পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়08 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৫: বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস: ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ - কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর (OCR) ইত্যাদি। ২. কম্পিউটারের অঙ্গ-সংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, ALU, BIOS, পাওয়ার সিস্টেম ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতি ও কোড, ডিজিটাল লজিক ইত্যাদি। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
ভার্চুয়াল মেমরির পরিমাণ কোনটির উপর নির্ভরশীল?
  1. রেজিস্টারের সংখ্যা
  2. ক্যাশের আকার
  3. অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থ
  4. প্রসেসরের গতি
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল মেমরির পরিমাণ অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থের উপর নির্ভরশীল। কারণ ভার্চুয়াল মেমরি মূলত প্রসেসরের ব্যবহারযোগ্য অ্যাড্রেস স্পেস দ্বারা সীমাবদ্ধ। অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থ যত বেশি, তত বেশি সংখ্যা প্রদর্শন করা যায় এবং প্রসেসর তত বড় মেমরি ঠিকানা করতে সক্ষম হয়। উদাহরণস্বরূপ, ৩২‑বিট অ্যাড্রেস বাস দিয়ে ২ⁿ মেমরি ঠিকানা করা যায়, যেখানে n হলো অ্যাড্রেস লাইনের সংখ্যা। অন্যদিকে রেজিস্টারের সংখ্যা, ক্যাশের আকার বা প্রসেসরের গতি সরাসরি ভার্চুয়াল মেমরির সীমা নির্ধারণ করে না, যদিও এগুলো পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলে। তাই ভার্চুয়াল মেমরির সম্ভাব্য সর্বোচ্চ আকার অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থ দ্বারা নির্ধারিত হয়।

উত্তর: গ) অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থ।

 • ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন হার্ড ডিস্ক) একত্রে ব্যবহার করে।  
- এটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব RAM এর চেয়ে বেশি মেমোরি ব্যবহার করতে সক্ষম করে।  
- ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেম RAM পূর্ণ হলে, অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্থানান্তরিত করে।  
- অপারেটিং সিস্টেম এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামারকে মেমোরি সীমা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।  
- মূল উদ্দেশ্য: সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়ানো।  

সূত্র: 
- geeksforgeeks [link]

.
ALU যে যৌক্তিক ক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করে, তার মধ্যে রয়েছে -
  1. AND, OR, NOT 
  2. ADD, SUB, MUL 
  3. MOVE, COPY, PASTE
  4. FETCH, DECODE, EXECUTE
ব্যাখ্যা

• ALU বা Arithmetic Logic Unit হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা প্রধানত গণিত ও যৌক্তিক (logical) কাজ সম্পন্ন করে। এটি তথ্য প্রক্রিয়াকরণের সময় AND, OR, NOT মত যৌক্তিক অপারেশনগুলো সম্পন্ন করতে সক্ষম। উদাহরণস্বরূপ, দুইটি বিটের মধ্যে AND অপারেশন করলে শুধুমাত্র উভয়ই ১ হলে ফল ১ হবে, অন্যথায় ০ হবে। একইভাবে, OR এবং NOT অপারেশনগুলো বিভিন্ন যৌক্তিক হিসাব করতে ব্যবহার হয়। ALU সাধারণত ADD, SUB মতো গাণিতিক কাজও করে, কিন্তু যৌক্তিক কাজের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়। অন্য অপশন যেমন MOVE, COPY, PASTE বা FETCH, DECODE, EXECUTE মূলত মেমোরি বা CPU-এর অন্যান্য অংশের কাজ, তাই ALU-এর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।

সঠিক উত্তর: ক) AND, OR, NOT.

• মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) ও
৩. রেজিস্টারসমূহ (Register Set)।

গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit):
- ALU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
হাফ-অ্যাডারের সম আউটপুটের লজিক সার্কিট কোন গেটের উপর নির্ভর করে?
  1. NAND
  2. AND
  3. XOR
  4. OR
ব্যাখ্যা

• হাফ-অ্যাডার হলো একটি মৌলিক ডিজিটাল সার্কিট যা দুটি একবিট ইনপুটকে যোগ করতে ব্যবহৃত হয়। হাফ-অ্যাডারের দুটি আউটপুট থাকে—Sum এবং Carry। এখানে Sum আউটপুটটি নির্ধারিত হয় ইনপুট দুটির XOR (Exclusive OR) অপারেশনের মাধ্যমে, কারণ XOR গেট তখনই ‘1’ আউটপুট দেয় যখন ইনপুটের মধ্যে ঠিক একটি ‘1’ থাকে। অন্যদিকে, Carry আউটপুটের জন্য AND গেট ব্যবহৃত হয়, কারণ Carry তখনই ‘1’ হয় যখন উভয় ইনপুটই ‘1’ হয়। তাই হাফ-অ্যাডারের মূলত Sum আউটপুটের লজিক সার্কিট নির্ভর করে XOR গেটের উপর, যা ইনপুটের পার্থক্য সঠিকভাবে প্রকাশ করে।

উত্তর: গ) XOR.

• অ্যাডার:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা-
১. হাফ-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।

২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে ফুল-অ্যাডার বলে।

• এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
“QWERTY” শব্দটি কী বোঝায়?
  1. একটি অপারেটিং সিস্টেম
  2. এক ধরনের প্রিন্টার
  3. একটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা
  4. একটি কীবোর্ডের বিন্যাস
ব্যাখ্যা

• উত্তর: ঘ) একটি কীবোর্ডের বিন্যাস।

QWERTY হল কীবোর্ডের একটি জনপ্রিয় বিন্যাস যা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এর নাম আসে কীবোর্ডের প্রথম ছয়টি অক্ষর “Q-W-E-R-T-Y” থেকে। এটি মূলত টাইপরাইটারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল, যাতে সাধারণভাবে ব্যবহৃত অক্ষরগুলো একে অপরের কাছাকাছি না থাকে এবং টাইপিং চলাকালীন কীগুলোর জ্যাম কমানো যায়। আজকের সময়ে কম্পিউটার কীবোর্ডেও এই বিন্যাসটি প্রায়শই ব্যবহৃত হয়। QWERTY বিন্যাস শিক্ষার জন্য সহজ এবং দ্রুত টাইপিং করার জন্য মানক ধরা হয়েছে, এবং এটি বিভিন্ন ভাষায় সামান্য পরিবর্তনসহ প্রয়োগ করা হয়।

• ফাংশন কী:
- একটি স্ট্যান্ডার্ড QWERTY কী-বোর্ডের একদম উপরের সারিতে F1 থেকে F12 পর্যন্ত ফাংশন কী-গুলো সাজানো থাকে।

- QWERTY কী-বোর্ডে 'নিউমেরিক কী' থাকে ১৭ টি।
- ফাংশন কী থাকে ১২টি।
- অ্যারো কী থাকে ৪ টি।
- নেভিগেশন কী থাকে ১০টি।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল), নবম-দশম শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।

.
সাধারণভাবে SSD গুলো HDD এর চেয়ে ______।
  1. দ্রুত 
  2. ধীর 
  3. বড়
  4. শব্দ বেশি করে
ব্যাখ্যা

• সাধারণভাবে, SSD (Solid State Drive) গুলো HDD (Hard Disk Drive) এর চেয়ে অনেক দ্রুত। কারণ SSD-এ কোনো চলমান অংশ নেই, বরং এটি NAND ফ্ল্যাশ মেমরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে। HDD-তে ঘূর্ণায়মান ডিস্ক এবং রিড/রাইট হেড থাকে, যা ডেটা অ্যাক্সেসকে ধীর করে। SSD ডেটা পড়া ও লেখা উভয় ক্ষেত্রেই অনেক দ্রুত, তাই সিস্টেম বুট, অ্যাপ্লিকেশন লঞ্চ এবং ফাইল ট্রান্সফার প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত হয়। এছাড়া SSD কম শব্দ করে এবং কম শক্তি ব্যবহার করে, যা ল্যাপটপ এবং মোবাইল ডিভাইসের জন্য সুবিধাজনক। তাই, দ্রুততা এবং স্থায়িত্বের কারণে SSD আজকাল বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।

