পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৮ (নতুন রাউন্ড) টপিক শক্তির উৎস ও এর প্রয়োগ, নবায়নযোগ্য শক্তি, পারমাণবিক শক্তি, শক্তির রূপান্তর, পদার্থের অবস্থা, মৌলের প্রতীক [Live Class – 15 & 16]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
পানির গলনাংক কত সেলসিয়াসে হয়?
  1. - ৫° সেলসিয়াস
  2. ০° সেলসিয়াস
  3. ১০° সেলসিয়াস
  4. ১০০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
গলনাংক: 
- আমরা জানি শীতল অবস্থায় পানি কঠিন বরফ হিসেবে থাকে। 
- প্রমাণ চাপে বরফ ০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গলে যায়। 
পানির গলনাংক কত সেলসিয়াসে হয়? 
অর্থাৎ, পানির গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 

স্ফূটনাংক: 
- প্রমাণ চাপে অর্থাৎ ৭৬০ মি মি পারদ চাপে পানি ১০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়। 
অর্থাৎ, পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সৌরশক্তির ব্যবহার কি ধরনের শক্তির উৎসের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. বায়ুশক্তি
  2. জলবিদ্যুৎ শক্তি
  3. পারমাণবিক শক্তি
  4. জীবাশ্ম জ্বালানি
ব্যাখ্যা
সৌরশক্তি: 
- সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে বলে সৌরশক্তি। 
- সূর্য হচ্ছে সকল শক্তির উৎস। 
- পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার প্রায় সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্য থেকে আসা বা সূর্য কিরণ ব্যবহৃত হয়েই তৈরি হয়েছে। 
- জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস) প্রকৃত পক্ষে বহু দিনের সঞ্চিত সৌরশক্তি। 
- প্রাচীনকাল থেকে মানুষ সূর্য কিরণকে সরাসরি ব্যবহার করছে কোনো কিছু শুকানোর কাজে। 

- বর্তমানে সূর্যের শক্তিকে সবসময় ব্যবহারের জন্য মানুষ নানান রকম উপায় অবলম্বন করছে। 
- লেন্স বা দর্পণের সাহায্যে সূর্য রশ্মিকে অভিসারী করে আগুন জ্বালানো যায়। 
- সৌরচুল্লির সাহায্যে সূর্য কিরণকে প্রতিফলিত করে গৃহস্থালীর কাজে ব্যবহার করা যায়। 
- শীত প্রধান দেশে ঘরবাড়ি গরম করার কাজে সৌরশক্তিকে ব্যবহার করা হয়। 
- সৌর শক্তি ব্যবহার করে হিটার ও কুকার ব্যবহার করা যায়। 
- আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে সৌরকোষ। 
- সৌরকোষের বৈশিষ্ট্য হলো এর উপর সূর্যের আলো পড়লে এ থেকে সরাসরি তড়িৎ পাওয়া যায়। সৌরকোষের নানা রকম ব্যবহার রয়েছে। 
- সৌরশক্তি পরিবেশ বান্ধব, এটির ব্যবহারে পরিবেশ দূষিত হয়না। 
- সৌরশক্তির শেষ হবার কোন সম্ভাবনা নেই, এ শক্তির তাই প্রচলিত শক্তির উৎস জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনা খুব বেশি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন প্রক্রিয়ায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে একই বায়ু চাপ থাকে? 
  1. ব্যাপন 
  2. অভিস্রবণ 
  3. নিঃসরণ 
  4. প্রস্বেদন 
ব্যাখ্যা
ব্যাপন: 
- উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে কোন কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। 
- ফুলের সুগন্ধ ও H2S গ্যাসের দুর্গন্ধ বাতাসে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। 
- পদার্থের কণা বা অণুসমূহের ইতস্তত স্বতঃস্ফূর্ত চলাচলের কারণে ব্যাপন প্রক্রিয়া ঘটে। 
- ব্যাপন হল সাধারণ সমবায়ুচাপে অণুসমূহের স্বতঃস্ফূর্ত মন্থর প্রক্রিয়া। 
- ব্যাপন প্রক্রিয়ায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে একই বায়ু চাপ থাকে। 

