পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২৮: বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি: [গুরুত্বপূর্ণ মহাদেশ, দেশ (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়ার, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার, দক্ষিণ আফ্রিকা, জাপান প্রভৃতি) ইত্যাদি সম্পর্কিত সাধারণ তথ্য, ইতিহাস ও রাজনীতি] ২. আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক: [নিরস্ত্রীকরণ, নিরাপত্তা ও কূটনীতি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিসমূহ (অর্থনৈতিক ও পরিবেশ সংক্রান্ত চুক্তি বাদে)]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
'INF' চুক্তিটি কোন দুইটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
  4. রাশিয়া ও চীন
ব্যাখ্যা

'INF' চুক্তি:
- INF-এর পূর্ণরূপ: The Intermediate-Range Nuclear Forces.
- এটি হলো মাঝারি পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮৭ সালের ৮ ডিসেম্বর। 
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- স্বাক্ষরকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ।

উল্লেখ্য,
⇒ এই চুক্তির মাধ্যমে ভূমিতে স্থাপিত ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ক্রুজ মিসাইল নিষিদ্ধ করা হয়।
- সমুদ্রে ও আকাশে ব্যবহৃত মিসাইল এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

⇒ ১ জুন, ১৯৯১ তারিখ চুক্তির বাস্তবায়নের সময়সীমার মধ্যে দেশ দুটি প্রায় ২৬৯২টি মিসাইল ধ্বংস করে।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর এই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিলে ক্তিটি অকার্যকর হয়ে যায়।
- ২ আগস্ট, ২০১৯ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে INF চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে।

উৎস: Arms Control Association.

.
ভারত কর্তৃক কত সালে সিকিম সংযুক্ত হয়?
  1. ১৯৬৮ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

সিকিম:
- ভারতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম রাজ্য সিকিম।
- সিকিম পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার পাদদেশে অবস্থিত। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬ হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত।  মাত্র ৭,০৯৬ বর্গ কিলোমিটারের ছোট্ট রাজ্যটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপার লীলাভূমি।
- রাজধানী: গ্যাংটক।
- সিকিম প্রথমে স্বাধীন অঞ্চল হিসেবে থাকলেও বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে ১৯৭৫ সালে ভারতের প্রজাতন্ত্রের অংশ হয়।

⇒ সিকিমে ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফলে অসন্তুষ্ট হয়ে ভোট কারচুপির অভিযোগ আনে লেন্দুপ দর্জির নেতৃত্বাধীন সিকিম ন্যাশনাল কংগ্রেস
- ১৯৭৪ সালে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং নির্বাচনে লেন্দুপ দর্জি অস্বাভাবিক ব্যবধানে বিজয় লাভ করে।
- ৩২টি আসনের মধ্যে ৩১টি আসনেই তার দল জয়ী হয়েছিল।
- এতে সিকিমের প্রধানমন্ত্রী হন লেন্দুপ দর্জি।
- ১৯৭৫ সালের ২৭ মার্চ লেন্দুপ দর্জি কেবিনেট মিটিংয়ে রাজতন্ত্র বিলোপের প্রশ্নে একটি সাজানো গণভোটের আয়োজন করেন।
- যার ফলাফলস্বরূপ অবসান ঘটে চোগিয়াল পদের।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৭৫ ভারতের ২২তম রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় সিকিম।

উৎস: Britannica.

.
কত তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়?
  1. ৪ জুলাই, ১৭৭৬
  2. ১৪ জুলাই, ১৭৭৬
  3. ৪ জুলাই, ১৭৮৯
  4. ১৪ জুলাই, ১৭৮৯
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- আবিষ্কারক: ১৪৯২ সালে ইতালিয়ান নাবিক কলম্বাস।
- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস: ৪ জুলাই।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩ টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০ টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা: ৫৩৮ টি।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্যে ন্যূনতম ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন হয়।
- আইনসভা: কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ডোনাল্ড ট্রাম্প।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে।
- এই দিনে মার্কিন দ্বিতীয় কন্টিনেন্টাল কংগ্রেস টমাস জেফারসনের লেখা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুমোদন করে এবং এটিই স্বাধীনতা ঘোষণার আনুষ্ঠানিক তারিখ হিসেবে পালিত হয়। 
- এই দিনে ব্রিটিশ শাসন থেকে আমেরিকার ১৩টি রাজ্যের নেতারা স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৭৭৭ সালের ৮ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ও ফিলাডেলফিয়ায় ৪ জুলাই প্রথম স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হয়।
- ইংল্যান্ডের শাসন থেকে পৃথক হওয়ার জন্য ১৭৭৬ সালের ২ জুলাই ভোট দেয় যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় কন্টিনেন্টাল কংগ্রেস। এর দুদিন পর স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় কংগ্রেস। কিন্তু ব্রিটেনের সঙ্গে পৃথক হতে ২ আগস্ট চূড়ান্ত স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হলেও ৪ জুলাই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করে যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: Britannica.