সঠিক উত্তর: ক) দ্রুত।

• SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

• সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, এসএসডি, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।

• এছাড়াও, 
- HDD: মেকানিক্যাল ঘূর্ণন ভিত্তিক, তুলনামূলক ধীর।
- Floppy Disk: খুব ধীর, প্রায় পুরনো প্রযুক্তি।
- SSD: ফ্ল্যাশ মেমোরি ভিত্তিক, অত্যন্ত দ্রুত।
- SSHD: হাইব্রিড, HDD-এর চেয়ে দ্রুত কিন্তু SSD-এর তুলনায় ধীর।
- সবচেয়ে দ্রুত: SSD.

উৎস: Avast website এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোনটি ইউনিকোড ক্যারেক্টার ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. বিরামচিহ্ন
  2. সংখ্যা
  3. অক্ষর
  4. মেমোরি
ব্যাখ্যা

• ইউনিকোড হলো একটি আন্তর্জাতিক মান, যা কম্পিউটারে সকল ভাষার অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন এবং প্রতীককে স্বতন্ত্রভাবে চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়। ইউনিকোড ক্যারেক্টার ক্যাটাগরি মূলত অক্ষর (Letter), সংখ্যা (Number), বিরামচিহ্ন (Punctuation) ইত্যাদিতে ভাগ করা হয়। এই ক্যাটাগরিগুলো কম্পিউটারকে প্রতিটি চিহ্নের ধরন ও ব্যবহার বুঝতে সাহায্য করে। কিন্তু মেমোরি (Memory) কোনো ক্যারেক্টার ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত নয়। মেমোরি হলো কম্পিউটারের ডেটা সংরক্ষণ বা প্রসেসিং সংক্রান্ত ধারণা, যা ইউনিকোডের ক্যারেক্টার ধরনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- তাই, সঠিক উত্তর হলো ঘ) মেমোরি।


• ইউনিকোড:
• উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

• ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
-  ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

• অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
কোনটি ই-কমার্সে প্রধান চ্যালেঞ্জ?
  1. ডিজিটাল মার্কেটিং বিকল্প
  2. ২৪/৭ উপলব্ধতা
  3. সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি
  4. অগণিত গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো
ব্যাখ্যা

• ই-কমার্সের ক্ষেত্রে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। ডিজিটাল লেনদেন এবং গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে সংরক্ষণ করা হয়। তাই হ্যাকার বা অননুমোদিত প্রবেশকারীরা তথ্য চুরি বা ক্ষতি করতে পারে। এই ঝুঁকি না মোকাবেলা করলে গ্রাহকের আস্থা হারিয়ে যায় এবং ব্যবসার ক্ষতি হয়। অন্যান্য বিষয় যেমন ২৪/৭ উপলব্ধতা, ডিজিটাল মার্কেটিং বা অনেক গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ হলেও, সাইবার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে সমগ্র ই-কমার্স কার্যক্রম বিপন্ন হয়ে পড়ে। তাই এটি সর্বদা অগ্রাধিকার দিতে হয়।

উত্তর: গ) সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি।

• ই-কমার্স (E-Commerce): 
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়। 
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে। 
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে। 

• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো- 
- www.alibaba.com, 
- www.amazon.com, 
- www.daraz.com, 
- www.bikroy.com, 
- www.ebay.com. 

• ই-কমার্স এর ধরণঃ পণ্য বিক্রয়ক্ষেত্র ও লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। 
১। Business to Consumer (B2C), 
২। Business to Business (B2B), 
৩। Consumer to Business (C2B), 
 8। Consumer to Consumer (C2C). 

