পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৫০
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫০ প্রশ্ন

.
একজন কাঁচা আম ব্যবসায়ী প্রতি কেজি ৯০ টাকা দরে আম কিনে প্রতি কেজি ৮২ টাকা দরে বিক্রয় করায় ৮০০ টাকা ক্ষতি হয়। তিনি কত কেজি আম ক্রয় করেছিলেন?
  1. ৯০ কেজি
  2. ১০০ কেজি
  3. ১১০ কেজি
  4. ৮০ কেজি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন কাঁচা আম ব্যবসায়ী প্রতি কেজি ৯০ টাকা দরে আম কিনে প্রতি কেজি ৮২ টাকা দরে বিক্রয় করায় ৮০০ টাকা ক্ষতি হয়। তিনি কত কেজি আম ক্রয় করেছিলেন?

সমাধান:
ধরি,
আম ক্রয় করেছিলেন = ক কেজি

প্রশ্নমতে,
৯০ক - ৮২ক = ৮০০
⇒ ৮ক = ৮০০
⇒ ক = ৮০০/৮
⇒ ক = ১০০ কেজি
.
3x + 2y = 24 এবং x + 2y = 12 সরলরেখা দুটি কোন বিন্দুতে ছেদ করে?
  1. (4, 2)
  2. (6, 3)
  3. (2, 6)
  4. (3, 4)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 3x + 2y = 24 এবং x + 2y = 12 সরলরেখা দুটি কোন বিন্দুতে ছেদ করে?

সমাধান:
3x + 2y = 24 .... (1)
x + 2y = 12 ......... (2)
(1) থেকে (2) বিয়োগ করে পাই,
⇒ 3x + 2y - x - 2y = 24 - 12
⇒ 2x = 12
⇒ x = 6

এখন, x + 2y = 12
⇒ 6 + 2y = 12
⇒ 2y = 6
⇒ y = 3
∴ সরলরেখা দুটি (6, 3) বিন্দুতে ছেদ করে।
.
a = 7 - 4√3 হলে, a1/2 + a-1/2 = কত?
  1. 2√3
  2. 1/2√3
  3. 4
  4. 7
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a = 7 - 4√3 হলে, a1/2 + a-1/2 = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a = 7 - 4√3
⇒ 1/a = 1/(7 - 4√3)
⇒ 1/a = {1/(7 - 4√3)} × {(7 + 4√3)/(7 + 4√3)}
⇒ 1/a = (7 + 4√3)/{72 - (4√3)2}
⇒ 1/a = (7 + 4√3)/(49 - 48)
⇒ 1/a = 7 + 4√3

এখন, a1/2 + a-1/2 = √a + (1/√a)
⇒ {√a + (1/√a)}2 = (√a)2 + 2 · √a · (1/√a) + (1/√a)2
⇒ {√a + (1/√a)}2 = a + 2 + (1/a)
⇒ {√a + (1/√a)}2 = 7 - 4√3 + 7 + 4√3 + 2
⇒ {√a + (1/√a)}2 = 16
∴ √a + (1/√a) = 4
.
একটি বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য ১৫ ফুট হলে, ঐ বর্গক্ষেত্রের কর্ণের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?
  1. ৪৫০ বর্গফুট
  2. ৩৫০ বর্গফুট
  3. ৪২৫ বর্গফুট
  4. ৩২৫ বর্গফুট
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য ১৫ ফুট হলে, ঐ বর্গক্ষেত্রের কর্ণের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৫ ফুট
তাহলে, বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = √২ × ১৫ = ১৫√২ ফুট

এখন,
অপর বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৫√২ ফুট
অপর বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (১৫√২)
= (২২৫ × ২) বর্গফুট
= ৪৫০ বর্গফুট
.
একটি ক্লাসে 12 জন ছেলে এবং 18 জন মেয়ে শিক্ষার্থী আছে। দৈবভাবে একজন শিক্ষার্থী নির্বাচন করলে সে ছেলে শিক্ষার্থী না হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. 3/5
  2. 2/5
  3. 1/3
  4. 4/7
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ক্লাসে 12 জন ছেলে এবং 18 জন মেয়ে শিক্ষার্থী আছে। দৈবভাবে একজন শিক্ষার্থী নির্বাচন করলে সে ছেলে শিক্ষার্থী না হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
ছেলে শিক্ষার্থী আছে = 12 জন
মেয়ে শিক্ষার্থী আছে = 18 জন
মোট শিক্ষার্থী = 12 + 18 = 30

শিক্ষার্থীটি ছেলে হওয়ার সম্ভাবনা = 12/30
= 2/5

∴ শিক্ষার্থীটি ছেলে না হওয়ার সম্ভাবনা = 1 - (2/5)
= (5 - 2)/5
= 3/5
.
এক ব্যক্তি বার্ষিক ২০% চক্রবৃদ্ধি সুদে ৫০০ টাকা ব্যাংকে জমা রাখলেন। দুই বছর শেষে ঐ ব্যক্তি সুদসহ কত টাকা পাবেন?
  1. ৬৮০ টাকা
  2. ৭০০ টাকা
  3. ৭২০ টাকা
  4. ৭৪০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক ব্যক্তি বার্ষিক ২০% চক্রবৃদ্ধি সুদে ৫০০ টাকা ব্যাংকে জমা রাখলেন। দুই বছর শেষে ঐ ব্যক্তি সুদসহ কত টাকা পাবেন?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
আসল, P = ৫০০ টাকা
সুদের হার, r = ২০%
সময়, n = ২ বছর
চক্রবৃদ্ধি মূলধন, C =?

আমরা জানি,
চক্রবৃদ্ধি মূলধন, C = P(১ + r)n
= ৫০০ {১ + (২০/১০০)}
= ৫০০ (১২০/১০০)
= ৫০০ × (১২০/১০০) × (১২০/১০০)
= ৫০০ × ১.২ × ১.২
= ৫০০ × ১.৪৪
= ৭২০ টাকা
.
যদি x3 - y3 = 189 এবং x - y = 3 হয়, তবে xy এর মান কত?
  1. 12
  2. 15
  3. 18
  4. 16
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি x3 - y3 = 189 এবং x - y = 3 হয়, তবে xy এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
x3 - y3 = 189
বা, (x - y)3 + 3xy(x - y) = 189
বা, 33 + 3xy · 3 = 189
বা, 27 + 9xy = 189
বা, 9xy = 162
∴ xy = 18
.
5 + 12 + 19 + 26 +................. ধারাটির কোন পদ 215?
  1. 29 তম
  2. 31 তম
  3. 32 তম
  4. 30 তম
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 5 + 12 + 19 + 26 +.......................... ধারাটির কোন পদ 215?

সমাধান:
ইহা একটি সমান্তর ধারা।
যার ১ম পদ, a = 5
সাধারণ অন্তর, d = 12 - 5 = 7
আমরা জানি, n তম পদ = a + (n - 1) × d
প্রশ্নমতে,
⇒ a + (n - 1) × d = 215
⇒ 5 + (n - 1) × 7 = 215
⇒ 5 + 7n - 7 = 215
⇒ 7n = 215 - 5 + 7
⇒ 7n = 217
⇒ n = 217/7
∴ n = 31
.
বৃত্তে অন্তঃলিখিত একটি আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ১০৮ বর্গ মিটার এবং প্রস্থ ৯ মিটার হলে, বৃত্তের ব্যাসার্ধ কত?
  1. ৬.৫ মিটার
  2. ৯ মিটার
  3. ৭.৫ মিটার
  4. ৬ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বৃত্তে অন্তঃলিখিত একটি আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ১০৮ বর্গ মিটার এবং প্রস্থ ৯ মিটার হলে, বৃত্তের ব্যাসার্ধ কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১০৮ বর্গ মি.
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ৯ মি.
দৈর্ঘ্য = ১০৮/৯ মি.
= ১২ মি.

আয়তক্ষেত্রের কর্ণ = বৃত্তের ব্যাস
বৃত্তের ব্যাস = √(৯ + ১২)
= √(৮১ + ১৪৪)
= √২২৫
= ১৫

বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১৫/২ মি.
= ৭.৫ মি.
১০.
২, ৩, ৪, ৫, ৬ এবং ৭ অঙ্কগুলো একবার ব্যবহার করে চার-অংক বিশিষ্ট কতটি সংখ্যা তৈরি করা যাবে যেন সংখ্যাটি ২ দ্বারা বিভাজ্য হয়?
  1. ২১০ টি
  2. ২৪০ টি
  3. ১৮০ টি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২, ৩, ৪, ৫, ৬ এবং ৭ অঙ্কগুলো একবার ব্যবহার করে চার-অংক বিশিষ্ট কতটি সংখ্যা তৈরি করা যাবে যেন সংখ্যাটি ২ দ্বারা বিভাজ্য হয়?

সমাধান:
২ দ্বারা বিভাজ্য হতে হলে একক স্থানীয় অংকটি জোড় সংখ্যা (২, ৪, ৬) হতে হবে।
জোড় অঙ্ক আছে ৩টি (২, ৪, ৬)।
জোড় অঙ্ক ব্যতীত আর অঙ্ক থাকে ৩টি (৩, ৫, ৭)।

একক স্থানে জোড় অঙ্ক বসানোর জন্য ৩টি অপশন আছে।
বাকি ৩টি ঘর সাজানো যাবে বাকি ৫টি অঙ্ক দিয়ে।

হাজার স্থানে বসানো যাবে ৫টি অঙ্ক দিয়ে (যেকোনো একটি জোড় অঙ্ক একক স্থানে ব্যবহার করা হবে, তাই হাজার স্থানে ৫টি অপশন)।
শতক স্থানে বসানো যাবে ৪টি অঙ্ক দিয়ে।
দশক স্থানে বসানো যাবে ৩টি অঙ্ক দিয়ে।
একক স্থানে বসানো যাবে ৩টি জোড় অঙ্ক দিয়ে।

∴ মোট সংখ্যা হবে = (৫ × ৪ × ৩ × ৩) টি = ১৮০টি।
১১.
200 জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কোনো পরীক্ষায় 120 জন ইংরেজিতে, 100 জন বিজ্ঞানে এবং 80 জন উভয় বিষয়ে পাশ করে। কতজন শিক্ষার্থী উভয় বিষয়ে ফেল করে?
  1. 40 জন
  2. 70 জন
  3. 50 জন
  4. 60 জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 200 জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কোনো পরীক্ষায় 120 জন ইংরেজিতে, 100 জন বিজ্ঞানে এবং 80 জন উভয় বিষয়ে পাশ করে। কতজন শিক্ষার্থী উভয় বিষয়ে ফেল করে?

সমাধান:
মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা, n(S) = 200
ইংরেজিতে পাশ, n(E) = 120
বিজ্ঞানে পাশ, n(Sci) = 100
ইংরেজি ও বিজ্ঞানে পাশ, n (E ∩ Sci) = 80

এখন, n(E) + n(Sci) - n(E ∩ Sci) + n(E ∩ Sci)' = n(S)
⇒ 120 + 100 - 80 + n(E ∩ Sci)' = 200
⇒ 140 + n(E ∩ Sci)' = 200
⇒ n(E ∩ Sci)' = 200 - 140
⇒ n(E ∩ Sci)' = 60

উভয় বিষয়ে ফেল করে 60 জন।
১২.
একটি ত্রিভুজাকৃতি ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল 300 বর্গগজ। ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু হতে ভূমির উপর অঙ্কিত লম্বের দৈর্ঘ্য 15 গজ হলে, ভূমির দৈর্ঘ্য কত?
  1. 25 গজ
  2. 30 গজ
  3. 35 গজ
  4. 40 গজ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজাকৃতি ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল 300 বর্গগজ। ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু হতে ভূমির উপর অঙ্কিত লম্বের দৈর্ঘ্য 15 গজ হলে, ভূমির দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (1/2) × ভূমি × উচ্চতা
= (1/2) × ভূমি × 15
= 7.5 × ভূমি

প্রশ্নমতে,
7.5 × ভূমি = 300
⇒ ভূমি = 300/7.5
⇒ ভূমি = 40 গজ
১৩.
|a + 2| = |a - 1| হলে, a এর মান কত?
  1. 3/2
  2. 2
  3. 1
  4. - 1/2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: |a + 2| = |a - 1| হলে, a এর মান কত?

সমাধান:
|a + 2| = |a - 1|
⇒ |a + 2|2 = |a - 1|2
⇒ (a + 2)2 = (a - 1)2
⇒ a2 + 2 · a · 2 + 22 = a2 - 2 · a · 1 + 12
⇒ a2 + 4a + 4 - a2 + 2a - 1 = 0
⇒ 6a + 3 = 0
⇒ 6a = - 3
⇒ a = - 3/6
∴ a = - 1/2
১৪.
দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৪ : ৫ এবং তাদের ল.সা.গু ৩০০ হলে, সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু কত?
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৪ : ৫ এবং তাদের ল.সা.গু ৩০০ হলে, সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু কত?

সমাধান:
মনে করি,
একটি সংখ্যা = ৪ক
এবং অপর সংখ্যাটি = ৫ক
সংখ্যা দুটির গ.সা.গু = ক
এবং ল.সা.গু = ২০ক

শর্তমতে,
২০ক = ৩০০
⇒ ক = ৩০০/২০
⇒ ক = ১৫
∴ সংখ্যা দুটির গ.সা.গু = ১৫।
১৫.
জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলনে সৃষ্ট তরঙ্গকে বলা হয়-
  1. বেতার তরঙ্গ
  2. যান্ত্রিক তরঙ্গ
  3. গামা রশ্মির তরঙ্গ
  4. তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ: 
- তরঙ্গ সৃষ্টির জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন হয়। 
- আর জড় মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের ফলে সৃষ্ট যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন ঐ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চারিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলো স্থানান্তরিত হয় না সেই পর্যাবৃত্ত আন্দোলনকে তরঙ্গ বলে। 

যান্ত্রিক তরঙ্গ: 
- জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলন ছাড়াও তরঙ্গ সৃষ্টি হতে পারে। 
- কিন্তু জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলনে সৃষ্ট তরঙ্গকে বলা হয় যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
যেমন- পানির তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, ভূমি কম্পনের ফলে সৃষ্ট ভূ-তরঙ্গ ইত্যাদি যান্ত্রিক তরঙ্গ। 

যান্ত্রিক তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
১. মাধ্যমের কণার স্পন্দন গতির ফলে তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। 
২. মাধ্যমের কণাগুলো সাম্য অবস্থান থেকে উপরে নিচে অথবা সামনে পেছনে স্পন্দিত হতে থাকে। মাধ্যমের মধ্য দিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয় না। 
৩. তরঙ্গ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি ও তথ্য সঞ্চারণ বা স্থানান্তর করে। 
৪. তরঙ্গের কণাগুলো বিভিন্ন বেগে স্পন্দিত হয়। স্পন্দনের বেগ পর্যায়ক্রমে কমে বাড়ে। কিন্তু তরঙ্গ সুষম বেগে সঞ্চারিত হয়। অর্থাৎ কণাগুলোর স্পন্দন গতি এবং তরঙ্গ বেগ এক নয়। 
৫. তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণাগুলোর স্পন্দনের দিক এবং তরঙ্গ সঞ্চালনের দিক এক নাও হতে পারে। 

তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ: 
- সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে মহাশূন্য, কোন জড় মাধ্যম নেই। 
- আলো, তাপ মাধ্যম ছাড়াই বিশেষ ধরনের তরঙ্গ আকারে সঞ্চারিত হয়, এ তরঙ্গকে বলা হয় তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ। 
যেমন- বেতার তরঙ্গ, এক্স রশ্মি, গামা রশ্মি, তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
নির্দিষ্ট ভরের দুটি বস্তু কণার মধ্যবর্তী দূরত্ব দ্বিগুণ করলে বল পূর্বের কতগুণ হবে?
  1. অর্ধেক
  2. দ্বিগুণ
  3. চারগুণ
  4. এক-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষ: 
- মানুষ লাফ দিয়ে উপরের দিকে উঠতে চাইলে বেশি দূর উঠতে পারে না, আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে কারণ পৃথিবী তাদেরকে তার নিজের দিকে টানে বা আকর্ষণ করে। 
- মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তুকণা পরস্পরকে আকর্ষণ করে, এই আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে। এই ঘটনাকে (Phenomenon) বলে মহাকর্ষ। 
- পৃথিবী সকল বস্তুকে তার নিজের দিকে টানে। শুধু পৃথিবী নয়, এ মহাবিশ্বের সকল বস্তুকণাই একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। 
- এ বিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল তাই মহাকর্ষ বল। 

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র ও মহাকর্ষ বল: 
- দুটি বস্তুকণার মধ্যকার এ আকর্ষণ বলের মান শুধু কণাদ্বয়ের ভর এবং এদের মধ্যকার দূরত্বের উপর নির্ভর করে, এদের প্রকৃতি কিংবা মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে না। 
- বস্তু কণাদ্বয়ের ভর বেশি হলে আকর্ষণ বলও বেশি হয় আর তাদের মধ্যে দূরত্ব বেশি হলে বল কম হয়। 
- এ আকর্ষণ সম্পর্কে নিউটনের একটি সূত্র আছে যা নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র নামে পরিচিত। 
সূত্র: "মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক এবং এদের দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এ বল বস্তুকণাদ্বয়ের সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে"। 
ধরা যাক, m1 এবং m2 ভরের দুটি বস্তু কণা পরস্পর থেকে d দূরত্বে অবস্থিত। এদের মধ্যকার আকর্ষণ বল F হলে, মহাকর্ষ সূত্রানুসারে, 

F = G(m1m2)/d2
এখানে, G একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক, একে সর্বজনীন মহাকর্ষীয় ধ্রুবক বলে। 
অর্থাৎ, দুটি এক কিলোগ্রাম ভরের বস্তু এক মিটার দূরত্বে স্থাপন করলে এরা পরস্পরকে যে বলে আকর্ষণ করে, তার মান সংখ্যাগতভাবে G এর মানের সমান। 
- মহাকর্ষ সূত্রানুসারে দেখা যায়, নির্দিষ্ট দূরত্বে অবস্থিত দুটি বস্তু কণাদ্বয়ের বস্তুর ভরের গুণফল দ্বিগুণ হলে বল দ্বিগুণ হবে, ভরের গুণফল তিনগুণ হলে বল তিনগুণ হবে। 
- আর নির্দিষ্ট ভরের দুটি বস্তু কণার মধ্যবর্তী দূরত্ব দ্বিগুণ করলে বল পূর্বের এক-চতুর্থাংশ হবে, দূরত্ব তিনগুণ করলে বল পূর্বের নয় ভাগের এক ভাগ হবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১৭.
ডেরলিন প্লাস্টিক কোন মৌলিক উপাদান থেকে প্রস্তুত হয়?
  1. ইউরিয়া
  2. ইথানল
  3. মিথান্যাল
  4. ফেনল
ব্যাখ্যা
অ্যালডিহাইড: 
- অ্যালডিহাইড যৌগ থেকে বিভিন্ন ধরনের উন্নত মানের পলিমার প্রস্তুত করা যায়। 
- অ্যালডিহাইড যৌগের প্রথম সদস্য মিথান্যাল থেকে ডেরলিন নামক পলিমার প্রস্তুত করা যায়। 
- ডেরলিন এর ব্যবহার খুবই ব্যাপক, প্লাস্টিকের চেয়ার, টেবিল, বালতি, জগ, মগ, প্লেট ইত্যাদি প্রস্তুতিতে ডেরলিন ব্যবহৃত হয়। 
- মিথান্যাল ইউরিয়ার ঘনীভবনের মাধ্যমে উৎপন্ন হয় মেলামাইন। 
- মেলামাইন দ্বারা প্লেট, মগ, গ্লাস, কাপ, প্রিজ, গামলা, বাটি ইত্যাদি প্রস্তুত করা হয়। 
- মিথান্যাল ও ফেনল থেকে প্রস্তুত করা হয় ব্যাকেলাইট প্লাস্টিক, এটি খুবই শক্ত ও সুদৃঢ় পলিমার। 
- এ থেকে বৈদ্যুতিক সুইচ, চিরুনি, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির হাতল, কলমের বডি প্রস্তুত করা হয়। 
- এছাড়া মেলামাইন ও মিথান্যালের ঘনীভবন বিক্রিয়ার ফলে মেলাডুর নামক মেলামাইন রেজিন ব্যবহার করা হয়। 

- মিথান্যাল পানিতে দ্রবীভূত করে ফরমালিন প্রস্তুত করা হয়। 
- 40% মিথান্যাল 52% পানি ও ৪% মিথাইল অ্যালকোহলের মিশ্রণ ফরমালিন। 
- মৃত জীবদেহ সংরক্ষণে ফরমালিনকে ব্যবহার করা হয়। 
- ফরমালিন শক্তিশালী জীবাণুনাশক ও জীবাণুজনিত পচন নিরোধক। 
- সংক্রামক রোগীর ব্যবহৃত বিছানা, আসবাব ও ঘর জীবাণুমুক্ত করতে ফরমালিনকে ব্যবহার করা হয়। 
- কিছু অসাধু অর্থলোভী ব্যবসায়ী মাছ, মাংস, দুধ, ফল, শাক-সবজি সংরক্ষণে ফরমালিনকে ব্যবহার করে থাকে। 
- ফরমালিন ব্যবহারে খাদ্যের অস্বাভাবিক খাদ্য শৃঙ্খল ভেঙ্গে যায়, ফলে খাদ্যের স্বাভাবিক পুষ্টিগুণ ও খাদ্যমান বিনষ্ট হয়। 
- ফরমালিনযুক্ত খাবার খেলে মানুষের কিডনি, যকৃত, হৃৎপিন্ড ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
সর্বপ্রথম কোন বিজ্ঞানী অণুবীক্ষণ যন্ত্রে কোষ প্রত্যক্ষ করেন?
  1. লিউয়েন হুক
  2. রবার্ট হুক
  3. লুই পাস্তুর
  4. এহরেনবার্গ
ব্যাখ্যা
কোষ: 
- জীবদেহের গঠন ও কাজের একক কোষ। 
- পৃথিবীতে অনেক জীব আছে যারা একটি মাত্র কোষ দিয়ে গঠিত। 
যেমন: ব্যাকটেরিয়া, প্রোটোজোয়া ইত্যাদি। 
- আবার অনেক জীব বহুসংখ্যক কোষ দিয়ে গঠিত। 
যেমন: মানুষ, গাছ, পাখি দেহ অসংখ্য কোষ দিয়ে গঠিত। 
- কোষ একটির সাথে আরেকটি যুক্ত হয়ে জীবদেহ গঠন করে। 
- জীবজগতের অধিকাংশ উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহ বিভিন্ন ধরনের অসংখ্য কোষ দিয়ে গঠিত। 
- জীবের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় শারীরবৃত্তীয় বিভিন্ন কাজে কোষগুলো যুক্ত থাকে। 
- কাজের উপর ভিত্তি করে বহুকোষী জীবে কোষের আকৃতি নানা রকমের হয়ে থাকে। 
- বহুকোষী একটি জীবের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য সব ধরনের কোষেরই সঠিকভাবে কাজ সম্পন্ন এবং সমন্বয়ের প্রয়োজন হয়। 
- কোষ আণুবীক্ষণীক বস্তু অর্থাৎ, অণুবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়া কোষ দেখা যায় না। 
- ইংরেজ বিজ্ঞানী রবার্ট হুক সর্বপ্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্রে কোষ প্রত্যক্ষ করেন। ১৬৬৫ সালে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে বোতলের ছিপি পরীক্ষা করার সময় তিনি মৌচাকের ন্যায় অসংখ্য কুঠরি পরপর সাজানো দেখতে পান। তিনি বোতলের ছিপির গঠনকারী এই এককগুলোর নাম দেন কোষ। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১৯.
বাষ্পায়ন কোন বিষয়টির উপর নির্ভর করে না?
  1. তরলের প্রকৃতি
  2. পদার্থের ঘনত্ব
  3. তরলের উপর চাপ
  4. তরলের উপরি তলের ক্ষেত্রফল
ব্যাখ্যা
- পদার্থের ঘনত্ব বাষ্পায়ন প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, তাই এটি প্রভাবিত করে না। 

