পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়55 minutes৭০ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৭১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৬০: Full Model Test - 5
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৭১ প্রশ্ন

.
'সিংহ' শব্দের সমার্থক শব্দ -
  1. ভুজঙ্গ
  2. মৃগেন্দ্র
  3. ভুজগ
  4. উরগ
সঠিক উত্তর:
মৃগেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃগেন্দ্র
ব্যাখ্যা
'সিংহ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- কেশরী, পশুরাজ, মৃগেন্দ্র, মৃগরাজ।

অন্যদিকে,
'সাপ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- সর্প, অহি, ফণী, নাগ, ভুজগ, ভুজঙ্গ, আশীবিষ, উরগ, বিষধর, পন্নগ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
কোনটি মূর্ধন্যধ্বনির উদাহরণ?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
মূর্ধন্যধ্বনি:
- যেসব ধ্বনির উচ্চারণস্থান মূর্ধা বা তালুর অগ্রভাগ, তাদের মূর্ধন্যধ্বনি বলে।
- , ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, র, ড়, ঢ়, য মূর্ধন্যধ্বনি।

অন্যদিকে,
দন্ত্যধ্বনি:
- যেসব ধ্বনির উচ্চারণস্থান দন্তমূল, তাদের দন্ত্যধ্বনি বলে।
- , থ, দ, ধ,, ল, দন্ত্যধ্বনি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
.
'বিড়ালচোখী' শব্দটি কোন সমাস?
  1. মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
  2. ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি
  3. সমানাধিকরণ বহুব্রীহি
  4. প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি
সঠিক উত্তর:
মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা
মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি:
- বহুব্রীহি সমাসের ব্যাখ্যার জন্য ব্যবহৃত বাক্যাংশের কোনো অংশ যদি সমস্তপদে লোপ পায়, তবে তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি বলে।

যেমন:
- বিড়ালের চোখের ন্যায় চোখ যে নারীর = বিড়ালচোখী,
- হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = হাতেখড়ি।

এমনি ভাবে – গায়ে হলুদ, মেনিমুখো ইত্যদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'রাষ্ট্রপতি' শব্দটি কোন ভাষা হতে আগত?
  1. তৎসম
  2. ফারসি
  3. হিন্দি
  4. উর্দু
সঠিক উত্তর:
তৎসম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎসম
ব্যাখ্যা
• 'রাষ্ট্রপতি' শব্দটি 'সংস্কৃত / তৎসম' ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

অর্থ:
- রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
'যার অন্য উপায় নেই' এর এককথায় প্রকাশ -
  1. সর্বংসহা
  2. প্রত্যুদ্‌গমন
  3. নিরুপায়
  4. অনন্যোপায়
সঠিক উত্তর:
অনন্যোপায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনন্যোপায়
ব্যাখ্যা
• 'যার অন্য উপায় নেই' এর এককথায় প্রকাশ - অনন্যোপায়

অন্যদিকে,
'যার কোনো উপায় নেই' এর এককথায় প্রকাশ - নিরুপায়।
'সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা' এর এককথায় প্রকাশ - প্রত্যুদ্‌গমন।
'যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায়' এর এককথায় প্রকাশ - সর্বংসহা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
.
We shall not see their faces again. What parts of speech is "faces"?
  1. Verb
  2. Noun
  3. Pronoun
  4. Preposition
সঠিক উত্তর:
Noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun
ব্যাখ্যা
• The Correct answer is - Noun.

- Possessive এবং Adverb এর মধ্যে কোন শব্দ থাকলে সেটি সাধারণত Noun হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- Sentence টিতে "faces" শব্দটি Noun. কারণ এর আগে Possessive (their) ও পরে Adverb (again) আছে।
- "Faces" মানে মুখগুলো বা চেহারাগুলো বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- "Their faces" বলতে বোঝানো হয়েছে তাদের মুখগুলো বা তাদের চেহারাগুলো,যা একটি বস্তু বা ধারণা (Noun).
- "See" হলো একটি ক্রিয়া (Verb), এবং verb এর পরে Noun থাকলে সেটি সাধারণত Object হিসেবে বসে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
.
Rafique is too sick to go outside. (make it complex)
  1. Rafique is so sick and he can not go outside.
  2. Rafique is so sick that he can not go outside.
  3. Rafique is too sick that he can not go outside.
  4. Rafique can not go outside because he is sick.
সঠিক উত্তর:
Rafique is so sick that he can not go outside.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rafique is so sick that he can not go outside.
ব্যাখ্যা
Too + --- + to যুক্ত Simple sentence কে Complex sentence এ রূপান্তরের নিয়ম:
- Subject এরপরে প্রথম too এর জায়গায় so বসে।
- Too + --- + to এর মাঝের Adjective word টি বসে।
- to এর পরিবর্তে that বসে।
- প্রথম subject টির Pronoun form বসে।
- tense অনুযায়ী can not/ could not বসে।
- বাকী অংশ বসে।

Simple: Rafique is too sick to go outside.
Complex: Rafique is so sick that he can not go outside.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
.
After living in the city for years, he has become accustomed to _____ traffic noise.
  1. hearing
  2. hear
  3. heard
  4. be hearing
সঠিক উত্তর:
hearing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
hearing
ব্যাখ্যা
• সাধারণত to এর পর Verb এর base form হলেও কিছু কিছু শব্দগুচ্ছ সমূহের পর verb+ing হয়।

• শব্দগুচ্ছ সমূহ হলো:
- With a view to,
- With an eye to,
- Accustomed to,
- Adhere to,
- Adverse to,
- Addicted to,
- Committed to,
- Confess to,
- Devoted to,
- Look forward to,
- Conducive to,
- Addicted to,
- Be used to,
- Get used to

Correct Sentence: After living in the city for years, he has become accustomed to hearing traffic noise.
Bangla meaning: শহরে বছরের পর বছর থাকার পর, সে যানবাহনের শব্দ শুনতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
.
If we had saved more money, we _______ on vacation.
  1. have gone
  2. have had gone
  3. would go
  4. would have gone
সঠিক উত্তর:
would have gone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
would have gone
ব্যাখ্যা
Third Condition এর নিয়ম অনুসারে:
- If বা Had যুক্ত দুটি clause থাকে। 
- দুটি Clause এর যেকোন একটিতে If/ Had দিয়ে Clause টি শুরু হবে।
- If বা Had যুক্ত Cause টি Past Perfect Tense হয়। 
- ২য় Clause টি Past perfect Conditional (would have, might have, should have, could have) বসে।
- Verb এর Past Participle form বসে।

Complete Sentence: If we had saved more money, we would have gone on vacation.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain
১০.
The synonym of the word 'Bigotry' is -
  1. Blithe
  2. Clemency
  3. Sectarianism
  4. Heed
সঠিক উত্তর:
Sectarianism
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sectarianism
ব্যাখ্যা
• Bigotry (Noun).
- English meaning: The state of feeling, or the act of expressing, strong, unreasonable beliefs or opinions.
- Bangla meaning: ধর্মান্ধতা; গোঁড়ামি।

Synonym: Sectarianism, Intolerance, Parochialism, Dogmatism.
Antonym: Tolerance, Liberalism, Liberality, Progressivism.

উল্লিখিত অপশনগুলো,
Blithe - প্রফুল্ল;
Clemency - কোমলতা, অনুকম্পা;
Sectarianism  - গোষ্ঠীতন্ত্র, গ্রুপবাজি;
Heed - মনোযোগ দেওয়া, লক্ষ্য করা।

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.
১১.
The man whose car was stolen reported it to the police. Here, the underlined clause is a/an -
  1. Noun Clause
  2. Adverb Clause
  3. Adjective Clause
  4. Prepositional Clause
সঠিক উত্তর:
Adjective Clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adjective Clause
ব্যাখ্যা
Adjective Clause:
- যে Sub-ordinate Clause কোনো Noun বা Pronoun এর পরে বসে ঐ Noun বা Pronoun কে modify করে তাকে Adjective Clause বলে।
- অর্থাৎ Noun এর Post Modifier হিসাবে Adjective clause বসে।

Adjective Clause দুইটি স্থানে বসতে পারে
01. Noun এর post modifier. (subject + verb + noun + adjective clause).
02. Subject এর post modifier. (Subject + adjective clause + verb + object).

• উল্লিখিত Sentence এ 'whose car' হচ্ছে Adjective Clause. কারণ প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে Noun (The man) এর Post modifier হিসেবে এটি Adjective Clause

Correct Answer: The man whose car was stolen reported it to the police. Here, the underlined clause is a/an - Adjective Clause.

Note
- Adjective clause কে Relative clause ও বলা হয়ে থাকে।
- Relative clause গুলো সাধারণত Relative pronoun (যেমন: that, who, whose, whom, which, why, when) ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়।
- তবে মনে রাখতে হবে, who এবং which দ্বারা গঠিত Clause টি যদি Cause or Purpose বোঝায় তবে সেটি Adverbial Clause হিসেবে বিবেচিত হবে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
১২.
She is interested in learning French. Here, the underlined word is a/an -
  1. Participle
  2. Gerund
  3. Infinitive
  4. Verb
সঠিক উত্তর:
Gerund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gerund
ব্যাখ্যা
• Gerund:
- Gerund হল এমন একটি শব্দ যা verb + ing যুক্ত হয়ে Noun এর মতো কাজ করে।

Gerund-এর ব্যবহার:
- Subject হিসেবে বসে।
- Object হিসেবে বসে।
- Preposition এর Object হিসেবে বসে।
- Verb এর Complement হিসেবে বসে।

• প্রদত্ত Sentence টিতে 'Learn' (Verb) এর সাথে ing যুক্ত হয়ে Preposition এর Object হিসেবে বসে। যখন Preposition এর Object হিসেবে বসে Noun এর মতো কাজ করে তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজ ভাষায়, Gerund = Verb + ing = Noun = Verb + Noun.

Correct Answer: She is interested in learning French. Here, the underlined word is a/an - Gerund.

Source: A Passage To The English Language S. M. Zakir Hussain.
১৩.
একটি খুঁটির অর্ধাংশ মাটির নিচে, এক তৃতীয়াংশ পানির মধ্যে ও ১২ ফুট পানির উপরে আছে। খুঁটির দৈর্ঘ্য কত? 
  1. ৭২ ফুট
  2. ৬০ ফুট
  3. ৫৪ ফুট
  4. ৮০ ফুট
সঠিক উত্তর:
৭২ ফুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২ ফুট
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি খুঁটির অর্ধাংশ মাটির নিচে, এক তৃতীয়াংশ পানির মধ্যে ও ১২ ফুট পানির উপরে আছে। খুঁটির দৈর্ঘ্য কত? 

