পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০ (নতুন রাউন্ড) টপিক ধাতু ও ধাতব পদার্থের যৌগ, অধাতু এবং তাদের যৌগসমূহ, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার ও লবণ [Live Class – 20, 21 & 22]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
যে সকল যৌগ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু আহরণ করা যায়, তাকে কী বলা হয়? 
  1. শিলা
  2. আকরিক
  3. খনিজ
  4. খনিজমল
সঠিক উত্তর:
আকরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকরিক
ব্যাখ্যা
শিলা: 
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগের যে অংশ শক্ত, ভিজলে নরম হয় না, আকৃতিতে বড় বড় এবং গাছ পালা জন্মায় না তাকে শিলা বলে। 

যৌগিক পদার্থ: 
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যেমন- সিলিকন ডাই অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি। 
- এসকল যৌগিক পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত যথা- ধাতু ও অধাতু। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। 
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। 

আকরিক: 
- সকল খনিজ পদার্থ থেকে লাভজনক ভাবে ধাতু বা অধাতু আহরণ বা নিস্কাশন করা যায় না, খনিতে প্রাপ্ত যে সকল যৌগিক পদার্থ থেকে ধাতু বা অধাতু লাভজনক ভাবে নিস্কাশন করা যায় তাকে আকরিক বলে। 
- খনিতে আকরিকের সাথে বালি, পাথর, কাদামাটি ও অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় পদার্থ মিশ্রিত অবস্থায় অপদ্রব্য বা ভেজাল হিসেবে থাকে। এসকল অপদ্রব্যকে খনিজমল বলে। 

