পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৬
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 13” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সিলেবাস: i) বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি (প্রতীক, পতাকা, দিবস ও অন্যান্য), ii) বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ, iii) বাংলাদেশের অর্থনীতি, iv) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির সংশ্লিষ্ট বোর্ড বই, বিভিন্ন জাতীয় সমীক্ষা, বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৬ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে কী রয়েছে?
  1. শাপলা
  2. ধানের শীষ
  3. সূর্য
  4. তারকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক গ্রহণ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে রয়েছে পানিতে ভাসমান একটি শাপলা ফুল।

⇒ এ প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি। এ তিনটি উপাদানের ওপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হল অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
- তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।
- জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসান।
- সংবিধানের প্রথম ভাগ (প্রজাতন্ত্র) অনুচ্ছেদে : ৪ (৩)-এ জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বর্ণনা করা আছে।

⇒ ভাসমান শাপলাটি এঁকেছেন মোহাম্মদ ইদ্রিস ও এর দুই পাশে ধানের শীষবেষ্টিত পাটপাতা ও চারটি তারকা যুক্ত করেছেন শামসুল আলম।
- কামরুল হাসান ও তাঁর দলের করা এই প্রতীকটি জাতীয় প্রতীক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয় ১৯৭২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি।
- জাতীয় প্রতীকের চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে এই চারটি মূলনীতিকেই বোঝানো হয়েছে।

⇒ এই জাতীয় প্রতীক কিন্তু সবাই ব্যবহার করতে পারেন না।
- শুধু রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার ব্যবহারের ক্ষমতা রাখেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
কোন মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত?
  1. অর্থ
  2. বাণিজ্য
  3. শিল্প
  4. পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়:
- স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় হিসেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যাত্রা শুরু হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে বাণিজ্য বিভাগ ও বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগ নামে দু’টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়।
- যা ১৯৮২ সালে শিল্পের সাথে একীভূত হয়ে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- ১৯৮৫ সাল থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হিসেবে পুনঃকার্যক্রম শুরু হয়।

⇒ অভিলক্ষ্য: ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, বাণিজ্য পদ্ধতির সহজীকরণ, রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদান, রপ্তানি পণ্য ও বাজার বহুমূখীকরণ, বৈদেশিক বাণিজ্যে সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে ভূমিকা রাখা।

• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা ও দপ্তরসমূহ:
⇒ বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১৩টি সংস্থা বা দপ্তর রয়েছে। যথা:
১. বাংলাদেশ ট্রেড এবং ট্যারিফ কমিশন,
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো,
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ,
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
৫. যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর,
৬. আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস,
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড,
৮. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন,
৯. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট,
১০. বিজনেজ প্রমোশন কাউন্সিল,
১১. দি ইন্সটিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১২. দি ইন্সটিটিউট অব চার্টাড একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১৩. ইন্সটিটিউট অব চার্টাড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ।

উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
.
কোনটি বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় ওয়েব পোর্টাল?
  1. www.bangladesh.com
  2. www.bangladesh.gov.bd
  3. www.bangladesh.gov.net
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় ওয়েব পোর্টাল:
- বাংলাদেশের জাতীয় ওয়েব পোর্টাল www.bangladesh.gov.bd।
- এখানে .gov-এর পরে যুক্ত হওয়া .bd হচ্ছে কান্ট্রি কোড।
- ওয়েব পোর্টালটি ‘বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন’ নামেও পরিচিত।
- বিভিন্ন সেবা ও তথ্যের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তরের ঠিকানাও এ পোর্টালে রাখা হয়েছে।
- অর্থাৎ কেউ যদি সরকারি কোনো সাইটের ঠিকানা না জানে, সমস্যা নেই।

