পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়55 minutes৮৩ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৮৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৮০: Full Model Test - 8
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৪ প্রশ্ন

.
ধর্মমঙ্গল কাব্য ধারার আদি কবি কে?
    অনির্ধারিত
    ব্যাখ্যা
     • ধর্মমঙ্গল কাব্য:
    - ধর্মমঙ্গল ধর্মঠাকুরের মাহাত্ম্যসূচক কাব্যধারা।
    - ধর্ম অনার্য দেবতা এবং সূর্য কিংবা বুদ্ধের প্রতিরূপ হিসেবে কল্পিত।
    - প্রাচীন বঙ্গের রাঢ় অঞ্চলে এর উদ্ভব ও পূজা সীমিত ছিল।
    • ধর্মমঙ্গল ধারার আদি কবি ময়ূরভট্ট। তাঁর কাল খ্রিষ্টীয় পঞ্চদশ শতক বা এর কাছাকাছি অনুমান করা হয়, কিন্তু তাঁর কাব্যের নিদর্শন পাওয়া যায়নি।
    - ধর্মমঙ্গল ধারার শ্রেষ্ঠ কবি ঘনরাম চক্রবর্তী। তাঁর কাব্যের রচনাকাল ১৭১১ খ্রিষ্টাব্দ বা আঠারো শতক । তাঁর রচিত গ্রন্থ লাউসেনের কাহিনি অবলম্বনে ‘শ্রীধর্মমঙ্গল’।
    - এরপর আর যাঁরা ধর্মমঙ্গল রচনা করেছেন তাঁরা হলেন সহদেব চক্রবর্তী, খেলারাম চক্রবর্তী, নরসিংহ বাবু, হৃদয়রাম সাউ, গোবিন্দরাম প্রমুখ।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
    .
    'তুমি মা কল্পতরু আমরা সব পোষা গরু' চরণটির রচয়িতা কে?
    1. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
    2. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
    3. জীবনানন্দ দাশ
    4. সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার
    সঠিক উত্তর:
    ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
    ব্যাখ্যা
    • ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত তার "নীলকর" নামক বিখ্যাত কবিতায় মহারানী ভিক্টোরিয়াকে সম্বোধন করে বলেছেন:
    "তুমি মা কল্পতরু আমরা সব পোষা গরু
    শিখিনি শিং বাঁকানো
    কেবল খাবো খোল বিচিলি ঘাষ॥ ...
    আমরা ভুসি পেলেই খুশি হব
    ঘুষি খেলে বাঁচব না।"

    • ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
    - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত উনিশ শতকের প্রথমার্ধে একমাত্র কবি যার কবিতা ছিল হালকা ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের ভরা। তাঁর কবিতায় কল্পনার স্থানও ছিল না।
    - তাঁকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়।
    - তিনি ছিলেন আধুনিককালের মানুষ কিন্তু তিনি আধুনিকতাকে পরিপূর্ণভাবে গ্রহণ করতে পারেন নি।
    - 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। এটি বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক পত্রিকা।
    - তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।
    - ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকায় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

    এছাড়াও তিনি আরও কিছু পত্রিকা সম্পাদনা করেন
    - সংবাদ রত্নাবলী,
    - পাষণ্ডপীড়ণ,
    - সংবাদ সাধুরঞ্জন ।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া, ঈশ্বর গুপ্ত রচনাবলী-ড. শ্রীশান্তিকুমার দাশগুপ্ত
    .
    'আমলকির মৌ' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
    1. রিজিয়া খান
    2. দিলারা হাশেম
    3. বিপ্রদাশ বড়ুয়া
    4. মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী
    সঠিক উত্তর:
    দিলারা হাশেম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দিলারা হাশেম
    ব্যাখ্যা
    • দিলারা হাশেম রচিত ১৯৭৮ সালে প্রকাশিত হয় তার নারীবাদী উপন্যাস 'আমলকীর মৌ'।

    • দিলারা হাশেম:

    - একজন প্রসিদ্ধ বাংলাদেশী লেখক এবং বিখ্যাত ঔপন্যাসিক।
    - তিনি ১৯৫৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
    - তাঁর প্রথম উপন্যাস 'ঘর মন জানালা' ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয়।
    - যা পাঠক ও সমালোচক মহলে বিপুল সমাদর পায়।
    - পরবর্তীতে গ্রন্থটি রুশ ও চীনা ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং ১৯৭৩ সালে এই উপন্যাস অবলম্বনে একই শিরোনামে একটি চলচ্চিত্র মুক্তি পায়।

    • তাঁর রচিত উপন্যাস:
    - ঘর মন জানালা,
    - একদা এবং অনন্ত,
    - স্তব্ধতার কানে কানে,
    - আমলকির মৌ,
    - বাদামী বিকেলের গল্প,
    - কাকতালীয়,
    - মুরাল,
    - শঙ্খ করাত,
    - অনুক্ত পদাবলী,
    - মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাসসমূহ ইত্যাদি।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
    .
    'চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া' কবিতার রচয়িতা কে?
    1. সুভাষ মুখোপাধ্যায়
    2. বিষ্ণু দে
    3. রফিক আজাদ
    4. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
    সঠিক উত্তর:
    রফিক আজাদ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রফিক আজাদ
    ব্যাখ্যা
    • চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া:
    - 'চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া' কবিতাটি কবি রফিক আজাদের 'চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া' কাব্য থেকে সংকলিত হয়েছে।
    - এটি একটি প্রতীকী গদ্য কবিতা।
    - 'চুনিয়া' নামের একটি গ্রামের প্রতীকের মধ্য দিয়ে কবি মানুষকে সুন্দরভাবে বাঁচার আহ্বান জানাচ্ছেন।
    - কবির কথায়, চুনিয়া একটি ছোট্ট আদিবাসী গ্রাম।
    - শহর থেকে অনেক দূরে এর অবস্থান। মনোরম সবুজ প্রকৃতির পটভূমিতে স্থাপিত বলে চুনিয়া কখনো হিংস্রতা দেখেনি।
    - রক্তপাত দেখেনি। চুনিয়া শুধু জানে মানুষকে ভালোবাসতে। মা
    - নবসমাজে আজ যে হিংসা হানাহানি রক্তপাত দেখা যায়, চুনিয়াতে এসব নেই। সবাই এখানে তাই সুখে থাকে।
    - কবি মনে করেন, প্রতিটি মানুষই আসলে এরকম।
    - সভ্যসমাজের অনেকেই এই ধরনের স্নিগ্ধ সুন্দর গ্রামকে অথবা গ্রামের মতো পরিবেশকে বুকের মধ্যে লালন করে থাকেন।
    - চুনিয়া বিশ্বাস করে, মানুষ মারণাস্ত্র ফেলে, হিংসা-দ্বেষ ভুলে পরস্পর সৎ প্রতিবেশী হবে।
    - কেননা মানবতার পক্ষে দাঁড়ানোই হচ্ছে মানবসভ্যতার মূল কথা।

    • রফিক আজাদ:
    - বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা 'উত্তরাধিকার' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
    - তাঁর বিখ্যাত কবিতা 'ভাত দে হারামজাদা'। এটি 'সীমাবদ্ধ জলে, সীমিত সবুজে' কাব্যগ্রন্থে সংকলিত।

    • তাঁর বিখ্যাত কিছু কাব্যগ্রন্থ:
    - চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া,
    - অসম্ভবের পায়ে,
    - কোনো খেদ নেই,
    - হৃদয়ের কী বা দোষ,
    - সীমাবদ্ধ জলে, সীমিত সবুজে,
    - প্রিয় শাড়িগুলো,
    - অপর অরণ্যে,
    - হৃদয়ের কি বা দোষ,
    - পাগলা গারদ থেকে প্রেমিকার চিঠি ইত্যাদি।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা সাহিত্য পাঠ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
    .
    'দিকশূণ্য ভট্টাচার্য' কার ছদ্মনাম?
    1. সুকান্ত ভট্টাচার্য
    2. বঙ্কিম বন্দ্যোপাধ্যায়
    3. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    সঠিক উত্তর:
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    ব্যাখ্যা
    দিকশূন্য ভট্টাচার্য'- 'রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর' এর ছদ্মনাম।

    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মোট নয়টি ছদ্মনামে লিখেন।
    এগুলো হলো-
    - ভানুসিংহ ঠাকুর,
    - অকপটচন্দ্র ভাস্কর,
    - আন্নাকালী পাকড়াশী,
    - দিকশূন্য ভট্টাচার্য,
    - নবীন কিশোর শর্মণঃ,
    - ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মাঃ,
    - বাণী বিনোদ বিদ্যাবিনোদ,
    - শ্রীমতি মধ্যমা ও
    - শ্রীমতি কনিষ্ঠা।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
    .
    'বন মানুষ' গল্পের লেখক কে?
    1. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    2. মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী
    3. মোহাম্মদ লুৎফর রহমান
    4. আবু ইসহাক
    সঠিক উত্তর:
    আবু ইসহাক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আবু ইসহাক
    ব্যাখ্যা
    • 'বন মানুষ' গল্পের লেখক আবু ইসহাক। 

    • 'বন মানুষ':

    - ভারত বিভাগের আগে ১৯৪৬ সালে এ অঞ্চলে ভয়াবহ হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা হয়েছিল।
    - এ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পটভূমিতে 'বনমানুষ' গল্পটি লিখিত। এ গল্পের লেখক বনবিভাগে সামান্য বেতনে চাকরি করতেন।
    - তিনি দ্বিগুণ বেতনে কলকাতায় চাকরি করতে আসেন। কলকাতায় এসে প্রথমে তাঁর নিজেকে সভ্য মানুষ মনে হতে থাকে।
    - কিন্তু তিনি তখন সাম্প্রদায়িক হানাহানির মুখোমুখি হতে থাকেন।
    - তিনি দেখেন এ শহরের মানুষেরা ধর্মের নামে পরস্পরকে নির্মমভাবে হত্যা করছে।
    - বনের পশুপাখিরাও এ রকম পরস্পরকে হত্যা করে না।
    - তখন লেখক আবার বনবিভাগের চাকরিতে ফিরেযাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
    - লেখকের কাছে এ শহরের সভ্য মানুষের চেয়ে বনে বসবাসকারী অশিক্ষিত মূর্খ মানুষকে অধিক গ্রহণযোগ্য মনে হয়।
    - 'বনমানুষ' গল্পটি সংকীর্ণ ধর্ম-পরিচয়মুক্ত মানবিক বোধসম্পন্ন চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হতে সহায়তা করে; কারণ ধর্ম নিয়ে মানুষে সংঘাত মানুষ পরিচয়টিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।
    - কেননা জীব হিসেবে মানুষ অন্য সব প্রাণীর তুলনায় জ্ঞান, বুদ্ধি ও সৃষ্টিশীলতায় শ্রেষ্ঠ।

    • আবু ইসহাক:

    - তিনি ১৯২৬ সালের ১ নভেম্বর শরিয়তপুর জেলার শিরঙ্গল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
    - তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, অভিধান-প্রণেতা।
    - কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত 'নবযুগ' পত্রিকায় আবু ইসহাকের ‘অভিশাপ’ নামে একটি গল্প প্রকাশিত হয়।

    • তাঁর রচিত উপন্যাস:
    - সূর্য-দীঘল বাড়ী,
    - পদ্মার পলিদ্বীপ,
    - জাল।

    • তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
    - হারেম,
    - মহাপতঙ্গ।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া ও  বাংলা সাহিত্য পাঠ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
    .
    'ষোড়শী' ও 'জীবনানন্দ' শরৎচন্দ্র রচিত কোন উপন্যাসের চরিত্র?
    1. পল্লীসমাজ
    2. বৈকুন্ঠের উইল
    3. গৃহদাহ
    4. দেনা পাওনা
    সঠিক উত্তর:
    দেনা পাওনা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দেনা পাওনা
    ব্যাখ্যা
    • 'ষোড়শী' ও 'জীবনানন্দ' শরৎচন্দ্র রচিত 'দেনা পাওনা' উপন্যাসের চরিত্র।

    অন্যদিকে,
    - বৈকুন্ঠের উইল - বৈকুন্ঠ মজুমদার, বিনোদ, গোকুল
    - পল্লীসমাজ - রমা, রমেশ, বেণী, বলরাম।
    - গৃহদাহ - সুরেশ, অচলা, মহিম।

    • শরৎচন্দ্রের উপন্যাস গুলো হলো:

    - বড়দিদি,
    - শ্রীকান্ত,
    - গৃহদাহ,
    - দেনা পাওনা
    - চরিত্রহীন,
    - পল্লীসমাজ,
    - বৈকুন্ঠের উইল,
    - দেবদাস,
    - পথের দাবী,

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
    .
    'কাবিলের বোন' আল মাহমুদ রচিত -
    1. গল্পগ্রন্থ
    2. কাব্যগ্রন্থ
    3. উপন্যাস
    4. নাটক
    সঠিক উত্তর:
    উপন্যাস
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উপন্যাস
    ব্যাখ্যা
    • আল মাহমুদ:
    - মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (১৯৩৬-২০১৯): যিনি আল মাহমুদ নামে অধিক পরিচিত।
    - তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন।

    আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
    - লোক লোকান্তর,
    - কালের কলস,
    - সোনালী কাবিন,
    - পাখির কাছে ফুলের কাছে,
    - অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না ইত্যাদি ।

    তাঁর রচিত উপন্যাস:
    - ডাহুকী,
    - উপমহাদেশ,
    - আগুনের মেয়ে,
    - চেহারার চতুরঙ্গ,
    - কাবিলের বোন ইত্যাদি

    তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
    - পানকৌড়ির রক্ত,
    - সৌরভের কাছে পরাজিত,
    - গন্ধবণিক,
    - ময়ূরীর মুখ

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
    .
    'বঙ্গদূত' পত্রিকার সম্পাদক কে?
    1. বুদ্ধদেব বসু
    2. নীলমণি হালদার
    3. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    4. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
    সঠিক উত্তর:
    নীলমণি হালদার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নীলমণি হালদার
    ব্যাখ্যা
    • 'বঙ্গদূত' পত্রিকা:
    - রামমোহন ও তাঁর অনুগামীদের দ্বারা পরিচালিত হয়ে নীলমণি হালদার 'বঙ্গদূত' পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
    - বঙ্গদূত ছিল সাপ্তাহিক পত্রিকা।
    - পত্রিকাটি প্রকাশিত হয় ১০ই মে, ১৮২৯ সালে।
    - এটি সংস্কারবাদী প্রগতিমুখী চিন্তায় পরিচালিত হতো।

    • আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকার সম্পাদক:
    - সম্বাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
    - জ্ঞানান্বেষণ পত্রিকার সম্পাদক - দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়।
    - 'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন  - সঞ্জয় ভট্টাচার্য।
    - আহমদ ছফা সম্পাদিত পত্রিকা - স্বদেশ।
    - 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন - প্রমথ চৌধুরী।
    - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পাদনা করেছেন- সাধনা (১৮৯৪), ভারতী (১৮৯৮), বঙ্গদেশ (১৯০১), তত্ত্ববােধিনী (১৯১১)।
    - বুদ্ধদেব বসুর সম্পাদিত পত্রিকা- প্রগতি (১৯২৭-২৯), কবিতা (১৯৩৫-৪০)।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
    ১০.
    This time tomorrow, I _____ on the beach.
    1. lie
    2. will lie
    3. will be lying
    4. have been lying
    সঠিক উত্তর:
    will be lying
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    will be lying
    ব্যাখ্যা
    • Complete Sentence: This time tomorrow, I will be lying on the beach.
    - Bangla Meaning-  আগামীকাল এই সময়ে আমি সৈকতে শুয়ে থাকবো।

    - যে কাজটি ভবিষ্যতে এক সময়ে ঘটবে তা বর্ণনা করতে future continuous tense ব্যবহৃত হয়। 
    - This time tomorrow মানে আগামীকাল এই সময়ে - যা ভবিষ্যতের নির্দিষ্ট সময় বোঝায়।
    - তাই এখানে Future Continuous Tense ব্যবহার করতে হবে:
    - will be + verb-ing → will be lying

    • Other options:
    • lie – Present tense; ভবিষ্যতের নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে উপযুক্ত নয়।

    • will lie – ভবিষ্যতের কাজ বোঝালেও চলমানতা বোঝাতে পারে না।

    • have been lying – Present perfect continuous; ভবিষ্যতের জন্য ঠিক নয়।

    Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.
    ১১.
    Who wrote the poem "The Daffodils"?
    1. John Keats
    2. William Wordsworth
    3. Samuel Taylor Coleridge
    4. Percy Bysshe Shelley
    সঠিক উত্তর:
    William Wordsworth
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    William Wordsworth
    ব্যাখ্যা
    • Correct Answer: William Wordsworth.

