পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes১৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পদার্থের অবস্থা, ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ, ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন, চৌম্বকত্ব, তরঙ্গ এবং শব্দ, তাপ ও তাপগতি বিদ্যা, আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, আলোক যন্ত্রপাতি, তড়িৎ চৌম্বক, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা ইত্যাদি। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই। [এই পরীক্ষা থেকে পড়া শুরু করলে আগামী ১৫০ দিনে বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাস কাভার হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
তড়িতের সিস্টেম লস রোধ করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) ট্রানজিস্টর
  2. খ) ট্রান্সফর্মার
  3. গ) সার্কিট ব্রেকার
  4. ঘ) ইলেকট্রিক লস রিমোভার
ব্যাখ্যা

একটা নির্দিষ্ট বিদ্যুৎ শক্তির জন্য যদি উচ্চ ভােল্টেজ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় তাহলে রােধজনিত তাপশক্তি হিসেবে লস কমে যায়। সে জন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয় সেটিকে স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজে রূপান্তর করা হয়।
গ্রাহকদের ব্যবহারের জন্য বিদ্যুৎ শক্তিকে বিতরণ করার আগে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করে সেটিকে আবার ব্যবহারযােগ্য ভােল্টেজ নামিয়ে আনা হয়। (উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

.
নিচের কোনটি প্লাজমা তৈরির প্রক্রিয়া বা উপায় নয়?
  1. ক) প্রচণ্ড তাপ প্রদান
  2. খ) বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে
  3. গ) শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়ােগ করে
  4. ঘ) নিওন লাইটের উজ্জ্বল বিজ্ঞাপন
ব্যাখ্যা

প্লাজমা তৈরির উপায়:

  1. প্রচণ্ড তাপ দিয়ে গ্যাসকে প্লাজমা করা যায়।
  2. শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়ােগ করেও প্লাজমা করা যায়।
  3. টিউবলাইটের ভেতর প্লাজমা তৈরি হয়।
  4. নিওন লাইটের যে উজ্জ্বল বিজ্ঞাপন দেখা যায় সেগুলাের ভেতরে প্লাজমা তৈরি হয়
  5. বজ্রপাত হলে যে বিজলির আলাে দেখা যায় সেটিও প্লাজমা আবার দূর নক্ষত্রের মাঝে যে পদার্থ সেটিও প্লাজমা অবস্থায় আছে।

(উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

.
বলবিদ্যা ও মহাকর্ষ বলের সাথে সম্পর্কিত নিচের কোন ব্যক্তিত্ব?
  1. ক) লিবনিজ
  2. খ) নিউটন
  3. গ) আইনস্টাইন
  4. ঘ) গ্যালিলিও
ব্যাখ্যা
1687 খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী নিউটন বলবিদ্যার তিনটি এবং মহাকর্ষ বলের সূত্র প্রকাশ করে গতিবিদ্যার ভিত্তি তৈরি করে দেয়। আলােকবিজ্ঞান এবং অন্য আরাে কাজের সাথে সাথে বিজ্ঞানী নিউটন লিবনিজের সাথে গণিতের নতুন একটি শাখা ক্যালকুলাস আবিষ্কার করেছিলেন। (উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
.
এন্ডােস্কোপিতে প্রয়ােগ করা হয়-
  1. ক) আলাের প্রতিসরণ ও বৈদ্যুতিক তরঙ্গের নিঃসরণ
  2. খ) বৈদ্যুতিক তরঙ্গের নিঃসরণ ও আলাের পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  3. গ) আলোর প্রতিফলন ও বৈদ্যুতিক তরঙ্গের নিঃসরণ
  4. ঘ) আলাের প্রতিসরণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা

এন্ডােসকোপি যন্ত্রে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করা হয় যেখানে আলাে পূর্ণ অভ্যন্তরীন প্রতিফলন হয়ে আঁকাবাকা পথে যেতে পারে।
বর্তমানে অত্যন্ত ক্ষুদ্র সিসিডি ক্যামেরার প্রযুক্তির কারণে এন্ডোসকপি যন্ত্রের নলের মাথায় একটি ক্ষুদ্র ক্যামেরা বসিয়ে সেটি সরাসরি শরীরের ভেতরে ঢুকিয়ে ভিডিও সিগন্যাল দেখা সম্ভবপর হচ্ছে।
যে অঙ্গগুলাে পরীক্ষা করার জন্য এন্ডােসকপি ব্যবহার করা হয় সেগুলাে হচ্ছে-
১। ফুসফুস এবং বুকের কেন্দ্রীয় বিভাজন অংশ;
২। পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদন্ত্র বা কোলন;
৩। স্ত্রী প্রজনন অঙ্গ;
৪। উদর এবং পেলভিস;
৫। মূত্রনালির অভ্যন্তর ভাগ;
৬। নাসা গহ্বর, নাকের চারপাশের সাইনাস এবং কান।
উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান

.
বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের বাহক হিসেবে 'ইথার' এর ধারণা দেন কে?
  1. ক) প্রফেসর সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  2. খ) মাইকেলসন-মর্লি
  3. গ) আলবার্ট আইনস্টাইন
  4. ঘ) আইজ্যাক নিউটন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

প্রশ্নের উত্তর টা মাইকেলসন-মর্লি কে সঠিক রেখেই প্রশ্নটা করা হয়েছিলো। কিন্তু প্রশ্নটা করতেই ভুল হয়ে গেছে।
সঠিক প্রশ্নটা হতোঃ বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের বাহক হিসেবে ইথারের অস্তিত্ব আবিষ্কারের চেষ্টা করেন কে?
সংশোধনীঃ বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের বাহক হিসেবে ইথারের ধারণা দেন এরিস্টটল। পরবর্তীতে আইজ্যাক নিউটন তার 'অপটিকস' গ্রন্থে ইথার সম্পর্কে আলোচনা করেন। প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর এরিস্টটল হওয়ায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

.
টেলিভিশন সম্প্রচারে ক্যামেরার কাজ কী?
  1. ক) ছবিকে তড়িৎ সংকেতে রূপান্তর করা
  2. খ) ছবিকে শব্দ তরঙ্গে রূপান্তর করা
  3. গ) তড়িৎ সংকেতকে ছবিতে রূপান্তর করা
  4. ঘ) শব্দ তরঙ্গকে ছবিতে রূপান্তর করা
ব্যাখ্যা

টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি প্রেরণের জন্য প্রেরক স্টেশনে থাকে পৃথক পৃথক প্রেরক যন্ত্র, যার সাহায্যে তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গরূপে শব্দ ও ছবি প্রেরণ করা হয়।
যে ছবি বা দৃশ্য প্রেরণ করতে হবে তা টেলিভিশন ক্যামেরা তাড়িত সংকেতে রূপান্তরিত করে। এ সংকেতকে মডুলেশন প্রক্রিয়ায় উচ্চ কম্পাঙ্কের বাহক তরঙ্গের সাথে মিশ্রিত করা হয়। পরে এন্টেনার সাহায্যে তাড়িতচৌম্বক বেতার তরঙ্গ হিসেবে প্রেরণ করা হয়। (উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

.
নিচের কোনটি অন্তরক পদার্থের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) প্লাস্টিক
  2. খ) রাবার
  3. গ) অ্যালুমিনিয়াম
  4. ঘ) কাঠ
ব্যাখ্যা

যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনাে মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলাে হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। মূলত অধাতুগুলাে বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়।
উদাহরণ: প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ এগুলাে হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থ । (উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান)

.
নিচের কোনটির বিকিরণে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা কিংবা নিউক্লিওন সংখ্যার কোনাে পরিবর্তন হয় না?
  1. ক) আলফা রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা

গামা রশ্মি আসলে শক্তিশালী বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। কাজেই এর কোনাে চার্জ নেই (আধানহীন), কিন্তু শক্তিশালী হওয়ার কারণে এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য খুব কম (কম্পন অনেক বেশি)। শক্তি বেশি বা কম হলেও এর বেগ সব সময়েই আলাের বেগের সমান।
যখন কোনাে নিউক্লিয়াস আলফা কণা কিংবা বিটা কণার বিকিরণ করে 'উত্তেজিত' অবস্থায় থাকে তখন বাড়তি শক্তি গামা রশ্মি হিসেবে বের করে এটি নিরুত্তেজ হয়। গামা রশ্মি চার্জহীন এবং ভরহীন, তাই এর বিকিরণে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা কিংবা নিউক্লিওন সংখ্যার কোনাে পরিবর্তন হয় না। (উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

.
প্রাথমিক বর্ণ নয় কোনটি ?
  1. ক) লাল
  2. খ) সবুজ
  3. গ) বেগুনি
  4. ঘ) নীল
ব্যাখ্যা

