পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১২ বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ------------------- টপিক: i) প্রাচীন সভ্যতাসমূহ, সাম্রাজ্যসমূহ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী (যুদ্ধ ও বিপ্লব ইত্যাদি), ii) মহাদেশ ও দেশসমূহের সাধারণ তথ্য (দেশের রাজধানী, মুদ্রা, সরকার ব্যবস্থা, সংসদ ইত্যাদি সহ সাধারণ তথ্য)। iii) গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি ও সম্মেলন, জোট (নিরাপত্তা ও পরিবেশ বিষয়ক)। [নম্বর কাভার - ৭]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
ম্যারাথন যুদ্ধে জয় লাভ করে কোন দেশ?
  1. জর্জিয়া
  2. পারস্য
  3. গ্রিস
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
ম্যারাথনের যুদ্ধ
- ম্যারাথনের যুদ্ধ ৪৯০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে গ্রিসে প্রথম পারস্য আক্রমণের সময় সংঘটিত হয়েছিল।
- গ্রীক সেনাবাহিনী আরও অসংখ্য পার্সিয়ানদের উপর একটি বিপর্যস্ত পরাজয় ঘটিয়েছিল, যা গ্রীক-পার্সিয়ান যুদ্ধের একটি টার্নিং পয়েন্ট চিহ্নিত করে।
- প্রথম পারস্য আক্রমণ ছিল আয়োনিয়ান বিদ্রোহে এথেনিয়ানদের অংশগ্রহণের প্রতিক্রিয়া, যখন এথেন্স এবং ইরেট্রিয়া পারস্য শাসনকে উৎখাত করার প্রচেষ্টায় আয়োনিয়ার শহরগুলিকে সমর্থন করার জন্য একটি বাহিনী পাঠায়।
-  ম্যারাথন যুদ্ধে বিবাদমান পক্ষ হলো গ্রিস ও পারস্য।
- ম্যারাথনের অবস্থান ছিলো এথেন্সের মূল শহর থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তর- পূর্বে।
- ম্যারাথন যুদ্ধে জয় লাভ করে গ্রিস। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
'জোয়ান অব আর্ক' কে ছিলেন?
  1. বৃটেনের সেনাপতি
  2. ফ্রান্সের সেনাপতি
  3. সুইডেনের সেনাপতি
  4. বাংলার সেনাপতি
ব্যাখ্যা
জোয়ান অব আর্ক
- এক জন ফরাসি বীর যোদ্ধা, সেনাপতি ও বিপ্লবী।
- ব্রিটিশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ফ্রান্সকে বিজয়ী করতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন এই বীর কন্যা। 
- মাত্র ১৯ বছর বয়সে তাকে পুড়িয়ে মারা হয়।
- এই শহীদ মহানায়িকার আদর্শকে ধারণ করে পরবর্তিতে ঐতিহাসিক শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধে ফ্রান্সের কাছে ইংল্যান্ড পরাজিত হয়।
- জোয়ান অব আর্ক জন্মগ্রহণ করেন ১৪১২ সালে ফ্রান্সের উত্তর-পূর্বে ডমরেমি অঞ্চলে এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে।
- শৈশবে তিনি ছিলেন খুব ধার্মিক একজন কিশোরী।
- তিনি এমন এক অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন, যেখানে ফ্রান্স-ইংল্যান্ড যুদ্ধের কারণে চরম দরিদ্রতা বিরাজ করছিল।
- শৈশবের ওই সময়ে বাবা জেকের খামার থেকে তিনি কৃষি কাজ শেখেন এবং মা ইসাবেলর কাছ থেকে শেখেন সেলাইর কাজ।
- তবে বারো বছর বয়সে তিনি রহস্যময় জীবন শুরু করেন।
- কেননা তিনি বলতে থাকেন যে, তিনি ঈশ্বরের কাছ থেকে ফ্রান্সকে পুনর্গঠন করার নির্দেশ পেয়েছেন।
- এটি ছিল তার ‘বিশ্বাস’। সেই বিশ্বাস থেকে তিনি দেশের জন্য যুদ্ধে অংশ নেয়ার লক্ষ্য স্থির করেন।
- এই সময় বিখ্যাত ফরাসি ধর্মগুরু সেইন্ট মাইকেল ও সেইন্ট ক্যাথরিনের কাছ থেকে তিনি ফ্রান্সকে নেতৃত্ব দেয়ার উৎসাহ পান।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
আফগানিস্তানের রাজধানীর নাম কী?
  1. নমপেন 
  2. কাবুল 
  3. নুরেস্তান
  4. কান্দাহার
ব্যাখ্যা
আফগানিস্তান এশিয়া মহাদেশের একটি দেশ। রাজধানীর নাম কাবুল।