বাষ্পায়নের উপর বিভিন্ন বিষয়ের প্রভাব: 

- পরিবেশ থেকে সুপ্ত তাপ সংগ্রহ করে কোনো তরল পদার্থের বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াটি হলো বাষ্পায়ন। 
- এ ক্ষেত্রে তরল পদার্থটিকে স্ফুটনাঙ্কে উত্তপ্ত করা হয় না। 
- এটি একটি স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা, এজন্য প্রক্রিয়াটিকে স্বতঃবাষ্পভবনও বলা হয়। 
- কিন্তু তরলের বাষ্পায়ন সাধারণত বেশ কয়েকটি ঘটনা বা বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হয়। 
যেমন- 
তরলের প্রকৃতি: 
- বিভিন্ন তরল পদার্থের বাষ্পায়নের হার বিভিন্ন। সাধারণত তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম হলে বাষ্পায়ন হার বেশি হয়। উদ্বায়ী পদার্থের বাষ্পায়ন হার অত্যন্ত বেশি। 

বায়ু প্রবাহ: 
- তরলের উপর বায়ু প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়। 

তরলের উপর চাপ: 
- তরলের উপর বায়ু মন্ডলের চাপ বাড়লে বাষ্পায়ন হার কমে যায়। চাপ কমলে বাষ্পায়ন বৃদ্ধি পায়। শূন্য স্থানে বাষ্পায়নের হার সর্বাধিক। 

তরলের উপরি তলের ক্ষেত্রফল: 
- বাষ্পায়ন কেবল উপরিতলে সংঘঠিত হয়। তরলের উপরিতলের ক্ষেত্রফল যত বেশি বিস্তৃত হবে বাষ্পায়ন তত বেশি হবে। 

তরল তল সংলগ্ন বায়ু বা বাষ্পের তাপমাত্রা: 
- তাপমাত্রা বেশি হলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়। 

তরল তল সংলগ্ন বায়ুর আর্দ্রতা: 
- বায়ুর আর্দ্রতা যত কম হয় তরলের বাষ্পায়ন তত দ্রুত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
কানের কোন অংশটি দেহের ভারসাম্য রক্ষার কাজ করে? 
  1. ম্যালিয়াস
  2. ককলিয়ার
  3. ইউট্রিকুলাস
  4. ইউস্টেশিয়ান টিউব
ব্যাখ্যা
সংবেদি অঙ্গ: 
- দেহের চালক হচ্ছে মস্তিষ্ক। 
- মস্তিষ্ককে মগজ বলা হয়, দেহের সব কাজই চলছে মস্তিষ্কের হুকুমে। 
- মস্তিষ্ক থাকে মাথার খুলির মধ্যে, খুলির মাঝখানে বসেই দেহের বাইরের ও ভিতরের কাজকর্ম চালায়। 
- চোখ, কান, নাক, ত্বক ও জিহ্বা বাইরের সকল খবরা-খবর জোগাড় করে মস্তিষ্ককে জানিয়ে দেয়। 

কান বা কর্ণ: 
- কান না থাকলে মানুষ শুনতে পেত না, কারণ কথা বলা শিখতে হয় শুনে শুনে। 
- মাথার দুই পাশে দুটো কান বা কর্ণ আছে। 
- কর্ণ বা কান শুনতে ও দেহের ভারসাম্য রক্ষার প্রধান অঙ্গ হিসেবেও কাজ করে। 
- কান তিনটি অংশে বিভক্ত। 
যথা- 
১। বহিঃকর্ণ: 
- পিনা, কর্ণকুহর ও কর্ণপটহ নিয়ে বহিঃকর্ণ গঠিত। 
(ক) পিনা: 
- এটি কানের বাইরের অংশ, মাংস ও কোমলাস্থি দিয়ে গঠিত। 
- শব্দ কর্ণকুহরে পাঠানো এর প্রধান কাজ। 
(খ) কর্ণকুহর: 
- পিনা একটি নালির সাথে যুক্ত, এ নালিটিকে কর্ণকুহর বলে। 
(গ) কর্ণপটহ: 
- কর্ণকুহর শেষ হয়েছে একটা পর্দায়, এ পর্দাটির নাম কর্ণপটহ বা টিমপেনিক পর্দা। 
- কর্ণপটহ বহিঃকর্ণের শেষ অংশ। 

২। মধ্যকর্ণ: 
- বহিঃকর্ণ ও অন্তঃকর্ণের মাঝখানে মধ্যকর্ণ অবস্থিত। 
- এটা একটা বায়ুপূর্ণ থলি যার মধ্যে ম্যালিয়াস, ইনকাস ও স্টেপিস নামে তিনটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র হাড় বা অস্থি রয়েছে। 
- অস্থিসমূহের মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গ বা ঢেউ অন্তঃকর্ণে পৌঁছায়। 
- কানের সাথে গলার সংযোগের জন্য ইউস্টেশিয়ান টিউব নামে একটি নল আছে, এ নলটির কাজ হলো কর্ণপটহের বাইরের ও ভেতরের বায়ুর চাপ সমান রাখা। 

৩। অন্তঃকর্ণ: 
- এটি অডিটরি ক্যাপসুল অস্থির মধ্যে অবস্থিত। অন্তঃকর্ণ দুটি প্রধান প্রকোষ্ঠে বিভক্ত। 
(ক) ইউট্রিকুলাস: 
- অন্তঃকর্ণের এ প্রকোষ্ঠটি তিনটি অর্ধবৃত্তাকার নালি দিয়ে গঠিত। 
- এদের ভিতরে আছে খুব সূক্ষ্ম লোমের মতো স্নায়ু ও রস। 
- নালির ভিতরের এ রস যখন নড়ে বা আন্দোলিত হয়, তখনই স্নায়ুগুলো উদ্দীপ্ত হয়, আর তখনই সে উদ্দীপনা মস্তিষ্কে পৌঁছায়। 
এই অংশ দেহের ভারসাম্য রক্ষার কাজ করে। 

(খ) স্যাকুলাস: 
- অন্তঃকর্ণের এই প্রকোষ্ঠের চেহারা অনেকটা শামুকের মতো প্যাঁচানো নালিকার মতো, একে ককলিয়া বলে। 
- ককলিয়ার ভেতরে শ্রবণ সংবেদি কোষ থাকে। 
- প্যাঁচানো নালিকা এক ধরনের রসে পূর্ণ থাকে। 
- এই অংশ শ্রবণের কাজ করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
২১.
যদি একটি যন্ত্রের ক্ষমতা 100 ওয়াট এবং এটি 10 সেকেন্ডে কাজটি করে, তাহলে এতে মোট শক্তি কত ব্যয় হবে? 
  1. 10 জুল
  2. 1000 জুল
  3. 100 জুল
  4. 10000 জুল
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি একটি যন্ত্রের ক্ষমতা 100 ওয়াট এবং এটি 10 সেকেন্ডে কাজটি করে, তাহলে এতে মোট শক্তি কত ব্যয় হবে? 

সমাধান: 
এখানে, 
ক্ষমতা, P = 100  W 
সময়, t = 10  s

আমরা জানি, 
ক্ষমতা, P = W/t
বা, W = P × t
বা, W = 100 × 10
সুতরাং, W = 1000 J

ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা হচ্ছে কাজ করার হার। 
অর্থাৎ, t সময়ে W কাজ করা হয়ে থাকলে ক্ষমতা P হচ্ছে, 
P = W/t 
- কাজ করার অর্থ হচ্ছে শক্তির রূপান্তর। 
- শক্তির যেহেতু ধ্বংস নেই তাই কাজ করার মাঝে দিয়ে শক্তির রূপান্তর করা হয় মাত্র। 
- তাই ক্ষমতা হচ্ছে শক্তির রূপান্তরের হার। কাজ বা শক্তি যেহেতু স্কেলার তাই ক্ষমতাও স্কেলার। 
- ক্ষমতার একক: W (ওয়াট) । 
- ক্ষমতার মাত্রা: [P] = [ML2T-3 ]। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২২.
ধাতব পদার্থে মরিচা পড়া রোধ করতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. তামা
  2. সীসা
  3. লোহা
  4. টিন
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রোপ্লেটিং: 
- ইলেকট্রোপ্লেটিং হলো তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর পাতলা আবরণ তৈরির প্রক্রিয়া। 
- এই প্রক্রিয়ায় সাধারনত নিকেল, ক্রোমিয়াম, টিন, সিলভার ও সোনা দিয়ে আবরণ তৈরি করা হয়। 
- এতে একদিকে যেমন ধাতুর ক্ষয় রোধ করা যায়, অন্যদিকে তেমনি বস্তুটি দেখতে আকর্ষণীয় ও চকচকে হয়। 
- খাবারের কৌটা, সাইকেল, এগুলোর ক্ষেত্রে লোহার উপর টিনের ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 

পেইন্টিং: 
- পেইন্টিং বা রং করেও ধাতব পদার্থসমূহের ক্ষয় রোধ করা যায়। 
- বাসার রেফ্রিজারেটর, আলমারি, গাড়ি, স্টিলের আসবাবপত্র এসবেরই ক্ষয় রোধ করা জন্য পেইন্ট দিয়ে রং করা হয়। 
- এই পেইন্ট সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব আবার পেইন্টিং করে নেওয়া ভালো। 

গ্যালভানাইজিং: 

- দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে জিংক বা দস্তা ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো গ্যালভানাইজিং। 
- লোহার তৈরি দ্রব্যসামগ্রীর উপর দস্তার পাতলা আস্তরণ দেওয়াকে গ্যালভানাইজেশন বলে। 
- জিংক এর আবরণ লোহাকে বাতাসের অক্সিজেন ও পানি থেকে রক্ষা করে, ফলে মরিচা পড়তে পারে না এবং লোহারও ক্ষতি হয় না। 
- দস্তার পরিবর্তে টিন দিয়েও অনেক সময় আবরণ দিয়ে ধাতব পদার্থকে ক্ষয় হতে রক্ষা করা যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
২৩.
"Encapsulation" কোন ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে প্রতিনিধিত্ব করে?
  1. ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং
  2. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
  3. স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং
  4. ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ:
- C++,
- Java,
- C#,
- Python ইত্যাদি।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যথা:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
ডাটা টেবিলে ইমেজ সংযোজনের জন্য কোন ধরনের ডাটা টাইপ ব্যবহার করা হয়?
  1. OLE Object
  2. Memo
  3. Hyperlink
  4. Look up wizard
ব্যাখ্যা
• ডাটা টাইপ:
- ডাটাবেজ ডিজাইন করার সময় ডাটাবেজের ফিল্ডের টাইপ অর্থাৎ ফিল্ডে এন্ট্রিকৃত ডাটার টাইপ বা প্রকৃতি নির্ধারণ করতে হয়।
- ডাটাবেজ ব্যবহারের উদ্দেশ্যের উপর নির্ভর করে ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত ফিল্ডের নাম, ডাটা টাইপ, ডাটার ফরমেট ও ফিল্ডের দৈর্ঘ্য।
- ফিল্ডের টাইপ বা ডাটার টাইপ বিভিন্ন প্রকার হতে পারে।

• বিভিন্ন প্রকার ফিল্ড টাইপ বা ডাটা টাইপ নিম্নে উল্লেখ করা হলো:
• OLE Object:
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Object Linking and Embedding"।
- ফিল্ডের অধীনে টেক্সট, ছবি, গ্রাফ বা সাউণ্ড হিসেবে অন্য কোন প্রোগ্রাম যেমন- এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট, ফটোসপ ইত্যাদি থেকে অবজেক্ট দিতে হলে OLE Object হিসেবে দিতে হয়।

• Memo:
- Memo "Conditional Data" টাইপ।
- অর্থাৎ এ জাতীয় ফিল্ডে বর্ণ, সংখ্যা, চিহ্ন, তারিখ ইত্যাদি ব্যবহার করে লেখা যায়। সাধারণত মন্তব্য ফিল্ডে এ ডাটা টাইপ ব্যবহার করা হয়।

• Hyperlink:
- কোন ফিল্ডের অধীনে টেক্সট ও নম্বরের কম্বিনেশন ও অন্যান্য কোন প্রোগ্রামের তথ্যকে লিঙ্ক করে দিতে চাইলে এই ধরনের ফিল্ড টাইপ সিলেক্ট করতে হয়।

• Look up wizard:
- সরাসরি ডাটা এন্ট্রি না করে কোন লিস্ট থেকে পছন্দকৃত ডাটা ইনপুট করার জন্য এ জাতীয় ফিল্ড ব্যবহার করা হয়।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
নিচের কোনটি "Graphics Based Operating System" এর বৈশিষ্ট্য?
  1. কম্পিউটার পরিচালনার জন্য Root Prompt ব্যবহার করা হয়
  2. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়
  3. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর নয়
  4. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে কম মেমরির প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
• Operating System:
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত একটি পরিপূর্ণ সফটওয়্যার।
- একে অনেক সময় মাস্টার কন্ট্রোল প্রোগ্রামও বলা হয়। কম্পিউটার

• পরিচালনার ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text Based Operating System) ও
২. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Graphics Based Operating Sysatem)

• Graphics Based Operating System:

- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে। 

• চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি।

• অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
২. বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
৩. কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
৪. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়‍্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ
করা হয়েছে।
৬. নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
৭. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
"UMTS" স্ট্যান্ডার্ড কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ব্যবহার করা হয়?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন:
- উন্নয়নের এক একটি পর্যায় বা ধাপকে মোবাইল ফোনের প্রজন্ম নামে অভিহিত করা হয়।
- 1940 সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করে।
- এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) বাণিজ্যিকভাবে মোবাইল ফোন বা সেলুলার ফোন উৎপাদন শুরু করে।
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোবাইল ফোন উন্নতির সময়কালকে পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে।

• তৃতীয় প্রজন্ম:
- জাপানের DoCoMo কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু করে।
- দ্বিতীয় হতে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত পার্থক্য হলো সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- সার্কিট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন অংশ বা পার্টে বিভক্ত হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট পথে গন্তব্যে পৌঁছে, যার ফলে এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কম।
- প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পথে গন্তব্যে পৌঁছে এবং এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ়, এতে অবশ্য উভয় সুইচিং পদ্ধতি চলে।
- পূর্বের তুলনায় উচ্চ ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সির ব্যবহার শুরু হয় (ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps- এর বেশি)।

• মূলত এই প্রজন্মের ফোনে নিম্নের চারটি স্ট্যান্ডার্ড চালু হয়:
1. HSPA (High speed package Access),
2. WCDMA (Wide band code division multiple access),
3. 3GPP (3rd Gen Partnership Project) এবং
4. UMTS (Universal Mobile Telecommunication System)I

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২৭.
'অফিস টুলস' কোন ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত
  1. অবকাঠামোগত সেবা
  2. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা
  3. সফটওয়‍্যার সেবা
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স। যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
 
• সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):

- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় -চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. সফটওয়‍্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
উদাহরণ: ইমেইল, ক্যালেন্ডারিং, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, Slack, (Collaboration and Messaging), অফিস টুলস (যেমন: মাইক্রোসফট ৩৬৫), Google Docs ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২৮.
নিচের কোনটি বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে?
  1. OMR
  2. OCR
  3. MICR
  4. Bar Code Reader
ব্যাখ্যা
• OCR:
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader/Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন
এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুসারে লিখিত হওয়া দরকার।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়‍্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

• OCR এর ব্যবহার:
 - ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
এমএস ওয়ার্ডে আগে থেকে বানানো word file খোলার জন্য কোন শর্টকাট কমান্ডটি ব্যবহার করা হয়?
  1. Ctrl + K
  2. Ctrl + O
  3. Ctrl + N
  4. Ctrl + S
ব্যাখ্যা
• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কী-বোর্ডের বিভিন্ন কমান্ড:
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য।
Ctrl + F: যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L: Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O: আগে থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S: বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট করার জন্য।
Ctrl + X: যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
৩০.
কোন ধরনের টপোলজিতে প্রতিটি পৃথক সেগমেন্টের জন্য পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট সংযোগ থাকে?
  1. বাস টপোলজি
  2. স্টার টপোলজি
  3. ট্রি টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১. স্টার টপোলজি
২. বাস টপোলজি
৩. রিং টপোলজি
৪. ট্রি টপোলজি

• ট্রি টপোলজি:
- এই টপোলজিতে নেটওয়ার্ককে একাধিক স্তরে বিভক্ত করা হয়, যেখানে প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হিসেবে কাজ করে।
- এটি বর্তমানে অন্যতম সর্বাধিক ব্যবহৃত নেটওয়ার্ক টপোলজি।
- ট্রি টপোলজি বাস ও স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্য একত্রিত করে গঠিত।
- মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে একটি হায়ারার্কিক্যাল গঠনে অন্যান্য কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে, যার ফলে একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি ও বলা হয়।

• ট্রি টপোলজির সুবিধাসমূহ:
- নতুন শাখা-প্রশাখা যোগ করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা সহজ।
- দীর্ঘ দূরত্বে সংকেত প্রেরণ করা সম্ভব।
- ত্রুটি সনাক্তকরণ ও সংশোধন করা সহজ।
- নেটওয়ার্কের কোনো নির্দিষ্ট নোড বা শাখা নষ্ট হলেও সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয় না।
- প্রতিটি পৃথক সেগমেন্টের জন্য পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট সংযোগ থাকে, যা কার্যকারিতা বাড়ায়
- উন্নত ডেটা নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- বড় নেটওয়ার্ক বা অফিস ব্যবস্থাপনার জন্য উপযোগী।

• ট্রি টপোলজির অসুবিধাসমূহ:

- এই টপোলজি কিছুটা জটিল প্রকৃতির।
- বাস্তবায়ন খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩১.
ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. PSTNN
  2. FAXTN
  3. PIST
  4. PSTN
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স (Fax):
- PSTN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Public Switched Telephone Networks.

- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪৩ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- ফ্যাক্স হাফ ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সফার করে।
- ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত PSTN প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩২.
PAGE এর কোড যদি UFLJ হয়, তবে DOWN-এর কোড কত?
  1. VSDK
  2. ITBS
  3. IDGJ
  4. VFJK
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: PAGE এর কোড যদি UFLJ হয়, তবে DOWN-এর কোড কত?

সমাধান:

PAGE এর ক্ষেত্রে,
P + 5 = U
A + 5 = F
G + 5 = L
E + 5 = J

DOWN এর ক্ষেত্রে,
D + 5 = I
O + 5 = T
W + 5 = B
N + 5 = S
৩৩.
পুটি মাছের প্রাণ : ছোটো মন :: উজানের কৈ : ?
  1. হতভাগ্য
  2. পরিপাটি
  3. অপদার্থ
  4. সহজলভ্য
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পুটি মাছের প্রাণ : ছোটো মন :: উজানের কৈ : ?

সমাধান:
পুটি মাছের প্রাণ বাগধারার অর্থ - ছোটো মন।
উজানের কৈ বাগধারার অর্থ - সহজলভ্য।

অন্যদিকে,
অকালকুষ্মাণ্ড = অপদার্থ।
আট কপালে = হতভাগ্য।
কেতাদুরস্থ = পরিপাটি।
৩৪.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. Accessible
  2. Acelerate
  3. Practical
  4. Lieutenant
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?

সমাধান:
Acelerate বানানটি অশুদ্ধ।
শুদ্ধ বানান: Accelerate.
৩৫.
যদি একটি কামান থেকে নিচের ৪টি বস্তুকে অনুভূমিক ভাবে নিক্ষেপ করা হয়, তবে কোনটি সবচেয়ে বেশি দূরে উড়ে যাবে?
  1. A
  2. B
  3. C
  4. D
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি একটি কামান থেকে নিচের ৪টি বস্তুকে অনুভূমিক ভাবে নিক্ষেপ করা হয়, তবে কোনটি সবচেয়ে বেশি দূরে উড়ে যাবে?


সমাধান:

Aerodynamics- এর নিয়ম অনুযায়ী, যে বস্তুর Drag of Coeeficient কম সে বস্তু বাতাসে বা যে কোনো Fluid এর বাধা অতিক্রম করে খুব সহজেই বেশি দূরত্ব অতিক্রম করবে।
অপশন 'ক' এর Drag of Coeeficient সবচেয়ে কম থাকায় এটি সবচেয়ে বেশি দূরে উড়ে যাবে।
৩৬.
'Tokyo'-এর সাথে জাপান যেভাবে সম্পর্কিত, ঠিক সেভাবে 'Canberra'-এর সাথে কোন দেশ সম্পর্কিত?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. জাপান
  3. চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'Tokyo'-এর সাথে জাপান যেভাবে সম্পর্কিত, ঠিক সেভাবে 'Canberra'-এর সাথে কোন দেশ সম্পর্কিত?

সমাধান:
Tokyo হলো জাপানের রাজধানী।
Canberra হলো অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী।

তাহলে, Canberra অস্ট্রেলিয়ার সাথে সম্পর্কিত।
৩৭.
একটি পাখা প্রতি মিনিটে ৩০ বার ঘুরলে ৪ সেকেন্ডে পাখাটি কত ডিগ্রি ঘুরবে?
  1. ৫৪০°
  2. ৬৮০°
  3. ৭২০°
  4. ৮৯০°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি পাখা প্রতি মিনিটে ৩০ বার ঘুরলে ৪ সেকেন্ডে পাখাটি কত ডিগ্রি ঘুরবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
পাখাটি ১ মিনিটে বা ৬০ সেকেন্ডে ঘুরে = ৩০ বার
∴ পাখাটি ৪ সেকেন্ডে ঘুরে = {(৩০/৬০) × ৪} বার
= ২ বার

১ বার ঘুরলে পাখাটি ঘুরে = ৩৬০°
∴ ২ বার ঘুরলে পাখাটি ঘুরে = ৩৬০° × ২
= ৭২০°
∴ পাখাটি ৪ সেকেন্ডে ৭২০° ঘুরবে।
৩৮.
X দন্ডটি ডানদিকে গেলে, Y দন্ডটি কোন দিকে যাবে?
  1. বামদিকে
  2. ডানদিকে
  3. স্থির থাকবে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: X দন্ডটি ডানদিকে গেলে, Y দন্ডটি কোন দিকে যাবে?

