পরীক্ষা আর্কাইভ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪ টপিক: আন্তরাষ্টীয় ক্ষমতা সম্পর্ক, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ স্নায়ুকালীন ঘটনা প্ৰবাহ, স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী বৈশ্বিক ঘটনাবলী, সীমারেখা এবং অমীমাংসিত ভূখন্ড, বিরোধপূর্ণ দ্বীপ, গেরিলা ও বিপ্লবী সংগঠন, গোয়েন্দা সংস্থা, সামরিক বিষয়াদি, (সশস্ত্রবাহিনী, সামরকি খেতাব, সামরিক স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি ও কারাগার [Live Class –10, 11 & 12]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
স্ট্যাচু অব পিস কোথায় অবস্থিত?
  1. জাপান
  2. জার্মান
  3. ফ্রান্স
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
"স্ট্যাচু অব পিস":
- এটি দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটি সিউলে জাপানি দূতাবাসের সামনে অবস্থিত।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানি সৈন্যদের দ্বারা কোরীয় নারীদের নির্যাতিত হওয়ার জন্য জাপানকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা এবং ঐ দুঃসহ স্মৃতিকে স্মরণে রাখতে স্থাপন করা হয়েছিল।

অপরদিকে,
- জাপানের নাগাসাকির 'Peace park' এ "পিস স্ট্যাচু" অবস্থিত।

উৎস: বর্ডারস অফ মেমোরি।
.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯১৪ সাল
  2. ১৯১২ সাল
  3. ১৯১৭ সাল
  4. ১৯১৩ সাল
ব্যাখ্যা
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯১৪ সালে শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
- এটি ছিল একটি আন্তর্জাতিক সংঘাত যাতে ইউরোপের বেশিরভাগ অংশের পাশাপাশি এশিয়া, উত্তর আমেরিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দূরবর্তী দেশগুলি জড়িত। 
- জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং তুরস্কের কেন্দ্রীয় শক্তি
- ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইতালি, জাপান এবং পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রবাহিনীর সাথে লড়াই করেছিল।
- ১৯১৮ সালে কেন্দ্রীয় শক্তির পরাজয়ের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়। অর্থ্যাৎ প্রায় ৪ বছর ধরে এই যুদ্ধ চলে।

উৎস: worldatlas.com
.
চৌদ্দ দফা কোন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ঘোষনা করেন?
  1. থিওডোর রুজভেল্ট
  2. উড্রো উইলসন
  3. হার্বার্ট হুভার
  4. ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
 • চৌদ্দ দফা:
- চৌদ্দ দফা ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসনের ৮ জানুয়ারি, ১৯১৮ সালে কংগ্রেসে প্রদত্ত একটি ভাষণ।
- যেখানে তিনি বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ১৪টি মূলনীতি উপস্থাপন করেন।
- এর মধ্যে ছিল সমুদ্রের স্বাধীন নৌগমন, জাতিস্বাধীনতার স্বীকৃতি, সামরিক নির্মূলকরণ, এবং জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব।
- এ বক্তব্যটি ছিল ১৪ দফা বিশিষ্ট।
- এই প্রস্তাবনার ১৪ নং পয়েন্টে জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
কোন ঘটনার মধ্যদিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা ঘটে ?
  1. লন্ডন চুক্তি স্বাক্ষর
  2. আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্ডিনান্ড হত্যাকাণ্ড
  3. ব্রুসিলভ আক্রমণ
  4. মার্নের দ্বিতীয় যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪–১৯১৮) 
- এটি ছিল মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ আন্তর্জাতিক সংঘাত, যেখানে ইউরোপের প্রায় সব দেশ ছাড়াও এশিয়া, উত্তর আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ অংশ নেয়। - একদিকে ছিল জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি ও তুরস্কের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় শক্তি,
- আরেকদিকে ছিল ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইতালি, জাপান ও পরে যুক্তরাষ্ট্রসহ মিত্রশক্তি।

- যুদ্ধের সূচনা হয় ১৯১৪ সালের ২৮ জুন, যখন সারায়েভোতে বসনিয়ান সার্ব গ্যাভ্রিলো প্রিন্সিপ আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্ডিনান্ডকে হত্যা করে।
- অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে পরপর জোট বাঁধা দেশগুলো এতে জড়িয়ে পড়ে। ইংল্যান্ড বেলজিয়াম আক্রমণের পর যুদ্ধে যোগ দেয়, এবং বছরের শেষ নাগাদ পশ্চিম ফ্রন্টে পরিখা যুদ্ধ শুরু হয়।

- ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
- এই যুদ্ধে মোট ৪ কোটি ১০ লক্ষেরও বেশি সৈন্য ও বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারায়, যা একে ইতিহাসের অন্যতম প্রাণঘাতী সংঘাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

উৎস: worldatlas.com.
.
 ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবার আক্রমণ করেছিল কোন দেশ?
  1. জার্মান
  2. রাশিয়া
  3. জাপান
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা

• পার্ল হারবার:
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর জাপানি সাম্রাজ্য হাওয়াইয়ান নৌঘাঁটি পার্ল হারবার
আক্রমণ করে  ।
-  এই আক্রমণের একটি কারণ ছিল চীন ,  ভিয়েতনাম ,  কম্বোডিয়া এবং  লাওয়া মতো দেশগুলিতে জাপানের আক্রমণের পর জাপানের উপর আরোপিত আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা ।
- পার্ল হারবার প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকার প্রবেশের ইঙ্গিত দেয়। 
- তাছাড়া, আক্রমণের মাত্র কয়েকদিন পরেই হিটলার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন, যার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় সংঘাতে জড়িত হয়।
- ডানকার্কের বিষয়ে তার সিদ্ধান্তের মতো, এখানে হিটলারের যুক্তির পিছনে যুক্তি অস্পষ্ট। 
- সোভিয়েত ইউনিয়নে জার্মানির ক্রমবর্ধমান অনিশ্চিত অবস্থানের কারণে, পূর্ব ফ্রন্ট থেকে যেকোনো সম্পদ সরিয়ে নেওয়া খুব একটা যুক্তিসঙ্গত ছিল না।
- যুক্তি যাই হোক না কেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন ইউরোপীয় এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় উভয় যুদ্ধেই জড়িত ছিল।

উৎস: worldatlas.com.

.
জার্মানির সাথে প্রাথমিকভাবে কোন কোন দেশ কেন্দ্রীয় শক্তিতে ছিল?
  1. ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়া
  2. জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, তুরস্ক
  3. জাপান, ইতালি, রাশিয়া
  4. ফ্রান্স, ইতালি, সার্বিয়া
ব্যাখ্যা
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯১৪ সালে শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
- এটি ছিল একটি আন্তর্জাতিক সংঘাত যাতে ইউরোপের বেশিরভাগ অংশের পাশাপাশি এশিয়া, উত্তর আমেরিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দূরবর্তী দেশগুলি জড়িত। 
- জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং তুরস্কের কেন্দ্রীয় শক্তি।
- ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইতালি, জাপান এবং পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রবাহিনীর সাথে লড়াই করেছিল।
- ১৯১৮ সালে কেন্দ্রীয় শক্তির পরাজয়ের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়। অর্থ্যাৎ প্রায় ৪ বছর ধরে এই যুদ্ধ চলে।

উৎস: worldatlas.com
.
কোন বছরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যোগ দেয়?
  1. ১৯১৬ সাল
  2. ১৯১৫ সাল
  3. ১৯১৭ সাল
  4. ১৯১৪ সাল
ব্যাখ্যা
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪–১৯১৮) 
- এটি ছিল মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ আন্তর্জাতিক সংঘাত, যেখানে ইউরোপের প্রায় সব দেশ ছাড়াও এশিয়া, উত্তর আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ অংশ নেয়। - একদিকে ছিল জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি ও তুরস্কের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় শক্তি,
- আরেকদিকে ছিল ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইতালি, জাপান ও পরে যুক্তরাষ্ট্রসহ মিত্রশক্তি।

- যুদ্ধের সূচনা হয় ১৯১৪ সালের ২৮ জুন, যখন সারায়েভোতে বসনিয়ান সার্ব গ্যাভ্রিলো প্রিন্সিপ আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্ডিনান্ডকে হত্যা করে।
- অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে পরপর জোট বাঁধা দেশগুলো এতে জড়িয়ে পড়ে। ইংল্যান্ড বেলজিয়াম আক্রমণের পর যুদ্ধে যোগ দেয়, এবং বছরের শেষ নাগাদ পশ্চিম ফ্রন্টে পরিখা যুদ্ধ শুরু হয়।

