পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়31 minutes
মোট প্রশ্ন৪৭
সিলেবাস
রিভিশন পরীক্ষা [নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা] ----------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৭ প্রশ্ন

.
'মরূদ্যান' এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ-
  1. মরূ + উদ্যান
  2. মরূ + দ্যান
  3. মরু + উদ্যান
  4. মরূ + ঊদ্যান
সঠিক উত্তর:
মরু + উদ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরু + উদ্যান
ব্যাখ্যা

• 'মরূদ্যান' এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ 'মরু + উদ্যান'। 
- এটি স্বরসন্ধি।

সূত্র:
- উ-কার কিংবা উ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার থাকলে উভয়ে মিলে উ-কার হয়;
- উ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জন ধ্বনির সাথে যুক্ত হয়।
যেমন-
- উ+ উ = ঊ; মরু + উদ্যান = মরূদ্যান।
- উ+ ঊ = ঊ; বহু + ঊর্ধ্ব = বহূর্ধ্ব।
- ঊ+ উ = ঊ; বধূ + উৎসব = বধূৎসব।
- ঊ+ ঊ = ঊ; ভূ + ঊর্ধ্ব = ভূর্ধ্ব।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

.
নিচের কোনটি পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ নয়?
  1. নবনবতিতম
  2. বিংশতম
  3. নবতিতম
  4. অশীতিতম
সঠিক উত্তর:
বিংশতম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিংশতম
ব্যাখ্যা

• বিংশতম বলতে কোনো পূরণবাচক শব্দ নেই।
• সঠিক পূরণবাচক শব্দ বিশতম বা বিংশতিতম।

• সাধারণ পূরণবাচক:

- ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে।
- ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যার সংক্ষিপ্ত পূরণবাচকে শুধু 'তম' প্রত্যয় যোগ করা হয়।
- যথা: উনিশতম বা উনবিংশতিতম (১৯তম), বিশতম বা বিংশতিতম (২০তম), একুশতম বা একবিংশতিতম (২১তম), আটাশতম বা অষ্টাবিংশতিতম (২৮তম), উনপঞ্চাশতম বা উনপঞ্চাশত্তম (৪৯তম), আশিতম বা অশীতিতম (৮০তম), নব্বইতম বা নবতিতম (৯০তম), নিরানব্বইতম বা নবনবতিতম (৯৯তম) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি( ২০২৪ সংস্করণ)।

.
নিচের কোনটি পদাশ্রিত নির্দেশক নয়?
  1. -জন
  2. -তম
  3. -খানা
  4. -টি
সঠিক উত্তর:
-তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
-তম
ব্যাখ্যা

-তম পদাশ্রিত নির্দেশক নয়।

• নির্দেশক:

যেসব লগ্নক শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায়, সেগুলোকে নির্দেশক বলে।
যেমন-টা, -টি, -খানা, -খানি, -জন, -টুকু।

• -টা, -টি:
- বিশেষ্য, সর্বনাম ও বিশেষণের সঙ্গে-টা, -টি নির্দেশক বসে।
- এর দুটি রূপান্তর:-টো ও -টে।
যেমন-
- বাড়িটা, ছেলেটা, এটা, সেটা, আমারটা ইত্যাদি।

• -খানা, -খানি:
- বিশেষ্য ও বিশেষণ শব্দের সঙ্গে-খানা, খানি নির্দেশক বসে।
যেমন-
- ব্যাপারখানা, ভাবখানা, একখানা, আধখানা, মুখখানি, অনেকখানি ইত্যাদি।

• -জন:
- শুধু মানুষের বেলায়-জন নির্দেশকের ব্যবহার হয়।
যেমন-
- বিজ্ঞজন, লোকজন, অনেকজন, কয়জন, এতজন, পণ্ডিতজন ইত্যাদি।

-টুকু:
-টুকু নির্দেশক দিয়ে কোনো কিছুর সামান্য অংশ বা অল্প পরিমাণ বোঝায়।
- বিশেষ্য ও বিশেষণ শব্দের সঙ্গে নির্দেশকটি ব্যবহৃত হয়।
- এর রূপভেদ:-টু বা-টুক।
যেমন-
সাবানটুকু, হাসিটুকু, শরবতটুকু, এতটুকু, , একটু, আধটু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি( ২০২৪ সংস্করণ)।

.
ঋ, র, ষ এর পর কোন বর্গের ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী 'ন'  'ণ' হয়?
  1. প বর্গ
  2. চ বর্গ
  3. ট বর্গ
  4. ত বর্গ
সঠিক উত্তর:
প বর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প বর্গ
ব্যাখ্যা

- ঋ, র, ষ-এর পরে স্বরধ্বনি, ষ, য়, ব, হ, ৎ এবং ক-বর্গীয় ও প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য 'ণ' হয়।

যেমন:
- কৃপণ (ঋ-কারের পরে প্, তার পরে ণ),
- হরিণ (র-এর পরে ই, তার পরে ণ),
- অর্পণ (র্ + প্ + অ+ ণ),
- লক্ষণ (ক্+অ+ণ)।
এরূপ রুক্মিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

.
'চাকর' শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. চাকরানী
  2. চাকরনী
  3. চাকরাণী
  4. চাকরানি
সঠিক উত্তর:
চাকরানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকরানী
ব্যাখ্যা

• সূত্র:
• আনী-প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:
- ঠাকুর-ঠাকুরানী,
- নাপিত-নাপিতানী,
- মেথর-মেথরানী,
- চাকর-চাকরানী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

.
'রাশি' শব্দযোগে গঠিত সঠিক বহুবচন শব্দ কোনটি?
  1. বৃক্ষরাশি
  2. কদমরাশি
  3. বালিরাশি
  4. কুসুমরাশি
সঠিক উত্তর:
বালিরাশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বালিরাশি
ব্যাখ্যা

• 'বালি' এর সাথে 'রাশি' বহুবচন বাচক শব্দ বেশি মানানসই এবং শুদ্ধ।

• অপ্রাণিবাচক শব্দে ব্যবহৃত বহুবচনবোধক শব্দ:
- আবলি, গুচ্ছ, দাম, নিকর, পুঞ্জ, মালা, রাজি, রাশি।
- যেমন-গ্রন্থাগারে রক্ষিত পুস্তকাবলি, কবিতাগুচ্ছ, কুসুমদাম, কমলনিকর, মেঘকুঞ্জ, পর্বতমালা, তারকারাজি, জলরাশি, বালিরাশি, কুসুমনিচয় ইত্যাদি।
 
অন্যদিকে,
- বাকি অপশনের সঠিক বহুবচন হলো:
- কুসুমনিচয় বা কুসুমদাম, 
- বৃক্ষরাজি বা বৃক্ষসমূহ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

.
'জোরে জোরে বাতাস করো।' বাক্যে 'জোরে জোরে' কোন ধরেনের দ্বিত্ব?
  1. পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব
  2. অনুকার দ্বিত্ব
  3. ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব
ব্যাখ্যা

 • পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব:
- পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে।
- পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বিভক্তিহীন বা বিভক্তিযুক্ত হতে পারে।
- যেমন: জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, হাতে হাতে, কথায় কথায়, জোরে জোরে ইত্যাদি।