সমাধান;
X দন্ডটি ডানদিকে গেলে ১ম গিয়ারটি ঘুরবে ডানদিকে, ২য় গিয়ারটি ঘুরবে বামদিকে, ৩য় গিয়ারটি ঘুরবে ডানদিকে এবং ৪র্থ গিয়ারটি ঘুরবে বামদিকে।
৪র্থ গিয়ারটি বামদিকে ঘুরলে Y দন্ডটি ডানদিকে যাবে।
৩৯.
X, Y এর ছবি দেখিয়ে বলল, "সে আমার মাতামহের একমাত্র কন্যার ছেলের স্ত্রী"। Y, এর স্বামী সম্পর্কে X এর কী হয়?
  1. ভাই
  2. বাবা
  3. মামা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: X, Y এর ছবি দেখিয়ে বলল, "সে আমার মাতামহের একমাত্র কন্যার ছেলের স্ত্রী"। Y, এর স্বামী সম্পর্কে X এর কী হয়?

সমাধান:
মাতামহের একমাত্র কন্যা ⇒ মা
মায়ের ছেলে ⇒ ভাই
ভাইয়ের স্ত্রী ⇒ বউ/ভাইয়ের বউ।

∴ Y, X এর ভাইয়ের বউ।
তাহলে Y এর স্বামী X এর ভাই।
৪০.
একটি পাম্প দ্বারা একটি জলাধারের ৪/৭ অংশ পূর্ণ হতে ১৪ ঘণ্টা লাগে। জলাধারের বাকি অংশ পূর্ণ হতে আর কত সময় লাগবে?
  1. ৭ ঘণ্টা
  2. ১০ ঘণ্টা ৩০ মিনিট 
  3. ৮ ঘণ্টা
  4. ৯ ঘণ্টা ৩০ মিনিট 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি পাম্প দ্বারা একটি জলাধারের ৪/৭ অংশ পূর্ণ হতে ১৪ ঘণ্টা লাগে। জলাধারের বাকি অংশ পূর্ণ হতে আর কত সময় লাগবে?

সমাধান:
জলাধারের ৪/৭ অংশ পূর্ণ হতে ১৪ ঘণ্টা লাগে।
বাকি অংশ = ১ - (৪/৭)
= (৭ - ৪)/৭
= ৩/৭

৪/৭ অংশ পূরণ হতে সময় লাগে = ১৪ ঘণ্টা
১ অংশ পূরণ হতে সময় লাগে (১৪ × ৭)/৪ ঘণ্টা বা ২৪.৫ ঘণ্টা
∴ ৩/৭ অংশ পূরণ হতে সময় লাগে ২৪.৫ × (৩/৭) ঘণ্টা
= ১০.৫ ঘণ্টা
= ১০ ঘণ্টা ৩০ মিনিট 
৪১.
নিচের কোনটি ভিন্ন?
  1. দাঁড়ি
  2. দুই দাঁড়ি
  3. বিস্ময়চিহ্ন
  4. সেমিকোলন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি ভিন্ন?

সমাধান:
• বিরাম চিহ্ন: মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে বিরামচিহ্ন বলে। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।
• সেমিকোলন প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন নয়।

- বাক্যের শেষে বসে ৪টি যতিচিহ্ন বা বিরাম চিহ্ন। যথা:
১. দাঁড়ি (।)
২. প্রশ্নচিহ্ন (?)
৩. বিস্ময়চিহ্ন (!)
৪. দুই দাঁড়ি (।।)
৪২.
বাতেন উত্তর দিকে ৫ কিলোমিটার যাওয়ার পর বাম দিকে ঘুরে ৮ কিলোমিটার গেল। সেখান থেকে আবার বাম দিকে ঘুরে ৩ কিলোমিটার গেল, এখন যদি সে ডান দিকে ঘুরে হাঁটা শুরু করে তাহলে কোন দিকে হাঁটবে?
  1. উত্তর
  2. দক্ষিণ
  3. পূর্ব
  4. পশ্চিম
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বাতেন উত্তর দিকে ৫ কিলোমিটার যাওয়ার পর বাম দিকে ঘুরে ৮ কিলোমিটার গেল। সেখান থেকে আবার বাম দিকে ঘুরে ৩ কিলোমিটার গেল, এখন যদি সে ডান দিকে ঘুরে হাঁটা শুরু করে তাহলে কোন দিকে হাঁটবে?

সমাধান:


সুতরাং, চিত্রে দেখানো দিক অনুযায়ী বাতেন পশ্চিম দিকে হাঁটবে।
৪৩.
৫, ১২, ২৩, ৩৮, ....... ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
  1. ৫৩
  2. ৫৭
  3. ৬১
  4. ৬৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫, ১২, ২৩, ৩৮, ....... ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
১২ - ৫ = ৭,
২৩ - ১২ = ১১,
৩৮ - ২৩ = ১৫
প্রতিবার পার্থক্য ৪ করে বাড়ছে।

তাহলে, পরবর্তী পার্থক্য = ১৫ + ৪ = ১৯
∴ পরবর্তী সংখ্যা = ৩৮ + ১৯
= ৫৭
৪৪.
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বে কোন উপজেলা অবস্থিত?
  1. থানচি
  2. রুমা
  3. কয়রা
  4. শিবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের:
- সীমান্তবর্তী স্থান: বাংলাবান্ধা।
- উপজেলা: তেঁতুলিয়া।
- জেলা: পঞ্চগড়।

বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের:
- স্থান: আখাইনঠং।
- উপজেলা: থানচি।
- জেলা বান্দরবান।

বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের:
- স্থান: মনাকষা।
- উপজেলা: শিবগঞ্জ।
- জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের:
- স্থান: ছেঁড়া দ্বীপ।
- উপজেলা: টেকনাফ।
- জেলা: কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪৫.
'মহেশখালী দ্বীপ' কোন ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
  2. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  3. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- মহেশখালী কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র পার্বত্য দ্বীপ।
- মহেশখালী দ্বীপে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় রয়েছে।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।

উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত। এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

তথ্যসূত্র:
i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৬.
নিম্নের কোনটি 'hydro-meteorological' দুর্যোগ হিসেবে পরিচিত?
  1. বন্যা
  2. ভূমিধস
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
Hydro-meteorological দুর্যোগ:
- Hydro-meteorological শব্দটি দুটি অংশ থেকে গঠিত: Hydro এর অর্থ পানি সংশ্লিষ্ট এবং Meteorological অর্থ আবহাওয়া বা জলবায়ু সংক্রান্ত ঘটনা।
- hydro-meteorological দুর্যোগ বলতে মূলত জলবায়ু ও আবহাওয়াজনিত কারণে সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলিকে বোঝায়।
- বন্যা, ভূমিধস উভয় hydro-meteorological দুর্যোগ হিসেবে পরিচিত।
- এই দুর্যোগগুলো সরাসরি জলবায়ু (Climate) এবং আবহাওয়ার (Weather) পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- প্রধানত বৃষ্টিপাত, বায়ুর গতি, তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার পরিবর্তন এই দুর্যোগগুলির কারণ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
৪৭.
নিচের কোনটি পাললিক শিলার উদাহরণ?
  1. শেল
  2. স্লেট
  3. মার্বেল
  4. ব্যাসল্ট
ব্যাখ্যা
শিলার প্রকারভেদ:
ভূ-ত্বক গঠনকারী সকল শিলাসমূহকে গঠন প্রণালির ভিত্তিতে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
ক. আগ্নেয় শিলা: ব্যাসল্ট, গ্রানাইট ইত্যাদি।
খ. পাললিক শিলা: বেলে পাথর, শেল, লিগনাইট, বিটুমিনাস, জিপসাম, ডলোমাইট ইত্যাদি।
গ. রূপান্তরিত শিলা: কাঁদা রূপান্তরিত হয়ে স্লেটে, গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিসে পরিণত হয়।

পাললিক শিলা
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তাকে পাললিক শিলা বলে।
- এ শিলার পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়। আর স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে এ শিলাকে স্তরীভূত শিলাও বলা হয়।
- পাললিক শিলা ভূ-ত্বকের মোট আয়তনের শতকরা ৫ ভাগ। তবে মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের উন্মুক্ত অংশের প্রায় ৭৫ ভাগই পাললিক শিলায় গঠিত। 
- পাললিক শিলার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে স্তরীভূত, জীবাশ্ম বিশিষ্ট, অকেলাসিত, তরঙ্গচিহ্ন ও কোমলতা ইত্যাদি।

• পাললিক শিলা প্রধানত তিন প্রকার। যথা: 
১। যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বেলেপাথর
২। রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- চুনাপাথর এবং 
৩। জৈবিক উপায়ে গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বাংলাদেশের জামালগঞ্জের কয়লা ও গোপালগঞ্জের পিট কয়লা।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরকে স্ট্রাটোমণ্ডল বলা হয়?
  1. প্রথম স্তর
  2. দ্বিতীয় স্তর
  3. তৃতীয় স্তর
  4. চতুর্থ স্তর
ব্যাখ্যা
• বায়ুমণ্ডলকে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. ট্রপোমণ্ডল,
২. স্ট্রাটোমন্ডল,
৩. মেসোমণ্ডল,
৪. তাপমণ্ডল ও
৫. এক্সোমণ্ডল।

• স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere):
- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্রাটোমণ্ডল।
- ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্ট্রাটোমণ্ডল নামে পরিচিত।
- স্ট্রাটোমণ্ডল ও মেসোমণ্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause) বলে।

• স্ট্রাটোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য:
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরেই ওজোন (O3) গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে।
- এই ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolate rays) শুষে নেয়।
- এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনোরকম জলীয়বাষ্প থাকে না। ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও শুষ্ক।
- ঝড়বৃষ্টি থাকে না বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে।
- প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তাপমাত্রা পুনরায় হ্রাস পেতে শুরু করে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৯.
'ত্রাণ ও পুনর্বাসন' দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কোন কার্যক্রমের অংশ?
  1. পূর্বপ্রস্তুতি
  2. প্রশমন
  3. সাড়াদান
  4. পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান।
- সুতরাং দুর্যোগকে কার্যকরভাবে মোকাবিলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
- দুর্যোগ সংঘটনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।

⇒ পূর্বপ্রস্তুতি:
পূর্ব প্রস্তুতি বলতে দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি ও ঝুঁকি কমানোর উদ্দেশ্যে দুর্যোগের পূর্বেই ব্যবস্থা গ্রহণকে বোঝায়। ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল ও জনগোষ্ঠিকে চিহ্নিতকরণ, দুর্যোগ মোকাবিলা সংক্রান্ত পরিকল্পনা প্রনয়ণ, জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সম্পদের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতির অন্তর্ভুক্ত।

⇒ প্রশমন:
- দীর্ঘ সময়ব্যাপী নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস করা এবং দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহন করাকে দুর্যোগ প্রশমন বলে।
- মজবুত পাকা ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল অবলম্বন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত।

⇒ সাড়াদান:
- সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়।

⇒ পুনরুদ্ধার:
- দুর্যোগের ফলে জৈব ও অজৈব সকল সম্পদ, প্রাকৃতিক পরিবেশ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ইত্যাদি খাতে যে ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়, পুন:নির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনাকেই পুনরুদ্ধার বলা হয়।

⇒ উন্নয়ন:
- দুর্যোগে বিপর্যস্ত এলাকাকে পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনার অব্যবহিত পর উক্ত এলাকার ভৌগোলিক ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহন করা আবশ্যক।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০.
সভ্য সমাজের প্রধান মানদণ্ড কী?
  1. গণতন্ত্র
  2. সংস্কৃতি
  3. সংবিধান
  4. আইনের শাসন
ব্যাখ্যা
আইনের শাসন:
- সভ্য সমাজ বলতে বোঝায় এমন একটি সমাজ যেখানে মানবাধিকার, ন্যায়বিচার, এবং সুশাসন বিদ্যমান।
- সভ্য সমাজের প্রধান মানদণ্ড হিসেবে "আইনের শাসন" সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি নিশ্চিত করে যে সকল ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, ও সরকার আইনের আওতায় থাকবে এবং কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।
- এটি স্বৈরতন্ত্র, দুর্নীতি ও বৈষম্য রোধ করে এবং সমাজে স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।
- আইন সঠিকভাবে কার্যকর হলে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষা করা যায়, যা সভ্য সমাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

অন্যদিকে,
গণতন্ত্র (ক) – গণতন্ত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ শাসনব্যবস্থা যা নাগরিকদের মতামত প্রকাশ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ দেয়, তবে এটি আইনের শাসন ছাড়া কার্যকর হতে পারে না।
সংস্কৃতি (খ) – সংস্কৃতি একটি জাতির পরিচয় বহন করে, তবে এটি সভ্য সমাজের একমাত্র মানদণ্ড হতে পারে না।
সংবিধান (গ) – সংবিধান রাষ্ট্র পরিচালনার মূল কাঠামো নির্ধারণ করে, তবে এটি কার্যকর করার জন্যও আইনের শাসন অপরিহার্য।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫১.
______________ মূল্যবোধ শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য।
  1. দুর্নীতি রোধ করা
  2. সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা
  3. ব্যক্তি স্বার্থের উন্নয়ন ঘটানো
  4. রাজনৈতিক আদর্শ প্রতিষ্ঠা করা
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ শিক্ষা:
- মূল্যবোধ শিক্ষা এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ব্যক্তি ও সমাজ নৈতিকতা, ন্যায়বিচার, মানবিকতা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা সম্পর্কে সচেতন হয়।
- এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা, যাতে সমাজে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বজায় থাকে।

মূল্যবোধ শিক্ষার গুরুত্ব:
- নৈতিক ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা;
- নৈতিক চরিত্র গঠন ও সদাচরণ শেখানো;
- সত্যবাদিতা, সততা ও ন্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া;
- সামাজিক সমস্যা ও অপরাধ কমানো;
- নতুন প্রজন্মকে নৈতিকভাবে গড়ে তোলা।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২.
সুশাসন নিশ্চিত করতে European Economic Community নিচের কোনটি প্রকাশ করে?
  1. Black paper
  2. White paper
  3. Red paper
  4. Yellow paper
ব্যাখ্যা
সুশাসন ও EEC:
- সুশাসনের অর্থ নির্ভুল, দক্ষ ও কার্যকরী শাসন।
- সুশাসনের জন্য রাষ্ট্রের ন্যায়পরায়ণ আচরণ, দুর্নীতি ও নিপীড়নমুক্ত স্বাধীন পরিবেশ ও নিরপেক্ষ এবং স্বাধীন বিচার বিভাগ অপরিহার্য।
- সুশাসন নিয়ে 'White paper' বা 'শ্বেতপত্র' প্রকাশ করে European Economic Community.

উল্লেখ্য,
- শ্বেতপত্র সরকার বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি নীতিগত নথি, যেখানে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু বা সমস্যার সমাধানে প্রস্তাবিত নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়।
- এটি সাধারণত আইন, নীতি, অর্থনীতি ও সুশাসন বিষয়ে সুপারিশমূলক দিকনির্দেশনা দেয়।
- EEC বিভিন্ন সময়ে সুশাসন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মানবাধিকার, এবং প্রশাসনিক সংস্কারের জন্য White Paper প্রকাশ করে।

তথ্যসূত্র: European Economic Community ওয়েবসাইট।
৫৩.
কোনটি সমাজ কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য উপাদান?
  1. সাম্য
  2. স্বাধীনতা
  3. মূল্যবোধ
  4. কর্তব্যবোধ
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ:
- সমাজ কাঠামো মূলত কিছু মৌলিক উপাদানের ওপর গড়ে ওঠে, যা সামাজিক সম্পর্ক ও সংগঠনের ভিত্তি স্থাপন করে।
- এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো "মূল্যবোধ"।
- এটি সমাজের নৈতিকতা, সংস্কৃতি ও সামাজিক নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করে।
- ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর আচরণ পরিচালিত হয় সামাজিক মূল্যবোধের মাধ্যমে।
- এটি সমাজের নৈতিক ও সাংস্কৃতিক ভিত্তি গড়ে তোলে, যা অন্য উপাদানগুলোর বিকাশে সহায়ক হয়।
- ন্যায়বিচার, সততা, সম্মান, সহযোগিতা, ও দায়িত্ববোধের মতো বিষয় সমাজ কাঠামোর ভিত্তি গড়ে তোলে।

উল্লেখ্য,
সাম্য (ক):
সাম্য একটি আদর্শ সমাজব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য, তবে এটি সমাজ কাঠামোর একমাত্র ভিত্তি নয়। সাম্য প্রতিষ্ঠিত না হলেও সমাজ টিকে থাকতে পারে, যদিও তা ন্যায়ের ভিত্তিতে নাও গড়ে উঠতে পারে।

স্বাধীনতা (খ):
স্বাধীনতা ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তবে সমাজ কাঠামোর জন্য এটি একমাত্র অপরিহার্য উপাদান নয়। কিছু সমাজে ব্যক্তিস্বাধীনতা সীমিত থাকলেও সমাজ কাঠামো টিকে থাকে।

কর্তব্যবোধ (ঘ):
কর্তব্যবোধ সমাজের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তবে এটি মূল্যবোধের একটি অংশ।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৫৪.
সরকার ও জনগণের স্বার্থকে এক সুতোয় বাঁধার নাম _______________।
  1. সুশাসন
  2. মূল্যবোধ
  3. গণতন্ত্র
  4. নৈতিকতা
ব্যাখ্যা
সুশাসন:
- সরকার ও জনগণের স্বার্থকে এক সুতোয় বাঁধার প্রক্রিয়াকে সুশাসন (Good Governance) বলা হয়।
- এটি এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে সরকার জনগণের চাহিদা, অধিকার ও স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে কার্যকর নীতি ও প্রশাসন পরিচালনা করে।
- সুশাসনই জনগণ ও সরকারের মধ্যে সুসম্পর্ক ও স্বার্থের সমন্বয় ঘটায়।

সুশাসনের মূল বৈশিষ্ট্য:
- জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা;
- স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখা;
- আইন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা;
- দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলা;
- টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

অন্যদিকে,
- মূল্যবোধ সমাজের নৈতিক ও সাংস্কৃতিক ভিত্তি তৈরি করে, তবে এটি সরকার ও জনগণের স্বার্থকে সরাসরি একত্রিত করে না।
- গণতন্ত্র জনগণের শাসনের ব্যবস্থা, তবে এটি সুশাসনের একটি উপাদান মাত্র। গণতান্ত্রিক দেশেও সুশাসন নাও থাকতে পারে।
- নৈতিকতা সুশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক, তবে এটি এককভাবে সরকার ও জনগণের স্বার্থ একত্রিত করে না।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৫৫.
জাতীয় শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠার কৌশল বাস্তবায়নের জন্য চিহ্নিত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. নির্বাচন কমিশন
  2. স্থানীয় সরকার
  3. সরকারি কর্ম কমিশন
  4. রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা
জাতীয় শুদ্ধাচার:
- শুদ্ধাচার বলতে সাধারণভাবে নৈতিকতা ও সততা দিয়ে প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষ বোঝায়।
- দুর্নীতি দমন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করেছে।
- ১৮ অক্টোবর ২০১২ অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে কৌশলপত্রটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হয়।

• শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান:
১. নির্বাহী বিভাগ ও জনপ্রশাসন, ২. জাতীয় সংসদ, ৩. বিচার বিভাগ, ৪. নির্বাচন কমিশন, ৫. অ্যাটর্নি জেনারেল, ৬. সরকারি কর্ম কমিশন, ৭. মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, ৮. ন্যায়পাল, ৯. দুর্নীতি দমন কমিশন, ১০. স্থানীয় সরকার।

• অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান:
১. রাজনৈতিক দল, ২. বেসরকারি খাতের শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, ৩. এনজিও ও সুশীলসমাজ, ৪. পরিবার, ৫. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ৬. গণমাধ্যম।

তথ্যসূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট ও তথ্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৫৬.
'আলোছায়া' পদটি কোন সমাস?
  1. দ্বন্দ্ব সমাস
  2. বহুব্রীহি সমাস
  3. কর্মধার‍য় সমাস
  4. তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা
• দ্বন্দ্ব সমাস: 
যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে।
যেমন:
- জায়া ও পতি = দম্পতি।  
- ক্ষুধা ও পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা। 
-আলো ও ছায়া = আলোছায়া।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ), মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭.
'উজ্জ্বল' এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. উৎ + জল
  2. উত্‌ + জল
  3. উৎ + জ্বল
  4. উজ্‌ + জ্বল
ব্যাখ্যা
• 'উজ্জ্বল' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ- 'উৎ + জ্বল'।
- এটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ।

• 'উজ্জ্বল' শব্দটির সন্ধির নিয়ম:
- ত্‌ ও দ্‌ এরপর জ্‌ ও ঝ্‌ থাকলে ত্‌ ও দ্‌ এর স্থানে জ্‌ হয়।
যেমন,
সৎ + জন = সজ্জন, 
কুৎ + ঝটিকা = কুঝ্বটিকা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
৫৮.
কোনটি ভিন্নার্থক প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ?
  1. মালিকা
  2. নাটিকা
  3. গীতিকা
  4. সেবিকা
ব্যাখ্যা
⋅ ক্ষুদ্রার্থে 'ইকা' প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ।
যথা- 
• নাটক - নাটিকা, 
• মালা - মালিকা, 
• গীত - গীতিকা,
• পুস্তক - পুস্তিকা।

অন্যদিকে,
• 'সেবিকা' শব্দটি স্ত্রীবাচক, যার পুরুষবাচক রূপ হলো 'সেবক'। এখানে 'ক্ষুদ্রার্থে' - 'ইকা' প্রত্যয়টি যুক্ত হয়নি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি - নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৫৯.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. মেঘপুঞ্জ
  2. মেঘকুঞ্জ
  3. মেঘগুচ্ছ
  4. মেঘরাশি
ব্যাখ্যা
• 'পুঞ্জ' (বিশেষ্য) শব্দের অর্থ- স্তূপ; রাশি; জমিয়ে তোলা দ্রব্যের সমাবেশ; সমূহ।

• 'পুঞ্জ' দিয়ে গঠিত শব্দ:
- মেঘপুঞ্জ, প্রাজ্ঞপুঞ্জ।

• মেঘপুঞ্জ বলতে - মেঘ ঘনানো বা মেঘ জমা অর্থ প্রকাশ করে।

• বস্তুবাচক বা অপ্রাণীবাচক শব্দের সঙ্গে ব্যবহৃত আরো কয়েকটি বহুবচন বোধক শব্দ:
- আবলি- পুস্তকাবলি
- গুচ্ছ- কবিতাগুচ্ছ।
- দাম- কুসুমদাম।
- নিকর- কমলনিকর।
- পুঞ্জ- মেঘপুঞ্জ। 
- মালা- পর্বতমালা।
- রাজি- তারকারাজি।
- রাশি- বালিরাশি।
- নিচয়- কুসুমনিচয় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 
৬০.
‘কোন বইটি তুমি নেবে?’— এ বাক্যে ‘কোন’ হলো-
  1. বিশেষ্য পদ
  2. বিশেষণ পদ
  3. সর্বনাম পদ
  4. অব্যয় পদ
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নবাচক বিশেষণ:
যে বিশেষণ দিয়ে প্রশ্নবাচকতা নির্দেশিত হয়, তাকে প্রশ্নবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন – কেমন গান? কতক্ষণ সময়? – এখানে ‘কেমন' ও 'কতক্ষণ' প্রশ্নবাচক বিশেষণ।

