পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৩২
সিলেবাস
বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। ২. জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। ৩. স্বাধীনতা ও অন্যান্য আন্দোলন সংগ্রাম সংশ্লিষ্ট সাহিত্য ও চলচ্চিত্র। উৎস: বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, দৈনিক পত্রিকা এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] ----------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৩২ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ কততম ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল?
  1. ৭ম
  2. ৮ম
  3. ৯ম
  4. ১০ম
সঠিক উত্তর:
১০ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ম
ব্যাখ্যা
বিশ্বকাপ:
- সপ্তম বিশ্বকাপ (১৯৯৯ সাল): আয়োজক ছিল ইংল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড। এই বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ। ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয় করে অস্ট্রেলিয়া।

- অষ্টম বিশ্বকাপ (২০০৩ সাল): যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়ায়। ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে তৃতীয়বার শিরোপা জেতে অস্ট্রেলিয়া।

- নবম বিশ্বকাপ (২০০৭ সাল): আয়োজক ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ৪র্থ বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ড গড়ে অস্ট্রেলিয়া। 

- দশম বিশ্বকাপ (২০১১ সাল): আয়োজক ছিল ভারত, বাংলাদেশ ও  শ্রীলঙ্কা। এই বিশ্বকাপেই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো আয়োজক দেশ হওয়ার সুযোগ পায়। ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শিরোপা জেতে ভারত।

উৎস: ICC ওয়েবসাইট।
.
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'আগামী'-এর নির্মাতা কে?
  1. মোস্তফা কামাল
  2. মোরশেদুল ইসলাম
  3. হাবিবুল ইসলাম হাবিব
  4. এনায়েত করিম বাবুল
সঠিক উত্তর:
মোরশেদুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র আগামী।
- চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন মোরশেদুল ইসলাম।
- এটি ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
.
২০২৫ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের কততম আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ৯তম
  2. ১০তম
  3. ১১তম
  4. ১২তম
সঠিক উত্তর:
১১তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-২০২৫:
- ২০২৫ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১১তম আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) এই লিগের আয়োজন করে।

উল্লেখ্য,
- অংশগ্রহণকারী দল: ৭টি।
- চ্যাম্পিয়ন: ফরচুন বরিশাল।
- রানার্সআপ: চিটাগাং কিংস।
- টুর্নামেন্ট সেরা: মেহেদী হাসান মিরাজ (খুলনা টাইগার্স)।
- সর্বাধিক উইকেটধারী: তাসকিন আহমেদ (২৫) (দুর্বার রাজশাহী)।
- সর্বাধিক রান সংগ্রহকারী: মোহাম্মদ নাইম (৫১১) (খুলনা টাইগার্স)।

উৎস: Bangladesh Premier League ওয়েবসাইট।
.
তৌকির আহমেদ পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. জয়যাত্রা
  2. হাঙর নদী গ্রেনেড
  3. পতাকা
  4. প্রত্যাবর্তন
সঠিক উত্তর:
জয়যাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়যাত্রা
ব্যাখ্যা
‘জয়যাত্রা’ চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত চলচ্চিত্র জয়যাত্রা।
- ২০০৪ সালে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের বিখ্যাত সম্পাদক, কাহিনীকার ও চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন এর কাহিনী নিয়ে সংলাপ, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন তৌকির আহমেদ।
- এটি তৌকির আহমেদ পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ ভিত্তিক এই ছবিটি প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিঃ।
- চলচ্চিত্রটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিপাশা হায়াত, আজিজুল হাকিম, মাহফুজ আহমেদ, হুমায়ুন ফরীদি, তারিক আনাম খান, আবুল হায়াত, চাঁদনী।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ পরিচালক তৌকির আহমেদ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও শ্রেষ্ঠ পরিচালক ২০০৪ পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: প্রথম আলো।
.
২০২৪ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ লাভ করেন -
  1. ভীষ্মদেব চৌধুরী
  2. লাইসা আহমদ
  3. শীলা মোমেন
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০১০ সাল থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিবছর দুই বা তিনজনকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

⇒ ২০২৪ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী ও শিল্পী লাইসা আহমদ।
- কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
- বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় অবদানের জন্য অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরীকে এবং রবীন্দ্রসংগীত-চর্চায় অবদানের জন্য অধ্যাপক লাইসা আহমদ লিসাকে রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৪-এ ভূষিত করেছে।

উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
.
‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. তারেক মাসুদ
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. সেলিনা হোসেন
  4. তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
হাঙর নদী গ্রেনেড:
- সেলিনা হোসেনের গল্প অবলম্বনে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র হাঙর নদী গ্রেনেড।
- এর পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম।
- এর কাহিনিতে দেখা যায়, মুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচাতে একজন মা তার বাক্প্রতিবন্ধী ছেলেকে তুলে দেয় পাকিস্তানি মিলিটারির হাতে।

উৎস: প্রথম আলো।
.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র 'মেঘের অনেক রং' কত সালে নির্মিত হয়?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
মেঘের অনেক রং:
- মেঘের অনেক রং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন হারুনর রশীদ।
- এটি ১৯৭৬ সালে নির্মিত হয়।
- যুদ্ধের সময় রুমা নামের একজন চিকিৎসকের স্ত্রী ধর্ষণের শিকার হয়।
- এরপর সন্তানসহ কীভাবে বিরূপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়, এর মর্মস্পর্শী চিত্র রয়েছে।
- এতে অভিনয় করেছেন মাথিন, ওমর এলাহী, রওশন আরা, আদনান প্রমুখ।

উৎস: প্রথম আলো।
.
'মুক্তির গান' চলচ্চিত্রের নির্মাতা কে?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. আব্দুল জব্বার খান
  3. সমর দাস
  4. তারেক মাসুদ
সঠিক উত্তর:
তারেক মাসুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারেক মাসুদ
ব্যাখ্যা
মুক্তির গান:
- ১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত মুক্তির গান তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র।

⇒ মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা লিয়ার লেভিন ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর একটি ডকুমেন্টারি নির্মাণের অভিপ্রায়ে এদেশের একদল সাংস্কৃতিক কর্মীর সঙ্গ নেন। বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রামী শিল্পী সংস্থা নামের দলের এই সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীদের দেশাত্মবোধক ও সংগ্রামী গান শুনিয়ে উজ্জীবিত করতেন। এই শিল্পীদের সাথে থেকে লেভিন প্রায় ২০ ঘণ্টার ফুটেজ সংগ্রহ করেন। যুদ্ধের শেষ দিকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যান।
-  ১৯৯০ সালে তারেক ও ক্যাথরিন মাসুদ নিউইয়র্কে লেভিনের কাছ থেকে এই ফুটেজ সংগ্রহ করেন। এ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য তারা আরো বিভিন্ন উৎস থেকে মুক্তিযুদ্ধের নানা সংরক্ষিত উপাদান সংগ্রহ করেন, বিশ বছর আগের সেই শিল্পীদের সাথে যোগাযোগ করেন। লেভিনের কাছ থেকে প্রাপ্ত ফুটেজের সাথে সংগৃহীত অন্যান্য উপাদান যোগ করে ছবিটি নির্মিত হয়।
- এই চলচ্চিত্রটি ১৯৯৫ সালে মুক্তি পায়।

⇒ তারেক মাসুদ পরিচালিত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছ- সোনার বেড়ি, অন্তর্যাত্রা, আদম সুরত, মাটির ময়না, রানওয়ে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
কত সালে কাবাডিকে জাতীয় খেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
কাবাডি:
- বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কাবাডি। 
-  মূলত হাডুডু নামটির পোশাকি নাম কাবাডি।
- ১৯৭২ সালে কাবাডিকে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- পরের বছর ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের অপেশাদার কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- কাবাডি দেশের ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- এই খেলা গ্রামাঞ্চলে অধিকতর জনপ্রিয় হওয়ায় একে গ্রামবাংলার খেলাও বলা হয়।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় কাবাডি দলের সঙ্গে প্রথম কাবাডি টেস্ট খেলে।
- ১৯৭৮ সালে ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও বার্মার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এশিয়ান কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।
- ১৯৮০ সালে সফলভাবে প্রথম এশীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করা হয়ক এবং এতে ভারত চ্যাম্পিয়ন ও বাংলাদেশ রানার্স আপ হয়।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতায় কাবাডির অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক করেছিল।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১০.
অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী চলচ্চিত্রের নির্মাতা কে?
  1. সুভাষ মুখোপাধ্যায়
  2. খান আতাউর রহমান
  3. নারায়ণ ঘোষ মিতা
  4. নাসির উদ্দীন ইউসুফ
সঠিক উত্তর:
সুভাষ মুখোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুভাষ মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী:
- স্বাধীনতা-পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় ছবি অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী।
- সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের চলচ্চিত্র ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’।
- চলচ্চিত্রটি ১৯৭২ সালে নির্মিত হয়। 

