পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
"পরীক্ষা - ২৯: বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. ডাটাবেজ সিস্টেম ও এর উপাদান, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ২. কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার অপরাধ ও এর প্রতিকার ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক [ল্যান, ম্যান, ওয়াই-ফাই, ওয়াইম্যাক্স] ও ইন্টারনেটের ধারণা ও বিবর্তন। ৪. ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW), নিত্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং প্রযুক্তি: ই-মেইল, ফ্যাক্স ইত্যাদি; ৫. দৈনন্দিন জীবনে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার। এবং বিষয় - বাংলা সাহিত্য টপিক - বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নীলিমা ইব্রাহিম, প্রমথ চৌধুরী, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মীর মশাররফ হোসেন, মুনীর চৌধুরী। ২. অন্যান্য লেখকগণ: গোবিন্দচন্দ্র দাস, ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড, নওয়াব ফয়জুন্নেসা, নবীনচন্দ্র সেন, নির্মলেন্দু গুণ, নুরুল মোমেন, প্রেমেন্দ্র মিত্র, প্যারীচাঁদ মিত্র, ফররুখ আহমদ, বদরুদ্দীন ওমর, বন্দে আলী মিয়া, বিজন ভট্টাচার্য, বিষ্ণু দে, মনোএল দা আস্‌সুম্পসাঁউ, মামুনুর রশিদ, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, মোতাহের হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ নজিবর রহমান, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক।"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
ওয়াই-ফাই হলো _______ স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
  1. IEEE 802.02
  2. IEEE 802.16
  3. IEEE 802.11
  4. IEEE 802.14
ব্যাখ্যা
• Wi-Fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের Active রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি নয়?
  1. আনুষাঙ্গিক যন্ত্রপাতি পরিস্কার করা
  2. সিস্টেমকে পরিস্কার করা
  3. তাপানুকূল কক্ষের ব্যবস্থা
  4. সমান্তরাল বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের ভাঙ্গনপূর্বক রক্ষণাবেক্ষণ দুই ধরনের। যথা-
১. Active ও
২. Passive.

• Active ভাঙ্গনপূর্বক রক্ষণাবেক্ষণের পদ্ধতিগুলো ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার নির্ভুলভাবে কার্যক্ষম ও দীর্ঘায়ু হয় আর Passive ভাঙ্গনপূর্বক রক্ষণাবেক্ষণের ফলে কম্পিউটার পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে পারে। যেমন- উচ্চ বিদ্যুৎ প্রতিরোধক ডিভাইস, তাপানুকূল কক্ষের ব্যবস্থা, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন যন্ত্রপাতির সাথে কম্পিউটারকে না রাখা, ইত্যাদি। অর্থাৎ প্রথম পদ্ধতিতে কম্পিউটার সিস্টেমকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখাকে বোঝাচ্ছে আর দ্বিতীয় পদ্ধতিতে কম্পিউটারকে নিরাপদ পরিবেশ দেয়া বোঝাচ্ছে।

• Active রক্ষণাবেক্ষণের কয়েকটি পদ্ধতি:
- সিস্টেমকে পরিস্কার করা কম্পিউটার সিস্টেমকে নিয়মিতভাবে পরিস্কার করা একটা ভাল রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি।
- সিস্টেমের আনুসাঙ্গিক যন্ত্রপাতিসমূহ নিরাপদ কালীন সময়ের জন্য নিয়মিতভাবে পরিস্কার করা। 
- হার্ডডিস্ক-কে বিভিন্ন প্রকার উন্নতমানের ডায়াগনষ্টিক সফটওয়‍্যার চালিয়ে পরিপাটি রাখা।
- এমনকি হার্ডডিস্ককে রিফর্মাট করা কম্পিউটারের সমস্ত তথ্যাদি অন্য কোথাও সরিয়ে রেখে ত্রুটিপূর্ণ হার্ডডিস্ককে রিফর্মাট করে কম্পিউটারকে পুনঃকার্যক্ষম করা যায়। 