.
অটোয়া চুক্তি অনুযায়ী, সদস্য দেশগুলোকে কত বছরের মধ্যে মজুদকৃত স্থলমাইন ধ্বংস করতে হবে?
  1. ৪ বছরের মধ্যে
  2. ৫ বছরের মধ্যে
  3. ৮ বছরের মধ্যে
  4. ১০ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা

অটোয়া চুক্তি:
- এর আরেক নাম স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention)।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।
- এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

⇒ অটোয়া চুক্তি অনুযায়ী, সদস্য দেশগুলোকে চুক্তি কার্যকর হওয়ার ৪ বছরের মধ্যে তাদের মজুদকৃত স্থলমাইন ধ্বংস করতে হবে এবং ১০ বছরের মধ্যে মাটির খনি ধ্বংস করতে হবে।
- ধ্বংসের বাধ্যবাধকতা পূরণের জন্য দেশগুলি ১০ বছর পর্যন্ত নবায়নযোগ্য সম্প্রসারণের অনুরোধ করতে পারে।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, পাকিস্তান এবং রাশিয়াসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ল্যান্ডমাইন উৎপাদক এবং ব্যবহারকারী দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।
- বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে। চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

.
ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল নামে পরিচিত ‘ম্যাগনাকার্টা’ অধিকার সনদে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. রানী ভিক্টোরিয়া
  2. রাজা জন
  3. দ্বিতীয় এলিজাবেথ
  4. টনি ব্লেয়ার
ব্যাখ্যা

যুক্তরাজ্য:
- ‘ইউনাইটেড কিংডম অব গ্রেট ব্রিটেন অ্যান্ড নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড’’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ যুক্তরাজ্য বা ইউকে।
- এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র।
- এই রাষ্ট্রটি গঠিত হয়েছে চারটি পৃথক দেশের সমন্বয়ে: ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড।
- সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সংবিধান: অলিখিত।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্র প্রধান: রানি বা রাজা।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: কিয়ের স্টারমার (লেবার পার্টি)।
- বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।
- যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (হাউস অফ কমন্স ও হাউস অফ লর্ডস)।

⇒ ম্যাগনাকার্টা:
- ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল এবং ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র বলা হয় ম্যাগনাকার্টাকে।
- ইংল্যান্ডের অজনপ্রিয় রাজা জন ও বিদ্রোহী ব্যারনদের মধ্যে শান্তি বজায় রাখার জন্য যে চুক্তি করা হয়, সেটিই ম্যাগনাকার্টা বা গ্রেট চার্টার নামে পরিচিত।
- ইংল্যান্ডের টেমস নদীর পারে ১২১৫ সালের ১৫ জুন রানিমেইড নামক স্থানে বসে কিং জন চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।
- এই ম্যাগনাকার্টা বিলকে বলা হয় ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল। 

উৎস: Britannica.

.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির ফলে মিশর কোন অঞ্চলটি ফেরত পায়?
  1. গোলান মালভূমি
  2. পশ্চিম তীর
  3. গাজা উপত্যকা
  4. সিনাই উপদ্বীপ
ব্যাখ্যা

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords):
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি একটি ঐতিহাসিক চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।

⇒ ফলাফল: মিশর ইসরাইলের স্বীকৃতি দেয়, সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে, সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: Britannica.