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হলেও বিষয়বস্তুতে অনন্যসাধারণ এই চলচ্চিত্রটি।
- 'লাঞ্ছিত নারীত্বের মর্যাদা দাও, নিষ্পাপ সন্তানদের বরণ কর'- এই স্লোগানে ১৯৭২ সালে প্রখ্যাত পরিচালক সুভাষ দত্ত নির্মাণ করেন অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী চলচ্চিত্রটি।
- ছবিটি মূলত একজন অভিনেতাকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে; যিনি যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে রক্ষা পেতে পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যান।
- এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন ববিতা, উজ্জল, আনোয়ার হোসেনসহ আরো অনেকে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) কালের কন্ঠ।
১১.
২০২৫ সালে কতজন নারী 'অদম্য নারী পুরস্কার' লাভ করেন?
  1. ৪ জন
  2. ৫ জন
  3. ৬ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
'অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫:
- ২০২৫ সালের ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশের অদম্য নারীদের হাতে ‘অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৪’ সম্মাননা তুলে দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- পাঁচজন নারী ও বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল পেয়েছেন ‘অদম্য নারী পুরস্কার- ২০২৫’।

⇒ ২০২৫ সালে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছে:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল,
- অর্থনীতিতে অবদানে শরিফা সুলতানা,
- শিক্ষা ও চাকরিতে হালিমা বেগম,
- সফল জননী নারী মেরিনা বেসরা,
- জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী লিপি বেগম,
- সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানে মো. মুহিন (মোহনা)।

উৎস: i) মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) The Daily Star Bangla.
১২.
ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস 'ওঙ্কার'-এর রচয়িতা কে?
  1. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  2. আহমদ ছফা
  3. আনোয়ার পাশা
  4. শওকত ওসমান
সঠিক উত্তর:
আহমদ ছফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহমদ ছফা
ব্যাখ্যা
ওঙ্কার (১৯৭৫):
- ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস ওঙ্কার।
- উপন্যাসটির রচয়িতা আহমদ ছফা।
- এটি আহমদ ছফার দ্বিতীয় উপন্যাস।

উল্লেখ্য,
- এ উপন্যাসের ঘটনাপ্রবাহ বর্ণিত হয়েছে একজন কথকের উক্তিতে।
- ৩৮ পৃষ্ঠার এই ছোট্ট উপন্যাসটি উঠে এসেছে '৬৯ এর পাকিস্তান আমলের সমাজচিত্রের ক্যানভাস ও সামাজিক অসংগতি এবং মনস্তাত্ত্বিক খেলা।
- আহমদ ছফার এ উপন্যাসে সমকালীন উত্তাপই শুধু নয় সমকালের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করার শৈল্পিক সাধনাও প্রকাশ পেয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।
১৩.
২০২৪ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার লাভ করেন -
  1. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
  2. রাজিয়া সুলতানা
  3. মোমেনা খাতুন
  4. আহমদ রফিক
সঠিক উত্তর:
রাজিয়া সুলতানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজিয়া সুলতানা
ব্যাখ্যা
নজরুল পুরস্কার:
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।
- পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ২ লাখ টাকার চেক, সম্মাননাপত্র, সম্মাননা-স্মারক এবং পুষ্পস্তবক।

⇒ ২০২৪ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা।
- বাংলা একাডেমি নজরুল-সাহিত্যের গবেষণায় অবদানের জন্য অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানাকে নজরুল পুরস্কার ২০২৪- এ ভূষিত করেছে।
- ২৩শে মে ২০২৪ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে নজরুল পুরস্কার ২০২৪ প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১৪.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি কবে সম্পাদিত হয়?
  1. ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  2. ১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  3. ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  4. ২২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
সঠিক উত্তর:
২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি:
- পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি হলো বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তিচুক্তি পাহাড়ি জনগণের বিশেষ অবস্থান ও মর্যাদার স্বীকৃতি দিয়েছে।
- এই শান্তিচুক্তির আওতায় তিন পার্বত্য জেলার স্থানীয় সরকার পরিষদ সমন্বয়ে একটি আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়েছে।

⇒ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন: বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)।
- এই চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।

উৎস: i) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৫.
বাংলাদেশের প্রথম অনলাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম -
  1. NTV News
  2. ENA
  3. BD News
  4. E-News
সঠিক উত্তর:
BD News
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BD News
ব্যাখ্যা
সংবাদ সংস্থা:
- সংবাদ সংস্থা সংবাদ সংগ্রহ করে সংবাদপত্র, সাময়িকী ও ইলেট্রনিক্স সম্প্রচার কেন্দ্রগুলির মধ্যে বণ্টন করার প্রতিষ্ঠান।
- এদেশের সংবাদ সংস্থাগুলির কার্যক্রম শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের আগেই।