• শব্দদ্বিত্ব তিন ধরনের:
- অনুকার দ্বিত্ব,
- ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব ও
- পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব।

• অনুকার দ্বিত্ব: পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে।যেমন: অঙ্ক-টঙ্ক, আম-টাম, কেক-টেক, ঘর-টর ইত্যাদি।
• ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব: কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। যেমন: কুট কুট, কোঁত কোঁত, কুটুস-কুটুস, খক খক ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি( ২০২৪ সংস্করণ)।

.
কোন প্রকারের দ্বিত্বে বিভক্তি যুক্ত হতে দেখা যায়?
  1. অনুকার দ্বিত্ব

  2. ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব

  3. পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব

  4. ক ও খ উভয়ই

সঠিক উত্তর:
পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব

উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব

ব্যাখ্যা

• পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বে বিভক্তি যুক্ত হতে দেখা যায়।

• পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব:
- পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে।
- পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বিভক্তিহীন বা বিভক্তিযুক্ত হতে পারে।
- যেমন-জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, হাতে হাতে, কথায় কথায়, জোরে জোরে ইত্যাদি।
- বিভক্তিহীন পুনরাবৃত্ত: ভালো ভালো (কথা), কত কত (লোক), হঠাৎ হঠাৎ (ব্যথা), ঘুম ঘুম (চোখ), উড়ু উড়ু (মন), গরম গরম (জিলাপি), হায় হায় (করা)।
- বিভক্তিযুক্ত পুনরাবৃত্ত: কথায় কথায় (বাড়া), মজার মজার (কথা), ঝাঁকে ঝাঁকে (চলা), চোখে চোখে (রাখা), মনে মনে (হাসা), সুরে সুরে (বলা), পথে পথে (হাঁটা)।

অন্যদিকে,
- ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব ও অনুকার দ্বিত্বে বিভক্তি যুক্ত হতে দেখা যায় না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি( ২০২৪ সংস্করণ)।

.
নিচের কোনটি ব্যঞ্জন সন্ধির উদাহরণ?
  1. দিক্ + অন্ত = দিগন্ত
  2. পরম + ঔষধ = পরমৌষধ
  3. প্রতি + ঊষ = প্রত্যুষ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দিক্ + অন্ত = দিগন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিক্ + অন্ত = দিগন্ত
ব্যাখ্যা

• ব্যঞ্জনসন্ধি:
- স্বরে-ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে-স্বরে ও ব্যঞ্জনে-ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে।

• ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনি:
- ক, চ, ট, ত্, প্-এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলো যথাক্রমে গ্‌, জ্, ড্ (ড়), দৃ, বৃ হয়। পরবর্তী স্বরধ্বনিটি পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন-
- ক্ + অ = গ; দিক্ + অন্ত = দিগন্ত
- চ্ + অ = জ; ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত।
- ট্ + আ = ড়; ষট্ + আনন = ষড়ানন।
- ত্ + অ = দ; তৎ + অবধি = তদবধি।
- প্ + অ = ব; সুপ্ + অন্ত = সুবন্ত।

অন্যদিকে,
- প্রতি + এক = প্রত্যেক; 
- প্রতি + ঊষ = প্রত্যুষ; 
- পরম + ঔষধ = পরমৌষধ; 
- এগুলো স্বরসন্ধির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১০.
The Renaissance period was-
  1. 1066 - 1500
  2. 1660 - 1785
  3. 1798 - 1832
  4. 1500 - 1660
সঠিক উত্তর:
1500 - 1660
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1500 - 1660
ব্যাখ্যা

• 1500 - 1660 is considered as the Renaissance Period.

• Periods/Ages of English Literature:

• 450 - 1066 : The Old English Period.
1066 - 1500 : The Middle English Period.
• 1500 - 1660 : The Renaissance Period.
1660 - 1785: The Neoclassical Period.
1798 - 1832 : Romantic Period.
• 1832  - 1901 : Victorian Period.
• 1901 - 1939 : Modern Period.
• 1939 - Till now: Post : Modern Period.

Source: Live MCQ Lecture.

১১.
"The Passionate Shepherd to His Love" is written by:
  1. William Shakespeare
  2. Edmund Spenser
  3. Thomas kyd
  4. Christopher Marlowe
সঠিক উত্তর:
Christopher Marlowe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Christopher Marlowe
ব্যাখ্যা

The Passionate Shepherd to His Love:
- এটি Christopher Marlowe রচিত একটি pastoral poem.
- 1599 সালে প্রকাশিত।
- Marlowe's poem features a "passionate shepherd" pleading with his "love" to live with him in the country.

Christopher Marlowe:
- তিনি একজন Elizabethan poet.
- তিনি একজন University Wit ছিলেন।
- Shakespeare এর আগে তিনিই ছিলেন English drama এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেখক।
- He is noted especially for his establishment of dramatic blank verse.

Notable work play:
- Doctor Faustus,
- Hero and Leander,
- Tamburlaine the Great,
- The Jew of Malta.

Source: Britannica

১২.
Who is not a romantic poet?
  1. T. S. Eliot
  2. P. B. Shelley
  3. S. T. Coleridge
  4. John Keats
সঠিক উত্তর:
T. S. Eliot
উত্তর
সঠিক উত্তর:
T. S. Eliot
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ক) T. S. Eliot.

Romantic Period:
- 1798 - 1832 এই সময়কালকে Romantic Period হিসেবে গণ্য করা হয়। 
- এই যুগে কবিরা imagination, emotion, individuality এবং nature-কে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন।
- John Keats, P. B. Shelley, Lord Byron এবং S. T. Coleridge ছিলেন বিখ্যাত Romantic poets.
- Romantic literature-এ nature-এর সৌন্দর্য ও রহস্যময়তা গভীরভাবে ফুটে উঠেছে।
- এই যুগে ব্যক্তিগত feeling এবং মানবমনের গভীর emotion প্রকাশ ছিল প্রধান বৈশিষ্ট্য।

ক) T. S. Eliot:
- T. S. Eliot ছিলেন Modernist movement-এর অন্যতম নেতৃস্থানীয় কবি, নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক, যিনি 20th century-এর ইংরেজি ভাঙ্গা-ধ্বংসাত্মক ও মৌলিক কবিতার ধারাকে নতুন দিগন্তে নিয়ে গিয়েছিলেন।
- তাঁর বিখ্যাত রচনাগুলোর মধ্যে অন্যতম The Waste Land যা World War I-এর পরবর্তী হতাশাবোধ ও আধুনিক যুগের বিভাজনার প্রতিধ্বনি তুলে ধরে Modernism-এর একটি ভিত্তিপ্রস্তর কাব্য হিসাবে স্বীকৃত।
-  অন্য একটি উল্লেখযোগ্য কাজ হলো Four Quartets, যেখানে তিনি সময়, আধ্যাত্মিক পুনর্জন্ম এবং ব্যক্তিগত ও ঐতিহাসিক অতীত–বর্তমানের সম্পর্ক নিয়ে গভীরভাবে অনুধাবন করেছেন।

Other options:
খ) P. B. Shelley
- P. B. Shelley→ ইংরেজি রোমান্টিক যুগের প্রধান কবিদের একজন। রচনা: Ode to the West Wind, To a Skylark.

