পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা - ৪ টপিক: ১. মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী ইতিহাস, ২. বাংলাদেশের অর্থনীতি ও শিল্প-বাণিজ্য, ৩. সরকার ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
সর্বশেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিল -
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার  একটি সরকারের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় থেকে নতুন একটি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পূর্ববর্তী সময়ে রাষ্ট্রের প্রশাসন পরিচালনায় নিয়োজিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। 
- বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হয় ৪ বার।
- যথা: ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮।
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইন পাস হয়।
- ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান কে প্রধান উপদেষ্টা করে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
- ২২ জানুয়ারি, ২০০৭ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ধার্য্য হলে দেশব্যাপী রাজনৈতিক সহিংসতা ও সংঘাত ব্যাপক আকার ধারণ করে।
- ১ জানুয়ারি ২০০৭ রাষ্ট্রপতি জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেন।
- ড. ফখরুদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে পুনরায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়।
- এ সরকার ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের রোডম্যাপ ঘোষণা করে।
- ৩ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত ড. ফখরুদ্দীন আহমেদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব পালন করে।
- ৩০ জুন, ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে, বর্তমানে বাংলাদেশে কয়টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে?
  1. ৫১টি
  2. ৫২টি
  3. ৫৩টি
  4. ৫৪টি
সঠিক উত্তর:
৫৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪টি
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশে ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
বিটিএমসি নিয়ন্ত্রণাধীন মিলসমূহে মূলত উৎপাদন করা হয় -
  1. সুতা
  2. রেশম
  3. কাগজ
  4. চিনি
সঠিক উত্তর:
সুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুতা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশন (বিটিএমসি):
- বিটিএমসি নিয়ন্ত্রণাধীন মিলসমূহে সুতা উৎপাদন করা হয়।
- বর্তমানেও বিটিএমসির ভাড়াপদ্ধতিতে চালু মিলসমূহে উৎপাদিত সুতা স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণে স্বল্প পরিসরে হলেও ভূমিকা রাখছে।
- একসময় কাপড়ও উৎপাদন হতো।
- তবে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে কম্পোজিট মিলসমূহের বুনন বিভাগ বন্ধ করার পর থেকে বিটিএমসিতে কাপড় উৎপাদন হয় না।
- বর্তমানে বিটিএমসি’র ২৫ টি মিলের মধ্যে ২টি মিল বিদ্যমান পুরাতন মেশিনারিজ দ্বারা ভাড়া পদ্ধতিতে চালু আছে। 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
বাংলাদেশে কয়টি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- 'সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে' ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ: 
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত। 
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার। 
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে। 
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে। 

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
.
মাত্র ১টি সংসদীয় আসন বিদ্যমান -
  1. মেহেরপুরে
  2. ঝালকাঠিতে
  3. গোপালগঞ্জে
  4. রাঙামাটিতে
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটিতে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের তিনটি সংসদীয় আসনের মাত্র ১টি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- জেলাগুলো হলো: রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
আইন প্রণয়নের ক্ষমতা কার উপর ন্যস্ত থাকে?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. আইন মন্ত্রণালয়ের
  3. সুপ্রীম কোর্টের
  4. জাতীয় সংসদের
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
• সংবিধানের ৬৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
- 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে,
- এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হবে,
- তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করবে না।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বিসিআইসি’র অধীনে কয়টি কাগজ কারখানা রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১০টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।
- চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৪টি (চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ)।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উল্লেখ্য,
- বিসিআইসির ওয়েবসাইট অনুযায়ী বিসিআইসি’র অধীনে ১৩টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
ইয়াংওয়ান কোম্পানি বাংলাদেশের কোন খাতে বিনিয়োগ করে থাকে?
  1. পোশাক
  2. সার
  3. ঔষধ
  4. জ্বালানি
সঠিক উত্তর:
পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোশাক
ব্যাখ্যা
ইয়াংওয়ান পোশাক রপ্তানিকারক শিল্পগোষ্ঠী:
- দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানি ইয়াংওয়ান। 
- ২০২২–২৩ অর্থবছরে দক্ষিণ কোরিয়ান কোম্পানি ইয়াংওয়ান সর্বোচ্চ ১০০ কোটি ডলারের পোশাকপণ্য রপ্তানির মাইলফলক ছুঁয়ে চমক দেখিয়েছে।
- চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ২ হাজার ৪৯২ একর জমির ওপর কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (কেইপিজেড) নির্মাণের কাজ করছিল ইয়াংওয়ান।
- নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে ২০১১ সাল থেকে কেইপিজেডে কারখানা চালু হয়। 
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি রপ্তানি করেছে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার বা ৯ হাজার ৯৪৫ কোটি টাকার পোশাক।
- এ শিল্পগোষ্ঠীই বর্তমানে বাংলাদেশের শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক।