খনিজ পদার্থ ও খনিজ সম্পদ: 
- ভূপৃষ্টের সকল স্থানেই বিভিন্ন ধাতু বা অধাতুর যৌগ পাওয়া গেলেও তা সব সময় লাভজনক ভাবে আহরণ করা যায় না। যদি ভূপৃষ্টের উপরিতলে বা ভূপৃষ্টের অভ্যন্তরে কোন যৌগ প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়, যা থেকে কোন ধাতু বা অধাতু লাভজনক ভাবে আহরণ করা যায়, তবে সেই স্থানকে খনি বলে। আর খনি থেকে প্রাপ্ত পদার্থকে খনিজ পদার্থ বলে। 
- আবার যদি এসকল পদার্থ লাভজনক ভাবে আহরণ করা যায় তবে এদের খনিজ সম্পদ বলা হয়। 
- স্বর্ণ, হীরা, কয়লা, সালফার ইত্যাদি খনিতে মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়, তাই এগুলো মৌলিক খনিজ হিসেবে পরিচিত। 
- মৌলিক খনিজ ব্যতিত সকল খনিজই যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায় এবং এগুলো যৌগিক খনিজ হিসেবে পরিচিত। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোন মৌল বহুরূপতা প্রদর্শন করে?
  1. কার্বন
  2. ফসফরাস
  3. সালফার
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বহুরূপী মৌল: 
- প্রকৃতিতে একই মৌলের বিভিন্ন ভৌত রূপে অবস্থান করার প্রবণতাকে বহুরূপতা বলে। 
- কার্বন, ফসফরাস, সিলিকন, সালফার, জার্মেনিয়াম, বোরন, টিন ইত্যাদি মৌল বহুরূপতা প্রদর্শন করে। 
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হলো- গ্রাফাইট ও হীরক। 
- অদানাদার রূপভেদ হলো কোক কার্বন, চারকোল, কয়লা ও কার্বন ব্ল্যাক। 
- কার্বনের একটি দানাদার রূপভেদ হলো গ্রাফাইট যা বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
.
গ্যালভানিক কোষে কোন ভিত্তিতে অ্যানোড ও ক্যাথোড নির্ধারিত হয়?
  1. ধাতুর সক্রিয়তার উপর ভিত্তি করে
  2. তড়িৎ প্রবাহের শক্তির উপর ভিত্তি করে
  3. ধাতুর লবণের দ্রবণের তাপমাত্রার উপর ভিত্তি করে
  4. তড়িৎচুম্বকীয় ক্ষেত্রের উপর ভিত্তি করে
সঠিক উত্তর:
ধাতুর সক্রিয়তার উপর ভিত্তি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধাতুর সক্রিয়তার উপর ভিত্তি করে
ব্যাখ্যা
গ্যালভানিক কোষ: 
- গ্যালভানিক কোষের ক্ষেত্রে অ্যানোড তড়িৎদ্বার ও ক্যাথোড তড়িৎদ্বার গঠনের পদ্ধতি তড়িৎবিশ্লেষ্য কোষ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। 
- একটি ধাতব দন্ডকে ঐ ধাতুর লবণের দ্রবণের মধ্যে স্থাপন করা হয়। 
- এভাবে ভিন্ন ভিন্ন ধাতুর দন্ডকে ঐ স্ব স্ব ধাতুর লবণের দ্রবণের মধ্যে স্থাপন করে অ্যানোড তড়িৎদ্বার ও ক্যাথোড তড়িৎদ্বার গঠন করা হয়। তবে অ্যানোড তড়িৎদ্বার ও ক্যাথোড তড়িৎদ্বার নির্ধারিত হয় ধাতুর সক্রিয়তার উপর ভিত্তি করে। 
- তড়িৎদ্বার হিসেবে ব্যবহৃত ধাতব দন্ড দুটোর মধ্যে অধিক সক্রিয় ধাতব দন্ডটি অ্যানোড তড়িৎদ্বার এবং অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয় ধাতব দন্ডটি ক্যাথোড তড়িৎদ্বার হিসেবে কাজ করে। 
- গ্যালভানিক কোষের অ্যানোড তড়িৎদ্বার ও ক্যাথোড তড়িৎদ্বারকে ব্যাটারির সাহায্যে সংযুক্ত না করে শুধু পরিবাহি তারের মাধ্যমে যুক্ত করা হয়। তবে নির্দেশক বাল্ব যুক্ত করে তড়িৎ প্রবাহকে নিশ্চিত করা হয়। 
- দুটো তড়িৎ বিশ্লেষ্য দ্রবণকে লবণ সেতু দ্বারা সংযোগ করা হয়। 
- লবণ সেতুর মধ্যস্থ তড়িৎ বিশ্লেষ্য উভয় তড়িৎদ্বারের সাথে যুক্ত ধাতব লবণের দ্রবণের সাথে কোন বিক্রিয়া করে না। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মৃৎক্ষার ধাতু কোনটি?
  1. Mg
  2. Rb
  3. Na
  4. Li
সঠিক উত্তর:
Mg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mg
ব্যাখ্যা
মৃৎক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণিতে গ্রুপ-2 এ অবস্থিত মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু (alkaline earth metal) বলা হয়। 
যেমন- Be, Mg, Ca, Sr প্রত্যেকেই মৃৎক্ষার ধাতু। 
- এরাও ক্ষার ধাতুর মতো তড়িৎ ধনাত্মক মৌল, দুটি করে ইলেকট্রনকে দান করে দ্বিধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়। 
- অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সাইড যৌগ গঠন করে, এদের অক্সাইড সমূহ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষারীয় দ্রবন উৎপন্ন করে। 
- মৃৎক্ষার ধাতুর মৌলগুলো বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে বলে এদের এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 