.
নিম্নের কোনটি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রশাসনিক রাজধানী?
  1. প্রিটোরিয়া
  2. ব্লোয়েমফন্টেইন
  3. কেপ টাউন
  4. মেলবোর্ন
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- দুই মহাসাগর মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলীয় তটরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৩৯ মাইল।
- দেশটির আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- যথা: উচ্চকক্ষ National Council, নিম্নকক্ষ National Assembly.
- মুদ্রা: র‍্যান্ড।

⇒ দক্ষিন আফ্রিকার রাজধানী ৩টি। যথা:
• নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া।
• সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন।
• বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) Britannica.

.
বার্লিন প্রাচীর কত সালে নির্মাণ করা হয়?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা

বার্লিন প্রাচীর:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ও স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার ঐতিহাসিক নিদর্শন বার্লিন প্রাচীর।
- এই প্রাচীর জার্মানির বার্লিন শহরকে বিভক্ত করেছিল।
- এর একদিকে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাবে থাকা সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি এবং অপর দিকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণাধীন পুঁজিবাদী পশ্চিম জার্মানি।

উল্লেখ্য, 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি প্রধানত চারভাগে বিভক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে চলে যায়।
- স্নায়ুযুদ্ধের ফলে ফ্রান্স, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের অধীনের অংশগুলো একত্রিত করে গঠিত হয় ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি) এবং সোভিয়েত ইউনিয়নেরে অধীনের অংশে গঠিত হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব জার্মানি (পূর্ব জার্মানি)।
- পুঁজিবাদী শাসনব্যবস্থার ফলে পশ্চিম জার্মানি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
- অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি অপেক্ষাকৃত কম উন্নত হওয়ায় এ অংশের জনগণ পশ্চিম জার্মানিতে গমন করা শুরু করে।
- এ পরিস্থিতিতে পশ্চিম জার্মানির পুঁজিবাদের ধাক্কা যেন পূর্ব জার্মানিতে না লাগে এবং অভিবাসন যেন ঠেকানো যায় সে লক্ষ্যে তৎকালীন সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ ১৯৬১ সালে পূর্ব ও পশ্চিম বার্লিনের মাঝখানে একটি প্রাচীর নির্মাণের আদেশ দেন। তাঁর আদেশ অনুযায়ী ১৯৬১ সালের ১৩ আগস্ট পূর্ব জার্মানি বার্লিন শহরের মাঝ দিয়ে তৈরি করা হয় বার্লিন প্রাচীর।
- এ প্রাচীরের দৈর্ঘ্য ছিল ১৫৫ কি.মি।

⇒ বার্লিন প্রাচীরের পতন:
- স্নায়ুযুদ্ধের সমাপ্তি ক্ষণে এই প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয়।
- ৯ নভেম্বর, ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতন ঘটে।
- ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ সালে দুই জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি) একত্রিত হয়ে ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি নাম ধারণ করেছিল৷

উৎস: Britannica.

.
রাশিয়ার আইনসভার নাম কী?
  1. কংগ্রেস
  2. ফেডারেল অ্যাসেম্বলি
  3. সেনেট
  4. ডায়েট
ব্যাখ্যা

রাশিয়া:
- আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়া।
- উত্তর এশিয়া ও পূর্ব ইউরোপের বিশাল অংশজুড়ে রাশিয়ার অবস্থান। 
- এর উত্তরে আর্কটিক মহাসাগর, পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগর এবং দক্ষিণে কাস্পিয়ান সাগর ও ককেশাস পর্বতমালা। 
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর রাশিয়ান ফেডারেশন গঠিত হয়।
- রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি।
- সম্পূর্ণ নাম: ফেডারেশন অব রাশিয়া।
- রাজধানী: মস্কো।
- মুদ্রা: রুশ রুবল। 
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। 
- প্রধানমন্ত্রী: মিখাইল মিশুস্টিন (Mikhail Mishustin)। 
- আইনসভা: ফেডারেল অ্যাসেম্বলি (উচ্চকক্ষ কাউন্সিল অব দ্য ফেডারেশন, নিম্নকক্ষ স্টেট ডুমা)। 

উৎস: Britannica.