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
কোন লজিক গেটকে "ইনক্লুসিভ ডিসজংশন" (Inclusive Disjunction) বলা হয়?
  1. NAND
  2. XOR
  3. AND
  4. OR
ব্যাখ্যা

• ইনক্লুসিভ ডিসজংশন (Inclusive Disjunction) বা OR গেট হলো একটি মৌলিক লজিক গেট যা দুটি বা তার বেশি ইনপুটের মধ্যে যেকোনো একটির মান ১ হলে আউটপুট ১ দেয়। অন্যভাবে বলতে গেলে, ইনপুটগুলির মধ্যে এক বা একাধিক “সত্য” হলে আউটপুট সত্য হয়। উদাহরণস্বরূপ, দুটি ইনপুট A এবং B আছে। যদি A=0 এবং B=0 হয়, আউটপুট হবে 0। কিন্তু যদি A=1 এবং B=0 অথবা A=0 এবং B=1 অথবা A=1 এবং B=1 হয়, আউটপুট সব ক্ষেত্রেই 1 হবে। এই বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী, এটি XOR-এর মতো নয় যেটি কেবল একটিমাত্র ইনপুট সত্য হলে ১ দেয়, তাই ইনক্লুসিভ ডিসজংশন OR গেটকে বোঝায়।

সঠিক উত্তর: ঘ) OR.

লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।

- OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
অক্টাল সংখ্যা ব্যবস্থায় কোন অঙ্ক ব্যবহার করা যায়?
  1. 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7 
  2. 0, 1, 3, 5, 7, 9, 11
  3. 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 9
  4. 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8
ব্যাখ্যা

• অক্টাল সংখ্যা ব্যবস্থা হল একটি সংখ্যা পদ্ধতি যা ভিত্তি ৮ ব্যবহার করে। অর্থাৎ, এই ব্যবস্থায় ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮টি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়। অন্য কোনো সংখ্যা যেমন ৮ বা ৯ এখানে থাকতে পারে না। প্রতিটি অঙ্কের মান ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, এবং ৭ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি কম্পিউটার বিজ্ঞান ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বাইনারি সংখ্যাকে সহজে অক্টালে রূপান্তর করা যায়। এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে বড় বাইনারি সংখ্যাকে ছোট এবং সহজ রূপে লেখা যায়। তাই অক্টাল সংখ্যায় শুধুমাত্র 0 থেকে 7 পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহার করা যায়।

সঠিক উত্তর: ক) 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৫১২, ১৬২০, ৬৪ কিন্তু ২৮১ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি - ২
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১০
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১৬

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।

১০.
ক্যাশ মেমোরির প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. নেটওয়ার্ক ট্রাফিক পরিচালনা করা
  2. ব্যবহারকারীর ফাইল সংরক্ষণ করা
  3. সিপিইউর প্রক্রিয়াকরণ গতি বৃদ্ধি করা
  4. স্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমোরি হল একটি ছোট, দ্রুত স্টোরেজ যা সিপিইউর সাথে সংযুক্ত থাকে। এর মূল লক্ষ্য হলো সিপিইউর প্রক্রিয়াকরণ গতি বৃদ্ধি করা। যখন সিপিইউ কোনো তথ্য বা নির্দেশনা বারবার ব্যবহার করে, ক্যাশ মেমোরি সেই তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়। 
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১১.
কোনটি কম্পিউটারের “ব্রেন” হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. RAM
  2. Hard disk
  3. CPU
  4. GPU
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের “ব্রেন” হিসেবে CPU (Central Processing Unit) বিবেচিত হয়। এটি মূলত কম্পিউটারের সকল গণনা ও নির্দেশনা প্রক্রিয়াকরণের কেন্দ্রবিন্দু। CPU কম্পিউটারের অন্যান্য অংশ যেমন RAM, Hard Disk, GPU থেকে তথ্য গ্রহণ করে এবং নির্দেশ অনুযায়ী সেই তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে। এতে Arithmetic Logic Unit (ALU) ও Control Unit (CU) থাকে, যা গাণিতিক ও যৌক্তিক কার্য সম্পাদন এবং নির্দেশনা নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। RAM হলো সাময়িক তথ্যসংরক্ষণ, Hard Disk হলো স্থায়ী তথ্যসংরক্ষণ, আর GPU বিশেষভাবে গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, কম্পিউটারের সিদ্ধান্ত নেওয়া ও কাজ সম্পাদনের মূল ক্ষমতা CPU-এর মধ্যে কেন্দ্রীভূত।

উত্তর: গ) CPU.


