পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৩৫
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলী - টপিকগুলোর বিস্তারিত সিলেবাস বাটনে বা পিএসসির সিলেবাসেই পাবেন। [৭০ নাম্বার] i) বাংলাদেশের সংবিধান ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও সরকার ব্যবস্থা iii) বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। iv) বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। উৎস: উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পৌরনীতি ও সুশাসন বোর্ড বই, বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৫ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি সংবিধান প্রণয়নের প্রথম পদক্ষেপ?
  1. ক) বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন
  2. খ) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি
  3. গ) সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন
  4. ঘ) অস্থায়ী সংবিধান আদেশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান প্রণয়ন:
- বাঙালি জাতি রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রাম ও বহু তাজা প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছে।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে গঠিত মুজিবনগর সরকার স্বাধীনতার পর ঢাকা স্থানান্তরিত হয়।
- ঢাকায় এসে এ সরকার প্রকৃত শাসনভার গ্রহণ করে।
- প্রবাসী সরকারের রাষ্ট্রপ্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানী কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে লন্ডন হয়ে ঢাকায় আসেন।
- তার পরের দিন অর্থাৎ ১১ জানুয়ারি "বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান অধ্যাদেশ" জারি করা হয়।
- এ আদেশ জারিই হল বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম পদক্ষেপ।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশে একটি নতুন ও সময়োপযোগী সংবিধান প্রণীত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বশেষ স্তর?
  1. ক) ইউনিয়ন পরিষদ
  2. খ) জেলা প্রশাসন
  3. গ) বিভাগীয় কার্যালয়
  4. ঘ) উপজেলা প্রশাসন
ব্যাখ্যা

- উপজেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বশেষ স্তর।
- উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলা প্রশাসনের মধ্যমণি এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- ২০০৮ সালের জারিকৃত অধ্যাদেশ অনুযায়ী তিনি উপজেলা পরিষদের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- জেলা প্রশাসন এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন জেলা প্রশাসক।
- দেশের সব জেলায় একজন করে জেলা প্রশাসক আছেন। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে একজন অভিজ্ঞ সদস্য। তাকে কেন্দ্র করে জেলার সকল সরকারি কাজ পরিচালিত হয়।
- একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ৯ জন নির্বাচিত সাধারণ সদস্য ও ৩ জন নির্বাচিত নারী সদস্য (সংরক্ষিত আসনে) নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

.
সবচেয়ে বেশি সময় আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন-
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. গ) আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ
  4. ঘ) শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৯ সালের ২৩ ও ২৪ জুন কাজী বশিরের স্বামীবাগস্থ বাসভবন "রোজ গার্ডেন" এ অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনের মাধ্যমে "পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ" গঠিত হয়। 
 - ১৯৫৫ সালের ২২শে সেপ্টেম্বর শহীদ সোহরাওয়ার্দী দলের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব করলে সর্ব সম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয় (আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে আওয়ামী লীগ) 
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী আওয়ামী লীগের প্রথম সভাপতি। তিনি দায়িত্ব পালন করেন ১৯৪৯-১৯৫৭ 
- আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ ১৯৫৭-১৯৬৪ (ভারপ্রাপ্ত) । ১৯৬৪-১৯৬৬(পঞ্চম কাউন্সিলে তিনি সভাপতি নির্বাচিত)
- শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬-১৯৭৪ পর্যন্ত।
- শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনিই দলের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।
- অর্থাৎ সভাপতি হিসেবে তার মেয়াদ ১৯৮১-বর্তমান। তিনি সবচেয়ে বেশি সময় ধরে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

তথ্যসূত্র:- অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
.
হাতে লেখা সংবিধানের অঙ্গসজ্জা করেন-
  1. ক) হাশেম খান
  2. খ) আবদুর রউফ
  3. গ) ড. কামাল হোসেন
  4. ঘ) সৈয়দ শাহ আবু সুফি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা চূড়ান্তভাবে গৃহীত সংবিধানের কপিতে স্বাক্ষর করেন।
- সবার প্রথমে স্বাক্ষর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমান।
- তবে গণপরিষদের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- ১৯৭২ সালের হাতে লেখা সংবিধান কপিতে মোট ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

