পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

পরীক্ষাBJS & BARতারিখ৬ মার্চ, ২০২৪সময়50 minutes
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
১৫শ বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস প্রিলিমিনারি (MCQ) পরীক্ষা-২০২২
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

BJS & BAR · ৬ মার্চ, ২০২৪ · ১০০ প্রশ্ন

.
অগ্রক্রয় অধিকারের মধ্যে কার দাবী অগ্রগণ্য?
  1. শাফি-ই-জার
  2. মুকাররারীদার
  3. শাফি-ই-শরিক
  4. শাফি-ই-খালিত
ব্যাখ্যা
⇒ যে ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে:
- ৩ শ্রেণির ব্যক্তি আছে যারা অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। এই ৩ শ্রেণির ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে না, তারা হলো
ক. Shafi sharik বা সহ অংশীদার।
খ. Shafi Khalit বা সম্পত্তিতে সংলগ্ন সুবিধাদিতে শরিক; যেমন: Easement সুবিধা।
গ. Shafi Jar বা সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

- Shafi sharik বা সহ অংশীদার: Shafi Sharik শব্দের অর্থ হল সহ-অংশীদার। যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি উত্তরাধিকার সূত্রে কিংবা ক্রয় সূত্রে কোনো স্থাবর সম্পত্তির যৌথ মালিক হয়, তাদের যে কারো অন্যজন বা অন্যান্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে অগ্রক্রয়ের অধিকার রয়েছে।

- Shafi Khalit বা সম্পত্তিতে সংলগ্ন সুবিধাদিতে শরিক: Shafi Khalit অর্থ হল কোনো সম্পত্তির সুবিধাদিতে শরিক। যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোনো স্থাবর সম্পত্তিতে সুবিধাদির শরিক হয়, তাহলে যেকোনো ব্যক্তি যার সেরকম সুবিধা রয়েছে, অন্যান্য ব্যক্তি যারা সেরকম সুবিধাদি ভোগ করে এর বিরূদ্ধে অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। অর্থাৎ যারা সম্পত্তির সুবিধাদিতে শরিক তারাও অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।

- Shafi Jar বা সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক: Shafi Jar অর্থ হল সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক। হানাফি আইন অনুসারে বিক্রিত ভূমির সংলগ্ন ভূমির মালিক অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।

⇒ অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের জন্য শর্ত:
১) অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে, ক্রমিক অনুসারে অগ্রাধিকার পাবে।
২) ক্রমিকানুসারে একশ্রেণির বর্তমানে পরের শ্রেণিগুলো এ অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন।
৩) একই শ্রেণিভুক্ত দুই বা ততোধিক অগ্রক্রয়াধিকারী থাকলে- প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবেন বা সমান ভাগ পাবে।
৪) এই ৩ শ্রেণীর ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ অগ্রক্রয়াধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।

অর্থাৎ- উক্ত ৩ শ্রেণির মধ্যে ১ম শ্রেণির কেউ থাকলে ২য় শ্রেণির দাবি থাকবে না। আবার, ২য় শ্রেণির কেউ থাকলে ৩য় শ্রেণির দাবী থাকবে না। কিন্তু যে ক্ষেত্রে একই শ্রেণিভুক্ত একাধিক দাবিদার থাকে সে ক্ষেত্রে তারা সবাই সমান অংশে অগ্রক্রয় করতে পারবে।
.
পারিবারিক আদালত বিবাদীর উপস্থিতির জন্য অনধিক কত দিন সময় দিয়ে সমন প্রদান করবেন?
  1. ৩০
  2. ৪৫
  3. ৬০
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৭ ধারার বিধান সমন ও নোটিশ জারিকরণ:
 (১) পারিবারিক আদালতে আরজি দাখিল করিবার পর আদালত নিম্নরূপ উদ্যোগ গ্রহণ করিবে, যথা:-
(ক) বিবাদীর উপস্থিতির জন্য সাধারণভাবে অনধিক ৩০(ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্যকরণ;
(খ) বিবাদীর প্রতি নির্ধারিত তারিখে হাজির হইবার এবং জবাব প্রদানের জন্য সমন জারি;
(গ) বিবাদীর নিকট প্রাপ্তিস্বীকারপত্র সংবলিত রেজিস্ট্রি ডাকযোগে মোকদ্দমার নোটিশ প্রেরণ; এবং
(ঘ) উপরিউক্ত দফা (খ) ও (গ) এর অধীন সমন জারি ও নোটিশ প্রেরণের পাশাপাশি আদালত, বাদী কর্তৃক খরচ বহন করিবার শর্তে, আরজিতে উল্লিখিত বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাদী কর্তৃক সরবরাহকৃত বিবাদীর ইমেইল ঠিকানায় সমন জারি করিবেন, তবে ইমেইল ঠিকানার সঠিকতা সম্পর্কে আদালত সন্তুষ্ট হইলে উক্তরূপে জারীকৃত সমন বিবাদীর উপর যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) উপধারা (১) এর অধীন জারীকৃত প্রত্যেকটি সমন এবং প্রেরিত নোটিশের সহিত আরজির নকল এবং ধারা ৬ এর উপধারা (৫) ও (৬) এ উল্লিখিত দলিলসমূহের তালিকার অনুলিপি সংযুক্ত করিতে হইবে।

(৩) উপধারা (১) এর দফা (খ) এর অধীন জারীকৃত সমন দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ নং আদেশের বিধি ৯(১), ৯(২), ৯(৪), ৯(৫), ৯এ, ১০, ১১, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯এ, ২০, ২১, ২৩, ২৪, ২৫(১), ২৬, ২৭, ২৮ এবং ২৯ এ বর্ণিত পদ্ধতিতে জারি করিতে হইবে এবং উক্তরূপে জারীকৃত সমন বিবাদীর উপর যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) উপধারা (১) এর দফা (গ) এর অধীন প্রেরিত নোটিশ বিবাদীর উপর তখনই যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে যখন বিবাদী কর্তৃক স্বাক্ষরিত প্রাপ্তিস্বীকারপত্র আদালত কর্তৃক গৃহীত হয় অথবা আদালত নোটিশ বহনকারী ডাকটি ডাক কর্মচারীর এই মর্মে লিখিত মন্তব্যসহ ফেরত পান যে, নোটিশ বহনকারী ডাক বিবাদীকে প্রদানে যাচনা করিবার পর তিনি উহা গ্রহণে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিয়াছেন:

তবে শর্ত থাকে যে, নোটিশ যথাযথভাবে ঠিকানাযুক্ত অগ্রিম প্রদত্ত প্রাপ্তিস্বীকারপত্রসহ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে যথাযথভাবে প্রেরিত হইয়া থাকিলে নোটিশ ডাকে দেওয়ার তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিন অতিবাহিত হইবার পর যদি প্রাপ্তিস্বীকারপত্রটি হারাইয়া যায় বা ভুল ঠিকানায় চলিয়া যায় বা অন্য কোনো কারণে উক্ত সময়ের মধ্যে আদালত কর্তৃক প্রাপ্ত না হয় তাহা হইলে বিবাদীর উপর উহা যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) উপধারা (১) এর দফা (খ) এর অধীন জারীকৃত সমন প্রেরণ সংক্রান্ত খরচ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন সমন জারির খরচের ন্যায় হইবে এবং উপধারা (১) এর দফা (গ) এর অধীন প্রেরিত নোটিশের ডাক খরচ আরজি দাখিলের সময় বাদী কর্তৃক প্রদেয় হইবে।
.
সালিসী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত স্ত্রী থাকাকালীন পুনঃবিবাহ করলে তার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড -
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ ধারা ৬ এর বিধান বহুবিবাহ:
১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবত থাকিতে সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত পূর্বানুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইতে পারিবে না বা ঐরূপ অনুমতি ছাড়া অনুষ্ঠিত কোন বিবাহ ১৯৭৪ সনের মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রেকরণ) আইন এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হইবে না।
২) ১নং উপধারা অনুযায়ী অনুমতির ও দরখাস্ত নির্ধারিত ফিস-সহ চেয়ারম্যানের নিকট নিদিষ্ট দফতরে দাখিল করিতে হইবে ও উহাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী অথবা স্ত্রীগণের সম্মতি লওয়া হইয়াছে কিনা উহার উল্লেখ থাকিবে।
৩) ২নং উপধারা অনুযায়ী দরখাস্ত গ্রহণ করিবার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী অথবা স্ত্রীগণের প্রত্যককে একজন করিয়া প্রতিনিধি মনোনীত করিতে বলিবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিসী কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলিয়া মনে করিলে যুক্তিযুক্ত বলিয়া মনে হইতে পারে এমন সকল শর্ত থাকিলে তৎসাপেক্ষে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করিতে পারেন।
৪) দরখাস্তের বিষয় নিস্পত্তি করিবার নিমিত্ত সালিশী কাউন্সিল নিস্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করিবেন। নিদ্দিষ্ট সময় মধ্যে যে কোন পক্ষ নিদ্দিষ্ট ফিস প্রদানক্রমে নিদ্দিষ্ট দফতরে সংশ্লিষ্ট সহকারী জজের নিকট পূর্ণবিবেচনার নিমিত্ত দরখাস্ত দাখিল করিতে পারে; তাঁহার সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত হইবে ও কোন আদালতে এই সম্নন্ধে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
৫) কোন ব্যক্তি যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত অন্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী অথবা স্ত্রীগনের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষনাৎ পরিশোধ করিতে হইবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হইলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হইবে; এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এক বৎসর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা দশ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয় প্রকার দন্ডীয় হইবে।
.
'Tawazhi' শব্দটি নিম্নের কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ওয়াকফ
  2. হিবা
  3. এওয়াজ
  4. ওয়াসিয়ত
ব্যাখ্যা
- তাওয়াজির অর্থ হলো মাতা এবং তার সকল সন্তান এবং নারীকুলের যাবতীয় বংশধর।  নারী সূত্রে বংশধারা অনুসরণকারী মা, সন্তান-সন্ততি এবং অধস্তন নারী বংশধরদের নিয়ে যে পরিবার গঠিত হয় তা তাওয়াযী (Tawazhi) নামে পরিচিত।

- যেখানে মারুমাক্কাতিয়াম আইনের অনুসারী কোন মুসলমান তার স্ত্রী ও তাওয়াজি গঠনকারী সকল ছেলেমেয়েকে কোন সম্পত্তি দান করেছে এবং কিভাবে উক্ত সম্পত্তি দখল করতে হবে মর্মে কোন সুস্পষ্ট মনোভাব প্রকাশ করেনি, সেক্ষেত্রে হেবাটি একটি তাওয়াজিকে প্রদত্ত হেবা বা দান হিসাবে বিবেচনা করা হবে।

- দানগ্রহীতারা সম্পত্তিটি একটি সাধারণ তরওয়াদ বা তাওয়াজি সম্পত্তির আনুসঙ্গিক বিষয়সাপেক্ষে গ্রহণ করবে। তবে দানটি যদি হয় শুধু তার স্ত্রী এবং সন্তান-সন্ততিদের প্রতি, স্ত্রীর পূর্বের স্বামীর সন্তান-সন্ততিদেরকে বঞ্চিত করে, দানটি তাওয়াজির দান বলে গণ্য হয় না।
.
একজন মুসলিম তার পিতা, মাতা, মৃত পুত্রের কন্যা, মৃত পুত্রের পুত্রের কন্যা রেখে ২০০০ সালে মারা যান। মৃত পুত্রের পুত্রের কন্যার অংশ কত?
  1. ১/৩
  2. ১/৬
  3. ১/৪
  4. ১/১২
ব্যাখ্যা
⇒ শরীয়াভিত্তিক উত্তারাধিকার আইন অনুসারে। পুত্রের পুত্রের কন্যা অংশীদার হিসাবে ১/৬ অংশ পাবে।
- কারণ, (পুত্র কন্যার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য শর্তাবলী প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসাপেক্ষে) উচু স্তরের পুত্র কন্যা একজন থাকলে নিচু স্তরের পুত্র কন্যা (পুত্রের পুত্রের কন্যা) পায় ১/৬ অংশ।
.
Doctrine of Pulpit (Al-Mimbariya) কোন খলিফার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত?
  1. হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)
  2. হযরত ওমর (রা.)
  3. হযরত উসমান (রা.)
  4. হযরত আলী (রা.)
ব্যাখ্যা
আল-মিম্বারিয়াহ বা মিম্বর মামলা: Doctrine of Pulpit (Al-Mimbariya):
- এ নীতি মসজিদের 'মিম্বার' থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল বলে Doctrine of Pulpit বা Al-Mimbariya নামে খ্যাত/প্রসিদ্ধ।

এ গুরুত্বপূর্ণ নীতি/নিয়মটি একাধিক নামে পরিচিত;
i) Doctrine of Awl.
ii) Doctrine of increase.
iii) Al-Mimbariya Case.

- ইসলামের চতুর্থ খলীফা হজরত আলী (রা.)-এর বিচারিক সিদ্ধান্তের ফল হচ্ছে 'আউল' নীতি।
- প্রসিদ্ধ ইসলামি আইনবিদ আব্দুর রহমান দই-এর মতে, এ নীতির প্রবক্তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে।
.
'ক' একখণ্ড জমি 'খ'-কে উইল করলো। পরবর্তীতে 'ক' উক্ত জমিতে বাড়ি নির্মাণ করলো। উইলটি.....
  1. প্রত্যাহারযোগ্য
  2. প্রত্যাহৃত
  3. বৈধ
  4. অনিয়মিত
ব্যাখ্যা
উইল রদ করণ:
উইল বা অছিয়ত নামা রদ করা যায়।উইলকারী তার জীবদ্দশায় উইল রদ বা বাতিল করতে পারে।বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে উইলকারী তার উইল পত্ররদ করতে পারে।পদ্ধতিগুলো নিম্নরূপ-
১. উইলকারী তার কৃত উইল লিখিত বা মৌখিক ঘোষণার মাধ্যমে রদ বা প্রত্যাহার করতে পারে
২.যদি উইলকারী উইলকৃত সম্পত্তিতে এমন কোনো কাজ করে, যার ফলে উক্ত সম্পত্তির পরিবর্তন সাধিত হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট উইলটি রদ হবে।
৩.উইল কৃত সম্পত্তিতে যদি উইল কারীর স্বত্বের অবসান ঘটে, তাহলে সংশ্লিষ্ট উইলটি স্বাভাবিক ভাবেই রদ হয়ে যাবে।
৪.উইল-গ্রহীতার উদ্দেশ্যে যে সম্পত্তি উইল করা হয়, তা যদি উইলকারী উইল করার পর অন্যের কাছে দান বা বিক্রি করে দেয় তা হলে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উইলটি রদ বা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।
৫. উইলকারী আদালতের মাধ্যমেও তার কৃত উইলরদ বা প্রত্যাহার করতে পারবে।

