ্বনির উচ্চারণস্থান কণ্ঠ ও ওষ্ঠ, তাদের কণ্ঠৌষ্ঠ্যধ্বনি বলে। ও, ঔ কণ্ঠৌষ্ঠ্যধ্বনি।

অন্যদিকে,
কণ্ঠ্যতালব্য ধ্বনি:
- যেসব ধ্বনির উচ্চারণস্থান কণ্ঠ এবং তালু উভয়ই, তাদের কণ্ঠ্যতালব্যধ্বনি বলে। এ, ঐ কণ্ঠ্যতালব্য ধ্বনি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।

৩১.
বর্গের প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম ধ্বনিগুলো কোন ধরনের ধ্বনি?
  1. অঘোষ ধ্বনি
  2. মহাপ্রাণ ধ্বনি
  3. ঘোষ ধ্বনি
  4. অল্পপ্রাণ ধ্বনি
ব্যাখ্যা

অল্পপ্রাণ ধ্বনি:
- প্রত্যেক বর্গের প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম ধ্বনির উচ্চারণকালে বাতাসের চাপের স্বল্পতা থাকে বলে এদের অল্পপ্রাণ ধ্বনি বলে। যেমন: ক, গ, ঙ, চ, জ, ঞ ইত্যাদি।

মহাপ্রাণ ধ্বনি:
- প্রত্যেক বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ ধ্বনির উচ্চারণকালে বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে বলে এদের মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে। যেমন: খ, ঘ; ছ, ঝ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।