সংবিধানের-
- সংবিধানের অঙ্গসজ্জার মূল তত্ত্বাধায়ক : জয়নুল আবেদিন
- হস্তলিপিকার : এ কে এম আবদুর রউফ
- অঙ্গসজ্জা : হাশেম খান
- অংকন : জুনাবুল ইসলাম, সমরজিৎ রায় চৌধুরী এবং আবুল বারক আলভী
- চামড়ার কাজ : সৈয়দ শাহ আবু সুফি
- মুদ্রণ : বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়
- নকশী কাঁথা কভার মুদ্রণ : ইস্টার্ন রিগাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ঢাকা।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি আদমশুমারি পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত?
  1. ক) NIPORT
  2. খ) BBS
  3. গ) BENBAIS
  4. ঘ) BSS
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) বাংলাদেশে আদমশুমারি পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত।
- এটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- দেশ স্বাধীনের পর প্রথমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন আদমশুমারি কমিশন আদমশুমারির দায়িত্বে ছিলো।
- ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার আদমশুমারি কমিশনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়াধীন ৪টি পরিসংখ্যান অফিসকে একীভূত করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো গঠন করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত। এছাড়া বিভাগীয় শহরগুলোতে এটির শাখা রয়েছে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনের বর্তমান রূপটির রূপকার-
  1. ক) কামরুল হাসান
  2. খ) শিব নারায়ণ দাস
  3. গ) রফিকুন্নবী
  4. ঘ) এ এন সাহা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনের বর্তমান রূপটির রূপকার শিল্পী কামরুল হাসান
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি রয়েছে তা গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি সরকারিভাবে গৃহীত হয়। 
- ‘জাতীয় পতাকা’ গাঢ় সবুজ রঙের হবে এবং ১০:৬ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আয়তক্ষেত্রাকার সবুজ রঙের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত থাকিবে।
- মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইন হিসেবে বিবেচ্য করা হয় শিব নারায়ণ দাসকে। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
.
সংবিধানকে ত্রুটিমুক্ত করার উদ্দশ্যেে সংবিধান প্রণয়ন কমিটি কোন ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞের পরার্মশ গ্রহণ করেন?
  1. ক) জন ফেডরিক
  2. খ) টমাস হেনরি
  3. গ) এন্ডো ফিলিপ
  4. ঘ) জন গাথরিক
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ভাষাগত ভুল দূর করের জন্য চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান আনিসুজ্জামান (কমিটির প্রধান), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আলী আহসান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ড মাযহারুল ইসলাম-এর সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়।

- তাছাড়া সংবিধানকে ত্রুটিমুক্ত করার উদ্দশ্যেে কমিটি একজন ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞ (জন গাথরিক) পরার্মশ গ্রহণ করেন।
- সংবধিানটি র্পূণাঙ্গ ও উত্তম করার উদ্দশ্যেে কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন ভারত ও ইংল্যান্ড সফর করে সেখানকার পার্লামেন্টের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান।
.
'ষষ্ঠ আদমশুমারি'কে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. ক) জনশুমারি ও গৃহগণনা
  2. খ) জনশুমারি
  3. গ) জনগণনা
  4. ঘ) জনগণনা ও গৃহগণনা
ব্যাখ্যা
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'
- এটি শুরু হয় ১৫ জুন যা শেষ হয় ২১ জুন,২০২২ সালে।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৫টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে।

- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হবে।
- অবিভক্ত বাংলায় প্রথম আনুষ্ঠানিক আদমশুমারি হয় ১৮৭২ সালে লর্ড মেয়ো’র সময়।
- এই আদমশুমারি গুণগতভাবে মানসম্পন্ন ছিলো না। তবে এই আদমশুমারি থেকেই বাংলা একটি মুসলিম প্রধান রাজ্য হিসেবে প্রথম চিহ্নিত হয়।


তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয় কোন সংস্থার মাধ্যমে?
  1. ক) International Tribunal for the Law of the Sea
  2. খ) Permanent Court of Arbitration
  3. গ) International Tribunal of Justice
  4. ঘ) Commission on the Limits of the Continental Shelf
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার রায় হয় ২০১২ সালের ১৪ মার্চ।
- জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) এ সমুদ্রসীমা বিষয়ক এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ লাভ করে ১,১১,৬৩১ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বঙ্গোপসাগরের মহীসোপান সংক্রান্ত বিরোধ জাতিসংঘের মহীসোপান নির্ধারণসংক্রান্ত CLCS (Commission on the Limits of the Continental Shelf) এ বিচারাধীন রয়েছে।
- বাংলাদেশ ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে CLCS এ নিজেদের মহীসোপান সীমা দাবী করে আবেদন জমা দেয়।
- সম্প্রতি ভারত সরকার বাংলাদেশের দাবীর প্রেক্ষিতে CLCS এ আপত্তিপত্র জমা দেয়।
অন্যদিকে,
- PCA (Permanent Court of Arbitration) আদালতে বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।

তথ্যসূত্র:- সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট।
১০.
পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (Rural Development Academy বা RDA) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) বগুড়া
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) রংপুর
ব্যাখ্যা
- পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (ইংরেজি: Rural Development Academy বা RDA) বাংলাদেশের বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলায় অবস্থিত প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং গবেষণা কর্মের একটি বিশেষায়িত পল্লি উন্নয়ন সংস্থা।
- এটি ১৯শে জুন, ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পল্লী উন্নয়ন একাডেমি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- এই প্রতিষ্ঠানটি পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডিসি) সাথে যুক্ত থেকে কাজ পরিচালনা করে।
- ১৯৯০ সালে ১০নং আইনের দ্বারা পল্লী উন্নয়ন একাডেমী, বগুড়া একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। 

তথ্যসূত্র:- পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (RDA) ওয়েবসাইট।
১১.
কোন জাতীয় সংসদে কোন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলো না?
  1. ক) সপ্তম
  2. খ) প্রথম
  3. গ) ষষ্ঠ
  4. ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম ও ষষ্ঠ  জাতীয় সংসদে কোন বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন না।
- জাতীয় সংসদের প্রথম বিরোধী দলীয় নেতা (দ্বিতীয় সংসদে) ছিলেন আসাদুজ্জামান খান।
- সংসদীয় ব্যবস্থায়  বিরোধীদলীয় নেতা পদটি একজন পূর্ণমন্ত্রীর পদমর্যাদার সমান।

- সপ্তম সংসদ হলো দেশের প্রথম পূর্ণমেয়াদকালীন সংসদ।
- চতুর্থ সংসদে নারীদের জন্যে সংরক্ষিত কোন আসন ছিলো না।
- বর্তমান সংসদ দেশের ১১তম সংসদ।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
১২.
নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২ অর্জন করে?
  1. ক) গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিডব্লিউএমআরআই
  2. খ) বিদ্যুৎ বিভাগ
  3. গ) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার।
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠান এ পুরস্কার লাভ করে।
- সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার দিয়ে আসছে। 

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ

১. বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী
২. শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম)
৩. আবদুল জলিল
৪. সিরাজ উদ্দীন আহমেদ
৫. মরহুম মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস
৬. মরহুম সিরাজুল হক।

চিকিৎসাবিদ্যা

৭. অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া
৮. অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলাম

স্থাপত্য

৯. মরহুম স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।

গবেষণা ও প্রশিক্ষণ

১০. গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিডব্লিউএমআরআই)

বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান ও শতভাগ বিদ্যুতায়নের স্বীকৃতি স্বরূপ:
১১. বিদ্যুৎ বিভাগ

