পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১৩১ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৩২
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩২ প্রশ্ন

.
"বেলাল! বেলাল! হেলাল উঠেছে পশ্চিমে আশমানে,
লুকাইয়া আছ লজ্জায় কোন মরুর গোরস্তানে!" - এখানে 'হেলাল' শব্দের অর্থ কী?
  1. সন্ধ্যা তারা
  2. চাঁদ
  3. নতুন চাঁদ
  4. লাল আভা
ব্যাখ্যা
বেলাল! বেলাল! হেলাল উঠেছে পশ্চিমে আশমানে,
লুকাইয়া আছ লজ্জায় কোন মরুর গোরস্তানে! - কাজী নজরুল ইসলামের কৃষকের ঈদ - কবিতার অন্তর্গত।

কৃষকের ঈদ - কবিতা,
- কাজী নজরুল ইসলাম।
 
বেলাল! বেলাল! হেলাল উঠেছে পশ্চিম আসমানে,
লুকাইয়া আছ লজ্জায় কোন মরুর গরস্থানে।
হের ঈদগাহে চলিছে কৃষক যেন প্রেত- কংকাল
কশাইখানায় যাইতে দেখেছ শীর্ণ গরুর পাল?
রোজা এফতার করেছে কৃষক অশ্রু- সলিলে হায়,
বেলাল! তোমার কন্ঠে বুঝি গো আজান থামিয়া যায়।
থালা, ঘটি, বাটি বাঁধা দিয়ে হের চলিয়াছে ঈদগাহে,
তীর খাওয়া বুক, ঋণে- বাঁধা- শির, লুটাতে খোদার রাহে।

এখানে,
• হেলাল, হিলাল (বিশেষ্য):
- নব শশিকলা; নতুন চাঁদ।
 ১ লোহিত বর্ণ অর্ধচন্দ্র। 

উৎস: অভিগম্য অভিধান- বাংলা একাডেমি।
.
নিচের অপশনগুলো থেকে ব্যঞ্জন সন্ধি শনাক্ত করুন-
  1. জনৈক
  2. নাবিক
  3. পরিচ্ছেদ
  4. মহর্ষি
ব্যাখ্যা
• স্বরসন্ধি:
স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলন কে স্বরসন্ধি বলে ।
যেমন -
অ / আ + অ / আ = আ ; যেমন - আশা + অতীত = আশাতীত
ই / ঈ+ ই / ঈ = ঈ । যেমন - পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা

ব্যঞ্জনসন্ধি:
স্বরে - ব্যঞ্জনে , ব্যঞ্জনে - স্বরে ও ব্যঞ্জনে - ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে ।
স্বর - ব্যঞ্জন : পরি + চ্ছেদ = পরিচ্ছেদ
ব্যঞ্জন - স্বর : দিক্ + অন্ত = দিগন্ত
ব্যঞ্জন - ব্যঞ্জন : চলৎ + চিত্র = চলচ্চিত্র
-----------
অপশনে,
ক) জনৈক → "জন" + "এক" → জনৈক (এখানে স্বর সন্ধি হয়েছে, ব্যঞ্জন সন্ধি নয়)।
খ) নাবিক → "নৌ + ইক" (এখানে স্বর সন্ধি হয়েছে, ব্যঞ্জন সন্ধি নয়)।
গ) পরিচ্ছেদ → "পরি" + "ছেদ" → পরিচ্ছেদ (ব্যঞ্জন সন্ধি হয়েছে: 'ই' + 'ছ')। কারণ , স্বরে - ব্যঞ্জনে - ব্যঞ্জন সন্ধি হয়।
ঘ) মহর্ষি → "মহা" + "ঋষি" → মহর্ষি (স্বর সন্ধি হয়েছে: 'ই' + 'ঋ')

সুতরাং, সঠিক উত্তর:
গ) পরিচ্ছেদ।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি- নবম - দশম শ্রেণি ( ২০২২ সংস্করণ)
.
'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধ অনুসারে মুক্তির জন্য কয়টি উপায় অবলম্বন করতে হবে?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
• মুক্তির জন্য দুটি উপায় অবলম্বন করতে হবে।

• 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের অংশবিশেষ:
তাই মুক্তির জন্য দুটি উপায় অবলম্বন করতে হবে। একটি অন্নবস্ত্রের চিন্তা থেকে মানুষকে মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা, আরেকটি শিক্ষাদীক্ষার দ্বারা মানুষকে মনুষ্যত্বের স্বাদ পাওয়ানোর সাধনা। এ উভয়বিধ চেষ্টার ফলেই মানবজীবনের উন্নয়ন সম্ভব। শুধু অন্নবস্ত্রের সমস্যাকে বড় করে তুললে সুফল পাওয়া যাবে না। আবার শুধু শিক্ষার ওপর নির্ভর করলে সুদীর্ঘ সময়ের দরকার। মনুষ্যত্বের স্বাদ না পেলে অন্নবস্ত্রের চিন্তা থেকে মুক্তি পেয়েও মানুষ যেখানে আছে সেখানেই পড়ে থাকতে পারে; আবার শিক্ষাদীক্ষার মারফতে মনুষ্যত্বের স্বাদ পেলেও অন্নবস্ত্রের দুশ্চিন্তায় মনুষ্যত্বের সাধনা ব্যর্থ হওয়া অসমভব নয়।

উৎস: 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধ।
.
ছদ্মনামসহ মূল নামের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. মণীশ ঘটক - চিত্রগুপ্ত
  2. নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় - সুনন্দ
  3. বিমল মিত্র- দৃষ্টিহীন
  4. সতীনাথ ভাদুড়ী- যুবনাশ্ব
ব্যাখ্যা
• 'সুনন্দ' নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম।

অন্যদিকে,
- সতীনাথ ভাদুড়ী এর ছদ্মনাম- চিত্রগুপ্ত।
- মণীশ ঘটকের ছদ্মনাম 'যুবনাশ্ব'।
- বিমল মিত্র 'জাবালি' ছদ্মনামে লিখতেন।
• মধুসূধন মজুমদারের ছদ্মনাম ছিলো- দৃষ্টিহীন।

আবার,
'দৃষ্টিহীন' - দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার এর ছদ্মনাম।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
বৈষ্ণব পদাবলির সর্বপ্রথম সংকলক -
  1. আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
  2. গোবিন্দদাস
  3. বাবা আউল মনোহর দাস
  4. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• বৈষ্ণব সাহিত্য:
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে পরিমাণে ও গুণে সবচেয়ে সমৃদ্ধ ধারা হলো বৈষ্ণব সাহিত্য। মধ্যযুগে ১৬৫ জনের মতো কবি বৈষ্ণব সাহিত্য রচনা করেন।

- এদের রচিত বৈষ্ণব কবিতার সর্বপ্রথম সংকলন করেন — বাবা আউল মনোহর দাস।
- তার বৈষ্ণব কবিতা সংকলের নাম পদসমুদ্র।
- এতে প্রায় পনের হাজার বৈষ্ণব কবিতা সংকলিত হয়েছে।
- ষোড়শ শতকের শেষের দিকে তিনি এগুলো সংগ্রহ করেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সেমিত্র শেখর।
.
‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’ উপন্যাসটি কার লেখা?
  1. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  2. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  3. হাসান আজিজুল হক
  4. সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা
• 'পোকামাকড়ের ঘরবসতি' উপন্যাসের রচয়িতা - সেলিনা হোসেন।

• পোকামাকড়ের ঘরবসতি:
- 'পোকামাকড়ের ঘরবসতি' (১৯৮৬) সেলিনা হোসেন রচিত উপন্যাস।
- বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে নদীর মধ্যে শাহপরি দ্বীপ নামক এক ছোটো দ্বীপের মানুষের, বিশেষ করে মাঝিদের সংগ্রামী জীবনের বাস্তব রূপায়ণ। 
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: মালেক, সাফিয়া, তোরাব আলী প্রমুখ। 

• সেলিনা হোসেন:
- তিনি ১৯৪৭ সালের ১৪ই জুন রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত কথাশিল্পী।
- তাঁর উপন্যাসের মূলবিষয় অবরুদ্ধ সমাজে মুক্তচিন্তা ও মানুষের মুক্তির আকুতি।
- তিনি মুহাম্মদ এনামুল হক স্বর্ণপদক (১৯৬৯), বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮০), ফিলিপস্‌ পুরস্কার (১৯৮৮), বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৭) লাভ করেন।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- জলোচ্ছ্বাস,
- হাঙর নদি গ্রেনেড,
- যাপিত জীবন,
- নীল ময়ূরের যৌবন,
- পোকামাকড়ের ঘরবসতি,
- নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
"বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না দূরেও ঠেলিয়া দেয়" - উক্তিটি কোন রচনার?
  1. রক্তাক্ত প্রান্তর
  2. শ্রীকান্ত
  3. বড়দিদি
  4. শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা
'বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না, দূরেও ঠেলিয়া দেয়।'- পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- পঙ্‌ক্তিটি তিনি 'শ্রীকান্ত' নামক আত্মজৈবনিক উপন্যাসে উদ্ধৃত করেছেন। 

 'শ্রীকান্ত' উপন্যাস:
- 'শ্রীকান্ত' তাঁর আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস।
- এতে তিনি শ্রীকান্ত শর্মা ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র - শ্রীকান্ত, ইন্দ্রনাথ, রাজলক্ষ্মী, অন্নদিদি।

• এ উপন্যাসের বিখ্যাত কিছু উক্তি-
- 'মধু থাকলেই মৌমাছি এসে জোটে তারা দেশ-বিদেশের বিচার করে না।',
- 'বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না- ইহা দূরেও ঠেলিয়া দেয়।', (শ্রীকান্ত ও বাইজি রাজলক্ষ্মীর বিচ্ছেদের প্রসঙ্গে এই কথাটি বলা হয়েছে।)
- 'মড়ার আবার জাত কি?'

উৎস: শরৎ রচনাবলী।
.
কোন রাজ বংশের শাসনামলে চর্যাপদ রচিত হয়?
  1. পাঠান
  2. তুর্কি
  3. পাল
  4. মৌর্য
ব্যাখ্যা
চর্যাপদ:
- পাল বংশের শাসন আমলে চর্যাপদ রচিত হয়।
- চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন।
- ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায়  হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর  পুথি আবিষ্কার করেন।
- চর্যার কবিদের কাল খ্রিস্টীয় নবম থেকে দ্বাদশ শতকের মধ্যে ধরা হয়।
- চর্যাপদের কবিরা হলেন সরহপা, শবরপা, লুইপা, ডোম্বীপা, ভুসুকুপা,  কাহ্নপা, কুক্কুরীপা, মীনপা, আর্যদেব, ঢেণ্ঢনপা প্রমুখ।
- চর্যাপদ শুধু প্রাচীন বাংলা সাহিত্যেরই নিদর্শন নয়, প্রাচীন বাংলা গানেরও নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
'শেখ ফয়জুল্লাহ' কোন সাহিত্যধারার আদি কবি?
  1. পদাবলি
  2. কবিগান
  3. মনসা মঙ্গলকাব্য
  4. মর্সিয়া সাহিত্য
ব্যাখ্যা
• মর্সিয়া সাহিত্য:
- কারবালা ও ইসলামি বিয়ােগান্তক কাহিনী নিয়ে মূলত মুসলমানদের রচিত সাহিত্যই মর্সিয়া সাহিত্য।
- মর্সিয়া সাহিত্যের আদি কবি হলেন - শেখ ফয়জুল্লাহ।
- তার রচিত গ্রন্থের নাম জয়নালের চৌতিশা
- এটি ১৫৭০ সালে প্রকাশিত হয়।

- মর্সিয়া সাহিত্যে একজন হিন্দু কবি হলেন- রাধারমণ গোপ। 
- রাধারমণ গোপ রচিত গ্রন্থ হলো: ইমামগণের কেচ্ছা, আফৎনামা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
শাহ মুহম্মদ সগীর কোন শতকের কবি ছিলেন?
  1. পঞ্চদশ
  2. ষোড়শ
  3. সপ্তদশ
  4. দ্বাদশ
ব্যাখ্যা
শাহ মুহম্মদ সগীর:
- মধ্যযুগের তথা বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর।
- তিনি পনের শতকের কবি ছিলেন।
- গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি এ কাব্য রচনা করেন।
- অনুবাদ সাহিত্যে বা রোমাণ্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কবি - শাহ্‌ মুহম্মদ সগীর।
- শাহ মুহম্মদ সগীরের শ্রেষ্ঠ অনুবাদকর্ম ইউসুফ-জুলেখা।
- তিনি পারস্যের জামী রচিত 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্যের বাংলা অনুবাদ করেন যা এই ধারার আদি গ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
"বিরহবিলাপ', অমিয়ধারা" - কার রচনা?
  1. আবুল ফজল
  2. কায়কোবাদ
  3. সুফিয়া কামাল
  4. ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা
• "বিরহবিলাপ', অমিয়ধারা" কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা - কায়কোবাদ।

• কায়কোবাদ:

- ১৮৫৭ সালে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা পূর্বপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম কাজেম আল কোরেশী। 'কায়কোবাদ' তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম।
- নিখিল ভারত সাহিত্য সংঘ কর্তৃক কবি কায়বোবাদকে কাব্যভূষণ, বিদ্যাভূষণ ও সাহিত্যরত্ন উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট ও মহাকাব্য রচয়িতা কায়কোবাদ।
- তিনি আধুনিক বাংলাসাহিত্যে প্রথম মুসলিম কবি।
- মাত্র তেরো বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'বিরহবিলাপ' প্রকাশিত হয়।
- তিনি ১৯৫১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- অশ্রুমালা (গীতিকাব্য),
- মহাশ্মশান (মহাকাব্য),
- শিবমন্দির,
- অমিয়ধারা,
- কুসুমকানন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
ফারসি ভাষার শব্দ নয় কোনটি?
  1. সেতার
  2. দরগা
  3. মৌলবি
  4. সালিশ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
• 'মৌলবি' আরবি ভাষার শব্দ।

• ফারসি শব্দ:
সেতার, গুনাহ, পরহেজগার, দরগা, চশমা, খানা, জায়নামাজ, নামায,
রোজা, আইন, সালিশ, নালিশ, বাদশাহ, সুপারিশ, সর্দি, শিরোনাম,
হাঙ্গামা, ফরমান, ফরিয়াদ , বান্দা, শাদি আমদানি ,সবজি , রসিদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৩.
নিচের কোনটি প্রান্তিক বিরামচিহ্ন?
  1. কোলন
  2. সেমিকোলন
  3. দাঁড়ি
  4. হাইফেন
ব্যাখ্যা
• বাক্যে অবস্থান বিবেচনায় বিরামচিহ্নকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা - 
-  প্রান্তিক বিরামচিহ্ন।
- বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন।

• প্রান্তিক বিরামচিহ্ন:
- যেসব বিরামচিহ্ন বাক্যের শেষে বসে তাদের প্রান্তিক বিরামচিহ্ন বলে।
দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময়বোধক প্রভৃতি প্রান্তিক বিরামচিহ্ন।

• বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন:
- যেসব বিরামচিহ্ন বাক্যের শেষে ছাড়া অন্যান্য স্থানে বসে তাদের বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন বলা হয়। 
যেমন- কমা, কোলন, সেমিকোলন, ড্যাশ, হাইফেন ইত্যাদি।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি-ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১৪.
'সাম্য' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত-
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. উপন্যাস
  3. কবিতা
  4. প্রবন্ধগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• ‘সাম্য’ গদ্যগ্রন্থ:
- 'সাম্য' (১৮৭৯) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত — প্রবন্ধগ্রন্থ।
- 'বঙ্গদর্শনে' প্রকাশিত 'সাম্য' বিষয়ক তিনটি এবং 'বঙ্গদেশের কৃষক' প্রবন্ধের কিছু অংশ নিয়ে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
- ইউরোপীয় সাম্যচিন্তার ধারার ইতিহাস এখানে সংক্ষেপে বর্ণনা করা হয়েছে। এই গ্রন্থে বঙ্কিমচন্দ্রের সমাজ ও অর্থনৈতিক প্রগতিশীল চিন্তা প্রকাশিত।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
 
তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো হলো:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫.
'অভীক’ রবীন্দ্রনাথের কোন গল্পের নায়ক?
  1. ল্যাবরেটরি
  2. নষ্টনীড়
  3. রবিবার
  4. ক্ষুধিত পাষাণ
ব্যাখ্যা
'অভীক' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘রবিবার’ গল্পের প্রধান চরিত্র। 

• 'অভীক' চরিত্র বিষয়ক আলোচনা:
গল্পে অভয়াচরণ (অভীক) নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ পণ্ডিত ঘরের সন্তান। সে হয়ে উঠেছে ঘোর নাস্তিক। যত রকম নিয়মভঙ্গে সিদ্ধ। বেয়াদবি আচরণে তার যত উৎসাহ। সে যেমন কলকব্জা সারাতে পারে আবার ছবি আঁকতেও দক্ষ। নিষিদ্ধ মাংস খায়, অগাধ পয়সা থাকা সত্ত্বেও কারখানায় শৌখিন মজদুরি করে। গ্যাঁটের পয়সা খরচা করে নিজের আঁকা ছবির প্রদর্শনী করে প্রশংসা পাবে বলে।

রবিবার গল্পের অন্যান্য চরিত্র:
- অভীক কুমার বা অভয়চরণ, বিভা।

অন্যদিকে,
- ল্যাবেরেটরি গল্পের প্রধান চরিত্র - সোহিনী।
- নষ্টনীড় ছোটগল্পের চরিত্র - চারুলতা, ভূপতি, উমাপতি, মন্দাকিনী, অমল প্রমুখ।
- ‘ক্ষুধিত পাষাণ’ ছোটগল্পের চরিত্র 'মেহের আলি'। 

উৎস: রবিবার’ গল্প; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬.
'ময়ূরভট্ট' কোন ধারার কবি?
  1. অন্নদামঙ্গল
  2. ধর্মমঙ্গল
  3. মনসামঙ্গল
  4. কালিকামঙ্গল
ব্যাখ্যা
• 'ময়ূরভট্ট' — ধর্মমঙ্গল কাব্য ধারার কবি ছিলেন।

• 'ধর্মমঙ্গল' কাব্য:
- ধর্ম ঠাকুরের নামে এই মঙ্গলকাব্য সৃষ্ট হয়েছে।
- ধর্মমঙ্গল কাব্য দুটি পালায় বিভক্ত - রাজা হরিশ্চন্দ্রের গল্প এবং লাউসেনের গল্প।
- ধর্মমঙ্গল ধারার প্রথম কবি - ময়ূরভট্ট। তাঁর রচিত গ্রন্থ 'হাকন্দপুরাণ'।
- ধর্মমঙ্গলের দুজন প্রধান কবি রূপরাম চক্রবর্তী ও ঘনরাম চক্রবর্তী।
- ধর্মমঙ্গল ধারার আঠার শতকের শ্রেষ্ঠ কবি ঘনরাম চক্রবর্তী। তাঁর রচিত গ্রন্থ 'শ্রীধর্মমঙ্গল'।
ধর্মমঙ্গল ধারার অন্যান্য কবি: রূপরাম চক্রবর্তী, খেলারাম চক্রবর্তী, মানিক রাম, শ্যাম পণ্ডিত, নরসিংহ বসু প্রমুখ।