নিঃসরণ: 
- বাহ্যিক উচ্চ চাপের প্রভাবে পাত্রের সরু ছিদ্রপথে কোন গ্যাসের সজোরে একমুখী বের হওয়াকে নিঃসরণ বলে। 
- গাড়ীর চাকার টিউবের ছিদ্র পথে নিঃসরণ প্রক্রিয়ায় বাতাস বের হয়ে পড়ে। 
- গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে চাপের পার্থক্যের কারণে নিঃসরণ প্রক্রিয়া ঘটে। 
- নিঃসরণ হল অধিক চাপের প্রভাবে গ্যাসীয় দ্রুত প্রক্রিয়া। 
- নিঃসরণের বেলায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে অধিক চাপ এবং বাইরে কম চাপ বা ভ্যাকুয়াম অবস্থা থাকে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
.
নিচের কোনটি ল্যাটিন নাম থেকে উদ্ভূত মৌলের প্রতীক নয়?
  1. সিলভার (Ag)
  2. পটাসিয়াম (K)
  3. আয়রন (Fe)
  4. ক্রোমিয়াম (Cr)
ব্যাখ্যা
- ল্যাটিন নাম থেকে উদ্ভূত মৌলের প্রতীক নয়- ক্রোমিয়াম (Cr)। 

মৌলের প্রতীক (Symbols of Elements): 

- কোনো মৌলের ইংরেজি বা ল্যাটিন নামের সংক্ষিপ্ত রূপকে প্রতীক বলে। 
- প্রত্যেকটি মৌলকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে তাদের আলাদা আলাদা প্রতীক ব্যবহার করা হয়। 
- মৌলের প্রতীক লিখতে কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। 
যথা- 
১। প্রথমত মৌলের ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে প্রতীক লেখা হয় এবং তা ইংরেজি বর্ণমালার বড় হাতের অক্ষর দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- হাইড্রোজেন (Hydrogen) এর প্রতীক (H), কার্বন (Carbon) এর প্রতীক (C), অক্সিজেনের প্রতীক (O) ইত্যাদি। 


২। যদি দুই বা দুইয়ের অধিক মৌলের ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষর একই হয় তবে একটি মৌলকে নামের প্রথম অক্ষর (ইংরেজি বর্ণমালার বড় হাতের) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। অন্যগুলোর ক্ষেত্রে প্রতীকটি দুই অক্ষরে লেখা হয়। নামের প্রথম অক্ষরটি ইংরেজি বর্ণমালার বড় হাতের অক্ষর এবং নামের অন্য একটি অক্ষর ছোট হাতের অক্ষর দিয়ে লেখা হয়। 
যেমন- 