    William Wordsworth – তিনি কবিতাটি লিখেছেন, যার প্রথম লাইন হলো “I Wandered Lonely as a Cloud”, সাধারণভাবে পরিচিত “The Daffodils” নামে।

    • Daffodils (I Wandered Lonely as a Cloud): 

    - এই কবিতাটিতে একজন ব্যক্তি নিজের একাকীত্বে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, ঠিক যেন একটি ভেসে যাওয়া মেঘ।
    - হঠাৎ করে সে দেখে হাজার হাজার সুন্দর ফুল বাতাসে নেচে উঠছে এক হ্রদের ধারে।
    - এই দৃশ্য তার মনকে আনন্দে ভরে দেয়। অনেক পরে, যখন সে দুঃখী বা একাকী অনুভব করে, তখন সেই ফুলের স্মৃতি তার মনে ভেসে ওঠে, এবং তার হৃদয় আবার আনন্দে ভরে ওঠে।

    • William Wordsworth:
    - তিনি ইংল্যান্ডের এক প্রাকৃতিক এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন, ছোটবেলাতেই মা–বাবাকে হারান।
    - প্রকৃতির সাথে তার সম্পর্ক ছেলেবেলাতেই গড়ে ওঠে, যা পরে তার কবিতায় গভীরভাবে উঠে এসেছে।
    - বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকে তিনি কবিতা লিখতেন এবং পরে আরেকজন বিখ্যাত কবির সঙ্গে মিলে একটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করেন, যা ইংরেজি সাহিত্যে নতুন ধারার সূচনা করে।

    • Notable Literary Works:

    - Lyrical Ballads (1798, co‑authored with Coleridge).
    - “I Wandered Lonely as a Cloud” – celebrates nature’s emotional resonance.
    - Tintern Abbey,
    - The Prelude,
    - Ode: Intimations of Immortality,
    - The Solitary Reaper,
    - The World Is Too Much with Us.

    Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.
    ১২.
    I had failed in the exam. (Make it Passive).
    1. I failed the exam.
    2. The exam have been failed by me.
    3. The exam had failed by me.
    4. The exam had been failed by me.
    সঠিক উত্তর:
    The exam had been failed by me.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    The exam had been failed by me.
    ব্যাখ্যা
    • Correct Answer: The exam had been failed by me.

    • Past Perfect Tense এর Active Voice কে Passive Voice এ পরির্তন করার নিয়ম:

    - Object টি Subject হয়+
    - had been বসে+
    - মূল Verb এর Past Participle বসে+
    - by বসে+) Subject টির Objective form বসে।

    Structure:- Object টির Subjective form + had been +মূল Verb এর Past Participle + by +Subject টির Objective form

    Active: I had failed in the exam.
    Passive: The exam had been failed by me.

    Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.
    ১৩.
    Akib is faster than any other boy in the hostel. (Make it positive).
    1. No other boys in the hostel is fast as Akib.
    2. No other boy in the hostel is so fast as Akib.
    3. No other boy in the hostel is as faster as Akib.
    4. No other boy is fast.
    সঠিক উত্তর:
    No other boy in the hostel is so fast as Akib.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    No other boy in the hostel is so fast as Akib.
    ব্যাখ্যা
    • The correct answer is- No other boy in the hostel is so fast as Akib.

    Than any other/all other যুক্ত Comparative Degree-কে Positive Degree-তে রূপান্তরের নিয়ম-
    - প্রথমে No other বসে + 
    - any other বা all other এর পরের অংশ বসে+ 
    - verb বসে+  so বসে +
    - Comparative Degree এর Positive form বসে +
    - as বসে+ প্রদত্ত Sentence এর subject বসে।

    Structure: No other + any other/all other এর পরের অংশ+ verb + so + comparative degree এর positive form+as+প্রদত্ত sentence এর Subject.

    - Comp: Akib is faster than any other boy in the hostel.
    - Positive: No other boy in the hostel is so fast as Akib.

    Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.
    ১৪.
    We rarely see him,____?
    1. don't we
    2. do we
    3. does we
    4. did we
    সঠিক উত্তর:
    do we
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    do we
    ব্যাখ্যা
    • Complete Sentence: We rarely see him, do we?

    - বাক্যের hardly, scarcely, seldom, rarely, rare, little, few, never, nothing, neither, no one, none, nobody ইত্যাদি থাকলে tag question টি affirmative হবে।
    - "rarely" একটি নেতিবাচক অর্থবোধক শব্দ (মানে: প্রায়ই না)।

    Q: We rarely see him,____?
    A: We rarely see him, do we?

    -  মূল বাক্য যদি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে → তাহলে tag হবে ধনাত্মক।
    - এখানে attends হলো present simple tense এটি পরিবর্তিত হয়ে সহকারী verb হবে does.

    Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.
    ১৫.
    Which one of the following sentences is correct?
    1. The cat had died yesterday.
    2. The cat has died yesterday.
    3. The cat died yesterday.
    4. The cat was died yesterday.
    সঠিক উত্তর:
    The cat died yesterday.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    The cat died yesterday.
    ব্যাখ্যা
    • The correct sentence is - গ) The cat died yesterday.

    - অতীত নির্দেশক কোন শব্দ বা phrase যেমন (yesterday, ago, long since, last night, last week, last month, last year, the day before yesterday ইত্যাদি) Past Indefinite Tense নির্দেশ করে।

    - অর্থাৎ, এগুলো যদি কোনো বাক্যে থাকে তবে সেই বাক্যটি past indefinite tense -এ হয়।

    - Sentence টি Active voice-এ থাকলে কোনো auxiliary verb বসে না, verb-এর past form বসে।

    এক্ষেত্রে সাধারণ structure হলো- Subject + verb-এর past form + ext (যদি থাকে) + অতীত নির্দেশক কোন শব্দ।

    - তাই নিয়মানুযায়ী উল্লিখিত বাক্যে yesterday থাকায় subject-এর পরে verb-এর past form 'died' হবে।

    - সুতরাং, সঠিক বাক্য হলো- The cat died yesterday.

    Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.
    ১৬.
    Ohio is located ___ USA.
    1. at
    2. on
    3. above
    4. in
    সঠিক উত্তর:
    in
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    in
    ব্যাখ্যা
    • Complete Sentence: Ohio is located in USA.
    Bangla Meaning: ওহাইও উ এস এ তে অবস্থিত।

    • in বড় স্থানের পূর্বে বসে।

    - in Rajshahi (city) /in Dhaka/in New York/in Naogaon (district)/ in Asia (continent) in Europe/in a country/in a forest/ in a desert.

    - ওহাইও, আমেরিকার একটি স্টেট , USA দিয়ে সম্পূর্ণ আমেরিকা কে বুঝায় যা একটি বড় দেশ তাই নিয়ম অনুসারে, বড় স্থানের পূর্বে  preposition, in বসে।

    Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.
    ১৭.
    Who wrote "Pride and Prejudice"?
    1. Charlotte Bronte
    2. Jane Austen
    3. George Eliot
    4. Virginia Woolf
    সঠিক উত্তর:
    Jane Austen
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Jane Austen
    ব্যাখ্যা

    • Correct Answer: খ) Jane Austen.

    • Pride and Prejudice:
    - “Pride and Prejudice” একটি ক্লাসিক ইংরেজি উপন্যাস, যেখানে প্রেম, বিয়ে, সমাজ ও আত্ম-উন্নয়নের দারুণ চিত্র আঁকা হয়েছে।
    - এটি ১৮১৩ সালে প্রকাশিত হয়।
    - উপন্যাসটির মূল চরিত্র হলো Elizabeth Bennet এবং Mr. Darcy, যাদের মধ্যকার অহংকার ও কুসংস্কার ধীরে ধীরে ভালোবাসায় পরিণত হয়।

    • Jane Austen:
    - তিনি ইংল্যান্ডের গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন (১৭৭৫ সালে)।
    - জীবনের বেশিরভাগ সময় তিনি পরিবার ও স্থানীয় সমাজ ঘিরেই কাটিয়েছেন।
    - তাঁর লেখাগুলোর মধ্যে মধ্যবিত্ত শ্রেণির নারীদের জীবন, বিয়ে এবং সামাজিক বাধা-বিপত্তি খুব সূক্ষ্মভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।
    - ১৮১৭ সালে মাত্র ৪১ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    • Famous Works:
    - Sense and Sensibility.
    - Emma.
    - Persuasion.
    - Northanger Abbey.
    - Mansfield Park.

    Source: An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

    ১৮.
    (5x)0 + 5x0 + (5x)0 এর মান নিচের কোনটি?
    1. 9
    2. 10
    3. 7
    4. 17
    সঠিক উত্তর:
    7
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    7
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: (5x)0 + 5x0 + (5x)0 এর মান নিচের কোনটি?

    সমাধান:
    (5x)0 + 5x0 + (5x)0
    =1 + (5 × 1) + 1 
    = 1 + 5 + 1
    = 7

    ১৯.
    ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ নামে কুখ্যাত স্কোপোলামিন কোন উৎস থেকে সংগৃহীত হয়?
    1. মারিজুয়ামা নির্যাস থেকে
    2. আফিম গাছ থেকে
    3. নিম গাছ থেকে
    4. ধুতরা ফুল থেকে
    সঠিক উত্তর:
    ধুতরা ফুল থেকে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ধুতরা ফুল থেকে
    ব্যাখ্যা
    • ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ নামে কুখ্যাত স্কোপোলামিন একটি শক্তিশালী মাদকদ্রব্য যা প্রধানত ধুতরা ফুল (ঘ option) থেকে সংগৃহীত হয়। এই রাসায়নিক পদার্থটি মানুষের স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে, বিশেষত মস্তিষ্কের মেমোরি ও সচেতনতা নিয়ন্ত্রণে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। স্কোপোলামিন গ্রহণের পর ভুক্তভোগী ব্যক্তি সহজেই মানসিকভাবে নিয়ন্ত্রণযোগ্য হয়ে পড়ে এবং নিজের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হারায়। অপরাধীরা এটিকে প্রায়শই অপহরণ, ডাকাতি বা মানব পাচারে ব্যবহার করে থাকে। ধুতরা উদ্ভিদ ছাড়াও এটি ব্রুগমানসিয়া ও কিছু নাইটশেড গোত্রীয় গাছেও পাওয়া যায়, তবে সবচেয়ে প্রচলিত উৎস ধুতরা ফুল। এজন্যই এটি ভয়ানক ও কুখ্যাত বলে বিবেচিত।

    • শয়তানের নিঃশ্বাস: 
    - স্কোপোলামিন মূলত একটি সিনথেটিক ড্রাগ। 
    - এই স্কোপোলামিন 'ডেভিলস ব্রেথ' বা 'শয়তানের নিঃশ্বাস' নামেও বেশ পরিচিত। 
    - তবে এটা প্রাকৃতিক কোনো উপাদান নয়। বরং প্রাকৃতিক উপাদানের সঙ্গে আরো কিছু যোগ করে   স্কোপোলামিন তৈরি করা হয়। এটা তরল এবং পাউডার দুই রূপেই পাওয়া যায়। তবে এর গুরুত্বপূর্ণ বা মূল উপাদান আসে ধুতরা ফুল থেকে। 
    - স্কোপোলামিন প্রথম দিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গোয়েন্দা জ্ঞিাসাবাদের ক্ষেত্রে ‘ট্রুথ সেরাম’ হিসেবে ব্যবহার করা হতো। তখন এর ব্যবহার হতো লিকুইড হিসেবে, ইনজেকশনের মাধ্যমে। 
    - আবার চিকিৎসা বিজ্ঞানেও ওষুধ তৈরিতে এর নানাবিধ ব্যবহার রয়েছে। 
    যেমন- বমি বমি ভাব, মোশন সিকনেস এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপারেশন পরবর্তী রোগীর জন্য ওষুধে এর ব্যবহার আছে। 
    - যখন এটি কথা বলানোর জন্য ব্যবহার করা হয় তখন এটা 'ট্রুথ সেরাম'। আবার যখন এটি পাউডার ফর্মে নিঃশ্বাসের জন্য ব্যবহার করা হয় তখন এটা ‘ডেভিলস ব্রেথ’। আর যখন এটা বমি অথবা মোশন সিকনেসের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় তখন এটা আসলে মেডিসিন হিসেবে ব্যবহার হয়। 
    - বর্তমানে স্কোপোলামিন মূলত পাউডার হিসেবে প্রতারণার কাজে ব্যবহার হচ্ছে। অপরাধের ক্ষেত্রে এই ড্রাগ কাগজ, কাপড়, হাত এমনকি মোবাইলের স্ক্রিনে লাগিয়েও এর ঘ্রাণ দিয়ে কিছু সময়ের জন্য কারো মানসিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়া সম্ভব। 
    - এটা নিঃশ্বাসের সঙ্গে ঢুকলেই মাত্র ১০ মিনিট বা তারও আগে প্রভাব ফেলতে শুরু করে। মেমোরি আর ব্রেন তখন সচেতনভাবে কাজ করতে পারে না। কারো ক্ষেত্রে স্বাভাবিক হতে এক ঘণ্টা লাগে। আবার কেউ তিন/চার ঘণ্টার মধ্যেও স্বাভাবিক হতে পারে না।

    উৎস: thedailystar [লিংক]
    ২০.
    একটি রম্বসের কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য ১৮ সে.মি. এবং ১৬ সে.মি.। রম্বসটির ক্ষেত্রফল কত?
    1. ১১০ বর্গ সে.মি.
    2. ১৪৪ বর্গ সে.মি.
    3. ১২৮ বর্গ সে.মি.
    4. ৯৮ বর্গ সে.মি.
    সঠিক উত্তর:
    ১৪৪ বর্গ সে.মি.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৪৪ বর্গ সে.মি.
    ব্যাখ্যা
    প্রশ্ন: একটি রম্বসের কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য ১৮ সে.মি. এবং ১৬ সে.মি.। রম্বসটির ক্ষেত্রফল কত? 

    সমাধান: 
    আমরা জানি, 
    রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১/২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল
    = (১/২) × ১৮ × ১৬ বর্গ সে.মি. 
    = ১৪৪ বর্গ সে.মি.
    ২১.
    অ্যান্টিবডিগুলোর মধ্যে মানবদেহে কোনটি সবচেয়ে বেশি থাকে?
    1. IgG
    2. IgE
    3. IgA
    4. IgD
    সঠিক উত্তর:
    IgG
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    IgG
    ব্যাখ্যা
    • অ্যান্টিবডিগুলোর মধ্যে মানবদেহে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে IgG।. এটি রক্তে এবং অন্যান্য শরীরের তরলে সর্বাধিক উপস্থিত অ্যান্টিবডি, যা দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। IgG প্রধানত ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া এবং টক্সিনের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং দীর্ঘমেয়াদে রোগ প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এছাড়া এটি প্লাসেন্টা অতিক্রম করে গর্ভস্থ শিশুকে প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রদান করে, যা একে অন্যান্য অ্যান্টিবডির তুলনায় অনন্য করে তোলে। অপরদিকে, IgA বেশি থাকে মিউকাসে, IgE অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়ায় সক্রিয় এবং IgD এর পরিমাণ খুবই কম। তাই সঠিক উত্তর: ক) IgG.