গ) S. T. Coleridge
- S. T. Coleridge (স্যামুয়েল টেইলর কোলরিজ) → রোমান্টিক কবি এবং Lake Poets দলে ছিলেন। রচনা: The Rime of the Ancient Mariner, Kubla Khan.

ঘ) John Keats
- John Keats (জন কিটস) → অন্যতম রোমান্টিক কবি। রচনা: Ode on a Grecian Urn, Ode to a Nightingale.

Source: Live MCQ Lecture.

১৩.
Francis Bacon is known for his:
  1. Novels
  2. Poems
  3. Essays
  4. Epics
সঠিক উত্তর:
Essays
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Essays
ব্যাখ্যা

• Francis Bacon is famous for his 'Essays' in English literature.
- Francis Bacon ইংরেজি সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত তার "Essay" রচনার মাধ্যমে।
- এজন্য তাকে প্রায়শই "Father of the English Essay" বলা হয়।
- তিনি ১৫৯৭ সালে তার প্রথম প্রবন্ধ সংকলন "Essays" প্রকাশ করেন।
- এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম প্রথম সংক্ষিপ্ত গদ্য রচনা হিসেবে পরিচিত।
- বেকনের প্রবন্ধ সংক্ষিপ্ত, সহজ-সরল এবং গভীর ভাবপূর্ণ।
- তার লেখা প্রবন্ধগুলোতে বাস্তব জীবন, মানব প্রকৃতি, নৈতিকতা এবং ব্যবহারিক জ্ঞান ফুটে ওঠে।

Francis Bacon:
- He is popularly known as the famous essayist in English Literature.
- তাঁর পুরো নাম Francis Bacon, Viscount Saint Alban.
- Francis Bacon কে father of English Essay এবং natural philosopher বলা হয়ে থাকে।
- তিনি একজন lawyer, statesman, philosopher এবং master of the English tongue.
- He is remembered in literary terms for the sharp worldly wisdom of a few dozen essays.

Some notable work:
- Advancement of Learning,
- Commentarius Solutus,
- De Sapientia Veterum,
- Instauratio Magna,
- Novum Organum,
- The New Atlantis, etc.

Source: Britannica.com

১৪.
Who wrote "The Canterbury Tales"?
  1. John Milton
  2. William Wordsworth
  3. Geoffrey Chaucer
  4. Samuel Taylor Coleridge
সঠিক উত্তর:
Geoffrey Chaucer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Geoffrey Chaucer
ব্যাখ্যা

• Geoffrey Chaucer wrote The Canterbury Tales.

The Canterbury Tales:
- The Canterbury Tales হল একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম, যা লিখেছেন Geoffrey Chaucer.
- এটি একটি frame story: অর্থাৎ এক গল্পের ভিতরে আরও অনেকগুলো গল্প।
গল্পটির শুরু হয় লন্ডনের Tabard Inn-এ।
- সেখানে ৩০ জন তীর্থযাত্রী একত্রিত হন। তারা Canterbury শহরের St. Thomas Becket-এর মাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
- তাদের মধ্যে ঠিক হয়, পথের ক্লান্তি দূর করতে প্রত্যেকে চারটি করে গল্প বলবে (দু'টি যাওয়ার পথে, দু'টি ফেরার পথে)।
- এই প্রতিযোগিতার আয়োজক হন Harry Bailly, যিনি হোটেলের মালিক।
- তবে বাস্তবে Chaucer ২৪টি গল্প-ই শেষ করতে পেরেছিলেন।

Geoffrey Chaucer:
- তিনি ছিলেন ১৩৪২/৪৩ সালে জন্ম নেয়া, এবং ১৪০০ সালের ২৫ অক্টোবর লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।
- কর্তৃত্বাধীন ইংরেজি কবি ও লেখক, যিনি কাজ করতেন নাগরিক কর্মকর্তা, কূটনীতিবিদ, ও সেক্রেটারিয়েট হিসাবে।
- He has been called the 'father of English literature'.
- তিনি Middle English-কে সাহিত্য ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রেখেছেন।
- তিনি প্রথম ইংরেজি ব্যবহার করে iambic pentameter এবং rhyme royal-এর মতো ছন্দ চালু করেন।

Famous Works:
- The Canterbury Tales.
- The Book of the Duchess.
- The House of Fame.
- Troilus and Criseyde.
- Parlement of Foules.
- The Legend of Good Women.

Source: Britannica.

১৫.
Edmund Spenser is known as - 
  1. University Wit.
  2. Metaphysical Poet.
  3. Poet of the Poets.
  4. First English Novelist.
সঠিক উত্তর:
Poet of the Poets.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Poet of the Poets.
ব্যাখ্যা

- Edmund Spenser is widely known as the Poet of the Poets.

• Edmund Spenser:
- Elizabethan Period এর বিখ্যাত সাহিত্যিক Edmund Spenser, Poet of the Poets নামে পরিচিত।
- He is called the Poets of Poet because many later English poets followed his art of Poetry.
- He is also known as 'the child of Renaissance and rebirth'.
-The Faerie Queene তার বিখ্যাত মহাকাব্য এবং The Shepherd's Calendar তার একটি বিখ্যাত কবিতা।

• Spenser's famous poems are:
- Mother Hubberd's Tale,
- Complaints,
- Epithalamion,
- The Shepheardes Calender (Poetry Book),
- The Faerie Queene (Epic),
- Amoretti (Sonnet Collection).

Source: Britannica.

১৬.

  1. 5
  2. 8/3
  3. 14
  4. 16/3
সঠিক উত্তর:
16/3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16/3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

১৭.
7 + 13 + 19 + 25 + … ধারাটির কোন পদ 157?
  1. 26 তম পদ
  2. 21 তম পদ
  3. 25 তম পদ
  4. 28 তম পদ
সঠিক উত্তর:
26 তম পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
26 তম পদ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 7 + 13 + 19 + 25 + … ধারাটির কোন পদ 157?

সমাধান:
এটি একটি সমান্তর ধারা (Arithmetic Series)।
ধারাটির প্রথম পদ, a = 7
সাধারণ অন্তর, d = 13 - 7 = 6
ধরি, ধারাটির n তম পদ = 157

আমরা জানি, n তম পদ = a + (n - 1)d
প্রশ্নমতে,
7 + (n - 1) × 6 = 157
⇒ 6(n - 1) = 157 - 7
⇒ 6(n - 1) = 150
⇒ n - 1 = 150 / 6
⇒ n - 1 = 25
⇒ n = 25 + 1
∴ n = 26

∴ ধারাটির 26 তম পদ = 157

১৮.

  1. 10/3
  2. 5/3
  3. 11/3
  4. 12/5
সঠিক উত্তর:
10/3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10/3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

১৯.
4 + 12 + 36 + ... + 972 = কত?
  1. 1360
  2. 1456
  3. 1560
  4. 1624
সঠিক উত্তর:
1456
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1456
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 4 + 12 + 36 + ... + 972 = কত?