১০.
কোন যুদ্ধে ইসরায়েল গোলান মালভূমি দখল করে?
  1. প্রথম আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ
  3. ছয় দিনের যুদ্ধ
  4. ইয়োম কিপুর যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

গোলান মালভূমি:
- গোলান মালভূমি সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি। 
- গোলান মালভূমি নিয়ে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত গোলান মালভূমি সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- ১৯৬৭ সালে ছয় দিনের যুদ্ধের সময় গোলান মালভূমিজুড়ে ইসরায়েলের ওপর হামলা চালায় সিরিয়া। কিন্তু ইসরায়েল পাল্টা প্রতিরোধ নেয় এবং গোলানের ১২০০ বর্গকিলোমিটার (৪৬০ বর্গমাইল) এলাকা দখল করে নেয়।
- ১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের (যা ইয়োম কিপুর যুদ্ধ নামেও পরিচিত) সিরিয়া গোলানের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
- ১৯৭৪ সালে দুই দেশই অস্ত্রবিরতিতে সই করে। চুক্তির শর্ত মেনে দুই পক্ষকেই মালভূমির ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি লম্বালম্বি এলাকা ছেড়ে নিজ নিজ বাহিনীকে সরিয়ে নিতে হয়। এই এলাকাটি পরিচিত 'এরিয়া অব সেপারেশন' নামে। এরপর সেখানে জাতিসংঘ নিয়োজিত 'ডিজএনগেজমেন্ট অবজারভার ফোর্স' মোতায়েন করা হয় অস্ত্রবিরতির বিষয়টিতে নজর রাখার জন্য।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার ঘোষণা করে যে  গোলান মালভূমি এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।

⇒ ৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- ৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ দিন।
- এটি ছয় দিনের যুদ্ধ বা জুন যুদ্ধ নামেও পরিচিত।
- ৫ - ১০ জুন পর্যন্ত মাত্র ছয় দিনের এ যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।

⇒ ইসরায়েল মিসরের বিমানবাহিনীর ওপর নিবৃত্তিমূলক হামলা চালালে এই যুদ্ধ শুরু হয়। কারণ, মিসর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তারা গাজা ও সিনাই উপদ্বীপ থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী সদস্যদের বিতাড়ন করবে। একই সঙ্গে তারা তিরান প্রণালি দিয়ে ইসরায়েলের জাহাজ চলাচলও বন্ধ করে দিয়েছিল। 
- ছয় দিন যুদ্ধের পর ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ, গাজা উপত্যকা, গোলান উপত্যকা, পশ্চিম তীর ও পুরো জেরুজালেম দখল করে নেয়। 

উৎস: Britannica.

১১.
নিম্নের কোন দুই রাষ্ট্রপ্রধান 'New START চুক্তি'তে স্বাক্ষর করেছেন?
  1. ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভ্লাদিমির পুতিন
  2. বারাক ওবামা এবং দিমিত্রি মেদভেদেভ
  3. জো বাইডেন এবং সের্গেই লাভরভ
  4. ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং দিমিত্রি মেদভেদেভ
ব্যাখ্যা

New START চুক্তি:
- New START চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে একটি পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৮ এপ্রিল, ২০১০।
- কার্যকর হয়: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১।
- স্বাক্ষর করেছিলেন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ।

⇒ মস্কো ও ওয়াশিংটন মোট কতসংখ্যক কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারবে, তার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত করে দিয়েছিল এই চুক্তি। চুক্তি অনুযায়ী, উভয় দেশের সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৫০টি পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের সুযোগ ছিল।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ‘নিউ স্টার্ট চুক্তি’ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎস: Nuclear Threat Initiative.

