পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 16” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- পরীক্ষা - ১৫ বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক: i) জনশুমারি, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, জাতীয় বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, শিল্প উৎপাদন ও আমদানি-রপ্তানি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও উন্নত ফসলের জাত। ii) প্রাচীন জনপদ, বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, জাতীয় অর্জন। iii) ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক গান ও চলচ্চিত্র। iv) বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও সাম্প্রতিক বাংলাদেশ। [নম্বর কাভার - ৮]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে, কোন সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ?
  1. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
  2. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
  3. গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
  4. চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।  

• সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

• ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।

- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রংপুর সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন)।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।

.
বর্তমানে বাংলাদেশে 'জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য' কয়টি?(জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

 জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য:
- দেশে প্রথমবারের মতো রাজশাহী জেলার দুটি জলাভূমিকে ‘জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করেছে সরকার।
- অভয়ারণ্য দুটি হলো রাজশাহীর তানোর উপজেলার বিলজোয়ানা মৌজার ১.৬৫ একর জলাভূমি এবং গোদাগাড়ী উপজেলার বিলভালা ১৫.০৮ একর জলাভূমিকে।
- ৭ মে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন শাখা-২ থেকে জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
- বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী এই ঘোষণা কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য,
- বিলজোয়ানা ও বিলভালা শীতকালে দেশি ও পরিযায়ী পাখির অন্যতম আশ্রয়স্থল।
- অভয়ারণ্য ঘোষণার ফলে এখন থেকে এই এলাকাগুলোতে পাখি ও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস নিশ্চিত হবে।

উৎস:THE BUSINESS STANDARD পত্রিকা রিপোর্ট।

.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন জেলায় সর্বনিম্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস করে?
  1. লালমনিরহাট
  2. যশোর
  3. পাবনা
  4. নাটোর
ব্যাখ্যা

• ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাসে সর্বনিম্ন জেলা→ লালমনিরহাট।

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনত্ব: রাঙ্গামাটি।
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি: CPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-fecto.
- দেশে মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকায়।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি: ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম : বরিশাল বিভাগে।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা - ৫০টি
- বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী চাকমা →(২৯.২৯%)
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাসে শীর্ষ বিভাগ→-চট্টগ্রাম
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাসে সর্বনিম্ন বিভাগ→ বরিশাল
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাসে শীর্ষ জেলা→ রাঙ্গামাটি
 
উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।

.
'মহাস্থানগড়' কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. তিস্তা
  2. কপোতাক্ষ
  3. মহানন্দা
  4. করতোয়া
ব্যাখ্যা

• মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র।
- এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর কেন্দ্র মহাস্থানগড়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
হিউয়েন সাঙ কোন শতকে সমতটে এসেছিলেন?
  1. ৫ম শতকে
  2. ৬ষ্ঠ শতকে
  3. ৭ম শতকে
  4. ৮ম শতকে
ব্যাখ্যা

• সমতট:
- দক্ষিণ পূর্ব বাংলার জনপদ সমতট নামটি বর্ণনামূলক এবং এর অর্থ তটের সমান্তরাল।
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তে-এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ রয়েছে।
- কালিদাসের রঘুবংশ কাব্যের মাধ্যমে জানা যায় যে সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
- সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন হিউয়েন সাঙ।
- তিনি বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিদ্যমান অবস্থার যে বর্ণনা রেখে গেছেন তা থেকে বোঝা যায় যে, কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই সমতট।
- মূলত মেঘনা-পূর্ববর্তী অঞ্চলই সমতট বলে পরিচিত ছিল এবং এ অঞ্চলের কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী 'লালমাই' এলাকা।
- একেবালে সঠিকভাবে সমতটের সীমা নির্ধারণ না করা গেলেও ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চলই ছিল সম্ভবত প্রাচীন সমতট।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, দেশের মূল্যস্ফীতির পরিমাণ কত?
  1. ৮.৪৩%
  2. ৮.৪৮%
  3. ৮.৬৩%
  4. ৮.৪৫%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- পুরুষের গড় আয়ু: ৭০.৮ বছর।
- নারীর গড় আয়ু: ৭৩.৮ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করেছে কোন দেশে?
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র :
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
- আমদানীকারক দেশ সমূহের তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে।
- ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৮৬৯২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য