ক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেন ব্যতীত গ্রুপ-1 এ অবস্থিত মৌলসমূহকে ক্ষার ধাতু (alkali metal) বলা হয়। 
যেমন- Li, Na, K, Rb এর প্রত্যেকেই ক্ষার ধাতু। 
- এদের বিশেষ ধর্ম হলো এরা প্রত্যেকেই পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস ও ক্ষার উৎপন্ন করে থাকে। 
- এরা প্রত্যেকেই একটি মাত্র ইলেকট্রনকে দান করে ধনাত্মক একযোজী আয়নে পরিণত হয় এবং আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যৌগ গঠন করে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনো ধাতুর উপর জিংকের প্রলেপ দেওয়াকে বলে-  
  1. টিনপ্লেটিং
  2. ভলকানাইজিং
  3. গ্যালভানাইজিং
  4. ইলেকট্রোপ্লেটিং 
সঠিক উত্তর:
গ্যালভানাইজিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালভানাইজিং
ব্যাখ্যা
গ্যালভানাইজিং: 
- যেকোনো ধাতুর উপর জিংকের প্রলেপ দেওয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে। 
- এক্ষেত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই। 
- কোনো ধাতুর উপর যেকোনোভাবে জিংকের প্রলেপ দিয়ে গ্যালভানাইজিং করা হয়। 

ইলেকট্রোপ্লেটিং: 
- সাধারণত তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইলেকট্রোপ্লেটিং। 
- এক্ষেত্রে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- যে ধাতুর উপর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- এরপর তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'গ্রাফাইট' কোন ধরনের খনিজ সম্পদ? 
  1. ধাতব খনিজ
  2. ধাতব ও শক্তি সম্পদ
  3. অধাতব খনিজ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অধাতব খনিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধাতব খনিজ
ব্যাখ্যা
খনিজ সম্পদ: 
- খনিজ সম্পদ প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে গঠিত হয়। 
- এক বা একাধিক উপাদানে গঠিত হয়ে বা সামান্য পরিবর্তিত অবস্থায় যেসব রাসায়নিক প্রক্রিয়াজাত যৌগিক পদার্থ শিলাস্তরে সঞ্চিত থাকে তাকে খনিজ বলে। 
- খনিজে সাধারণত বিভিন্ন শিলার উপাদানগুলো ভূ-তাত্ত্বিক সময়ের উপর নির্ভর করে ধীরে ধীরে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে খনিজ পদার্থে পরিণত হয়। 
যেমন-লৌহ আকরিক, চুনাপাথর, গ্রাভেল, কঠিন শিলা, গ্লাস স্যাণ্ড, তামা, অ্যালুমিনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ট্যাংস্টেন, সোনা, হীরা, রূপা, কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি মূল্যবান খনিজ সম্পদ। 
- খনিজ সম্পদ অজৈব পদার্থ। 
- খনিজ সম্পদের গঠন, উপাদান, আকার এবং ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে খনিজ সম্পদকে প্রধান তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১। ধাতব খনিজ: 
- ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি খনিজকে ধাতব খনিজ বলে। 
- ধাতব খনিজ লৌহ বর্গীয় এবং অলৌহ বর্গীয় হয়ে থাকে। 
- লৌহ বর্গীয় ধাতব খনিজসমূহ হলো- লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ এবং নিকেল। 
- অলৌহ বর্গীয় খনিজসমূহ হলো- তামা, টিন, সোনা, রূপা, হীরা প্রভৃতি। 

২। অধাতব খনিজ: 
- যে সকল খনিজে ধাতব পদার্থ থাকে না তাকে অধাতব খনিজ বলে। 
যেমন- সালফার, গ্রাফাইট, অভ্র এবং জিপসাম প্রভৃতি। 

৩। শক্তি সম্পদ: 
- যে সকল খনিজ সম্পদ প্রধানত শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় তাকে শক্তি সম্পদ বলে। 
যেমন- খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা এবং আণবিক খনিজ প্রভৃতি। 