- উল্লিখিত প্রশ্নে 'ক' একখণ্ড জমি 'খ'-কে উইল করলো। পরবর্তীতে 'ক' উক্ত জমিতে বাড়ি নির্মাণ করলো। এই ক্ষেত্রে "ক" উইলটা পরোক্ষভাবে প্রত্যাহৃত হয়েছে গণ্য হবে। 
- পরোক্ষভাবে প্রত্যহারের মূলনীতিটা হলো- উইল পরোক্ষভাবে প্রত্যহার হয়েছে গণ্য হবে কেবল তখনই যখন উইলের বিষয়বস্তুতে নতুন কিছু সংযুক্তি ঘটে কোনো কাজের মাধ্যমে বা উক্ত সম্পত্তিতে উইলকারীর মালিকানা স্বত্ব বিলুপ্ত হয়।
.
মুসলিম ব্যক্তিগত আইনানুযায়ী মৃত্যুশয্যায় স্বামী কর্তৃক প্রদত্ত তালাক ____।
  1. বৈধ
  2. স্ত্রীর সম্মতিতে কার্যকর
  3. অবৈধ
  4. মৃত্যু না হলে কার্যকর
ব্যাখ্যা
তালাক: তালাক অর্থ হলো স্বামী কর্তৃক তার অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে স্ত্রীকে প্রত্যাখ্যান করা। অন্যভাবে বলতে গেলে স্বামীর পক্ষ হতে বিবাহ-বিচ্ছেদ কার্যকর করা হলে তাকে তালাক বলা হয়। বয়ঃসন্ধিতে পদার্পণ করেছেন বা পূর্ণ যৌবনপ্রাপ্ত হয়েছেন এমন সুস্থ মস্তিষ্কের যেকোন মুসলমান ব্যক্তি কোনরূপ কারণ না দর্শিয়ে ইচ্ছানুযায়ী নিজ স্ত্রীকে তালাক দিতে পারে।
- তালাক মৌখিক বা লিখিত হতে পারে।
- স্ত্রীর অনুপস্থিতেও তালাক প্রদান করা যায়।

- মৃত্যুশয্যায় স্বামী কর্তৃক প্রদত্ত তালাক বৈধ বলে গণ্য হবে এবং তৎক্ষণাৎ কার্যকর হবে; ইদ্দতকালে স্বামী মারা গেলেও সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে।
.
দায়ভাগা মতবাদ অনুসারী যৌথ পরিবারের কর্তা নিম্নের কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন না?
  1. সম্পত্তি হস্তান্তর করা
  2. ঋণ গ্রহণ করা
  3. হিসাব প্রদান করা
  4. ইচ্ছা মতো কোনো সদস্যকে বহিষ্কার করা
ব্যাখ্যা
- দায়ভাগা মতবাদ অনুসারী যৌথ পরিবারের কর্তাদের ক্ষমতা:
পরিবারে তার বিশ্বস্ত ভূমিকার কারণে, কর্তা পরিবার এবং এর ব্যবসার সাধারণ কল্যাণের জন্য সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তার সৎ ভূমিকায়, একজন কর্তা পুরো পরিবারের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেন এবং ক্ষমতা ভোগ করেন যা তাকে অনুমতি দেয়:

১. চুক্তিতে প্রবেশ করা 
২. পারিবারিক উদ্দেশ্যে ঋণ নেওয়া
৩. ঋণ স্বীকার করা 
৪. সালিশের জন্য বিষয় উল্লেখ করা 
৫. মামলা পরিচালনা করা 
৬. যৌথ পরিবারের সম্পত্তি বিচ্ছিন্ন করা 
৭. স্যুট ইত্যাদিতে ব্যবসার প্রতিনিধিত্ব করা
৮. সম্পত্তি হস্তান্তর করা
৯. হিসাব প্রদান করা

কিন্তু  দায়ভাগা মতবাদ অনুসারী যৌথ পরিবারের কর্তা ইচ্ছা মতো কোনো সদস্যকে বহিষ্কার করার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন না।
১০.
হিন্দু দায়ভাগ আইনানুযায়ী সপিণ্ড হিসাবে অগ্রগণ্য কে?
  1. বোনের পুত্র
  2. ভাইয়ের পুত্র
  3. কন্যার পুত্র
  4. ভাই
ব্যাখ্যা
হিন্দু আইনে মৃতের সম্পত্তির উত্তরাধীকার বিষয়ে দুই ধরনের উত্তরাধীকার পদ্ধতি চালু আছে:

(ক) মিতক্ষরা পদ্ধতি
(খ) দায়ভাগ পদ্ধতি।

বাংলাদেশে বসবাসরত হিন্দু ধর্মীয় লোকজন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে দায়ভাগ পদ্ধতি অনুসরণ করেন। দায়ভাগ মূলত জীমূতবাহন রচিত হিন্দু ধর্মীয় সম্পত্তির উত্তরাধীকার বিষয়ক আইন গ্রন্থ। এ আইনগ্রন্থ অনুযায়ী, যারা মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যানের জন্য পিণ্ডদানের অধিকারী, কেবলমাত্র তারাই মৃত ব্যক্তির সপিণ্ড এবং যোগ্য উত্তরাধিকারী হিসেবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পেয়ে থাকেন। মিতক্ষরা পদ্ধতি অনুসারে জন্ম হওয়ামাত্রই যেমন একজন পুত্র সন্তান পূর্ব পুরুষের সম্পত্তিতে পিতার সমান অংশীদারী হন, দায়ভাগ আইনে তেমনটা হয় না।

নিম্নে মোট ৫৩ জন সপিন্ডগণের তালিকা ক্রমানুসারে দেওয়া হলঃ

১) পুত্র
২) পুত্রের পুত্র
৩) পুত্রের পুত্রের পুত্র
৪) স্ত্রী, পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী।(বিধবা)
৫) কন্যা
৬) কন্যার পুত্র
৭) পিতা
8) মাতাদ
৯) ভাই, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই।
১০) ভাই এর পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্র।
১১) ভাই এর পুত্রের পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্রের পুত্র।
১২) বোনের পুত্র
১৩) পিতার পিতা
১৪) পিতার মাতা
১৫) পিতার ভাই
১৬) পিতার ভাইয়ের পুত্র
১৭)পিতার ভাইয়ের পুত্রের পুত্র
১৮) পিতার বোনের পুত্র
১৯) পিতার পিতার পিতা
২০) পিতার পিতার মাতা
২১) পিতার পিতার ভাই
২২) পিতার পিতার ভাইয়ের পুত্র
২৩) পিতার পিতার ভাইয়ের পুত্রের পুত্র
২৪) পিতার পিসির পুত্র
২৫) পুত্রের কন্যার পুত্র

উল্লিখিত প্রশ্নে  হিন্দু দায়ভাগ আইনানুযায়ী সপিণ্ড হিসাবে অগ্রগণ্য হলেন কন্যার পুত্র। 
১১.
"অসমাপ্ত আত্মজীবনী" এর রচনাকাল -
  1. ১৯৫৪-১৯৫৭
  2. ১৯৬৪-১৯৬৬
  3. ১৯৫০-১৯৫২
  4. ১৯৬৬-১৯৬৯
ব্যাখ্যা
অসমাপ্ত আত্মজীবনী:
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা বই।
- বঙ্গবন্ধুর প্রথম বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন।
- আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে; পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও। আর বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে।
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বইটির ভূমিকা লিখেছেন শেখ হাসিনা।
- এই প্রকাশনার সাথে জড়িত ছিলেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা ইতিহাসবিদ, সাহিত্যিক এবং সাংবাদিকদের একটি দল।
- বাংলা ভাষা ছাড়াও ইংরেজি ভাষায়ও এই বইয়ের অনুবাদ হয়েছে। বাংলাদেশে এই বই প্রকাশ করেছে প্রকাশনা সংস্থা ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড।
- এছাড়া ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে ভারতে পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া থেকে এবং পাকিস্তানে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস পাকিস্তান থেকে। এছাড়া পাকিস্তানে উর্দু ভাষাতেও এর অনুবাদ বের হবার কথা রয়েছে।
- ইংরেজিতে এই বইয়ের ভাষান্তর করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক ফকরুল আলম।

[অপশন বিবেচনায় ১৯৬৬-১৯৬৯ অধিক গ্রহণযোগ্য।]

উৎসঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
১২.
কোন ভাষা শহীদ 'ঢাকা হাইকোর্ট' এর কর্মচারী ছিলেন?
  1. আবদুস সালাম
  2. শফিউর রহমান
  3. আবদুল আউয়াল
  4. রফিক উদ্দীন
ব্যাখ্যা
•ভাষা শহীদ:
- ২৪শে জানুয়ারী ১৯১৮ সালে কোননগর, হুগলী, চব্বিশ পরগণা, পশ্চিমবঙ্গে ভাষা শহীদ শফিউর রহমান জন্মগ্রহণ করেন।
- শফিউর রহমান ছিলেন ঢাকা হাইকোর্টের হিসাবরক্ষণ শাখার কেরানি।
- শফিউর রহমানের রক্তমাখা শার্ট, কোট, জুতা সংরক্ষণ করা হয়।
- বর্তমানে এগুলো বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

অন্যদিকে,
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহিদদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন আবুল বরকত।
- আব্দুস সালাম ছিলেন সরকারের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারি।
- আবদুল জব্বার ছিলেন ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাঁচুয়া গ্রামের এক কৃষক পরিবারের সন্তান।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বিডিনিউজ পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩.
বাংলাদেশের খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত বীর বিক্রম একমাত্র মুক্তিযোদ্ধার নাম কী?
  1. ইউ কে চিং
  2. আশুতোষ চাকমা
  3. মং প্রু
  4. অংশু চাকমা
ব্যাখ্যা
ইউ কে চিং মারমা:
- ইউ কে চিং মারমা ১৯৩৭ সালে বান্দরবানে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫২ সাল থেকে ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসে কর্মরত ছিলেন।
- আদিবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে একমাত্র তিনি খেতাব লাভ করেন।
- সম্মুখ যুদ্ধে দেশের স্বাধীনতার জন্য অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার তাকে মুক্তিযুদ্ধের তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব ‘বীর বিক্রম’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- ১৯৭১ সালে ২৫ মার্চ ইপিআরের নায়েক হিসেবে রংপুর জেলার হাতিবান্ধা বিওপিতে কর্মরত ছিলেন ইউ কে চিং।
- সেখান থেকে মেজর বাশারের নেতৃত্বে ৯ বাঙালি ইপিআর সৈনিক নিয়ে পাটগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় যুদ্ধ করেন।
- তিনি কর্মরত বিহারি ও দুই পাঞ্জাবিকে হত্যা করেন। 
- অপারেশন চালান রংপুর, লালমনিরহাট, পাখিউড়া, কাউয়াহাট, বাগভাণ্ডার, হাতিবান্দা, চৌধুরীহাট, ভূরুঙ্গামারী, জয়মনিরহাট, রায়গঞ্জ, নাগেশ্বরী, তিস্তা নদী, কুলাঘাট প্রভৃতি স্থানে।
- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর প্রকাশিত ‘দি বাংলাদেশ গেজেট-এক্সট্রা অর্ডিনারি পাবলিশড বাই অথরিটি’ বইয়ের ক্রমিক নম্বর ১০০-তে তার ‘বীর বিক্রম’ প্রাপ্তির উল্লেখ আছে। 

উল্লেখ্য,
- ২০১৪ সালের ২৫ জুলাই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: ২৬ জুলাই,২০১৪, bdnews24.com
১৪.
"তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে প্রযোজ্য নয়। সাম্প্রতিক তথ্যের জন্য ব্যাখ্যা, সাম্প্রতিক সমাচার ও ডাইনামিক প্যানেল দেখুন।"
২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেটে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে জিডিপি এর -
  1. ১৪.৮%
  2. ১৩.৪%
  3. ১৫.৪%
  4. ১৬.২%
ব্যাখ্যা
২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেটে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে জিডিপি এর - ১৫.৪%।

• বাজেট ২০২৩-২৪:
- বাজেটের আকার - ৭,৬১,৭৮৫ কোটি।
- করমুক্ত আয়সীমা - ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
- মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা - ৭.৫%
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) এর জন্য কত বরাদ্দ আছে - ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা।

সূত্র: বাজেট ২০২৩-২৪।
১৫.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আইনজীবী ছিলেন কে?
  1. টমাস উইলিয়ামস
  2. ডগলাস কিংসফোর্ড
  3. থোরগুড মার্শাল
  4. অ্যাডওয়ার্ড কোক
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- প্রথম আসামী - শেখ মুজিবুর রহমান।
- শেষ আসমী ছিলেন - লে. আবদুর রউফ।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।

- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি।

- ১৯৬৮ সালের ৫ আগস্ট ব্রিটিশ আইনজীবী ও ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য টমাস উইলিয়াম শেখ মুজিবের পক্ষে ট্রাইব্যুনাল গঠন সংক্রান্ত বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন পেশ করেন।
- বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনায় তাঁর সহযোগী ছিলেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- সরকার পক্ষে প্রধান কৌশুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঞ্জুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ খান।
- ৩ সদস্য বিশিষ্ট ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ছিলেন বিচারপতি এস এ রহমান। তিনি ছিলেন অবাঙালি। অপর দুজন এম আর খান ও মুকসুমুল হাকিম ছিলেন বাঙালি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬.
কমনওয়েলথভুক্ত কোন দেশটি ব্রিটিশ শাসনাধীন ছিল না?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. মোজাম্বিক
  4. নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ (The Commonwealth)

- ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে স্বাধীনতাপ্রাপ্ত দেশসমূহকে নিয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা: ২৮ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- সদস্য: ৫৬টি।
- সর্বশেষ সদস্য: টোগা।
- ২৫ জুন ২০২২ সদস্যপদ লাভ করে: গ্যাবন (৫৫তম) ও টোগো (৫৬তম)।
- কমনওয়েলথ-এর সদস্য ৫৬টি দেশের মধ্যে ৫২টি দেশ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল।
- তবে সর্বশেষ যোগদানকারী রুয়ান্ডা, মোজাম্বিক, গ্যাবন ও টোগো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল না।
- অর্থাৎ, ব্রিটিশ শাসনাধীন না হয়েও কমনওয়েলথের সদস্য: ৪টি; রুয়ান্ডা, মোজাম্বিক, গ্যাবন ও টোগো।
- বর্তমান মহাসচিব: প্যাট্রিসিয়া জ্যানেট স্কটল্যান্ড; ১ এপ্রিল, ২০১৬ - বর্তমান।
- সদর দপ্তর: মার্লবোরো হাউজ, লন্ডন, যুক্তরাজ্য।

তথ্যসূত্র: কমনওয়েলথ ওয়েবসাইট।
১৭.
ম্যানারহেইম লাইন কোন দুইটি দেশকে বিভক্ত করেছে?
  1. ফিলিস্তিন ও ইসরাইল
  2. জার্মানী ও পোল্যান্ড
  3. ফিনল্যান্ড ও রাশিয়া
  4. রাশিয়া ও ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
- ম্যানারহেইম লাইন : ফিনল্যান্ড ও রাশিয়া।
এছাড়াও
- জিগফ্রিড ও ম্যাজিনো লাইন : ফ্রান্স-জার্মানি।
- ডুরান্ড লাইন : পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
- সনোরা লাইন যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর সীমান্ত চিহ্নিতকরণ রেখা।
- 'র‍্যাডক্লিফ লাইন' বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।
- 'লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল' বলতে ভারত ও চীনের সীমান্তবর্তী রেখাকে বোঝায়।
- 'লাইন অব কন্ট্রোল' বলতে ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী রেখাকে বোঝায়। 

(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি এবং ব্রিটানিকা)
১৮.
পৃথিবীর Super Continent কী নামে পরিচিত?
  1. প্যানজিয়া
  2. প্যারাশিয়া
  3. পেলিওজয়িক
  4. মেসোজোয়িক
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর Super Continent হচ্ছে প্যানজিয়া।