• ‘কোন বইটি তুমি নেবে?’— এই বাক্যে 'কোন' শব্দটি 'বই' নামক বিশেষ্যের পূর্বে বসে তার বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করছে। অর্থাৎ, এটি বইয়ের ধরন বা পরিচয় বোঝাচ্ছে, তাই এটি বিশেষণ পদ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ), বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১.
বৈষ্ণব পদাবলির "পূর্বরাগ" এর শ্রেষ্ঠ পদকর্তা বলা হয় কাকে?
  1. গোবিন্দ দাস
  2. রাধারমন গোপ
  3. চণ্ডীদাস
  4. জয়দেব
ব্যাখ্যা
• বৈষ্ণব পদাবলিতে "পূর্বরাগ" এর শ্রেষ্ঠ পদকর্তা হলেন "চণ্ডীদাস"।

• পূর্বরাগ:
- রূপ গোস্বামী ''উজ্জ্বলনীলমণি'' গ্রন্থে পূর্বরাগের সংজ্ঞার্থে বলেছেন -
- মিলনের পূর্বে দর্শন, নাম শ্রবণ প্রভৃতি দ্বারা নায়ক নায়িকার মনে পরস্পরের প্রতি যে অনুরাগ জন্মে, তাকে বলে পূর্বরাগ।
- পূর্বরাগের শ্রেষ্ঠ পদকর্তা - চণ্ডীদাস।
- বৈষ্ণব পদাবলিতে পূর্বরাগ জনপ্রিয় কাব্যরূপ।
- বৈষ্ণব পদাবলিতে পূর্বরাগ জনপ্রিয় পর্যায়/ভাগ।

• চণ্ডীদাস:
চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রসিদ্ধ কবি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চণ্ডীদাসকে দুঃখের কবি বলেছিলেন। চণ্ডীদাসকে বাংলা ভাষার প্রথম মানবতাবাদী কবি বলা হয়।

অন্যদিকে,
জয়দেব ছিলেন বাংলার শেষ হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেনের রাজসভার পঞ্চরত্নের অন্যতম।
• গৌরচন্দ্রিকার শ্রেষ্ঠ পদকর্তা গোবিন্দ দাস।
• মর্সিয়া সাহিত্যের একজন হিন্দু কবি হলেন রাধারমণ গোপ৷

উৎস:
১. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক।
২. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩. বাংলাপিডিয়া।
৬২.
'আমি কোন আগন্তুক নই' কবিতাটির লেখক কে?
  1. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  2. সৈয়দ আলী আহসান
  3. আহসান হাবীব
  4. সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা
'আমি কোন আগন্তুক নই' কবিতা:
- 'আমি কোন আগন্তুক নই' কবিতাটি আহসান হাবীব রচনা করেন।
- কবিতাটি 'দু'হাতে দুই আদিম পাথর' (১৯৮০) কাব্যগ্রন্থের শেষ কবিতা।
- কবিতাতে শহুরে মানুষের গ্রামে ফেরার কথা আছে। গ্রামীণ অনুষঙ্গসমূহ এই শহুরে মানুষকে সন্দেহ না করলেও সেই মানুষ সাক্ষী মানছে গ্রামীণ নানা কিছু।
- 'আমি কোন অভ্যাগত নই' একথা বোঝাতে শহুরে মানুষ তাই বলছে: 'আসমানের তারা সাক্ষী, সাক্ষী এই জমিনের ফুল .....' ইত্যাদি।

আহসান হাবীব:
- তিনি ১৯১৭ সালে পিরোজপুর জেলার শঙ্করপাশা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত কবি ও সাংবাদিক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম 'রাত্রিশেষ' (১৯৪৭)।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মেঘ বলে চৈত্রে যাবো,
- দু'হাতে দুই আদিম পাথর,
- ছায়া হরিণ,
- সারা দুপুর,
- বিদীর্ণ দর্পণে মুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬৩.
"আক্কেল গুড়ুম" এর 'গুড়ুম' শব্দের অর্থ কী?
  1. জ্ঞান
  2. বিবেক
  3. তোপধ্বনি
  4. দণ্ড
ব্যাখ্যা
• "আক্কেল গুড়ুম" এর 'গুড়ুম' শব্দের অর্থ - তোপধ্বনি।

শব্দটির বিশ্লেষণ:
"আক্কেল গুড়ুম" একটি বাংলা বাগ্‌ধারা। যার অর্থ হতবুদ্ধি/ ভয় পেয়ে হতভম্ব হয়ে যাওয়া।
এখানে,
'গুড়ুম' শব্দের অর্থ তোপধ্বনি বা বিস্ফোরণের শব্দ, যা আকস্মিকতা ও প্রবল অভিঘাত বোঝায়। এটি মূলত কোনো কিছুর প্রচণ্ড আঘাতে বা ধাক্কায় মস্তিষ্ক কাজ করা বন্ধ হয়ে যাওয়ার রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৬৪.
বাংলা গদ্যে প্রথম যতিচিহ্নের স্থাপনকারী কে?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. পঞ্চানন কর্মকার
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি বাংলা গদ্যে যতি বা বিরামচিহ্নের প্রবর্তন করেন।

যতিচিহ্নের প্রয়োগ:
তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম বিরাম-চিহ্নের সুষ্ঠু ব্যবহার করেন। ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ গ্রন্থে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম যতিচিহ্নের / বিরামচিহ্নের সার্থক প্রয়োগ ঘটান।

- এ কারণেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলেছেন।
- যতি চিহ্নের প্রয়ােগ যথাযথ না হলে বাক্য অস্পষ্ট বা দুর্বোধ্য হতে পারে।
- এমনকি কখনাে কখনাে প্রত্যাশিত অর্থ প্রকাশ না করে সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে।

- বাংলা গদ্য প্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য তিনি ‘উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ’ ও ‘অনতিলক্ষ্য ছন্দঃস্রোত’ সৃষ্টি করেন।
- তিনি বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন।
- বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতিসন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৬৫.
'আলেয়ার আলো' বাগ্‌ধারাটির অর্থ -
  1. ক্ষণস্থায়ী
  2. অফুরন্ত ঐশ্বর্য
  3. দুর্লভ বস্তু
  4. সীমাবদ্ধ জ্ঞান
ব্যাখ্যা
• ‘আলেয়ার আলো’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - দুর্লভ বস্তু।

অন্যদিকে,
• 'তাসের ঘর' - ক্ষণস্থায়ী।
• ‘কুবেরের ভাণ্ডার’ - অফুরন্ত ঐশ্বর্য।
• ‘কূপমুন্ডক’ অর্থ - সীমাবদ্ধ জ্ঞান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬৬.
বাঙালি মুসলমান কবিদের মাঝে কে সর্বপ্রথম মহাকাব্য রচনা করেন?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. কায়কোবাদ
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. গোলাম মোস্তফা
ব্যাখ্যা
• কায়কোবাদ:
১৮৫৭ সালে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা পূর্বপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম কাজেম আল কোরেশী। ‘কায়কোবাদ’ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম। মাত্র তেরো বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্য 'বিরহবিলাপ' প্রকাশিত হয়।

- বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট ও মহাকাব্য রচয়িতা কায়কোবাদ। 'মহাশ্মশান' কায়কোবাদের শ্রেষ্ঠ রচনা। এটিই বাঙালি মুসলমান রচিত প্রথম মহাকাব্য।
 
• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: 
- অশ্রুমালা (গীতিকাব্য),
- মহাশ্মশান (মহাকাব্য),
- শিবমন্দির,
- অমিয়ধারা,
- শ্মশান-ভস্ম,
- মহরম শরীফ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬৭.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. অধ্যাবসায়
  2. অভিলাস
  3. জরাজীর্ণ
  4. কল্যানী
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'জরাজীর্ণ' - শুদ্ধ বানান।

• 'জরাজীর্ণ' অর্থ:
- বার্ধক্যের জন্য জীর্ণ ও দুর্বল।

অন্য অপশনের শুদ্ধ বানান,
অধ্যাবসায় – অধ্যবসায়
• অভিলাস – অভিলাষ;
• কল্যানী – কল্যাণী।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৬৮.
জসীম উদ্‌দীনের ‘কবর’ কবিতার দাদু শাপলার হাটে কী বেচাকেনা করতেন?
  1. শাপলা
  2. ধান
  3. শসা
  4. তরমুজ
ব্যাখ্যা
'কবর' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় কল্লোল পত্রিকায়।
- এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত যাতে ১১৮টি পঙক্তি আছে।
- এটি কবি জসীম উদ্‌দীনের বহুল পঠিত ও নন্দিত কবিতা।
- এটি একটি শোক-প্রকাশক কবিতা।

'কবিতা' কবিতার অংশবিশেষ- কবর, 
লেখক: জসীম উদ্‌দীন।

বাপের বাড়িতে যাইবার কাল কহিত ধরিয়া পা
আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান-তলীর গাঁ।
শাপলার হাটে তরমুজ বেচি দু’পয়সা করি দেড়ী,
পুঁতির মালার একছড়া নিতে কখনও হত না দেরি।
দেড় পয়সার তামাক এবং মাজন লইয়া গাঁটে,
সন্ধাবেলায় ছুটে যাইতাম শ্বশুরবাড়ির বাটে!

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর; 'কবিতা' কবিতা; এবং বাংলাপিডিয়া।
৬৯.
'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থের কবি কী হিসেবে পরিচিত?
  1. পল্লি কবি
  2. নবজাগরণের কবি
  3. ধূসরতার কবি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থের  রচয়িতা- জীবনানন্দ দাশ।

• জীবনানন্দ দাশ:
- 'রূপসী বাংলার কবি', 'নির্জনতার কবি', 'তিমির হননের কবি', 'ধূসরতার কবি' নামে পরিচিত জীবনানন্দ দাশ।
- জন্মগ্রহণ করেন ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে।

- মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন বিখ্যাত কবি।
- জীবনানন্দ ছিলেন বাংলা কাব্যান্দোলনে রবীন্দ্রবিরোধী তিরিশের কবিতা নামে খ্যাত কাব্যধারার অন্যতম কবি।
- তাঁর 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' কাব্যের অন্তর্গত 'মৃত্যুর আগে' কবিতার সাথে আইরিশ কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস-এর 'The falling of the Leaves' কবিতার মিল রয়েছে।
- 'বনলতা সেন' কবিতাটিতে অ্যাডগার এলেন পো-র 'টু হেলেন' কবিতার প্রভাব রয়েছে।

- বাংলাদেশে ষাটের দশকে বাঙালির জাতিসত্তা বিকাশের আন্দোলনে এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে সংগ্রামী বাঙালি জনতাকে তাঁর 'রূপসী বাংলা' তীব্রভাবে অনুপ্রাণিত করে।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরাপালক,
- ধূসর পাণ্ডুলিপি, 
- বনলতা সেন, 
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির, 
- রূপসী বাংলা, 
- বেলা অবেলা কালবেলা।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- কবিতার কথা।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- মাল্যবান,
- সতীর্থ,
- কল্যাণী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৭০.
'খড়্‌গ' এর প্রতিশব্দ কোনটি?
  1. খবর
  2. তরবারি
  3. অপবাদ
  4. অচল
ব্যাখ্যা
• 'খড়্‌গ' (বিশেষ্য) এর প্রতিশব্দ/ সমার্থক শব্দ:
- অসি;
- কৃপাণ;
- তরবারি।

সূত্র: অভিগম্য অভিধান, বাংলা একাডেমি।
৭১.
'কবি' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র 'নিতাই' কোন সম্প্রদায়ের ছিলেন?
  1. সাঁওতাল
  2. বাগদি
  3. বোষ্টম
  4. ডোম
ব্যাখ্যা
• 'কবি' উপন্যাস:
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'কবি'।
- ডোম সম্প্রদায়ের একজন যুবকের কবি রূপে প্রতিষ্ঠা এবং দুটি নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক বিষয়ক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হচ্ছে নিতাই।

তারাশঙ্করের বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন লেখায় বিশেষভাবে পাওয়া যায় বীরভূম-র্বধমান অঞ্চলের সাঁওতাল, বাগদি, বোষ্টম, বাউরি, ডোম,  গ্রাম্য কবিয়াল সম্প্রদায়ের কথা। কবি উপন্যাসেও অন্ত্যজ শ্রেণির এমনই একজন কবিয়ালের কথা উপজীব্য হয়ে উঠেছে।

এই উপন্যাসটিতে নিম্নবর্গের দুধর্ষ ডাকাত বংশীয় একজন মানুষের কবি হয়ে ওঠার রোমাঞ্চকর ও চিত্তাকর্ষক কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় চরিত্র নিতাইচরণের কবিপ্রতিভা এবং প্রণয়-আবেগ প্রকাশ পেয়েছে।

• উপন্যাসের ক্লাসিক সংলাপ- 'এই খেদ আমার মনে, ভালবেসে মিটলোনা সাধ, কুলালোনা এই জীবনে। হায়! জীবন এতো ছোট ক্যানে? এই ভুবনে।'

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া; 'কবি' উপন্যাস।
৭২.
'খরিদ' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. নিখুঁত
  2. ভোঁতা
  3. বিক্রি
  4. ছোকরা
ব্যাখ্যা
• 'খরিদ' এর বিপরীত শব্দ - 'বিক্রি'।

অন্যদিকে,
• নিখুঁত - খুঁত;
• ভোঁতা - চোখা;
• ছোকরা - বুড়া।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৭৩.
"কাজলরেখা" কোন সংকলনের অন্তর্ভুক্ত?
  1. চট্টগ্রামের গীতিকা
  2. মৈমনসিংহ গীতিকা
  3. রাঢ়বঙ্গের গাথা
  4. পূর্ববঙ্গের পালা
ব্যাখ্যা
• কাজলরেখা:
- ময়মনসিংহ অঞ্চল থেকে সংগৃহীত কয়েকটি পালা ও রূপকথা মৈমনসিংহ গীতিকা সংকলনে সংকলিত হয়।
- "কাজলরেখা" মৈমনসিংহ গীতিকা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত।
- এদের মধ্যে কাজলরেখা কোনো পালা নয়। এটা পদ্য ও গল্পাকারে বর্ণিত রূপকথা।
- এর রচয়িতা কে তা জানা যায় নি।

উল্লেখ্যযোগ্য চরিত্র:
- ধনেশ্বর,
- কাজলরেখা,
- রত্নেশ্বর,
- শুকপাখি।

উৎস:
১. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস,মাহবুবুল আলম।
২. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩. বাংলাপিডিয়া।
৭৪.
"Communique" এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. সাম্যবাদ
  2. সাম্য
  3. সম্প্রদায়
  4. ইশতেহার
ব্যাখ্যা
• "Communique" এর বাংলা পরিভাষা - 'ইশতেহার'।

অন্যদিকে,
• Communism - সাম্যবাদ;
• Equality - সাম্য;
• Community - সম্প্রদায়।

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা।
৭৫.
কাজী নজরুল ইসলামের “ঝিলিমিলি” গ্রন্থটি একটি -
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. উপন্যাস
  3. নাটক
  4. সংগীত
ব্যাখ্যা
• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত বিখ্যাত নাটক:
- ঝিলিমিলি,
- আলেয়া,
- মধুমালা।

• 'ঝিলিমিলি' নাটক:
- তিনটি ছোট নাটকের গ্রন্থ ‘ঝিলিমিলি'।
- ১৩৩৭ বঙ্গাব্দের (১৯৩০) অগ্রহায়ণে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।
- ঝিলিমিলি, সেতুবন্ধ, শিল্পী নামের তিনটি ছোট নাটক এ গ্রন্থভুক্ত।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- মির্জা সাহেব;
- ফিরোজা;
- হালিমা।

• কাজী নজরুল ইসলাম:
-  ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে, ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের ইমাম ও মাযারের খাদেম।
- নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করে।
- ২৯ আগস্ট ১৯৭৬ (১২ ভাদ্র, ১৩৮৩) ঢাকার পিজি হাসপাতালে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৭৬.
"বুভুক্ষা" কোন শব্দগুচ্ছের এক কথায় প্রকাশ?
  1. নিন্দা করার ইচ্ছা
  2. ভোজন করার ইচ্ছা
  3. বলবার ইচ্ছা
  4. হনন করার ইচ্ছা
ব্যাখ্যা
• 'ভোজন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বুভুক্ষা।

অন্যদিকে,
- 'নিন্দা করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জনগুল্সা ।
- 'হনন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জিঘাংসা।
- 'বলবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবক্ষা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা শিক্ষা,
ড. হায়াৎ মামুদ।
৭৭.
চর্যাশ্চর্য বিনিশ্চয়ে লুইপার কয়টি পদ পাওয়া যায়?
  1. তিনটি
  2. দুইটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
লুইপা: 
- প্রবীণ বৌদ্ধসিদ্ধাচার্য ও চর্যাপদের কবি।
- মুহাম্মদ শহীদুল্লার অনুমান: ৭৩০ থেকে ৮১০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে লুইপা জীবিত ছিলেন।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, লুইপা রাঢ় অঞ্চলের লোক।
- চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেন লুইপা।
- লুইপা পদ দুইটি রচনা করেন।

লুইপার পদসংখ্যা:
লুইপাদের ২টি চর্যাগীতি (১নং ও ২৯নং) চর্যাশ্চর্য বিনিশ্চয়ে পাওয়া যায়। গীতি দুটির পদ সংখ্যা, ছন্দ ও রাগিনী একই। দুটি পদেই দু'বার করে ভণিতা আছে। আলোচ্য পদটি ভালভাবে পাঠ করলেই দেখা যাবে ধ্রুব (দ্বিতীয়) পদে এবং শেষ পদে। লুইপাদ আদি পদকর্তা বলে সুচিহ্নিত। কবি দশম শতাব্দীতেই পদটি রচনা করেছেন বলে গবেষকদের ধারণা।

• কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল।- বীণাপার গুরু ছিলেন - ভাদেপা।
চঞ্চল চীএ পৈঠা কাল।।- পদটির রচয়িতা 'লুইপা'। এটি চর্যাপদের প্রথম পদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭৮.
'আমআঁটির ভেঁপু' পর্বটি কোন উপন্যাসের অন্তর্গত?
  1. অপরাজিত
  2. আরণ্যক
  3. পথের পাঁচালী
  4. অশনি সংকেত
ব্যাখ্যা
• ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস:
'পথের পাঁচালী' (১৯২৯) বিভূতিভূ ষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি জনপ্রিয় বাংলা উপন্যাস। উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় বিচিত্রা পত্রিকায়। গ্রন্থকারে প্রকাশিত হয় সজনীকান্ত দাসের রঞ্জন প্রকাশনালয়, কলকাতা থেকে।উপন্যাসের পটভূমিতে আছে বাংলাদেশের গ্রাম ও তার পরিচিত মানুষের জীবন।
- এতে একটি শিশুর চৈতন্যের জাগরণ, মানুষ ও প্রকৃতির সঙ্গে তার পরিচয় বর্ণিত হয়েছে।
- 'পথের পাঁচালী'র নায়ক বালক অপু।

উপন্যাসের তিনটি ভাগ:
- বল্লালী বালাই,
- আমআঁটির ভেঁপু,
- অক্রূর সংবাদ।

• উপন্যাসটির প্রধান চরিত্রগুলো হলো-
- অপু,
- দুর্গা,
- ইন্দির ঠাকরুন,
- সর্বজয়া।

উল্লেখ্য,
- অপরাজিত (১৯৩১) হলো পথের পাঁচালীর দ্বিতীয় খণ্ড।
- এছাড়াও 'পথের পাঁচালী' ও 'অপরাজিত' উপন্যাস অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
৭৯.
"ঘন বসতিতে আমার ঘর (অথচ) পাড়া পরশি নেই। হাঁড়িতে ভাত নেই, (কিন্তু) ঘরে প্রতিদিনই অতিথির আগমন।" - উদ্ধৃতাংশটুকু চর্যাপদের কোন কবির পদের বাচ্যার্থ?
  1. শবরপা
  2. ঢেণ্ডণপা
  3. ভুসুকুপা
  4. কুক্কুরীপা
ব্যাখ্যা
• ঢেণ্ডণপা:
- তিনি নবম শতকের কবি ছিলেন।
- তিনি পেশায় তাঁতি ছিলেন।
- চর্যাপদে তিনি একটি (৩৩নং) পদ রচনা করেন।

এই একটিমাত্র পদে বাঙালি জীবনের চিরায়ত দারিদ্র্যের ছবি চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।
যেমন:
'টালত মোর ঘর নাহি পড়বেসী।
হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী৷।' (পদ: ৩৩)

বাচ্যার্থ (৩৩ সংখ্যক):
ঘন বসতিতে আমার ঘর (অথচ) পাড়া পরশি নেই। হাঁড়িতে ভাত নেই, (কিন্তু) ঘরে প্রতিদিনই অতিথির আগমন। ব্যাঙ সাপকে কাটে, কী আশ্চর্য, দোয়া দুধ আবার বাঁটে প্রবেশ করে। বলদ বিয়ায়-গাভী বন্ধ্যা। তিন সন্ধ্যা পাত্রে দুধ দোহন করা হয়। যা সেই বুদ্ধি-তা-ই-খারাপ বুদ্ধি। যে চোর সেই কোটাল। প্রত্যেক দিন শৃগাল সিংহের সঙ্গে যুদ্ধ করে। ঢেণ্টনপা-এর গীত কদাচিৎ বোঝা যায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা।
৮০.
নবনাট্য আন্দোলনের পুরোহিত নিচের কোন নাটকটি রচনা করেন?
  1. সাত ঘাটের কানাকড়ি
  2. কৃষ্ণকুমারী
  3. নবান্ন
  4. দণ্ডকারণ্য
ব্যাখ্যা
• 'নবান্ন' নাটক:
- ‘নবান্ন’ হলো বিজন ভট্টাচার্যের লেখা একটি বাংলা নাটক।
- নাটকটি পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিকায় কৃষক জীবনের দুঃখ দুর্দশা ও জীবন সংগ্রামের কাহিনি অবলম্বনে রচিত। 
- বন্যা, দুর্ভিক্ষ ও মহামারীর পটভূমিকায় রচিত এই নাটকে দুঃস্থ-নিপীড়িত কৃষকজীবন প্রতিফলিত হয়েছে।
- নবনাট্য আন্দোলনের পথিকৃৎ বিজন ভট্টাচার্য এই নাটকের মাধ্যমে বাংলা নাট্যধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

অন্যদিকে,
• 'সাত ঘাটের কানাকড়ি' - মমতাজ উদদীন আহমদ রচিত নাটক।
• 'কৃষ্ণকুমারী' - মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত নাটক।
• 'দণ্ডকারণ্য' - মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক।
------------------
• বিজন ভট্টাচার্য:
- তিনি নবনাট্য আন্দোলনের প্রধান পুরোহিত ছিলেন।
- ১৯০৬ সালে, ফরিদপুর জেলার খানখানাপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

বিজন ভট্টাচার্য রচিত অপরাপর নাটকগুলো হলো:
- জনপদ,
- কলঙ্ক,
- মরাচাঁদ,
- অবরোধ,
- গোত্রান্তর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৮১.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চার অধ্যায়' উপন্যাসে কয়টি অধ্যায় রয়েছে?
  1. একটি
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চারটি
ব্যাখ্যা
'চার অধ্যায়' উপন্যাস:
- 'চার অধ্যায়' একটি রাজনৈতিক উপন্যাস।
- এ উপন্যাসে চারটি অধ্যায় রয়েছে।
- অসহযোগ আন্দোলনের পর বাংলায় নতুন করে যে হিংসাত্মক বিপ্লব-প্রচেষ্টা দেখা দিয়েছিলো 'চার-অধ্যায়' উপন্যাসে তার তত্ত্ববিশ্লেষণ এবং নিরপেক্ষ মূল্য নির্ধারণের চেষ্টা আছে৷
- 'চার অধ্যায়' কাহিনির সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের 'রবিরার' গল্পের সম্পর্ক রয়েছে। 
- সন্ত্রাসবাদের সমালোচনা করে এই উপন্যাসটি রচিত।
- উপন্যাসের চরিত্রে ইন্দ্রনাথ সন্ত্রাসবাদীদের নেতা। তিনি একদিকে অতিমানবিক অন্যদিকে নিষ্ঠুর ও মানবতাশূন্য।
- ইন্দ্রনাথ এর নির্দেশে অতীন ও এলার প্রেমের সমাপ্তি এই উপন্যাসের মুখ্য কাহিনী।
- সমকালীন বিপ্লবীপন্থী আন্দোলনের প্রতি রবীন্দ্রনাথের বিরূপ মনোভাব এই উপন্যাসের মূলসুর। 

উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- অতীন,
- এলা,
- ইন্দ্রনাথ৷

সূত্র: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৮২.
"বহু দেশ দেখিয়াছি বহু নদ-দলে,
কিন্তু এ স্নেহের তৃষ্ণা মিটে কার জলে?" - কবিতাংশটুকুর রচয়িতা কে?
  1. আবদুল হাকিম
  2. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  3. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যা
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার চরণ-
"বহু দেশ দেখিয়াছি বহু নদ-দলে,
কিন্তু এ স্নেহের তৃষ্ণা মিটে কার জলে?"

