পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
[Re-Examination] পদ, সন্ধি, প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ, বানান ও বাক্য শুদ্ধি। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
‘ধিক্ তারে, শত ধিক্ নির্লজ্জ যে জন’—এ বাক্যে ‘ধিক্‌, শত ধিক্’ কোন বিশেষণের উদাহরণ?
  1. ক) ক্রিয়া বিশেষণ
  2. খ) বাক্যের বিশেষণ
  3. গ) অব্যয়ের বিশেষণ
  4. ঘ) বিশেষণীয় বিশেষণ
ব্যাখ্যা

অব্যয়ের বিশেষণঃ
যে ভাব - বিশেষণ অব্যয় পদ বা অব্যয় পদের অর্থকে বিশেষায়িত করে, তাকে অব্যয়ের বিশেষণ বলে।
যেমন, ধিক্‌ তারে, শত ধিক্‌ নির্লজ্জ যে জন।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণী)

.
অনেকের মধ্যে একের উত্কর্ষ বা অপকর্ষ বোঝাতে মূল বিশেষণের পূর্বে কোনটি বসে?
  1. ক) অপেক্ষা
  2. খ) সবচাইতে
  3. গ) চাইতে
  4. ঘ) অনেক
ব্যাখ্যা

বিশেষণ পদ যখন দুই বা ততোধিক বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের মধ্যে তুলনা বোঝায়, তখন তাকে বিশেষণের অতিশায়ন বলে।
বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা শব্দের বা তদ্ভব শব্দের একরকম অতিশায়ন প্রচলিত আছে, আবার তৎসম শব্দে সংস্কৃত ভাষার অতিশায়নের নিয়মও প্রচলিত আছে।

বহুর মধ্যে অতিশায়নে বিশেষণের পূর্বে সবচাইতে, সর্বাপেক্ষা, সবথেকে, সবচেয়ে,সর্বাধিক, ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হয়। যেমন-
তোমাদের মধ্যে করিম সবচেয়ে বুদ্ধিমান।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণী)

.
আত্মবাচক সর্বনাম পদ কোন গুচ্ছটি?
  1. ক) আমি, আমরা, তুমি
  2. খ) এ, এই, এরা
  3. গ) সে, তারা, তিনি
  4. ঘ) স্বয়ং, খোদ, আপনি
ব্যাখ্যা

বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকেই সর্বনাম পদ বলে।

সর্বনাম পদগুলোকে মূলত ১০ ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
ব্যক্তিবাচক বা পুরুষবাচকঃ আমি, আমরা, তুমি, তোমরা, সে, তারা, তাহারা, তিনি, তাঁরা, এ, এরা, ও, ওরা।
আত্মবাচকঃ স্বয়ং, নিজ, খোদ, আপনি।
সামীপ্যবাচকঃ এ, এই, এরা, ইহারা, ইনি।
দূরত্ববাচকঃ ঐ, ঐসব, সব।
সাকল্যবাচকঃ সব, সকল, সমুদয়, তাবৎ।
প্রশ্নবাচকঃ কে, কি, কী, কোন, কাহার, কার, কিসে।
অনির্দিষ্টতাজ্ঞাপকঃ কোন, কেহ, কেউ, কিছু
ব্যতিহারিকঃ আপনা আপনি, নিজে নিজে, আপসে, পরস্পর
সংযোগজ্ঞাপকঃ যে, যিনি, যাঁরা, যাহারা।
অন্যাদিবাচকঃ অন্য, অপর, পর।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণী)

.
‘অ+অ=আ’ এই নিয়মে সাধিত সন্ধি কোনটি?
  1. ক) হিমালয়
  2. খ) নরাধম
  3. গ) যথার্থ
  4. ঘ) বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির সন্ধি হলে তাকে বলে স্বরসন্ধি।

‘অ/আ’ এরপরে ‘অ/আ’ থাকলে উভয়ে মিলে ‘আ’ হয় এবং তা প্রথম ‘অ/আ’-র আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
অ+অ = আঃ
নর+অধম = নরাধম।
প্রাণ + আধিক = প্রাণোধিক।
হিম+অচল = হিমাচল।
হস্ত+অন্তর = হস্তান্তর।
হিত+অহিত = হিতাহিত।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণী)

