পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ ও প্রত্যয়। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
উচ্চারণের সময়ে জিভের কোন উচ্চতার কারণে স্বরধ্বনি ভাগ করা হয়?
  1. ক) উচ্চ স্বরধ্বনি
  2. খ) উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি
  3. গ) নিম্ন স্বরধ্বনি
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা উপরে ওঠে বা কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত:
- উচ্চ স্বরধ্বনি [ই], [উ];
- উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি [এ], [ও];
- নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি [অ্যা], [অ];
- নিম্ন স্বরধ্বনি [আ]।

উচ্চ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ উপরে ওঠে;
নিম্ন স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ নিচে নামে।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
প্রত্যয়যোগে সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. ক) মোগলাই
  2. খ) কুলাকুলি
  3. গ) উপহার
  4. ঘ) প্রহার
ব্যাখ্যা
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায়, এক কথায় তাকেই সাধিত শব্দ বলে। 
সাধিত শব্দ তিন প্রকার। 
সমাস সাধিত শব্দ - কুলাকুলি 
প্রত্যয় সাধিত শব্দ - মোগলাই 
উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ - প্রহার, উপহার।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
স্বরধ্বনির সংবৃত উচ্চারণ ঘটেছে কোথায়?
  1. ক) অ
  2. খ) উ
  3. গ) ও
  4. ঘ) আ
ব্যাখ্যা
স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোট কতটুকু খােলা বা বন্ধ থাকে অর্থাৎ কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয়, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত:
- সংবৃত: [ই], [উ];
- অর্ধ-সংবৃত: [এ], [ও];
- অর্ধ-বিবৃত: [অ্যা] [অ];
- বিবৃত: [আ]।

সংবৃত ঘরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোট কম খেলে;
বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোট বেশি খােলে।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
ভাষার বাগর্থদ্যোতক ক্ষুদ্রতম একককে কী বলে?
  1. ক) শব্দ
  2. খ) ধ্বনি
  3. গ) রূপমূল
  4. ঘ) ধ্বনিমূল
ব্যাখ্যা
শব্দ ও রূপমূল
- শব্দকে বিভাজন করলে আরাে ক্ষুদ্রতর বাগর্থদ্যোতক অংশ পাওয়া যায়। ভাষার এই সব বাগর্থদ্যোতক ক্ষুদ্রতম একককে বলা হয় রূপমূল।
- অর্থাৎ, রূপমূল হলাে ভাষার এমন ক্ষুদ্রতম উপাদান যাদের হয় সুস্পষ্ট বাগর্থ থাকবে কিংবা অন্ততপক্ষে বাগৰ্থের কোনাে যৌক্তিক ইঙ্গিত থাকবে।
- আমরা জানি ভাষার সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম উপাদান হচ্ছে ধ্বনিমূল। 
- কিন্তু ধ্বনিমূলগুলাে কোনাে অর্থদ্যোতকতাকে ধারণ করে না।
- অপরদিকে, রূপমূল মাত্রই কোনাে না কোনােভাবে অর্থসংশ্লিষ্ট হবে। 

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'উষ্ণ' শব্দের যুক্তবর্ণে কোন দুটি বর্ণ যুক্ত হয়েছে?
  1. ক) ষ্‌ + ণ
  2. খ) ণ + ষ্‌
  3. গ) ষ্‌ + ঞ
  4. ঘ) ঞ + ষ্‌
ব্যাখ্যা
ষ্ণ = ষ্‌ + ণ; উষ্ণ, কৃষ্ণ ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
গঠন বিবেচনায় শব্দের প্রকার কোনটি?
  1. ক) মৌলিক ও যৌগিক
  2. খ) মৌলিক ও সাধিত
  3. গ) সাধু ও চলিত
  4. ঘ) স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ
ব্যাখ্যা
গঠন বিবেচনায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ
গঠন বিবেচনায় বাংলা শব্দকে মৌলিক এবং সাধিত – এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

• মৌলিক শব্দ :
- যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করলে অর্থপূর্ণ কোনাে অংশ থাকে না, সেগুলােকে মৌলিক শব্দ বলে।
- যেমন – গাছ, পাখি, ফুল, হাত, গোলাপ ইত্যাদি।