- সমান্তরাল বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা কম্পিউটারের Passive ভাঙ্গনপূর্বক রক্ষণাবেক্ষণের অন্তর্গত।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
CAN-এর বিস্তৃতি কত?
  1. ১ থেকে ৫ কি.মি.
  2. ১ থেকে ১০ কি.মি.
  3. ১ থেক ১০০ কি.মি.
  4. কোনো সীমাবদ্ধতা নেই
ব্যাখ্যা
• ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- CAN এর পূর্ণরূপ Campus/Corporate Area Network.
- অনেকগুলো LAN সংযুক্ত করতে CAN ব্যবহার করা হয়।
- এর বিস্তৃতি ১ থেকে ৫ কি.মি. দূরত্ব পর্যন্ত হতে পারে।
- এ নেটওয়ার্ক স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি সহজ ও খরচ কম।
- এ নেটওয়ার্কে কম্পিউটারসমূহ তার বা তারবিহীন সংযোগ প্রদান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
ফিশিং আক্রমণের ফলে কোন ক্ষতি হতে পারে?
  1. কম্পিউটার ধীর হয়ে যাওয়া
  2. ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়া
  3. ব্যক্তিগত এবং আর্থিক তথ্য চুরি হয়ে যাওয়া
  4. ইমেল পাঠানো বন্ধ হয়ে যাওয়া
ব্যাখ্যা
• ফিশিং:
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং তারপর ব্যবহারকারীর অ্যাকসেস কোড, পিন নম্বর, ক্রেডিট কার্ড নম্বর, পাসওয়ার্ড, ব্যাংক একাউন্ট নম্বরের মতাে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• প্রতিনিয়ত সংঘটিত হওয়া আরও কিছু সাইবার অপরাধ:
• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কের উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ার করা
  2. তথ্য সংরক্ষণ করা
  3. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার নেটওয়ার্ক:
- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলতে বুঝায় দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ।
- যে বিশেষ ব্যবস্থায় মডেম, ক্যাবল বা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এক কম্পিউটারের সাথে অন্য এক বা একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তাদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করাই হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

• কম্পিউটার নেটওয়ার্কের উদ্দেশ্য:
- ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা।
- হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ার করা
- সফটওয়্যার রিসোর্স শোয়ার করা।
- তথ্য সংরক্ষণ করা
- ই-কমার্স ব্যবহার করা।
- তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা
- মেসেj বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
IP কী?
  1. সার্ভারের সাথে সংযোগ ডিভাইস
  2. একটি বিশেষায়িত সংখ্যাত্মক ঠিকানা
  3. ক্লায়েন্ট সার্ভারের একটি এ্যাপ্লিকেশন
  4. ডোমেইন নেইম
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের কার্যপ্রক্রিয়া:
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের জন্য TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol) প্রটোকল ব্যবহার করে।
- একটি কম্পিউটার প্রথমে স্থানীয় নেটওয়ার্কের সাথে সংযোজিত হয়, তারপর ইন্টারনেট ব্যাকবোনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
- একটি কম্পিউটার সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে সংযোজিত হতে পারে, অথবা আরেকটি কম্পিউটারের রিমোট টার্মিনালের সাথে অথবা নেটওয়ার্কের গেটওয়ের মাধ্যমে সংযোজিত হতে পারে ।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটারেরই একটি বিশেষায়িত সংখ্যাত্মক IP ঠিকানা থাকে এবং প্রায় সকলের একটি ঠিকানা থাকে যা ডোমেইন নেম (Domain Name) সিস্টেম ব্যবহার করে।
- বেশিরভাগ ইন্টারনেট প্রোগ্রামই ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেল ব্যবহার করে।
- ব্যবহারকারী ক্লায়েন্ট প্রোগ্রাম সচল করে সার্ভারের কাছ থেকে ডাটা আদান-প্রদান করে।

উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি ডেটাবেজ সফটওয়্যার নয়?
  1. MySQL
  2. McAfee
  3. MongoDB
  4. Redis
ব্যাখ্যা
• McAfee হলো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- উদাহরণ: MySQL, Oracle, PostgreSQL, Microsoft SQL Server, MongoDB, Redis ইত্যাদি।

• অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল অ্যান্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে অ্যান্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রাম গুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে।
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।
- উদাহরণ: Norton, Microsoft Defender, McAfee ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে নিচের কোন সফটওয়্যারটি ব্যবহৃত হয়না?
  1. Maya
  2. VRToolkit
  3. Sybase
  4. Vizard
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