সমাধান: 
ধরি, 
খুঁটিটি = ১ অংশ 
∴ মাটি ও পানিতে আছে = {(১/২) + (১/৩)} অংশ 
= ৫/৬ অংশ
∴ পানির উপরে আছে = {১ - (৫/৬)} অংশ 
= {(৬ - ৫)/৬} অংশ 
= ১/৬ অংশ 

খুঁটিটির ১/৬ অংশ = ১২ ফুট 
∴ খুঁটিটির ১ অংশ = (১২ × ৬) ফুট 
= ৭২ ফুট

∴ খুঁটির দৈর্ঘ্য = ৭২ ফুট ।
১৪.
x + (1/x) = 5 হয়, তবে x/(x2 + x + 1) এর মান কত?
  1. 1/5
  2. 1/6
  3. 1/4
  4. 1/8
সঠিক উত্তর:
1/6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/6
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x + (1/x) = 5 হয়, তবে x/(x2 + x + 1) এর মান কত? 

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
x + (1/x) = 5 
বা, (x2 + 1)/x = 5
বা, x2 + 1 = 5x 

এখন, 
x/(x2 + x + 1) 
= x/(x2 + 1 + x)
= x/(5x + x)  [∴ x2 + 1 = 5x] 
= x/6x
= 1/6
১৫.
১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ............... ধারাটির ১১ তম পদটি কত? 
  1. ৩৪
  2. ৪১
  3. ৫৫
  4. ৮৯
সঠিক উত্তর:
৮৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ............... ধারাটির ১১ তম পদটি কত? 

সমাধান: 
১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪, ৫৫, ৮৯, ...... 
এখানে, 
দ্বিতীয় সংখ্যা ও প্রথম সংখ্যার সমষ্টিই হলো পরবর্তী সংখ্যা 
∴ ১ + ১ = ২ 
২ + ১ = ৩ 
৩ + ২ = ৫
৫ + ৩ = ৮
৮ + ৫ = ১৩ 
১৩ + ৮ = ২১ 
২১ + ১৩ = ৩৪ 
৩৪ + ২১ = ৫৫ 
৫৫ + ৩৪ = ৮৯  

∴ ধারাটির ১১ তম পদটি = ৮৯ ।
১৬.
একটি ত্রিভুজাকৃতি জমির ক্ষেত্রফল ২৬৪ বর্গমিটার এবং ভূমি ২২ মিটার হলে উচ্চতা কত হবে? 
  1. ১২ মিটার
  2. ১৮ মিটার
  3. ২৪ মিটার
  4. ২৮ মিটার
সঠিক উত্তর:
২৪ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজাকৃতি জমির ক্ষেত্রফল ২৬৪ বর্গমিটার এবং ভূমি ২২ মিটার হলে উচ্চতা কত হবে? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
ত্রিভুজাকৃতি জমির ক্ষেত্রফল = ২৬৪ বর্গমিটার
ত্রিভুজাকৃতি জমির ভূমি = ২২ মিটার 
ত্রিভুজাকৃতি জমির উচ্চতা = ? 

আমরা জানি, 
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ১/২ (ভূমি × উচ্চতা) 
বা, ২৬৪ = ১/২ × (২২ × উচ্চতা) 
বা, ২২ × উচ্চতা = (২৬৪ × ২) 
বা, উচ্চতা = (২৬৪ × ২)/১১
∴ উচ্চতা = ২৪ 

∴ ত্রিভুজাকৃতি জমির উচ্চতা = ২৪ মিটার।
১৭.
উদ্ভিদে কত প্রকার প্রস্বেদন ঘটে? 
  1. তিন প্রকার
  2. দুই প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
ব্যাখ্যা
প্রস্বেদন: 
- উদ্ভিদ মাটি থেকে যে পরিমাণ পানি শোষণ করে তার সামান্য অংশই বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ব্যয় করে। 
- অধিকাংশ পানি উদ্ভিদদেহ থেকে বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়। 
- যে শারীরতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদদেহ থেকে পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায় তাকে প্রস্বেদন বলে। 
- প্রস্বেদনের প্রধান অঙ্গ উদ্ভিদের পাতা। 
- এছাড়া প্রক্রিয়াটি কান্ড এবং তার শাখা প্রশাখার মাধ্যমেও হয়ে থাকে। 
- উদ্ভিদে তিন ধরনের প্রস্বেদন ঘটে। 
যথা- (ক) পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন, (খ) ত্বকীয় প্রস্বেদন এবং (গ) লেন্টিকুলার প্রস্বেদন। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
তিনটি পূর্ণ সংখ্যার গড় ১৫০ এবং ক্ষুদ্রতম সংখ্যা দুইটির গড় ১২০ হলে বৃহত্তম সংখ্যাটি কত? 
  1. ২০৮
  2. ২১০
  3. ২১২
  4. ২১৪
সঠিক উত্তর:
২১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: তিনটি পূর্ণ সংখ্যার গড় ১৫০ এবং ক্ষুদ্রতম সংখ্যা দুইটির গড় ১২০ হলে বৃহত্তম সংখ্যাটি কত? 

সমাধান: 
৩ টি পূর্ণ সংখ্যার গড় = ১৫০
∴ ৩ টি পূর্ণ সংখ্যার সমষ্টি = (১৫০ × ৩) 
= ৪৫০ 

আবার, 
ক্ষুদ্রতম সংখ্যা ২ টির গড় = ১২০ 
∴ ক্ষুদ্রতম সংখ্যা ২ টির সমষ্টি = (১২০ × ২) 
= ২৪০

∴ বৃহত্তম সংখ্যাটি = (৪৫০ - ২৪০) 
= ২১০ । 
১৯.
’ম্যাডোনা অ্যান্ড চাইল্ড’ কার বিখ্যাত চিত্রকর্ম?
  1. পাবলো পিকাসো
  2. মাইকেল এঞ্জেলো
  3. ভিনসেন্ট ভ্যান গন
  4. লিউনার্দো দ্য ভিঞ্চি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
- এই চিত্রকর্মটি অঙ্কনের সাথে একাধিক শিল্পী জড়িত ছিলো, অপশনে উল্লিখিত মাইকেল এঞ্জেলো ও লিউনার্দো দ্য ভিঞ্চি জড়িত ছিলো।
দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।  

মাইকেল এঞ্জেলো :
- মাইকেল এঞ্জেলো রেনেসাঁস যুগের ইতালির একজন বিখ্যাত চিত্রকর, ভাস্কর, স্থপতি এবং কবি।
- তার শ্রেষ্ঠ ভাস্কর: মা মেরীর কোলে যীশুর মূর্তি।
- তার প্রথম কীর্তি: ম্যাডোনা অব দা স্টেপস।
- জন্ম গ্রহণ: ৬ মার্চ ১৪৭৫সাল।
- জন্ম স্থান: তুস্কান, ইতালি।
- বিখ্যাত ভাস্কর্য: মোজেস, ডেভিড, ম্যাডোনা অ্যান্ড চাইল্ড, হোলি ফ্যামিলি, লাস্ট জার্জমেন্ট, পিয়েতা, পোপ দ্বিতীয় জুলিয়াসের সমাধিসৌধের ভাস্কর্য।
- মৃত্যু: ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৫৬৪ সাল এই বিশ্ব বিখ্যাত মহান শিল্পী পরলোক গমন করেন।

⇒ অপরদিকে,
• লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি:
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি একজন ইতালীয় রেনেসাঁ পলিমাথ, চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, স্থপতি, সংগীতশিল্পী।
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি ১৪৫২ সালে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত পেইন্টিংগুলি হল সালভাদর মুন্ডি, মোনা লিসা, দ্য লাস্ট সাপার, ভার্জিন অফ দ্য রকস এবং ক্রাইস্টের ব্যাপটিজম।

উৎস: Britannica.
২০.
অরেঞ্জ বিপ্লব কোথায় হয়েছিল?
  1. কিয়েভ
  2. মস্কো
  3. তেহরান
  4. প্যারিস
সঠিক উত্তর:
কিয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়েভ
ব্যাখ্যা
"অরেঞ্জ বিপ্লব":
- অরেঞ্জ বিপ্লব সংঘটিত হয় ইউক্রেনে।
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এ আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।
- এটি ছিল ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক ঘটনা।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ছিল নাগরিক প্রতিরোধ আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।

⇒ অপরদিকে,
- আরব বসন্ত সূচনা হয় তিউনেসিয়ায়।
- বলশেভিক বিপ্লব হয় রাশিয়ায়।
- অক্টোবর বিপ্লব হয় রাশিয়ায়।
- ইসলামিক বিপ্লব হয় ইরানে।
- ভেলভেট বিপ্লব হয় চেকোস্লোভাকিয়া।

উৎস: Britannica.
২১.
আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস
  3. প্যারিস, ফ্রান্স
  4. হেগ, নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
হেগ, নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেগ, নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (ICJ):
- প্রতিষ্ঠিত: ১৯৪৫ সাল।
- প্রধান কার্যালয়: পিস প্যালেস, হেগ, নেদারল্যান্ডস।
- সদস্য রাষ্ট্র: জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য রাষ্ট্র।
- জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ হিসেবে কাজ করে।
- আদালতের সিদ্ধান্ত বাধ্যতামূলক হলেও এর বাস্তবায়ন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের উপর নির্ভরশীল।
- প্রথম বিচারিক কার্যক্রম: ১৯৪৭ সালে যুক্তরাজ্য বনাম আলবেনিয়া (করফু চ্যানেল মামলা)।
- ১৯৪৫: সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনে জাতিসংঘ সনদের সাথে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতের (ICJ) গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ১৯৪৬: PCIJ আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয় এবং ICJ কার্যক্রম শুরু করে।
- প্রথম প্রধান বিচারপতি: Judge IWASAWA Yuji, জাপান। ( এপ্রিল ২০২৫)।
- বিচারপতি সংখ্যা: ১৫ (জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে নির্বাচিত)।
- মেয়াদকাল: ৯ বছর (পুনঃনির্বাচিত হতে পারেন)।

গুরুত্বপূর্ণ মামলা:
- করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৭) – যুক্তরাজ্য বনাম আলবেনিয়া।
- নিকারাগুয়া বনাম যুক্তরাষ্ট্র (১৯৮৬) – আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।
- রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলা (২০২০) গাম্বিয়া বনাম মিয়ানমার।

