পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৫ রিভিশন পরীক্ষা [Live Class – 13 & 14]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
নিচের কোন দেশ পারমাণবিক অস্ত্রধারী নয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. চীন
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ:
- একটি দেশের সামরিক শক্তি পরিমাপের অন্যতম মানদণ্ড এখন সে দেশের অস্ত্রাগারে থাকা পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা।
- পারমাণবিক অস্ত্র মজুদের শীর্ষে আছে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
- বর্তমান বিশ্বের মোট পারমাণবিক অস্ত্রের প্রায় ৯০ শতাংশ আছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কাছে।
- এছাড়াও চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান, ভারত, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়াসহ ৯ দেশের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র আছে।

উল্লেখ্য,
- স্নায়ুযুদ্ধের সময় শুধু যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়ার কাছে মজুদ পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যাই ছিল বর্তমান বিশ্বের মোট পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি।
- জার্মানি পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ নয়।

উৎস: নভেম্বর ২৫, ২০২২, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা। [link]
.
'বি-৫২' কী?
  1. এক ধরনের যাত্রীবাহী বিমান
  2. এক ধরনের মিসাইল
  3. এক ধরনের যুদ্ধজাহাজ
  4. এক ধরনের বোমারু বিমান
ব্যাখ্যা
বি-৫২:
- এটিকে স্ট্র্যাটোফোর্ট্রেসও বলা হয়।
- এটি এক ধরণের মার্কিন বোমারু বিমান।
- ১৯৪৮ সালে এর ডিজাইন করা হয়েছিল।
- ১৯৫২ সালে এটি প্রথম উড্ডয়ন করা হয়েছিল।
- ১৯৫৫ সালে প্রথম সামরিক পরিষেবা দেয় ।

উৎস: Britannica.
.
'প্যারিস প্যাক্ট' কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯২৭ সালে
  2. ১৯২৮ সালে
  3. ১৯২৯ সালে
  4. ১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
প্যারিস প্যাক্ট (Paris Pact):
- প্যারিস প্যাক্ট প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার থেকে মানুষ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন হয়।
- এই চুক্তির ফলে যুদ্ধ এড়াতে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধ করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট।
- কার্যকর হয়: ২৪ জুলাই, ১৯২৯ সালে।
- এই চুক্তির অন্যনাম Kellogg - Briand Pact.
- তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Frank B. Kellogg ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Aristide Briand আলোচনার মাধ্যমে এই চুক্তির খসড়া তৈরি করেন।

 উৎস: History.com
.
'পিস আর্ক' কী?
  1. শান্তি পার্ক
  2. যুদ্ধ বিমান
  3. সংবাদ সংস্থা
  4. চিকিৎসা জাহাজ
ব্যাখ্যা
পিস আর্ক:
- 'পিস আর্ক' হলো একটি চিকিৎসা জাহাজ।
- পিস আর্ক হসপিটাল জাহাজ, যা চীনা ভাষায় হেপিং ফাংঝু নামে পরিচিত।
- এটি দেশের প্রথম স্ট্যান্ডার্ড সমুদ্রগামী হাসপাতালের জাহাজ।
- এটি বিশ্বের প্রথম ১০,০০০ টন স্তরের পেশাদার হাসপাতাল জাহাজ।
- এটি পিপলস লিবারেশন আর্মি নেভিতে দাইশান দাও হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- এটি অত্যাধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তিতে সজ্জিত।
- ২০০৮ সালে চীনা নৌবাহিনীতে কমিশন করা 'পিস আর্ক' সহায়ক জাহাজগুলির মধ্যে একটি।
- একটি হাসপাতালের জাহাজ হিসাবে চিহ্নিত করার জন্য লাল ক্রস দিয়ে সাদা আঁকা।
- ক্রুতে চীনের কিছু নেতৃস্থানীয় চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ এবং নিউরোলজি, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, ফিজিওথেরাপি, ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধ, সংক্রামক রোগ, পুনর্গঠনমূলক সার্জারি এবং পোড়া বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