• Sybase হলো ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
.
LAN এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ কত দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়?
  1. ১ কিলোমিটার
  2. ৩ কিলোমিটার
  3. ৫ কিলোমিটার
  4. ৫০০ মিটার
ব্যাখ্যা
• LAN:
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- তারবিহীন প্রযুক্তির মাধ্যমে LAN তৈরি করা হলে থাকে WLAN (Wireless Local Area Network) বলে।
- আধুনিক তারবিহীন ল্যান IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত (ওয়াই-ফাই ব্র্যান্ডের নামে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হয়)।
- একটি LAN এ সর্বোচ্চ ৪টি রিপিটার স্টেশন ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০.
র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের শিকার হলে কম্পিউটারে কী ঘটতে পারে?
  1. ইন্টারনেট গতি বৃদ্ধি পায়
  2. সফটওয়্যার আপডেট বন্ধ হয়ে যায়
  3. কম্পিউটারকে ধীর গতির করে দেয়
  4. কম্পিউটারের ডেটা অ্যাক্সেস করা যায় না
ব্যাখ্যা
• র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের ফলে কম্পিউটারের ডেটা অ্যাক্সেস করা যায় না।

• র‍্যানসমওয়্যার:
- ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
- র‍্যানসমওয়্যার নামটিই প্রকাশ করে যে, কম্পিউটারের ফাইল আটকে অর্থ নেওয়ার জন্য এটা করা হয়।
- কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে।
- যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
- সাধারণত একটি এনক্রিপশন কি বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করে ফাইল আটকানো হয়।
- ওই চাবি সম্পর্কে তথ্য কেবল আক্রমণকারীর জানা থাকে।
- যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয় তখন তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলার ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ]
১১.
কোন পরিস্থিতিতে ফ্যাক্স মেশিন সবচেয়ে কার্যকর?
  1. ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের জন্য
  2. অনলাইন পেমেন্ট করার জন্য
  3. জরুরি কাগজপত্র প্রেরণের ক্ষেত্রে
  4. সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার জন্য
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স (Fax):
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১২.
Memo-ফিল্ডে লেখা যায়-
  1. বর্ণ
  2. সংখ্যা
  3. চিহ্ন
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
Memo:
- Memo হলো Conditional Data টাইপ।
- এ জাতীয় ফিল্ডে বর্ণ, সংখ্যা, চিহ্ন, তারিখ ইত্যাদি ব্যবহার করে লেখা যায়।
- সাধারণত মন্তব্য ফিল্ডে এ ডাটা টাইপ ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. DDoS Attacks
  2. Fishing
  3. Cyberstalking
  4. Plagiarism
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং (Phishing),
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism),
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৪.
মডেমের কোন অংশ অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে?
  1. মডুলেটর
  2. মডুলেশন
  3. ডিমডুলেটর
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• মডেম:
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে।
- মডেমের দুটি অংশ। যথা-
১। মডুলেটর (Modulator) ও
২। ডি-মডুলেটর (De-modulator)।

- মডেম মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন।
- বাজারে বিভিন্ন গতি সম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়। যেমন- 600 kbps, 1200 kbps, 2400 kbps ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
ই-মেইলে 'CC' ফাংশন কী কাজ করে?
  1. ই-মেইল সংরক্ষণ করে
  2. ই-মেইল ডিলিট করে
  3. একই ই-মেইল কপি করে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে পাঠানোর কাজ করে
  4. ই-মেইলে ফাইল সংযুক্ত করে
ব্যাখ্যা
• E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ই-মেইলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
To
- এখানে যার কাছে মেইল পাঠানো হবে তার মেইল এড্রেস লিখতে হয়।
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়।

Cc (Carbon Copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, এইক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা সকল গ্রাহক দেখতে পারে।

Bcc(Blind carbon copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, তবে এক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা গ্রাহকের কাছে প্রদর্শিত হয় না।

Attachment
- ই-মেইলে টেক্সট এর পাশাপাশি বিভিন্ন ফাইল পাঠানোর জন্য Attachment অংশে অ্যাটাচ করে দিতে হয়।

উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
WAN-এর সুবিধা কোনটি?
  1. কম খরচে ভয়েস ও ভিডিও যোগাযোগ করা যায়
  2. ক্লাউড কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যায়
  3. বিভিন্ন তথ্য, পত্র-পত্রিকা সংগ্রহ করা যায়
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• WAN:
- WAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wide Area Network (ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক)।
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় WAN-এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- WAN-এর বিস্তৃতি সমগ্র দেশ বা পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা:
১. বিভিন্ন তথ্য, পত্র-পত্রিকা, বই, চলচ্চিত্র প্রভৃতি সংগ্রহ ও ব্যবহার করা যায়।
২. বিশ্বের যেকোনো স্থানে ই-মেইল প্রেরণ করা যায়।
৩. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৪. অনলাইন শপিং করা যায়।
৫. ক্লাউড কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যায়।
৬. কম খরচে বিশ্বের যে কোনো স্থানে ভয়েস ও ভিডিও যোগাযোগ করা যায়।
৭. কম খরচে ও অল্পসময়ে বিশ্বের একস্থান থেকে অন্য স্থানে ডেটা আদান-প্রদান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৭.
‘রাজ্যটা রাজার একলার নয়।’
- শাশ্বত এই উক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন নাটক থেকে উধৃত?
  1. প্রায়শ্চিত্ত
  2. ডাকঘর
  3. তাসের দেশ
  4. রক্তকরবী
ব্যাখ্যা
• 'প্রায়শ্চিত্ত' নাটক:
- রবীন্দ্রনাথের 'বউ ঠাকুরাণীর হাট' উপন্যাসের কাহিনি অবলম্বনে রচিত নাটক 'প্রায়শ্চিত্ত'।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে। 
- 'প্রায়শ্চিত্ত' নাটককে বলা হয় রবীন্দ্রনাথের শেষ মানভূমিক নাটক। 
- নাটকটি পঞ্চাঙ্কের। 
- টলস্টয়ের নিষ্ক্রিয় প্রতিরোধ নীতির প্রভাব ও গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনের পূর্বাভাস পাওয়া যায় এ নাটকে। 
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: ধনঞ্জয় বৈরাগী, সুরমা, উদয়াদিত্য, বিভা ইত্যাদি।
- ‘প্রায়শ্চিত্ত’ নাটকের নতুন ও পরিবর্তিত সংস্করণ ‘পরিত্রাণ’ নাটক। এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে।
- প্রায়শ্চিত্ত নাটকে রবীন্দ্রনাথ বলেন, ‘রাজ্যটা রাজার একলার নয়।’ 
-------------------
----------------------- 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'ডাকঘর' (১৯১২) রূপক সাংকেতিক নাটক। 
- বালক অমল এই নাটকের নায়ক।

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত রূপক নাটক 'তাসের দেশ'।
- নাটকটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৩ খ্রিষ্টাব্দে।
- নাটকটি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু কে উৎসর্গ করা হয়।

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'বসন্ত' গীতনাট্য।

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'রক্তকরবী' সাংকেতিক নাটক।
- ১৩৩০ বঙ্গাব্দে নাটকটি প্রবাসী পত্রিকায় প্রকাশিত।
- রক্তকরবীতে ধনের উপর ধান্যের, শক্তির উপর প্রেমের ও মৃত্যুর উপর জীবনের জয়গান গাওয়া হয়েছে।
- চরিত্র - নন্দিনী, রঞ্জন। 

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'চিরকুমার সভা' কৌতুক নাটক।

রবীন্দ্রনাথ রচিত আরো নাটক:
- বিসর্জন,
- রাজা, 
- অচলায়তন, 
- চিরকুমার সভা, 
- তাসের দেশ, ,
- বৈকুন্ঠের খাতা, 
- শারদোৎসব,
- প্রায়শ্চিত্ত, 
- ডাকঘর, 
- বসন্ত, 
- চণ্ডালিকা, 
- নটীর পূজা।

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২. বিবিসি বাংলা।
৩. প্রথম আলো।
৪. ডেইলি স্টার বাংলা।
১৮.
ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর পদে চাকরি করেন -
  1. প্রমথ চৌধুরী
  2. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  3. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. সবাই
ব্যাখ্যা
সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: 
-  বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২৬ জুন ১৮৩৮ – ৮ এপ্রিল ১৮৯৪) বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম হয় ১৯৪৮ সালে; বর্তমান উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নৈহাটি শহরের নিকটস্থ কাঁঠালপাড়া গ্রামে।
- তিনি বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যপত্র বঙ্গদর্শনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।
- বঙ্কিম একসময় ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর পদে চাকরি করেন।

- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৫২ সালে 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকায় কবিতা প্রকাশের মাধ্যমে সাহিত্যিক জীবন শুরু করেন।
- ১৮৫৬ সালে প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ললিতা পুরাকালিক গল্প তথা মানস’ প্রকাশিত হয়।
- ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে বঙ্কিমচন্দ্র প্রকাশ করেন বঙ্গদর্শন নামের সাময়িক পত্রিকা।
- বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- তাঁকে বাংলা উপন‍্যাসের জনক বলা হয়।

- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাজমোহনস ওয়াইফ'।
- উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
১৯.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম কোথায় এবং কবে হয়েছিল?
  1. বর্ধমান, ১৮৬১
  2. শিলাইদহ, ১৮৬৩
  3. কলকাতা, ১৮৬১
  4. শান্তিনিকেতন, ১৮৬৫
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম মহান ব্যক্তিত্ব, যার অবদান অসীম এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য। তাঁর জীবনের প্রধান ঘটনাবলী ও সাহিত্যকর্মগুলোর গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিক নিম্নরূপ:

জন্ম ও পরিবার:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন বাংলা ১২৬৮ সালের ২৫ বৈশাখ, ইংরেজি ১৮৬১ সালের ৮ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে।
• তাঁর পিতা ছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, যিনি ব্রাহ্মসমাজের অন্যতম নেতা ছিলেন।
• ১৮৮৩ সালে কন্যা মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়।

সাহিত্যকর্ম:
• মাত্র ১৬ বছর বয়সে তিনি ছোটগল্প লেখা শুরু করেন। তাঁর প্রথম ছোটগল্প ছিল 'ভিখারিনী'।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ছিল 'কবি-কাহিনী'।
• তাঁর লেখা প্রথম গান ছিল "গগনের থালে রবি চন্দ্র দীপক জ্বালে", যা তিনি ১৮৭৩ সালে রচনা করেন।
• ১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তার প্রথম কবিতা "অভিলাষ" প্রকাশিত হয়।
• তাঁর প্রথম উপন্যাস ছিল ‘বউ ঠাকুরাণীর হাট’।

জমিদারি তত্ত্বাবধান:
• রবীন্দ্রনাথ ১৮৯০-৯১ সাল থেকে কুষ্টিয়ার শিলাইদহে এবং অন্যান্য অঞ্চলে পৈত্রিক জমিদারিগুলোর তত্ত্বাবধানে নিযুক্ত হন এবং সেখানে বসেই তিনি অসংখ্য বিখ্যাত রচনা রচনা করেন, যার মধ্যে অন্যতম হল ‘সোনার তরী’, ‘চিত্রা’, ‘ক্ষণিকা’।
শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান:
• ১৯০১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বোলপুরের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরে ১৯২১ সালে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়।

পুরস্কার ও উপাধি:
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন ১৯১৩ সালে, যা তাঁকে প্রথম অ-ইউরোপীয় হিসেবে এই সম্মানে ভূষিত করে।
ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ১৯১৫ সালে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করলেও, ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন।

• মৃত্যু:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) জোড়াসাঁকোর নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

রেফারেন্স:
• বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, 
• বাংলাপিডিয়া, 
• বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস - মাহবুবুল আলম, 
• বিবিসি বাংলা।
২০.
'আদর্শ হিন্দু হোটেল' উপন্যাসটির রচয়িতা -
  1. গোবিন্দ চন্দ্র দাস
  2. নবীন চন্দ্র সেন
  3. প্যারীচাদ মিত্র
  4. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
⇒ আদর্শ হিন্দু হোটেল:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস 'আদর্শ হিন্দু হোটেল'। 
- বিভূতিভূষণের বাস্তব অভিজ্ঞতার মানুষ, আদর্শ হিন্দু হোটেল উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হাজারি ঠাকুরের অপূর্ণ স্বাদ ও আকাঙ্ক্ষাকেই উপন্যাসে রূপদানের প্রয়াস করা হয়েছে।
- নিজের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলস্বরূপ নিজে যেমন প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন তেমনিভাবে লাভ করেছেন মানুষের ভালোবাসা। 
- উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৪০ সালে।