নিচে কিছু দেশের রাজধানীর নাম দেওয়া হলো: 
দেশের নাম - রাজধানীর নাম  
• বাংলাদেশে -  ঢাকা 
• পাকিস্তান -  ইসলামাবাদ 
• ভারত - নয়াদিল্লী 
• ভুটান - থিম্পু
• শ্রীলংকা - জায়াবর্ধনপুর 
• মালদ্বীপ - মালে 
• নেপাল - কাঠমুন্ডু 
• আফগানিস্তান -  কাবুল 
• মায়ানমার - নাইপিদাও 
• ভিয়েতনাম - হ্যানয় 
• থাইল্যান্ড - ব্যাংকক 
• কম্বোডিয়া - নমপেন 
• পূর্ব তিমুর -  দিলি 

উৎস: worldatlas website. 
.
আলেকজান্ডারের গৃহশিক্ষক ছিলেন কে?
  1. কনফুসিয়াস
  2. সক্রেটিস
  3. প্লেটো
  4. এরিস্টটল
ব্যাখ্যা
আলেকজান্ডারের গৃহশিক্ষক ছিলেন এরিস্টটল। 

সক্রেটিস: 
- গ্রিসের খ্যাতিমান দার্শনিক।
- ৩৯৯ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে হেমলক পাতার তৈরি বিষ খাইয়ে তাকে হত্যা করা হয়।
- সব জ্ঞানীদের গুরু বলা হয় সক্রেটিসকে। 

প্লেটো: 
- তিনি সক্রেটিসের ছাত্র ছিলেন।
- 'দি রিপাবলিক' গ্রন্থের রচয়িতা।
- সক্রেটিসের শিক্ষার বক্তব্য নিয়ে রচিত 'ডায়ালক অব সক্রেটিস' এর রচয়িতা তিনি। 
- ৩৮৫ খ্রি. প্লেটো দর্শনের স্কুল Academia প্রতিষ্ঠা করেন।  

এরিস্টটল:
- প্লেটোর ছাত্র ছিলেন এরিস্টটল।
- তিনি 'লাইসিয়াম' এর প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি আলেকজান্ডারের গৃহশিক্ষক ছিলেন । 

কনফুসিয়াস:
- কনফুসিয়াস ছিলেন চীনা দার্শনিক (জন্ম, খ্রিস্টপূর্ব ৫৫১ অব্দে এবং মৃত্যু, খ্রিস্টপূর্ব ৪৭৯ অব্দে) ।
- তিনি মূলত নীতিবাদী দার্শনিক ছিলেন ।
- তার দর্শন ও রচনাবলি পূর্ব এশিয়ার জীবনদর্শনে বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে গভীর প্রভাব বিস্তার করেছে ।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
'শিলিং' কোন দেশের মুদ্রা?
  1. আইভরিকোস্ট
  2. মোজাম্বিক
  3. মৌরিতানিয়া
  4. উগান্ডা
ব্যাখ্যা
• উগান্ডা
- উগান্ডা প্রজাতন্ত্র পূর্বাঞ্চলীয় আফ্রিকায় বিষুবরেখার উপর অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র।
- কাম্পালা উগান্ডার রাজধানী ও বৃহত্তম নগরী।
- দেশটি পূর্বে কেনিয়া, উত্তরে সুদান, পশ্চিমে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, দক্ষিণ-পশ্চিমে রুয়ান্ডা এবং দক্ষিণে তানজানিয়া দ্বারা বেষ্টিত।
- উগান্ডার মুদ্রার নাম হচ্ছে শিলিং। 

নিচে কিছু দেশের মুদ্রার  নাম দেওয়া হলো: 
দেশ   ______মুদ্রার নাম 
• সুইডেন - ক্রোনা
•  তুরস্ক -  লিরা
•  লিবিয়া - দিনার
•  মিশর - পাউন্ড
•  নাইজেরিয়া - নাইরো
•  সুদান - পাউন্ড
•  কেনিয়া - শিলিং
•  মোজাম্বিক - মেটিকাল
•  মাদাগাস্কার - ফ্রাংক
•  মালি - ফ্রাংক
•  মৌরিতানিয়া - উজুইয়া
•  নামিবিয়া - র‌্যান্ড
•  সোয়াজিল্যান্ড - লিলানগিনি
•  তাঞ্জানিয়া - শিলিং
•  জিম্বাবুয়ে - ডলার
•  কঙ্গো - জায়ার
•  মরক্কো -দিরহাম
•  উগান্ডা - শিলিং
•  মরিসাস - রুপী
•  দক্ষিণ আফ্রিকা - র‌্যান্ড
•  ঘানা -সেডি
•  আইভরিকোস্ট -  ফ্রাংক 