• সিপিইউ (CPU - Central Processing Unit):
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

• CPU এর তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
1. ALU (Arithmetic Logic Unit),
2. Control Unit,
3. Memory/Register.

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১২.
বায়োইনফরমেটিক্সের গবেষণার ক্ষেত্র নয় -
  1. ডিএনএ ম্যাপিং
  2. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  3. জিনোম সমাগম
  4. প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া
ব্যাখ্যা

• বায়োইনফরমেটিক্স হল জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণ, জিনোমিক্স, প্রোটিন স্ট্রাকচার ও ফাংশন, এবং জীববৈজ্ঞানিক ডেটার মডেলিং ও বিশ্লেষণে কম্পিউটার ও অ্যালগরিদম ব্যবহার করার বিজ্ঞান। এর মধ্যে ডিএনএ ম্যাপিং, জিনোম সমাগম এবং প্রোটিন-প্রোটিন মিথষ্ক্রিয়ার অধ্যয়ন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার ক্ষেত্র। বায়োইনফরমেটিক্সের মূল লক্ষ্য হলো জটিল জীববৈজ্ঞানিক তথ্যকে বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যদ্বাণীমূলক মডেল তৈরি করা। তবে, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সরাসরি বায়োইনফরমেটিক্সের গবেষণার অংশ নয়। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট মূলত ওয়েবসাইট ও অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার প্রযুক্তি, যা জীববৈজ্ঞানিক ডেটার বিশ্লেষণের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে, কিন্তু নিজেই বায়োইনফরমেটিক্সের গবেষণার ক্ষেত্র নয়।

সঠিক উত্তর: খ) ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। 

বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics):
- বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা হয়।

বায়োইনফরমেটিক্স এর প্রয়োগ/ব্যবহার:
- প্যাটার্ন রিকোগনিশন,
- ডেটা মাইনিং,
- মেশিন ল্যাংগুয়েজ অ্যালগরিদম,
- ভিজ্যুয়ালাইজেশন ইত্যাদি,

বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হচ্ছে
- সিকুয়েন্স এলাইনমেন্ট,
- ডিএনএ ম্যাপিং,
- ডিএনএ এনালাইসিস,
- জিন ফাইন্ডিং,
- জিনোম সমাগম,
- ড্রাগ নকশা,
- ড্রাগ আবিষ্কার,
- প্রোটিনের গঠন,
- প্রোটিনের ভবিষ্যত গঠন,
- জিন সূত্রের ভবিষ্যত,
- প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া,
- জিনোম এর ব্যাপ্তি এবং বিবর্তনের মডেলিং, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৩.
BCD কোড 1000 0100 নিচের দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে?
  1. 82
  2. 84
  3. 86
  4. 88
ব্যাখ্যা

• BCD (Binary-Coded Decimal) কোড হল একটি ৪-বিট বাইনারি সিস্টেম যা প্রতিটি দশমিক সংখ্যাকে আলাদা করে প্রকাশ করে। প্রতিটি ৪-বিটের গ্রুপ একটি দশমিক অঙ্ক নির্দেশ করে।
- BCD কোডের সুবিধা হলো এটি সরাসরি মানুষের পড়ার জন্য সহজ এবং ডিজিটাল সিস্টেমে অঙ্কগুলোর প্রতিফলন সহজ করে।
- BCD কোড 1000 0100 "84" দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে।

​বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ, 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

8 এর বিসিডি 1000
4 এর বিসিডি 0100
∴ 84 এর বিসিডি 1000 0100

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
MICR প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্ভব হয়:
  1. মোবাইল ব্যাংক ব্যবহার
  2. ক্লাউডে তথ্য সংরক্ষণ
  3. ইন্টারনেট ব্যবহার
  4. চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা
ব্যাখ্যা