আলোর প্রাথমিক বা মৌলিক বর্ণ ৩ টি।

  • লাল
  • নীল/আসমানী
  • সবুজ

(উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

১০.
কোন দুটি ট্রান্সফরমারের মুখ্য ও গৌণ কুণ্ডলীর পাকসংখ্যার অনুপাত 1:2, সেগুলাের মধ্যে দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের অনুপাত কত হবে?
  1. ক) 1:2
  2. খ) 1:4
  3. গ) 2:1
  4. ঘ) 4:1
ব্যাখ্যা
কুণ্ডলী দুটির তড়িৎ প্রবাহমাত্রা তাদের পাক সংখ্যার ব্যস্তানুপাতিক। (উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
১১.
এনট্রপি হলাে-
  1. ক) শৃঙ্খলার পরিমাপ
  2. খ) শক্তির রূপান্তর ক্ষমতার পরিমাপ
  3. গ) রূপান্তরের জন্য শক্তি পাওয়ার পরিমাপ
  4. ঘ) তাপীয় মৃত্যুর সম্ভাবনার পরিমাপ
ব্যাখ্যা

এনট্রপির তাৎপর্য

তাপগতিবিদ্যায় এনট্রপির গুরুত্ব অপরিসীম। এর নিম্নলিখিত তাৎপর্য রয়েছে :
১) এনট্রপি একটি প্রাকৃতিক রাশি যার মান তাপ ও পরম তাপমাত্রার অনুপাতের সমান।
২) এটি বস্তুর একটি তাপীয় ধর্ম যা তাপ সঞ্চালনের দিক নির্দেশ করে।
৩) এটি বস্তুর তাপগতীয় অবস্থা নির্ধারণে সহায়তা করে।
৪) এটি তাপমাত্রা, চাপ, আয়তন, অন্তর্নিহিত শক্তি, চুম্বকীয় অবস্থার ন্যায় কোনাে বস্তুর অবস্থা প্রকাশ করে।
৫) এনট্রপি বৃদ্ধি পেলে বস্তু শৃঙ্খল অবস্থা (ordered state) হতে বিশৃঙ্খল অবস্থায় (disordered state) পরিণত হয়।
৬) তাপমাত্রা ও চাপের ন্যায় একে অনুভব করা যায় না।
(উৎসঃ  ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

১২.
শরীরের ব্যথা-বেদনা উপশমে নিচের কোন রশ্মিটি ব্যবহৃত হয় ?
  1. ক) অতিবেগুনি রশ্মি
  2. খ) এক্স রশ্মি
  3. গ) অবলােহিত রশ্মি
  4. ঘ) বিটা রশ্মি
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন রােগের চিকিৎসায়, জ্যোতির্বিদ্যায়, শিল্প কারখানায় অবলোহিত রশ্মি ব্যবহৃত হয়। অন্ধকারে দেখার জন্য নাইট গগলস হিসেবে এবং অন্ধকারে ছবি তােলার জন্য এই রশ্মির ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়। মাংসপেশীর ব্যথা ও টান এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। (উৎসঃ  ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

১৩.
এক আলােকবর্ষ হলাে -
  1. ক) 9.4 x 1012 km
  2. খ) 9.4 x 1015 km
  3. গ) 9.4 x 1018 km
  4. ঘ) 9.4 x 1021 km
ব্যাখ্যা

আলােক বর্ষ বা লাইট ইয়ার (ly ) : আলাে 3 x 10m/s বেগে এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলােক বর্ষ বলে। 1 ly = 9.46 x 1012 km (উৎসঃ  ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

১৪.
কোনো তরঙ্গের কম্পাংক f এবং পর্যায়কাল T হলে এদের মধ্যে সম্পর্ক-
  1. ক) T = 1/f
  2. খ) T = f
  3. গ) T = 1/f2
  4. ঘ) f = 1/T2
ব্যাখ্যা

পর্যায়কাল বা দোলনকাল : তরঙ্গের উপর অবস্থিত কোনাে কম্পনশীল কণার একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে ঐ তরঙ্গের পর্যায়কাল T বলে।
কম্পাঙ্ক : তরঙ্গের উপর অবস্থিত কোনাে কম্পনশীল কণা একক সময়ে যতগুলা পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করে তাকে ঐ তরঙ্গের কম্পাঙ্ক f বলে।
কোনাে কণা t সময়ে N সংখ্যক কম্পন সম্পন্ন করলে কম্পাঙ্ক, f= N/t
কম্পাঙ্কের একক s-1। একে হার্জ (hertz) বলে। একে Hz দিয়ে প্রকাশ করা হয়। কোনাে কণা এক সেকেন্ডে একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করলে তার কম্পাঙ্ককে এক হার্জ বলে।
আবার, পর্যায়কাল T হলে, T সময়ে সম্পন্ন হয় 1টি কম্পন
একক সময়ে সম্পন্ন হয় 1/T টি কম্পন
সুতরাং f = 1/T
(উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

