পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৫৫
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫৫ প্রশ্ন

.
কোনটি অশুদ্ধ বানান?
  1. পুনরুজ্জীবন
  2. অন্তঃস্তল
  3. অদ্ভুত
  4. ধাঁধা
সঠিক উত্তর:
অন্তঃস্তল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তঃস্তল
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ বানান - অন্তঃস্তল
- শুদ্ধ বানান - অন্তস্তল।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- মনো-মধ্য;
- মন, হৃদয়।

অন্যদিকে,
- পুনরুজ্জীবন,
- অদ্ভুত,
- ধাঁধা।
উপরিউক্ত শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী পশ্চাৎ দন্তমূলীয় বর্ণ কোনটি?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী পশ্চাৎ দন্তমূলীয় বর্ণ - ষ।

নিম্নে উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী বাংলা ব্যঞ্জনধ্বনির বিভাজন দেখানো হলো:
যেমন:
→ কণ্ঠ্য বা জিহবামূলীয় বর্ণ - ক, খ, গ, ঘ, ঙ।
→ তালব্য বর্ণ - , ছ, জ, ঝ, ঞ, , য।
→ মূর্ধন্য বা পশ্চাৎ দন্তমূলীয় বর্ণ - ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ষ, র, ড়, ঢ়।
→ দন্ত্য বর্ণ - ত, থ, দ, ধ, ন, ল,
→ ওষ্ঠ্য বর্ণ - প, ফ, ব, ভ, ম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

.
'কুলিশ' শব্দের অর্থ কী?
  1. যুদ্ধ
  2. বজ্র
  3. ভয়ানক
  4. ক্রোধ
সঠিক উত্তর:
বজ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বজ্র
ব্যাখ্যা

• 'কুলিশ' শব্দের অর্থ - বাজ, বজ্র, অশনি।

অন্যদিকে,
'যুদ্ধ' শব্দের অর্থ - রণ, সমর, সংগ্রাম, বিগ্রহ।
'ভয়ানক' শব্দের অর্থ - ভীষণ, ভীম, খুব, ভয়ঙ্কর, ভয়াবহ।
'ক্রোধ' শব্দের অর্থ - রাগ, রোষ, গোসা, কোপ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
"মসনদ" শব্দটি কোন ভাষা হতে আগত?
  1. ফারসি
  2. আরবি
  3. সংস্কৃত
  4. পর্তুগিজ
সঠিক উত্তর:
আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরবি
ব্যাখ্যা

• "মসনদ" শব্দটি 'আরবি' ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- সিংহাসন,
- রাজাসন।

আরো কিছু আরবি শব্দ:
- ইবাদত,
- ইনসান,
- এতিম,
- এলাকা,
- মুসাফির ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
'নিবারণ' শব্দে উপসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. নিশ্চয়
  2. অভাব
  3. হীনতা
  4. অধোমুখিতা
সঠিক উত্তর:
নিশ্চয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিশ্চয়
ব্যাখ্যা

তৎসম 'নি' উপসর্গের ব্যবহার:
- 'নিশ্চয়' অর্থে - নির্ণয়, নিবারণ
- 'নিষেধ' অর্থে - নিবৃত্তি।
- 'আতিশয্য' অর্থে - নিদাঘ, নিদারুন।
- 'অভাব' অর্থে - নিষ্কলুষ, নিষ্কাম।

তৎসম (সংস্কৃত) উপসর্গ:
- তৎসম উপসর্গ বিশটি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
কোনটি প্রগত সমীভবন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. গলদা > গল্লা
  2. সত্য > সচ্চ
  3. বিদ্যা > বিজ্জা
  4. মুলুক > মুল্লুক
সঠিক উত্তর:
গলদা > গল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গলদা > গল্লা
ব্যাখ্যা

প্রগত সমীভবন:
- পূর্ব ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনির পরিবর্তনকে প্রগত সমীভবন বলে।

যেমন:
- চক্র > চক্ক,
- পক্ব > পক্ক,
- গলদা > গল্লা

অন্যদিকে,
অন্যোন্য সমীভবন - সত্য > সচ্চ, বিদ্যা > বিজ্জা। 
দ্বিত্ব ব্যঞ্জন - মুলুক > মুল্লুক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
'তুহিন' এর বিপরীতার্থক শব্দ কী?
  1. হিম
  2. তৃপ্ত
  3. বরফ
  4. তপ্ত
সঠিক উত্তর:
তপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তপ্ত
ব্যাখ্যা

• 'তুহিন' এর বিপরীতার্থক শব্দ - তপ্ত

উল্লেখ্য,
'তুহিন' শব্দের অর্থ - বরফ, তুষার, হিম
'উষ্ণ' শব্দের অর্থ - তপ্ত, গরম, ক্রুদ্ধ, প্রখর।

অন্যদিকে,
তৃপ্ত - অতৃপ্ত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
কোনটি নঞ্‌ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
  1. অকৃতজ্ঞ
  2. অনধিক
  3. অগোচর
  4. অনাচার
সঠিক উত্তর:
অনাচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনাচার
ব্যাখ্যা

নঞ্‌ তৎপুরুষ সমাস:
- না বাচক নঞ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) পূর্বে বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে।

যথা-
- ন আচার = অনাচার,
- ন কাতর = অকাতর,
- অনাচার = নেই আচার
এরূপ – অনাদর, নাতিদীর্ঘ, নাতিখর্ব, অভাব, বেতাল ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
নঞ্‌ বহুব্রীহি সমাস: - অকৃতজ্ঞ = নেই কৃতজ্ঞতা যার, অগোচর = নয় গোচর যা, অনধিক = নয় অধিক যা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
"লোটাকম্বল" বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. সামনেই বিপদ
  2. একমাত্র সম্পদ
  3. সামান্য সংগতি
  4. অনিষ্টকর আত্মীয়
সঠিক উত্তর:
সামান্য সংগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামান্য সংগতি
ব্যাখ্যা

• "লোটাকম্বল" বাগ্‌ধারার অর্থ - সামান্য সংগতি

অন্যদিকে,
শিরে সংক্রান্তি - সামনেই বিপদ।
সবেধন নীলমণি - একমাত্র সম্পদ।
শকুনি মামা - অনিষ্টকর আত্মীয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০.
"শুধু তোমার মুখের পানে চাহি বাহির হনু।" - এখানে 'পানে' অনুসর্গটি কী অর্থ প্রকাশ পেয়েছে?
  1. কাছে
  2. মত
  3. প্রতি
  4. সহায়
সঠিক উত্তর:
প্রতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতি
ব্যাখ্যা

• 'পানে' অনুসর্গের ব্যবহার:
- প্রতি, দিকে অর্থে – ঐ তো ঘর পানে ছুটেছেন। শুধু তোমার মুখের পানে চাহি বাহির হনু।

কয়েকটি অনুসর্গের উদাহরণ:
- অপেক্ষা, অবধি, অভিমুখে, আগে, উপরে, করে, কর্তৃক, কাছে, কারণে, ছাড়া, জন্য, তরে, থেকে, দরুন, দিকে, দিয়ে, দ্বারা, ধরে, নাগাদ, নিচে, পর্যন্ত, পানে, পাশে, পিছনে, প্রতি, বদলে, বনাম, বরাবর, বাইরে, বাদে, বাবদ, বিনা, ব্যতীত, ভিতরে, মতো, মধ্যে, মাঝে, লেগে, সঙ্গে,
সম্মুখে, সাথে, সামনে, হতে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১১.
"বীরবৌলি" বলতে কী বোঝায়?
  1. যে পুরুষ বিয়ে করেনি
  2. পুরুষের কর্ণভূষণ
  3. যে পুরুষ স্ত্রীর বশীভূত
  4. যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে
সঠিক উত্তর:
পুরুষের কর্ণভূষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরুষের কর্ণভূষণ
ব্যাখ্যা

• 'পুরুষের কর্ণভূষণ' এর এক কথায় প্রকাশ - বীরবৌলি

অন্যদিকে,
যে পুরুষ বিয়ে করেনি - অকৃতদার।
যে পুরুষ স্ত্রীর বশীভূত - স্ত্রৈণ।
যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে - প্রোষিতভার্য।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২.
কোনটি বিদেশাগত ধাতু?
  1. কাট্
  2. মাগ্‌
  3. গম্
  4. কৃ
সঠিক উত্তর:
মাগ্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাগ্‌
ব্যাখ্যা

বিদেশাগত ধাতু:
- প্রধানত হিন্দি এবং ক্বচিৎ আরবি-ফারসি ভাষা থেকে যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে, সেগুলোকে বিদেশাগত ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলা হয়।
- যেমন- ভিক্ষে মেগে খায়।
- এ বাক্যে 'মাগ্‌' ধাতু হিন্দি 'মাঙ' থেকে আগত।

অন্যদিকে,
বাংলা ধাতু:
- যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসেনি সেগুলো হলো বাংলা ধাতু।
যেমন- কাট্, কাঁদ, জানু, নাচ্ ইত্যাদি।

সংস্কৃত ধাতু:
- বাংলা ভাষায় যেসব তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতু প্রচলিত রয়েছে তাদের সংস্কৃত ধাতু বলে।
যেমন: কৃ, গম্, ধূ, গঠ, স্থা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১৩.
নিচের কোনটি বিশেষ্য পদ?
  1. মেঘমালা
  2. মেঘবরন
  3. মেঘমুক্ত
  4. মেঘলা
সঠিক উত্তর:
মেঘমালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘমালা
ব্যাখ্যা

• বিশেষ্য পদ - মেঘমালা
শব্দের অর্থ:
- মেঘরাশি, পুঞ্জীভূত মেঘ।

অন্যদিকে,
• বিশেষণ পদ - মেঘবরন।
শব্দের অর্থ:
- মেঘের মতো কালো রঙের (মেঘবরন কেশ)।

• বিশেষণ পদ - মেঘমুক্ত।
শব্দের অর্থ:
- মেঘহীন, নির্মল (মেঘমুক্ত আকাশ)।

• বিশেষণ পদ - মেঘলা।
শব্দের অর্থ:
- মেঘে ঢাকা, মেঘাচ্ছন্ন (মেঘলা আকাশ)।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৪.
"পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য এখন থেকেই তোমার পড়া উচিত।" - বাক্যটির যৌগিক রূপ কোনটি?
  1. এখন থেকেই তোমার পড়া উচিত, তবেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারবে।
  2. তোমাকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে, এখন থেকেই তোমার পড়া উচিত
  3. তোমার তোমার পড়া উচিত এবং তুমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারবে।
  4. তোমার তোমার পড়া উচিত, তাহলেই তুমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারবে।
সঠিক উত্তর:
এখন থেকেই তোমার পড়া উচিত, তবেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখন থেকেই তোমার পড়া উচিত, তবেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারবে।
ব্যাখ্যা

সরল বাক্যকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর: 
- যৌগিক বাক্যে একাধিক সমাপিকা ক্রিয়ার প্রয়োজন হয়। এজন্য সরলবাক্যকে যৌগিক বাক্য করতে হলে সরল বাক্যের মাঝখানের অসমাপিকা ক্রিয়াকে সমাপিকা ক্রিয়া রূপান্তর করতে হয়।
- সরল বাক্যে একটি মাত্র ক্রিয়া থাকলে যৌগিক বাক্য গঠনের সময়ে আরেকটি ক্রিয়া তৈরি করে নিতে হয়। সরল বাক্যকে যৌগিক বাক্যে পরিণত করতে হলে সরল বাক্যের কোন অংশকে নিরপেক্ষ বাক্যে রূপান্তর করতে হয়। 

যেমন:
সরল বাক্য: পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য এখন থেকেই তোমার পড়া উচিত।
যৌগিক বাক্য: এখন থেকেই তোমার পড়া উচিত, তবেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারবে।

সরল বাক্য: পরিশ্রম করলে ফল পাবে।
যৌগিক বাক্য: পরিশ্রম কর তবেই ফল পাবে।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৫.
চর্যাপদের ভাষায় কোন ভাষার প্রভাব রয়ে গেছে?
  1. অর্ধ-মাগধী অপভ্রংশ
  2. গৌড় অপভ্রংশ
  3. শৌরসেনী অপভ্রংশ
  4. মাগধী অপভ্রংশ
সঠিক উত্তর:
গৌড় অপভ্রংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌড় অপভ্রংশ
ব্যাখ্যা

চর্যাপদের ভাষা:
- চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন বাংলা বলে তখনকার ভাষার প্রাচীনত্বের দরুন গৌড় অপভ্রংশের প্রভাব এতে রয়ে গেছে
- ফলে কেউ কেউ অপভ্রংশ, প্রাচীন হিন্দি, মৈথিলি, উড়িয়া বা আসামি ভাষা বলে দাবি করেন। একই গোষ্ঠীজাত বলে এ সব নব্য ভারতীয় আর্যভাষার সঙ্গে চর্যাপদের ভাষার মিল আছে।
- চর্যাকারেরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্থানে আবির্ভূত হয়েছিলেন বলে সকলের ভাষা একরূপ হতে পারে না। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ আর্যদেবের ভাষা উড়িয়া, শান্তি পাদের ভাষা মৈথিলি এবং কাহ্ন সরহ ভুসুকু প্রমুখের ভাষা প্রাচীন বাংলা বঙ্গকামরূপী বলে সিদ্ধান্ত করেছেন। ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর Origin and Development of the Bengali Language (ODBL) গ্রন্থে বিস্তারিতভাবে ধ্বনিতত্ত্ব ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার করে সিদ্ধান্ত করেছেন যে, চর্যার পদসংকলনটি আদিতম বাংলা ভাষায় রচিত।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, ড. সুকুমার সেন ও ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী মনে করেন চর্যাপদ বার শতকের মধ্যে রচিত হয়েছিল। এ সময় পর্যন্ত বাংলা ভাষা তার স্বকীয় মর্যাদা লাভ করেনি। তের শতকের পরে উড়িয়া ভাষা এবং ষোল শতকের পরে আসামি ভাষা বাংলা ভাষা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১৬.
"য়ুরোপ প্রবাসীর পত্র" গ্রন্থে কোন দেশের চিত্র ফুটে উঠেছে?
  1. ইংল্যান্ড
  2. রাশিয়া
  3. ফ্রান্স
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা

"য়ুরোপ প্রবাসীর পত্র" ভ্রমণকাহিনি:
- এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম ভ্রমণকাহিনি।
- চলিত ভাষায় লেখা এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই বইয়েই সর্বপ্রথম চলিতরীতির প্রবর্তন হয়৷
- ১৮৭৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ইংল্যান্ড যান।
- সেখানে কিছুদিন ব্রাইটনের একটি পাবলিক স্কুলে এবং পরে লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজে তিনি পড়াশোনা করেন।
- তবে এ পড়াও সম্পূর্ণ হয়নি। দেড় বছর অবস্থানের পর তিনি দেশে ফিরে আসেন।
- এই দেড় বছর তিনি সে দেশের সমাজ ও জীবনকে গভীরভাবে নিরীক্ষণ করেন।
- এর প্রমাণ পাওয়া যায় ভারতীতে প্রকাশিত তাঁর য়ুরোপ-প্রবাসীর পত্রে (১৮৮১)।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যান্য ভ্রমণকাহিনি:
- জাভা যাত্রার পত্র,
- জাপান যাত্রী,
- রাশিয়ার চিঠি,
- পারস্যে।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২)  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৭.
"শূন্যপুরাণ" গ্রন্থে কোন দুটি ধর্মীয় তত্ত্বের মিশ্রণ ঘটেছে?
  1. বৈদিক ব্রাহ্মণ্যবাদ ও জৈনদের লৌকিক ধর্ম
  2. জৈনধর্ম ও বজ্রযান
  3. ইসলাম ও সুফিবাদের লৌকিক কাহিনি
  4. বৌদ্ধদের শূন্যবাদ ও হিন্দুদের লৌকিক ধর্ম
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধদের শূন্যবাদ ও হিন্দুদের লৌকিক ধর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধদের শূন্যবাদ ও হিন্দুদের লৌকিক ধর্ম
ব্যাখ্যা

শূন্যপুরাণ:
- রামাই পণ্ডিত রচিত ধর্মপূজার শাস্ত্রগ্রন্থ 'শূন্যপুরাণ'। রামাই পণ্ডিতের কাল তের শতক বলে অনুমিত হয়। শূন্যপুরাণ ধর্মীয় তত্ত্বের গ্রন্থ গদ্যপদ্য মিশ্রিত চম্পুকাব্য।
- বৌদ্ধধর্মের ধ্বংসোন্মুখ অবস্থায় হিন্দুধর্মের সঙ্গে মিলন সাধনের জন্য রামাই পণ্ডিত ধর্মপূজার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এতে বৌদ্ধদের শূন্যবাদ এবং হিন্দুদের লৌকিক ধর্মের মিশ্রণ ঘটেছে।
- শূন্যপুরাণে এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এ গ্রন্থের অন্তর্গত 'নিরঞ্জনের রুষ্মা' কবিতাটি থেকে প্রমাণিত হয় যে তা 'মুসলমান তুর্কি কর্তৃক বঙ্গবিজয়ের পরের, অন্তত ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষের দিকের রচনা।' এতে বৌদ্ধধর্মাবলম্বী সদ্ধর্মীদের ওপর বৈদিক ব্রাহ্মণদের অত্যাচার কাহিনি বর্ণনার সঙ্গে মুসলমানদের জাজপুর প্রবেশ এবং ব্রাহ্মণ্য দেবদেবীর রাতারাতি ধর্মান্তর গ্রহণের কাল্পনিক চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। - ইসলাম সম্পর্কে অপরিণত ধারণা থেকে মনে হয় যে এ দেশে ইসলাম সম্প্রসারণের প্রাথমিক পর্যায়ে এটি রচিত। ব্রাহ্মণ্য শাসনের অবসান এবং মুসলিম শাসন প্রচলনের পক্ষে মত প্রকাশিত হওয়াতে এতে তৎকালীন সামাজিক অবস্থার পরিচয় মিলে।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১৮.
বিখ্যাত 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতাটি কবি কোন দেশে অবস্থানকালে রচনা করেন?
  1. ইতালি
  2. ফ্রান্স
  3. জাপান
  4. ইংল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতা:
- কপোতাক্ষ নদ' কবিতাটি মাইকেল মধুসুদন দত্তের 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' কাব্য গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
- কবিতাটি সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা। এটি রচনা কালে কবি ফ্রান্সে অবস্থান করেছিলেন।
- এই কবিতার এর মূলভাব হলো স্মৃতিকাতরতা, এবং স্মৃতিকাতরতা যদি কেন্দ্রিক হলেও তা আসলে স্বদেশ প্রেমের সঙ্গে যুক্ত।

মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্যগ্রন্থ:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৯.
"দশবর রঅণ হরিঅ দশ দিসেঁ।
বিদ্যাকরি দম জা অহিলেসেঁ॥" - চর্যাপদের চরণটির রচয়িতা কে?
  1. সরহপা
  2. কাহ্নপা
  3. বীণাপা
  4. ভুসুকুপা
সঠিক উত্তর:
কাহ্নপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাহ্নপা
ব্যাখ্যা

দশবর রঅণ হরিঅ দশ দিসেঁ।
বিদ্যাকরি দম জা অহিলেসেঁ॥ - এই চরণটির রচয়িতা কাহ্নপা

কাহ্নপা:
- তিনি বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য ও চর্যাপদকর্তা ছিলেন।
- প্রকৃত নাম কৃষ্ণাচার্য পাদ, অপভ্রংশে হয়েছে কাহ্নপা, কনহপা, কাহ্নিল পা ইত্যাদি।
- বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদের কবিগোষ্ঠীর মধ্যে তিনিই ছিলেন শ্রেষ্ঠ।
- পালরাজ দেবপালের রাজত্বকালে (আনু. ৯০০-৫০) তিনি বর্তমান ছিলেন।
- চর্যাপদের ২৩জন কবির মধ্যে কাহ্নপার পদসংখ্যা সর্বাধিক, মোট ১৩টি। কাহ্নপা রচিত ২৪ নং পদটি পাওয়া যায়নি।

কাহ্নপা রচিত চর্যাগীতির একটি নিদর্শন:

এবংকার দৃঢ় বাখোড় মোড়িউ।
বিবিহ বিআপক বান্ধণ তোড়িউ॥
কাহ বিলসঅ আসব মাতা।
সহজ নলিনীবণ পইসি নিবিতা॥
জিম জিম করিণা করিণিরে রিসঅ।
তিম তিম তথতা মঅগল বরিসঅ ৷ ছড়গই সঅল সহাবে সুধ।
ভাবাভাব বলাগ ন দুধ।
দশবর রঅণ হরিঅ দশ দিসেঁ।
বিদ্যাকরি দম জা অহিলেসেঁ॥

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

২০.
কোনটি আল মাহমুদ রচিত উপন্যাস?
  1. সোনালী কাবিন
  2. ডাহুকী
  3. পানকৌড়ির রক্ত
  4. বখতিয়ারের ঘোড়া
সঠিক উত্তর:
ডাহুকী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাহুকী
ব্যাখ্যা

• আল মাহমুদ রচিত উপন্যাস - ডাহুকী।

আল মাহমুদ:
- তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি একজন প্রথিতযশা কবি।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে তিনি 'দৈনিক গণকণ্ঠ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সোনালী কাবিন' (১৯৭৩)।

তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- সোনালী কাবিন,
- কালের কলস,
- অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না,
- পাখির কাছে ফুলের কাছে,
- দোয়েল ও দয়িতা,
- দ্বিতীয় ভাঙন,
- বখতিয়ারের ঘোড়া,
- প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রধান গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,
- ময়ূরীর মুখ,
- গন্ধবণিক,
- সৌরভের কাছে পরাজিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২১.
'লালসালু' উপন্যাস কোথা থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়?
  1. ঢাকা
  2. রংপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. কলকাতা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

‘লালসালু’ উপন্যাস:
- ‘লালসালু’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত উপন্যাস। ১৯৪৮ সালে ঢাকার কমরেড পাবলিশার্স থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।
- এই উপন্যাসে একদিকে যেমন বাংলার গ্রামজীবনের বাস্তব প্রকৃতি ধরা পড়েছে তার সৌন্দর্য, মাধুর্য ও কঠোরতা নিয়ে; তেমনই রূপায়িত হয়েছে অসংখ্য গ্রামীণ মানুষের জীবন।
- নোয়াখালি অঞ্চল থেকে মজিদ নামের একটি কূটচরিত্র গারোপাহাড়ি অঞ্চলে গিয়ে সেই এলাকার মানুষকে ধর্মের নামে কীভাবে শোষণ করে, সেই বাস্তব চিত্র আছে উপন্যাসটিতে।
- ধর্ম ব্যবসায়ী মজিদ অর্থ ও প্রভাব বৃদ্ধির সঙ্গে অল্পবয়সী দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করে। সে গ্রামের মোড়লদেরও প্রভাবিত করে। পাশের গ্রামে অন্য পিরের আগমন হলে, নিজের দাপট খর্ব হবে বিবেচনায়, তাকে মারধর দিয়ে উচ্ছেদ করে।
- তবে স্বল্পবয়সী স্ত্রী জমিলা কর্তৃক মজিদ লাঞ্ছিত হয়। উপন্যাসে জমিলা বিদ্রোহিণী, প্রতিবাদের প্রতীক।
- 'লালসালু'র একটি বহুমাত্রিক ও কালোত্তীর্ণ উপন্যাস।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: মজিদ, খালেক ব্যাপারি, জমিলা, রহিমা, আমেনা, আক্কাস, তাহেরের বাপ, হাসুনির মা।
- ঔপন্যাসিক ধর্মব্যবসায়ীদের উপলক্ষ করে লিখেছেন: 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।'
- উপন্যাসটি 'Tree Without Roots' নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে (১৯৬৭) খ্যাতি অর্জন করে।
- ওয়ালীউল্লাহর পত্নী অ্যান মেরির ‘লালসালু'র ফরাসি অনুবাদের নাম- ল্য অরবরে সামস মায়েমে (১৯৬১)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা সহপাঠ এবং বাংলাপিডিয়া।

২২.
কৃত্তিবাস ওঝা সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. সংস্কৃত রামায়ণের প্রথম অনুবাদক
  2. আলাউদ্দিন হোসেন শাহের নির্দেশে বাংলায় "রামায়ণ" অনুবাদ করেন
  3. বাংলা রামায়ণের আদি কবি
  4. উপরের সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহের নির্দেশে বাংলায় "রামায়ণ" অনুবাদ করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহের নির্দেশে বাংলায় "রামায়ণ" অনুবাদ করেন
ব্যাখ্যা

• তিনি আলাউদ্দিন হোসেন শাহের নির্দেশে কৃত্তিবাস বাংলায় "রামায়ণ" অনুবাদ করেন। - এটি সঠিক নয়।
- তিনি গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের নির্দেশে কৃত্তিবাস বাংলায় "রামায়ণ" অনুবাদ করেন।

কৃত্তিবাস ওঝা:

- সংস্কৃত রামায়ণের প্রথম অনুবাদক ও বাংলা রামায়ণের আদি কবি 'কৃত্তিবাস ওঝা'।
- মৈথিলি ব্রাহ্মণদের অসমিয়া ভাষায় ওঝা বলা হয়। ওঝা শব্দটি এসেছে 'উপাধ্যায়' থেকে।
- তবে কৃত্তিবাসের আসল পদবি ছিল 'মুখোপাধ্যায়'।
- তিনিই রামায়ণের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক। তাঁর রচিত রামায়ণের অন্যনাম 'শ্রীরাম পাঁচালি'।
- বাল্মীকির সংস্কৃত রামায়ণ অনুসরণে কৃত্তিবাস পয়ার ছন্দে বাংলা রামায়ণ রচনা করেন।
- 'কৃত্তিবাস কীর্তিবাস কবি, এ বঙ্গের অলঙ্কার'- কৃত্তিবাস সম্পর্কে মাইকেল মধুসুদন দত্ত এ মন্তব্য করেছিলেন। মাইকেল মধুসূদন দত্ত একটি - সনেটে কবিকে 'কীর্তিবাস তুমি' বলে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনও করেছেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৩.
কত খ্রিষ্টাব্দে 'বেঙ্গল গেজেট' পত্রিকা প্রকাশিত হয়?
  1. ১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দ
  2. ১৭৮৮ খ্রিষ্টাব্দ
  3. ১৭৭৩ খ্রিষ্টাব্দ
  4. ১৭৯০ খ্রিষ্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দ
ব্যাখ্যা

'বেঙ্গল গেজেট' পত্রিকা:
- ১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দের ২৯শে জানুয়ারি কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয় ভারতের প্রথম মুদ্রিত সংবাদপত্র জেম্স অগাস্টাস হিকি সম্পাদিত 'বেঙ্গল গেজেট'।
- পত্রিকাটিতে মূলত বিজ্ঞাপন, বিদেশি ইংরেজি পত্রিকা থেকে উদ্ধৃতি, সংবাদদাতাদের বিবরণধর্মী লেখা ছাপা হতো।
- 'পোয়েটস্ কর্নার' বলে একটি বিশেষ অংশ ছিল। প্রকাশের প্রথম মাস দশেক কোনো রাজনৈতিক বিবাদপূর্ণ লেখা প্রকাশিত হয় নি।
- পরে প্রশাসনের বিপক্ষে কিছু লেখা বের হলে ১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ই নবেম্বর ফোর্ট উইলিয়াম থেকে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে ডাকঘর মারফত পত্রিকা বিতরণ বন্ধ করা হয়। পরে হিকি মামলায় জড়িয়ে পড়েন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৪.
"দেখিনু সেদিন রেলে,
কুলি ব'লে এক বাবু সা'ব তারে ঠেলে দিলে নীচে ফেলে!
চোখ ফেটে এল জল,
এমনি ক'রে কি জগৎ জুড়িয়া মার খাবে দুর্বল?" - পঙ্‌ক্তিগুলো কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. দোলনচাঁপা
  2. বিষের বাঁশি
  3. অগ্নি-বীণা
  4. সাম্যবাদী
সঠিক উত্তর:
সাম্যবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাম্যবাদী
ব্যাখ্যা

• "দেখিনু সেদিন রেলে,
কুলি ব'লে এক বাবু সা'ব তারে ঠেলে দিলে নীচে ফেলে!
চোখ ফেটে এল জল,
এমনি ক'রে কি জগৎ জুড়িয়া মার খাবে দুর্বল?" - পঙ্‌ক্তিগুলো কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থের "কুলি মজুর" কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।

কুলি মজুর
- কাজী নজরুল ইসলাম

দেখিনু সেদিন রেলে,
কুলি ব'লে এক বাবু সা'ব তারে ঠেলে দিলে নীচে ফেলে!
চোখ ফেটে এল জল,
এমনি ক'রে কি জগৎ জুড়িয়া মার খাবে দুর্বল?
যে দধীচিদের হাড় দিয়ে ঐ বাষ্প-শকট চলে,
বাবু সা'ব এসে চড়িল তাহাতে, কুলিরা পড়িল তলে।
বেতন দিয়াছ?-চুপ রও যত মিথ্যাবাদীর দল!
কত পাই দিয়ে কুলিদের তুই কত ক্রোর পেলি বল্?

