পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০৬: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান টপিক: মানব সম্পদ উন্নয়ন, জাতীয় পুরস্কার, খেলাধুলাবাংলাদেশের বিভিন্ন সংস্থা, স্থাপত্য ও অন্যান্য জাতীয় ইস্যু, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষা নীতি, প্রাথমিক শিক্ষা, শিক্ষা প্রশাসন (প্রতিষ্ঠান ও ইনস্টিটিউট), শিক্ষা কার্যক্রম ও উপবৃত্তি প্রকল্প। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্যবাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই,জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিখ্যাত পত্রিকা রিপোর্ট ও Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিং এর শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. নায়েম
  2. ইউ.জি.সি
  3. কে.টি.সি
  4. বিয়াম
সঠিক উত্তর:
নায়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নায়েম
ব্যাখ্যা
নায়েম:
- দেশের শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান - নায়েম।
-পূর্ণরুপ - National Academy for Educational Management (NAEM)
- এটি ১৯৫৯ সালে স্থাপিত হয়।
- এটির অবস্থান ঢাকার নিউমার্কেটে ঢাকা কলেজের পাশে।
- এখানে সর্বস্তরের শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - নায়েম ওয়েবসাইট।
.
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান কে? (অক্টোবর, ২০২৪)
  1. ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ
  2. ড. মিজানুর রহমান
  3. ড. কাজী রিয়াজুল হক
  4. ড. আমিনুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন:
- বাংলাদেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯ দ্বারা ২০১০ সালের ২২ জুন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।
- একজন চেয়ারম্যান, একজন সার্বক্ষণিক সদস্য এবং পাঁচজন অবৈতনিক সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।
- জাতীয় মানবাধিকার কমিশন একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ সরকারি সংস্থা।
- ৮ ডিসেম্বর ২০১২ সালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান, সার্বক্ষণিক সদস্য ও নতুন পাঁচ অবৈতনিক সদস্য নিয়োগ পেয়েছেন।
- জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ। (অক্টোবর, ২০২৪)
- কমিশনের নতুন পাঁচ অবৈতনিক সদস্য হলেন,
• সাবেক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. আমিনুল ইসলাম
• খাগড়াছড়ি চেম্বার্স অব কমার্সের সভাপতি কংজুরি চৌধুরী।
• বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য বিশ্বিজৎ চন্দ।
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইম্যান অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক তানিয়া হক।
• সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাওসার আহমেদ।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ৯ ডিসেম্বর ২০২২ ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. টাঙ্গাইল
  4. মুন্সিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
বিকেএসপি:
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৭৬ সালে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৩ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) রাখা হয়।
- বিকেএসপির নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয় ১৯৮৬ সালে।
- ঢাকার সাভারে প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
- বিকেএসপি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানের ৪টি শাখা রয়েছে। প্রশাসনিক, প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া বিজ্ঞান এবং একাডেমিক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
'চারুকলা ইনস্টিটিউ' এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ কে ছিলেন?
  1. কামরুল হাসান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. এস এম সুলতান
  4. মুস্তফা মনোয়ার
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
- জয়নুল আবেদিন (১৯১৪-১৯৭৬) আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অসাধারণ প্রতিভাবান শিল্পী।
- ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের তিনিই পুরোধা।
- ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান চারুকলা ইনস্টিটিউ) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ।
- ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষে জয়নুল আবেদিন ধারাবাহিকভাবে একাধিক চিত্র স্কেচ করেন।
- সস্তা প্যাকিং পেপারে চাইনিজ ইঙ্ক ও তুলির আচরে ‘দুর্ভিক্ষের রেখাচিত্র’ নামে পরিচিত জয়নুলের এ চিত্রকর্মে ফুটে উঠেছে শব-সওদাগরদের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিক কলুষতা, সে সাথে নিপীড়িতের অমানবিক দুর্দশা। চিত্রকর্মগুলি জয়নুলকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয়।