• সাধিত শব্দ :
- যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সগুলােকে সাধিত শব্দ বলে।
- উপসর্গ বা প্রত্যয় যােগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়। যেমন – পরিচালক, গরমিল, সম্পাদকীয়, সংসদ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
সংস্কৃত প্রয়োগ অনুসারে বাংলা বর্ণমালায় রক্ষিত স্বরবর্ণ কোনটি?
  1. ক) ঈ
  2. খ) ঋ
  3. গ) ঐ
  4. ঘ) ঔ
ব্যাখ্যা
সংস্কৃত প্রয়োগ অনুসারে বাংলা বর্ণমালায় রক্ষিত স্বরবর্ণ 'ঋ'।
- 'ঋ' ধ্বনিটিকে স্বরধ্বনি বলা চলে না। 
- সংস্কৃতে এই ধ্বনিটি স্বরধ্বনিরূপে উচ্চারিত হয়। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিম্নের কোনটি ফলা নয়?
  1. ক) ন-ফলা
  2. খ) ল-ফলা
  3. গ) র-ফলা
  4. ঘ) জ-ফলা
ব্যাখ্যা
ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে ফলা।
- ফলা যুক্ত হলে বর্ণের আকারে পরিবর্তন সাধিত হয়।
- বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ফলা ছয়টি।
যেমন- 

- ণ/ন-ফলা (ণ/ন) - প্রত্ন, অপরাহ্ন, মধ্যাহ্ন, চিহ্ন।
- ব-ফলা (ব) - বিশ্ব, অশ্ব, নিঃস্ব, আশ্বাস, বিশ্বাস।
- ম-ফলা (ম)- মৃন্ময়ী, পদ্মা, আত্ম, স্মৃতি, তন্ময়।
- র-ফলা - গ্রহণ, ঘ্রাণ, স্রষ্টা, প্রণাম, প্রথম।
   রেফ - কর্ণ, ধর্ম, বর্ণ, বিতর্ক, অর্ক।
   র-ফলা পরে উচ্চারিত হলে তা ব্যঞ্জন বর্ণের উপরে রেফ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- য-ফলা (্য)- ব্যঞ্জন, ইত্যাদি, লক্ষ্য, অ্যালবাম।
- ল-ফলা (ল)- অক্লান্ত, অল্প, উল্লাস, প্লাবন, পল্লব।

বাংলা স্বরবর্ণের সঙ্গেও ফলা যুক্ত হয়।
যথা- অ্যালবাম, অ্যালামনাই, অ্যালার্ম, অ্যাটম, অ্যাটর্নি, অ্যাপােলাে ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আগন্তুক উৎসের শব্দ কোনটি?
  1. ক) দেশি
  2. খ) তৎসম
  3. গ) তদ্ভব
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভান্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়;
- তৎসম,
- তদ্ভব,
- দেশি ও
- বিদেশি।
এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং
দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১০.
অঘােষ মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি কোনটি?
  1. ক) প
  2. খ) ত
  3. গ) ঠ
  4. ঘ) ড
ব্যাখ্যা
অঘােষ ব্যঞ্জন
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত কম, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় অঘােষধ্বনি, যথা: প, ফ, ত, থ, স, ট, , চ, ছ, শ, ক, খ ইত্যাদি।

মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন
সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহ অপেক্ষাকৃত বেশি, সেগুলােকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি। যেমন – ফ, ভ, থ, ধ, , ড, ঢ, ছ, ঝ, খ, ঘ, হ ইত্যাদি।
সুতরাং, অঘােষ মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি = ঠ। 

উৎস:
মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১১.
প্রভাত শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ কোনটি?
  1. ক) সকাল বেলা
  2. খ) প্রকৃত ভাত
  3. গ) ভাত প্রধান খাদ্য
  4. ঘ) প্রকৃষ্টভাবে আলোকিত
ব্যাখ্যা
'প্রভাত' রূঢ়ি শব্দ।
- এর ব্যুৎপত্তিগত এবং ব্যবহারিক অর্থের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
- প্রভাত শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ প্রকৃষ্টভাবে আলোকিত। 
- ব্যাবহারিক অর্থ - সকাল বেলা 