অন্যদিকে,
• মানিকদত্ত, দ্বিজ মাধব, দ্বিজরাম দেব, মুক্তরাম সেনও এ ধারার কবি।
• মনসা মঙ্গল কাব্যধারার কবি– কানাহরি দত্ত, নারায়ণদেব, বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপিলাই, দ্বিজ বংশীদাস, কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ।
• 'অন্নদামঙ্গল’ ধারার কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর।
১৭.
‘সাধনা’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. সুধীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• ’সাধনা’ পত্রিকা:
- এটি জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের তরুণ-বংশধরদের সম্পাদিত চতুর্থ পত্রিকা।
- সাধনা প্রথম প্রকাশিত হয় ১২৯৮ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ মাসে (ডিসেম্বর, ১৮৯১)।
- ১৮৯১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভ্রাতুষ্পুত্র সুধীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পাদনায় পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশ ঘটে।
- চতুর্থ বছর সম্পাদনার ভার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই গ্রহণ করেন।
- এই পত্রিকার প্রধান লেখক ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৮.
'Audio' এর বাংলা পরিভাষা -
  1. শ্রাব্য
  2. শ্রুতি
  3. শ্রাব্যতা
  4. ক এবং খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• 'Audio' এর বাংলা পরিভাষা - (শ্রাব্য; শ্রুতি) উভয়ই।

আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ হলো:
• 'Deadlock' - 'অচলাবস্থা'।
• 'Apprentice' - 'শিক্ষানবিস'।
• ‘Edition’ - 'সংস্করণ'।
• 'Manuscript' - 'পাণ্ডুলিপি'।
• 'Deceit' - 'প্রতারণা'।
• 'Manual’ - 'সারগ্রন্থ'।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
১৯.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গল্প -
  1. মহাযুদ্ধ
  2. কালো ঘোড়া
  3. জন্ম যদি তব বঙ্গে
  4. ঘেরাও
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গল্প - জন্ম যদি তব বঙ্গে।
- এটি শওকত ওসমান রচিত 'জন্ম যদি তব বঙ্গে' গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত গল্প।
- গ্রন্থটি ১৯৭৫ সালে প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে,
• ইমদাদুল হক মিলন রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস- ঘেরাও, মহাযুদ্ধ, কালো ঘোড়া।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
২০.
'বিদ্যুৎ' এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. ক্ষণপ্রভা
  2. সৌদামিনী
  3. চিকুর
  4. বিপিন
ব্যাখ্যা
• 'বিদ্যুৎ' এর সমার্থক শব্দগুলো হলো:
- বিজলি, তড়িৎ, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, চপলা, চঞ্চলা, চিকুর, দামিনী, শম্পা, অচিরপ্রভা।

অন্যদিকে,
‘বন’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- কান্তার, অরণ্য, জঙ্গল, অটবি, কানন, বিপিন, গহন, কুঞ্জ, উপবন, বনানী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২১.
জসীম উদ্‌দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থটি কবে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯২০ সালে
  2. ১৯২১ সালে
  3. ১৯২৭ সালে
  4. ১৯২৫ সালে
ব্যাখ্যা
• ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থ: 
- 'কবর' কবিতাটি কবি জসীম উদ্‌দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’র অন্তর্ভুক্ত।
- কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে। 
- এই কাব্যে মোট ১৯টি কবিতা সংকলিত হয়েছে। 
- 'কবর' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় 'কল্লোল' পত্রিকায়। 
- 'কবর' কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত যাতে ১১৮টি পঙ্‌ক্তি আছে।
----------------------- 
• জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর রচিত উপন্যাস 'বোবা কাহিনী'।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।
- তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন। 
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।
 
• তাঁর রচিত বিখ্যাত গাথাকাব্য: 
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।
 
• তাঁর রচিত জনপ্রিয় খণ্ড কবিতার সংকলন:
- রাখালী,
- বালুচর,
- রূপবতী,
- ধানখেত,
- মাটির কান্না,
- সুচয়নী।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
২২.
'শ্রীঘর' বাগ্‌ধারাটির অর্থ কোনটি?
  1. সুন্দর ঘর
  2. ফুলবাবু
  3. বৈঠকখানা
  4. জেলখানা
ব্যাখ্যা
• 'শ্রীঘর' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - 'জেলখানা'।

গুরুত্বপুর্ণ কয়েকটি বাগ্‌ধারা:
• 'দক্ষযজ্ঞ' অর্থ -ব্যাপক আয়োজন,
• 'ধর্মের ষাড়' অর্থ - যথেচ্ছাকারী,
• 'পঞ্চত্ব প্রাপ্ত' অর্থ - মারা যাওয়া।
• 'অকড়িয়া' অর্থ: ধনহীন। 
• ‘ডাকাবুকো’ অর্থ: নির্ভীক।
• ‘কানকাটা’ অর্থ: বেহায়া।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ, মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ), বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা বানান অভিধান।
২৩.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. দৌরাত্ম
  2. দৌরাত্য
  3. দৌরাত্ম্য
  4. দোরাত্ম্য
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
শুদ্ধ বানানটি হলো — দৌরাত্ম্য।

• 'দৌরাত্ম্য' অর্থ :
- দুরাত্মার কাজ, উৎপীড়ন।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৪.
কোনগুলো মহাপ্রাণ ধ্বনি?
  1. প, ব
  2. দ, স
  3. ঠ, ঢ
  4. চ, জ
ব্যাখ্যা
• 'ঠ, ঢ' - মহাপ্রাণ ধ্বনি।

• মহাপ্রাণ ধ্বনি:
- যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস জোরে বের হয়ে যায়, বাতাসের চাপ বেশি থাকে তাকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে।
- বর্গের ২য় ও ৪র্থ ধ্বনি হচ্ছে মহাপ্রাণ ধ্বনি।
- যথা- (খ, ঘ), (ছ, ঝ), (ঠ, ঢ), (থ, ধ), (ফ, ভ) এবং 'হ' ইত্যাদি। 

অন্যদিকে,
• অল্পপ্রাণ ধ্বনি:
সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহের মাত্রা অপেক্ষাকৃত কম, সেগুলোকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন - প, ব, ত, দ, স, ট, ড, ড়, চ, জ, শ, ক, গ ইত্যাদি।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ)।
২৫.
বাংলা একাক্ষর যুক্ত শব্দে 'ও' কার কেমন হয়?
  1. দীর্ঘ
  2. স্বল্প
  3. একই
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাক্ষর শব্দে 'ও' - এর উচ্চারণ দীর্ঘ হয়।
যেমন - গো, জোর, রোগ, ভোর, কোন, বোন ইত্যাদি।

একাক্ষর ব্যতীত অন্যত্র উচ্চারণ হ্রস্ব হয়।
যেমন - সোনা, কারো, পুরোভাগ ইত্যাদি।

ও - এর উচ্চারণ ইংরেজি বোট (Boat) শব্দের oa - এর মতো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম - দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র - এস.এস.সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
'মধুমাখা' কোন তৎপুরুষ সমাস?
  1. তৃতীয়া
  2. চতুর্থী
  3. দ্বিতীয়া
  4. পঞ্চমী
ব্যাখ্যা
• তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস:
যে সমাসে পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তির (দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক, তে ইত্যাদি) লােপ পায়, তাকে বলা হয় তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস।
যেমন-
মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা,
বাগ দ্বারা দত্তা = বাগদত্তা,
মন দ্বারা গড়া = মনগড়া,
শ্রম দ্বারা লব্ধ = শ্রমলব্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম - দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
কোনটি ক্রিয়াজাত বিশেষণের উদাহরণ?
  1. খাবার পানি
  2. হারানো সম্পত্তি
  3. অনাগত দিন
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বিভিন্নভাবে বিশেষণ গঠনের পদ্ধতি:
• ক্রিয়াজাত বিশেষণ- খাবার পানি, হারানো সম্পত্তি, অনাগত দিন, ইত্যাদি।
• অব্যয়জাত জাত: আচ্ছা মানুষ; উপরি পাওনা।
• সর্বনাম জাত: কবেকার কথা; কোথাকার কে।
• সমাসসিদ্ধ বিশেষণ: বেকার, চৌচালা ঘর।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম - দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৮.
'উতরাই' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. নিরুৎসাহ
  2. চড়াই
  3. গুপ্ত
  4. হরদম
ব্যাখ্যা
• 'চড়াই' এর বিপরীত শব্দ- 'উতরাই'।

অন্যদিকে,
'উৎসাহ' - নিরুৎসাহ;
• ‘গুপ্ত’ - ব্যক্ত / প্রকাশিত।
• 'হরদম' - 'কদাচিৎ'।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:
• চিরায়ত - সাময়িক।
• গ্রহণ - বর্জন।
• গ্রহীতা - দাতা।
• 'সন্ধি' - বিবাদ, বিগ্রহ
• 'হৃদ্যতা' - 'কপটতা'।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৯.
'যা বপন করা হয়েছে এমন' এর এক কথায় প্রকাশ কোনটি?
  1. উদ্ভিদ
  2. উক্ত
  3. অদম্য
  4. উপ্ত
ব্যাখ্যা
• 'যা বপন করা হয়েছে এমন' এর এক কথায় প্রকাশ- 'উপ্ত'।

অন্যদিকে,
• 'বলা হয়েছে যা' এর এক কথায় প্রকাশ- 'উক্ত'। 
• 'যা মাটি ভেদ করে উঠে' এর এক কথায় প্রকাশ: 'উদ্ভিদ'। 
• 'যা দমন করা যায় না' এর এক কথায় প্রকাশ: 'অদম্য'।

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
৩০.
'অর্ধাঙ্গী' কোন ধরনের শব্দ?
  1. যৌগিক শব্দ
  2. রূঢ়ি শব্দ
  3. মৌলিক শব্দ
  4. যোগরূঢ় শব্দ
ব্যাখ্যা
রূঢ়ি শব্দ:
যেসব শব্দ গঠনের উপাদান অর্থাৎ প্রকৃতি-প্রত্যয় অনুসারে অর্থ প্রকাশ না করে অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে সেসব শব্দকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন-
- 'সন্দেশ' শব্দটির প্রকৃতি-প্রত্যয় (সম্ + দেশ) অনুসারে অর্থ হলো সংবাদ। কিন্তু সন্দেশ বলতে আমরা বুঝি এক ধরনের মিষ্টি। প্রকৃত অর্থ না বুঝিয়ে অন্য অর্থ বোঝাচ্ছে, তাই এটি রূঢ়ি শব্দ।

আবার,
অর্ধাঙ্গী' এর বিশ্লেষণ (অর্ধাঙ্গ + ঈ); ব্যুৎপত্তিগত অর্থ - দেহের অর্ধাংশ। কিন্তু ব্যবহারিক শব্দ - স্ত্রী।

আরো কিছু রূঢ়ি শব্দ:
- হস্তী, বাঁশি, তৈল, প্রবীণ ইত্যাদি।  

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০১৯); বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৩১.
"A Pair of Blue Eyes" is a _______ .
  1. Romantic novel
  2. Elizabethan drama
  3. Modern novel
  4. Victorian novel
ব্যাখ্যা
• "A Pair of Blue Eyes" is a Victorian novel.
- 'A Pair of Blue Eyes' উপন্যাসের রচয়িতা হচ্ছে Victorian Period -এর novelist এবং poet - Thomas Hardy.
- সুতরাং, 'A Pair of Blue Eyes' is a Victorian novel.

• A Pair of Blue Eyes
- "A Pair of Blue Eyes" হলো ইংরেজি লেখক Thomas Hardy রচিত একটি উপন্যাস, যা ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি Thomas Hardy -এর প্রথম দিকের উপন্যাসগুলোর মধ্যে একটি এবং তার ভবিষ্যৎ সাহিত্যকর্মের অনেক মূল বিষয় এখানে পাওয়া যায়।
- এটি তার পরবর্তী বিখ্যাত উপন্যাস "Far from the Madding Crowd" এবং "Tess of the d’Urbervilles"-এর জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছে।

• Summary
 - এটি Thomas Hardy এর একটি জটিল প্রেমের উপন্যাস, যেখানে প্রেম, সামাজিক বাধা এবং নৈতিক দ্বন্দ্বের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রে Elfride Swancourt, এক নীল চোখের সুন্দরী  ও বুদ্ধিমতী যুবতী, যার প্রতি দুই পুরুষের—Stephen Smith ও Henry Knight—প্রেম গভীরভাবে জড়িয়ে পড়ে। তারা প্রথমে বন্ধু ছিল কিন্তু পরে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে। তারা একে অপরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং Elfride Swancourt কে পাবার চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত তাদের বন্ধুত্ব ও প্রেম দুটোই হারিয়ে ফেলে।

- Stephen একজন সাধারণ স্থপতি হলেও নাইট একজন সমালোচক এবং স্টিফেনের বন্ধু। Elfride প্রেম ও কর্তব্যের মধ্যে জটিলতার শিকার হয়ে পড়ে, এবং তার হৃদয়ের দোলাচল ও সমাজের চাপে পড়ে সম্পর্কগুলোতে সমস্যা দেখা দেয়। উপন্যাসটি ট্র্যাজেডি ও রোমান্সের মিশ্রণে মানুষের আবেগ, হতাশা ও নিয়তির অপ্রতিরোধ্য পরিণতির কাহিনি তুলে ধরে।

- উপন্যাসের শেষে Elfride -এর মৃত্যু ঘটে, যা গল্পের মূল চরিত্রদের জীবনে গভীর আবেগ ও দুঃখ হতাশার সৃষ্টি করে। Henry Knight এবং Stephen Smith, যারা তাকে ভালোবাসতো, দুজনেই Elfride -এর প্রতি তাদের ভুল বোঝাবুঝি ও সংকোচের জন্য অনুশোচনায় ভুগতে থাকে। Elfride -এর আকস্মিক মৃত্যু গল্পটিকে একটি বেদনাদায়ক পরিণতির দিকে নিয়ে যায়, যা Thomas Hardy এর অন্যান্য রচনার মতোই জীবনের নির্মম বাস্তবতা ও মানব মনের জটিলতাকে তুলে ধরে। উপন্যাসের এই সমাপ্তি পাঠকদের মনে গভীর সহানুভূতি এবং বিষণ্নতার সৃষ্টি করে।

• Thomas Hardy
- Thomas Hardy ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি, যিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম প্রধান লেখক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি মূলত বাস্তববাদ (Realism) এবং প্রকৃতিবাদ (Naturalism) সাহিত্যধারার অনুসারী ছিলেন।
- তার উপন্যাসগুলোতে ইংল্যান্ডের গ্রামীণ জীবন, সামাজিক কুসংস্কার, প্রেম, ট্র্যাজেডি এবং নিয়তির বিরুদ্ধে মানুষের সংগ্রামকে গভীরভাবে চিত্রিত করা হয়েছে।
- He was also a regional novelist and a poet কারণ একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়।
- তিনি Victorian peroid-এর শ্রেষ্ঠ উপন্যাসিক বিবেচিত হয়।

• Famous Novels:
- Tess of the d'Urbervilles,
- Far from the Madding Crowd,
- A Pair of Blue Eyes,
- The Return of the Native,
- The Poor Man and the Lady,
- The Mayor of Casterbridge,
- Jude the Obscure, etc.

• Note: 'The Bluest Eye' নামে Modern Period -এর American writer - Toni Morisson -এর একটি উপন্যাস রয়েছে।

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.
৩২.
The central character 'Heathcliff' appears in-
  1. Jane Eyre
  2. Pride and Prejudice
  3. Wuthering Heights
  4. Candida
ব্যাখ্যা
• The central character 'Heathcliff' appears in the novel Wuthering Heights.

• Wuthering Heights
- 'Wuthering Heights' is a novel by Emily Bronte.
- এই উপন্যাসটি ১৮৪৭ সালে Emily Bronte ছদ্মনাম Ellis Bell নামে প্রকাশিত হয়।
- This intense, solidly imagined novel is distinguished from other novels of the period by its dramatic and poetic presentation, its abstention from authorial intrusion, and its unusual structure.
- Wuthering Heights by Emily Bronte হচ্ছে Gothic Novel -এর একটি অন্যতম উদাহরণ।

• Summary
- Heathcliff এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র একজন এতিম বালক।
- অন্যের আশ্রয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে আশ্রয়দাতার কন্যা Catherine Earnshaw এর সাথে তার মনের মিলন ঘটে, দুইজন দুইজনকে ভালোবেসে ফেলে।
- কিন্তু Catherine প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে অন্যত্র বিয়ে করলে Heathcliff নিরুদ্দেশ হয়ে যায়।
- যখন ফিরে আসে তখন সে অঢেল অর্থ বিত্তের মালিক।
- কাহিনীর এ পর্যায়ে তাকে তার মালিকের বাড়ী Wuthering Heights কিনে নেয়ার পাশাপাশি প্রাক্তন প্রেমিকা Catherine এর ননদের সাথে প্রেমের অভিনয় করে সম্পত্তির লোভে তাকে বিয়ে করতে দেখা যায়।
- পরবর্তীতে এই বিয়েটা ভেঙে যায় এবং এরপর Catherine মারা যায়। তার ভাই Hindley ও মারা যায়। কিন্তু তাদের সন্তানরা ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে।
- Heathcliff এর সন্তানও এদের সাথে যোগ দেয়। এভাবে কাহিনী এক প্রজন্ম থেকে পরের প্রজন্মের মাঝে এগিয়ে চলে।

• Main characters:
- Catherine Earnshaw,
- Heathcliff (The central character)
- Cathy Linton,
- Edgar Linton,
- Isabella Linton,
- Lockwood, etc.

• Emily Bronte
- Emily Bronte ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি, যিনি মাত্র একটি উপন্যাস লিখেই সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।
- তার একমাত্র উপন্যাস "Wuthering Heights" ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম সেরা ক্লাসিক এবং Gothic ও Romantic ধারার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রচনা।
- তিনি ছিলেন বিখ্যাত Bronte বোনদের একজন। তার দুই বোন Charlotte Bronte এবং Anne Bronte -ও ছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক।
- “Wuthering Heights” উপন্যাসকে ঘিরেই মূলত তার পরিচতি।
- ত্রিশ বছর বয়সেই মৃত্যু বরণ করেন।

• Notable Works:
- Poems by Currer, Ellis, and Acton Bell,
- Wuthering Heights, etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.
3. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
৩৩.
Who is the composer of the poem 'The Nightingale'?
  1. S. T. Coleridge
  2. P. B. Shelley
  3. John Keats
  4. William Wordsworth
ব্যাখ্যা
• S. T. Coleridge is the composer of the poem 'The Nightingale'.