    • অ্যান্টিবডি: 
    - দেহের প্রতিরক্ষাতন্ত্র (immune system) থেকে উৎপন্ন এক ধরনের দ্রবণীয় গ্লাইকোপ্রোটিন যা রোগ-ব্যাধি সৃষ্টিকারী নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনকে (যেমন-ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া) ধ্বংস করে তাকে অ্যান্টিবডি বলে। 
    - প্রত্যেকটি অ্যান্টিবডি হচ্ছে ইমিউনোগ্লোবিউলিন (সংক্ষেপে Ig) নামে বিশেষ ধরনের একেকটি প্রোটিন অণু। 
    - শ্বেত রক্তকণিকার অন্যতম প্রধান কণিকা লিম্ফোসাইট। লিম্ফোসাইট দু'ধরনের: (১) T-কোষ ও (২) B-কোষ। 
    - B-লিম্ফোসাইট কয়েক উপধরনে বিভক্ত যার একটি হচ্ছে প্লাজমা B-কোষ, সংক্ষেপে প্লাজমাকোষ নামে পরিচিত। 
    - প্লাজমাকোষ থেকে অ্যান্টিবডি উৎপন্ন হয়। 
    - প্রয়োজনে প্রত্যেক প্লাজমাকোষ প্রতি সেকেন্ডে কয়েক হাজার অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করতে পারে। 
    - মানুষের দেহে প্রায় ১০০ মিলিয়ন (১০ কোটি) ধরনের অ্যান্টিবডি উৎপন্ন হতে পারে। 

    অ্যান্টিবডির প্রকারভেদ: 
    - অ্যান্টিবডির গড়নে যে ভারী শৃঙ্খল রয়েছে তাতে অ্যামিনো এসিডের ক্রমের (sequence) ভিত্তিতে ভারী শৃঙ্খল ৫ ধরনের: γ-(gamma), α-(alpha), μ-(mu), €-(epsilon) এবং δ-(delta)। 
    - এ পাঁচ ধরনের ভারী শৃঙ্খলবিশিষ্ট অ্যান্টিবডিগুলো নিচে বর্ণিত ৫টি শ্রেণিতে বিভক্ত। 
    যেমন- 
    ১। ইমিউনোগ্লোবিউলিন A (IgA): 
    - দেহের মোট Ig-র মধ্যে ১৫% হচ্ছে IgA । 
    - এ ধরনের অ্যান্টিবডি মিউকাস ঝিল্লিতে আবৃত থাকে, যেমন-পরিপাক, জনন ও শ্বসনতন্ত্রে বিস্তৃত হয় এবং সেখানে রোগ সৃষ্টিকারী অনুজীর ও অণুকণাকে প্রশমিত করে। 
    - মায়ের দুধেও IgA পাওয়া যায় এবং বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় শিশুদেছে স্থানান্তরিত হয়। 

    ২।  ইমিউনোগ্লোবিউলিন D (IgD): 
    - দেহের মোট Ig-র মধ্যে ১%-এরও কম হচ্ছে IgD । 
    - রক্ত, লসিকা ও লিফোসাইট B-কোষে এ lg পাওয়া যায়। 
    - এর কাজ অজ্ঞাত হলেও বিজ্ঞানিদের ধারণা, IgD B-কোষকে সক্রিয়করণে ভূমিকা পালন করে। 

    ৩। ইমিউনোগ্লোবিউলিন E (IgE): 
    - দেহের মোট ।g-র মধ্যে প্রায় ০.১% হচ্ছে IgE । 
    - এটি দুর্লভ Ig । 
    - B-কোষ, মাস্টকোষ ও বেসোফিলে এ Ig পাওয়া যায়। 
    - হিস্টামিন ক্ষরণকে উদ্দীপ্ত করে এটি প্রদাহ সাড়া সক্রিয় করে। 
    - বিভিন্ন অ্যালার্জিক সাড়া দানে (যেমন-সন্ধিবাতে) এ অ্যান্টিবডির ভূমিকা বেশ নেতিবাচক প্রমাণিত হয়েছে। 

    ৪। ইমিউনোগ্লোবিউলিন G (IgG): 
    - দেহের মোট ইমিউনোগ্লোবিউলিনের (Ig) 75% IgG । 
    - রক্ত, লসিকা, অন্ত্র ও টিস্যু তরলে এ Ig বিস্তৃত থাকে। 
    - কমপ্লিমেন্ট সিস্টেমিক সক্রিয় করে এবং অনেক বিষাক্ত পদার্থকে প্রশমিত করে। 
    - IgG ই একমাত্র অ্যান্টিবডি যা গর্ভাবস্থায় অমরা অতিক্রম করে মায়ের অর্জিত প্রতিরক্ষাকে ভ্রূণদেহে বাহিত করে। 

    ৫। ইমিউনোগ্লোবিউলিন M (IgM): 
    - দেহের মোট IG-এর ৫-১০% IgM । 
    - ABO ব্লাড গ্রুপের রক্তকণিকার অ্যান্টিবডি এ ধরনের। 
    - IgM পাওয়া যায় রক্ত ও লসিকায়। 
    - এটি কমপ্লিমেন্ট সিস্টেমকে সক্রিয় করে এবং বহিরাগত কোষকে পরস্পরের সঙ্গে আসঞ্জিত করে দেয়। 
    - অধিকাংশ ব্যাকটেরিয়া ও কিছু ভাইরাসের বিরুদ্ধে স্পেসিফিক ইমিউন সাড়া দেয়ার ক্ষেত্রে IgG & IgM একত্রে কাজ করে। 

    উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।
    ২২.
    A = {21, 22, 23, 24, 25, 26} হলে, এর প্রকৃত উপসেট কয়টি?
    1. 60
    2. 63
    3. 59
    4. 55
    সঠিক উত্তর:
    63
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    63
    ব্যাখ্যা
    প্রশ্ন: A = {21, 22, 23, 24, 25, 26} হলে, এর প্রকৃত উপসেট কয়টি?

    সমাধান: 
    এখানে, 
    A সেটের মোট উপাদান = 6
    A সেটের সর্বমোট উপসেট = 26 = 64

    ∴ প্রকৃত উপসেট = 64 - 1 
    = 63
    ২৩.
    বার্ষিক ৫% সরল মুনাফায় কত মাসে মূলধনের পরিমাণ দ্বিগুণ হবে?
    1. ২৪০ মাস
    2. ২২০ মাস
    3. ২৪৮ মাস
    4. কোনোটি নয়
    সঠিক উত্তর:
    ২৪০ মাস
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২৪০ মাস
    ব্যাখ্যা
    প্রশ্ন: বার্ষিক ৫% সরল মুনাফায় কত মাসে মূলধনের পরিমাণ দ্বিগুণ হবে?

    সমাধান:
    ধরি, মূলধন = P

    দেওয়া আছে,
    বার্ষিক মুনাফার হার , r =৫ % 
    সময়, n = ? 
    যদি মূলধনের টাকা দ্বিগুণ হয় তাহলে সুদের পরিমাণ হবে মূলধন এর সমান অর্থাৎ I = P  

    সরল সুদ এর সূত্রানুযায়ী, 
    I = Pnr/১০০
    বা,  P = Pnr/১০০ (  যেহেতু I = P )
    বা, ১ = nr/১০০
    বা, n × ৫ = ১০০
    বা, n = ১০০/৫ = ২০ বছর = ২৪০ মাস

    অর্থাৎ বার্ষিক ৫% হারে ২০ বছরে বা, ২৪০ মাসে টাকার পরিমাণ দ্বিগুণ হবে।
    ২৪.
    বাংলাদেশের জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর কোনটি?
    1. ১১১
    2. ৩৩৩
    3. ৯৯৯
    4. ১২৩
    সঠিক উত্তর:
    ৯৯৯
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৯৯৯
    ব্যাখ্যা
    জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর:
    - বাংলাদেশের জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর হলো ৯৯৯ ।
    - যেকোনো দুর্ঘটনার মুখোমুখি হলে জরুরি সেবা পেতে দেশের যেকোনো স্থান থেকে যে কেউ এই নম্বরে ফোন করতে পারেন।
    - বাংলাদেশ পুলিশের অধীন এই কল সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে।
    - এই নম্বরে ফোন করে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা কিংবা এ-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে।
    - দিন–রাত ২৪ ঘণ্টা এ কল সেন্টার চালু থাকে।
    - যেকোনো ফোন থেকে বিনা মূল্যে ৯৯৯ নম্বরে কল করা যায়।

    উৎস: প্রথম আলো (১১ আগস্ট ২০২৪)
    ২৫.
    হরমুজ প্রণালী সংযুক্ত করেছে -
    1. ভূমধ্যসাগর এবং লোহিত সাগর
    2. পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগর
    3. কৃষ্ণ সাগর এবং মর্মর সাগর
    4. ভূমধ্যসাগর এবং আরব সাগর
    সঠিক উত্তর:
    পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগর
    ব্যাখ্যা
    হরমুজ প্রণালী:
    - অবস্থান: পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগর ও আরব সাগর সংযোগকারী জলপথ।
    - প্রস্থ: ৩৫-৬০ মাইল (৫৫-৯৫ কিমি)।
    - হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্য পথ।
    - পারস্য উপসাগরের বিভিন্ন বন্দর থেকে অপরিশোধিত তেল বহনকারী ট্যাঙ্কারদের জন্য এটি প্রধান পথ।
    - ২০১০-এর দশকে বিশ্বজুড়ে সরবরাহকৃত মোট তেলের এক-পঞ্চমাংশ এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়েছে।
    - তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) রপ্তানির ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ, যা বিশ্বব্যাপী সরবরাহের এক-তৃতীয়াংশ বহন করে।
    - হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানী রপ্তানির ক্ষেত্রে এটি একটি প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে বিবেচিত হয়।

    উৎস: Britannica.
    ২৬.
    বাংলাদেশের কোন জেলাকে ‘নিঝুম দ্বীপের দেশ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
    1. পটুয়াখালী
    2. ভোলা
    3. নোয়াখালী
    4. সাতক্ষীরা
    সঠিক উত্তর:
    নোয়াখালী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নোয়াখালী
    ব্যাখ্যা
    নিঝুম দ্বীপ:
    - ভ্রমণপিপাসু পর্যটকদের কাছে ব্যাপকভাবে পরিচিতি পেয়েছে নোয়াখালীর সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে জেগে ওঠা এই দ্বীপ।
    - কয়েক বছর আগে নোয়াখালী জেলার ব্র্যান্ডিংও (পরিচিতি) করা হয়েছে নিঝুম দ্বীপের নামে।
    - সেই থেকে নোয়াখালীকে ‘নিঝুম দ্বীপের দেশ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
    - বঙ্গোপসাগরের বুকে মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠা এই চর হাতিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে দুই কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
    - চর ওসমান, কামলার চর, পালকির চর, চর কবিরা, মৌলভীর চরসহ ছোট–বড় ১১টি চর নিয়ে নিঝুম দ্বীপ।
    - পুরো চরের আয়তন প্রায় ১৪ হাজার ৫০ একর।
    - ১৯৪০ সালের দিকে ধীরে ধীরে জেগে ওঠে দ্বীপটি। এরও প্রায় এক দশক পর দ্বীপে মানুষের আসা-যাওয়া শুরু হয়।
    - তবে ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে দ্বীপের প্রায় সব মানুষ মারা যান। দ্বীপটি হয়ে যায় জনমানবশূন্য।
    - পরবর্তী সময়ে আবার মানুষের যাতায়াত শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে মানুষের বসতি গড়ে ওঠে।
    - ২০০১ সালের ৮ এপ্রিল দ্বীপটিকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে সরকার।
    - ২০১৩ সালে হাতিয়ার জাহাজমারা ইউনিয়ন থেকে আলাদা করে নিঝুম দ্বীপকে করা হয় স্বতন্ত্র একটি ইউনিয়ন।
    - দ্বীপের নাম অনুসারেই ইউনিয়নের নামকরণ হয়।

    উৎস: প্রথম আলো (২২ ডিসেম্বর ২০২৪)
    জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
    ২৭.
    ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির হাতে বাংলায় কোন শাসনের অবসান ঘটে?
    1. সেন
    2. গুপ্ত
    3. পাল
    4. সুলতানি
    সঠিক উত্তর:
    সেন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সেন
    ব্যাখ্যা
    মুসলমান শাসনের সূচনা:
    - সেন শাসনের অবসান ঘটে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির হাতে।
    - তিনি রাজা লক্ষ্মণসেনকে পরাজিত করে মুসলমান শাসনের সূচনা করেন।
    - ১২০৪ থেকে ১২০৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার পশ্চিমে নদীয়া ও উত্তর বাংলার কিছুটা অংশ বখতিয়ার খলজির দখলে ছিল।
    - তারপর ১৩৩৮ সাল পর্যন্ত বাংলা জুড়ে মুসলিম শাসনের বিস্তার ঘটতে থাকে।

    উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
    ২৮.
    বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত -
    1. মাঠ প্রশাসন
    2. সচিবালয়
    3. বিভাগ
    4. জেলা
    সঠিক উত্তর:
    সচিবালয়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সচিবালয়
    ব্যাখ্যা
    - বাংলাদেশের প্রশাসনের দুটি স্তর রয়েছে।
    - যেমন: কেন্দ্রীয় প্রশাসন এবং মাঠ প্রশাসন।
    - কেন্দ্রিয় প্রশাসনিক কাঠামোর পদসোপান অনুযায়ী সর্বনিম্ন স্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হচ্ছেন সহকারী সচিব।
    - ধাপের ক্রমানুসারে কর্মকর্তাদের পদবি যথাক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব, উপসচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব, সচিব, সিনিয়র সচিব এবং সবার উপরে মন্ত্রী অবস্থান করেন।
    - প্রশাসনিক কর্মকান্ড এই কাঠামো স্তরের মধ্য দিয়েই বাস্তবায়িত হয়।
    - সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ উপর থেকে নিচের দিকে যায়।
    - সচিবের পরামর্শ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন কোনো বিভাগীয় প্রধান, সরাসরি মন্ত্রীর কাছে কোনো প্রস্তাব বা সুপারিশ পাঠাতে পারেন না।
    - একটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একাধিক সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব বা অধস্তন কর্মকর্তা থাকতে পারেন। 
    - সচিবালয়ে গৃহীত সিদ্ধান্ত ক্রমান্বরে বিভাগে, জেলা প্রশাসনে এবং উপজেলা প্রশাসনে প্রেরিত হয়।
    - সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত।
    - সকল বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থাসমূহ সচিবালয়ের কাছে দায়ী।

    উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
    ২৯.
    পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করেন কে?
    1. সরকার
    2. সুপ্রিম কোর্ট
    3. প্রধান বিচারপতি
    4. দায়রা জজ
    সঠিক উত্তর:
    সরকার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সরকার
    ব্যাখ্যা
    ⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান:- পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা:-
    (১) সরকার, সাধারণভাবে বা কোনো নির্দিষ্ট মামলা, বা মামলার কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণীর জন্য, এবং কোনো নির্দিষ্ট স্থানীয় এলাকার জন্য, “পাবলিক প্রসিকিউটর” নামে একজন বা একাধিক কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে পারবেন।

    (২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, অথবা যেখানে কোনো পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করা হয়নি, সেখানে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সরকারের নির্ধারিত পদমর্যাদার নিচের কোনো পুলিশ অফিসার না হন — এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন।

    The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-492: Power to appoint Public Prosecutor:
    (1) The Government may appoint, generally, or in any case, or for any specified class of cases, in any local area, one or more officers to be called Public Prosecutors.