'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থ:
- 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থে মোট ১১ টি কবিতা রয়েছে।
- সবগুলোতেই মানুষের সমতা নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে।

'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থটির উল্লেখযোগ্য কবিতা:
- ঈশ্বর,
- মানুষ,
- পাপ,
- চোর-ডাকাত,
- বারাঙ্গনা,
- মিথ্যাবাদী,
- নারী,
- রাজা-প্রজা,
- সাম্য,
- কুলি মজুর

কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নি-বীণা,
- সঞ্চিতা,
- চিত্তনামা,
- মরুভাস্কর,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- চক্রবাক,
- সাম্যবাদী,
- ছায়ানট,
- নতুন চাঁদ,
- পুবের হাওয়া,
- জিঞ্জির,
- বিষের বাঁশি,
- দোলনচাঁপা,
- চন্দ্রবিন্দু,
- সিন্ধু হিন্দোল,
- ভাঙার গান,
- সন্ধ্যা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থ।

২৫.
বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্যের মূল উপজীব্য কী?
  1. রাম-সীতার বনবাস
  2. রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা
  3. শিব-পার্বতীর লীলা
  4. দুর্গা-মহিষাসুরের যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা
ব্যাখ্যা

বৈষ্ণব পদাবলি:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রধানতম গৌরব বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্য। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ফসল বৈষ্ণব পদাবলি।
- রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে এই অমর কবিতাবলির সৃষ্টি এবং বাংলাদেশে শ্রীচৈতন্যদেব প্রচারিত বৈষ্ণব মতবাদের সম্প্রসারণে এর ব্যাপক বিকাশ।
- জয়দেব-বিদ্যাপতি-চণ্ডীদাস থেকে সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত বৈষ্ণব গীতিকবিতার ধারা প্রবাহিত হলেও প্রকৃতপক্ষে ষোল-সতের শতকে এই সৃষ্টিসম্ভার প্রাচুর্য ও উৎকর্ষপূর্ণ ছিল।
- পদাবলি সাহিত্য বৈষ্ণবতত্ত্বের রসভাষ্য। বৈষ্ণব পদাবলি বৈষ্ণব সমাজে মহাজন পদাবলি এবং বৈষ্ণব পদকর্তাগণ মহাজন নামে পরিচিত। 
- বৈষ্ণবমতে স্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক বিদ্যমান। এই প্রেম সম্পর্ককে বৈষ্ণব মতাবলম্বীগণ রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলার রূপকের মাধ্যমে উপলব্ধি করেছেন।
- রাধা ও শ্রীকৃষ্ণের রূপাশ্রয়ে ভক্ত ও ভগবানের নিত্যবিরহ ও নিত্যমিলনের অপরূপ আধ্যাত্মিক লীলা কীর্তিত হয়েছে। বৈষ্ণবদের উপাস্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণ । তাঁর আনন্দময় আনন্দময় তথা তথা প্রেমময় প্রকাশ ঘটেছে রাধার মাধ্যমে। রাধা মানবী নয়, শ্রীকৃষ্ণরূপ পূর্ণ ভগবৎ-তত্ত্বের। ভগবৎ-তত্ত্বের অংশ।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

২৬.
"নিমচাঁদ, কেনারাম" চরিত্র দুটি সৃষ্টি করেন কে?
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. দীনবন্ধু মিত্র
সঠিক উত্তর:
দীনবন্ধু মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীনবন্ধু মিত্র
ব্যাখ্যা

'সধবার একাদশী' নাটক:
- এই নাটকের রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র। প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে।
- সধবার একাদশী বিখ্যাত সামাজিক নাটক।
- উনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে সুরাপান ও বেশ্যাবৃত্তি যুবকদের জীবনে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল।
- এই সামাজিক বিপর্যয় এর কাহিনী নিয়ে নাটকটির রচিত।
- নাটকটির উল্লেখযোগ্য চরিত্র: নিমচাঁদ, কেনারাম, সৌদামিনী, গিন্নী, কাঞ্চন ইত্যাদি।

দীনবন্ধু মিত্র:
- ১৮৩০ খ্রিষ্টাব্দ জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর সাহিত্য জীবনের শুরু কবিতা দিয়ে।
- দীনবন্ধু মিত্র কবিতা দিয়ে সাহিত্যজীবনের শুরু করলেও নাট্যকার রুপে সমাধিক খ্যাত।
- ইংরেজি শিক্ষিত নব্য যুবকদের মদ্যপান ও বারবণিতা সঙ্গকে ব্যঙ্গ করে তাঁর রচিত প্রহসন সধবার একাদশী।
- দীনবন্ধু মিত্র ১লা নভেম্বর ১৮৭৩ মৃত্যবরণ করেন।

দীনবন্ধু মিত্রের উল্লেখযোগ্য নাটক:
- নীল দর্পন,
- নবীন তপস্বিন,
- লীলাবত,
- কমলে কামিনী।

উৎস:
১) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৭.
'রত্নবতী' কোন লেখকের প্রথম গ্রন্থ?
  1. কায়কোবাদ
  2. মীর মশাররফ হোসেন
  3. দীনবন্ধু মিত্র
  4. আল মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা

'রত্নবতী' উপন্যাস:
- মীর মশাররফ হোসেন রচিত উপন্যাস রত্নবর্তী।
- মীর মশাররফ হোসেন রচিত প্রথম গ্রন্থের নাম হচ্ছে 'রত্নবর্তী'। এটি ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রথম কোন গ্রন্থ যা ঐতিহাসিকভাবে মূল্যবান।
- প্রকৃতপক্ষে এটি রূপকথা জাতীয় শিক্ষামূলক একটি দীর্ঘ গল্প।
- রাজপুত্র সুকুমার ও মন্ত্রীপুত্র সুমন্তের মধ্যে 'ধন বড় না বিদ্যা বড়'- এ বিতর্ক ও বিতর্কের সমাধানই 'রত্নবতী'র মূল বিষয়।

মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় সংবাদ প্রভাকর ও কুমারখালির গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৮.
পল্লিকবি জসীম উদ্‌দীনের পৈতৃক নিবাস কোথায়?
  1. গোবিন্দপুর
  2. তাম্বুলখানা
  3. লাহিনীপাড়ায়
  4. কাঁঠালপাড়া
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দপুর
ব্যাখ্যা

জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ। তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস - গোবিন্দপুর গ্রাম, ফরিদপুর।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস 'বোবা কাহিনী'।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।
- তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন।
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী, 
- রূপবতী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

২৯.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক "আয়নায় বন্ধুর মুখ" রচনা করেন কে?
  1. আবুল হোসেন
  2. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  3. আবদুল্লাহ আল মামুন
  4. আবুল হাসান
সঠিক উত্তর:
আবদুল্লাহ আল মামুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল্লাহ আল মামুন
ব্যাখ্যা

"আয়নায় বন্ধুর মুখ" নাটক:
- "আয়নায় বন্ধুর মুখ" আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক।
- এটি ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
- যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে পথ হারানো তারুণ্য, ঘরের বাইরে বাঙালি মেয়েদের সীমাবদ্ধতা- এসবই ছিল আয়নায় বন্ধুর মুখ-এর উপজীব্য।

আবদুল্লাহ আল মামুন:
- তিনি ১৯৪৩ সালের ১২ জুলাই জামালপুর জেলা সদরের আমলা পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত নাট্যরচয়িতা এবং নাট্যাভিনেতা হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত নাটক 'শপথ' (১৯৬৪)।
- তাঁর এক চরিত্রনির্ভর নাটক 'কোকিলারা' (১৯৯০)।
- তিনি ২১ আগস্ট, ২০০৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত নাটক:
- সুবচন নির্বাসনে,
- এখন দুঃসময়,
- এবার ধরা দাও,
- শাহজাদীর কাল নেকাব,
- চারদিকে যুদ্ধ ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

৩০.
The word "Ambiguous" means —
  1. Having an unclear meaning
  2. Rude and disrespectful
  3. Unsuccessful
  4. Deep sadness
সঠিক উত্তর:
Having an unclear meaning
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Having an unclear meaning
ব্যাখ্যা

The word "Ambiguous" means — Having an unclear meaning.

• Ambiguous (adjective)
English Meaning: Having or expressing more than one possible meaning, sometimes intentionally.
Bangla Meaning: 
(১) দ্ব্যর্থক। (২) অনিশ্চিত অর্থ বা অভিপ্রায়বিশিষ্ট। 

Example Sentence:
1. He gives an ambiguous answer to his initial question.
2. It was definitely an ambiguous situation with no frame of reference.

Other options,
খ) Rude and disrespectful
- অমার্জিত ও অসম্মানজনক।

গ) Unsuccessful
- ব্যর্থ / সফল হয়নি।

ঘ) Deep sadness
- গভীর দুঃখ / গভীর বিষণ্নতা।

Source: Live MCQ Lecture.

৩১.
The incident is still under investigation by the relevant authorities. Here, the underlined part is - 
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Adverb
  4. Verb
সঠিক উত্তর:
Adjective
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adjective
ব্যাখ্যা

The incident is still under investigation by the relevant authorities. Here, the underlined part is - Adjective.
-"Relevant" শব্দটি এখানে "authorities" (কর্তৃপক্ষ) শব্দটিকে বর্ণনা করছে বা বিশেষিত করছে। এটি বলছে কোন ধরনের কর্তৃপক্ষ - অর্থাৎ "প্রাসঙ্গিক" বা "সংশ্লিষ্ট" কর্তৃপক্ষ।

Relevant: [adjective]
English meaning: closely connected with the subject you are discussing or the situation you are in.
Bangla meaning:  সম্পৃক্ত; প্রাসঙ্গিক; ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত; সম্পর্কীয়। 

Example: 
- The incident is still under investigation by the relevant authorities.
- The decision was in accordance with the relevant provisions of the Police Act 1996.
- Do you have the relevant experience?

Source: Oxford Dictionary.

৩২.
Someone who is unwilling to speak about their thoughts or feelings -
  1. Reticent
  2. Heretic 
  3. Diatribe
  4. Agnostic
সঠিক উত্তর:
Reticent
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Reticent
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) Reticent.

 Reticent:
English meaning: unwilling to speak about your thoughts or feelings.
Bangla meaning: স্বল্পভাষী; গুরুগম্ভীর।

Other options,

খ) Heretic:
English meaning: Someone who has an opinion that is opposite to or against the official or popular opinion.
Bangla meaning: উৎপথগামী, নব্যতান্ত্রিক; রাফেজি; খারেজি। 

গ) Diatribe:
English meaning: an angry speech or piece of writing that severely criticizes something or someone.
Bangla meaning: তীব্র ও তীক্ষ্ণ ভাষায় ভর্ৎসনা; প্রচণ্ড নিন্দামূলক বক্তৃতা।

ঘ) Agnostic:
English meaning: someone who does not know, or believes that it is impossible to know, if a god exists.
Bangla meaning: জড়বস্তু ছাড়া অন্য কিছু বা ঈশ্বর সম্বন্ধে কিছুই জানা সম্ভব নয় বলে যে ব্যক্তি বিশ্বাস করে; অজ্ঞেয়বাদী।

Source:
- Cambridge Dictionary.
- Accessible Dictionary.

৩৩.
In case you need help, call me immediately. The underlined part is -
  1. Noun clause
  2. Adjective clause
  3. Adverb clause
  4. Principal clause
সঠিক উত্তর:
Adverb clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverb clause
ব্যাখ্যা

In case you need help, call me immediately. The underlined part is - Adverbial clause.

• In case you need help, call me immediately.
- বাক্যটির Sub-ordinate clause টি 'in case' দ্বারা শুরু হয়েছে এবং শর্ত প্রকাশ করছে। 
- তাই, এটি একটি Adverb clause of condition.

• Adverbial clause: 
- যে subordinate clause একটি বাক্যে একটি adverb হিসেবে কাজ করে এবং একটি verb,বা একটি adjective-clause বা অন্য একটি adverbial clause-কে modify করে তাকে Adverbial Clause বলে।
 - Adverb এর মতো এরা - time, place, cause, effect, purpose ইত্যাদি বুঝায়।

• Adverb clause of condition: 
- কোন ঘটনা ঘটার শর্ত প্রকাশ করে।
- Sub-ordinate clause টি যদি if, whether, unless, In case দিয়ে শুরু হয় তবে এটি adverb clause of condition.

৩৪.
Identify the correct sentence.
  1. If I had a magic wand, I would have solved all the world’s problems.
  2. If I had a magic wand, I would solve all the world’s problems.
  3. If I had a magic wand, I would solved all the world’s problems.
  4. If I had a magic wand, I had solve all the world’s problems.
সঠিক উত্তর:
If I had a magic wand, I would solve all the world’s problems.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
If I had a magic wand, I would solve all the world’s problems.
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত বাক্যটি 2nd conditional sentence এর উদাহরণ।

• Second Conditional এর নিয়মানুযায়ী -
- If + past indefinite + subject + would/could/might + verb এর base form + ext.
- অর্থাৎ, If + past indefinite যুক্ত clause এর পরবর্তী clause টিতে subject এর পর would/could/might এর সাথে verb এর base form বসে।

• Second Conditional এর নিয়মানুযায়ী ,
Correct sentence: If I had a magic wand, I would solve all the world’s problems.

এখানে had main verb হিসেবে বসেছে।

Other options,
ক) If I had a magic wand, I would have solved all the world’s problems.
- এখানে had main verb হিসেবে বসেছে, এটি 3rd conditional নয় 2nd conditional sentence এর structure follow করবে। 

গ) If I had a magic wand, I would solved all the world’s problems.
- ভুল, কারণ after “would” আমরা base verb ব্যবহার করি, “solved” নয়।

ঘ) If I had a magic wand, I had solve all the world’s problems.
- ভুল grammar, “had solve” সম্ভব নয়।

৩৫.
Which of the following is the feminine form of Viscount?
  1. Viscountiess
  2. Viscountrex
  3. Viscountress
  4. Viscountess
সঠিক উত্তর:
Viscountess
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Viscountess
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) Viscountess.

• Viscount: [masculine form]

English meaning: a British man of high social rank, between an earl and a baron.
Bangla meaning: ব্যারনের চেয়ে উচ্চ ও আর্লের চেয়ে নিম্নপদস্থ অভিজন।

Feminine gender: viscountess.

Source: Cambridge Dictionary.

৩৬.
What is the appropriate meaning of the idiom 'Be at loggerheads'?
  1. A sudden and unexpected event
  2. A narrow escape
  3. Someone who is uncomfortable in a specific situation
  4. To strongly disagree with someone
সঠিক উত্তর:
To strongly disagree with someone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To strongly disagree with someone
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) To strongly disagree with someone.

• Be at loggerheads (with someone): 
English Meaning: To strongly disagree (with someone). 
Bangla Meaning: মতানৈক্য অথবা ঝগড়া-বিবাদ।

Example Sentences: 
- The party is at loggerheads with the president over public spending.
- The principal and the teachers were at loggerheads over some of the new school rules.

Source: Cambridge Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩৭.
Complete the sentence with appropriate idiom: I agree that the container ship offers by _____ the best prospect for surface nuclear propulsion.
  1. far and than
  2. far and away
  3. far than away
  4. far too away
সঠিক উত্তর:
far and away
উত্তর
সঠিক উত্তর:
far and away
ব্যাখ্যা

Complete sentence: I agree that the container ship offers by far and away the best prospect for surface nuclear propulsion.

• Far and away
English Meaning: by a very large amount.
Bangla Meaning: খুবই বেশি মাত্রায় / অতুলনীয়।

Ex. Sentence: He is far and away the most accomplished player.
Bangla Meaning: খেলোয়াড় হিসেবে তার অর্জন অতুলনীয়।

Source: Live MCQ Lecture.

৩৮.
Make it comparative: He is one of the bravest soldiers in the army. 
  1. He is braver then most other soldiers in the army.
  2. He is braver than all other soldiers in the army.
  3. He is braver than most other soldier in the army.
  4. He is braver than most other soldiers in the army.
সঠিক উত্তর:
He is braver than most other soldiers in the army.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
He is braver than most other soldiers in the army.
ব্যাখ্যা

• One of the যুক্ত Superlative Degree কে Comparative Degree তে রূপান্তর করার নিয়ম:

- প্রথমে প্রদত্ত Sentence- এর Subject ও Verb বসে,
- One of the উঠে যায়,
- Superlative Degree-এর Comparative form বসে,
- than most other বসে,
- প্রদত্ত Sentence- এর বাকী অংশ বসে।

Structure: Subject + Verb + Superlative Degree এর Comparative form + than most other + প্রদত্ত Sentence এর বাকী অংশ।

Superlative: He is one of the best players on the team.
Comparative: He is better than most other players on the team.

Superlative: He is one of the bravest soldiers in the army.
Comparative: He is braver than most other soldiers in the army.

৩৯.
I had called him before he ____ the office.
  1. had left
  2. left
  3. leave
  4. has left
সঠিক উত্তর:
left
উত্তর
সঠিক উত্তর:
left
ব্যাখ্যা

• Before যুক্ত বাক্যের গঠন:
- Past perfect + before + Past indefinite
- 'Before' conjunction যুক্ত sentence এ before এর পুর্বে past perfect tense হয় এবং before এর পরে past indefinite হবে।

• Sentence Correction:
- I had called him before he left the office.
- বাক্যটিতে before এর পূর্বে past perfect tense ও পরে past indefinite হওয়াতে সঠিক হয়েছে।

অন্য বিকল্প বিশ্লেষণ:

- had left → ভুল, কারণ আমরা “before” ব্যবহার করছি; তখন Past Perfect + Past Perfect হবে, যা সাধারণত ভুল।

- leave → ভুল, কারণ এটি base verb (present tense) এবং সময় ঠিক নয়।

- has left → ভুল, কারণ এটি Present Perfect, যা এখানে ঠিক নয়।

৪০.
Which kind of noun is 'Troupe'?
  1. Material noun
  2. Abstract noun
  3. Proper noun
  4. Collective Noun
সঠিক উত্তর:
Collective Noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Collective Noun
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) Collective Noun.

Troupe:

English meaning: a group of performers such as singers or dancers who work and travel together.
Bangla meaning: বিশেষত সার্কাস বা নাট্যদল; দল।

Troupe শব্দের অর্থ হলো — একটি গ্রুপ বা দল, বিশেষত অভিনেতা বা শিল্পীদের দল।
যেহেতু এটি একাধিক ব্যক্তিকে একসাথে বোঝায়, এটি হলো Collective Noun.

• Collective Noun:
- A Collective Noun is the name of a number (or collection) of persons or things taken together and spoken of as one whole.
- যে সকল Noun দ্বারা সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি, বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায় তাদেরকে Collective Noun বলে।
- অর্থাৎ কিছু Common Noun এর সমষ্টিকেই collective noun বলে।
- কিছু collective noun হচ্ছে - cattle, herd, army, public, library, jury, committee, crew, majority, minority etc.

Source: Cambridge Dictionary, Britannica Dictionary.

৪১.
The president and ______ prime minister are attending the summit.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. Zero article
সঠিক উত্তর:
the
উত্তর
সঠিক উত্তর:
the
ব্যাখ্যা

• The correct answer is - the.

• Article এর নিয়মানুযায়ী,
- দুটি noun 'and' দ্বারা যুক্ত হয়ে একই ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করলে কেবল মাত্র প্রথম noun -টির পূর্বে the বসে।
- কিন্তু যদি noun দুটি দ্বারা ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় তবে উভয় noun -এর পূর্বে the বসে।

• একই ব্যক্তিকে নির্দেশ করছে নাকি ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিকে সেটা বোঝার সহজ উপায় হচ্ছে - দুইটি subject/ noun এর পরের verb টির দিকে লক্ষ্য রাখা।
- And দ্বারা যুক্ত দুই বা ততোধিক subject/noun যদি একই ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে তবে তাদের পরবর্তী verb টি singular হয়।
- And দ্বারা যুক্ত দুই বা ততোধিক subject/noun যদি ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে তবে তাদের পরবর্তী verb টি plural হয়।

• Complete sentence: The president and the prime minister are attending the summit.

• উল্লিখিত And দ্বারা যুক্ত বাক্যে দুটি ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছে কারণ এখানে verb টি plural.
- যদি noun দুটি দ্বারা ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় তবে উভয় noun এর পূর্বে the বসে।

Source:
1. A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.
2. Advanced Learner's Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

৪২.
Make it into a simple sentence:
Move or die.
  1. If you do not move, you would die.
  2. Without moving, you will die.
  3. You move, you will die.
  4. Move so to die.
সঠিক উত্তর:
Without moving, you will die.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Without moving, you will die.
ব্যাখ্যা

• Compound to Simple:

• একটি simple sentence এ শুধুমাত্র একটি clause থাকে অর্থাৎ একটি subject এবং একটি finite verb থাকে।

Or যুক্ত compound sentence কে simple করার সাধারণ নিয়ম:
without + verb + ing + sub + extension.

Compound: move or die.
Simple: Without moving, you will die.

৪৩.
Two weeks have passed since she _____ the new company.
  1. join
  2. joined
  3. had joined
  4. has joined
সঠিক উত্তর:
joined
উত্তর
সঠিক উত্তর:
joined
ব্যাখ্যা

• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - joined.
- Complete sentence:  
Two weeks have passed since she joined the new company.

• সাধারণত Since দ্বারা দুটি Clause যুক্ত থাকলে এবং Since-এর আগের অংশ Present Indefinite/Present perfect tense হলে পরের অংশ Past Indefinite tense হয়।

Example:
- Ten years have passed since they started their own business.
- Five years have passed since she adopted her dog from the shelter.

Other options,

অন্য বিকল্প বিশ্লেষণ:

- join → ভুল, কারণ এটি present tense।

- had joined → ভুল, কারণ past perfect এখানে ব্যবহার হয় না।

- has joined → ভুল, কারণ এটি present perfect, “since + past simple” structure-এ ব্যবহার হয় না।

৪৪.
A running horse crossed the field.
- Here 'running' is an example of -
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Finite verb
  4. Main verb
সঠিক উত্তর:
Participle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Participle
ব্যাখ্যা

A running horse crossed the field.
- Here 'running' is an example of a participle.

• এটি horse কে describe করছে → adjective-এর মতো কাজ করছে।
- Verb থেকে এসেছে কিন্তু noun বা finite verb নয়।
- এরকম verb-form যেটি verb বা adjective হিসেবে কাজ করে তাকে বলা হয় participle.
- Verb + ing যখন adjective এর কাজ করে তখন তাকে participle বলে।

• A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

• Participle মূলত: তিন প্রকার:
1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog.
2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens.
3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed.

৪৫.
I saw her cross the road. [Passive]
  1. She was being seen to cross the road by me.
  2. She was seen to cross the road by me.
  3. She was seen to be cross the road by me.
  4. She was seen cross the road by me.
সঠিক উত্তর:
She was seen to cross the road by me.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
She was seen to cross the road by me.
ব্যাখ্যা

• Active voice থেকে passive voice করার নিয়ম:
- Active voice এর object টি passive voice এর subject হয়।
-Tense অনুযায়ী auxiliary verb বসে।
- তারপর মূল verb এর past participle হয়।
- Active voice এর subject টি passive voice এর object হয়।
- তার পূর্বে preposition (by, at, to, in) বসে।

• Past Indefinite Tense এর active voice কে passive voice এ রূপান্তর করার সময় was/were + verb এর Past Participle বসে। 
• Need, see, bid, dare, make, hear, feel, let, know, behold, watch প্রভৃতি verb গুলোর পর Active Voice-এ to উহ্য থাকে।
- তবে passive করার সময় তাদের পরে to বসে।

- নিয়মানুযায়ী,
Active: They saw the dog run away.
Passive: The dog was seen to run away by them.