• The Nightingale
- তিনি ১৭৯৮ সালের এপ্রিল মাসে এই কবিতাটি লিখেছিলেন।
- এটি Lyrical Ballads এর প্রথম সংস্করণে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- “The Nightingale” is subtitled “A Conversation Poem” and is an example of Coleridge’s use of blank verse—unrhymed lines in iambic pentameter—to approximate the register of natural speech.
- Coleridge -এর কবিতা কখনোই Wordsworth -এর মতো সরাসরি কথোপকথনের মতো মনে হয় না, কারণ Coleridge সাধারণত কাব্যিক সুর ও ছন্দবদ্ধ সংগীতধর্মী শৈলীকে বেশি প্রাধান্য দেন, যা সরল বর্ণনার চেয়ে শৈল্পিকভাবে সমৃদ্ধ।
- তবে "The Nightingale" Coleridge -এর অন্যতম Wordsworthian (ওয়ার্ডসওয়ার্থের শৈলীর অনুরূপ) কবিতা, কারণ এর গঠন ও বিষয়বস্তু দুটোই প্রকৃতি এবং মানব অভিজ্ঞতার সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত।

• Summary
- কবিতায় কবি নাইটিঙ্গেল পাখির গান নিয়ে প্রচলিত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। কবিতায় তিনি বলেছেন, নাইটিঙ্গেলের গান দুঃখের বা melancholic নয়, বরং এটি আনন্দের ও প্রকৃতির উল্লাসের প্রতীক। তিনি বলেন কবিরা ভুলভাবে এই পাখির গানকে বিষণ্ণতার সাথে যুক্ত করেছেন। প্রকৃতি সব সময় আনন্দময় ও সজীব, কিন্তু মানুষই নিজের দুঃখ প্রকৃতির ওপর আরোপ করে।কবিতাটি প্রকৃতির প্রতি রোমান্টিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে এবং মানব-সৃষ্ট ধারণার বদলে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার গুরুত্ব তুলে ধরে।

- এই কবিতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গত ধারণাটি হলো প্রকৃতিকে মানুষের অনুভূতির মূর্ত প্রতীক হিসাবে বর্ণনা করা উচিত নয় - অর্থাৎ, একজন বিষণ্ণ মানুষ নাইটিঙ্গেলের গানে তার নিজের অনুভূতিগুলিকে চিনতে পারে বলে মনে হয় তার মানে এই নয় যে নাইটিঙ্গেলের গানটি বিষাদময়।

• Samuel Taylor Coleridge
- তিনি একজন English lyrical poet, critic এবং philosopher.
- তাকে Poet of Supernaturalism বলা হয়।
- William Wordsworth -এর সঙ্গে মিলে তিনি "Lyrical Ballads" (১৭৯৮) গ্রন্থটি রচনা করেন, যা ইংরেজি রোমান্টিক আন্দোলনের সূচনা করে।

• Notable Works:
- Biographia Literaria; (Literary criticism/autobiography)
- Christabel; (long narrative ballad)
- Dejection: An Ode;
- Frost at Midnight;
- Kubla Khan;
- Lyrical Ballads;
- The Nightingale;
- On the Constitution of the Church and State;
- The Rime of the Ancient Marine, etc.

• Note:
- The Nightingale নামে Sir Philip Sidney ও একটি কবিতা লিখেছেন।
- আবার, Ode to a Nightingale হলো John Keats -এর লিখা কবিতা।

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.
3. Poetry Foundation.
৩৪.
"To Helen" is a famous poem written by-
  1. An American poet
  2. A British poet
  3. An Irish poet
  4. A French poet
ব্যাখ্যা
• "To Helen" is a famous poem written by An American poet Edgar Allan Poe.

• To Helen
- "To Helen" হলো Edgar Allan Poe রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা, যা প্রেম, সৌন্দর্য এবং অনুপ্রেরণা নিয়ে লেখা হয়েছে।
- কবিতাটিতে কবি একজন নারীর (Helen) প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা ও প্রেম প্রকাশ করেন, যাকে তিনি তার জীবনের সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করেন।
- "To Helen" is the first of two poems to carry that name written by Edgar Allan Poe.

• কবিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ লাইন হলো:
- "Helen, thy beauty is to me
Like those Nicean barks of yore"
- এখানে কবি হেলেনের সৌন্দর্যকে পুরানো জাহাজের সাথে তুলনা করেন, যা তাকে অতীতের সুখী সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়।
- এই কবিতার প্রভাব পড়েছে জীবনানন্দ দাসের "বনলতা সেন" কবিতায়।

• Edgar Allan Poe (1809-1849)
- Edgar Allan Poe was an American short-story writer, poet, critic, and editor.
- He is generally considered the inventor of the detective fiction genre.
- তার গল্প "The Murders in the Rue Morgue" (1841) আধুনিক গোয়েন্দা গল্পের সূচনা করেছিল, এবং তার ভয়াবহ গল্পের আবহমণ্ডল আমেরিকান কথাসাহিত্যে অতুলনীয়।
- তার "The Raven" (1845) জাতীয় সাহিত্যের সর্বাধিক পরিচিত কবিতাগুলির মধ্যে অন্যতম।
- Nearly forty-five years after Poe’s death, Sir Arthur Conan Doyle popularized the detective story when he created Sherlock Holmes.

• Notable Works:
• Poems:
- To Helen,

- The Bells,
- The Raven,
- Ulalume,
- To One in Paradise (Poetry),
- The Valley of Unrest (Poetry), etc.

• Short story:
- The Tell-Tale Heart,
- Morella,
- The Fall of the House of Usher,
- The Black Cat,
- The Oval Portrait,
- The Gold Bug, etc.

Source: Britannica.
৩৫.
"The Second Coming" is-
  1. a pamphlet
  2. a poem
  3. a novel
  4. a short story
ব্যাখ্যা
• "The Second Coming" is a poem.

• The Second Coming
- 'The Second Coming' হলো William Butler Yeats লিখিত একটি বিখ্যাত কবিতা।
- It is a two-stanza poem in blank verse.
- "The Second Coming" কবিতাটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বের বিশৃঙ্খলা ও নৈতিক অধঃপতন নিয়ে লেখা।
- Yeats এখানে খ্রিস্টান ধারণা অনুযায়ী যীশুর পুনরাগমন (Second Coming) নিয়ে কথা বললেও, কবিতায় তিনি ভয়ানক কিছু আসন্ন বিপর্যয়ের পূর্বাভাস দেন।
- "The Second Coming" একটি ভবিষ্যদ্বাণীমূলক কবিতা, যেখানে ইয়েটস বিশ্বযুদ্ধের পরের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ও সভ্যতার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ তুলে ধরেছেন।

• কবিতার মূল থিম:
- বিশ্বের বিশৃঙ্খলা ও নৈতিক বিপর্যয়।
- সভ্যতার পতন ও এক নতুন ভয়ের যুগের আগমন।
- ভবিষ্যতের এক ভয়াবহ রূপ।

• William Butler Yeats (1865-1939)
- Yeats ছিলেন একজন আইরিশ কবি, নাট্যকার এবং সাহিত্যিক, যিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।
- William Butler Yeats is a famous literary figure who belongs to the Modern Period.
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে তিনি এবং তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলো।
- নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।
- W.B Yeats কে Ireland -এর 'National Poet' বলা হয়ে থাকে।
- তিনি ১৯২৩ সালে প্রথম আইরিশ হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• His notable poems:
- No Second Troy,
- The Second Coming,
- A Prayer for My Daughter,
- The Tower,
- Easter 1916,
- September 1913,
- The Stolen Child,
- Sailing to Byzantium,
- The Lake Isle of Innisfree,
- The Man Who Dreamed of Fairyland,
- An Irish Airman Foresees His Death, etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.
৩৬.
"I must be cruel only to be kind"
This is an example of-
  1. Hyperbole
  2. Metaphor
  3. Paradox
  4. Antithesis
ব্যাখ্যা
• "I must be cruel only to be kind"
- This is an example of Paradox.

• Paradox (কূটাভাস; পরস্পরবিরোধী সত্য):
- A paradox is a statement that contradicts itself, or that must be both true and untrue at the same time.
- A situation or statement that seems impossible or is difficult to understand because it contains two opposite facts or characteristics.
- অর্থাৎ, যে উক্তি আপাতদৃষ্টিতে স্ববিরোধী মনে হলেও সত্যবর্জিত নয়; যা আপাতদৃষ্টিতে স্ববিরোধী মনে হলেও গভীর অর্থ বহন করে।
- যেমন: I must be cruel only to be kind. (Hamlet, Shakespeare)
- যেখানে surface meaning কিংবা আপাত দৃষ্টিতে লাইনটির অর্থ contradictory.

• এর আরেকটি চমৎকার উদাহরণ হচ্ছে -'Sweet are the uses of adversity'
- যেখানে surface meaning কিংবা আপাত দৃষ্টিতে লাইনটির অর্থ contradictory মনে হয় যে adversity is bitter.
- কিন্তু এর deeper meaning এ বোঝা যায় যে adversity carries within itself the sweetness of achievement.

• More Examples of Paradox:
- The world will be saved by failure.
- Cowards die many times before their deaths.
- The world will be saved by failure.

• Other options:
ক) Hyperbole (অতিশয়োক্তি)
- An exaggerated statement or an extreme overstatement.
- অতিশয়োক্তি; অত্যুক্তি; অতিরঞ্জন।
- যেমন: "Ten thousand saw I at a glance," (Wordsworth: Daffodils).

খ) Metaphor (রূপকালংকার)
- A metaphor is an implicit comparison between two different things.
- যখন কোনো বাক্যে দুটি ভিন্ন জিনিসের মাঝে পরোক্ষভাবে বা রূপকার্থে তুলনা করা হয় তাকে Metaphor বলা হয়।
- সাধারণত Metaphor দ্বারা এমন দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা দেওয়া হয় যারা একই রকম বা সদৃশ নয় কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু সাধারণ মিল থাকে।
- যেমন:
- Revenge is a wild justice.
- Life is but a walking shadow.

ঘ) Antithesis (পরস্পরবিরোধী ভাবধারার সন্নিবেশ; বিরোধালংকার)
- “Antithesis” literally means “opposite” – it is usually the opposite of a statement, concept, or idea.
- এমন একটি অলংকার, যেখানে পরস্পর বিপরীত অর্থবোধক শব্দ বা ভাব একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়, যা একটি নাটকীয় বৈপরীত্য সৃষ্টি করে।
- যেমন: "It was the best of times, it was the worst of times."
- এখানে "best times" এবং "worst times" -এর মাধ্যমে পরস্পর বিরোধী ভাব প্রকাশ করা হয়েছে, যা Antithesis-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য।

Source:
1. Literary terms.net
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
৩৭.
A science-fiction novel 'The Invisible Man' was written by-
  1. Toni Morrison
  2. George Orwell
  3. George Eliot
  4. H. G. Wells
ব্যাখ্যা
• A science-fiction novel 'The Invisible Man' was written by H. G. Wells.

• The Invisible Man
- এটি H. G. Wells রচিত একটি science fiction novel.
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৯৭ সালে।
- It is one of Wells's most famous works and explores themes of isolation, power, and the consequences of scientific experimentation.
- গল্পটির কেন্দ্রবিন্দু হল Griffin নামক এক প্রতিভাবান কিন্তু মানসিকভাবে অস্থির এক scienitist যিনি অদৃশ্য হওয়ার সূত্র আবিষ্কার করেন।
- তিনি নিজের শরীরে এই সূত্র প্রয়োগ করে অদৃশ্য হয়ে যান, কিন্তু নিজেকে আবার দৃশ্যমান করার কোনো উপায় খুঁজে পান না।
- প্রথমে তিনি এই ক্ষমতাকে লুকিয়ে থাকার সুবিধা হিসেবে দেখলেও, পরে এটি এক ভয়ংকর অভিশাপে পরিণত হয়।
- তিনি ক্রমশ মানসিকভাবে অস্থির হয়ে পড়েন এবং ক্ষমতার লোভে অপরাধমূলক কাজকর্মে জড়িয়ে পড়েন।
- অবশেষে মানুষ তাকে ধরতে সক্ষম হয় এবং তিনি নিহত হন।

• H. G. Wells (1866-1946)
- তার পুরো নাম Herbert George Wells.
- H. G. Wells was an English novelist, journalist, sociologist, and historian best known for such science fiction novels.
- তিনি মূলত তার কল্পবিজ্ঞান (Science Fiction) উপন্যাস ও ছোটোগল্পগুলির জন্য সমধিক পরিচিত।
- তার বিখ্যাত Science Fiction রচনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো "The Time Machine" এবং "The War of the Worlds"।

• Notable works:
- The Time Machine,
- The Invisible Man, 
- The War of the Worlds,
- The New Machiavelle,
- The First Men in the Moon,
- The Science of Life,
- The Shape of Things to Come,
- Experiment in Autobiography,
- The Island of Dr. Moreau, etc. 

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
৩৮.
Which of the following is not written by Virginia Woolf?
  1. Mrs. Dalloway
  2. The Voyage Out
  3. The Big Wave
  4. To the Lighthouse
ব্যাখ্যা
• "The Big Wave" is not written by Virginia Woolf.
- "The Big Wave" হলো American author - Pearl S. Buck -এর একটি হৃদয়স্পর্শী এবং জীবনদর্শনমূলক উপন্যাস, যা মূলত জাপানি সংস্কৃতি এবং প্রকৃতির শক্তির উপর ভিত্তি করে রচিত।

• অন্যদিকে,
- Mrs. Dalloway, The Voyage Out, To the Lighthouse হলো Virginia Woolf -এর লিখা উপন্যাস।

• Virginia Woolf (1882-1941)
- Virginia Woolf ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক এবং প্রখ্যাত সাহিত্যিক, যিনি আধুনিক সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব।
- তিনি ছিলেন একজন বিপ্লবী লেখক, যিনি নারীদের অধিকার, আধুনিক সমাজ এবং মানবীয় অনুভূতির জটিলতা নিয়ে গভীর চিন্তা করেছেন।
- She is best known for her novels, especially Mrs. Dalloway (1925) and To the Lighthouse (1927).
- তাকে one of the most important modernists from 20th-century authors হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

• Notable works:
- The Voyage Out,
- A Room of One’s Own,
- Between the Acts,
- Mrs. Dalloway,
- To the Lighthouse,
- Mr. Bennett and Mrs. Brown,
- The Waves,
- Flush,
- Freshwater,
- Jacob’s Room,
- Kew Gardens,
- Modern Fiction,
- Orlando,
- The Art of Fiction,
- The Common Reader, etc.

Source: Britannica.
৩৯.
Alfred Tennyson is the composer of-
  1. Ulysses
  2. In Memoriam
  3. Lotus Eaters
  4. All of these
ব্যাখ্যা
• Alfred Tennyson is the composer of All of these.

• Alfred Tennyson (1809-1892)
- In full: Alfred Tennyson, 1st Baron Tennyson of Aldworth and Freshwater.
- তিনি একজন Victorian poet.
- Alfred, Lord Tennyson ছিলেন একজন ইংরেজ কবি, যিনি Victorian period -এর অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে পরিচিত।
- তার কবিতায় প্রকৃতি, প্রেম, মৃত্যু, এবং মানব-মানবী সম্পর্ক বিশালভাবে ফুটে উঠেছে। 
- English poet often regarded as the chief representative of the Victorian age in poetry.

• The great poems of Tennyson:
- The Lotos Eaters,

- Morte D' Arthur,
- Ulysses,
- Oenone,
- In Memoriam,
- Tithonus,
- The Princess,
- Crossing the Bar,
- Aurora, etc.

Source: Britannica.
৪০.
The term 'Prima facie' means-
  1. Premier value
  2. Common person
  3. On the first impression
  4. Exceptional skill
ব্যাখ্যা
• The term 'Prima facie' means- গ) On the first impression

• Prima facie (Adjective, adverb)
- English Meaning: Based on the first impression; at first view: on the first appearance.
- Bangla Meaning: (লাতিন) প্রথমলব্ধ ধারণার ভিত্তিতে; আপাতদৃষ্টিতে; প্রথমদর্শনে; আপাতদৃষ্টে।

• Ex. Sentence: There is strong prima facie evidence that she committed perjury.
- Bangla Meaning: এখানে শক্তিশালী আপাতপর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে যে সে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছে।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Dictionary.
৪১.
The crowd was very big.
What kind of noun is 'crowd'?
  1. Proper noun
  2. Abstract noun
  3. Common noun
  4. Collective noun
ব্যাখ্যা
• The crowd was very big.
- 'crowd' is- Collective noun
- The word "crowd" refers to a group of people considered as a single entity.

• Collective noun:
- A collective noun is a noun that refers to a group of individuals or things considered as a single unit
- যে সকল noun দ্বারা সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের অবিভক্ত সমষ্টিকে বোঝায় তাদেরকে Collective noun বলে।
- For example, an army is a group of soldiers, and a team is a group of players.
- অর্থাৎ, কিছু Common noun-এর সমষ্টিকেই Collective noun বলে।

• আরও কিছু Collective noun হলো - Family, audience, herd, public, library, jury, committee, crew, majority, minority, etc.

• অন্যদিকে,
• Proper noun: Names a specific person, place, or organization (e.g., Dhaka, Rahim).
• Abstract noun: Denotes an idea, quality, or state rather than a concrete object (e.g., happiness, freedom).
• Common noun: A general name for a person, place, or thing (e.g., city, teacher).

Source:
1. A passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. NCTB English Grammar (Class 9 & 10)
৪২.
If another killing _____, we will take an even tougher stance.
  1. would occur
  2. had occurred
  3. occurs
  4. is occurred
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: If another killing occurs, we will take an even tougher stance.
- Bangla meaning: যদি আরেকটি হত্যাকাণ্ড ঘটে, তাহলে আমরা আরও কঠোর অবস্থান নেব।

• প্রশ্নটি মূলত First conditional -এর উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।
- একটি conditional sentence-এ দুটি অংশ থাকে।
1. Condition বা শর্ত,
2. Consequence বা ফলাফল।

• First Conditional -এর নিয়মানুযায়ী:
- শর্তযুক্ত অংশে If +present indefinite যুক্ত clause থাকলে, main clause টিতে future indefinite tense হবে।
- সাধারণ বিষয় বা ঘটনার ক্ষেত্রে পরবর্তী clause -এ future indefinite tense হয়।

• Structure: If + present indefinite + future indefinite./ Future indefinit + If + present indefinite.

- যেমন: If another killing occurs, we will take an even tougher stance.
- Here, "If" clause uses simple present tense (occurs), and the Main clause uses simple future tense (Here, "will take")

• Note: "Occur" is an intransitive verb that doesn't use passive voice.
- একারণে ঘ) is occurred হলো ভুল ব্যবহার।

Source:
1. A passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.
৪৩.
Find out the active form of the sentence:
By whom was the decision made?
  1. The decision was made by who?
  2. Who made the decision?
  3. By who the decision was made?
  4. Who can make the decision?
ব্যাখ্যা
• Passive: By whom was the decision made?
• Active: Who made the decision?

• Passive Voice -এ By whom থাকলে Active Voice করার নিয়ম-
- প্রথমে Subject হিসেবে Who বসে।
- Tense অনুযায়ী verb বসে।
- Passive Voice -এর Subject - Object হয়ে বসবে।

• More examples:
• Passive: By whom was the letter written?
• Active: Who wrote the letter?
৪৪.
Generally speaking, we receive what we deserve.
The underlined part is a/an-
  1. Noun phrase
  2. Infinitive phrase
  3. Participial phrase
  4. Gerundial phrase
ব্যাখ্যা
Generally speaking, we receive what we deserve.
- The underlined part is a Participial phrase.