কপোতাক্ষ নদ- কবিতার অংশবিশেষ,

সতত, হে নদ, তুমি পড় মোর মনে!
সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে;
সতত (যেমতি লোক নিশার স্বপনে
শোনে মায়া- মন্ত্রধ্বনি) তব কলকলে
জুড়াই এ কান আমি ভ্রান্তির ছলনে!
বহু দেশ দেখিয়াছি বহু নদ-দলে,
কিন্তু এ স্নেহের তৃষ্ণা মিটে কার জলে?
দুগ্ধ-স্রোতোরূপী তুমি জন্মভূমি-স্তনে।
---------------
মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার।
- তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলাভাষার সনেট প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। 
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন ‘পদ্মাবতী’ নাটকে।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
২) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৩) বাংলাপিডিয়া।
৮৩.
"The Canterbury Tales" takes place during which season?
  1. Spring
  2. Summer
  3. Autumn
  4. Winter
ব্যাখ্যা
• "The Canterbury Tales" takes place during - Spring season.

• The Canterbury Tales:
- রচনার ধরন অনুযায়ী একে Frame story বলা হয়ে থাকে।
- এটি মূলত একটি কবিতা হলেও এতে ২৪ টি গল্প রয়েছে।
- এতে মোট ৩০ জন চরিত্রকে দেখানো হয়েছে।
- The Nun's Priest's Tale, The Knight's Tale ইত্যাদি হলো এসব গল্পের মধ্যে অন্যতম। 

• কাহিনী সংক্ষেপ:
গল্পের মূল প্লটটি হল একটি গ্রুপের মানুষ যারা একে অপরের সাথে একটি তীর্থযাত্রা করতে বেরিয়েছিল। তারা ক্যান্টারবেরি শহরের সেন্ট থমাস বেকেটের মাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে, তারা নিজেদের গল্প শোনানোর প্রতিশ্রুতি দেয়। যাত্রীদের মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ আছেন, যেমন: রাজপুত্র, কৃষক, ব্যবসায়ী, সন্ন্যাসী, ধর্মযাজক, মহিলা, ডাক্তার, কৃষক ইত্যাদি।

প্রত্যেক যাত্রী তার নিজস্ব জীবনের অভিজ্ঞতা, সমাজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি এবং ব্যক্তিগত গল্প শোনান। প্রতিটি গল্পই এক একটি সামাজিক, ধর্মীয় বা নৈতিক বার্তা দেয়।

• প্রধান চরিত্রগুলো:
- The Knight (সার্ফ): তিনি একজন অভিজ্ঞানী, সাহসী এবং আদর্শ চরিত্রের মানুষ, যিনি প্রথমে গল্প শুরু করেন।
- The Wife of Bath (ব্যাথের স্ত্রী): একজন আত্মবিশ্বাসী মহিলা, যে নারীদের অধিকার নিয়ে কথা বলে এবং তার গল্পে নারীর স্বাধীনতার ধারণা তুলে ধরে।
- The Pardoner (পর্দনকারী): একজন ধর্মীয় প্রতিনিধি, যিনি ধর্মীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করেন। তার গল্পটি বেশ বুদ্ধিদীপ্ত এবং তার চরিত্রে নৈতিক দুর্বলতা স্পষ্ট।
- The Miller (মিলারের): একজন কৃষক, যার গল্প হাস্যরসাত্মক এবং একদিক থেকে সামাজিক অসঙ্গতির সমালোচনা করে।

• Chaucer:
- তিনি ছিলেন Shakespeare এর আগের একজন অন্যতম লেখক।
- The Canterbury Tales ranks as one of the greatest poetic works in English.

• His other literary work:
- Troilus and Criseyde,
- The Parliament of Foules,
- The Pardoner's Tale,
- The Miller's Tale,
- The Nun's Priest's Tale,
- The House of Fame,
- Legend of Good Women,
- The Book of the Duchess,
- The Canon’s Yeoman’s Tale,
- The Canterbury Tales,
- The Clerk’s Tale,
- The Cook’s Tale,
- The Friar’s Tale,
- The Knight’s Tale,
- The Monk’s Tale etc.

Source: Britannica.
৮৪.
What causes Othello's jealousy and mistrust of Desdemona in the play?
  1. A letter from Cassio
  2. Desdemona's conversations with Iago
  3. The missing handkerchief
  4. A confrontation with her father
ব্যাখ্যা
•  Shakespeare এর  নাটক Othelloতে, Othello Desdemona'কে তার প্রেমের প্রতীক হিসেবে একটি বিশেষ handkerchief উপহার দেয়। এই handkerchief টি নাটকের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হয়ে ওঠে, যা তার ভালোবাসা এবং বিশ্বাসের সঙ্গেও সম্পর্কিত। handkerchief টি হারানোয় Desdemona-র প্রতি Othellor-র অবিশ্বাস এবং হিংসার জন্ম হয়।

• Othello:
• মূল চরিত্রসমূহ:
- Othello – Othello হলেন নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র এবং একজন সৈন্যবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তিনি আফ্রিকান বংশোদ্ভূত, কিন্তু তার যোগ্যতা এবং দক্ষতার কারণে তিনি একাধিকার ক্ষমতা অর্জন করেছেন। তিনি একজন মর্যাদাশীল এবং সাহসী মানুষ, তবে তার মধ্যে অল্পসংখ্যক দুর্বলতা রয়েছে—বিশেষত ঈর্ষা এবং বিশ্বাসের অভাব।

- Desdemona – Desdemona, Othello এর স্ত্রী, একজন ইতালিয়ান যুবতী। তিনি স্বামীকে গভীরভাবে ভালোবাসেন এবং নাটকে তার নিখুঁত চরিত্র তাকে একজন নিষ্কলঙ্ক এবং নির্দোষ স্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

- Iago – Iago হলেন নাটকের প্রধান প্রতিপক্ষ। তিনি Othello এর সহকর্মী, তবে তার মধ্যে একদম ভিন্ন প্রকৃতি রয়েছে। তিনি অত্যন্ত চালাক, কপট, এবং ঈর্ষায় পাগল। Iago মূলত Othello কে ধ্বংস করার জন্য ষড়যন্ত্র করে এবং নাটকের সমস্ত অশুভ ঘটনা তার পরিকল্পনার ফলস্বরূপ ঘটে।

- Cassio – Cassio Othello এর প্রিয় সহকর্মী এবং বন্ধু। তিনি একজন নরম এবং সৌম্য প্রকৃতির মানুষ, কিন্তু Iago তাকে ব্যবহার করে Othello এর মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি করে।

• কাহিনী সংক্ষেপ:
- নাটকটির গল্প শুরু হয় যখন Othello, যিনি একজন সৈন্যবাহিনীর অধিনায়ক, তার যুবতী স্ত্রীর সঙ্গে গোপনে বিয়ে করেন, যার নাম Desdemona। Iago, Othello এর সেনাপতি, অসন্তুষ্ট হন কারণ Othello তার পছন্দের পদে Cassio কে নিযুক্ত করেছেন। Iago ঈর্ষায় জর্জরিত এবং তিনি Othello কে বিশ্বাসঘাতকতা ও অবিশ্বাসের দিকে পরিচালিত করার জন্য একটি কুৎসিত পরিকল্পনা শুরু করেন।

Iago সুকৌশলে Othello কে বিশ্বাস করিয়ে দেয় যে Desdemona তার প্রতি অবিশ্বাসী এবং Cassio এর সঙ্গে পরকীয়া করছে। Iago সযত্নে Othello এর সন্দেহ ও ঈর্ষা বাড়িয়ে তোলে, এবং এই বিভ্রান্তি Othello কে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়।

ওথেলো তার স্ত্রীর প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে এবং Iago এর প্ররোচনায় Desdemona কে খুন করে। পরে Othello জানতে পারে যে Iago তাকে ভুল বুঝিয়েছিল, কিন্তু তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। Othello নিজের অপরাধের জন্য আত্মহত্যা করেন।

• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

Source: britannica.com
৮৫.
The fictional figures "Mosca, Celia, and Bonario" come from –
  1. Volpone
  2. Hamlet
  3. Doctor Faustus
  4. The Alchemist
ব্যাখ্যা
• "Mosca, Celia & Bonario" are characters form Ben Jonson's Volpone.

• Volpone:
- নাটকটির পুরো নাম Volpone; Or, the Fox.
- এটি একটি 5-act drama.
- এটি Ben Jonson লিখিত একটি comedy play.
- এটি 1607 সালে প্রকাশিত হয়।

• নাটকের সারসংক্ষেপ:
- নাটকটি ভেনিস শহরকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়, যেখানে মূল চরিত্র ভলপোন, একজন ধনী কিন্তু লোভী ব্যক্তি, মিথ্যা অসুস্থতার ভান করে তার সম্পত্তির লোভী উত্তরাধিকারীদের প্রতারিত করে।

• মূল চরিত্রসমূহ:
- ভলপোন (Volpone) – এক ধনী ব্যক্তি, যে প্রতারণার মাধ্যমে আরও সম্পদ অর্জন করতে চায়।
- মসকা (Mosca) – ভলপোনের চতুর ও ধূর্ত সহকারী, যে নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য অন্যদের শোষণ করে।
- করভিনো (Corvino) – একজন লোভী ব্যবসায়ী, যে তার স্ত্রীকে ভলপোনের কাছে পাঠিয়ে সম্পদ অর্জনের চেষ্টা করে।
- করবাচ্চিও (Corbaccio) – এক বৃদ্ধ ব্যক্তি, যে তার ছেলেকে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করে নিজে ভলপোনের সম্পদ পাওয়ার চেষ্টা করে।
- ভল্টোরে (Voltore) – এক কুচক্রী আইনজীবী, যে ভলপোনের সাথে ষড়যন্ত্র করে।
- সেলিয়া (Celia) – করভিনোর স্ত্রী, যাকে তার স্বামী লোভের কারণে ভলপোনের কাছে পাঠায়।
- বোনারিও (Bonario) – করবাচ্চিওর সৎ ও নীতিবান ছেলে, যে এই প্রতারণার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়।

• Ben Jonson:
- তিনি একজন English writer.
- তিনি একাধারে English Stuart dramatist, lyric poet এবং literary critic.
- তাকে Father of Comedy of Humours বলা হয়।

• Famous works:
- The Silent Woman,
- Every Man in His Humour,
- Every Man out of His Humour,
- Sejanus,
- The Alchemist,
- The Masque of Blackness,
- The Poetaster,
- Volpone.

Source: Britannica.
৮৬.
When did the Commonwealth period end?
  1. 1649
  2. 1670
  3. 1660
  4. 1689
ব্যাখ্যা
The Commonwealth period started in 1649 when Oliver Cromwell, the puritan leader came to power and lasted up to 1660.

The Renaissance Period (1500 - 1660) is divided into 4 main Periods.
- Elizabethan Period (1558 - 1603),
- Jacobean Period (1603 - 1625),
- Caroline Period (1625 - 1649) and
- Commonwealth Period (1649 - 1660).

English Literature Periods:
450 - 1066 :- The Old English Period
1066 - 1500 :- The Middle English Period
1500 - 1660 :- The Renaissance Period
1660 - 1785 :- The Neoclassical Period
1798 - 1832 :- Romantic Period
1832 - 1901 :- Victorian Period

Source: An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
৮৭.
Who is the author of 'The Lucy Poems', a collection of five poems about an idealized woman?
  1. Alfred, Lord Tennyson
  2. Lord Byron
  3. William Blake
  4. William Wordsworth
ব্যাখ্যা
• "The Lucy Poems" হলো ইংরেজি রোমান্টিক কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ (William Wordsworth)-এর লেখা একটি কবিতার সংকলন, যা ১৭৯৮ থেকে ১৮০১ সালের মধ্যে রচিত হয়। এই কবিতাগুলো একটি কাল্পনিক নারী চরিত্র "লুসি" (Lucy)-কে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে, যিনি অল্প বয়সে মারা যান এবং প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যান।

• "The Lucy Poems" সংকলনের কবিতাগুলো:
"The Lucy Poems" আসলে একটি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত সংকলন নয়, তবে সাহিত্য বিশ্লেষকরা পাঁচটি কবিতাকে এর অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেন। এই কবিতাগুলো হলো:

- "Strange fits of passion have I known"
- "She dwelt among the untrodden ways"
- "I travelled among unknown men"
- "Three years she grew"
- "A slumber did my spirit seal"

• William Wordsworth (1770 -1850):
- He is one of the major poets of the Romantic Period.
- William Wordsworth এবং Samuel Taylor Coleridge রচিত Lyrical Ballads এর প্রকাশনার মাধ্যমে Romantic Period এর সূচনা হয় ।
- Lyrical Ballads, William Wordsworth and Samuel Taylor এর যৌথ প্রকাশনা কিন্তু এই প্রকাশনায় William Wordsworth এর অবদান ছিল সর্বোচ্চ ছিল বলে তাকে The father od Romantic Age বলা হয়।

• Famous poems of Wordsworth:
- The Rainbow/ My Heart Leaps up
- To The Cuckoo,
- Laodamia,
- Lucy Poems,
- The Daffodils,
- Ode on immortality,
- The Solitary Reaper,
- Peter Bell,
- The Recluse,
- The World is too Much with Us,
- Tintern Abbey,
- The Excursion,
- Michael, etc.

• The only play by William Wordsworth is The Borderers.
- The Borderers, a tragedy in five acts, was Wordsworth's first major work.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica and Live MCQ Lecture.
৮৮.
Which literary genre is Jonathan Swift best known for?
  1. Gothic Fiction
  2. Romanticism
  3. Satire
  4. Tragedy
ব্যাখ্যা
• Jonathan Swift:
- তিনি একজন Anglo-Irish author এবং clergyman ছিলেন। 
- Jonathon Swift, an Anglo-Irish author, who was the foremost prose satirist in the English language.
- অর্থাৎ, ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত ব্যঙ্গরচয়িতা বা satirist হলেন Jonathan Swift.
- তাঁর রচিত বিখ্যাত satire হলো ‘Gulliver’s Travels’.
- তাঁর ছদ্মনাম Isaac Bickerstaff.

১. গালিভার্স ট্রাভেলস (Gulliver’s Travels) – ১৭২৬
- তার সর্বাধিক পরিচিত ও বিখ্যাত রচনা "গালিভার্স ট্রাভেলস", যা একাধারে রহস্যময় অভিযান, রাজনৈতিক ব্যঙ্গ ও দার্শনিক কল্পকাহিনি। বইটি চারটি ভাগে বিভক্ত, যেখানে প্রধান চরিত্র লেমুয়েল গালিভার বিভিন্ন আশ্চর্যজনক স্থানে ভ্রমণ করেন—

- লিলিপুট (Lilliput): ক্ষুদ্র মানবদের দেশ, যা ব্রিটিশ রাজনীতির ব্যঙ্গচিত্র।
- ব্রোডবিন্যাগ (Brobdingnag): দৈত্যদের দেশ, যেখানে মানুষদের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
- ল্যাপুটার দেশ (Laputa): বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অতিরিক্ততার কটাক্ষ।
- হুইনহ্নমদের দেশ (Houyhnhnms): যেখানে বুদ্ধিমান ঘোড়ারা শাসন করে এবং মানুষ (Yahoos) বর্বরতার প্রতীক।

২. এ মডেস্ট প্রোপোজাল (A Modest Proposal) – ১৭২৯
- এটি একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ, যেখানে সুইফট দরিদ্র আইরিশ শিশুদের খাওয়ার জন্য বিক্রি করার পরামর্শ দেন। এর মাধ্যমে তিনি সমাজের নিষ্ঠুরতা ও ব্রিটিশ শাসনের অবিচারকে তীব্রভাবে কটাক্ষ করেছেন।

৩. দ্য ব্যাটেল অব দ্য বুকস (The Battle of the Books) – ১৭০৪
- এটি প্রাচীন ও আধুনিক সাহিত্যিকদের মধ্যে বিতর্ক নিয়ে লেখা এক ব্যঙ্গাত্মক রচনা।

৪. টেল অব এ টাব (A Tale of a Tub) – ১৭০৪
- এটি ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মতবাদের বিরুদ্ধে লেখা তীক্ষ্ণ বিদ্রূপাত্মক রচনা।

• Famous works:
- Gulliver's Travels,
- A Tale of a Tub,
- A Modest Proposal,
- The Battle of Books.

Source: Britannica.
৮৯.
Which of the following best describes 'Arms and the Man'?
  1. A movie screenplay
  2. A collection of poems
  3. A three-act play
  4. A historical novel
ব্যাখ্যা
• Arms and the Man:
- এটি George Bernard Shaw লিখিত three acts এর নাটক।
- এটি 1898 সালে প্রকাশিত হয়।
- এই নাটকটির settings হলো Bulgaria এর Petkoff household.
- It satirizes romantic ideas concerning war and heroism.

• নাটকটির প্রধান চরিত্রগুলি হল:
- রেশা (Raina Petkoff): একটি সুন্দর ও রোমান্টিক তরুণী, যিনি যুদ্ধের প্রতি এক ধরনের অতিরঞ্জিত অনুভূতি ধারণ করেন।
- ক্যাপ্টেন ব্লাঞ্চফ্লাওয়ার (Captain Bluntschli): একজন সুইস সৈন্য, যিনি বাস্তবে সাহসী নন, তবে অত্যন্ত বাস্তববাদী এবং সরল মনোভাবের অধিকারী।
- সার্জেন্ট সর্গুইভ (Sergeant Saranoff): রেশার প্রেমিক, যিনি একজন রোমান্টিক এবং সাহসী সৈন্য, যিনি নিজেকে অত্যন্ত সাহসী মনে করেন।

- মিঃ পেটকফ (Mr. Petkoff): রেশার বাবা, যিনি একজন উঁচু পদস্থ এবং ধনী ব্যক্তি।
- লুকা (Luka): পেটকফ পরিবারের দাসী, যিনি নাটকের কিছু হাস্যরসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি করেন।

• George Bernard Shaw:
- একজন বিখ্যাত আইরিশ Playwright and a Critic.
- তিনি ১৯২৫ সালে ইংরেজি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তাঁর উপাধি হলো - The greatest modern English dramatist এবং তাঁকে The father of modern English literature বলা হয়।

 • Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession;(play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House,
- Caesar and Cleopatra; (play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc etc.

Source: Britannica.
৯০.
An epitaph is often found on which of the following?
  1. A gravestone or memorial
  2. A wedding invitation
  3. A birthday card
  4. A certificate of achievement
ব্যাখ্যা
• Epitaph:
- এর অর্থ সমাধিলিপি।
- An epitaph is a short statement about a deceased person, often carved on his/her tombstone.
- Epitaphs can be poetic, sometimes written by poets or authors themselves before dying.
- The phrase epitaph comes from the Greek phrase epitaphios meaning “funeral oration.”

• ইংরেজি শব্দ "epitaph" এর বাংলা অর্থ হলো "স্মৃতিলিপি" বা "শবফলক"। এটি মূলত এমন একটি লিখিত বা খোদিত বক্তব্য, যা মৃত ব্যক্তির স্মরণে তার সমাধির উপর লেখা থাকে। এই লিখাটি সাধারণত মৃত ব্যক্তির জীবনের সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ বা তার সম্পর্কে কিছু প্রশংসা, গুণ বা গুণাবলী প্রকাশ করে।

• ব্যবহার:
- এপিটাফ সাধারণত সমাধি বা কবরস্থানের উপর শিলালিপি হিসেবে দেখা যায়, যেখানে মৃত ব্যক্তির নাম, জন্ম এবং মৃত্যু তারিখ, এবং মাঝে মাঝে কিছু অর্থপূর্ণ উদ্ধৃতি বা প্রার্থনা লেখা থাকে।

• উদাহরণ:
- "Here lies a man who gave his heart to the service of others."
- (এখানে শায়িত আছেন এক ব্যক্তি যিনি নিজের হৃদয় দিয়ে অন্যদের সেবা করেছেন।)

- "Rest in peace, you will forever live in our hearts."
- (শান্তিতে বিশ্রাম নাও, তুমি চিরকাল আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে।)

Source: literary.net
৯১.
The poet of 'Rabbi Ben Ezra' is:
  1. Lord Byron
  2. Robert Browning
  3. Elizabeth Barrett Browning
  4. Samuel Taylor Coleridge
ব্যাখ্যা
• The Poem 'Rabbi Ben Ezra' is written by - Robert Browning.
- এটি হচ্ছে একটি dramatic monologue.
- ১৮৬৪ সালে কবিতাটি তাঁর Dramatis Personae সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল।

- Through the personage of Rabbi Ben Ezra, a scholarly and learned Jew, the poem sets forth Browning’s religious philosophy.
- The poem’s final metaphor describes life as a pot that is fashioned by the Master’s hand and argues that the value of a person should be measured not by the work done but by the character that has been molded.