উল্লেখ্য,
- BD News বাংলাদেশের প্রথম অনলাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম।
- Bdnews24.com বাংলাদেশে ভিত্তিক একটি ইংরেজি এবং বাংলা ভাষার নিউজ পোর্টাল। 
- ২০০৫ সালে ওয়েবভিত্তিক বার্তা সংস্থা হিসেবে এর যাত্রা শুরু। 

উৎস: i) Bdnews24.com
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৬.
বাংলাদেশের প্রধান সংবাদ সংস্থা কোনটি?
  1. এনা
  2. বাসস
  3. ইউ এনবি
  4. এপি
সঠিক উত্তর:
বাসস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাসস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- বাংলাদেশের প্রধান সংবাদ সংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
- ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে এক সরকারি আদেশবলে জাতীয় সংবাদ সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ দেশ তখন বহির্বিশ্ব থেকে ছিল বিচ্ছিন্ন, কিন্তু শীঘ্রই ইন্ডিয়ার পিটিআই-এর সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে সংস্থাটি সংবাদ সংগ্রহ শুরু করে এবং পরপরই ইউপিআই, এএফপি ও রয়টারের সংস্থাগুলির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী তার যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত হয়।
- সংশ্লিষ্ট ঘটনাক্রম ও জাতীয় সংবাদ সহজলভ্য করা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলির সার্ভিসের সহজপ্রাপ্যতা ও দেশের সংবাদ সংস্থাগুলির সার্ভিসের জন্য ১৯৭৯ সালে বাসস অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে এ সংস্থাকে জাতীয় সংবাদ সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষমতা দেওয়া হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৭.
নারী ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান কে?
  1. ফারজানা হক
  2. নিগার সুলতানা
  3. সালমা খাতুন
  4. শামীমা সুলতানা
সঠিক উত্তর:
ফারজানা হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারজানা হক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দ্বারা পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক নারী ক্রিকেট দল।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ ২০১১ সালে।
- এশিয়া কাপের শিরোপা জয় লাভ করে ২০১৮ সালে।
- টেস্ট মর্যাদা পায় ২০২১ সালে ।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম নারী সেঞ্চুরিয়ান ফারজানা হক পিংকি।

অন্যদিকে,
- প্রথম শ্রেণির নারী ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান হওয়ার কীর্তি গড়েছেন নিগার সুলতানা।

উৎস: i) বিসিবি।
ii) Cricinfo ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১৮.
বিবিএস এর সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ুষ্কাল কত বছর? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৭২.২ বছর
  2. ৭২.৩ বছর
  3. ৭২.৪ বছর
  4. ৭২.৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৭২.৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২.৩ বছর
ব্যাখ্যা
'বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩' শীর্ষক প্রতিবেদন:
- বিবিএস এর সর্বশেষ পরিসংখ্যান 'বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩' শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ুষ্কাল ৭২.৩ বছর।

অন্যদিকে,
- ২০২২ সালে মানুষের গড় আয়ু ছিল ৭২ দশমিক ৪ বছর।

উল্লেখ্য ২০২৩ সালে -
- জনসংখ্যার সাধারণ বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
- মৃত্যুর শীর্ষ ১০টি কারণের মধ্যে মৃত্যুর প্রথম কারণ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ১.০২৭ শতাংশ।
- পুরুষদের প্রথম বিয়ের গড় বয়স ২৪.২ বছর এবং নারীদের ক্ষেত্রে ১৮.৪ বছর।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১৭৯ জন।

উৎস: বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩।
১৯.
মুরংদের প্রধান উৎসব কোনটি?
  1. চিয়া-ছট-প্লাই
  2. মুৎসলোং
  3. বিজু
  4. সাংগ্রাই
সঠিক উত্তর:
চিয়া-ছট-প্লাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিয়া-ছট-প্লাই
ব্যাখ্যা
মুরং:
- ম্রো আদিবাসী জনগোষ্ঠী ম্রু ও মুরং নামেও পরিচিত।
- ম্রোরা নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন। ম্রো ভাষায় ‘মারু’ শব্দের অর্থ মানুষ।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় এদের অধিক সংখ্যক বসতি রয়েছে।
- জেলার তোইন, মঙ্গু, তৈনফা, লুলোইং, উত্তরহানগড়, দক্ষিণ হানগড়, তঙ্কাবতী, হরিণঝুড়ি, টেকের পানছড়ি, রেনিখ্যং, পানতলা, থানখ্যং, সোয়ালক, তিনডো, সিংপা, আলীখং এবং ভারিয়াতালি মৌজায় এদের বসবাস।