উল্লেখ্য,
- পোশাক রপ্তানিতে বর্তমানে দ্বিতীয় শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী হচ্ছে স্থানীয় হা-মীম গ্রুপ।
- তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে মণ্ডল গ্রুপ ও ডিবিএল গ্রুপ। 
- পঞ্চম স্থানে আছে চট্টগ্রামের প্যাসিফিক জিনস গ্রুপ।

উৎস: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো। [link]
.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়:
- ২৩ অক্টোবর, ২০০১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহ/সংগঠনসমূহ:
• বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট,
• জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল,
• বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ,
• জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ,
• মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর,
• স্বাধীনতা স্তম্ভ কমপ্লেক্স,
• মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্স,
• মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ইত্যাদি।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১০.
বিজিএমইএ হলো _____ সমিতি।
  1. পাটজাত পণ্য প্রস্তুতকারক
  2. পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক
  3. চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিকারক
  4. ঔষধ রপ্তানিকারক
সঠিক উত্তর:
পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক
ব্যাখ্যা
বিজিএমইএ (BGMEA):
- BGMEA এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association.
- বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় বণিক সমিতি।
- এটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দুই বছর মেয়াদে নির্বাচিত ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালক পর্ষদের দ্বারা পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৪৫০০ ফ্যাক্টরি।
- এর বর্তমান সভাপতি ফারুক হাসান।

উৎস: BGMEA ওয়েবসাইট।
১১.
আর্থিক প্রযুক্তি খাতে কোন প্রতিষ্ঠান ‘ফিনটেক পাইওনিয়ার ২০২৩' সম্মাননা পেয়েছে?
  1. নগদ
  2. বিকাশ
  3. রকেট
  4. উপায়
সঠিক উত্তর:
বিকাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকাশ
ব্যাখ্যা
ফিনটেক পাইওনিয়ার-২০২৩:
- দেশের আর্থিক প্রযুক্তি বা ফিনটেক খাতে অগ্রগামী ভূমিকা রাখায় ‘ফিনটেক পাইওনিয়ার ২০২৩' সম্মাননা পেয়েছে মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান বিকাশ।
- বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৩' অনুষ্ঠানে বিকাশকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
- অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে এ বিষয়ক সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন বিকাশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কামাল কাদীর।
- বর্তমানে বিকাশের ৭ কোটি গ্রাহক, ৩ লাখ ৩০ হাজার এজেন্ট ও সাড়ে ৫ লাখ মার্চেন্ট রয়েছে।
- এখন পর্যন্ত ব্র্যাক ব্যাংক, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানি ইন মোশন এলএলসি, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অন্তর্গত ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন, অ্যান্ট গ্রুপ ও সফট ব্যাংক ভিশন ফান্ড থেকে ৩৮১ মিলিয়ন বা ৩৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ বিনিয়োগ এনেছে বিকাশ।
- ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ যেন ক্যাশবিহীন স্মার্ট বাংলাদেশ হয় সেই লক্ষ্যে কাজ করছে বিকাশ।

উৎস: ২৯ জুলাই, ২০২৩, প্রথম আলো। 
১২.
বাংলাদেশে কয়টি চিনিকল রয়েছে?
  1. ১২টি
  2. ১৩টি
  3. ১৫টি
  4. ১৮টি
সঠিক উত্তর:
১৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (BSFIC):
- BSFIC এর পুর্ণ রূপ: Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation.
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ১৫টি চিনিকল, ১টি ডিস্টিলারি ইউনিট, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা, ১টি জৈবসার কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।
- চিনিকলগুলোতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫২,৯৪৫ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২১,৩১৩ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৩.
বর্তমানে অর্থনীতির মোট কয়টি খাত রয়েছে (সেপ্টেম্বর, ২০২৩)?
  1. ১৫টি
  2. ১৬টি
  3. ১৮টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- অর্থনীতির মোট খাত: ১৯টি (২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর)।
- ১৯টি খাত:   
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম। 
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।