⇒ এই পোর্টালের ঠিকানা জানা থাকলেই এখান থেকে সরকারি বিভিন্ন সাইটে যাওয়া যাবে। বিভিন্ন জেলা-উপজেলার জন্য চালু করা সাইটের লিংকও আছে এখানে।
- সর্বসাধারণের জন্য সরকারি নির্দেশনা, বিজ্ঞপ্তির পাশাপাশি বিভিন্ন সেবার জন্য অনলাইনে আবেদন কিংবা নিবন্ধন করা যাবে এ পোর্টাল থেকে। এ ছাড়া পাসপোর্ট, ভিসা ও ইমিগ্রেশন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, আয়কর, অর্থ ও বাণিজ্য, নিয়োগ, ট্রেন ও বিমানের টিকিট বুকিং, পোস্টাল ও কুরিয়ার, রেডিও-টিভির খবর, ইউটিলিটি বিল, মৎস্য ও প্রাণী, ট্রেজারি চালানসংক্রান্ত সেবার লিংক পাওয়া যাবে পোর্টালটিতে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) কালের কন্ঠ।
.
বীজ প্রত্যয় এজেন্সি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী Seed Certification Agency):
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (১৯৭৩-৭৮) আওতায় বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় বীজের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে “বীজ অনুমোদন সংস্থা” নামে ২২ জানুয়ারী ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের বাংলাভাষা বাস্তবায়ন কোষ কর্তৃক ২২ নভেম্বর ১৯৮৬ তারিখে এর নামকরণ “বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী” করা হয়।
- সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে উৎপাদিত ও বাজারজাতকৃত নোটিফাইড ফসল যথাঃ ধান, গম, পাট, আলু ও আখ ফসলের বীজ প্রত্যয়ন ও মান নিয়ন্ত্রণে এ সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সরকারী পর্যায়ে উৎপাদিত অনুমোদিত জাতের গুণগত মান যাচাই এবং বীজের মান উৎকর্ষতা নিরূপণ করতঃ বীজ প্রত্যয়ন ট্যাগ বা সার্টিফিকেট প্রদানের দায়িত্ব প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর উপর অর্পিত হয়।
- দেশে বীজ ফসলের জাত পরীক্ষাপূর্বক ছাড়করণ/নিবন্ধন থেকে শুরু করে মাঠ পরিদর্শন ও প্রত্যয়ন, পরীক্ষাগারে ও কন্ট্রোল ফার্মে বীজের মান পরীক্ষণ, প্রত্যয়ন ট্যাগ ইস্যুকরণ, মার্কেট মনিটরিং এবংমোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে বীজ আইন ও বিধিমালা লংঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ পর্যন্ত সংস্থাটির কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়েছে।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগার বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর প্রধান কার্যালয়, গাজীপুরে অবস্থিত।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগারে পাঁচটি শাখার মাধ্যমে বীজ পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হয় ।
- আঞ্চলিক বীজ পরীক্ষাগার: ৭টি (ঢাকা, চট্রগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, খুলনা ও রংপুর)।
- এ সংস্থার সকল কারিগরি কর্মকান্ড জাতীয় বীজ নীতি-১৯৯৩, বীজ আইন- ২০১৮, বীজ বিধিমালা- ২০২০ এবং জাতীয় বীজ বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী সরকারিভাবে উৎপাদিত ও নিয়ন্ত্রিত ফসল যেমন- ধান, গম, পাট ও আলু বীজের প্রত্যয়নপূর্বক মান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে।

উৎস: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী ওয়েবসাইট।
.
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, কোনটি অগ্রাধিকার শিল্প নয়?
  1. পর্যটন শিল্প
  2. উইন্ড মিল
  3. রাবার শিল্প
  4. হোম টেক্সটাইল শিল্প
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, অগ্রাধিকার শিল্প নয় রাবার শিল্প।

অগ্রাধিকার শিল্প
:
- 'অগ্রাধিকার শিল্প (Priority Sector)' বলতে সে সমস্ত শিল্প গণ্য হবে যে শিল্পখাতগুলো বিকাশমান এবং ক্রমবর্ধমানভাবে দেশের সামগ্রিক রপ্তানিতে অবদান রাখার সম্ভাবনা রয়েছে।
- কোন কোন শিল্পখাত/শিল্প উপ-খাত অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাত/উপ-খাত হিসেবে চিহ্নিত হবে তা সময়ে সময়ে সরকার কর্তৃক ঘোষিত হবে।