---------------------------
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ সালে চব্বিশ পরগনায় মুরারিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা কথা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পী।
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত শেষ উপন্যাস ‘ইছামতী’ প্রকাশিত হয় ১৯৫০ সালে।
- মানুষের জীবনের কথা এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
- ‘ইছামতী’ উপন্যাসের জন্য তিনি রবীন্দ্র পুরস্কার (১৯৪৯) লাভ করেন।
- ১৯৫০ সালের ১লা সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ: 
• উপন্যাস:
- পথের পাঁচালী, 
- অপরাজিত, 
- অশনি সংকেত, 
- আরণ্যক, 
- আদর্শ হিন্দু হোটেল, 
- দেবযান, 
- ইছামতী, 
- দৃষ্টি প্রদীপ,  
- চাঁদের পাহাড়।  

• ছোটগল্প:
- মেঘমল্লার,  
- মৌরীফুল,  
- যাত্রাবদল,  
- কিন্নরদল ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২১.
গোবিন্দ চন্দ্র দাস কে বলা হয় -
  1. স্বভাব কবি
  2. চারণ কবি
  3. গীতি কবি
  4. প্রেমের কবি
ব্যাখ্যা
• গোবিন্দচন্দ্র দাস:
- গোবিন্দ চন্দ্র দাস কে ‘স্বভাব কবি’ বলা হয়।
- গোবিন্দচন্দ্র দাস ১৮৫৫ সালের ১৬ জানুয়ারি ঢাকা জেলার ভাওয়ালের জয়দেবপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
- গোবিন্দচন্দ্র দাস ভাওয়ালের কবি হিসেবেও বিখ্যাত।
- রবীন্দ্রনাথের সমকালে আধুনিক গীতিকবিতার ধারায় কবিতা রচনা করেই গোবিন্দচন্দ্র খ্যাত হন।
- গোবিন্দ চন্দ্র দাস কে ‘স্বভাব কবি’ বলা হয়।

তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে:
- প্রেম ও ফুল,
- কুঙ্কুম,
- কস্তুরী,
- চন্দন,
- ফুলরেণু্‌,
- বৈজয়ন্তী,
- শোক ও সান্ত্বনা ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও ড. সৌমিত্র শেখর।
২২.
''আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।'' কোন প্রেক্ষাপটে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ উক্তিটি করেছেন?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. দেশভাগ
  3. বঙ্গভঙ্গ
  4. বঙ্গভঙ্গ রদ
ব্যাখ্যা
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্:
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫-১৯৬৯) ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ, বিশিষ্ট শিক্ষক ও দার্শনিক ছিলেন।  তিনি ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।
• তিনি 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত। তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়।

• ১৯৫৫-৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমেরিটাস নিযু্ক্ত হন।
• ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে শহীদুল্লাহ্ বহু মননশীল ও জ্ঞানগর্ভ প্রবন্ধ নানা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা তিনি সম্পাদনা করেন। আল এসলাম পত্রিকার সহকারী সম্পাদক ও বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক  হিসেবে তিনি যোগ্যতার পরিচয় দেন।
• তাঁরই সম্পাদনা ও প্রকাশনায় মুসলিম বাংলার প্রথম শিশুপত্রিকা আঙুর আত্মপ্রকাশ করে। এছাড়াও তিনি ইংরেজি মাসিক পত্রিকা দি পীস, বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা বঙ্গভূমি এবং পাক্ষিক তকবীর সম্পাদনা করেন।
• ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জাতিসত্তা সম্পর্কে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত উক্তি- ''আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।''

 তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হলো:
- সিন্দবাদ সওদাগরের গল্প,
- ভাষা ও সাহিত্য,
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- দীওয়ান-ই-হাফিজ,
- শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ,
- রুবাইয়াত-ই-উমর খয়্যাম,
- Essays on Islam,
- আমাদের সমস্যা,
- পদ্মাবতী,
- বাংলা সাহিত্যের কথা (২ খণ্ড),
- বিদ্যাপতি শতক,
- বাংলা আদব কী তারিখ,
- বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত,
- কুরআন শরীফ,
- অমরকাব্য,
- সেকালের রূপকথা ইত্যাদি।