উৎস: ICJ ওয়েবসাইট।
২২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) সংজ্ঞায়িত করে?
  1. ধারা 2(9)
  2. ধারা 2(10)
  3. ধারা 2(12)
  4. ধারা 2(14)
সঠিক উত্তর:
ধারা 2(12)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা 2(12)
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা 2(12)-এ "Mesne Profits" বা মধ্যবর্তী মুনাফা সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এটি সেই মুনাফাকে বোঝায় যা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সম্পত্তি থেকে প্রকৃতপক্ষে অর্জন করেছে বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে অর্জন করতে পারতো, তবে বেআইনীভাবে দখলদারের উন্নয়নের ফলে হওয়া মুনাফা এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

⇒ ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রম-
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না ।
--------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession:

২৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে মোট কত কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে না পারলে মোকদ্দমাটি একতরফা (Ex-parte) নিষ্পত্তি হতে পারে?
  1. ৩০ কার্যদিবস
  2. ৪৫ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৮, বিধি ১ অনুসারে—
→  প্রথমে: বিবাদীকে সমন (summons) প্রাপ্তির ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব (Written Statement) দাখিল করতে হবে।
→ দ্বিতীয়ত: যদি বিবাদী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত আরও ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় দিতে পারে।
→ সর্বমোট: অর্থাৎ, সর্বোচ্চ ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে না পারলে আদালত একতরফা (Ex-parte) নিষ্পত্তির আদেশ দিতে পারে।
→ এছাড়া আদেশ ৮, বিধি ১০ অনুসারে, নির্ধারিত সময়ে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে আদালত—
বিবাদীর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে (pronounce judgment), অথবা মোকদ্দমার বিষয়ে প্রয়োজনীয় যে কোনো আদেশ দিতে পারে।
→ সুতরাং, ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল না করলে মোকদ্দমাটি একতরফা নিষ্পত্তি হতে পারে।
২৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে শুনানির দিন বিবাদী উপস্থিত কিন্তু বাদী অনুপস্থিত থাকলে আদালত কী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
  1. বাদীকে জরিমানা করবেন
  2. মামলা স্থগিত রাখবেন
  3. বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দিবেন
  4. মামলা খারিজ করবেন
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবেন
ব্যাখ্যা
→ উত্তর: ঘ) মামলা খারিজ করবেন।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৯, বিধি ৮ অনুসারে—

→ যদি শুনানির দিন বাদী অনুপস্থিত থাকে কিন্তু বিবাদী উপস্থিত থাকে, তাহলে আদালত নিম্নলিখিত দুটি পরিস্থিতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে:
- বিবাদী বাদীর দাবি বা তার কোনো অংশ স্বীকার না করলে আদালত মামলা খারিজের (Dismissal) আদেশ দেবেন।
যদি বিবাদী বাদীর দাবি বা তার কোনো অংশ স্বীকার করে, তবে আদালত স্বীকৃত অংশের জন্য বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করবেন এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি খারিজ করে দেবেন।
→ বাদী যদি পরবর্তীতে মামলা পুনরুজ্জীবিত করতে চায়, তাহলে—
বিধি ৯ অনুসারে মামলা খারিজ আদেশ বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারে।
বিধি ৯(ক) অনুসারে সরাসরি মামলা খারিজ আদেশ বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারে।

→ সুতরাং, বাদী অনুপস্থিত থাকলে আদালত মামলা খারিজ (Dismissal) করতে পারেন, যদি বিবাদী বাদীর দাবি স্বীকার না করে।
২৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৩৭ অনুসারে, দেওয়ানী আদালতের কার্যভাষা নির্ধারণ করার বা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কে নিতে পারে?
  1. সরকার
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. সংশ্লিষ্ট আদালত
  4. আইন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৩৭ অনুযায়ী, দেওয়ানী আদালতের কার্যভাষা নির্ধারণ বা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত সরকার গ্রহণ করতে পারে।
- ধারা ১৩৭-এর মূল বিষয়বস্তু:
১৩৭(১): দেওয়ানী কার্যবিধি কার্যকর হওয়ার সময় যে ভাষা কোনো অধস্তন আদালতের কার্যভাষা ছিল, সেটিই কার্যকর থাকবে, যতক্ষণ না সরকার অন্য কোনো নির্দেশনা প্রদান করে।
১৩৭(২): সরকার নির্ধারণ করতে পারে কোন ভাষায় দেওয়ানী আদালতের কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং আদালতে ব্যবহৃত আবেদন ও অন্যান্য নথি কোন ভাষায় লেখা হবে।
১৩৭(৩): আদালতে কোনো নথি ইংরেজিতে লেখা যেতে পারে, তবে যদি কোনো পক্ষ বা তার আইনজীবী ইংরেজি ভাষা বুঝতে না পারেন, তাহলে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় অনুবাদ সরবরাহ করতে হবে। 

অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৭ ধারার মাধ্যমে স্পষ্ট হয় যে, সরকারই দেওয়ানী আদালতের কার্যভাষা নির্ধারণ ও পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দেশনা দিতে পারে।
--------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 137. Language of subordinate Courts:
(1) The language which, on the commencement of this Code, is the language of any Court subordinate to the High Court Division shall continue to be the language of such subordinate Court until the Government otherwise directs. 
(2) The Government may declare what shall be the language of any such Court and in what character applications to and proceedings in such Courts shall be written. 
(3) Where this Code requires or allows anything other than the recording of evidence to be done in writing in any such Court, such writing may be in English; but if any party or his pleader is unacquainted with English a translation into the language of the Court shall, at his request, be supplied to him; and the Court shall make such order as it thinks fit in respect of the payment of the costs of such translation.
২৬.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে প্রতারণামূলক ডিক্রি রদের জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৮৫
  2. অনুচ্ছেদ ৯১
  3. অনুচ্ছেদ ৯৫
  4. অনুচ্ছেদ ১০২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৫
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) অনুচ্ছেদ ৯৫।
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৯৫ অনুযায়ী, যদি কোনো ডিক্রি প্রতারণামূলকভাবে (fraudulently) নেওয়া হয়, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ডিক্রিটি বাতিল করার জন্য মামলা করতে পারেন। তবে এই মামলা দায়েরের সর্বোচ্চ সময়সীমা ৩ বছর, যা গণনা শুরু হবে যে দিন ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ প্রতারণার বিষয়ে অবগত হন, সেদিন থেকে।

- এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত ডিক্রির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ দেওয়া, তবে এটি অনির্দিষ্টকাল ধরে আদালতের বিচারাধীন না থাকে সেজন্য ৩ বছরের তামাদি সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২৭.
তামাদি আইন অনুযায়ী ডিক্রির অর্থ কিস্তিতে পরিশোধের অনুমতি চেয়ে মামলা দায়েরের সর্বোচ্চ সময়সীমা কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন অনুযায়ী, ডিক্রির অর্থ কিস্তিতে পরিশোধের অনুমতি চেয়ে মামলা দায়েরের সর্বোচ্চ সময়সীমা ৬ মাস।
- এই সময়সীমা ডিক্রির তারিখ হতে গণনা করা হয়। অর্থাৎ, ডিক্রি জারি হওয়ার পর থেকে ৬ মাসের মধ্যে মামলা করতে হবে যদি কিস্তিতে পরিশোধের অনুমতি চাওয়া হয়।
- এটি তামাদি আইন, অনুচ্ছেদ ১৭৫ এর অধীনে নির্ধারিত সময়সীমা।


২৮.
সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ৯ অনুযায়ী কে সকল দেওয়ানি আদালতের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাখেন?
  1. আইন সচিব
  2. জেলা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ৯ অনুযায়ী, জেলা জজ তার অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতের উপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাখেন। তবে, এটি হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে থাকবে।
অর্থাৎ ৯ ধারা অনুযায়ী, স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।
  
⇒ The Civil Courts Act,1887- Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারায়, গ্রেপ্তারের জন্য কোনো স্থানে প্রবেশ করতে হলে সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কী করা উচিত?
  1. শুধু মৌখিক অনুমতি দেওয়া
  2. পুলিশকে প্রবেশে বাধা দেওয়া
  3. কোনো সহযোগিতা না করা
  4. পুলিশকে প্রবেশ ও তল্লাশির সুযোগ দেওয়া
সঠিক উত্তর:
পুলিশকে প্রবেশ ও তল্লাশির সুযোগ দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশকে প্রবেশ ও তল্লাশির সুযোগ দেওয়া
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারায়, যদি কোনো ব্যক্তি গ্রেপ্তারের ওয়ারেন্ট নিয়ে অথবা গ্রেপ্তারের অধিকারী পুলিশ কর্মকর্তা বিশ্বাস করেন যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি কোনো স্থানে প্রবেশ করেছে, তাহলে ঐ স্থানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা সেখানে অবস্থানকারী ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তার প্রবেশ ও তল্লাশির সুযোগ দিতে বাধ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারা অনুযায়ী, যদি গ্রেপ্তারকারী পুলিশ অফিসার বা ওয়ারেন্টধারী ব্যক্তির বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনো স্থানে প্রবেশ করেছে বা সেখানে অবস্থান করছে, তাহলে সেই স্থানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির বাধ্যতামূলক কর্তব্য হলো:
- পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে অবাধ প্রবেশের সুযোগ দেওয়া।
- তল্লাশি চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা প্রদান করা।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 47. Search of place entered by person sought to be arrested
If any person acting under a warrant of arrest, or any police-officer having authority to arrest, has reason to believe that the person to be arrested has entered into, or is within, any place, the person residing in, or being in charge of, such place shall, on demand of such person acting as aforesaid or such police-officer, allow him free ingress thereto, and afford all reasonable facilities for a search therein.
৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারার অধীনে পরোয়ানা জারি করার জন্য কর্তৃপক্ষ কে?
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ
  2. যেকোন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. যে পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতার করেছেন
  4. যে বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট শাস্তি প্রদান করেছেন
সঠিক উত্তর:
যে বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট শাস্তি প্রদান করেছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট শাস্তি প্রদান করেছেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যেই বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট শাস্তি প্রদান করেছেন, বা তার স্থলাভিষিক্ত কোনো ব্যক্তি, তিনি পরোয়ানা জারি করতে পারেন। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি শাস্তি প্রদান করেছেন, তারই অধিকার আছে সেই শাস্তি কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা জারি করার।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারার বিধান- কে পরোয়ানা জারি করতে পারে:
- যে জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত দণ্ড দিয়াছেন তিনি বা তার স্থলাভিষিক্ত জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত দণ্ড কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা ইসু করতে পারবেন।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 389: Who may issue warrant:
- Every warrant for the execution of any sentence may be issued either by the Judge or Magistrate who passed the sentence, or by his successor in office.
৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারায়, আদালত যদি কোনো সম্পত্তি ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা হস্তান্তরের আদেশ দেয়, তবে সেই আদেশ বাস্তবায়নের জন্য কোন কর্মকর্তা নির্দেশ দিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ
  2. পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত কোনো সম্পত্তি ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা হস্তান্তরের আদেশ দেয় এবং তাদের নিজস্ব কর্মকর্তা দ্বারা সম্পত্তি হস্তান্তর করা সম্ভব না হয়, তবে আদালত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিতে পারে যাতে তারা এই আদেশ কার্যকর করতে পারে।

