পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

পরীক্ষাপ্রাইমারি ডেইলি কুইজতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়05 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৬১: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বিজ্ঞান) টপিক: প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান (জীববিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট) গুরুত্বপূর্ণ টপিক: কোষ, মানবদেহ, রোগ-জীবানু, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, খাদ্য-পুষ্টি, ভ্যাক্সিনেশন, পরাগায়ন, আধুনিক চাষবিষয়ক বিদ্যা, সালোকসংশ্লেষণ, উদ্ভিদের পুষ্টি, ইত্যাদি। উৎস: বিজ্ঞান বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
ইস্টের সংশ্লিষ্টতা নেই কোন শিল্পে?
  1. রুটি শিল্পে
  2. মদ্য শিল্পে
  3. এক কোষীয় প্রোটিন শিল্পে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ইস্ট:
- ইস্ট একটি ছত্রাক জাতীয় এককোষী অণুজীব।
- বেকারি শিল্পে ইস্ট ব্যবহৃত হয়। 
- মদ্য শিল্পে ইথানল প্রস্তুতিতে ইস্ট ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়াও এক কোষীয় প্রোটিন তৈরীতে ইস্ট ব্যবহৃত হয়।
- ইস্ট ভিটামিনসমৃদ্ধ বলে ট্যাবলেট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
.
অণুজীব বিজ্ঞানের জনক কে?
  1. লিউয়েন হুক
  2. রবার্ট হুক
  3. লুই পাস্তুর
  4. উইলিয়াম হার্ভে
ব্যাখ্যা
- ডাচ বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ভন লিউয়েনহুক ১৬৭৫ সালে তার উদ্ভাবিত সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করে এক ফোঁটা বৃষ্টির পানিতে ব্যাকটেরিয়ার অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন।
- তিনি এদের "Animalcule" বা ক্ষুদ্র প্রাণী বলে অভিহিত করেন।
- এজন্য তাকে "Father of Bacteriology" বা ব্যাকটেরিওলজির জনক হিসেবে পরিচিতি দেওয়া হয়, যা তাকে অনুজীব বিজ্ঞানের জনক হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করেছে।
- পরবর্তীতে, ১৮২৯ সালে জার্মান বিজ্ঞানী এহরেনবার্গ এই প্রাণীদের "ব্যাকটেরিয়া" নাম দেন।
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর (১৮২২-১৮৯৫) ব্যাকটেরিয়ার উপর ব্যাপক গবেষণা করে ব্যাকটেরিয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

অন্যদিকে,
- বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর রোগজীবাণু তত্ত্ব উদ্ভাবন করেন।
- বিজ্ঞানী রবার্ট হুক কোষ আবিষ্কার করেন।
- বিজ্ঞানী উইলিয়াম হার্ভে  শরীরবিদ্যার জনক।

উৎস: উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
.
কোনটি দেহকোষ নয়?
  1. স্নায়ুকোষ
  2. লোহিত রক্তকণিকা
  3. শুক্রাণু
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দেহকোষ (Somatic cell):
- বহুকোষী জীবের দেহ গঠনে এসব কোষ অংশগ্রহণ করে।
- মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভাজনের মাধ্যমে দেহকোষ বিভাজিত হয় এবং এভাবে দেহের বৃদ্ধি ঘটে।
- বিভিন্ন তন্ত্র ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠনে দেহকোষ অংশ নেয়।
উদাহরণ: স্নায়ুকোষ, রক্ত, রক্তকণিকাসমূহ, ফুসফুস, হৃদপিন্ড,অস্থিকোষ ইত্যাদি।

• জননকোষ (Gametic cell):
- যৌন প্রজনন ও জনঃক্রম দেখা যায়, এমন জীবে জননকোষ উৎপন্ন হয়।
- মিয়োসিস পদ্ধতিতে জনন মাতৃকোষের বিভাজন ঘটে এবং জনন কোষ উৎপন্ন হয়।
- অপত্য জননকোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃজনন কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার অর্ধেক থাকে।
- পুং ও স্ত্রী জননকোষ মিলিত হয়ে নতুন জীবের দেহ গঠনের সূচনা করে।
- পুং ও স্ত্রী জননকোষের মিলনের ফলে সৃষ্ট এই প্রথম কোষটিকে জাইগোট (Zygote) বলে।
- জাইগোট বারবার বিভাজনের মাধ্যমে জীবদেহ গঠন করে।
উদাহরণ: শুক্রাণু ও ডিম্বাণু।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম- ১০ম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশে ইপিআই (EPI) কর্মসূচীতে কয়টি রোগের ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ১১ টি
ব্যাখ্যা
• সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি(ইপিআই):
- শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার এবং শিশুর পঙ্গুত্বের হার কমানোর লক্ষ্যে ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) চালু হয়।
- শুরুতে ছয়টি রোগের প্রতিষেধক টিকা প্রদান করা হলেও বর্তমানে ১০টি রোগের টিকা প্রদান করা হচ্ছে।
এগুলো হলো:
- শিশুদের যক্ষ্মা, পোলিওমাইলাইটিস,  ডিফথেরিয়া,  হুপিং কাশি, এমআর (হাম, রুবেলা), নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া।
- মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস-বি,  হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি জনিত রোগসমূহ।