⇒ অগ্রাধিকার প্রাপ্ত শিল্পখাতসমূহ:
- বৈদেশিক কর্মসংস্থান, পরিবেশসম্মত জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, পর্যটন শিল্প, হোম টেক্সটাইল শিল্প, উইন্ড মিল, ভেষজ ঔষধ শিল্প, হাসপাতাল ও ক্লিনিক, এলইডি, সিএফএল বাল্ব উৎপাদন, চা শিল্প, বীজ শিল্প, প্রসাধনী ও টয়লেট্রিজ, সিমেন্ট শিল্প, লজিস্টিকস শিল্প খাত।

অন্যদিকে,
⇒ বিশেষ উন্নয়নমূলক শিল্পখাত:
- ইলেকট্রিক ও ইলেক্টনিক শিল্প; সিরামিক শিল্প; মৎস্য শিল্প; প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং শিল্প; জুয়েলারি শিল্প; পেপার ও পেপার প্রোডাক্টস; রাবার শিল্প; রেশম শিল্প; হস্ত ও কারু শিল্প তাঁতজাত শিল্প; সোলার এনার্জি; কাজুবাদাম (কাঁচা এবং প্রক্রিয়াকৃত); জীবন্ত ও প্রক্রিয়াজাত কাঁকড়া; খেলনা শিল্প; আগর শিল্প। হালাল মাংস ও মাংসজাত পণ্য এবং অন্যান্য হালাল পণ্য, রিসাইকেল্ডড পণ্য।

উৎস: জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২।
.
ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কী?
  1. টিএসপি
  2. ডিএপি
  3. অ্যামোনিয়াম সালফেট
  4. ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম ইউরিয়া।
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজরা ফ্যাক্টরি লিঃ এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ কারখানা ২টির স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বার্ষিক ৯,২৪,০০০ (নয় লক্ষ চব্বিশ হাজার) মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে “ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প” শীর্ষক প্রকল্পটি ১২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক উদ্ধোধন করা হয়।
- বর্তমানে কারখানার উৎপাদন চালু আছে।

উল্লেখ্য,
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- বিসিক জানায়, ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে এবং কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
.
কৃষিজ রবি মৌসুম কোনটি?
  1. শ্রাবণ থেকে আশ্বিন
  2. চৈত্র থেকে আষাঢ়
  3. কার্তিক থেকে ফাল্গুন
  4. ভাদ্র থেকে আশ্বিন
ব্যাখ্যা
কৃষিজ রবি মৌসুম কার্তিক থেকে ফাল্গুন।

কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:
⇒ রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য। কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম। অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে রবি শস্য বপন করা হয়। কম তাপমাত্রায় বপন করা হয়। ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

⇒ খরিপ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য। চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।
- খরিপ মৌসুমকে আবার দু ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন- খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুম।
- যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা, আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
.
আইলসা ও চমক কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. বেগুন
  2. টমেটো
  3. আলু
  4. ধান
ব্যাখ্যা
আইলসা ও চমক আলুর উন্নত জাত।

আলু:
- আলু বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফসল।
- আলু একটি স্টার্চ প্রধান খাদ্য এবং ভাতের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
- আলু চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।
- ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত যেসব উন্নত জাতের আলুর চাষ হচ্ছে তার মধ্যে হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।
- এগুলো সবই উচ্চফলনশীল জাত।

এছাড়াও,
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
.
ডিএসই এর প্রধান সূচক কোনটি?
  1. DSEX Index
  2. DSES Index
  3. DS30 Index
  4. বর্নিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

⇒ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ে সূচক পদ্ধতি অবলম্বন করে।
- সাধারণ শেয়ার বাজারের গতি বা সার্বিক অবস্থা বোঝার জন্য সূচক ব্যবহার করা হয়।

• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এর ইনডেক্স:
- DSEX Index,
- DSES Index,
- DS30 Index.