উৎস: China Military ওয়েবসাইট।
.
'জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন' গঠিত হয় -
  1. ১৯৪৪ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯৪৬ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন: 
- ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।
- কমিশন ‘মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা' এর খসড়া প্রস্তুতের জন্য একটি কমিটি গঠন করে।
- কমিটির প্রস্তুতকৃত খসড়া ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গৃহীত হয়।
- মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণায় মোট ৩০ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বরকে বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
.
কোন দেশ Biological Weapons Convention-এ স্বাক্ষর করেনি?
  1. চাদ
  2. ইসরায়েল
  3. ইরিত্রিয়া
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
Biological Weapons Convention:
- জৈবিক অস্ত্র কনভেনশন বা Biological Weapons Convention (BWC) হলো একটি আইনত বাধ্যতামূলক চুক্তি যা জৈব অস্ত্র নিষিদ্ধ করে। 
- ১৯৬৯ সালে শুরু হওয়া জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ ফোরামে আলোচনা ও সমঝোতার পর ১০ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয়: ২৬মার্চ, ১৯৭৫ সালে।
- সদস্য দেশ: ১৮৩টি।
- দশটি রাষ্ট্র Biological Weapons Convention-এ স্বাক্ষর করেনি।
- এগুলো হলো: চাদ, কমোরোস, জিবুতি, ইরিত্রিয়া, ইসরাইল, কিরিবাতি, মাইক্রোনেশিয়া, নামিবিয়া, দক্ষিণ সুদান এবং টুভালু।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
.
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের সদর দপ্তর কোথায়?
  1. নিউইয়র্ক
  2. জুরিখ
  3. লন্ডন
  4. প্যারিস
ব্যাখ্যা
International Human Rights Commission:
- আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন বা International Human Rights Commission (IHRC)।
- IHRC একটি আন্তর্জাতিক, অলাভজনক সংস্থা যা আঞ্চলিক, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা বাস্তবায়নে নিবেদিত।
- এর সদস্যপদ সমগ্র বিশ্ব জুড়ে ব্যক্তি, শিক্ষাবিদ এবং গোষ্ঠীর সমন্বয়ে গঠিত যারা সক্রিয়ভাবে মানবাধিকারের জ্ঞান এবং সুরক্ষা সমগ্র মানবজাতির জন্য এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
- এর উদ্দেশ্য হল মানবাধিকার শিক্ষার সংস্থান এবং ক্রিয়াকলাপগুলি প্রদান করা যা সমাজের প্রতিটি স্তরে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রের প্রচার এবং গ্রহণে ব্যক্তি, শিক্ষাবিদ, সংস্থা এবং সরকারী সংস্থাগুলিকে অবহিত, সহায়তা এবং একত্রিত করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৬ সালে।
- সদরদপ্তর: জুরিখ, সুইজারল্যান্ড।
- মহাসচিবঃ অধ্যাপক রাফাল মার্সিন ওয়াসিক।

উৎস: International Human Rights Commission ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ কত সালে 'NPT' চুক্তিতে স্বাক্ষর করে?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস: UNODA ওয়েবসাইট।
.
ভারত কবে পারমাণবিক শক্তির অধিকারী হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক শক্তির অধিকারী ভারত:
- পারমাণবিক অস্ত্রশক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে এমন দেশগুলোর মধ্যে ভারত অন্যতম।
- ভারতের প্রথম সফল পারমাণবিক বোমা পরীক্ষার সাংকেতিক নাম সাংকেতিক নাম স্মাইলিং বুদ্ধ।
- এটি ১৯৭৪ সালের ১৮ মে রাজস্থানের পোখরানে অনুষ্ঠিত হয়।
- ভারতীয় সেনাবাহিনী, বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় সচিবের তত্ত্বাবধানে, রাজস্থানের পোখরান টেস্ট রেঞ্জে (PTR) বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।
- সেসময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী।
- ভারতের এই অগ্রগতিতে শঙ্কিত হয়ে পড়েছিল অনেক দেশই।
- তাদের অন্যতম রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, চিন।
- যারা পি-৫ নামেও পরিচিত।
- এই পাঁচ দেশকে আশ্বস্ত করতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী পোখরানের সেই পরমাণু পরীক্ষাকে ‘শান্তিপূর্ণ পরমাণু বিস্ফোরণ’ বলে অভিহিত করেছিলেন।

উৎস: ১৮ মে, ২০২৩, Indian Express Bangla.
১০.
'এস-৪০০' ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কোন দেশের?
  1. রাশিয়া
  2. চীন
  3. জাপান
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
এস-৪০০:
- রাশিয়ার তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে কার্যকরি ও আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা হচ্ছে এস-৪০০।
- মূলত দেশটির আগেরকার এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়ে এস-৪০০ তৈরি করা হয়েছে।
- এস-৪০০তে সর্বাধুনিক আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন করা রয়েছে, যা ইতিপূর্বে পশ্চিমা বিশ্ব কোনো দেশ দিতে পারেনি।
- স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্স ইন্সটিটিউটের (এসআইপিআরআই) সিনিয়র রিসার্চার সাইমন ওয়েজেমন বলেন, এস-৪০০'র রাডার, সেন্সর এবং মিসাইল একটি বিরাট এরিয়ায় প্রভাব বিস্তার করতে পারে।
- এর রাডারে ক্ষমতা প্রায় ৬০০ কিলোমিটার আর মিসাইলের ক্ষমতা ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
- এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় একত্রে একাধিক লক্ষ্যে নজর রাখতে পারে।
- এছাড়া এটি এক মিনিটের মধ্যেই স্থান পরিবর্তন করতে পারে।
- এস-৪০০ যে কোনো দেশের জন্য উপযোগী।
- এই সিস্টেমটি স্থানান্তর বা চলাচলের জন্য যেমন কোনো জটিলতা নেই।
- এস-৪০০তে রয়েছে অতিরিক্ত শনাক্তকারী রাডার, টাওয়ার ও এন্টোনা পোস্ট যা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নেয়া যায়।
- এস-৪০০ একই সময়ে ৩৬টি লক্ষবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এমনকি একই সময়ে ৭২টি মিসাইল ছুঁড়তে সক্ষম।

উৎস: ১০ এপ্রিল ২০১৯, যুগান্তর। [link]