⇒ তাঁর সম্পাদিত আঞ্চলিক ভাষার অভিধান এক বিশেষ কীর্তি। মুহম্মদ আবদুল হাই -এর সঙ্গে তাঁর যুগ্ম-সম্পাদনায় রচিত Traditional Culture in East Pakistan (১৯৬১) একখানা উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৩.
ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড রচিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ গ্রন্থ -
  1. A Grammar of the Bengali Language
  2. A Grammar of the Bengal Language
  3. History of Bengali Language and Literature
  4. Vocabulario idioma em Bengalla e portuguez dividido em duas Partes
ব্যাখ্যা
ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড (১৭৫১-১৮৩০):
- তিনি ছিলেন প্রাচ্যবিদ ও বৈয়াকরণিক।
- তিনিই প্রথম বৈয়াকরণিক যিনি বাংলা  ব্যাকরণ রচনায় উদাহরণ ব্যবহার করে বাংলা পাঠ ও  বাংলা লিপি ব্যবহার করেন।
- এর আগে পর্তুগিজ ধর্মযাজকরা রোমান অক্ষরে অতি সাধারণভাবে বাংলা ব্যাকরণ ও  অভিধান রচনার চেষ্টা করেন।
- কিন্তু নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হ্যালহেডই প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন।
- তাঁর রচিত  A Grammar of the Bengal Language গ্রন্থটি ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয়। 
- ওয়ারেন হেস্টিংসের অনুরোধে হ্যালহেড এটি রচনা করেন।
- ১৭৪৩ সালে লিসবন শহর থেকে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটি মূলত এদেশে  খ্রিস্টধর্ম প্রচারের সুবিধার জন্যই সংকলিত হয়েছিল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৪.
'হিংটিং ছট' রম্যগ্রন্থটির লেখক -
  1. নুরুল মোমেন
  2. মামুনুর রশীদ
  3. বিষ্ণু দে
  4. প্রেমেন্দ্র মিত্র
ব্যাখ্যা
নুরুল মোমেন:
- নুরুল মোমেন এর জন্ম ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গায় ১৯০৬ সালে।
- নুরুল মোমেনের প্রথম নাটক ‘রূপান্তর’ ১৯৪২ সালে ঢাকা বেতার-এ প্রচারিত হয়।
- তিনি নিজে নাটকটি পরিচালনা করেন।
- ১৯৪৭ সালে নাটকটি গ্রন্থরূপে প্রকাশিত হয়।
- তাঁর 'নেমেসিস' নাটকটি প্রথম শনিবারের চিঠি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- 'নেমেসিস' নাটকটি পঞ্চাশ-দশকের মন্বন্তরের পটভূমিতে রচিত।
- নুরুল মোমেন রচিত প্রথম রম্যগ্রন্থ 'বহুরূপা'।
- ১৯৪৮ সালে ‘বহুরূপা’ নামক রম্যরচনাটি প্রকাশিত হয়।

নুরুল মোমেন রচিত অন্যান্য রম্যগ্রন্থ হলো:
- নরসুন্দর,
- হিংটিং ছট (প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড)।

নুরুল মোমেন রচিত বিখ্যাত নাটকসমূহ:
- নেমেসিস,
- যদি এমন হতো,
- নয়া খান্দান,
- আলোছায়া,
- আইনের অন্তরালে,
- শতকরা আশি,
- রূপলেখা,
- যেমন ইচ্ছা তেমন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৫.
প্রেমেন্দ্র মিত্রের কাব্য কোনটি?
  1. প্রথমা
  2. সম্রাট
  3. ফেরারী ফৌজ
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
• প্রেমেন্দ্র মিত্র:
- প্রেমেন্দ্র মিত্র একাধারে কবি, কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক, সম্পাদক।
- তাঁর জন্ম ১৯০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কাশিতে।
- তিনি কল্লোল পত্রিকার একজন নিয়মিত লেখক ছিলেন।
- প্রেমেন্দ্র মিত্র কলকাতার সাউথ সাবার্বন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক (১৯২০) পাস করে সাহিত্য-সাধনায় মনোযোগী হয়ে ওঠেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ: 
- প্রথমা,
- সম্রাট,
- ফেরারী ফৌজ,
- সাগর থেকে ফেরা,
- হরিণ চিতা চিল,
- কখনো মেঘ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পঞ্চশর, 
- বেনামী বন্দর, 
- পুতুল ও প্রতিমা, 
- মৃত্তিকা ইত্যাদি।
 
তাঁর রচিত উপন্যাস: 
- পাঁক, 
- কুয়াশা, 
- মিছিল, 
- উপনয়ন , 
- আগামীকাল, 
- প্রতিশোধ, 
- প্রতিধ্বনি ফেরে ইত্যাদি। 
 