- বিজ্ঞানী ওয়েগনারের মতে, ইন্ডিয়া, সাউথ আমেরিকা, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও অ্যান্টার্কটিকা একসঙ্গে জড়ো হয়ে গন্ডোয়ানাল্যান্ড গঠন করে।নর্দান আমেরিকা, ইউরোপ, নর্থ ও মিড এশিয়া লরেশিয়ার অন্তর্ভুক্ত।
- এই দুই ভূখণ্ড গন্ডোয়ানাল্যান্ড ও লরেশিয়া মিলে যে সুবিশাল স্থলভাগ গঠন করেছিল সেটির নামই প্যানজিয়া।
- এই প্যানজিয়াই হলো বর্তমানকালের দৃশ্যমান মহাদেশগুলোর আদি-অকৃত্রিম রূপ।
- আলফ্রেড ওয়েগনার এই প্যানজিয়াকে ঘিরে থাকা বিশাল জলভাগের নামকরণ করেছিলেন প্যানথালাসা।

সুত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।
১৯.
ওডেসা সমুদ্রবন্দর কোন সাগরের অববাহিকায় অবস্থিত?
  1. মর্মর
  2. ভূমধ্য
  3. আজিয়ান
  4. কৃষ্ণ
ব্যাখ্যা
ওডেসা সমুদ্রবন্দর:
- ওডেসা পৃথিবীর সবচেয়ে প্রচীন বন্দরগুলোর একটি।
- এটি ইউক্রেনে অবস্থিত। 
- দেশটির বৃহত্তম বন্দর হওয়ার পাশাপাশি এটি কৃষ্ণ সাগর অববাহিকারও অন্যতম বৃহৎ বন্দর।
- মাল্টিমোডাল কানেক্টিভিটির অংশ হিসেবে রেল সংযোগ রয়েছে এই বন্দরের সঙ্গে, যার মাধ্যমে রপ্তানিমুখী পণ্য বন্দরে পৌঁছানো ও আমদানীকৃত পণ্য বন্দর থেকে দ্রুত দেশের অভ্যন্তরে পাঠানোর সুব্যবস্থা রয়েছে।
- ১০৯ একর জায়গার ওপর অবস্থিত ওডেসা বন্দর বেশ প্রাচীন একটি বন্দর। 
- ওডেসা বন্দরের অবস্থান ওডেসা উপসাগরের পশ্চিম উপকূলে।
- ওডেসা বন্দরের মালিক ইউক্রেনিয়ান সি পোর্টস অথরিটি।
- ওডেসা মেরিন ট্রেড পোর্ট বন্দরটি পরিচালনা করে।
- ওডেসা বন্দরের প্রধান কনটেইনার টার্মিনাল হলো কনটেইনার টার্মিনাল ওডেসা (সিটিও)।
- ইউক্রেনের বৃহত্তম কনটেইনার টার্মিনাল এটি। 
- কৃষ্ণ সাগর অববাহিকার সবচেয়ে বড় প্যাসেঞ্জার টার্মিনালটি এই ওডেসা বন্দরেই অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ইরানের সমুদ্রবন্দরের নাম আব্বাস।

উৎস: Britannica
২০.
ফরাসি বিপ্লবকে অনুপ্রাণিত করেন কোন লেখক?
  1. প্লেটো
  2. শেক্সপিয়ার
  3. এরিস্টটল
  4. ভলতেয়ার
ব্যাখ্যা
• ফরাসি বিপ্লব:
- “স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী” - ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।

- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র: Britannica & history.com
২১.
নিম্নের কোনটি অসংহত অপরাধ (inchoate crime)?
  1. গণ-উৎপাত
  2. চুরি
  3. ষড়যন্ত্র
  4. সাধারণ জখম
ব্যাখ্যা
⇒ Inchoate crimes, also known as incomplete crimes, are acts taken toward committing a crime or acts that constitute indirect participation in a crime. Although these acts are not themselves crimes, they are illegal because they are conducted in furtherance of a crime, and society wishes to deter individuals from taking such steps. Three primary inchoate crimes are attempt, conspiracy, and aiding and abetting.
------
- অসংহত অপরাধ বা অসম্পূর্ণ অপরাধ (inchoate crime) হলো এমন একটি কার্য  যা সম্পূর্ণ অপরাধকর্ম সৃষ্টি না করলেও এটি ফৌজদারী আইনে তা নিষিদ্ধ। কারণ ওইগুলি পূর্ণ অপরাধের লক্ষ্যে পদক্ষেপস্বরূপ। এই অসম্পূর্ণ অপরাধগুলির অন্তর্ভুক্ত প্ররোচনা [Abetment], প্রচেষ্টা [Attempt], ষড়যন্ত্র [Conspiracy] ইত্যাদি। অর্থাৎ কোন অপরাধের সৃষ্টির কারণ হিসেবে এগুলা কাজ করে।
২২.
The Penal Code, 1860 অনুসারে কোনো কাজ সৎবিশ্বাসে কৃত বলে গণ্য হবে যদি কাজটি যথাযথ - সহকারে সম্পাদিত হয়।
  1. সতর্কতা ও মনোযোগ
  2. তৎপরতা ও সতর্কতা
  3. সরলতা ও মনোযোগ
  4. মনোযোগ ও সততা
ব্যাখ্যা
- “Good faith” Section 52. Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

- দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।

- এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
২৩.
'ক' সেচ্ছায় 'খ'-কে বাঁশ দিয়ে গুরুতর আঘাত প্রদান করে। The Penal Code, 1860 অনুযায়ী 'ক' এর সর্বোচ্চ শান্তি ____ বৎসর কারাদণ্ড।
  1. ১০
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ধারা-৩২২ তে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানের সংজ্ঞা (voluntarily causing grievous hurt) - কাউকে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে (intentionally) জেনে গুরুতর আঘাত প্রদান করা হয়, তাহলে তাকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দান বলা হয়।

- যদি কোন লোক প্রকৃতপক্ষে গুরুতর আঘাত দেয় এবং গুরুতর আঘাত দেয়ার ইচ্ছা পোষণ করে অথবা গুরুতর আঘাত দিতে পারে বলে জানে, তবে সে ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দিয়েছে বলে গণ্য হবে। অন্যথায় সে ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দিয়েছে বলে গণ্য হবে না

- দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারায় স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের শাস্তি হল অনধিক ৭ বৎসর কারাদন্ড এবং অর্থদণ্ড।

- দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারার একটি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র হল ৩৩৪ ধারা; অন্যদিকে ৩২৬ ধারার ব্যতিক্রম হল ৩৩৫ ধারা। 
২৪.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় 'অনিষ্ট' (Mischief) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৪২৪
  2. ৪২৫
  3. ৪২৬
  4. ৪২৭
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধি ৪২৫ ধারা অনুযায়ী অন্যের অন্যায় ক্ষতি বা লোকসানের (Wrongful loss or damage) উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট অথবা সম্পত্তির মূল্য/উপযোগীতা হ্রাস বা ক্ষতিগ্রস্ত করাকে অনিষ্ট বা ক্ষতি (mischief) বলে।

- কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি বা অনিষ্টসাধনের জন্য দায়ী করতে হলে এটা প্রমান করার প্রয়োজন নেই যে, যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্থ হবে সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির দখলে বা মালিকানাধীন ছিল। যেহেতু ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে ক ঘোড়াটিকে গুলিবিদ্ধ করেছে তাই ক” ক্ষতি সাধনের জন্য দোষী হবে।
২৫.
The Evidence Act, 1872 অনুযায়ী বিশারদের মতামত আদালতের উপর__________।
  1. বাধ্যকর
  2. বিবেচনামূলক
  3. নির্দেশনামূলক
  4. উপদেশমূলক
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion):-
যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

⇒  Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
২৬.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারানুযায়ী একজন সাক্ষী নিজের লিখিত দেখে তথ্য আদালতে জবানবন্দী দিতে পারবেন?
  1. ১৫৬
  2. ১৫৭
  3. ১৫৮
  4. ১৫৯
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষী সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দলিল দেখে উত্তর দিতে পারেন। এক্ষেত্রে সাক্ষী তার নিজের লেখা, অন্যের লেখা বা দলিলের নকল দেখেও উত্তর দিতে পারেন। এটাই হল Refreshing memory। সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারায় স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করন বা Refreshing memory এর বিধান রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ থেকে ১৬১ ধারায় এ সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-

i) সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার আদালতে সাক্ষ্য প্রদানকালে তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কেস ডায়েরী দেখতে পারবেন। এভাবে ১৫৯ ধারার অধীন একজন বিশেষজ্ঞ তার পেশা সম্পর্কিত পুস্তক দেখিয়ে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।

ii) সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার তার মামলা তদন্তকালে কেস ডায়েরীতে লিপিবদ্ধকৃত বিষয়াবলী সম্পর্কে আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারেন।

iii) সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় বিবাদী পক্ষ জেরা করতে পারবেন। অর্থাৎ স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কোন সাক্ষী কর্তৃক যে লিখিত বিবৃতি ব্যবহার করা হয়েছে, বিরোধী পক্ষ উক্ত লিখিত বিবৃতি দেখতে চাইতে পারে, উক্ত সাক্ষীকে জেরা করতে পারে বা উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে
২৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার বিধানানুযায়ী একজন পুলিশ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ব্যতীত তদন্ত কাজ করতে পারেন?
  1. ১৫৬
  2. ১৫৭
  3. ১৫৮
  4. ১৫৯
ব্যাখ্যা
- পুলিশ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারার আমলযোগ্য অপরাধ আমল নিয়ে (প্রাথমিক তথ্য বিবরনীভুক্ত করে)। ১৫৬ (১) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ব্যতীত অপরাধের তদন্ত করতে পারে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৬ ধারামতে আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলার তদন্ত শুরু করতে পারেন।
২৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৮১ ধারানুযায়ী গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ______ আদালতে হাজির করবেন।
  1. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  2. যাতায়াত সময় বাদে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  4. অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই
ব্যাখ্যা
- The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৮১ ধারানুযায়ী গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব আদালতে উপস্থিত করতে হবেঃ গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার অথবা অন্য কোন ব্যক্তি (জামিন বিষয়ে ৭৬ ধারার বিধানের প্রেক্ষিতে) অনাবশ্যক বিলম্ব ব্যতিরেকেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে হাজির করবেন, যেখানে হাজির করতে তিনি আইনতঃ বাধ্য।

- Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay-
The police- officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security) without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.
২৯.
'ক' কে গুরুতর জখম করার অপরাধে 'খ' এর সাজা হয়। উক্ত জখমের ফলে কিছুদিন পর ‘ক’ মারা যায়। এই প্রসঙ্গে কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. 'খ' এর পুনঃবিচার করা যাবে না
  2. 'ক' কে হত্যার জন্য 'খ'-এর পুনঃবিচার হবে
  3. 'খ' 'ক' এর মৃত্যুর জন্য দায়ী হবে না
  4. 'খ' এর ফাঁসির আদেশ বা যাবজ্জীবন সাজা হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-

১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে হবে;
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে;
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়; বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয়; বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে।

যেহেতু 'খ'-কে গুরুতর আঘাতের জন্য 'ক' এর একবার বিচার হয়েছে, তাই একই অপরাধে 'ক' কে পুনরায় গুরুতর আঘাতের অপরাধে বিচারের সম্মুখীন করা যাবে না কারণ এই ক্ষেত্রে Double Jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে। তবে অন্য অপরাধে বিচার করা যাবে। এক্ষেত্রে আদালত 'খ' এর নরহত্যার অপরাধে 'ক' এর বিচার করতে পারে।
৩০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৫০(২) ধারানুসারে, ফরিয়াদী 'A' মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'A' কে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনধিক কত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ১০০০
  2. ২০০০
  3. ৩০০০
  4. ৪০০০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে,কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

⇒ ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।
এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে,ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন।

তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'A' কে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনধিক অনধিক ১০০০ টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
৩১.
Inter vivos অর্থ কী?
  1. Between dead persons
  2. Between artificial persons
  3. Between corporate persons
  4. Between living persons
ব্যাখ্যা
⇒ Inter vivos অর্থ between living persons,
⇒  especially : from one living person to another.
inter vivos gifts 
property transferred inter vivos.

- সম্পত্তি হস্তান্তর বলতে বুঝায় যা দ্বারা কোন জীবিত ব্যক্তি বর্তমানে বা ভবিষ্যতে কোন সম্পত্তি অন্য এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিকে (Inter vivos) বা নিজেকে এবং এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিকে হস্তান্তর করে এবং সম্পত্তি হস্তান্তর করা বলতে এরূপ কাজ সম্পন্ন করাকে বুঝায়।
- এটি Doctrine of Inter vivos (between two or more living persons) নামে পরিচিত।

⇒ inter vivos
(in-tur veye-vohs) adj. Latin for "among the living," usually referring to the transfer of property by agreement between living persons and not by a gift through a will. It can also refer to a trust (inter vivos trust) which commences during the lifetime of the person (trustor or settlor) creating the trust as distinguished from a trust created by a will (testamentary trust), which comes into existence upon the death of the writer of the will.

⇒ inter vivos transfer.
An inter vivos transfer is a transfer of property made during a person’s lifetime. It can be contrasted with a testamentary transfer, which is a transfer made in a will after death. A revocable trust is considered an inter vivos transfer even though the benefit of the trust is not enjoyed by the beneficiary until after the death of the donor because legal title is transferred at the time the trust is created.
৩২.
'Qui priorest tempore prior est jure' কোন নীতি সম্পর্কিত?
  1. ক্রয় নীতি
  2. বিক্রয় নীতি
  3. অগ্রাধিকার নীতি
  4. হস্তান্তর নীতি
ব্যাখ্যা
⇒ The Transfer of property Act, 1882-এর ৪৮ ধারায় 'qui prior est tempore potior est jure' নীতি প্রতিফলিত হয়েছে। তাই এ ধারাটি Doctrine of Priority'র ধারা নামে পরিচিত।

⇒  ধারা ৪৮: হস্তান্তর দ্বারা সৃষ্ট অধিকারের অগ্রাধিকার (Priority of rights created by transfer)
যদি কোন ব্যক্তি একই স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন সময় হস্তান্তর করে একাধিক অধিকার সৃষ্টি করেন এবং সেই অধিকারগুলি একই সঙ্গে বা পরিপূর্ণভাবে বলবৎ না হয়, সেক্ষেত্রে বিশেষ চুক্তির অবর্তমানে পূর্বে সৃষ্ট অধিকার পরে সৃষ্ট অধিকারের উপর অগ্রাধিকার পাবে।

নোটঃ
• রেজিস্ট্রিকৃত দলিল অরেজিস্ট্রিকৃত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে।
• একই তারিখে রেজিস্ট্রিকৃত দুটি দলিলের মধ্যে যার নম্বর আগে সেটি অগ্রাধিকার পাবে।
------------------
⇒ Section 48: Priority of rights created by transfer
Where a person purports to create by transfer at different times rights in or over the same immoveable property, and such rights cannot all exist or be exercised to their full extent together, each later created right shall, in the absence of a special contract or reservation binding the earlier transferees, be subject to the rights previously created.
৩৩.
নিম্নের কোন নীতির সাথে 'Doctrine of Lispendens' এর মিল আছে?
  1. Estoppel
  2. Res judicata
  3. Res-jub-judice
  4. Double jeopardy
ব্যাখ্যা
• "লিসপেনডেন্স নীতি (The doctrine of lis pendens)"  মূল কথা হলো- Pendente lite nihil invatur অর্থাৎ মামলা রুজু অবস্থায় নতুন কোনো অবস্থার সৃষ্টি করা উচিত হবে না। এই নীতি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ৫২ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে।
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় [Res sub judice] আলোচনা করা হয়েছে। এই ধারায় Res sub judice এর পরিবর্তে  (stay of suit) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।

ধারা ৫২ অনুযায়ী,
কোন স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় প্রত্যক্ষ ও সুনির্দিষ্টভাবে ঐ সম্পত্তি সংক্রান্ত কোন অধিকারের প্রশ্ন উত্থাপিত হলে, মামলার কোন পক্ষই আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে তা হস্তান্তর করা যাবে। মামলা চলাকালীন হস্তান্তর মামলার ফলাফলকে কোনোভাবে প্রভাবিত করবে না বা মামলার কোনো পক্ষকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।

Section 52: Transfer of property pending suit relating thereto
During the pendency in any Court in Bangladesh, of any suit or proceeding which is not collusive and in which any right to immoveable property is directly and specifically in question, the property cannot be transferred or otherwise dealt with by any party to the suit or proceeding so as to affect the rights of any other party thereto under any decree or order which may be made therein, except under the authority of the Court and on such terms as it may impose. 
 