উৎস: worldatlas website.
.
ইতালি প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৮৬১ সালের ১৭ মার্চ
  2. ১৮৬২ সালের ১৭ মার্চ 
  3. ১৮৬৩ সালের ১৭ মার্চ 
  4. ১৮৬৪ সালের ২৩ মার্চ
ব্যাখ্যা
ইতালি
- ইতালি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬১ সালের ১৭ মার্চ। 

- এক দশকের বিপ্লব শেষে ইউরোপের তুরিনে ইতালি রাজ্য প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে।
- আর এর প্রথম রাজা হন ভিক্টর ইমানুয়েল।
- বর্তমানের ইতালির রাজধানীর নাম রোম ।
- ও মুদ্রার নাম ইউরো।
- রোম প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যেরও রাজধানী ছিল।
- রোমের সীমানার ভেতরে ভ্যাটিকান সিটি অবস্থিত।
- নেপোলি দক্ষিণ ইতালির প্রধানতম শহর।
- ভিসুভিয়াস পর্বতের পাদদেশে প্রাচীন পম্পেই নগরির ধ্বংসাবশেষের কাছেই এই শহরটি অবস্থিত।

সূত্র- প্রথম আলো।  
.
সুইডেনের আইনসভার নাম কী?
  1. রিক্সড্যাগ
  2. স্টরটিং
  3. উয়ান
  4. সীম
ব্যাখ্যা
পোল্যান্ডের আইনসভার নাম -  সীম (Sejm) 
তাইওয়ানের আইনসভার নাম -  উয়ান (Yuan) 
নরওয়ের আইনসভার নাম -  স্টরটিং (Storting) 
সুইডেনের আইনসভার নাম - রিক্সড্যাগ (The Riksdag) 

আরো কিছু দেশের আইনসভার নাম হচ্ছে:- 
দেশ _______________ আইনসভার নাম 
• অস্ট্রেলিয়া - পার্লামেন্ট
• মালয়েশিয়া - মজলিস
• মঙ্গোলিয়া - স্টেট গ্রেট-খুরাল
• ইসরাইল - নেসেট
• রাশিয়া - ফেডারেল অ্যাসেম্বলি
• স্পেন - জেনারেল কোর্টস
• তুরস্ক - গ্রান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি
• সুইডেন - রিক্সড্যাগ
• ফ্রান্স -  পার্লামেন্ট
• নেদারল্যান্ডস - স্ট্যাটেড জেনারেল 
• ইতালি -  সিনেট
• মিশর - দারুল আওয়াম 
• আয়ারল্যান্ড -  ডেল আয়ারম্যান বা ওয়ারেখটাস
• গ্রিস -  চেম্বার অব ডেপুটিজ
• আইসল্যান্ড - আলথিং
• ইন্দোনেশিয়া  - পিপন্স কনসাল্টেটিভ অ্যাসেম্বলি। 

উৎস: worldatlas website.
.
কোন দেশের মুদ্রার নাম রিয়াল?
  1. ব্রাজিল
  2. সৌদি আরব
  3. ইয়েমেন
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
যেসব দেশের মুদ্রা রিয়াল - 
• ব্রাজিল
• সৌদি আরব 
• ইয়েমেন 
• ওমান
• কম্বোডিয়া
• কাতার 

• যেসকল দেশের মুদ্রা ইউরো:
সাইপ্রাস, বেলজিয়াম, এন্ডোরা, অস্ট্রিয়া, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, মোনাকো, মন্টিনিগ্রো, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, স্যানমেরিনো, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন, লুক্সেমবার্গ, ভ্যাটিকান, কসোভো, মাল্টা ও লিথুয়ানিয়া ।

• যেসকল দেশের মুদ্রা ডলার:
গায়ানা, সুরিনাম, সলোমান দীপপুঞ্জ, ফিজি, জ্যামাইকা, কানাডা, বেলিজ, বারবাডোজ, বাহামা, নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে, নামিবিয়া, লাইবেরিয়া, সিঙ্গাপুর ও ব্রুনাই।