    (2) The District Magistrate may, in the absence or the Public Prosecutor, or where no Public Prosecutor has been appointed, appoint any other person, not being an officer of police below such ranks as the Government may prescribe in this behalf to be Public Prosecutor for the purpose of any case.
    ৩০.
    “মানবদেহের বিরুদ্ধে অপরাধ” দণ্ডবিধির কোন অধ্যায়ে আলোচিত হয়েছে?
    1. অধ্যায় XV
    2. অধ্যায় XVI
    3. অধ্যায় XVII
    4. অধ্যায় XVIII
    সঠিক উত্তর:
    অধ্যায় XVI
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অধ্যায় XVI
    ব্যাখ্যা
    ⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর অধ্যায় XVI: মানবদেহের বিরুদ্ধে অপরাধ:

    জীবনের বিরুদ্ধে অপরাধ-
    ধারা ২৯৯: অপরাধমূলক নরহত্যা;
    ধারা ৩০০: খুন;
    ধারা ৩০১: ভুল ব্যক্তিকে হত্যা করলে অপরাধমূলক নরহত্যা;
    ধারা ৩০২: খুনের শাস্তি;
    ধারা ৩০৩: যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কর্তৃক খুনের শাস্তি;
    ধারা ৩০৪: খুনে পরিণত না হওয়া অপরাধমূলক নরহত্যার শাস্তি;
    ধারা ৩০৪A: অবহেলার ফলে মৃত্যুর কারণ হওয়া;
    ধারা ৩০৪B: বেপরোয়া চালানোর ফলে মৃত্যুর কারণ হওয়া;
    ধারা ৩০৫-৩০৬: আত্মহত্যায় প্ররোচনা;
    ধারা ৩০৭-৩০৯: খুন বা আত্মহত্যার চেষ্টা;
    ধারা ৩১০-৩১১: ঠগ ও তার শাস্তি।

    গর্ভপাত, ভ্রূণের মৃত্যু, সদ্যজাতকে ফেলে দেওয়া, জন্ম গোপন ইত্যাদি সম্পর্কিত অপরাধ-
    ধারা ৩১২-৩১৪: গর্ভপাত ঘটানো, নারীর সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত, গর্ভপাতের ফলে মৃত্যু;
    ধারা ৩১৫-৩১৬: জন্ম প্রতিরোধ বা জীবিত সন্তানকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া;
    ধারা ৩১৭-৩১৮: শিশু ফেলে যাওয়া, মৃতদেহ গোপনে নিষ্পত্তি।

    ধারা ৩১৯-৩৩৮ক: আঘাত সংক্রান্ত অপরাধ;
    ধারা ৩৩৯-৩৪৮: অন্যায়ভাবে আটক ও অবরুদ্ধকরণ;
    ধারা ৩৪৯-৩৫৮: অপরাধজনিত বলপ্রয়োগ ও আক্রমণ;
    ধারা ৩৫৯-৩৭৪: অপহরণ, গুম, দাসত্ব ও জোরপূর্বক শ্রম;
    ধারা ৩৭৫: ধর্ষণ; ধারা ৩৭৬: ধর্ষণের শাস্তি;
    ধারা ৩৭৭: প্রাকৃতিক নিয়মবিরুদ্ধ যৌন অপরাধ।
    ৩১.
    'ম' জানে যে, 'ক' মোবাইল ফোন চুরি করেছে। তবুও সে সেই ফোনটি বিক্রি করে দিতে 'ক' কে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে 'ম' সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
    1. ২ বছরের কারাদণ্ড
    2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
    3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
    4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
    সঠিক উত্তর:
    ৩ বছরের কারাদণ্ড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩ বছরের কারাদণ্ড
    ব্যাখ্যা
    ⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১৪ অনুযায়ী,
    যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে (voluntarily), চুরিকৃত সম্পত্তি লুকানো, অপসারণ বা বিক্রয়ে সহায়তা করে, এ সময় জানে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে সম্পত্তিটি চুরিকৃত, তাহলে তার শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় শাস্তি।

    ⇒ The Penal Code, 1860- Section 414: Assisting in concealment of stolen property:
    Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
    ৩২.
    ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭ অনুযায়ী কমিশন সম্পাদিত হওয়ার পর তা কোথায় ফেরত দিতে হয়?
    1. দায়রা আদালতে
    2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
    3. পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে
    4. যে আদালত হতে কমিশন প্রদত্ত হয়েছিল
    সঠিক উত্তর:
    যে আদালত হতে কমিশন প্রদত্ত হয়েছিল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যে আদালত হতে কমিশন প্রদত্ত হয়েছিল
    ব্যাখ্যা
    ⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭- কমিশন ফেরত প্রদান:
    (১) ধারা-৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হওয়ার পর উক্ত কমিশন অনুসারে গৃহীত সাক্ষীর সাক্ষ্যসহ কমিশনটি যে আদালত হতে প্রদত্ত হয়েছিল, সেই আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং কমিশন ইহার বিবরণী এবং সাক্ষ্য সকল যুক্তিসংগত সময়ে পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সকল সংগত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে যে কোন পক্ষের মামলায় সাক্ষ্যে পড়া যাবে এবং তা নথির অংশ হবে।

    (২) এভাবে গৃহীত সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা-৩৩ এ নির্ধারিত শর্তাবলি পূরণ করলে তা মামলার কোন পরবর্তী পর্যায়ে অন্য কোন আদালতেরও সাক্ষ্যে গৃহীত হতে পারে।

    ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 507- Return of commission:
    (1) After any commission issued under section 503 or section 506 has been duly executed, it shall be returned, together with the deposition of the witness examined thereunder, to the Court out of which it issued; and the commission, the return thereto and the deposition shall be open at all reasonable times to inspection of the parties, and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in the case by either party, and shall form part of the record.

    (2) Any deposition so taken, if it satisfies the conditions prescribed by section 33 of the Evidence Act, 1872, may also be received in evidence at any subsequent stage of the case before another Court.
    ৩৩.
    What is the maximum term of imprisonment a Metropolitan Magistrate may pass?
    1. 3 years
    2. 5 years
    3. 7 years
    4. 10 years
    সঠিক উত্তর:
    5 years
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    5 years
    ব্যাখ্যা
    ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 32- Sentences which Magistrates may pass:
    (1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:-
    (১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথা:

    (a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping.
    (ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।

    (b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka;
    (খ)  দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷

    (c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year; Fine not exceeding two thousand taka.
    (গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকা অর্থদণ্ড।

    (2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
    ২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যে-সব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোনো আইনসংগত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
    ৩৪.
    A নামক একজন সার্জন জানেন যে, একটি নির্দিষ্ট অস্ত্রোপচার Z-এর মৃত্যু ঘটাতে পারে। তবুও, Z প্রচণ্ড যন্ত্রণায় ভুগছেন এবং Z-এর সুস্থতার জন্য, A সরল বিশ্বাসে, Z-এর সম্মতিতে সেই অস্ত্রোপচারটি করেন। দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে A অপরাধ থেকে অব্যাহতি পাবে?
    1. ধারা ৮৬
    2. ধারা ৮৭
    3. ধারা ৮৮
    4. ধারা ৮৯
    সঠিক উত্তর:
    ধারা ৮৮
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ধারা ৮৮
    ব্যাখ্যা
    ধারা ৮৮: মঙ্গলার্থে সরল বিশ্বাসে ও সম্মতিতে মৃত্যু ঘটানো সম্ভাব্য কার্য অপরাধ নয়:
    যে কোন কার্য, যার দ্বারা মৃত্যুর উদ্দেশ্য নেই, কিন্তু যার ফলে কারও মৃত্যু ঘটতে পারে বা ঘটার সম্ভাবনা থাকে- যদি সেই কার্যটি কারও মঙ্গলের জন্য, সরল বিশ্বাসে করা হয় এবং যে ব্যক্তির উপর তা করা হয় তিনি স্পষ্ট বা পরোক্ষভাবে সম্মতি দিয়ে থাকেন সেই ক্ষতি বা ঝুঁকি ভোগ করতে- তাহলে তা অপরাধ নয়।

    উদাহরণ (Illustration):
    A নামক একজন সার্জন জানেন যে একটি নির্দিষ্ট অস্ত্রোপচার Z-এর মৃত্যু ঘটাতে পারে। তবুও, Z প্রচণ্ড যন্ত্রণায় ভুগছেন এবং Z-এর সুস্থতার জন্য, A সরল বিশ্বাসে, Z-এর সম্মতিতে সেই অস্ত্রোপচারটি করেন।
    → এই ক্ষেত্রে, A কোন অপরাধ করেননি।
    ৩৫.
    নির্বাসনের আদেশে কী নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা যাবে না?
    1. প্রেরণের স্থান
    2. কারাদণ্ডের মেয়াদ
    3. অপরাধের ধরন
    4. মামলার নম্বর
    সঠিক উত্তর:
    প্রেরণের স্থান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    প্রেরণের স্থান
    ব্যাখ্যা
    ⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৬৮: মৃত্যুদণ্ড ও নির্বাসন সংক্রান্ত বিধান:
    (১) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ: যখন কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, তখন সেই দণ্ডাদেশে অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে যে তাকে “গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুবরণ করা পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখা হবে”।

    (২) নির্বাসন (Transportation) এর আদেশ: নির্বাসনের আদেশে যে স্থানে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে প্রেরণ করা হবে, তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা যাবে না

    ⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 368. Sentence of death:
    (1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.

    - Sentence of transportation:
    (2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
    ৩৬.
    সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন কাকে উদ্দেশ্য করে তৈরি করা হবে?
    1. আদালত
    2. বাদী পক্ষ
    3. বিবাদী পক্ষ
    4. উভয় পক্ষ
    সঠিক উত্তর:
    আদালত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আদালত
    ব্যাখ্যা
    ⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক: বিশেষজ্ঞের মতামত শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে:
    (১) আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনো সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না, যতক্ষণ না তার প্রতিবেদনটি (উপ-ধারা ২ অনুযায়ী) সমস্ত পক্ষকে প্রদান করা হয়।
    (২) বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদনটি আদালতের উদ্দেশ্যে প্রদান করা হবে এবং কোনো পক্ষের পক্ষে নয়, এবং বিশেষজ্ঞের কর্তব্য হচ্ছে আদালতকে সাহায্য করা।
    -----------
    ⇒ The Evidence Act, 1872 Section 45A. Opinion of experts on physical or forensic evidence:
    (1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
    (2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
    ৩৭.
    আইনজীবীর সাথে পেশাগত বার্তার গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতা কোন আইন অনুযায়ী নির্ধারিত?
    1. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
    2. সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
    3. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
    4. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
    সঠিক উত্তর:
    সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
    ব্যাখ্যা
    সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১২৬ (Professional communications):
    কোনো আইনজীবীকে কখনোই অনুমতি দেওয়া হবে না- যতক্ষণ না তার মক্কেল স্পষ্টভাবে অনুমতি দেন- সে তার মক্কেলের পক্ষ থেকে বা মক্কেলের পক্ষে তার পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময়, এবং সেই উদ্দেশ্যে করা যেকোনো কথোপকথন (communication) প্রকাশ করতে পারবেন না। তেমনকি কোনো দলিলপত্র (document) সম্পর্কে যা তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় জেনেছেন, তার বিষয়বস্তু বা অবস্থা তিনি প্রকাশ করতে পারবেন না। তদ্ব্যতীত, তিনি মক্কেলকে যে পরামর্শ দিয়েছেন তাও প্রকাশ করতে পারবেন না।

    এই ধারা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে গোপনীয়তা রক্ষা করে না:
    (১) যদি মক্কেল অবৈধ উদ্দেশ্যে কোনো যোগাযোগ করে, তাহলে তা গোপন রাখা যাবে না।
    (২) যদি আইনজীবী পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় এমন কিছু দেখেন বা জানেন, যা থেকে স্পষ্ট হয় যে কোনো অপরাধ বা জালিয়াতি (fraud) সংঘটিত হয়েছে, এবং তা তার নিযুক্তির পর থেকে ঘটেছে— তবে তা গোপন রাখা যাবে না।

    ব্যাখ্যা: এই গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতা (obligation) আইনজীবীর নিযুক্তি শেষ হওয়ার পরেও বহাল থাকে।
    ৩৮.
    সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩৪ অনুযায়ী, হিসাব বইয়ের এন্ট্রি কখন প্রাসঙ্গিক হবে?
    1. যখন শুধুমাত্র ডিজিটাল ফর্মে থাকে
    2. যখন তা আদালতের অনুমতি পায়
    3. যখন তা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে নিয়মিত রক্ষণ করা হয়
    4. যখন তা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে নিয়মিত রক্ষণ করা হয়
    সঠিক উত্তর:
    যখন তা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে নিয়মিত রক্ষণ করা হয়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যখন তা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে নিয়মিত রক্ষণ করা হয়
    ব্যাখ্যা
    সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২- ধারা ৩৪: হিসাব বহিতে বা ডিজিটাল রেকর্ডে এন্ট্রি কখন প্রাসঙ্গিক:
    যদি কোনো হিসাব বহি বা ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবসার স্বাভাবিক ধারায় নিয়মিতভাবে রক্ষণ করা হয়, এবং তাতে এমন কোনো বিষয়ের উল্লেখ থাকে যা সম্পর্কে আদালতকে তদন্ত করতে হয়, তবে সেসব এন্ট্রি প্রাসঙ্গিক বিবেচিত হবে।

    তবে, কেবলমাত্র ঐ এন্ট্রিগুলো কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে না—অর্থাৎ, অন্য সহায়ক প্রমাণ ছাড়া কেবল হিসাব বইয়ের এন্ট্রি দিয়ে কাউকে দায়ী করা যাবে না।
    ৩৯.
    দেওয়ানি সমন জারির ক্ষেত্রে কুরিয়ার সার্ভিস তালিকা কে প্রস্তুত করবেন?
    1. সংশ্লিষ্ট বিচারক
    2. জেলা জজ
    3. সরকারের ডাক বিভাগ
    4. বাদীপক্ষের আইনজীবী
    সঠিক উত্তর:
    জেলা জজ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জেলা জজ
    ব্যাখ্যা
    দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ৯ (জারির জন্য সমন অর্জন অথবা প্রেরণ) -
    (১) যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে, বিবাদী সেটির এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বসবাস করে বা সমন গ্রহণ করার ক্ষমতা প্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি বিবাদীর পক্ষে যদি এরূপ এলাকার ভিতর বসবাস করে, তবে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ না দিলে হয় উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট স্বয়ং জারি করার লক্ষ্যে বা তাদের অধঃস্তন কোন ব্যক্তি দ্বারা অথবা উপ-ধারা(৪) এর বিধান অনুযায়ী জেলা জজ কর্তৃক তালিকাভুক্ত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সমন অর্পিত বা প্রেরিত হবে।

    (২) উপযুক্ত কর্মকর্তা যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করেছে সেখানকার না হয়ে অন্য কোন আদালতের কর্মকর্তাও হতে পারেন, এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তার নিকট ডাকযোগে বা আদালত যেভাবে নির্দেশ দিতে পারে অনুরূপ অন্য যে কোন উপায়ে প্রেরণ করা যাবে।

    (৩) আদালত উপ-বিধি (১) তে বর্ণিত বিধানের অতিরিক্ত হিসেবে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিবাদীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারে এবং একইসঙ্গে ফ্যাক্স বার্তার মাধ্যমে বা ইলেক্ট্রনিক মেইল সার্ভিস এর মাধ্যমে নিজ খরচে সমন প্রেরণের নির্দেশ দিবেন।

    (৪) জেলা জজ উপ-বিধি(১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কুরিয়ার সার্ভিসের একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন (সময় সময় হালনাগাদসহ) এবং তার প্রশাসনিক অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতসমূহকে তা অবহিত করবেন।

    (৫) যখন সমন উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস এর নিকট প্রেরণ করা হয়, তখন তিনি বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত সমন প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে সার্ভিস বা প্রেরণ করবেন এবং আদালতকে এতদবিষয়ে অবহিত করবেন: তবে শর্ত থাকে যে, যদি উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণে ব্যর্থ হন, তাহলে উক্ত কর্মকর্তা অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন এবং কুরিয়ারের ক্ষেত্রে,জেলা জজ প্রস্তুতকৃত তালিকা হতে তা বাদ দিবেন।
    ৪০.
    মামলার অধিকারী ব্যক্তি অপারগতার মধ্যে মৃত্যুবরণ করলে, তাহলে তার পক্ষে কে মামলা করতে পারবে?
    1. আদালত
    2. তার আইনজীবী
    3. তার আইনানুগ প্রতিনিধি
    4. মামলা বাতিল হবে
    সঠিক উত্তর:
    তার আইনানুগ প্রতিনিধি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    তার আইনানুগ প্রতিনিধি
    ব্যাখ্যা
    ⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান- বৈধ অপারগতা:
    (১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

    (২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হওয়ার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

    (৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।

    (৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
    ৪১.
    দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ৩ অনুসারে, আদালত যদি আপিলের স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করেন, তাহলে তাঁকে-
    1. আপিল বাতিল করতে হবে
    2. মামলাটি পুনরায় শুনানি করতে হবে
    3. প্রত্যাখ্যানের কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
    4. আপিলকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে
    সঠিক উত্তর:
    প্রত্যাখ্যানের কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    প্রত্যাখ্যানের কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
    ব্যাখ্যা
    ⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
    ১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।

    ২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।

    ৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
    ৪২.
    সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারায় কোন অবস্থায় আদালত চুক্তি রদের নির্দেশ দিতে পারে?
    1. চুক্তি রেজিস্ট্রিকৃত না হলে
    2. চুক্তি সম্পাদনে জন্য বাধ্য করতে
    3. উভয় পক্ষ অসম্মত হলে
    4. সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের আদেশ দেওয়া সম্ভব না হলে
    সঠিক উত্তর:
    সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের আদেশ দেওয়া সম্ভব না হলে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের আদেশ দেওয়া সম্ভব না হলে
    ব্যাখ্যা
    ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
    লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

    The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
    A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
    ৪৩.
    A অনৈতিকভাবে B-এর ট্রেডমার্ক ব্যবহার করে। B কখন A-এর ট্রেডমার্ক ব্যবহার বন্ধ করার জন্য নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে?
    1. যখন A ট্রেডমার্ক সততার সঙ্গে ব্যবহার করে
    2. যখন B ট্রেডমার্ক সততার সঙ্গে ব্যবহার করে
    3. যখন B ট্রেডমার্ক অসৎভাবে ব্যবহার করে
    4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
    সঠিক উত্তর:
    যখন B ট্রেডমার্ক সততার সঙ্গে ব্যবহার করে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যখন B ট্রেডমার্ক সততার সঙ্গে ব্যবহার করে
    ব্যাখ্যা
    সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
    এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
    যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
    যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
    (ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
    (খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
    (গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
    (ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
    (ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।

    ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।

    ⇒ A অনৈতিকভাবে B-এর ট্রেডমার্ক ব্যবহার করে। যদি B নিজে ট্রেডমার্কটি সৎভাবে ব্যবহার করে থাকে, তবে সে A-কে ওই ব্যবহার থেকে বিরত রাখার জন্য আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা (injunction) আদেশ পেতে পারে।
    ৪৪.
    Under Order 7, Rule 2 of The Code of Civil Procedure, 1908, when a plaintiff files a money suit, what must the plaint specify?
    1. The defendant’s income
    2. The source of money
    3. The date of transaction
    4. The precise amount claimed
    সঠিক উত্তর:
    The precise amount claimed
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    The precise amount claimed
    ব্যাখ্যা
    ⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-7, Rule-2: In money suits:
    - Where the plaintiff seeks the recovery of money, the plaint shall state the precise amount claimed. But where the plaintiff sues for mesne profits, or for an amount which will be found due to him on taking unsettled accounts between him and the defendant, the plaint shall state approximately the amount sued for.

    ⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮- আদেশ ৭, বিধি ২: অর্থ পাওনা সম্পর্কিত মামলা:
    যেখানে বাদী টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে মামলা করেন, সেখানে বাদীকে মামলার আরজিতে (plaint) নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দাবির কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
    তবে, যদি মামলা অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা বা এমন কোনো অর্থ দাবির জন্য হয়, যা বিবাদীর সাথে হিসাবনিকাশের পর নির্ধারিত হবে, তাহলে বাদীকে আনুমানিকভাবে দাবিকৃত টাকার পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে।

    মূল কথা:
    ১. নির্দিষ্ট টাকার জন্য মামলা হলে → সুনির্দিষ্ট টাকার পরিমাণ লিখতে হবে।
    ২. হিসাব নির্ধারিত নয় এমন ক্ষেত্রে → আনুমানিক টাকার পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে।
    ৪৫.
    দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির কোন কোন পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছে?
    1. মীমাংসা ও আপিল
    2. মধ্যস্থতা ও সালিশী
    3. আপোষ ও মীমাংসা
    4. আপিল ও মধ্যস্থতা
    সঠিক উত্তর:
    মধ্যস্থতা ও সালিশী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মধ্যস্থতা ও সালিশী
    ব্যাখ্যা
    • দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
    ১/ মধ্যস্থতা (Mediation);
    ২/ সালিশী (Arbitration).

    • দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে। এর সাধারন নিয়মসমূহ হল-

    ⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

    ⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

    ⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।

    ⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
    ৪৬.
    জেলা জজ আদালত সর্বোচ্চ কত টাকার ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পারবেন?
    1. ৫০ লাখ টাকা
    2. ১ কোটি টাকা
    3. ৫ কোটি টাকা
    4. ১০ কোটি টাকা
    সঠিক উত্তর:
    ৫ কোটি টাকা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৫ কোটি টাকা
    ব্যাখ্যা
    • The Civil Courts Act,1887 এর ২১ ধারায় আপিল গ্রহণের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমার বিধান রয়েছে। ২১ ধারামতে শুধুমাত্র ২টি আদালত আপিলের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
    i) জেলা জজ আদালত এবং
    ii) হাইকোর্ট বিভাগ।

    • এই আইন সর্বশেষ সংশোধন করা হয় ২০২১ সালের ১১ই জানুয়ারি এবং উক্ত দিন হতে সংশোধনী আইনটি কার্যকর হয়। উক্ত সংশোধনী দ্বারা ১৯ ও ২১ ধারা সংশোধন করা হয় এবং দেওয়ানী আদালতের আর্থিক এখতিয়ার বৃদ্ধি করা হয়। ২০২১ সালের দেওয়ানি আদালত সংশোধন আইন অনুযায়ী, জেলা জজ আদালত ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পারেন। অর্থাৎ জেলা জজ আদালতের আপিল এখতিয়ার ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকা পর্যন্ত। ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক মূল্যমানের ডিক্রির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
    ৪৭.
    বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫১(১)-এ রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তির ব্যতিক্রম কী?
    1. ফৌজদারি কার্যধারা
    2. হাইকোর্টের রুল
    3. দণ্ডবিধির অধীন মামলা
    4. সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণ
    সঠিক উত্তর:
    সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণ
    ব্যাখ্যা
    অনুচ্ছেদ ৫১ – রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি:
    (১) এই সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের হানি না ঘটাইয়া বিধান করা হইতেছে যে, রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুন্ন করিবে না।

    (২) রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁহার বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হইতে পরোয়ানা জারী করা যাইবে না।
    -----------------------
    ⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫১(১) অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বা ঐরূপ বিবেচনায় কোনো কার্য করিলে বা না করিলে তাঁকে আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না। তবে, এই দায়মুক্তি সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তির কার্যধারা গ্রহণের অধিকার ক্ষুন্ন করে না—এটাই এই ধারার ব্যতিক্রম। অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে না হলেও, সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করার অধিকার ব্যক্তি সংরক্ষণ করে।
    ৪৮.
    সংসদ সদস্য শপথ না নিলে কত দিনের মধ্যে তাঁর আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়?
    1. ৩০ দিন
    2. ৬০ দিন
    3. ৯০ দিন
    4. ১২০ দিন
    সঠিক উত্তর:
    ৯০ দিন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৯০ দিন
    ব্যাখ্যা
     অনুচ্ছেদ ৬৭- সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
    (১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি
    (ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:
    তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;
    (খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
    (গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
    (ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
    (ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।

    (২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।
    ৪৯.
    সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুসারে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি তার মনোনীত আইনজীবীর সাথে পরামর্শের অধিকার পায়?
    1. অনুচ্ছেদ ৩৩(১)
    2. অনুচ্ছেদ ৩৩(২)
    3. অনুচ্ছেদ ৩৩(৩)
    4. অনুচ্ছেদ ৩৩(৪)
    সঠিক উত্তর:
    অনুচ্ছেদ ৩৩(১)
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অনুচ্ছেদ ৩৩(১)
    ব্যাখ্যা
    অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ:
    (১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।

    (২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

    (৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
    (ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
    (খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

    (৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।
     
    (৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
    তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

    (৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।]
    ৫০.
    What is the meaning of the Latin maxim “Actus Dei Nemini Facit Injuriam”?
    1. God always supports justice
    2. The act of God causes injury to no one
    3. Human error is punishable by law
    4. Every injury must have a remedy
    সঠিক উত্তর:
    The act of God causes injury to no one
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    The act of God causes injury to no one
    ব্যাখ্যা
    ⇒ "Actus Dei Nemini Facit Injuriam"
    - The act of God causes injury to no one.
    - ঈশ্বরের কার্য কারো প্রতি অবিচার করে না।

    আইনের ভাষায় "Actus Dei Nemini Facit Injuriam" একটি ল্যাটিন প্রবাদ, যার অর্থ- "ঈশ্বরের কার্য কারো প্রতি অন্যায় করে না"। অর্থাৎ, প্রকৃতি বা সৃষ্টিকর্তার হাতে ঘটিত এমন কোনো ঘটনা, যা মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে, তার জন্য কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন ঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প বা বজ্রপাত -এসবই ‘Act of God’ বা ‘ঈশ্বরের কাজ’ হিসেবে বিবেচিত হয়। যেহেতু এই ঘটনাগুলো অবশ্যম্ভাবী ও অনিয়ন্ত্রিত, তাই এদের ফলে যদি কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়, তা কারো বিরুদ্ধে আইনগত অভিযোগের ভিত্তি হতে পারে না।

    এই প্রবাদটির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ দেখা যায় Sahib Transport Service, Sankarankoil বনাম K. Balasubramaniam and Ors. (1967) মামলায়। মামলার বিষয়বস্তু ছিল, একজন পরিবহন পারমিটধারীর মৃত্যুর পর তাঁর উত্তরসূরির পারমিট নবায়নের অধিকারকে কেন্দ্র করে। আপিলকারীর বক্তব্য ছিল, পারমিটধারীর মৃত্যুর ফলে নবায়নের অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং উত্তরসূরির পক্ষে নবায়ন চাওয়া আইনত অগ্রহণযোগ্য।

    কিন্তু আদালত এই যুক্তিকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছে—
    “Actus Dei Nemini Facit Injuriam — ঈশ্বরের কাজ কারো প্রতি অবিচার করে না।”
    পারমিটধারীর মৃত্যু একটি দুর্ঘটনাজনিত প্রাকৃতিক ঘটনা, যা তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এমন এক ‘অঘটন’ (mischance) যেটা কয়েক ঘণ্টা আগে বা পরে ঘটে, তা উত্তরাধিকারের স্বীকৃত অধিকার নস্যাৎ করতে পারে না। ফলে, পারমিট নবায়নের অধিকারও মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে যায় না। যেহেতু এই মৃত্যুর ফলে আইনি প্রক্রিয়া স্থগিত হয়নি এবং অধিকার বিলুপ্ত হয়নি, তাই উত্তরসূরির আবেদন বৈধ বলেই গণ্য হবে।

    এই রায়ের মাধ্যমে আদালত স্পষ্ট করেছে যে, কোনো ব্যক্তির প্রাকৃতিক বা অনিবার্য কারণে সৃষ্ট ক্ষতির জন্য আইনি অধিকার খর্ব করা উচিত নয়। বরং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে আইনকে মানবিক, বাস্তবধর্মী ও প্রেক্ষাপটভিত্তিক হতে হবে।
    ৫১.
    'Computation of time (সময়ের গণনা)'- The General Clauses Act, 1897 এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
    1. ধারা ৬
    2. ধারা ৮
    3. ধারা ১০
    4. ধারা ১২
    সঠিক উত্তর:
    ধারা ১০
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ধারা ১০
    ব্যাখ্যা
    সময়ের গণনা (Section 10 of the General Clauses Act):
    (১) যদি সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোনো আইন বা বিধিমালার মাধ্যমে (যা এই আইনের প্রবর্তনের পরে গৃহীত হয়েছে) নির্দিষ্ট কোনো কার্য বা প্রক্রিয়া কোনো আদালত বা দপ্তরে একটি নির্দিষ্ট দিনে বা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশনা বা অনুমতি দেওয়া হয়, এবং সেই নির্দিষ্ট দিন বা নির্ধারিত সময়সীমার শেষ দিনে আদালত বা দপ্তর বন্ধ থাকে, তাহলে সেই কার্য বা প্রক্রিয়া যথাসময়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে গণ্য করা হবে যদি তা পরবর্তী কার্যদিবসে সম্পন্ন করা হয় যেদিন আদালত বা দপ্তর খোলা থাকে।

    শর্ত সাপেক্ষে:
    এই ধারার কোনো কিছুই এমন কোনো কার্য বা প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না যার উপর Limitation Act, 1877 (সময়সীমা আইন, ১৮৭৭) প্রযোজ্য।

    (২) এই ধারা ১৪ জানুয়ারি, ১৮৮৭ তারিখ বা তার পরে প্রণীত সকল সংসদীয় আইন ও বিধিমালার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
    ৫২.
    সংসদ কোন আইনের দ্বারা আপীল বিভাগের এখতিয়ার অন্যান্য আদালত বা ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করতে পারে— এটা বলা হয়েছে সংবিধানের:
    1. ১০১ অনুচ্ছেদে
    2. ১০২(২) অনুচ্ছেদে
    3. ১০৩(৪) অনুচ্ছেদে
    4. ১০৪ অনুচ্ছেদে
    সঠিক উত্তর:
    ১০৩(৪) অনুচ্ছেদে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১০৩(৪) অনুচ্ছেদে
    ব্যাখ্যা
    অনুচ্ছেদ ১০৩: আপীল বিভাগের এখতিয়ার:
    (১) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানীর ও তাহা নিষ্পত্তির এখতিয়ার আপীল বিভাগের থাকিবে। 
     
    (২) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল বিভাগের নিকট সেই ক্ষেত্রে অধিকারবলে আপীল করা যাইবে, যে ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ-
    (ক) এই মর্মে সার্টিফিকেট দান করিবেন যে, মামলাটির সহিত এই সংবিধান-ব্যাখ্যার বিষয়ে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িত রহিয়াছে; অথবা 
    (খ) কোন মৃত্যুদণ্ড বহাল করিয়াছেন কিংবা কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিয়াছেন ; অথবা] 
    (গ) উক্ত বিভাগের অবমাননার জন্য কোন ব্যক্তিকে দণ্ডদান করিয়াছেন; এবং সংসদে আইন-দ্বারা যেরূপ বিধান করা হইবে, সেইরূপ অন্যান্য ক্ষেত্রে। 
     
    (৩) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে যে মামলায় এই অনুচ্ছেদের (২) দফা প্রযোজ্য নহে, কেবল আপীল বিভাগ আপীলের অনুমতিদান করিলে সেই মামলায় আপীল চলিবে। 
     
    (৪) সংসদ আইনের দ্বারা ঘোষণা করিতে পারিবেন যে, এই অনুচ্ছেদের বিধানসমূহ হাইকোর্ট বিভাগের প্রসঙ্গে যেরূপ প্রযোজ্য, অন্য কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রেও তাহা সেইরূপ প্রযোজ্য হইবে।
    ৫৩.
    The control and discipline of subordinate courts personnel is exercised:
    1. By the Parliament
    2. Only by the Supreme Court
    3. Independently by the President
    4. By the President in consultation with the Supreme Court
    সঠিক উত্তর:
    By the President in consultation with the Supreme Court
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    By the President in consultation with the Supreme Court
    ব্যাখ্যা
    Article- 116 Control and discipline of subordinate courts:
    The control (including the power of posting, promotion and grant of leave) and discipline of persons employed in the judicial service and magistrates exercising judicial functions shall vest in the President and shall be exercised by him in consultation with the Supreme Court.