- ‘দ্য রেবেল ক্রো’ (জলরং, ১৯৫১) এ ধারার সবচেয়ে উজ্জ্বল নিদর্শন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের বিজয়কে ভিত্তি করে অাঁকা ৬৫ ফুট দীর্ঘ স্ক্রল পেইন্টিং (চাইনিজ ইঙ্ক, জলরঙ ও মোম) ‘নবান্ন’ এবং ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারানো হাজারো মানুষের স্মৃতির উদ্দেশ্যে অাঁকা ৩০ ফুট দীর্ঘ ‘মনপুরা’ পেইন্টিংটির মাঝে তাঁর কর্মের বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
'জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক' প্রণয়নের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. NCTB
  2. BANBEIS
  3. NTRCA
  4. NAEM
সঠিক উত্তর:
NCTB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NCTB
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড:
- 'জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক' প্রণয়নের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠান জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB)।
- ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত স্কুল টেকস্টবুক বোর্ড কর্তৃক ১ম শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণির সকল পাঠ্যপুস্তক সংশোধন, পরিমার্জন ও পুনর্লিখন এবং সেই সাথে একটি নবজাত রাষ্ট্রের জনসাধারণের প্রয়োজনীয় জ্ঞাতব্য বিষয় আধুনিক ধ্যান-ধারণার আলোকে পাঠ্যপুস্তকে সন্নিবেশ করা হয়।
- ১৯৭৮-৭৯ সালে টেক্সটবুক বোর্ড নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি অনুযায়ী পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- ১৯৮৩ সালের মধ্যে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রচলিত পাঠ্যপুস্তকের স্থলে মানসম্পন্ন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও বিতরণের কাজ সম্পন্ন করে। ১৯৮৩ সালে “The National Curriculum & Textbook Board Ordinance 1983 (Ordinance no. LVII of 1983)” মাধ্যমে স্কুল টেকস্টবুক বোর্ড ও জাতীয় শিক্ষাক্রম উন্নয়ন কেন্দ্রকে একীভূতকরণের মাধ্যমে বর্তমান জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন ২০১১ অনুযায়ী বোর্ডের কার্যক্রমকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও যুগপোযোগী করার জন্য গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মহান জাতীয় সংসদে “The National Curriculum & Textbook Board Ordinance 1983 (Ordinance no. LVII of 1983)” সংশোধন ও রহিতক্রমে ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড আইন ২০১৮’ বিলটি পাশ হয়।

তথ্যসূত্র - NCTB এর ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার চালু করা হয় কত বঙ্গাব্দে?
  1. ১৩৯৪ বঙ্গাব্দে
  2. ১৩৯৫ বঙ্গাব্দে
  3. ১৩৯৬ বঙ্গাব্দে
  4. ১৩৯৭ বঙ্গাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৩৯৬ বঙ্গাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৯৬ বঙ্গাব্দে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার:
- শিশুসাহিত্যে সার্বিক অবদানের জন্য বাংলাদেশ শিশু একাডেমি বছরে একজন সাহিত্যসেবীকে এ পুরস্কার প্রদান করে।
- বাংলা ১৩৯৬ বঙ্গাব্দে (১৯৮৯ খ্রি) থেকে এ পুরস্কার চালু করা হয়েছে।
- একজন কবি বা সাহিত্যিক জীবনে মাত্র একবার এ পুরস্কার লাভ করতে পারেন।
- এ পুরস্কার মরণোত্তর পুরস্কার হিসেবে দেওয়ার বিধান নেই।
- শিশু একাডেমি পুরস্কারের মান নগদ ২৫ হাজার টাকা।
- পুরস্কৃত সাহিত্যিককে নগদ অর্থ, সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. যশোর সেনানিবাসে
  2. ঢাকা সেনানিবাসে
  3. কুমিল্লা সেনানিবাসে
  4. চট্টগ্রাম সেনানিবাসে
সঠিক উত্তর:
ঢাকা সেনানিবাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা সেনানিবাসে
ব্যাখ্যা
সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য:
- সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’।
- এর উদ্বোধন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।
- ভাস্কর্যটি ঢাকা সেনানিবাসের মাটিকাটা মিলিটারি পুলিশ চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থিত।
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ সালে ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করা হয়।
- ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটিতে ‘অর্ধবৃত্তাকার প্রাচীরে’ সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয়েছে।
- ভাস্কর্যের সামনে ‘ফোয়ারা’ নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।
- ফোয়ারা থেকে প্রাচীর পর্যন্ত সংযুক্ত রেখাগুলো ‘সূর্যরশ্মির প্রতীক’, যা দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে বীরশ্রেষ্ঠরা জাতির সূর্যসন্তান এবং তাঁরা সূর্যরশ্মির মতো দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আলোর দিশারি ও অনবদ্য অনুপ্রেরণার উৎস।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ১৩ নভেম্বর, ২০২৩।