Explanation.-For the purposes of this section, the pendency of a suit or proceeding shall be deemed to commence from the date of the presentation of the plaint or the institution of the proceeding in a Court of competent jurisdiction, and to continue until the suit or proceeding has been disposed of by a final decree or order and complete satisfaction or discharge of such decree or order has been obtained, or has become unobtainable by reason of the expiration of any period of limitation prescribed for the execution thereof by any law for the time being in force.
৩৪.
The Non-Agricultural Tenancy Act 1949 অনুসারে অকৃষি প্রজা ও মালিকের মধ্যে উন্নয়ন বিষয়ক কোনো প্রশ্নের সমাধান করতে পারেন কে?
  1. দেওয়ানী আদালত
  2. সহকারী কমিশনার
  3. ডেপুটি কমিশনার
  4. স্থানীয় সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act 1949 এর ধারা ৬৬ মতে উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না,
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।
 ২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
 অর্থাৎ উন্নয়ন করার অধিকার আছে কিনা বা কোন নির্দিষ্ট কাজ উন্নয়নমূলক কিনা সেই বিষয়ে কোন প্রশ্ন দেখা দিলে সেই প্রশ্ন ডেপুটি কমিশনার নির্ধারণ করবেন।
-------------------------
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act 1949 Section 66. Collector to decide question as to right to make improvement, etc.
(1) If a question arises between the non-agricultural tenant and his landlord-
(a) as to the right to make an improvement, or 
(b) as to whether a particular work is an improvement, the Deputy Commissioner may, on the application of either party, decide the question.
(2) An appeal, if presented within thirty days from the date of the order appealed against, shall lie to the District Judge from every order passed by the Deputy Commissioner under sub-section (1) and the order passed by the District Judge on such appeal shall be final.
৩৫.
The Registration Act, 1908 অনুযায়ী উইল ব্যতীত অন্যান্য দলিল রেজিস্ট্রি অফিসে কত বৎসরের অধিককাল পড়ে থাকলে তা ধ্বংস করা যেতে পারে?
  1. ১২
ব্যাখ্যা
⇒ রেজিষ্ট্রেশন আইনের  ৮৫ ধারার বিধান দাবিকৃত নয় এরূপ দলিল নষ্ট করা: উইল ব্যতীত অন্যান্য দলিলপত্র কোন রেজিস্ট্রি অফিসে দুই বছরের অধিককাল অদাবিকৃত অবস্থায় পড়ে থাকলে তা ধ্বংস বা নষ্ট করে ফেলা হবে।

⇒ অর্থাৎ উইল ছাড়া অন্য কোন দলিল দাবিবিহীন ২ বছরের বেশি সময় রেজিস্ট্রি অফিসে পড়ে থাকলে তা ধ্বংস বা নষ্ট হবে।
৩৬.
দলিল সম্পাদন অস্বীকারের কারণে সাব- রেজিস্ট্রার কর্তৃক নিবন্ধন প্রত্যাখ্যাত হলে তার বিরুদ্ধে রেজিস্ট্রারের নিকট_______ করতে হবে।
  1. আপিল
  2. আপত্তি
  3. দরখাস্ত
  4. আপিলের অনুমতির প্রার্থনা
ব্যাখ্যা
রেজিষ্ট্রেশন আইনের ৭৩ ধারার বিধান সম্পাদন অস্বীকারের কারণে সাব-রেজিস্ট্রার নিবন্ধন করিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিলে রেজিস্ট্রারের নিকট আবেদন।-
(১) যেক্ষেত্রে কোন সাব রেজিস্ট্রার দলিলের সম্পাদনকারী বলিয়া কথিত ব্যক্তি, বা তাহার প্রতিনিধি বা স্বত্বনিয়োগী কর্তৃক দলিল সম্পাদন অস্বীকারের কারণে দলিল নিবন্ধন করিতে অস্বীকৃতিজ্ঞাপন করেন, সেইক্ষেত্রে এইরূপ দলিলের অধীন দাবিদার, বা পূর্বোক্তমতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি, স্বত্বনিয়োগী বা এজেন্ট, অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদানের পর ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে, দলিল নিবন্ধন করাইবার অধিকার বহাল করিবার নিমিত্ত উক্ত সাব-রেজিস্ট্রার যে রেজিস্ট্রারের অধস্তন সেই রেজিস্ট্রারের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন।
(২) এইরূপ আবেদন লিখিত হইতে হইবে এবং ধারা ৭১ এর অর্ধস লিপিবদ্ধ কারণসমূহের একটি নকল উহার সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে, এবং আরজির সত্যপাঠের অনুরূপ আইনানুগ পদ্ধতি অনুসরনে আবেদনে বর্ণিত বক্তব্যসমূহ আবেদনকারী কর্তৃক প্রতিপাদিত হইবে।
৩৭.
The State Acquisition and Tinancy Act, 1950 এর কোন ধারায় পয়স্থি জমি খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে?
  1. ৮৬
  2. ৮৭
  3. ৯০
  4. ১৪৩
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tinancy Act, 1950 এর ৮৭ ধারা মতে নদী বা সমুদ্র সরে যাওয়ার কারণে যখন কোন জমি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়- তখন এটিকে যে জোত বা প্রজাস্বত্বের সাথে সংযুক্ত হয়েছে সেই জোত বা প্রজাস্বত্বের পরিবৃদ্ধি হিসাবে বিবেচনা করা হবে না এবং এটি চূড়ান্তভাবে সরকারের বরাবর ন্যস্ত হবে এবং সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকবে।
- নদী বা সমুদ্র সরে যাওয়ার কারণে কোন জমি পুনঃউদ্ভাবিত হলে বা জেগে উঠেছে বলে কথিত জমি কোন জোত এর পরিবৃদ্ধি হিসাবে দখলের কোন দাবি ঘোষণা করার জন্য। 
- কোন আদালত বা কর্তৃপক্ষের নিকট বিচারাধীন সকল মোকদ্দমা, দরখাস্ত, আপিল কিংবা অন্যান্য কার্যধারা উক্ত আদেশ কার্যকর হওয়ার তারিখ হতে আর অগ্রসর হবে না ও তা বাতিল হবে এবং কোন আদালত অনুরূপ দাবি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা, আবেদন বা অন্যান্য আইনগত কার্যধারা আর গ্রহণ করবেন না।

অর্থাৎ The State Acquisition and Tinancy Act, 1950 এর  ৮৭ ধারায় পয়স্থি জমি খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে।
৩৮.
কোন খতিয়ানে জমিদারের নাম লিপিবদ্ধ থাকে?
  1. সি. এস
  2. এস, এ
  3. বি. এস
  4. আর. এস
ব্যাখ্যা
সি.এস খতিয়ান [C.S Khatian]:
CS'র পূর্ণরূপ Cadastral Survey। Cada শব্দের অর্থ ভূখন্ড বা মাঠ। এই Survey'র মাধ্যমে প্রণীত খতিয়ানই C.S Khatian নামে পরিচিত।
- সর্বপ্রথম ১৮৮৮ সালে বর্তমান কক্সবাজার জেলার রামু থানা থেকে এ সার্ভে শুরু হয় এবং ১৯৪০ সালে দিনাজপুর জেলায় শেষ হয়।
- সি.এস খতিয়ান লম্বালম্বিভাবে লেখা থাকে।
- সি.এস খতিয়ানে জমিদারদের নাম, ভোগদখলকারী রায়তের নাম, জমির পরিমাণ, খাজনার পরিমাণ ইত্যাদি উল্লেখ আছে।
-C.S Khatian সর্বাধিক সঠিক; যা মালিকানা ও দখল উভয়ের অনুমানের প্রমাণ দেয়।
- খতিয়ানগুলোর মধ্যে এ খতিয়ান সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। কারণ, এটি সরেজমিনে গিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
৩৯.
জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন জড়িত থাকলে তার প্রতিকার ও খতিয়ান সংশোধনের আদেশ কে দিতে পারেন?
  1. সহকারী কমিশনার (ভূমি)
  2. দেওয়ানী আদালত
  3. ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল
  4. সেটেলমেন্ট অফিসার
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tinancy Act, 1950 এর ১৪৫ক ধারার   সরকার সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে যুগ্ম জেলা জজদের মধ্য হতে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিয়োগ করবেন।
এভাবে বিচারক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত সরকার যুগ্ম জেলা জজদের ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজের ক্ষমতা দিতে পারবে। (উপধারা- ৩ক)
এরূপভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যুগ্ম জেলা জজ ট্রাইব্যুনালের নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারক হিসেবে গণ্য হবেন। (উপধারা- ৩খ) 
এ ছাড়া ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল থেকে স্থানান্তরিত মামলা নিষ্পত্তির জন্য সরকার এক বা একাধিক সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজকে ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে নিয়োগ বা ক্ষমতা দিতে পারবে। (উপধারা- ৩গ)

- মালিকানার প্রশ্ন এবং খতিয়ান সংশোধনের উদ্দেশ্যে দেওয়ানী আদালতে The Specific Relief Act, 1877'র ৪২ ধারার অধীনে মালিকানা তথা স্বত্বের ঘোষণা কিংবা ঐ সম্পত্তিতে দখলের অধিকার আছে মর্মে ঘোষণার মামলায় ডিক্রি প্রাপ্ত হয়ে উক্ত ডিক্রি বলে SAT Act, 1950'র ৫৪ ধারানুসারে খতিয়ানের ভুল সংশোধন করে নেওয়া হয়।
৪০.
The Contract Act, 1872 অনুযায়ী নিম্নের কোনটি এজেন্সি সমাপ্তির কারণ নয়?
  1. মালিক মারা গেলে
  2. এজেন্ট মারা গেলে
  3. এজেন্ট দেউলিয়া হয়ে গেলে
  4. মালিক অপ্রকৃতিস্থ হলে
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি (Termination of agency):
প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-
- প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে; অথবা
- এজেন্ট তার এজেন্সির কাজ পরিহার করলে; অথবা
- এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে; অথবা
- প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে বা অপ্রকৃতিস্থ হলে; অথবা 
- দেনাদারদের প্রতিকারের জন্য প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে।

অর্থাৎ  The Contract Act, 1872 অনুযায়ী এজেন্ট দেউলিয়া হয়ে গেলে এজেন্সি সমাপ্তির হয় না।
-------------
• Section 201. Termination of agency:
 An agency is terminated by the principal revoking his authority; or by the agent renouncing the business of the agency; or by the business of the agency being completed; or by either the principal or agent dying or becoming of unsound mind; or by the principal being adjudicated an insolvent under the provisions of any Act for the time being in force for the relief of insolvent debtors.
৪১.
'To err is human' Change the above sentence into negative without changing meaning.
  1. To err is not human
  2. To err is beyond humanity
  3. No man is free from error
  4. No man is not free from error
ব্যাখ্যা
• 'To err is human'.
-এর অর্থ হচ্ছে - মানুষ মাত্রই ভুল করে।
- বাক্যটিকে negative করার ক্ষেত্রে -
- প্রথমে affirmative শব্দটির negative form বসাতে হবে এবং No man দিয়ে বাক্যটি শুরু করতে হবে।
- সঠিক negative বাক্যটি হবে - No man is free from error.
৪২.
She's very sprightly for her age, The word sprightly' is a/an
  1. adjective
  2. adverb
  3. verb
  4. noun
ব্যাখ্যা
• She's very sprightly for her age, The word sprightly' is an - adjective.

• Adjectives:
- We use adjectives to describe nouns.
- Most adjectives is used before a noun.
- These are words that give more information about a noun or pronoun and can go in different positions in a sentence.
- We can use adjectives to describe people, places and things.
- অর্থাৎ, যে শব্দ Noun/ Pronoun এর দোষ গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে তাকে Adjective বলে।

• প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যে sprightly দ্বারা subject এর অবস্থা প্রকাশ করেছে বলে এটি adjective.
- She's very sprightly for her age - এ বাক্যে she - subject, is- auxiliary verb, Very - adverb এবং sprightly - adjective, for- preposition and her age - object.
- Sprightly অর্থ - প্রাণচঞ্চল; চটপটে।
৪৩.
He works his work, I mine. Here 'mine is a-
  1. relative pronoun
  2. possessive adjective
  3. possessive pronoun
  4. none of them
ব্যাখ্যা
• Possessive: my, our, your ইত্যাদি সব সময় Adjective হিসেবেই ব্যবহৃত হয়। 
- Possessive adjective - এরপরে সর্বদা noun বসে ৷

• Double Possessive: mine, ours, yours ইত্যাদি সব সময় Pronoun হিসেবেই ব্যবহৃত হয়।
- আর Its এবং His এ দুটির Possessive এবং Double Possessive এর Form একই। তাই এগুলো কোন Noun কে Modify করলে Adjective হবে।
- Possessive pronoun এর পরে noun প্রয়োজন হয় না।

• তাই উল্লেখিত বাক্যের mine হলো possessive pronoun এর উদাহরণ।

• Possessive pronoun:

- Possessive pronoun হচ্ছে personal Pronoun এর একটি প্রকার।
- এই pronoun দ্বারা possession বা অধিকার বোঝানো হয়।
- It is the pronoun that is used after a noun.
- Mine, ours, hers, theirs, Its  ইত্যাদি হচ্ছে possessive pronoun এর উদাহরণ।
৪৪.
We pine _____ what is not.
  1. at
  2. to
  3. for
  4. with
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - for
- Complete sentence: We pine for what is not.

Pine for something/someone
English Meaning: To want or miss something or someone very much.
Bangla Meaning: কিছু বা কাউকে খুব বেশি করে চাওয়া।

Source: Cambridge Dictionary.
৪৫.
'To strive, to seek, to find, and not to yield, what is the suitable antonym of yield' in this context?
  1. surrender
  2. resist
  3. disobey
  4. succumb
ব্যাখ্যা
Yield (verb transitive), (verb intransitive) 
English Meaning:
1. (Of a substance) soft and easy to bend or move when you press it.
2. (of a person) willing to do what other people want.

Bangla Meaning: 
(১) প্রাকৃতিক রীতিতে উৎপাদন করা বা উৎপন্ন হওয়া: trees yield us fruits. Diligence yields good results; high-yielding seeds.
(২) yield (to somebody/something) আত্মসমর্পণ করা; বিরোধিতা করা থেকে বিরত হওয়া: I shall not yield to your temptation. The miscreants yielded to strong measures.
yield (up) something (to somebody) ত্যাগ করা; বশ্যতা স্বীকার করা: The opponents would not yield an inch. He was pressed to yield.
yield up the ghost (সাহিত্যিক আলংকারিক অর্থ) মারা যাওয়া।
 □ (noun) [countable noun, uncountable noun] উৎপন্ন বস্তুর পরিমাণ: This year the farmers had good yield from the fields; yield per hectare. The yield in the industrial sector is far from satisfactory.