১২.
উত্তর কোরিয়া কত সালে NPT চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে?
  1. ২০০১ সালে 
  2. ২০০২ সালে 
  3. ২০০৩ সালে 
  4. ২০০৫ সালে 
ব্যাখ্যা

'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।

⇒ আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।
- ৫টি রাষ্ট্র: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি। কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত। 
- উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল। কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
ii) UNODA ওয়েবসাইট।

১৩.
মিশরে আরব বসন্তের ফলে কোন নেতার পতন ঘটে?
  1. বাশার আল-আসাদ
  2. মুয়াম্মার গাদ্দাফি
  3. আবদুল্লাহ সালেহ মনসুর
  4. হোসনি মুবারক
ব্যাখ্যা

আরব বসন্ত:
- আরব বসন্ত বলতে আরবের বিভিন্ন দেশের গণজাগরণকে বুঝায়।
- ২০১০ সালের শেষের দিকে শুরু হওয়া আরব রাষ্ট্রগুলোর জনগণের বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ ও আন্দোলন সংগঠিত হয় বলে এটি আরব বসন্ত বা আর রবিউল আরাবি নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত হয়ে ওটে।
- এই আন্দোলনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের বহু দেশেই দীর্ঘকাল ধরে শাসনকারী স্বৈরশাসকরা ক্ষমতা থেকে উৎখাত হন।

⇒ আরব বসন্তের সূচনা হয় তিউনিসিয়ায় জেসমিন বিপ্লবের মাধ্যমে।
- ২০১০ এবং ২০১১ সালে মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকায় গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভ এবং বিদ্রোহের ঢেউ শুরু হয়েছিল।
- এই বিক্ষোভ পরে মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে যায়।
- প্রথমে মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারকের পতন হয়।
 - ২০১১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা থেকে বিদায় নেন মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারক। পরে লিবিয়ায় মুয়াম্মর আল-গাদ্দাফি জমানার অবসান হয়। জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লাহ নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেন।  নভেম্বরে ইয়েমেনের রাষ্ট্রপতি আলী আবদুল্লাহ সালেহ মনসুর আল হাদির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। এ ছাড়া আলজেরিয়া, বাহরাইন, ইরান, মরক্কোয় বড় ধরনের বিদ্রোহ হয়। তবে লেবানন, মৌরিতানিয়া, সৌদি আরব, সুদান এবং পশ্চিম সাহারায় বড় ধরনের না হলেও বিক্ষোভ দেখা যায়।
- ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের পতন ঘটে।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.

১৪.
কানাডার কোন প্রদেশে ফরাসি ভাষী জনগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. আলবার্টা
  2. কুইবেক
  3. নিউ ব্রান্সউইক
  4. নোভা স্কোশিয়া
ব্যাখ্যা

কানাডা:  
- কানাডা উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।
- যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৮৬৭ সালে।
- রাজধানী: অটোয়া।
- মুদ্রার নাম: ডলার।
- রাষ্ট্রের প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস ও রাষ্ট্রের সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: মার্ক কার্নি।
- কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়। 

উল্লেখ্য, 
- কানাডার কুইবেক অঙ্গরাজ্যে সর্বাধিক ফরাসিভাষী জনগোষ্ঠী বাস করে। কুইবেকে প্রায় ৮০% লোক ফরাসি ভাষা ব্যবহার করে।
- কানাডার অন্য অঙ্গরাজ্যগুলোতে সর্বাধিক ব্যবহৃত ভাষা ইংরেজি।

উৎস: i) Government of Canada.
ii) Britannica.

১৫.
নিম্নের কোন দেশটি সর্বাধিক টাইম জোন দ্বারা বিভক্ত?
  1. রাশিয়া 
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন 
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

ফ্রান্স:
- ফ্রান্স উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের দেশ।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভূমধ্যসাগর, আল্পস এবং পিরেনিস দ্বারা বেষ্টিত। দেশটির উত্তর-পূর্বে বেলজিয়াম এবং লুক্সেমবার্গে, পূর্বে জার্মানি, সুইজারল্যান্ড এবং ইতালি ও দক্ষিণ-পূর্বে, মোনাকো এবং ভূমধ্যসাগর অবস্থিত।
- রাজধানী: প্যারিস।
- মুদ্রা: ইউরো।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: সেবাস্তিয়ান লেকর্নু।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: ইমানুয়েল মাক্রোঁ।
- সংবাদ সংস্থা: এজেন্সি ফ্রান্স প্রেস (এএফপি)।
- বিমান সংস্থা: এয়ার ফ্রান্স।