উৎসঃ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ICDDR,B ওয়েবসাইট।
.
সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি পরিমাণে হয়-
  1. লাল আলোতে
  2. হলুদ আলোতে
  3. কমলা আলোতে
  4. সবুজ আলোতে
ব্যাখ্যা
• সালোকসংশ্লেষণে আলোর ভূমিকা:
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় আলোর গুরুত্ব অপরিসীম।
- পানি এবং CO₂ থেকে শর্করা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির উৎস আলো।
- সূর্যালোক ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে অংশগ্রহণ করে।
- সূর্যালোকের প্রভাবেই পত্ররন্ধ্র উন্মুক্ত হয়, CO₂ পাতার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে এবং খাদ্য প্রস্তুতকরণে অংশগ্রহণ করে।
- কিন্তু পাতায় যেটুকু আলো পড়ে, তার অতি সামান্য অংশই সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।
- আবার আলোকবর্ণালির লাল, নীল, কমলা এবং বেগুনি অংশটুকুতেই সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয়।
- সবুজ কিংবা হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয় না।
- একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত আলোর পরিমাণ বাড়লে সালোকসংশ্লেষণের হারও বেড়ে যায়।
- কিন্তু আলোর পরিমাণ অত্যধিক বেড়ে গেলে পাতার ভিতরকার এনজাইম নষ্ট হয়ে যায়, ক্লোরোফিল উৎপাদন কম হয়।
- ফলে সালোকসংশ্লেষণের হারও কমে যায়।
- সাধারণত 400 nm থেকে 480 nm অর্থাৎ বেগুনি আলো এবং 680 nm (ন্যানোমিটার) তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট 'লাল' আলোতে  সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম- ১০ম শ্রেণি।
.
নিচের কোন সারটি জমিতে নাইট্রোজেনের অভাব পূরণ করে?
  1. টিএসপি
  2. এমওপি
  3. ইউরিয়া
  4. এসএসপি
ব্যাখ্যা
• ইউরিয়া সার: 
- ইউরিয়া একটি নাইট্রোজেন সংবলিত রাসায়নিক সার, যা ব্যাপক হারে ফসলের জমিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ থাকে ৪৬%।
- ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে যা শিকড়ের বৃদ্ধি বিস্তাররে সহায়তা করে থাকে।
- গাছের ও শাকসবজির পর্যাপ্ত পরিমাণ পাতা, ডালপালা ও কান্ড উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে।
- ইউরিয়া সার ক্লোরোফিল উৎপাদনের মাধ্যমে গাছপালাকে গাঢ় সবুজ বর্ণ প্রদান করে থাকে।
- কুশি উৎপাদনসহ ফলের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- উদ্ভিদের শর্করা ও প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে থাকে।
- এছাড়াও গাছের অন্যান্য সব আবশ্যক উপাদানের পরিশোষণের হার বাড়িয়ে থাকে।

অন্যদিকে,
- এমওপি (মিউরেট অফ পটাশ) মাটিতে পটাশিয়ামের অভাবে ব্যবহার করা হয়।
- টিএসপি (ট্রিপল সুপার ফসফেট) ও এসএসপি (সিংগেল সুপার ফসফেট) মাটিতে ফসফরাসের অভাবে ব্যবহার করা হয়।
 
উৎস: জাতীয় কৃষি বাতায়ন ওয়েবসাইট।
.
পাখিপালন বিদ্যাকে কী বলে?
  1. সেরিকালচার
  2. এভিকালচার
  3. অর্থিনোলজি
  4. হর্টিকালচার
ব্যাখ্যা
- পাখিপালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার।

এছাড়াও
- মৎস্যচাষ বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার
- মৌমাছি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার।
- রেশম চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার।
- উদ্যান পালন বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার।
- চিংড়ি চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- প্রণকালচার।
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- মেরিকালচার।
- পাখি সম্পর্কিত বিদ্যাকে Ornithology বলে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
মানব দেহের দীর্ঘতম কোষ কোনটি?
  1. নেফ্রন
  2. নিউরন
  3. শুক্রাণু
  4. লোহিত রক্তকণিকা
ব্যাখ্যা
• নিউরন:
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান কেন্দ্র হলো মস্তিষ্ক।
- স্নায়ুতন্ত্রের একক নিউরন, আর অসংখ্য নিউরন নিয়ে গঠিত হয়েছে মস্তিষ্ক।
- প্রাণিদেহের যে তন্ত্র দেহের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে, বিভিন্ন জৈবিক কার্যাবলির সমন্বয় সাধন করে এবং উদ্দীপনায় সাড়া দিয়ে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টির মাধ্যমে পরিবেশের মধ্যে সম্পর্ক রক্ষা করে, সে তন্ত্রকে স্নায়ুতন্ত্র বলে।
- মানবদেহের সবচেয়ে দীর্ঘতম কোষ হলো নিউরন যা প্রায় 1.37 মিটার লম্বা।
- প্রতিটি নিউরন দুটি অংশ নিয়ে গঠিত- কোষদেহ এবং প্রলম্বিত অংশ।
- প্রলম্বিত অংশ দুই ধরনের: (i) ডেনড্রন (ii)অ্যাক্সন।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
.
সালোক সংশ্লেষণ ঘটে-
  1. সবুজ পাতায়
  2. সবুজ কাণ্ডে
  3. সবুজ শাখা প্রশাখায়
  4. উপরের সবকটিতে
ব্যাখ্যা
• সালোক সংশ্লেষণ:
- শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্য্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোক সংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে।

- সালোক সংশ্লেষণের জন্য চারটি প্রয়োজনীয় উপাদান হচ্ছে:
(১) আলো (২) ক্লোরোফিল (৩) পানি ও (৪) কার্বন ডাই-অক্সাইড।

- সালোক সংশ্লেষণ সাধারণত উদ্ভিদের সবুজ অঙ্গে যেখানে ক্লোরোফিল আছে সেখানে ঘটে।
- যেমন: পাতা, সবুজকাণ্ড, শাখাপ্রশাখা প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- মূল মাটির নিচে থাকে এবং এটি উদ্ভিদের অসবুজ অংশ তাই এখানে সালোকসংশ্লেষণ ঘটে না।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।