সমাধান:
এখানে, এটি একটি গুণোত্তর ধারা।
প্রথম পদ, a = 4
সাধারণ অনুপাত, r = 12/4 = 3

আমরা জানি, n তম পদ = a × r(n - 1)
প্রশ্নমতে,
4 × 3(n - 1) = 972
⇒ 3(n - 1) = 972 / 4
⇒ 3(n - 1) = 243
⇒ 3(n - 1) = 35
⇒ n - 1 = 5
∴ n = 6

যেহেতু r > 1,
∴ ধারাটির সমষ্টি, Sn = a(rn - 1)/(r - 1)
∴S6 = 4(36 - 1)/(3 - 1)
= 4(729 - 1)/2
= (4 × 728)/2
= 2 × 728
= 1456

∴ ধারাটির সমষ্টি হলো 1456।

২০.

  1. 36
  2. 42
  3. 3/2
  4. 54
সঠিক উত্তর:
42
উত্তর
সঠিক উত্তর:
42
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান: 

২১.
একটি সমান্তর ধারার সাধারণ অন্তর 5 এবং চতুর্থ পদ 32 হলে 15 তম পদটি কত?
  1. 105
  2. 92
  3. 87
  4. 112
সঠিক উত্তর:
87
উত্তর
সঠিক উত্তর:
87
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমান্তর ধারার সাধারণ অন্তর 5 এবং চতুর্থ পদ 32 হলে 15 তম পদটি কত?

সমাধান:
ধরি, ধারাটির প্রথম পদ = a
সাধারণ অন্তর, d = 5

আমরা জানি, কোনো সমান্তর ধারার n-তম পদ = a + (n - 1)d
সুতরাং, 4র্থ পদ = a + (4 - 1)d
বা, 32 = a + 3 × 5
বা, 32 = a + 15
বা, a = 32 - 15
∴ a = 17

এখন,15তম পদ = a + (15 - 1)d
= 17 + 14 × 5
= 17 + 70
= 87

সুতরাং, ধারাটির 15তম পদ হলো 87.

২২.

  1. 25
  2. 5
  3. 9/5
  4. 125
সঠিক উত্তর:
25
উত্তর
সঠিক উত্তর:
25
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:
log3[log2(log5a)] = 0
⇒ log2(log5a) = 30 [logbM = c ⇒ M = bc]
⇒ log2(log5a) = 1
⇒ log5a = 21 
⇒ log5a = 2
⇒ a = 52 
⇒ a = 25
∴ a = 25

২৩.

  1. 1/2
  2. 3/5
  3. 2/5
  4. 1/3
সঠিক উত্তর:
1/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

২৪.
log5(x - 4) + log53 = log5(x + 2) - 1 হলে, x এর মান কত?
  1. 15
  2. 28/7
  3. 35/8
  4. 31/7
সঠিক উত্তর:
31/7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
31/7
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: log5(x - 4) + log53 = log5(x + 2) - 1 হলে, x এর মান কত?

সমাধান:
log5(x - 4) + log53 = log5(x + 2) - 1
⇒ log5{(x - 4) × 3} = log5(x + 2) - log55 [logaM + logaN = loga(MN) এবং logaa = 1]
⇒ log5(3x - 12) = log5{(x + 2)/5} [logaM - logaN = loga(M/N)]
⇒ 3x - 12 = (x + 2)/5
⇒ 5(3x - 12) = x + 2
⇒ 15x - 60 = x + 2
⇒ 15x - x = 2 + 60
⇒ 14x = 62
⇒ x = 62/14
∴ x = 31/7

২৫.
6 + 10 + 14 + ... + 98 = কত?
  1. 1248
  2. 1260
  3. 1284
  4. 1302
সঠিক উত্তর:
1248
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1248
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 6 + 10 + 14 + ... + 98 = কত?

সমাধান:
এটি একটি সমান্তর ধারা।
এখানে, ধারাটির ১ম পদ, a = 6
সাধারণ অন্তর, d = 10 - 6 = 4
ধরি, ধারাটির n-তম পদ = 98

আমরা জানি, n-তম পদ = a + (n - 1)d
∴ 6 + (n - 1) × 4 = 98
⇒ 4(n - 1) = 98 - 6
⇒ 4(n - 1) = 92
⇒ n - 1 = 92 / 4
⇒ n - 1 = 23
∴ n = 24

∴ ধারাটির সমষ্টি, Sn = (n/2){2a + (n - 1)d}
∴ S24 = (24/2){(2 × 6) + (24 - 1) × 4}
= 12{12 + (23 × 4)}
= 12{12 + 92}
= 12 × 104
= 1248

∴ ধারাটির সমষ্টি হলো 1248।

২৬.
মারাকেশ চুক্তির মাধ্যমে নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা পেয়েছে?
  1. WTO
  2. IMF
  3. IBRD
  4. UNDP
সঠিক উত্তর:
WTO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WTO
ব্যাখ্যা

 মারাকেশ চুক্তি:
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে মরক্কোর মারাকেশ চুক্তির মাধ্যমে WTO প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এর মাধ্যমে GATT-এর উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তি ঘটে।

⇒ WTO:
- WTO-এর পূর্ণরূপ: World Trade Organization.
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।
- বর্তমান সদস্য: ১৬৬টি দেশ।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- মহাপরিচালক: এনগোজি ওকোনজো ইওয়েলা।
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: General Agreement on Tariffs and Trade (GATT).

উৎস: World Trade Organization ওয়েবসাইট।

২৭.
জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কয়টি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিল?
  1. ৪৪টি 
  2. ৪৮টি 
  3. ৫০টি 
  4. ৫১টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি 
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ সনদ (UN Charter):
- জাতিসংঘ সনদের রচয়িতা: আর্চিবাল্ড ম্যাকলিশ (Archibald Macleish)।
- সনদে মোট ১১১টি অনুচ্ছেদ ও ১৯টি অধ্যায় রয়েছে।
- ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে অনুষ্ঠিত সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য পোল্যান্ড সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে উপস্থিত ছিলো না।
- ৫১তম দেশ হিসেবে পোল্যান্ড ১৯৪৫ সালের ১৫ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করে।
- সনদ স্বাক্ষরের পূর্বে পোল্যান্ড জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করায় পোল্যান্ডকেও জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য বিবেচনা করা হয়।
- জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২৮.
২০২৫ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে?
  1. ৭৮তম
  2. ৭৯তম
  3. ৮০তম
  4. ৮১তম
সঠিক উত্তর:
৮০তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০তম
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন:
- সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেছে আনালেনা বায়েরবোক (Annalena Baerbock)।
- তিনি জার্মানির প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
- তিনি ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

⇒ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ সংস্থা।
- জাতিসংঘের সব সদস্য এ পরিষদের সদস্য।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- বাৎসরিকভাবে এ পরিষদের অধিবেশন বসে যা সাধারণ অধিবেশন নামে পরিচিত। 
- জাতিসংঘ সনদের চতুর্থ অধ্যায় (৯ - ২২ নং অনুচ্ছেদ) এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।

২৯.
Special Drawing Rights (SDR)-এর গঠনতন্ত্র কবে সংশোধন করা হয়েছে?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে 
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা

SDR:
- SDR-এর পূর্ণরূপ: Special Drawing Rights.
- SDR হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) দ্বারা তৈরি একটি বিশেষ ধরনের মুদ্রা।
- অর্থাৎ, SDR হল IMF এর তৈরি একটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা যা দেশের জন্য সাহায্য বা সংকট কাটাতে ব্যবহৃত হয়। এর মাধ্যমে একটি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে যায়। নিয়মিত এসডিআরের মূল্যমান হালনাগাদ করা হয়। SDR-এর মান প্রতিদিন লন্ডনের সময় দুপুরের দিকে পর্যবেক্ষণ করা স্পট এক্সচেঞ্জ হারের উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়।
- IMF ১৯৬৯ সালে SDR গঠনতন্ত্র সংশোধন করেছিল।