৩। কিছু মৌলের প্রতীক তাদের ল্যাটিন নাম থেকে নেওয়া হয়েছে। 
যেমন- 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কয়লা থেকে উৎপন্ন সালফার কী ধরনের পরিবেশগত সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে?
  1. তাপমাত্রার পরিবর্তন
  2. ভূমি ধ্বংস
  3. এসিড বৃষ্টির সৃষ্টি
  4. গ্রীনহাউস গ্যাসের সৃষ্টি
ব্যাখ্যা
কয়লা: 
- শক্তির উৎসগুলোর মধ্যে কয়লা সকলের নিকট পরিচিত। 
- কয়লা একটি জৈব পদার্থ। 
- প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও স্বাভাবিকভাবে গাছের পাতা বা কান্ড মাটির নিচে চাপা পড়ে এবং জমতে থাকে। মাটির নিচে পাতা ও কান্ড রাসায়নিক পরিবর্তনের ফলে কয়লায় রূপান্তরিত হয়। 
- কয়লা পোড়ালে তাপ পাওয়া যায়। 
- জ্বালানি ছাড়াও কয়লা থেকে অনেক প্রয়োজনীয় পদার্থ উৎপাদিত হয়। 
- এদের মধ্যে রয়েছে কোল গ্যাস, আলকাতরা, বেঞ্জিন, অ্যামোনিয়া, টলুয়িন প্রভৃতি। 
- রান্না করতে ও বাষ্পীয় ইঞ্জিন চালাতে কয়লার ব্যবহার আছে। 
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার ব্যবহার আছে। 
- কয়লা চালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র হতে নির্গত ধোঁয়ায় সালফারের থাকে। এই সালফার পানির সাথে বিক্রিয়া করে এসিড বৃষ্টির সৃষ্টি করে। এই এসিড বৃষ্টি পুকুর, নদী ও খালে বিলে মাছ মেরে ফেলে, বন ধ্বংস করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
প্লাজমা অবস্থা কোথায় সাধারণত দেখা যায়?
  1. সূর্যে
  2. মঙ্গল গ্রহে 
  3. পৃথিবীর ভূত্বকে
  4. পৃথিবীর মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
প্লাজমা অবস্থা: 
- কঠিন, তরল এবং বায়বীয় ছাড়া আরও একটি পদার্থের অবস্থা হলো 'প্লাজমা'। 
- চারটি অবস্থাই পদার্থের অভ্যন্তরের তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। 
- প্লাজমা অবস্থা সচরাচর আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। 
- কঠিন থেকে তরলে তাপমাত্রা বা শক্তি অধিক হয়। 
- তরল থেকে বাষ্পে তাপ ও শক্তি আরও অধিক হয়। 
- তাপ শক্তি অত্যন্ত অধিক হলে বা অতি উচ্চ তাপমাত্রায় পদার্থ প্লাজমা অবস্থায় পরিণত হয়। 
- প্লাজমা অবস্থায় বস্তুর অণুগুলো ইলেকট্রন, প্রোট্রেন ও নিউট্রনে রূপান্তরিত হয়। 
- অন্যভাবে বলা যায় গ্যাসীয় অণুসমূহ আয়তনযুক্ত হয়। 
- প্লাজমা অবস্থা সচরাচর আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। 
- তবে নিয়ন সাইন, ফ্লোরোসেন্ট লাইট (টিউব লাইট, এনার্জি বাল্ব) এর মধ্যে গ্যাস পরমাণু আয়নিত বা প্লাজমা অবস্থায় থাকে। 
- পৃথিবীর বাইরের মহাবিশ্বে প্লাজমা অবস্থারই প্রাধান্য বেশি। 
- সূর্য এবং অধিকাংশ নক্ষত্র, উত্তর মেরুতে দৃশ্যমান মেরুজ্যোতি পদার্থের প্লাজমা অবস্থা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোন পদার্থটি তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়?
  1. ন্যাপথলিন 
  2. আয়োডিন
  3. নিশাদল 
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ঊর্ধ্বপাতন: 
- যে প্রক্রিয়ায় কোন কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে। 
যেমন- 
নিশাদল (NH4Cl)
• কর্পূর (C10H16O), 
ন্যাপথলিন (C10H8)
• কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), 
আয়োডিন (I2)
• অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3)। 
- এই পদার্থগুলোকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। 
- এই পদার্থগুলোকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিউক্লিয়ার ফিশনে কী ধরনের শক্তি উৎপন্ন হয়?
  1. পারমাণবিক শক্তি 
  2. তড়িৎ শক্তি 
  3. যান্ত্রিক শক্তি
  4. রাসায়নিক শক্তি
ব্যাখ্যা
নিউক্লিয় ফিশন (Nuclear Fission): 
- কোনো ভারী নিউক্লিয়াসকে (A>230) সঠিক গতির নিউট্রন বা ফোটন দিয়ে আঘাত করে সম্পূর্ণরূপে ভেঙে প্রায় সমান অংশে বিভক্ত করে প্রচণ্ড পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করার প্রক্রিয়াকে নিউক্লীয় বিভাজন বা নিউক্লিয় ফিশান বলে। 
- ইউরেনিয়ামকে তাপীয় নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে এই ভারী নিউক্লিয়াসটি প্রায় সমান ভাবে দুটি নিউক্লিয়াসে ভেঙ্গে যায়। এর সাথে প্রচুর শক্তি নির্গত করে। 
যেমন- 


নিউক্লীয় ফিউশন বা সংযোজন (Nuclear Fusion): 
- একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস একসঙ্গে জুড়ে অপেক্ষাকৃত বড়ো এবং ভারী একটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হওয়ার ঘটনাকে নিউক্লীয় সংযোজন বলা হয়। 
- নিউক্লীয় সংযোজনকে নিউক্লীয় বিভাজনের বিপরীত ঘটনা বলা যায়। 
- দুটি হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস, অর্থাৎ দুটি প্রোটনের মধ্যে সংযোজনের সম্ভাবনা খুবই কম। 
- নিউক্লীয় সংযোজনের সহজতম উদাহরণ হলো দুটি ডিউটেরন (deuteron)-এর সংযোজন। 