উল্লেখ্য,
- ফ্রান্স বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক টাইম জোনে বিভক্ত দেশ।
- দেশটির মোট ১২টি (বা অ্যান্টার্টিকাতে দাবি সহ ১৩টি) টাইম জোন রয়েছে।
- ফ্রান্সের মূল ভূখণ্ডটি একটি টাইম জোনে অবস্থিত হলেও ক্যারিবীয়, প্রশান্ত মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগরের মতো বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা এর অনেক উপনিবেশ এবং overseas territories রয়েছে।
- এই অঞ্চলগুলি ক্যারিবীয়, প্রশান্ত মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগরে ছড়িয়ে আছে, যার ফলে ফ্রান্সের একাধিক টাইম জোন রয়েছে। 

⇒ সবচেয়ে বেশি টাইম জোনে বিভক্ত দেশসমূহ:
১) ফ্রান্স: ১৩টি।
২) রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র: ১১টি।
৩) অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্য: ৯টি।
৪) কানাডা: ৬টি।
৫) ডেনমার্ক ও নিউজিল্যান্ড: ৫টি।

উৎস: i) Britannica.
ii) Worldatlas.

১৬.
ট্রুম্যান ডকট্রিনের মূল লক্ষ্য কী ছিল?
  1. সোভিয়েত সাম্যবাদের বিস্তার রোধ করা
  2. ইউরোপে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা
  3. পূর্ব ইউরোপে কমিউনিস্ট সরকারের পতন ঘটানো
  4. পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলির অর্থনৈতিক পুনর্গঠন
ব্যাখ্যা

ট্রুম্যান ডকট্রিন:
- হ্যারি এস. ট্রুম্যান ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম রাষ্ট্রপতি।
- ১২ মার্চ, ১৯৪৭ সালে কংগ্রেসে  তিনি ঘোষণা করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন বিশ্বরাজনীতিতে বিচ্ছিন্নতার নীতি (মনরো নীতি) অনুসরণ করে আসছে। কিন্তু সোভিয়েত সাম্যবাদের প্রসার রোধ করার উদ্দেশ্যে সেই নীতি থেকে তারা সরে আসবে। তিনি আরও বলেন, যেসব জাতি সশস্ত্র সংখ্যালঘুদের কিংবা কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের আক্রমণের স্বীকার হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের আর্থিক ও সামরিক সাহায্য দেবে।
- এভাবে বিচ্ছিন্নতার নীতির পরিবর্তে ট্রুম্যান যে সামরিক সক্রিয়তার নীতি নিলেন তা-ই ইতিহাসে 'ট্রুম্যান নীতি' (ট্রুম্যান ডকট্রিন) নামে পরিচিত।
- ট্রুম্যান ডকট্রিনের মূল লক্ষ্য হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূ-রাজনৈতিক বিস্তার প্রতিরোধ করা।

⇒ ট্রুম্যানের এই নীতি ঘোষণার পিছনে কয়েকটি কারণ -
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কমিউনিস্টদের শক্তি বৃদ্ধি ঘটে। এই ঘটনা আমেরিকা সহ পশ্চিমি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলিকে উদ্বিগ্ন করে তোলে।
- ইংল্যান্ড আমেরিকাকে সতর্ক করে যে, ব্রিটিশ সৈন্য গ্রিস থেকে ফিরে আসার পর সেখানে কমিউনিস্টদের প্রাধান্য স্থাপিত হলে সমগ্র ভূমধ্যসাগর ও বলকান অঞ্চল মিত্রশক্তির নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। এই সতর্কবার্তায় আমেরিকা সচকিত হয়ে পড়ে।
- বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মার্কিন বাণিজ্যে মন্দা ও অস্ত্রনির্মাণ সংস্থা উৎপাদন হ্রাস ও কর্মী ছাঁটাইয়ের আশঙ্কায় ভুগতে থাকে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ট্রুম্যান তাঁর সামরিক সক্রিয়তার নীতি গ্রহণ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের দেশগুলির আর্থিক অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়ে। এই অবস্থার সুযোগ নিয়ে বিনা সুদে ঋণ দেওয়ার বিনিময়ে আমেরিকা এই সব দেশে শিল্পপণ্যের বাজার দখলের পরিকল্পনা করে।

উৎস: National Archives | (.gov).