১৫.
রাডারে যে তড়িৎ চৌম্বক ব্যবহার করা হয় তার নাম কি?
  1. ক) অবলোহিত বিকিরণ
  2. খ) এক্সরে
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা
রাডার যন্ত্রে, নৌ ও বিমান চালনায়, রেডিও যােগাযােগ ব্যবস্থায়, শিল্প কারখানায় এই তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়।
এই ছাড়া খাবার গরম করা ও রান্নার কাজে মাইক্রোওভেন ব্যবহৃত হয়। (উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
১৬.
বৈদ্যুতিক কলিংবেল তৈরীতে কোন ধরনের চুম্বকের প্রয়োজন হয়?
  1. ক) স্থায়ী চুম্বক
  2. খ) অস্থায়ী চুম্বক
  3. গ) প্যারাচুম্বক
  4. ঘ) ডায়াচুম্বক
ব্যাখ্যা
যে সকল তড়িৎযন্ত্রের ক্ষণস্থায়ী চুম্বকের প্রয়োজন হয় অর্থ্যাৎ ব্যবহারকালে চুম্বকত্বের বারবার পরিবর্তনের দরকার হয়, সে সকল যন্ত্রে অস্থায়ী চুম্বক ব্যবহার হয়। যেমন, বৈদ্যুতিক কলিং বেল, ক্রেন, ট্রান্সফর্মারের কোর, টেলিফোনের ডায়াগ্রাম ইত্যাদি। উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই।
১৭.
যে শব্দের তরঙ্গের কম্পাঙ্ক 20 kHz থেকে বেশি, তাকে কি বলে?
  1. ক) শব্দোত্তর তরঙ্গ
  2. খ) ইনফ্রাসাউন্ড
  3. গ) লো-লেভেল তরঙ্গ
  4. ঘ) শব্দেতর তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
20 Hz এর কম কম্পাঙ্ক বিশিষ্ঠ তরঙ্গকে বলে - শব্দতর তরঙ্গ বা ইনফ্রাসাউন্ড বলে। আবার 20000 Hz বা 20 kHz এর বেশি কম্পাঙ্ক বিশিষ্ঠ শব্দকে শব্দোত্তর তরঙ্গ বা আলট্রাসাউন্ড বলে। এই দুই ধরনের শব্দই মানুষ শুনতে পায় না। উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীঃ পদার্থ বিজ্ঞান বই।
১৮.
অবতল লেন্সে কোন ধরনের বিম্ব গঠিত হয়?
  1. ক) অবাস্তব, সোজা ও খর্বিত
  2. খ) বাস্তব ও উলটো
  3. গ) অবাস্তব, সোজা ও বিবর্ধিত
  4. ঘ) অবাস্তব, উলটো ও খর্বিত
ব্যাখ্যা
অবতল লেন্সের সামনে লক্ষ্যবস্তু থাকলে তার অবাস্তব, সোজা ও খর্বিত বিম্ব গঠিত হয়। আবার উত্তল লেন্সে লক্ষ্যবস্তুর অবাস্তব, সোজা ও বিবর্ধিত বিম্ব গঠিত হয়। উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই।
১৯.
স্থির তরঙ্গের নিস্পন্দ বিন্দুতে কণার বেগ কত ?
  1. ক) শূন্য
  2. খ) সর্বনিম্ন কিন্তু শূন্য নয়
  3. গ) সর্বাধিক
  4. ঘ) কোনােটিই নয়
ব্যাখ্যা

সুস্পন্দ বিন্দু (Antinode) : স্থির তরঙ্গের উপরস্থ যে সকল বিন্দুতে কণার স্পন্দনের বিস্তার সর্বাধিক হয় অর্থাৎ কণার সরণ সর্বোচ্চ হয় সেই সকল বিন্দুকে সুস্পন্দ বিন্দু বলে।
নিস্পন্দ বিন্দু (Node) : স্থির তরঙ্গর উপরস্থ যে সকল বিন্দুতে কণার কোনাে বিস্তার নেই অর্থাৎ কণার সরণ শূন্য হয় সেই সকল বিন্দুকে নিস্পন্দ বিন্দু বলে।
নিস্পন্দ ও সুস্পন্দ বিন্দুর অবস্থানগুলাে স্থির। পর পর দুটি সুস্পন্দ বা দুটি নিস্পন্দ বিন্দুর মধ্যবর্তী দূরত্ব তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অর্ধেক। (উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)