⇒ ম্রোদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও পূর্বে বর্ণমালা ছিল না। ইদানীং ম্রোদের নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে। ম্রোরা তিববতী-বর্মী গ্রুপের একটি বিশেষ ভাষায় কথা বলে। ম্রো সমাজে কয়েকটি পরিবার মিলে এক একটি গোত্র গঠিত হয়। একই দল বা গোত্রভুক্ত ছেলেমেয়ের বিয়ে নিষিদ্ধ। ম্রোদের বংশ পরিচয় পিতৃতান্ত্রিক।

⇒ এদের প্রধান ধর্মীয় উৎসবের নাম ‘চিয়া-ছট-প্লাই’ অর্থাৎ গো-হত্যা উৎসব। কলাপাতায় লিপিবদ্ধ করা সৃষ্টিকর্তার পাঠানো মুরংদের ধর্মীয় বিধান ক্ষুধার্ত এক ষাঁড় খেয়ে ফেলার শাস্তিস্বরূপ গো-হত্যা করে এই ধর্মীয় উৎসব পালন করা হয়। উল্লেখ্য, এদের কোনো ধর্মগুরু নেই, ধর্মগ্রন্থ নেই, এমনকি কোনো নিজস্ব মন্দিরও নেই।

⇒ ম্রো ভাষায় কান ফোঁড়ানোকে বলে ‘রইক্ষারাম’। ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সকলকে কান ফোঁড়াতে হয়। ম্রোরা ধর্মপ্রাণবাদী এবং তাদের তিনজন দেবতা আছে- তুরাই যিনি বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা, সাংতুং অর্থাৎ পাহাড়ের দেবতা এবং ওরেং যিনি নদীর দেবী। ম্রোদের একাংশ খ্রিস্টান ধর্মমতে বিশ্বাসী। ম্যানলে নামে এক ম্রো প্রবর্তিত নতুন ধর্ম ‘ক্রামা’ চালুর পরে বেশ কিছুসংখ্যক লোক এই ধর্মে দীক্ষিত হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) আমার বাংলা বই, পঞ্চম শ্রেণি।
২০.
২০২৪ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. সাবিনা খাতুন
  2. ঋতুপর্ণা চাকমা
  3. রূপনা চাকমা
  4. মাছুরা পারভীন
সঠিক উত্তর:
সাবিনা খাতুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাবিনা খাতুন
ব্যাখ্যা
নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪:
- এটি নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ৭ম সংস্করণ।

- ২০২৪ সালের অক্টোবরে নেপালে অনুষ্ঠিত হয়।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৭টি।
- মোট ম্যাচ: ১২টি।
- মোট গোল: ৬২টি।
- চ্যাম্পিয়ন: বাংলাদেশ।
- রানার্স আপ: নেপাল।
- সেরা খেলোয়াড়: ঋতুপর্ণা চাকমা।
- সেরা গোলরক্ষক: রূপনা চাকমা।
- ফেয়ার প্লে ট্রফি: ভুটান।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন সাবিনা খাতুন। 

উৎস: i) SAFF ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
২১.
বাংলাদেশের ত্রিপুরা গোষ্ঠী কোন ধর্মবিশ্বাসের অনুসারী?
  1. খ্রিস্টান ধর্ম
  2. বৌদ্ধ ধর্ম
  3. সনাতন ধর্ম
  4. মুসলমান ধর্ম
সঠিক উত্তর:
সনাতন ধর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সনাতন ধর্ম
ব্যাখ্যা
ত্রিপুরা:
- ত্রিপুরা একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতি। ব্রিটিশ আমলে ত্রিপুরা ছিল একটি দেশীয় রাজ্য। ১৯৪৭ সালের পর ত্রিপুরী জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বসবাস সুবাদে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মিরসরাই, নোয়াখালীর বিলোনীয়া অঞ্চল, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরা বসবাস করেন।

⇒ ত্রিপুরা জাতি যে ভাষায় কথা বলে তা ককবরক নামে অভিহিত। ককবরক ভাষাটি ৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা ছিল। ত্রিপুরা ভারতে যোগ দিলে ককবরক রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হারায়।