⇒ SDR-এর মূল্য কয়েকটি প্রধান মুদ্রা: মার্কিন ডলার (USD), ইউরো (EUR), চীনা রেনমিনবি (CNY), জাপানি ইয়েন (JPY) এবং ব্রিটিশ পাউন্ড (GBP) ওপর নির্ভর করে।
- এটা সরাসরি কোনো দেশের মুদ্রার মতো ব্যবহার হয় না, কিন্তু আন্তর্জাতিক লেনদেন বা দেশগুলোর মধ্যে অর্থ সাহায্য দেওয়ার জন্য কাজ করে।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।

৩০.
IMF-এর 'World Economic Outlook-2025' প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাথাপিছু আয়ে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. সিঙ্গাপুর
  2. নরওয়ে
  3. ফিনল্যান্ড
  4. লুক্সেমবার্গ
সঠিক উত্তর:
লুক্সেমবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুক্সেমবার্গ
ব্যাখ্যা

World Economic Outlook:
- 'World Economic Outlook' প্রতিবেদন প্রকাশ করে IMF।
- বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অবস্থার পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক প্রবণতার পূর্বাভাস প্রদান করে।
- এই রিপোর্টে IMF সদস্য দেশগুলির সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, কর্মসংস্থান, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সূচকের বিশ্লেষণ থাকে।
- সর্বশেষ প্রকাশ: এপ্রিল, ২০২৫।

⇒ 'World Economic Outlook-2025' প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাথাপিছু আয়ে শীর্ষ দেশ:
১. লুক্সেমবার্গ।
২. সুইজারল্যান্ড।
৩. আয়ারল্যান্ড।
৪. সিঙ্গাপুর।
৫. নরওয়ে।

অন্যদিকে,
- মাথাপিছু আয়ে সর্বনিম্ন দেশ -বুরুন্ডি।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।

৩১.
বিশ্বব্যাংক থেকে সদস্যপদ প্রত্যাহারকারী দেশ কোনটি?
  1. নাইজেরিয়া 
  2. কিউবা 
  3. ইউক্রেন 
  4. সেনেগাল
সঠিক উত্তর:
কিউবা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিউবা 
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাংক:
- বিশ্বব্যাংক গঠনের সিদ্ধান্ত হয় ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার শহরে ২৯টি দেশ ব্রেটন উডস চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে জুন, ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য ১৮৯টি দেশ।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ নাউরু; ১২ এপ্রিল, ২০১৬ সাল।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংক থেকে সদস্যপদ প্রত্যাহারকারী দেশ কিউবা।
- ১৪ নভেম্বর, ১৯৬০ সালে দেশটি বিশ্বব্যাংকের সদস্য পদ প্রত্যাহার করে নেয়।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।

৩২.
নিম্নের কোন স্থানে  IMF-এর সদরদপ্তর অবস্থিত?
  1. ওয়াশিংটন ডিসি
  2. নিউইয়র্ক
  3. নিউ হ্যাম্পশায়ার
  4. প্যারিস
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন ডিসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন ডিসি
ব্যাখ্যা

IMF:
- IMF-এর পূর্ণরূপ: The International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- গঠনের সিদ্ধান্ত: ৪ জুলাই, ১৯৪৪ সাল।
- আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫।
- কার্যক্রম শুরু করে: মার্চ, ১৯৪৭।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: Bretton Woods Conference।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।

৩৩.
জাতিসংঘে নিযুক্ত বর্তমানে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি কে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী
  2. মুহাম্মদ আবদুল মুহিত
  3. ইসমত জাহান
  4. তৌহিদ হোসেন
সঠিক উত্তর:
সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- বাংলাদেশকে প্রথম জাতিসংঘ সংস্থায় সদস্যরূপে স্বাগত জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
- জাতিসংঘ বাজেটে বাংলাদেশের চাঁদার হার .০১ শতাংশ।

⇒ জাতিসংঘে নিযুক্ত বর্তমানে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।

উল্লেখ্য, 
- ১৬তম স্থায়ী প্রতিনিধি: মুহাম্মদ আবদুল মুহিত।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৩৪.
ক্রায়োসার্জারিতে অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ ধ্বংস করতে সাধারণত কত ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার নিচের তাপমাত্রায় শরীরের টিস্যু ঠান্ডা করা হয়?
  1. ০° সেলসিয়াস
  2. -২০° সেলসিয়াস
  3. -৬০° সেলসিয়াস
  4. -১০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
-৬০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
-৬০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) -৬০° সেলসিয়াস

ক্রায়োসার্জারি:
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যা স্থানীয়ভাবে ফ্রিজিং (নির্দিষ্ট অংশের জমাটীকরণ) ব্যবহার করে অসুস্থ টিস্যু (tissue) অপসারণ বা ধ্বংস করতে ব্যবহৃত হয়।

প্রক্রিয়া:
- শরীরের টিস্যু দ্রুত -৬০° সেলসিয়াস বা তার নিচের তাপমাত্রায় ঠান্ডা করলে বরফের ক্রিস্টাল তৈরি হয়, যা কোষের গঠন ধ্বংস করে এবং কোষকে নষ্ট করে।
- ঠান্ডা করার প্রক্রিয়ায় ইমিউন সিস্টেমের প্রতিক্রিয়াও উদ্দীপিত হয়। এতে কোষের অভ্যন্তরীণ প্রোটিন নিঃসৃত হয়, যা প্রাকৃতিক অ্যান্টিবডি আকর্ষণ করে এবং অসুস্থ কোষ ধ্বংস করে।

ইতিহাস:
- টিস্যু ফ্রিজ করার বিভিন্ন প্রচেষ্টা ১৮৫০-এর দশক থেকে শুরু হলেও, প্রথম কার্যকর ক্রায়োসার্জিকাল সিস্টেম যা অভ্যন্তরীণ টিস্যুর জন্য ব্যবহারযোগ্য, তা ১৯৬১ সালে ইরভিং কুপার (Irving Cooper) তৈরি করেন।
- তিনি দ্রবীভূত নাইট্রোজেন (liquid nitrogen) ব্যবহার করে মস্তিষ্কের টিউমার ধ্বংস করেন।

এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।

ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- ত্বকের লেশান অপসারণ,
- গাইনোকলজিক ও ইউরোলজিক টিউমার নিয়ন্ত্রণ,
- লেন্স এক্সট্র্যাকশন,
- হেমোরয়েড (Hemorrhoids) অপসারণ,
- হৃদয়ের কন্ডাকশন ডিজঅর্ডার চিকিৎসা,
- ছোট ক্যান্সার সংক্রান্ত ত্বকের লেশান ধ্বংস,
- ছত্রাক, প্রি-ক্যান্সারাস ত্বক লেশান এবং ছোট ক্যান্সারাস লেশান চিকিৎসা,
- ক্যাটারাক্ট অপসারণ এবং সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম লেশান অপসারণ। 