উল্লেখ্য,
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- এটি শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

উৎস: DSE ওয়েবসাইট।
১০.
'বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী'-এর সংক্ষিপ্তরূপ কোনটি?
  1. ADP
  2. GDP
  3. GNI
  4. GNP
ব্যাখ্যা
ADP:
- ADP-এর পূর্ণরূপ: Annual Development Programme বা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি।
- ২০২৫-২৬ বাজেট অনুসারে, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৩০,০০০ কোটি টাকা।

⇒ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) কোনো একটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় প্রক্ষেপিত সরকারি খাতের উন্নয়ন নীতিমালা, কর্মসূচি, বিনিয়োগ এবং লক্ষ্যমাত্রাসমূহ পরিচালনা ও অর্জনের জন্য ঐ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার কোন একটি নির্দিষ্ট বছরে বাস্তবায়নযোগ্য বিভিন্ন খাতের প্রকল্পসমূহের তালিকা এবং তাদের জন্য আর্থিক বরাদ্দসহ প্রণীত কর্মসূচি। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী প্রতিটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকে লক্ষ্য অর্জনের সুবিধার্থে পাঁচটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বিভক্ত করা হয় এবং প্রত্যেকটি প্রকল্পের জন্য স্থানীয় ও বৈদেশিক উভয় মুদ্রায় বরাদ্দ রাখা হয়।
- প্রতি বছরের এডিপি সে বছরের জন্য জাতীয় সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত উন্নয়ন বাজেটের ভিত্তিতে প্রণীত হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ জিএনপি বা মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP or Gross National Product):
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত: এক বছরে একটি দেশে যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম উৎপাদিত হয় তার সমষ্টি হলো মোট জাতীয় উৎপাদন। মোট উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রি ও সেবাকর্মকে তাদের গড় মূল্য দিয়ে গুণ করলে পাওয়া যায় জিএনপি। 

⇒ নীট জাতীয় উৎপাদন (Net National Prduct or NNP):
- মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন। মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়। এর ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে। দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য কর্তন করতে হয়। একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে। 

⇒ Gross Domestic Product (GDP):
- একটি দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমারেখার মধ্যে দেশে অবস্থিত সকল ব্যক্তিবর্গ (দেশি ও বিদেশি) প্রাপ্ত সম্পদ ব্যবহার করে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে। অর্থাৎ, জিডিপি তে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত সকল দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্মের মূল্য হিসাব করা হয়। 

⇒ নীট দেশজ উৎপাদন (Net Domestic Product or NDP)
- নীট দেশজ উৎপাদন মোট দেশজ উৎপাদনের একটি অংশ। মোট দেশজ উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে যা পাওয়া যায় তা হলো নীট দেশজ উৎপাদন।

উৎস: i) জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
গ্রামীণ ব্যাংক কত সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- এটি ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা বর্তমান অন্তর্বর্তি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উৎস: i) গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BBC.
১২.
বাংলাদেশে প্রথম ট্যানারি স্থাপন করেন কে?
  1. শিশির কুমার ঘোষ
  2. কাঙাল হরিনাথ মজুমদার
  3. রণদাপ্রসাদ সাহা
  4. সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী
ব্যাখ্যা
ট্যানারি শিল্প:
- ট্যানারি শিল্প বলতে চামড়া পাকা করা বা প্রক্রিয়াজাত করা হয়, এমন কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়।
- ট্যানারিতে পশুর কাঁচা চামড়া পাকা করার পর জুতা, ব্যাগ, স্যুটকেস, বেল্ট, মানিব্যাগ, জ্যাকেট ইত্যাদি উৎপাদনের উপযোগী চামড়া তৈরি করা হয়।
- এ অঞ্চলে ১৯৪০ সালে নারায়ণগঞ্জে প্রথম ট্যানারি স্থাপন করেন রণদাপ্রসাদ সাহা।
- পরবর্তীকালে ট্যানারিটি ঢাকার হাজারীবাগে স্থানান্তর করা হয়।
- এই ট্যানারিকে কেন্দ্র করেই হাজারীবাগ এলাকায় অনেক ট্যানারি গড়ে ওঠে।
- দেশ বিভাগের আগ পর্যন্ত পূর্ববঙ্গে উৎপাদিত সব কাঁচা চামড়া পশ্চিম বাংলায় বিশেষত কলকাতায় রপ্তানি হতো।
- ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্প জনবহুল হাজারীবাগ এলাকা থেকে সাভারে নিজস্ব শিল্পনগরীতে স্থানান্তর করা হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC.
১৩.
বাংলাদেশের জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস কোন তারিখে উদযাপিত হয়?
  1. ৩০ জুন
  2. ৭ জুলাই
  3. ১১ জুলাই
  4. ২৩ জুলাই
ব্যাখ্যা
জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস:
- ২৩ জুলাই বাংলাদেশের জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস উদযাপিত হয়।