• ক্যারিবিয়ান ডলার:
ডোমিনিকা, এন্টিগুয়া এন্ড বারমুডা, গ্রানাডা, সেন্টকিটস এন্ড নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্টভিনসেন্ট এন্ড দ্য গ্রানাডাইনস, ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগো। 

• যেসকল দেশের মুদ্রা দিনার:
বাহরাইন, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, মেসিডোনিয়া, সার্বিয়া, আলজেরিয়া, লিবিয়া ও তিউনিশিয়া যেসকল দেশের মুদ্রা মার্কিন ডলার: যুক্তরাষ্ট্র, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, মাইক্রোনেশিয়া, পালাউ, ইকুয়েডর, পূর্ব তিমুর ও এল সালভেদর। 

• অস্ট্রেলিয়ান ডলার:
অস্ট্রেলিয়া, কিরিবাতি, নাউরু ও টুভ্যালু

• যেসকল দেশের মুদ্রা পেসো:
কিউবা, ডোমিনিকা প্রজাতন্ত্র, ফিলিপাইন, মেক্সিকো, আর্জেন্টিনা, চিলি, কলম্বিয়া ও উরুগুয়ে। 

• যেসকল দেশের মুদ্রা রুপি:
ভারত, সিচেলিস, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলংকা ও মরিশাস। 

• যেসকল দেশের মুদ্রা পাউন্ড: 
লেবানন, সিরিয়া, যুক্তরাজ্য, মিশর, সুদান ও দ. সুদান

• অন্যান্য কিছু দেশের মুদ্রার নাম:
- ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের মুদ্রার নাম রুপিয়া।
- উ. কোরিয়া ও দ. কোরিয়ার মুদ্রার নাম ওন।   
- রাশিয়া ও বেলারুশের মুদ্রার নাম রুবল। 
- কিরঘিজিস্তান ও উজবেকিস্তানের মুদ্রার নাম সোম।
 - ইরানের মুদ্রার নাম তুমান।
- ডেনমার্ক ও নরওয়ের মুদ্রার নাম- ক্রোন
- সুইডেন ও আইসল্যান্ডের মুদ্রার নাম ক্রোনা 
- আজারবাইজান ও তুর্কমেনিস্তানের মুদ্রার নাম মানাত
- আরব আমিরাত ও মরক্কোর মুদ্রার নাম দিরহাম।
- মলদোভা ও রোমানিয়ার মুদ্রার নাম লিউ। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও  worldatlas website. 
.
যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচন কী মাসে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. মে
  2. নভেম্বর
  3. ডিসেম্বর
  4. এপ্রিল
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনের মাস ও দিন 
- ১৮৪৫ সাল থেকে নভেম্বরের প্রথম সোমবারের পরের দিন মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়ে আসছে। 
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের প্রথম ৬৯ বছর নির্বাচনের জন্য কোনো আলাদা দিন নির্দিষ্ট ছিল না।
- অঙ্গরাজ্যগুলো যার যার পছন্দমতো দিনে ভোট গ্রহণ করত। এর ফলে যে বিশৃঙ্খলা দেখা দিত, তা ঠেকাতে ১৮৪৫ সালে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় নভেম্বরের প্রথম মঙ্গলবার সারা দেশে একসঙ্গে ভোট গ্রহণ করা হবে।
- রোববার এই দিন নির্ধারণ করা হোক, এমন এক প্রস্তাব তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হয়। কারণ, সেদিন সবাই গির্জায় যায় সাপ্তাহিক প্রার্থনায় অংশ নিতে। সোমবারের কথাও ভাবা হয়, কিন্তু সেটাও বাতিল হয়ে যায়। কারণ, উনিশ শতকের মাঝামাঝি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াতে হেঁটে বা ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে যাওয়া ছাড়া অন্য উপায় ছিল না। দূরদূরান্তের মানুষকে পর্যাপ্ত সময় দিতে অবশেষে সিদ্ধান্ত হয় মঙ্গলবারেই ভোট গ্রহণ করা হবে।
- তবে মঙ্গলবার নিয়মিত কাজের দিন হওয়ায় ইচ্ছা থাকলেও অনেকে ভোট দিতে পারেন না।

উৎস: প্রথম আলো।
১০.
কোন দেশের পতাকায় চাঁদ ও সূর্য রয়েছে?
  1. সোমালিয়া
  2. ব্রুনাই
  3. তুরস্ক
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা

নেপাল: 
নেপালের পতাকায় চাঁদ ও সূর্য রয়েছে। 
নাম: ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব নেপাল। 
রাজধানী: কাঠমান্ডু। 
আয়তন: ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫১৬ বর্গ কিলোমিটার
ভাষা: প্রধান ভাষা নেপালি। অন্যান্য ভাষারও প্রচলন রয়েছে।
গড় আয়ু: পুরুষদের ৬৯, নারীদের ৭২ বছর।

দেশটির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা:
১৭৬৮: গুর্খা শাসক পৃথ্বী নারায়ণ শাহ কাঠমাণ্ডু জয় করেন ও ঐক্যবদ্ধ একটি রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন।
১৮১৪-১৬: অ্যাঙ্গলো-নেপাল যুদ্ধ। পরবর্তীতে নেপালের সীমান্ত স্থাপনের চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ হয়।
১৮৪৬: নেপালে ‘রানা’ নামে পরিচিত বংশানুক্রমিক শাসনের উত্থান হয়। রাজতন্ত্রের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে দেশকে বহির্বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে তারা।
১৯৫০: দেশটির রাজাদের সঙ্গে জোট গঠন করে ভারত ভিত্তিক ‘রানা’ বিরোধী দল গড়ে ওঠে।
১৯৫১: ‘রানা’ শাসনের পতন হয়। ফলে রাজ্যটির সার্বভৌমত্ব আবার পুনরায় ফিরে আসে এবং নেপাল কংগ্রেস পার্টিতে রানা-বিরোধী বিদ্রোহীরা সরকার গঠন করে।
১৯৬০: রাজা মহেন্দ্র ক্ষমতায় আসেন এবং দেশটির সংসদ, সংবিধান ও দলীয় রাজনীতি স্থগিত করেন।
১৯৯১: প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনে নেপালি কংগ্রেস পার্টি জয়ী হয়।
১৯৯৫-২০০৬: গৃহযুদ্ধ ও মাওবাদী বিপ্লবে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারায়।
২০০৮: রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং প্রজাতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় নেপাল।
২০১৫: নতুন সংবিধান গৃহীত হয়। সমকামীদের অধিকার রক্ষা করা এশিয়ার প্রথম সংবিধান এটি।

উৎস: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।
১১.
গ্রিনপিস প্রতিষ্ঠিত হয় কোন দেশে?
  1. নিউজিল্যান্ড
  2. জার্মানি
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
গ্রিনপিস
- গ্রিনপিস হল্যান্ড বা নেদারল্যান্ডসভিত্তিক একটি বেসরকারি পরিবেশবাদী সংস্থা।
- ১৯৭১ সালে সংস্থাটি আলাঙ্কায় পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রথম আন্দোলন শুরু করে।
- সংস্থাটি পারমাণিবক পরীক্ষা এবং তেজস্ক্রিয় ও রাসায়নিক বর্জ্য নিক্ষেপের বিরুদ্ধে সফল আন্দোলন চালিয়ে আসছে।
- পূর্ব নাম ছিল Don't make a Wave Committee।
- ১৯৭১ সালে কানাডার ভ্যানকুভারে এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এর প্রতিষ্ঠাতা প্যাট্রিক মোরে, রবার্ট হান্টার, ডেভিড ম্যাকট্যাগার্ড ও আরো অনেকে।
- এর সদর দপ্তর অবস্থিত নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে।
- ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরিক্ষার প্রতিবাদে গ্রিনপিস জন্মলাভ করে।
- গ্রিনপিসের জাহাজের নাম রেইনবো ওয়ারিয়র।
- তবে বাংলাদেশে রেনবো ওয়ারিয়রের নাম রংধনু।
- নিউজিল্যান্ড, হংকং সহ বিশ্বের ৪১ টির অধিক দেশে গ্রিনপিস আঞ্চলিক দপ্তর রয়েছে।

উৎসঃ গ্রিনপিসের ওয়েবসাইট। 
১২.
'প্যারিস প্যাক্ট' কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ১৯২৭ সালে
  2. ১৯২৯ সালে
  3. ১৯৩৪ সালে
  4. ১৯৩৮ সালে
ব্যাখ্যা
প্যারিস প্যাক্ট (Paris Pact):
- প্যারিস প্যাক্ট প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার থেকে মানুষ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন হয়।
- এই চুক্তির ফলে যুদ্ধ এড়াতে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধ করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট।
- কার্যকর হয়: ২৪ জুলাই, ১৯২৯ সালে।
- এই চুক্তির অন্যনাম Kellogg - Briand Pact.
- তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Frank B. Kellogg
- ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Aristide Briand আলোচনার মাধ্যমে এই চুক্তির খসড়া তৈরি করেন।

