পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 8” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের সংবিধান [সংবিধানের অধ্যায় ও অনুচ্ছেদ, সংশোধনীসমূহ।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা' সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ৩৮ নং
  2. ৩৯ নং
  3. ৪০ নং
  4. ৪১ নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তৃতীয় ভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদসমূহ : 
অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১৩৮ নং
  2. ১৪০ নং
  3. ১৪১ নং
  4. ১৩৭ নং
ব্যাখ্যা
কর্ম কমিশন নিয়ে সংবিধানের আলোচ্য বিষয়:
- অনুচ্ছেদ ১৩৭ - কমিশন-প্রতিষ্ঠা।

- অনুচ্ছেদ ১৩৮ - সদস্য-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ১৩৯ - পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ১৪০ - কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪১ - বার্ষিক রিপোর্ট।


বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস:

- বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন কবে গঠিত হয় ৮ এপ্রিল, ১৯৭২।
- কর্ম কমিশন দিবস পালন করা হয় ৮ এপ্রিল।
- বর্তমানে ১৪ টি সাধারণ ও ১২ টি পেশাগত/কারিগরি, সর্বমোট ২৬ টি ক্যাডার রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংগীত হিসেবে 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি' গানটি গ্রহন করা হয়েছে?
  1. ৪(১) নং
  2. ৪(২) নং
  3. ৪(৩) নং
  4. ৪(৪) নং
ব্যাখ্যা
৪ নং অনুচ্ছেদ: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক
৪(১): প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা"র প্রথম দশ চরণ। 
৪(২) ‘প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।’
৪(৩) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীকের কথা বলা হয়েছে। 

জাতীয় সংগীত: 
- 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' এই গানটির প্রথম ১০ চরন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত।
- ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে এটিকে জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহন করা হয়।
- ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে সরকারি ভাবে তা গৃহীত হয়।
- এটি প্রথম ১৯০৫ (১৩১২ বঙ্গাব্দ) সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- এই গানের সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বয়ং এবং এতে বাউল গগন হরকরার সুরের প্রভাব রয়েছে।
- গানটির ইংরেজি অনুবাদ করেছেন সৈয়দ আলী আহসান

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
'রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি' সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৫০ নং
  2. ৫১ নং
  3. ৫২ নং
  4. ৫৩ নং
ব্যাখ্যা
নির্বাহী বিভাগ:
অনুচ্ছেদ ৪৮ -  রাষ্ট্রপতি।
অনুচ্ছেদ ৪৯ - ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার।
অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ৫১ -  রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
অনুচ্ছেদ ৫২ -  রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
অনুচ্ছেদ ৬০ -স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা
অনুচ্ছেদ ৬২ - প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি
অনুচ্ছেদ ৬৩ - যুদ্ধ
অনুচ্ছেদ ৬৪ - অ্যাটর্ণি জেনারেল

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান।
.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'সংযুক্ত তহবিলের' কথা উল্লেখ আছে?
  1. ৮১ নং
  2. ৯১ নং
  3. ৮৪ নং
  4. ৮৭ নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৮৪ নং অনুচ্ছেদে সংযুক্ত তহবিলের কথা বলা আছে।

আইনবিভাবে আলোচিত গুরুত্বপূর্ণ কিছু আর্থিক অনুচ্ছেদ:
৮১ নং অনুচ্ছেদে অর্থবিলের কথা উল্লেখ আছে।
৮৭ নং অনুচ্ছেদে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি বা বাজেটের কথা উল্লেখ আছে।
৯১ নং অনুচ্ছেদে সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরির কথা বলা আছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে কয়টি তারকা থাকে?
  1. ৫ টি
  2. ৪ টি
  3. ৩ টি
  4. ২ টি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম হচ্ছে লাল রঙের বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপর দিকে লেখা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নিচে লেখা 'সরকার' এবং বৃত্তের দু'পাশে দু'টি করে মোট চারটি তারকা।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার এ. এন. সাহা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
সংবিধানে 'অর্থবিল'-এর কথা উল্লেখ আছে-
  1. অনুচ্ছেদ ৭৯
  2. অনুচ্ছেদ ৮০
  3. অনুচ্ছেদ ৮২
  4. অনুচ্ছেদ ৮১
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ ৭৯ - সংসদ-সচিবালয়।
- অনুচ্ছেদ ৮০ - আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি।
- অনুচ্ছেদ ৮১ - অর্থবিল।
- অনুচ্ছেদ ৮২ - আর্থিক ব্যবস্থাবলীর সুপারিশ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে নতুন তিনটি তফসিল সন্নিবেশিত হয়?
  1. ১৪তম সংশোধনী
  2. ১৫তম সংশোধনী
  3. ১৬তম সংশোধনী
  4. ১৭তম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• সংবিধান পঞ্চদশ সংশোধন আইন, ২০১১ দ্বারা সংবিধানের শেষে তিনটি নতুন তফসিল সন্নিবেশিত করা হয় যা হলো-