⇒ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে প্রবেশকালে কর্মকর্তাদের ধারণা দেওয়া হয়-সিভিল সার্ভিসের জন্য জনগণ নয়, বরং জনগণের জন্যই সিভিল সার্ভিস। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, জননিরাপত্তা বিধান, পাবলিক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ, জনস্বাস্থ্য রক্ষা, ভূমি প্রশাসন, কৃষি উন্নয়ন, প্রকল্প বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, জনসংযোগ, পরিবেশ সংরক্ষণ, রাজস্ব আদায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, ভেজাল খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি জনপ্রশাসনের মূল কর্মকাণ্ড। এসব দায়িত্ব পালনের পেছনে সততা, মেধা ও দক্ষতাই সিভিল সার্ভিস সদস্যদের শক্তি ও প্রেরণার উৎস। প্রশাসন মানে শুধু কর্তৃত্ব আরোপ বা নিয়ন্ত্রণ নয়, এর সমান্তরালে ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও অপরিহার্য। প্রশাসন-সুবিধাভোগীরা সমান্তরালে চলবেন। ২৩ জুন ‘আন্তর্জাতিক জনসেবা দিবস’। বিশ্বব্যাপী সিভিল সার্ভিস সদস্যদের জন্যই এ দিবস। সিভিল সার্ভিস হোক সেবামুখী ও জনমুখী-এ প্রত্যাশায় জাতিসংঘের উদ্যোগে সারা বিশ্বে দিবসটি উদযাপিত হয়ে থাকে। এ দিবস থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েই বাংলাদেশে জাতীয় পাবলিক সার্ভিস ডে পালন করা হচ্ছে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) যুগান্তর।
১৪.
Bkash কোন ব্যাংকের জয়েন্ট ভেঞ্চার হিসেবে কাজ করে?
  1. ডাচ-বাংলা ব্যাংক
  2. ব্র্যাক ব্যাংক
  3. মার্কেন্টাইল ব্যাংক
  4. সিটি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
Bkash ব্র্যাক ব্যাংকের জয়েন্ট ভেঞ্চার হিসেবে কাজ করে।

বিকাশ (Bkash):

- Bkash-এর যাত্রা শুরু ২০১১ সালে।
- ব্র্যাক ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানি ইন মোশন এলএলসি, বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের অন্তর্গত ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন, গেটস ফাউন্ডেশন, অ্যান্ট ইন্টারন্যাশনাল এবং সফটব্যাংক-এর যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বিকাশ, ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ন্ত্রিত পেমেন্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল আর্থিক সেবা দিয়ে আসছে।

⇒ দেশজুড়ে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার এজেন্ট ও ৫ লাখ ৫০ হাজার মার্চেন্টের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন ধরনের সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বিকাশ একটি ক্যাশলেস ডিজিটাল আর্থিক ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখছে। ফলে, প্রায় ৮ কোটি গ্রাহকের আস্থা নিয়ে বিকাশ এখন প্রতিদিনের সঙ্গী।
- বাংলাদেশের ফিনটেক খাতে অগ্রগামী ভূমিকা রাখায় বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট-২০২৩ এ ‘ফিনটেক পাইওনিয়ার’ সম্মাননায় ভূষিত হয় বিকাশ।