Active: I saw her cross the road.
Passive: She was seen to cross the road by me.

অন্য options ভুল:

ক) She was being seen to cross the road by me.
 - continuous sense দেয়, যা এখানে ঠিক নয়। 

গ) She was seen to be cross the road by me.
 - grammatically ভুল, কারণ “to be cross the road” ব্যবহার হয় না।

ঘ) She was seen cross the road by me.
 - 'to' missing, passive-এ 'to' অবশ্যই লাগবে।

৪৬.
Identify the antonym of Contrite.
  1. Angry
  2. Protracted
  3. Unrepentant
  4. Surfeit
সঠিক উত্তর:
Unrepentant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Unrepentant
ব্যাখ্যা

Answer: গ) unrepentant.

• Contrite:
English meaning: feeling very sorry and guilty for something bad that you have done.
Bangla meaning: কৃতকর্মের জন্য গভীরভাবে অনুতপ্ত; পাপবোধ দ্বারা পীড়িত।

Options,

ক) Angry: 
English meaning: having a strong feeling against someone who has behaved badly, making you want to shout at them or hurt them.
Bangla meaning: ক্রুদ্ধ; রুষ্ট। 

খ) Protracted:
English meaning: lasting for a long time or made to last longer than necessary.
Bangla meaning:  দীর্ঘসস্থায়ী, বিলম্বিত।

গ) Unrepentant:
English meaning: not repentant (= feeling sorry for something that you have done).
Bangla meaning: অননুতপ্ত; অনুতাপশূন্য; অনুশোচনাহীন।

ঘ) Surfeit:
English meaning: an amount that is too large, or is more than is needed.
Bangla meaning: যেকোনো বস্তুর, বিশেষত খাদ্য ও পানীয়ের আতিশয্য/ বাহুল্য।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the antonym of Contrite - Unrepentant.

Source: Cambridge Dictionary.

৪৭.
Identify the synonym of Ameliorate.
  1. Worsen
  2. Improve
  3. Neglect
  4. Reject
সঠিক উত্তর:
Improve
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Improve
ব্যাখ্যা

Synonym of Ameliorate খ) improve.

• Ameliorate:
English meaning: to make a bad or unpleasant situation better.
Bangla meaning: (আনুষ্ঠানিক) অপেক্ষাকৃত উন্নত বা ভালো হওয়া; অপেক্ষাকৃত উন্নত বা ভালো করা। 

Options,

ক) Worsen:
English meaning: to become or make something worse than it was before.
Bangla meaning: খারাপ করা।

খ) Improve:
English meaning: to (cause something to) get better.
Bangla meaning: উন্নতিসাধন/উন্নতি বিধান/শ্রীবৃদ্ধি/উৎকর্ষবিধান করা; উন্নতি বা উৎকর্ষ লাভ করা। 

গ) Neglect:
English meaning: to not give enough care or attention to people or things that are your responsibility.
Bangla meaning: মনোযোগ না-দেওয়া; অযত্ন/অবহেলা/অবজ্ঞা/অনাদর করা।

ঘ) Reject:
English meaning: to refuse to accept, use, or believe something or someone.
Bangla meaning: (১) ফেলে দেওয়া; বাতিল করা (২) প্রত্যাখ্যান/অগ্রাহ্য করা।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, Ameliorate এর সমার্থক শব্দ - Improve.

Source: Cambridge & Oxford Dictionary.

৪৮.
Fill in the blanks with appropriate words:
Selina knocked it _______ the park with her performance in culinary art.
  1. outside
  2. out of
  3. inside
  4. off
সঠিক উত্তর:
out of
উত্তর
সঠিক উত্তর:
out of
ব্যাখ্যা

[49 BCS Preli]

সঠিক উত্তর হলো খ) out of.

Complete sentence: Selina knocked it out of the park with her performance in culinary art.
Bangla: সেলিনা রান্নার শিল্পে তার পারফরম্যান্স দিয়ে অসাধারণ সফলতা পেয়েছে/দুর্দান্ত করেছে।

knock sb/sth out of the park: [idiom]
English meaning: to do something much better than someone else, or to be much better than someone or something else/ to do something extremely well.
Bangla meaning: কারো চেয়ে অনেক ভালো কিছু করা, বা কারো/কিছুর চেয়ে অনেক বেশি সাফল্য অর্জন করা/ কোনো কাজ চরমভাবে দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করা।

Example:
- Hotel Ferrero knocks everyone out of the park with their breakfast.
- The BBC is hitting them all out of the park at the moment, in children's drama at least.
- I feel like I can write anything for this actor, and she'll knock it out of the park.
- If I don't hit this out of the park, I'm finished.

সঠিক idiom টি হলো - knock out of the park তাই উল্লিখিত অন্য অপশন গুলো এখানে অপ্রাসঙ্গিক।

Source: 
- Cambridge Dictionary.

৪৯.
Which Shakespeare play deals with the assassination of a Roman general?
  1. Julius Caesar
  2. Antony and Cleopatra
  3. Coriolanus
  4. Titus Andronicus
সঠিক উত্তর:
Julius Caesar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Julius Caesar
ব্যাখ্যা

Julius Caesar হলো উইলিয়াম শেকসপিয়ারের একটি ট্রাজেডি, যা প্রাচীন রোমের নেতা Julius Caesar এর হত্যা এবং তার পরবর্তী রাজনৈতিক উত্থান-পতন নিয়ে রচিত।
মূল কাহিনীতে Brutus, Cassius এবং অন্যান্য সেনাপতি Caesar কে হত্যার ষড়যন্ত্র করে।

• Julius Caesar:

- ১৫৯৯-১৬০০ সালের মধ্যে এই নাটকটি লেখা হয় এবং ১৬২৩ সালে Shakespeare এর First Folio এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- Julius Ceasar এর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত ষড়যন্ত্রকারীরা Ceasar এর বন্ধু Brutus কেও Ceasar এর বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্রে যোগ দিতে রাজি করায়।
- To stop Caesar from gaining too much power, Brutus and the conspirators kill him on the Ides of March.
- Julius Ceasar এর বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষী Mark Antony তাঁর বন্ধুর মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেন।
- এই যুদ্ধে  ব্রুটাস এবং তার বন্ধু ক্যাসিয়াস হেরে যান এবং আত্মহত্যা করেন, অ্যান্টনি রোম এর শাসনকর্তা হয়ে উঠেন।

• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: Britannica.

৫০.
Great Expectations was a literary work from -
  1. Restoration period
  2. Victorian period
  3. Romantic period
  4. Modern period
সঠিক উত্তর:
Victorian period
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Victorian period
ব্যাখ্যা

Great Expectations was a literary work from - Victorian period.
- “Great Expectations” হলো Charles Dickens রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- তিনি Victorian Era এর অন্তর্গত।


• Great Expectations: 
- 'Great Expectations' is a novel written by Charles Dickens.
- ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাস টি Dickens এর অন্যতম সেরা উপন্যাস।
- গল্প শুরু হয়েছে Kent শহর থেকে।
- ১৮ শতকের গোড়ার কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে উপন্যাসে -এমন একটি সময় যখন, ইংল্যান্ড অর্থনৈতিক ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তারপরও কিছু মানুষ থাকছে সমাজে, যারা নানা কারণে অসুখী। সমাজে বিদ্যমান শ্রেণী বৈষম্যর বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।
- Charles Dickens -এর 'Great Expectations' উপন্যাসটি মূলত সামাজিক শ্রেণি ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা বিষয়কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। কাহিনিতে এতিম Pip -এর গল্প বলা হয়েছে, যে নিজের সাধারণ জীবন থেকে উঠে একজন ভদ্রলোক হয়ে উঠতে চায়, বিশেষ করে যখন সে এক রহস্যময় আর্থিক সহায়তা পায়।

- এই মূল বিষয়টি উপন্যাসে ফুটে উঠেছে Pip -এর আত্ম-অন্বেষণ ও নৈতিক বিকাশের মধ্য দিয়ে। সে শিখতে পারে যে সামাজিক মর্যাদা ও সম্পদ আসল সুখ বা নৈতিক মূল্যবোধ নিশ্চিত করে না। Dickens এই গল্পের মাধ্যমে ভিক্টোরিয়ান সমাজের কঠোর শ্রেণিবিন্যাস ও সম্পদের দুর্নীতিগ্রস্ত প্রভাবের সমালোচনা করেছেন।

• Charles Dickens
- Charles Dickens was an English novelist, generally considered the greatest of the Victorian era.
- তিনি মূলত তাঁর A Christmas Carol, David Copperfield, Bleak House, A Tale of Two Cities, Great Expectations, Our Mutual Friend ইতাদি উপন্যাসের জন্য তাঁর জীবদ্দশায়ই জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন।

• Notable Works:
- A Christmas Carol,
- David Copperfield,
- Great Expectations,
- A Tale of Two Cities,
- Bleak House,
- Our Mutual Friend,
- Hard Times, etc.

Source: Britannica.

৫১.
Which of the following novels was written by Jane Austen?
  1. Wuthering Heights
  2. Persuasion
  3. Frankenstein
  4. Jane Eyre
সঠিক উত্তর:
Persuasion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Persuasion
ব্যাখ্যা

• Persuasion:
- এটি Jane Austen এর লেখা উপন্যাস।
- জেন অস্টেনের Persuasion উপন্যাসটি ১৮১৭ সালে তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।

• Persuasion উপন্যাসটি Anne Elliot এবং Captain Frederick Wentworth-র প্রেমের গল্প। আট বছর আগে পরিবারের চাপে অ্যান তাকে বিয়ে করতে রাজি হননি। পরে ওয়েন্টওয়ার্থ যুদ্ধ থেকে ধনী এবং সম্মানিত নৌ-অফিসার হিসেবে ফিরে আসেন। এখন Anne এর উচ্চবংশীয় বাবাও তাকে মেনে নিতে পারেন। Anne বুঝতে পারেন যে তিনি এখনও তাকে গভীরভাবে ভালোবাসেন। এটি দ্বিতীয় সুযোগ এবং হারানো প্রেম পুনরুদ্ধারের একটি সুন্দর কাহিনী।

• Jane Austen:
- Jane Austen ছিলেন একজন ইংরেজ উপন্যাসিক।
- তিনি একজন English novelist from the Romantic Period and known as an anti romantic novelist.
- যিনি সামাজিক আচরণ, নারীদের জীবন, এবং তাঁর চরিত্রগুলোর রোম্যান্টিক জটিলতা নিয়ে গভীর পর্যবেক্ষণের জন্য পরিচিত।
- তাঁর লেখা উপন্যাসগুলো সাধারণত ১৮শ শতকের শেষ ও ১৯শ শতকের প্রাথমিক সময়ের ব্রিটিশ জমিদার শ্রেণির সমালোচনা করে।
- She first gave the novel its distinctly modern character through her treatment of ordinary people in everyday life.

• Notable works:
- Pride and Prejudice,
- Sense and Sensibility,
- Mansfield Park,
- Emma,
- Persuasion,
- Lady Susan,
- Northanger Abbey, etc.

Other options,

ক) Wuthering Heights:

লেখক: Emily Bronte.

গ) Frankenstein:

- লেখক: Mary Shelley.

ঘ) Jane Eyre:
- লেখক: Charlotte Bronte.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৫২.
"Angel Clare, Sorrow, and Alec" are famous characters from -
  1. Tess of the d'Urbervilles
  2. Man and Superman
  3. Moby-Dick
  4. Vanity Fair
সঠিক উত্তর:
Tess of the d'Urbervilles
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tess of the d'Urbervilles
ব্যাখ্যা

"Angel Clare, Sorrow, and Alec" are famous characters from -Tess of the d'Urbervilles.

• Tess of the d'Urbervilles:

- এটি রচনা করেন Thomas Hardy.
- এই উপন্যাস টি প্রথম ১৮৯১ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়। 
- একই বছর উপন্যাসটি তিনটি ভলিউমে বই আকারে প্রকাশিত হয়।

• এই উপন্যাসটি বেশ কিছু কারণে বিতর্কের জন্ম দেয়।
- গতানুতিক ভিক্টোরিয়ান ফিকশনের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন এই উপন্যাসটি।
- গ্রামীন সমাজের দরিদ্র শ্রেণীর এক মেয়েকে কেন্দ্র করে কাহিনি এগিয়ে যায়। মেয়েটির নাম Tess Durbeyfield
- এছাড়া যৌনতা এবং ধর্মীয় বিষয় নিয়েও বিতর্কিত উপাদান আছে উপন্যাসটিতে।
- উনিশ শতকের গ্রামীন ইংল্যান্ডে মেয়েদের অসহায়ত্ব এবং বিত্তশালী শ্রেণীর লালসা চরিতার্থের একটি যথার্থ রূপ ফুটে উঠেছে এই উপন্যাসটিতে।

• Important characters:
- Alec d'Urberville,
- John Durbeyfield,
- Tess Durbeyfield,
- Angel Clare,
- Sorrow.

• Thomas Hardy is known as a Pessimistic Novelist.
- He was also a regional novelist and a poet কারণ একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়।
- তিনি Victorian age এর শ্রেষ্ঠ উপন্যাসিক এবং ছোট গল্পকার।

• Thomas Hardy-এর লেখা কয়েকটি উপন্যাস হলো -
- Tess of the d'Urbervilles,
- Far from the Madding Crowd,
- The Return of the Native
- The Poor Man and the Lady,
- The Mayor of Casterbridge
- Jude the Obscure,
- A Pair of Blue Eyes.

অন্য বিকল্প বিশ্লেষণ:

- Man and Superman → George Bernard Shaw-এর নাটক।
- Moby-Dick → Herman Melville-এর উপন্যাস।
- Vanity Fair → William Makepeace Thackeray-এর উপন্যাস।

Source: Britannica.

৫৩.
Shakespeare’s play, influenced by the Gunpowder Plot, is —
  1. Othello
  2. Macbeth
  3. Hamlet
  4. Julius Caesar
সঠিক উত্তর:
Macbeth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Macbeth
ব্যাখ্যা

Shakespeare’s play, influenced by the Gunpowder Plot, is — Macbeth.

• The GunPowder Plot ছিল ১৬০৫ সালে ইংল্যান্ডের রাজা James এর বিরুদ্ধে একটি  হত্যা এবং সংসদ উড়িয়ে দেয়ার একটি  ব্যর্থ প্রচেষ্টা। 
- ধারনা করা হয়  Shakespeare এর Macbeth এই প্লট থেকে অনুপ্রানিত হয়ে লেখা।
- কারন  Macbeth এর মুল Theme  রাজার বিরুদ্ধে হত্যা ,ষড়যন্ত্র, বিদ্রোহ এবং হত্যাকারীর পতনের সাথে সংযুক্ত যাকে ‘The GunPowder Plot’ এর সাথে relate করা হয়। 
 - প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী King James কে Macbeth tragedy এর অন্যতম চরিত্র  Banquo এর উত্তরাধিকার মনে করা হয় এবং Macbeth play তে এই Banquo এর বিরুদ্ধেই  Macbeth ষড়যন্ত্র করে এবং হত্যার চেষ্টা চালায়।

• Macbeth: 
- নাটকটির মূল বিষয়বস্তু হলো King Duncan এর হত্যা ও তার ফলে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলি।
- এটি Shakespeare এর সবচেয়ে ছোট Tragedy.
- এই Tragedy টি হচ্ছে William Shakespeare এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ tragedy এবং Macbeth হল এর মূল চরিত্র/ tragic hero.
- এটি ১৬০৭-০৭ সালের দিকে লেখা এবং ১৬২৩ সালে প্রথম প্রকাশিত এই tragedy টিShakespeare রচিত Tragedy গুলোর  মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত।
-  Macbeth ছিলেন স্কটল্যান্ডের রাজা Duncan এর একজন বিশ্বস্ত General.
- নাটকে দেখা যায় তিনজন ডাইনী সেনাপতি Macbeth এর সাথে দেখা করে এবং সে ভবিষ্যতে Scotland এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের রাজা হবে।
- Encouraged by his wife, Macbeth kills the king, becomes the new king, and kills more people out of paranoia.
- Civil war erupts to overthrow Macbeth, resulting in more death.

• নাটকটির মূল বিষয়বস্তু হলো King Duncan এর হত্যা ও তার ফলে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলি।
- এটি Shakespeare এর সবচেয়ে ছোট Tragedy.
- Macbeth হলো এর প্রধান চরিত্র।
- তাকে tragic hero ও বলা হয়।

• Shakespeare:
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time. 

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: britannica.com

৫৪.
"I have measured out my life with coffee spoons." — Who quoted this line?
  1. Robert Frost
  2. W. B. Yeats
  3. Samuel Taylor Coleridge
  4. T. S. Eliot
সঠিক উত্তর:
T. S. Eliot
উত্তর
সঠিক উত্তর:
T. S. Eliot
ব্যাখ্যা

 "I have measured out my life with coffee spoons." — এই লাইনটি উদ্ধৃত করেছেন T. S. Eliot.

 • The Love Song of J. Alfred Prufrock:
- আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা কবিতা এটি।
- এটা মূলত: একটি Dramatic Monologue. এটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল Poetry ম্যাগাজিনে, ১৯১৫ সালে।
- এখানে দেখায়, J. Alfred Prufrock যে কিনা একজন মধ্যবয়সী মানুষ, তার ফেলে আসা অতীতের স্মরণ করছে। চাপা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সে তার ভগ্ন শরীর ও হৃদয়ের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে। সে বুঝতে পারে, সে তার যৌবন এবং সুখ দুটোই হারিয়েছে।

• এই কবিতার বিখ্যাত লাইন, “I have measured out my life with coffee spoons."

T.S. Eliot: 
- তার পুরো নাম Thomas Stearns Eliot.
- তিনি একাধারে  American-English poet, playwright, literary critic এবং editor.
- He is a leader of the Modernist movement in poetry in such works as The Waste Land and Four Quartets.
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে Nobel Prize পান।

• Notable works: 
• Poetry:
- The Waste Land (1922),
- Four Quartets (1943).

• Play:
- Murder in the Cathedral (1935),
- The Cocktail Party.

Source: Britannica.

৫৫.
Who of the following is not an American author?
  1. Edgar Allan Poe
  2. Toni Morrison
  3. Nathaniel Hawthorne
  4. Harold Pinter
সঠিক উত্তর:
Harold Pinter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Harold Pinter
ব্যাখ্যা

Edgar Allan Poe, Toni Morrison, ও Nathaniel Hawthorne হলেন American author, কিন্তু Harold Pinter একজন British dramatist.

• Harold Pinter was a British dramatist.
- ১৯৩০ সালে লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন।
- ২০০৫ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- World War II এবং Anti-Semitic sentiment তার লেখায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

Notable works:
Plays: 
- The Room,
- The Dumb Waiter,
- The Birthday Party,
- The Caretaker.

Source: Britannica.com

৫৬.
The Golden Notebook, a famous novel, was written by -
  1. Wole Soyinka
  2. Arthur Miller
  3. Doris Lessing 
  4. Seamus Heaney
সঠিক উত্তর:
Doris Lessing 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doris Lessing 
ব্যাখ্যা

• The Golden Notebook:
- এটি Doris Lessing রচিত একটি novel.
- প্রকাশিত হয় 1962 সালে।
- উপন্যাসটি একজন নারী ঔপন্যাসিক Anna Wulf এর সঙ্কট উপস্থাপন করে, যিনি writer’s block এ ভুগছেন।

• Doris May Lessing
- ইরানী বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ লেখক।  তিনি মূলত ছোটগল্প এবং উপন্যাস লিখতেন। 
- ২০০৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার পেয়েছিলেন। 

• Other notable Works: 
- Children of Violence,
- The Golden Notebook,
- High Windows, 
- The Whitsun Weddings. 

Source: Britannica.

৫৭.
The Golden Period of English Literature is -
  1. The Romantic period
  2. The Elizabethan period
  3. The Modern period
  4. The restoration period
সঠিক উত্তর:
The Elizabethan period
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Elizabethan period
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) The Elizabethan period.

• Elizabethan Age হচ্ছে Renaissance Period এর প্রথম age.
- এই age টির নামকরণ করা হয়েছে 'Queen Elizabeth I' এর নামে who reigned over England from 1558 to 1603.
- এই যুগেই ইংরেজী সাহিত্যের সবচেয়ে বেশি বিকাশ ঘটেছিলো।
- বিশেষ করে নাট্যজগতে এক বৈপ্লবিক সংস্কার সাধিত হয়েছিল।
- এই যুগকে বলা হয় The Golden Age কারণ এ যুগের আগের যুগের সাহিত্য ছিল অনুর্বর কিন্তু এ যুগে এসে সাহিত্য নতুন মাত্রা পায়। .

• এই যুগের বিখ্যাত সাহিত্যিকরা হচ্ছেন - 
- Thomas More,
- Norton,
- Edmund Spenser,
- William Shakespeare,
- Thomas Kyd,
- Nicholas Udall,
- Robert Peele,
- Robert Greene,
- Sir Philip Sidney,
- John Lyly.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.

৫৮.
Which of the following is a characteristic of Blank verse?
  1. Rhyme at the end of each line
  2. Unrhymed poetry written in iambic pentameter
  3. Written only in four-line stanzas
  4. Always humorous in tone
সঠিক উত্তর:
Unrhymed poetry written in iambic pentameter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Unrhymed poetry written in iambic pentameter
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) Unrhymed poetry written in iambic pentameter.

• Blank verse (অমিত্রাক্ষার ছন্দ): Unrhymed poetry written in iambic pentameter.
- 'Blank Verse' in Literature is kind of verse having no rhyming ends.
- এর অর্থ হচ্ছে Blank verse বা অমিত্রাক্ষার ছন্দের কবিতায় ছন্দের কোনো অন্তমিল নেই।
-ছন্দের অন্তমিল দেখা না গেলেও এতে iambic pentameter এর দেখা মেলে।
- An iambic pentameter line is a verse line of five iambic feet.
- In blank verse, the last word of a line does not rhyme with the last word of any of the successive lines.
- এই ধরণের verse গুলো অনেকটাই Normal speech এর মতন হয়ে থাকে।

• Example:
- John Milton's paradise lost is an epic poem in blank verse.

Source: An ABC of English Literature - Dr. M Mofizar Rahman

৫৯.
৭২০ সংখ্যাটিকে কত দ্বারা গুণ করলে সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৭২০ সংখ্যাটিকে কত দ্বারা গুণ করলে সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে?

সমাধান:
কোনো সংখ্যাকে পূর্ণ বর্গ সংখ্যা হতে হলে, তার মৌলিক উৎপাদকগুলোর ঘাত (power) অবশ্যই জোড় সংখ্যা হতে হবে।

৭২০ = ২ × ২ × ২ × ২ × ৩ × ৩ × ৫
= ২ × ৩ × ৫

এখানে,
২-এর ঘাত হলো ৪, যা একটি জোড় সংখ্যা।
৩-এর ঘাত হলো ২, যা একটি জোড় সংখ্যা।
৫-এর ঘাত হলো ১, যা একটি বিজোড় সংখ্যা।

৫-এর ঘাত জোড় করতে হলে আরও একটি ৫ দিয়ে গুণ করতে হবে।

৭২০ × ৫ = ৩৬০০ = ৬০

সুতরাং, ৫ দ্বারা গুণ করলে সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ হবে।

৬০.
x = 3 + √8 হলে, x2 + (1/x2) এর মান কত?
  1. 34
  2. 68
  3. 198
  4. 204
সঠিক উত্তর:
34
উত্তর
সঠিক উত্তর:
34
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x = 3 + √8 হলে, x2 + (1/x2) এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, x = 3 + √8
⇒ 1/x = 1/(3 + √8)
= (3 - √8)/((3 + √8)(3 - √8))
= (3 - √8)/{32 - (√8)2}
= (3 - √8)/(9 - 8)
∴ 1/x = 3 - √8

এখন,
x + 1/x = 3 + √8 + 3 - √8
= 6

আমরা জানি,
x2 + (1/x2) = (x + 1/x)2 - 2 . x . (1/x)
= (x + 1/x)2 - 2
= 62 - 2
= 36 - 2
= 34

৬১.
দুটি সংখ্যার গ.সা.গু. ৮ এবং ল.সা.গু. ১৯২। একটি সংখ্যা ২৪ হলে, অপর সংখ্যাটি কত?
  1. ৩২
  2. ১৮
  3. ৭২
  4. ৬৪
সঠিক উত্তর:
৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার গ.সা.গু. ৮ এবং ল.সা.গু. ১৯২। একটি সংখ্যা ২৪ হলে, অপর সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি, অপর সংখ্যা = ক

আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.
∴ প্রথম সংখ্যা × অপর সংখ্যা = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.
⇒ ২৪ × ক = ৮ × ১৯২
⇒ ২৪ × ক = ১৫৩৬
⇒ ক = ১৫৩৬/২৪
∴ ক = ৬৪

অতএব, অপর সংখ্যাটি হলো ৬৪

৬২.
3x + 2y = 16 এবং 5x - 2y = 8 সরলরেখা দুটি কোন বিন্দুতে ছেদ করে?
  1. (2, 5)
  2. (3, 7/2)
  3. (5, 8)
  4. (5, 1/2)
সঠিক উত্তর:
(3, 7/2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(3, 7/2)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 3x + 2y = 16 এবং 5x - 2y = 8 সরলরেখা দুটি কোন বিন্দুতে ছেদ করে?

সমাধান:
3x + 2y = 16 ..........(1)
5x - 2y = 8 ..........(2)

(1) এবং (2) যোগ করলে,
(3x + 2y) + (5x - 2y) = 16 + 8
⇒ 3x + 2y + 5x - 2y = 24
⇒ 8x = 24
⇒ x = 3

এখন (1) নং এ x-এর মান বসিয়ে পাই,
3(3) + 2y = 16
⇒ 9 + 2y = 16
⇒ 2y = 16 - 9
⇒ 2y = 7
⇒ y = 7/2

∴ সরলরেখা দুটি (3, 7/2) বিন্দুতে ছেদ করে।

৬৩.
  1. 1/2
  2. 1
  3. 2/3
  4. 4/7
সঠিক উত্তর:
1/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:


৬৪.
  1. 3
  2. 9/4
  3. 16/3
  4. 2/3
সঠিক উত্তর:
9/4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9/4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:


৬৫.
একটি সমকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্মকোণদ্বয়ের পার্থক্য ২০° হলে, ক্ষুদ্রতম কোণটি কত?
  1. ৩৫°
  2. ৪০°
  3. ৫৫°
  4. ৩০°
সঠিক উত্তর:
৩৫°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্মকোণদ্বয়ের পার্থক্য ২০° হলে, ক্ষুদ্রতম কোণটি কত?