.
স্বরধ্বনি+ব্যঞ্জনধ্বনি=ব্যঞ্জনসন্ধি — কোনটি?
  1. ক) পরিচ্ছদ
  2. খ) দিগন্ত
  3. গ) উচ্ছেদ
  4. ঘ) বিপচ্ছায়া
ব্যাখ্যা

যে দুইটি ধ্বনির মিলনে সন্ধি হবে, তাদের একটিও যদি ব্যঞ্জনধ্বনি হয়, তাহলেই সেই সন্ধিকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলা হয়।
ব্যঞ্জনসন্ধি ৩ ভাবে হতে পারে-
- স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি।
- ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনি
- ব্যঞ্জনধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি

স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনিঃ
স্বরধ্বনির পর ‘ছ’ থাকলে তা দ্বিত্ব হয়, অর্থাৎ ‘ছ’-র বদলে ‘চ্ছ’ হয়। যেমন-
ই+ছ = চ্ছ -
পরি+ছদ = পরিচ্ছদ।
বি+ছেদ= বিচ্ছেদ।
বি+ছিন্ন = বিচ্ছিন্ন।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণী)

.
বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধি কোনটি?
  1. ক) আশ্চর্য
  2. খ) বনস্পতি
  3. গ) বৃহস্পতি
  4. ঘ) সংস্কার
ব্যাখ্যা

কিছু কিছু সন্ধি কিছু বিশেষ নিয়মে হয়। এগুলোকে বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধি বলে।

বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধিঃ
সম্‌+কার = সংস্কার।
সম্‌+কৃত = সংস্কৃত।
উৎ+স্থান = উত্থান।
উৎ+স্থাপন = উত্থাপন।
পরি+কার = পরিষ্কার।
সম্‌+কৃতি = সংস্কৃতি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণী)

.
বিসর্গ সন্ধিকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) দুই ভাগে
  2. খ) তিন ভাগে
  3. গ) চার ভাগে
  4. ঘ) পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা

যে দুইটি ধ্বনির মিলনে সন্ধি হবে, তাদের একটি যদি বিসর্গ হয়, তবে তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে।
বিসর্গ সন্ধি ২ ভাবে সম্পাদিত হয়-
- বিসর্গ + স্বরধ্বনি
- বিসর্গ + ব্যঞ্জনধ্বনি

বিসর্গসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধির সম্পর্কঃ
সংস্কৃত নিয়ম অনুযায়ী শব্দ বা পদের শেষে ‘র্’ বা ‘স্’ থাকলে তাদের বদলে ‘ঃ’ বা অঘোষ ‘হ’ উচ্চারিত হয়।
এর উপর ভিত্তি করে বিসর্গকে ২ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

র-জাত বিসর্গঃ ‘র্’ ধ্বনির জায়গায় যে বিসর্গ হয়, তাকে র-জাত বিসর্গ বলে।
যেমন : অন্তর- অন্তঃ, প্রাতর- প্রাতঃ, পুনর- পুনঃ, ইত্যাদি।

স-জাত বিসর্গঃ ‘স্’ ধ্বনির জায়গায় যে বিসর্গ হয়, তাকে স-জাত বিসর্গ বলে।
যেমন : নমস- নমঃ, পুরস- পুরঃ, শিরস- শিরঃ, ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণী)

.
স-জাত বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ কোনটি
  1. ক) নিরাকার
  2. খ) আশীর্বাদ
  3. গ) দুর্যোগ
  4. ঘ) নমস্কার
ব্যাখ্যা

বিসর্গসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধির সম্পর্কঃ

সংস্কৃত নিয়ম অনুযায়ী শব্দ বা পদের শেষে ‘র্’ বা ‘স্’ থাকলে তাদের বদলে ‘ঃ’ বা অঘোষ ‘হ’ উচ্চারিত হয়।
এর উপর ভিত্তি করে বিসর্গকে ২ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

র-জাত বিসর্গঃ ‘র্’ ধ্বনির জায়গায় যে বিসর্গ হয়, তাকে র-জাত বিসর্গ বলে।
যেমন : অন্তর- অন্তঃ, প্রাতর- প্রাতঃ, পুনর- পুনঃ, ইত্যাদি।

স-জাত বিসর্গঃ ‘স্’ ধ্বনির জায়গায় যে বিসর্গ হয়, তাকে স-জাত বিসর্গ বলে।
যেমন : নমস- নমঃ, পুরস- পুরঃ, শিরস- শিরঃ, ইত্যাদি।
নমঃ + কার = নমস্কার।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণী)

.
চ্ ও জ্ - এর পরে নাসিক্য ধ্বনি কী হয়?
  1. ক) দন্ত্য
  2. খ) কণ্ঠ
  3. গ) তালব্য
  4. ঘ) ওষ্ঠ
ব্যাখ্যা

তালব্য অল্পপ্রাণ ধ্বনির পরে নাসিক্য ধ্বনি আসলে নাসিক্য ধ্বনিটিও তালব্য নাসিক্য ধ্বনি হয়।
অর্থাৎ, ‘চ/জ’ এর পরে ঙ, ঞ, ণ, ন, ম (নাসিক্য ধ্বনি) থাকলে সেগুলো ‘ঞ’ হয়ে যায়।

চ+ন = চ+ঞঃ
যাচ+না = যাচ্ঞা
রাজ+নী = রাজ্ঞী।

জ+ন = জ+ঞঃ
যজ+ন = যজ্ঞ।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণী)

১০.
নিচের কোনটি শুদ্ধ?
  1. ক) ঐক্যতা
  2. খ) পৌরুষত্ব
  3. গ) স্বতন্ত্রতা
  4. ঘ) সখ্যতা
ব্যাখ্যা

'তা' এবং 'ত্ব' হল বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়।
যা কেবল বিশেষণবাচক শব্দকে বিশেষ্য করে।
তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে তা বা 'ত্ব' যুক্ত করলে ভুল হবে।

প্রশ্নের সঠিক শব্দ - স্বতন্ত্রতা/স্বাতন্ত্র্য

প্রশ্নের অন্যান্য অপশনগুলোর সঠিক উত্তর -
ঐক্য/একতা
পুরুষত্ব/পৌরুষ।
সখ্য।
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১১.
নিচের কোন বাক্যটিতে বাচ্যজনিত ভুল প্রয়োগ হয়েছে?
  1. ক) যুক্তি খন্ডিত হয়েছে, তবে মুক্তি মেলে নি
  2. খ) অনাবশ্যকীয় ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়
  3. গ) অন্যায়ের প্রতিফল দুর্নিবার্য
  4. ঘ) দশচক্রে ঈশ্বর ভূত
ব্যাখ্যা

কর্তৃবাচ্যে বিশেষ্য ও করা রূপ থাকলে কর্ম্বাচ্যে বিশেষণ ও হওয়া ক্রিয়ার রূপ হবে।
যুক্তি খন্ডন হয়েছে, তবে মুক্তি মেলে নি।

প্রশ্নের অন্যন্য অপশনগুলির সঠিক রূপ -
অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয় (বিশেষ্য -বিশেষণের ভুল প্রয়োগ)
অন্যায়ের প্রতিফল অনিবার্য (যথার্থ শব্দ প্রয়োগ না করার ভুল)
দশচক্রে ঈশ্বর ভূত (দশচক্রে ভগবান ভূত)
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১২.
নিচের কোন বাক্যটি সঠিক
  1. ক) গতকালের সভায় সকল সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন
  2. খ) ছেলেটি ভয়ংকর মেধাবী
  3. গ) নীরোগ লোক প্রকৃত অর্থেই সুখী
  4. ঘ) তিনি মোকদ্দমায় সাক্ষী দিবেন
ব্যাখ্যা

নীরোগ লোক প্রকৃত অর্থেই সুখী।বাক্যটি সঠিক

প্রশ্নের অন্যন্য অপশনগুলির সঠিক রূপ -
গতকালের সভায় সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
ছেলেটি অত্যন্ত মেধাবী।
তিনি মোকদ্দমায় সাক্ষ্য দিবেন।

উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৩.
নিচের কোন বাক্যে অশুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) মহারাজ সভাগৃহে প্রবেশ করিলেন।
  2. খ) বাড়ির মালিক যে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করেছিল, তা নয়।
  3. গ) তারা একত্রে গমন করলো।
  4. ঘ) সূর্যের উদয় হয়েছে।
ব্যাখ্যা

মহারাজ সভাগৃহে প্রবেশ করিলেন।
বাড়ির মালিক যে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করেছিল, তা নয়।
সূর্যের উদয় হয়েছে।
বাক্যগুলি সম্পূর্ন সঠিক।

তারা একত্রে গমন করলো। বাক্যটি সঠিক নয়।
শুদ্ধ রূপঃ তারা একত্র গমন করলো।

উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৪.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) গীতাঞ্জলী
  2. খ) ঝরণা
  3. গ) দুরদৃষ্ট
  4. ঘ) নমষ্কার
ব্যাখ্যা

'দুরদৃষ্ট' বানানটি শুদ্ধ।

প্রশ্নের অন্যন্য অপশনগুলির সঠিক রূপ -
গীতাঞ্জলি
ঝরনা
নমস্কার।

উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৫.
নিচের কোন বানানটি সঠিক?
  1. ক) শিল্পদ্যোক্তা
  2. খ) মূর্চ্ছনা
  3. গ) সংস্রব
  4. ঘ) মনকষ্ট
ব্যাখ্যা

'সংস্রব' বানানটি শুদ্ধ।
অর্থঃ সম্পর্ক; সম্বন্ধ; ছোঁয়াচ (নেতাদের সংস্রব)।

প্রশ্নের অন্যন্য অপশনগুলির সঠিক রূপ -
শিল্পোদ্যোক্তা
মূর্ছনা
মনঃকষ্ট

উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৬.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ
  2. খ) অশ্রুজলে বুক ভেসে গেল
  3. গ) কারো দৈন্য নিয়ে উপহাস কোরো না
  4. ঘ) কথাটি সঠিক নয়
ব্যাখ্যা

কারো দৈন্য/দীনতা নিয়ে উপহাস কোরো না। বাক্যটি সম্পূর্ণ সঠিক

প্রশ্নের অন্যান্য বাক্যের সঠিক রূপ-
দশচক্রে ভগবান ভূত।
অশ্রুতে বুক ভেসে গেল।
কথাটি ঠিক নয়।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৭.
নিচের কোন বাক্যে বিশেষ্য পদের বাহুল্য প্রয়োগজনিত ভুল রয়েছে?
  1. ক) ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রীরা এসেছিল
  2. খ) সে সম্ভ্রান্তশালী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে
  3. গ) শুধুমাত্র এই কটা টাকা দিলে?
  4. ঘ) যুক্তি খন্ডিত হয়েছে, মুক্তি মেলে নি
ব্যাখ্যা

বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত বিশেষ্য পদকে বিশেষণ বা বিশেষণ পদকে বিশেষ্য ভেবে পদ পরিবর্তন করে এ ধরনের ভুল করা হয়।
যেমনঃ সে সম্ভ্রান্তশালী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।
শুদ্ধ রূপঃ সে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।

- অপশন ক) তে বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত ভুল রয়েছে।
এর সঠিক রূপঃক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রী এসেছিল।
- অপশন গ) তে হুল্যজনিত অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি রয়েছে।
এর শুদ্ধরূপ হবেঃ শুধু এই কটা টাকা দিলে?
- অপশন ঘ) তে বাচ্যজনিত অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি রয়েছে।
এর শুদ্ধরূপ হবেঃ যুক্তি খন্ডন হয়েছে, তবে মুক্তি মেলে নি।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৮.
‘গ্রীষ্মের তাপদাহে জীবন অতিষ্ঠ।’ বাক্যটিতে কিসের অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) বচনজনিত
  2. খ) গুরুচন্ডালীজনিত
  3. গ) উপমাজনিত
  4. ঘ) সমাসজনিত
ব্যাখ্যা

গুরুচণ্ডালী বলতে বোঝায় তদ্ভব এবং তৎসম শব্দের মিশ্রণ।
এমন হলে বাক্যে অপপ্রয়োগ হয়েছে বলা যায়৷
এদের গুরুচণ্ডালী ভুল গুলো হচ্ছে - গরুর শকট, মড়া দাহ, শব পোড়া, তাপদাহ
গরুর গাড়ি, মরা পোড়া, শবদাহ, দাবদাহ - এরকম হলে গুরুচণ্ডালী দোষ হবে না।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি

১৯.
নিচের কোন বাক্যে বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত ভুল রয়েছে
  1. ক) ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রীরা এসেছিল
  2. খ) গ্রীষ্মের তাপদাহে জীবন অতিষ্ঠ
  3. গ) ইহার আবশ্যক নাই
  4. ঘ) ঘটনা বর্ণনা হয়েছে
ব্যাখ্যা

বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত ভুল রয়েছে - ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রীরা এসেছিল।
সঠিক রূপঃ ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রী এসেছিল।

গ্রীষ্মের তাপদাহে জীবন অতিষ্ঠ -গুরুচণ্ডালী বলতে বোঝায় তদ্ভব এবং তৎসম শব্দের মিশ্রণ।
সঠিক রূপঃ গ্রীষ্মের দাবদাহে জীবন অতিষ্ঠ।
সঠিক রূপঃ ইহার আবশ্যকতা নাই (বিশেষ্য - বিশেষন জনিত ভুল)
সঠিক রূপঃ ঘটনা বর্ণিত হয়েছে (বাচ্যজনিত)।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২০.
নিচের কোনটি শুদ্ধ?
  1. ক) আবশ্যক দ্রব্যাদি সঙ্গে আনবেন
  2. খ) উৎপন্ন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন
  3. গ) সে সভায় উপস্থিত ছিলেন
  4. ঘ) মাদকাশক্তি ভাল নয়
ব্যাখ্যা

আবশ্যক দ্রব্যাদি সঙ্গে আনবেন।এটি একটি শুদ্ধ বাক্যের উদাহরণ।
প্রশ্নের অন্যান্য বাক্যের শুদ্ধরূপঃ
- উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন
- তিনি সভায় উপস্থিত ছিলেন।
- মাদকাসক্তি ভাল নয়।
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

২১.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) ব্যার্থ
  2. খ) মাঢ়ি
  3. গ) নমষ্কার
  4. ঘ) নিস্প্রভ
ব্যাখ্যা

মাঢ়ি বানানটি সঠিক।
অর্থঃ [মাড়ি, মাঢ়ি] (বিশেষ্য) দন্তমূল আবরণকারী কোমল মাংস; gum (মাড়ি ফোলা)।

অন্যগুলোর শুদ্ধ বানানঃ
- ব্যর্থ
- নমস্কার
- নিষ্প্রভ।

[সূত্রঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমী অভিধান]

২২.
নিচের কোন বানানটি ভুল নয়?
  1. ক) বানিজ্য
  2. খ) পীপিলিকা
  3. গ) অভিজাত্য
  4. ঘ) ভুজ
ব্যাখ্যা

- প্রদত্ত প্রশ্নের অপশনে শুদ্ধ বানানটি হচ্ছে ভুজ।
-পীপিলীকা শব্দের শুদ্ধ বানান পিপীলিকা।
- অভিজাত্য শব্দের শুদ্ধ বানান আভিজাত্য।
- বানিজ্য শব্দের শুদ্ধ বানান বাণিজ্য।
উৎসঃ;ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷

২৩.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) নিরব
  2. খ) নূন্যতম
  3. গ) সংবরণ
  4. ঘ) প্রাতঃরাশ
ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রশ্নের অপশনে শুদ্ধ বানানটি হচ্ছে সংবরণ
- নিরব শব্দের শুদ্ধ বানান নীরব।
- নূন্যতম শব্দের শুদ্ধ বানান ন্যূনতম।
- প্রাতঃরাশ শব্দের শুদ্ধ বানান প্রাতরাশ।

উৎসঃ;ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