• জার্মানী:
২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের জার্মানীতে মোট  ৫২৯২.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে যা মোট রপ্তানি আয়ের ১০.৯৬% এবং বর্তমানে দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানীকারক দেশে পরিণত হয়েছে। 

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

.
ত্রয়োদশ নির্বাচনে প্রবাসী ভোটারদের জন্য তৈরিকৃত অ্যাপের নাম কী?
  1. Postal Vote BD
  2. E-Vote BD
  3. Probashi Vote 
  4. Digital Vote BD
ব্যাখ্যা

• Postal Vote BD অ্যাপ:
 - সম্প্রতি,  ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ সালে নির্বাচন কমিশন প্রবাসী ভোটার অ্যাপ Postal Vote BD উদ্বোধন করে।
- প্রবাসী ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে নিবন্ধনের জন্য ১৮ নভেম্বর 'পোস্টাল ভোেট বিডি' অ্যাপের উদ্বোধন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
- একই দিনে ইসি চূড়ান্ত ভোটার তালিকাও প্রকাশ করবে।
- এবার প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে ইসি।
- এ ছাড়া ভোটের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা এবং আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরাও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা

.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, ২০২৫ সালে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে-
  1. ৮.৩৭%
  2. ৮.৪৩ %
  3. ৮.৭৭%
  4. ৯.৭৭%
ব্যাখ্যা

গড় মূল্যস্ফীতি:
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি বিরাজমান।
- সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির দিক থেকে ২০২৫ সালে বাংলাদেশ শীর্ষে ছিল।
- ২০২৬ সালেও বাংলাদেশে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি থাকবে।

- তিন বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, ২০২৫ সালে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ।।

উল্লেখ্য,
সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি - ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

উৎস: বিবিএস ও প্রথম আলো।

১০.
'ডায়মন্ড' কোন ফসলের উন্নতজাত?
  1. টমেটো
  2. আলু
  3. বেগুন
  4. তামাক
ব্যাখ্যা

• ডায়মন্ড হলো আলুর একটি উন্নতজাত।
আলুর অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:

- কার্ডিনাল
- ললিতা
- গ্রানোলা
- বিনেলা
- আইলসা
- চমক
- ধীরা
- আরিন্দা
- রাজা
- বারাকা ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই।

১১.
মানিক, মিন্টু কোন ফসলের জাত?
  1. সরিষা
  2. বেগুন
  3. বাঁধাকপি
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
• ধান- ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১, মালাইরি।
• গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
• ভুট্টা- উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্রা;
• তুলা- রূপালী ও ডেলফোজ।
• টমেটো- মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
• বেগুন- ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
• কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।
• বাধাঁকফি - গোল্ডেন ক্রস, কে ওয়াই ক্রস, গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রাম হেড
• সরিষা - সফল, অগ্রণী

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

১২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, দেশের বর্তমান জনসংখ্যা-
  1. ১৬৭.২৮ মিলিয়ন
  2. ১৬৯.৮৮ মিলিয়ন
  3. ১৭২.২৮ মিলিয়ন
  4. ১৭৮.২৮ মিলিয়ন
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।

১৩.
২০২৬ সালের ‘বর্ষপণ্য’ কোনটি?
  1. আসবাবপত্র
  2. পেপার ও প্যাকেজিং প্রডাক্ট
  3. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  4. কৃষিজাত প্রক্রিয়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

• ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য : 
- পেপার ও প্যাকেজিংকে চলতি বছরের বর্ষপণ্য ঘোষণা করে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার (ডিআইটিএফ) উদ্বোধন করা হয়েছে।
- 'পেপার ও প্যাকেজিং প্রডাক্টকে ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
- বর্ষপণ্য ঘোষণার ফলে পেপার প্যাকেজিং শিল্পে নতুন বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং রফতানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। 

উল্লেখ্য, 
- ২০২৫ সালের 'বর্ষপণ্য' ছিলো আসবাবপত্র বা ফার্নিচার। 

উৎস: বনিক বার্তা।

১৪.
ইউনেস্কো সুন্দরবনকে World Heritage Site হিসেবে স্বীকৃতি দেয়-
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৬ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন দুটি বন বিভাগে বিভক্ত: সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ ও সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ।
- বাংলাদেশ অংশে সুন্দরবনের মোট আয়তন ৬০১৭ বর্গ কি.মি.।

- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে UNESCO সুন্দরবনের ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যকে ৭৯৮তম World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের জলভাগ জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হওয়ায় ১৯৯২ সনের ২১ মে থেকে এটি Ramsar Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- টাঙ্গুয়ার হাওর ১০ জুলাই, ২০০০ সালে রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: বন সংরক্ষণ দপ্তর ও রামসার সাইট।

১৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, মাথাপিছু জাতীয় আয়- 
  1. ২,৬৭১ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৬১ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  4. ২,৮৪০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন। (প্রতি বর্গ কিমিতে)
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঝিনাইদহ 
  2. যশোর
  3. খুলনা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে,
- মোট তুলা উৎপাদন: ৬৭,৩৪৫.২ মে.টন
- আবাদকৃত জমির পরিমাণ: ২৮৪৪৩.৭৯ একর

বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন:
- প্রথম: খুলনা বিভাগ (৫৭,০১৬.৯৩ বেল)
- দ্বিতীয়: রংপুর বিভাগ (৪,৪০৩.৬৪ বেল)

জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন:
- প্রথম: ঝিনাইদহ জেলা (২৫,১১৮.৬০ বেল)
- দ্বিতীয়- যশোর জেলা (১০,৮৭৯.৮৭ বেল)

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৭.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে, শহর অঞ্চলে বাস করে-
  1. ৬৮.৩৪%
  2. ৩১.৬৬%
  3. ৩৭.৬৬%
  4. ৬২.৩৪%
ব্যাখ্যা

 জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (৩১.৬৬%) নাগরিক এখন শহরে বাস করে; দুই-তৃতীয়াংশ (৬৮.৩৪%) গ্রামে বাস করে।

⇒ সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশালে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।

১৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, দেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমান-
  1. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  2. ৩,৫১,০৩,০০০ হেক্টর
  3. ৩,৯২,৯৬,০০০ হেক্টর
  4. ১,৯৮,২৯,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

• মোট আবাদযোগ্য জমি পরিমান =
- ৩,৯২,৯৬,০০০ একর;
- ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।

• মোট আবাদী জমির পরিমান=
- ১,৯৮,২৯,০০০ একর।
- ৮০,২৮,০০০ হেক্টর।

• এক ফসলি জমি = ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
• দুই ফসলি জমি = ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
• তিন ফসলি জমি = ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
• চার ফসলি জমি = ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।

• বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।

উৎস: বিবিএস কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪।

১৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. মুন্সিগঞ্জ
  2. বগুড়া
  3. নওগাঁ
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, 
আলু (মিষ্টি আলু বাদে) মোট উৎপাদন: ১০,৬০,১১,৮২ মে. টন
আবাদকৃত জমির পরিমাণ: ১১,৩৩,০০৫ একর

বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন:
প্রথম: রংপুর বিভাগ (৪৩,৪৪,৫৪৬ মে. টন)
দ্বিতীয় – রাজশাহী বিভাগ (৩,৫৭৬,৮৯৬ মে. টন)

জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন:
প্রথম: রংপুর জেলা (১৩,২৬,৩৪৫ মে. টন)
দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা (১১,৮৭,০২৩ মে. টন)
রংপুর জেলা-১,২৯,৬৭৫ একর

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২০.
২০২৪-২৫ অর্থ-বছরে বাংলাদেশ কোন পণ্য রপ্তানি করে সবচেয়ে বেশি আয় করেছে?
  1. হোম টেক্সটাইল 
  2. নীট পোষাক
  3. ওভেন পোষাক
  4. চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা
ব্যাখ্যা

(ক) নীট পোশাক:
- ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের জুলাই–জুন সময়ে নীট পোশাক খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বিগত অর্থবছরের একই সময়ের ১৯,২৮২.১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ৯.৭৩ শতাংশ বেশি। উক্ত সময়ে দেশের মোট রপ্তানি আয়ে এ খাতের অবদান ছিল ৪৩.৮২ শতাংশ।

(খ) ওভেন পোশাক:
- ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের জুলাই–জুন সময়ে ওভেন পোশাক খাতে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ১৮,১৮৭.৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের ১৬,৮৬৯.১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ৭.৮২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ছিল ৩৭.৬৭ শতাংশ।

(গ) হোম টেক্সটাইল:
- ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের জুলাই–জুন সময়ে হোম টেক্সটাইল খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের ৮৫১.০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ২.৪২ শতাংশ বেশি। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানি আয়ে এ খাতের অবদান ছিল ১.৮১ শতাংশ।