- এছাড়া হাইড্রোজেনের আর একটি আইসোটোপ ট্রিটিয়াম এর নিউক্লিয়াস, অর্থাৎ ট্রাইটন (triton) এর সঙ্গে ডিউটেরনের সংযোজনের সম্ভাবনাও খুব বেশি। 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিঃসরণ প্রক্রিয়ায় কী ঘটে?
  1. পদার্থ স্বতঃস্ফূর্তভাবে পরিব্যাপ্তি ঘটে
  2. গ্যাস পাত্রের ভেতরে এবং বাইরে সমান চাপ থাকে
  3. বাহ্যিক উচ্চ চাপের প্রভাবে গ্যাস সজোরে বের হয়ে আসে
  4. গ্যাসের কণা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মন্থরভাবে চলাচল করে
ব্যাখ্যা
নিঃসরণ: 
- বাহ্যিক উচ্চ চাপের প্রভাবে পাত্রের সরু ছিদ্রপথে কোন গ্যাসের সজোরে একমুখী বের হওয়াকে নিঃসরণ বলে। 
- একটি উদাহরণ হলো গাড়ীর চাকার টিউবের ছিদ্র দিয়ে বাতাস বের হয়ে যাওয়া। 
- নিঃসরণ প্রক্রিয়া ঘটে গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে চাপের পার্থক্যের কারণে, যেখানে পাত্রের ভেতরে অধিক চাপ এবং বাইরে কম চাপ বা ভ্যাকুয়াম অবস্থায় থাকে। 
- নিঃসরণ হলো গ্যাসের দ্রুত প্রক্রিয়া যা অধিক চাপের প্রভাবে ঘটে। 

ব্যাপন: 
- উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে কোন কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যপ্তি ঘটানোর প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। 
- উদাহরণস্বরূপ, ফুলের সুগন্ধ বা H2S গ্যাসের দুর্গন্ধ বাতাসে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। 
- এই প্রক্রিয়া ঘটে পদার্থের কণা বা অণুসমূহের স্বতঃস্ফূর্ত চলাচলের কারণে। 
- ব্যাপন হলো সাধারণ সমবায়ুচাপে অণুসমূহের স্বতঃস্ফূর্ত, মন্থর প্রক্রিয়া, যেখানে গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে একে অপরের সাথে সমান বায়ু চাপ থাকে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
১০.
শক্তির সংরক্ষণশীলতার নীতি অনুযায়ী, শক্তি রূপান্তরের আগে ও পরে-
  1. শক্তির পরিমাণ বেড়ে যায়
  2. শক্তির পরিমাণ কমে যায়
  3. শক্তি হারিয়ে যায়
  4. শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে
ব্যাখ্যা
শক্তির সংরক্ষণশীলতার নীতি (Principle of conservation of Energy): 
- পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। 
যেমন- আলোক শক্তি, তাপ শক্তি, সৌর শক্তি, রাসায়নিক শক্তি, পারমাণবিক শক্তি, বৈদ্যুতিক শক্তি, যান্ত্রিক শক্তি, শব্দ শক্তি ও চৌম্বক শক্তি। 
- যান্ত্রিক শক্তি আবার দুই ধরনের। 
যথা- গতি শক্তি ও বিভব শক্তি। 
- শক্তি নিয়ত এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তিত হয়। 
যেমন- তাপ শক্তি থেকে আলোক শক্তি, গতি শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি, বিভব শক্তি থেকে গতি শক্তি ইত্যাদি। 
- শক্তির সৃষ্টি ও বিনাশ সম্ভব নয়। 
- কেবল এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর হয় মাত্র। একে বলে শক্তির নিত্যতা বা সংরক্ষণশীলতা। 
- শক্তির নিত্যতাকে একটি সূত্র দিয়ে প্রকাশ করা হয়। একে বলা হয় শক্তির সংরক্ষণশীলতার নীতি। 
নীতিটি হল: 'শক্তির সৃষ্টি বা বিনাশ নেই। শক্তি কেবল এক রূপ থেকে অন্য এক বা একাধিক রূপে পরিবর্তিত হতে পারে। রূপান্তরের আগে ও পরে মোট শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে এবং মহাবিশ্বে মোট শক্তির পরিমাণ নির্দিষ্ট ও অপরিবর্তনীয়'। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
বৈদ্যুতিক বাল্বে বিদ্যুৎ শক্তি কোন ধরনের শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. চৌম্বক শক্তি
  2. আলোক শক্তি 
  3. শব্দ শক্তি 
  4. যান্ত্রিক শক্তি
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর: 
- এক রূপের শক্তিকে রুপান্তর করে অন্য রূপের শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তখন একে শক্তির রূপান্তর বলা হয়। 

বিদ্যুৎ শক্তির রূপান্তর: 
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি, হিটার ইত্যাদিতে তড়িৎ শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- বৈদ্যুতিক বাল্বে বিদ্যুৎ শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- টেলিফোন ও রেডিওর গ্রাহক যন্ত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- সঞ্চয়ক কোষে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।