• Participial/Participle phrase
- A Participle phrase is a group of words that includes a participle (a verb form used as an adjective) and any accompanying words that modify or complement it.
- Participle phrase হলো একটি বাক্যাংশ যা একটি participle (অর্থাৎ, verb-এর কোন form যা adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়) এবং তার সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য উপাদান (যেমন modifier বা object) নিয়ে গঠিত।
- এটি সাধারণত বাক্যে adjective বা adverb হিসেবে কাজ করে।

• উল্লিখিত বাক্যে,
- "Speaking" is the present participle of the verb "speak."
- "Generally" modifies the participle, forming a participial phrase.
- The phrase acts as a sentence modifier (adverbial function), providing context for the entire statement.

• অন্যদিকে,
• Noun Phrase: A noun phrase functions as a subject or object. (The beautiful garden is full of flowers.)
• Infinitive Phrase: Uses "to + verb" ("To speak generally").
• Gerundial Phrase: Would act as a noun ("Generally speaking is risky").
৪৫.
Which of the following words can be used as a verb?
  1. Massacre
  2. Mastery
  3. Beauty
  4. Bounden
ব্যাখ্যা
• 'Massacre' can be used as a verb.

• Massacre (Noun)
- English Meaning: An indiscriminate and brutal slaughter of many people; 
- Bangla Meaning: গণহত্যা; বেপরোয়া হত্যাকাণ্ড; সর্বসংহার।
- Example: The attack was described as a cold-blooded massacre.

• Massacre (verb)
- English Meaning: deliberately and brutally kill (many people).
- Bangla Meaning: নির্বিচারে হত্যা করা।
- Example: Thousands were brutally massacred by soldiers.

• Other options:
খ) Mastery (noun) - দক্ষতা, কোনো বিষয়ে পূর্ণ জ্ঞান।
গ) Beauty (noun) - সৌন্দর্য; মাধুর্য; লাবণ্য।
ঘ) Bounden (adjective) - অবশ্যপালনীয়; দায়বদ্ধ।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Dictionary.
৪৬.
Choose a synonym for the word 'Pastoral'.
  1. Secular
  2. Urban
  3. Rural
  4. Temporal
ব্যাখ্যা
• A synonym for the word 'Pastoral' is - গ) Rural

• Pastoral (Noun, Adjective)
- English Meaning: of or relating to the countryside: not urbane; a work of literature portraying an idealized version of country life.
- Bangla Meaning: গ্রাম্য; চারণভূমিতুল্য; মেষপালক সংক্রান্ত; রাখালী কবিতা; যাজকসংক্রান্ত।

• Options:
ক) Secular: not overtly or specifically religious. (পার্থিব, আধ্যাত্মিক নয় এমন; ব্যবহারিক; ধর্মনিরপেক্ষ)
খ) Urban: of, relating to, characteristic of, or constituting a city. (শহুরে; নগরীয়)
গ) Rural: in, relating to, or characteristic of the countryside rather than the town. (গ্রাম্য; গ্রামসম্পর্কিত)
ঘ) Temporal: relating to worldly as opposed to spiritual affairs; secular. (অস্থায়ী; পার্থিব)

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, A synonym for the word 'Pastoral' is - গ) Rural

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৪৭.
In fear of _____ , the corrupt official fled the country.
  1. investigated
  2. investigating
  3. having investigated
  4. being investigated
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: In fear of being investigated, the corrupt official fled the country.
- Bangla Meaning: তদন্তের ভয়ে, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।

- সাধারণত Active construction -এ Preposition এর পর Verb+ing ব্যবহৃত হয়।
- কিন্তু এই বাক্যটিতে passive construction প্রয়োজন, কারণ দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা তদন্তকারী নন—বরং সেই অন্যদের দ্বারা তদন্তের শিকার হচ্ছেন।
- Verb+ing এর Passive form হচ্ছে being + verb এরপর Past Participle.
- "In fear of being investigated" correctly uses the passive gerund (being + past participle).

- সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে being investigated.
৪৮.
Which of the following words is spelled correctly?
  1. Commissariet
  2. Commissariat
  3. Commissariate
  4. Commisserate
ব্যাখ্যা
• The correctly spelled word is - খ) Commissariat.

• Commissariat (noun)
- English Meaning: A military department that supplies food and equipment; a board of commissioners.
- Bangla Meaning: সেনাবাহিনীর জন্য খাদ্য ও অন্যান্য দ্রব্যসম্ভার সরবরাহের ভারপ্রাপ্ত বিভাগ। 

• Ex. sentences:
- The commissariat was established in 1934.
- Commissariat units had lost themselves in the hills, while ordnance had supplied dud ammunition.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৪৯.
Pick the Complex Sentence from the options below:
  1. The book was interesting, so I finished it quickly.
  2. She likes coffee, but he prefers tea.
  3. I saw an old man walking past me.
  4. The water we drink must be pure.
ব্যাখ্যা
• Complex Sentence: The water we drink must be pure.

• Complex sentence:
- যে sentence এ একটি Principal clause এবং এক বা একাধিক Subordinate clause (dependent clause) থাকে, তাকে Complex sentence বলে। 
- Complex sentence -এ subordinate clause এর শুরুতে সাধারণত if, though, although, as, because, since, so that, that, until, till, unless, when, why, who, which, where, how, before, after, whether, while ইত্যাদি বসে।

- উল্লিখিত বাক্যে Independent clause হলো "The water must be pure" (can stand alone as a complete sentence).
- Dependent (Subordinate) Clause হলো "we drink," which acts as an adjective modifying "water" (that cannot stand alone as a complete sentence).
- অর্থাৎ, dependent clause টি এখানে "the water" সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে।
- that/which এখানে উহ্য আছে।

• Other options:
ক) "The book was interesting, so I finished it quickly."
- Compound Sentence (two independent clauses joined by "so").

খ) "She likes coffee, but he prefers tea."
- Compound Sentence (two independent clauses joined by "but").
- Compound sentence এ দুই বা ততোধিক principal clause বা co-ordinate clause থাকে।
- এগুলো সাধারণত and, or, but, yet, so, therefore, otherwise, else, both --- and , either --- or , neither — nor, not only --- but also ইত্যাদি coordinating conjunction দ্বারা যুক্ত থাকে।

গ) "I saw an old man walking past me." 
- Simple Sentence ("walking past me" is a participle phrase, not a dependent clause).
- একটি simple sentence এ শুধুমাত্র একটি clause থাকে অর্থাৎ একটি subject এবং একটি finite verb থাকে।
- উল্লিখিত বাক্যে একটি subject (I) এবং একটি finite verb (saw) রয়েছে, তাই এটি simple sentence হয়েছে।
- এখানে, walking - participle এবং past হচ্ছে preposition.
৫০.
The chances are even.
Which part of speech is the word 'even'?
  1. Adverb
  2. Adjective
  3. Noun
  4. Verb
ব্যাখ্যা
• The chances are even. (সুযোগ সমান সমান)
- Here, the word 'even' is an adjective

• even শব্দটি adjective, adverb, verb হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- তবে Be verb -এর পরে সাধারণত adjective বসে।
- তাই "even" এখানে adjective.

• even (adjective) - flat and smooth, or on the same level.
- যেমন: We resurfaced the floor because it wasn't even.

• even (adverb) - used to show that something is surprising, unusual, unexpected, or extreme.
- যেমন: I don't even know where it is.

• even (verb) - to make two things equal: to make even.
- যেমন: That result evens the series at two games apiece.

• প্রাচীন (archaic) অর্থে 'Even' noun হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: a member of an indigenous people living in the Kamchatka peninsula of eastern Siberia.

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Cambridge Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.
৫১.
Choose the correct sentence:
  1. Times have changed and so did I.
  2. Times have changed and so had I.
  3. Times have changed and so have I.
  4. Times have changed and I did too.
ব্যাখ্যা
• The correct sentence is: Times have changed and so have I.

• Affirmative Agreement

- কারো 'হ্যা-সূচক' বাক্যের সাথে মতৈক্য বা একমত প্রকাশ করতে Affirmative Agreement ব্যবহার করা হয়।
- বাক্যের প্রথম অংশ 'হ্যা-সূচক' হলে Agreement অংশে so, too, also ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।
- 'So' auxiliary verb -এর পূর্বে এবং too, also - auxiliary verb -এর পরে ব্যবহৃত হয়।

• Affirmative বাক্যের ক্ষেত্রে agreement এর structure:
Rule-1: Sub + positive verb + .... + and + so+ auxiliary verb (tense অনুযায়ী) + sub.
Rule-2: Sub + positive verb + .... + and + sub + auxiliary verb (tense অনুযায়ী) + too/also.

- auxiliary verb টি সর্বদাই প্রথম verb -এর tense অনুযায়ী হবে।
- সাধারণত verb -এর repittion এড়ানোর জন্য, বিশেষভাবে short responses with pronoun, subjects এর ক্ষেত্রে এই নিয়মটি ব্যবহৃত হয়।

• More examples:
- She took pictures, and so did I.
- She took pictures, and I did too/also.
৫২.
The word 'Veracious' refers to-
  1. Something unimportant
  2. Not faithful or loyal
  3. Showing urgent desire or interest
  4. Being in the habit of telling the truth
ব্যাখ্যা
• The word 'Veracious' refers to - Being in the habit of telling the truth

• Veracious (adjective)
- English Meaning: Being in the habit of telling the truth; habitually speaking the truth.
- Bangla Meaning: সত্য; যথার্থ; সত্যপরায়ণ; সত্যসন্ধ; সত্যনিষ্ঠ; সত্যবাদী।

• Other Forms:
- Veraciously (adverb) সত্যনিষ্ঠভাবে।
- Veracity [ভার‌্যাসাটি] (noun) [uncountable noun] সত্য; সত্যপরায়ণতা; সত্যসন্ধতা; সত্যনিষ্ঠা।

• Ex. Sentences:
- The journalist was known for her veracious reporting, never exaggerating the facts.
- As a historian, he always provided veracious records of past events.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৫৩.
Complete the sentence with the appropriate preposition:
The soldier died ____ his injuries.
  1. off
  2. in
  3. from
  4. for
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: The soldier died from his injuries.
- Bangla Meaning: সৈনিকটি তার আঘাতের কারণে মারা যান।

• সাধারণত কোনো ফলাফল; পরিণতি; প্রভাব এ মারা গেলে Die from (Effect) ব্যবহার হয়।
- মৃত্যুর কারণ বা প্রভাব বোঝাতে die from ব্যবহৃত হয়:
- More Examples:
- He died from a snake bite.
- He died from overeating.

• অন্যদিকে,
• die off
- to die sequentially either singly or in numbers so that the total number is greatly diminished.
- একে একে মারা যাওয়া অর্থে die off ব্যবহৃত হয়।

• die in
- যুদ্ধে, কর্মরত অবস্থায়, দারিদ্রতায়, শান্তিতে, ঘুমের মধ্যে মারা যাওয়ার বোঝাতে die in ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: He died in sleep/in peace/in poverty/in battle.

• die for
- কোনো আদর্শ বা ভালো কারণে মৃত্যুর জন্য die for ব্যবহৃত হয়:
- যেমন: He died for his homeland.

Source:
1. A passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
3. Cambridge Dictionary.
৫৪.
____ wisdom is the gift of heaven.
  1. A
  2. An
  3. The
  4. No article
ব্যাখ্যা
• Wisdom is the gift of heaven.
- No article is needed.

• Omission of article:
- সাধারণত material noun এবং abstract noun (uncountable) -এর পূর্বে article বসে না।
- যেমন: Wisdom is the gift of heaven.

- তবে এদেরকে নির্দিষ্ট করে বোঝালে তার পূর্বে article হিসেবে the বসে।
- যেমন: The wisdom of Socrates is great.

Source: High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
৫৫.
Choose the correct indirect form of:
Salman said to her, "I don't care about what everyone else says."
  1. Salman told her that he didn't care about what everyone else said.
  2. Salman told her that he doesn't care about what everyone else says.
  3. Salman told her that he didn't care about what everyone else says.
  4. Salman told her that I didn't care about what everyone else said.
ব্যাখ্যা
• Direct Narration: Salman said to her, "I don't care about what everyone else says."
• Indirect Narration: Salman told her that he didn't care about what everyone else said.

• Assertive sentence -এর Direct narration থেকে Indirect narration -এ পরিবর্তন করার নিয়ম:
- প্রথমে Reporting verb -এর subject বসে।
- তারপর Reporting verb - 'said to + object' থাকলে Indirect -এ 'told + object' বসে।
- Inverted comma উঠে গিয়ে that বসে।
- তারপর Reported speech -এর subject এর person পরিবর্তন করতে হয়,
- Reported speech -এর 1st person (I) সবসময় Reporting verb -এর subject -এর number, person, ও gender অনুসারে পরিবর্তিত হয়।
- Direct narration -এ Reported speech -এর verb যদি present indefinite tense -এ থাকে তাহলে Indirect narration -এ past indefinite tense -এ পরিবর্তিত হয়।
- তারপর বাকি অংশ বসে।

• Structure: Sub + told + object (যদি থাকে) + that + Reported speech -এর subject + verb (tense অনুযায়ী) + বাকি অংশ।

• Note: Reported speech -এ complex sentence -এর উভয় clause -এ verb থাকলে, উভয়েরই speech পরিবর্তন করতে হয়।

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
৫৬.
The expression "To raise one's brows" indicates-
  1. To express annoyance
  2. To express surprise
  3. To express anger
  4. To express assent or approval
ব্যাখ্যা
• The expression "To raise one's brows" indicates- To express surprise.

• Raise one's brows/Raise your eyebrows
- English Meaning: Show surprise or mild disapproval; to show surprise by moving your eyebrows upwards.
- Bangla Meaning: বিস্মিত হওয়া / চোখ কপালে উঠা।

• Ex. Sentence: He raised his eyebrows at my explanation.
- Bangla Meaning: আমার ব্যাখ্যা শুনে সে বিস্মিত হলো।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৫৭.
She left me wondering about her decision.
Here, the underlined word is-
  1. Simple verb
  2. Gerund
  3. Present participle
  4. Subjective complement
ব্যাখ্যা
• She left me wondering about her decision.
- Here, the underlined word is- গ) Present participle.

• Explanation:
- "Wondering" is derived from the verb "wonder" and functions as a participle (verb form acting as an adjective).
- Here, it modifies the pronoun "me", describing the state of the object ("left me in a state of wondering").
- অর্থাৎ, 'wondering' এখানে object "me" কে modify করায় adjective হিসেবে কাজ করছে, তাই এটি present participle.

• Present participle
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও adjective -এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
- সহজ ভাষায় → present participle হলো Verb + ing = adjective = Verb + adjective কাজ করে।
- Present participle দ্বারা চলমান sense বোঝায়।
- যেমন:
- He kept me waiting.
- A rolling Stone gathers no moss.

Source: High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
৫৮.
নিচের কোনটি খরা সহিষ্ণু ধানের জাত?
  1. ব্রি ধান ৪৬
  2. ব্রি ধান ৫১
  3. ব্রি ধান ৬২
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
⇒ জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত:
- ব্রি ধান ৬২, ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।

⇒ খরা সহিষ্ণু ধানের জাত:
- ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।

⇒ এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত:
- বিআর ৫।

⇒ লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত:
- বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত:
- ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৫৯.
'কণিষ্ক' কোন বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন?
  1. পাল
  2. কুষাণ
  3. মৌর্য
  4. গুপ্ত
ব্যাখ্যা
কুষাণ যুগ:
- যে সকল বিদেশি জাতি ভারতবর্ষে সাম্রাজ্য স্থাপন করেছিল তাদের মধ্যে কুষাণদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- কুষাণরা ছিল ইউ-চি জাতির একটি শাখা।
- কুষাণ শাখার নেতা কুজলা কদফিসেস কর্তৃক খ্রিস্টপূর্ব ৩০ অব্দ নাগাদ পাঁচটি শাখায় বিভক্ত ইউ-চিরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
- তিনি কাবুল, সোমায়ার, কাশ্মির অধিকার করেন।
- তাঁর পুত্র বিম কদফিসেস সিংহাসনে বসেন।
- তাঁর সাম্রাজ্য মধ্য এশিয়ার তুর্কিস্থান থেকে সিন্ধু উপত্যকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন কণিষ্ক।
- ৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং একটি অব্দ বা সম্বৎ প্রবর্তন করেন যা পরবর্তীতে শকাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ভারতে তিনি এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন, এটি উত্তর- পশ্চিমে পেশোয়ার থেকে পূর্বে পশ্চিমবাংলা, উত্তরে কাশ্মির থেকে দক্ষিণে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ভারতের বাইরে বর্তমান সোভিয়েত তুর্কিস্থানের এবং আফগানিস্তানের কিছু অংশও তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল।
- পুরুষপুর বা বর্তমান পেশোয়ার তাঁর রাজধানী ছিল।
- বিশাল সাম্রাজ্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন রাজকর্মচারীদের মাধ্যমে এখান থেকেই তিনি শাসনকার্য পরিচালনা করতেন।
- তাঁর আমলেই বৌদ্ধ ধর্ম 'মহাযান' ও 'হীনযান' -এ দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- ২৩ বছর রাজত্ব করার পর কণিষ্ক ১০১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০.
'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট' কে প্রদান করে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. চিফ হুইপ
  3. স্পিকার
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
⇒ জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং ভোট' হলো স্পিকারের ভোট।

কাস্টিং ভোট:
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৬১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অ্যাটর্নি-জেনারেল' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬১
  2. অনুচ্ছেদ ৬৪
  3. অনুচ্ছেদ ৬৭
  4. অনুচ্ছেদ ৭০
ব্যাখ্যা
সংবিধানের অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৬০: স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৬১: সর্বাধিনায়কতা।
- অনুচ্ছেদ ৬২: প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৩: যুদ্ধ।
- অনুচ্ছেদ ৬৪: অ্যাটর্নি-জেনারেল।
- অনুচ্ছেদ ৬৫: সংসদ-প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৬৬: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ৬৭: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৬৮: সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৯: শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড।
- অনুচ্ছেদ ৭০: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৬২.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুসারে, দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশ থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে?
  1. ভারত
  2. শ্রীলংকা
  3. নেপাল
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

⇒ দক্ষিণ এশিয়ার দেশ 'ভারত' থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে।

দেশভিত্তিক আমদানি:

- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ: ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

⇒ ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশে আমদানি ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ: চীন।
- আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬ %।

⇒ দেশে আমদানি ক্ষেত্রে ২য় শীর্ষ দেশ: ভারত।
- আমদানির পরিমাণ: ১৩.৪২%।

⇒ দেশে আমদানি ক্ষেত্রে ৩য় শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- আমদানির পরিমাণ: ৪.৫১%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৬৩.
মুঘল শাসন ব্যবস্থায় সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা -
  1. শিকদার
  2. পাদশাহ
  3. ফৌজদার
  4. সুবাহদার
ব্যাখ্যা
মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থা:
- মুঘল শাসনব্যবস্থা এক-কেন্দ্রিক ও স্বৈরতন্ত্রী হলেও জনকল্যাণকামী ছিল।
- এই শাসনব্যবস্থা ছিল প্রধানত সামরিক শক্তি নির্ভর।
- একমাত্র সদর ও কাজী ছাড়া অন্যসব কর্মচারিকে সামরিক দায়িত্ব পালন করতে হত।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি রচিত হয় তুর্কি-পারস্য শাসন ব্যবস্থার অনুকরণে।
- মুঘলরা একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় প্রাদেশিক শাসন কাঠামোও গড়ে তুলেছিল।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস ছিলেন 'পাদশাহ' বা সম্রাট।
- তিনি একাধারে রাষ্ট্রীয় প্রধান, সামরিক প্রধান এবং প্রধান বিচারক হিসেবে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করতেন।
- সম্রাটের পরই প্রধানমন্ত্রী বা ওয়াজিরের স্থান ছিল।
- বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যের সুষ্ঠু শাসনের জন্য সমগ্র সাম্রাজ্যকে কতগুলো 'সুবাহ' বা প্রদেশে ভাগ করা হয়েছিল।
- সুবাহদার ছিলেন সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক।
- মুঘল আমলে প্রতিটি প্রদেশ কয়েকটি সরকার বা জেলায় এবং প্রতিটি সরকার কয়েকটি পরগনায় বিভক্ত ছিল।
- ফৌজদার ছিলেন সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা ও শিকদার ছিলেন পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪.
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তরুণদের দ্বারা গঠিত নতুন দল 'জাতীয় নাগরিক পার্টি' বা 'এনসিপি' আত্মপ্রকাশ করে কবে?
  1. ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  2. ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  3. ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  4. ১ মার্চ, ২০২৫
ব্যাখ্যা
জাতীয় নাগরিক পার্টি:
- জুলাই গণ অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তরুণদের দ্বারা গঠিত নতুন দল 'জাতীয় নাগরিক পার্টি' বা 'এনসিপি'।
- এর পূর্ণরূপ 'ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি' (এনসিপি)।
- ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে নতুন এই রাজনৈতিক দল আত্মপ্রকাশ করেছে।
- দলটির কমিটিতে মোট ১৫১টি পদ রয়েছে।
• আহ্বায়ক: নাহিদ ইসলাম।
• সদস্যসচিব: আখতার হোসেন।
- জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে দুজনের নাম ঘোষণা করেন জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে শহীদ ইসমাঈল হোসেন রাব্বির বোন মীম আক্তার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
৬৫.
বাংলাদেশের পণ্য মান নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BCIC
  2. TCB
  3. TBI
  4. BSTI
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের পণ্য মান নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠান BSTI.