উৎস: History.com. 
১৩.
কার্টাগেনা প্রটোকলের বিষয়বস্তু কী?
  1. রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ
  2. ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক
  3. জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক
  4. ওজোন স্তরের সুরক্ষা
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল
- জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি চুক্তি কার্টাগেনা প্রটোকল ।
- ১৯৯৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে কলবিম্বয়ার কার্টাগেনা শহরে জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তিটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- পরবর্তীতে ২০০০ সালের ২৪ থেকে ২৯ জানুয়ারি চুক্তিটির খসড়া চূড়ান্ত করা হয় এবং ২৯ জানুয়ারি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। 

পরিবেশ বিষয়ক বিভিন্ন চুক্তির বিষয়বস্তু

• মন্ট্রিল প্রটোকল -  ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
• ভিয়েনা কনভেনশন - ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
• কিয়েটো প্রটোকল -  গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
• বাসেল কনভেনশন - ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক
• কার্টাগেনা প্রটোকল -  জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক। 

Source: Britannica.com. 
১৪.
ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  2. উত্তর আটলান্টিক চুক্তি
  3. লন্ডন চুক্তি
  4. শেনজেন চুক্তি
ব্যাখ্যা
ন্যাটো
- উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট বা North Atlantic Treaty Organisation (NATO) ন্যাটো।
- ন্যাটোর বিস্তারিত অর্থ—শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এবং সদস্যদের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য ইউরোপীয় এবং উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর প্রতিষ্ঠিত একটি অনাক্রমনাত্মক জোট।
- স্নায়ুযুদ্ধের প্রাক্বালে ন্যাটোর জন্ম।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং আরো ৮টি ইউরোপীয় দেশসহ ১২ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য একে অপরকে রাজনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে উত্তর আটলান্টিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- পরে কয়েক দশক ধরে জোটটি বড় হতে থাকে। বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২।
- ন্যাটো হচ্ছে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক সংগঠন।

ন্যাটোর উদ্দেশ্য
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা প্রদানে অঙ্গীকারাবদ্ধ।
- যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার পর ন্যাটো তাদের রক্ষায় মাঠে নামে।
- এর প্রত্যেকটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রাখতে বদ্ধপরিকর।

ন্যাটোর ৩২ সদস্য রাষ্ট্র
- ন্যাটোর ৩২ সদস্য দেশ হলো— আলবেনিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, কানাডা, ক্রোয়েশিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, হাঙ্গেরি, আইসল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মন্টিনেগ্রো, নেদারল্যান্ডস, উত্তর মেসিডোনিয়া, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফিনল্যান্ড ও সুইডেন। 