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২।ব্রিটানিকা। 

৩৫.
হার্ড ডিস্ক কোন ধরনের স্টোরেজ মিডিয়াম?
  1. অপটিক্যাল
  2. ইলেকট্রিক
  3. লেজার
  4. ম্যাগনেটিক
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনেটিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনেটিক
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) ম্যাগনেটিক
হার্ড ডিস্ক হলো একটি ম্যাগনেটিক স্টোরেজ মিডিয়াম, যা কম্পিউটারের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত অ্যালুমিনিয়াম বা কাচের ফ্ল্যাট গোলাকার প্লেট দিয়ে তৈরি, যা ম্যাগনেটিক পদার্থ দিয়ে কোট করা থাকে।

হার্ড ডিস্ক (Hard Disk):
হার্ড ডিস্ক হল কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। এটি অ্যালুমিনিয়াম বা কাঁচের তৈরি সমতল গোলাকার পাতের ওপর ম্যাগনেটিক উপাদান দিয়ে আবৃত থাকে।

বৈশিষ্ট্য:
- হার্ড ডিস্ক মূলত চৌম্বকীয় উপাদানের প্রলেপযুক্ত কিছু চাকতি যা একটি কেন্দ্রীয় অক্ষের চারিদিকে ঘোরে। এই চাকতিগুলোর উপর ডেটা সংরক্ষণ করা হয়।
- একটি ছোট ইলেক্ট্রোম্যাগনেট, যাকে ম্যাগনেটিক হেড বলা হয়, তা স্পিনিং ডিস্কের উপর ক্ষুদ্র স্থানগুলোকে বিভিন্ন দিকে ম্যাগনেটাইজ করে বাইনারি ডিজিট (১ অথবা ০) লিখে এবং স্থানগুলোর ম্যাগনেটাইজেশন দিক সনাক্ত করে ডিজিট পড়ে।
- হার্ড ড্রাইভের মধ্যে বেশ কয়েকটি হার্ড ডিস্ক, রিড/রাইট হেড, ডিস্ক ঘোরানোর জন্য একটি ড্রাইভ মোটর এবং কিছু ইলেকট্রনিক সার্কিট থাকে, যা ধুলো থেকে রক্ষার জন্য একটি ধাতব আবরণে আবদ্ধ থাকে।
- বর্তমানে কিছু কম্পিউটার এবং ল্যাপটপে সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার করা হয়, যা তথ্য সংরক্ষণের জন্য ফ্ল্যাশ মেমরি চিপের উপর নির্ভর করে, হার্ড ডিস্কের পরিবর্তে।
- হার্ড ড্রাইভগুলোতে সাধারণত একাধিক ডিস্ক থাকে, যেগুলোর প্রত্যেকটি পৃষ্ঠের জন্য একটি করে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রিড/রাইট হেড থাকে। এই পুরো কাঠামোকে "comb" বলা হয়।
- ড্রাইভের একটি মাইক্রোপ্রসেসর হেডের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে এবং ডিস্ক থেকে ডেটা স্থানান্তরের জন্য RAM ব্যবহার করে। ড্রাইভগুলো বায়ুরোধীভাবে তৈরি করা হয়, ফলে হেডগুলো ডিস্কের খুব কাছে একটি পাতলা ফিল্মের উপর ভাসতে পারে।
- ডিস্কের উপর ডেটা খুব কাছাকাছি বৃত্তাকার ট্র্যাকে সংরক্ষণ করা হয়, যার জন্য রিড/রাইট হেডগুলোর খুব সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৩৬.
কোনটি ইনপুট এবং আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে ব্যবহার করা যায়?
  1. মাউস
  2. টাচ স্ক্রিন
  3. ওএমআর 
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
টাচ স্ক্রিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাচ স্ক্রিন
ব্যাখ্যা

টাচ স্ক্রিন ইনপুট এবং আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 

• ইনপুট ডিভাইস
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওসিআর (OCR),
- ট্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
- লাইটপেন (Lightpen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Ploter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder),
- হেডফোন (Headphone), ইত্যাদি।

• ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়।
যেমন:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন, ইত্যাদি।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭.
F5 কী সাধারণত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. Safe Mode চালু করা
  2. Refresh করার জন্য 
  3. Fullscreen চালু করা
  4. Rename করা
সঠিক উত্তর:
Refresh করার জন্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Refresh করার জন্য 
ব্যাখ্যা

F5 কী সাধারণত Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮.
পাওয়ার ব্যাকআপের মূল শক্তি সঞ্চয়ের উপায় হলো -
  1. ট্রান্সফরমার
  2. ব্যাটারি 
  3. জেনারেটর
  4. সোলার প্যানেল
সঠিক উত্তর:
ব্যাটারি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাটারি 
ব্যাখ্যা

পাওয়ার ব্যাকআপের মূল শক্তি সঞ্চয়ের উপায় হলো ব্যাটারি। 

পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেম (Power Backup System):
- মেইন পাওয়ার লাইন বন্ধ হয়ে গেলে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সচল রাখতে ব্যাটারি ব্যাংক ব্যবহার করা হয়, যেটি চার্জ হয়ে বিদ্যুৎ ধরে রাখে। একে বলা হয় পাওয়ার ব্যাকআপ।
- ইনভার্টার বা পাওয়ার ব্যাকআপ ডিভাইস ব্যাটারির ডিসি (DC) সাপ্লাইকে পরিবর্তন করে এসি (AC) সাপ্লাইতে রূপান্তর করে, যা বৈদ্যুতিক বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রের জন্য উপযোগী।
- ব্যবহার ও প্রয়োজনে এই পাওয়ার ব্যাকআপের বিভিন্ন ধরন রয়েছে:
- IPS (Instant Power Supply),
- UPS (Uninterrupted Power Supply),
- EPS (Emergency Power Supply),
- QPS (Quick Power Supply)। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) - নবম-দশম শ্রেণি।

৩৯.
কম্পিউটারের মেমোরি স্তরক্রমে সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুত মেমোরি কোনটি?
  1. DRAM
  2. Cache memory
  3. ROM
  4. Register
সঠিক উত্তর:
Register
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Register
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের মেমোরি স্তরক্রমে সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুত মেমোরি হলো রেজিস্টার। 

কম্পিউটারের মেমোরি স্তরক্রম (Memory Hierarchy):
কম্পিউটারের মেমোরি একটি স্তরক্রমে (Hierarchy) বিন্যস্ত।

স্তরক্রমের ধাপসমূহ:
- স্তরক্রমের শুরু হয় CPU-এর রেজিস্টার থেকে, যা খুব ছোট, অত্যন্ত দ্রুত এবং ব্যয়বহুল।
- এরপর আসে ছোট, দ্রুত ক্যাশ মেমোরি।
- এর পরের স্তর হলো বড় DRAM (প্রাইমারি মেমোরি)।
- এরপর আছে খুব বড় হার্ড ডিস্ক।
- স্তরক্রমের শেষ ধাপ হলো ধীর ও সস্তা ননভোলাটাইল ব্যাকআপ স্টোরেজ।

ভার্চুয়াল মেমোরি:
- আধুনিক কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম মেমোরি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেমের মাধ্যমে, যা প্রোগ্রামগুলোকে বড় অ্যাড্রেস স্পেস সরবরাহ করে।
- ভার্চুয়াল মেমোরি ব্যবহার করলে প্রোগ্রামের প্রয়োজনীয় মেমোরি CPU-এর প্রকৃত RAM-এর চেয়ে বেশি হতে পারে।