সমাধান:
ধরি,
ক্ষুদ্রতম কোণ = ক°
বৃহত্তর কোণ = (ক + ২০)°

আমরা জানি,
সমকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্মকোণদ্বয়ের সমষ্টি = ৯০°

প্রশ্নমতে,
ক + (ক + ২০) = ৯০
বা, ২ক + ২০ = ৯০
বা, ২ক = ৯০ - ২০
বা, ২ক = ৭০
বা, ক = ৭০/২
∴ ক = ৩৫

অতএব, ক্ষুদ্রতম কোণটি হলো ৩৫°

৬৬.
|x - 5| ≤ 12 হলে, x এর সর্বোচ্চ মান কত?
  1. 12
  2. 17
  3. 60
  4. 24
সঠিক উত্তর:
17
উত্তর
সঠিক উত্তর:
17
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: |x - 5| ≤ 12 হলে, x এর সর্বোচ্চ মান কত?

সমাধান:
|x - 5| ≤ 12
⇒ - 12 ≤ x - 5 ≤ 12
⇒ - 12 + 5 ≤ x - 5 + 5 ≤ 12 + 5
⇒ - 7 ≤ x ≤ 17

∴ x এর সর্বোচ্চ মান = 17

৬৭.
যদি secA = 17/8 হয়, তবে sinA এর মান কত?
  1. 15/17
  2. 8/17
  3. 17/15
  4. 15/8
সঠিক উত্তর:
15/17
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15/17
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি secA = 17/8 হয়, তবে sinA এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, secA = 17/8

আমরা জানি, secA = অতিভুজ/ভূমি
অতএব, অতিভুজ = 17 এবং ভূমি = 8

পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী,
লম্ব2 + ভূমি2 = অতিভুজ2
বা, লম্ব2 + 82 = 172
বা, লম্ব2 + 64 = 289
বা, লম্ব2 = 289 - 64
বা, লম্ব2 = 225
∴ লম্ব = √225 = 15

এখন, sinA = লম্ব/অতিভুজ
∴ sinA = 15/17

৬৮.
'CALCULUS' শব্দটির বর্ণগুলোকে কত উপায়ে সাজানো যায়?
  1. 720
  2. 5040
  3. 1020
  4. 3550
সঠিক উত্তর:
5040
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5040
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'CALCULUS' শব্দটির বর্ণগুলোকে কত উপায়ে সাজানো যায়?

সমাধান:
'CALCULUS' শব্দটির মোট অক্ষর = 8টি

এদের মধ্যে,
C অক্ষরটি পুনরাবৃত্ত = 2টি
L অক্ষরটি পুনরাবৃত্ত = 2টি
U অক্ষরটি পুনরাবৃত্ত = 2টি

∴ নির্ণেয় সাজানোর উপায় = 8!/(2! × 2! × 2!)
= (8 × 7 × 6 × 5 × 4 × 3 × 2 × 1)/{(2 × 1) × (2 × 1) × (2 × 1)}
= 40320/(2 × 2 × 2)
= 40320/8
= 5040

∴ 'CALCULUS' শব্দটির অক্ষরগুলোকে 5040 উপায়ে সাজানো যায়।

৬৯.
৬% হার মুনাফায় ১০,০০০ টাকার ২ বছরের সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত?
  1. ২৪ টাকা
  2. ৩৬ টাকা
  3. ৬১ টাকা
  4. ৫২ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩৬ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৬% হার মুনাফায় ১০,০০০ টাকার ২ বছরের সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
মূলধন, P = ১০,০০০ টাকা
সময়, n = ২ বছর
সুদের হার, r = ৬%

আমরা জানি
সরল মুনাফা, I = Pnr/১০০
= ১০,০০০ × ২ × ৬/১০০
= ১০,০০০ × ১২/১০০
= ১,২০০ টাকা

চক্রবৃদ্ধি মুনাফায়:
সবৃদ্ধিমূল, C = P(১ + r)n
= ১০,০০০(১ + ৬/১০০)
= ১০,০০০(১০৬/১০০)
= ১০,০০০ × (১০৬/১০০) × (১০৬/১০০)
= ১০,০০০ × ১১,২৩৬/১০,০০০
= ১১,২৩৬ টাকা

∴ চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = ১১,২৩৬ - ১০,০০০ = ১,২৩৬ টাকা

∴ চক্রবৃদ্ধি মুনাফা ও সরল মুনাফার পার্থক্য = (১,২৩৬ - ১,২০০) টাকা
= ৩৬ টাকা

৭০.
  1. 15/11
  2. 2
  3. 4
  4. 17/11
সঠিক উত্তর:
17/11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
17/11
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:


৭১.
একটি ব্যাগে ১৫ টি লাল বল, ৯ টি সবুজ বল এবং ৬ টি হলুদ বল আছে। দৈবভাবে একটি বল তোলা হলে বলটি সবুজ না হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ৭/১০
  2. ৯/২৫
  3. ৩/৪
  4. ৫/২১
সঠিক উত্তর:
৭/১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭/১০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ব্যাগে ১৫ টি লাল বল, ৯ টি সবুজ বল এবং ৬ টি হলুদ বল আছে। দৈবভাবে একটি বল তোলা হলে বলটি সবুজ না হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
মোট বল সংখ্যা = ১৫ + ৯ + ৬ = ৩০
সবুজ বলের সংখ্যা = ৯
∴ সবুজ হওয়ার সম্ভাবনা = ৯/৩০ = ৩/১০

∴ সবুজ না হওয়ার সম্ভাবনা = ১ - (৩/১০)
= (১০ - ৩)/১০
= ৭/১০

৭২.
মিথান্যালের ৪০% জলীয় দ্রবণকে কী বলে?
  1. ভিনেগার 
  2. ফরমালিন
  3. রেকটিফাইড স্পিরিট 
  4. অ্যাসিটোন
সঠিক উত্তর:
ফরমালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরমালিন
ব্যাখ্যা

মিথান্যালের ৪০% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে। 

ফরমালিন (Formalin):

- ফরমালডিহাইড অর্থাৎ মিথান্যাল (Methanal)-এর ৪০% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে।
- অর্থাৎ এতে থাকে ৪০ ভাগ মিথান্যাল এবং ৬০ ভাগ পানি।
- এটি একটি সংরক্ষণকারী পদার্থ, যা বিভিন্ন মৃত প্রাণীর দেহ সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়।

রেকটিফাইড স্পিরিট (Rectified Spirit):
- এটি ৯৫.৬% ইথানল এবং ৪.৪% পানির মিশ্রণ।
- এটি সাধারণত জীবাণুনাশক, ঔষধ প্রস্তুতি এবং পরীক্ষাগারে দ্রাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ভিনেগার (Vinegar):
- (৬ - ১০)% ইথানোয়িক অ্যাসিডের (Ethanoic acid) জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলা হয়।
- এটি খাদ্য সংরক্ষণ এবং স্বাদ বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৩.
নিষেকক্রিয়ার পরে গর্ভাশয় কীসে রূপান্তরিত হয়?
  1. ফল
  2. বীজ 
  3. ফলত্বক
  4. টেস্টা
সঠিক উত্তর:
ফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফল
ব্যাখ্যা

নিষেকক্রিয়ার পরে গর্ভাশয় ফল এ রূপান্তরিত হয়। 

• নিষেকক্রিয়ার পর গর্ভাশয় ও ডিম্বকের বিভিন্ন পরিবর্তন
নিষেকক্রিয়ার পূর্বে --- নিষেকক্রিয়ার পরে
গর্ভাশয় --------------- ফল,
গর্ভাশয় ত্বক ----------- ফলত্বক,
ডিম্বক ---------------- বীজ,
এক্সাইন -------------- টেস্টা,
ইন্টাইন -------------- টেগমেন,
ভ্রূণপোষক টিস্যু ------- নিঃশেষ হয়ে যায়,
ডিম্বাণু (নিষিক্ত) ------ ভ্রূণ,
সস্য মাতৃকোষ -------- সস্য,
সাহায্যকারী কোষ ----- নষ্ট হয়ে যায়,
প্রতিপাদ কোষ -------- নষ্ট হয়ে যায়,
মাইক্রোপাইল -------- মাইক্রোপাইল,
হাইলাম ------------- হাইলাম,
ডিম্বকনাড়ী ---------- বীজবৃন্ত। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪.
কাজের মাত্রা কোনটি? 
  1.  MLT-2
  2. ML2T-3
  3. ML2T-1
  4. ML2T-2
সঠিক উত্তর:
ML2T-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ML2T-2
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) ML2T-2 

কোনো বস্তুর উপর যদি F বল প্রয়োগ করা হয় এবং বল প্রয়োগ করার সময়টুকুতে যদি বস্তুটি বলের দিকে s দূরত্ব অতিক্রম করে (অর্থাৎ সরণ হয়), তাহলে ঐ বল দিয়ে করা কাজের পরিমাণ W হচ্ছে: W = Fs
কাজের একক J (জুল) কাজের মাত্রা [W] = ML2T-2

মাত্রা:
- ভৌত রাশিগুলো এক বা একাধিক মৌলিক রাশি দ্বারা গঠিত হয়।
- সুতরাং যে কোনো ভৌত রাশিকে বিভিন্ন সূচকের এক বা একাধিক মৌলিক রাশির গুণফল হিসেবে প্রকাশ করা হয়।
- কোনো ভৌত রাশিতে বিদ্যমান মৌলিক রাশি গুলোর সূচককে রাশিটির মাত্রা বলে।
- মৌলিক রাশি দৈর্ঘ্য, ভর ও সময়কে যথাক্রমে L, M ও T দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- বলের মাত্রা MLT-2,
- শক্তির মাত্রা ML2T-2,
- টর্কের মাত্রা ML2T-2,
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T-3.

উৎস: পদার্থিবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৫.
পানিতে দ্রবীভূত ভিটামিন কোনটি? 
  1. vit - A
  2. vit - K
  3. vit - C
  4. vit - D
সঠিক উত্তর:
vit - C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
vit - C
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) vit - C

ভিটামিন শোষণ (Absorption of Vitamins):

• চর্বিতে দ্রবীভূত ভিটামিন
- চর্বিতে দ্রবীভূত ভিটামিন গুলো হচ্ছে A, D, E, K।
- এগুলো ক্ষুদ্রান্ত্রের ভিলাইয়ে শোষিত হয়।
- সাধারণ পিত্তলবণ এ প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।

• পানিতে দ্রবীভূত ভিটামিন
- পানিতে দ্রবীভূত ভিটামিন C ও কয়েক প্রকার B ভিটামিন।
- ব্যাপন ও সক্রিয় শোষণ প্রক্রিয়ায় ক্ষুদ্রান্ত্রের ইলিয়াম অংশে শোষিত হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)। 

৭৬.
কোনটি আয়রন বা লোহার আকরিক?
  1. বক্সাইট
  2. হেমাটাইট
  3. ক্রায়োলাইট
  4. জিপসাম
সঠিক উত্তর:
হেমাটাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেমাটাইট
ব্যাখ্যা

হেমাটাইট আয়রন বা লোহার আকরিক। 

আয়রন বা লোহার আকরিক:
- ম্যাগনেটাইট,
- হেমাটাইট,
- আয়রন পাইরাইটস,
- লিমোনাইট। 

অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক:
- বক্সাইট, 
- কোরান্ডাম,
- ক্রায়োলাইট। 

ক্যালসিয়ামের আকরিক:
- চুনাপাথর,
- জিপসাম,
- ডলোমাইট।

আরও,
সোডিয়ামের আকরিক:
- রকসল্ট,
- চিলি সল্টপিটার,
- ন্যাট্রোন,
- বোরাক্স। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৭ সংস্করণ]। 

৭৭.
সালোকসংশ্লেষণ উদ্ভিদের কোন অঙ্গ-উপাদানে ঘটে?
  1. মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. নিউক্লিয়াস
  3. রাইবোজোম
  4. প্লাস্টিড
সঠিক উত্তর:
প্লাস্টিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাস্টিড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) প্লাস্টিড

• সালোকসংশ্লেষণ:
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ।
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে।
- পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল প্রধান উপকরণ।
- কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন তৈরি করে।
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড নিঃসৃত হয়। তাই একে একটি জারণ বিজারণ প্রক্রিয়া বলা হয়।
- জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি। 

- সালোকসংশ্লেষণের সময় সবুজ উদ্ভিদ আলোর ফোটন কণা শোষণ করে আলোকশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- আলো হলো এক প্রকার তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণ। এর উৎস হচ্ছে সূর্য।
- আলোর সাতটি রঙের মধ্যে লাল, নীল, কমলা ও বেগুনী আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভাল হয়।
- সবুজ ও হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভাল হয় না।
- একক আলো হিসেবে লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ বেশি হয়।
- ইহা ছাড়া অন্যান্য উপাদানও সালোকসংশ্লেষণে অংশগ্রহণ করে।
- বিভিন্ন ধরনের পিগমেন্ট (যেমন- হলুদ রঙের জ্যান্থোফিল, কমলা রঙের ক্যারোটিন, নীল রঙের ফাইকোসায়ানিন, লাল রঙের ফাইকোইরেথ্রিন ইত্যাদি), বিভিন্ন প্রকারের এনজাইম এবং আয়নসমূহ এ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।

উৎস: ১। জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২। উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৮.
যদি কোনো গ্যাসের কেলভিন তাপমাত্রা ৪ গুণ বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে শব্দের বেগ কত গুণ বৃদ্ধি পাবে?
  1. ৪ গুণ
  2. ২ গুণ
  3. ১৬ গুণ
  4. একই থাকবে
সঠিক উত্তর:
২ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ গুণ
ব্যাখ্যা

যদি কোনো গ্যাসের কেলভিন তাপমাত্রা ৪ গুণ বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে শব্দের বেগ ২ গুণ বৃদ্ধি পাবে। 

যদি কোনো গ্যাসের কেলভিন তাপমাত্রা ৪ গুণ বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে শব্দের বেগ ২ গুণ বৃদ্ধি পাবে, কারণ শব্দের বেগ তাপমাত্রার বর্গমূলের সমানুপাতিক 
v ∝ √T। তাই, তাপমাত্রা ৪ গুণ হলে, বেগ √4 বা ২ গুণ হবে। 

শব্দের বেগ (Speed of Sound):
- বাতাসে শব্দের বেগ তাপমাত্রার বর্গমূলের সমানুপাতিক। অর্থাৎ, v ∝ √T। এখানে তাপমাত্রা কেলভিন স্কেলে।
- শব্দের বেগ বাতাসের চাপের ওপর নির্ভর করে না।
- বাতাসের ঘনত্বের বর্গমূলের বিপরীত আনুপাতিকভাবে নির্ভর করে। তাই বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকলে বাতাসের ঘনত্ব কমে যায় এবং শব্দের বেগ বেড়ে যায়।
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ। এটি মাধ্যমের স্থিতিস্থাপকতার ওপর নির্ভর করে।
- তরল এবং কঠিন পদার্থের ধাতব ও অ-ধাতব প্রকৃতি বাতাস থেকে ভিন্ন হওয়ায়, শব্দের বেগও সেখানে ভিন্ন হয়।
- তরলে শব্দের বেগ বাতাস থেকে বেশি এবং কঠিন পদার্থে শব্দের বেগ তরল থেকেও বেশি।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৯.
ফোটনের বেগের মান কত?
  1. 3 × 106 ms-1
  2. 3 × 1016 ms-1
  3. 3 × 108 ms-1
  4. 3 × 1036 ms-1
সঠিক উত্তর:
3 × 108 ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3 × 108 ms-1
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) 3 × 108 ms-1

ফোটন (Photon):
- ফোটন কণায় তাড়িতচৌম্বক বল বিদ্যমান।
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)।
- প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন।

ফোটন কণার ধর্মসমূহ:
১. প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ।
২. শূন্য মাধ্যমে প্রতিটি ফোটন কণাই আলোর বেগে (C = 3 × 108  ms-1) চলাচল করে। কোনো ঘটনাতেই ফোটনের বেগের কোনো হ্রাস বা বৃদ্ধি ঘটে না।
৩. প্রতি ফোটন দ্বারা বাহিত শক্তির পরিমাণ E = hf; এখানে f = বিবিরণের কম্পাঙ্ক, h = প্লাংকের ধ্রুবক। ফোটনের স্রোতে ফোটন কণার সংখ্যা যত বেশি হয়, বাহিত শক্তির পরিমাণও তত বেশি হয়। ফলে বিকিরণের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
৪. নিউটনীয় বলবিদ্যায় ফোটনের ভর ব্যাখ্যা করা যায় না। ফোটনের যে ভর আছে এই ধারণা বর্জনীয়। সহজে বলা যায়, ফোটনের স্থির ভর শূন্য।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮০.
নিম্নলিখিত কোনটি ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট?
  1. Zn
  2. N
  3. Cu
  4. Mo
সঠিক উত্তর:
N
উত্তর
সঠিক উত্তর:
N
ব্যাখ্যা

নাইট্রোজেন (N) একটি ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট। 

(a) ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান (macro-nutrient বা macro-element):
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। ম্যাক্রো উপাদান 9 টি, যথা: নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S)।

(b) মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান (micro-nutrient বা micro-element):
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে। মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট 7 টি, যথা: দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu), ক্লোরিন (Cl) এবং লৌহ (Fe)।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮১.
বেরিলিয়াম কোন ধরনের মৌল?
  1. মুদ্রা ধাতু
  2. হ্যালোজেন 
  3. মৃৎক্ষার ধাতু
  4. নিষ্ক্রিয় গ্যাস
সঠিক উত্তর:
মৃৎক্ষার ধাতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃৎক্ষার ধাতু
ব্যাখ্যা

বেরিলিয়াম একটি মৃৎক্ষার ধাতু।

মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals)
- পর্যায় সারণির 2 নং গ্রুপে বেরিলিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, স্ট্রনসিয়াম, বেরিয়াম এবং রেডিয়াম মৌলগুলো রয়েছে।
- এই মৌলগুলো মাটিতে বিভিন্ন যৌগ হিসেবে পাওয়া যায় এবং ক্ষার তৈরি করে।

অন্যদিকে,
মুদ্রা ধাতু (Coin Metals)
- গ্রুপ-11 এর 4টি মৌল হলো কপার, সিলভার, গোল্ড এবং রন্টজেনিয়াম।
- প্রথম দুটি মৌল কালের জন্য মুদ্রা তৈরি ও ব্যবসায় ব্যবহৃত হতো।

হ্যালোজেন গ্রুপ (Halogen)
- গ্রুপ-17 এর 6টি মৌল হলো ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (As) এবং টেনেসিন (Ts)।
- এই মৌলগুলোকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- হ্যালোজেন মানে লবণ উৎপাদনকারী এবং এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ।
- হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠন করে, যেমন F + Na → NaF এবং Cl + Na → NaCl।
- হ্যালোজেন মৌল নিজেই ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে দ্বিমৌল অণু গঠন করে, যেমন Cl₂, I₂ ইত্যাদি।

নিষ্ক্রিয় গ্যাস (Inert Gases)
- পর্যায় সারণির 18 নং গ্রুপের মৌল হলো হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn) এবং ওগানেসন (Og)।
- এই মৌলগুলোর সবচেয়ে বাইরের শক্তিস্তরে ইলেকট্রন পূর্ণ থাকে, তাই এরা যৌগ গঠন করতে চায় না।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নিষ্ক্রিয় থাকে।
- সাধারণ তাপমাত্রায় এরা গ্যাস আকারে থাকে।

উৎস: রসায়ন- ৯ম-১০ম শ্রেণি।  

৮২.
'তাপমাত্রা' কোন ধরনের ভৌত রাশি?
  1. স্কেলার রাশি
  2. ভেক্টর রাশি
  3. দিক রাশি
  4. লব্ধ রাশি
সঠিক উত্তর:
স্কেলার রাশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্কেলার রাশি
ব্যাখ্যা

'তাপমাত্রা' একটি স্কেলার রাশি। 

ভৌত রাশি (Physical Quantity):
কিছু ভৌত রাশি প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মান প্রয়োজন, আবার কিছু প্রকাশের জন্য মানের পাশাপাশি দিকও প্রয়োজন। এই বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ভৌত রাশিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১. ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি:
- যেসব ভৌত রাশির মান এবং দিক উভয়ই থাকে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বলা হয়।
উদাহরণ: ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল, সরণ ইত্যাদি।
ভেক্টর রাশির ধর্ম:
- সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায়, কিন্তু ভিন্ন প্রকৃতির ভেক্টর যোগ করা যায় না।
- দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি।
- দুটি ভেক্টর রাশির স্কেলার গুণফল একটি স্কেলার রাশি।
- ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে না।
- ভেক্টরকে উপাংশে বিভক্ত করা যায়।

২. স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি:
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বলা হয়।
উদাহরণ: তাপমাত্রা, দৈর্ঘ্য, কাজ, ভর, সময়, দ্রুতি ইত্যাদি।
স্কেলার রাশির ধর্ম:
- শুধু মানের পরিবর্তন হলে স্কেলার রাশির পরিবর্তন হয়।
- স্কেলার রাশির যোগ, বিয়োগ, গুণ ইত্যাদি বীজগণিতের নিয়মে হয়।
- দুটি স্কেলার রাশির গুণফল সর্বদা একটি স্কেলার রাশি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮৩.
পৃথিবীর কোন গতির কারণে দিন-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি হয়ে থাকে?
  1. আহ্নিক গতি
  2. বার্ষিক গতি
  3. মহাকর্ষীয় গতি
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক গতি
ব্যাখ্যা

বার্ষিক গতির কারণে দিন-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি হয়ে থাকে। 

আহ্নিক গতি:
পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে নির্দিষ্ট গতিতে আবর্তিত হচ্ছে, যা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত।

পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে সংঘটিত উদাহরণসমূহ:
- দিন-রাত্রি সংঘটন,
- জোয়ার-ভাঁটা সৃষ্টি,
- বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি,
- তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি,
- জীবজগতের সৃষ্টি ও বংশবিস্তার প্রভৃতি।

বার্ষিক গতি:
সূর্যের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর অবিরাম ঘূর্ণনের সাথে সাথে নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে) নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে, যা পৃথিবীর বার্ষিক গতি নামে পরিচিত।

পৃথিবীর বার্ষিক গতির ফলে সংঘটিত উদাহরণসমূহ:
- ঋতু পরিবর্তন,
- দিন-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৮৪.
দুটি সিপিইউ-এর আর্কিটেকচার একই, কিন্তু CPU A এর গতি ৩.০ GHz এবং CPU B এর গতি ২.৫ GHz. সাধারণত কোনটি দ্রুত?
  1. CPU A
  2. CPU B
  3. উভয়ই সমানভাবে দ্রুত
  4. RAM এর ওপর নির্ভর করে
সঠিক উত্তর:
CPU A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CPU A
ব্যাখ্যা

• দুটি CPU-এর আর্কিটেকচার একই হলেও তাদের ক্লক স্পিড ভিন্ন। CPU-এর গতি মূলত GHz (গিগাহার্টজ) দ্বারা প্রকাশিত হয়, যা নির্দেশ করে CPU প্রতি সেকেন্ডে কত কোটি চক্র সম্পন্ন করতে পারে। CPU A-এর গতি ৩.০ GHz এবং CPU B-এর গতি ২.৫ GHz। যেহেতু CPU A প্রতি সেকেন্ডে বেশি চক্র সম্পন্ন করতে সক্ষম, তাই এটি CPU B-এর তুলনায় সাধারণত দ্রুত। অবশ্য, বাস্তব পারফরম্যান্স RAM, ক্যাশে মেমরি এবং সফটওয়্যারের কার্যকর ব্যবহারের ওপরও কিছুটা নির্ভর করে, কিন্তু শুধুমাত্র ঘড়ির গতি বিবেচনা করলে CPU A দ্রুত।

• ক্লক স্পিড:
- প্রসেসরের প্রতি সেকেন্ডে সম্পন্ন সাইকেলের সংখ্যা হলো ক্লক স্পিড। প্রতিটি সাইকেলে একটি বা একাধিক অপারেশন সম্পন্ন হতে পারে।
- ক্লক স্পিডকে প্রসেসরের "সাইকেল প্রতি সেকেন্ড" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- একটি সাইকেল হলো প্রসেসরের একটি মৌলিক অপারেশন। ক্লক স্পিড যত বেশি, প্রসেসর তত দ্রুত কাজ করতে পারে।
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- উদাহরণস্বরূপ, 3 GHz CPU প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করে, যা 2 GHz CPU-এর তুলনায় দ্রুত।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন, কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Intel [link]

৮৫.
৮-বিট ২’s কমপ্লিমেন্ট ফরম্যাটে প্রকাশযোগ্য পূর্ণসংখ্যার পরিসর কত?
  1. -২৫৫ থেকে +২৫৫
  2. -১২৭ থেকে +১২৮
  3. -১২৮ থেকে +১২৭
  4. -২৫৬ থেকে +২৫৫
সঠিক উত্তর:
-১২৮ থেকে +১২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
-১২৮ থেকে +১২৭
ব্যাখ্যা

• ৮-বিট ২’s কমপ্লিমেন্ট ফরম্যাট ব্যবহার করে পূর্ণসংখ্যা প্রকাশের সময় একটি বিট চিহ্নের জন্য (sign bit) ব্যবহৃত হয়। বাকি ৭ বিট সংখ্যা প্রকাশের জন্য থাকে। ২’s কমপ্লিমেন্ট সিস্টেমে সর্বনিম্ন সংখ্যা হলো -2n-1 এবং সর্বোচ্চ সংখ্যা হলো 2n-1-1, যেখানে n হলো বিটের সংখ্যা। ৮-বিটের ক্ষেত্রে n = 8। তাই সর্বনিম্ন সংখ্যা -27 = -128 এবং সর্বোচ্চ সংখ্যা 27-1 = 127। অর্থাৎ, ৮-বিট ২’s কমপ্লিমেন্ট ফরম্যাটে প্রকাশযোগ্য পূর্ণসংখ্যার পরিসর -128 থেকে +127। অতএব সঠিক উত্তর হলো গ) -১২৮ থেকে +১২৭