উৎস:
১)বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৬.
বন্দে আলী মিয়া রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ:
  1. অনুরাগ
  2. মৃগপুরি
  3. মধুমতীর চর
  4. পদ্মানদীর চর
ব্যাখ্যা
বন্দে আলী মিয়া: 
- বন্দে আলী মিয়া একজন কবি, ঔপন্যাসিক  ও শিশু সাহিত্যিক।
- তিনি তার কবিতায় পল্লী প্রকৃতির সৌন্দর্য বর্ণনায় নৈপুণ্যের পরিচয় দিয়েছেন।
- তিনি প্রথম ‘ইসলাম দর্শন’ পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে যোগ দেন।

•  কাব্যগ্রন্থ:
- কাব্য ময়নামতীর চর,
- অনুরাগ,
- পদ্মানদীর চর, 
- মধুমতীর চর ইত্যাদি। 

•  শিশুতোষ গ্রন্থ:
- চোর জামাই,
- রূপকথা ডাইনী বউ,
- মৃগপুরি,
- কুচবরণ কন্যা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৭.
পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিকায় কৃষক জীবনের দুঃখ দুর্দশা ও জীবন সংগ্রামের কাহিনি অবলম্বনে রচিত 'নবান্ন' নাটকটি লিখেছেন -
  1. মামুনুর রশীদ
  2. বিজন ভট্টাচার্য
  3. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. মোতাহের হসেন চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• 'নবান্ন' নাটক:
- ‘নবান্ন’ হলো বিজন ভট্টাচার্যের লেখা একটি বাংলা নাটক।
- নাটকটি পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিকায় কৃষক জীবনের দুঃখ দুর্দশা ও জীবন সংগ্রামের কাহিনি অবলম্বনে রচিত। 
- বন্যা, দুর্ভিক্ষ ও মহামারীর পটভূমিকায় রচিত এই নাটকে দুঃস্থ-নিপীড়িত কৃষকজীবন প্রতিফলিত হয়েছে।
- নবনাট্য আন্দোলনের পথিকৃৎ বিজন ভট্টাচার্য এই নাটকের মাধ্যমে বাংলা নাট্যধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

• বিজন ভট্টাচার্য:
- তিনি নবনাট্য আন্দোলনের প্রধান পুরোহিত ছিলেন।
- ১৯০৬ সালে, ফরিদপুর জেলার খানখানাপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

বিজন ভট্টাচার্য রচিত অপরাপর নাটকগুলো হলো:
- জনপদ,
- কলঙ্ক,
- মরাচাঁদ,
- অবরোধ,
- গোত্রান্তর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৮.
'মে দিবস' নাটকটি কার লিখা?
  1. নুরুল মোমেন
  2. নজিবুর রহমান
  3. মামুনুর রশীদ
  4. মোজাম্মেল হক
ব্যাখ্যা
• মামুনুর রশীদ:
- মামুনুর রশীদ মূলত নাট্যকার হিসেবে পরিচিত।
- টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ১৯৪৮ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারিতে মামুনুর রশীদ জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ১৯৯০ সালে আলাওল সাহিত্য পুরস্কার পান৷

• তাঁর রচিত অন্যান্য নাটক:
- ওরা কদম আলী,
- ওরা আছে বলেই,
- মে দিবস,
- ইবলিশ,
- এখানে নোঙর,
- গিনিপিগ,
- সমতট,
- পাথর,
- লেবেদেফ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৯.
মোজাম্মেল হক কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
  1. মোসলেম ভারত
  2. লহরী
  3. শান্তিপুর
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক : 
- তিনি কবি, সাংবাদিক। পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার শান্তিপুরের বাউইগাছি গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক ‘কাব্যকণ্ঠ’ উপাধি লাভ করেন।
- তিনি মোজাম্মেল হক লহরী, মোসলেম ভারত ও শান্তিপুর মাসিক সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন।

তাঁর প্রকাশিত কাব্য গ্রন্থগুলোর নাম : 
- কুসুমাঞ্জলি,
- অপূর্বদর্শন , 
- হযরত মুহাম্মদ,
- জাতীয় ফোয়ারা।

তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো নাম : 
- জোহরা
- দরাফ খান গাজী।

তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোর নাম : 
- ফেরদৌসী-চরিত
- মহর্ষি-মনসুর।

উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।