Synonyms: Surrender (বশ্যতা স্বীকার করা), Produce, (প্রদান করা), Return (অনুগত), Slavish (দাস সুলভ), Gentle (নমনীয়)। 
Antonyms:  Resist, Defy, Hard (কঠোর), Resistant (বাধা প্রদানকারী), Rigid (দৃঢ়), Strict (কঠোর), Determined (নির্ধারিত)। 

• অন্য অপশনগুলোর অর্থ -
গ) disobey - আদেশ অমান্য করা; কোনো ব্যক্তি বা আইন অগ্রাহ্য করা।
ঘ) succumb - প্রলোভন, তোষামোদ ইত্যাদির) বশীভূত হওয়া; মারা যাওয়া।
 
Source: Oxford Dictionary and Live MCQ Lecture
৪৬.
Nausea is written by_____
  1. Jean-Paul Satre
  2. Samuel Beckett
  3. Franz Kafka
  4. Albert Camus
ব্যাখ্যা
• 'Nausea' is written by - Jean-Paul Sartre.
- এটি তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস।
- ১৯৩৮ সালে "La Nausée' নামে প্রথম ফ্রান্সে প্রকাশিত হয়।
- It is considered Sartre’s fiction masterwork and is an important expression of existentialist philosophy.
- Nausea is written in the form of a diary that narrates the recurring feelings of revulsion that overcome Roquentin, a young historian, as he comes to realize the banality and emptiness of existence. 

• Jean-Paul Sartre, in full Jean-Paul Charles Aymard Sartre ছিলেন একজন French philosopher, playwright, novelist and political activist. 
- তিনি 'philosophy of existentialism and phenomenological' এর একজন অন্যতম প্রবক্তা।
- ১৯৬৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।

• তাঁর অন্যতম সাহিত্যকর্ম গুলো হচ্ছে - 
- Nausea
- Bring and Nothingness: An Essay on Phenomenological Ontology
- No Exit
- The Roads to Freedom.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
৪৭.
Laws grind the poor and rich men rule the law, The speaker of this quote is_____
  1. Oliver Goldsmith
  2. William Gladstone
  3. Aristotle
  4. Socrates
ব্যাখ্যা
• Laws grind the poor and rich men rule the law, The speaker of this quote is - Oliver Goldsmith.

• উল্লিখিত উক্তিটি Oliver Goldsmith রচিত কবিতা The Traveller  হতে উদ্ধৃত।
- এই কবিতাটি সর্বপ্রথম তিনি তাঁর নামে প্রকাশ করেছিলেন।
- It embodied both his memories of tramping through Europe and his political ideas. 

• Oliver Goldsmith:
- তিনি ১৭৩০ সালে ৩০ নভেম্বর জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি একাধারে Anglo-Irish essayist, poet, novelist, dramatist.

• Some notable work of Oliver Goldsmith: 
- An Enquiry into the Present State of Polite Learning in Europe
- She Stoops to Conquer
- The Deserted Village
- The Traveller

Source: Encyclopedia Britannica
৪৮.
'He prayeth best, who loveth best All things both great and small:- This extract is quoted from the poem of-
  1. William Wordsworth
  2. P. B. Shelley
  3. S. T. Coleridge
  4. Lord Byron
ব্যাখ্যা
 "He prayeth best, who loveth best
All things both great and small" - these lines are quoted by - S.T. Coleridge.

• লাইন গুলো তাঁর বিখ্যাত কবিতা 'The Rime of the Ancient Mariner' হতে উদ্ধৃত।
- The Rime of the ancient Mariner কবিতায় Mariner আলব্যাট্রস পাখিটিকে হত্যা করে।
- এবং সেই পাপের কারণে তাকে প্রায়াশ্চিত্ত করে যেতে হয়।
- এভাবেই কবিতার কাহিনী সামনের দিকে এগিয়ে যতে থাকে।
- The title character detains one of three young men on their way to a wedding feast and mesmerizes him with the story of his youthful experience at sea—his slaughter of an albatross, the deaths of his fellow sailors, his suffering, and his eventual redemption.
- এটি একটি ৭ পার্টের কবিতা।
- এটি সর্বপ্রথম 'Lyrical Ballads; এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে ১৭৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।

• এই কবিতার আরো কিছু বিখ্যাত উক্তি - 
• ''Alone, alone, all, all alone,
Alone on a wide sea''
• 'Water, water everywhere,
Not any drop to drink'

Source: Britannica and Sparksnotes.
৪৯.
"Revenge is a kind of wild justice. Who said this?
  1. William Wordsworth
  2. William Shakespeare
  3. Abraham Lincoln
  4. Francis Bacon
ব্যাখ্যা
- "Revenge is a kind of wild justice." এটি Francis Bacon রচিত Of Revenge থেকে নেওয়া।

•  Francis Bacon:
- তার পুরো নাম Francis Bacon, Viscount Saint Alban.
- তাকে Sir Francis Bacon ও বলা হয়।
- তিনি একজন lawyer, statesman, philosopher এবং master of the English tongue.
- He is remembered in literary terms for the sharp worldly wisdom of a few dozen essays.

• Quotes:
- A wise man will make more opportunities than he finds.
- Revenge is a kind of wild justice.
- Silence is the sleep that nourishes wisdom.
- It is impossible to love and be wise. (Of Love)

• Some notable work:
- Advancement of Learning,
- Commentarius Solutus,
- De Sapientia Veterum,
- Instauratio Magna,
- Novum Organum,
- The New Atlantis.

Source: britannica.com
৫০.
All the perfumes of Arabia will not sweeten this little hang, This quote is taken from Shakespearean play titled-
  1. Hamlet
  2. Mecbeth
  3. King Lear
  4. Othello
ব্যাখ্যা
• The quotation 'All the perfumes of Arabia will not sweeten this little hand' is taken from - Shakespeare's most famous Tragedy - Macbeth.
- These dramatic words are uttered by Lady Macbeth in Act V, Scene 1, during a time when she is overwhelmed by guilt.
- স্ত্রীর কুমন্ত্রনায় Macbeth রাজাকে হত্যা করেন।
- পরবর্তীতে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে Lady Macbeth অনুতপ্ত হয় এবং অনুশোচনায় দগ্ধ হয়ে পাগল হয়ে যায়।
- শেক্সপিয়ার রচিত ট্রাজেডীগুলোর  মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত এটি।
- এই নাটকটি Shakespeare's Scottish Play  নামেও পরিচিত।
- ধারনা করা হয় Macbeth নাটকটি The Gunpowder Plot of 1605 (King James I of England and VI of Scotland কে  হত্যার ব্যর্থ প্রচেষ্টা) উপর ভিত্তি করে লেখা।

• Some important quotations from Macbeth -
- 'Fair is foul, and foul is fair.'
- 'All the perfumes of Arabia will not sweeten this little hand'
- 'What's done cannot be undone'
- 'Life is but a walking shadow, a poor player'.
- "What's done can't be undone."
- 'Is this a dagger which I see before me, the handle toward my hand?' 
- - "Look like an innocent flower But be the serpent under it."

• Its important characters are - 
- Macbeth
- Lady Macbeth
- Duncan
- Banquo
- Three Witches

Source: Britannica and Cliffsnotes.
৫১.
চর্যাপদের ভাষাকে সন্ধ্যা ভাষা বলেছেন কে?
  1. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
  2. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  3. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  4. বিজয়চন্দ্র মজুমদার
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদের ভাষাকে সন্ধ্যা ভাষা বলেছেন - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

সন্ধ্যাভাষা:
- চর্যাপদের ভাষাকে কেউ কেউ সন্ধ্যাভাষা বা সন্ধাভাষা বলেছেন।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এ ভাষা সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন, 'আলো আঁধারি ভাষা, কতক আলো, কতক অন্ধকার, খানিক বুঝা যায়, খানিক বুঝা যায় না। যাঁহারা সাধন-ভজন করেন, তাঁহারাই সে কথা বুঝিবেন, আমাদের বুঝিয়া কাজ নাই।'
- এ কারণে চর্যার ভাষা সন্ধ্যাভাষা।

অন্যদিকে,
• ১৯২৭ সালে সর্বপ্রথম চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব বিশ্লেষণ করেন - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্।
• ১৯২৬ সালে ভাষা আলোচনা করে স্বীকৃত দেন যে, চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
• ১৯২০ সালে প্রথম চর্যাপদের ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন - বিজয়চন্দ্র মজুমদার। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক।
৫২.
নিম্নের কোন শব্দ গুচ্ছের বানান শুদ্ধ?
  1. অঙ্গন, কঙ্কন
  2. উজ্জ্বল, মুমুর্ষু
  3. বাণী, বীণা
  4. স্বান্তনা, আয়ত্ব
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে -

অপশন ক) 'অঙ্গন' শুদ্ধ হলেও 'কঙ্কন' বানানটি অশুদ্ধ; যার শুদ্ধ রূপ - কঙ্কণ।
অপশন খ) 'উজ্জ্বল' শুদ্ধ হলেও 'মুমুর্ষু' বানানটি অশুদ্ধ; যার শুদ্ধ রূপ - মুমূর্ষু।
অপশন গ) 'বাণী' ও 'বীণা' দুটি বানানই শুদ্ধ
অপশন ঘ) 'স্বান্তনা' ও 'আয়ত্ব' দুটি বানানই অশুদ্ধ; যাদের শুদ্ধ রূপ - 'সান্ত্বনা' ও  'আয়ত্ত'।

বাণী:
- শব্দটি বিশেষ্য।
- অর্থ: শব্দ; ভাষা; উক্তি; ভাষণ।

বীণা:
- শব্দটি বিশেষ্য।
- অর্থ: টোকা দিয়ে বাজানো হয় এমন সাতটি তারের সেতারজাতীয় বাদ্যযন্ত্রবিশেষ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৫৩.
'তবলা' শব্দের উৎস-ভাষা_____
  1. তুর্কি
  2. গুজরাটি
  3. ফারসি
  4. আরবি
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'তবলা' শব্দের উৎস-ভাষা - আরবি। 

• 'তবলা' বলতে বোঝায়:
- একদিকে চর্মাবৃত এক প্রকার বাদ্যযন্ত্রবিশেষ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৫৪.
নিচের কোনটি উপসর্গযুক্ত শব্দ?
  1. পঙ্কজ
  2. জ্বালাতন
  3. কদবেল
  4. মাচান
ব্যাখ্যা
• উপসর্গযুক্ত শব্দ - কদবেল
- এটি বাংলা উপসর্গ 'কদ্‌' যোগে গঠিত হয়েছে।

উপসর্গ:
- যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলােকে উপসর্গ বলে।
- নতুন শব্দ তৈরি করা এবং শব্দের অর্থের পরিবর্তন করা উপসর্গের কাজ। 
যেমন -
কদবেল = কদ্‌ + বেল।
এখানে 'কদ্‌' উপসর্গটি 'গৌণ' অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
৫৫.
নিম্নের কোনটি 'ঋক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ?
  1. ঋদ্ধ
  2. শাস্ত্রজ্ঞ
  3. নক্ষত্র
  4. কর্ম
ব্যাখ্যা
ঋক্ষ:
- শব্দটি বিশেষ্য।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
- অর্থ: ভল্লুক, ভালুক; নক্ষত্র; শোনাক বৃক্ষ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৫৬.
ঘটনাটা শুনে রাখ- এই বাক্যে 'শুনে রাখ' কোন প্রকার ক্রিয়া?
  1. যৌগিক
  2. মিশ্র
  3. দ্বিকর্মক
  4. সমধাতুজ
ব্যাখ্যা
• 'ঘটনাটা শুনে রাখ'- এখানে 'শুনে রাখ'- যৌগিক ক্রিয়া

• যৌগিক ক্রিয়া:
একটি সমাপিকা ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া যদি একত্রে একটি বিশেষ বা সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে, তবে তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন -
- তাগিদ দেয়া অর্থে: ঘটনাটা শুনে রাখ
- কার্যসমাপ্তি অর্থে: ছেলেমেয়েরা শুয়ে পড়ল। 

অন্যদিকে,
• মিশ্র ক্রিয়া:
বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের সঙ্গে কর্, হ্, দে, পা, যা, কাট্, গা, ছাড়্, ধর্, মার্‌ প্রভৃতি ধাতুযোগে গঠিত ক্রিয়াপদ বিশেষ বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে, তাকে মিশ্র ক্রিয়া বলে।
যেমন -
- বিশেষ্যের (পরে): আমরা তাজমহল দর্শন করলাম। 

দ্বিকর্মক ক্রিয়া:
- যে ক্রিয়ার দুটি কর্মপদ থাকে, তাকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে।
- দ্বিকর্মক ক্রিয়ার বস্তুবাচক কর্মপদটিকে মুখ্য বা প্রধান কর্ম এবং ব্যক্তিবাচক কর্মপদটিকে গৌণ কর্ম বলে।
যেমন -
→ বাবা আমাকে একটি কলম কিনে দিয়েছেন।
বাক্যে 'কলম' (বস্তু) মুখ্যকর্ম এবং 'আমাকে' (ব্যক্তি) গৌণ কর্ম।

সমধাতুজ কর্ম:
- বাক্যের ক্রিয়া ও কর্মপদ একই ধাতু থেকে গঠিত হলে ঐ কর্মপদকে সমধাতুজ কর্ম বা ধাতুর্থক কর্মপদ বলে।
যেমন -
→ আর কত খেলা খেলবে।
মূল 'খেল' ধাতু থেকে ক্রিয়াপদ 'খেলবে' এবং কর্মপদ 'খেলা' উভয়ই গঠিত হয়েছে। তাই 'খেলা' পদটি সমধাতুজ বা ধাতুর্থক কর্ম।

- সমধাতুজ কর্মপদ অকর্মক ক্রিয়াকে সকর্মক করে।
যেমন -
→ এমন সুখের মরণ কে মরতে পারে?
→ বেশ এক ঘুম ঘুমিয়েছি।
→ আর মায়াকান্না কেঁদো না গো বাপু। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৫৭.
দেশী ভাষে কহ তাকে পাঞ্চালীর ছন্দে। সকলে শুনিয়া যেন বুঝয় সানন্দে। এই কাব্যাংশের কবি কে?
  1. দৌলত কাজী
  2. সৈয়দ আব্দুল হাকিম
  3. কোরেশী মাগন ঠাকুর
  4. আবদুল করীম
ব্যাখ্যা
• 'দেশী ভাষে কহ তাকে পাঞ্চালীর ছন্দে। সকলে শুনিয়া যেন বুঝয় সানন্দে।' এই কাব্যাংশের কবি - দৌলত কাজী

সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী:
- 'সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্যের কাহিনি খুবই প্রাচীন কাল থেকে লোকগাথা হিসেবে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রচলিত ছিল।
- এই লোকগাথা অবলম্বন করে হিন্দি কবি সাধন 'মৈনাসত' নামে একটি কাব্য লিখেন।
- দৌলত কাজী তা অবলম্বন করে 'সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্য রচনা করেন।
- ভিন্ন ভাষা থেকে এ কাব্যের কাহিনি বাংলায় রূপান্তরিত করার জন্য আশরফ খান নির্দেশ দিয়েছিলেন:

ঠেটা চৌপাইয়া দোহা কহিলা সাধনে।
না বুঝে গোহারী ভাষা কোন কোন জনে।
দেশী ভাষে কহ তাকে পাঞ্চালীর ছন্দে
সকলে শুনিয়া যেন বুঝয় সানন্দে।।

