পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা: আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার। ২. বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ। উৎস: পৌরনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] ------------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
বর্তমান জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্যে সংরক্ষিত আসন রয়েছে কয়টি? [জুলাই - ২০২৫]
  1. ৫০টি
  2. ৪০টি
  3. ৪৫টি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ: 
- জাতীয় সংসদ ভবনের বর্তমান ভবন ২৮ জানুয়ারি ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।
- এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬১ সালে।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা ৩৫০
- ৩০০টি আসনে সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- অন্য ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকে।
- নারী সংসদ সদস্যগণ ৩০০ জন সংসদ সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হয়ে থাকেন।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের ক্রিকেটে প্রথম টেস্ট অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. হাবিবুল বাশার
  2. মোহাম্মদ আশরাফুল
  3. নাইমুর রহমান
  4. খালেদ মাসুদ
ব্যাখ্যা
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জয় পায় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- বাংলাদেশ তার শততম টেস্ট খেলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

উল্লেখ্য,
- ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

সূত্র: ESPNcricinfo ও প্রথম আলো।
.
যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় কবে?
  1. ২৬ মার্চ, ১৯৭২
  2. ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
  3. ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  4. ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান এবং দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বিশ্বের তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
 
উল্লেখ্য, 
- যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- পোল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- স্পেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ১২ মে, ১৯৭২ সালে।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রত্রিকা রিপোর্ট।
.
বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল কে?
  1. এ. এম. আমিন উদ্দিন
  2. মাহবুবে আলম
  3. মো. আসাদুজ্জামান
  4. মাহমুদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
দেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, এবং রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক ও প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
- সাধারণত জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের মধ্য থেকে সরকার তাকে নিয়োগ দেয়।
- এ পদাধিকারবলে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি হন।
- তাকে যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা সহায়তা করেন।

সূত্র- অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।
.
আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. নবাব সলিমুল্লাহ
  2. নবাব খাজা আহসানুল্লাহ
  3. নবাব আব্দুল গণি
  4. উপরের কেউ নন
ব্যাখ্যা

আহসান মঞ্জিল: 
- আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ঢাকার নওয়াব খাজা আবদুল গণি।
- ১৮৩০ সালে তিনি ফরাসিদের নিকট থেকে পুরনো কুঠিবাড়িটি ক্রয় করেন এবং সেটিকে সংস্কার করে তার নিজস্ব বাসভবনে রূপান্তরিত করেন।
- পরবর্তীতে তিনি মার্টিন অ্যান্ড কোম্পানি নামক ইউরোপীয় স্থাপত্য প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে একটি বিস্তৃত মাস্টার প্ল্যান তৈরি করান, এর মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল আহসান মঞ্জিল।
- ১৮৫৯ সালে এ ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং তা শেষ হয় ১৮৭২ সালে।
- খাজা আবদুল গনি তাঁর পুত্র খাজা আহসানুল্লাহর নাম অনুসারে এই প্রাসাদের নামকরণ করেন ‘আহসান মঞ্জিল’।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