• ২-এর পরিপুরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের ২ এর পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।

সূত্র - sciencedirect. [link]

৮৬.
যে রেজিস্টারটি গাণিতিক ও লজিক্যাল গণনার মধ্যবর্তী ফলাফল সংরক্ষণ করে, তাকে বলে:
  1. অ্যাকুমুলেটর
  2. স্ট্যাটাস রেজিস্টার
  3. প্রোগ্রাম কাউন্টার
  4. ডেটা রেজিস্টার
সঠিক উত্তর:
অ্যাকুমুলেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাকুমুলেটর
ব্যাখ্যা

• অ্যাকুমুলেটর রেজিস্টার হলো CPU-এর একটি বিশেষ ধরনের রেজিস্টার যা গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশনের মধ্যবর্তী ফলাফল সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন CPU কোনো গণনা বা লজিক্যাল কমান্ড সম্পাদন করে, তখন ফলাফল সরাসরি অ্যাকুমুলেটরে রাখা হয়। এটি পরবর্তী ধাপের অপারেশনে ব্যবহার করা যায় এবং প্রসেসরের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। অন্য রেজিস্টার যেমন স্ট্যাটাস রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার বা ডেটা রেজিস্টার ভিন্ন ধরনের তথ্য সংরক্ষণ বা নির্দেশনা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই CPU-এর মধ্যে দ্রুত এবং ধারাবাহিক গণনার জন্য অ্যাকুমুলেটর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

উত্তর: ক) অ্যাকুমুলেটর। 




• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো সিপিইউ-এর মধ্যে অবস্থিত সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুততম মেমরি যা প্রোগ্রাম কার্যকর করার জন্য ডেটা ও নির্দেশাবলী সংরক্ষণ করে।
- এর অ্যাক্সেস সময় ন্যানোসেকেন্ডে পরিমাপ করা হয়।
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস সবচেয়ে কম।
- কম্পিউটারের প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, তাই এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. [link]

৮৭.
HDD-তে যে অংশটি থাকে কিন্তু SSD-তে থাকে না, সেটি কী?
  1. ক্যাশ মেমোরি
  2. মেকানিক্যাল অংশ
  3. কন্ট্রোলার
  4. ফ্ল্যাশ চিপ
সঠিক উত্তর:
মেকানিক্যাল অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেকানিক্যাল অংশ
ব্যাখ্যা

• HDD এবং SSD হলো দুই ধরনের স্টোরেজ ডিভাইস, কিন্তু এদের মধ্যে মূল পার্থক্য তাদের গঠন ও কাজের পদ্ধতিতে। HDD-তে তথ্য সংরক্ষণ হয় চৌম্বকীয় ডিস্ক বা প্ল্যাটারে, যা ঘূর্ণন করে এবং একটি রেড হেড তথ্য পড়ে বা লিখে। এই কারণে HDD-তে মেকানিক্যাল অংশ থাকে, যেমন স্পিনিং ডিস্ক এবং রেড হেড অ্যারেঞ্জমেন্ট। SSD-তে কোনো ঘূর্ণনশীল বা চলন্ত অংশ নেই, কারণ এটি সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক ফ্ল্যাশ চিপ ব্যবহার করে তথ্য সংরক্ষণের জন্য। ক্যাশ মেমোরি ও কন্ট্রোলার দুটোই দুই ধরনের ডিভাইসে থাকতে পারে, কিন্তু HDD-এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো তার মেকানিক্যাল অংশ, যা SSD-তে পাওয়া যায় না। তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) মেকানিক্যাল অংশ।

​SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

SSD ও HDD:
SSD: ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে, দ্রুতগতি, কম বিদ্যুৎ খরচ, কম তাপ উৎপাদন।
HDD: চৌম্বকীয় ডিস্ক ব্যবহার করে, তুলনামূলক ধীরগতি, যান্ত্রিক অংশ রয়েছে।

উৎস: Microsoft [link]

৮৮.
ফার্মওয়্যার সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
  1. এটি শুধুমাত্র মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত হয়
  2. এটি বিদ্যুৎ বন্ধ হলে মুছে যায়
  3. এটি কম্পিউটার ব্যবহারের সময় প্রায়ই পরিবর্তিত হয়
  4. এটি স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে
সঠিক উত্তর:
এটি স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে
ব্যাখ্যা

• ফার্মওয়্যার হলো একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যারের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে এবং হার্ডওয়্যারকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে। এটি সাধারণ সফটওয়্যারের মতো নিয়মিত পরিবর্তিত হয় না এবং হার্ডওয়্যারের ভিতরে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও এটি মুছে যায় না এবং শুধুমাত্র মোবাইল ফোনেই ব্যবহৃত হয় না; কম্পিউটার, রাউটার, প্রিন্টার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসেও এটি ব্যবহৃত হয়। ফার্মওয়্যার ডিজাইন করা হয় এমনভাবে যাতে এটি নির্দিষ্ট ডিভাইসের কাজের নিয়ম এবং কার্যক্রম স্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তাই এটি স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে।

সঠিক উত্তর: ঘ) এটি স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে। 

ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS).
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ৷
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।

৮৯.
কোনটি প্রসেসরের ধরন নয়?
  1. NVIDIA GeForce
  2. Intel Core i7
  3. AMD Ryzen
  4. Apple M1
সঠিক উত্তর:
NVIDIA GeForce
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NVIDIA GeForce
ব্যাখ্যা

•  প্রসেসর বা সিপিইউ (CPU) হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিট, যা সমস্ত কম্পিউটেশনের কাজ সম্পন্ন করে। বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন ধরনের প্রসেসর তৈরি করে, যেমন Intel Core i7, AMD Ryzen, এবং Apple M1। এগুলো কম্পিউটারের বিভিন্ন ক্ষমতার জন্য ডিজাইন করা। তবে NVIDIA GeForce কোনো প্রসেসর নয়; এটি মূলত গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট (GPU), যা ভিডিও, গেম এবং গ্রাফিক্স সংক্রান্ত কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, NVIDIA GeForce প্রসেসরের মধ্যে গণ্য হয় না, কারণ এটি CPU-এর মতো সাধারণ প্রক্রিয়াকরণ কাজ সম্পাদন করে না।

প্রসেসর: 
- প্রসেসরকে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়, কারণ কম্পিউটারের সব গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম এর মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়।
- কম্পিউটারের মূল চালিকাশক্তি হলো এই সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) বা প্রসেসর। 
- অনেক সময় সিস্টেম ইউনিটকে ভুলবশত CPU বলা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে CPU হলো সেই ছোট্ট চিপ, যা কেন্দ্রীয়ভাবে সমস্ত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে। আকারে ছোট হলেও এর কর্মক্ষমতা অত্যন্ত শক্তিশালী।
- কম্পিউটারের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা অনেকাংশে প্রসেসরের গতি ও মানের উপর নির্ভরশীল।
- আধুনিক প্রসেসর একাধিক কোর-এর সমন্বয়ে তৈরি, যা মাল্টিটাস্কিং করতে সক্ষম। অর্থাৎ একাধিক প্রোগ্রাম বা কাজ একই সাথে দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

উৎস:
- শিক্ষায় আইসিটি, ব্যাচেলর অব এডুকেশন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Nvidia [link]

৯০.
ক্লিপবোর্ডের প্রেক্ষিতে “কাট” এবং “কপি”-র পার্থক্য কী?
  1. কপি মূল ফাইল মুছে ফেলে, কাট মুছে না
  2. দুটোই মূল ফাইল মুছে ফেলে
  3. কাট মূল ফাইল মুছে ফেলে, কপি মুছে না
  4. দুটোই নতুন ফাইল তৈরি করে
সঠিক উত্তর:
কাট মূল ফাইল মুছে ফেলে, কপি মুছে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাট মূল ফাইল মুছে ফেলে, কপি মুছে না
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে যখন আমরা কোনো ফাইল বা টেক্সট কপি করি, এটি ক্লিপবোর্ডে তার একটি অনুলিপি রাখে, কিন্তু মূল ফাইল বা টেক্সট অপরিবর্তিত থাকে। অন্যদিকে, কাট ব্যবহার করলে ফাইল বা টেক্সট ক্লিপবোর্ডে নেওয়া হয় এবং মূল অবস্থান থেকে এটি মুছে যায়। অর্থাৎ, কপি মূলটি ধরে রাখে, কাঁটলে মূলটি সরানো হয়। কপি সাধারণত ডুপ্লিকেট তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত হয়, আর কাট স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই কাজের ধরন অনুযায়ী ব্যবহারকারীরা এগুলো নির্বাচন করে, যাতে তথ্য সংরক্ষণ বা স্থানান্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: গ) কাট মূল ফাইল মুছে ফেলে, কপি মুছে না। 

• ক্লিপবোর্ড কমান্ড:
- প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডেটা ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষিত থাকে।
- ক্লিপবোর্ড র‌্যামের একটি অংশ যেখানে কোনো ডেটা অন্য কোনো স্থানে পেস্ট করার পূর্বে অস্থায়ীভাবে জমা থাকে।
- ক্লিপবোর্ড কমান্ড তিনটি – cut, copy, paste।
- যখন কোনো প্রোগ্রামের এডিট মেনু থেকে cut বা copy কমান্ড দিয়ে কোনো টেক্সট, ইমেজ বা অন্য কোনো ধরনের ডেটা ফাইল সিলেক্ট করা হয়, তখন তা ক্লিপবোর্ডে জমা হয়।

উৎস: Microsoft Support. [link]

৯১.
কোনটি নিজে থেকে অনুকরণ করতে সক্ষম ম্যালওয়্যার?
  1. Browser
  2. Worm
  3. Firewall
  4. Antivirus
সঠিক উত্তর:
Worm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Worm
ব্যাখ্যা

• Worm হলো একটি ধরনের ম্যালওয়্যার যা নিজে থেকে অনুকরণ করতে এবং সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম। এটি কোনো হোস্ট প্রোগ্রামের সঙ্গে যুক্ত না থেকেও স্বতন্ত্রভাবে কাজ করতে পারে। Worm সাধারণত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দ্রুত বিস্তার লাভ করে এবং কম্পিউটারের ফাইল বা সিস্টেমকে ক্ষতি করতে পারে। Browser বা Antivirus নিজে থেকে ম্যালওয়্যার নয়; Browser হলো ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সফটওয়্যার, আর Antivirus হলো সিস্টেমকে ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করার প্রোগ্রাম। Firewall হলো সিস্টেমের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে। তাই নিজে থেকে অনুকরণ করতে সক্ষম ম্যালওয়্যার হলো Worm.

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২.
কম্পিউটারে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) ব্যবহারের প্রধান সুবিধা কী?
  1. শক্তি খরচ বেশি
  2. উৎপাদন কঠিন
  3. ছোট আকার, বেশি নির্ভরযোগ্যতা, কম খরচ
  4. বড় সার্কিট, ধীর কার্যক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ছোট আকার, বেশি নির্ভরযোগ্যতা, কম খরচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছোট আকার, বেশি নির্ভরযোগ্যতা, কম খরচ
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) ব্যবহারের প্রধান সুবিধা হলো ছোট আকার, বেশি নির্ভরযোগ্যতা এবং কম খরচ। ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং অন্যান্য উপাদান একটি ছোট সিলিকন চিপের মধ্যে সংযুক্ত থাকে। এর ফলে সার্কিট ছোট হয়ে যায়, স্থাপন সহজ হয় এবং বিদ্যুৎ খরচও কম থাকে। IC ব্যবহার করলে যান্ত্রিক ত্রুটি কমে যায়, কারণ আলাদা আলাদা উপাদান সংযুক্ত করতে হয় না। এছাড়া উৎপাদন খরচও কম হয় এবং কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তাই আধুনিক কম্পিউটার এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোতে IC-এর ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সঠিক উত্তর: গ) ছোট আকার, বেশি নির্ভরযোগ্যতা, কম খরচ। 

• কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম/জেনারেশন:
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ - ১৯৫৯),
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ - ১৯৬৫),
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ - ১৯৭১),
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ - বর্তমান),
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২ - বর্তমান)।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১):
- একীভূত বর্তনী (IC-Integrated Circuit) এর ব্যবহার।
- মিনি কম্পিউটার আবির্ভাব।
- উন্নত নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
- উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার।
- ন্যানো সেকেন্ডে কাজ সম্পাদন।
- যেমন: IBM 360.

ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট: 
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট। 
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে। 
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়। 
- আইসি আবিষ্কারের সাথে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।

উৎস: 
- কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯৩.
ARPANET কোন প্রধান ইন্টারনেট প্রোটোকলের বিকাশে অবদান রেখেছে?
  1. FTP
  2. SMTP
  3. HTTP
  4. TCP/IP 
সঠিক উত্তর:
TCP/IP 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TCP/IP 
ব্যাখ্যা

• ARPANET ছিল ১৯৬০ এবং ৭০ এর দশকে তৈরি একটি প্রাথমিক কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, যা মূলত মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল। এটি নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তির বিকাশে মাইলফলক হিসাবে কাজ করেছে। ARPANET-এর গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা বিভিন্ন কম্পিউটারকে একসাথে সংযুক্ত করার ধারণা প্রদর্শন করে। এই প্রাথমিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা প্যাকেটের মাধ্যমে প্রেরণ ও গ্রহণের নিয়মগুলো নির্ধারণ করা হয়। এই অভিজ্ঞতা থেকেই TCP/IP প্রোটোকল তৈরি হয়, যা হেটেরোজিনিয়াস নেটওয়ার্কগুলিকে একসাথে কাজ করতে সক্ষম করে এবং আজকের ইন্টারনেটের ভিত্তি স্থাপন করে।

সঠিক উত্তর: ঘ) TCP/IP.

• ARPANET:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৪.
কোনটি P2P নেটওয়ার্কের প্রায়শই ব্যবহৃত উদাহরণ?
  1. BitTorrent ফাইল শেয়ারিং
  2. Netflix-এর স্ট্রিমিং
  3. কর্পোরেট সার্ভার
  4. ওয়েব হোস্টিং
সঠিক উত্তর:
BitTorrent ফাইল শেয়ারিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BitTorrent ফাইল শেয়ারিং
ব্যাখ্যা

• উত্তর: ক) BitTorrent ফাইল শেয়ারিং। 

P2P (Peer-to-Peer) নেটওয়ার্ক হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক যেখানে ব্যবহারকারীরা সরাসরি একে অপরের সাথে সংযোগ স্থাপন করে ফাইল বা ডেটা শেয়ার করে। এতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার বাধ্যতামূলক নয়, বরং প্রতিটি ব্যবহারকারী নেটওয়ার্কে সমানভাবে অংশগ্রহণ করে। BitTorrent ফাইল শেয়ারিং হলো এর একটি সুপরিচিত উদাহরণ। এখানে ব্যবহারকারীরা ফাইলের অংশ ভাগ করে নেন এবং একে অপরকে আপলোড ও ডাউনলোডের মাধ্যমে সহায়তা করেন। অন্যদিকে, Netflix-এর স্ট্রিমিং, কর্পোরেট সার্ভার এবং ওয়েব হোস্টিং কেন্দ্রীয় সার্ভার ব্যবহার করে কাজ করে, যা P2P নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্যের সাথে মেলে না। P2P-এ তথ্য বিনিময় দ্রুত, নিরাপদ এবং বিকেন্দ্রীভূতভাবে ঘটে।
 
 • নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network),
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)।

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।
- ডেডিকেটেড সার্ভার না থাকায় কম্পিউটারগুলোর কোন শ্রেণীবিন্যাস নেই।

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে। তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- researchgate [link]

৯৫.
স্প্রেডশিটে A1 সেল রেফারেন্স দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Sheet 2, Cell A
  2. Sheet 1, Cell A
  3. Column A, Row 1 
  4. Column 1, Row A
সঠিক উত্তর:
Column A, Row 1 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Column A, Row 1 
ব্যাখ্যা

• স্প্রেডশিটে A1 সেল রেফারেন্স হলো একটি নির্দিষ্ট সেল চিহ্নিত করার পদ্ধতি। এখানে A নির্দেশ করছে কলাম A এবং 1 নির্দেশ করছে রো 1, অর্থাৎ কলাম এবং রো মিলিয়ে যে সেলটি তৈরি হয়েছে সেটিই A1. এটি সাধারণত এক্সেল বা গুগল শীটের মতো সফটওয়্যারে ব্যবহার করা হয়, যেখানে প্রতিটি সেলকে সহজেই চিহ্নিত করতে হয়। সেল রেফারেন্স ব্যবহার করে ব্যবহারকারী সূত্র, ডাটা অথবা ফর্মুলা প্রয়োগ করতে পারে নির্দিষ্ট সেলের উপর। A1 রেফারেন্স দ্বারা বোঝানো হয় Column A এবং Row 1-এর সেল, যা স্প্রেডশিটের বাম উপরের কোণে অবস্থিত।

উত্তর: গ) Column A, Row 1

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।

যেমন-
• Spreadsheet Package Program : 
- Lotus 1-2-3, 
- MS Excel, 
- Quattro Pro.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬.
যদি একটি প্রসেসর 1 সেকেন্ডে 20 লাখ নির্দেশনা সম্পন্ন করে, তাহলে এর MIPS রেটিং কত হবে?
  1. 2 MIPS
  2. 1 MIPS
  3. 4 MIPS
  4. 0.5 MIPS
সঠিক উত্তর:
2 MIPS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2 MIPS
ব্যাখ্যা

• একটি প্রসেসর যদি ১ সেকেন্ডে ২০ লাখ (২,০০,০০০০) নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে, তবে তার MIPS রেটিং নির্ণয় করা যায়। MIPS অর্থ “Million Instructions Per Second”, যা বোঝায় প্রতি সেকেন্ডে কত মিলিয়ন নির্দেশনা প্রসেসরটি সম্পাদন করতে সক্ষম। এখানে নির্দেশনাগুলোর সংখ্যা ২ মিলিয়ন এবং সময় ১ সেকেন্ড। MIPS হিসাব করার সূত্র হলো:

MIPS = (Number of Instructions Executed) / (Execution Time in Seconds × 106)

যদি আমরা সংখ্যা বসাই: MIPS = 2,000,000 / (1 × 106) = 2

অতএব, এই প্রসেসরের MIPS রেটিং হলো 2 MIPS. এটি নির্দেশ করে যে প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ২ মিলিয়ন নির্দেশনা কার্যকর করতে সক্ষম।

• MIPS:
- MIPS (Million Instructions Per Second) হল কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা দিয়ে একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কত মিলিয়ন নির্দেশাবলী কার্যকর করতে পারে তা নির্ধারণ করা হয়। 
- এটি বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computer) প্রসেসরগুলোর কার্যক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য জনপ্রিয় ছিল। যদিও বর্তমানে প্রসেসরের গতি MHz বা GHz এককে পরিমাপ করা হয়।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি, ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ওপর।
- এটি একটি পুরনো কিন্তু কার্যকর পরিমাপ পদ্ধতি যা কম্পিউটারের প্রসেসরের গতিকে সরাসরি নির্দেশ করে।
- একটি প্রসেসরের MIPS রেটিং যত বেশি, তার ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা তত বেশি।

উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

৯৭.
NOR গেট সম্পর্কে কোনটি সত্য?
  1. এটি একটি ইউনিভার্সাল গেট 
  2. এটি AND গেটের মতো
  3. এটি অন্যান্য গেট বাস্তবায়নে ব্যবহার করা যায় না
  4. এটি কেবল ১টি ইনপুটে কাজ করে
সঠিক উত্তর:
এটি একটি ইউনিভার্সাল গেট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি একটি ইউনিভার্সাল গেট 
ব্যাখ্যা

• NOR গেট একটি ডিজিটাল লজিক গেট যা ইনপুটের লজিকাল OR-এর আউটপুটকে ইনভার্ট করে। অর্থাৎ, যদি সব ইনপুট ০ হয়, তখন আউটপুট ১ হয়, অন্য কোনো ক্ষেত্রে আউটপুট ০ হয়। এটি ইউনিভার্সাল গেট হিসেবে পরিচিত, কারণ এর সাহায্যে AND, OR, NOT সহ সব ধরনের লজিক গেট তৈরি করা যায়। NOR গেটের তুলনা সরাসরি AND গেটের সাথে করা যায় না, কারণ AND গেট তখনই আউটপুট ১ দেয় যখন সব ইনপুট ১ হয়। এছাড়া, NOR গেট একাধিক ইনপুট নিয়ে কাজ করতে পারে, একটিমাত্র ইনপুটে সীমাবদ্ধ নয়। সুতরাং, এর সঠিক বৈশিষ্ট্য হলো এটি একটি ইউনিভার্সাল গেট।

সঠিক উত্তর: ক) এটি একটি ইউনিভার্সাল গেট।

• নর গেইট:
- NOR গেট হলো একটি ইউনিভার্সাল গেট যা OR গেট এবং NOT গেটের সমন্বয়ে গঠিত। এটি প্রথমে ইনপুটগুলোর OR অপারেশন করে এবং তারপর ফলাফলটিকে উল্টে দেয়।
- অর (OR) গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।
- NOR গেইটের আউটপুট 1 হবে যখন সবগুলো ইনপুট 0 হবে।
- NOR গেইটের আউটপুট 0 হবে যখন যে কোনো ইনপুট 0 হবে এবং দুইটি ইনপুট যখন 1 হবে।

 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯৮.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. শারীরিক
  2. দুরবস্থা
  3. নৈর্ঋত
  4. বাল্মিকি
সঠিক উত্তর:
বাল্মিকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাল্মিকি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?

সমাধান:
অশুদ্ধ বানান: বাল্মিকি
শুদ্ধ বানান : বাল্মীকী

উল্লেখ্য,
শারীরিক, দুরবস্থা, নৈর্ঋত (দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ) তিনটি বানানই শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং অভিগম্য অভিধান।

৯৯.
চ, ছ-এর থেকে খাটো, ছ-এর থেকে জ লম্বা, ঝ-এর থেকে জ খাটো। ঞ, জ-এর থেকে খাটো কিন্তু ছ-এর থেকে বড়। সবচেয়ে লম্বা কে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: চ, ছ-এর থেকে খাটো, ছ-এর থেকে জ লম্বা, ঝ-এর থেকে জ খাটো। ঞ, জ-এর থেকে খাটো কিন্তু ছ-এর থেকে বড়। সবচেয়ে লম্বা কে?

সমাধান:
ঝ সবচেয়ে লম্বা।

এখানে,
ছ > চ
জ > ছ
ঝ > জ
জ > ঞ
ঞ > ছ

লম্বা থেকে খাটোর ক্রমটি হবে, ঝ > জ > ঞ > ছ > চ
অর্থাৎ সবচেয়ে লম্বা হলো ঝ।

১০০.
"UNIVERSITY" শব্দটির পানিতে প্রতিবিম্ব কোনটি?
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: "UNIVERSITY" শব্দটির পানিতে প্রতিবিম্ব কোনটি?

    সমাধান:
    সঠিক উত্তর - খ)
     "UNIVERSITY" শব্দটির পানিতে প্রতিবিম্ব- 

    ১০১.
    Chapter : Book : : Act : ?
    1. Play
    2. Read
    3. Journey
    4. Reaction
    সঠিক উত্তর:
    Play
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Play
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: Chapter : Book : : Act : ?

    সমাধান:
    সঠিক উত্তর: ক) Play

    এটি একটি সাদৃশ্য সম্পর্ক (Analogy)।
    - Chapter (অধ্যায়) হলো Book (বই) এর একটি অংশ বা ভাগ।
    - একইভাবে, Act (অঙ্ক বা দৃশ্য) হলো Play (নাটক) এর একটি অংশ বা ভাগ।

    ১০২.
    নিচের কোনটি লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ নয়?
    1. ২০২৪
    2. ২০২৮
    3. ১৮০০
    4. ১৬০০
    সঠিক উত্তর:
    ১৮০০
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৮০০
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: নিচের কোনটি লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ নয়?

    সমাধান:
    সঠিক উত্তর: গ) ১৮০০ সাল

    অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার নির্ণয়ের দুটি প্রধান নিয়ম রয়েছে:
    ১. সাধারণ বছর: বছরটি ৪ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য হতে হবে।
    ২. শতাব্দী বছর (১০০ দ্বারা বিভাজ্য): বছরটি ৪০০ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য হতে হবে।

    এখন,
    ক) ২০২৪ সাল: ২০২৪ ÷ ৪ = ৫০৬ (ভাগশেষ ০)।
    ⇒ অধিবর্ষ।

    খ) ২০২৮ সাল: ২০২৮ ÷ ৪ = ৫০৭ (ভাগশেষ ০)।
    ⇒ অধিবর্ষ।

    গ) ১৮০০ সাল (শতাব্দী বছর): ১৮০০ ÷ ৪০০ দ্বারা বিভাজ্য নয় (ভাগশেষ ২০০)।
    ⇒ অধিবর্ষ নয়।

    ঘ) ১৬০০ সাল (শতাব্দী বছর): ১৬০০ ÷ ৪০০ = ৪ (ভাগশেষ ০)।
    ⇒ অধিবর্ষ।

    অতএব, ১৮০০ সালটি অধিবর্ষ নয়।

    ১০৩.
    'Memorandum' এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
    1. পরিপত্র
    2. ব্যবস্থাপক
    3. পাণ্ডুলিপি
    4. স্মারকলিপি
    সঠিক উত্তর:
    স্মারকলিপি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    স্মারকলিপি
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 'Memorandum' এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?