• কবিতার মূল বিষয়বস্তু:
- কবিতার শুরুতেই, রাব্বি বেন এজরা তার জীবনের অর্থ এবং বয়সের আসল উদ্দেশ্য নিয়ে চিন্তা করছেন। তিনি তার তরুণ বয়সে বিভিন্ন স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে জীবন শুরু করেছিলেন, তবে এখন প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তিনি বুঝতে পারছেন যে জীবন একটি ধাপে ধাপে পরিবর্তিত হওয়া প্রক্রিয়া, যা কখনোই সম্পূর্ণ নয়।

রাব্বি বেন এজরা যুবক থেকে বৃদ্ধ হওয়ার প্রক্রিয়ায় তার জীবনকে একটি 'অন্তহীন যাত্রা' হিসেবে দেখছেন, যেখানে প্রতিটি অভিজ্ঞতা তার জীবনকে গঠন করে এবং প্রতিটি সময়ের অভিজ্ঞতা আলোকিত করে।

• Robert Browning:
- Victorian age এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে তাকে গণ্য করা হয়। 
- তিনি খ্যাতি অর্জন করেছিলেন তার dramatic monologues এর জন্য।

Best Works:
- The Ring and the Book,
- Fra Lippo Lippi,
- My Last Duchess,
- Paracelsus ,
- Rabbi Ben Ezra,

- Sordello,
- Pauline,
- The Patriot,
- A Grammarian’s Funeral,

- Andera del Sarto,
- Men and Women,
- Dramatic Lyrics,
- Dramatis Personae,

- Bishop Blougram’s Apology,
- Christmas Eve and Easter-Day,
- Porphyria's Lover.

Source: Britannica.
৯২.
Authorities are struggling to control mob justice in Bangladesh, especially when the mob gathers in large numbers.
The underlined word is a/an -
  1. Proper noun
  2. Abstract noun
  3. Collective noun
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
• Authorities are struggling to control mob justice in Bangladesh, especially when the mob gathers in large numbers.
- The underlined word is a/an - Collective noun.

• Collective Noun:
- A Collective Noun is the name of a number (or collection) of persons or things taken together and spoken of as one whole.
- যে সকল Noun দ্বারা সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি, বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায় তাদেরকে Collective Noun বলে।
- অর্থাৎ কিছু Common Noun এর সমষ্টিকে collective noun বলে।
- A collective noun refers to a group of people, animals, or things as a single entity. Here are some examples:

• কিছু collective noun হচ্ছে:
- cattle,
- herd,
- army,
- public,
- library,
- jury,
- committee,
- crew,
- majority,
- minority, etc.

More examples with categories:
• People:
- A team of players
- A jury of judges
- A choir of singers
- A band of musicians
- A class of students

• Animals:
- A flock of birds
- A herd of cattle
- A swarm of bees
- A pack of wolves
- A pride of lions

• Things:
- A bouquet of flowers
- A fleet of ships
- A bundle of sticks
- A set of tools
- A stack of books
৯৩.
________ U.K. always calls me back, like an old melody I can’t forget.
  1. A
  2. An
  3. The
  4. Zero article
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর - The.
- Complete Sentence: The U.K. always calls me back, like an old melody I can’t forget.

• Article এর নিয়মানুযায়ী,
- দেশের নামের পূর্বে সাধারণত article বসে না।
- যেমন:  Fahim is going to England next week.
- কিন্তু,  ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান বা United/ সংযুক্ত দেশগুলোর নামের আগে the বসে।
- যেমন - The U.S.A, The U.K ইত্যাদি।

Example Sentence:
1. The soft rain in the U.K. has a way of turning even the busiest streets into poetry.
2. He often speaks of the U.K. as if it were a forgotten chapter in his favorite novel.

3. My friend who studied in the U.S.A. just got a new job.
4. The company based in the U.S.A. is expanding its operations.
৯৪.
Choose the correct sentence.
  1. Some chase millions, I just need only few money and a peaceful heart.
  2. Some chase millions, I just need the little money and a peaceful heart.
  3. Some chase millions, I just need the few money and a peaceful heart.
  4. Some chase millions, I just need a little money and a peaceful heart.
ব্যাখ্যা
• Correct sentence: Some chase millions, I just need a little money and a peaceful heart.
- প্রশ্নটি করা হয়েছে determiner এর ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে।
 
• Uncountable noun এর সাথে little, a little, much, less...than ইত্যাদি বসে।
- Money হলো Uncountable noun.
- তাই এর পূর্বে determiner হিসাবে a little বসবে। 

• Little, a little এবং the little এর মাঝে পার্থক্য:
• Little- নেই বললেই চলে = Negative.
- There is little water in the glass. (পানি নেই বললেই চলে)।

• A little- আছে কিন্তু খুবই অল্প - Positive.
- There is a little sugar in the kitchen. (চিনি আছে কিন্তু অল্প)।

• The little- অনেক নয়; কিন্তু যারা আছে সবটুকুই।
- The little knowledge he has is adequate to pass the test.

 • Few/A Few/The Few (এরা সবসময় Plural Countable Noun এর সাথে বসে)।

More Examples:
- With a little money and a little magic, anything feels possible.
- A little money can buy coffee, but not the quiet mornings that make it special.

- Happiness isn’t in a little money, but in how you spend your moments.
- A little money in my pocket, a thousand stars in my eyes.
৯৫.
In medieval times, the role of a "Varlet" was typically associated with which gender?
  1. Female
  2. Male
  3. Both male and female
  4. Gender-neutral
ব্যাখ্যা
• The required answer is - Male.

• Varlet (noun)
English Meaning:
- a knight's page.
- base unprincipled person: knave.

- "ভারলেট" (Varlet) শব্দটি মধ্যযুগের ইউরোপীয় যুদ্ধবিদ্যা ও সামাজিক রীতি-নীতি থেকে এসেছে। এটি মূলত একজন তরুণ নাইট বা সৈন্যের পদবী ছিল, যিনি একজন নাইটের অধীনে সেবা করতেন এবং বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করতেন। তবে, এই শব্দটি প্রায়ই পুরুষদের জন্য ব্যবহৃত হত। সাধারণত, ভারলেটরা নাইটদের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন এবং যুদ্ধের সময় তাদের অস্ত্র বহন করতে, ঘোড়া প্রস্তুত করতে, বা শত্রু সম্পর্কে খবর সংগ্রহ করতে সহায়তা করতেন। তাদের প্রশিক্ষণ ছিল এমন যে, তারা ভবিষ্যতে নাইট হতে পারে।

- এই ভূমিকা মূলত পুরুষদের জন্য ছিল কারণ, মধ্যযুগে নারীদের সামরিক ও যোদ্ধা ভূমিকা ছিল খুবই সীমিত। নারীরা সাধারণত গৃহস্থালি কাজ বা শাসনকাজে নিয়োজিত থাকতেন, এবং যুদ্ধে অংশগ্রহণ বা নাইটের ভূমিকা পুরুষদের জন্যই ছিল।

- তবে, ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে নারীদের কিছু ক্ষেত্রে সাহসিকতা প্রদর্শন বা যুদ্ধে অংশগ্রহণের নজিরও রয়েছে, তবে এই রকম "ভারলেট" বা নাইটের ভূমিকা সাধারণত পুরুষদের জন্যই ছিল।

Source: merriam-webster.
৯৬.
Which of the following sentences contains a plural number?
  1. The athlete ran swiftly.
  2. She had an interesting conversation.
  3. The pie was delicious.
  4. The trees swayed in the wind.
ব্যাখ্যা
• The required answer is - The trees swayed in the wind.
- The sentence contains a plural number.

অপশন আলোচনা:
A) The trees swayed in the wind.
- এখানে "trees" শব্দটি - plural noun কারণ এটি একাধিক গাছকে বোঝাচ্ছে।

B) The pie was delicious.
- এখানে "pie" শব্দটি - singular noun কারণ এটি একটি পিঠাকে বোঝাচ্ছে।

C) She had an interesting conversation.
- এখানে "conversation" শব্দটি - singular noun কারণ এটি একটি কথোপকথনকে বোঝাচ্ছে।

D) The athlete ran swiftly.
- এখানে "athlete" শব্দটি - singular noun, কারণ এটি একজন ক্রীড়াবিদের বোঝাচ্ছে।
৯৭.
Which of the following is an antonym of "Toady"?
  1. Heroic
  2. Dissenter
  3. Discreet
  4. Superior
ব্যাখ্যা
• Toady (noun)
English Meaning: A person who behaves obsequiously to someone important in order to gain advantage or favor; a sycophant.
Bangla Meaning: যারা ক্ষমতাশালী বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির প্রতি অত্যধিক প্রশংসা বা তোষামোদ করে নিজের সুবিধা বা প্রাপ্তি লাভ করার চেষ্টা করে।

অপশন আলোচনা:
- ক) Heroic - সাহসী বা মহান।
- খ) Dissenter - একজন ব্যক্তি যিনি অন্যদের মতামত বা বিশ্বাসের বিপরীতে কিছু বলেন বা করেন; এটি "toady"-এর বিপরীত হতে পারে, কারণ "toady" এক ধরনের লোক যারা অন্যদের প্রতি সবার সঙ্গে একমত থাকে।

- গ) Discreet - সচেতন এবং পরিমিত।
ঘ) Superior - শ্রেষ্ঠ বা উন্নত।

Correct Answer: খ) Dissenter

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৯৮.
Feeling herself fall, she clutched _______ a branch.
  1. in
  2. for
  3. of
  4. at
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: Feeling herself fall, she clutched at a branch.

• clutch at something (phrasal verb with clutch verb)
English Meaning: to try very hard to hold something.
Bangla Meaning: কিছুতে ধরতে চেষ্টা করা।

Example Sentence:
- In the middle of the storm, she clutched at her umbrella, trying not to let it fly away.
- He was so scared during the presentation that he clutched at the podium for support.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৯৯.
The flowers bloomed in the quiet garden. Here 'bloomed' is -
  1. Transitive verb
  2. Causative verb
  3. Intransitive verb
  4. Phrasal verb
ব্যাখ্যা
• The flowers bloomed in the quiet garden.
- Here 'bloomed' is an intransitive verb.
- বাক্যে verb (bloomed) এবং এর object নেই তাই এটি Intransitive verb.

• Intransitive Verb:
- যেসব ক্রিয়ার কোনো object বা কর্ম থাকে না, সেগুলোকে Intransitive Verb বলা হয়।
- সাধারণত Intransitive Verb-এর পরে adverb বা preposition ব্যবহৃত হয়।
- বাক্যে ব্যবহৃত ক্রিয়ার কাছে "কী (what)" বা "কাকে (whom)" দিয়ে প্রশ্ন করলে যদি কোনো উত্তর না পাওয়া যায়, তবে তা সাধারণত Intransitive Verb।
- উল্লেখযোগ্যভাবে, Intransitive Verb-এর ক্ষেত্রে "কখন (when)" বা "কোথায় (where)" দিয়ে প্রশ্ন করতে হয়।
- Intransitive Verb-এর সাধারণ গঠন: subject + verb।

Intransitive Verb যুক্ত কিছু উদাহরণ বাক্য:
- The waves crashed against the shore.
- এখানে, 'crashed' হচ্ছে - Intransitive Verb.

- The fire flickered in the dark.
- এখানে, 'flickered' হচ্ছে - Intransitive Verb.

- The leaves danced in the breeze.
- এখানে, 'danced' হচ্ছে - Intransitive Verb.

- The birds soared above the valley.
- এখানে, 'soared' হচ্ছে - Intransitive Verb.

- The stars twinkled in the midnight sky.
- এখানে, 'twinkled' হচ্ছে - Intransitive Verb.

- The rain fell gently on the earth.
- এখানে, 'fell' হচ্ছে - Intransitive Verb.
১০০.
The dictator was in the driving seat for over two decades. What does this imply about the dictator’s role?
  1. The dictator held absolute power and control over the country.
  2. The dictator was an advisor to the government.
  3. The dictator had no influence on the regime's decisions.
  4. The dictator was mostly inactive during the period.
ব্যাখ্যা
• The required answer is - The dictator held absolute power and control over the country.

• Idiom/Expression: In the driving seat
English Meaning: To be in control or in charge of a situation or organization.
Bangla Meaning: পরিস্থিতি বা সংস্থা পরিচালনায় ক্ষমতাশালী হওয়া।

Example Sentence:
- The dictator was in the driving seat for over two decades.
- Explanation: This implies that the dictator held absolute power and control over the country during this period.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১০১.
He said, "Let the children play outside." (Make it indirect)
  1. He proposed that the children could play outside.
  2. He told that the children can play outside.
  3. He suggested that the children may play outside.
  4. He said that the children might play outside.
ব্যাখ্যা
Direct Speech: He said, "Let the children play outside."
Indirect Speech: He said that the children might play outside.

• Let যুক্ত imperative sentence কে direct থেকে indirect করার নিয়ম:
- Reported Speech-টি যদি Let's/ Let us দিয়ে শুরু হয় তাহলে তা কোন প্রস্তাব বুঝায়।
- Let এর পর me, him, them থাকলে প্রস্তাব বুঝাবে না

•  Direct speech থেকে Indirect speech এ রূপান্তরিত করার সময় Let দ্বারা প্রস্তাব না বোঝালে Reporting verb এর পরিবর্তন হয় না।
-  Inverted comma উঠে গিয়ে  that বসে + Reported Verb এর subject পুনরায় বসে + might + reporting speech এর মূল verb থেকে শেষ পর্যন্ত হয়। 

• Structure:
- Subject + প্রদত্ত  Reporting verb + object যদি থাকে + that + Reported speech এর subject + might + reporting speech এর মূল verb থেকে শেষ পর্যন্ত।

Example:
Direct Speech: She said, "Let me explain the situation."
Indirect Speech: She said that I might explain the situation.

Direct Speech: We said, "Let them know about the change."
Indirect Speech: We said that we might know about the change.
১০২.
What does the word "froward" mean in context?
"The froward child refused to follow any instructions, making the task almost impossible."
  1. Quiet and obedient
  2. Disobedient and willful
  3. Shy and introverted
  4. Helpful and considerate
ব্যাখ্যা
• The froward child refused to follow any instructions, making the task almost impossible."
- The word "froward" means - Disobedient and willful.

• Froward (Adjective)
English Meaning: Habitually disposed to disobedience and opposition.
Bangla Meaning: বিকৃতরুচি; উচ্ছৃঙ্খল বিকৃতবুদ্ধি; অবাধ্য; একগুঁয়ে।

Example Sentence:
- The froward child refused to listen to anyone, making the teacher's job much harder.
- His froward attitude during the meeting upset everyone and made it difficult to reach an agreement.
- Despite his froward nature, he was eventually convinced to follow the instructions after a lengthy discussion.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১০৩.
People always find hope in the darkest times. (Make it passive)
  1. Hope in the darkest times should be found to people.
  2. Hope in the darkest times being always found by people.
  3. Hope in the darkest times are always found.
  4. Hope in the darkest times is always found.
ব্যাখ্যা
Active: People always find hope in the darkest times.
Passive: Hope in the darkest times is always found.

• Active voice কে Passive Voice- এ রূপান্তরের নিয়ম:
- Active Voice এর object টি Passive Voice এর Subject হয়।
- Active Voice এর মূল Verb এর form অনুযায়ী অতিরিক্ত ‘be’ Verb বসে।
- মূল verb এর Past Participle form বসে।
- Active Voice এর subject টি Passive Voice এর Object হয় এবং তার পূর্বে Preposition (By, with, at, to, in) বসে।

• তবে,  Active Voice এর Subject People হলে, তা Passive Voice এর Object হিসেবে না লিখলেও চলে।

More Examples:
Active: People always crave new adventures.
Passive: New adventures are always craved.

Active: People always cherish the moments that matter most.
Passive: The moments that matter most are always cherished.
১০৪.
Her kindness was truly _______.
  1. incomprehensible
  2. incomprehesible
  3. incomprehansible
  4. incomprihensible
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: Her kindness was truly incomprehensible.

• Incomprehensible (adjective)
English Meaning: Impossible to understand or grasp; unclear or confusing.
Bangla Meaning: যা বোঝা অসম্ভব, অস্পষ্ট বা বিভ্রান্তিকর।

Example Sentences:
- The instructions were so complex that they were incomprehensible to most of the students.
- The scientist's explanation of the experiment was incomprehensible to anyone without a background in chemistry.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১০৫.
Nothing is more beautiful than a kind heart, _____?
  1. didn't
  2. doesn't
  3. is it
  4. isn't it
ব্যাখ্যা
• Correct tag question: Nothing is more beautiful than a kind heart, is it?

• Tag question করার নিয়ম-
- সাধারণত Tag question ব্যবহৃত হয় পূর্বে উল্লেখিত কোন উক্তি সত্য না মিথ্যা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য।
- Statement positive হলে tag question টা negative হবে।
- আবার statement negative হলে tag question positive হবে।

- Subject ও Tense অনুসারে auxiliary verb দ্বারা tag question তৈরি হয়।
- Something/ nothing/ anything/ everything ইত্যাদি Statement-এর subject হিসেবে ব্যবহৃত হলে Tag Question-এ Subject হিসেবে it ব্যবহৃত হয়।
- যেহেতু প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যটি Negative এ আছে, তাই Tag question Affirmative হবে।
- Subject ও Tense অনুসারে auxiliary verb অনুযায়ী সঠিক tag হবে - is it?

More Examples:
1. Nothing is more powerful than love, is it?
2. Nothing is certain in life, is it?
3. Nothing is too difficult to achieve, is it?
১০৬.
You can’t just let her go like that. Here 'go' is -
  1. Infinitive
  2. Participle
  3. Copulative Verb
  4. Gerund
ব্যাখ্যা
• You can’t just let her go like that.
- Here 'go' is - Infinitive.

- Infinitive হচ্ছে verb এর base form অথবা to + base form.

• Infintive দুই রকম হতে পারে-
১. To-যুক্ত infinitve এবং
২. To-বিহীন infinitive বা Bare Infinitive.

• সাধারণত এর অর্থ হয়ে থাকে “করতে/ খেতে/ যেতে/ বলতে” এ রকম। অর্থাৎ- বাংলা ক্রিয়ার শেষে 'তে' যোগ হয়।
• আবার to + verb, noun হিসেবে ব্যবহার হলে ক্রিয়ার শেষে আ-কার যোগ করা হয়। যেমন- to swim = সাতার কাটা ইত্যাদি।

• Let-এর পরে Verb-এর Bare Infinitive (to-বিহীন infinitive form) বসে।
- তাই, go verb-টি to-বিহীন infinitive form.
- সুতরাং, সঠিক উত্তর infinitive.

- Bare Infinitive এর উদাহরণ:
- I can’t let her go, she’s a part of me.
- I won’t let you down.
- He saw her leave the house early.
- I’ll have you know I’m not giving up.
- The teacher made us study for the exam.
১০৭.
"Diffidence" can most likely be observed in which of the following actions?
  1. A person making assertive decisions without second-guessing
  2. A person confidently presenting an idea to their boss
  3. A person volunteering to take charge of a group project
  4. A person hesitating to speak up in a conversation due to self-doubt
ব্যাখ্যা
• The required answer is - A person hesitating to speak up in a conversation due to self-doubt.

• Diffidence (noun) 
English Meaning: The quality of being shy and not confident of your abilities.
Bangla Meaning: আত্মপ্রত্যয়হীনতা; অবিশ্বাস।

Example Sentence:
1. Her diffidence prevented her from speaking up in meetings, even when she had valuable ideas.
2. He approached the interview with a touch of diffidence, unsure of how his qualifications would be received.
3. Despite his great achievements, a sense of diffidence often overshadowed his confidence in public speaking.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১০৮.
I met a boy who was shy and introverted. (Make it simple)
  1. I met a shy and introverted boy.
  2. I met a boy of being shy and introverted.
  3. I met a boy in need of shy and introverted.
  4. None of the above is correct
ব্যাখ্যা
Complex: I met a boy who was shy and introverted.
Simple: I met a shy and introverted boy.

• Complex to simple:
• অনেক সময় relative pronoun + adjective টি object এর পরে বসে। সেক্ষেত্রে Complex sentence কে Simple করার নিয়ম:
- প্রথমে subject বসে।
- verb বসে।
- article বসে।
- প্রদত্ত adjective টি বসে।
- object বসে।

More Examples:
Complex: They found a dog that was injured and scared.
Simple: They found an injured and scared dog.

Complex: I saw a woman who was lost and confused.
Simple: I saw a lost and confused woman.
১০৯.
Which word best matches the meaning of "Specious"?
  1. Reliable
  2. Valid
  3. Facetious
  4. Spurious
ব্যাখ্যা
• Specious (adjective)
English Meaning: Appearing to be true or right, but actually false or deceptive.
Bangla Meaning: যা সঠিক বা সৎ মনে হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ভুল বা প্রতারণামূলক।

অপশন আলোচনা:
ক) Reliable - নির্ভরযোগ্য।
খ) Valid - বৈধ।
গ) Facetious - হাস্যরসাত্মক বা মজা।
ঘ) Spurious - মিথ্যা বা জাল।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১১০.
Archimedes _______ 'Eureka!' in a moment of clarity.
  1. is shouting
  2. shouted
  3. have shouted
  4. was shouted
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - shouted.
- Complete sentence: Archimedes shouted 'Eureka!' in a moment of clarity.

• অতীতের সাধারণ ঘটনা বুঝাতে এখানে past indefinite tense ব্যবহৃত হবে।
- তাই শূন্যস্থানে invented বসবে।

• More Examples:
- Einstein unravelled the mysteries of space and time.
- Cleopatra ruled with both beauty and power.
- Da Vinci painted the whispers of the soul.
১১১.
Identify the correct sentence.
  1. We mooched in at some antique stores and then went to a cafe.
  2. We mooched around at some antique stores and then went to a cafe.
  3. We mooched for at some antique stores and then went to a cafe.
  4. We mooched of at some antique stores and then went to a cafe.
ব্যাখ্যা
• The correct sentence: We mooched around at some antique stores and then went to a café.

