পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

পরীক্ষাপ্রাইমারি ডেইলি কুইজতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়05 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪৩: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: সরকারি ও বেসরকারি লক্ষ্য, নীতি, পরিকল্পনা (অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা), কর্মসূচি, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও পররাষ্ট্র নীতি। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্যবাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ কত সালে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ এ আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেয়?
  1. ২০১৩ সাল
  2. ২০১৫ সাল
  3. ২০১৬ সাল
  4. ২০১৭ সাল
ব্যাখ্যা
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI):
- বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)পরিকল্পনা হলো চীন প্রবর্তিত একটি মহাপরিকল্পনা।
- ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রথম এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রকাশ করেন।
- এ প্রকল্পকে ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড কিংবা নিউ সিল্ক রোড নামেও অভিহিত করা হয়।
- উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ উদ্যোগের বিশাল সংগ্রহ মূলত ভৌত অবকাঠামোর মাধ্যমে পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপকে সংযুক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল এই উদ্যোগ।
- ২০১৬ সালের অক্টোবরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিং পিং এর ঢাকা সফরের সময় আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ যোগ দেয়।

উল্লেখ্য,
- চীন প্রবর্তিত 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)' কে মোকাবিলা করতে জি৭ভুক্ত দেশসমূহ নতুন যে পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, তার নাম PGII.
- PGII এর পূর্ণরূপ - Partnership for Global Infrastructure and Investment.
- চীনকে মোকাবিলায় বৈশ্বিক অবকাঠামো ও বিনিয়োগ অংশীদ্বারিত্ব (PGII) প্রকল্প গ্রহণকারী সংস্থার নাম – G7।
- ৪৮তম জি-৭ (গ্রুপ অব সেভেন) শীর্ষ সম্মেলন ২০২২ সালের ২৬-২৮ জুন জার্মানির ব্যাভারিয়ান রাজ্যের শ্লোস এলমাই শহরে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: Britannica. 
বিবিসি বাংলা।
.
বাংলাদেশ এসডিজির কয়টি সূচকের একটি সেট অগ্রাধিকারভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে নির্বাচন করেছে?
  1. ১৯টি
  2. ২৯টি
  3. ৩৯টি
  4. ৪৯টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জন্য এসডিজির অগ্রাধিকারভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রা:
- সম্ভাব্য স্বল্প সময়ে কাউকে পেছনে না রেখে বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি ওয়ার্কিং কমিটির নির্দেশে ৩৯টি সূচকের একটি সেট নির্বাচন করা হয়েছে। 
- এই সূচকের অধীনে, বৈশ্বিক টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা থেকে কিছু সূচক নির্বাচন করা হয়।
- কিছু সূচক বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে পরিবর্তনের পর নির্বাচন করা হয়।
- সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত।

উৎস: SDG Tracker বাংলাদেশ। (Link: Click to Visit Website)
.
মুহাম্মদ ইউনূস প্রবর্তিত সামাজিক ব্যবসার মূল লক্ষ্য কী?
  1. ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জন
  2. সামাজিক সমস্যার সমাধান
  3. বৈশ্বিক বাজার দখল
  4. প্রযুক্তি উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
সামাজিক ব্যবসা: 
- মুহাম্মদ ইউনূস প্রবর্তিত সামাজিক ব্যবসা হলো একটি নতুন ব্যবসার ধারণা, যেখানে মূল লক্ষ্য মুনাফা নয়, বরং সামাজিক সমস্যার সমাধান।
- এ ধরনের ব্যবসা মুনাফা অর্জন করে, কিন্তু মালিক সেই মুনাফা গ্রহণ করে না; বরং বিনিয়োগ ফেরত পেলে বাকি মুনাফা ব্যবহার হয় সামাজিক কল্যাণে।
- সামাজিক ব্যবসা প্রচলিত পুঁজিবাদের একমাত্র মুনাফাকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করে।
- এটি মানবপ্রকৃতির নিঃস্বার্থ দিকটিকে সামনে এনে সমস্যার টেকসই সমাধানের পথ তৈরি করে।
- বিশ্বজুড়ে সামাজিক ব্যবসার প্রসার ঘটছে, যেমন: বাংলাদেশ, চীন, জার্মানি, ভারতসহ বহু দেশে।
- ইউনূস সেন্টার ‘সোশ্যাল বিজনেস ডিজাইন ল্যাব’ আয়োজনের মাধ্যমে সামাজিক ব্যবসার প্রকল্প তৈরি ও বাস্তবায়নে কাজ করছে।
- ড. ইউনূস বলেন, ক্ষুদ্রঋণ নিজেই একটি সামাজিক ব্যবসা। তিনি বিশ্বাস করেন, সফল সামাজিক ব্যবসা টিকে থাকবে এবং ভবিষ্যতে এর প্রসার ঘটবে।
- ড. ইউনূসের মতে, সামাজিক ব্যবসা এমন একটি মডেল যেখানে ব্যবসা লোকসান ছাড়াই মুনাফা অর্জন করে, তবে সেই মুনাফা সমাজের উন্নয়নে ব্যয় হয়।
- উদাহরণ: গ্রামীণ ড্যানোন—ফরাসি প্রতিষ্ঠান ড্যানোনের সঙ্গে গ্রামীনের যৌথ উদ্যোগ। এটি গ্রামের দুগ্ধ খামারিদের কাছ থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করে, গ্রামীণ নারীদের মাধ্যমে বাজারজাত করে এবং কম মূল্যে দই বিক্রি করে।

বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
- মূল লক্ষ্য: দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও অন্যান্য সামাজিক সমস্যা সমাধান।
- মুনাফার ব্যবহার: সেবার মান উন্নয়ন ও বিস্তারে।
- টেকসই পদ্ধতি: দানের পরিবর্তে পুনর্ব্যবহারযোগ্য বিনিয়োগ।

সামাজিক ব্যবসা দিবস উদযাপন: 
- ২৮ জুন ২০১১ তারিখে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ইউনূস সেন্টারের উদ্যোগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সামাজিক ব্যবসা দিবস পালিত হয়।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
প্রথম আলো।
.
BIG-B প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সহায়তা দেয় কোন দেশ?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
The Bay of Bengal Industrial Growth Belt (BIG-B): 
- BIG-B প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সহায়তা দেয় জাপান। 

- ২০১৪ সাল বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর।
- ওই বছরে টোকিওতে অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে "জাপান-বাংলাদেশ সমন্বিত অংশীদারিত্ব" প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেওয়া হয়।
- জাপান বাংলাদেশকে উন্নয়ন প্রকল্পে ৬০০ বিলিয়ন ইয়েন (প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- এরপর প্রধানমন্ত্রী আবে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ সফরে (BIG-B) উদ্যোগকে অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন দিক হিসেবে চিহ্নিত করেন।
- জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (JICA) BIG-B উদ্যোগ বাস্তবায়নে কৌশলগত প্রকল্প গ্রহণ ও কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য পূর্ণ সহযোগিতা দিচ্ছে।

BIG-B এর ধারণা:
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান বঙ্গোপসাগরের তীরে এবং দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে।
- এই অবস্থান দেশটিকে আঞ্চলিক এবং আন্তঃআঞ্চলিক অর্থনীতির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার একক সুযোগ এনে দেয়।
- BIG-B উদ্যোগটি ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার শিল্পাঞ্চলের দ্রুত উন্নয়ন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি, এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করবে।

উদ্দেশ্য ও সম্ভাবনা:
- জাপানের উন্নত প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে পারস্পরিক লাভবান হওয়া।
- বাংলাদেশকে আঞ্চলিক অর্থনীতির কেন্দ্র এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তোলা।
- দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বৃদ্ধি করা।

উৎস: JICA ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য নয় কোনটি?
  1. আত্মরক্ষা
  2. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
  3. বৈশ্বিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা
  4. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা
পররাষ্ট্রনীতি (Foreign Policy):
- পররাষ্ট্রনীতি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতির সম্প্রসারণ।
- পররাষ্ট্রনীতি হলো কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের গৃহীত সেসব নীতি যা রাষ্ট্র তার রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদন করে থাকে। 

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যসমূহ: 

১. আত্মরক্ষা। 
২. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।  
৩. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় নিজের জাতীয় শক্তিকে রক্ষা ও প্রয়োজনে বৃদ্ধি করা।  
৪. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা।  
৫. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা। 

উৎস: সিভিক এডুকেশন-২, বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই কিন্তু বানিজ্যিক সম্পর্ক আছে কোন দেশের? 
  1. চীন
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ভুটান
  4. তাইওয়ান
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক সম্পর্ক:
- তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই তবে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
- চীনের আপত্তির কারণে তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠেনি।
- এর পেছনে কারণ হচ্ছে 'একচীন' নীতি।
- তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে,
- চীন ও যুক্তরাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
- ইসরাইলের সাথে বাংলাদেশের কোন প্রকার সম্পর্ক নেই।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের জাতীয় স্বাস্থ্য নীতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য কী?
  1. বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান
  2. সরকারি হাসপাতাল বৃদ্ধি
  3. প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা
  4. আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি চালু করা
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্বাস্থ্যনীতির উদ্দেশ্য হচ্ছে:
- সবার জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা;
- সমতার ভিত্তিতে সেবা গ্রহীতা কেন্দ্রিক মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবার সহজপ্রাপ্যতা বৃদ্ধি ও বিস্তার করা;
- রোগ প্রতিরোধ ও সীমিতকরণের জন্য সেবা গ্রহণে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা।
- জনগণের নিজ পকেট হতে স্বাস্থ্য সেবার ব্যয় কমিয়ে আনা এবং বিপর্যয়কর স্বাস্থ্য ব্যয় হতে জনগণকে সুরক্ষা দেয়া।
- সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সংবিধান অনুযায়ী ও আন্তর্জাতিক সনদসমূহ অনুসারে চিকিৎসাকে অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাও এ নীতির অন্যতম উদ্দেশ্য।

উৎস: জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি ২০১১, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।