⇒ ত্রিপুরারা সনাতন ধর্মের অনুসারী। এরা শিব ও কালীপূজা করেন। পাশাপাশি এরা নিজস্ব কিছু দেব-দেবীর উপাসনাও করে। যেমন গ্রামের সব লোকের মঙ্গলের জন্য এরা ‘কের’ পূজা করে।

⇒ ত্রিপুরা জাতির সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক। পিতাই পরিবারের প্রধান এবং তার অবর্তমানে জ্যেষ্ঠ পুত্র পরিবারের কর্তা হন। সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে ছেলেরা বাবার সম্পত্তি ও মেয়েরা মায়ের সম্পত্তি লাভ করে থাকে।

⇒ ত্রিপুরা জাতির প্রথাগত উৎপাদন পদ্ধতির নাম জুম। জুম চাষের শুরু থেকেই শেষ অবধি সংগীত একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। লোক নৃত্যে ত্রিপুরাদের রয়েছে সমৃদ্ধ ঐতিহ্য। ঐতিহ্যবাহী লোকনৃত্যের মধ্যে সিমতুং, কাথারক, সাকচরাই, চুমলাই, কেরপূজা, গোমতী, নাইরাং, হাচুকমা, সিবরাই, জুয়াংফা, সাকাল, গড়িয়া, হজাগিরি, লেবাং, মামিতা, ত্রিপুরেশ্বরী, মাইখুলুম, হাবা, খুমকাম, অনজালা উল্লেখযোগ্য।

⇒ ত্রিপুরীদের রয়েছে বৈচিত্র্যমন্ডিত উৎসব ও পূজা পার্বণ। প্রধান উৎসব ও পূজা হলো: বৈষু, কের, গোমতী, সিবরাই, খাচী, হাকা। প্রধান উৎসবের নাম বৈষু। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২২.
Modified De-facto পদ্ধতিতে পরিচালিত বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি -
  1. তৃতীয়
  2. চতুর্থ
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা
মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified de facto) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যকে শুমারি মুহূর্তে তাদের অবস্থান গণনাভুক্ত করার পাশাপাশি শুমারি মুহূর্তে যারা ভ্রমণরত; হাসপাতাল ও হোটেলে থাকবেন বা কর্মরত থাকবেন তাদেরকে স্ব স্ব খানায় গণনাভুক্ত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এ 'মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto)' পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।

- বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলছেন, এর আগে যে আদমশুমারি বা জনশুমারিগুলো করা হয়েছে, সেগুলো কাগজে-কলমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল।
- তার সঙ্গে প্রযুক্তির ব্যবহার খুব বেশি ছিল না।
- ওয়েবভিত্তিক ইন্টিগ্রেটেড সেনসাস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইসিএমএস) প্রস্তুতসহ জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেমে (জিআইএস) ২০২২ সালের জনশুমারির কাজটি করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
ii) বিবিসি।
২৩.
কোন উপজাতির ক্ষেত্রে সম্পত্তির উত্তরাধিকার নীতি মাতৃসূত্রীয়?
  1. ত্রিপুরা
  2. চাকমা
  3. রাখাইন
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
গারো:
- ‘গারো' ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ তথা টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় বাস করে।
- গারো জনগোষ্ঠীর আদি আবাসস্থল তিব্বতে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের নিজস্ব ভাষার নাম আচিক।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক। তাদের সমাজে মাতা হলো পরিবারের প্রধান। মায়ের বংশ সকল স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির মালিক হয়। 
- সমগ্র গারোসমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।

অন্যদিকে,
- অপশনের বাকি ৩টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায় সম্পত্তির উত্তরাধিকার নীতি পিতৃসূত্রীয়। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।
২৪.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক নাটক 'বিবাহ' এর রচয়িতা কে?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. শামসুল হক
  3. মমতাজ উদ্দীন আহমদ
  4. আলাউদ্দিন আল আজাদ
সঠিক উত্তর:
মমতাজ উদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মমতাজ উদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
বিবাহ:
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক নাটক 'বিবাহ।
- মমতাজউদদীন আহমদের ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা প্রথম নাটক বিবাহ।

⇒ একে একে তার হাতে জন্ম নিলো "ক্ষত বিক্ষত", "রঙ্গপঞ্চাদশ", "প্রেম বিবাহ সুটকেশ", "জমিদার দর্পণ", "হৃদয় ঘটিত ব্যাপার স্যাপার" এর মতো অসাধারণ সব নাটক।
- টেলিভিশনে নাট্যকার হিসেবে মমতাজউদদীন আহমদের যাত্রা শুরু হয় ‘দখিনের জানালা’ নাটকটি দিয়ে।
- হুমায়ূন আহমদের উপন্যাস “শঙ্খনীল কারাগার” অবলম্বনে একই নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। সেই চলচ্চিত্রে মতিন উদ্দিন চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়েই অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল মমতাজউদদীন আহমদের।