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাইট্রোজেন চক্রের শুরু হয়?
  1. নাইট্রিফিকেশন
  2. ডিনাইট্রিফিকেশন
  3. ফিক্সেশান
  4. এসিমিলেশন
সঠিক উত্তর:
ফিক্সেশান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিক্সেশান
ব্যাখ্যা
নাইট্রোজেন চক্র: 
- নাইট্রোজেন চক্র পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। 
- নাইট্রোজেন জীবের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি কিন্তু বায়ুমণ্ডলে এটি বিপুল পরিমাণে থাকলেও কোনো প্রাণী বা উদ্ভিদ এটি সরাসরি ব্যবহার করতে পারে না। 
- নাইট্রোজেন চক্র এমন একটি জৈবভূরাসায়নিক প্রক্রিয়া যেটি প্রায় নিষ্ক্রিয় নাইট্রোজেন গ্যাসকে জীবের ব্যবহারের উপযোগী করে রূপান্তরিত করে তুলে। 
- এই চক্রের মাধ্যমে নাইট্রোজেন গ্যাস বায়ুমণ্ডল থেকে মাটিতে আসে এবং চক্র শেষে আবার বায়ুমণ্ডলে ফিরে যায়। 
- নাইট্রোজেন চক্রের কয়েকটি সক্রিয় প্রক্রিয়া নিচে আলোচনা করা হলো- 

নাইট্রোজেন ফিক্সেশান (Fixation): 
- নাইট্রোজেন চক্র শুরু হয় নাইট্রোজেন ফিক্সেশান দিয়ে যেখানে নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া দিয়ে বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন অ্যামোনিয়াতে রূপান্তরিত হয়। 
- এই ব্যাকটেরিয়াগুলো মাটিতেই থাকে এবং এটি হচ্ছে উদ্ভিদের সঙ্গে এই ব্যাকটেরিয়াগুলোর একধরনের সিম্বিওটিক সম্পর্ক। 

নাইট্রিফিকেশন (Nitrification): 
- এই প্রক্রিয়ায় অ্যামোনিয়া প্রথমে নাইট্রাইট পরে নাইট্রেট আয়নে রূপান্তরিত হয়। 
- একবার নাইট্রেটে পরিণত হলে উদ্ভিদ খুব সহজে সেটি পুষ্টির অংশ হিসেবে গ্রহণ করতে পারে।

এসিমিলেশন (Assimilation): 
- এই প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ মাটি থেকে নাইট্রেট গ্রহণ করে সেগুলো ব্যবহার করে নাইট্রোজেন গঠিত অ্যামিনো অ্যাসিড ও অন্যান্য অণু গঠন করে যেগুলো হচ্ছে ডিএনএ এবং প্রোটিন তৈরি করার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 
- প্রাণী তাদের প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন উদ্ভিদ থেকে পেয়ে থাকে। 

এমোনিফিকেশন (Armonification): 
- যখন উদ্ভিদ কিংবা প্রাণীর মৃত্যু ঘটে তখন ব্যাকটেরিয়া এবং ফানজাই তাদের দেহাবশেষ পচিয়ে আবার অ্যামোনিয়াতে রূপান্তরিত করে দেয়। 
- নাইট্রোজেন ফিক্সেশানে প্রস্তুত অ্যামোনিয়া যেভাবে নাইট্রেটে পরিণত হয়, ঠিক একইভাবে অ্যামোনোফিকেশানে প্রস্তুত অ্যামোনিয়াও নাইট্রেটে পরিণত হয়। 

ডিনাইট্রিফিকেশন (Denitrification): 
- অক্সিজেনের ঘাটতি আছে এরকম এলাকায় এই প্রক্রিয়ায় ডিনাইট্রিফাইং ব্যাকটেরিয়া নাইট্রেটকে ভেঙে আবার নাইট্রোজেনে পরিণত করে বায়ুমণ্ডলে ফিরিয়ে দেয়। 

উল্লেখ্য যে, 
- অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহার করার কারণে মাটিতে নাইট্রেটের পরিমাণ বেড়ে গিয়ে সেটি একধরনের পরিবেশ দূষণের সৃষ্টি করেছে। 
- কাজেই নাইট্রোজেন চক্রটির সঠিক নিয়ন্ত্রণ মানুষের জন্য একটি জরুরি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

উৎস: বিজ্ঞান (অনুসন্ধানী পাঠ), নবম শ্রেণি।