উৎস: ন্যাটোর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।  
১৫.
'অন্ধ পাখি' বলা হয় কাকে?
  1. সফোক্লিস
  2. হোমার
  3. হেরোডোটাস
  4. থুকিডাইডিস
ব্যাখ্যা
হোমার
- একজন আইওনিয়ান গ্রিক ছিলেন।
- আনুমানিক অষ্টম খ্রিস্টপূর্বাব্দে এশিয়া মাইনর (আধুনিক তুরস্ক) উপকূলে অথবা সংলগ্ন দ্বীপগুলোর কোনো একটিতে বসবাস করতেন।
- কিংবদন্তি অনুসারে তিনি অন্ধ ছিলেন এবং নানা জায়গায় ঘুরে ঘুরে চারণ কবি হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
- এ জন্য তাকে 'অন্ধ পাখি' বলা হত। 
- হোমার ছিলেন এক প্রাচীন গ্রিক মহাকাব্যিক কবি।
- তিনি ইলিয়াড ও ওডিসি মহাকাব্য এবং হোমারীয় স্তোত্রাবলির রচয়িতা।
- কথাসাহিত্য ও সাহিত্যের সাধারণ ইতিহাসে এই দুই মহাকাব্যের প্রভাব অপরিসীম।
- হোমারের সময়কাল নিয়ে প্রাচীনকালেই যথেষ্ট বিতর্ক ছিল; আজও আছে।
- হেরোডোটাসের মতে, হোমার হেরোডোটাসের জন্মের চারশো বছর আগে অর্থাৎ ৮৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ নাগাদ বিদ্যমান ছিলেন।
- কিন্তু অন্যান্য প্রাচীন সূত্রে তাঁকে ট্রয় যুদ্ধের অনেক নিকটবর্তী সময়ের (১১৯৪-১১৮৪ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ) মানুষ মনে করা হয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১৬.
পোল্যান্ড কততম সদস্য দেশ হিসেবে জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করে?
  1. ৪৯তম
  2. ৫০তম
  3. ৫১তম
  4. ৫২তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ: 
- জাতিসংঘের নামকরণ করেন মার্কিন ৩২ তম  প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট।
- জাতিসংঘ গঠনের প্রধান উদ্যোক্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট।
- জাতিসংঘ গঠনে প্রস্তাবকারী দেশ ৪টি ।
- যথা:  ১.সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, ২. চীন, ৩.যুক্তরাষ্ট্র,  ৪. যুক্তরাজ্য ।
- জাতিসংঘের নামকরণ করা হয় ১ জানুয়ারি, ১৯৪২।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়  ১৯৪৫ সালে ।
- জাতিসংঘের সনদ স্বাক্ষরিত হয় ২৬জুন,১৯৪৫ সালে।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকরী হয় ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫।
-  জাতিসংঘ দিবস পালন করা হয় ২৪ অক্টোবর।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ৫১ টি।
- জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্ক ।
- জাতিসংঘের ইউরোপীয় সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড ।
- জাতিসংঘের বতমান সদস্য দেশ  ১৯৩ টি ।
- জাতিসংঘের মূল  সনদ স্বাক্ষরকারী দেশ ৫১ টি।( যদিও পোল্যান্ড পরে ৫১তম দেশ হিসেবে স্বাক্ষর করে ) ।
- জাতিসংঘের মূল সনদ রচয়িতা Archibald Macliesh.
-  জাতিসংঘের সদর দপ্তরের জমিদাতা জন ডি. রকফেলার ।
- জাতিসংঘ কার্যকরী ভাষা ২টি । (ইংরেজি ও ফরাসী )।
- জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা ৬ টি । (ইংরেজি, ফরাসী, রুশ, আরবি, চীনা, ও স্প্যানিশ ) ।
- জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন ট্রিগভেলি (নরওয়ে) (১৯৪৬-১৯৫২)।
- জাতিসংঘের একমাত্র মুসলমান মহাসচিব কফি আনান (ঘানা) (৭ম)।
- জাতিসংঘের প্রথম এশীয়  মহাসচিব উ-থান্ট ( মিয়ানমার ) ।
- জাতিসংঘের আয়ের মূল উৎস সদস্য দেশসমূহের চাঁদা।
- জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় জাপানের টোকিওতে ।
- জাতিসংঘ শান্তি  বিশ্ববিদ্যালয় কোস্টারিকায় ।
- জাতিসংঘের মূল ভবনের স্থাপতি ওয়ালেস কে.হ্যারিসন (  যুক্তরাজ্য ) ।
- জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ৬ টি ।
- জাতিসংঘের পতাকায় জলপাই গাছের প্রতীক দেখা যায়। 
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রথম গঠিত ১৯৪৮ সালে ।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের শিরোস্ত্রাণের রঙ নীল ।
- জাতিসংঘ সমুদ্র আইন ১৯৮২ সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল । 
- ১৯৬৫ সালের পূর্বে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ছিলো ১১ টি। 
- জাতিসংঘের মহাসচিব এর মেয়াদ ৫ বছর।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তর ইস্ট নদীর তীরে অবস্থিত?
- জাতিসংঘের জনক বলা হয় উড্রো উইলশনকে ।
- জাতিসংঘের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা মহাসচিব।
- জাতিসংঘের সচিবালয়ের প্রধান মহাসচিব।
-  আয়তনে জাতিসংঘের ছোট দেশ মোনাকো । (১.৯৫ বর্গ কি.মি.)।
- জনসংখ্যায় জাতিসংঘের ছোট দেশ টরুভ্যালু।
- জাতিসংঘের সদর দপ্তরটি ১৭ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত ?
- জাতিসংঘে দেয় বাংলাদেশের চাঁদার পরিমাণ নিজস্ব বাজেটের ০.০১% অংশ।
- জাতিসংঘের সদর দপ্তরের স্থপতি ডব্লিউ হ্যারিসন।
-  বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯তম অধিবেশনে সদস্য পদ লাভ করে। 
- বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেয়।  