    সমাধান:
    'Memorandum' শব্দের বাংলা পরিভাষা: স্মারকলিপি।

    অন্যদিকে,
    'Circular' অর্থ- পরিপত্র।
    'Manifesto' অর্থ- ইশতেহার।
    'Manuscript' অর্থ- পাণ্ডুলিপি।
    'Manager' অর্থ- ব্যবস্থাপক।

    উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।

    ১০৪.
    'Madrid'-এর সাথে স্পেন যেভাবে সম্পর্কিত, ঠিক সেভাবে 'Vienna'-এর সাথে কোন দেশ সম্পর্কিত?
    1. মিশর
    2. অস্ট্রিয়া
    3. রাশিয়া
    4. থাইল্যান্ড
    সঠিক উত্তর:
    অস্ট্রিয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অস্ট্রিয়া
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 'Madrid'-এর সাথে স্পেন যেভাবে সম্পর্কিত, ঠিক সেভাবে 'Vienna'-এর সাথে কোন দেশ সম্পর্কিত?

    সমাধান:
    Madrid হলো স্পেনের রাজধানী।
    Vienna হলো অস্ট্রিয়ার রাজধানী।

    অতএব, Vienna, অস্ট্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত।

    ১০৫.
    প্রশ্নবোধক (?) স্থানে নিচের কোনটি বসবে?
      সঠিক উত্তর:
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক (?) স্থানে নিচের কোনটি বসবে?


      সমাধান:
      সঠিক উত্তর: খ)

      কালো বিন্দু:
      প্রতি ধাপে ১টি করে বাড়ে এবং তারা পর্যায়ক্রমে উপরে ও নিচে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে।
      সাদা বিন্দু: প্রতি ধাপে ১টি করে কমে এবং তারা পর্যায়ক্রমে নিচে ও উপরে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে।

      ১০৬.
      প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 
      ৫, ৮, ১৪, ২৬, ৫০, ৯৮, ?
      1. ১৩৮
      2. ১৬৪
      3. ১৯৪
      4. ২১০
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৪
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৪
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
      ৫, ৮, ১৪, ২৬, ৫০, ৯৮, ?

      সমাধান:
      ৮ - ৫ = ৩
      ১৪ - ৮ = ৬
      ২৬ - ১৪ = ১২
      ৫০ - ২৬ = ২৪
      ৯৮ - ৫০ = ৪৮

      প্রতিটি পার্থক্য পূর্ববর্তী পার্থক্যের দ্বিগুণ- ৩, ৬, ১২, ২৪, ৪৮.......
      তাই পরবর্তী পার্থক্য হবে = ৪৮ × ২ = ৯৬

      সুতরাং পরবর্তী সংখ্যা = ৯৮ + ৯৬ = ১৯৪

      ১০৭.
      কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান উৎসব 'সোহরাই'?
      1. সাঁওতাল
      2. মণিপুরী
      3. খাসিয়া
      4. ত্রিপুরা
      সঠিক উত্তর:
      সাঁওতাল
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      সাঁওতাল
      ব্যাখ্যা

      সাঁওতাল:
      - সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
      - তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়। সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
      - তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে।
      - সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই। সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
      - সাওতালদের সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।
      - সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য সূর্য।
      - সাঁওতাল সমাজ প্রধানত কৃষিনির্ভর। 
      - সাঁওতালদের নিজস্ব ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই।
      - সাঁওতালদের মধ্যে এখনও ১২টি গোত্রবিভাগ রয়েছে।  সাঁওতাল গ্রামগুলো দিশাম নামে পরিচিত।
      - সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মাঝে প্রচলিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মাঝে অন্যতম হলো ঝুমুর গান ও নাচ। সাধারণত বিয়ের উৎসব ও করম উসবে সাঁওতালরা ঝুমুর গান ও নাচ পরিবেশন করে থাকে।

      অন্যদিকে -
      - খাসিয়াদের প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
      - ত্রিপুরাদের প্রধান উৎসব বৈসু।
      - মণিপুরীদের প্রধান উৎসব রাসপূর্ণিমা।

      উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
      ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

      ১০৮.
      শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুসারে, কোন বিভাগে বেকারত্বের হার সবচেয়ে কম?
      1. ময়মনসিংহ
      2. চট্টগ্রাম
      3. বরিশাল
      4. ঢাকা 
      সঠিক উত্তর:
      ময়মনসিংহ
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ময়মনসিংহ
      ব্যাখ্যা

      শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪:
      - শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে বেকারত্বের হার সর্বোচ্চ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে বেকারত্বের হার সবচেয়ে কম।

      ⇒ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
      - প্রতিবেদন অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি বেকার ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে ৬ লাখ ৮৭ হাজার বেকার আছে।
      - দেশের বিভাগওয়ারি হিসাবে ঢাকা বিভাগের পর চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ লাখ ৮৪ হাজার, রাজশাহীতে ৩ লাখ ৫৭ হাজার, খুলনায় ৩ লাখ ৩১ হাজার, সিলেটে ২ লাখ ১৬ হাজার, রংপুরে ২ লাখ ৬ হাজার, বরিশালে ১ লাখ ৩৯ হাজার এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ১ লাখ ৪ হাজার বেকার আছে।
      - বিবিএসের জরিপ অনুসারে, দেশে যত বেকার আছে, তাঁদের মধ্যে সাড়ে ১৩ শতাংশ স্নাতক ডিগ্রিধারী।

      ⇒ শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুসারে, 
      - কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৪৪.৬৭%।
      - শিল্প খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ১৭.৩৭%।
      - সেবা খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৩৭.৯৬%।

      উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
      ii) প্রথম আলো।

      ১০৯.
      নিম্নের কোনটি ভুট্টার উন্নত জাত?
      1. বাহার
      2. শ্রাবণী
      3. সুমাত্রা
      4. মোহর
      সঠিক উত্তর:
      মোহর
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      মোহর
      ব্যাখ্যা

      ভুট্টা:
      - ভুট্টা (বৈজ্ঞানিক নাম: Zea mays) একপ্রকারের খাদ্য শস্য।
      - ধান ও গমের তুলনায় ভুট্টার পুষ্টিমান বেশী।
      - এতে প্রায় ১১% আমিষ জাতীয় উপাদান রয়েছে। 
      - বেলে দোআশ ও দোআশ মাটি ভুট্টা চাষের জন্য উপযোগী। 
      - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
      - উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, মোহর ও উত্তরণ।

      অন্যদিকে,
      • উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
      • উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।

      উৎস: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট। 

      ১১০.
      বর্তমানে কত তারিখে 'জাতীয় চা দিবস' পালন করা হয়? [নভেম্বর, ২০২৫]
      1. ৪ জুন
      2. ১৬ মার্চ 
      3. ২২ ফেব্রুয়ারি
      4. ২১ মে
      সঠিক উত্তর:
      ২১ মে
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ২১ মে
      ব্যাখ্যা

      জাতীয় চা দিবস:
      - বর্তমানে ২১ মে 'জাতীয় চা দিবস' পালন করা হয়।
      - বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ২১ মে 'জাতীয় চা দিবস' হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে।

      ⇒ ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে জাতীয় চা পুরস্কার নীতিমালা, ২০২২ সংশোধনের মাধ্যমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দিবসটি পরিবর্তন করেছে।
      - উল্লেখ্য, এত দিন ৪ জুন জাতীয় চা দিবস পালন করা হতো।
      - এখন আন্তর্জাতিক চা দিবস ২১ মের সাথে মিল রেখে দিবসটি পরিবর্তন করা হয়।
      -  ‘চা উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক বিভিন্ন দেশ ও সংগঠনের আহ্বানে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি ২০২০ সাল থেকে প্রতিবছর ২১ মে আন্তর্জাতিক চা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। চা উৎপাদনকারী দেশগুলো ২১ মে “আন্তর্জাতিক চা দিবস” পালন করে থাকে। বিশ্বের অন্যান্য চা উৎপাদনকারী দেশের সঙ্গে মিল রেখে ২১ মে জাতীয় চা দিবস ঘোষণা করেছে।’

      উল্লেখ্য,
      - ২১ মে 'জাতীয় চা দিবস' হিসেবে ঘোষণার পূর্বে ৪ জুন দেশে জাতীয় চা দিবস পালিত হতো।

      উৎস: প্রথম আলো।

      ১১১.
      পশ্চিম পাকিস্তান আমাদের কত বছর শাসন করেছে?
      1. ২০ বছর
      2. ২২ বছর
      3. ২৪ বছর
      4. ২৬ বছর
      সঠিক উত্তর:
      ২৪ বছর
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ২৪ বছর
      ব্যাখ্যা

      পশ্চিম পাকিস্তান:
      - ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট এক হাজার মাইলের অধিক ব্যবধান এবং বিচ্ছিন্নতাসহ পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তান নিয়ে গঠিত হয়েছিল পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র।
      - পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির শুরু থেকেই পূর্ব বাংলা প্রদেশকে পাকিস্তানের একটি উপনিবেশে পরিণত করার প্রচেষ্টা চালায়।
      - পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী অত্যন্ত সুকৌশলে পূর্ববাংলার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন শুরু করে। যার ফলে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সৃষ্টি হয় ব্যাপক বৈষম্যের পাহাড়। পাকিস্তানি অপশাসন ও শোষণের ফলে পূর্ব বাংলার সম্পদ পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে থাকে।
      - পাকিস্তানের দুই অংশের উন্নয়ন ও বাস্তব পরিস্থিতিতে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অপশাসন ও শোষণের অভিঘাতে পূর্ববাংলা প্রথমে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকারের দাবি তোলে।
      -  দীর্ঘ ২৪ বছরই সামরিক চক্র ও আমলারা দেশ শাসন করেন।
      - অতঃপর ১৯৭০ এর সাধারণ নির্বাচন, ফলাফল বানচাল এবং পরবর্তী অসহযোগ আন্দোলনের পথ ধরে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। 

      উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১১২.
      সংবিধান অনুসারে কোনটিকে অর্থবিল হিসেবে গণ্য করা হয় না?
      1. সরকার কর্তৃক ঋণ গ্রহণ
      2. সংযুক্ত তহবিল সংক্রান্ত ব্যয়
      3. স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর
      4. সরকারের হিসাব ও নিরীক্ষা
      সঠিক উত্তর:
      স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর
      ব্যাখ্যা

       অর্থবিল:
      - অর্থবিল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল।
      - কোনো বিল অর্থবিল কিনা এ প্রশ্নে স্পিকারের দেওয়া সার্টিফিকেট চূড়ান্ত মত বলে গৃহীত হয়।
      - অর্থবিল বা অর্থব্যয় সংক্রান্ত বিলের উদ্যোক্তা সরকার।

      ⇒ প্রতি বছর পরবর্তী বছরের জন্য সরকারের আর্থিক প্রস্তাবাবলি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা হয়।
      - সংসদে উত্থাপনের পর যথানিয়মে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিলটি পাস করতে হয়।
      - অর্থবিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য উপস্থাপিত হলে পনের দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতি প্রদান করেন।
      - রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদানে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের শেষে বিলটি আইনে পরিণত হয়।

      উল্লেখ্য,
      - বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

      ⇒  অনুচ্ছেদ ৮১(১)-এ অর্থবিলের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে—
      • কর সংক্রান্ত পরিবর্তন,
      • সরকার কর্তৃক ঋণ গ্রহণ বা দায়-দায়িত্ব,
      • সংযুক্ত তহবিল সংক্রান্ত ব্যয়, 
      • সরকারের হিসাব ও নিরীক্ষা। 

      কিন্তু ৮১(২)-এ বলা হয়েছে—
      - শুধু স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর, জরিমানা, লাইসেন্স ফি বা ফি ধার্যকরণ–এর মতো বিষয় কোনো বিলকে অর্থবিল হিসেবে গণ্য করবে না।

      উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
      ii) বাংলাপিডিয়া।

      ১১৩.
      সম্প্রতি দেশের পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে কী নামকরণ করা হয়? [নভেম্বর, ২০২৫]
      1. সমন্বিত ইসলামী ব্যাংক
      2. সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
      3. বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক 
      4. কেন্দ্রীয় ইসলামী ব্যাংক 
      সঠিক উত্তর:
      সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
      ব্যাখ্যা

      সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক:
      - ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে নামকরণ করা হয় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক (Sammilito Islami Bank Limited)। 
      - ব্যাংকগুলো হচ্ছে: ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।

      ⇒ সরকারের পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ হবে এই ব্যাংকের মালিক। আগে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ নামে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করা হবে। তারপর যৌথ মূলধনী কোম্পানিজ ও ফার্মগুলো থেকে কোম্পানির নিবন্ধন নেওয়া হবে। তারপর ওই কোম্পানির নামে নতুন ব্যাংক ব্যবসার লাইসেন্স নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আবেদন করা হবে।

      ⇒  ৯ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে পাঁচ ব্যাংক একীভূত করার প্রস্তাব অনুমোদন করে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। এতে সিদ্ধান্ত হয়, নতুন ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হবে ৪০ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি। পরিশোধিত মূলধনের ২০ হাজার কোটি টাকা দেবে সরকার। 

      উৎস: i) BRAC EPL.
      ii) প্রথম আলো।

      ১১৪.
      বাংলাদেশের কোন জেলায় আলুর উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
      1. রংপুর
      2. দিনাজপুর 
      3. ঠাকুরগাঁও 
      4. পাবনা 
      সঠিক উত্তর:
      রংপুর
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      রংপুর
      ব্যাখ্যা

      আলু:
      - আলু বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফসল।
      - উৎপাদনের দিক থেকে ধান, গম ও ভুট্টার পরেই চতুর্থ স্থানে আছে আলু।
      - আলু একটি স্টার্চ প্রধান খাদ্য এবং ভাতের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
      - আলু চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।

      উল্লেখ্য,
      - বর্তমানে আলু চাষের মোট জমির শতকরা ৬৫ ভাগ জমিতে উন্নত জাতের আলু এবং ৩৫ ভাগ জমিতে দেশি জাতের আলুর চাষ হয়ে থাকে।
      - ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত যেসব উন্নত জাতের আলুর চাষ হচ্ছে তার মধ্যে হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।
      - এগুলো সবই উচ্চফলনশীল জাত।

      ⇒ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: রংপুর।

      উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
      ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

      ১১৫.
      কৌটিল্য কোন রাজার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন?
      1. সম্রাট অশোক
      2. কুমারগুপ্ত
      3. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
      4. ধর্মপাল
      সঠিক উত্তর:
      চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
      ব্যাখ্যা

      কৌটিল্য: 
      - ভারতে মৌর্য শাসনের শুরু করেছিলেন রাজা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
      - সেই রাজার প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষাগুরু ছিলেন কৌটিল্য।
      - সংস্কৃত ভাষায় রচিত খ্রিস্টপূর্ব তিন শতকের এ গ্রন্থটির রচয়িতা ছিলেন সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী কৌটিল্য যিনি অতীব বুদ্ধিমান ‘চাণক্য’ বা সম্রাটের প্রাথমিক জীবনের শিক্ষক বিষ্ণুগুপ্ত বলেও পরিচিত।

      ⇒ বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, সেই সময় কৌটিল্য তাঁর অর্থশাস্ত্রে যা লিখে গেছেন, তা আজকের রাজনীতি, কূটনীতি, প্রশাসন ব্যবস্থাপনা, সমাজনীতি ও অর্থনীতিতে সমানভাবে প্রযোজ্য।
      - কৌটিল্য তাঁর শাস্ত্রে লিখেছেন, ‘সকল উদ্যোগের সাফল্য নির্ভর করে অর্থের ওপর। সে জন্য সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিতে হবে খাজাঞ্চিখানার দিকে। জিহ্বার ডগায় বিষ রেখে যেমন মধুর স্বাদ আস্বাদন সম্ভব নয়, তেমনি একজন লোক রাজকর্মচারী হয়ে রাজার রাজস্বের সামান্য পরিমাণ না খেয়ে বসে থাকবেন, এটা অবিশ্বাস্য। জলের নিচের মাছের গতিবিধি যেমন লক্ষ করা সম্ভব নয়, তেমনি রাজকর্মচারীর তহবিল আত্মসাৎ করাও পর্যবেক্ষণ করা অসম্ভব। আকাশের অতি উঁচুতে পাখির ওড়াউড়ি দেখা সম্ভব, কিন্তু রাজকর্মচারীর সকল কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া অসম্ভব।’

      উল্লেখ্য,
      - ভারতবর্ষের প্রথম সাম্রাজ্যের নাম মৌর্য সাম্রাজ্য। মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হচ্ছেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
      - তার রাজত্বকাল খ্রিস্টপূর্ব ৩২২-২৯৮ অব্দ পর্যন্ত। 
      - চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যই প্রাচীন ভারতে অখন্ড ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পথে প্রথম বড় ধরনের সফল পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তাঁর সময় থেকেই সর্বভারতীয় চিন্তা-চেতনার প্রসার ঘটে। বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার-প্রসার বাড়তে থাকে।
      - তার রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র।

      উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
        ii) প্রথম আলো।

      ১১৬.
      ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং-এর প্রতিবেদনে '১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যা' কী শিরোনামে পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
      1. Pakistan Army Retreats in Dhaka
      2. Bangladesh Independence Declared
      3. Mass Protest in Dhaka
      4. Tanks Crush Revolt in Pakistan 7,000 slaughtered: Homes burned
      সঠিক উত্তর:
      Tanks Crush Revolt in Pakistan 7,000 slaughtered: Homes burned
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      Tanks Crush Revolt in Pakistan 7,000 slaughtered: Homes burned
      ব্যাখ্যা

      বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং:
      - সাইমন ড্রিং (জন্ম ১৯৪৫) একজন ব্রিটিশ সাংবাদিক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও পরিচালক এবং ২৫শে মার্চ বর্বর পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রথম প্রত্যক্ষদর্শী বিদেশী সংবাদদাতা।
      - তিনি লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ, ডেইলি মেইল, দ্য সানডে টাইমস, নিউজউইক, বিবিসি টেলিভিশন রেডিও নিউজ, রয়টার প্রভৃতি গণমাধ্যমে সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন।
      - ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে চালুকৃত প্রথম বেসরকারি চ্যানেল একুশে টেলিভিশন-এর তিনি যুগ্ম ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। 

      ⇒ লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে যুদ্ধের পূর্বেই তাঁর ঢাকায় আগমন।
      - দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ-এর প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করার সময় ১৯৭১ সালের ৬ মার্চ কম্বোডিয়া থেকে ঢাকায় আসেন সাইমন ড্রিং।
      - ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অপারেশন সার্চলাইট নামে বাঙালিদের ওপরে সশস্ত্র আক্রমণ ও গণহত্যা, ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ইত্যাদি পটভূমিতে শুরু হয় ৯ মাসব্যাপী বাঙালিদের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ, যাতে ৩০ লক্ষ বাঙালিকে জীবনদান ও কয়েক লক্ষ মা-বোনকে সম্ভ্রম বিসর্জন দিতে হয়।

      ⇒ ২৫শে মার্চ রাতে বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা শুরুর পূর্বে শাহবাগস্থ তখনকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ২শর মতো বিদেশী সাংবাদিককে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা কঠোর প্রহরায় বিশেষ কক্ষে আবদ্ধ করে রাখে। তাঁদের মধ্যে লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকার প্রতিনিধি সাইমন ড্রিংও ছিলেন।
      - সকলকে পরের দিন প্লেনে তুলে পাঠিয়ে দেয়া হলেও সাইমন ড্রিং ও এসোসিয়েটেড প্রেসের ফটোগ্রাফার মাইকেল লরেন্ট  লুকিয়ে থেকে নিজেদের সাময়িকভাবে রক্ষা করতে সক্ষম হন।
      - ২৭শে মার্চ কিছু সময়ের জন্য কারফিউ তুলে নেয়া হলে তাঁরা দুজন ঢাকা শহরে বেড়িয়ে পড়েন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল (বর্তমান জহুরুল হক হল), জগন্নাথ হল, রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বঙ্গবন্ধুর ৩২নং ধানমন্ডির বাস ভবন, রেসকোর্সের কালীবাড়ি মন্দির, পুরনো ঢাকার হিন্দু অধ্যুষিত এলাকাসহ ২৫শে মার্চ রাত থেকে শুরু করে পাকহানাদারদের দ্বারা ধ্বংসপ্রাপ্ত ঢাকা নগরীর বিভিন্ন স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাইমন ড্রিং একটি প্রতিবেদন তৈরি করেন।
      - এটি ৩০শে মার্চ, ১৯৭১ লন্ডন থেকে প্রকাশিত দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় 'Tanks Crush Revolt in Pakistan 7,000 slaughtered: Homes burned' শিরোনামে প্রথম পৃষ্ঠায় তিন কলামে সাইমন ড্রিং (তখন বয়স ২৭)-এর ছবিসহ সবিস্তার ছাপা হয়।
      - বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ২৫শে মার্চের হত্যাকাণ্ডের কোনো প্রত্যক্ষদর্শী বিদেশী সাংবাদিকের এটিই ছিল প্রথম প্রতিবেদন।
      - এটি প্রকাশিত হওয়ার পর ঢাকায় সে রাতে ও পরবর্তী দুদিন পাকবাহিনী কী নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসলীলা চালিয়েছিল, সে সম্বন্ধে বিশ্ববাসী জানতে পারে।

      উল্লেখ্য, 
      - ২৫শে মার্চ রাতে বাঙালিদের ওপর পাকহানাদার বাহিনীর অতর্কিত আক্রমণ ও গণহত্যার সবিস্তার বিবরণ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাংবাদিক সাইমন ড্রিং বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে যে অসামান্য অবদান রেখেছেন তার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০১২ সালে তাঁকে 'মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা'য় ভূষিত করা হয়। 

      এছাড়াও,
      - এভাবে এস্থনি ম্যাসকারেনহাস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের চাঞ্চল্যকর তথ্য সারা বিশ্বে প্রকাশ করেন।
      - বিবিসির সাংবাদিক মার্ক টালি পুরোটা সময় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে খবর প্রচার করে গেছেন।
      - এদিকে দেশে অবরুদ্ধ থেকেও অনেক বাঙালি সাংবাদিক ঝুঁকি নিয়ে বিদেশে খবর পাঠিয়েছেন।
      - একাত্তরের শহিদ নিজামউদ্দিন ও নাজমুল হক এরকমই দুজন সাংবাদিক।
      - এছাড়া আকাশবাণী, বিবিসি, ভোয়া প্রভৃতি বেতারকেন্দ্র আমাদের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল।
      - আকাশবাণী কলকাতা থেকে প্রতি রাতে প্রচারিত 'সংবাদ পরিক্রমা' খুবই জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ছিল।
      - স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের 'বজ্রকণ্ঠ' ও 'চরমপত্রসহ' বিভিন্ন অনুষ্ঠান শ্রোতাদের মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেছে।

      উৎস: i) সংগ্রামের নোটবুক।
      ii) দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা।

      ১১৭.
      সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন?
      1. ৫৫ 
      2. ৭৭ 
      3. ৮৮ 
      4. ৯৯
      সঠিক উত্তর:
      ৭৭ 
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ৭৭ 
      ব্যাখ্যা

      বাংলাদেশের সংবিধান:
      - সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।

      ⇒ অনুচ্ছেদ - ৭৭ : ন্যায়পাল: 
      ১. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
      ২. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়, সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরকম দায়িত্ব প্রদান করবেন, ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
      ৩. ন্যায়পাল তার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হবে।
       
      অন্যদিকে -
      - বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫ নং অনুচ্ছেদে 'মন্ত্রিসভা'-এর উল্লেখ আছে।
      - বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৮ নং অনুচ্ছেদে 'সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়'-এর উল্লেখ আছে।
      - বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৯ নং অনুচ্ছেদে 'অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা'-এর উল্লেখ আছে।
       
      উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

      ১১৮.
      দেশে প্রয়োজনীয় ঔষধের কত শতাংশ দেশে উৎপাদন হয়? [নভেম্বর, ২০২৫]
      1. ৭৫ শতাংশ
      2. ৮১ শতাংশ
      3. ৮৭ শতাংশ
      4. ৯৮ শতাংশ
      সঠিক উত্তর:
      ৯৮ শতাংশ
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ৯৮ শতাংশ
      ব্যাখ্যা

      ওষুধশিল্প:
      - দেশে প্রয়োজনীয় ঔষধের ৯৮ শতাংশ দেশে উৎপাদন হয়।

      ⇒ স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল। ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
      - বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
      - বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
      - বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

      উল্লেখ্য,
      - বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে। এরপর গত কয়েক দশকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোয় ওষুধের বৃহত্তম উৎস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। 
      - বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে। বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে প্রথম ঔষধ রপ্তানি করা হয় শ্রীলঙ্কায়।

      উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
               ii) প্রথম আলো।

      ১১৯.
      ফ্লাউড কমিশনের সাথে নিম্নের কোন আন্দোলন সম্পর্কিত?
      1. তেভাগা আন্দোলন
      2. টঙ্ক আন্দোলন
      3. ওয়াহাবি আন্দোলন
      4. ফরায়েজি আন্দোলন
      সঠিক উত্তর:
      তেভাগা আন্দোলন
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      তেভাগা আন্দোলন
      ব্যাখ্যা

      ফ্লাউড কমিশন:
      - ফ্লাউড কমিশন ১৯৩৮ সালে বঙ্গীয় সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ভূমি রাজস্ব কমিশন। 
      - ১৯৩৭ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর এ.কে ফজলুল হক মুসলিম লীগ ও কংগ্রেস ব্যতিরেকে অন্যান্য সংসদীয় দলের সমর্থন নিয়ে একটি কোয়ালিশন সরকার গঠন করেন। 
      - এ উদ্দেশ্যে স্যার ফ্রান্সিস ফ্লাউড-এর নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠিত হয়।
      - কমিশনের বিচার্য ছিল ভূমি রাজস্ব প্রশাসন সংক্রান্ত সমস্যাবলির সমাধান বিশেষত জমিদারি প্রথা বাতিল সংক্রান্ত বিষয় বিবেচনা করা।
      - ১৯৪০ সালের ২ মার্চ কমিশনের সুপারিশমালা পেশ করা হয়। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা বাতিল এবং ভূমি নিয়ন্ত্রণে সকল মধ্যবর্তী স্বত্ব বিলোপ সাধন উক্ত সুপারিশমালার অন্তর্ভুক্ত ছিল।
      - এ সুপারিশগুলি ১৯৪৪ সালের প্রশাসনিক তদন্ত কমিটির জোরালো সমর্থন লাভ করে। কিন্তু ফ্লাউড কমিশনের সুপারিশমালা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকার খুব বেশিদূর অগ্রসর হতে পারে নি। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, ১৯৪৩ সালের মহাদুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা এবং ভারত বিভাগের রাজনীতি প্রভৃতি ছিল এর প্রধান অন্তরায়। এসব সীমাবদ্ধতার কারণে ফজলুল হক, খাজা নাজিমউদ্দীন ও সোহরাওয়ার্দী সরকারের আমলে ফ্লাউড কমিশন রিপোর্টের বাস্তবায়ন স্থগিত থাকে, যদিও সব কটি সরকারই জমিদারি প্রথা উচ্ছেদের ব্যাপারে যথেষ্ট আগ্রহী ছিল। পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর আওতায় ১৯৫১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার বিলুপ্তি ঘটে। 