→ ৫ম তফসিল- শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ,
→ ৬ষ্ঠ তফসিল- ২৫ মার্চ ১৯৭১ মধ্যরাতে শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা, এবং
→ ৭ম তফসিল- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা।
-------------------

• পঞ্চদশ সংশোধনী:
- বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত সংশোধনী এটি।
- ৩ জুলাই ২০১১ সালে এই সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়।
- এর মাধ্যমে বাহাত্তরের মূল সংবিধানের অনেক বিধান, যেগুলো সামরিক সরকার দ্বারা বাতিল করা হয়েছিল, সেগুলো পুনর্বহাল করা হয়।
- যেমন প্রথম সামরিক সরকারের আমলে বিলুপ্ত ঘোষিত ৯ নম্বর ও ১০ নম্বর অনুচ্ছেদ এই সংশোধনীর মাধ্যমে ফিরিয়ে আনা হয়।
- তবে সমালোচনা রয়েছে যে, সামরিক সরকারগুলো কর্তৃক আনীত কিছু বিধান রেখে দিয়ে বাহাত্তরের সংবিধানের মূল চেতনাকে বিকৃত করা হয়েছে।

- সংবিধানের ৮, ৯, ১০ ও ১২ নম্বর অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করায় বাহাত্তরের মূল সংবিধানের চেতনাকে ধারণ করা সম্ভব হয়েছে।
- সংবিধানে ৭ক নতুন অনুচ্ছেদ যুক্ত করে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, রহিতকরণ ইত্যাদিকে রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তিযোগ্য অপরাধ ঘোষণা করা হয়েছে।
- ৭খ নামে আরেকটি নতুন অনুচ্ছেদ যুক্ত করে ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবিধানের মৌলিক কিছু বিধান কোনোদিনও সংশোধন করা যাবে না।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের পূর্বের ৪টি তফসিলের সঙ্গে আরো ৩টি নতুন তফসিল যুক্ত করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭ টি তফসিল রয়েছে।
- এর মধ্যে দ্বিতীয় তফসিলের বিষয়বস্তু হলো রাষ্ট্রপতি নির্বাচন যা ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী আইনের ৩০ নং ধারা বলে বিলুপ্ত করা হয়।
- ১৯৭২ সালে প্রণীত মূল সংবিধানে চারটি তফসিল ছিলো।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান।
.
সংসদের অনুমতি ব্যতীত একাধারে কত কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকলে আসন শূন্য হবে?
  1. ৯০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ অনুচ্ছেদ: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
 
(১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি,

(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।
 
(২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।
==================

আইন বিভাগে আলোচ্য সময়সূচি:

- পুনর্বিবেচিত বিল রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি দিবেন।
- কোনো বিলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের সর্বোচ্চ সময় ১৫ দিন।
- নির্বাচলের পর সংসদের অভিবেশন আহবান করতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে।
- অধ্যাদেশকে অধিবেশন শুরু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন দিতে হবে।
- সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যবর্তী বিরতিকাল সর্বোচ্চ ৬০ দিন।
- সংসদের অনুমতি ব্যতীত ৯০ দিন অনুপস্থিত থাকলে সংসদপদ শূন্য হয়ে যাবে।
- নির্বাচিত হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নিলে সংসদপদ শূন্য হয়ে যাবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১০.
সংবিধান সংশোধনে গণভোট বাতিল করা হয় কততম সংশোধনীতে?
  1. একাদশ
  2. দ্বাদশ
  3. চতুর্দশ
  4. পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- বিল উত্থাপন করেন ব্যারি: শফিক আহমদ, ২৫ জুন, ২০১১ সালে।
- বিল সংসদে পাস হয় ২০১১ সালের ৩০ জুন।
- পঞ্চদশ সংশোধনীতে মোট সংশোধনী হয় ৫৫ টি।