- এতে মনে হয় হিন্দি ঠেট ও গোহারী (গাঁওয়ারী) ভাষায় অর্থাৎ প্রাচীন হিন্দি ভাষায় রচিত কোন কাব্যকাহিনি অবলম্বনে দৌলত কাজী তাঁর কাব্যের পরিকল্পনা করেছিলেন।
- 'সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্যের কথাবস্তুতে হিন্দি প্রণয়কথা থাকলেও রূপে ও ভাবে তা বিদগ্ধ ও বিশুদ্ধ বাংলা কবিতা।
- কাব্যের প্রথমে আল্লাহ্-রসুলের বন্দনা করেছেন।
- বন্দনার উদার ও সার্বভৌম ভাবটি ধর্মসম্প্রদায়-নির্বিশেষে সর্বজনগ্রাহ্য।
- তারপর রাজা শ্রীসুধর্মা ও সমরসচিব আশরফ খানের প্রশংসা, রাজার বিহার ও আশরফ খানের দ্বারা কাব্য রচনার নির্দেশের কথা বলে কবি কাব্যের কাহিনি আরম্ভ করেছেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক।
৫৮.
'রক্ত ঝরাতে পারি না ত একা, তাই লিখে যাই এ রক্ত-লেখা', এই চরণদ্বয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কোন কবিতার অংশ?
  1. বিদ্রোহী
  2. আমার কৈফিয়ৎ
  3. সাম্যবাদী
  4. মানুষ
ব্যাখ্যা
• 'রক্ত ঝরাতে পারি না ত একা, তাই লিখে যাই এ রক্ত-লেখা', এই চরণদ্বয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের 'আমার কৈফিয়ত' কবিতার অংশ।
- 'আমার কৈফিয়ৎ' কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের 'সর্বহারা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

আমার কৈফিয়ত,
--- কাজী নজরুল ইসলাম

বর্তমানের কবি আমি ভাই, ভবিষ্যতের নই ‘নবী’,
কবি ও অকবি যাহা বলো মোরে মুখ বুঁজে তাই সই সবি!
কেহ বলে, ‘তুমি ভবিষ্যতে যে
ঠাঁই পাবে কবি ভবীর সাথে হে!
যেমন বেরোয় রবির হাতে সে চিরকেলে-বাণী কই কবি?’
দুষিছে সবাই, আমি তবু গাই শুধু প্রভাতের ভৈরবী!
--------------------------------------------
বন্ধু গো, আর বলিতে পারি না, বড় বিষ-জ্বালা এই বুকে!
দেখিয়া শুনিয়া ক্ষেপিয়া গিয়াছি, তাই যাহা আসে কই মুখে।
রক্ত ঝরাতে পারি না ত একা,
তাই লিখে যাই এ রক্ত-লেখা,
বড় কথা বড় ভাব আসে না ক’ মাথায়, বন্ধু, বড় দুখে!
অমর কাব্য তোমরা লিখিও, বন্ধু, যাহারা আছ সুখে!

কাজী নজরুল ইসলাম:
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে, ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের ইমাম ও মাযারের খাদেম।
- কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবিকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয়। 
- বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে কবির অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তনে কবিকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। 
- ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করে।
- ২৯ আগস্ট, ১৯৭৬ (১২ ভাদ্র, ১৩৮৩) ঢাকার পিজি হাসপাতালে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নিবীণা,
- বিষের বাঁশি,
- ভাঙার গান,
- সাম্যবাদী,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- জিঞ্জির,
- সন্ধ্যা,
- প্রলয় শিখা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৫৯.
'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়' বিখ্যাত এই ভাবদ্যোতক প্রবচন এর কবি কে?
  1. বিজয় গুপ্ত
  2. ভারত চন্দ্র
  3. বিপ্রদাস পিপিলাই
  4. দ্বিজ বংশীদাস
ব্যাখ্যা
• 'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?' বিখ্যাত এই ভাবদ্যোতক প্রবচন এর কবি - ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর

অন্নদামঙ্গল:
- মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের প্রতিভার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য।
- তাঁকে মধ্যযুগের প্রথম নাগরিক কবি বলা হয়। 
- এই কাব্যের প্রধান চরিত্র: মানসিংহ, ভবানন্দ, বিদ্যা, সুন্দর, হীরা মালিনী, ঈশ্বরী পাটনী ইত্যাদি।
- অন্নদামঙ্গল কাব্য তিনখণ্ডে বিভক্ত: শিবনারায়ণ, কালিকামঙ্গল ও মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড। 
- অন্নদামঙ্গল কাব্যের চরিত্র ঈশ্বরী পাটনীর উক্তি: 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে'। 

• অন্নদামঙ্গল কাব্যের (ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের) কিছু বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি, যা সুপ্রচলিত প্রবচন বা সুভাষিতের মর্যাদা লাভ করেছে।
যেমন -
- মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।
- নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?
- হাভাতে যদ্যপি চায় সাগর শুকায়ে যায়।
- জন্মভূমি জননী স্বর্গের গরিয়সী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৬০.
'নূরলদীনের সারাজীবন' কাব্যনাটকে সৈয়দ শামসুল হক কোন বিষয়বস্তু তুলে ধরেছেন?
  1. ১৭৮৩ এর কৃষক আন্দোলন
  2. ১৮৫৭ এর সিপাহী বিদ্রোহ
  3. ১৯০৫ এর বঙ্গভঙ্গ
  4. ১৯৪৭ এর দেশ বিভাগ
ব্যাখ্যা
'নূরলদীনের সারাজীবন' কাব্যনাট্য: 
- 'নূরলদীনের সারাজীবন' সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাট্য।
- ১৭৮৩ এর কৃষক আন্দোলনের বিষয়বস্তু তুলে ধরেছেন।
- রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের নেতা নূরলদীনের সামন্তবাদ বিরােধী সংগ্রাম অবলম্বনে রচিত নাটক- নূরলদীনের সারাজীবন (১৯৮২)।
- ব্রিটিশ বিরােধী আন্দোলনের নায়ক নূরলদীনের অবিস্মরণীয় আহবান- ‘জাগাে বাহে, কোনঠে সবাই'।
- ১৪ টি দৃশ্যে কাব্যনাটকটি রচিত। 

সৈয়দ শামসুল হক:
- সৈয়দ শামসুল হক ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত।

তাঁর রচিত কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
- নূরলদীনের সারাজীবন।
- এখানে এখন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬১.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী একতরফাভাবে কোনো অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদেশ প্রদত্ত হলে অপরপক্ষের হাজির হওয়ার কত দিনের মধ্যে মূল নিষেধাজ্ঞার দরখাস্তের নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে?
  1. ১০
  2. ৩০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক এর বিধান অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না (No order of ad interim oг temporary injunction without hearing the opposite party):

⇒ কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।

⇒ কোন বেসরকারি পক্ষ অন্যকোন বেসরকারি পক্ষের বিপক্ষে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত করলে আদালত নোটিশ ছাড়া তা মঞ্জুর করবে না, তবে দেরীর কারণে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের উদ্দেশ্যে ব্যাহত হলে সেক্ষেত্রে নোটিশ ছাড়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া যাবে।

⇒ যদি বে-সরকারি পক্ষের অনুরোধ অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদত্ত হয়, তাহলে অপর পক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।

⇒ যে পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয় সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং দেখা যায় যে এরূপ নিষেধাজ্ঞার জন্য অন্যপক্ষের ক্ষতিসাধন হয়েছে তাহলে আদালত, অন্যপক্ষ যে খরচ পাবে তার অতিরিক্ত অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ অনুমোদন করবেন।
৬২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXXVII অনুযায়ী দাখিলী 'Summary Suit' নিষ্পত্তি করতে পারেন কে?
  1. সহকারী জজ
  2. সিনিয়র সহকারী জজ
  3. যুগ্ম জেলা জজ
  4. জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭: হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি।
বিধি-১: আদেশের প্রয়োগ। এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ORDER-37:-SUMMARY PROCEDURE ON NEGOTIABLE INSTRUMENTS 
Rule-1: Application of Order. This Order shall apply only to the High Court Division and to the District Court.
৬৩.
সোলে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল চলে না, বিধানটি The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারায় রয়েছে।
  1. ৯৬(১)
  2. ৯৬(২)
  3. ৯৬(৩)
  4. ৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারা অনুযায়ী পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি প্রদান করে থাকলে তার হতে কোন আপীল চলবে না।
⇒   অর্থাৎ পক্ষগণের সম্মতিতে (Compromise Decree) আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে না। যেহেতু আপীল চলবে না তাই রিভিশেন করা যাবে।
⇒  আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না তবে রিভিশন করা যায়। কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না। যা ৮৯ক(১২) ধারায় উল্লেখ করা আছে।

⇒  দেওয়ানি মোকদ্দমার আপিল আদালত দুটি। ১) জেলা জজ আদালত ২) হাইকোর্ট বিভাগ।
৬৪.
দেওয়ানী আদালত The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন বিধান অনুযায়ী একটি দলিল impound করতে পারেন?
  1. Order XI, rule 18
  2. Order XII, rule 8
  3. Order XIII, rule 8
  4. Order VII, rule 17
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৩ বিধি-৮ এর বিধান: আদালত কোন দলিল আটক করার আদেশ দিতে পারে: এই আদেশের ৫ কিংবা ৭ বিধি অথবা ৭ম আদেশের ১৭ বিধিতে কোন বিধান নিহিত থাকা সত্ত্বেও আদালত যদি পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে বলে মনে করেন, তবে আদালত যথার্থ মনে করে এরূপ সময়ের জন্য এবং শর্ত সাপেক্ষে মোকদ্দমায় ইহার সম্মুখে পেশকৃত কোন দলিল বা বহি আটক করার এবং আদালতের কোন অফিসারের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দান করতে পারে।
------------------
Rule.-8: Court may order any document to be impounded.- Notwithstanding anything contained in rule 5 or rule 7 of this Order or in rule 17 of Order VII, the Court may, if it sees sufficient cause, direct any document or book produced before it in any suit to be impounded and kept in the custody of an officer of the Court, for such period and subject to such conditions as the Court thinks fit. 
৬৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী সাক্ষ্য প্রদানের জন্য কোনো ব্যক্তিকে সমন দেওয়া সত্ত্বেও তিনি হাজির না হলে আদালত তাকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারেন?
  1. ২০০
  2. ৫০০
  3. ১০০০
  4. ২০০০
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৬ বিধি-১২ সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হলে কার্যপদ্ধতি। যেক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যক্তি হাজির না হয় বা হাজির হয়, কিন্তু আদালতকে ঐরূপ সন্তুষ্ট করতে না পারে, সেক্ষেত্রে আদালত তার জীবন যাপনের অবস্থা এবং মোকদ্দমায় যাবতীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে তার উপর আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করে এরূপ অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারে এবং তার সম্পত্তি কিংবা উহার যে কোন অংশ ক্রোক করার ও নিলাম বিক্রয় করার জন্য, অথবা যদি ১০ বিধি অনুসারে ইতোপূর্বে ক্রোকাবদ্ধ হয়ে থাকে, তবে তা উক্ত জরিমানার অংকসহ, যদি কোন, অনুরূপ ক্রোকের ব্যয় মিটানোর উদ্দেশ্যে নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, ঐ ব্যক্তি উপরোক্ত খরচাদি এবং জরিমানা আদালতে পরিশোধ করলে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকমুক্ত হতে আদেশ দিবে।
৬৬.
The Civil Courts Act, 1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের কোন ধরণের নিয়ন্ত্রণ থাকবে?
  1. বিচারিক
  2. প্রশাসনিক
  3. প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক
  4. বিচারিক ও দাপ্তরিক
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
৬৭.
স্বত্বের দাবী উত্থাপন ব্যতিরেকে দখল পুনরুদ্ধারের মামলার কোন আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের প্রতিকার কী?
  1. শুধু আপিল
  2. শুধু রিভউ
  3. শুধু রিভিশন
  4. আপিল ও রিভিউ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed. যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ এ ধারার শেষের অংশে কোন ডিক্রি অথবা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কিংবা পুনর্বিচারের প্রার্থনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই ধারার অধীন কোন পক্ষ ডিক্রির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি তার প্রতিকার চেয়ে তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মামলা করতে পারেন কিংবা দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারার অধীনে হাইকোর্ট পুনর্বিচারের প্রার্থনা করতে পারেন।
⇒ যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
৬৮.
নিম্নের কে Panel of Mediators এ অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন না?
  1. অবসরপ্রাপ্ত বিচারক
  2. স্থানীয় বারের সভাপতি
  3. স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় চাকুরিরত ব্যক্তি
  4. লাভজনক সরকারি পদে চাকুরিরত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
♦ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত জজ, বিরোধ নিষ্পত্তির প্রশিক্ষিত বলে জানা কোন ব্যক্তি এবং প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত এইরূপ ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ যারা উক্ত উদ্দেশ্যে উপযুক্ত বলে বিবেচিত তাদের সমন্বয়ে জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীগণের একটি তালিকা তৈরী করবেন (সময়ে সময়ে তা হালনাগাদ করতে হবে) এবং তার প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে তালিকার বিষয়ে তিনি অবহিত করবেন।

♦ মধ্যস্থতাকারীর যোগ্যতা-
i) জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত প্যানেল সদস্য; বা
ii) অবসরপ্রাপ্ত জজ; অথবা
iii) সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমার পক্ষগণ নিযুক্ত উকিল ব্যতীত অন্য যে কোন উকিল মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন।

♦ তবে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে (Office of Profit) নিযুক্ত কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবে না
৬৯.
কোন ক্ষেত্রে The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়।
  1. মোকদ্দমা
  2. কার্যক্রম
  3. আপিল
  4. ডিক্রি জারির আবেদন
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা
উপধারাঃ(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিংক্রী জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারাঃ (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেইক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারাঃ (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেইক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যাইতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারাঃ (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেইক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
♦অর্থাৎ ৬ ধারা প্রযোজ্য মোকদ্দমা বা কার্যক্রম, ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে। তবে আপীল, রিভিউ , রিভিশন, বন্টনের মামলার  ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৭০.
'একবার তামাদির গণনা শুরু হলে তা পরবর্তী কোনো অক্ষমতার দ্বারা বন্ধ হবে না' সংক্রান্ত বিধান The Limitation Act, 1908 এর কোন ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ১২
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর ৯ ধারার বিধান হল একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু করলে মোকদ্দমা দায়েরে পরবর্তি কোন অপারগতা (Disability) বা অক্ষমতা (Inability) দ্বারা তা বন্ধ হবে না। তবে যেক্ষেত্রে পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদের উপর অর্পিত হয়েছে সেক্ষেত্রে তার দায়িত্বপালঙ্কালীন সময়ে দেনার টাকা আদায়ে মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
♦অর্থাৎ 'সময়ের অবিরাম চলন' হল তামাদি আইনের ৯ ধারার বিধান।
৭১.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী শিশু আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয় নয় কোনটি?
  1. শিশুর বয়স ও লিঙ্গ
  2. শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা
  3. শিশুর আর্থিক অবস্থা
  4. শিশু ও তার পরিবারের জীবন যাপন পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারার বিধান শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়:
 - এই আইনের অধীন কোন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে শিশু-আদালত নিম্নবর্ণিত বিষয় বিবেচনা করিবে, যথা :- 
 
(ক) শিশুর বয়স ও লিঙ্গ; 
(খ) শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা; 
(গ) শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা বা শিশু কোন্ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত; 
(ঘ) শিশুর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নৃতাত্ত্বিক অবস্থা; 
(ঙ) শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা; 
(চ) শিশুর ও তাহার পরিবারের জীবন-যাপন পদ্ধতি; 
(ছ) অপরাধ সংঘটনের কারণ, দলবদ্ধতার তথ্য, সার্বিক পরিস্থিতি ও পটভূমি; 
(জ) শিশুর অভিমত; 
(ঝ) সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন; এবং 
(ঞ) শিশুর সংশোধন ও সর্বোত্তম স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য আনুষঙ্গিক যে সকল বিষয় বিবেচনার্থে গ্রহণ করা আবশ্যক ও প্রয়োজন।