(ঘ) চামড়া, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা :
- ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের জুলাই–জুন সময়ে চামড়া, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে ১,১৪৫.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বিগত অর্থবছরের একই সময়ের ১,০৩৯.১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ১০.১৯ শতাংশ বেশি। উক্ত সময়ে দেশের মোট রপ্তানি আয়ে এ খাতের অবদান ছিল ২.৩৭ শতাংশ।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

২১.
'গারো' ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীরা মূলত কোন জেলায় বসবাস করে?
  1. দিনাজপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. সিলেট
  4. রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

• 'গারো' উপজাতি:
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়। 

- তাছাড়া শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলাতেও কিছু গারো উপজাতি বাস করে। 
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নাম 'সাংসারেক'। 
- গারোদের প্রধান দেবতা 'তাতারা রাবুগা'। 
- গারোদের ধর্ম খ্রিস্টান। 
- গারোদের উৎসব 'ওয়ানগালা'। 
- গারোদের ভাষা মান্দি। 
- গারোদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক। 

উৎস: ময়মনসিংহ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

২২.
"জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২" চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন জেলায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি?
  1. গাজীপুর
  2. ঢাকা
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চুড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে, 
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি  - গাজীপুর (৩.৮৭%)।

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
-  সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশালে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।

২৩.
'সালাম সালাম হাজার সালাম' গানের গীতিকার কে?
  1. আব্দুল জব্বার
  2. ফজলে খোদা
  3. গোবিন্দ হালদার
  4. আপেল মাহমুদ
ব্যাখ্যা

• স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রচারিত গানগুলো মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রেরণা যুগিয়েছে।

⇒ তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর:
- কথা ও সুর: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: রথীন্দ্রনাথ রায়।

⇒ পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: সমর দাস।
- গানটি কয়েকজন শিল্পীর সমবেত কণ্ঠে প্রচার করা হয়।

⇒ মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: আপেল মাহমুদ।

⇒ এক সাগর রক্তের বিনিময়ে:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: স্বপ্না রায়।

⇒ সালাম সালাম হাজার সালাম:
- গীতিকার: ফজলে খোদা।
- সুরকার: আব্দুল জব্বার।
- শিল্পী: আব্দুল জব্বার।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

২৪.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস?
  1. ময়মনসিংহ
  2. বান্দরবান
  3. রাঙামাটি
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে।
- জেলার দিক দিয়ে -দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ৬০.০৪% চট্টগ্রাম বিভাগে বসবাস।
- এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর
- ১৪.৮২% রাজশাহী,
- ৮.২৮% সিলেট,
- ৫.৫২% রংপুর ও
- ৪.৯৯% ঢাকা বিভাগে বসবাস করে।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
         ii) প্রথম আলো।

২৫.
জীবিত অবস্থায় 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন?
  1. মীর আবদুস শুকুর
  2. অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
  3. মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান
  4. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- ৭ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে দেয়া হয় ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’।
- ৭ জনের মধ্যে ৬ জনকে মরণোত্তর পুরস্কার প্রাপ্ত হয়।
- শুধু বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর জীবিত পুরস্কার প্রাপ্ত হন।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে :অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),।
- সাহিত্যে: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), । 
- সংস্কৃতিতে: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),।
- সমাজসেবায়: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),।
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),।
- শিক্ষা ও গবেষণায় : বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর ।
- প্রতিবাদী তারুণ্যের : আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশের অন্যতম চিন্তাবিদ ও লেখক বদরুদ্দীন উমর দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘স্বাধীনতা পুরষ্কার’ প্রত্যাখ্যান করেন।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

২৬.
২০২৫ সালের ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছেন-
  1. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল
  2. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
  3. বাংলাদেশ জাতীয় হকি দল
  4. ১০০ জন জুলাই কন্যা
ব্যাখ্যা

• 'অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫:
- ৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশের অদম্য নারীদের হাতে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ সম্মাননা তুলে দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

• ২০২৫ সালে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছে:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল,
- জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী লিপি বেগম,
- অর্থনীতিতে অবদানে শরিফা সুলতানা,
- শিক্ষা ও চাকরিতে হালিমা বেগম,
- সফল জননী নারী মেরিনা বেসরা,
- সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানে মো. মুহিন (মোহনা)।

উৎস: i) মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) The Daily Star Bangla.