উৎস: বিকাশ ওয়েবসাইট।
১৫.
বাংলাদেশে কত সালে প্রথম কাগজকল স্থাপিত হয়?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম কাগজকল:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর ১৯৫৩ সালে চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনায় প্রথম ‘কর্ণফুলী কাগজকল’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এরপর স্থাপিত হয় খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল ও পাবনায় নর্থ বেঙ্গল পেপার মিল।
- বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি মিলে পঞ্চাশের অধিক কাগজকল রয়েছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বসুন্ধরা পেপার মিল, সোনালি পেপার মিল, হাশেম পেপার ও পাল্প মিল, হোসেন পেপার মিল, পার্ল পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস, সাদেক পেপার মিল ইত্যাদি। বেসরকারি বেশ কিছু কারখানায় প্রধানত আমদানি করা রাসায়নিক মণ্ড ব্যবহার করে উন্নত মানের কাগজ তৈরি করা হয়।
- আমাদের দেশে মূলত লেখার কাগজ, ছাপার কাগজ, নিউজপ্রিন্ট ও প্যাকেজিং জাতীয় কাগজ-এই চার ধরনের কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এর মধ্যে নিউজপ্রিন্ট সবচেয়ে সস্তা ও কম টেকসই।

উল্লেখ্য,
⇒ কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড:
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কর্ণফূলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল বাঁশ।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ উৎপাদনকারী কোম্পানি।

উৎস: i) বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
ii)  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, পঞ্চম শ্রেণি।
১৬.
মানচিত্রখচিত বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার নকশাকার ছিলেন -
  1. কামরুল হাসান
  2. মোস্তফা মনোয়ার
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. শিব নারায়ণ দাস
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- আয়তাকার এই পতাকার অনুপাত হচ্ছে অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

⇒ ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রনেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে পতাকা উত্তোলন করেন সে পতাকার আদলে মুজিবনগর সরকার জাতীয় পতাকার নমুনা নির্ধারণ করেন।
- শিবনারায়ণ দাস মানচিত্রখচিত বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।
- তিনি একজন ছাত্রনেতা ও স্বভাব আঁকিয়ে ছিলেন।
- ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলের (বর্তমান শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ১১৬ নং কক্ষে রাত এগারটার পর পুরো পতাকার নকশা সম্পন্ন করেন।

উল্লেখ্য,
- পরবর্তীতে, ১৯৭২ সালে তৎকালীন সরকারের নির্দেশে কামরুল হাসান এই পতাকার নকশার মানচিত্রটি বাদ দিয়ে বর্তমান রূপ দেন।

উৎস: i) স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
ii)  প্রথম আলো।
১৭.
নিম্নলিখিত কোন ব্যাংকটি দ্য মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক এবং দ্য স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক থেকে পুনর্গঠিত হয়েছিল?
  1. Sonali Bank PLC
  2. Janata Bank PLC
  3. Rupali Bank PLC
  4. Jamuna Bank PLC
ব্যাখ্যা

Rupali Bank PLC:
- বাংলাদেশ ব্যাংক (জাতীয়করণ) আদেশ ১৯৭২ (১৯৭২ সালের পিও নং ২৬) এর অধীনে ২৬ মার্চ, ১৯৭২ সালে তৎকালীন পাকিস্তানে পরিচালিত ৩টি পূর্বতন বাণিজ্যিক ব্যাংক যথা: মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, অস্ট্রেলিয়া ব্যাংক লিমিটেড এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের একীভূতকরণের মাধ্যমে রূপালী ব্যাংক গঠিত হয়।
- রূপালী ব্যাংক ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৮৬ পর্যন্ত একটি জাতীয়করণকৃত বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে কাজ করে।
- রূপালী ব্যাংক পিএলসি ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৬ সালে দেশের বৃহত্তম পাবলিক লিমিটেড ব্যাংকিং কোম্পানি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা পাকিস্তান হতে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ১,১৩০টি শাখা নিয়ে এর কার্যক্রম শুরু করে। স্বাধীন বাংলাদেশের সরকার বিদেশি ব্যাংক ব্যতীত বাংলাদেশে কার্যরত সকল পাকিস্তানি মালিকানাধীন ব্যাংকসমূহ অধিগ্রহণ করে। অতঃপর ১৯৭২ সালের ব্যাংক জাতীয়করণ আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশি মালিকানাধীন ২টি ব্যাংকসহ অধিকৃত ১০টি পাকিস্তানি ব্যাংকের সমন্বয়/একত্রীকরণের মাধ্যমে ৬টি স্বতন্ত্র ব্যাংক গঠন করে। সেগুলিকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- নতুন নামকরণকৃত ও পুনর্গঠিত ব্যাংকগুলি হচ্ছে: সোনালী ব্যাংক (দ্য ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, দ্য ব্যাংক অব বাহওয়ালপুর, দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক), অগ্রণী ব্যাংক (হাবিব ব্যাংক, কমার্স ব্যাংক), জনতা ব্যাংক (দ্য ইউনাইটেড ব্যাংক, দ্য ইউনিয়ন ব্যাংক), রূপালী ব্যাংক (দ্য মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক, দ্য স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক), পূবালী ব্যাংক (দ্য অস্ট্রেলেশিয়া ব্যাংক, দ্য ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক) এবং উত্তরা ব্যাংক (দ্য ইস্টার্ন ব্যাংকিং কর্পোরেশন)।

উৎস: i) Rupali Bank PLC.
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৮.
বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বনাম কী?
  1. State Bank of Pakistan
  2. Federal Bank of Pakistan
  3. National Bank of Pakistan
  4. Reserve Bank of Pakistan
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বনাম State Bank of Pakistan।

⇒ স্বাধীন বাংলাদেশের বিজয় দিবস ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকেই বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক 'বাংলাদেশ ব্যাংক' এর যাত্রা শুরু। ১৯৭১ সালের ২৬ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশ (বাংলাদেশ ব্যাংক টেম্পরারি অর্ডার) বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গঠন করা হয়। স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের ঢাকা শাখার সকল দায় ও পরিসম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হয়।

⇒ স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের নীতিনির্ধারণী কাজ, মুদ্রাবিষয়ক ব্যাংকিং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজ হতো পশ্চিম পাকিস্তানের করাচিতে।
- এ অবস্থায় পুরো ব্যাংকব্যবস্থা পুনর্বাসন ও অর্থনৈতিক গতি চালু করতে ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতি আদেশ-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক গঠন করা হয়।
- এ আদেশ কার্যকর করা হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ থেকে।
- সাবেক স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের ঢাকাস্থ ডিজি অফিসের স্থলে 'বাংলাদেশ ব্যাংক' এর প্রধান কার্যালয় স্থাপিত হয়।
- ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকস (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির ২৬ নম্বর আদেশ) অনুসারে ব্যাংক জাতীয়করণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৯.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার কোন সাল থেকে প্রদান করা হয়?
  1. ১৯৭৬ সাল
  2. ১৯৭৭ সাল
  3. ১৯৭৮ সাল
  4. ১৯৭৯ সাল
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পদক:
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- এ পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রগুলি হলো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্মরণীয় অবদান, ভাষা আন্দোলনে অবদান, শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, জনসেবা, সামাজিক বিজ্ঞান, সঙ্গীত, ক্রীড়া, চারুকলা ও পল্লী উন্নয়নে অবদান।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং নগদ অর্থ।
- স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
২০.
বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে কয়টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।
২১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশে মোট আবাদী জমির পরিমাণ -
  1. ৮০.২৮ লক্ষ হেক্টর
  2. ৮২.৩২ লক্ষ হেক্টর
  3. ৮০.৪২ লক্ষ হেক্টর
  4. ৮২.৬৪ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা
এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- বনাবচল: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
২২.
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত হবে -
  1. ৫ আগস্ট
  2. ৬ আগস্ট
  3. ৭ আগস্ট
  4. ৮ আগস্ট
ব্যাখ্যা
জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস:
- ৫ আগস্ট 'জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস' হিসেবে পালিত হবে।
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ৫ আগস্টকে 'জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস' ও ১৬ই জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