অর্থাৎ, সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এই আদেশ বাস্তবায়নের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবেন। হাইকোর্ট বিভাগ বা পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা এই কাজ করতে পারবেন না।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধে যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে আদালত মনে করে, অনুসন্ধান বা বিচার শেষ হওয়ার পর আদালত উক্ত সম্পত্তি বা দলিল ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে হস্তান্তরের আদেশ দিতে পারে।

- ধারা ৫১৭- যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা হস্তান্তরের আদেশ:
(১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন ইনকোয়ারী বা বিচার শেষ হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরুপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ দিবেন এবং সুবিধাজনকভাবে নিজস্ব অফিসার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত আদেশ বলবৎ করবেন।
(৩) এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করা হলে তা সংশিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং উপধারা-(৪) এ বর্ণিত বিধান মতে না হলে ১ (এক) মাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না অথবা যেক্ষেত্রে আপিল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।
(৪) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তি দখলের অধিকারী মর্মে দাবী করে সে ব্যক্তি আদালতের সন্তুষ্টি বিধানপূর্বক জামিনদারসহ বা ব্যতীত এ মর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন বিধান উপধারা-(১) অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি দেয়ার ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে মর্মে মনে করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 517. Order for disposal of property regarding which offence committed:
(1) When an inquiry or a trial in any Criminal Court is concluded, the Court may make such order as it thinks fit for the disposal by destruction, confiscation, or delivery to any person claiming to be entitled to possession thereof or otherwise of any property or document produced before it or in its custody or regarding which any offence appears to have been committed, or which has been used for the commission of any offence. 
(2) When High Court Division or a Court of Session makes such order and cannot through its own officers conveniently deliver the property to the person entitled thereto, such Court may direct that the order be carried into effect by the Chief Metropolitan Magistrate or District Magistrate. 
(3) When an order is made under this section such order shall not, except where the property is livestock or subject to speedy and natural decay, and save as provided by sub-section (4), be carried out for one month, or, when an appeal is presented, until such appeal has been disposed of. 
(4) Nothing in this section shall be deemed to prohibit any Court from delivering any property under the provisions of sub-section (1) to any person claiming to be entitled to the possession thereof, on his executing a bond with or without sureties to the satisfaction of the Court, engaging to restore such property to the Court if the order made under this section is modified or set aside on appeal.
Explanation- In this section the term "property" includes in the case of property regarding which an offence appears to have been committed, not only such property as has been originally in the possession or under the control of any party, but also any property into or for which the same may have been converted or exchanged, and anything acquired by such conversion or exchange, whether immediately or otherwise.
৩২.
"Wrongful gain" in The Penal Code, 1860, is:
  1. Lawful gain
  2. Loss of entitled property
  3. Retaining legal property
  4. Unlawful gain of unentitled property
সঠিক উত্তর:
Unlawful gain of unentitled property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Unlawful gain of unentitled property
ব্যাখ্যা
"Wrongful gain" refers to acquiring property through unlawful means, where the person gaining the property is not legally entitled to it. According to Section 23 of The Penal Code, 1860:

- Wrongful gain is gain made through unlawful means of property that the person gaining has no legal right to possess or control.
In simpler terms, if someone gains property or an asset in a way that is against the law, or without any legal entitlement, it is termed as wrongful gain. This could include actions like theft, fraud, or cheating, where the property acquired was never rightfully theirs, and they had no legal claim to it.

- For example, if a person steals money from another person, the money gained by the thief is considered wrongful gain because they are not entitled to that money legally.
৩৩.
As per Section 57 of The Penal Code, 1860, how is "imprisonment for life" calculated for fractional terms?
  1. Equivalent to 14 years of simple imprisonment
  2. Equivalent to 20 years of rigorous imprisonment
  3. Equivalent to 30 years of rigorous imprisonment
  4. Equivalent to life without parole
সঠিক উত্তর:
Equivalent to 30 years of rigorous imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Equivalent to 30 years of rigorous imprisonment
ব্যাখ্যা
⇒ According to Section 57 of The Penal Code, 1860, "imprisonment for life" is considered equivalent to rigorous imprisonment for thirty years when calculating fractions of terms of punishment.

This means that for the purpose of legal calculations, a life sentence is treated as though the individual is serving thirty years of rigorous imprisonment, which is a more intense form of imprisonment that involves hard labor. This section helps to define how life sentences are treated when determining parole eligibility, remission, or other legal matters related to the term of imprisonment.

The Penal Code, 1860, Section- 57. Fractions of terms of punishment:
 In calculating fractions of terms of punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years.
৩৪.
নিচের কোনটি বেআইনি সমাবেশের 'সাধারণ উদ্দেশ্য' হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. আইনগত প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে বাধা দেওয়া
  2. শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসংস্থানের দাবি জানানো
  3. কোনো ব্যক্তিকে জোরপূর্বক অবৈধ কাজ করানো
  4. সরকারকে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ভীতিপ্রদর্শন
সঠিক উত্তর:
শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসংস্থানের দাবি জানানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসংস্থানের দাবি জানানো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার মতে, বেআইনি সমাবেশের 'সাধারণ উদ্দেশ্য' হতে হবে অপরাধমূলক বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। কিন্তু শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসংস্থানের দাবি জানানো কোনো অপরাধমূলক বা বেআইনি উদ্দেশ্য নয়। তাই এটি বেআইনি সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য হিসেবে গণ্য হয় না।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
৩৫.
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কেউ খুনের উদ্যোগে কাউকে আহত করে, তাহলে তার শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  3. অতিরিক্ত ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. শাস্তি বাড়ানো যাবে না
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি, যিনি ইতোমধ্যে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন, খুনের উদ্যোগ নেয় এবং সেই প্রচেষ্টার ফলে কেউ আহত হয়, তাহলে তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং
যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
উদাহরণ:
(অ) ক চ-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এমন অবস্থায় গুলি করে, যে অবস্থায় মৃত্যু অনুষ্ঠিত হলে ক খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। ক এই ধারা বলে দণ্ডিত হবে।
(আ) ক একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে উহাকে মরুভূমিতে রেখে আসে। ইহার ফলে শিশুটির মৃত্যু না হলেও ‘ক’ এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(ই) ক, চ কে খুন করার উদ্দেশ্যে একটি বন্দুক ক্রয় করে উহা গুলি ভর্তি করে। এতদূর পর্যন্ত ক অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। ক চ-এর প্রতি গুলি বর্ষণ করে। এইক্ষেত্রে সে এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করেছে, এবং এই গুলি বর্ষণের দরুণ যদি সে চ-কে আহত করে থাকে, তবে সে এই ধারার প্রথম অনুচ্ছেদের শেষাংশে নিদিষ্ট দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ঈ) ক চ-কে বিষ প্রয়োগ করে খুন করার উদ্দেশ্যে বিষ ক্রয় করে এবং খাদ্যে বিষ মিশ্রিত করে; বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রব্যটি ক-এর নিকটই রয়েছে। এতদূর পর্যন্ত ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। ক বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রবটি চএর খাবার টেবিলে রাখে অথবা উহা চ-এর খাবার টেবিলে রাখার জন্য চ-এর চাকরকে প্রদান করে । ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 307: Attempt to murder, Attempts by life-convicts:
Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned.
⇒ When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
Illustration
(a) A shoots at Z with intention to kill him, under such circumstances that, if death ensued, A would be guilty of murder. A is liable to punishment under this section.
(b) A with the intention of causing the death of a child of tender years exposes it in a desert place. A has committed the offence defined by this section, though the death of the child does not ensue.
(c) A, intending to murder Z, buys a gun and loads it. A has not yet committed the offence. A fires the gun at Z. He has committed the offence defined in this section, and, if by such firing he wounds, he is liable to the punishment provided by the latter part of the first paragraph of this section.
(d) A, intending to murder Z, by poison, purchases poison and mixes the same with food which remains in A's keeping; A has not yet committed the offence in this section. A places the food on Z's table or delivers it to Z's servants to place it on Z's table. A has committed the offence defined in this section.
৩৬.
The Evidence Act,1872 এর কোন ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করার বিধান রয়েছে?
  1. ৮৫গ ধারা
  2. ৭৩ক ধারা
  3. ৭৩খ ধারা
  4. ৮৫ক ধারা
সঠিক উত্তর:
৭৩ক ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৩ক ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ The Evidence Act, 1872-এর ৭৩এ (Section 73A) ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাইয়ের বিধান রয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, আদালত নির্ধারণ করতে পারে কোনো ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রকৃতপক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে কি না। এর জন্য আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, কন্ট্রোলার বা সার্টিফাইং অথরিটিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারে অথবা পাবলিক কি (Public Key) প্রয়োগ করে যাচাই করতে পারে।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872- section-73A. Proof as to verification of digital signature:
- In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).]