      ⇒ তেভাগা আন্দোলন কৃষি উৎপাদনের দুই-তৃতীয়াংশের দাবিতে সংগঠিত বর্গাচাষিদের আন্দোলন।
      - ১৯৪৬-৪৭ সালে এ আন্দোলন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল।
      - মূলত তেভাগা আন্দোলন সংগঠিত করেন বাংলার প্রাদেশিক কৃষকসভার কম্যুনিস্ট কর্মীরা।
      - তাদের নেতৃত্বে বর্গাচাষিরা ভূমিমালিক শ্রেণীর বিরুদ্ধে আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ হয়। খুব দ্রুত নিচের স্তরে এর নেতৃত্ব গড়ে ওঠে।
      - এ তেভাগা আন্দোলন বাংলার ১৯টি জেলায় ছড়িয়ে পড়ে।
      - আন্দোলনটি তীব্র আকার ধারণ করে দিনাজপুর, রংপুর, জলপাইগুড়ি, খুলনা, ময়মনসিংহ, যশোর এবং চবিবশ পরগনা জেলায়। 
      - এ আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল বর্গাচাষিদের অধিকার আদায়।

      ⇒ তেভাগা আন্দোলনের মূল কারণ ছিল:
      - জমির মালিক ও বর্গাচাষীদের মধ্যে ফসলের ভাগ নিয়ে অসন্তোষ।
      - বর্গাচাষীদের উপর জমিদার ও জোতদারদের শোষণ।
      - ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ এবং এর পরবর্তী অর্থনৈতিক সংকট।
      - ফ্লাউড কমিশনের সুপারিশ যা উৎপাদিত ফসলের দুই-তৃতীয়াংশ চাষীদের দেয়ার কথা বলেছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি।

      ⇒ তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন ইলা মিত্র। তেভাগা আন্দোলন যখন স্তিমিত হওয়ার পথে তখন নাচোলের রাণী ইলা মিত্র এই আন্দোলন পুনরুজ্জীবিত করেন।
      - এই আন্দোলনের আরেকজন নেতা হলেন হাজী দানেশ।
      - কৃষকদের অধিকার আদায়ে তেভাগা আন্দোলনে অগ্রপথিকের ভূমিকা পালন করেন নড়াইলের অমল সেন।

      অন্যদিকে,
      - ১৯৪৬-৫০ সালে উত্তর ময়মনসিংহে কৃষকদের দ্বারা পরিচালিত আন্দোলন টঙ্ক আন্দোলন নামে পরিচিত।
      - পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় প্রায় একই সময়ে দুটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের শুরু হয়। পূর্ব বাংলার আন্দোলনটি ফরায়েজি আন্দোলন নামে পরিচিত, আর পশ্চিম বাংলার আন্দোলনের নাম ওয়াহাবি বা ‘তারিক-ই- মুহম্মদীয়া'।

      উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
      ii) সংগ্রামের নোটবুক।

      ১২০.
      ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা কোন দেশে রপ্তানি করে?
      1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
      2. সৌদি আরব
      3. পাকিস্তান 
      4. ওমান
      সঠিক উত্তর:
      সংযুক্ত আরব আমিরাত
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      সংযুক্ত আরব আমিরাত
      ব্যাখ্যা

      চা:
      - চা বাংলাদেশের ২য় অর্থকরী ফসল।
      - বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
      - বাংলাদেশের মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে সবচেয়ে বেশি চা উৎপন্ন হয়।
      - বাংলাদেশের চায়ের বিশেষ সুনাম থাকায় বিদেশে এর চাহিদা রয়েছে। চা রপ্তানি করে বাংলাদেশ অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

      ⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

      উল্লেখ্য,
      - বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে। চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে প্রথম চা উৎপাদিত হয় ১৮৪৩ সালে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেখানে চা চাষ বিলম্বিত হয়।
      - মালনীছড়া বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।



      উৎস: i) বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
      ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।

      ১২১.
      'জুলাই জাতীয় সনদ' স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কয়টি রাজনৈতিক দল আনুষ্ঠানিকভাবে ওই সনদে সই করেন?
      1. ২৩টি
      2. ২৪টি
      3. ২৫টি
      4. ২৬টি
      সঠিক উত্তর:
      ২৪টি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ২৪টি
      ব্যাখ্যা

      জুলাই জাতীয় সনদ:
      - ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
      - জুলাই জাতীয় সনদকে চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে জনগণের ত্যাগ ও রক্তদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রণীত নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
      - এই সনদ বাস্তবায়নে মোট সাত দফা অঙ্গীকার করা হয়েছে।
      - জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ২৫টি রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নিয়েছেন।

      ⇒ জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ২৪টি রাজনৈতিক দলের ৪৮ জন প্রতিনিধি আনুষ্ঠানিকভাবে ওই সনদে সই করেন।
      - গণফোরাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেও সই করেনি সনদে। 
      - এরপর সই করেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ কমিশনের সদস্যরা। 
      - সাত দফা অঙ্গীকারনামার ভিত্তিতে প্রণীত ৪০ পৃষ্ঠার এই সনদের তিনটি ভাগের মধ্যে প্রথম ভাগে পটভূমি, দ্বিতীয় ভাগে ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব ও তৃতীয় ভাগে সনদ বাস্তবায়নের সাত দফা অঙ্গীকার রয়েছে। এই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে ৪৭টি বিষয়কে ‘সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে সংস্কার’ এবং বাকি ৩৭টি বিষয়কে ‘আইন বা অধ্যাদেশ, বিধি ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সংস্কার’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ঐকমত্য কমিশন। জুলাই সনদের পটভূমি ব্যাখ্যা করে সংস্কারযজ্ঞ নিয়ে ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রমসহ সংস্কারের ৮৪ দফা তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো কী অঙ্গীকার করছে, তা উল্লেখ করার পর স্বাক্ষরের জায়গা রাখা হয়েছে।

      উৎস: i) প্রথম আলো।
      ii) The Daily Star Bangla.

      ১২২.
      সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
      1. রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার চালু করা
      2. সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
      3. বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা বাড়ানো
      4. উপ-রাষ্ট্রপতির পদ চালু করা
      সঠিক উত্তর:
      সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
      ব্যাখ্যা

      সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
      - এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
      - এ সংশোধনীর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।
      - ১৯৯১ সালের ৬ই আগস্ট ৩০৭-০ ভোটে এ সংশোধনী বিলটি গৃহীত হয়।

      ⇒ এ সংশোধনীর প্রধান প্রধান দিক:
      (১) সংসদীয় সরকার: দ্বাদশ সংশোধনীর প্রধান দিক হল সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন। এ সংশোধনীর দ্বারা বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি পরিবর্তন করা হয়। রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়।
      (২) নামমাত্র রাষ্ট্রপতি: এ সংশোধনীর দ্বারা বাংলাদেশে একজন নামমাত্র রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। তিনি আইনানুসারে সংসদ সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবেন। তিনি যাবতীয় বিষয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শক্রমে কাজ করবেন।
      (৩) রাষ্ট্রপতির মেয়াদ: এ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির মেয়াদ নির্ধারিত হয়। রাষ্ট্রপতি ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন। একাধিক্রমে তিনি ১০ বছরের বেশি মেয়াদে ক্ষমতায় থাকবেন না।
      (৪) উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ: উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ দ্বাদ্বশ সংশোধনীর একটি উল্লেখযোগ্য দিক। দ্বাদশ সংশোধনীর দ্বারা উপ-রাষ্ট্রপতির পদটি বিলোপ করা হয়। এ সংশোধনীতে বলা হয়, কোন কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে জাতীয় সংসদের স্পীকার অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
      (৫) মন্ত্রিসভা গঠন: মন্ত্রিসভা গঠন পদ্ধতি সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর একটি বিশেষ দিক। এ সংশোধনীতে বলা হয় বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থায় একটি মন্ত্রিসভা থাকবে। রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করবেন। তিনি হবেন এ মন্ত্রিসভার নেতা।
      (৬) গণভোট পদ্ধতি: এ সংশোধনীতে গণভোট পদ্ধতির কথা বলা হয়। দ্বাদশ সংশোধনী দ্বারা কেবল প্রস্তাবনা, সংবিধানের প্রস্তাবনা, অনুচ্ছেদ ৮, ৪৮, ৫৬ ও ১৪২ সংক্রান্ত কোন সংশোধনী বিল গণভোট আকারে পেশ করার বিধান রাখা হয়।

      তাছাড়া,
      - সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে এই আইনে স্থানীয় সরকার কাঠামোতে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়, যা দেশে গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করে।

      উৎস: i) BBC.
      ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১২৩.
      নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
      1. BSRI
      2. BARI
      3. BINA
      4. BADC
      সঠিক উত্তর:
      BINA
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      BINA
      ব্যাখ্যা

      বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA):
      - বাংলাদেশে নার্সভুক্ত (NARS) প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ‍ইনস্টিটিউট (বিনা) একটি অন্যতম ও একক প্রতিষ্ঠান।
      - এর প্রধান কাজ হলো পরমাণু শক্তির শান্তিপূ্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্য্পূণ অবদান রাখা। 
      - বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) বাংলাদেশের পারমাণবিক কৌশল কাজে লাগিয়ে কৃষিখাতে অবদান রাখার একমাত্র প্রতিষ্ঠান।
      - বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অবস্থিত।

      ⇒ মুখ্য নির্বাহী হিসেবে মহাপরিচালক বিনা’র সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন।
      - প্রধান কার্যালয়ের মোট ১১ টি বিভাগের সমন্বয়ে বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
      - বিনা'র মোট ১৩টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
      - দশটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনা'র গবেষণা কাজ পরিচালিত হয়।

      অন্যদিকে,
      -  বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)-এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
      - বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)-এর প্রধান কার্যাবলী গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
      - BSRI (Bangladesh Sugarcrop Research Institute) পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।

      উৎস: BINA ওয়েবসাইট।

      ১২৪.
      বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে কতবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করে?
      1. ১ বার 
      2. ২ বার 
      3. ৩ বার 
      4. ৪ বার 
      সঠিক উত্তর:
      ২ বার 
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ২ বার 
      ব্যাখ্যা

      মুদ্রানীতি (Monetary policy):
      - একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যে নীতি গ্রহণ করা হয়, তাকে মুদ্রানীতি বলে।
      - সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
      - মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা।
      - এ জন্য দেশের আর্থিক খাতের চিত্র কেমন হবে—এ নিয়ে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য নীতি ঠিক করা হয়।
      - বাজারে মুদ্রার সরবরাহ পরিস্থিতি দিয়েই মূলত এটি ঠিক করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
      - ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধের জন্য মুদ্রানীতিতে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়।

      ⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে ২ বার মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
      - বাংলাদেশে প্রতি ছয় মাস পরপর মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
      - সাধারণত জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর—এই সময়সীমা ধরে বাংলাদেশে মুদ্রানীতি দেওয়া হয়।

      উল্লেখ্য,
      - ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম মুদ্রানীতি দেওয়া হয়। তখন বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করত বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ফজলে কবির বছরে একবার মুদ্রানীতি প্রণয়নের ঘোষণা দেন। পরে ২০২৩ সাল থেকে আবার বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণার রীতিতে ফিরে যায় বাংলাদেশ।

      ⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির মূল উদ্দেশ্য হলো:
      ১. অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উভয় মূল্যের স্থায়িত্ব,
      ২. টেকসই বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন,
      ৩. উচ্চ কর্মসংস্থান,
      ৪. সম্পদের অর্থনৈতিক এবং দক্ষ ব্যবহার,
      ৫. আর্থিক ও পেমেন্ট সিস্টেমের স্থিতিশীলতা।

      উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।

      ১২৫.
      উয়ারী-বটেশ্বর কোন জেলায় অবস্থিত?
      1. কুমিল্লা
      2. নরসিংদী
      3. নারায়ণগঞ্জ
      4. বগুড়া
      সঠিক উত্তর:
      নরসিংদী
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      নরসিংদী
      ব্যাখ্যা

      উয়ারী বটেশ্বর:
      - উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
      - নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
      -প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
      - প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
      - দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
      - পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
      - উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
      - আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

      উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

      ১২৬.
      বাংলাদেশে বর্তমানে ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স কত? [নভেম্বর, ২০২৫]
      1. ১৬ বছর
      2. ১৭ বছর
      3. ১৮ বছর
      4. ১৯ বছর
      সঠিক উত্তর:
      ১৮ বছর
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ১৮ বছর
      ব্যাখ্যা

      বাংলাদেশে বর্তমানে ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর। 
      - ৩১ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে তারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অব:)।

      ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স:

      - বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম ভাগ 'নির্বাচন' অংশে প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের কথা বলা আছে।
      - বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২(২) অনুচ্ছেদ বলা হয়েছে, বাংলাদেশের একজন ভোটারের সর্রনিম্ন বয়স ১৮ বছর হতে হবে।

      ⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২২(১) ও (২) অনুযায়ী ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
      - প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
      - কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হওয়ার অধিকারী হবেন, যদি
      (ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
      (খ) তাঁর বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
      (গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁর সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলে ঘোষণা বহাল না থাকে;
      (ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
      (ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।


      উৎস: i) বাংলাদেশ সংবিধান।
      ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

      ১২৭.
      কোন দেশের বাণিজ্যিক কোম্পানি ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ নির্মাণ করে?
      1. ফ্রান্স
      2. পর্তুগাল
      3. নেদারল্যান্ডস
      4. ইংল্যান্ড 
      সঠিক উত্তর:
      ইংল্যান্ড 
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ইংল্যান্ড 
      ব্যাখ্যা

      ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ: 
      - ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের সর্বাধিক বিখ্যাত দুর্গ হলো ফোর্ট উইলিয়াম।
      - ফোর্ট উইলিয়ামের মাধ্যমেই ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের ঘাঁটি নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
      - বিখ্যাত এই দুর্গটি কলকাতায় অবস্থিত।
      - ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের সামরিক শক্তি প্রদর্শনের একটি বড় নিদর্শন এই দুর্গ।

      উল্লেখ্য,
      - স্যার চার্লস আইয়ার এই দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
      - তাঁর উত্তরসূরি জন বিয়ার্ড ১৭০১ সালে ফোর্ট উইলিয়ামের উত্তর-পূর্বাংশের দুর্গপ্রাচীর সংযোজন করেন।
      - ১৭০২ সালে তিনি দুর্গের মধ্যভাগে বাণিজ্যকুঠি বা 'গভর্নমেন্ট হাউস' নির্মাণ শুরু করেন, যা ১৭০৬ সালে শেষ হয়।
      - এরপর ইংল্যান্ডের রাজার সম্মানে দুর্গটির নামকরণ করা হয় ফোর্ট উইলিয়াম।

      ⇒ ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় চার্লস ১৬৬৮ খ্রিস্টাব্দে কোম্পানিকে মুম্বাই ইজারা দেন।
      - ১৬৯০ খ্রিস্টাব্দে জব চার্নক ভাগীরথী নদীর তীরে ১২০০ টাকার বিনিময়ে কলকাতা, সূতানটি ও গোবিন্দপুর এ তিনটি গ্রামের জমিদারী স্বত্ব কিনে নেন।
      - পরবর্তীকালে উপমহাদেশের ভাগ্য নির্ধারণকারী দুর্গ ফোর্ট উইলিয়াম এখানেই নির্মিত হয়।
      - ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট ফররুখশিয়ারের অনুমতি নিয়ে ইংরেজগণ বাংলা, মাদ্রাজ ও মুম্বাইয়ে বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য করতে থাকে।

      উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
      ii) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১২৮.
      কোন জাহাজ চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের ব্যবসা শুরু করে?
      1. এমভি বাংলার প্রগতি
      2. এমভি বাংলার নবযাত্রা
      3. এমভি বাংলার দূত
      4. এমভি বাংলার মুখ
      সঠিক উত্তর:
      এমভি বাংলার দূত
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      এমভি বাংলার দূত
      ব্যাখ্যা

      এমভি বাংলার দূত:
      - ১৯৭২ সালের জুনে ‘এমভি বাংলার দূত’ জাহাজ চালুর মাধ্যমে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের ব্যবসা শুরু করে সরকারি সংস্থা বিএসসি। 

      ⇒ সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৫) চীনের জিংজিয়াং বন্দর থেকে প্রথমবারের মতো যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘এমভি বাংলার প্রগতি’। 
      - এছাড়াও ডিসেম্বর, ২০২৫ প্রথম সপ্তাহে এমভি বাংলার নবযাত্রাও বিএসসির বহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

      উল্লেখ্য,
      - বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি)  বাংলাদেশ এবং বর্হিবিশ্বের মাঝে খাদ্যশস্য, জ্বালানি, ভোজ্য তেল, পোশাক, প্রক্রিয়াজাতকরণ খাদ্য, চা, চামড়া, রাসায়নিক দ্রব্যসহ কনটেইনারজাত যে কোন মালামাল আমদানি ও রপ্তানির উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় সংস্থা।
      - ১৯৭২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 
      - শিপিং কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠার পরপরই বাংলার দূত এবং বাংলার সম্পদ নামের দুটো সমুদ্রগামী জাহাজ বিএসসিতে সংযোজিত হয়। 

      উৎস: i) বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
      ii) প্রথম আলো।

      ১২৯.
      ‘৩৬ আওয়ার্স অব বিট্রেয়াল’ প্রামাণ্যচিত্রের পটভূমি কী?
      1. পিলখানা হত্যাকাণ্ড
      2. জুলাই গণঅভ্যুত্থান
      3. মুক্তিযুদ্ধ 
      4. ভাষা আন্দোলন
      সঠিক উত্তর:
      পিলখানা হত্যাকাণ্ড
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      পিলখানা হত্যাকাণ্ড
      ব্যাখ্যা

      ৩৬ আওয়ার্স অব বিট্রেয়াল (36 Hours of Betrayal):
      - পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘৩৬ আওয়ার্স অব বিট্রেয়াল’।

      ⇒ ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে প্রামাণ্যচিত্রটি মুক্তি পেয়েছে।
      - ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে পিলখানা হত্যাকাণ্ড জাতির ইতিহাসে এক সন্ধিক্ষণ, যেখান থেকে উত্থান ঘটেছিল ফ্যাসিবাদের, যেখান থেকে শুরু হয় ১৬ বছরের পরাধীনতা।

      উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

      ১৩০.
      কত সালে বাংলাদেশ সরকার স্বাধীনতা পদক পুরস্কার প্রবর্তন করে?
      1. ১৯৭৪ সালে 
      2. ১৯৭৫ সালে 
      3. ১৯৭৬ সালে 
      4. ১৯৭৭ সালে 
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৭৭ সালে 
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৭৭ সালে 
      ব্যাখ্যা

      স্বাধীনতা পদক:
      - স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
      - মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
      - এ পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রগুলি হলো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্মরণীয় অবদান, ভাষা আন্দোলনে অবদান, শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, জনসেবা, সামাজিক বিজ্ঞান, সঙ্গীত, ক্রীড়া, চারুকলা ও পল্লী উন্নয়নে অবদান।
      - প্রতিটি পুরস্কারের মান একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং নগদ অর্থ। 
      - স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

      • জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
      - পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

      ⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
      - বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
      - সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
      - সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
      - সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
      - মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
      - শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
      - প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

      উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

      ১৩১.
      NATO এর পার্টনারশিপ ফর পিস (PfP) প্রোগ্রাম শুরু হয়—
      1. ১৯৯১ সালে
      2. ১৯৯৪ সালে 
      3. ১৯৯৭ সালে
      4. ২০০১ সালে
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৯৪ সালে 
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৯৪ সালে 
      ব্যাখ্যা

      • Partnership for Peace (PfP) হলো ন্যাটোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা কর্মসূচি, যা ১৯৯৪ সালের জানুয়ারি মাসে চালু করা হয়।

      উদ্দেশ্য:
      - ন্যাটো সদস্য নয় এমন ইউরোপ ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দেশগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
      - ইউরোপে স্থিতিশীলতা, শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
      -  ভবিষ্যতে সম্ভাব্য ন্যাটো সদস্যদের জন্য একটি সেতুবন্ধন বা প্রস্তুতি কর্মসূচি হিসেবে কাজ করা।

      এই PfP প্রোগ্রামে বর্তমানে অনেক দেশ যুক্ত আছে, যেমন — সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, ইউক্রেন, জর্জিয়া প্রভৃতি।

      উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।

      ১৩২.
      রোম সংবিধির কত নং আর্টিকেলে গণহত্যার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
      1. ৩ নং
      2. ৪ নং
      3. ৫ নং
      4. ৬ নং
      সঠিক উত্তর:
      ৬ নং
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ৬ নং
      ব্যাখ্যা

      আর্টিকেল: ৬: গণহত্যা (Genocide):
      এই সংবিধির উদ্দেশ্যে, “গণহত্যা” বলতে বোঝানো হবে নিম্নলিখিত কোনো কার্যকলাপ, যা পূর্ণ বা আংশিকভাবে কোনো জাতি, নৃগোষ্ঠী, বর্ণ বা ধর্মীয় গোষ্ঠী ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয়:

      (ক) গোষ্ঠীর সদস্যদের হত্যা করা;
      (খ) গোষ্ঠীর সদস্যদের শারীরিক বা মানসিক গুরুতর ক্ষতি সাধন করা;
      (গ) গোষ্ঠীর ওপর এমন জীবনযাত্রার শর্ত চাপানো যা তাদের পূর্ণ বা আংশিক শারীরিক ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়;
      (ঘ) গোষ্ঠীর মধ্যে জন্মদানের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যকলাপ রোধ করার ব্যবস্থা চাপানো;
      (ঙ) গোষ্ঠীর শিশুদের জোরপূর্বক অন্য কোনো গোষ্ঠীতে স্থানান্তর করা।

      রোম সংবিধি (Rome Statute):
      - রোম সংবিধি হলো আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (International Criminal Court - ICC) প্রতিষ্ঠার জন্য গৃহীত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। - ১৯৯৮ সালে রোম সংবিধির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় আইসিসি। 
      - ১৯৯৮ সালের ১৫ জুন - ১৭ জুলাই ইতালির রোমে বিশ্বের ১২০টি দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কূটনীতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১২০-৭ ভোটের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক ফৌজদারী আদালত সংবিধি বা রোম সংবিধি গৃহীত হওয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়।
      - পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক রাষ্ট্র কর্তৃক সংবিধিটি অনুমোদিত হওয়ায় ২০০২ সালের ১ জুলাই থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত কার্যকারিতা লাভ করে।
      - মূলত আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচারে দেশীয় বিচারব্যবস্থার সমর্থনে বা এটার পরিপূরক (কমপ্লিমেন্টারি) হিসেবে কাজ করার জন্য আইসিসি তৈরি হয়েছিল (রোম সংবিধির প্রস্তাবনা এবং অনুচ্ছেদ ১ ও ১৭)।
      - রোম সংবিধিতে মোট ১৩টি অধ্যায় এবং ১২৮টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

      উৎস: ICC ওয়েবসাইট।

      ১৩৩.
      কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট কত দিন যাবৎ স্থায়ী হয়?
      1. ৬ দিন
      2. ১৩ দিন
      3. ১৬ দিন
      4. ২১ দিন
      সঠিক উত্তর:
      ১৩ দিন
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ১৩ দিন
      ব্যাখ্যা

      • কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট:
      - কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট (Cuban Missile Crisis) অক্টোবর ১৯৬২ সালে ঘটে।
      - এতে সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবায় পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন শুরু করলে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে তীব্র মুখোমুখি অবস্থা সৃষ্টি হয়।
      - যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জন এফ. কেনেডি এবং সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নিকিতা ক্রুশ্চেভ।
      - ১৬ থেকে ২৮ অক্টোবর ১৩ দিন ধরে চলা এই সংকট শীতল যুদ্ধের সবচেয়ে বিপজ্জনক মুহূর্তগুলোর একটি ছিল, যা বিশ্বকে পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল।
      - শেষ পর্যন্ত কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান হয়।

      উৎস: ব্রিটানিকা।

      ১৩৪.
      সম্প্রতি সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যকার 'যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি' কত তারিখে স্বাক্ষরিত হয়? (নভেম্বর, ২০২৫)
      1. ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
      2. ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
      3. ০৩ অক্টোবর, ২০২৫
      4. ১২ অক্টোবর, ২০২৫
      সঠিক উত্তর:
      ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
      ব্যাখ্যা

      'যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি':
      - পাকিস্তান ও সৌদি আরব নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য একটি 'যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি'-তে স্বাক্ষর করেছে।
      - এই চুক্তি অনুযায়ী, 'কোনো একটি দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনকে উভয় দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে গণ্য করা হবে'।
      - পাকিস্তান ও সৌদি আরবের নেতারা এই চুক্তিকে 'ঐতিহাসিক' বলে অভিহিত করছেন।
      - ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ (বুধবার) সন্ধ্যায় সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

      উৎস: বিবিসি নিউজ।

      ১৩৫.
      কোন সভ্যতার মানুষ পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেন?
      1. সুমেরীয় সভ্যতা
      2. অ্যাশেরীয় সভ্যতা
      3. ক্যালেডীয় সভ্যতা
      4. মিশরীয় সভ্যতা
      সঠিক উত্তর:
      অ্যাশেরীয় সভ্যতা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      অ্যাশেরীয় সভ্যতা
      ব্যাখ্যা

      • অ্যাশেরীয় সভ্যতা:
      প্রাচীন মেসোপটেমীয় অঞ্চলে বেশ কয়েকটি নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটে যার একটি হলো অ্যাশেরীয় সভ্যতা।