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
'হ্ন' -তে কোন কোন বর্ণ যুক্ত হয়েছে?
  1. ক) হ্‌ + ণ
  2. খ) হ্‌ + ন
  3. গ) ণ্‌ + হ
  4. ঘ) ন্‌ + হ
ব্যাখ্যা
'হ্ন' = হ্‌ + ন 
উদাহরণ - চিহ্ন, আহ্নিক, মধ্যাহ্ন। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
'মধুর' কোন প্রকার শব্দের উদাহরণ?
  1. ক) মৌলিক
  2. খ) যৌগিক
  3. গ) রূঢ়ি
  4. ঘ) যোগরূঢ়
ব্যাখ্যা
বাগর্থ অনুসারে বাংলা শব্দকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়- 
যৌগিক শব্দ
রূঢ়ি শব্দ এবং 
যোগরূঢ় শব্দ

যেসকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই তাকে যৌগিক শব্দ বলে। 
এখানে 'মধুর' শব্দটি গঠিত হয়েছে (মধুর+র) যার ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই = মধুর মত মিষ্টি গুণ যুক্ত। 
তাই 'মধুর' শব্দটি যৌগিক শব্দ। 

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
'মহত্ত্ব' শব্দের সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
  1. ক) মহৎ+ত
  2. খ) মহৎ+ত্ব 
  3. গ) মহৎ+ত্ত 
  4. ঘ) মহৎ+ত্ত্ব
ব্যাখ্যা
'মহত্ত্ব' শব্দটি একটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ- 

মহত্ত্ব (বিশেষ্য) 
- সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় = মহৎ+ত্ব 
অর্থ: মহতের ভাব, উদারতা, প্রকর্ষ। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১৫.
'সরকার' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. ক) বাংলা
  2. খ) ফারসি
  3. গ) হিন্দি
  4. ঘ) আরবি
ব্যাখ্যা
সরকার (বিশেষ্য) 
- ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দ। 
অর্থ: 
- রাষ্ট্রশাসনের দায়িত্বে অধিষ্ঠিত গোষ্ঠী।
- রাষ্ট্রশাসন পদ্ধতি। 
- রাজা, ভূস্বামী
- প্রভূ, মালিক
- রাজস্ব আদায়ের দায়িত্বে নিয়োজিত আধিকারিক।
- পদবিবিশেষ 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১৬.
'কারিগর' শব্দটি কোন যোগে গঠিত শব্দ?
  1. ক) সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়
  2. খ) বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
  3. গ) বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়
  4. ঘ) বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
'কারিগর' শব্দটি- একটি বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ। 
- ফারসি গর>কর প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ। 
- কারি+গর = কারিগর। 
- বাজি+গর = বাজিগর বা বাজিকর

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
বাংলা বর্ণমালায় কোন স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ নেই?
  1. ক) অ
  2. খ) আ
  3. গ) উ
  4. ঘ) ঔ
ব্যাখ্যা
বাংলা বর্ণমালায় 'অ'-এর কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার নেই।
- স্বরবর্ণ যখন নিরপেক্ষ বা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়, অর্থাৎ কোনাে বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয় না, তখন এর পূর্ণরূপ লেখা হয়।
- একে বলা হয় প্রাথমিক বা পূর্ণরূপ।
- যেমন- অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ।
- এই রূপ শব্দের আদি, মধ্য বা অন্ত যে-কোনাে অবস্থানে বসতে পারে। 
- স্বরধ্বনি যখন ব্যঞ্জনধ্বনির সাথে যুক্ত হয়ে উচ্চারিত হয়, তখন সে স্বরধ্বনিটির বর্ণ সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ব্যবহৃত হয়।
- স্বরবর্ণের এ সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলে। 
- স্বরবর্ণের কারবর্ণ ১০ টি। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত শব্দ কোনটি?
  1. ক) তৎসম
  2. খ) তদ্ভব
  3. গ) ক ও খ উভয়
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
তৎসম শব্দ :
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলােকে তৎসম শব্দ বলে।
যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।
সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়।
যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