৩৭.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা সাক্ষীর সংখ্যা সম্পর্কে বিধান দেওয়া আছে?
  1. ১২৯ ধারা
  2. ১৩৪ ধারা
  3. ১৪৩ ধারা
  4. ১৫৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৩৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১৩৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো ঘটনার প্রমাণে সাক্ষীর নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রয়োজন নয়।
- অর্থাৎ, আদালতে কোনো ঘটনা প্রমাণ করতে কতজন সাক্ষী উপস্থিত থাকতে হবে তা নির্ধারণ করা হয় না।
- কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই; সাক্ষীর সংখ্যা বিচারক বা আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে, তবে সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ The Evidence Act,1872, section-134. Number of witnesses:
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
৩৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯০ক অনুযায়ী, কত বছর পুরানো ডিজিটাল রেকর্ডকে সঠিক বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒  সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ক অনুযায়ী, যে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড যদি পাঁচ বছর পুরোনো হয় এবং আদালত মনে করে যে এটি সঠিকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে, তবে আদালত এটি সঠিক বলে ধরে নিতে পারে এবং অনুমান করতে পারে যে ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তার অনুমোদিত কোনো ব্যক্তির দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে।

⇒ The Evidence Act,1872, section- 90A. Presumption as to digital records five years old:
Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
৩৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের প্রধান কর্তব্যের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. আইন মান্য করা
  2. শৃঙ্খলা বজায় রাখা
  3. জনগণের সেবা করা
  4. রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি রক্ষা করা
সঠিক উত্তর:
জনগণের সেবা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণের সেবা করা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের প্রধান কর্তব্যের মধ্যে "জনগণের সেবা করা" অন্তর্ভুক্ত।
→ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ বলে যে, "সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।" এর মানে হলো, সরকারি কর্মচারীদের প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের সেবা করা এবং তাদের সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বদা সৎ ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করা।
- এছাড়া, ২১ অনুচ্ছেদে সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্যের মধ্যে আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি রক্ষা করাও অন্তর্ভুক্ত, তবে মূলত "জনগণের সেবা করা" তাদের প্রধান কর্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

→ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
৪০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে "বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ" বিষয়টি আলোচিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩১
  2. অনুচ্ছেদ ৩২
  3. অনুচ্ছেদ ৩৫
  4. অনুচ্ছেদ ৩৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫ এ "বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ" বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তিকে তার অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত করার আগে যে আইনটি প্রযোজ্য ছিল, সেই আইন অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া হবে এবং অপরাধীকে যন্ত্রণা বা নিষ্ঠুর দণ্ড দেওয়া যাবে না।
- এটি একজন অভিযুক্ত ব্যক্তির মৌলিক অধিকার রক্ষা করে, যেমন তাকে নিজের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না, এবং তাকে সুষ্ঠু ও স্বাধীন বিচার পাওয়ার অধিকার দেওয়া হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ৩৫: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 
(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
(৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।
৪১.
রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কার পরামর্শে কাজ করবেন?
  1. মন্ত্রিসভার পরামর্শ
  2. প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ
  3. দেশের জনগণের পরামর্শ
  4. রাষ্ট্রপতি নিজের সিদ্ধান্তে
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে কাজ করবেন।
→ সংবিধানের ৪৮(৩) ধারায় বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন, তবে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে কী পরামর্শ দিয়েছেন, সে বিষয়ে আদালত কোনো প্রশ্নের তদন্ত করতে পারবে না।
- অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতি তার কার্যভার পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শকে মান্য করবেন, তবে মন্ত্রিসভার পরামর্শের আওতায় তার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় না।
৪২.
What does "onus probandi" mean in legal terms?
  1. Right to appeal
  2. Burden of proof
  3. Prima facie evidence
  4. Presumption of innocence
সঠিক উত্তর:
Burden of proof
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Burden of proof
ব্যাখ্যা
⇒ "Onus Probandi" একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ "প্রমাণের ভার" বা "Burden of Proof"। এটি আইনের একটি মৌলিক নীতি যা নির্ধারণ করে কোন পক্ষকে আদালতে তার দাবি বা অভিযোগ প্রমাণের দায়িত্ব বহন করতে হবে।
অর্থাৎ "Onus probandi" একটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ "burden of proof" বা বাংলায় "প্রমাণের ভার"।  আইনি পরিভাষায় এটি বোঝায় যে একটি দাবি বা অভিযোগ প্রমাণ করার দায়িত্ব কার উপর বর্তায়। যিনি কোনো বিষয়ে দাবি করেন, সাধারণত তার উপরই প্রমাণের ভার থাকে।

সঠিক উত্তর: খ) Burden of proof.
৪৩.
Which legal doctrine is closely related to "Vis Major"?
  1. Strict Liability
  2. Force Majeure
  3. Res Ipsa Loquitur
  4. Habeas Corpus
সঠিক উত্তর:
Force Majeure
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Force Majeure
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: খ) Force Majeure.
⇒ "Vis Major" (Act of God) এবং "Force Majeure" দুটি আইনি ধারণা যা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনিয়ন্ত্রণযোগ্য ঘটনাবলির কারণে দায়মুক্তির সাথে সম্পর্কিত। এদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে:
১. Vis Major (Act of God): 
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন: বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, বজ্রপাত ইত্যাদি।
- মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনা।
- দায়মুক্তির শর্ত: ঘটনাটি অনিবার্য এবং যেকোনো রকম সতর্কতা অবলম্বন করলেও এড়ানো সম্ভব ছিল না।
২. Force Majeure:
- Vis Major-এর চেয়ে বিস্তৃত ধারণা।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ (Vis Major) + মানবসৃষ্ট দুর্যোগ যেমন: যুদ্ধ, দাঙ্গা, সরকারি নিষেধাজ্ঞা, শ্রমিক ধর্মঘট ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
- চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয় (যেমন: "Force Majeure Clause")।
৩. সম্পর্ক: Vis Major, Force Majeure-এর একটি উপসেট। সব Act of God, Force Majeure-এর অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু সব Force Majeure ঘটনা Act of God নয়।

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) Strict Liability: নিরপেক্ষ দায় (যেমন: বিপজ্জনক বস্তুর সংরক্ষণ), যেখানে অভিযুক্ত কোনো প্রমাণ ছাড়াই দায়ী। এমন একটি আইনি নীতি যা কোনো অবহেলা বা দোষ ছাড়াই একটি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতির জন্য দায়ী করে।
গ) Res Ipsa Loquitur: "ঘটনাই কথা বলে"—যে কিছু ঘটনার জন্য অবহেলা প্রমাণ করতে হয় না কারণ ঘটনা নিজেই তা প্রমাণ করে।
ঘ) Habeas Corpus: "দেহ উপস্থাপনের আদেশ"—আটক ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থাপনের জন্য রিট। একটি আইনি আদেশ যা অবৈধ আটক বা গ্রেপ্তার প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।

- অর্থাৎ Vis Major এবং Force Majeure উভয়ই অপ্রত্যাশিত বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যেমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা যুদ্ধের পরিস্থিতিকে বোঝায় যা কোনো পক্ষের জন্য চুক্তির শর্ত পূরণ করতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
৪৪.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রিসভা কোন ব্যক্তির নেতৃত্বে গঠিত হয়?
  1. স্পিকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৫(১)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
"প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে।"
মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত হয় এবং প্রধানমন্ত্রী তার পছন্দ অনুযায়ী অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রী নিয়োগ দেন।
মন্ত্রিসভা সরকার পরিচালনার জন্য দায়িত্বশীল এবং এটি সংসদের কাছে দায়ী থাকে।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে এবং রাষ্ট্রপতির নামে সরকারী কার্যাবলী প্রকাশিত হয়।
৪৫.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রীদের কত শতাংশ সংসদ সদস্য হতে হবে?
  1. কমপক্ষে ৭০%
  2. কমপক্ষে ৮০%
  3. কমপক্ষে ৯০%
  4. কমপক্ষে ৯৫%
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে ৯০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে ৯০%
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬(২)-এ এ সম্পর্কে স্পষ্ট বিধান রয়েছে:
"তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ (৯/১০) সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ (১/১০) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।"

- সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের মধ্যে ৯০% সংসদ সদস্য হতে হবে, এবং অনধিক ১০% মন্ত্রী নির্বাচিত না হওয়া ব্যক্তি হতে পারেন। এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে, মন্ত্রিসভা সংসদের সমর্থিত সদস্যদের দ্বারা গঠিত হবে, যা সরকারের প্রতি সংসদের আস্থা এবং দায়িত্বশীলতার প্রতীক।
৪৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠানের বাজেট প্রস্তুতকরণ ও কর আরোপের ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫৯
  2. অনুচ্ছেদ ৬০
  3. অনুচ্ছেদ ৬১
  4. অনুচ্ছেদ ৬২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬০
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে:
"এই সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের বিধানাবলীকে পূর্ণ কার্যকরতাদানের উদ্দেশ্যে সংসদ আইনের দ্বারা উক্ত অনুচ্ছেদে উল্লিখিত স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় প্রয়োজনে কর আরোপ করিবার ক্ষমতাসহ বাজেট প্রস্তুতকরণ ও নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করিবেন।"
অর্থাৎ, স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠানসমূহ যেন কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে, তার জন্য সংসদ তাদের
- কর আরোপ,
- বাজেট তৈরির, এবং
- নিজস্ব তহবিল পরিচালনার
ক্ষমতা প্রদান করবে—এটাই অনুচ্ছেদ ৬০ এর মূল কথা।

→ আর অনুচ্ছেদ ৫৯ মূলত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর গঠন, দায়িত্ব ও কাজের ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করে। কিন্তু ক্ষমতা সংক্রান্ত বিষয় নির্দিষ্টভাবে আসে অনুচ্ছেদ ৬০ তে।

তাই সঠিক উত্তর: খ) অনুচ্ছেদ ৬০।
৪৭.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, যুদ্ধকালীন সংসদের মেয়াদ সর্বোচ্চ কত বাড়ানো যায়?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী—
→ সাধারণভাবে, সংসদের মেয়াদ প্রথম বৈঠকের তারিখ থেকে ৫ বছর। তবে রাষ্ট্রপতি ভাঙার আগে না দিলে, ৫ বছর শেষ হলে সংসদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভেঙে যাবে।
→ যদি দেশ যুদ্ধকালীন অবস্থায় থাকে, তাহলে সংসদের মেয়াদ আইন দ্বারা এককালীন সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।
→ যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর, বর্ধিত মেয়াদ ৬ মাসের বেশি হতে পারবে না।
৪৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের অধীনে সুপ্রিম কোর্টকে "কোর্ট অব রেকর্ড" হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ১০৬ অনুচ্ছেদ
  2. ১০৮ অনুচ্ছেদ
  3. ১১০ অনুচ্ছেদ
  4. ১১১ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১০৮ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৮ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট (হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগসহ) একটি "কোর্ট অব রেকর্ড" হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এর মানে হল যে, সুপ্রিম কোর্টের সকল কার্যক্রম রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে এবং ওই রেকর্ডগুলি আদালতের কার্যক্রমের আইনগত মূল্য ও গুরুত্ব বহন করবে।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৮-এ সুপ্রীম কোর্টকে "কোর্ট অব রেকর্ড" (Court of Record) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান রয়েছে:
১. কোর্ট অব রেকর্ডের মর্যাদা:
- সুপ্রীম কোর্টের সকল রায়, আদেশ ও কার্যক্রম রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষিত হয় এবং এগুলো আইনগত প্রমাণ হিসেবে গৃহীত হয়।
- ভবিষ্যতে কোনো মামলায় এই রেকর্ডগুলি রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
২. অবমাননার ক্ষমতা:
- কোর্ট অব রেকর্ড হিসেবে সুপ্রীম কোর্টের নিজস্ব মর্যাদা রক্ষার অধিকার রয়েছে।
- আদালতের অবমাননা (Contempt of Court) করলে সুপ্রীম কোর্ট তদন্ত করে শাস্তি দিতে পারে (জরিমানা বা কারাদণ্ড)।
৪৯.
The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২১-এ কোন আইনী নীতিটি আলোচিত হয়েছে?
  1. Res Ipsa Loquitur
  2. Doctrine of Estoppel
  3. Doctrine of Ultra Vires
  4. Doctrine of Locus Poenitentiae
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Locus Poenitentiae
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Locus Poenitentiae
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২১-এ Doctrine of Locus Poenitentiae বা পেনিটেনশিয়ার স্থান আলোচিত হয়েছে, যার অর্থ হল, কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা বা বাতিল করা।
⇒The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
-যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
-------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.
৫০.
মুসলিম আইনে বিবাহ কী ধরনের চুক্তি?
  1. ধর্মীয় চুক্তি
  2. সামাজিক চুক্তি
  3. দেওয়ানি চুক্তি
  4. ফৌজদারি চুক্তি
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি চুক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম আইনে বিবাহকে একটি দেওয়ানি চুক্তি (Civil Contract) হিসেবে গণ্য করা হয়, যদিও এতে ধর্মীয় ও সামাজিক দিকও জড়িত।
নিচে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
১. দেওয়ানি চুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- দুই পক্ষের সম্মতি: যেমন—প্রস্তাব (ইজাব) ও গ্রহণ (কবুল)।
- শর্ত পূরণ: বয়স, সাক্ষী, দেনমোহর ইত্যাদি।
- আইনগত ফলাফল: স্বামী-স্ত্রীর অধিকার ও দায়িত্ব সৃষ্টি (যেমন—ভরণপোষণ, উত্তরাধিকার)।
২. ধর্মীয় ও সামাজিক দিক:
- যদিও এটি ইসলামী রীতিনীতি মেনে সম্পাদিত হয়, তবুও এর আইনগত কাঠামো দেওয়ানি চুক্তির মতো।
- কোরআন ও হাদিসে বিবাহের শর্তাবলি উল্লেখ থাকলেও এটি রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত (যেমন: মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১)।

অর্থাৎ মুসলিম আইনে বিয়ে একটি দেওয়ানি চুক্তি, যেখানে দু’টি পক্ষ সম্মতি দিয়ে বিয়ের প্রস্তাব ও গ্রহণ করে।
৫১.
ইজমা কী?
  1. কোন বিষয় নিয়ে ইসলামি আইনবিদদের মতবিরোধ
  2. কোন বিষয়ের উপর ইসলামি আইনবিদদের ঐক্যমত
  3. নতুন কোনো বিষয় নিয়ে কুরআন বা হাদিসের ব্যাখ্যা
  4. কোন বিষয়ের উপর আলাদা আইন প্রণয়ন
সঠিক উত্তর:
কোন বিষয়ের উপর ইসলামি আইনবিদদের ঐক্যমত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন বিষয়ের উপর ইসলামি আইনবিদদের ঐক্যমত
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) কোন বিষয়ের উপর ইসলামি আইনবিদদের ঐক্যমত।

⇒ ইজমা ইসলামের আইনসম্মত ঐক্যমতের ধারণাকে বোঝায়, যা মুসলিম আইনবিদদের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে পৌঁছানোর সম্মতি। এটি ইসলামি আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
- যখন কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে কুরআন বা হাদিসে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকে, তখন ইসলামী আইনবিদেরা তাদের মধ্যে আলোচনা করে ঐক্যমত পৌঁছান, এবং এই ঐক্যমতই ইজমা হিসেবে গণ্য হয়।
- ইজমা সাধারণত মুহাম্মদ (সাঃ) এর মৃত্যুর পর যেকোনো সময়ে হতে পারে, এবং এটি কুরআন ও হাদিসের পরবর্তী উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।
৫২.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী একজন বিবাহিত মহিলার মৃত্যু হলে, তার স্বামী কত অংশ সম্পত্তি পাবে যদি মৃতার (মৃত ব্যক্তির) কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকে?
  1. ১/৮ অংশ
  2. ১/৬ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. ১/২ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/২ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/২ অংশ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) ১/২ অংশ।
⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েজ) অনুসারে, একজন বিবাহিত মহিলার মৃত্যু হলে তার স্বামীর প্রাপ্ত সম্পত্তির অংশ নির্ভর করে মৃতার (মৃত ব্যক্তির) সন্তান বা পুত্রের সন্তান (নাতি) আছে কিনা তার উপর:
→ যদি মৃতার (মৃত ব্যক্তির) কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান (নাতি) না থাকে, তাহলে স্বামী অর্ধেক (১/২) অংশ পাবেন।
→ যদি মৃতার (মৃত ব্যক্তির) সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে, তাহলে স্বামী এক-চতুর্থাংশ (১/৪) অংশ পাবেন।
প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়েছে যে মৃতার (মৃত ব্যক্তির) কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান নেই, তাই স্বামী ১/২ অংশ পাবেন।

উদাহরণ:
যদি মৃতার (মৃত ব্যক্তির) সম্পত্তি ১,০০,০০০ টাকা হয় এবং তার কোনো সন্তান বা নাতি না থাকে, তাহলে স্বামী পাবেন ৫০,০০০ টাকা (অর্ধেক)।
যদি মৃতার (মৃত ব্যক্তির) সন্তান থাকে, তাহলে স্বামী পাবেন ২৫,০০০ টাকা (এক-চতুর্থাংশ)।
৫৩.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, যদি মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত থাকে, তবে মৃত ব্যক্তির দাদা কত অংশ সম্পত্তি পাবেন?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. কিছুই পাবেন না
সঠিক উত্তর:
কিছুই পাবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিছুই পাবেন না
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) কিছুই পাবেন না। 
⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েজ) অনুসারে, দাদা শুধুমাত্র তখনই সম্পত্তি পাবেন যখন মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত থাকবেন না। অর্থাৎ:
→ যদি মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত থাকে, তাহলে দাদা কোনো অংশ পাবেন না।
→ যদি মৃত ব্যক্তির পিতা মারা গিয়ে থাকেন, তাহলে দাদা পিতার স্থলাভিষিক্ত হবেন এবং পিতার মতোই ১/৬ অংশ পাবেন (যদি মৃতের সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে)।

প্রশ্নের শর্ত:
প্রশ্নে বলা হয়েছে, "মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত আছে", তাই দাদা কোনো অংশ পাবেন না।

অর্থাৎ যখন মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত থাকে, তখন মৃত ব্যক্তির দাদা কোন সম্পত্তি পাবেন না। শুধুমাত্র মৃত ব্যক্তির পিতা সম্পত্তি পাবেন।
৫৪.
মুসলিম বিবাহ এবং তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ অনুসারে, যদি Nikah Registrar কোনো বিবাহ বা তালাক নিবন্ধন করতে অস্বীকৃতি জানান, তবে কোথায় আপিল করা যাবে?
  1. পারিবারিক আদালতে
  2. রেজিস্ট্রার কাছে
  3. জেলা প্রশাসকের কাছে
  4. দায়রা আদালতে
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রার কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রার কাছে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: খ) রেজিস্ট্রার কাছে।
⇒ মুসলিম বিবাহ এবং তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৬(৪) অনুসারে, যদি Nikah Registrar কোনো বিবাহ বা তালাক নিবন্ধন করতে অস্বীকৃতি জানান, তবে উক্ত অস্বীকৃতির বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রার এর কাছে আপিল করা যেতে পারে। রেজিস্ট্রার সেই আপিলের ওপর সিদ্ধান্ত দেবেন এবং তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।

মুসলিম বিবাহ এবং তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৬(৪) অনুসারে:
- যদি কোনো নিকাহ রেজিস্ট্রার তালাক নিবন্ধনে অস্বীকৃতি জানান, তাহলে আবেদনকারী (স্বামী/স্ত্রী বা তাদের আইনানুগ প্রতিনিধি) ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রারের কাছে আপিল করতে পারবেন।
- রেজিস্ট্রারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।
- আপিলের সময়সীমা: নিকাহ রেজিস্ট্রার কর্তৃক নিবন্ধন প্রত্যাখ্যানের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে।
- আপিলের কর্তৃপক্ষ: শুধুমাত্র রেজিস্ট্রার (স্থানীয় নিবন্ধন অফিসার), অন্য কোনো আদালত বা প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ নয়।
- চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: রেজিস্ট্রারের রায়ের বিরুদ্ধে আর কোনো আপিলের ব্যবস্থা এই আইনে নেই।
৫৫.
পারিবারিক আদালত কর্তৃক প্রদত্ত একতরফা ডিক্রি বাতিলের জন্য কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১০(৬) অনুযায়ী,
- যদি কোনো বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি প্রদান করা হয়, তাহলে তিনি ডিক্রি প্রদানের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে আবেদন করে ডিক্রি বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
- আবেদনকারীকে অবশ্যই আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে যে, তার অনুপস্থিতির যথার্থ কারণ ছিল (যেমন: অসুস্থতা, সমন না পাওয়া ইত্যাদি)।
আদালত প্রয়োজন মনে করলে শর্তসাপেক্ষে (যেমন: খরচ জমা দেওয়া) ডিক্রি বাতিল করতে পারবে।

উল্লেখ্য:
- Limitation Act, 1908 এর Section 5 অনুযায়ী, বিশেষ কারণে এই ৩০ দিনের মেয়াদ আদালত বাড়াতে পারে।
- তবে সাধারণত ৩০ দিনই স্ট্যান্ডার্ড সময়সীমা।
- একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন ডিক্রি প্রদানকারী আদালতেই করতে হয়।
- বাদীকে নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক (ধারা ১০(৬) এর শর্ত)।
অতএব, সঠিক উত্তর গ) ৩০ দিন।
৫৬.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুসারে তালাকের পর কত দিন পর তা কার্যকর হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুসারে, তালাকের পর ৯০ দিন পর তা কার্যকর হবে।
- এটি ধারা ৭ (তালাক) এর অধীনে বলা হয়েছে যে, একজন পুরুষ যদি তার স্ত্রীর প্রতি তালাক প্রদান করেন, তবে তালাকের ঘোষণার পর ৯০ দিন পর্যন্ত তা কার্যকর হবে না, যদি না স্ত্রীর গর্ভাবস্থা থাকে। যদি স্ত্রীর গর্ভাবস্থা থাকে, তবে তালাক কার্যকর হবে গর্ভাবস্থার মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৭(৩) অনুযায়ী:
- কোনো স্বামী তালাক দিলে তালাক কার্যকর হতে ৯০ দিন অপেক্ষা করতে হবে।
- এই সময়ের মধ্যে আরবিট্রেশন কাউন্সিল (চেয়ারম্যান ও উভয় পক্ষের প্রতিনিধি) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পুনর্মিলনের চেষ্টা করবে।
- ৯০ দিন পর তালাক চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয় (যদি মধ্যবর্তী সময়ে তা প্রত্যাহার না করা হয়)।
- নোটিশ বাধ্যতামূলক: স্বামীকে তালাকের নোটিশ চেয়ারম্যান এবং স্ত্রীকে দিতে হবে (ধারা ৭(১))।
- জরিমানা: নোটিশ না দিলে ১ বছর কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা (ধারা ৭(২))।
- গর্ভবতী স্ত্রীর ক্ষেত্রে: গর্ভাবস্থা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হয় না (ধারা ৭(৫))।
অতএব, সঠিক উত্তর গ) ৯০ দিন।
৫৭.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর অধীনে একজন পুরুষ যদি দ্বিতীয় বিবাহের অনুমতির জন্য আবেদন করেন, তাহলে এটি কোন সংস্থার কাছে করা হবে?
  1. আঞ্চলিক পুলিশ
  2. পারিবারিক আদালত
  3. আর্বিট্রেশন কাউন্সিল
  4. নিকাহ রেজিস্ট্রার
সঠিক উত্তর:
আর্বিট্রেশন কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্বিট্রেশন কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুসারে, একজন পুরুষ যদি দ্বিতীয় বিবাহের জন্য অনুমতির আবেদন করেন, তাহলে এটি আর্বিট্রেশন কাউন্সিল এর কাছে করা হবে।
- ধারা ৬(১) অনুযায়ী, একজন পুরুষ যদি বর্তমান বিবাহের সময় দ্বিতীয় বিবাহ করতে চান, তবে তাকে আর্বিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতি নিতে হবে। আবেদনকারীকে চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন জমা দিতে হবে, এবং পরবর্তীতে একটি আর্বিট্রেশন কাউন্সিল গঠন করা হবে যা বিবাহের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৬ অনুযায়ী:
- কোনো পুরুষ যদি বর্তমান বিবাহ বহাল থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিবাহ করতে চান, তাহলে আর্বিট্রেশন কাউন্সিলের পূর্বানুমতি নিতে বাধ্য।
- আবেদন ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভার চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিতে হবে (ধারা ৬(২))।
- চেয়ারম্যান স্বামী ও বর্তমান স্ত্রী(দের) প্রতিনিধি নিয়ে আর্বিট্রেশন কাউন্সিল গঠন করবেন (ধারা ৬(৩))।
- কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহের প্রয়োজনীয়তা ও ন্যায্যতা যাচাই করে অনুমতি দিতে পারে।
- অনুমতি ছাড়া বিবাহ করলে শাস্তি: ১ বছরের কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা (ধারা ৬(৫))।
- দেনমোহর পরিশোধ বাধ্যতামূলক: অনুমতি ছাড়া বিবাহ করলে সম্পূর্ণ দেনমোহর (Prompt ও Deferred) অবিলম্বে পরিশোধ করতে হবে।
অতএব, সঠিক উত্তর গ) আর্বিট্রেশন কাউন্সিল।
৫৮.
নিচের কোন শ্রেণিটি দায়ভাগ পদ্ধতির প্রথম শ্রেণির উত্তরাধিকার?
  1. সহদেব
  2. সাকুল্য
  3. সপিণ্ড
  4. সমানোদক
সঠিক উত্তর:
সপিণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপিণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দায়ভাগ পদ্ধতিতে উত্তরাধিকার তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত:
১) সপিণ্ড (প্রথম ও নিকটতম শ্রেণি),
২) সাকুল্য (দ্বিতীয় শ্রেণি),
৩) সমানোদক (তৃতীয় ও দূরবর্তী শ্রেণি)।
→  দায়ভাগ পদ্ধতি (Dayabhaga School) অনুসারে, হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির আত্মার শান্তির জন্য পিণ্ডদান করতে পারে, তাকে সপিণ্ড বলা হয়। সপিণ্ডগণই হলেন এই পদ্ধতির প্রথম শ্রেণির উত্তরাধিকারী।
→  দায়ভাগ পদ্ধতিতে উত্তরাধিকারী নির্ধারণ করা হয় মূলত ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের ভিত্তিতে। মৃত ব্যক্তিকে যে আত্মীয় পিণ্ড দিতে পারেন, তিনিই প্রথম উত্তরাধিকারী। এই জন্যই সপিণ্ডগণ প্রথম শ্রেণির উত্তরাধিকারী।
→  সপিণ্ড হলো প্রথম শ্রেণির উত্তরাধিকার, যারা মৃত ব্যক্তির সরাসরি রক্তের সম্পর্কে আবদ্ধ (যেমন: পুত্র, কন্যা, স্ত্রী, পিতা, মাতা ইত্যাদি)। এরা মৃতের শ্রাদ্ধে পিণ্ডদানের অধিকারী এবং সম্পত্তির প্রধান দাবিদার।
→  সাকুল্য (দ্বিতীয় শ্রেণি) ও সমানোদক (তৃতীয় শ্রেণি) তুলনামূলকভাবে দূরবর্তী আত্মীয়দের অন্তর্ভুক্ত।
→  সহদেব একটি ব্যক্তিগত নাম বা বিভ্রান্তিকর অপশন (এই প্রসঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয়)।
সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) সপিণ্ড।
৫৯.
রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন অফিসে কত বছর পর্যন্ত দাবি না করা ডকুমেন্ট অক্ষত রাখা বাধ্যতামূলক?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৮৫ (Section 85) অনুযায়ী:
“Documents (other than wills) remaining unclaimed in any registration office for a period exceeding two years may be destroyed.”
অর্থাৎ, উইল ব্যতীত অন্য যেকোনো দলিল যদি ২ বছরের বেশি সময় ধরে রেজিস্ট্রেশন অফিসে অনাদায়ী (unclaimed) অবস্থায় থাকে, তাহলে তা ধ্বংস (destroy) করা যেতে পারে।
তবে এর মানে এই নয় যে ২ বছর পরই সঙ্গে সঙ্গে ধ্বংস করা হবে—এটা হলো সর্বনিম্ন সংরক্ষণকাল, এরপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাইলে তা নষ্ট করতে পারেন।

→ অতএব, ধারা ৮৫ অনুযায়ী, উইল ছাড়া অন্য ডকুমেন্ট ২ বছরের বেশি অদাবিকৃত থাকলে ধ্বংস করা যেতে পারে।
৬০.
রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর কোন ধারা অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন অফিসার প্রাসঙ্গিক ব্যক্তি বা সাক্ষীকে তলব করার জন্য আদালত বা কর্মকর্তার সাহায্য নিতে পারেন?
  1. ধারা ৩৫
  2. ধারা ৩৬
  3. ধারা ৩৭
  4. ধারা ৩৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬
ব্যাখ্যা
⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৩৬ এ নিম্নোক্ত বিধান রয়েছে:
তলব করার ক্ষমতা:
- যদি কোনো ব্যক্তি রেজিস্ট্রিকৃত ডকুমেন্টের জন্য কোনো ব্যক্তির উপস্থিতি বা সাক্ষ্য প্রয়োজন মনে করেন
- রেজিস্ট্রার অফিসার তার বিবেচনায় সরকার কর্তৃক নির্দেশিত কোনো কর্মকর্তা বা আদালতকে সমন জারির জন্য অনুরোধ করতে পারেন
সমন প্রক্রিয়া:
- সমনে ব্যক্তিকে ব্যক্তিগতভাবে বা কর্তৃত্বপ্রাপ্ত এজেন্টের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন অফিসে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে
- সমনে একটি নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করতে হবে
প্রয়োগ ক্ষেত্র:
- এই ধারা মূলত ডকুমেন্ট রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় সাক্ষী বা দলিল সম্পাদনকারীকে তলব করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
- এটি একটি বিচক্ষণতামূলক (discretionary) ক্ষমতা - রেজিস্ট্রার বাধ্য নন

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৩৬ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি রেজিস্ট্রেশন অফিসে একটি ডকুমেন্ট নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করে বা তার অধীনে অন্য কোনো দাবী করে এবং উক্ত ডকুমেন্টের নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য কোনো ব্যক্তি বা সাক্ষীর উপস্থিতি প্রয়োজন হয়, তবে রেজিস্ট্রেশন অফিসার সেই ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট আদালত বা কর্মকর্তার সাহায্য নিতে পারেন। এই সাহায্যের মাধ্যমে একটি তলবনামা (summons) জারি করা হয়, যা সেই ব্যক্তিকে উপস্থিত হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়, সেটা হয়তো তাকে ব্যক্তিগতভাবে বা তাঁর প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হতে হতে পারে।

এটি রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যাতে কোনো বৈধতা সমস্যা তৈরি না হয় এবং প্রয়োজনীয় সাক্ষী বা ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে ডকুমেন্টের সঠিক নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
৬১.
বাংলাদেশের প্রচলিত আইন সম্পর্কে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে করা চুক্তির ফলাফল কী হবে?
  1. চুক্তিটি বৈধ
  2. চুক্তিটি অবৈধ
  3. চুক্তিটি বাতিলযোগ্য
  4. চুক্তিটি বাতিল
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি বৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি বৈধ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, যদি কোনো চুক্তি আইন সম্পর্কিত ভুল ধারণার ভিত্তিতে করা হয়, তবে তা বাতিলযোগ্য হবে না (ধারা ২১)।
- অর্থাৎ, আইন সম্পর্কিত ভুলের কারণে চুক্তি বৈধ থাকবে, তবে এটি বাতিলযোগ্য হবে না বা অবৈধ হবে না।

⇒ চুক্তি আইনের ধারা ২১ অনুসারে:
১. বাংলাদেশের প্রচলিত আইন সম্পর্কে ভুল:
- যদি চুক্তির পক্ষগণ বাংলাদেশের প্রচলিত কোনো আইন সম্পর্কে ভুল বুঝে চুক্তি করে,  সেক্ষেত্রে চুক্তিটি বাতিলযোগ্য হবে না অর্থাৎ চুক্তিটি বৈধ থাকবে।
২. অন্যান্য দেশের আইন সম্পর্কে ভুল:
- বাংলাদেশে প্রচলিত নয় এমন কোনো বিদেশী আইন সম্পর্কে ভুল , সেক্ষেত্রে তা 'ব্যাপার সংক্রান্ত ভুল' (mistake of fact) হিসাবে গণ্য হবে এবং ধারা ২০ অনুযায়ী চুক্তি বাতিল হতে পারে। 

⇒ The Contract Act, 1872 Section- 21. Effect of mistakes as to law:
 - A contract is not voidable because it was caused by a mistake as to any law in force in Bangladesh, but a mistake as to a law not in force in Bangladesh has the same effect as a mistake of fact.

Illustration 
A and B make a contract grounded on the erroneous belief that a particular debt is barred by the Bangladesh Law of Limitation: the contract is not voidable.
৬২.
চুক্তি আইন অনুযায়ী নিচের কোন ক্ষেত্রে এজেন্সি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমাপ্ত হয় না?
  1. এজেন্টের মৃত্যু
  2. প্রিন্সিপালের উন্মাদ হওয়া
  3. এজেন্টের বেতন বৃদ্ধির দাবি
  4. প্রিন্সিপালের দেউলিয়া ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
এজেন্টের বেতন বৃদ্ধির দাবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজেন্টের বেতন বৃদ্ধির দাবি
ব্যাখ্যা
 চুক্তি আইনের ধারা ২০১ অনুযায়ী এজেন্সি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমাপ্ত হওয়ার প্রধান কারণগুলো হল:
১. প্রিন্সিপাল কর্তৃক কর্তৃত্ব প্রত্যাহার
২. এজেন্ট কর্তৃক এজেন্সি ব্যবসা পরিত্যাগ
৩. এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হওয়া
৪. প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মৃত্যু
৫. প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের উন্মাদ হওয়া
৬. প্রিন্সিপালের দেউলিয়া ঘোষণা
- এজেন্টের বেতন বৃদ্ধির দাবি এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়।
- এটি একটি চাকরি সংক্রান্ত দাবি, যা এজেন্সি সমাপ্তির কারণ হিসেবে বিবেচিত হয় না।
- এজেন্সি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমাপ্ত হয় না যদি এজেন্ট বেতন বৃদ্ধি দাবি করে। এটি একটি সাধারণ চুক্তিগত বিষয় এবং এজেন্টের ক্ষমতা বা এজেন্সি সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়গুলো প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
৬৩.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারায় Contingent Interest সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ১৭ ধারা
  2. ১৯ ধারা
  3. ২১ ধারা
  4. ২৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ২১-এ Contingent Interest (ঘটনাসাপেক্ষ স্বার্থ) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির জন্য একটি নির্দিষ্ট অনিশ্চিত ঘটনা ঘটলে বা না ঘটলে স্বার্থ সৃষ্টি হয়, তখন সেই ব্যক্তির স্বার্থ ঘটনাসাপেক্ষ স্বার্থ হিসেবে গণ্য হবে। যদি উক্ত নির্দিষ্ট ঘটনা ঘটলে, অথবা না ঘটলে ঘটনা অসম্ভব হয়ে গেলে, তখন ওই স্বার্থ কায়েমি স্বার্থ (vested interest) হিসেবে বিবেচিত হবে।

এছাড়া, ব্যতিক্রম হিসেবে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি একটি নির্দিষ্ট বয়স পূর্ণ হওয়ার পর সম্পত্তির ওপর স্বত্ব অর্জন করেন এবং তার বয়স পূর্ণ হওয়ার পূর্বে যদি আয় প্রদান করা হয়, তবে সেটি ঘটনাসাপেক্ষ স্বার্থ হিসেবে গণ্য হবে না।

এভাবে ধারা ২১-এ Contingent Interest সম্পর্কিত বিধান স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে।
৬৪.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ধারা ৮ অনুযায়ী দখল পুনরুদ্ধারের আবেদন নিষ্পত্তি হতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ধারা ৮(৪) অনুযায়ী,
- দখল পুনরুদ্ধারের আবেদন প্রাপ্তির পর ৩ (তিন) মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।
- এ সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
অন্যান্য অপশনগুলো (১ মাস, ২ মাস, ৬ মাস) এই আইনে উল্লেখিত সময়সীমার সাথে মেলে না।

⇒ উদ্ধৃতি (আইনের ধারা ৮(৪)):
"উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো আবেদন প্রাপ্তির পর হইতে ৩(তিন) মাসের মধ্যে উহার নিষ্পত্তি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, দখল পুনরুদ্ধার করিতে হইবে..."
৬৫.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ১০৪ অনুযায়ী, খাজনার হার কত বছর পর পর সংশোধন করা যায়?
  1. ৫ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-এর ধারা ১০৪-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
- খাজনার হার একবার নির্ধারিত ও অনুমোদিত হওয়ার পর
- ২০ (বিশ) বছর পর্যন্ত অপরিবর্তিত থাকবে
- এই সময়ের মধ্যে কোনোভাবেই খাজনার হার সংশোধন করা যাবে না
- কেবল ২০ বছর পূর্ণ হওয়ার পরেই নতুন করে হার পর্যালোচনা ও সংশোধন করা যাবে

⇒ আইনের মূল উদ্ধৃতি (ধারা ১০৪):
"When the rent-rates... have been determined... they shall not be changed until after a period of twenty years has elapsed from the date of such confirmation."

⇒ ধারা ১০৪ অনুযায়ী, খাজনা-হার নির্ধারণের পর ২০ বছর অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ওই খাজনা-হার পরিবর্তন বা সংশোধন করা যাবে না। অর্থাৎ, খাজনা-হার প্রতি ২০ বছর পর পর সংশোধন করা সম্ভব।
৬৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রায়ে সন্তুষ্ট না হলে আপীল করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ "নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন" এর ধারা ২৮ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডে সংক্ষুব্ধ পক্ষকে উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল দায়ের করতে হবে
- এটি আইনের স্পষ্ট বিধান,  প্রাসঙ্গিক অংশ:
"ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।"

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ ধারা ২৮ আপীল:
- ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।
৬৭.
The Special Powers Act, 1974 এর বিধান অনুযায়ী স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিলে তা কার্যকর করার শর্ত কী?
  1. রাষ্ট্রপতির অনুমোদন
  2. প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন
  3. আইনমন্ত্রীর অনুমোদন
  4. হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন
ব্যাখ্যা
⇒ The Special Powers Act, 1974-এর অধীনে, যদি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, তবে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত ওই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে না। ধারা ৩০(২) অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডের কার্যক্রম অনতিবিলম্বে হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করতে হবে এবং হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন ব্যতীত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে না।

- The Special Powers Act, 1974-এর ধারা ৩০(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
"যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে উহার কার্যধারা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর করা যাইবে না।"

- উদ্ধৃতি (ধারা ৩০(২)):
"the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division."
৬৮.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৬ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি তদন্ত সম্পর্কিত তথ্য অসৎ উদ্দেশ্যে প্রকাশ করলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৬(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে তদন্ত সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেন, তাহলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৬-এর উপ-ধারা (৩) বলছে: "কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান লংঘন করিলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।"

এখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হবে ২ বছর।
৬৯.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩১(২) অনুযায়ী, মাদক অপরাধের তদন্ত ৬০ দিনের মধ্যে শেষ না হলে অতিরিক্ত কত দিন সময় দেওয়া যায়?
  1. ৭ কার্যদিবস
  2. ১৫ কার্যদিবস
  3. ৩০ কার্যদিবস
  4. ৪৫ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
১৫ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
⇒ "মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮" এর ধারা ৩১(২) অনুযায়ী, মাদক অপরাধের তদন্ত ৬০ দিনের মধ্যে শেষ না হলে অতিরিক্ত ১৫ কার্যদিবস সময় দেওয়া যায়। 
- ধারা ৩১(১)(খ) অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় হাতেনাতে ধৃত না হয়, তবে তদন্ত প্রাথমিক তথ্যপ্রাপ্তি বা তদন্তের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। তবে, ধারা ৩১(২) এ উল্লেখ আছে যে, কোনো যুক্তিসংগত কারণে এই সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা সম্ভব না হলে, তদন্তকারী অফিসার কারণ লিপিবদ্ধ করে অতিরিক্ত ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করবেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করবেন।

অর্থাৎ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩১(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
যদি ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করা সম্ভব না হয়, তদন্তকারী অফিসার যুক্তিসঙ্গত কারণ লিপিবদ্ধ করে, অতিরিক্ত ১৫ (পনেরো) কার্যদিবসের সময় পাবেন তদন্ত শেষ করার জন্য।

প্রাসঙ্গিক অংশ:
"কোনো যুক্তিসংগত কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়ের মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে, তদন্তকারী অফিসার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া অতিরিক্ত ১৫ (পনেরো) কার্যদিবসের মধ্যে মাদকদ্রব্য অপরাধের তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবেন..."
৭০.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীন প্রণীত বিধি কোথায় প্রকাশ করতে হবে?
  1. সরকারি গেজেটে
  2. জাতীয় সংবাদপত্রে
  3. কমিশনের ওয়েবসাইটে
  4. আইন মন্ত্রণালয়ের জার্নালে
সঠিক উত্তর:
সরকারি গেজেটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি গেজেটে
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩৪ অনুযায়ী বলা হয়েছে:
"এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কমিশন, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদনক্রমে এবং সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।"
অর্থাৎ, দুর্নীতি দমন কমিশন যদি এই আইনের অধীনে কোনো বিধি বা নিয়ম তৈরি করে, তবে সেটিকে সরকারি গেজেটে প্রকাশ করতে হয়।
- সরকারি গেজেট হলো সরকার কর্তৃক প্রকাশিত একটি অফিসিয়াল প্রকাশনা, যেখানে আইন, বিধি, নীতিমালা ও সরকারী আদেশসমূহ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়।
- এই প্রকাশের মাধ্যমে বিধিটি আইনি বৈধতা পায় এবং তা জনগণ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়ায়।
৭১.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর কোন ধারাগুলোর অপরাধ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য?
  1. ধারা ১৮, ২০, ২১
  2. ধারা ১৭, ১৯, ২৭
  3. ধারা ২২, ২৩, ২৪
  4. ধারা ২৮, ২৯, ৩০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭, ১৯, ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭, ১৯, ২৭
ব্যাখ্যা
⇒ সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ধারা ৫২ অনুযায়ী, এই আইনের অধীন কোন কোন অপরাধ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য, তা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
-ধারা ৫২(ক) বলছে:
“এই আইনের ধারা ১৭, ১৯, ২৭ ও ৩২ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হইবে।”
অতএব, ধারা ১৭, ১৯, ও ২৭–এ বর্ণিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য এবং অ-জামিনযোগ্য।