.
উপমহাদেশের প্রথম নির্বাক ছবি আলীবাবা ও চল্লিশ চোর নির্মাণ করেন -
  1. দাদা সাহেব ফালকে
  2. হীরালাল সেন
  3. গুনরাম বাবু
  4. সত্যজিৎ রায়
ব্যাখ্যা
হীরালাল সেন: 
- হীরালাল সেন হলেন চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব।
- তিনি ১৮৬৬ সালে মানিকগঞ্জ জেলার বগজুরী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯০৪ সালে উপমহাদেশের প্রথম নির্বাক ছবি আলীবাবা ও চল্লিশ চোর নির্মাণ করেন।
- ১৯০৩ সালে তাঁর রয়াল বায়োস্কোপ কোম্পানি থেকে প্রথম বাংলায় সিকে সেনের মাথার তেল ‘জবাকুসুম’ বটফেস্ট পালের ‘এডওয়ার্ড টনিক’ ও ডব্লিউ মেজর কোম্পানির ‘সালসা পিলা’ প্রভৃতি বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মিত হয়।
- তাছাড়া তিনি প্রামাণ্যচিত্র ও সংবাদচিত্রও নির্মাণ করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেওয়ার সীমা কত?
  1. সর্বোচ্চ ৫%
  2. সর্বোচ্চ ১০%
  3. সর্বোচ্চ ১৫%
  4. সর্বোচ্চ ২০%
ব্যাখ্যা
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- সংবিধানের ৫৬ ধারা অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ সদস্য এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া যাবে যাঁরা সংসদ নির্বাচনে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্য।
- এরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।
- মন্ত্রিপরিষদের অন্তত ৯০ শতাংশ সদস্যকে জাতীয় সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দিতে হবে।
- এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী ‘রুলস অব বিজনেস’ অনুযায়ী ‘প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা’ পদেও ব্যক্তিদের নিয়োগ দিতে পারেন।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
.
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকায়
  2. রাজশাহীতে
  3. ময়মনসিংহে
  4. চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ এপ্রিল শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন জেলা প্রশাসনের সহায়তায় নিজের ৭০টি চিত্রকর্ম নিয়ে তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের মাধ্যমে এই সংগ্রহশালার উদ্বোধন করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাটি একটি দ্বিতল ভবনের রূপ লাভ করে।
- এছাড়া শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদকে ঘিরে বাঁধ দিয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল উদ্যান গড়ে তোলা হয়েছে।
- বর্তমানে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে কাস্টিং ভোট দেওয়ার ক্ষমতা কাকে প্রদান করা হয়েছে?
  1. স্পিকার
  2. প্রধানমন্ত্রীর ভোট
  3. রাষ্ট্রপতির ভোট
  4. বিরোধী দলের ভোট
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে কাস্টিং ভোট দেওয়ার ক্ষমতা স্পিকারকে প্রদান করা হয়েছে।

কাস্টিং ভোট:

- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পীকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
- ”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পীকার) ভোটদান করবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করবেন।”

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১০.
বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামোর স্তর নয় কোনটি?
  1. বিভাগীয় প্রশাসন
  2. জেলা প্রশাসন
  3. উপজেলা প্রশাসন
  4. ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামোর স্তর নয় - ইউনিয়ন পরিষদ। 
→ স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর - ইউনিয়ন পরিষদ।


বাংলাদেশের "স্থানীয় প্রশাসন" একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা যা সরকারের বেতনভুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী দ্বারা পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামো ৩টি স্তরে বিভক্ত।

যথা:-
১। বিভাগীয় প্রশাসন,
২। জেলা প্রশাসন এবং
৩। উপজেলা প্রশাসন।

এছাড়াও,
→ স্থানীয় প্রশাসনের সর্বনিম্ন স্তর হলো উপজেলা প্রশাসন। 

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
নিচের কোনটি ড. ইউনূসের লেখা একটি বই?
  1. Wings of Fire
  2. Banker to the Poor
  3. Ignited Minds
  4. Poverty is Destiny
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।

উল্লেখ্য,
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ ইউনূসের আত্মজীবনী ইংরেজি ভাষায় লেখা ‘ব্যাংকার টু দ্যা পুওর’ (Banker to the Poor)।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
 
সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও পত্রিকা রিপোর্ট ।
১২.
সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দেওয়াকে কী বলা হয়?
  1. কাস্টিং ভোট
  2. ট্রেজারি ভোট
  3. ফ্লোর ক্রসিং
  4. স্ট্র ভোট
ব্যাখ্যা
ফ্লোর ক্রসিং:
- জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করা কে ‘ফ্লোর ক্রসিং’ বলা হয়।
- সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করেন বা দল থেকে পদত্যাগ করেন, তবে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।

সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহা হলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হবার অযোগ্য হবেন না।

উল্লেখ্য, 
- কাস্টিং ভোট বা নির্ণায়ক ভোট হলো স্পিকার প্রদত্ত ভোট।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩.
বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর সর্বপ্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য হয়?
  1. কমনওয়েলথ
  2. জাতিসংঘ
  3. ওআইসি
  4. ডাব্লিউটিও
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশ প্রথম কোন বৈশ্বিক সংস্থা হিসেবে ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে। 

Commonwealth: 

- ১৯৪৯ সালে ঐতিহাসিক লন্ডন ঘোষণার মাধ্যমে আধুনিক কমনওয়েলথের যাত্রা শুরু হয়। 
- মার্চের দ্বিতীয় সোমবার প্রতিবছর কমনওয়েলথ দিবস পালন করা হয়। 
- এর সচিবালয় অবস্থিত মার্লবোরো হাউজ, লন্ডন, যুক্তরাজ্য। 