• MICR প্রযুক্তি (Magnetic Ink Character Recognition) মূলত চেক প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। চেকের নীচে থাকা বিশেষ ধরনের চুম্বকীয় কালি দিয়ে লেখা অক্ষরগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পড়া যায়। এটি ব্যাংকগুলিকে চেক দ্রুত এবং সঠিকভাবে যাচাই ও প্রক্রিয়াকরণে সাহায্য করে। MICR ব্যবহার করে চেকের সংখ্যা, শাখার কোড এবং অ্যাকাউন্ট নম্বর দ্রুত শনাক্ত করা যায়, ফলে মানু‌ষিক ত্রুটি কমে এবং সময় সাশ্রয় হয়। এই প্রযুক্তি মোবাইল ব্যাংক, ক্লাউড স্টোরেজ বা ইন্টারনেট ব্যবহারের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। তাই MICR-এর মূল কাজ হলো চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা।

উত্তর: ঘ) চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা।

⚪ MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৫.
যে ডিভাইস ব্যবহারকারীকে স্ক্রিনে পয়েন্ট ও ক্লিক করতে সাহায্য করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. মাইক্রোফোন
  2. জয়স্টিক
  3. মাউস
  4. স্ক্যানার
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার ব্যবহারে বিভিন্ন ইনপুট ডিভাইস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ডিভাইসগুলো ব্যবহারকারীকে কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে এবং নির্দেশনা দিতে সাহায্য করে। তাদের মধ্যে মাউস এমন একটি ডিভাইস যা স্ক্রিনে কার্সরের অবস্থান নির্ধারণ এবং বিভিন্ন আইকন বা ফাংশনে ক্লিক করার মাধ্যমে কাজ সম্পাদনে সাহায্য করে। মাউস সাধারণত হাতে ধরে ব্যবহার করা হয় এবং এটি বাম ও ডান বাটন এবং মাঝে হুইলসহ আসে। বাম বাটন সাধারণভাবে নির্বাচন বা ক্লিক করার কাজে ব্যবহৃত হয়, ডান বাটন অতিরিক্ত অপশন দেখায়, এবং হুইল স্ক্রল করার সুবিধা দেয়। তাই স্ক্রিনে পয়েন্ট ও ক্লিক করার জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস হলো মাউস।
- উত্তর: গ) মাউস।

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- পেরিফেরাল ডিভাইস হচ্ছে এমন ডিভাইস যা কম্পিউটারের প্রধান ইউনিট (CPU) এর সাথে সংযুক্ত হয়ে ইনপুট বা আউটপুট প্রদান করে। এটি তিন ধরনের হতে পারে:

• ইনপুট ডিভাইস: 
- যা কম্পিউটারকে তথ্য দেয়।
- উদাহরণ: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার।

• আউটপুট ডিভাইস: 
- যা কম্পিউটার থেকে তথ্য নিয়ে ব্যবহারকারীকে প্রদর্শন করে।
- উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, হেডফোন।

• ইনপুট-আউটপুট (I/O) উভয় ডিভাইস: 
- যা ইনপুট ও আউটপুট দুই কাজই করতে পারে।
- উদাহরণ: টাচস্ক্রিন, পেন ড্রাইভ।

তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- Britannica.

১৬.
কোন পদার্থ RFID সিগন্যালকে সবচেয়ে বেশি ব্যাহত করতে পারে?
  1. পানি
  2. প্লাস্টিক
  3. কাগজ
  4. বায়ু
ব্যাখ্যা

• উত্তর: পানি।

RFID (Radio Frequency Identification) সিস্টেমের সিগন্যালগুলি সাধারণত রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে কাজ করে। এই তরঙ্গগুলো বিভিন্ন পদার্থের মধ্যে ভিন্নভাবে চলাচল করে। পানি, উচ্চ-ডাইইইলেকট্রিক কনস্ট্যান্ট এবং আংশিক পরিবাহী হওয়ার কারণে, RFID তরঙ্গকে সবচেয়ে বেশি শোষণ এবং বিচ্যুত করতে পারে। ফলে সিগন্যাল দুর্বল বা সম্পূর্ণ ব্লক হয়ে যেতে পারে।
- অন্যদিকে, প্লাস্টিক, কাগজ, এবং বায়ু খুবই স্বল্প প্রভাব ফেলে; তারা RFID তরঙ্গকে প্রায় অক্ষত রাখে। তাই, যখন RFID ডিভাইসের কার্যকারিতা গুরুত্বপূর্ণ, পানি সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে বিবেচিত হয়।