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৭.
হিরোশিমায় 'লিটল বয়' ফেলা হয়েছিল কবে?
  1. ১৯৪৫ সালের মার্চ মাসে
  2. ১৯৪৫ সালের এপ্রিল মাসে
  3. ১৯৪৫ সালের জুলাই মাসে
  4. ১৯৪৫ সালের আগস্ট মাসে
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক বোমা 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্তিম লগ্নে জাপানের হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম বারের মতো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের দিনটিতে ভুক্তভোগীদের স্মরণ করে জাপান। 
- 'লিটল বয়' নামের পারমাণবিক বোমাটি ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট হিরোশিমায় নিক্ষেপ করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে হাজারো মানুষ নিহত হন। বছরের শেষ নাগাদ প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১৮.
'মানাত' কোন দেশের মুদ্রার নাম?
  1. আরব আমিরাত
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. আজারবাইজান
  4. কিরঘিজিস্তান
ব্যাখ্যা
- আজারবাইজান ও তুর্কমেনিস্তানের মুদ্রার নাম মানাত। 
- ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের মুদ্রার নাম রুপিয়া।
- আরব আমিরাত ও মরক্কোর মুদ্রার নাম দিরহাম। 
- - কিরঘিজিস্তান ও উজবেকিস্তানের মুদ্রার নাম সোম।

•  কিছু দেশের মুদ্রার নাম: 
- উ. কোরিয়া ও দ. কোরিয়ার মুদ্রার নাম ওন।   
- রাশিয়া ও বেলারুশের মুদ্রার নাম রুবল। 
- ইরানের মুদ্রার নাম তুমান।
- ডেনমার্ক ও নরওয়ের মুদ্রার নাম-ক্রোন । 
- সুইডেন ও আইসল্যান্ডের মুদ্রার নাম ক্রোনা।
- মলদোভা ও রোমানিয়ার মুদ্রার নাম লিউ। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও  worldatlas website.  
১৯.
কত সালে পানিপথের তৃতীয়যুদ্ধ সংগঠিত হয়?
  1. ১৭৫৭ সালে
  2. ১৫৫৬ সালে
  3. ১৭৬১ সালে
  4. ১৭৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
পানিপথের যুদ্ধ: 
- পানি পথের যুদ্ধ বাংলার প্রাচীনতম যুদ্ধ। 
- পানিপথের তিনটি যুদ্ধ
• প্রথম ১৫২৬ সালে,
• দ্বিতীয় ১৫৫৬ সালে,
তৃতীয় ১৭৬১ সালে ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত।
- ভারতের হরিয়ানা প্রদেশের পানিপথ নামক স্থানে এ যুদ্ধগুলো সংঘটিত হয়।

পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- মোগল সম্রাট বাবর ও দিল্লির সুলতান ইব্রাহিম লোদির সঙ্গে বাধে পানিপথের প্রথম যুদ্ধ। ইব্রাহিম লোদির সৈন্য সংখ্যা ছিল প্রায় এক লাখ।
- তিনি যুদ্ধের ময়দানে ৩০ থেকে ৪০ হাজার সৈন্য নামিয়ে দেন।
- বাবর মাত্র ১৫ হাজার সৈন্য নিয়ে লড়াই করেন তাদের বিরুদ্ধে।
- যুদ্ধক্ষেত্রে কামানের ব্যবহার ও নতুন কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে ইব্রাহিম লোদিকে পরাজিত করতে সক্ষম হন বাবর।
- যুদ্ধ জয়ের পর বাবর ভারতে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তিস্থাপন করেন।
 
পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ:
- ১৫৩০ সালে সম্রাট বাবরের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র হুমায়ুন সিংহাসনে বসেন।
- সম্রাট হুমায়ুনের মৃত্যুর পর সিংহাসনে বসেন তাঁর পুত্র আকবর।
- সম্রাট আকবরের সঙ্গে পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ হয় সম্রাট হেমচন্দ্র বিক্রমাদিত্যের (হিমু)।
 - বৈরাম খাঁ সম্রাট আকবরের পক্ষে নেতৃত্ব দেন। এ যুদ্ধেও মোগলরা বিজয় লাভ করে।

পানিপথের তৃতীয়যুদ্ধ যুদ্ধ:
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ হয় আফগানিস্তানের অধিপতি আহমদ শাহ দুররানি (আহমদ শাহ আবদালী নামেও পরিচিত) ও মারাঠাদের অধিপতি বালাজি বাজি রাও-এর মধ্যে।
- এ যুদ্ধে আহমদ শাহ আবদালী মারাঠাদের পরাজিত করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।