• mooch around/about (phrasal verb)
English Meaning: to walk around with no particular purpose.
Bangla Meaning: ভ্রামণ করা অকারণে ঘুরে বেড়ানো।

Example Sentence:
- I spent the afternoon mooching around the mall, just looking at window displays.
- They decided to mooch around the city and see where the day would take them.
- He likes to mooch about the park, watching people and enjoying the fresh air.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১১২.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ মতে, দেশে সেবা খাতে নিযুক্ত রয়েছেন মোট শ্রমশক্তির -
  1. ১৭ শতাংশ
  2. ৩৮ শতাংশ
  3. ৪০ শতাংশ
  4. ৪৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান:
⇒ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ মতে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে -

• সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।
- সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮ শতাংশ।

এছাড়াও,
• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭ শতাংশ।

• কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫ শতাংশ।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 
১১৩.
গৌড়রাজ শশাঙ্ক কোন শতকে শাসন করেন?
  1. ষষ্ঠ শতক
  2. সপ্তম শতক
  3. অষ্টম শতক
  4. নবম শতক
ব্যাখ্যা
শশাঙ্ক:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি সপ্তম শতকে শাসন করেছিলেন।
- হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং শশাঙ্ককে ‘গৌড়াধিপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ স্বাধীন গৌড়রাজ্য:
- গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটলে পরবর্তী গুপ্তবংশ নামে পরিচিত গুপ্ত উপাধি নেয়া রাজাগণ বাংলা, পশ্চিম বাংলার উত্তরাংশ ও মগধে ক্ষমতা বিস্তার করেছিলেন। বিভিন্ন কারণে গুপ্ত বংশের রাজারা দুর্বল হয়ে পড়লে এ অবস্থার সুযোগ নিয়ে মগধে শশাঙ্ক নামক এক খ্যাতিমান শাসক গৌড় রাজ্যের ক্ষমতা দখল করেন। প্রাথমিক যুগে শশাঙ্ক ছিলেন গুপ্ত রাজ মহাসেন গুপ্তের একজন মহাসামন্ত। ৬০৬ খ্রিস্টাব্দের আগে কোন এক সময় তিনি গৌড়ের স্বাধীন নরপতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। তিনি কর্ণসুবর্ণে রাজধানী স্থাপন করেন। প্রাথমিক সময়ে স্বাধীন গৌড় রাষ্ট্রের রাজা শশাঙ্ক দণ্ডভুক্তি রাজ্য, উড়িষ্যার উৎকল ও কঙ্গোগ রাজ্য এবং বিহারের মগধ রাজ্য জয় করে তার রাজ্যসীমা বৃদ্ধি করেন। পশ্চিমে তার রাজ্য বারানসী পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল। কামরূপ রাজারাও শশাঙ্কের হাতে পরাজিত হন।

উৎস: i) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) মুর্শিদাবাদ জেলা ওয়েবসাইট।
১১৪.
দেশের একমাত্র সরকারি হার্ড বোর্ড কারখানা কোনটি?
  1. কর্ণফুলী হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ
  2. পাবনা হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ
  3. খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ:
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ, শহর খালিশপুর, খুলনা দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা।
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে ১৯৬৫ সালে।
- কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়।
- এটি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন( বিসিআইসি) এর অধিনস্থ্য একটি প্রতিষ্ঠান।
- কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ।

উল্লেখ্য,
- দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড মিলটি ১৯৬৫ সালে স্থাপন করা হয়।
- কানাডীয় অনুদানে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা মিলটি স্থাপন করে।
- স্বাধীনতার পরে সেটি বিসিআইসির কাছে আসে।
- তখন কারখানার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৩ কোটি বর্গফুট।

[উল্লেখ্য, মিলটি প্রতিষ্ঠার পরে অনেকবার বন্ধ ও পুনরায় চালু হয়েছে। বর্তমানে মিলটী বন্ধ রয়েছে এবং মিলটি চালুর জন্য বাংলাদেশের অন্তবর্তাকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। মিলটি চালু হলয়ে বেকার সমস্যার অনেকখানি সমাধান হবে।]

উৎস: i) খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ।
ii) প্রথম আলো।
১১৫.
মুক্তিযুদ্ধের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন কে?
  1. কে এম সফিউল্লাহ
  2. জেনারেল নিয়াজী
  3. জনাব কাদের সিদ্দিকী
  4. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে।
- তাদের এ আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।

উল্লেখ্য,
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সকালে মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান।
- ১৬ ডিসেম্বর বিকালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ৯৩ হাজার সৈন্য বিনা শর্তে সম্মিলিত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- এই আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন পূর্বাঞ্চলের সম্মিলিত বাহিনী প্রধান লেঃ জেনারেল জগজিত সিং অরোরা ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় অধিনায়ক লেঃ জেঃ এ কে নিয়াজী।
- এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ-সেনা প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

এছাড়াও,
- এই অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনীর নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন এস ফোর্স অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কে এম সফিউল্লাহ, ২নং সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এ টি এম হায়দার এবং টাঙ্গাইল মুক্তি বাহিনীর অধিনায়ক জনাব কাদের সিদ্দিকী।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হয়।
- প্রতি বছর এই দিনটি "বিজয় দিবস" হিসাবে পালিত হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণি। 
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১৬.
শালবন বিহারের অবস্থান কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত?
  1. বঙ্গ
  2. চন্দ্রদ্বীপ
  3. হরিকেল
  4. সমতট
ব্যাখ্যা
শালবন বিহার:
- কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান।
- কুমিল্লা জেলার কোটবাড়িতে বার্ডের কাছে লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায় এ বিহারটির অবস্থান।
- স্থানগত ভাবে এটি সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

⇒ সমতট:
- দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম সমতট।
- বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কিছু অংশ, বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল সমতট নামে পরিচিত ছিল।
- মেঘনা পূর্ববর্তী এলাকায় কুমিল্লা-নোয়াখালীর সমতল অঞ্চলে ছিল সমতটের অবস্থান।
- তবে ত্রিপুরাকে সমতটের প্রধান কেন্দ্র বলা হতো।
- রাজা রাজভট্টের (৭ম শতকে) অন্যতম রাজধানী ছিল বড়োকামতা।

উল্লেখ্য,
- সমুদ্রগুপ্তের সময় থেকে (চতুর্থ শতাব্দী) এর স্বতন্ত্র অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়।
- লালমাই-ময়নামতীকে কেন্দ্র করে এ অঞ্চল গড়ে উঠেছিল।
- চন্দ্রবংশীয় রাজা ভবদেবের আমলে (সপ্তম শতাব্দী) ময়নামতীতে শালবন বিহার তৈরি হয়।
- বিভিন্ন সময় উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন লিপিতে ‘দেবপর্বত’কে সমতটের রাজধানী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। 
- সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন হিউয়েন সাঙ।
- সাত শতকে সমতটের রাজধানী ছিল বড়কামতা। 

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১১৭.
পূর্ববাংলা ভাষা কমিটি কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৪৯ সালে
  2. ১৯৫০ সালে
  3. ১৯৫১ সালে
  4. ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৪৯-১৯৫২ সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলনের বিস্তার:
- ১৯৪৯ সাল থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত সময়কে ভাষা আন্দোলনের প্রস্তুতি পর্ব বলা যায়।
- ১৯৪৮ সালের পর প্রতি বছর ১১ মার্চ প্রতিবাদ দিবস হিসেবে পালন করা হতো।
- ১৯৪৯ সালে আরবি হরফে বাংলা লেখার সরকারি ষড়যন্ত্র শুরু হয়।
- এ উদ্দেশে ১৯৪৯ সালের মার্চে আকরাম খাঁকে সভাপতি করে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী 'পূর্ববাংলা ভাষা কমিটি' গঠন করে।
- 'পূর্ববাংলা ভাষা কমিটি' গঠিত হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রতিবাদ জানায়।
- ১৯৫০ সালের ১১ মার্চ আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালে নাজিমুদ্দিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হয়ে ২৭ জানুয়ারি উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দেন।
- এর প্রতিবাদে ছাত্র সমাজ ৩০ জানুয়ারি ধর্মঘট পালন করে।
- ৩১ জানুয়ারি সর্বদলীয় সভায়ও সরকারি নীতির সমালোচনা করা হয়।
- এ সময় আব্দুল মতিনকে আহবায়ক করে নতুন রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
-  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ৩০ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে এক সভায় 'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- এ পরিষদই ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ববঙ্গে হরতাল আহ্বান করে।
- কিন্তু সরকার বিক্ষোভ দমনে ১৪৪ ধারা জারি করলে শুরু হয় ভাষা আন্দোলনের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত পর্ব।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৮.
রেফারেন্ডাম সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ৪৮ নং
  2. ১৪২ নং
  3. ৫৬ নং
  4. রেফারেন্ডামের কোন অনুচ্ছেদ নেই
ব্যাখ্যা
গণভোট (Referendum):
- আক্ষরিক অর্থে গণভোট বলতে জনগণের কাছে উপস্থাপিত করা (refer to the people)-কে বোঝায়।
- আইনসভার দ্বারা প্রণীত আইনকে ভোটের মাধ্যমে অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করার জন্য জনসাধারণের কাছে উপস্থাপিত করাকে বলে গণভোট (Referendum)।
- অর্থাৎ গণভোট হল এমন এক উপায় বা পদ্ধতি যার মাধ্যমে কোন একটি আইন চূড়ান্তভাবে গৃহীত হওয়ার আগে জনসাধারণের মতামত নেওয়া হয়।
- সংবিধানে গণভোট (Referendum) সংক্রান্ত কোনো অনুচ্ছেদ নেই।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধনের সুনির্দিষ্ট নিয়ম বা পদ্ধতি উল্লেখিত রয়েছে।
- সংবিধান সংশোধন বা পরিবর্তন এবং গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়নে গণভোটের বিধান রয়েছে, তবে চাইলেই যেকোন বিষয়ে গণভোট করা যায় না।
- সংবিধানের ৮, ৪৮, ৫৬, ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করতে গণভোট প্রয়োজন হবে, তবে অন্য অনুচ্ছেদগুলো সংশোধন করতে এর প্রয়োজন নেই। 

উল্লেখ্য,
- গণভোটের বিধান নিয়ে রায়ে বলা হয়েছে, ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী মাধ্যমে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের বিধান যুক্ত করা হয়েছিল।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই বিধান বাদ দেওয়া হয়।
- এ ছাড়া জনমত বা জন- আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ৮, ৪৮ ও ৫৬ অনুচ্ছেদ অসংশোধনযোগ্য ঘোষণা করা হয়, যা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোবিরোধী এবং অসংগতিপূর্ণ। তাই পঞ্চদশ সংশোধনী আইন, ২০১১-এর ৪৭ ধারার মাধ্যমে ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে গণভোটের বিধান বাতিল করাকে বাতিল ঘোষণা করা হলো। ফলে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৪২ অনুচ্ছেদে যুক্ত করা গণভোটের বিধান পুনরুদ্ধার হলো।

উৎস: i) গণভোট আইন, ১৯৯১।
ii) Surendranath Evening College।
১১৯.
ফকির-সন্ন্যাসীরা কার পক্ষ নিয়ে ইংরেজদের বিপক্ষে যুদ্ধ করেছিলেন?
  1. মীরজাফর
  2. মীরকাশিম
  3. মীর মদন
  4. নবাব আলীবর্দী খান
ব্যাখ্যা
ফকির-সন্ন্যাসীরা মীরকাশিমের পক্ষ নিয়ে ইংরেজদের বিপক্ষে যুদ্ধ করেছিলেন।

ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:

- ফকির-সন্ন্যাসীরা ছিল বাংলার অধিবাসী। এরা ছিল হিন্দু মুসলমান সম্প্রদায় ভুক্ত নারী-পুরুষ নির্বিশেষে এক একটি দল।
- এরা ধর্মীয় সম্প্রদায় গোষ্ঠি হিসেবে পরিচিত ছিল।
- কিন্তু ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে তাদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য বিদ্রোহী হতে এবং অস্ত্র ধারণ করতে হয়।
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ চলতে থাকে।

⇒ বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছিল ব্রিটিশ বিরোধী বিদ্রোহ।
- এর আগে নবাব মীর কাশিম ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধে ফকির-সন্ন্যাসীদের সাহায্য চান।
- এই ডাকে সাড়া দিয়ে ফকির-সন্ন্যাসীরা নবাবের পক্ষে যুদ্ধ করে।
- যুদ্ধে পরাজিত হয়ে মীর কাশিম পালিয়ে গেলেও ফকির-সন্ন্যাসীরা তাদের ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রাম চালিয়ে যেতে থাকে।

⇒ ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে।
- তবে এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে।
- এ সব সংঘর্ষে বিদ্রোহীরা অনেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে এবং কোম্পানির বহু কুঠি লুঠ করে।
- ফকির মজনু শাহর যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি, অর্থাৎ অতর্কিতে আক্রমণ করে নিরাপদে সরে যাওয়া।
- ফকির মজনু শাহ ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।
- অপরদিকে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতা ভবানী-পাঠক ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে লেফটেন্যান্ট ব্রেনানের নেতৃত্বে একদল ব্রিটিশ সৈন্যের আক্রমণে দুই সহকারীসহ নিহত হন।
- সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রধান নেতা ছিলেন তিনি।
- ফলে তার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের অবসান ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২০.
বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪’ লাভ করে -
  1. ৭ জন
  2. ৫ জন
  3. ৮ জন
  4. ১১ জন
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমসাময়িক জীবিত লেখকদের সামগ্রিক মৌলিক অবদান চিহ্নিত করে তাঁদের সৃজনী প্রতিভাকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করাই বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের উদ্দেশ্য।
- প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপ্তদের পুস্কারের অর্থমূল্যের চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।
- বাংলা সাহিত্যের ১০টি শাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিটি পুরস্কারের মূল্যমান ৩,০০,০০.০০ (তিন লক্ষ) টাকা। 

⇒ ১৯৫৫ সালে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণা ও প্রকাশনার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু হয় একাডেমির।
- ১৯৬০ সাল থেকে প্রবর্তন করা হয় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার।

⇒ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪:
• ফেব্রুয়ারি, ২০২৫-এ ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়। তারা হলেন—
- কবিতায়: মাসুদ খান,
- নাটক ও নাট্যসাহিত্যে: শুভাশিস সিনহা,
- প্রবন্ধ/গদ্যে: সলিমুল্লাহ খান,
- অনুবাদে: জি এইচ হাবীব,
- গবেষণায়: মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া,
- বিজ্ঞানে: রেজাউর রহমান,
- ফোকলোরে: সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উল্লেখ্য,
- শুরুতে এ তালিকায় ১০ জন কবি, লেখক ও গবেষকের নাম ছিল। তবে পুনর্বিবেচনার পর চূড়ান্ত তালিকায় সাতজনের নাম রাখা হয়েছে।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১২১.
দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর -
  1. পানগাঁও
  2. রূপপুর
  3. সন্দ্বীপ
  4. মিরসরাই-রাসমনি
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর:
- দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর হলো সন্দ্বীপ।
- চট্টগ্রামের সন্দ্বীপকে নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।

⇒ সন্দ্বীপকে নদীবন্দর ঘোষণা করে জারি করা প্রজ্ঞাপনে নদীবন্দরের চারদিকের সীমানার অক্ষাংশ–দ্রাঘিমাংশ উল্লেখ করা হয়। ভূ–ভাগের সীমানার বর্ণনা দিয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সন্দ্বীপ দ্বীপের চারপাশের তীরের সাধারণ ভরাকটালের সময় সর্বোচ্চ পানি সমতল থেকে ভূ–ভাগের দিকে ৫০ মিটার পর্যন্ত এর সীমানা বিস্তৃত। সন্দ্বীপ উপকূলীয় এলাকার ওই সীমানার মধ্যে খালগুলো নদীবন্দরের সীমানার আওতাভুক্ত হবে।

উল্লেখ্য,
- সন্দ্বীপসহ বর্তমানে নদীবন্দরের সংখ্যা ৫৪টি।
- এর মধ্যে চারটি বড় নদী বন্দর হচ্ছে ঢাকা (সদরঘাট), নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর ও বরিশাল।
- দেশের কনটেইনার টার্মিনাল নদীবন্দর হচ্ছে ঢাকার পানগাঁও।

উৎস: i) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ওয়েবসাইট।
ii) বণিক বার্তা।
১২২.
বাংলাদেশে কত তারিখে প্রথমবারের মতো ‘কৃষক দিবস’ উদযাপন হয়েছে?
  1. ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫
  2. ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫
  3. ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫
  4. ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫
ব্যাখ্যা
কৃষক দিবস:
- দেশে প্রথমবারের মতো উদযাপিত হয়েছে ‘কৃষক দিবস-২০২৫’।
- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রসারণ কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি, ২০২৫) দিবসটি পালন করা হয়।
- ‘কৃষকবান্ধব প্রযুক্তির সম্প্রসারণই হোক আমাদের অঙ্গীকার’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে দিবসটি পালন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এখন থেকে প্রতিবছর জানুয়ারির শেষ বৃহস্পতিবার কৃষক দিবস পালন করবে।

উৎস: প্রথম আলো।
১২৩.
নীতি পর্যালোচনা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান 'সিপিডি' কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  3. বদিউল আলম মজুমদার
  4. অধ্যাপক রেহমান সোবহান
ব্যাখ্যা
সিপিডি:
- সিপিডি (CPD)-এর পূর্ণরূপ: Center for Policy Dialogue.
- সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) হলো বাংলাদেশের একটি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা যা সরকারি বিভিন্ন বাণিজ্যিক পদক্ষেপের বিষয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- এটি ১৯৯৩ সালে অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এর সদর দপ্তর ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত।
- সিপিডির লক্ষ্য বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য একটি চাহিদা-চালিত এবং জবাবদিহিমূলক উন্নয়ন প্রক্রিয়া গড়ে তোলা, তথ্যবহুল বিতর্ক উদ্দীপিত করা, জ্ঞান তৈরি করা এবং গবেষণা, সংলাপ, প্রচার এবং সমর্থনের মাধ্যমে নীতি নির্ধারণকে প্রভাবিত করা।

অন্যদিকে,
- সুজনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।

উৎস: i) সিপিডি ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১২৪.
কৃষিতে 'রামরঙ্গন' কীসের জাত?
  1. কমলা
  2. আম
  3. বেগুন
  4. আলু
ব্যাখ্যা
কমলার জাত:
- কৃষিতে 'রামরঙ্গন' কমলার জাত।
- এ জাতের কমলা চাষের সুবিধা হচ্ছে, এটি প্রতিকূল পরিবেশসহিষ্ণু। প্রচণ্ড গরমে এ ফল ঝরে না। পরিপক্ব হওয়ার পরও গাছ থেকে ফল ঝরে পড়ে না। পাকার পরও ফলটি এক মাস গাছে রাখা যায়।
- এছাড়াও, কমলার উন্নত জাত: বারি কমলা-১, বারি কমলা-২, বারি কমলা-৩, খাসি, ম্যান্ডারিন। 

বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) প্রথম আলো।
১২৫.
নৃ-তাত্ত্বিক বিচারে চাকমারা কোন জনগোষ্ঠীর লোক?
  1. ককেশীয়
  2. মঙ্গোলীয়
  3. অস্ট্রেলীয়
  4. আর্য
ব্যাখ্যা
চাকমা নৃ-গোষ্ঠী:
- চাকমা সম্প্রদায় দেশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাস করে।
- অনুমান করা হয় ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা মঙ্গোলীয় জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। 
- চাকমারা আদি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। 
- চাকমাদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ ত্রিপিটক।
- চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু বা বিঝু।
- তাদের প্রধান জীবিকা কৃষি কাজ। জুম চাষের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন খাদ্যশস্য ও রবিশস্য উৎপাদন করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- চাকমাদের ভাষার নামও চাকমা। চাকমাদের নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে।
- চাকমাদের গ্রামকে বলে আদাম বা পাড়া।
- চাকমাদের কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা।
- চাকমা গ্রামের প্রধান হলেন কারবারি।
- চাকমা মৌজার প্রধান হলেন হেডম্যান।
- চাকমা সমাজের প্রধান (বংশানুক্রমিক) চাকমা রাজা।
- চাকমাদের পরিবার পিতৃতান্ত্রিক।
- চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাস ফেবো।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৬.
বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন:
- ১৯৭২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- শিপিং কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠার পরপরই বাংলার দূত এবং বাংলার সম্পদ নামের দুটো সমুদ্রগামী জাহাজ বিএসসিতে সংযোজিত হয়।
- তারপর থেকে বিএসসি এ যাবত সর্বমোট ৪৪টি জাহাজ সংগ্রহ করে।
- তবে জাহাজের স্বাভাবিক বয়সজনিত কারণে এবং বাণিজ্যিকভাবে অলাভজনক বিবেচিত হওয়ায় বিভিন্ন পর্যায়ে ৩৬টি জাহাজ বিক্রি বা স্ক্র্যাপ করা হয়।
- বর্তমানে ৮টি জাহাজের মিশ্র বহর নিয়ে বিএসসি সমুদ্রপথে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের পতাকা বহন করছে।

⇒ সাত সদস্যের একটি পরিচালনা পরিষদের মাধ্যমে বিএসসি পরিচালিত হয়।
- নৌপরিবহণ মন্ত্রী পদাধিকার বলে সংস্থাটির চেয়ারম্যান।
- বিএসসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- এছাড়া ঢাকা ও খুলনায় দুটি সাব অফিস রয়েছে। 
- বহির্বিশ্বে মালামাল আনা-নেয়ার সুবিধার্থে সিঙ্গাপুর ও লন্ডনে দুটি আঞ্চলিক অফিস খোলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১২৭.
'আন্তর্জাতিক চুক্তি' সম্পর্কে সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ১৪৬ নং
  2. ৭৫ নং
  3. ৮৭(১) নং
  4. ১৪৫ক নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- 'আন্তর্জাতিক চুক্তি' সম্পর্কেবাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৫ক নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৪৫ক। নং অনুচ্ছেদ:
- বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হবে, এবং রাষ্ট্রপতি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হবে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৪৬ নং অনুচ্ছেদে 'বাংলাদেশের নামে মামলা' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৮৭(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে 'বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি'। সংবিধানে বলা হয়েছে, 'প্রত্যেক অর্থবছর সম্পর্কে উক্ত অর্থবছরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয় - সংবলিত একটি বিবৃতি সংসদে উপস্থাপিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১২৮.
বাংলাদেশের ইতিহাসে যে ঘটনা আগে ঘটেছিল -
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. যুক্তফ্রন্ট গঠন
  3. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
  4. লাহোর প্রস্তাব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ইতিহাসে লাহোর প্রস্তাব আগে ঘটেছিল।

লাহোর প্রস্তাব:
- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ পাকিস্তানে লাহোরে মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ কে ফজলুল হক একটি প্রস্তাব পেশ করেন।
- জিন্নাহর সভাপতিত্বে প্রস্তাবটি সভায় গৃহীত হয়।
- এই প্রস্তাবই ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব নামে পরিচিত।
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল দ্বিজাতি তত্ত্ব।
- এ প্রস্তাবের কোথাও পাকিস্তান শব্দটি ছিল না।
- তথাপি এ প্রস্তাব ‘পাকিস্তান প্রস্তাব' হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
- এ প্রস্তাব ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে পৃথক আবাসভূমির স্বপ্ন বপন করে।

অন্যদিকে,
ভাষা আন্দোলন:
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

যুক্তফ্রন্ট গঠন:
- চারটি দল নিয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার হয় ২১ দফা।
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়ী হয় এবং মুসলিম লীগ শোচনীয়ভাবে পরাজয় বরণ করে।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১২৯.
নবাব ফয়জুন্নেছা জমিদার বাড়ি জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. গুরুদাসপুর, নাটোর
  2. লাকসাম, কুমিল্লা
  3. পুঠিয়া, রাজশাহী
  4. বদলগাছী, নওগাঁ
ব্যাখ্যা
নবাব ফয়জুন্নেছা জমিদার বাড়ি জাদুঘর:
- নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী ১৮৩৪ সালে কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার পশ্চিমগাঁও-এ এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন ভারত ও এশিয়ার প্রথম নারী নবাব।
- শিক্ষা ও উন্নয়নমূলক কাজে তাঁর ছিল অসামান্য অবদান।
- ১৮৯৪ সালে তিনি লাকসাম উপজেলার পশ্চিমগাঁও-এ নওয়াব ফয়জুন্নেসা জমিদার বাড়ি প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই নান্দনিক ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক স্থাপত্যের দোতলা প্রাসাদের রয়েছে একটি সুন্দর প্রবেশদ্বার, একতলা বৈঠকখানা, টালির ঘাটসহ পুকুর, মসজিদ,কবরস্থান ও ঈদগাহ।