২৭.
বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার বাংলাদেশের কততম প্রধান নির্বাচন কমিশনার? [জানুয়ারি, ২০২৬] 
  1. ১২তম
  2. ১৩তম
  3. ১৪তম
  4. ১৫তম
ব্যাখ্যা

• নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত। 
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। 
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের ১৪ তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- বাংলাদেশে প্রথম নির্বাচন কমিশনার: বিচারপতি এম.ইদ্রিস।

• বর্তমান নির্বাচন কমিশন:
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার: এ এম এম নাসির উদ্দিন
- নির্বাচন কমিশনার: আব্দুর রহমানেল মাছউদ
- নির্বাচন কমিশনার: বেগম তাহমিদা আহমদ
- নির্বাচন কমিশনার: মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার
- নির্বাচন কমিশনার: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো: সানাউল্লাহ (অবসরপ্রাপ্ত)

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

২৮.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল কত সালে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের শিরোপা লাভ করে?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা

নারী ক্রিকেট দল:
- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।

উৎস: ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ঢাকা টাইমস।

২৯.
“জীবন থেকে নেয়া” চলচ্চিত্রটি কত সালে মুক্তি পায়?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা

'জীবন থেকে নেওয়া':
- 'জীবন থেকে নেওয়া' জহির রায়হান পরিচালিত একটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র যা ১৯৭০ সালের ১০ এপ্রিল মুক্তি পায়৷
- চলচ্চিত্রটি পারিবারিক আবহে নির্মিত হলেও এর অন্তর্নিহিত পটভূমি ছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম।

ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

• ১৯৫৬ সালে জহির রায়হান চলচ্চিত্রে প্রবেশ করেন। ১৯৬১ সালে তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র “কখনও আসেনি” মুক্তি পায়। তারপর একের পর এক তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র মুক্তি পেতে থাকে।

এসব চলচ্চিত্র হলো:
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- জীবন থেকে নেয়া,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম এবং
- বাহানা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩০.
"Millions of babies watching the skies/ Bellies swollen, with big round eyes" চরণ দুটির রচয়িতা কে?
  1. রড স্টুয়ার্ট
  2. জর্জ হ্যারিসন
  3. বব ডিলান
  4. এ্যালেন গিন্সবার্গ
ব্যাখ্যা

• "Millions of babies watching the skies/ Bellies swollen, with big round eyes" চরণ দুটির রচয়িতা এলেন গিন্সবার্গ।
- এটি তার বিখ্যাত কবিতা সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড এর অন্তর্গত।

সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড (September on Jessore Road):

- সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড- বিখ্যাত যুক্তরাষ্ট্রের কবি এলেন গিন্সবার্গ রচিত একটি কবিতা। 

⇒ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানীরা এদেশে হামলা করলে প্রায় ১ কোটি বাংলাদেশী জনগণ অস্থায়ী শরণার্থী হিসেবে ভারতে গমন করে। সে সময় নিরাপদে ভারতের ভূখণ্ডে অস্থায়ীভাবে প্রবেশের পথ হিসেবে শরণার্থীরা বেছে নেয় এই যশোর রোডকে।
- ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বরে মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ ভারতের কলকাতা থেকে নৌকায় করে বাংলাদেশের যশোর সীমান্তে পৌছান।
- সীমান্তবর্তী শরণার্থী শিবিরগুলোতে বসবাসকারী উদ্বাস্তুদের দুর্দশা প্রত্যক্ষ করে তিনি স্তম্ভিত হয়ে যান। 
- দেশে ফিরে গিন্সবার্গ একটি কবিতা লেখেন: 'সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড'।
- এই কবিতার লাইন সংখ্যা ১৫২ টি।
- এই দীর্ঘ কবিতার সাথে সুর দিয়ে এটিকে গানে রূপ দিয়েছিলেন তিনি।
- আমেরিকায় ফিরে গিয়ে তার বন্ধু বব ডিলান ও অন্যান্য বিখ্যাত গায়কদের সহায়তায় এই গান গেয়ে কনসার্ট করেছিলেন। 
- ১৯৭১ সালের ১৪ নভেম্বর কবিতাটি নিউইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত হয়।

উৎস: প্রথম আলো।