- ১৯১৫ সালের ২৬শে এপ্রিল লন্ডন চুক্তি স্বাক্ষরের পর, ইতালি মিত্রবাহিনীতে যোগ দিতে সম্মত হয়। ২৩শে মে তারা অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। 
-১৯১৭ সালের ৩রা ফেব্রুয়ারী জার্মানির সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পর, অব্যাহত সাবমেরিন আক্রমণ অবশেষে ৬ই এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য করে।

- ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
- এই যুদ্ধে মোট ৪ কোটি ১০ লক্ষেরও বেশি সৈন্য ও বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারায়, যা একে ইতিহাসের অন্যতম প্রাণঘাতী সংঘাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

উৎস: worldatlas.com.
.
চৌদ্দ দফার ১৪নং এ কোন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে?
  1. জাতিসংঘ
  2. জাতিপুঞ্জ
  3. ন্যাটো
  4. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
 • চৌদ্দ দফা:
- চৌদ্দ দফা ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসনের ৮ জানুয়ারি, ১৯১৮ সালে কংগ্রেসে প্রদত্ত একটি ভাষণ।
- যেখানে তিনি বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ১৪টি মূলনীতি উপস্থাপন করেন।
- এর মধ্যে ছিল সমুদ্রের স্বাধীন নৌগমন, জাতিস্বাধীনতার স্বীকৃতি, সামরিক নির্মূলকরণ, এবং জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব।
- এ বক্তব্যটি ছিল ১৪ দফা বিশিষ্ট।
- চৌদ্দ দফার প্রথম দফা- উন্মুক্ত কূটনীতি ও শান্তিপূর্ণ প্রতিষ্ঠা ।
- চৌদ্দ দফার ১৪তম দফা- জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা বলা আছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রথমবারের মতো কোন অস্ত্র ব্যবহার করা হয়?
  1. হাইপারসনিক অস্ত্র
  2. হাইড্রোজেন বোমা
  3. পারমাণবিক অস্ত্র
  4. রকেট হামলা
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে, যার মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- অক্ষশক্তির প্রধান দেশগুলো ছিলো: জার্মানি, জাপান, ও ইতালি।
- মিত্রশক্তির প্রধান দেশগুলো ছিলো: ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি।
- ৮ ডিসেম্বর ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যোগ দেয়।
- ৭ মে ১৯৪৫ সালে জার্মানি মিত্রবাহিনীর কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ সালে জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে, যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।
- এই যুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাত, যার ফলে ৭০ থেকে ৮৫ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয়; অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক।

উৎস: হিস্টোরি ডটকম ।
১০.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরু কোন দেশের আক্রমণের মাধ্যমে?
  1. জাপানের আক্রমণ মার্কিন বন্দরে
  2. জার্মানির পোল্যান্ড আক্রমণ
  3. ইতালির আফ্রিকা আক্রমণ
  4. সোভিয়েত ইউনিয়নের ফিনল্যান্ড আক্রমণ
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে, যার মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- অক্ষশক্তির প্রধান দেশগুলো ছিলো: জার্মানি, জাপান, ও ইতালি।
- মিত্রশক্তির প্রধান দেশগুলো ছিলো: ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি।
- ৮ ডিসেম্বর ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যোগ দেয়।
- ৭ মে ১৯৪৫ সালে জার্মানি মিত্রবাহিনীর কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ সালে জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে, যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।
- এই যুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাত, যার ফলে ৭০ থেকে ৮৫ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয়; অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক।

উৎস: হিস্টোরি ডটকম ।
১১.
ব্রাসেলস চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. লুক্সেমবার্গ
  2. বেলজিয়াম
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
• ব্রাসেলস চুক্তি:
- ব্রাসেলস চুক্তি (১৯৪৮) ছিল পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলো—ব্রিটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস এবং লুক্সেমবার্গ—দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- এই চুক্তির মাধ্যমে তারা একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা জোট গঠন করেছিল যা পরবর্তীতে পশ্চিম ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটোর (NATO) জন্মের ভিত্তি তৈরি করে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ মার্চ, ১৯৪৮ সালে বেলজিয়ামের ব্রাসেলস।
- কার্যকর হয়: ২৫ আগস্ট, ১৯৪৮ সালে।
- এ চুক্তির আওতায় দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো হয়।

