১.
প্রাচীন মিশরের লিখন পদ্ধতির নাম কী ছিলো?
সঠিক উত্তর: খ
হায়ারোগ্লিফিক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
হায়ারোগ্লিফিক্স
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার সময়কাল খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০-৫২৫ অব্দ।
- এ সময়কালে মিশরীয়গণ এক উন্নতমানের নগর সভ্যতা গড়ে তোলে।
- কৃষি, বাণিজ্য, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ও বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে অগ্রগতি প্রাচীন মিশরীয়দেরকে সভ্যতার ইতিহাসে এক গৌরবময় স্থান দিয়েছে।
- মিশরীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল- রাজ পরিবারের সদস্যবর্গ, পুরোহিত, অভিজাত, লিপিকর, ব্যবসায়ী, শিল্পী, কৃষক ও ভূমিদাস।
- মিশরীয়দের মধ্যে এক-বিবাহ প্রথা প্রচলিত ছিল।
- এমনকি আইনসঙ্গতভাবে ফারাওদের (রাজাদের) একাধিক বিয়ে করার অধিকার ছিল না।
- মিশরীয় সমাজ ছিল মাতৃতান্ত্রিক এবং মেয়েরা উচ্চ সামাজিক মর্যাদা ভোগ করত।
- প্রাচীন মিশরের রাজাদের বলা হতো 'ফারাও'।
- সূর্য দেবতার সন্তান হিসেবে তিনি ছিলেন আমানরে।
- ৩২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রাজা মেনেস প্রথম রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠাতা।
স্থাপত্য ও ভাস্কর্য:
- মিশরীয়দের বলা হয় ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা।
- ফারাও, অভিজাত আর ধনীদের জন্য তৈরি হলো বড় বড় দালানকোঠা।
- সবচেয়ে বড় পিরামিড ফারাও খুফুর পিরামিড যার উচ্চতা ৪৮১ ফুট।
- মিশরীয় ভাস্কর্যের সবচেয়ে গৌরব 'স্ফীংস' তৈরিতে। বহুখণ্ড পাথরের গায়ে ফুটিয়ে তোলা হতো এ ভাস্কর্য। এর দেহ ছিল সিংহের আর মাথা ছিল ফারাওয়ের। এর দ্বারা বুঝানো হতো ফারাও সিংহের মতো বলবান।
লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন:
- মিশরীয়রা প্রথম লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন করে। তাদের লিখন পদ্ধতির নাম হায়ারোগ্লিফিস্ক। তারা এমনি ২৪টি ব্যঞ্জনধ্বনি বা চিহ্ন আবিষ্কার করে। তারা প্যাপিরাসের পাতায় লিখত, ক্রীট, ফিনিশিয়া, লিভিয়া সভ্যতা এ লিপির ব্যবহার করে।
সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার সময়কাল খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০-৫২৫ অব্দ।
- এ সময়কালে মিশরীয়গণ এক উন্নতমানের নগর সভ্যতা গড়ে তোলে।
- কৃষি, বাণিজ্য, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ও বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে অগ্রগতি প্রাচীন মিশরীয়দেরকে সভ্যতার ইতিহাসে এক গৌরবময় স্থান দিয়েছে।
- মিশরীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল- রাজ পরিবারের সদস্যবর্গ, পুরোহিত, অভিজাত, লিপিকর, ব্যবসায়ী, শিল্পী, কৃষক ও ভূমিদাস।
- মিশরীয়দের মধ্যে এক-বিবাহ প্রথা প্রচলিত ছিল।
- এমনকি আইনসঙ্গতভাবে ফারাওদের (রাজাদের) একাধিক বিয়ে করার অধিকার ছিল না।
- মিশরীয় সমাজ ছিল মাতৃতান্ত্রিক এবং মেয়েরা উচ্চ সামাজিক মর্যাদা ভোগ করত।
- প্রাচীন মিশরের রাজাদের বলা হতো 'ফারাও'।
- সূর্য দেবতার সন্তান হিসেবে তিনি ছিলেন আমানরে।
- ৩২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রাজা মেনেস প্রথম রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠাতা।
স্থাপত্য ও ভাস্কর্য:
- মিশরীয়দের বলা হয় ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা।
- ফারাও, অভিজাত আর ধনীদের জন্য তৈরি হলো বড় বড় দালানকোঠা।
- সবচেয়ে বড় পিরামিড ফারাও খুফুর পিরামিড যার উচ্চতা ৪৮১ ফুট।
- মিশরীয় ভাস্কর্যের সবচেয়ে গৌরব 'স্ফীংস' তৈরিতে। বহুখণ্ড পাথরের গায়ে ফুটিয়ে তোলা হতো এ ভাস্কর্য। এর দেহ ছিল সিংহের আর মাথা ছিল ফারাওয়ের। এর দ্বারা বুঝানো হতো ফারাও সিংহের মতো বলবান।
লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন:
- মিশরীয়রা প্রথম লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন করে। তাদের লিখন পদ্ধতির নাম হায়ারোগ্লিফিস্ক। তারা এমনি ২৪টি ব্যঞ্জনধ্বনি বা চিহ্ন আবিষ্কার করে। তারা প্যাপিরাসের পাতায় লিখত, ক্রীট, ফিনিশিয়া, লিভিয়া সভ্যতা এ লিপির ব্যবহার করে।
সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।