    [বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।]
    ৫৪.
    প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী কর্তৃত্বে প্রণীত চুক্তি ও দলিলকে কার কর্তৃক প্রণীত বলে প্রকাশ করা হবে?
    1. সংসদ
    2. প্রধানমন্ত্রী
    3. রাষ্ট্রপতি
    4. প্রধান বিচারপতি
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্রপতি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্রপতি
    ব্যাখ্যা
    অনুচ্ছেদ ১৪৫- চুক্তি ও দলিল:
    (১) প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী কর্তত্বে প্রণীত সকল চুক্তি ও দলিল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বলিয়া প্রকাশ করা হইবে এবং রাষ্ট্রপতি যেরূপ নির্দেশ বা ক্ষমতা প্রদান করিবেন, তাঁহার পক্ষে সেইরূপ ব্যক্তি কর্তৃক ও সেইরূপ প্রণালীতে তাহা সম্পাদিত হইবে।

    (২) প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী কর্তৃত্বে কোন চুক্তি বা দলিল প্রণয়ন বা সম্পাদন করা হইলে উক্ত কর্তৃত্বে অনুরূপ চুক্তি বা দলিল প্রণয়ন বা সম্পাদন করিবার জন্য রাষ্ট্রপতি কিংবা অন্য কোন ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হইবেন না, তবে এই অনুচ্ছেদ সরকারের বিরুদ্ধে যথাযথ কার্যধারা আনয়নে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুণ্ণ করিবে না।
    ৫৫.
    What does the Latin maxim “Caveat Emptor” mean?
    1. ক্রেতাকে সতর্ক থাকতে হবে
    2. ক্রেতার ক্ষতির প্রতিকার আছে
    3. বিক্রেতাকে সতর্ক থাকতে হবে
    4. বিক্রেতার ক্ষতির প্রতিকার নেই
    সঠিক উত্তর:
    ক্রেতাকে সতর্ক থাকতে হবে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক্রেতাকে সতর্ক থাকতে হবে
    ব্যাখ্যা
    Caveat Emptor — "Let the purchaser beware"
    বাংলায় অর্থ: "ক্রেতা সাবধান" বা "ক্রেতাকে সতর্ক থাকতে হবে"।

    এটি এমন একটি আইনগত নীতি যা বলে যে, কোনো কিছু ক্রয়ের সময় সেই পণ্যের গুণগত মান যাচাই করার দায়দায়িত্ব ক্রেতার নিজের ওপর বর্তায়। পণ্যের দোষত্রুটি পরবর্তীতে আবিষ্কৃত হলে, সাধারণত বিক্রেতা দায়ী থাকেন না যদি না তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতারণা করে থাকেন।

    Jyoti Swaroop Arora বনাম Tulip Infratech Ltd. ও অন্যান্য (03.02.2015 - CCI): MANU/CO/0006/2015 মামলার রায় অনুযায়ী:
    "এটি আরও বলা হয়েছিল যে, সাধারণভাবে প্রথা অনুযায়ী, ক্রেতাদের সমস্ত প্রযোজ্য বিধি-বিধান, লাইসেন্স, বিল্ডিং প্ল্যান ইত্যাদি সম্পর্কে সচেতন করা হয়, এবং এটি due diligence পর্যায়েই করা হয়ে থাকে। সমস্ত তথ্য যাচাই করার সুযোগ এবং দায়িত্ব ক্রেতারই থাকে। এই ধারণাটি আইন চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিকে প্রতিফলিত করে, যা Caveat Emptor নামে পরিচিত, যার অর্থ 'ক্রেতা সতর্ক থাকুক'।"
    ৫৬.
    নিম্নের কোনটি পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারভুক্ত নয়?
    1. দেনমোহর
    2. সম্পত্তি বিরোধ
    3. বিবাহ বিচ্ছেদ
    4. শিশুর তত্ত্বাবধান
    সঠিক উত্তর:
    সম্পত্তি বিরোধ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সম্পত্তি বিরোধ
    ব্যাখ্যা
    পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৫- পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার:
    মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, পারিবারিক আদালতে নিম্নরূপ সকল বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত বা উহা হইতে উদ্ভূত যেকোনো মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির এখতিয়ার থাকিবে, যথা :-
    (ক) বিবাহ বিচ্ছেদ;
    (খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার;
    (গ) দেনমোহর;
    (ঘ) ভরণপোষণ; এবং
    (ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান।

    কিন্তু "সম্পত্তি বিরোধ" একটি দেওয়ানি বিষয়, যা সাধারণ দেওয়ানি আদালতে বিচারাধীন হয়, পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারভুক্ত নয়।
    ৫৭.
    ওয়াকফের উদ্দেশ্য হতে হবে-
    1. ধর্মীয়
    2. দাতব্য
    3. ব্যক্তিগত
    4. ক বা খ
    সঠিক উত্তর:
    ক বা খ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক বা খ
    ব্যাখ্যা
    ওয়াকফ:
    ওয়াকফ আরবি শব্দ, এর অর্থ ব্যক্তিগত মালিকানা থেকে মুক্ত কোনো সম্পত্তির হেফাজত করা। ১৯১৩ সালের ওয়াকফ বৈধকরণ আইনের ২ ধারায় বলা হয়েছে, 
    “ওয়াকফ” বলতে বোঝায়:
    - একজন মুসলমান ব্যক্তি কর্তৃক
    - যেকোনো সম্পত্তিকে
    - স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করা,
    - এমন উদ্দেশ্যে যা মুসলিম আইনে ধর্মীয়, পুণ্য বা দাতব্য হিসেবে স্বীকৃত।

    ওয়াকফ সৃষ্টি করার মুসলমানের ক্ষমতা (ধারা ৩)
    যে ব্যক্তি মুসলমান ধর্মে বিশ্বাসী, তিনি মুসলিম আইনের বিধান অনুযায়ী ওয়াকফ তৈরি করতে পারেন এবং তা নিম্নোক্ত উদ্দেশ্যসহ অন্যান্য বৈধ উদ্দেশ্যের জন্য হতে পারে:
    (ক) সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে নিজের পরিবার, সন্তান বা উত্তরসূরিদের ভরণপোষণ ও সহায়তার জন্য।
    (খ) যদি ওয়াকফকারী ব্যক্তি হানাফি মুসলমান হন, তাহলে তিনি ওয়াকফের সম্পত্তি থেকে পাওয়া ভাড়া ও মুনাফা থেকে— নিজের জীবদ্দশায় ভরণপোষণের জন্য, অথবা নিজের দেনা পরিশোধের জন্য ওয়াকফ করতে পারেন।

    তবে শর্ত হচ্ছে: এই ক্ষেত্রে ওয়াকফে যেসব সুবিধা রাখা হবে, তার চূড়ান্ত উপকারভোগী হতে হবে গরিবরা, অথবা ইসলামী আইনে ধর্মীয়, পুণ্য বা দাতব্য স্থায়ী উদ্দেশ্যে যেসব বিষয় স্বীকৃত, সেসব উদ্দেশ্যে তা ব্যয়যোগ্য হতে হবে।
    ৫৮.
    মুসলিম উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে কোন পরিস্থিতিতে কন্যা মোট সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবে?
    1. যদি একাধিক কন্যা থাকে ও পুত্র না থাকে
    2. যদি একজন পুত্র থাকে ও একাধিক কন্যা থাকে
    3. যদি পুত্র না থাকে ও সে একমাত্র কন্যা হয়
    4. যদি পিতা ও পুত্র উভয়ই অনুপস্থিত থাকে
    সঠিক উত্তর:
    যদি পুত্র না থাকে ও সে একমাত্র কন্যা হয়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যদি পুত্র না থাকে ও সে একমাত্র কন্যা হয়
    ব্যাখ্যা
    মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে, কন্যার অংশ তিন ধরনের হয়ে থাকে–
    - ১/২ অংশ,
    - ২/৩ অংশ এবং
    - অবশিষ্টাংশভোগী।

    যখন ১/২ অংশ পাবে: দুটি শর্ত পূরণ করলে এই অংশ পাবে। তা হলো-
    ১। কোন পুত্র থাকবে না;
    ২। একমাত্র কন্যা হিসেবে অংশীদার হলে।

    যখন ২/৩ অংশ পাবে: দুটি শর্তে এই অংশ পাবে-
    ১। কোন পুত্র থাকবে না;
    ২। দুই বা তার অধিক কন্যা থাকলে।

    যখন অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে পাবে:
    কন্যার সাথে যদি পুত্র ও থাকে তবে কন্যা আর অংশীদার হিসেবে অংশ পায় না। তখন সে অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে পুত্রের সাথে ২:১ অনুপাতে অংশ পাবে। যাকে আমরা Tasib Rule বলে জানি।
    ৫৯.
    "হেবা-বিল-অ্যাওয়াজ" এর বৈশিষ্ট্য কোনটির সাথে তুলনীয়?
    1. যৌথ খরচ
    2. নিঃস্বার্থ দান
    3. বিক্রয় চুক্তি
    4. ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব
    সঠিক উত্তর:
    বিক্রয় চুক্তি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বিক্রয় চুক্তি
    ব্যাখ্যা
    হেবা:
    কোন একজন মুসলিম অন্য কোন একজন মুসলমানকে কোন প্রকার বিনিময় ব্যাতিত সম্পত্তি হস্তান্তর করাকে হেবা বলে। দানকে মুসলিম আইনে হেবা বলা হয়। হেবার মাধ্যমে একজন সম্পত্তির মালিক তার ওয়ারিশদের বা অন্য কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতেপারেন। সম্পত্তি হস্তান্তর আইন- ১৮৮২ অনুযায়ী কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তিস্বেচ্ছায় কোনো বিনিময় ব্যাতিত অন্য কার কাছে সম্পত্তি হস্তান্তর করে দেওয়াকে হেবা বলে।

    কোন হেবা আইনানুগ হতে হলে অবশ্যই সেখানে তিনটি শর্ত পূরন করতে হবে
    - হেবার ঘোষনা বা প্রস্তাব।
    - দান গ্রহীতা কতৃক হেবা গ্রহন।
    - দাতা কতৃক হেবা গ্রহীতাকে হেবার বিষয় বস্তুর দখল প্রদান।

    হেবার প্রকারভেদসমূহ:

    হেবা-বিল-অ্যাওয়াজ:
    হেবা-বিল-অ্যাওয়াজ হলো সম্পত্তির মূল্যের পরিশধের বিনিময়ে হেবা। হেবা বা দানের ক্ষেত্রে এটি একটি বিশেষ ব্যতিক্রম । প্রকৃ্ত পক্ষে এটি বিক্রয়ের সমতুল্য। এতে ক্রয় চুক্তির যাবতীয় উপাদান বিদ্যমান থাকে। হেবা-বিল-অ্যাওয়াজর বিনিময়ের পর্যাপ্ততা সম্পর্কে মুসলিম জুরিস্টদের মত হলো বিনিময়ে প্রাপ্ত মূল্যের মান প্রদত্ত সম্পত্তির সাথে সঙ্গে তুলনামূলক ভাবে কম হলেও অ্যাওয়াজটি বে-আইনি হবে না। এই হেবাকে বৈধ করতে হলে দুটি শর্ত অবশ্যই পালন করতে হবে-
    ১। দান গ্রহিতা কর্তৃক হেবা-বিল-অ্যাওয়াজ এর বিনিময় মূল্যে প্রকৃ্ত অর্থেয় দিতে হবে ।
    ২। দাতার মালিকানা পরিত্যাগকরত দান করার আন্তরিক অভিপ্রায় ব্যক্ত করতে হবে।

    হেবা বা শর্ত-উল-এওয়াজ:
    আরেক রকম হেবা আছে, যাকে হেবা বা শর্ত-উল এওয়াজ বলা হয়। কোন একজন মুসলিমঅন্য কোন একজন মুসলমানকে কোন প্রকার বিনিময় প্রদানের শর্তযুক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর করাকে হেবা বা শর্ত-উল-এওয়াজ বলে। হেবা বা শর্ত-উল-এওয়াজ মূলত দান। এটা সম্পাদন হওয়ার জন্য দখল হস্তান্তর আবশ্যক। বিনিময় প্রদানের পূর্বে হেবা বা শর্ত-উল এওয়াজ বাতিলও করা যায়।
    ৬০.
    Muslim Family Laws Ordinance, 1961-এর ৯ ধারা অনুসারে কোন ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়?
    1. বহুবিবাহে নিষেধাজ্ঞা
    2. দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারণ
    3. ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণ
    4. কোনটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণ
    ব্যাখ্যা
    Muslim Family Laws Ordinance, 1961-এর ধারা ৯- ভরণপোষণ (Maintenance):
    (১) যদি কোন স্বামী তার স্ত্রীকে যথাযথভাবে ভরণপোষণ না করেন, অথবা একাধিক স্ত্রী থাকলে তাদের প্রতি সমভাবে ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন না করেন, তবে স্ত্রী বা স্ত্রীগণ, আইনানুগ অন্য যে কোনো প্রতিকার চাওয়ার পাশাপাশি, চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করতে পারেন।
    তখন চেয়ারম্যান একটি আরবিট্রেশন কাউন্সিল (মধ্যস্থতা পরিষদ) গঠন করবেন, এবং ঐ কাউন্সিল বিষয়টি নির্ধারণ করবে। আরবিট্রেশন কাউন্সিল একটি সনদ (certificate) প্রদান করতে পারবে, যেখানে স্বামীর প্রদেয় ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণ করা থাকবে।

    (২) নির্ধারিত পদ্ধতি, সময়সীমা এবং ফি প্রদানপূর্বক স্বামী বা স্ত্রী উভয়েই এই সনদের বিরুদ্ধে সহকারী জজের নিকট আপিল করতে পারবেন। সহকারী জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে এবং কোনো আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

    (৩) উপ-ধারা (১) বা (২)-এর অধীনে প্রদেয় যে কোনো অর্থ সময়মতো পরিশোধ না হলে, তা ভূমি রাজস্ব বকেয়ার ন্যায় আদায়যোগ্য হবে।
    ৬১.
    হিন্দু আইনে বিবাহকে কী হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
    1. সামাজিক রীতি
    2. দেওয়ানী চুক্তি
    3. আইনি অনুমোদন
    4. ধর্মীয় পবিত্র বন্ধন
    সঠিক উত্তর:
    ধর্মীয় পবিত্র বন্ধন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ধর্মীয় পবিত্র বন্ধন
    ব্যাখ্যা
    হিন্দু আইনে বিয়ে (Marriage) হলো একটি "পবিত্র বন্ধন" (Sacrament) - যা শুধু পার্থিব বা আইনি বিষয় নয়, বরং আধ্যাত্মিক, নৈতিক ও ধর্মীয় দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    যে কারণে হিন্দু বিবাহ "পবিত্র বন্ধন"-

    ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ:
    হিন্দু ধর্মে বিবাহ একটি পূজা বা যজ্ঞসদৃশ ধর্মীয় আচার। ‘সপ্তপদী’ (সাতপাক) ও ‘হোমযজ্ঞ’-এর মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আত্মিক ও ধর্মীয় মিলন ঘটে।

    জন্মজন্মান্তরের সম্পর্ক:
    বিশ্বাস অনুযায়ী, হিন্দু দম্পতির সম্পর্ক শুধু এই জন্মেই নয়, বরং বহু জন্ম ধরে স্থায়ী। এই বন্ধন মৃত্যুর পরেও থাকে — একে বলা হয় "অবিচ্ছেদ্য (indissoluble)"।

    চুক্তির নয়, কর্তব্যের ভিত্তিতে:
    মুসলিম আইনে বিবাহ একটি দেওয়ানী চুক্তি (civil contract) হলেও, হিন্দু আইনে বিবাহ মূলত ধর্মীয় কর্তব্য (religious duty) হিসেবে বিবেচিত।

    তালাকের সীমিত সুযোগ:
    হিন্দু শাস্ত্রে স্বাভাবিকভাবে তালাকের কোনো সুযোগ নেই। পরবর্তীকালে কিছু বিধিবদ্ধ আইন (যেমন ভারতের Hindu Marriage Act, 1955) দ্বারা কিছু ব্যতিক্রম যুক্ত হলেও, বাংলাদেশে এখনো হিন্দুদের জন্য তালাক বৈধ নয়।
    ৬২.
    সপিণ্ড বলতে বোঝায়-
    1. দান গ্রহণকারী
    2. যিনি পিণ্ডদানের অধিকারী
    3. যিনি মৃত ব্যক্তির ঋণ শোধ করেন
    4. যিনি মৃত ব্যক্তির ঔরসজাত সন্তান
    সঠিক উত্তর:
    যিনি পিণ্ডদানের অধিকারী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যিনি পিণ্ডদানের অধিকারী
    ব্যাখ্যা
    সপিণ্ড:
    বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দুধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে।
    ১. পিণ্ডদান;
    ২. পিণ্ডলেপ ও
    ৩. জলদান।

    মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ—তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড।

    আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন:
    ১. বিধবা স্ত্রী;
    ২. কন্যা;
    ৩. মাতা;
    ৪. পিতার মাতা ও
    ৫. পিতার পিতার মাতা।

    ⇒ পিতৃকুলের সপিণ্ডরা জীবিত থাকলে মাতৃকুলের সপিণ্ডরা সম্পত্তি পান না।
    ৬৩.
    কোন আইনে মৃত পুত্রের বিধবা স্ত্রীকে সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে?
    1. স্ত্রী অধিকার আইন, ১৯৪৭
    2. সম্পত্তি অধিকার আইন, ১৯৫৭
    3. উত্তরাধিকার আইন, ১৯২৫
    4. সম্পত্তিতে হিন্দু মহিলার অধিকার আইন, ১৯৩৭
    সঠিক উত্তর:
    সম্পত্তিতে হিন্দু মহিলার অধিকার আইন, ১৯৩৭
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সম্পত্তিতে হিন্দু মহিলার অধিকার আইন, ১৯৩৭
    ব্যাখ্যা
    সম্পত্তিতে হিন্দু মহিলার অধিকার আইন, ১৯৩৭ এর ধারা ৩- সম্পত্তির উত্তরাধিকার হস্তান্তর:
    (১) হিন্দু আইনের দায়ভাগ মতবাদের অনুসারী কোন হিন্দু ব্যক্তি উইল সম্পাদন ব্যতীত কোন প্রকার সম্পত্তি রাখিয়া মৃত্যুবরণ করিলে এবং হিন্দু আইনের অন্যান্য মতবাদের বা প্রথা আইনের অনুসারী কোন হিন্দু ব্যক্তি স্বতন্ত্র সম্পত্তি রাখিয়া উইল সম্পাদন ব্যতীত মৃত্যুবরণ করিলে, তাহার বিধবা স্ত্রী, বা একাধিক বিধবা স্ত্রী থাকিলে সকল বিধবা স্ত্রী একত্রে, তিনি উইল সম্পাদন ব্যতীত যে সম্পত্তি রাখিয়া মৃত্যুবরণ করিয়াছেন সেই সম্পত্তিতে, উপ-ধারা (৩) এর বিধান সাপেক্ষে, একজন পুত্রের অনুরূপ অংশের অধিকারী হইবেন:

    তবে শর্ত থাকে যে, কোন মৃত পুত্রের কোন পুত্র জীবিত না থাকিলে, উক্ত মৃত পুত্রের বিধবা স্ত্রীও একজন পুত্রের অনুরূপ সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হইবেন, এবং উক্ত মৃত পুত্রের পুত্র বা পুত্রের পুত্র জীবিত থাকিলে উক্ত পুত্রের পুত্রের অনুরূপ সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী হইবেন:

    আরও শর্ত থাকে যে, কোন মৃত পুত্রের মৃত পুত্রের বিধবা স্ত্রীর ক্ষেত্রেও, প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সহকারে, একই বিধান প্রযোজ্য হইবে।

    (২) দায়ভাগ মতবাদ ব্যতীত হিন্দু আইনের অন্য কোন মতবাদের অনুসারী বা কোন প্রথা আইনের অনুসারী কোন হিন্দু ব্যক্তি যৌথ পরিবারে কোন স্বত্ব রাখিয়া মৃত্যুবরণ করিলে, সম্পত্তিতে তাহার নিজের যে স্বত্ব ছিল তাহার বিধবা স্ত্রীরও, উপ-ধারা (৩) এর বিধান সাপেক্ষে, সেই একই স্বত্ব থাকিবে।

    (৩) এই ধারার বিধান অনুসারে কোন সম্পত্তিতে হিন্দু বিধবার স্বত্ব সৃষ্টি হইলে, তাহা হিন্দু মহিলার সম্পত্তি নামে একটি সীমিত স্বত্ব হইবে, তবে শর্ত থাকে যে, তাহারও একজন পুরুষ মালিকের অনুরূপ সম্পত্তি বন্টনের দাবী করিবার অধিকার থাকিবে।

    (৪) প্রথা বা উত্তরাধিকারের অন্যান্য বিধান বা উক্ত সম্পত্তিতে প্রযোজ্য দানের শর্তাবলী অনুসারে যে সম্পত্তিতে কেবল একজনই উত্তরাধিকারী হইবে বা উত্তরাধিকার আইন, ১৯২৫ (১৯২৫ সনের ৩৯ নং আইন) প্রযোজ্য হইবে, সেই সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে না।
    ৬৪.
    বাংলাদেশের আইনানুযায়ী, উইল বা ইচ্ছাপত্রের মাধ্যমে একজন হিন্দু নাবালক ও তার সম্পত্তির অভিভাবক নিয়োগ করতে পারবেন-
    1. পিতা
    2. মাতা
    3. আদালত
    4. পিতা এবং মাতা উভয়
    সঠিক উত্তর:
    পিতা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পিতা
    ব্যাখ্যা
    হিন্দু আইন ও অভিভাবকত্ব:
    প্রাচীন হিন্দু আইনে একজনের ভালমন্দ বুঝার বয়স হলেই তাকে সাবালক বলে গণ্য করা হতো। দায়ভাগা মতে, একজনের বয়স ১৫ হলে ও মিতাক্ষরা মতে ১৬ বছর হলে সাবালক হয়। তবে ১৮৭৫ সালে "ভারতীয় সাবালকত্ব আইন" পাস হওয়ার পর থেকে কোন নারী বা পুরুষ ১৮ বছর পূর্ণ হলে সাবালক বলে গণ্য হয়। এ আইন বাংলাদেশে প্রযোজ্য। এ আইনে উল্লেখ আছে যে, হিন্দু ও মুসলিমদের ক্ষেত্রে বিবাহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ এবং দত্তক ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে এ আইন সমভাবে প্রযোজ্য হবে। হিন্দু আইনে অভিভাবকত্ব বলতে বুঝায়, নাবালকের জীবন ও বিষয়-সম্পত্তির নিরাপত্তা পরিচালনার দায়িত্ব আইনসম্মতভাবে পালন করাই হচ্ছে অভিভাবকত্ব।

    হিন্দু আইন অনুযায়ী কিছু আইনগত ব্যাখ্যা নিম্নে তুলে ধরা হলঃ
    - হিন্দু আইনে পিতা একমাত্র প্রকৃত ও স্বাভাবিক অভিভাবক এবং পিতার জীবিত অবস্থায় অন্য কেউ অভিভাবক হতে পারে না।

    - পিতা যদি জীবিত থাকেন তবে সে যে কোন বয়সের নাবালকের দায়িত্ব ও অভিভাকত্ব গ্রহণ করতে পারবেন ও তার অভিভাকত্বই মাতার চাইতে উর্ধ্বে থাকবে। তবে পিতা যদি দ্বিতীয় বিয়েতে আবদ্ধ হন সেক্ষেত্রে মাতা তার নাবালিকা কন্যার অভিভাবকত্ব গ্রহণ করতে পারবেন।

    - যদি পিতা অনুপস্থিত বা অবর্তমান থাকে তবে মাতা তার নাবালিকা কন্যার অভিভাবকত্ব গ্রহণ করতে পারবেন।

    - বাংলাদেশের আইনানুযায়ী হিন্দু বাবাই শুধুমাত্র উইল বা ইচ্ছাপত্রের মাধ্যমে একজন নাবালক ও তার সম্পত্তির অভিভাবক নিয়োগ করতে পারবেন। কিন্তু, একজন মা তার নাবালক সন্তানের অভিভাবক নিয়োগ করতে পারবেন না। তবে আদালত অনেক সময় একজন মায়ের ইচ্ছাকে সম্মান প্রদান করতে পারেন।

    - মা তার অভিভাবকত্ব হারান যদি তিনি ধর্মান্তরিত হন।

    - হিন্দু আইনে দত্তক নেবার আইনগত অধিকার আছে। দত্তক গ্রহণের পর নাবালক দত্তক পুত্রের অভিভাবকত্ব তার স্বাভাবিক পিতা-মাতার নিকট হতে দত্তক পিতা-মাতার নিকট বর্তায়। একজন দত্তক সন্তান প্রকৃত সন্তানের সমপরিমাণ সুযোগ-সুবিধা লাভ করবে।
    ৬৫.
    একজন মুসলিম মহিলা তার এক পুত্র এবং পিতাকে রেখে মারা গেছেন। এক্ষেত্রে, তার সম্পত্তিতে পিতা কত অংশ পাবে?
    1. ১/৬ অংশ
    2. ১/৩ অংশ
    3. ১/২ অংশ
    4. ২/৩ অংশ
    সঠিক উত্তর:
    ১/৬ অংশ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১/৬ অংশ
    ব্যাখ্যা
    মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে, পিতার অংশ তিন ধরনের হয়ে থাকে–
    - যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র, পুত্রের পুত্র- রেখে মারা যান তবে পিতার অংশ হবে ১/৬ অংশ।
    - যদি মৃত ব্যক্তির কন্যা, পুত্রের কন্যা রেখে মারা যায় এবং কোন পুত্র বা পুত্রের পুত্র- না থাকে তবে পিতার অংশ হবে ১/৬+অবশিষ্টাংশ।
    - যদি কোন সন্তান-সন্ততি না থাকে তবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে পিতা অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে অংশ পাবে।

    এক্ষেত্রে, পুত্রের উপস্থিতিতে পিতা (১/৬) অংশ পাবেন এবং পুত্র বাকি সম্পত্তি পাবেন।
    ৬৬.
    A চুক্তি করে B-এর জীবদ্দশায় তার একটি সম্পত্তি C-কে বিক্রি করবে। কিন্তু চুক্তির সময় B মৃত ছিল, যা উভয় পক্ষ জানত না। এক্ষেত্রে চুক্তিটি-
    1. বৈধ
    2. বাতিল
    3. বাতিলযোগ্য
    4. B-এর উত্তরাধিকার পালন করবে
    সঠিক উত্তর:
    বাতিল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বাতিল
    ব্যাখ্যা
    The Contract Act, 1872 (ধারা ২০):
    যখন কোনো চুক্তির উভয় পক্ষই এমন কোনো সত্যিকার বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণায় থাকে যা চুক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তখন সেই চুক্তি বাতিল (Void) হবে।

    ব্যাখ্যা: কোনো বস্তুর মূল্য সম্পর্কে ভুল ধারণা থাকাকে সত্যিকার বিষয়ে ভুল (mistake as to matter of fact) ধরা হবে না।

    উদাহরণসমূহ:
    (ক) A ও B চুক্তি করে, A ইংল্যান্ড থেকে চট্টগ্রামগামী নির্দিষ্ট পণ্যবাহী জাহাজের মালামাল B-কে বিক্রি করবে বলে। কিন্তু চুক্তির আগে জাহাজটি ডুবেযাওয়া ও মালামাল হারিয়ে যাওয়ার খবর উভয় পক্ষের অজানা। তাই চুক্তিটি বাতিল।
    (খ) A চুক্তি করে B থেকে একটি ঘোড়া কিনবে। কিন্তু চুক্তির সময় ঘোড়াটি মৃত ছিল, যা উভয় পক্ষ জানে না। তাই চুক্তিটি বাতিল।
    (গ) A চুক্তি করে B-এর জীবদ্দশায় তার একটি সম্পত্তি C-কে বিক্রি করবে। কিন্তু চুক্তির সময় B মৃত ছিল, যা উভয় পক্ষ জানত না। তাই চুক্তিটি বাতিল।
    ৬৭.
    কোনো অকৃষি প্রজা যদি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে জমি কোর্ফা পত্তন দেয়, তাহলে তার-
    1. জরিমানা হবে
    2. অধিকার স্থগিত হবে
    3. অধিকার বাতিল হবে
    4. জমির উপর কর বসবে
    সঠিক উত্তর:
    অধিকার বাতিল হবে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অধিকার বাতিল হবে
    ব্যাখ্যা
    NAT Act, 1949 ধারা ২৬ক: কোর্ফা পত্তন নিষিদ্ধ (Bar to Sub-let):
    (১) এই আইন, বা প্রচলিত অন্য কোনো আইন, কিংবা কোনো চুক্তিতে ভিন্ন কিছু থাকলেও, কোনো অকৃষি প্রজা (non-agricultural tenant) তার ভাড়া নেওয়া জমির পুরোটা বা কোনো অংশ অন্য কাউকে কোর্ফা পত্তন দিতে পারবে না- যে কোনো শর্তেই হোক না কেন।

    (২) যদি কেউ এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে তার ভাড়াকৃত জমি বা তার কোনো অংশ কোর্ফা পত্তন করে, তাহলে-
    - সেই প্রজার জমির ওপর অধিকার বাতিল (extinguished) হয়ে যাবে।
    - এবং সেই জমি বা তার অংশ সকল দায়-দেনা মুক্তভাবে সরকার (প্রাদেশিক সরকার)-এর অধীনে চলে যাবে।
    ৬৮.
    কোন ধরনের সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে চিরন্তন হস্তান্তরের বিধিনিষেধ প্রযোজ্য নয়?
    1. ভাড়াকৃত সম্পত্তি
    2. বন্ধককৃত সম্পত্তি
    3. ব্যবসার জন্য ইজারা দেওয়া সম্পত্তি
    4. জনকল্যাণমূলক কাজে হস্তান্তরিত সম্পত্তি
    সঠিক উত্তর:
    জনকল্যাণমূলক কাজে হস্তান্তরিত সম্পত্তি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জনকল্যাণমূলক কাজে হস্তান্তরিত সম্পত্তি
    ব্যাখ্যা
    ধারা ১৮: জনসাধারণের কল্যাণে চিরন্তন হস্তান্তর-
    ধর্ম, জ্ঞান, বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা মানব জাতির কল্যাণকর কাজের অগ্রগতির জন্য জনস্বার্থে কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করলে ১৪, ১৬ ও ১৭ ধারার বিধি- নিষেধ প্রযোজ্য হবে না।
     
    Section 18: Transfer in perpetuity for benefit of public-
    The restrictions in sections 14, 16 and 17 shall not apply in the case of a transfer of property for the benefit of the public in the advancement of religion, knowledge, commerce, health, safety, or any other object beneficial to mankind.
    ৬৯.
    ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধের ক্ষেত্রে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এ সর্বোচ্চ কী শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে?
    1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
    2. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
    3. ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
    4. ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
    সঠিক উত্তর:
    ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
    ব্যাখ্যা
    ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ধারা ৪- ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড:
    (১) ভূমি হস্তান্তর, জরিপ, রেকর্ড হালনাগাদকরণ বা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে নিম্নবর্ণিত কোনো কার্য ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে, যথা:-

    (ক) অন্যের মালিকানাধীন ভূমি স্বীয় মালিকানাধীন ভূমি হিসাবে প্রচার করা;
    (খ) তথ্য গোপন করিয়া কোনো ভূমি, সম্পূর্ণ বা উহার অংশবিশেষ, কোনো ব্যক্তি বরাবর হস্তান্তর বা সমর্পণ করা:
    (গ) স্বীয় মালিকানাধীন ভূমির অতিরিক্ত ভূমি বা অন্যের মালিকানাধীন ভূমি, তদ্‌কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হইয়া, কোনো ব্যক্তি বরাবর হস্তান্তর বা সমর্পণ করা;
    (ঘ) কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তি বলিয়া মিথ্যা পরিচয় প্রদান করিয়া বা জ্ঞাতসারে এক ব্যক্তিকে অপর ব্যক্তিরূপে প্রতিস্থাপিত করিয়া কোনো ভূমি সম্পূর্ণ বা উহার অংশবিশেষ হস্তান্তর বা সমর্পণ করা;
    (ঙ) মিথ্যা বিবরণ সংবলিত কোনো দলিল স্বাক্ষর বা সম্পাদন করা;
    (চ) কর্তৃপক্ষের নিকট মিথ্যা বা অসত্য তথ্য প্রদান করা; এবং
    (ছ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো কার্য সম্পাদন।

    (২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে তজ্জন্য তিনি অনধিক ৭(সাত) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
    ৭০.
    রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১খ ধারা অনুযায়ী, ইজারাকৃত সরকারি খাসজমিতে প্রজাস্বত্ব সৃষ্টি করতে হলে-
    1. মৌখিক চুক্তি করতে হবে
    2. চাহিদাপত্র জমা দিতে হবে
    3. ইজারা দলিল নিবন্ধন করতে হবে
    4. ভূমি অফিসের অনুমতি নিতে হবে
    সঠিক উত্তর:
    ইজারা দলিল নিবন্ধন করতে হবে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইজারা দলিল নিবন্ধন করতে হবে
    ব্যাখ্যা
    ⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১খ ধারার বিধান ইজারা দলিল নিবন্ধন: 
    ধারা ৮১ বা ৮১ক অথবা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি সরকারি খাসজমি ইজারা প্রদানের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বা এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক ইজারা দলিল সম্পাদিত এবং নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) এর বিধানানুসারে নিবন্ধিত না হয়, তাহা হইলে এমনকি ইজারা-গ্রহীতার নিকট হইতে সেলামি বা খাজনা গ্রহণ করা হইলেও, কৃষি অথবা অকৃষি কোনো প্রকার প্রজাস্বত্বই সৃষ্টি হইবে না বা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
    ----------
    Section 81B. Registration of lease deed:
    Notwithstanding anything contained in sections 81 and 81A or any other law for the time being in force, no agricultural or non-agricultural tenancy shall in law be created or deemed to have been created, even after acceptance of salami and/or rent from the lessee, till a deed of lease has been executed in favour of the lessee by an authority competent to grant lease of Government khas land or any other gazetted officer duly authorised in this behalf and the said lease has been duly registered under the provision of clause (d) of sub-section (1) of section 17 of the Registration Act, 1908.
    ৭১.
    ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনুযায়ী কোনটি হস্তান্তরযোগ্য?
    1. মামলা করার অধিকার
    2. ভবিষ্যতে প্রাপ্য ভরণ-পোষণের অধিকার
    3. শুধু ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সীমাবদ্ধ সম্পত্তির অধিকার
    4. কোনটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    কোনটিই নয়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কোনটিই নয়
    ব্যাখ্যা
    • ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী নিম্নের সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায় না :