BSTI:
- BSTI এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Standards and Testing Institution.
- BSTI বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮৫ সালে।
- এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- BSTI বিভিন্ন পণ্যের অনুমোদন, মান ও পরিমাণ পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

তথ্যসূত্র - BSTI ওয়েবসাইট।
৬৬.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয় কত সালে?
  1. ২০০৭ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১৪ সালে
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- এর সাহায্যে ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা মোবাইলেই পাওয়া যায়।
- অর্থাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব কার্যক্রম মোবাইলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।
- শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।
- বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিল।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- রকেটের আগমন বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার একটি নতুন যুগের সূচনা করে।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য,
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।

তথ্যসূত্র - ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৬৭.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ বিশ্ব পল্লি উন্নয়ন দিবস হিসেবে কোন তারিখটি ঘোষণা করে?
  1. ৪ জুলাই
  2. ৬ জুলাই
  3. ৭ জুলাই
  4. ৯ জুলাই
ব্যাখ্যা

বিশ্ব পল্লি উন্নয়ন দিবস: 
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে ৬ জুলাই তারিখটি প্রতি বছর ‘বিশ্ব পল্লী উন্নয়ন দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশসহ একটি কোর গ্রুপ, যার মধ্যে ভারত, নেপাল, পেরু, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ড অন্তর্ভুক্ত ছিল, তাদের প্রস্তাবিত রেজল্যুশনের মাধ্যমে গৃহীত হয়। রেজল্যুশনটি কোনো ভোট ছাড়াই সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়, এবং ৪৩টি সদস্যরাষ্ট্র এটিকে স্পন্সর করে।

- এদিনটি পালনের সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে ১৯৭৯ সালে সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (CIRDAP) এর প্রতিষ্ঠার দিন। বাংলাদেশ এর খসড়া রেজল্যুশনটি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত করে।

উল্লেখ্য, 
- এই দিবসটি দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য উৎপাদন, আর্থসামাজিক উন্নয়ন, এবং টেকসই গ্রামীণ উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে, এটা জাতিসংঘের এজেন্ডা ২০৩০ বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

সূত্র: UN ওয়েবসাইট ও বনিক বার্তা। 

৬৮.
এশিয়া মহাদেশে থেকে জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন কে?
  1. উথান্ট
  2. কফি আনান
  3. বান কি মুন
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা

- এশিয়া মহাদেশে থেকে জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন উথান্ট ও বান কি মুন। 

জাতিসংঘ: 

- জাতিসংঘ ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
- এর আগে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাকালে জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা ছিল ৫১টি, তবে বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা বেড়ে ১৯৩টি হয়েছে।
- জাতিসংঘের সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত।
 
জাতিসংঘের মহাসচিবগন:
→ ট্রিইগভে লাই (নরওয়ে), 
→ দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (সুইডেন), 
→ উ থান্ট (মিয়ানমার), 
→ কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম (অস্ট্রিয়া), 
→ জাভিয়ার পেরেজ দ্য কুয়েলার (পেরু), 
→ ড. বুট্রোস ঘালি (মিশর), 
→ কফি আনান (ঘানা), 
→ বান কি মুন (দক্ষিণ কোরিয়া), 
→ অ্যান্তোনিও গুতেরেস (পর্তুগাল)।

সূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট। 

৬৯.
সর্বপ্রথম ‘কার্বন ট্যাক্স’ চালু করে কোন দেশ? 
  1. ফিনল্যান্ড
  2. ডেনমার্ক
  3. নরওয়ে
  4. নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা

প্রথম কার্বন কর: 
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ড ছিল প্রথম কার্বন কর চালুকারী দেশ।
- দূষণ কমাতে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের উপর কর আরোপের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব অনুশীলনকে উৎসাহিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই কর চালু করা হয়েছিল।
- পরবর্তীতে সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, ব্রিটেন, নিউজিল্যান্ড সহ বিশ্বের অনেক দেশ কার্বন কর চালু করে৷
- এর আওতায় কার্বন নিঃসরণকারী জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হারে ট্যাক্স প্রদান করতে হয়।

সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা। 

৭০.
সামরিক জোট হিসেবে বিবেচিত নয় কোনটি?
  1. NATO
  2. ANZUS
  3. CENTO
  4. ASEAN
ব্যাখ্যা

ASEAN:
- ASEAN এর পূর্ণরূপ: Association of Southeast Asian Nations.
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট। এটি সামরিক জোট নয়। 
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ সালে।
- এর সদরদপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।

ন্যাটো: 
- এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization.
- ন্যাটো একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট। 
- এটি ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা বেড়ে ৩২টি দেশে পৌঁছেছে।[মার্চ - ২০২৫]  

ANZUS:
- এটি হলো একটি সামরিক চুক্তি বা জোট।
- তিনটি দেশের সমন্বয়ে এই জোট গঠিত।
- দেশগুলো হলো: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র।

CENTO:
- মধ্যপ্রাচ্যের তেল সম্পদের ওপর কর্তৃত্ব স্থাপন এবং ওই অঞ্চলে সােভিয়েত রাশিয়ার প্রভাব প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে ১৯৫৫ সালে আমেরিকার নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট গড়ে তােলে। 

সূত্র: স্ব স্ব সংস্থার ওয়েবসাইট ও পত্রিকা রিপোর্ট। 

৭১.
চাগোস দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান কোথায়?
  1. ভারত মহাসাগরে
  2. আটলান্টিক মহাসাগরে
  3. প্রশান্ত মহাসাগরে
  4. ক্যারিবিয়ান সাগরে
ব্যাখ্যা

চাগোস দ্বীপপুঞ্জ: 
- চাগোস দ্বীপপুঞ্জ ভারত মহাসাগরের মাঝখানে অবস্থিত। 
- এটা ভূরাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি প্রায় ৫৮টি ক্ষুদ্র ও নিচু দ্বীপ নিয়ে গঠিত এবং বর্তমানে মরিশাসের অংশ হিসেবে স্বীকৃত।
- ভৌগোলিকভাবে এটি ভারত মহাসাগরের পশ্চিম অংশে, মালদ্বীপ ও সেশেলসের দক্ষিণে অবস্থিত।
- চাগোস দ্বীপপুঞ্জের অন্তর্গত দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপটি সামরিক কৌশলগত কারণে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- এই দ্বীপপুঞ্জ একসময় ফ্রান্স ও পরে যুক্তরাজ্যের উপনিবেশ ছিল।
- ১৯৬৫ সালে যুক্তরাজ্য এটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং মরিশাস থেকে পৃথক করে।
- আন্তর্জাতিক আদালত ও জাতিসংঘের রায়ের পর যুক্তরাজ্য ২০২৪ সালে এটি মরিশাসকে ফিরিয়ে দিতে সম্মত হয়। 

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৭২.
‘সানশাইন পলিসি’ কোন দুটি দেশের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. ভারত এবং পাকিস্তান
  2. চীন এবং তাইওয়ান
  3. দক্ষিণ কোরিয়া এবং উত্তর কোরিয়া
  4. জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা

• Sunshine Policy:
- ‘সানশাইন পলিসি’ দক্ষিণ কোরিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া এই নীতি গ্রহণ করে, এর মূল উদ্দেশ্য ছিল দুই কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন করা।
- এই পলিসির মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা ও শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে।
- দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং এই নীতির প্রবক্তা ছিলেন।
- ২০০০ সালে, এই পলিসির সফল বাস্তবায়নের জন্য কিম দায়ে জং শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

সূত্র: ব্রিটানিকা.কম।

৭৩.
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তির ফলাফল কোনটি?
  1. ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদ বন্ধ
  2. এশিয়ার সাম্রাজ্যবাদ বন্ধ
  3. এশিয়ার ধর্ম যুদ্ধের অবসান
  4. ইউরোপের ধর্ম যুদ্ধের অবসান
ব্যাখ্যা
• ওয়েস্টফেলিয়ার চুক্তি: 
- ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি জার্মানি তথা সমগ্র ইউরোপের ইতিহাসে একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- এটি একাধিক চুক্তির সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং ১৬৪৮ সালে জার্মান শহর ওসনাব্রুক ও মুনস্টারে সাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তি আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বিভৎস ইউরোপের ধর্মযুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে এক নতুন যুগের সূচনা করে।  

উল্লেখ্য, 
- ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তির মাধ্যমে ক্যাথলিক এবং প্রোটেস্ট্যান্ট সম্প্রদায়ের মধ্যে সুদীর্ঘকালের ধর্মবিরোধের অবসান ঘটে এবং জার্মান রাষ্ট্রের পুনর্গঠন সম্ভব হয়।
- চুক্তির শর্তসমূহ ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক, এই দুই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মূল্যায়ন করা যেতে পারে। ধর্মীয় দিক থেকে, ত্রিশবছরের যুদ্ধ অমিমাংসিতভাবে শেষ হয় এবং পশ্চিম জার্মানি প্রোটেস্ট্যান্টদের অধীনে থাকে। এই চুক্তি ইউরোপের ইতিহাসে নতুন এক যুগের সূচনা করেছে। 

সুত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান।
৭৪.
জি - ৭ এর একমাত্র এশীয় দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

জি-৭:  
- জি-৭ (গ্রুপ অব সেভেন) হলো বিশ্বের সাতটি প্রধান উন্নত অর্থনীতির দেশ নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংঘ।
- এই সদস্য দেশগুলো হলো: জাপান, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, যুক্তরাজ্য, এবং যুক্তরাষ্ট্র।
- জি-৭ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৫ সালে, এবং এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল মাত্র ৬টি দেশ।
- বর্তমানে জি-৭ এর সদস্য সংখ্যা ৭টি, এবং এর মধ্যে জাপান একমাত্র এশীয় দেশ।

উল্লেখ্য, 
- ২০২৪ সালের ১৩ জুন ৫০তম জি-৭ সম্মেলন ইতালিতে অনুষ্ঠিত হয়।
- ৫০তম জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অতিথি হিসেবে  ছিলেন পোপ ফ্রান্সিস।

সূত্র: জি-৭ ওয়েবসাইট। 

৭৫.
হামাস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
ব্যাখ্যা

হামাস: 
- হামাস একটি ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন এটি ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শেখ ইয়াসিন।
- হামাস ইসরাইল-ফিলিস্তিনি সংঘাতে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও)-এর ধর্মনিরপেক্ষ পদ্ধতির বিরোধিতা করেছিল এবং ফিলিস্তিনের যে কোনো অংশ হস্তান্তর করার প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে।
- হামাস ইসরায়েল এবং পিএলও- এর মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির নিন্দা করেছিল।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৭৬.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০তম ভাইস প্রেসিডেন্টের নাম কী?
  1. কমলা হ্যারিস
  2. মাইক পেন্স
  3. ড্যান কুয়েল
  4. জেমস ডেভিড ভ্যান্স
ব্যাখ্যা

জেমস ডেভিড ভ্যান্স: 
- জেডি ভ্যান্স একজন মার্কিন রাজনীতিবিদ, ওহাইওর সিনেটর এবং সাবেক ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট।
- তিনি দেশটির ৫০তম ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।  

উল্লেখ্য, 
- জেডি ভ্যান্স তার আত্মজীবনীমূলক বই Hillbilly Elegy (২০১৬)-এর মাধ্যমে খ্যাতি অর্জন করেন। 
- ২০২২ সালে তিনি ওহাইও থেকে রিপাবলিকান সিনেটর নির্বাচিত হন এবং ধীরে ধীরে ট্রাম্পপন্থী রাজনীতির অন্যতম মুখপাত্রে পরিণত হন। 

যুক্তরাষ্ট্র:
- যুক্তরাষ্ট্রে মোট পঞ্চাশটি রাজ্য রয়েছে ।
 - আলাস্কা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম রাজ্য। 
- স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য - ক্যালিফোর্নিয়া।
- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম  - আব্রাহাম লিংকন।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে।

সূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ওয়েবসাইট।

৭৭.
International Court of Justice (ICJ) এর সভাপতির মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা

- আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (ICJ) সভাপতির মেয়াদ তিন বছর। ICJ-এর বিচারকগণ নিজেরাই তাদের সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচন করেন, এবং প্রত্যেকেই তিন বছর মেয়াদে এই দায়িত্ব পালন করেন। 

• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (ICJ):
- আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (ICJ) জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ,
- এটি নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত।
- এটি ১৫ জন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত, এবং প্রতিটি বিচারকের মেয়াদ ৯ বছর।
- তবে প্রতি ৩ বছর পরপর এক-তৃতীয়াংশ বিচারক পুনর্নির্বাচিত হন।
- এই আদালতের বিচারকদের মধ্য থেকে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে একজনকে সভাপতি (প্রেসিডেন্ট) নির্বাচিত করা হয়।
- আন্তর্জাতিক আদালতের সভাপতির মেয়াদ ৩ বছর।  

সূত্র:- জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওয়েবসাইট।

৭৮.
'ভাইমার রিপাবলিক' এর সাথে জড়িত কোন দেশ?
  1. ফ্রান্স
  2. ইতালি
  3. জার্মানি
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা

ভাইমার রিপাবলিক: 
- 'ভাইমার রিপাবলিক' জার্মানির ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এটি ১৯১৮ থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত জার্মানিতে বিদ্যমান ছিল।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির পরাজয়ের পর ভাইমার প্রজাতন্ত্র গঠন করা হয়।
- এটি জার্মান প্রগতিবাদীদের উদ্যোগে গঠিত হয়, এবং ১৯১৯ সালে এর সংবিধান রচিত হয়।
- ভাইমার প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রিডরিশ এবার্ট, তিনি ১৯২৫ সাল পর্যন্ত এই পদে ছিলেন।
- ১৯৩৩ সালে ফিল্ড মার্শাল হিন্ডেনবুর্গের মাধ্যমে অ্যাডলফ হিটলার ক্ষমতায় আসেন, এর পর জার্মানিতে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো। 

৭৯.
ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইরাক
  2. মিশর
  3. ইরান
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা

- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান বর্তমানের ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত।  

ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান: 
- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান বর্তমান ইরাকে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের একটি।
- ঐতিহাসিকভাবে বিশ্বাস করা হয় যে, রাজা নেবুচাদনেজার II তার স্ত্রী অ্যামিটিসকে খুশি করতে এই উদ্যান তৈরি করেছিলেন।
- পৃথিবীতে প্রথম লিখিত আইনের উদ্ভব হয় এই সভ্যতার সময়ে।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান হল — আইন প্রণয়ন ও সংকলন।
- পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্র পাওয়া গিয়েছে ব্যাবিলনের উত্তরে — গাথুর শহরে।
- এটি ছিল ভ্রমণকারীদের পথনির্দেশক মানচিত্র।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৮০.
উত্তর আমেরিকার কোন দেশটি প্রথম কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহার করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. মেক্সিকো
  4. বারমুডা
ব্যাখ্যা
- উত্তর আমেরিকার প্রথম দেশটি যা কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহার করে তা হলো কানাডা। 

কিয়োটো প্রটোকল: 
- কিয়োটো প্রটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়।
- এটি ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠিত ৩য় জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন বা COP-3 এ গৃহীত হয়। 
- প্রথম দেশ হিসেবে কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহার করে কানাডা। 
- ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর কিয়োটো প্রটোকল চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হয় এবং
- ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে চুক্তিটি অনুমোদন দেয়।

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স।
৮১.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির ফলে কোন দেশ মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের সাথে প্রথম শান্তিচুক্তি করে?
  1. ইরান
  2. মিশর
  3. সিরিয়া
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি: 
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির ফলে মিশর মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের সাথে প্রথম শান্তিচুক্তি করে।
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ থেকে সৈন্য প্রত্যাহারে সম্মত হয় এবং মিশর আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়।
- এর ফলে ১৯৭৯ সালে দুই দেশের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তবে, এই চুক্তির জন্য মিশরকে আরব লীগ ও ওআইসি থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং অনেক আরব দেশ এর বিরোধিতা করে।
 
সূত্র - History.com ও ব্রিটানিকা। 
৮২.
Green Climate Fund এর সদর দপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার কোন শহরে অবস্থিত?
  1. সিউল
  2. বুসান
  3. উলসান
  4. ইয়েনচিয়ন
ব্যাখ্যা
• Green Climate Fund:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি তহবিল।
- এটি ২০১০ সালে মেক্সিকোর কানকুনে অনুষ্ঠিত COP-16 সম্মেলনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই তহবিলের মূল উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর সহায়তা করা।
- এর লক্ষ্য প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ করা।

উল্লেখ্য, 
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের সদর দপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়েনচিয়ন শহরে অবস্থিত।  

সূত্র: গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ও UNFCCC ওয়েবসাইট।
৮৩.
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী কয়টি দেশ ন্যাটোর সদস্য? [এপ্রিল - ২০২৫]
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা

- রাশিয়ার সীমান্তবর্তী ৬টি দেশ ন্যাটোর সদস্য।
- রাশিয়ার সাথে সীমান্তবর্তী ন্যাটো সদস্য দেশগুলো হলো: নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া এবং পোল্যান্ড।  

রাশিয়ার সীমান্তবর্তী ১৪টি দেশ হলো:
- আজারবাইজান, বেলারুশ, চীন, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, জর্জিয়া, কাজাখস্তান, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, মঙ্গোলিয়া, উত্তর কোরিয়া, নরওয়ে, পোল্যান্ড, ইউক্রেন।

ন্যাটো: 
- এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization.
- ন্যাটো একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট। 
- এটি ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- ন্যাটো শুরুতে ১২টি দেশ নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা বেড়ে ৩২টি দেশে পৌঁছেছে।[এপ্রিল - ২০২৫]

উল্লেখ্য, 
- ন্যাটোর মধ্যে দুটি মুসলিম দেশ তুরস্ক এবং আলবেনিয়া রয়েছে।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে সদস্যপদ লাভ করে।
- ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য দেশ হলো সুইডেন, এটি ২০২৪ সালে সদস্যপদ লাভ করেছে।
- ন্যাটোর বর্তমান প্রধান হলেন মার্ক রুট্টে।[মার্চ - ২০২৫]   

সূত্র: ন্যাটোর ওয়েবসাইট। 

৮৪.
DPI (Dots Per Inch) সাধারণত কোন পেরিফেরাল ডিভাইসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মনিটর
  2. মাউস
  3. কীবোর্ড
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা

◉ DPI হল মাউসের সংবেদনশীলতার একটি পরিমাপ, যা নির্দেশ করে মাউস প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলি ডট (বা পিক্সেল) সনাক্ত করতে পারে। উচ্চ DPI মানে মাউসের কার্সর স্ক্রিনে দ্রুত চলাচল করতে পারে, যা গেমিং বা উচ্চ-নির্ভুলতার কাজের জন্য উপযোগী।

DPI: 
- DPI এর পূর্ণরূপ dots per inch.
- ডিপিআই (প্রতি ইঞ্চি বিন্দু) একটি প্রিন্টার বা ইমেজসেটারের আউটপুট রেজোলিউশনকে বোঝায় এবং পিপিআই (পিক্সেল প্রতি ইঞ্চি) একটি ফটোগ্রাফ বা ছবির ইনপুট রেজোলিউশনকে বোঝায়।
- DPI একটি চিত্রের ভৌত ডট ঘনত্বকে বোঝায় যখন এটি একটি বাস্তব ভৌত সত্তা হিসাবে পুনরুত্থান করা হয়, উদাহরণস্বরূপ কাগজে মুদ্রিত।
- DPI সাধারণত প্রিন্টার, স্ক্যানার বা মাউসের মতো ডিভাইসের সাথে সম্পর্কিত, যেখানে এটি প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলি ডট (বা পিক্সেল) প্রিন্ট, স্ক্যান বা সনাক্ত করা যায় তা নির্দেশ করে।

উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
২। Logitech Official Blog.

৮৫.
1 কিলোবাইট সমান কত বাইট?
  1. 1000 বাইট
  2. 1024 বাইট
  3. 1008 বাইট
  4. 1016 বাইট
ব্যাখ্যা

◉ 1 কিলোবাইট (KB) সমান 1024 বাইট।
কম্পিউটারে ডেটা পরিমাপের ক্ষেত্রে বাইনারি সিস্টেম ব্যবহার করা হয়, তাই 1 কিলোবাইট = 210 বাইট = 1024 বাইট।

বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।

৮৬.
একটি 4-বিট সিনক্রোনাস আপ কাউন্টার তৈরি করতে সর্বনিম্ন কয়টি ফ্লিপ-ফ্লপ দরকার?
  1. 1
  2. 2
  3. 4
  4. 16
ব্যাখ্যা

◉ একটি 4-বিট সিনক্রোনাস আপ কাউন্টার তৈরি করতে সর্বনিম্ন 4টি ফ্লিপ-ফ্লপ দরকার।
একটি n-বিট বাইনারি কাউন্টার তৈরি করতে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ দরকার, কারণ প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি বিট সংরক্ষণ করে এবং কাউন্টের মান পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন হয়।

ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৭.
IoT ডিভাইসগুলো মূলত কোন ধরনের কম্পিউটিং সিস্টেম ব্যবহার করে?
  1. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  2. এমবেডেড কম্পিউটার
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. ওয়ার্কস্টেশন
ব্যাখ্যা

◉ এমবেডেড কম্পিউটার হল বিশেষ ধরনের কম্পিউটিং সিস্টেম, যা নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। IoT ডিভাইসগুলি সাধারণত ছোট, শক্তিশালী এবং কম শক্তি খরচ করে, যা এমবেডেড সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য।
উদাহরণস্বরূপ, স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট, স্মার্ট লাইট), ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার), এবং শিল্প IoT ডিভাইসগুলি এমবেডেড কম্পিউটিং সিস্টেম ব্যবহার করে।

ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IOT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- একাধিক প্রযুক্তি যেমন মেশিন লার্নিং, কমোডিটি সেন্সর, এমবেডেড সিস্টেম এবং রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিকস, একত্রিত করার কারণে ইন্টারনেট অফ থিংস বাস্তবায়িত হয়েছে।

IoT ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য:
- কম শক্তি ব্যবহার করে কাজ করে, 
- ছোট আকারের কম্পিউটার চিপ ব্যবহার করে, 
- নির্দিষ্ট কাজের জন্য প্রোগ্রাম করা হয়, 
- সেন্সর, একচুয়েটর এবং ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকে। 

উৎস:
১। Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। আইবিএম ওয়েবসাইট। 

৮৮.
ENIAC কোন ধরনের কম্পিউটার ছিল?
  1. পারসোনাল কম্পিউটার
  2. অ্যানালগ কম্পিউটার
  3. ডিজিটাল কম্পিউটার
  4. হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

◉ ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) হল প্রথম প্রোগ্রামযোগ্য, ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল কম্পিউটার। এটি 1946 সালে তৈরি করা হয়েছিল এবং এটি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে কাজ করত, যা ডিজিটাল কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য। ENIAC মূলত গাণিতিক গণনা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত হত।

ENIAC:
- ENIAC-এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Numerical Integrator And Computer.
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।

অন্যদিকে, 
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ইউনিভ্যাক-১।
- প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার- এডস্যাক।
- ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম মিনি কম্পিউটার পিডিপি-৮।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৯.
ট্রোজান হর্স কী?
  1. এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  2. কম্পিউটার হার্ডওয়্যার
  3. ম্যালওয়্যার
  4. ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা

◉ ট্রোজান হর্স একটি ধরনের ম্যালওয়্যার, যা ব্যবহারকারীকে প্রতারণা করে নিজেকে একটি নিরীহ বা উপকারী প্রোগ্রাম হিসেবে উপস্থাপন করে। ট্রোজান হর্সের নামকরণ করা হয়েছে গ্রিক পুরাণের ট্রোজান যুদ্ধের কাহিনী থেকে, যেখানে একটি কাঠের ঘোড়ার ভিতরে সৈন্যরা লুকিয়ে ছিল।

ম্যালওয়্যার (Malware): 
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- যদিও কম্পিউটার ভাইরাসও একই উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা হয়ে থাকে তথাপি ম্যালওয়্যার এবং কম্পিউটার ভাইরাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ম্যালওয়্যার সম্পর্কে ভালোভাবে জানার জন্য কম্পিউটার ভাইরাসের সাথে ম্যালওয়্যারের পার্থক্য বোঝাটা অত্যন্ত জরুরী।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা। এজন্য এগুলোর প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৯০.
কোন বাস সিপিইউ এবং মেমরির মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করে?
  1. ডাটা বাস
  2. এড্রেস বাস
  3. কন্ট্রোল বাস
  4. এক্সপানশন বাস
ব্যাখ্যা

◉ ডাটা বাস (Data Bus) হল CPU এবং মেমরির মধ্যে ডাটা আদান-প্রদানের প্রধান মাধ্যম। এটি বাইডাইরেকশনাল (Bidirectional), অর্থাৎ এটি CPU থেকে মেমোরিতে এবং মেমোরি থেকে CPU-তে ডাটা পাঠাতে ও গ্রহণ করতে পারে।

কম্পিউটার বাস: 
- বাস মূলত কম্পিউটারের সাংগঠনিক বিভিন্ন অংশ যেমন-ইনপুট অংশ, আউটপুট অংশ, মাইক্রোপ্রসেসর, মেমরি বা রেজিস্টার, মাদারবোর্ডে অবস্থানরত অন্য চিপসমূহের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কার্যাবলি সম্পাদান করে।
- কম্পিউটারের বাস কতকগুলো বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনের সাহায্যে গঠিত, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা, তথ্য, সিগন্যাল, নির্দেশ বা প্রোগ্রাম আদান-প্রদানের কাজ সম্পন্ন হয়।

কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। সিস্টেম বাস (System Bus) বা প্রধান বাস ও
২। এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বা সম্প্রসারিত বাস। 

সিস্টেম বাস: 
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে। সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১। ডেটা বাস (Data Bus)
২। অ্যাড্রেস বাস (Address Bus)
৩। কন্ট্রোল বাস (Control Bus)

ডেটা বাস (Data Bus):
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরের বিভিন্ন উপাদান যেমন মাইক্রোপ্রসেসর, হার্ডডিস্ক, র‍্যাম, ইনপুট/আউটপুট পোর্ট ইত্যাদির মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানে যে বাস ব্যবহৃত বাসকে ডেটা বাস বলা হয়।

এড্রেস বাস: শুধু মেমোরি এড্রেস স্থানান্তর করে।
কন্ট্রোল বাস: শুধু কন্ট্রোল সিগনাল স্থানান্তর করে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৯১.
কোন টপোলজির ক্ষেত্রে সকল ডিভাইস একটি কেন্দ্রীয় লাইনের সাথে সংযুক্ত থাকে?
  1. মেশ টপোলজি
  2. স্টার টপোলজি
  3. বাস টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা

◉ বাস টপোলজি-তে একটি কেন্দ্রীয় কেবল (বা বাস) থাকে, এবং সমস্ত নেটওয়ার্ক ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার, প্রিন্টার ইত্যাদি) এই কেন্দ্রীয় লাইনের সাথে সংযুক্ত থাকে। এই টপোলজিতে ডেটা কেন্দ্রীয় লাইনের মাধ্যমে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তরিত হয়।

নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে ক্যাবল, হাব বা সুইচ ইত্যাদি দ্বারা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার জন্য যুক্তি নির্ভর পথের ডিজাইন এবং ব্যবস্থাপনাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়।
অর্থাৎ, যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারসমূহ বা নোডসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান প্রদানের গতি ও নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন ভাবে সংযুক্ত থাকে।

বাস টপোলজি (Bus Topology):
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)।
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২.
ফেক নিউজ ও মিথ্যা তথ্য প্রতিরোধে কোন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ফ্যাক্ট-চেকিং' ব্যবস্থা প্রথম চালু করে?
  1. এক্স
  2. ফেসবুক
  3. ইনস্টাগ্রাম
  4. লিংকডইন
ব্যাখ্যা

◉ ফেসবুক ২০১৬ সালে ফেক নিউজ এবং মিথ্যা তথ্য প্রতিরোধের জন্য ফ্যাক্ট-চেকিং প্রোগ্রাম চালু করে। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে তৃতীয় পক্ষের ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থাগুলো ফেসবুক পোস্ট এবং নিউজের সত্যতা যাচাই করে। যদি কোনো পোস্ট বা নিউজ মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর হিসেবে চিহ্নিত হয়, তাহলে ফেসবুক সেই পোস্টের ভিউয়ার সংখ্যা কমিয়ে দেয় এবং ব্যবহারকারীদের সতর্ক করে।

Facebook/Meta:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- মেটার বর্তমান (মার্চ, ২০২৫) CEO: মার্ক জাকারবার্গ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ জানুয়ারি ২০০৪।
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. Facebook Newsroom. [Link] 

৯৩.
SSL প্রযুক্তি মূলত কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়?
  1. ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানো
  2. ওয়েবসাইট হোস্টিং
  3. ওয়েব ব্রাউজিং হিস্ট্রি সংরক্ষণ
  4. ওয়েবসাইটে নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা

◉ SSL (Secure Sockets Layer) প্রযুক্তি মূলত ওয়েবসাইটে নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।

HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- HTTP (HyperText Transfer Protocol) হলো unencrypted, তাই এটি man-in-the-middle attacks বা data interception-এর জন্য vulnerable।
- HTTPS হল HTTP-এর secured version, যেখানে SSL/TLS encryption ব্যবহৃত হয় data security নিশ্চিত করার জন্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৯৪.
API এর মূল কাজ কী?
  1. অ্যাপ্লিকেশন ডিজাইন করা এবং সফটওয়্যারের ভিজ্যুয়াল ইন্টারফেস তৈরি করা।
  2. বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনকে পরস্পরের সাথে ডাটা আদান-প্রদানে সাহায্য করা।
  3. কোড কম্পাইল করা এবং প্রোগ্রামকে নির্বাহযোগ্য (Executable) ফাইলে রূপান্তর করা।
  4. ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানো এবং নেটওয়ার্ক কর্মক্ষমতা উন্নত করা।
ব্যাখ্যা

◉ API (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস) এর মূল কাজ হল বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনকে পরস্পরের সাথে যোগাযোগ ও ডেটা আদান-প্রদান করতে সাহায্য করা।

API (Application Programming Interface) হলো একটি সফটওয়্যার ইন্টারফেস, যা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন, সার্ভিস বা সিস্টেমের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান ও যোগাযোগ করতে সাহায্য করে।
- এটি মূলত একটি মাধ্যম, যা software applications, web services, এবং databases-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- API এর পূর্ণরূপ Application Programming Interface.
- API এমন একটি প্রক্রিয়া যা বিভিন্ন কম্পিউটার প্রোগ্রামকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহৃত হয়।
- API একটি প্রোগ্রাম থেকে পরিষেবা পাওয়ার জন্য একজন ডেভেলপারকে সাহায্য করে।
- একটি API ছাড়া একটি প্রোগ্রাম খুব কার্যকরভাবে অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনের সাথে কাজ করতে পারেনা।
- API-এর উদাহরণ হলো remote procedure calls (RPCs)।
- তাছাড়া API, গ্রাফিক্স এবং সাউন্ড সহ অ্যাপ্লিকেশনগুলি সরবরাহ করে, নেটওয়ার্কিং এবিলিটি যুক্ত করে, সিকিউরিটি এবং ডেটা ট্রান্সলেশন পরিচালনা করে এবং মেমরি এবং হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মতো সিস্টেম সংস্থানগুলিতে অ্যাক্সেস পরিচালনা করে।

উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
২। Amazon Web Services Website.

৯৫.
একটি পরিবাহী তারের পরিবাহিতা 0.5 সিমেন্স হলে পরিবাহীর রোধ কত? 
  1. 2 Ω
  2. 3 Ω
  3. 4 Ω
  4. 6 Ω
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি পরিবাহী তারের পরিবাহিতা 0.5 সিমেন্স হলে পরিবাহীর রোধ কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
পরিবাহিতা, G = 0.5 সিমেন্স
রোধ, R =? 

আমরা জানি,
R = 1/G 
বা, R = 1/0.5
∴ R = 2 Ω 
উত্তর: 2 Ω ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬.
'ডুরালুমিন' সংকর ধাতুতে কোন উপাদান সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে?
  1. ম্যাঙ্গানিজ
  2. ক্রোমিয়াম
  3. ম্যাগনেসিয়াম
  4. অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
- 'ডুরালুমিন' সংকর ধাতুতে "অ্যালুমিনিয়াম" উপাদান সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে, যা শতকরা ৯৫ ভাগ। 

সংকর ধাতু: 

- একাধিক ধাতুর মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলা হয়। 
- একাধিক ধাতুকে গলিত অবস্থায় মিশ্রিত করে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। 
- সাধারণত বিশুদ্ধ ধাতু অপেক্ষা সংকর ধাতু বেশি ব্যবহার উপযোগী হয়ে থাকে। 
যেমন- বিশুদ্ধ স্বর্ণ দিয়ে গয়না তৈরি করা হয় না কারণ বিশুদ্ধ স্বর্ণ নরম হওয়ায় গয়না টেকসই হয় না। স্বর্ণের সাথে সামান্য পরিমান রূপা মিশ্রিত করে গয়না তৈরি করা হয়। আবার লোহার সাথে কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে মরিচারোধী বা মরিচাবিহীন স্টিল প্রস্তুত করা হয়। মরিচাবিহীন স্টিল লোহার চেয়ে বেশি শক্ত ও টেকসই হয়ে থাকে। 
- নিচের কতগুলো সংকর ধাতুর সংযুক্তি ও ব্যবহার উল্লেখ করা হলো- 


উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭.
কোন রঙের তলে আলোর প্রতিফলন সবচেয়ে বেশি হয়? 
  1. সাদা
  2. কালো
  3. নীল
  4. লাল
ব্যাখ্যা
প্রতিফলন: 
- কোনো আলোক রশ্মি কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোনো মাধ্যম দ্বারা বাধা প্রাপ্ত হলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। আলোর এই ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে আলোর প্রতিফলন বলে। 
- যে বিভেদ তল থেকে আলো ফিরে আসে তাকে প্রতিফলক তল বা প্রতিফলক পৃষ্ঠ বলে, আর পূর্ববর্তী মাধ্যমে ফিরে আসা আলোকে বলা হয় প্রতিফলিত আলো বা রশ্মি। 
- সাধারণত দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে যে পরিমাণ আলো এসে পড়ে সবসময় তা সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয় না। 
- পতিত আলোর কতটুকু প্রতিফলিত হবে তা দুটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। তা হলো- 
১. মাধ্যম দুটির প্রকৃতি এবং 
২. আপতিত আলো প্রতিফলক তলের উপর কত কোণে আপতিত হয় তার পরিমাণ। 