উল্লেখ্য,
- কিংবদন্তী নাট্যকার মমতাজউদদীন আহমদ।
- স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে পথিকৃৎ মমতাজ উদ্দীন আহমদ।
- মমতাজউদদীন আহমদের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১৮ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার হাবিবপুর থানার আইহো গ্রামে।

উৎস: The Daily Star Bangla.
২৫.
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন -
  1. তানভীর মাজহারুল তান্না
  2. জামাল ভূইয়া
  3. জাকারিয়া পিন্টু
  4. প্রতাপ শংকর হাজরা
সঠিক উত্তর:
জাকারিয়া পিন্টু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাকারিয়া পিন্টু
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের একটি ফুটবল দল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত অর্জন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়।
- এই দলটি ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’ নামে পরিচিত ছিল।
- মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়।
- পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধকালীন প্রথম ফুটবল দল এটি।

উল্লেখ্য,
- জুন মাসে কলকাতায় শামসুল হক প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ক্রীড়া সমিতি।
- তার সাহায্যে এগিয়ে এলেন সমিতির প্রথম সেক্রেটারি লুতফর রহমান, কোচ আলী ইমাম ও ইস্ট এন্ড ক্লাবের সাবেক ফুটবলার সাঈদুর রহমান প্যাটেল।

⇒ স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন জাকারিয়া পিন্টু এবং সহ-অধিনায়ক ছিলেন প্রতাপ শংকর হাজরা।
- কোচ ও ম্যানেজার ছিলেন যথাক্রমে ননি বসাক ও তানভীর মাজহারুল তান্না।
- ম্যাচ খেলা থেকে অর্জিত পাঁচ লাখ ভারতীয় রুপি ক্রীড়া সমিতি জমা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ফান্ডে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Daily Star Bangla.
২৬.
২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের লোকসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে -
  1. ৯৩৪ জন
  2. ১,১১৭ জন
  3. ১,১১৯ জন
  4. ১,১৩১ জন
সঠিক উত্তর:
১,১১৯ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,১১৯ জন
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

উল্লেখ্য,
• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি:
- বিভাগ: ঢাকা বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ২১৫৬ জন।
- জেলা: ঢাকা জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ১০,০৬৭ জন।

• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম:
- বিভাগ: বরিশাল বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ৬৮৮ জন।
- জেলা: রাঙ্গামাটি জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ১০৬ জন।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
২৭.
কত জন ব্যক্তিকে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৪' প্রদান করা হয়?
  1. ৬ জন
  2. ৭ জন
  3. ৯ জন
  4. ১০ জন
সঠিক উত্তর:
৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জন
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৪:
⇔ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫-এ ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৪' প্রদান করা হয়। তারা হলেন—
- কবিতায়: মাসুদ খান,
- নাটক ও নাট্যসাহিত্যে: শুভাশিস সিনহা,
- প্রবন্ধ/গদ্যে: সলিমুল্লাহ খান,
- অনুবাদে: জি এইচ হাবীব,
- গবেষণায়: মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া,
- বিজ্ঞানে: রেজাউর রহমান,
- ফোকলোরে: সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উল্লেখ্য,
- শুরুতে এ তালিকায় ১০ জন কবি, লেখক ও গবেষকের নাম ছিল। তবে পুনর্বিবেচনার পর চূড়ান্ত তালিকায় সাতজনের নাম রাখা হয়েছে।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
২৮.
বর্তমানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র রয়েছে - [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
উপজাতীয় প্রতিষ্ঠান:
- বর্তমানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১০টি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যথা:
১. ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, বিরিশিরি নেত্রকোনা;
২. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রাঙ্গামাটি;
৩. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, বান্দরবান;
৪. কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কক্সবাজার;
৫. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, খাগড়াছড়ি;
৬. রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, রাজশাহী;
৭. মনিপুরী ললিতকলা একাডেমি, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার;
৮. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, হালুয়াঘাট;
৯. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, দিনাজপুর;
১০. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, নওগাঁ।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২৯.
গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জনকারী বাংলাদেশি দাবাড়ু -
  1. নিয়াজ মোরশেদ
  2. জিয়াউর রহমান
  3. এনামুল হোসেন রাজীব
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ। ১৯৮৭ সালে ২১ বছর বয়সে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ। তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।
- দাবায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান। ২০০২ সালে দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার হন জিয়াউর রহমান। তিনি বাংলাদেশি দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফিদে রেটিং অর্জন করেছিলেন।
- ২০০৬ সালে রিফাত বিন সাত্তার ৩য় গ্র্যান্ড মাস্টার।
- ২০০৭ সালে আবদুল্লাহ আল রাকিব ৪র্থ গ্র্যান্ড মাস্টার।
- সর্বশেষ ২০০৮ সালে ৫ম গ্র্যান্ড মাস্টার এনামুল হোসেন রাজীব