উৎস: Britannica.
১২.
নিম্নে কোন দেশটি ANZUS প্রতিরক্ষা চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. নিউজল্যান্ড
  3. অস্ট্রিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
ANZUS (Australia, New Zealand, United States Security Treaty)

• চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৫১ সালে।
• উদ্দেশ্য ছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
• এটি একটি ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি।
• যদিও চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়নি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে সামরিক সম্পর্ক বর্তমানে সক্রিয় নয়।

উৎস: Office of the Historian (.gov)
১৩.
বর্তমানে ন্যাটোর কতটি সদস্য দেশ রয়েছে? (আগস্ট-২০২৫)
  1. ৩১টি
  2. ২৭টি
  3. ৩০টি
  4. ৩২টি
ব্যাখ্যা
• The North Atlantic Treaty Organization (NATO):
-  এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে ন্যাটো প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- সর্বশেষ ন্যাটোর সদস্য - সুইডেন ( ২০২৪)।
- ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব -সাবেক ডাচ প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট। (১ অক্টোবর ২০২৪ তিনি দ্বায়িত্ব গ্রহণ করেন)

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১৪.
’সানসাইন পলিসি’ কোন দেশ গ্রহণ করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. দক্ষিণ কোরিয়া
  3. রাশিয়া
  4. উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা
 Sunshine Policy:
- Sunshine Policy- এর সাথে জড়িত- উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।
- দুই কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া এক নীতি গ্রহন করে যা ‘সানসাইন পলিসি’ (Sunshine Policy) নামে পরিচিত।
- এই পলিসির আওতায় দুই কোরীয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হয়।
- Sunshine Policy-র প্রবক্তা দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং।
- Sunshine Policy বাস্তবায়নের কারনে ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান- কিং দায়ে জং।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৫.
কোন সম্মেলনের মাধ্যমে NAM গঠনের সিদ্ধান্ত হয়?
  1. বান্দুং সম্মেলনে
  2. প্যারিস সম্মেলন
  3. মন্ট্রিল সম্মেলন
  4. কাতার সম্মেলন
ব্যাখ্যা
 NAM:
- NAM এর পূর্ণরুপ- Non-Aligned Movement
- আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়- ১৯৬১ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন- মার্শাল টিটো, জওহরলাল নেহেরু, জামাল আবদুল নাসের, সুকর্ণ ও নক্রমা।
- বতর্মান সদস্য- ১২০ টি।
-  NAM গঠনের সিদ্ধান্ত হয়-১৯৫৫ সালের সম্মেলনে অর্থাৎ বান্দুং সম্মেলনের মাধ্যমে।
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (NAM) এর প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় - বেলগ্রেড, যুগোশ্লাভিয়া।
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (NAM) এর সদস্যরাষ্ট্র-১২০ টি
-  পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র- ২০ টি।
- পর্যবেক্ষক সংস্থা ১০ টি। যথা: 

উৎস: NAM ওয়েবসাইট ।
১৬.
’লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল’ কোন দুটি দেশের সীমানা বিভক্তকারী রেখা?
  1. পাকিস্তান - চীন
  2. ভারত - পাকিস্তান
  3. পাকিস্তান - আফগানিস্তান
  4. ভারত - চীন
ব্যাখ্যা
ভারত – চীন – পাকিস্তান - আফগানিস্তান সীমান্ত বিভক্তকারী রেখা: 
- ম্যাকমেহান (ভারত-চীন);
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল (ভারত-চীন);
- 'লাইন অব কন্ট্রোল (ভারত-পাকিস্তান);
- ডুরান্ড লাইন (পাকিস্তান-আফগানিস্তান);

উৎস: ব্রিটানিকা, BBC.
১৭.
গুয়ান্তানামো বে কী?
  1. নাট্যশালা
  2. বন্দিশালা
  3. পর্যটনকেন্দ্র
  4. পারমাণবিক কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

- গুয়ান্তানামো বে আটক শিবির বা গিটমো হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সেনা আটক কেন্দ্র, যা কিউবার গুয়ান্তানামো বে নৌঘাঁটিতে অবস্থিত।  
- এটি মূলত ২০০২ সালে স্থাপিত হয় আফগানিস্তান, ইরাক এবং অন্যান্য অঞ্চলে আটক করা সন্দেহভাজন সন্ত্রাসবাদীদের আটক রাখার জন্য।