- প্রতিফলক তল যত বেশি মসৃণ হয় প্রতিফলন তত বেশি হয়। 
- আবার অস্বচ্ছ প্রতিফলকের চেয়ে স্বচ্ছ প্রতিফলকে প্রতিফলন কম হয়। 
যেমন- সাদা তলে আলোর প্রতিফলন বেশি হয় এবং কালো রঙের তলে আলোর প্রতিফলন হয় না বললেই চলে। 
- কাচ একটি আলোক স্বচ্ছ মাধ্যম, এর উপর আলো আংশিক প্রতিফলিত হয়। আবার আলোক রশ্মি লম্বভাবে পড়লে খুব সামান্য প্রতিফলিত হয়। 
- রশ্মি যত বেশি কোণে আপতিত হয় প্রতিফলনের পরিমাণও তত বেশি হয়। 
- প্রতিফলন তলের মসৃণতা অনুযায়ী প্রতিফলনকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন- 
১. নিয়মিত প্রতিফলন এবং 
২. ব্যাপ্ত প্রতিফলন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮.
ভালো মান সম্পন্ন পানির BOD এর মান কত হওয়া উচিত?
  1. 10 ppm
  2. 15 ppm
  3. 6 ppm
  4. 20 ppm
ব্যাখ্যা
প্রাণ রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (Biological Oxygen Demand, BOD): 
- পানিতে উপস্থিত জৈব বর্জ্য পদার্থসমূহের বিয়োজনের জন্য অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। 
- পানিতে যতো বেশি পারিমাণে বিয়োজন যোগ্য জৈব পদার্থ উপস্থিত থাকে তার জন্য অক্সিজেন চাহিদাও ততো বেশি। 
- পানিতে উপস্থিত বিয়োজন যোগ্য জৈব পদার্থের বিয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণকে প্রাণ রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা বা BOD বলে। 
- ভালো মান সম্পন্ন পানির BOD মান 6 ppm এর বেশি হওয়া উচিত নয়। 
অর্থাৎ, প্রতি 1000 mL পানিতে বর্তমান জৈব বর্জ্য দূষকের বিয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন 6 mg এর বেশি হওয়া উচিত নয়। 
- কোনো পানির BOD এর মান যত বেশি ঐ পানির দূষকের মাত্রা ততো বেশি। 
- পানিতে BOD এর মান যতো বেশি হবে, পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন (DO) এর পরিমাণ ততো হ্রাস পায়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯.
আলফা কণিকা সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল? 
  1. আলফা কণিকা ধনাত্মক চার্জ বহন করে।
  2. আলফা কণিকা ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
  3. আলফা কণিকার ভেদন ক্ষমতা খুব বেশি।
  4. আলফা কণিকা চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় পদার্থ: 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে তিন ধরণের রশ্মি নির্গত হয়। 
- যে রশ্মিটি ধনাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ঋণাত্মক আধান গ্রন্থ। 
- আবার যে রশ্মিটি ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ধনাত্মক আধান গ্রন্থ। 
- আর যে রশ্মিটি কোনো দিকেই বিচ্যুত হয়নি সেটি তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
- ধনাত্মক আধান গ্রস্থ রশ্মিকে আলফা (α) রশ্মি, ঋণাত্মক আধান গ্রন্থ রশ্মিকে বিটা (β) রশ্মি এবং তড়িৎ নিরপেক্ষ রশ্মিকে গামা (γ) রশ্মি বলে। 

আলফা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি: 
১। আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস। এর ভর 6.6×10-27 কেজি। 
২। ইহা ধনাত্মক চার্জ বহন করে। এর পরিমাণ 3.2×10-19 কুলম্ব। 
৩। এর শক্তি 1 MeV বা 1.6×10-13 হতে 9 MeV বা 1.44×10-12 J পর্যন্ত হয়। 
৪। এই রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
৫। এর আয়নিত করার ক্ষমতা খুব বেশি। β-কণিকার চেয়ে প্রায় 100 গুণ এবং γ-কণিকার চেয়ে প্রায় 1000 গুণ বেশি। 
৬। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
৭। ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। এর ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
৮। জিংক সালফাইডে আলফা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
৯। ধাতব প্লেটের মধ্য দিয়ে যাবার সময় আলফা কণিকার কণাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০০.
কলমের খালি মুখে ফুঁ দিলে কোন শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. যান্ত্রিক শক্তি
  2. নিউক্লিয় শক্তি
  3. বিদ্যুৎ শক্তি
  4. চৌম্বক শক্তি
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর (Energy transformation): 
- মানুষ তার চাহিদা অনুসারে শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করে ব্যবহার করছে।
- এ মহাবিশ্বে নানা ঘটনা প্রবাহ চলছে শক্তির রূপান্তর আছে বলে।
- শক্তি একরূপ থেকে একাধিকরূপে রূপান্তর হলেও মহাবিশ্বের মোট শক্তির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না।
- এক রূপের শক্তিকে রুপান্তর করে অন্য রূপের শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তখন একে শক্তির রূপান্তর বলা হয়। 

যান্ত্রিক শক্তির রূপান্তর: 
- হাতে হাত ঘষলে তাপ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়।
- কলমের খালি মুখে ফুঁ দিলে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
- পানি যখন ভূপৃষ্ট হতে উপরে কোন পাত্রে থাকে তখন তাতে বিভব শক্তি সঞ্চিত থাকে। নিচে প্রবাহিত হবার সময় বিভব শক্তি গতি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০১.
কোন উদ্ভিদে মূলের পরিবর্তে এককোষী রাইজয়েড সৃষ্টি হয়?
  1. Fern
  2. Riccia
  3. Funaria
  4. Spirogyra
ব্যাখ্যা
ব্রায়োফাইটা: 
- ব্রায়োফাইটা এবং টেরিডোফাইটা গ্রুপের উদ্ভিদসমূহ হলো অপুষ্পক উদ্ভিদ। 
- আবার শৈবাল এবং ছত্রাকও অপুষ্পক উদ্ভিদ। তবে শৈবাল ও ছত্রাক হলো নিম্নশ্রেণির অপুষ্পক এবং ব্রায়োফাইটা ও টেরিডোফাইটা হলো উচ্চশ্রেণির অপুষ্পক উদ্ভিদ। কারণ ব্রায়োফাইটা ও টেরিডোফাইটা বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে শৈবাল ও ছত্রাক থেকে উন্নত ও জটিল প্রকৃতির। 
- ব্রায়োফাইটা ও টেরিডোফাইটার মধ্যে টেরিডোফাইটা উন্নত। 
- ব্রায়োফাইটা ও টেরিডোফাইটার মধ্যে বাহ্যিক মৌলিক পার্থক্য হলো ব্রায়োফাইটা উদ্ভিদসমূহকে মূল, কান্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না কিন্তু টেরিডোফাইটা উদ্ভিদসমূহকে সত্যিকার মূল, কান্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়। 
- এছাড়া ব্রায়োফাইটা অভাস্কুলার কিন্তু টেরিডোফাইটা ভাস্কুলার। 
যেমন- Riccia একটি ব্রায়োফাইটা গ্রুপের উদ্ভিদ। 

ব্রায়োফাইটা উদ্ভিদের বেশিষ্ট্য: 
১। এদের প্রধান দেহটি গ্যামিটোফাইটিক (হ্যাপ্লয়েড) অর্থাৎ গ্যামিট উৎপাদনকারী। 
২। গ্যামোটোফাইট সবুজ, স্বভোজী, স্বাধীন ও স্বতন্ত্র। 
৩। এরা থ্যালয়েড হতে পারে অথবা দেহ রাইজয়েড, কান্ড ও পাতার ন্যায় অংশে বিভক্ত। 
৪। ব্রায়োফাইটা গ্রুপের উদ্ভিদ তথা Riccia উদ্ভিদের দেহে মূল সৃষ্টি হয় না, মূলের পরিবর্তে এককোষী রাইজয়েড সৃষ্টি হয়। 
৫। এদের দেহে কোন পরিবহন টিস্যু থাকে না। 
৬। জাইগোট হতে মাইটোটিক বিভাজনের মাধ্যমে ভ্রূণ সৃষ্টি হয়। 
৭। এদের যৌন জনন উওগ্যামাস ধরনের। অর্থাৎ সচল ছোট শুক্রাণুর সাথে নিশ্চল বড় ডিম্বাণুর মিলন ঘটে। 
৮। জননাঙ্গ বহুকোষী এবং চতুর্দিকে বন্ধ্যা কোষের আবরণ থাকে। 
৯। এদের স্পোরোফাইট সর্বদাই পুষ্টি ও আশ্রয়ের জন্য আংশিক বা পূর্ণভাবে গ্যামিটোফাইটের উপর নির্ভরশীল। 
১০। উন্নত ব্রায়োফাইট উদ্ভিদের পরিণত স্পোরোফাইট পদ, সিটা (বৃত্ত) এবং ক্যাপসুলে বিভক্ত। অনুন্নত উদ্ভিদের স্পোরোফাইটে পদ ও সিটা অনুপস্থিত, শুধুমাত্র গোলাকার ক্যাপসুল থাকে (যেমন Riccia)। 
১১। সম আকৃতির রেণু সৃষ্টি করার জন্য ব্রায়োফাইটার প্রজাতিগুলো সকল ক্ষেত্রেই সমরেণুপ্রসু। এদের জীবন চক্রে অসম আকৃতির জনুক্রম বিদ্যমান থাকে। 
১২। গ্যামিটোফাইট দীর্ঘস্থায়ী, বিষমপৃষ্ঠ এবং থ্যালাস শায়িত। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০২.
যে তরঙ্গে মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে তরঙ্গ অগ্রসর হয়, তাকে কী বলা হয়? 
  1. শব্দ তরঙ্গ
  2. অভিকর্ষ তরঙ্গ
  3. অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
  4. অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
তরঙ্গের প্রকারভেদ (Types of waves): 
- যে তরঙ্গ সঞ্চারণের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন হয় তাকে তরঙ্গকে যান্ত্রিক তরঙ্গ বলে। 
- আবার যে তরঙ্গের জন্য কোনো মাধ্যম প্রয়োজন হয় না সেই তরঙ্গকে তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ বলে। 
- মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের ফলে যে যান্ত্রিক তরঙ্গ সৃষ্ট হয় তা দুই ধরণের। 
যথা- (১) অনুপ্রস্থ তরঙ্গ ও (২) অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। 

অনুপ্রস্থ তরঙ্গ (Transverse wave): 
- পানির মধ্যে তরঙ্গ সৃষ্টি হয় সে ক্ষেত্রে পানির কণাগুলো সাম্য অবস্থান পানির তল থেকে উপর-নিচে ওঠা-নামা করে। কিন্তু তরঙ্গ পানি পৃষ্ঠ বা পানির তলের উপর দিয়ে সামনে ছড়িয়ে পড়ে। এধরণের তরঙ্গ অনুপ্রস্থ তরঙ্গ। 
অর্থাৎ, যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে অগ্রসর হয়, তাকে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বলে। 
- এ তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে বা আড়াআড়ি অগ্রসর হয় বলে একে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বা আড় তরঙ্গ বলে। 
যেমন- আলোক তরঙ্গ, বেতার তরঙ্গ, পানির তরঙ্গ অনুপ্রস্থ তরঙ্গ। 

অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ (Longitudinal wave): 
- অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ হলো এমন এক ধরনের তরঙ্গ, যেখানে মাধ্যমের কণাগুলো কম্পনের দিকের সমান্তরালে আন্দোলিত হয়, কিন্তু নিজ অবস্থান পরিবর্তন করে না। 
- নমনীয় স্প্রিংয়ে মৃদু আঘাত করলে সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, যা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি পরিবহন করে। 
- এ তরঙ্গে তরঙ্গ শীর্ষ বা তরঙ্গ পাদ থাকে না, বরং সংকোচন ও প্রসারণের পর্যায়ক্রমিক বিন্যাস থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৩.
কোনটি প্রমাণ তাপমাত্রা হিসাবে গণ্য করা হয়? 
  1. 0°C
  2. 25°C
  3. 100°C
  4. 273°C
ব্যাখ্যা
মোলার আয়তন: 
- যে কোনো উপাদানের এক মোল পরিমাণ পদার্থের আয়তনকে মোলার আয়তন বলে। 
- পদার্থের ভৌত অবস্থা ভেদে মোলার আয়তন ভিন্ন ভিন্ন। 
- কঠিন ও তরল উপাদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদার্থের মোলার আয়তন বিভিন্ন হয়। তবে গ্যাসের ক্ষেত্রে একই তাপমাত্রা ও চাপে সকল গ্যাসের এক মোলার আয়তন একই হয়। 
- প্রমাণ অবস্থায় এক মোল যে কোনো গ্যাসের আয়তন 22.4 লিটার। 
- 0°C তাপমাত্রাকে প্রমাণ তাপমাত্রা এবং 1 বায়ুমণ্ডলীয় চাপকে প্রমাণ চাপ বলে। 
- তাপমাত্রার বৃদ্ধি ঘটালে গ্যাসের আয়তনের বৃদ্ধি এবং তাপমাত্রার হ্রাস ঘটালে গ্যাসের আয়তনের হ্রাস ঘটে। 
- আবার গ্যাসের উপর আরোপিত চাপের বৃদ্ধি ঘটালে আয়তনের হ্রাস ঘটে। আরোপিত চাপের হ্রাস ঘটালে আয়তনের বৃদ্ধি ঘটে। 
- এক মোল অণু = গ্রাম আণবিক ভর = 6.023×1023 টি অণু। আর প্রতিটির সম্পর্ক হলো যে কোনো গ্যাসীয় পদার্থের আয়তন প্রমাণ অবস্থায় 22.4 লিটার। 
অর্থাৎ, 
• এক মোল অণু হাইড্রোজেন = 2 গ্রাম হাইড্রোজেন = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 
• এক মোল অণু অক্সিজেন = 32 গ্রাম অক্সিজেন = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 
• এক মোল অ্যামোনিয়া = 17 গ্রাম অ্যামোনিয়া = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 
• এক মোল কার্বন ডাই-অক্সাইড = 44 গ্রাম কার্বন ডাই-অক্সাইড = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৪.
কোনটি মৌলিক সংখ্যা নয়?
  1. ২২৩
  2. ২২১
  3. ২২৯
  4. ২২৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনটি মৌলিক সংখ্যা নয়?

সমাধান:
যে সংখ্যাকে ১ ও সেই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না, তাকে মৌলিক সংখ্যা বলে। যেমন ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩ ইত্যাদি। সবচেয়ে ক্ষুদ্র এবং জোড় মৌলিক সংখ্যা হলো ২।

এখানে, 
২২১ মৌলিক সংখ্যা নয়। কারণ,
২২১ = ১ × ১৩ × ১৭
১০৫.
"COMPUTER" শব্দটির স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে মোট কতভাবে সাজানো যাবে?
  1. 4250
  2. 4530
  3. 3454
  4. 4320
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: "COMPUTER" শব্দটির স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে মোট কতভাবে সাজানো যাবে?

সমাধান:
"COMPUTER" শব্দটিতে মোট বর্ণ আছে 8টি
যার মধ্যে Vowel আছে = O, U, E = 3টি
Vowel তিনটিকে একটি ধরে মোট বর্ণ 6টি
∴ 6টি বর্ণকে সাজানো যায় = 6!
Vowel তিনটিকে সাজানো যায় = 3!

∴ স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে মোট সাজানো যাবে = 6! × 3!
= 720 × 6
= 4320
১০৬.
  1. 2
  2. 4
  3. 0
  4. √4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:
 

সমাধান:
১০৭.
একটি পণ্যের মূল্য পর পর দুইবার ২০% ও ২৫% বৃদ্ধি পেলে মোটের উপর মূল্য শতকরা কত বৃদ্ধি পেয়েছে?
  1. ৫০%
  2. ২০%
  3. ৩০%
  4. ২৫%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি পণ্যের মূল্য পর পর দুইবার ২০% ও ২৫% বৃদ্ধি পেলে মোটের উপর মূল্য শতকরা কত বৃদ্ধি পেয়েছে?

সমাধান:
মনে করি,
প্রাথমিক মূল্য ছিল = ১০০ টাকা
২০% বৃদ্ধিতে মূল্য = (১০০ + ২০) = ১২০ টাকা

আবার,
২৫% বৃদ্ধিতে মূল্য = (১২০ + ১২০ এর ২৫%) টাকা
= {১২০ + (১২০ × ২৫)/১০০} টাকা
= (১২০ + ৩০) টাকা
= ১৫০ টাকা

∴ মোটের উপর মূল্য বাড়ল = (১৫০ - ১০০) = ৫০ টাকা
= ৫০%

শর্টকাট:
মোট শতকরা বৃদ্ধি = a + b + {(a × b)/​100}
= ২০ + ২৫ + {(২০ × ২৫)/১০০}
= ৪৫ + ৫ = ৫০%
১০৮.
একটি আয়তাকার মাঠের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ২ গুণ। মাঠের প্রস্থ ২৩ মিটার হলে, মাঠের পরিসীমা কত?
  1. ২০০ মিটার
  2. ১৪৮ মিটার
  3. ১৭৮ মিটার
  4. ১৩৮ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তাকার মাঠের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ২ গুণ। মাঠের প্রস্থ ২৩ মিটার হলে, মাঠের পরিসীমা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
মাঠের প্রস্থ = ২৩ মিটার
তাহলে,
মাঠের দৈর্ঘ্য = ২৩ × ২ = ৪৬ মিটার

∴ মাঠের পরিসীমা = ২ (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
= ২ (৪৬ + ২৩) মিটার
= ১৩৮ মিটার
১০৯.
  1. 50
  2. 100
  3. 75
  4. 65
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:


সমাধান:
১১০.
কোন সংখ্যার অর্ধেক এবং এক-চতুর্থাংশের পার্থক্য ৮?
  1. ৪৮
  2. ৪২
  3. ২৪
  4. ৩২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন সংখ্যার অর্ধেক এবং এক-চতুর্থাংশের পার্থক্য ৮?

সমাধান:
ধরি,
সংখ্যাটি = ক

প্রশ্নমতে,
(ক/২) - (ক/৪) = ৮
⇒ (২ক - ক)/৪ = ৮
⇒ ক/৪ = ৮
∴ ক = ৩২
১১১.
বৃত্তের একই চাপের উপর দন্ডায়মাণ বৃত্তস্থ কোণ ৮২° হলে কেন্দ্রস্থ কোণ কত?
  1. ১৬৪°
  2. ১৮০°
  3. ৪১°
  4. ৯০°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বৃত্তের একই চাপের উপর দন্ডায়মাণ বৃত্তস্থ কোণ ৮২° হলে কেন্দ্রস্থ কোণ কত?

সমাধান:
একটি বৃত্তের কেন্দ্রস্থ কোণ , বৃত্তস্থ কোণের দ্বিগুণ হয়ে থাকে। 

∴ বৃত্তের একই চাপের উপর দন্ডায়মাণ বৃত্তস্থ কোণ ৮২° হলে কেন্দ্রস্থ কোণ = ৮২° × ২
= ১৬৪°
১১২.
এক ব্যক্তি তার সম্পত্তির ১/৬ অংশ ছেলেকে, ১/৩​ অংশ মেয়েকে, ও ১/৪ অংশ ভাইকে দিলেন। তার অবশিষ্ট সম্পত্তির মূল্য ৩০,০০০ টাকা হলে মোট সম্পত্তির মূল্য কত?
  1. ৪৫০০০০ টাকা
  2. ৯০০০০ টাকা
  3. ২২০০০০ টাকা
  4. ১২০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: করিম সাহেব তার সম্পত্তির ১/৬ অংশ ছেলেকে, ১/৩​ অংশ মেয়েকে, ও ১/৪ অংশ ভাইকে দিলেন। তার অবশিষ্ট সম্পত্তির মূল্য ৩০,০০০ টাকা হলে মোট সম্পত্তির মূল্য কত?