পঞ্চদশ সংশোধনীর গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংশোধন:
- রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতিও দেওয়া হয়।
- সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়, তবে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখা হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানের ৫৮(ক) অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করা হয়।
- সংবিধান সংশোধনে গণভোট বাতিল করা হয়।
- জরুরি অবস্থার মেয়াদকাল অনধিক ১২০ দিইন করা হয়।
- জাতীয় জীবনে মহিলাদের অংশগ্রহন ১৯(৩) যুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১১.
'গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব' এর কথা উল্লেখ রয়েছে-
  1. ১৬ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৭ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৮ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৯ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ ১৬ - গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- অনুচ্ছেদ ১৭ - অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
- অনুচ্ছেদ ১৮ - জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- অনুচ্ছেদ ১৮(ক) - পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ১৯ - সুযোগের সমতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১২.
প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি সম্পর্কে বলা আছে -
  1. অনুচ্ছেদ ১৪২
  2. অনুচ্ছেদ ১৪১
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৩
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৪
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি

(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 

(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৩.
সংবিধানের ১৩৪ নং অনুচ্ছেদের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. কর্মবিভাগ-পুনর্গঠন
  2. নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী
  3. কর্মের মেয়াদ
  4. অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৩৩ - নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী।
অনুচ্ছেদ ১৩৪ - কর্মের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ১৩৫ - অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি।
অনুচ্ছেদ ১৩৬ - কর্মবিভাগ-পুনর্গঠন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৪.
সংবিধান অনুযায়ী নাগরিকের কর্তব্য কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ২১নং অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি করমচারীদের কর্তব্য সম্পর্কে বলা হয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী নাগরিকের কর্তব্য ৪টি।
১. আইন মান্য করা
২. নাগরিক দায়িত্ব পালন করা
৩. শৃঙ্খলা রক্ষা করা
৪. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৫.
সংবিধানের ১৪৮ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে -
  1. প্রচলিত আইনের হেফাজত
  2. বাংলাদেশের নামে মামলা
  3. পদের শপথ
  4. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৬ - বাংলাদেশের নামে মামলা।
অনুচ্ছেদ ১৪৭ - কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি।
অনুচ্ছেদ ১৪৮ - পদের শপথ।
অনুচ্ছেদ ১৪৯ - প্রচলিত আইনের হেফাজত।
অনুচ্ছেদ ১৫০ - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬.
সংবিধানের ২৯ নং অনুচ্ছেদে কি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার
  2. ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য
  3. আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন
  4. সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৫ - আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
অনুচ্ছেদ ২৬ - মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।
অনুচ্ছেদ ২৮ - ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
অনুচ্ছেদ ২৯ - সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।
অনুচ্ছেদ ৩০- বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ।
অনুচ্ছেদ ৩১ - আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১২৩ নং
  2. ১২৪ নং
  3. ১২৫ নং
  4. ১২৬নং
ব্যাখ্যা
নির্বাচন(৭ম অধ্যায়):
১১৮ - নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
১১৯ - নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
১২০ - নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
১২১-  প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
১২২ - ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।
১২৩ - নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।
১২৪ - নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।
১২৫ - নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা।
১২৬ - নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান।

উৎস- বাংলাদেশ সংবিধান।
১৮.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'অধস্তন আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১০৮ নং
  2. ১১৪ নং
  3. ১১৭ নং
  4. ১২৩ নং
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদসমূহ: 
অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
অনুচ্ছেদ ৯৫ - প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন
অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকের পদের মেয়াদ
অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসরের পর বিচারকের অক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রিম কোর্টের আসন।
অনুচ্ছেদ ১০২ - হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ১০৮ - 'কোর্ট অব রেকর্ড' রূপে সুপ্রীম কোর্ট।
অনুচ্ছেদ ১১৪ - অধস্তন আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা।
অনুচ্ছেদ ১১৭ - প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৯.
অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়ে কোন বিভাগে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. নির্বাহী
  2. বিচার
  3. আইন
  4. কর্ম বিভাগ
ব্যাখ্যা
নির্বাহী বিভাগ:
অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা। 
অনুচ্ছেদ ৬২ - প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি। 
অনুচ্ছেদ ৬৩ - যুদ্ধ। 
অনুচ্ছেদ ৬৪ - অ্যাটর্নি জেনারেল। 

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান।
২০.
সংবিধানের ৫৭ নং অনুচ্ছেদের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ
  2. মন্ত্রিসভা
  3. মন্ত্রিগণ
  4. স্থানীয় শাসন
ব্যাখ্যা
নির্বাহী বিভাগ:
অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
অনুচ্ছেদ ৬০ -স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা
অনুচ্ছেদ ৬২ - প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি
অনুচ্ছেদ ৬৩ - যুদ্ধ
অনুচ্ছেদ ৬৪ - অ্যাটর্ণি জেনারেল

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান।