ব্যাখ্যা
মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত ‘বুড্ডিস্ট মিস্টিক সঙ্স’ গ্রন্থে ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ করেছেন।
সুকুমার সেন ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস’ গ্রন্থে ২৪ জন কবির কথা বলেছেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন
মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত ‘বুড্ডিস্ট মিস্টিক সঙ্স’ গ্রন্থে ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ করেছেন।
সুকুমার সেন ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস’ গ্রন্থে ২৪ জন কবির কথা বলেছেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
মনোএল দা আসসুম্পসাঁউ এর আগে কেউ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ লেখেন নি। ১৭৪৩ খ্রিস্টাব্দে পর্তুগালের রাজধানী লিসবন শহরে রোমান লিপিতে মনোএল দুটি বাংলা গ্রন্থ রচনা ও মুদ্রণ করেন।
গ্রন্থ দুটি হলো- কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ এবং ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বেনগল্লা ই পোরতুগিজ বা বাঙলা-পর্তুগীজ অভিধান।
তবুও তিনি এই অভিধান গ্রন্থেই অতি সংক্ষেপে বাংলা ভাষার ব্যাকরণ এর একটি অধ্যায় সংযুক্ত করেন। এ কারণেই তিনি বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
বাঙলা অক্ষরে মুদ্রিত বাঙালির লেখা যে বইটি প্রথম ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ছাপাখানা থেকে বের হয়, সেটির নাম প্রতাপাদিত্যচরিত্র। ১৮০১ সালে প্রকাশিত হওয়া বইটি লিখেছিলেন রামরাম বসু।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮০০ খ্রিস্টাব্দের মে মাসের ৪ তারিখ।
১৮০১ সালে উইলিয়াম কেরি এখানে যোগ দেন বাংলা ও সংস্কৃত ভাষার অধ্যাপকরূপে।
উইলিয়াম কেরি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পরিচালক ছিলেন।
তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বই ‘কথোপকথন’। এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ২য় বই।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ
চর্যাপদের কবিতাগুলো সহজে পড়ে বোঝা যায় না৷ কবিরা আসলে কবিতার জন্য কবিতা রচনা করেন নি; এজন্যই এত অসুবিধা৷
আমাদের প্রথম কবিরা ছিলেন গৃহহীন বৌদ্ধ বাউল সাধক৷ তাদের সংসার ছিলো না। তারা সাধনা করতেন গোপন তত্ত্বের।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি - হুমায়ুন আজাদ
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখক যারা ছিলেনঃ উইলিয়াম কেরি, রামরাম বসু, গোলকনাথ শর্মা, তারিণীচরণ মিত্র, চণ্ডীচরণ মুনশি, রাজীবলোচন মুখোপাধ্যায়, রামকিশোর তর্কালঙ্কার।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখক তারিণীচরণ লিখেছিলেন এশপের কাহিনী (১৮০৩),
চণ্ডীচরণ লিখেছিলেন তোতা ইতিহাস (১৮০৫),
রাজীবলোচণ লিখেছিলেন মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়স্য চরিত্রং (১৮০৫),
রামকিশোর লিখেছিলেন হিতোপদেশ (১৮০৮)।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বই লিখেছিলেন মৃত্যঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার।
তার বইগুলো হচ্ছে হিতোপদেশ, বত্রিশ সিংহাসন, রাজাবলি, প্রবোধচন্দ্রিকা, বেদান্তচন্দ্রিকা। বাংলা গদ্যকে সামনের দিকে অনেকখানি এগিয়ে নিয়ে গেছিলেন বিদ্যালঙ্কার।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ
ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ইংরেজিতে ভয়াবহ বিশাল বই লিখেন 'বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ (১৯২৬)' নামে এবং প্রমাণ করেন চর্যাপদ আর কারো নয়, বাঙালির।
চর্যাপদ এর ভাষা বাংলা৷ এছাড়াও প্রবোধচন্দ্র বাগচী, ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, ডক্টর সুকুমার সেন, ডক্টর শশিভূষণ দাশগুপ্ত - তারা সবাই ভাষা বিষয়বস্তু পভৃতি আলোচনা করে প্রমাণ করেন চর্যাপদ বাঙলা ভাষায় রচিত৷
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি - হুমায়ুন আজাদ