    (ক) উত্তরাধিকারসূত্রে সম্ভাব্য সম্পত্তি পাওয়ার সুযোগ, কোনো আত্মীয়ের মৃত্যুর পরে সম্পত্তি পাওয়ার সম্ভাবনা বা এ ধরনের কেবলমাত্র সম্ভাবনার উপর ভিত্তি করে কিছু - হস্তান্তরযোগ্য নয়।
    (খ) কোনো শর্ত ভঙ্গের কারণে পুনরায় দখলে যাওয়ার (re-entry) কেবলমাত্র অধিকার - শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মালিক ছাড়া অন্য কারও কাছে হস্তান্তরযোগ্য নয়।
    (গ) ইজমেন্ট (easement) অধিকার;
    (ঘ) যে সম্পত্তির ব্যবহারের অধিকার শুধু মালিকের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সীমাবদ্ধ;
    (ঙ) ভবিষ্যতে পাওয়া যেকোনো রকম ভরণ-পোষণের অধিকার;
    (চ) কেবল মামলা করার অধিকার (mere right to sue);
    (ছ) সরকারি পদ (public office) এবং সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন (পাওয়ার আগে বা পরে);
    (জ) সরকার প্রদত্ত সেনা, নৌ, বিমান বাহিনীর এবং বেসামরিক পেনশন বা রাজনৈতিক পেনশন;
    (ঝ) নিচের যেকোনো শর্তে হস্তান্তর করা যাবে না:
    - যেখানে হস্তান্তরের স্বভাবগত দিকের সঙ্গে সাংঘর্ষিক,
    - অবৈধ উদ্দেশ্য বা মূল্যবোধের ভিত্তিতে (চুক্তি আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী),
    - যিনি আইনত সম্পত্তি গ্রহণে অযোগ্য — তার কাছে।

    (ঞ) এই ধারায় কিছুই এমন নয় যা অনুমোদন দেয়:
    - এমন ভাড়াটে যাঁর দখলের অধিকার হস্তান্তরযোগ্য নয়,
    - এমন ভূস্বামী যিনি রাজস্ব প্রদানে ব্যর্থ হয়েছেন,
    - বা আদালতের ব্যবস্থাপনায় থাকা কোনো ভূসম্পত্তির ইজারাদার — তাঁদের জন্যও হস্তান্তরের অনুমতি নেই।
    ৭২.
    Under section 162 of The Contract Act, 1872, which circumstance causes the termination of a gratuitous bailment?
    1. On expiry of time
    2. On death of bailor or bailee
    3. On insolvency of bailee only
    4. On breach of contract
    সঠিক উত্তর:
    On death of bailor or bailee
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    On death of bailor or bailee
    ব্যাখ্যা
    ধারা ১৬২: বিনা প্রতিদানে জিম্মা (gratuitous bailment) মৃত্যু দ্বারা সমাপ্ত হয়-

    [A gratuitous bailment is terminated by the death either of the bailor or of the bailee.]
    যদি জিম্মা চুক্তি বিনা প্রতিদানে (gratuitous) হয়ে থাকে, তবে জিম্মাদার (Bailor) বা জিম্মাদাতা (Bailee)- যে কোনো একজনের মৃত্যুর ফলে জিম্মা চুক্তি সমাপ্ত হয়ে যায়।
    ৭৩.
    যদি দানগ্রহীতা দান গ্রহণের পূর্বেই মারা যায়, তাহলে দানের অবস্থা কী হবে?
    1. বৈধ থাকবে
    2. বাতিল হবে
    3. স্থগিত থাকবে
    4. আদালত সিদ্ধান্ত নেবে
    সঠিক উত্তর:
    বাতিল হবে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বাতিল হবে
    ব্যাখ্যা
    ⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২২ ধারার বিধান: দান (Gift) এর সংজ্ঞা:
    এক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় এবং প্রতিদান ছাড়া নির্দিষ্ট বিদ্যমান কোন অস্থাবর বা স্থাবর সম্পত্তি অন্য ব্যক্তিকে হস্তান্তর করলে এবং সে ব্যক্তি বা তার পক্ষ হতে এই হস্তান্তর গ্রহণ করলে তাকে দান বলা হয়।
    - যে ব্যক্তি এভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে তাকে দাতা এবং যে ব্যক্তি তা গ্রহণ করে তাকে দানগ্রহীতা বলা হয়।

    দান কখন গ্রহণ করতে হয় (Acceptance when to be made)
    - দাতার জীবনকালে এবং দাতা দান করতে সম্পূর্ণ সক্ষম অবস্থায় উক্ত দান অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।
    - দান গ্রহণের পূর্বে যদি দানগ্রহীতা মারা যায় তাহলে দান বাতিল হবে।
    ৭৪.
    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৫৩গ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করার পূর্বশর্ত কী?
    1. সম্পত্তির দখল থাকা
    2. নিবন্ধন দলিল থাকা
    3. খতিয়ানে নাম অন্তর্ভুক্ত থাকা
    4. মৌখিক সাক্ষীর উপস্থিত থাকা
    সঠিক উত্তর:
    খতিয়ানে নাম অন্তর্ভুক্ত থাকা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খতিয়ানে নাম অন্তর্ভুক্ত থাকা
    ব্যাখ্যা
    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩গ ধারার বিধান: খতিয়ান না থাকা কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না:
    কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারবেন না যদি না তার নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার ব্যতীত অন্য কোন উপায়ে সম্পত্তির মালিক হন, অথবা তার নাম বা তার পূর্বসূরির নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির মালিক হন, রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীনে প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ খতিয়ানে সেই সম্পত্তির সম্পর্কে উল্লেখিত থাকে, এবং অন্যথায় কৃত যেকোন বিক্রয় বাতিল হবে।

    Section 53C. Immoveable Property without Khatian not to be sold:
    No immoveable property shall be sold by a person unless his name, if he is the owner of the property otherwise than by inheritance, or his name or the name of his predecessor, if he is the owner of the property by inheritance, appears in respect of the property in the latest khatian prepared under the State Acquisition and Tenancy Act, 1950, and any sale made otherwise shall be void.
    ৭৫.
    বণ্টনযোগ্য সম্পত্তির মূল্য ১৫ লক্ষ টাকা হলে, নিবন্ধন ফি কত হবে?
    1. ৫০০ টাকা
    2. ৭০০ টাকা
    3. ১২০০ টাকা
    4. ১৮০০ টাকা
    সঠিক উত্তর:
    ১২০০ টাকা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১২০০ টাকা
    ব্যাখ্যা
    The Registration Act, 1908 এর ধারা ৭৮খ- বণ্টননামা দলিলের জন্য নিবন্ধন ফিস:
    ধারা ৭৮ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন; স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
    (১) সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাকা হইলে, পাঁচশত টাকা;
    (২) সম্পত্তির মূল্য তিন লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকা হইলে, সাতশত টাকা;
    (৩) সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার দুইশত টাকা;
    (৪) সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার আটশত টাকা;
    (৫) সম্পত্তির মূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হইলে, দুই হাজার টাকা।

    উল্লেখ্য,
    ২০০৪ সনে নিবন্ধন (সংশোধনী) আইন (২০০৪ সনের ২৫ নং আইন) প্রবর্তনের পূর্বে বিক্রয়-চুক্তি (বায়নাপত্র) দলিলের নিবন্ধন ঐচ্ছিক ছিল। উক্ত আইন দ্বারা ১ জুলাই ২০০৫ খ্রিঃ তারিখ হইতে বিক্রয়-চুক্তি দলিলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয় এবং উহার নিবন্ধন ফি যুক্তিযুক্ত হারে নির্ধারণ করা হয়।
    ৭৬.
    একজন ইউটিউবার সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিওতে একজন নির্যাতিত নারীর নাম ও ছবি প্রকাশ করেন। উক্ত কাজের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
    1. ৭ বছর কারাদণ্ড বা ২ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
    2. ৫ বছর কারাদণ্ড বা ২ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
    3. ৩ বছর কারাদণ্ড বা ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
    4. ২ বছর কারাদণ্ড বা ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
    সঠিক উত্তর:
    ২ বছর কারাদণ্ড বা ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২ বছর কারাদণ্ড বা ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
    ব্যাখ্যা
    নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ ধারা ১৪: সংবাদ মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার] নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে বাধা-নিষেধ:
    (১) এই আইনে বর্ণিত অপরাধের শিকার হইয়াছেন এইরূপ নারী বা শিশুর ব্যাপারে সংঘটিত অপরাধ বা তত্সম্পর্কিত আইনগত কার্যধারার সংবাদ বা তথ্য বা নাম-ঠিকানা বা ছবি বা অন্যবিধ তথ্য কোন সংবাদ পত্রে বা অন্য কোন সংবাদ মাধ্যমে বা অনলাইনে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে] এমনভাবে প্রকাশ বা পরিবেশন করা যাইবে যাহাতে উক্ত নারী বা শিশুর পরিচয় প্রকাশ না পায় ।

    (২) উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করা হইলে উক্ত লংঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের প্রত্যেকে অনধিক দুই বৎসর কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
    ৭৭.
    মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধসমূহ ___________ কর্তৃক বিচার্য হবে।
    1. স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল
    2. মাদকদ্রব্য ট্রাইব্যুনাল
    3. এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত
    4. শুধুমাত্র দায়রা আদালত
    সঠিক উত্তর:
    এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত
    ব্যাখ্যা
    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৪৪: অপরাধের বিচার, ইত্যাদি:
    (১) এই আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধসমূহ অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক বিচার্য হইবে।

    (২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংশ্লিষ্ট দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, উহার এখতিয়ারাধীন এলাকার জন্য, কেবল মাদকদ্রব্য অপরাধ বিচারের নিমিত্ত, প্রয়োজনে, এক বা একাধিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত নির্দিষ্ট করিবেন।
    ৭৮.
    The Special Powers Act, 1974 এর অধীন উপদেষ্টা বোর্ড কয় জন ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত হবে?
    1. ৩ জন
    2. ৫ জন
    3. ৭ জন
    4. ৯ জন
    সঠিক উত্তর:
    ৩ জন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩ জন
    ব্যাখ্যা
    The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ৯: উপদেষ্টা বোর্ড গঠন:
    ১। সরকার, যখন প্রয়োজন মনে করিবে, তখন এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য একটি উপদেষ্টা বোর্ড গঠন করিবে।

    ২। উপদেষ্টা বোর্ড তিনজন ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যাহাদের মধ্যে দুইজন হইবেন এমন ব্যক্তি, যাঁহারা হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, করেছেন অথবা যাঁহারা উক্ত পদে নিয়োগের যোগ্য; এবং অপর একজন হইবেন প্রজাতন্ত্রের সেবায় কর্মরত একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। এই ব্যক্তিগণকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ দেওয়া হইবে।

    ৩। সরকার বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে যিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, করেছেন অথবা যিনি উক্ত পদে নিয়োগের যোগ্য, তাঁহার মধ্যে একজনকে বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করিবে।
    ৭৯.
    চেক ডিজঅনার মামলায় আদালত কীসের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে গ্রহণ করতে পারবে?
    1. মৌখিক অভিযোগ
    2. লিখিত অভিযোগ
    3. পুলিশের মাধ্যমে জিডি করে
    4. মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ
    সঠিক উত্তর:
    লিখিত অভিযোগ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    লিখিত অভিযোগ
    ব্যাখ্যা
    The Negotiable Instruments Act, 1881: ধারা ১৪১: অপরাধ আমলে নেওয়া (Cognizance of offences):
    ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের আইন নং V)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন—
    (ক) ধারা ১৩৮ অনুসারে দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে, আদালত কেবলমাত্র চেকের প্রাপকের অথবা প্রয়োজনে যথাযথ অধিকারসম্পন্ন ধারকের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে গ্রহণ করিতে পারিবে;

    (খ) এইরূপ অভিযোগ উত্থাপন করতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর প্রভিজোর ক্লজ (চ)-এর অধীনে কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়, সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে;

    (গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় অপরাধ বিচার করিবার জন্য কোন আদালত সেশন কোর্টের নিচে হইতে পারিবে না।
    ৮০.
    সাইবার স্পেসে জুয়া সংক্রান্ত অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড হতে পারে?
    1. ৫০ লক্ষ টাকা
    2. ৭৫ লক্ষ টাকা
    3. ১ কোটি টাকা
    4. ১.৫ কোটি টাকা
    সঠিক উত্তর:
    ১ কোটি টাকা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১ কোটি টাকা
    ব্যাখ্যা
    সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০: সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড:
    (১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

    (২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
    ৮১.
    শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হতে __________ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে। 
    1. ৯০
    2. ১২০
    3. ১৮০
    4. ৩৬০
    সঠিক উত্তর:
    ৩৬০
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩৬০
    ব্যাখ্যা
    শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২: বিচার সমাপ্তির সময়সীমা:
     (১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 

    (২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে। 

    (৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত 15[ যতদূর সম্ভব,] একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে। 

    (৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
    তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।
    ৮২.
    মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিবর্গের প্রত্যাবাসন (repatriation) এবং প্রত্যাবর্তন (return) সম্পর্কে বিধান আছে?
    1. ৩১ ধারায়
    2. ৩৩ ধারায়
    3. ৩৭ ধারায়
    4. ৩৯ ধারায়
    সঠিক উত্তর:
    ৩৩ ধারায়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩৩ ধারায়
    ব্যাখ্যা
    মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩৩: ভিকটিম বা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিবর্গের প্রত্যাবাসন (repatriation) এবং প্রত্যাবর্তন (return):
    (১) কোন বাংলাদেশী নাগরিক অন্য কোন দেশে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত হইলে, সরকার সংশ্লিষ্ট দেশের বাংলাদেশ দূতাবাসের এবং প্রয়োজনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় উক্ত ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ফেরত আনিবার প্রক্রিয়ার সূচনা করিবে। 
     
    (২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন বিদেশী রাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাস মানব পাচারের শিকার কোন বাংলাদেশী নাগরিক উক্ত দেশে আটক বা বন্দী অবস্থায় আছেন বলিয়া অবগত হইলে, উক্ত দূতাবাস ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করিবার, মুক্ত করাইবার এবং বাংলাদেশে পাঠাইবার প্রক্রিয়ার সূচনা করিবে। 
     
    (৩) মানব পাচারের শিকার কোন ব্যক্তি কোন মামলার কারণে কোন বিদেশী রাষ্ট্রে থাকিতে বাধ্য হইলে বাংলাদেশ দূতাবাস উক্ত ব্যক্তিকে আইনি পরামর্শ বা সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে। 
     
    (৪) যেই ক্ষেত্রে একজন বিদেশী নাগরিক বাংলাদেশে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি হিসাবে চিহ্নিত হইবেন সেইক্ষেত্রে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করিয়া উক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতঃ সরকার সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের বাংলাদেশস্থ দূতাবাসের সহযোগিতায়, যথোপযুক্ত কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে, উক্ত ব্যক্তিকে তাহার স্বদেশে ফেরত পাঠাইবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
    ৮৩.
    নিচের কোনটি আইনগত সহায়তা হিসেবে গণ্য হবে না?
    1. সালিশকারীকে সম্মানী প্রদান
    2. মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদান
    3. আইনগত পরামর্শ প্রদান
    4. সবগুলো আইনগত সহায়তা হিসেবে গণ্য হবে
    সঠিক উত্তর:
    সবগুলো আইনগত সহায়তা হিসেবে গণ্য হবে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সবগুলো আইনগত সহায়তা হিসেবে গণ্য হবে
    ব্যাখ্যা

    আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ২(ক) ধারার বিধান:
    “আইনগত সহায়তা” অর্থ আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
    (অ) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
    (আ) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতা বা সালিশের মাধ্যমে কোন মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা সালিশকারীকে সম্মানী প্রদান;
    (ই) মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান; এবং
    (ঈ) উপ-ধারা (অ) হইতে (ই) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হারে আইনজীবীকে সম্মানী প্রদান;

    ৮৪.
    দুর্নীতি দমন কমিশন কার নিকট বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করে?
    1. রাষ্ট্রপতি
    2. প্রধানমন্ত্রী
    3. জাতীয় সংসদ
    4. কমিশনের চেয়ারম্যান
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্রপতি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্রপতি
    ব্যাখ্যা
    দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৯: বার্ষিক প্রতিবেদন:
    (১) প্রতি পঞ্জিকা বত্সরের মার্চ মাসের মধ্যে কমিশন পূর্ববর্তী বত্সরে সম্পাদিত উহার কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবে৷ 
     
    (২) এই ধারার অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর রাষ্ট্রপতি উহা জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন৷