তদ্ভব শব্দ:
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলােকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
উদাহরণ: হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত; হাতি, ঘােড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৯.
'ৎ' কোনটির রূপভেদ?
  1. ক) ত্‌
  2. খ) ত
  3. গ) ত্ত
  4. ঘ) ট্‌
ব্যাখ্যা
খণ্ড—ত (ৎ)-কে স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে ধরা হয় না।
এটি ‘ত' বর্ণের হস-চিহ্ন যুক্ত (ত্‌)-এর রূপভেদ মাত্র। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

তবে মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি অনুসারে 'ৎ' ‘ত’ এর বর্ণসংক্ষেপ বা [ত্‌]। তাই 'ৎ' দ্বারা সম্পূর্ন ‘ত’ কে প্রকাশ করবে না।
২০.
নিচের কোন জোড়টি যুক্তবর্ণের প্রকারভেদ প্রকাশ করে?
  1. ক) কার ও ফলা
  2. খ) স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ
  3. গ) অস্বচ্ছ ও উন্মুক্ত
  4. ঘ) স্বচ্ছ ও যুক্ত
ব্যাখ্যা
একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়।
- যুক্ত হওয়া বর্ণগুলােকে দেখে কখনাে সহজে চেনা যায়, কখনাে সহজে চেনা যায় না।
- এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম: স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
২১.
'হেড-পন্ডিত' শব্দটি কোন দুটি ভাষার মিশ্রনে গঠিত?
  1. ক) ইংরেজি+তৎসম
  2. খ) ইংরেজি+আরবি
  3. গ) ইংরেজি+ফারসি
  4. ঘ) ইংরেজি+ফরাসি
ব্যাখ্যা
কোন কোন সময় দেশী ও বিদেশী শব্দের মিলনে শব্দদ্বৈত সৃষ্টি হয়ে থাকে তাকে মিশ্র শব্দ বলে।
শাকসবজি একটি মিশ্র।

'হেড-পন্ডিত' শব্দটি একটি মিশ্র শব্দ। 
হেড = ইংরেজি; পন্ডিত = তৎসম শব্দ।
সুতরাং শব্দটি ইংরেজি+তৎসম ভাষার মিশ্রনে গঠিত। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২২.
কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. ক) রান্না
  2. খ) সৌন্দর্য
  3. গ) পানসে
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ - রান্না = রাঁধ্‌+না। 
অনুরূপ ভাবে, কান্না = কাঁদ্‌+না। 

তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ
- সুন্দর+য = সৌন্দর্য 
- পানি+সে = পানসে 
- চতুর্‌+থ = চতুর্থ 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
২৩.
বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণে নাসিক্য ব্যঞ্জনধ্বনি কয়টি?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
নাসিক্য ব্যঞ্জন
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে আসা বাতাস মুখের মধ্যে প্রথমে বাধা পায় এবং নাক ও মুখ দিয়ে বেরিয়ে যায়, সেসব ধ্বনিকে নাসিক্য ব্যঞ্জন বলে।
মা, নতুন, হাঙর প্রভৃতি শব্দের ম, ন, ঙ নাসিক্য ব্যঞ্জনধ্বনি।

উৎস:
মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
২৪.
নিম্নের কোন শব্দে র-ফলা যুক্ত হয়নি?
  1. ক) আর্য
  2. খ) মৃত
  3. গ) ব্রত
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে ফলা।
- ফলা যুক্ত হলে বর্ণের আকারে পরিবর্তন সাধিত হয়।

র-ফলা - গ্রহণ, ঘ্রাণ, স্রষ্টা, প্রণাম, প্রথম।
রেফ - কর্ণ, ধর্ম, বর্ণ, বিতর্ক, অর্ক।

র-ফলা পরে উচ্চারিত হলে তা ব্যঞ্জন বর্ণের উপরে রেফ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

উল্লেখ্য, মৃত শব্দে ঋ-কার যুক্ত হয়েছে। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।