সংক্ষেপে, কম্পিউটারের মেমোরি স্তরক্রমে সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুত মেমোরি হলো CPU-এর রেজিস্টার।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৪০.
IoT (Internet of Things) ডিভাইস সাধারণত কোন প্রোটোকল ব্যবহার করে ডেটা বিনিময় করে?
  1. FTP ও SMTP
  2. IP ও TCP 
  3. HTTP ও HTTPS
  4. DNS ও DHCP
সঠিক উত্তর:
IP ও TCP 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IP ও TCP 
ব্যাখ্যা

IoT (Internet of Things) ডিভাইস সাধারণত IP ও TCP প্রোটোকল ব্যবহার করে ডেটা বিনিময় করে। 

ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)
ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক যা যন্ত্রপাতি ও ডিভাইসকে ইন্টারনেট এবং একে অপরের সাথে সংযুক্ত হতে সক্ষম করে, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) এবং ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল (TCP) ব্যবহার করে। এই প্রোটোকলগুলো ইথারনেট, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ এবং ৫জি-র মতো সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা বিনিময় সহজ করে, শারীরিক ও ডিজিটাল জগতের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে।

IoT ডিভাইসের ধরণ:
১. ডিজিটাল-প্রথম (Digital-first): যেমন স্মার্টফোন, যেগুলিতে বিল্ট-ইন কানেক্টিভিটি থাকে এবং যন্ত্র থেকে যন্ত্রে (M2M) যোগাযোগ করে।
২. শারীরিক-প্রথম (Physical-first): প্রচলিত বস্তু যেমন যানবাহন বা মেডিক্যাল ডিভাইস, যেগুলিতে মাইক্রোচিপ বা সেন্সর যুক্ত করে তাদের কার্যকারিতা এবং ট্র্যাকিং সক্ষমতা বাড়ানো হয়।

IoT-এর ব্যবহার:
- ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য মনিটরিং
- স্মার্ট ট্রাফিক নেটওয়ার্ক
- সংযুক্ত স্টোরেজ ট্যাংক
- COVID-19 মহামারীর সময় সংযুক্ত থার্মোমিটার জ্বর মনিটর করে ভাইরাসের বিস্তার ট্র্যাক করেছে।
- কৃষি, পরিবহন, এবং স্বাস্থ্যসেবায় সম্পদ ব্যবহার ও কার্যকারিতা বাড়ানো।

ইতিহাস:
- ব্রিটিশ প্রযুক্তিবিদ কেভিন অ্যাশটন ১৯৯৯ সালে "Internet of Things" শব্দটি প্রবর্তন করেন।

সুরক্ষা ও গোপনীয়তা চ্যালেঞ্জ:
- সংযুক্তি বৃদ্ধি ডেটা লঙ্ঘন এবং অবৈধ প্রবেশের সম্ভাবনা বাড়ায়।
- নিরাপত্তার অভাবে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও আর্থিক তথ্যসহ ডেটা হারানো, চুরি হওয়া বা অপব্যবহার হতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৪১.
মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করে কোনটি? 
  1. Barcode
  2. OMR
  3. OCR
  4. QR Code
সঠিক উত্তর:
OCR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OCR
ব্যাখ্যা

OCR মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করে থাকে। 

OCR (Optical Character Recognition)
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং এবং তুলনা প্রযুক্তি, যা মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করে।
- এর ফলে মুদ্রিত তথ্য পুনরায় টাইপ করার প্রয়োজন হয় না।

কাজের পদ্ধতি:
- OCR সফটওয়্যার অক্ষরগুলোকে লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আকারের সাথে তুলনা করে চিনে নেয়।
- অক্ষরের নিকটতার (proximity) মাধ্যমে শব্দ শনাক্ত করা হয়।
- মূল পৃষ্ঠার বিন্যাস পুনর্গঠন করার চেষ্টা করা হয়।

নির্ভুলতা:
- উচ্চমানের এবং পরিষ্কার স্ক্যান থেকে সঠিকতা বেশি হয়।
- মূল পত্রের বা স্ক্যানের মান কমলে সঠিকতা হ্রাস পায়।

ব্যবহার:
- একটি অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিডার (OCR) সরাসরি মেইল শ্রেণিবিন্যাস করতে পারে বা মেশিন-রিডেবল কোড দিয়ে চিহ্নিত করে দ্রুত স্বয়ংক্রিয় শ্রেণিবিন্যাসে সাহায্য করে।
- 1965 সালে, ইউ.এস. পোস্টাল সার্ভিস অক্ষর ও সংখ্যা শনাক্তকরণের OCR পরীক্ষামূলকভাবে চালু করে।
- 1980-এর দশকের শুরুর দিকে, তারা এমন একটি যন্ত্র তৈরি করে যা তিনটি ঠিকানার লাইন স্ক্যান, পোস্টাল কোড যাচাই, এবং রাউটিং কোড প্রিন্ট করতে পারে।

OCR প্রক্রিয়ার মূল ধাপগুলো:
-  মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা স্ক্যান করা।
-  অক্ষরের আকারের সঙ্গে লাইব্রেরির অক্ষরের তুলনা করে সনাক্তকরণ।
-  অক্ষরের নিকটতার মাধ্যমে শব্দ শনাক্ত করা।
- মূল পৃষ্ঠার বিন্যাস পুনর্গঠন।

অন্যদিকে,
ক) Barcode: বারকোড হলো রেখা বা প্যাটার্নের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও শনাক্ত করার প্রযুক্তি।
খ) OMR: OMR হলো একটি প্রযুক্তি যা চিহ্নিত মার্ক বা বুলেট/ডট শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
ঘ) QR Code: এটি লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করার জন্য নয়, বরং সংরক্ষিত তথ্য স্ক্যান করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৪২.
মূল্যবোধ শিক্ষা কীভাবে সুশাসনের পথকে প্রশস্ত করে?
  1. ব্যক্তিসত্তার বিকাশ সাধন করে
  2. অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করে
  3. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখে
  4. সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ করে
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিসত্তার বিকাশ সাধন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিসত্তার বিকাশ সাধন করে
ব্যাখ্যা

⇒ মূল্যবোধ শিক্ষা ব্যক্তিসত্তার বিকাশ সাধন করে সুশাসনের পথকে প্রশস্ত করে।

মূল্যবোধ শিক্ষা ও সুশাসন:
- মূল্যবোধ শিক্ষা ও সুশাসনের ধারণা পরস্পরের পরিপূরক।
- মূল্যবোধ শিক্ষার যথার্থ উপস্থিতি ছাড়া সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।
- মূল্যবোধ শিক্ষা ব্যক্তিকে দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করে তোলার মাধ্যমে সুশাসনের ভিতকে মজবুত করে।
- মূল্যবোধ শিক্ষা ব্যক্তির মানসিক বিকাশকে ত্বরান্বিত করে।
- আর এভাবে ব্যক্তিসত্তার বিকাশ সাধন করে এটি সুশাসনের পথকে প্রশস্ত করে এবং সামাজিক অবক্ষয়ের অবসান ঘটায়।
- তাই মূল্যবোধ শিক্ষা আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর সমাজ ব্যবস্থায় সব ধরণের অবক্ষয় থেকে মানবজাতিকে রক্ষা করতে পারে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৪৩.
জাতিসংঘের ESCAP সুশাসনের কোন বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেছেন?
  1. অংশগ্রহণ
  2. স্বচ্ছতা
  3. প্রতিক্রিয়াশীলতা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

ESCAP-এর মতে সুশাসনের বৈশিষ্ট্য:
⇒ জাতিসংঘের ESCAP সুশাসনের প্রধান ৮টি বৈশিষ্ট্যর কথা উল্লেখ করেছেন। এগুলো হলো-
১. অংশগ্রহণ,
২. স্বচ্ছতা,
৩. আইনের শাসন,
৪. প্রতিক্রিয়াশীলতা,
৫. ঐক্যমত্য ভিত্তিক,
৬. সমতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক,
৭. কার্যকারিতা এবং দক্ষতা,
৮. জবাবদিহিতা।

তথ্যসূত্র - UNESCAP ওয়েবসাইট।

৪৪.
'সামাজিক মূল্যবোধ হল একটি মানদন্ড'-উক্তিটি কার?
  1. এইচ এম জনসন
  2. জন লক
  3. ক্লাইড ব্লুখোন
  4. এফ ই মেরিল
সঠিক উত্তর:
এইচ এম জনসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এইচ এম জনসন
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধ একটি মানবিক গুনাবলী। এটি একজন মানুষের নীতি-নৈতিকতা ও বিবেকের উপর নির্ভরশীল।
- মূল্যবোধ সামাজিক আচার-ব্যবহার, সংস্কৃতি চর্চা ও সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৃষ্টি হয়।
- মূল্যবোধ এর নির্দিষ্ট কোন মাপকাঠি বা যৌক্তিকতা প্রমাণের সুযোগ নেই।
- কেননা একজনের কাছে যা আর্দশ, তা অন্য জনের কাছে বিরক্তির কারণও হতে পারে।
- তবে অনেকের মতে মানবিক গুনাবলী এবং সঠিক বিবেক-বুদ্ধির বহিঃপ্রকাশই মূল্যবোধ।
- সমাজবিজ্ঞানী এইচ এম জনসন (H.M. Johnson) এর মতে, "সামাজিক মূল্যবোধ হল একটি মানদন্ড”।
- ক্লাইড ব্লুখোন বলেন "সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব প্রকাশ্য ও অনুমেয় আচার-আচরণের ধারা যা ব্যক্তি ও সমাজের মৌলিক বৈশিষ্ট্য বলে স্বীকৃত"।
- সমাজবিজ্ঞানী এফ ই মেরিল বলেন, "সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাসের এক প্রকৃতি বা ধরণ, যা গোষ্ঠীগত কল্যাণে সংরক্ষণ করাকে মানুষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে।
- অতএব, সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব ধারণার চূড়ান্ত ব্যাপ্তি যা মানুষ হিসেবে একজন ব্যক্তির জীবনে একান্ত কাম্য।
- সমাজের এসব মূল্যবোধ মানুষের জীবনের জন্য লক্ষ্য ও প্রাপ্তি স্থির করতে সাহায্য করে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫.
একটি দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে প্রধান ভূমিকা পালন করে -
  1. বিচার বিভাগ
  2. সরকার
  3. গণমাধ্যম
  4. সুশীল সমাজ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

সরকার ও সুশাসন:
- সরকার একটি দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রধান ভূমিকা পালন করে।
- কারণ এটি নীতিমালা ও আইন প্রণয়ন করে যা সুশাসনের ভিত্তি তৈরি করে।
- এই নীতি ও আইন কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো সরবরাহ করে।
- যদি সরকার স্বচ্ছ ও জবাবদিহি সম্পন্ন হয়, তবে এটি জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হয়।
- সরকারের মূল দায়িত্ব হল জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা, যা সুশাসনের একটি অপরিহার্য দিক।

উল্লেখ্য:
- যদিও গণমাধ্যম, বিচার বিভাগ এবং সুশীল সমাজও সুশাসনে ভূমিকা রাখে, তবে সরকারই সুশাসন প্রতিষ্ঠায় মূল ভূমিকা পালন করে।
কারণ এটি নীতিমালা, আইন, এবং কার্যক্রম প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকে।

তথ্যসূত্র - উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথমপত্র, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।

৪৬.
'Good Governance' ধারণাটি প্রথম ব্যবহার করেন বিশ্বব্যাংকের কোন প্রেসিডেন্ট?
  1. লুইস টি. প্রেস্টন
  2. বারবার কোনাবল
  3. ইউজিন মেয়ার
  4. জিম ইয়ং কিম
সঠিক উত্তর:
বারবার কোনাবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারবার কোনাবল
ব্যাখ্যা

সুশাসন:
- সুশাসন শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে Good Governance ।
- সুশাসন (Good Governance) অর্থ হচ্ছে নির্ভুল, দক্ষ ও কার্যকরী শাসন।
- বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট বারবার কোনাবল প্রথম সুশাসন (Good Governance) শব্দটি ব্যবহার করেন।

⇒ সুশাসনের ধারণাটি বহুমাত্রিক।
- সুশাসনের ধারণাটি আপেক্ষিক।
- সুশাসন ধারণাটির উদ্ভাবক বিশ্বব্যাংক।
- বিশ্বব্যাংক ১৯৮৯ সালে প্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

৪৭.
রাষ্ট্র ও সমাজে দুর্নীতির জন্য দায়ী প্রধান কারণ কী?
  1. নৈতিকতার অভাব
  2. অর্থনৈতিক অভাব
  3. আইনের প্রয়োগের অভাব
  4. অসৎ নেতৃত্ব
সঠিক উত্তর:
নৈতিকতার অভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৈতিকতার অভাব
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্র ও সমাজে দুর্নীতির জন্য দায়ী প্রধান কারণ হল 'নৈতিকতার অভাব'।

দুর্নীতি ও নৈতিকতা:
- সাধারণভাবে দুর্নীতি বলতে আইন ও নীতির বিরুদ্ধ কাজকে বুঝায়।
- দুর্নীতির সাথে পেশা, ক্ষমতা, সুযোগ-সুবিধা, পদবি, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অবস্থান ইত্যাদি বিষয় গভীরভাবে জড়িত।
- নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অভাব সমাজের শাসন ও প্রশাসনে দুর্নীতি বৃদ্ধির প্রধান কারণ।
- কারণ এটি ব্যক্তির আচরণ এবং সমাজের সামগ্রিক মানকে প্রভাবিত করে।
- যখন ব্যক্তিরা সঠিক ও ভুলের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারে না বা নৈতিকভাবে দুর্বল হয়, তখন তারা দুর্নীতির দিকে ঝুঁকতে পারে।

উল্লেখ্য:
- যদিও অন্যান্য কারণগুলোও দুর্নীতির জন্য দায়ী হতে পারে, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অভাব মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- যদি মানুষের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ এবং সততার অভাব থাকে, তবে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
- অসৎ নেতৃত্ব, অর্থনৈতিক অভাব ও আইনের প্রয়োগের অভাব দুর্নীতিকে আরও উৎসাহিত করে, কিন্তু নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অভাবই প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।