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল - ২০২২।
১৩.
'Keystone of the Cabinet Arch' হিসেবে অভিহিত করা হয়-
  1. ক) রাষ্ট্রপতিকে
  2. খ) প্রধানমন্ত্রীকে
  3. গ) স্পিকারকে
  4. ঘ) চিফ হুইপকে
ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রী
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার প্রধান।
- তিনি তাঁর প্রয়োজন অনুসারে মন্ত্রি নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেন এবং দপ্তর বন্টন করেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তিনি মন্ত্রীদেও পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
- তিনি মন্ত্রণালয়ের কাজের সমন্বয় করেন। প্রধানমন্ত্রী যেকোন সময়ে যেকোন মন্ত্রীকে পদত্যাগের অনুরোধ করতে পারেন।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে মন্ত্রিসভার অস্তিত্ব থাকে না।
- মন্ত্রিসভার অধিবেশন আহবান , কার্যসূচী নির্ধারণ ,অধিবেশন সভা পরিচালনা ,মন্ত্রীদের দপ্তর বন্টন , মন্ত্রী ও বিভিন্ন দপ্তরের কার্যাবলী পরিচালনা ও তত্ত্বাবধান করা প্রভূতি সকল দায়িত্ব মূলত তার উপর ন্যস্ত।
- এজন্য তাকে ক্যাবিনেট তোরণের প্রধান স্তম্ভ (Keystone of the Cabinet Arch) বলা হয়।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
'একুশে পদক' প্রবর্তন করা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৫ সাল
  2. খ) ১৯৭৬ সাল
  3. গ) ১৯৭৮ সাল
  4. ঘ) ১৯৭৪ সাল
ব্যাখ্যা
- জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে একুশে পদক প্রবর্তন করা হয়।
- একুশে পদক প্রবর্তন করা হয় ১৯৭৬ সাল থেকে।
- একুশে পদকের প্রদেয় পুরষ্কার এককালীন নগদ ৪ লাখ টাকাসহ ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র।
- একুশে পদক দেয়া হয় ১১ টি বিভাগে। 
- ২০২২ সালে একুশে পদক লাভ করেন ২৪ জন ব্যক্তি।
- এ বছরের একুশে পদক ঘোষণা করা হয় - ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২।

তথ্যসূত্র:- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৫.
সরকারের কোন মন্ত্রণালয় 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার' প্রদান করে থাকে?
  1. ক) বাংলা একাডেমি
  2. খ) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
  3. গ) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমসাময়িক জীবিত লেখকদের সামগ্রিক মৌলিক অবদান চিহ্নিত করে তাঁদের সৃজনী প্রতিভাকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করাই বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের উদ্দেশ্য। 
- ১৯৬০ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ এ পুরস্কার ঘোষণা করে।
- বাংলা সাহিত্যের ১০টি শাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। 

- প্রতিটি পুরস্কারের মূল্যমান ৩,০০,০০.০০ (তিন লক্ষ) টাকা। প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপ্তদের পুস্কারের অর্থমূল্যের চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। 
- ২৩ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১’ ঘোষণা করা হয়। মোট ১০টি ক্যাটাগরিতে ১৪ জন বিশিষ্ট লেখক বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১ লাভ করেছেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১৬.
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ কোন তফসিলে আলোচিত হয়েছে?
  1. ক) পঞ্চম তফসিল
  2. খ) সপ্তম তফসিল
  3. গ) চতুর্থ তফসিল
  4. ঘ) ষষ্ঠ তফসিল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।

প্রথম তফসিল
অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।

দ্বিতীয় তফসিল
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।

তৃতীয় তফসিল
শপথ ও ঘোষণা।

চতুর্থ তফসিল
ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

পঞ্চম তফসিল
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।

ষষ্ঠ তফসিল
স্বাধীনতার ঘোষণা।

সপ্তম তফসিল
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১৭.
'বঙ্গবন্ধু হত্যা' মামলা দায়ের করা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৫ সালে
  2. খ) ১৯৯০ সালে
  3. গ) ১৯৮৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধুর সপরিবারে নৃশংস হত্যাকান্ডের বিচারের দ্বার উন্মুক্ত হয়।
- ২ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে হত্যাকাণ্ডের ২১ বছর পর শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকার সময় তাঁর রিসেপসনিস্ট কাম রেসিডেন্ট পিএ আ ফ ম মুহিতুল ইসলাম ধানমন্ডি থানায় ২৪ আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ৷
- ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর ১২ আসামিকে মৃত্যদন্ড প্রদান করে আদালত রায় প্রদান করে।
- অবশেষে হত্যাকাণ্ডের ৩৪ বছর পর ১৯ নভেম্বর ২০০৯ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মামলাটির চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করে ৷
- মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির আপিল আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ৷ ফলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোট ১২ আসামিরই মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে৷