উল্লেখ্য, 
- ১৯৬১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায়।
- স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে। 

সূত্র: সংস্থাগুলোর নিজস্ব ওয়েবসাই।
১৪.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবার জন্য সর্বনিম্ন বয়স কত?
  1. ২৫ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৩৫ বছর
  4. ৪০ বছর
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রার্থীর বয়স ন্যূনতম ৩৫ বছর হতে হবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার বয়স:

- বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদের (৪)(ক) দফা অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রার্থীর বয়স অন্তত ৩৫ বছর হতে হবে।
- এর নিচে বয়স হলে কেউ রাষ্ট্রপতির পদে প্রার্থী হতে পারবেন না।
- রাষ্ট্রপতি হতে হলে তাকে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য হতে হবে এবং
- তিনি যদি আগে অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারিত হয়ে থাকেন, তবে তিনিও অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

এছাড়াও, 
→ ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর।
→ প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হবার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ২৭তম অধিবেশন
  2. ২৯তম অধিবেশন
  3. ৩০তম অধিবেশন
  4. ৩১তম অধিবেশন
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

সূত্র - জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
১৬.
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জারিকৃত আইনকে বলা হয় -
  1. আইন
  2. অধ্যাদেশ বিল
  3. অধ্যাদেশ
  4. উপ- অধ্যাদেশ
ব্যাখ্যা
অধ্যাদেশ:
- রাষ্ট্রপতির জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- অধ্যাদেশে কোন নির্দিষ্ট তারিখের উল্লেখ না থাকলে রাষ্ট্রপতি যে তারিখে স্বাক্ষর করেন তখন থেকে অধ্যাদেশ কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য, 
- রাষ্ট্রপতি কোন বিল পুনর্বিবেচনার জন্যে সংসদে প্রেরণ করলে তা পুনরায় রাষ্ট্রপতির নিকট সম্মতির জন্যে প্রেরিত হলে তাতে রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে স্বাক্ষর করতে হয়।
- অন্যথায় তিনি স্বাক্ষর বা সম্মতি প্রদান করেছেন বলে ধরে নেওয়া হয়।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর উক্ত বিল আইনে পরিণত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ,প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৭.
BARD -এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Administrative and Rural Development
  2. Bureau for Agricultural and Rural Development
  3. Bangladesh Academy for Rural Development
  4. Board of Agriculture and Rural Development
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড):
- এর পূর্ণরূপ - Bangladesh Academy for Rural Development
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খানে।
- বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- একাডেমি কর্তৃক উদ্ভাবিত পল্লী উন্নয়নের ‘কুমিল্লা মডেল’ এর জন্য বার্ড দেশে-বিদেশে সুখ্যাতি অর্জন করে।
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কুমিল্লায় অবস্থিত।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৮.
মন্ত্রিসভা কার নিকট যৌথভাবে দায়ী থাকেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. জনগণ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী,
- মন্ত্রিসভা সংসদের নিকট যৌথভাবে দায়ী থাকে।
- অর্থাৎ, সরকারের নীতিমালা ও কার্যক্রমের জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ সকল মন্ত্রী সংসদের কাছে সম্মিলিতভাবে জবাবদিহি করতে বাধ্য।
- যদি সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করে, তবে পুরো মন্ত্রিসভাকেই পদত্যাগ করতে হয়।
- এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংসদ কার্যত সরকারের ওপর নজরদারির দায়িত্ব পালন করে।
- এই দায়বদ্ধতা গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করে, যাতে জনগণের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সরকার পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হয়।
- অতএব, মন্ত্রিসভার কর্মকাণ্ড ও সিদ্ধান্তের জন্য তারা দলীয়ভাবে নয়, বরং সমগ্র মন্ত্রিসভা হিসেবে সংসদের প্রতি দায়বদ্ধ।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

১৯.
কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে কোন বাঙালি গবেষণা করেন?
  1. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  2. অধ্যাপক জামাল নজরুল
  3. ড. ফেরদৌসী কাদরী
  4. মুহম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
- কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করেছেন বাঙালি বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম। 

বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম:
- বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জামাল নজরুল ইসলাম।
- পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, কসমোলজি ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের মতো জটিল বিষয় নিয়ে করেছেন মৌলিক গবেষণা।
- তিনি ১৯৩৯ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই ’দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভার্স’ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বই ⎯ 'কৃষ্ণগহ্বর’ (ব্ল্যাক হোল)।
- সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ কখনো এক সরলরেখায় এলে পৃথিবীর ওপর তার প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য,
- ২০০০ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ’একুশে পদকে’ ভূষিত হন।
- ২০১৩ সালের ১৬ই মার্চ চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
২০.
সুপ্রিম কোর্টের দুটি বিভাগ কী কী?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ
  2. আপিল ও বিচার বিভাগ
  3. দেওয়ানি ও ফৌজদারি
  4. নিম্ন আদালত ও উচ্চ আদালত
ব্যাখ্যা
- সুপ্রীম কোর্টে দুটি বিভাগ রয়েছে — হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।

সুপ্রীম কোর্টের গঠন:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম হলো সুপ্রীম কোর্ট।
- এই আদালতের প্রধান হলেন প্রধান বিচারপতি।
- সুপ্রীম কোর্টে দুটি বিভাগ রয়েছে—হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।

উল্লেখ্য, 
- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- এরপর প্রধান বিচারপতির পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ প্রদান করেন।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
নিম্নের কোনটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত ইংরেজি ভাষার প্রথম চলচ্চিত্র?
  1. জঁ ক্যা ১৯৭১
  2. দ্য লাস্ট কমান্ড
  3. দ্য ট্রুথ অব সেভেনটি ওয়ান
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত ইংরেজি চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত প্রথম ইংরেজি ভাষার বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের নাম ‘জঁ ক্যা ১৯৭১’।
- ছবিটি নির্মাণ করছেন ‘ভুবন মাঝি’ ও ‘গণ্ডি’ খ্যাত পরিচালক ফাখরুল আরেফিন খান।
- এটি সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত, যেখানে ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর ফ্রান্সের এক তরুণ, জঁ ক্যা, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের (PIA) একটি বিমান ছিনতাই করেন।
- তার একমাত্র দাবি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ২০ টন ওষুধ পাঠানো।
- এই সাহসিকতা ও মানবিকতার প্রতীক জঁ ক্যা-কে কেন্দ্র করেই ছবির কাহিনি গড়ে উঠেছে।

সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও প্রথম আলো।
২২.
কোন বাংলা গানকে ইউনেস্কো "Heritage of Humanity" অভিধায় ভূষিত করেছে?
  1. রবীন্দ্রসঙ্গীত
  2. নজরুলগীতি
  3. লালনগীতি
  4. বাউল গান
ব্যাখ্যা
বাউল সংগীত:
- ‘বাউল গান’ বাউল সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক গান। বাউল একটি ধর্মীয় লোক-সম্প্রদায়।
- বাউলরা ধর্মীয় তত্ত্ব ও দর্শন, জীবনবোধ ও আদর্শের কথা গানের ভাষায় প্রকাশ করেন। মৌখিক ধারার এ গানই বাউল সংগীত হিসেবে পরিচিত।
- বাউল গানের স্রষ্টা লালন শাহ্। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া বাউল গানের কেন্দ্র-ভূমি, কালক্রমে তা পার্শ্ববর্তী যশোর, ফরিদপুর, পাবনা, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে। অনুরূপভাবে এ গান পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া, বর্ধমান ও বীরভূম জেলায় প্রসার লাভ করেছে।
- ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন, মানবতার ইতিহাসে এই বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনা করে ২০০৫ সালে একে “Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity” হিসেবে ঘোষণা দেয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে ‘Intangible Cultural Heritage of Humanity’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
২৩.
বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০নং আসন কোনটি? [জুলাই - ২০২৫]
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- সংসদের মোট আসন - ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন - ৩০০টি।
- ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- ৩০০নং আসন - বান্দরবান।

উল্লেখ্য, 
- ১ টি করে আসন রয়েছে তিনটি জেলায় (রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি)।

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
২৪.
যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. সরকারি বিল
  2. সাধারণ বিল
  3. বেসরকারি বিল
  4. সংশোধনী বিল
ব্যাখ্যা
বিল:
- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- বিল দুই প্রকার।

যথা - 
- সরকারি বিল ও
- বেসরকারি বিল।

বেসরকারি বিল
- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।

সরকারি বিল
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিন সময়।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।