- এই শিবিরে বন্দীদের আইনি অধিকার নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়। বিশেষ করে, জেনেভা কনভেনশন অনুসারে বন্দীদের ন্যায্য বিচার ও মানবিক আচরণের অধিকার থাকা - উচিত, কিন্তু গুয়ান্তানামোতে বন্দীদের উপর নির্যাতন, অবমাননাকর আচরণ এবং দীর্ঘমেয়াদী আটক (প্রায়শই বিচার ছাড়া) এর অভিযোগ উঠেছে।

বিশ্বব্যাপী অনেক মানবাধিকার সংগঠন এই শিবির বন্ধের দাবিতে এসেছে। মার্কিন আদালত ও প্রশাসনও এ নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা বিতর্ক ও আইনি লড়াই করেছে।

উৎস: Britannica.

১৮.
রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কোনটি?
  1. ব্যাফিন দ্বীপপুঞ্জ
  2. কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
  3. আলোর দ্বীপপুঞ্জ
  4. পান্তার দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ:
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি  হলো এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- বিতর্কিত কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির। 
- চারটি দ্বীপের সমন্বয়ে কুড়িল দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের নর্দান টেরিটরি হিসাবে অভিহিত করে।
- এমনকি এই বিরোধের কারণে রাশিয়া ও জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসান ঘোষণা করে হওয়া শান্তিচুক্তিতেও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করে নি।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১৯.
ভারত ও নেপালের মধ্যকার বিতর্কিত একটি অঞ্চল-
  1. লাদাখ
  2. কালাপানি
  3. কাশ্মীর
  4. তিনবিঘা করিডোর
ব্যাখ্যা
কালাপানি:
- কালাপানি অঞ্চল ভারত ও নেপালের মধ্যকার বিতর্কিত একটি অঞ্চল যা উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে এই অঞ্চল ভারত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
- নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি খোলা সীমান্ত রয়েছে।
- তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- বিরোধের কেন্দ্রে থাকা ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে কালাপানি, লিপুলেখ এবং সুস্তা অন্যতম।
- নেপালের উত্তর-পশ্চিম অংশে এগুলো অবস্থিত।
- যার দক্ষিণে ভারতের কুমায়ুন এবং উত্তরে চীনের তিব্বত।
- এই ভূখণ্ডটি ভারত, নেপাল ও চীন - তিন দেশের একটি সংযোগস্থল।

অন্যদিকে,
- তিন বিঘা করিডোর বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যকার সংযোগ পথ।
- কাশ্মীর ভারত ও পাকিস্তান মধ্য অবস্থিত । এর কিছু অংশ ভারত শাসিত, কিছু অঞ্চল পাকিস্তান শাসিত।

উৎস: বিবিসি, ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
২০.
 ট্রুম্যান ডকট্রিন কখন ঘোষণা করা হয়?
  1. ১৯৪৭
  2. ১৯৪৫
  3. ১৯৪৯
  4. ১৯৪৮
ব্যাখ্যা
ট্রুম্যান ডকট্রিন:
- এটি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যানের ১৯৪৭ সালের ১২ মার্চ কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা, যা শীতল যুদ্ধের সময় মার্কিন নীতির মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

• এই ডকট্রিনের মূল বক্তব্য ছিল:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গ্রীস এবং তুরস্কে কমিউনিস্ট বিদ্রোহ ও সোভিয়েত সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে সেইসব সরকারগুলিকে অর্থনৈতিক ও সামরিক সাহায্য প্রদান করবে, যাতে সেগুলো কমিউনিজমের কবলে না পড়ে এবং গণতন্ত্র রক্ষা পায়। 
- তখন গ্রিসে কমিউনিস্ট বিদ্রোহ চলছিল এবং তুরস্কে সোভিয়েত সম্প্রসারণের হুমকি বিরাজ করছিল। ব্রিটেন তাদের আর্থিক ও সামরিক সাহায্যের যোগান দিতে অক্ষম হওয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হয়।
- ট্রুম্যান ডকট্রিনের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীতল যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বিস্তার রোধের জন্য "ধারাবাহিক বাধা নীতি" (Containment Policy) শুরু করে। 
- এই নীতির উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত সম্প্রসারণ বন্ধ করা এবং বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষা করা।

উৎস: ব্রিটানিকা।