⇒ তবে তারও আগে ১৯৮৫ সালে রানী হামিদ আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।

উৎস: i) কালের কন্ঠ।
ii) প্রথম আলো।
৩০.
চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাসের নাম কী?
  1. জিত্তোবানি
  2. ফেবো
  3. মুই মত্যেই
  4. গঙ্গা মা
সঠিক উত্তর:
ফেবো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেবো
ব্যাখ্যা
চাকমা:
- চাকমা সম্প্রদায় দেশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাস করে।
- অনুমান করা হয় ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা আদি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।
- চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু বা বিঝু।

উল্লেখ্য,
- চাকমাদের ভাষার নামও চাকমা। চাকমাদের নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে।
- চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাস ফেবো।
- ২০০৪ সালে, প্রকাশিত হয়ে গেছে চাকমা ভাষা ও হরফে দেবপ্রিয় চাকমার লেখা 'ফেবো' নামের একটি উপন্যাস।
- প্রকাশিত খবর অনুসারে এই উপন্যাসের পটভূমি হল ১৯৮৬ সালে খাগড়াছড়ি জেলার লোগাংএ সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ড, আর শিরোনামে ব্যবহৃত শব্দটির দ্বিবিধ অর্থ হল 'ভয়ার্ত মুহূর্ত' ও 'ভয়ঙ্কর প্রাণি'।

এছাড়াও,
- ২০১৩ সালে কে ভি দেবাশীষ চাকমা নামের আরেক জন লেখকেরও চাকমা ভাষায় একটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে, যেটির শিরোনাম 'মুই মত্যেই' ('আমি আমার')।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
'Stop Genocide' প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটির স্থায়িত্বকাল কত মিনিট?
  1. ২০ মিনিট
  2. ৪৮ মিনিট
  3. ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট
  4. ১ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট
সঠিক উত্তর:
২০ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ মিনিট
ব্যাখ্যা
Stop Genocide:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র Stop Genocide.
- নির্মাতা জহির রায়হান।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের মে/জুন মাসে এটি প্রথম কলকাতায় প্রদর্শিত হয়।
- মূলত বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া স্টক ফুটেজ ও নিউজ রিলের ছবির ওপর নির্ভর করেই তৈরি হয় স্টপ জেনোসাইড।
- একজন চলচ্চিত্র-নির্মাতা হিসেবে জহির রায়হান দুনিয়ার মানুষকে বাংলাদেশে চলতে থাকা গণহত্যার খবর জানান দেওয়ার এক বড় দায়িত্ব কাঁধে নেন।
- বিভিন্ন জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রসঙ্গে লেনিনের একটি বক্তব্য দিয়ে শুরু হয় ছবিটি।
- ২০ মিনিটের এই ছবিতে বাংলাদেশের মানুষ আছে, এর প্রকৃতি আছে, আছে পাকিস্তানিদের অত্যাচার, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগের দৃশ্য।

উল্লেখ্য,
- জহির রায়হান চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
৩২.
বাংলা একডেমি কোন সাল থেকে 'সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার' প্রদান করছে?
  1. ১৯৭৬ সাল
  2. ১৯৯০ সাল
  3. ১৯৯৬ সাল
  4. ২০১০ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯০ সাল
ব্যাখ্যা
সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার:
- সমকালীন বাংলা সাহিত্যের সাহিত্যসেবীদের বিশিষ্ট অবদান ও তাঁদের সৃষ্টিশীল প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯০ সাল থেকে বাংলা একডেমি এ পুরস্কারটি প্রদান করছে।
- মৌলবী সা’দত আলী আখন্দ-এর পরিজন প্রদত্ত অর্থ দিয়ে বাংলা একাডেমি প্রতিবছর এ পুরস্কারের কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- বাংলা একাডেমির বার্ষিক সাধারণ সভায় পুস্কারপ্রাপ্ত লেখককে ৫০,০০০.০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকার চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলা একডেমি ওয়েবসাইট।