RFID-এর পরিচিতি ও ব্যবহার:
- RFID-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Radio Frequency Identification।
- এটি হলো ক্রেডিট কার্ডের মতো পাতলা এবং ছোট একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা কোনো বস্তু, ব্যক্তি বা প্রাণীকে শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এতে খুব ছোট একটি চিপ, একটি কয়েল ও অ্যান্টেনা থাকে।
- প্রাণীদেহের RFID ট্যাগগুলো সাধারণ RFID ট্যাগ থেকে একটু ভিন্ন হয়; এগুলো ক্যাপসুল আকৃতির হয়।
- সাধারণত পোষা প্রাণী যেমন গরু, ছাগল ইত্যাদির পরিচয় নির্দিষ্ট করার জন্য RFID ট্যাগ তাদের দেহে সিরিঞ্জের মাধ্যমে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।

RFID-এর ব্যবহার:
- কোনো প্রাণী ট্র্যাক (track) করা বা প্রাণীটির অবস্থান নির্ণয় করা।
- স্ক্রু আকৃতির ট্যাগকে গাছে কিংবা কাঠের জিনিসে লাগানো, যা পরে আইডেন্টিফিকেশনের সুবিধা দেয়।
- ক্রেডিট কার্ড শেপের ট্যাগ ব্যবহার করে অফিস-বাসায় মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা।
- দোকানে পণ্যের মধ্যে RFID ট্যাগ লাগিয়ে চুরি প্রতিরোধ করা (ট্যাগ দোকানের বাইরে গেলে অ্যালার্ম বেজে উঠবে)।
- শিপিং কন্টেইনার, ভারী যন্ত্রপাতি ইত্যাদি পরিবহণের সময় RFID ট্যাগ ব্যবহার করে পরিচয় নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৭.
CPU-র রেজিস্টার বলতে কী বোঝায়?
  1. মেমোরি কার্ডের একটি ধরন
  2. CPU-এর বাইরে একটি তথ্য সংরক্ষণের জায়গা
  3. CPU-এর ভেতরে দ্রুত কাজ করা ছোট স্টোরেজ
  4. সফটওয়্যার প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা

• উত্তর: গ) CPU-এর ভেতরে দ্রুত কাজ করা ছোট স্টোরেজ।

CPU-এর রেজিস্টার হলো মাইক্রোপ্রসেসরের ভেতরে থাকা অত্যন্ত দ্রুত এবং ছোট আকারের ডেটা স্টোরেজ ইউনিট। এগুলো প্রধানত তথ্য ও নির্দেশনা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়, যাতে CPU দ্রুত গণনা ও প্রসেসিং করতে পারে। রেজিস্টার মেমোরির তুলনায় অনেক দ্রুত, কারণ এগুলো সরাসরি প্রসেসরের অংশ। বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার থাকে, যেমন সাধারণ উদ্দেশ্যের রেজিস্টার, অ্যাকিউমুলেটর, স্ট্যাক পয়েন্টার, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার ইত্যাদি। রেজিস্টার ডেটা লোড, সংরক্ষণ এবং অংক কষার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর ব্যবহার CPU-কে কার্যকর ও দ্রুতগতিতে কাজ করতে সহায়তা করে।

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ ছাড়াও রেজিস্টারে কম্বিনেশনাল গেইট থাকতে পারে যা কোন ডাটা প্রসেসিংয়ের কাজ করতে পারে।

- রেজিস্টারে ডাটার স্থানান্তর তিনভাবে হতে পারে। যথা-
১. প্যারালাল স্থানান্তর,
২. সিরিয়াল স্থানান্তর ও
৩. মিশ্রভাবে স্থানান্তর।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।