অর্থাৎ শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী শিশু আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয় নয়:- শিশুর আর্থিক অবস্থা।
৭২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী ভিক্ষাবৃত্তি ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুর অঙ্গহানি করার শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৭ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১২ ধারার বিধান ভিক্ষাবৃত্তি, ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুকে অঙ্গহানি করার শাস্তি:
যদি কোন ব্যক্তি ভিক্ষাবৃত্তি বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রির উদ্দেশ্যে কোন শিশুর হাত, পা, চক্ষু বা অন্য কোন অংগ বিনষ্ট করেন বা অন্য কোনভাবে বিকলাংগ বা বিকৃত করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন। 
৭৩.
The Special Powers Act, 1974 এর কোন ধারায় মৃত্যুদণ্ডের আদেশ গুলি করে কার্যকরের বিধান আছে?
  1. 31
  2. 34A
  3. 34
  4. এমন কোন বিধান নেই
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারামতে কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকিবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
-তবে ২০১০ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আদালত ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দিয়েছিল।

- ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের (Special Powers Act, 1974) ৩৪ক ধারামতে ২ ভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে। যথা- i) ফাঁসি দিয়ে; অথবা ii) গুলি করে।
৭৪.
আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টে আইনগত সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির বার্ষিক গড় আয় সর্বোচ্চ কত টাকা?
  1. ১,০০,০০০
  2. ১,৫০,০০০
  3. ২,০০,০০০
  4. ৩,০০,০০০
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত সহায়তা নীতিমালা ২০১৪ এর বিধি ২ এর বিধান:
 আইনগত সহায়তা প্রাপ্তির যোগ্যতা:
(১) এই নীতিমালার অধীন নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণ আইনগত সহায়তা পাইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন, যথা:-
(ক) অসচ্ছল বা আর্থিকভাবে অসচ্ছল ব্যক্তি যাহার বার্ষিক গড় আয় সুপ্রীম কোর্টে আইনগত সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ১,৫০,০০০/- টাকা এবং অন্যান্য আদালতের ক্ষেত্রে ১,০০,০০০/- টাকার ঊর্ধ্বে নয়;
(খ) কর্মে অক্ষম, আংশিক কর্মক্ষম, কর্মহীন কোন ব্যক্তি;
(গ) বাৎসরিক ১,৫০,০০০/- টাকার ঊর্ধ্বে আয় করিতে অক্ষম কোন মুক্তিযোদ্ধা; এবং
(ঘ) কোন শ্রমিক যাহার বার্ষিক গড় আয় ১,০০,০০০/- টাকার ঊর্ধ্বে নয়।
(২) উপ-অনুচ্ছেদ (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই নীতিমালার অধীন নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণও আইনগত সহায়তা পাইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন, যথা:-
(ক) কোন শিশু;
(খ) মানব পাচারের শিকার কোন ব্যক্তি;
(গ) শারীরিক, মানসিক এবং যৌন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশু;
(ঘ) নিরাশ্রয় ব্যক্তি বা ভবঘুরে;
(ঙ) ক্ষুদ্র জাতিসত্তা বা নৃ-গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের কোন ব্যক্তি;
(চ) পারিবারিক সহিংসতার শিকার বা সহিংসতার ঝুঁকিতে রহিয়াছেন এইরূপ কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি;
(ছ) বয়স্ক ভাতা পাইতেছেন এইরূপ কোন ব্যক্তি; 
(জ) ভি জি ডি কার্ডধারী কোন দুস্থ মাতা;
(ঝ) দুর্বৃত্ত কর্তৃক এসিড দগ্ধ নারী বা শিশু;
(ঞ) আদর্শ গ্রামে গৃহ বা ভূমি বরাদ্দপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি;
(ট) অসচ্ছল বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা এবং দুস্থ মহিলা;
(ঠ) প্রতিবন্ধী ব্যক্তি;
(ড) আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আদালতে অধিকার প্রতিষ্ঠা বা আত্মপক্ষ সমর্থন করিতে অসমর্থ ব্যক্তি;
(ঢ) বিনা বিচারে আটক এমন কোন ব্যক্তি যিনি আত্মপক্ষ সমর্থনের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে আর্থিকভাবে অসচ্ছল;
(ণ) আদালত কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া বিবেচিত ব্যক্তি;
(ত) জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া সুপারিশকৃত বা বিবেচিত কোন ব্যক্তি; এবং
(খ) আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংস্থা কর্তৃক সময় সময় চিহ্নিত আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন, নানাবিধ আর্থ-সামাজিক এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি যিনি আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে স্বীয় অধিকার প্রতিষ্ঠা বা মামলা পরিচালনায় অসমর্থ।
৭৫.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী লাইসেন্সপ্রাপ্ত নন এরূপ ব্যক্তির নিকট থেকে মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি পেলে উক্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শান্তি________ বৎসর কারাদণ্ড?
  1. ১০
  2. ১৪
ব্যাখ্যা
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৭ ধারার বিধান মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি, ইত্যাদি রাখিবার দণ্ড:
- লাইসেন্সপ্রাপ্ত নহেন এইরূপ কোনো ব্যক্তির নিকট অথবা তাহার দখলকৃত কোনো স্থানে যদি মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য কোনো যন্ত্রপাতি, ওয়াশ অথবা অন্যান্য উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবে।
৭৬.
দুর্নীতি বিষয়ে অভিযোগ তদন্তের ক্ষেত্রে কমিশন হতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাজে বাধা প্রদান করলে সংঘটিত অপরাধের সাজা সর্বোচ্চ কত বৎসর কারাদণ্ড?
ব্যাখ্যা
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ১৯ ধারার বিধান অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা:
 (১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ)  সাক্ষ্য গ্রহণ; 
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা; 
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়৷ 

(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷ 

(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বছর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
৭৭.
মানব পাচারে সহযোগীর শাস্তি অন্যূন কত বৎসর কারাদণ্ড?
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৮ ধারার বিধান অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা প্রচেষ্টা চালানোর দণ্ড: 
(১) কোন ব্যক্তি মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান করিয়া, ষড়যন্ত্র করিয়া এবং প্রচেষ্টা চালাইয়া অথবা সজ্ঞানে কোন মানব পাচার অপরাধ সংঘটন বা সংঘটিত করিবার সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তাহার সম্পত্তি ব্যবহার করিবার অনুমতি প্রদান করিয়া অথবা কোন দলিল-দস্তাবেজ গ্রহণ, বাতিল, গোপন, অপসারণ, ধ্বংস বা তাহার স্বত্ত্ব গ্রহণ করিয়া নিজেকে উক্ত অপরাধের সহিত জড়িত করিলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি এই আইনের আওতাধীন কোন অপরাধ সংঘটনে সহযোগী (abettor) হইলে উক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য ধার্যকৃত দণ্ডের সমপরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

অর্থাৎ মানব পাচারে সহযোগীর শাস্তি অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড।
৭৮.
আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর আওতায় মিথ্যা মামলা দায়েরের শান্তি কত বৎসর কারাদণ্ড?
  1. ২ থেকে ৫
  2. ৩ থেকে ৫
  3. ২ থেকে ৭
  4. ১ থেকে ২
ব্যাখ্যা
⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৬ ধারার বিধান মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের, ইত্যাদির শাস্তি:
- যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনের কোন ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও তাহার বিরুদ্ধে কোন মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অন্যুন দুই বছর এবং অনধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷
৭৯.
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুসারে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচয় ধারণ করে প্রতারণার শাস্তি অনধিক কত বৎসর কারাদণ্ড?
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২৪ ধারার বিধান পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণ:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার প্রোগ্রাম, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, কোনো ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল সিস্টেম বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করিয়া- 
(ক) প্রতারণা করিবার বা ঠকাইবার উদ্দেশ্যে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচয় ধারণ করেন বা অন্য কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত কোনো তথ্য নিজের বলিয়া প্রদর্শন করেন, বা 
(খ) উদ্দেশ্যমূলকভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে কোনো জীবিত বা মৃত ব্যক্তির ব্যক্তিসত্তা নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যে নিজের বলিয়া ধারণ করেন,- 
(অ) নিজের বা অপর কোনো ব্যক্তির সুবিধা লাভ করা বা করাইয়া দেওয়া, 
(আ) কোনো সম্পত্তি বা সম্পত্তির স্বার্থ প্রাপ্তি, 
(ই) অপর কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিসত্তার রূপ ধারণ করিয়া কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিসত্তার ক্ষতিসাধন, 
তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ। 

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫(পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয়বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৮০.
K & L কোম্পানীর এম.ডি. ও জি.এম. যথাক্রমে M ও N একটি চেক ইস্যু করলে তা অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে ডিসঅনার হয়। এক্ষেত্রে কার বিরদ্ধে মামলা করা যাবে?
  1. 'K & L'
  2. 'M' ও 'N'
  3. 'K & L', 'M' ও 'N'
  4. 'K & L ' ও 'M'
ব্যাখ্যা
⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৪০ ধারার বিধান কোম্পানীর অপরাধসমূহ (Offences of Companies) ধারা ১৩৮ এর আওতায় অপরাধকারী কোম্পানী হলে বর্ণিত কোম্পানীসহ উক্ত অপরাধ সংঘটনের সময় কোম্পানীর ব্যবসায় পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং আইনত দায়ী প্রত্যেক ব্যক্তি ঐ অপরাধের জন্য দোষী বলে গণ্য হবেন এবং এর জন্য তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে এবং সেই অনুযায়ী দণ্ডিত হবেন।

- যদি দায়ী ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে উক্ত অপরাধ তার জ্ঞাতসারে সংঘটিত হয়নি অথবা উক্ত অপরাধ সংঘটন প্রতিরোধের জন্য তিনি সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, তাহলে তিনি দোষী সাব্যস্ত হবেন না।

- এই আইনের আওতায় কোম্পানী কর্তৃক কোন অপরাধ সংঘটিত হলে এবং উক্ত কোম্পানির কোন পরিচালক, ব্যবস্থাপক, সচিব বা অন্য কর্মকর্তার সম্মতিতে বা পরোক্ষ সমর্থনে বা কোন অবহেলার কারণে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হয়েছে মর্মে প্রমাণিত হলে, কোম্পানির উক্ত পরিচালক, ব্যবস্থাপক, সচিব বা অন্য কর্মকর্তা ঐ অপরাধের জন্য দোষী বলে গণ্য হবেন এবং এটির জন্য তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে এবং সেই অনুযায়ী দণ্ডিত হবেন।

- কোনো কোম্পানি Cheque Dishonour মামলায় দোষী হলে, কোম্পানিসহ পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ দায়ী (liable) হবেন। 
--------------
The Negotiable Instruments Act, 1881 Section 140. Offences of Companies:
(1) If the person committing an offence under section 138 is a company, every person who, at the time the offence was committed, was in charge of, and was responsible to, the company for the conduct of the business of the company, as well as the company, shall be deemed to be guilty of the offence and shall be liable to be proceeded against and punished accordingly:

Provided that nothing contained in this sub-section shall render any person liable to punishment if he proves that the offence was committed without his knowledge, or that he had exercised all due diligence to prevent the commission of such offence.

(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), where any offence under this Act has been committed by a company and it is proved that the offence has been committed with the consent or connivance of, or is attributable to, any neglect on the part of any director, manager, secretary or other officer of the company, such director, manager, secretary or other officer shall also be deemed to be guilty of that offence and shall be liable to be proceeded against and punished accordingly.

Explanation. - For the purposes of this section-
(a) “company” means any body corporate and includes a firm or other association of individuals; and
(b) “director” in relation to a firm, means a partner in the firm.
৮১.
১৯৭১ সালের কত তারিখ থেকে Laws Continuance Enforcement Order কার্যকর হয়েছে?
  1. ২৬ মার্চ
  2. ১০ এপ্রিল
  3. ২৬ মে
  4. ১০ জুন
ব্যাখ্যা
⇒ ১৯৭১ সালের ১০শে এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র [Proclamation of Independence] জারি করার পরে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র-এর মাধ্যমে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি তথা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেশে বিদ্যমান সকল আইনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার জন্য ১৯৭১ সালের ১০শে এপ্রিল 'The Laws Continuance Enforcement Order, 1971 - আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ, ১৯৭১' প্রণয়ন করেন।
- এই আইনটিকে ভূতাপেক্ষ কার্যকারিতা (retrospective effect) দিয়ে ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ থেকে কার্যকর করা হয়েছে বলে ঘোষণা করেন।
৮২.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে ______ বিচার লাভের অধিকারী হবেন।
  1. দ্রুত
  2. প্রকাশ্য
  3. দ্রুত ও প্রকাশ্য
  4. দ্রুত আইনানুযায়ী
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদের বিধান বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
-(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না।

- (২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
- (৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
- (৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
- (৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
- (৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।
-------------
Article 35. Protection in respect of trial and punishment:
(1) No person shall be convicted of any offence except for violation of a law in force at the time of the commission of the act charged as an offence, nor be subjected to a penalty greater than, or different from, that which might have been inflicted under the law in force at the time of the commission of the offence. 
(2) No person shall be prosecuted and punished for the same offence more than once. 
(3) Every person accused of a criminal offence shall have the right to a speedy and public trial by an independent and impartial Court or tribunal established by law. 
(4) No person accused of any offence shall be compelled to be a witness against himself. 
(5) No person shall be subjected to torture or to cruel, inhuman, or degrading punishment or treatment. 
(6) Nothing in clause (3) or clause (5) shall affect the operation of any existing law which prescribes any punishment or procedure for trial.
৮৩.
No person shall be deprived of life or personal liberty ______ in accordance with law.
  1. save and except
  2. except
  3. save
  4. protected
ব্যাখ্যা
Article 32: Protection of right to life and personal liberty.
No person shall be deprived of life or personal liberty save in accordance with law.

অনুচ্ছেদ ৩২: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ:
আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হইতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাইবে না।
৮৪.
জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ মোতাবেক কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা প্রদান করতে পারে?
  1. ৬৩
  2. ৬৪
  3. ৬৫
  4. ৬৬
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
• সংবিধানের ৬৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
- 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে,
- এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হবে,
- তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করবে না।
৮৫.
সাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ এর ইংরেজি নাম কী?
  1. National Assembly
  2. National Parliament
  3. Parliament
  4. House of the Nation
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫: সংসদ-প্রতিষ্ঠা:
(১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।
(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।
(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।
(৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।
(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
---------------
⇒ Article 65. Establishment of Parliament:
(1) There shall be a Parliament for Bangladesh (to be known as the House of the Nation) in which, subject to the provisions of this Constitution, shall be vested the legislative powers of the Republic: 
Provided that nothing in this clause shall prevent Parliament from delegating to any person or authority, by Act of Parliament, power to make orders, rules, regulations, bye laws or other instruments having legislative effect.
(2) Parliament shall consist of three hundred members to be elected in accordance with law from single territorial constituencies by direct election and, for so long as clause (3) is effective, the members provided for in that clause; the members shall be designated as Members of Parliament. 
(3) Until the dissolution of Parliament occurring next after the expiration of the period of twenty five years beginning from the date of the first meeting of the Parliament next after the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Seventeenth Amendment) Act, 2018, there shall be reserved fifty seats exclusively for women members and they will be elected by the aforesaid members in accordance with law on the basis of procedure of proportional representation in the Parliament through single transferable vote : 
Provided that nothing in this clause shall be deemed to prevent a woman from being elected to any of the seats provided for in clause (2) of this article.
(3A) For the remaining period of the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Fifteenth Amendment) Act, 2011, Parliament shall consist of three hundred members elected by direct election provided for in clause (2) and fifty women members provided for in clause (3).
(4) The seat of Parliament shall be in the capital.
৮৬.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যেতে পারে?
  1. ১৪৩
  2. ১৪৫
  3. ১৪৬
  4. ১৪৮
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৬ অনুচ্ছেদের বিধান বাংলাদেশের নামে মামলা:
- "বাংলাদেশ"-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইতে পারিবে।
-----------
⇒ Article 146. Suits in name of Bangladesh:
 The Government of Bangladesh may sue or be sued by the name of Bangladesh.
৮৭.
কোন ___________ কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে?
  1. আদালত অথবা ট্রাইব্যুনাল
  2. আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ
  3. আদালত ও ট্রাইব্যুনাল
  4. আদালত বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের বিধান: ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার:
- কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।
----------------
⇒ Article 49. Prerogative of mercy:
The President shall have power to grant pardons, reprieves and respites and to remit, suspend or commute any sentence passed by any court, tribunal or other authority. 
৮৮.
The High Court Division shall have______ over all courts and triburiats subordinate to it.
  1. superintendence
  2. supreintendence and control
  3. control
  4. control and governance
ব্যাখ্যা
⇒ Article 109. Superintendence and control over courts:
The High Court Division shall have superintendence and control over all courts and tribunals subordinate to it.
----------
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদের বিধান: আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ:
- হাইকোর্ট বিভাগের অধঃস্তন সকল 69[আদালত ও ট্রাইব্যুনালের] উপর উক্ত বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ-ক্ষমতা থাকিবে।
৮৯.
The General Clauses Act, 1897 এর কোন ধারায় 'Doctrine of double jeopardy' সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ২৪
  2. ২৫
  3. ২৬
  4. ২৭
ব্যাখ্যা
The General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার বিধান: দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে বিধান:
যেক্ষেত্রে কোন কার্য বা বিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়, সেই ক্ষেত্রে অপরাধীকে ঐ আইন সমূহের সকল বা যে কোন একটির অধীন অভিযুক্ত এবং শান্তি প্রদান করা যাবে, কিন্তু একই অপরাধের জন্য দুইবার শান্তি প্রদান করা যাবে না।

ধারা ২৬ এর মধ্যে দোবারা সাজা নীতি বা ‘Doctrine of Double Jeopardy' প্রতিফলিত হয়েছে।

দোবারা সাজা নীতিটি আরো কয়েকটি আইনে বর্ণিত আছে। যথা:
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২);
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩;
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১;
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪০; এবং
- ফৌজদারি আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা ৮।
----------------
Section 26. Provision as to offences punishable under two or more enactments:
- Where an act or omission constitutes an offence under two or more enactments, then the offender shall be liable to be prosecuted and punished under either or any of those enactments, but shall not be liable to be punished twice for the same offence.
৯০.
'Nemo est supra leges' প্রবচনের সমার্থক বাক্য কোনটি?
  1. কেউ দোষ স্বীকারে বাধ্য নয়
  2. ক্ষতিকর কর্মের আইনী প্রতিকার নেই
  3. কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়
  4. কেউ সার্বভৌমত্বের ঊর্ধ্বে নয়
ব্যাখ্যা
- Nemo est supra leges:
“No one is above the laws.”A maxim meaning that no person is exempt from the binding force of the law.

- Nemo est supra leges: ল্যাটিন ম্যাক্সিম 'Nemo est supra leges'-এর অর্থ 'No man is above the law- কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়' প্রবচন সংশ্লিষ্ট বিধান সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে।
- ধনী-দরিদ্র, এমপি-মন্ত্রী নির্বিশেষে যে কেউ অপরাধ করলে প্রত্যককেই বিচারের সম্মুখীন হতে হয়।
- অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন কাউকে ক্ষমা করে না।
- কারণ, সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী- 'সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।' আলোচিত Rule of law নীতির ভাষ্যও একই।
⇒ Article 27. Equality before law:
 All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনের দৃষ্টিতে সমতা: 
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
৯১.
যদি a + 4/a = 4 হয় তবে a/(a2 + a - 2) এর মান কত?
  1. 1/2
  2. 2/3
  3. 1
  4. 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি a + 4/a = 4 হয় তবে a/(a2 + a - 2) এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
a + 4/a = 4
⇒ (a2 + 4)/a = 4
⇒ a2 + 4 = 4a
⇒ a2 - 4a + 4 = 0
⇒ a2 - 2.a.2 + 22 = 0
⇒ (a - 2)2 = 0
⇒ a - 2 = 0
∴ a = 2

প্রদত্ত রাশি =a/(a2 + a - 2) 
=2/(22 + 2 - 2)
= 2/4
= 1/2 
৯২.
যদি কোনো বর্গক্ষেত্রের প্রত্যেক বাহুর পরিমাণ ১০% বৃদ্ধি পায় তবে তার ক্ষেত্রফল কত বৃদ্ধি পাবে?
  1. ১১%
  2. ১০%
  3. ২১%
  4. ২০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি কোনো বর্গক্ষেত্রের প্রত্যেক বাহুর পরিমাণ ১০% বৃদ্ধি পায় তবে তার ক্ষেত্রফল কত বৃদ্ধি পাবে?

সমাধান: 
বর্গক্ষেত্রের প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ক একক হলে,
ক্ষেত্রফল ক বর্গ একক

১০% বৃদ্ধিতে,
প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য
= (ক + ক এর ১০%) একক
= ক + ১০ক/১০০
= ক + ক/১০
= ১১ক/১০ একক

ক্ষেত্রফল = ১২১ক/১০০

ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি
= (১২১ক/১০০) - ক = ২১ক/২৫

শতকরা ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি
= [{(২১ক/১০০)/ক} × ১০০]%
= ২১%
৯৩.
একটি ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত 1 : 1 : √2 হলে বৃহত্তম কোণটির মান কত?
  1. 80°
  2. 90°
  3. 100°
  4. 120°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত 1 : 1 : √2 হলে বৃহত্তম কোণটির মান কত?

সমাধান:
ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত 1 : 1 : √2 

ধরি 
১ম বাহু = x
২য় বাহু = x
৩য় বাহু = √2x

এখন 
(√2x)2 = (x)2 + (x)2
⇒ 2x2 = x2 + x2
∴ 2x2 = 2x2

∴ প্রদত্ত ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ। 
সমকোণী ত্রিভুজের বৃহত্তম কোণ সর্বদা 90°।
৯৪.
  1. ১/৪
  2. ১/৩
  3. ১/২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:

সমাধান:

= ৫/৬ এর ৬/৭ ÷ ১০/৭
= ৫/৭ ÷ ১০/৭
= ৫/৭ × ৭/১০
= ১/২ 

যোগ করতে হবে = ১ - ১/২ 
= (২ - ১)/২
= ১/২ 
৯৫.
একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৯৬ কি. মি. বেগে চলে। ট্রেনটি ৯০০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু ১ মিনিটে অতিক্রম করে। ট্রেনটির দৈর্ঘ্য কত মিটার?
  1. ৮০০
  2. ৭০০
  3. ৬৫০
  4. ৬০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৯৬ কি. মি. বেগে চলে। ট্রেনটি ৯০০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু ১ মিনিটে অতিক্রম করে। ট্রেনটির দৈর্ঘ্য কত মিটার?

সমাধান:
এখানে, 
৯৬ কি.মি. = ৯৬০০০ মি
১ ঘণ্টা = ৩৬০০ সেকেন্ড
 
৩৬০০ সেকেন্ড অতিক্রম করে ৯৬০০০ মি
১ সেকেন্ড অতিক্রম করে ৯৬০০০/৩৬০০ মি
৬০ সেকেন্ড অতিক্রম করে (৯৬০০০ × ৬০)/৩৬০০ মি
= ১৬০০ মি

প্রশ্নমতে,
ট্রেনের দৈর্ঘ্য + প্লাটফরমের দৈর্ঘ্য = ১৬০০ মি.
বা, ট্রেনের দৈর্ঘ্য = (১৬০০ - ৯০০) মি. = ৭০০ মি
৯৬.
তাপমাত্রা কম থাকলে বায়ু কীরূপ হবে?
  1. হালকা
  2. শীতল
  3. উষ্ণ
  4. ঘন
ব্যাখ্যা
বাষ্পায়নের উপর বিভিন্ন বিষয়ের প্রভাব: 
- পরিবেশ থেকে সুপ্ত তাপ সংগ্রহ করে কোনো তরল পদার্থের বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াটি হলো বাষ্পায়ন। 
- এ ক্ষেত্রে তরল পদার্থটিকে স্ফুটনাঙ্কে উত্তপ্ত করা হয় না। 
- এটি একটি স্বতঃস্ফুর্ত ঘটনা। 
- এজন্য প্রক্রিয়াটিকে স্বতঃবাষ্পভবনও বলা হয়। 
- কিন্তু তরলের বাষ্পায়ন সাধারণত বেশ কয়েকটি ঘটনা বা বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হয় সেগুলো হলো- 

তরলের প্রকৃতি: 
- বিভিন্ন তরল পদার্থের বাষ্পায়নের হার বিভিন্ন। 
- সাধারণত তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম হলে বাষ্পায়ন হার বেশি হয়। 
- উদ্বায়ী পদার্থের বাষ্পায়ন হার অত্যন্ত বেশি। 

বায়ু প্রবাহ: 
- তরলের উপর বায়ু প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়। 

তরলের উপর চাপ: 
- তরলের উপর বায়ু মন্ডলের চাপ বাড়লে বাষ্পায়ন হার কমে যায়। 
- চাপ কমলে বাষ্পায়ন বৃদ্ধি পায়। 
- শূন্য স্থানে বাষ্পায়নের হার সর্বাধিক। 

তরলের উপরি তলের ক্ষেত্রফল: 
- বাষ্পায়ন কেবল উপরিতলে সংঘঠিত হয়। 
- তরলের উপরিতলের ক্ষেত্রফল যত বেশি বিস্তৃত হবে বাষ্পায়ন তত বেশি হবে। 

তরল তল সংলগ্ন বায়ু বা বাষ্পের তাপমাত্রা: 
- তাপমাত্রা বেশি হলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয় এবং তাপমাত্রা কম হলে বাষ্পায়নও ধীরগতির হয় অর্থাৎ ঘন হয়। 

তরল তল সংলগ্ন বায়ুর আর্দ্রতা: 
- বায়ুর আর্দ্রতা যত কম হয় তরলের বাষ্পায়ন তত দ্রুত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭.
পাথরে পাথর ঘষলে কীভাবে শক্তির রূপান্তর হয়?
  1. যান্ত্রিক → তাপ ও আলোক
  2. যান্ত্রিক → তাপ
  3. গতি → তাপ
  4. গতি → শব্দ ও রাসায়নিক
ব্যাখ্যা
যান্ত্রিক শক্তির রূপান্তর: 
- হাত দিয়ে শরীরের অন্য কোনো অংশ ঘষলে গরম অনুভূত হয় ফলে যান্ত্রিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- বাঁশি বাজালে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- এক খন্ড পাথরের উপর একটি ধাতব দন্ড দ্বারা জোরে আঘাত করলে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ বের হতে দেখা যায় এবং এক ধরনের শব্দেরও সৃষ্টি হয়। ধাতব দণ্ড ও পাথর খন্ডটি খানিকটা উত্তপ্ত হয়ে যান্ত্রিক শক্তি তাপ, শব্দ ও আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- ঢেঁকি দিয়ে ধান ভানার সময় এতে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ ও তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- একই ভাবে দোলনার ক্ষেত্রে স্থিতি ও গতিশক্তির রূপান্তর ঘটে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৯৮.
মানবদেহের প্রহরীর মত কাজ করে কোনটি?
  1. লোহিত রক্তকণিকা
  2. শ্বেত রক্তকণিকা
  3. রক্তরস
  4. অনচক্রিকা
ব্যাখ্যা
দেহের রক্তকণিকা:

- শ্বেত রক্তকণিকা- রক্তে হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষগুলোকে শ্বেত রক্তকণিকা বলে।
- শ্বেত রক্তকণিকার নির্দিষ্ট কোন আকার নেই। রক্তে শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা লোহিত রক্ত কণিকার তুলনায় অনেক কম।
- রক্তজালিকার প্রাচীর ভেদ করে কোষের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে।
- শ্বেত রক্তকণিকাকে দেহের প্রহরী বলা হয়।
- কারণ এরা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জীবাণুকে ধ্বংস করে থাকে। দেহে জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে দ্রুত শ্বেতকণিকা সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে।

লোহিত রক্তকণিকা- দ্বি – অবতল,নিউক্লিয়াসবিহীন, চাকতি আকৃতির এবং লাল বর্ণের কণিকাকে লোহিত রক্তকণিকা বলে।
- লোহিত রক্তকণিকার কাজ হল শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়া ।

অণুচক্রিকা- রক্তের যে কণিকা রক্ত সঞ্চালন করতে সাহায্য করে তাকে অনুচক্রিকা বলে।
- অনুচক্রিকা দেখতে গোলাকার, ডিম্বাকার অথবা রড আকারের।
- অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।

সূত্র: বিজ্ঞান বই, সপ্তম শ্রেণি
৯৯.
নিঃশ্বাসের শব্দের তীব্রতার মাত্রা কত?
  1. 5db
  2. 10db
  3. 20db
  4. 30db
ব্যাখ্যা
• স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসে শব্দের তীব্রতা লেভেল 10 dB

শব্দ:
শব্দ এক প্রকার শক্তি। বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এটি অগ্রগামী দীঘল তরঙ্গ আকারে মাধ্যমের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়।

শব্দের প্রাবল্য বা তীব্রতা:
শব্দ বিস্তারের অভিমুখে লম্বভাবে কল্পিত একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ শব্দ শক্তি প্রবাহিত হয় তাকে শব্দের তীব্রতা বলে।

শব্দের তীব্রতার নিয়ামক সমূহ:
শব্দ তরঙ্গের বিস্তার, কম্পাঙ্ক,মাধ্যমের ঘনত্ব,শব্দের উৎস থেকে শ্রোতার দূরত্ব, মাধ্যমে শব্দের বেগ, শব্দ উৎসের আকার ও ধরন, শ্রোতা ও মাধ্যমের গতি প্রকৃতি শব্দের তব্রতার নিয়ামক।



উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০০.
কোনটি তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কিত শব্দ নয়?
  1. Branching
  2. AMOLED
  3. SAMR
  4. Blue Chip
ব্যাখ্যা
• ‘Blue Chip’ কথাটি শেয়ার বাজারে ব্যবহৃত হয়। 
- বাজারে এমন অনেক কোম্পানি আছে যাদের আর্থিক অবস্থা ভালো, সুসংহত, ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার মান ভালো। আর এসব কোম্পানিকেই শেয়ারবাজারে ব্লু চিপ কোম্পানি বলে, আর তাদের শেয়ার ব্লু চিপ শেয়ার।

অন্যদিকে, 
- Branching: প্রোগ্রামিং এবং লজিক্যাল নির্ণয়ে ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি। 
- AMOLED: Active Matrix Organic Light Emitting Diode, একটি প্রযুক্তি যা ডিসপ্লে নির্মাণে ব্যবহৃত হয়। 
- SAMR: Situation Awareness, Analysis and Measurement of Risk, একটি সম্পূর্ণ প্রযুক্তি রাইট-ম্যানেজমেন্ট মডেল।