⇒ ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দিন ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস’ ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- গণ-আন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদের নিহত হওয়ার দিন ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ ঘোষণা করা হয়েছে।
- ২৫ জুন, ২০২৫ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ–সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
- ৫ আগস্ট জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত এবং অপর দিবস ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে বলে তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
২৩.
বাংলাদেশে 'The Bay of Bengal Industrial Growth Belt (BIG-B)' সহযোগিতার উদ্যোক্তা দেশ কোনটি?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. জাপান
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
The Bay of Bengal Industrial Growth Belt (BIG-B):
- বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে জাপান সরকারের প্রস্তাবিত বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ (বিগ-বি) ইনিশিয়েটিভ বিগ-বি নামে পরিচিত।
- এটি ২০১৪ সালে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টোকিও সম্মেলনে প্রথম প্রস্তাবিত হয়।
- এই উদ্যোগটি "Japan-Bangladesh Comprehensive Partnership"-এর অধীনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছিল।

⇒ BIG-B উদ্যোগের অধীনে জাপানের সহায়তায় বাংলাদেশে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে:
- মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর,
- মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র,
- ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (মেট্রো রেল),
- ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলীয় হাইওয়ে,
- চট্টগ্রামে অবকাঠামো উন্নয়ন ইত্যাদি।

উৎস: i) JICA.
ii) প্রথম আলো।
২৪.
বিশ্বে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান কত? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
পোশাক রপ্তানিকারক দেশ:
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস: কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস ইন ২০২৪’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুসারে, চীনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।

⇒ পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষ দেশ চীন।
- পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।
- বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া তৈরি পোশাকের ৬৯ শতাংশেরই গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলো।
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের শীর্ষ গন্তব্যগুলো হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, স্পেন, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, ইতালি, কানাডা ও জাপান। প্রতিটি বাজারে ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়।
- একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ:
১. চীন,
২. বাংলাদেশ,
৩. ভিয়েতনাম।

উৎস: i) WTO ওয়েবসাইট।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো।
২৫.
MFS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Mobile Financial Services
  2. Mutual Fund Service
  3. Mobile File System
  4. Mobile Fund Services
ব্যাখ্যা
MFS:
- MFS-এর পূর্ণরূপ: Mobile Financial Services.
- Mobile Financial Services হচ্ছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন সেবা।
- মোবাইল নম্বরের বিপরীতে অর্থ লেনদেনের জন্য যে একাউন্ট খোলা হয় তাই MFS হিসাব, যেখানে গ্রাহকের টাকা ইলেকট্রনিক উপায়ে জমা থাকে।
- এটা গ্রাহকদেরকে ব্যাংকিং কার্যক্রমের সাথে মোবাইল নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সেবা দিয়ে থাকে।
- একজন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী ব্যাংকে না গিয়ে বাড়িতে বসে প্রয়োজনীয় আর্থিক লেনদেন সম্পাদন করতে পারেন।
- বাংলাদেশে অনেক মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেমন, বিকাশ, নগদ, উপায়, রকেট, বিনিময় ইত্যাদি।

⇒ এই সেবার মাধ্যমে নিজের MFS একাউন্টে নগদ টাকা জমা করা যায়।
- নিজের একাউন্ট হতে অন্যের MFS একাউন্টে টাকা পাঠানো যায়।
- MFS একাউন্টে জমানো টাকা দিয়ে যে কোন পণ্য ও সেবা কেনাকাটা করা যায়; বিদ্যুৎ গ্যাস পানির বিল, টিউশান ফি ইত্যাদি পরিশোধ করা যায় এবং প্রয়োজনে MFS একাউন্টে জমাকৃত টাকা তোলা যায়।

উৎস: i) Bangladesh Bank.
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
২৬.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের পরিমাণ কত?
  1. ৪২.৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৪৪.৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৪৬.২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৪৮.২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের পরিমাণ:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি আয় ৮.৫৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।
- এ সময়ে মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪৮.২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) আজ প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি আয় ছিল ৪৪.৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: i) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট। [link]
iii) প্রথম আলো।