⇒ বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের শাখা হিসেবে কুমিল্লার লাকসামে ০৬/১১/২০২৩ তারিখ নবাব ফয়জুন্নেছা জমিদার বাড়ী জাদুঘরের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
১৩০.
বর্তমান সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্বে রয়েছেন কে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. মো. তৌহিদ হোসেন
  3. এম সাখাওয়াত হোসেন
  4. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়:
- বর্তমান সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্বে রয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের জন্য একটি আধুনিক ও সুন্দর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়।
- সচিবালয় থেকে ১৯৭২ সালে এ মন্ত্রণালয়টি হাইকোর্ট ভবনে এবং ১৯৯৩ সালে শের-ই-বাংলা নগরের গণভবন কমপ্লেক্সে বর্তমান ভবনে স্থানান্তরিত হয়।
- প্রাথমিক পর্যায়ে ১৪টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে গঠিত হলেও বর্তমানে ২৫টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে এ মন্ত্রণালয় পরিচালিত হচ্ছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন।

⇒ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সময়োপযোগী কর্ম-উদ্যোগ এবং বাস্তবানুগ ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে চলেছে।
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন সামরিক অসামরিক প্রতিষ্ঠান সমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকীকরণ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম, সুখী, সমৃদ্ধ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রচেষ্টাকে আরো সুদৃঢ় ও শক্তিশালী করে তুলবে।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। 
১৩১.
বাংলাদেশে আইএমএফ-এর কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. জিইসি মোড়, চট্টগ্রাম
  2. ধানমন্ডি, ঢাকা
  3. টঙ্গী, গাজীপুর
  4. আগারগাঁও, ঢাকা
ব্যাখ্যা
IMF:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট আইএমএফের সদস্য পদ লাভ করে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে কার্যালয় স্থাপন করে আইএমএফ।
- সদস্য দেশে আবাসিক প্রতিনিধির নেতৃত্বে নিজস্ব অফিস পরিচালনা করে সংস্থাটি।
- ঢাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ভবনের পঞ্চম তলায় তাদের অফিস ছিল।
- বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও-এ আইএমএফ-এর কার্যালয় অবস্থিত।

- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করে।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
১৩২.
বাংলাদেশে সরকারের পক্ষ হয়ে মুদ্রানীতি ঘোষণা করে কোন সংস্থা?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. সোনালী ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
মুদ্রানীতি (Monetary policy):
- একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যে নীতি গ্রহণ করা হয়, তাকে মুদ্রানীতি বলে।
- মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে ওই দেশের সর্বোচ্চ আর্থিক কর্তৃপক্ষ।
- সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা।
- এ জন্য দেশের আর্থিক খাতের চিত্র কেমন হবে—এ নিয়ে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য নীতি ঠিক করা হয়।
- বাজারে মুদ্রার সরবরাহ পরিস্থিতি দিয়েই মূলত এটি ঠিক করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- ২০২৫ সালের জানুয়ারি-জুন পর্যন্ত সময়ের এ মুদ্রানীতিতে চড়তে থাকা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ রাখা ঘোষণা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে প্রতি ছয় মাস পরপর মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- সাধারণত জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর—এই সময়সীমা ধরে বাংলাদেশে মুদ্রানীতি দেওয়া হয়।

⇒ ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম মুদ্রানীতি দেওয়া হয়। তখন বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করত বাংলাদেশ ব্যাংক।
- পরে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ফজলে কবির বছরে একবার মুদ্রানীতি প্রণয়নের ঘোষণা দেন।
- পরের কয়েক বছর এমনই ছিল।
- পরে ২০২৩ সাল থেকে আবার বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণার রীতিতে ফিরে যায় বাংলাদেশ।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১৩৩.
স্নায়ুযুদ্ধকালীন যুক্তরাষ্ট্রের 'Containment Doctrine' এর প্রবক্তা কে?
  1. হেনরি কিসিঞ্জার
  2. জর্জ কেনান
  3. জন এফ. কেনেডি
  4. হ্যারি ট্রুম্যান
ব্যাখ্যা
Containment Doctrine: 
- Containment Doctrine হল একটি কৌশলগত পররাষ্ট্র নীতি এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪০-এর দশকের শেষের দিকে শুরু করে।
- স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে এই নীতির প্রবক্তা ছিলেন জর্জ এফ. কেনান। 

উল্লেখ্য, 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন, তিনি কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দিয়েছিল ফ্রান্স।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন ক্রীতদাস প্রথা বিলোপের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
- ১৮৬৩ সালে তার প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করা হয়।

সূত্র - Britannica.com
১৩৪.
আর্থ আওয়ার (Earth Hour) পালিত হয় কোন সংস্থার উদ্যোগে?
  1. Greenpeace
  2. World Watch
  3. WWF
  4. UNEP
ব্যাখ্যা

আর্থ আওয়ার ও WWF: 
- আর্থ আওয়ার হচ্ছে একটি পরিবেশ সচেতনতামূলক কার্যক্রম, এর উদ্দেশ্য হলো পরিবেশ দূষণ রোধে উৎসাহ সৃষ্টি করা।
- প্রতি বছর এক ঘন্টা বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ করে রাখার মাধ্যমে এই উদ্দেশ্যকে বাস্তবায়িত করা হয়।
- WWF (World Wide Fund for Nature) এই কার্যক্রমটির আয়োজন করে থাকে।
- ২০০৭ সালের ৩১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরে প্রথম আর্থ আওয়ার পালিত হয়। 
- WWF ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত।
- WWF পৃথিবীজুড়ে প্রকৃতি রক্ষা, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং পরিবেশের সুরক্ষায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

সূত্র: আর্থ আওয়ার ও WWF ওয়েবসাইট। 

১৩৫.
UN Peacebuilding Commission প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৫ সালে
  4. ২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের Peacebuilding Commission প্রতিষ্ঠিত হয় ২০ ডিসেম্বর ২০০৫ সালে।  

Peacebuilding Commission: 
- জাতিসংঘের Peacebuilding Commission (PBC) জাতিসংঘের একটি আন্তঃসরকারি পরামর্শক সংস্থা,
- ২০০৫ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদ যৌথভাবে প্রতিষ্ঠা করে।
- যার প্রধান লক্ষ্য সংঘাত-পরবর্তী দেশগুলোতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করা।
- এর লক্ষ্য হল সংঘাত-পরবর্তী শান্তি বিনির্মাণ এবং পুনরুদ্ধারের জন্য সমন্বিত কৌশল প্রস্তাব করা। 

সূত্র: United Nations ওয়েবসাইট।
১৩৬.
ন্যাটোর সদস্য দেশের মধ্যে কয়টি দেশ ইউরোপের বাইরে অবস্থিত?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা

- NATO-এর ৩২টি সদস্য দেশের মধ্যে ২টি দেশ ইউরোপের বাইরে অবস্থিত। এগুলো হলো — যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা।
 
NATO: 
- ন্যাটো একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট,
- এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- এটি ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠাকালে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ, বর্তমানে সদস্য বেড়ে ৩২টিতে পৌঁছেছে।

উল্লেখ্য, 
- ন্যাটোতে মুসলিম দেশ হিসেবে তুরস্ক ও আলবেনিয়া সদস্যপদ লাভ করেছে।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য হয়।
- সংগঠনের সর্বশেষ সদস্য সুইডেন, এটি ২০২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করেছে।
- বর্তমানে ন্যাটোর প্রধান মার্ক রুট্টে।

সূত্র: ন্যাটোর ওয়েবসাইট। 

১৩৭.
ভারতের কোন অঞ্চলকে ঘিরে খালিস্থান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চলছে?
  1. রাজস্থান
  2. তামিলনাড়ু
  3. মহারাষ্ট্র
  4. পাঞ্জাব
ব্যাখ্যা

খালিস্তান রাষ্ট্র: 
- খালিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যকে কেন্দ্র করে চলছে।
- শিখ সম্প্রদায়ের কিছু অংশ দাবি করছে যে পাঞ্জাবকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করে একটি স্বাধীন শিখ রাষ্ট্র গঠন করতে হবে, যার নাম হবে "খালিস্তান"।
- ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির সময় থেকেই এই ধারণা আলোচনায় আসে।
- বিশেষ করে ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে এই আন্দোলন সহিংস রূপ নেয় এবং এক দশকের বেশি সময় ধরে বিদ্রোহ চলে। ভারতের দৃষ্টিতে এটি একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সন্ত্রাসী আন্দোলন, তবে সমর্থকদের মতে এটি একটি স্বাধীনতা সংগ্রাম।
- বর্তমানে এই আন্দোলন দেশের বাইরেও সক্রিয়, বিশেষ করে কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত শিখদের মধ্যে।

সূত্র: বিবিসি নিউজ ও দৈনিক জনকণ্ঠ। 

১৩৮.
কার্বন নিঃসরণ কমাতে কোন দেশের নেতৃত্বে নতুন ফোরাম ‘জি-জিরো’ গঠন করা হয়েছে?
  1. ভুটান
  2. মালদ্বীপ
  3. ভারত
  4. শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
- ভুটানের নেতৃত্বে কার্বন নিঃসরণ কমাতে গঠিত হয় ফোরাম 'জি জিরো'। 

জি-জিরো: 

- বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৯-এ ভুটানের নেতৃত্বে নতুন পরিবেশবান্ধব ফোরাম ‘জি-জিরো’ গঠন করা হয়েছে।
- এই ফোরামে চারটি কার্বন-নেতিবাচক দেশ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে,
- এগুলো হলো ভুটান, পানামা, সুরিনাম, ও মাদাগাস্কার।
- ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে এই উদ্যোগের মূল উদ্যোক্তা, এর লক্ষ্য কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে পরিবেশকে রক্ষা করা।
- বাকুতে অনুষ্ঠিত কপ-২৯ সম্মেলনে এই চার দেশ যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করে। এই ফোরাম বিশ্বকে টেকসই ও দূষণমুক্ত পরিবেশের জন্য অনুপ্রাণিত করতে কাজ করবে।

সূত্র: প্রথম আলো। 
১৩৯.
World Bank এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  3. ওয়াশিংটন, ডি.সি., যুক্তরাষ্ট্র
  4. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক:
- বিশ্বব্যাংক বলতে মূলত আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন ব্যাংক (IBRD - International Bank for Reconstruction and Development)-কে বোঝানো হয়।
- এটি ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং কার্যক্রম শুরু করে জুন, ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমানে বিশ্বব্যাংকের ১৮৯টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- সংস্থাটির সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- বিশ্বব্যাংকের বর্তমান প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা, তিনি ১৪তম প্রেসিডেন্ট।
- বিশ্বব্যাংকের অধীনে পাঁচটি প্রধান অঙ্গসংস্থা রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: 
1. International Bank for Reconstruction and Development (IBRD).
2. International Finance Corporation (IFC).
3. Multilateral Investment Gaurantee Agency (MIGA).
4 International Center for settlement of Investment Disputes (ICSID).
5.International Development Association (IDA).

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৪০.
ওয়াটারলু যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম কী?
  1. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  2. জেনারেল আইসেন হাওয়ার
  3. ডিউক অব ওয়েলিংটন
  4. আর্চডিউক চার্লস
ব্যাখ্যা
- ওয়াটারলু যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম ডিউক অব ওয়েলিংটন।  

ওয়াটারলু যুদ্ধ: 

- ওয়াটারলু যুদ্ধ বেলজিয়ামে সংঘটিত হয়েছিল ১৮১৫ সালে।
- এই যুদ্ধে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট পরাজিত হন।
- তাঁর পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসিত করা হয়,
- সেখানে তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর কারণ ছিল আর্সেনিকের বিষক্রিয়া।

উল্লেখ্য, 
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন ফ্রান্সের অবিসংবাদিত সম্রাট এবং একজন দক্ষ সেনাপ্রধান।
- তিনি ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন এবং তাঁর নেতৃত্বে ফ্রান্স ইউরোপের একটি শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত হয়। নেপোলিয়নকে ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয়। 
- তবে ওয়াটার লু যুদ্ধে পরাজয়ের পর আরথার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন) নেতৃত্বাধীন ব্রিটিশ বাহিনীর কাছে তাঁর পতন ঘটে।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 
১৪১.
১৮০৫ সালের ট্রাফালগার যুদ্ধে কোন দেশ বিজয়ী হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ব্রিটেন
  3. স্পেন
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

- ট্রাফালগার যুদ্ধে ব্রিটেন জয় লাভ করে।

ট্রাফালগার যুদ্ধ: 

- ট্রাফালগার যুদ্ধ ১৮০৫ সালের ২১ অক্টোবর স্পেন উপকূলে সংঘটিত হয়।
- এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম রক্তক্ষয়ী নৌযুদ্ধ।
- ব্রিটেনের এডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে, ব্রিটেন ফ্রান্স ও স্পেনের মিলিত নৌশক্তির বিরুদ্ধে জয় লাভ করে।
- এই বিজয়ের পর, লন্ডনে ট্রাফালগার স্কয়ার নির্মিত হয় নেলসনের প্রতি সম্মান জানাতে।
- ট্রাফালগার স্কয়ার বর্তমানে ইংল্যান্ডের সেন্ট্রাল লন্ডনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিলনস্থল।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম। 

১৪২.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ভিয়েতনামকে ১৭° অক্ষরেখা বরাবর বিভক্ত করা হয়েছিলো?
  1. জেনেভা চুক্তি
  2. উই রিভার চুক্তি
  3. গুড ফ্রাইডে চুক্তি
  4. ভিয়েনা চুক্তি
ব্যাখ্যা

জেনেভা চুক্তি (১৯৫৪) ও ভিয়েতনামের বিভাজন: 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে ভিয়েতনামের মুক্তিযুদ্ধ ছিল বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- ভিয়েতনামের মুক্তি সংগ্রাম দুটি পর্বে বিভক্ত: প্রথমটি ছিল ফরাসি সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রাম এবং দ্বিতীয়টি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রাম।
- হো-চি-মিন এর নেতৃত্বে বামপন্থী ভিয়েতনামি বাহিনী সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে প্রবল সংগ্রাম গড়ে তোলে।
- এর ফলে, ফরাসি বাহিনী দিয়েন-বিয়েন-ফু যুদ্ধে হো-চি-মিনের বাহিনীর কাছে পরাজিত হয়।
- ১৯৫৪ সালে ফরাসি বাহিনীর প্রধান জেনারেল গিয়াপ চূড়ান্ত পরাজয়ের মুখে পড়েন এবং আত্মসমর্পণ করেন, এটা ভিয়েতনামের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পর্বের সমাপ্তি ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য, 
- এই পরিস্থিতিতে ২১ জুলাই, ১৯৫৪ তারিখে জেনেভা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি অনুযায়ী, ভিয়েতনামকে ১৭⁰ অক্ষরেখা বরাবর উত্তর ও দক্ষিণ দুই ভাগে ভাগ করা হয়। উত্তর ভিয়েতনামে থাকবে হো-চি-মিনের নেতৃত্বাধীন ভিয়েতমিন বাহিনী এবং দক্ষিণ ভিয়েতনামে আপাতত ফরাসি বাহিনী থাকবে।

অন্যদিকে, 
- উই রিভার চুক্তি: উই রিভার চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালে ইসরাইল ও পিএলও এর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- গুড ফ্রাইডে চুক্তি: গুড ফ্রাইডে চুক্তি বেলফাস্ট চুক্তি নামেও পরিচিত, উত্তর আয়ারল্যান্ডে দীর্ঘদিনের যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
- ভিয়েনা চুক্তি: অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় হফবুর্গ প্যালেসে ১৯৬১ সালে ভিয়েনা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

সূত্র: হিস্টোরি ডট কম, ব্রিটানিকা। 

১৪৩.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপের পুনর্গঠনের লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনটি ঘোষণা করে?
  1. মার্কিন প্যাক্ট
  2. মার্শাল প্লান
  3. ট্রুম্যান ডকট্রিন
  4. মনরো ডকট্রিন
ব্যাখ্যা

মার্শাল প্লান: 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত আর্থিক প্রণোদনা মার্শাল প্লান বা মার্শাল পরিকল্পনা নামে পরিচিত।
- তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ সি. মার্শাল এটি প্রণয়ন করেন।
- ১৯৪৮ সালের ৩ এপ্রিল তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান এতে স্বাক্ষর করেন ও তখন থেকে কার্যকর হয়।
- ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত চার বছরের মেয়াদি এই পরিকল্পনায় ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অধিক বরাদ্দ দেওয়া হয়, যার বেশিরভাগই পায় ব্রিটেন এবং ফ্রান্স।
- ইউরোপ পুনর্গঠনের পাশাপাশি মার্শাল প্লানে পশ্চিম ইউরোপে কমিউনিজমের বিস্তার রোধ, ন্যাটো চুক্তি স্বাক্ষর, সিআইএ এর কর্মপরিধি বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন উদ্দেশ্য নিহিত ছিলো।

অন্যদিকে: 
- ট্রুম্যান ডকট্রিন: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধের সময়কালে কমিউনিজম ও সোভিয়েত প্রভাব ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের পবর্তিত পররাষ্ট্রনীতির নাম - ট্রুম্যান ডকট্রিন (Truman Doctrine)।
- মনরো ডকট্রিন ১৮২৩ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো দ্বারা ঘোষিত একটি নীতি। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম। 

১৪৪.
গ্রিনপিস (Greenpeace) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রিনপিস (Greenpeace):
- গ্রিনপিস (Greenpeace) একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা পরিবেশ রক্ষার জন্য কাজ করে।
- এটি ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাকালীন স্থান ছিল ভ্যাঙ্কুভার, কানাডা।
- সংস্থাটির সদর দপ্তর বর্তমানে আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস-এ অবস্থিত।
- গ্রিনপিস পৃথিবীর পরিবেশগত সমস্যা সমাধান এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রচারণা চালায়।

উৎস: Greenpeace International
১৪৫.
নিচের কোন সংকটকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘে ১৯৫০ সালে শান্তির জন্য ঐক্যপ্রস্তাব পাশ করা হয়?
  1. কিউবা সংকট
  2. ভিয়েতনাম সংকট
  3. সাইপ্রাস সংকট
  4. কোরিয়া সংকট
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ: 
- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।  
- ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কোরিয়া সংকটকে কেন্দ্র করে শান্তির জন্য "ঐক্য প্রস্তাব" (Uniting for Peace) গ্রহণ করে, এটা 377(V) রেজ্যুলেশন নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য, 
- কোরিয়া সংকট বা কোরীয় যুদ্ধ ১৯৫০-১৯৫৩ সাল পর্যন্ত চলেছিল।
- যুদ্ধের মধ্যে ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত উত্তর কোরিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত দক্ষিণ কোরিয়া।
- এই যুদ্ধের ফলস্বরূপ, জাতিসংঘ ৩ নভেম্বর, ১৯৫০ সালে Uniting for Peace resolution পাশ করে এবং যুদ্ধের উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
- অবশেষে, ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

সূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট। 

১৪৬.
United Nations Environment Programme এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. কেনিয়া
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. অস্ট্রিয়া
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
UNEP: 
- এর পূর্ণরূপ United Nations Environment Programme।
- UNEP হলো পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের জন্য কাজ করা একটি বৈশ্বিক সংস্থা।
- এটি ৫ জুন, ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে UNEP-এর সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা ১৯৩
- UNEP-এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত। 
- পরিবেশ সংরক্ষণে অসামান্য অবদানের জন্য UNEP প্রতি বছর "চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ" পুরস্কার প্রদান করে।

সূত্র: UNEP ওয়েবসাইট।
১৪৭.
নিচের কোনটি বলকান অঞ্চলের দেশ?
  1. মেসিডোনিয়া
  2. লিথুনিয়া
  3. লাটভিয়া
  4. এস্তোনিয়া
ব্যাখ্যা

বলকান দেশ: 
- বলকান দেশ বলকান পর্বতমালা এবং বলকান পেনিনসুলার মধ্যে অবস্থিত।
- এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির মধ্যে রয়েছে আলবেনিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, কসোভো, মন্টিনিগ্রো, মেসিডোনিয়া, রোমানিয়া, সার্বিয়া এবং স্লোভেনিয়া।  

এছাড়াও,
বাল্টিক দেশ: 
- বাল্টিক সাগরের তীরে অবস্থিত তিনটি দেশকে বাল্টিক দেশ বলে। 
- এই দেশগুলো হল এস্তোনিয়া, লিথুনিয়া এবং লাটভিয়া।
- বাল্টিক সাগরের তীরে আরো কিছু দেশ রয়েছে, তবে এই তিনটি দেশই বাল্টিক অঞ্চলের প্রধান অংশ।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা.কম। 

১৪৮.
সর্বশেষ কপ-২৯ কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে? [ফেব্রুয়ারি - ২০২৫] 
  1. ব্রাজিল
  2. আজারবাইজান
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
• জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP):
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the Parties,
- ১৯৯২ সালে জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCCC)-এ স্বাক্ষরিত হয়।
- এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য হলো জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা করা।
- COP সম্মেলন প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়, এবং এর প্রথম সম্মেলনটি ১৯৯৫ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে কপ-২৯ আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত হয়েছে, এবং ২০২৫ সালের কপ-৩০ সম্মেলনটি আয়োজন করবে ব্রাজিল।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট, জাতিসংঘ বাংলাদেশ ওয়েবসাইট এবং ব্রাজিলের সরকারি ওয়েবসাইট।
১৪৯.
NPT চুক্তিটি কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. পরিবেশ সংরক্ষণ
  2. পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  3. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য
  4. মানবাধিকার সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
NPT চুক্তি:
- NPT এর পূর্ণরূপ Non-Proliferation of Nuclear Weapons,
- এটি পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধের লক্ষ্যে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এই চুক্তির তিনটি প্রধান স্তম্ভ হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ (Non-Proliferation), নিরস্ত্রীকরণ (Disarmament), এবং পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার (Peaceful Use of Nuclear Energy)।
- ১ জুলাই, ১৯৬৮ সালে NPT চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ৫ মার্চ, ১৯৭০ সালে এটি কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৯ সালে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। 

উৎস: Nuclear Threat Initiative Website.
১৫০.
ইস্ট লন্ডন (East London) সমুদ্র বন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. ভারত
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. আয়ারল্যাড
ব্যাখ্যা

ইস্ট লন্ডন সমুদ্র বন্দর: 
- ইস্ট লন্ডন সমুদ্র বন্দর দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশে অবস্থিত।

- এটি বাফেলো নদীর মোহনায়, ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত।
- এই বন্দরটি পোর্ট রেক্স নামে পরিচিত ছিল।
- এটি ইস্ট লন্ডন শহরের বাফেলো সিটি পৌরসভার অধীনে পরিচালিত হয়।
 
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- দেশটির আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- মুদ্রার নাম র‍্যান্ড।

সূত্র: ব্রিটানিকা।