তথ্যসূত্র:- দৈনিক প্রথম আলো।

১৮.
সময়ের বিবেচনায় কোন রাজনৈতিক দলটি সবার আগে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)
  2. খ) নিখিল ভারত মুসলিম লীগ
  3. গ) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
  4. ঘ) জামায়াতে ইসলামী
ব্যাখ্যা

- ১৯৫৭ সালের ২৪-২৫ জুলাই ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে আয়োজিত গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ‘ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)’ গঠিত হয়।
- ন্যাপের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন মাওলানা ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের মাহমুদুল হক ওসমানী।
- এর আগে ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ‘কাগমারি সম্মেলনে’ পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি প্রশ্নে বিরোধের জের ধরে ১৮ই মার্চ ১৯৫৭ মাওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।

- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কে.এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একটি অংশের নেতা-কর্মীদের কনভেনশনে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

- ১৯৪১ সালের ২৫ আগস্ট লাহোরে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করা হয় - ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর।

- ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় ‘নিখিল ভারত মুসলিম লীগ’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘সর্ব ভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে’ ঢাকার তৎকালীন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ মুসলমানদের জন্যে একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন। তার প্রস্তাবের ভিত্তিতেই মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মুসলিম লীগের গঠন প্রক্রিয়ার সাথে নওয়াব ‍সলিমুল্লাহ, নবাব ভিকার-উল ‍মুলক, আগা খান প্রমুখ যুক্ত ছিলেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।

 

১৯.
বর্তমান বাংলাদেশ টি-টুয়েন্টি দলের অধিনায়কের দায়িত্বে রয়েছেন-
  1. ক) সাকিব আল হাসান
  2. খ) তামিম ইকবাল
  3. গ) মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
  4. ঘ) মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বাংলাদেশ ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে তিনজন অধিনায়ক রয়েছে।
- টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে অধিনায়ক - মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।
- টেস্ট ক্রিকেটে অধিনায়ক - সাকিব আল হাসান।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে অধিনায়ক - তামিম ইকবাল।

তথ্যসূত্র:- বিসিবি ওয়েবসাইট।
২০.
নিচের কোনটি দ্বিতীয় সংশোধনীর বিষয়বস্তু?
  1. ক) যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধান সন্নিবেশন
  2. খ) জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান চালু
  3. গ) বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তি অনুমোদন
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় সংশোধনী
• সংসদে উত্থাপন: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩
• উত্থাপনকারী: আইনমন্ত্রী শ্রী মনোরঞ্জন ধর
• সংসদে গৃহীত: ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩
• রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধন আইন দ্বারা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার বিধান চালু করা হয়। এছাড়াও, নিবর্তনমূলক আটক ও জরুরী অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ সংক্রান্ত বিধানসমূহ সংযোজন করা হয়।