সমাধান:
সমাধান:
মোট দান করলেন = (১/৬) + (১/৩) + (১/৪) অংশ
= (২ + ৪ + ৩)/১২ অংশ
= ৯/১২
= ৩/৪অংশ

∴ অবশিষ্ট রইলো = ১ - (৩/৪) অংশ
= (৪ - ৩)/৪ অংশ
= ১/৪ অংশ

১/৪ অংশ সম্পত্তির মূল্য = ৩০,০০০ টাকা
∴ ১ বা সম্পূর্ণ অংশ সম্পত্তির মূল্য = (৩০,০০০ × ৪) টাকা = ১২০,০০০ টাকা
১১৩.
log3​(x + 1) + log3​(x - 1) = 2 সমীকরণের সমাধান নিচের কোনটি?
  1. √10
  2. √9
  3. √7
  4. √12
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: log3​(x + 1) + log3​(x - 1) = 2 সমীকরণের সমাধান নিচের কোনটি?

সমাধান:
log3​(x + 1) + log3​(x - 1) = 2
⇒ log3​[(x + 1)(x - 1)] = 2
⇒ (x + 1)(x - 1) = 32
⇒ x2 - 1 = 9
⇒ x2 = 9 + 1
⇒ x2 = 10
∴ x = √10
১১৪.
9 + 13 + 17 + 21 +.................. ধারাটির 15ম তম পদের মান কত?
  1. 61
  2. 65
  3. 75
  4. 73
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 9 + 13 + 17 + 21 +.................. ধারাটির 15ম তম পদের মান কত?

সমাধান:
ইহা একটি সমান্তর ধারা।
যার ১ম পদ, a = 9
সাধারণ পদ, d = 13 - 9 = 4

আমরা জানি,
n তম পদ = a + (n - 1) d
∴ 15ম তম পদ = 9 + (15 - 1) × 4
= 9 + (14 × 4)
= 9 + 56
= 65
১১৫.
দুই অংক বিশিষ্ট একটি সংখ্যা তোলা হলে সেটি ১১ এর গুণিতক হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ১/১০
  2. ২/৫
  3. ১/৯
  4. ১/২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুই অংক বিশিষ্ট একটি সংখ্যা তোলা হলে সেটি ১১ এর গুণিতক হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
সংখ্যা পদ্ধতিতে দুই অংকের সংখ্যা আছে,
= ৯৯ - ১০ + ১ = ৯০ টি

∴ ১১ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা,  ১১, ২২, ৩৩, ৪৪, ৫৫, ৬৬, ৭৭, ৮৮, ৯৯ মোট ৯টি

∴ সম্ভাবনা = ৯/৯০ = ১/১০
১১৬.
f(x) = x3 + 8x2 - 2x + 8 হলে, f(- 2) = কত?
  1. - 23
  2. 32
  3. - 63
  4. 36
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: f(x) = x3 + 8x2 - 2x + 8 হলে, f(- 2) = কত?

সমাধান:
প্রদত্ত ফাংশন,
f(x) = x3 + 8x2 - 2x + 8
f(- 2) = (- 2)3 + 8( - 2)2 - 2(- 2) + 8
= -8 + 32 + 4 + 8
= 36
১১৭.
নিচের কোন যতি বা ছেদ চিহ্নের জন্য বিরতি কালের প্রয়োজন হয় না?
  1. প্রশ্নবোধক চিহ্ন
  2. হাইফেন
  3. সেমিকোলন
  4. কোলন ড্যাস
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন যতি বা ছেদ চিহ্নের জন্য বিরতি কালের প্রয়োজন হয় না?

সমাধান:
যতি বা ছেদ চিহ্নের বিরতি কাল:
১. কমা - ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন।
২. সেমিকোলন - ১ বলার দ্বিগুণ সময়।
৩. দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ - এক সেকেন্ড।
৪. প্রশ্নবোধক চিহ্ন - এক সেকেন্ড।
৫. বিস্ময় ও সম্বোধন চিহ্ন - এক সেকেন্ড।
৬. কোলন - এক সেকেন্ড।
৭. ড্যাস - এক সেকেন্ড।
৮. কোলন ড্যাস - এক সেকেন্ড।
৯. হাইফেন - থামার প্রয়োজন নেই।
১০. ইলেক বা লোপ চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই।
১১. একক উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
১২. যুগল উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
১৩. ব্র্যাকেট (বন্ধনি চিহ্ন) - থামার প্রয়োজন নেই।
১৪. ধাতু দ্যোতক চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই।
১১৮.
আমি year এ একবার, week এ দুইবার আসি। earth এ প্রথমেই আসি, month এ আসিই না। আমি কে?
  1. t
  2. k
  3. a
  4. e
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আমি year এ একবার, week এ দুইবার আসি। earth এ প্রথমেই আসি, month এ আসিই না। আমি কে?

সমাধান:
Year" শব্দে "E" একবার আসে।
"Week" শব্দে "E" দুইবার আসে।
"Earth" শব্দে "E" প্রথমে আসে।
"Month" শব্দে "E" নেই।

অতএব, উত্তর হবে, E
১১৯.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 18
  2. 26
  3. 27
  4. 52
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?


সমাধান:
এখানে,
43 - 5 = 38; 38/2 = 19

61 - 9 = 52; 52/2 = 26

42 - 6 = 36; 36/2 = 18
১২০.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন বর্ণগুলো বসবে?
JAD, KBE, LCF, MDG, NEH, ?
  1. OFI
  2. EHN
  3. ENH
  4. NEH
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন বর্ণগুলো বসবে?
JAD, KBE, LCF, MDG, NEH, ?
 
সমাধান:
১ম বর্ণ সিরিজ: J, K, L, M, N, O
২য় বর্ণ সিরিজ: A, B, C, D, E, F
৩য় বর্ণ সিরিজ: D, E, F, G, H, I
১২১.
‘যা চিবিয়ে খাবার যোগ্য’ এর এক কথায় প্রকাশ কী?
  1. লেহ্য
  2. চর্ব্য
  3. চোষ্য
  4. পেয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ‘যা চিবিয়ে খাবার যোগ্য’ এর এক কথায় প্রকাশ কী?
 
সমাধান:
- ‘যা চিবিয়ে খাবার যোগ্য' এর এক কথায় প্রকাশ - চর্ব্য। 
- যা চুষে খাবার যোগ্য = চোষ্য।
- যা পান করার যোগ্য = পেয়।
- যা চেটে খাবার যোগ্য = লেহ্য। 
১২২.
Choose the correct spelling-
  1. Pharmaceutical
  2. Farmaceutical
  3. Pharmacitical
  4. Pharmaceuticle
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: Choose the correct spelling-

সমাধান:
Correct spelling- Pharmaceutical

Pharmaceutical অর্থ ওষুধ প্রস্তুতসংক্রান্ত
১২৩.
একটি কাজ করতে ১৫ জন শ্রমিকের ১২ দিন সময় লাগে। এমন দুইটি  কাজ করতে ৯ জন শ্রমিকের কতদিন লাগবে?
  1. ৫০ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৪০ দিন
  4. ৩২ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কাজ করতে ১৫ জন শ্রমিকের ১২ দিন সময় লাগে। এমন দুইটি  কাজ করতে ৯ জন শ্রমিকের কতদিন লাগবে?

সমাধান: 
১৫ জন শ্রমিকের ১টি কাজ করতে সময় লাগে = ১২ দিন
১৫ জন শ্রমিকের ১টি কাজ করতে সময় লাগে = (১৫ × ১২) দিন
৯ জন শ্রমিকের ১টি কাজ করতে সময় লাগবে = (১৫ × ১২)/৯ দিন
= ২০ দিন

তাহলে ২টি কাজ করতে সময় লাগবে = ২০ × ২ = ৪০ দিন

∴ ৯ জন শ্রমিকের এমন দুইটি কাজ করতে ৪০ দিন সময় লাগবে।

 
১২৪.
যদি PENCIL = 59 হয়, তাহলে ERASER = কত?
  1. 59
  2. 60
  3. 66
  4. 55
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি PENCIL = 59 হয়, তাহলে ERASER = কত?

সমাধান:

প্রথমে PENCIL শব্দের প্রতিটি অক্ষরের মান বের করি:
এখানে, P = 16, E = 5, N = 14, C = 3, I = 9, L = 12
∴ P + E + N + C + I + L = 16 + 5 + 14 + 3 + 9 + 12 = 59

এখন ERASER এর জন্য একই নিয়মে প্রতিটি অক্ষরের মান বের করি:
এখানে, E = 5, R = 18, A = 1, S = 19, E = 5, R = 18
∴ E + R + A + S + E + R = 5 + 18 + 1 + 19 + 5 + 18 = 66
১২৫.
বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমের সমভূমিকে কোন সমভূমি বলে?
  1. পাদদেশীয় সমভূমি
  2. গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার প্লাবন সমভূমি
  3. ব-দ্বীপ সমভূমি
  4. ত্রিপুরার সমভূমি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

⇒ দেশের সমগ্র সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি একই ধরনের নয় বলে একে আবার নিম্নলিখিত কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে আলোচনা করা যায়। যথা:
ক) কুমিল্লার বা ত্রিপুরার সমভূমি
খ) পাদদেশীয় পলল সমভূমি
গ) সিলেট অববাহিকা
ঘ) গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার প্লাবন সমভূমি
ঙ) ব-দ্বীপ।

⇔ ব-দ্বীপ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাংশের সমভূমিকে ব-দ্বীপ বলা হয়।
- এ ব-দ্বীপ অঞ্চলটি বৃহত্তর কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালীর সমস্ত অংশ এবং রাজশাহী, পাবনা, ঢাকা অঞ্চলের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৬.
বাংলাদেশে প্রবাহিত আন্তঃসীমান্ত নদী কয়টি?
  1. ৫৩টি
  2. ৫৪টি
  3. ৫৭টি
  4. ৫৮টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদী:
- আন্তঃসীমান্ত নদী বলতে সাধারণত সেসমস্ত নদীকে বুঝায় যেগুলি অন্তত এক বা একাধিক দেশের রাজনৈতিক সীমা অতিক্রম করে।
- এই সীমা একটি দেশের অভ্যন্তরস্থ বা আন্তর্জাতিক হতে পারে।

⇒ বর্তমানে বাংলাদেশে প্রবাহিত ৫৭টি আন্তঃসীমান্ত নদী (Trans-boundary Rivers) রয়েছে।
- বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃসীমান্ত নদী ৫৪টি।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তঃসীমান্ত নদী ৩টি (সাঙ্গু, মাতামুহুরী, নাফ)।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২৭.
নিচের কোনটি পাললিক শিলা?
  1. চুনাপাথর
  2. ব্যাসল্ট
  3. গ্রানাইট
  4. মার্বেল
ব্যাখ্যা
পাললিক শিলা:
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তাকে পাললিক শিলা বলে।
- পাললিক শিলা হলো এক প্রকারের শিলা যা ছোট ছোট কণা জমে বা জমা করে এবং পরবর্তীকালে পৃথিবীর পৃষ্ঠে সমুদ্রের তলে বা জলের অন্যান্য দেহের খনিজ বা জৈব কণার সিমেন্টেশন দ্বারা গঠিত হয়।
- কংগ্লোমারেট, ব্রেকসিয়া, গ্রেওয়েক, বেলেপাথর, কাদাপাথর, কোয়ার্টজ, ডলোমাইট, ক্যালসাইট, জিপসাম, কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ।

পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য:
১। পাললিক শিলা স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়;
২। পাললিক শিলায় জীবাশ্ম পাওয়া যায়;
৩। পাললিক শিলা স্ফটিকাকার নয়;
৪। পাললিকা শিলা হালকা, ভঙ্গুর ও তরঙ্গ বিশিষ্ট।

অন্যদিকে -
- আগ্নেয় শিলা: গ্রানাইট, ব্যাসল্ট।
- রূপান্তরিত শিলা: মার্বেল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২৮.
ঘূর্ণিঝড়ের মূল অংশ যখন আসে তখন কেন্দ্রের ভিতরে অবস্থানকারী চোখ কিরকম পরিস্থিতি তৈরি করে?
  1. দমকা বাতাস ও ঘন ঘন মেঘ
  2. স্থিতিশীল আবহাওয়া
  3. মুষলধারে বৃষ্টিপাত
  4. শান্ত আবহাওয়া
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone।
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে।

⇒ ঘূর্ণিঝড়ের বৈশিষ্ট্য:
- সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
- মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
- উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।
- ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত।
- এর কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয়।

⇒ ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে চোখ বলা হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে বড় প্রভাব ঘটে আবহাওয়াতে।
- ঘূর্ণিঝড় শুরু হওয়ার আগে বায়ু শান্ত, উষ্ণ ও আর্দ্র থাকে।
- ঘূর্ণিঝড়ের মূল অংশ যখন আসে তখন প্রবল ঝড়ো হাওয়া ও ঘন মেঘসহ মুষলধারে বৃষ্টি হয়।
- আর কেন্দ্রের ভিতরে অবস্থানকারী চোখ শান্ত আবহাওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।
- ঘূর্ণিঝড়ের পশ্চাৎভাগে পৌঁছানোর পর আবারও ঘন মেঘ, বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হয়।
- এ সময় বায়ু অগ্রবর্তী ঘূর্ণিঝড়ের বিপরীত দিক থেকে প্রবাহিত হয়।

উৎস: i) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৯.
সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বন কোনটি?
  1. লাউয়াছড়া
  2. রাতারগুল
  3. রেমা-কালেঙ্গা
  4. টেংরাগিরি বন
ব্যাখ্যা
টেংরাগিরি বন:
- টেংরাগিরি বনাঞ্চলটি সুন্দরবনের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বনাঞ্চল।
- বনটি বরগুনার তালতলী থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত বিস্তৃত। এই বনাঞ্চলের আয়তন ১৩ হাজার ৬৪৪ একর।
- দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই শ্বাসমূলীয় বন স্থানীয়ভাবে ফাতরার বন নামে পরিচিত।
- পায়রা, বলেশ্বর ও বিষখালী-দক্ষিণের এই তিন বড় নদ-নদী এখান থেকে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- দেশের নদ-নদীতে সাগর থেকে উঠে আসা বিভিন্ন প্রজাতির মাছের ৬০ ভাগ এখান দিয়ে আসা-যাওয়া করে।
- এই বনাঞ্চলের ১ দশমিক ৯ কিলোমিটার দূরে গোড়াপদ্মা উপকূলীয় সবুজবেষ্টনী এবং ৮ দশমিক ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে পাথরঘাটা উপজেলায় হরিণঘাটা সংরক্ষিত বনাঞ্চল অবস্থিত।
- বনাঞ্চল থেকে বঙ্গোপসাগরের দূরত্ব দেড় কিলোমিটার।

উল্লেখ্য,
- মাছের প্রজনন ও চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ এই অংশে শত শত জেলে বন বিভাগকে ম্যানেজ করে ছোট ফাঁসের জাল দিয়ে প্রতিদিন মাছ ধরায় একদিকে দেশের বিশাল মৎস্যভান্ডার শূন্য হচ্ছে, অপর দিকে হুমকির মুখে পড়ছে শ্বাসমূলীয় এই বনাঞ্চল।

উৎস: প্রথম আলো।
১৩০.
'ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি'র প্রবক্তা কে?
  1. জন লক
  2. চার্লস মন্টেস্কু
  3. আনেস্ট বার্কার
  4. লাস্কি
ব্যাখ্যা
ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি:
- ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির মূল অর্থ সরকারের সমগ্র কাজকে তিনভাবে বিভক্ত করা।
- প্রতিটি বিভাগ স্ব-স্ব ক্ষেত্রে কার্য পরিচালনার জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত।
- এ নীতি অনুসারে, আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন করবে, শাসন বিভাগ আইনকে কার্যকর করবে এবং বিচার বিভাগ উক্ত আইনের ব্যাখ্যা প্রদান করবে।
- কোন বিভাগ অন্য কোন বিভাগের কাজের উপর হস্তক্ষেপ করবে না।
- প্রত্যেক বিভাগ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে।

• ফরাসি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী চার্লস মন্টেস্কু তাঁর বিখ্যাত "The Spirit of Laws" গ্রন্থে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
- চার্লস মন্টেস্কু ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির মূল প্রবক্তা।
- তিনি বলেন, "যখন একই ব্যক্তি বা একই শাসক বর্গের হাতে আইন রচনা এবং শাসন করার ক্ষমতা ন্যস্ত করা হয় তখন জনগনের স্বাধীনতা থাকতে পারে না, অথবা আইন ও শাসন ক্ষমতা যদি বিচার বিভাগ থেকে স্বতন্ত্র না হয় তাহলেও স্বাধীনতা থাকতে পারে না।"

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩১.
সরকারের সাথে জনগণের সংযোগ সাধনের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. আমলাগণ
  2. রাজনৈতিক দল
  3. বিচারকগণ
  4. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সরকারের সাথে জনগণের সংযোগ সাধনের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে কোনটি? 
সঠিক উত্তর: রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী। 
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে। 
============================ 

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলতে এমন এক সংস্থাকে বুঝায়, যা কিছুসংখ্যক সাধারণ স্বার্থে আবদ্ধ বেসরকারি লোকের সমন্বয়ে গঠিত, যারা রাজনৈতিক কার্যকলাপের মাধ্যমে আইনসভার বাইরে থেকে সরকারি নীতিমালা গ্রহণ করে ঐসব সাধারণ স্বার্থ ও লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৎপরতা চালায়।
- অনেকে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী না বলে একে স্বার্থকামী গোষ্ঠী নামে অভিহিত করেছেন।
- অনেকে আবার এরূপ গোষ্ঠীকে রাজনৈতিক গোষ্ঠী, মনোভাবকেন্দ্রিক গোষ্ঠী বলেও উল্লেখ করেছেন।

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর গুরুত্ব:

- বর্তমানে বিভিন্ন চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী (Pressure Groups) ও সংগঠন জনগণের স্বার্থ ও সমস্যাদি সম্পর্কে সরাসরি শাসন বিভাগে সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।
- সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করার এবং সরকারের সাথে জনগণের সংযোগ সাধনের মাধ্যম হিসেবে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
- এর ফলশ্রুতিতে আইন সভার গুরুত্ব কমছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩২.
কে E-Governance-কে ‘স্মার্ট সরকার ব্যবস্থা’ বলে আখ্যায়িত করেন?
  1. অধ্যাপক ম্যাকাইভার
  2. ইএম হোয়াইট
  3. চন্দ্রবাবু নাইডু
  4. এফআই গ্লাউড
ব্যাখ্যা
ই-গভর্নেন্স:
- E-Governance-এর পূর্ণরূপ হলো Electronic governance।

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- ই-গভর্নেন্সের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
- ই-গভর্নেন্সের ফলে সরকারের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়।
- ই-গভর্নেন্সের ফলে সরকারের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়।
- ই-গভর্নেন্সের ফলে সরকারের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

উল্লেখ্য,
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু E-Governance কে 'SMART Government' বলে অভিহিত করেছেন।
- তাঁর মতে “SMART” শব্দটির পূর্ণরূপ হলো- Simple Moral Accountable Responsive Transparent অর্থাৎ যদি কোনো সরকার ব্যবস্থা সহজ সরল (Simple), নৈতিক আদর্শপূর্ণ (Moral), জবাবদিহিমূলক (Accountable), সংবেদনশীল বা দ্রুত সাড়া প্রদানকারী (Responsive) এবং কাজকর্মে স্বচ্ছ হয় তাকেই চন্দ্রবাবু নাইডু 'SMART Governance' বলতে চেয়েছেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।