      অ্যাশেরীয় সভ্যতার অবদান:
      - বিজ্ঞান ও জ্যোতিশাস্ত্রে অ্যাশেরীয়রা অতুলনীয় অবদান রাখেন যা বর্তমান সময়েও কাজে লাগে৷
      - অ্যাশেরীয়রা বৃত্তকে ৩৬০ ডিগ্রী কোণে ভাগ করে।
      -  তারা সর্বপ্রথম পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেন।

      - জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসারের জন্য তারা মেসোপটেমিয়ায় সর্বপ্রথম লাইব্রেরি স্থাপন করেন যা বর্তমানে ইরাকের ‘নিনেভাহ' -তে অবস্থিত।
      - এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম লাইব্রেরী হিসাবে পরিচিত যা মিশরের আলেক্সান্দ্রিয়া লাইব্রেরী থেকেও কয়েকশ বছরের পুরনো।
      - ৬২৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ব্যাবিলন হাতছাড়া হওয়ার মাধ্যমে ক্যালেডীয়দের কাছে অ্যাশেরীয় সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয় এবং ৬১৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে নেবুচাঁদনেজারের হাতে পূর্ণাঙ্গরূপে পতন ঘটে।

      উৎস: Britannica & History.com

      ১৩৬.
      পোল্যান্ড ও বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোর সংযোগকারী নতুন মহাসড়কের নাম কী?(নভেম্বর, ২০২৫)
      1. Eastern Highway
      2. Nordic Expressway
      3. Baltic Frequent Route
      4. Via Baltica
      সঠিক উত্তর:
      Via Baltica
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      Via Baltica
      ব্যাখ্যা

      • ভিয়া বাল্টিকা (Via Baltica):
      - ভিয়া বাল্টিকা হলো একটি স্ট্র্যাটেজিক আন্তর্জাতিক মহাসড়ক, যা পোল্যান্ডকে বাল্টিক রাষ্ট্রগুলো—লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া এবং এস্তোনিয়ার সাথে সংযুক্ত করে।
      - এটি শুধু বাণিজ্য রুট হিসেবেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং ন্যাটোর পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা জোরদারের জন্যও কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে।

      উদ্বোধন: অক্টোবর ২০২৫
      উদ্দেশ্য:
      - অঞ্চলের বাণিজ্য ও পরিবহন সহজতর করা।
      - ন্যাটোর সামরিক ও কৌশলগত গতিশীলতা বৃদ্ধি।
      - পোল্যান্ড ও বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আন্তর্জাতিক সংযোগ মজবুত করা।
      উল্লেখ্য,
      সড়কটি বেলারুশ এবং রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ নিভাসাংশের (exclave) মধ্যে একটি সংকীর্ণ জমি দিয়ে যাবে, যাকে সুওয়ালকি গ্যাপ (Suwalki Gap) বলা হয়।
      এটি প্রায়ই সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যদি রাশিয়া ন্যাটোর উপর আক্রমণ চালায়।”

      উৎস: AP NEWS.link

      ১৩৭.
      নিচের কোনটি ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়?
      1. আসাম
      2. মেঘালয়
      3. ত্রিপুরা
      4. সিকিম
      সঠিক উত্তর:
      সিকিম
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      সিকিম
      ব্যাখ্যা

       • সেভেন সিস্টার্স:
      - ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়।
      - রাজ্যগুলো হলো: আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল, মনিপুর, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম। 
      - ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
      - এগুলো হলো:  আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

      এছাড়াও -
      - ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
      - ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
      - একটি জেলার সাথে উভয় দেশের সীমানা রয়েছে সেটি হচ্ছে বাংলাদেশের আয়তনে সবচেয়ে বড় জেলা রাঙামাটি।

      উৎস: ব্রিটানিকা।

      ১৩৮.
      সম্প্রতি আফগানিস্তান পাকিস্তান সংঘর্ষের জন্য দায়ী সংগঠন কোনটি?(নভেম্বর, ২০২৫)
      1. তেহরিক-ই পাকিস্তান 
      2. তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তান
      3. বালুচ লিবারেশন আর্মি
      4. দ্য রেজ়িস্ট্যান্স ফ্রন্ট
      সঠিক উত্তর:
      তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তান
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তান
      ব্যাখ্যা

      • আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্ত সংঘর্ষ:
      - ২০২৫ সালের সাম্প্রতিক আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্ত সংঘর্ষের মূল কারণ হিসেবে পাকিস্তান সরকার “তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তান (TTP)” নামের সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে।
      - পাকিস্তানের দাবি অনুযায়ী, TTP-এর সন্ত্রাসীরা আফগান ভূখণ্ডে আশ্রয় নিচ্ছে এবং সেখান থেকে পাকিস্তানের সীমান্ত অঞ্চলে হামলা চালাচ্ছে।

      - পাকিস্তান সরকার আফগান তালেবান প্রশাসনের ওপর অভিযোগ তোলে যে তারা TTP-কে দমন না করে বরং নীরবে সহায়তা দিচ্ছে।
      - এর ফলে সীমান্তের তোরখাম, চামান ও কুর্রাম এলাকায় তীব্র গোলাগুলি, বিমান হামলা ও হতাহতের ঘটনা ঘটে।

      - আফগান পক্ষ পাল্টা অভিযোগ করে যে পাকিস্তান তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করছে এবং বেসামরিক এলাকায় হামলা চালাচ্ছে।

      উৎস: রয়টার্স, এবিসি নিউজ।

      ১৩৯.
      ICAO এর সদর দপ্তর কোথায়?
      1. জেনেভা
      2. প্যারিস
      3. মন্ট্রিল
      4. লন্ডন
      সঠিক উত্তর:
      মন্ট্রিল
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      মন্ট্রিল
      ব্যাখ্যা

      ICAO:
      - ICAO পূর্নরূপ - International Civil Aviation Organization.
      - ICAO প্রতিষ্ঠিত হয় 1944 সালের "Chicago Convention on International Civil Aviation" থেকে।
      - ICAO হিসাবে যাত্রা শুরু করে- ১৯৪৭ সালে।
      - এর সদস্য সংখ্যা ১৯৩ টি। (নভেম্বর, ২০২৫)
      - সদর দপ্তর: মন্ট্রিল, কানাডা।
      - বর্তমান মহাসচিব: Juan Carlos Salazar Gómez (কলম্বিয়া)।
      - বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ICAO এর সদস্যপদ লাভ করে।

      উৎস: ICAO অফসিয়াল ওয়েবসাইট।

      ১৪০.
      হুথিদের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা কে?(নভেম্বর, ২০২৫)
      1. আবদুল মালিক আল-হুথি
      2. হুসেইন আল-হুথি
      3. আবদুল হুসেইন আল-হুথি
      4. মোহাম্মদ হারিস আল-হুথি
      সঠিক উত্তর:
      আবদুল মালিক আল-হুথি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      আবদুল মালিক আল-হুথি
      ব্যাখ্যা

      হুথি:
      - ইয়েমেনের সংখ্যালঘু শিয়া মুসলিম জায়েদিদের পক্ষে কথা বলা সশস্ত্র রাজনৈতিক ও ধর্মীয় গোষ্ঠী হুথি।
      - তাদের দাবি, ইরান-নেতৃত্বাধীন "প্রতিরোধ অক্ষ"-এর অংশ তারা। ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও বৃহত্তর পশ্চিমা বিশ্বের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এই অক্ষে হামাস ও হিজবুল্লাহর মতো মধ্যপ্রাচ্যের আরও সশস্ত্র গোষ্ঠী রয়েছে।
      - আনুষ্ঠানিকভাবে তারা আনসারুল্লাহ (আল্লাহর পক্ষে) নামে পরিচিত।
      - নব্বইয়ের দশকে জন্ম নেওয়া গোষ্ঠীটির নাম এসেছে তাদের প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন আল-হুথির নাম থেকে।
      - তার ভাই আবদুল মালিক আল-হুথি তাদের বর্তমান নেতা।

      উৎস: বিবিসি নিউজ ও প্রথম আলো নিউজ।

      ১৪১.
      G7 ভুক্ত দেশ নয় কোনটি?
      1. জাপান
      2. কানাডা
      3. চীন
      4. ইতালি
      সঠিক উত্তর:
      চীন
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      চীন
      ব্যাখ্যা

       চীন G7 এর সদস্য নয়।

      G7:

      - ১৯৭৩ সালে G7 গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়।
      - ১৯৭৫ সালে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় শিল্প দেশগুলির সরকার প্রধান এবং মন্ত্রীদের একত্রিত করে একটি অনানুষ্ঠানিক ফোরাম হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
      - এর কোন সদরদপ্তর নেই।
      - রাশিয়া G7 এর সদস্যভুক্ত দেশ নয়।
      - G7 সদস্য হল ৭টি দেশ,
      • কানাডা।
      • ফ্রান্স।
      • জার্মানি।
      • ইতালি।
      • জাপান।
      • যুক্তরাজ্য।
      • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

      উৎস: ইউরোপীয় কমিশন ওয়েবসাইট।

      ১৪২.
      IOM এর পূর্ণরূপ কী?
      1. International Organization for Migration
      2. International Organization for Maritime
      3. International Maritime Organization
      4. International Organization for Mitigation
      সঠিক উত্তর:
      International Organization for Migration
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      International Organization for Migration
      ব্যাখ্যা

      আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা (IOM):
      - IOM এর পূর্ণরূপ: International Organization for Migration.
      - আন্তজার্তিক অভিবাসন সংস্থা।
      - প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৫১ সাল।
      - সদস্য সংখ্যা: ১৭৫টি দেশ।(নভেম্বর, ২০২৫)
      - পর্যবেক্ষক সদস্য দেশ: ৮টি।
      - এর সদর দপ্তর: গ্র্যান্ড-স্যাকোনেক্স, সুইজারল্যান্ড।

      উৎস: IOM ওয়েবসাইট।

      ১৪৩.
      সম্প্রতি 'গাজা শান্তি সম্মেলন' কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?(নভেম্বর, ২০২৫)
      1. মিশরে
      2. কাতারে
      3. সৌদি আরবে
      4. যুক্তরাষ্ট্রে
      সঠিক উত্তর:
      মিশরে
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      মিশরে
      ব্যাখ্যা

      গাজা শান্তি সম্মেলন:
      - 'গাজা শান্তি সম্মেলন' অনুষ্ঠিত হয়েছে মিশরে। 
      - শান্তি সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় মিসরের উপকূলীয় শহর শারম আল-শেখে।
      -  ১৩ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে মিশরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতার উপস্থিতিতে হামাস-ইসরাইল শান্তি পরিকল্পনা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 
      - এই নথিতে ট্রাম্প ছাড়াও মিসরীয় প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানিসহ অন্যান্য বিশ্বনেতারা স্বাক্ষর করেছেন।
      - সম্মেলনে প্রায় ৩৫ জন বিশ্বনেতা অংশ নেন।
      - গাজায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরাইল-হামাস যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে এ চুক্তি সই হয়। 

      উল্লেখ্য,
      - এর আগে ১০ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ইসরায়েল ও হামাস ট্রাম্পের ২০ দফা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
      - এরই মধ্যে হামাস ২০ জন জীবিত জিম্মি ও কয়েকজন জিম্মির মরদেহ ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করেছে। ইসরায়েলও প্রায় দু হাজার ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে।

      উৎস: Al Jazeera।

      ১৪৪.
      'নাগোয়া প্রটোকল' কী সংক্রান্ত?
      1. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
      2. ওজোনস্তরের ক্ষয় রোধ
      3. জৈব জ্বালানি নিরাপত্তা বিষয়ক 
      4. গ্রিন হাউজ গ্যাসের নিঃসরণ হ্রাস
      সঠিক উত্তর:
      জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
      ব্যাখ্যা

       • নাগোয়া প্রটোকল:
      - পূর্ণ নাম: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing
      - নাগোয়া প্রোটোকল হল জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশনের একটি পরিপূরক চুক্তি। 
      - ABS সংক্রান্ত নাগোয়া প্রোটোকলটি ২৯ অক্টোবর ২০১০ তারিখে জাপানের নাগোয়ায় গৃহীত হয়।
      - প্রটোকলটি ১২ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে কার্যকর হয়।
      - এর উদ্দেশ্য হল জিনগত সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুবিধাগুলির ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত বন্টন, যার ফলে জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহারে অবদান রাখা যায়।
      - স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।

      উৎস: Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট।

      ১৪৫.
      আইসিসি নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ- ২০২৫ এর যৌথ আয়োজক দেশ কারা?
      1. আরব আমিরাত ও পাকিস্তান
      2. পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা
      3. নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া
      4. ভারত ও শ্রীলঙ্কা
      সঠিক উত্তর:
      ভারত ও শ্রীলঙ্কা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ভারত ও শ্রীলঙ্কা
      ব্যাখ্যা

      নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ-২০২৫: 
      - আসর: ১৩ তম।
      - সময়: ৩০ সেপ্টেম্বর - ২ নভেম্বর, ২০২৫।
      - আয়োজনকারী দেশ: ভারত ও শ্রীলঙ্কা।
      - অংশগ্রহণকারী দল: ৮টি (ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, পাকিস্তান)।

      উল্লেখ্য,
      - ১৯৭৩ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে প্রথম শুরু হয় নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ।
      - ২০২২ সালে প্রথমবারের মত বিশ্বকাপে অভিষেক হয় বাংলাদেশের। 

      উৎস: বাসস।

      ১৪৬.
      চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি নিচের কোন জেলায় দেখা যায়?
      1. কুমিল্লা
      2. রাঙামাটি 
      3. রংপুর 
      4. দিনাজপুর 
      সঠিক উত্তর:
      রাঙামাটি 
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      রাঙামাটি 
      ব্যাখ্যা

      • ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি: 
      - বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে। 
      • এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
      (ক) ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
      (খ) দিনাজপুর রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।

      - শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
      - গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

      • ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
      বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত। পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।

      উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

      ১৪৭.
      বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরের সামগ্রিক গড় অবস্থাকে জলবায়ু বোঝায়?
      1. উচ্চস্তর
      2. মধ্যস্তর
      3. নিম্নস্তর
      4. কোনটিই নয়
      সঠিক উত্তর:
      নিম্নস্তর
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      নিম্নস্তর
      ব্যাখ্যা

      জলবায়ু:
      - জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থা।
      - অর্থাৎ জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের অনেক বছরের বায়ুমন্ডলের নিম্নস্তরের সামগ্রিক গড় অবস্থা।
      - জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য হলো এটি নিয়ত পরিবর্তনশীল নয়।
      - আবহাওয়ার থেকে জলবায়ুর পার্থক্য হলো আবহাওয়া কোনো দেশ বা মহাদেশের বায়ুমণ্ডলের স্বল্পস্থায়ী অবস্থাকে বুঝায়।
      - জলবায়ু বলতে কোনো দেশ বা মহাদেশের বায়ুমণ্ডলের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থাকে বুঝায়।
      - বাংলাদেশের জলবায়ু ‘ক্রান্তীয় মৌসুমি’ জলবায়ুর দেশ।
      - জলবায়ুর প্রধান নিয়ামকগুলো হলো- অক্ষাংশ, উচ্চতা, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ, বনভূমি, সমুদ্রস্রোত, পর্বতের অবস্থান, ভূমির ঢাল ও মৃত্তিকা প্রভৃতি।

      তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১৪৮.
      টারশিয়ারি যুগের পাহাড় কী দ্বারা গঠিত?
      1. গ্রানাইট ও ব্যাসল্ট
      2. বেলেপাথর, শেল ও কর্দম
      3. চুনাপাথর ও মার্বেল
      4. কোয়ার্টজ ও ফেল্ডস্পার
      সঠিক উত্তর:
      বেলেপাথর, শেল ও কর্দম
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      বেলেপাথর, শেল ও কর্দম
      ব্যাখ্যা

      ভূ-প্রকৃতি (Physiography):
      - বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
      - এদেশের ভূ-খন্ড উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে বিস্তৃত।
      - উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়ি অংশ ব্যতীত সমগ্র দেশ নদীবিধৌত পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি।
      - এই পললের পুরুত্ব প্রায় ১৮-২২ কিলোমিটার।
      - ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
      • টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
      • প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
      • সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

      • টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
      - টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
      - আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
      - রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
      - এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
      - টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
      - টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
      • দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
      • উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

      • প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
      - আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
      - এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
      - দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
      - প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 

      • সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
      - টারশিয়ারি যুগের পাহাড় এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র দেশ সাম্প্রতিককালের পলি দ্বারা গঠিত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
      - এই প্লাবন সমভূমির বয়স ১২,০০০ বছরের কম।
      - পদ্মা, মেঘনা, যমুনা প্রভৃতি প্রধান নদীসহ অসংখ্য উপনদী এবং শাখানদী জালের ন্যায় সমগ্র দেশে ছড়িয়ে রয়েছে। ন
      - বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
      - এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।
      - এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
      - রাজশাহী অঞ্চলের চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ এবং শেরপুর জেলার হাওড় ও বিল উল্লেখযোগ্য।
      - মেঘনা নদীর মোহনায় হাতিয়া, সন্দ্বীপ, শাহবাজপুর এবং ভোলা জেলায় বেশ কিছু দ্বীপ অবস্থিত। এছাড়া দক্ষিণ উপকূলে আরও কিছু ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে।

      তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১৪৯.
      ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী প্রণালী কোনটি?
      1. জিব্রাল্টার প্রণালী
      2. বাব এল-মান্দেব প্রণালী
      3. ডোভার প্রণালী
      4. মালাক্কা প্রণালী
      সঠিক উত্তর:
      জিব্রাল্টার প্রণালী
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      জিব্রাল্টার প্রণালী
      ব্যাখ্যা

      জিব্রাল্টার প্রণালী:
      - জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
      - ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
      - জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
      - এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
      - প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
      - যার গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

      তথ্যসূত্র - Britannica.com

      ১৫০.
      রাজনৈতিক গ্রন্থ 'The Prince'-এর লেখক কে?
      1. থমাস হবস
      2. জন লক
      3. নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি
      4. কার্ল মার্কস
      সঠিক উত্তর:
      নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি
      ব্যাখ্যা

      নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি:
      - নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি ইতালির ফ্লোরেন্স নগরীতে ১৪৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ৩ মে জন্মগ্রহণ করেন নিকোলো।
      - ইতালীয় রাষ্ট্রদার্শনিক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলিকে 'জাতীয় রাষ্ট্রের' প্রবক্তা বা স্বপ্নদ্রষ্টা বলা হয়।
      - আইন ও নৈতিকতার মধ্যে সর্বপ্রথম পার্থক্য নির্ণয় করেন।
      - ১৫২৭ সালে ইতালির ফ্লোরেন্সে তিনি মারা যান।

      উল্লেখ্য,
      - নিকোলো মেকিয়াভেলি ছিলেন একাধারে রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, উপদেষ্টা, নাট্যকার, কবি, দার্শনিক, ঐতিহাসিক, সামরিকবিদ ও আরও অনেক কিছু।
      - তাকে আধুনিক রাজনীতি ও দর্শনের জনক বলা হয়ে থাকে।
      - তিনি প্রাকৃতিক ও সামাজিক বিজ্ঞানেরও প্রতিষ্ঠাতা।
      ⇒ তার বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম:
      - The Prince,
      - Discourses on Livy,
      - The Life of Castruccio Castracani of Lucca,
      - Florentine Histories,
      - Lettera to Francesco Vettori,

      তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

      ১৫১.
      কোনটিকে সরকার ও জনগণের win win game বলা হয়?
      1. নৈতিকতা
      2. মূল্যবোধ
      3. সুশাসন
      4. কোনটিই নয়
      সঠিক উত্তর:
      সুশাসন
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      সুশাসন
      ব্যাখ্যা

      সুশাসন:
      - সুশাসন একটি সামাজিক ধারণা।

      ⇒ 'সুশাসন' হলো একটি কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রতিফলন। 'সুশাসন' হলো ন্যায়নীতি অনুসারে উত্তমরূপে, সুষ্ঠভাবে ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দেশ বা রাষ্ট্র শাসন। অন্যকথায় সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের, শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বুঝায়। সুশাসন হচ্ছে অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ, দায়িত্বশীল ও ন্যায়সংগত ব্যবস্থা যা আইনের শাসনকে নিশ্চিত করে। সুশাসনকে সরকারের উচ্চতর দক্ষতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

      ⇒ মূলত: ল্যাটিন আমেরিকা ও আফ্রিকা মহাদেশে বিশ্বব্যাংকের ব্যর্থতার ফলে ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংক কর্তৃক সুশাসনের ধারণাটি উদ্ভব হয়।
      - এটি বিশ্বব্যাংকের প্রেসক্রিপশন নামে পরিচিত।
      - আশির দশকের দ্বিতীয়ার্ধে বিশ্বব্যাংক সুশাসনকে উন্নয়নের এজেন্ডাভুক্ত করে।
      - এতে সরকার ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয় ও উভয়েই লাভবান হয় বলে সুশাসনকে সরকার ও জনগণের 'Win Win Game' বলা হয়।

      তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক ও সুশাসন বনাম সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ।

      ১৫২.
      গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র নয় কোনটি?
      1. সাম্য
      2. আইন
      3. স্বাধীনতা
      4. ভ্রাতৃত্ব
      সঠিক উত্তর:
      আইন
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      আইন
      ব্যাখ্যা

      ⇒ আইন গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র নয়।

      গণতন্ত্র:
      - গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন।
      - বর্তমান বিশ্বে এটি একটি জনপ্রিয় শাসনব্যবস্থা।
      - যে শাসনব্যবস্থায় জনগণের হাতে ক্ষমতা থাকে তাকেই গণতন্ত্র বলে।
      - প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক হেরোডোটাস বলেছেন, 'গণতন্ত্র এক প্রকার শাসনব্যবস্থা, যেখানে শাসনক্ষমতা কোনো শ্রেণি বা শ্রেণিসমূহের উপর ন্যস্ত থাকে না; বরং সমাজের সদস্যগণের উপর ন্যস্ত হয় ব্যাপকভাবে।'
      - মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন গণতন্ত্রের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন, 'Democracy is a government of the people, by the people, and for the people.' অর্থাৎ, 'গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা নির্বাচিত এবং জনগণের জন্য পরিচালিত সরকারব্যবস্থা।'
      - গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র হলো সাম্য, স্বাধীনতা ও ভ্রাতৃত্ব।

      তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১মপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

      ১৫৩.
      UNDP এর মতে সুশাসনের উপাদান কোনটি?
      1. সমতা
      2. স্বচ্ছতা
      3. ন্যায্যতা
      4. উপরের সবগুলো
      সঠিক উত্তর:
      উপরের সবগুলো
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      উপরের সবগুলো
      ব্যাখ্যা

      UNDP ও সুশাসন:
      - জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) ১৯৯৭ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলোর শাসনতান্ত্রিক পলিসির উপর গুরুত্ব আরোপ করতে গিয়ে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে।
      - UNDP-এর মতে,
      "একটি দেশের সার্বিক স্তরের কার্যাবলি পরিচালনার জন্য অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কর্তৃত্বের চর্চার বা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো সুশাসন।"
      (Good Governance is the exercise of economic, Political and administrative authority to manage a country's affairs at all levels)।

      ⇒ UNDP এর মতে, সুশাসনের উপাদান ৯টি-
      - স্বচ্ছতা,
      - আইনের শাসন,
      - সকলের অংশগ্রহণ,
      - সংবেদনশীলতা,
      - সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের প্রাধান্য,
      - সমতা,
      - ন্যায্যতা,
      - জবাবদিহিতা
      - কৌশলগত লক্ষ্য।

      তথ্যসূত্র - UNDP ওয়েবসাইট।

      ১৫৪.
      'যোগ্যতা অনুযায়ী সম্পদ ও সুযোগের বণ্টন' কোন সাম্যের মূল কথা?
      1. রাজনৈতিক
      2. সামাজিক
      3. আইনগত
      4. অর্থনৈতিক
      সঠিক উত্তর:
      অর্থনৈতিক
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      অর্থনৈতিক
      ব্যাখ্যা

      ⇒ 'যোগ্যতা অনুযায়ী সম্পদ ও সুযোগের বণ্টন' অর্থনৈতিক সাম্যের মূল কথা।

      অর্থনৈতিক সাম্য (Economic Equality):
      - অর্থনৈতিক সাম্যের অর্থ সকল সম্পদ সবার মাঝে সমানভাবে ভাগ করে দেয়া নয়।
      - জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র সকল মানুষ যখন কাজ করার, ন্যায্য মজুরি পাবার সুবিধা লাভ করে, তখন তাকে অর্থনৈতিক সাম্য বলে। অর্থনৈতিক সাম্যের মূল কথা হচ্ছে, যোগ্যতা অনুযায়ী সম্পদ ও সুযোগের বণ্টন।
      - লাস্কির মতে, "ধন বৈষম্যের সাথে অর্থনৈতিক সাম্য অসঙ্গতিপূর্ণ হবে না, যদি এই বৈষম্য দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। অর্থনৈতিক সাম্য ব্যতীত সামাজিক বা রাজনৈতিক সাম্য অর্থহীন।"

      তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১৫৫.
      'স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করা' কোন ধরনের কর্তব্য?
      1. রাজনৈতিক
      2. নৈতিক
      3. অর্থনৈতিক
      4. সামাজিক
      সঠিক উত্তর:
      রাজনৈতিক
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      রাজনৈতিক
      ব্যাখ্যা

      রাজনৈতিক কর্তব্য (Political Duties):
      - মানুষ শুধু সামাজিক জীবই নয়, সে রাজনৈতিক জীবও।
      রাজনৈতিক জীব হিসেবে মানুষের রয়েছে বেশ কিছু রাজনৈতিক কর্তব্য।

      ⇒ এগুলো হলো-
      - রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করা,
      - রাষ্ট্রপ্রণীত আইন মেনে চলা,
      - সততা ও সতর্কতার সাথে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা,
      - স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করা,
      - প্রয়োজনে রাষ্ট্রের ডাকে সাড়া দিয়ে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এগিয়ে আসা প্রভৃতি।

      তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।