এই সংশোধনী আইনের ফলে -
১. সংবিধানের ২৬, ৬৩, ৭২ ও ১৪২ নং অনুচ্ছেদ সংশোধিত হয়; 
২. ৩৩ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপিত হয়, এবং 
৩. সংবিধানে একটি নতুন ভাগ, যথা ভাগ ৯ক সংযুক্ত হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে জরুরি অবস্থাকালীন সময়ে নাগরিকদের কতিপয় মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পৌরনীতি ও সুশাসন বই
২১.
জাতীয় সংসদ ভবন কত একর জমির উপর অবস্থিত?
  1. ক) ২১২ একর
  2. খ) ২৫০ একর
  3. গ) ২১৫ একর
  4. ঘ) ২২৫ একর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম আইনসভা কমপ্লেক্স।
- এটির স্থপতি এস্তোনীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক লুই আই কান।
- জাতীয় সংসদ ভবন ২১৫ একর জমির উপর অবস্থিত।
- এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬১ সালে এবং উদ্বোধন করা হয় ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি।
- এই ভবনে প্রথম সংসদ অধিবেশন বসে ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
২২.
প্রস্তাবনায় ‘‘বিস্‌মিল্লাহির-রহ্‌মানির রহিম (দয়াময়, পরম দয়ালু, আল্লাহের নামে)’’ এর সাথে ‘পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে’ সংযুক্ত করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ক) পঞ্চদশ সংশোধনী
  2. খ) পঞ্চম সংশোধনী
  3. গ) ষোড়শ সংশোধনী
  4. ঘ) একাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী

উত্থাপন: ২৫ জুন ২০১১
উত্থাপনকারী: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমদ উত্থাপন করেন।
গৃহীত: ৩০ জুন ২০১১
রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৩ জুলাই ২০১১ সালে।
- এই সংশোধনী দ্বারা প্রস্তাবনায় ‘‘বিস্‌মিল্লাহির-রহ্‌মানির রহিম (দয়াময়, পরম দয়ালু, আল্লাহের নামে)’’ এর সাথে ‘পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে’ সংযুক্ত করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতিও দেওয়া হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- ‘‘জাতীয় স্বাধীনতার জন্য ঐতিহাসিক যুদ্ধের’’ শব্দগুলির পরিবর্তে [জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের] প্রতিস্থাপিত। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
২৩.
সংবিধানের কোন সংশোধনীটি আদালত কর্তৃক বাতিল করা হয়েছে?
  1. ক) ত্রয়োদশ সংশোধনী
  2. খ) পঞ্চম সংশোধনী
  3. গ) সপ্তম সংশোধনী
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭টি সংশোধনী আনা হয়। এর মধ্যে চারটি সংশোধনী হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল ঘোষিত হয়েছে। এগুলো হলো:
- পঞ্চম সংশোধনী (১৯৭৯) : বাতিল (আগস্ট ২০০৫)
- সপ্তম সংশোধনী (১৯৮৬) : বাতিল (আগস্ট ২০১০)
- ত্রয়োদশ সংশোধনী (১৯৯৬) : বাতিল (২০১১)
- ষোড়শ সংশোধনী (২০১৪) : বাতিল (২০১৭)।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
২৪.
জামাল নজরুল ইসলাম একজন-
  1. ক) দার্শনিক
  2. খ) রসায়নবিদ
  3. গ) পরমাণু বিজ্ঞানী
  4. ঘ) গণিতবিদ ও পদার্থ বিজ্ঞানী
ব্যাখ্যা
- জামাল নজরুল ইসলাম একজন গণিতবিদ ও পদার্থ বিজ্ঞানী। 
- জামাল নজরুল ইসলাম ১৯৩৯ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ২০০৪ থেকে ২০০৬ মেয়াদের জন্য তাকে ইউজিসি অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
- ২০১৩ সালের ১৬ই মার্চ শুক্রবার রাতে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ৭৪ বছর বয়সে অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলামের মৃত্যু হয়। 

তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো।
২৫.
মাতৃতান্ত্রিক পরিবার কাঠামো দেখা যায় কোন উপজাতির মধ্যে?
  1. ক) খাসিয়া
  2. খ) মারমা
  3. গ) গারো
  4. ঘ) ক ও গ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসমূহের মধ্যে খাসিয়া এবং গারো সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক। 
- এছাড়া, কোচ সমাজেও আংশিক মাতৃতান্ত্রিকতা বিদ্যমান রয়েছে।
- অন্যান্য ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
২৬.
'খাসিয়া' নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস নেই কোন জেলায়?
  1. ক) সুনামগঞ্জ
  2. খ) মৌলভীবাজার
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের খাসিয়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের ভাষা বর্মী।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।
- খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীদের গ্রামকে বলা হয় পঞ্জি।

- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।

তথ্যসূত্র:- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
২৭.
নিচের কোনটি হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত চলচিত্র?
  1. ক) মাটির ময়না
  2. খ) চিত্রা নদীর পাড়ে
  3. গ) ঘেটুপুত্র কমলা
  4. ঘ) দীপু নাম্বার টু
ব্যাখ্যা
- হুমায়ূন আহমেদের সর্বশেষ নির্মিত চলচ্চিত্র 'ঘেটুপুত্র কমলা' যা ২০১২ সালে নির্মিত হয়েছিল।
- তাঁর নির্মিত অন্যান্য চলচ্চিত্র- আগুনের পরশমনি, শ্রাবণ মেঘের দিন, দুই দুয়ারী, শ্যামল ছায়া, আমার আছে জল।
- এছাড়াও তিনি নিজে পরিচালনা করেননি কিন্তু তাঁর উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এরকম কিছু চলচ্চিত্রঃ শঙ্খনীল কারাগার, দারুচিনি দ্বীপ, নন্দিত নরকে।

- 'চিত্রা নদীর পাড়ে' চলচ্চিত্রটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত। এটি পরিচালনা করেন তানভীর মোকাম্মেল।
- জহির রায়হান পরিচালিত “জীবন থেকে নেয়া” চলচ্চিত্রটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এটি ১৯৭০ সালে প্রকাশিত হয়। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এই ছবিতেই প্রথম জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়।
- 'মাটির ময়না' ২০০২ সালের বাংলাদেশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কিত একটি বাংলাদেশী ফিচার চলচ্চিত্র। এই চলচ্চিত্রের কাহিনি ও চিত্রনাট্য রচনা এবং পরিচালনা করেছেন তারেক মাসুদ।

তথ্যসূত্র:- বাংলা ট্রিবিউন এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।
২৮.
‘আওয়ামী মুসলিম লীগ” থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়ার প্রস্তাব করেন-
  1. ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) তাজউদ্দীন আহমদ
  3. গ) শামসুল হক
  4. ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৯ সালের ২৩ ও ২৪ জুন কাজী বশিরের স্বামীবাগস্থ বাসভবন "রোজ গার্ডেন" এ অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনের মাধ্যমে "পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ" গঠিত হয়।
- আওয়ামী মুসলিম লীগ একটি অসাম্প্রদায়িক দলে পরিণত হওয়ার অভিপ্রায়ে আওয়ামী লীগে রূপান্তরিত হয়।
- এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৯৫৫ সালের ২১ - ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সদরঘাটের রূপমহল সিনেমা হলে আওয়ামী মুসলিম লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- ২২শে সেপ্টেম্বর শহীদ সোহরাওয়ার্দী দলের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব করলে সর্ব সম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়।
- ফলে ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের লোক আওয়ামী লীগে যোগদানের মধ্য দিয়ে এটি একটি সেকুলার ও সর্বজনীন রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯.
'গারো' উপজাতিরা কোন ধর্মের অনুসারী?
  1. ক) বৌদ্ধ
  2. খ) খ্রিস্টান
  3. গ) জৈন
  4. ঘ) হিন্দু
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।
- তাছাড়াও শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলিবাজার গারো উপজাতি বাস করে।
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নাম সাংসারেক।
- গারোদের প্রধান দেবতা তাতারা রাবুগা।
- গারোদের ধর্ম খ্রিস্টান
- গারোদের উৎসব ওয়ানগালা।
- গারোদের ভাষা মান্দি।
- গারোদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র:- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি , ষষ্ঠ শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৩০.
বাংলাদেশে বর্তমানে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা-
  1. ক) ৪৩ টি
  2. খ) ৫০ টি
  3. গ) ৪৭ টি
  4. ঘ) ৪৯ টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্তমানে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা ৫০ টি
- ২০১১ সালের আদমশুমারিতে দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে ২৭টি। (বি বি এস এর আদমশুমারি রিপোর্ট-২০১১) 
- আদিবাসী ফোরামের তথ্য মতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা ৪৫টি। (বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম এর ওয়েবসাইট) 

তথ্যসূত্র:- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয় প্রকাশিত গেজেট,২০১৯। 
৩১.
বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম তফসিলে কোন বিষয়টি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে?
  1. ক) স্বাধীনতার ঘোষণা
  2. খ) ৭ই মার্চের ভাষণ
  3. গ) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  4. ঘ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
ব্যাখ্যা
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে নতুন ৩টি তফসিল সংযোজন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারে জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম তফসিলে সংযোজন করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।

প্রথম তফসিল
অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।

দ্বিতীয় তফসিল
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।

তৃতীয় তফসিল
শপথ ও ঘোষণা।

চতুর্থ তফসিল
ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

পঞ্চম তফসিল
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।

ষষ্ঠ তফসিল
স্বাধীনতার ঘোষণা।

সপ্তম তফসিল
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৩২.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদাধিকার বলে কোন প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন?
  1. ক) এশিয়াটিক সোসাইটি
  2. খ) সশস্ত্র বাহিনী
  3. গ) জাতীয় পর্যটন পরিষদ
  4. ঘ) বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি
ব্যাখ্যা
পদাধিকার বলে প্রধানমন্ত্রী যেসকল প্রতিষ্ঠানের প্রধান:-
- ECNEC , NEC , BEZA , BEPZA  
- জাতীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন পরিষদ 
- জাতীয় পর্যটন পরিষদ 
- জাতীয় পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি 
- রপ্তানি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি 
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA)
- প্রশাসন সংস্কার ও বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR)

পদাধিকার বলে রাষ্ট্রপতি যেসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান সেগুলো নিম্নরুপ:-
- সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক,
- সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর 
- বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ,
- স্কাউট
- এশিয়াটিক সোসাইটির প্রধান।

তথ্যসূত্র:- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
৩৩.
বিষয়বস্তুর দিক কোন দুটি সংশোধনী পরস্পর বিপরীতধর্মী?
  1. ক) তৃতীয় এবং দ্বাদশ
  2. খ) পঞ্চম এবং সপ্তম
  3. গ) অষ্টম এবং দ্বাদশ
  4. ঘ) চতুর্থ এবং দ্বাদশ
ব্যাখ্যা
- বিষয়বস্তুর দিক দিয়ে সংবিধানের চতুর্থ এবং দ্বাদশ সংশোধনী পরস্পর বিপরীত।
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন পদ্ধতি চালু এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তনে। 
অন্যদিকে,
- ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৭ বছর পর বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৩৪.
জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) সপ্তম
  2. খ) অষ্টম
  3. গ) নবম
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
- জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - অষ্টম
- সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে জনসংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান - ৩য়।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জনসংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান - ৫ম।

- জনসংখ্যা - ১৬ কোটি ৭৯ লাখ। 
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ০.৯%।
- নারী প্রতি প্রজনন হার - ১.৯ জন।
- গড় আয়ু : পুরুষ ৭২ বছর ও নারী ৭৫ বছর।

তথ্যসূত্র:- বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০২২।
৩৫.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে 'জাতির পিতার' স্বীকৃতি প্রদান করা হয়?
  1. ক) সপ্তদশ সংশোধনী
  2. খ) ষোড়শ সংশোধনী
  3. গ) সপ্তম সংশোধনী
  4. ঘ) পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
- পঞ্চদশ সংশোধনী আইন:- সংবিধান আইন ২০১১ (পঞ্চদশ সংশোধনী) পাস হয় ২০১১ সালের ২৫ জুন। 
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। 
- এই সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে ৮,৯,১০,১২ অনুচ্ছেদ পুণর্বহাল করায় বাহাত্তরের মূল সংবিধানের চেতনাকে ধারণ করা সম্ভব হয়েছে। 
- অর্থাৎ ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়। 
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। 
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়। 
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্টীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।